See More Post

আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক

🧑‍💻গল্প  🧑‍💻গল্প 🧑‍💻 গল্প

আসসালামুয়ালাইকুম

আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত  হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক।

             🧕🧕 জীবনের গল্প🧕🧕

পরিচয়:  আমার আসল নাম মাহফুজা জেসমিন, এবং ডাক নাম হচ্ছে লিমা, আর আমার প্রফাইল আইডি হচ্ছে লিমা রহমান দিয়ে। আমার জন্ম ১৯৯৩ সালের ১০ মার্চ, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের চিওড়া গ্রামেই আমার জন্ম। আমরা তিন বোন এক ভাই এবং তাদের মধ্যে সবার ছোট আমি। আমার বড় বোন ঢাকায় থাকেন, মেজ বোন কুমিল্লায়, আমার একমাত্র ভাই যার কথা না বললেই নয়, যিনি সবসময় আমাদের সুখে দুঃখে আমাদের পাশে থাকেন, তিনিও এই গ্রুপের একজন সদস্য Abdul Munim  তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।  আমার বাবা একজন ব্যাংকার তিনি অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজার ছিলেন বর্তমানে তিনি  আর আমাদের মাঝে নেই ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট মহান রাব্বুল আলামীনের ডাকে সারা দিয়ে আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যান আমার বাবা। আল্লাহ আমার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।

এ দোয়াই করি এবং আমার মা একজন গৃহিনী।

আমি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করি আমাদের গ্রামের চিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করি চিওড়া কেজি আহাম্মেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। আমার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল ছিল আমার ঘর থেকে ৫ মিনিটের পথ। আমি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে(এ, ৪.৫০ গ্রেইট ) নিয়ে এস এ সি পাস করি ২০০৯ সালে, ফলাফল প্রকাশ হয় মে মাসের ২৬ তারিখ, তার কিছুদিন পরই মানে জুলাই মাসের ৩ তারিখ, আমার বিয়ে হয়ে যায়। শুরু হয়ে যায় আরেক জীবন সেই জীবনের নাম 


বৈবাহিক জীবন: মানুষের বৈবাহিক জীবন শুরু হয় হানিমুন, ঘোরাঘুরি, বেড়ানো, ইত্যাদি দিয়ে। ‌মাশাআল্লাহ,আমার বৈবাহিক জীবনের দ্বিতীয় দিন শুরু হয়েছে কলেজের ভর্তি দিয়ে। বিয়ের দ্বিতীয় দিন, সকাল বেলা আমার স্বামী এবং আমার শাশুড়ি এসে বলল, রেডি হও বাহিরে যাবে তখন তেমন বয়স তো  হয়নি, কোথায় যাব কেন যাব সে সব প্রশ্ন করার মত ব্রেইন তখন হয়নি,তখন তো এমন এক জীবন ছিল বাহিরে যাব শুনলেই আনন্দ পেতাম। রেডি হলাম জামাই মশাই আমাকে নিয়ে বের হলো, জিজ্ঞেস করলাম কোথায় যাচ্ছি? আমাকে জবাব দিলো, দেখিনা কতটুকু যাওয়া যায় যেতে যেতে আমাদের গাড়ি থামলো একটা কলেজের সামনে।তো আমার আবার প্রশ্ন কলেজে  আমরা কেনএসেছি? আমাকে উত্তর দিল কলেজ টা অনেক সুন্দর না তাই দেখতে আসলাম ।তো আর কি গাড়ি থেকে নামলাম,  ভিতরে ঢুকলাম, প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলাম,ওখানে গিয়ে দেখি ওখান থেকে ফ্রম নিয়ে ফিলাপ করল এবং জমা দিল।কলেজটা ছিল প্রাইভেট কেননা সরকারি সব কলেজে এডমিশন নেওয়া হয়ে গিয়েছিল।মানে সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় ছিলনা। আমাকে ভর্তি করিয়ে দিল ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে।আবার বাসায় চলে আসলাম,বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার চলে গেলাম সাজুগুজু করতে পার্লারে, পার্লার থেকে চলে গেলাম ক্লাবে ওই দিন হল আমাদের বৌভাত। 

শুরু হলো ৩য় জীবন, অর্থাৎ ২০১২ সালে ১৬ জানুয়ারি আমাদের ঘর আলোকিত করে আসে আমার বড় মেয়ে, যার নাম জান্নাতুল ফেরদৌস, সে বর্তমানে ক্লাস থ্রিতে পড়ে। মেয়ের যখন ৩ মাস বয়স শুরু হয় আমার আরেক যুদ্ধ, এই যুদ্ধ সেই যুদ্ধনা সেটি হলো পড়ালেখার যুদ্ধ, অনার্সে এডমিশন টেস্টে পাশ করেও আমার নিজের কারণে আমি অনার্সে ভর্তি হইনি, কারণ বাচ্ছা ছোট, অনার্সে প্রতিদিন টানা ক্লাস করতে হয় তাই, বাচ্চার খুব কষ্ট হয়ে যাবে।তাই ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস কোর্সে ভর্তি হই ২০১২ সালের সম্ভাবত মার্চ মাসে। মাশাআল্লাহ আমি ২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৪ তারিখ সেকেন্ড ক্লাস পেয়ে পাস করি।মাত্র ৭ টা নাম্বারের ব্যবধানে আমি পাস্ট ক্লাস পেলাম না, এটি আমার জীবনের বড় একটি এক্সিডেন্ট। এক্সিডেন্ট বললাম এই জন্য,পাস কোর্স ৩ বছরের, পাস্ট ইয়ারে যখন পরিক্ষা হয়, তখন আমি নাম্বার পাই একাউন্টিং এ ৭৬, ইকোনমিক্সে ৬৯, এবং ম্যানেজমেন্টে ৭২। এক্সিডেন্ট হলো এখানে, ফাইনাল ইয়ারে সব ইয়ারের নাম্বার যোগ করে ফলাফল প্রকাশ হয়। কিন্তু সেখানে পাস্ট ইয়ারের নাম্বার আসলে মাত্র ৬০, ৬৭,৬২, ভূল করলো উনারা আর ফল দিতে হল আমাকে।এই ভূল সহ, মাত্র ৭ টা নাম্বারের জন্য পাস্ট ক্লাস পেলাম না। এরি মাঝে আমাদের ঘর আলোকিত করে আসে আমার আরেক মেয়ে, ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল, যার নাম ফাতেমা তুজ জোহরা, সে এখন ক্লাস ওয়ানে পড়ে। বর্তমানে আমি ২ মেয়ের জননী। 

এবার ভর্তি হই মাস্টার্সে মাশাআল্লাহ আমি ২০১৯ সালে সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ( আউট অফ ৪ এর মধ্যে ৩.৪৪ পেয়ে) আমাদের কলেজ  চট্টগ্রাম সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ থেকে ফাস্ট ক্লাস ফার্স্ট হই। এরি মাঝে শিক্ষা জীবন শেষ হয়।আসলে পড়ার কিন্তু শেষ নেই। এখনো পড়ছি, সপ্নের বি সি এস এর জন্য।দোয়া করবেন সবাই আমার জন্য, আমি যেন আমার স্বামির মান রক্ষা করতে পারি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এরি মাঝে অনেক সুখ গিয়েছে, অনেক দুঃখ গিয়েছে, আমি আমার সুখ গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। কারণ আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের নিখুঁতভাবে বুঝিয়েছেন, আমরা যেন সবসময় পজেটিভ থাকি। কি পেলাম না বা কি হারিয়েছি সেটি চিন্তা না করে কি পেয়েছি সেই আনন্দ বা সুখ গুলোকে নিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে আর কিছু বাঁধা হয়েদাঁড়াবে না।

বর্তমানে আমি কাজ করছি হোমমেইড জন্মদিনের কেক, মিষ্টি, দই, এবং কুমিল্লার বিখ্যাত মাতৃভান্ডারের রসমালাই নিয়ে।


✌️স্টঢাটাস অব দ্যা ডে নং ৬২৯.

তারিখ ঃ ২৬/৯/২০২১.

নাম: লিমা রহমান

ব্যাচ:১৫

রেজিস্ট্রেশন নং:৬৭৯৯৩

জেলা: চট্টগ্রাম

ফরিদপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি -২০২৪

ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥

পর্দাশীল ঘরোয়া নারী- সফল উদ্যোক্তা

আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।