স্যারের প্রিয় একটা বানী আমার কানে সারাক্ষন বাজতে থাকেঃ"স্বপ্ন দেখুন,সাহস করুন ,শুরু করুন এবং লেগে থাকুন সফলতা আসবেই"।
সেই থেকে গ্রুপের প্রতি মায়ায় পড়ে যাই এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও টানা ৯০ দিনের সেশানগুলো শেষ করি এবং ভিডিও সেশানও করি কয়েকটা। সেই সাথে আস্তে আস্তে পোস্টগুলো পড়ার চেষ্টা করতে থাকি,কে কি লিখছে সেগুলো শেখা
আপনি স্বপ্নে দেখছেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হবেন কিন্তু সেজন্য আপনি কোন গাইড লাইন পাচ্ছেন না আপনি সময় দিতে প্রস্তুত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত কিন্তু মাধ্যম তাই পাচ্ছেন না আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে সে ম
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। অসাধা
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ" এই সময় নগরকান্দা উপজেলার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয় ফরিদপুর জেলার সুপার
নিজের বলার মত একটা গল্প ১, ২, ৩ করতে করতে আজ শেষ হলো ১৫ তম মিট আপ। আজকের মিট আপ Opportunity Sharing Programme "গর্জে ওঠো খুলনা" শিরোনামে সম্পন্ন হলো। সকলের উপস্থিতিতে ও আজকের কনভেনর ও কো-কনভেনর এর কঠো
আমি প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমি আগে কারো সাথে কথা বলতে পারতাম না, কিন্তু এখন আমি কথা বলতে পারি।
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
জর্জ ফোরম্যান ১৯৯৪ সালে ২০ বছর পর মুষ্টিযুদ্ধের খেতাবী লড়াইয়ে জয়ী হয়ে প্রমাণ করেছিলেন স্বপ্নের নিকট আত্মসমর্পণের কোন বয়স সীমা নেই, যদি সমর্পণ করা যায় তা হলে জয় সুনিশ্চিত। ১৯৭৪ সালে মোহাম্মদ আলী
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
অনেক দেরিতে হলেও আজ আমি সকল জড়তা কাটিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম নিজের পরিচয় দিতে। আমি একজন খাদ্য প্রকৌশলী।বাবুরহাট বাজারের পাশে বাড়ী হওয়ায় ছোট থেকেই সু্প্ত বাসনা ছিল কাপড় ব্যাবসায়ী হব। কারন আমার সাথের ছোট
আমি আসলে সেই হতভাগা এক মেয়ে যে জীবনে কখনো বাবার আদর পাইনি বাবার আদর কি জিনিস তা আজ অব্দি অনুভব করতে পারিনি কারন আমার বয়স যখন ৯ মাস তখন আমার মা বাবার মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায় ডিভোর্স কারণ হচ্ছে বাবা সব সম
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
আমি খুব দরিদ্র ঘরের ছেলে।গরিব হলেও আমাদের সংসারে ভালোবাসার কোন অভাব ছিলো না। আম্মা,বাবা,আমি, ছোট ভাই, আর ছোট দুটি বোন কে নিয়ে আমাদের সুখের একটা সংসার ছিলো।আম্মা আমাদেরকে খুবই ভালোবাসতেন।বাবাও বাসতেন
আজ ২১ই জানুয়ারি ২০২০ খ্রীস্টাব্দ নিজের বলার মত গল্প গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ৯০ দিনের শেষ দিন। গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ২৮তম দিন থেকে এই গ্রুপের সাথে আমার যাত্রা। গত ৬১ দিনের স্যারের প্রতিটি পোস্টসহ পুরো ৯০ দিনের
অনেকেই বলেছিল তুমি পারবা না 👎 আপনার স্বপ্নের কথা শুনে তাহারা হাসবে আর বিজ্ঞ পন্ডিতের মতো বলবে "পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে। বিশ্বাস করেন এই ভাবেই আমাদেরকে থামিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের শেখানো হয় ঐটা ত
ভোর রাতে ওঠে ফ্রেশ হয়ে বাবা,মা আর আমার ১বছরের ছেলের কপালে চুম্মন করে দোয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরলাম..... >>ভোর রাতেই হাইওয়ের পাশে থাকতে হবে আমায় টাংগাইল শহর থেকে ভোর ৫টায় আমাদের মাইক্রো ঢাকার .....
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
আমি সবসময় ভাবতাম আমি চাকরি করব না চাকরি দিব। শুরু করুন 9 টা 5 টা ভুলে গিয়ে লেগে থাকুন সফলতা আসবেই।
এভাবে আমি আমার বন্ধুর কাছে আমার প্রোডাক্টটি বিক্রয় করলাম। 🍂 আর অন্যদিকে আমার আরেক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করল বন্ধু কি করছিস? এই করোনা কালীন সময়ে দিন দিন আয় রোজগার কমে যাচ্ছে, কি করা যায় বলতো? আম
কোন কোন সময় কল্পনাকেও হার মানায়। জীবনের গল্প লিখতে হয়তো ৩০ - ৬০ মিনিট লাগে,, বলতে আরও কম, কিন্তু চড়াই উৎরাই পার করে কঠিন সময় যে কীভাবে পার করে সেটা শুধু ব্যক্তিটাই বুঝে। আমাদের এই প্লাটফর্ম নিজের গ
প্রিয় স্যারের উপস্থিতি আমরা নোয়াখালী বাসী গর্বিত আনন্দিত।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার মুহূর্ত। আমি স্যারের অনেক ভিডিও দেখেছি এবং তার লেখাগুলো পড়েছি সেই থেকেই অনুপ্রেরণা এই কারনেই নিজের মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়া।
দেশে একটি বিশাল বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলোর একটি হলো উদ্যোক্তার অভাব। এই অভাবটি মূলত সৃষ্টি হয়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে না পারার ভীতির কারণে। আমরা অনেকেই ভাবি যে একজন সফল উদ্যোক
হবিগঞ্জে আমরা যে বাসায় থাকতাম (৩য় তলায়) ঐ বাড়িতে বসবাসরত প্রায় সব মহিলারা কেন জানি আমাদের খুব ভাল বাসত। আমার স্বামী অফিসে যাওয়ার পর আশেপাশের ভাবীরা চলে আসত হাতের কাজ শিখার জন্য সাথে গল্প করার জন্য। সে
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের জন্মদিনে ময়মনসিংহের আয়োজন। তারিখ : 29/5/20 এখানে কোন নামি-দামি ব্যাক্তি ছিলো না! ক্ষুধা দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয়ার
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সোনালি উদ্যোক্তারা ! তারা সাহসী তারা দক্ষ তারা পজিটিভ তারা মানবিক এবং তারা ভালোমানুষ!
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
সে আমাদের সবার আগে ভালো মানুষ হওয়ার পরামর্শ দেন কারন শুধু মাএ ভালো মানুষের পক্ষেই সম্ভব মানুষকে মানুষের মত গুরুত্ব দেওয়ার, সম্মানী কে সম্মান করা, মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা, শুধু দুহাত ভর
এখন আগামীর লক্ষ্য হচ্ছে আমি আমার নিজের হাতে তৈরি আচারগুলো বাংলাদেশ তথা বিশ্বের 100 টি দেশে পৌঁছে দেওয়া সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমার কোম্পানির যেন অধিক লোকের কর্মসংস্থান
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন রয়েল খুলনা জেলার উদ্যোগে খুলনা বদ্ধভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হ
আমরা কোন কিছু করার আগে নিজেদের মনে মনে একটা ছক এঁকে নেই।কি করব? কিভাবে করব? কেথায় করব? কবে করব?এসব ভেবে নিয়েই কিন্তু একটা কাজ শুরু করি।একটা কাজ সুন্দর ভাবে শুরু করে শেষ করবো এই বিশ্বাসটা আমাদের মনের
জীবন থেকে ত্রিশটি বছর হারিয়ে গেলো ভালো কিছু হয়নি আমার সাথে।। মাত্র চার বছর বয়সে মাকে হারিয়ে শুরু হয়েছে অন্ধকার জীবনের পথচলা। ১৯৯৫ থেকে জীবনটা চলছে কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি মত। 👉এক চিলতে রৌদ্র যখন এসেছে
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
ওই ফসল দিয়ে আমাদের সংসার চলত। দ্রুত টাকার জন্য জমি টা ৪,৫ লক্ষ টাকা লস খেয়ে জমি বিক্রয় করছিলাম।
আমরা প্রায় সব পরিবারে দেখি বাবা মা মেজ সন্তানকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তাই মগ্ন থাকে। কারণ মেজ সন্তান কেমন জানি সবার থেকে একটু আলাদা হয়। তারা একটু গাড় টেরা স্বভাবের হয়। অনেক বেশি স্বাধীনচেতা, একটু একগুঁ
এটা স্কুলে যাওয়ার সময় আম্মুর আর আমার প্রতিদিনকার রুটিন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় যেন কোন মেয়ের দিকে না তাকাই সেটা বলার একটা বিশেষ কারণ আছে। অামার অাম্মু অনেক কষ্টে উনার নাম লিখাটা শিখেছেন। আম্মু লেখাপড়া
সমগ্র দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গাঁ উপজেলায় আজ চমৎকার একটা মিটআপ সম্পন্ন হলো আলহামদুলিল্লাহ।
রাজশাহী_জেলার_গোদাগাড়ী_উপজেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত ভালোবাসা বিলাই এর ঈদ সামগ্রী বিতরণের কিছু অংশ।
ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্দ্যোক্তা তৈরীতে অবদান রাখার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক ২০২৩ পেয়েছেন নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ
আমি যখন ছোট ছিলাম বাবা রোজ সাইকেলে করে স্কুলে নিয়ে যেতেন আবার নিয়ে আসতেন।বাবা সরকারি মিলে জব করতেন যেহেতু মিলে জব করতেন সেহেতু প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বিল পেতেন(মানে টাকা)। আর বৃহস্পতিবারের অপেক্
এই তো মাত্র ৫ বছরের হইলো,চাইছিলাম স্কুলে ভওি করায় দিতে।কিন্তু টেহার যোগারযন্ত কইওে পারি লাই বইল্যা আর হইয়া উঠে লাই।এইবার টেহা জমায়তাছি।সামনের বছর করাই দিমু।তহন আমার মাইয়াটাও ইসকুলে যাইবো।লেহাপরা শিকবো
সার্বিক দিকনির্দেশনায় সম্মানিত গাজীপুর জেলা এম্বাসেডর ও মোডারেট জনাব, Yousuf Hossen Tonmoy ভাইয়া এবং রহিমা আক্তার স্বপ্না আপু।
এতো কষ্ট পাইনি যতটা কষ্ট পেয়েছি বন্ধু অন্যর মুখে তোমার বিয়ের কথাটা শুনে!!! ভালো জব করছো বিয়ে করবা অনেক বেশি খুশির কথা কিন্ত একবারও জানানোর প্রয়োজন মনে করনি বন্ধু!!!!!! তোমার বিয়ের খবরটা দুর দুরের
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?