9 November at 15:53. M বেকার থাকবোনা একদিনও- শুরু করতে হবে ছাত্র জীবন থেকে। প্রিয় স্যারের এই স্লোগানকে সামনে রেখে চলছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সারা দেশের ৬৪ জেলার ক্যাম্পাস গুলোতে #ক্যাম
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমি নিজে নিজেকে অনেক বেশী ভালোবাসতে শিখেছি,,, আমার চারপাশের সবাইকে ভালোবাসতে গিয়ে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে গিয়ে কখনো নিজেকে কোন কোয়ালিটি টাইম দিই নি। এই ফাউন
এখানে উপস্থিত ছিল কোর ভলেন্টিয়ার ডিস্ট্রিক্ট অ্যাম্বাসেডার্স উপজেলা এম্বাসেডার্স কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার্স এবং নতুন পুরাতন আজীবন সদস্যবৃন্দ।
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
উদ্যোক্তা হতে হলে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তার কোনো বিকরল্প নাই। তিল তিল করে গড়ে তোলা বিজনেস এক সময় বিশাল শিল্প সামাজ্য করে সাজাতে সততা আর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। অধিক পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।
আমি ছিলাম গণিতের ছাত্র। বেকার হয়ে শুরু করলাম ব্যবসা। ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্কিল সংক্রান্ত ৮০টিরও বেশি কোর্স করেছি। এমনকি ২০২০ সালেও আমি তিনটা কোর্স করেছি। তবে সবগুলো কোর্সই
আমি একজন চাকরি উদ্যোক্তা, গতবছর অক্টোবর মাসে শুরু করেছি উদ্যোক্তা জীবন। মাত্র ১২০০০টাকা দিয়ে শুরু করি আমার পথচলা।১১তম ব্যাচে স্যারের ৯০ টা সেশন সহ উদ্যোক্তা বিষয়ক যাবতীয় স্কিল শেষ করি সম্পূর্ণ বিনা খর
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ ১১ই মার্চ ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত "নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ এর নাটোর জেলার" একটি চমৎকার অফলাইন মাসিক মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের কুমিল্লা জেলা টিমের ঈদ পূর্ণ মিলনী এবং প্রবাসি ভাইদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সকল ভাইয়াদের প্রতি ভাইয়াদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
আমি ছোট বেলা থেকেই ছিলাম খুব সান্ত, লাজুক এবং চাপা সভাবের।তার জন্য কোন সমস্যা হয়নি, সবাই আলহামদুলিল্লাহ আমাকে ভালো বাসতো। কোন অবহেলা বা অনাদর আমাকে পোহাতে হয়নি, আলহামদুলিল্লাহ
যে কারণে আজও সফল হতে পারেনি কোন কাজেই ধৈর্য না থাকার কারণে। পরামর্শ দেওয়ার মত কোন শিক্ষক না থাকার কারণে। ইনকাম অনুসারে সঞ্চয় না করার কারণে। জীবনে কি করব কোন লক্ষ্য না থাকার কারণে।
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
যে বাবা বলেছিলো মেয়েরা কি করবে সেই বাবাই এখন সব কাজে আমাকে তার পাশে রাখেন। এখন আমার মনে হয় আমি পাশে থাকলে তিনি অনেক ভরসা পান। আমার অনেক ভালো লাগে।
জীবনে ভাল কিছু অর্জন করতে হলে মন থেকে লজ্জা এবং ভয় দূর করতে হবে” ➤বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয়ের কন্যা বলে খ্যাত পঞ্চগড়ের, দেবীগঞ্জ থানায় জম্মগ্রহন করি বর্তমান সময়ের একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা
জীবনের সকল দুঃখ-আনন্দ একসাথে যাকে বলা যেতো, সে ছিল আমার মা। মায়ের চেয়ে বড় বন্ধু পৃথিবীতে নাই। যারা মা হারিয়েছে তাদের চেয়ে অভাগা আর কে হতে পারে! মাকে হারানোর সেই বেদনা আজো সমান ভাবে বুকের গহীনে
নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আমাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আমার পথ আমাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আমাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখ
এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আজকে প্রোগ্রামের সম্মানিত প্রধান অতিথির উপস্থিতি ক্রমে, আমাদের কিশোরগঞ্জের পৌর মেয়র জনাব মাহামুদ পারভেজ।
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। শুধু ছোট দুটি বাচ্চাদের কথা ভেবে।যদি আমি মরে যায় ওরা এত ছোট যে মার আদর থে
আমি স্বপ্ন দেখতাম মেয়ে হয়ে বাবার - মার মুখ যেন উজ্জ্বল করবো।বাবার স্বপ্ন ছিলো মেয়ে আমার বড় উকিল হবে কিন্তু আমার কেন যেন ছোট বেলা থেকে শিক্ষকতা পেশা পছন্দ ছিলো।পছন্দের পেশার সাথে আত্মার সম্পর্ক ছিলো ১০
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনা মূল্যে ২০০০তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
November 10, 2019 · আইলার দশ বছর পর কিছু গাছপালা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মানুষ কোনরকম ভিটেমাটি উঁচু করে যবুথবু ঘর বেঁধে ঠাঁই গোঁজার মতো একটা ঘর তৈরি করেছিলো। গতরাতে আবার তা নিমিশেষেই শেষ হয়ে গেলো
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
কলাতিয়া ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
আমার বাবা সহ চাচারা সাত ভাই বোন (চার ভাই, তিন বোন) আমার বাবা ৬ ষষ্ঠ,আগে আমাদের পরিবারের অভাবের সংসার ছিল, দাদা সবাই কে লেখা-পড়া করাই তে পারে নি, আমার বাবা কষ্ট করে কোন রকম SSC পাশ করেছে,আর পড়া - লেখা
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
কোন কথার সাথে সাথে জবাব না দিয়ে একটু সময় নিয়ে জবাব দেওয়ার সু কৌশল অবলম্বন করার শিক্ষা পেয়েছি। পেয়েছি মুখে জবাব না দিয়ে কাজের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার পরম সু শিক্ষা। হৃদয় উজাড় করে কাজকে ভালোবেসে
আলহামদুলিল্লাহ, সবার উপস্থিতিতে সুন্দর মিটাপ সম্পন্ন
আসছে মাহে রমজান উপলক্ষে, আমাদের ফেনী জেলার প্রস্তুতি সহ মাসিক মিট আপের আয়োজন করা হয়েছে |
সেটাই আমাদের পরবর্তী কাজ করার শক্তি যুগিয়েছে৷ ফ্যামিলি সাপোর্ট পেয়েই তখন লেখাপড়ার পাশাপাশি আবার নতুন করে আবার শক্ত হাতে ধরেছিলাম ব্যবসার হাল । বাবার সকল পুরাতন কাস্টমার আর কোম্পানির মহাজনেরাই পাশে দ
অবশ্যই সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া। সততা ও কমিটমেন্ট রক্ষা করা। মা,বাবার সেবা যত্ন করা।পরিবার,সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করা।জীবনের সবক্ষেত্রে পজিটিভ থাকা। নিজে ভালো থাকা ও অন্যকে ভালো রাখা। জীবনে অন্ত
এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা মানুষির চর্চা করা।মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।জীবনে সংগ্রাম করে বেচে থাকা।সময়কে মূল্যায়ন করা।অসৎ কাজ বা ব্যবসা না করা।ধর্য্যশীল হওয়া।কথা দিয়ে কথা রাখা এবং কাওকে না ঠকানো।
মিটআপে গোপালগঞ্জ জেলাকে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আমাদের গ্রুপের কিভাবে প্রচার এবং প্রসার করা যায় এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও আইডিয়া সেয়ারিং আলোচনা, "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন
২য় বার যখন জ্ঞান ফিরে পাই তখন ইর্মাজেন্সিতে নাকে মুখে পাইপ অক্সিজেন হাত পা ব্রেডের সাথে বাধা পরে জানতে পারি বেচারা রিক্সাওলা সহ তিন জনই এ প্রথিবীতে নেই, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবো এমন বিশ্বাস ছিল
আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন👇 বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক কোর ভলান্টিয়ার ও মডারেটর জনাব রুহুল আমিন ভাই
সবাই বলেছিল আমি বাঁচবো না আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি বাঁচবো না প্রাই বিশ দিন পর আমি চোখ মেলে তাকাই। তখন আমার ছেলে আর আমার মা কথা মনে হয় ডাক্তার তখন বলেছিল না এখন আমি ঠিক। এক মাস ঢাকা হাই কেয়া
আর আমি তাই করছি আমার যা লাগে অনলাইন থেকেই নেই আমাদের একটা প্লাটফর্ম আছে ঐ খান থেকে নেই অডার করলেই চলে আসে। 🍀 আর আমার পণ্য গুলোও আমি পাঠিয়ে দেই কাস্টমারের কাছে। কোরিয়ায় করে। 🌺 ভাবী বলল কোরিয়া
এই ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর মোঃরনি ভাই উদ্যােক্তা জীবন শুরু করে ঘুরে দাড়িয়েছেন এবং উদ্যেক্তার গল্প শোনাতে Utv live যাওয়া সৌভাগ্য হয়েছে। প্রবাস থেকে এসে লালবাগ জ
প্রতিটি উপজেলাকে গতিশীল করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় মিটআপ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
আমরা সব সময় কোন কিছু করতে যাওয়ার আগেই সফলতা নিয়ে চিন্তা করি।আচ্ছা বলুনত আমাদের স্যার ইকবাল বাহার যেদীন থেকে তার কম্পানি শুরু করেছিলেন সেদীন থেকেই কি সফলতা পেয়েছেন? উত্তর : না। আমাদের সবারই যানা আছে স
গ্রুপের নাম দেখেই সেই গ্রুপে জইন হয়ে নিল তারপর সে গ্রুপে রেজিষ্টশন করে গ্রুপে নিয়মিত সময় দিতে লাগলো গ্রুপের প্রতি তাদের ভালোবাসাটাও ছিল অনেক সুযোগ পেলেই গ্রুপে পোষ্ট কমেন্ট ইত্যাদি করত একদিন নিলা গ্রু
আমার জীবনে আমি অনেক খারাপ সময় পার করেছি।অনেক কষ্ট সহ্য করেছি।যাকে আমার পাশে পাওয়ার কথা ছিলো তাকে পাইনি।তবে আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ পাশে পেয়েছি যারা আমাকে আমার জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য
সফলভাবে শিবচর উপজেলা মীট আপ সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
আমার বড় চাচা শশুরের বিল্ডিং এর ছাদের জন্য ইট ভেঙে খোয়া বানায় দিয়ে ৮ ম শ্রেণির বই কিনেছিলাম!!! ঐ যে পড়াশোনা শুরু হলো আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি,,,, শুরু হয় আমার পড়ালেখা করার নতুন জীবন যাত্রা,,,
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের দায়িত্ব নিয়ে বরিশাল জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন(বিএম কলেজ) কলে