নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ১০০০তম দিন উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও আলোচনা সভায় ফাউন্ডেশনের জেলা টিমের ১ম ব্যাচের সদস্য ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ার কাউসার আলম সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। পরে সভাশেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা চারাগাছ লাগিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।
সভায় অতিথিরা বলেন, প্লাটফর্মের কার্যক্রমটি খুবই ব্যক্তিক্রমী। কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য’র সাথে তাল মিলিয়ে প্রশিক্ষণ নিলে তরুণরা মাদকাসক্ত না হয়ে দেশের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্পর্কে পজিটিভ মন্তব্য করে অনেকে আবার বলেন, এরকম তরুণ উদ্যোক্তা এগিয়ে নিজেরাই কর্মদ্যোগ নিলে দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে বলেও মন্তব্য করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাবেয়া সাফমা আফসার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশিদ, পেরাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা। এসময় ফাউন্ডেশনের জেলার বিভিন্ন উপজেলা এম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ারসহ সদস্যসহ শুভাকাঙ্খীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের সদস্য ফোরকান হোসাইন সোহা ‘র সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সদর উপজেলা এম্বাসেডর ও ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী দহেন বিকাশ ত্রিপুরা।
পরে আবার প্রথম অধিবেশনের পরে জেলা সদরের বাসটার্মিনাল এলাকার এইচ এম পার্বত্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ কে এম তোফায়েল আহম্মদ, উপাধ্যাক্ষ ডাঃ জ্যোতি বিকাশ চাকমাসহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।