সময় ২০১৫ রমজান মাস আমি জব করছি তখনো, বেতন ছিল খুবই কম। সামনে ছিল ঈদ, মনের মধ্যে একটা বিষন্নতা এই বেতন দিয়ে কি হবে, কিভাবে বাড়ি যাবো, কিভাবে ঈদের কেনাকাটা ইত্যাদি🤔 যাহোক 2য় রমজান ইফতারের পরে বের হলা
আমি আমার জীবনের যে কথাগুলো কখন কারো সাথে বলি নাই। আমার দুংখ,কষ্ট না পাওয়ার বেদনা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার জীবন নিয়ে লিখে, আমি SOD হয়েছি।
" মানুষ মানুষের জন্য কিন্তু আমরা সকলের জন্য
ইনশাআল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রতিটি কলেজে স্যারের চিঠি পৌছিয়ে দিব এবং উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের জন্য এই মহৎ কাজ অব্যাহত রাখব।
লক্ষ্মীপুর জেলা কৃতজ্ঞ, কৃতজ্ঞ আমি নিজে,, এভাবে লক্ষ্মীপুর জেলাকে আলোকিত করে রাখবেন।প্রবাসীদের সম্মানিত করায় আবারও কৃতজ্ঞ আপনাদের প্রতি।
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
আপনি বিজনেস করছেন বলবেন না কেন এটা তো ভালো। ঈদের পর আমাকে আপনার গ্রুপে এড করে দিবেন এবং আমি আমার দেশের পণ্য (টাঙ্গাইল) নিয়ে কাজ করবো হেল্প করবেন কিন্তু আমি কিন্তু এতো কিছু বুঝি না।আপনাদের গ্রুপে এড দি
সপ্নতো সবসময় দেখেছি এবং দেখছি আর এটা সকলেই দেখে।কিন্তু সপ্ন গুলো পুরন করার সাহস টা আমার ছিলোনা।ভাবতাম কি করে সপ্ন গুলো পুরন করবো। অনেক কিছুই ভেবেছিলাম কিন্তুু ভয় ছিলো পারবো কিনা?......
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর পরিবেশে শেষ হলো খুলনা জেলার নিজের বলার মত একটা গল্পের আগষ্ট মাসের মাসিক মিট আপ ও নবীন বরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া এই ৫টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা থেকে বিভক্ত হয়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গাজীপুর জেলায় এই ৫টি উপজেলা ছাড়া
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
ভালো কাজ..... ২টি কাঁঠাল ১টি আমড়া গাছ ৷ গুলশান লেক, এবং একজন মানুষ কে খাওয়ানো ৷
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
জীবনের সাথে চরম যুদ্ধ করে একটু যখন দাঁড়ালাম, ঠিক তখন ২০১৭ সালে একটা জমি কিনতে গিয়ে দালালের চক্করে পরে আবার সমুদয় টাকা হাড়িয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছিলাম।
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
অসাধারণ একটা আয়োজন ছিল উত্তরা মডেল জোনের পিঠা মিট আপ। দিয়াবাড়ি, উত্তরায় আয়োজিত আজকের প্রোগ্রামের বিশেষত ছিলো # পিঠা মিট আপ # পরিচয়ের রকমফের # ফুটবল টাচ গেইম # মাইন্ড গেইম # পুরস্কার বিতরণ #
Iqbal Bahar Zahid is an entrepreneur and founder of Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation. In an interview with Eresh Omar Jamal of The Daily Star, he talks about his foundation and how it seeks to h
ঈদুল আজহা আমাদের শেখায় শেয়ার করতে। ঠিক তার ব্যতিক্রম নই, মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক কোরবানি মাংস রান্না করে প্রতিবেশীদের সাথে এবং গরীবদের সাথে ভাগ করা হয়। সকল ভাঙা বন্ধন মেরামত করে সবার সাথে ভালোবাসা
আমার স্বপ্ন একটি প্রতিষ্ঠান করার। বাবা সবসময় বলতেন ব্যাবসা করার জন্য কারন স্বাধীনতা। তাই আমার উদ্দেশ্য আমার সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সফল উদ্দোক্তা হবো ইনশাআল্লাহ।
সেই থেকে গ্রুপের প্রতি মায়ায় পড়ে যাই এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও টানা ৯০ দিনের সেশানগুলো শেষ করি এবং ভিডিও সেশানও করি কয়েকটা। সেই সাথে আস্তে আস্তে পোস্টগুলো পড়ার চেষ্টা করতে থাকি,কে কি লিখছে সেগুলো শেখা
২য় ধফায় বরগুনা জেলার আমতলীতে হেফজখানার ৪০০ ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করে।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌর সভা মেয়র মহাদ্বয়। 📣📣 ২০২০ সালে করোনা কালীন শুরুর দিকে পটুয়াখালী জেলার সদরে বেমাগ
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলা টিমের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে অসহায়-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ॥
মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে বড় হয়েছি এই বিপ্লবী আমি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও পিছিয়ে আমি। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই আমাকে ক্ষান্ত হতে হয়েছে। কিন্তু সমাজে সবার চাইতে সৎ এবং ভালো মানুষের কৃতিত্ব আম
সংসারের সবাই যখন মনে করবে এটা আমাদের সংসার, তখন দেখা যায় হাঁসি মুখে অনেক সময় অনেক ত্যাগ স্বীকার করা যায়। আর আমি মনেকরি এটাই হওয়া উচিত।
সবার উপস্থিতিতে মিটআপটি ছিলো প্রাণবন্ত। আমাদের আলোচনার বিষয় ছিল আমারা সবাই মিলে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর আমার বাবার ঐখানে আমার চাকরি হয়ে যায়। যার সুবাদে আমি আমার বউ কাজের এখানে চলে যায়।অল্প টাকা বেতনে কাজ করি কিছুদিন আমি ভাবতে থাকি এভাবে কি করে জীবন চলবে।এর কারণে আমি আমার বউয়
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
শীত এসে পড়ছে! জানি সবাই শীতের নতুন পোশাক কিনতে যাব। আমরা কি পারিনা পরিবাবের শীতবস্ত্র কেনার সময় আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু শীতবস্ত্র কিনি!
শৈশবটা কেটেছে একেবারে গ্রামের পরিবেশে।ছোট বেলা থেকে ছিলাম বেশ চঞ্চল। কোথাও স্থির থাকা আমার একদম পছন্দের ছিল না।বাবা গ্রামের জমিদার ছিল কিনা আমি জানিনা। তবে প্রায় ১০০ বিঘার মত জমি ছিল।আমার মনে আছে বাবা
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আমার যুক্ত হওয়া এবং সকলের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা উৎসাহ দেখে আমি মুগ্ধ। প্রতিদিন এক থেকে দেড় ঘন্টা সেশন চর্চা ক্লাস শুরু করার পর, নিজের ভিতর একটি আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি
একজন নারীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় অনেক কঠিন। চাকরি খেকে উদ্যোক্তা জীবন। বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর সংসার সব স্থান ই পরাধিনতা। একজন নারী চাইলে ই পারে না একজন পুরুষের মত উদ্যোক্তা হতে।
একদিন এক আপু মেসেজ করল ভাইয়া আপনার সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে কল দিব? কিছু ক্ষন পরে মেসেজ দেখলাম।হাতে অনেক কাজ ছিলো তাই বলাম আপু ব্যস্ত আছি ফ্রি হয়ে নক দিব।ফ্রি হতে হতে ভুলেই গেলাম।এমন সমস্যা.....
দিনগুলো ভালোই কাটছিলো। হঠাৎ আব্বুর পরিচিত এক ভাই আব্বুকে বলে লটারির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার কথা। সেখানে পার করে দিই এক গুরুত্বপূর্ণ সময় কিন্তু কোনো লাভ হয় না। সময় গুলোকে অযথা নষ্ট করে ফেলি। তা
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা লালবাগ জোন। #যারা_প্রজেক্ট_বাস্তবায়নে_খাবার_ও_অর্থ সহযোগিতা_করেছেন_সবাইকে_আন্তরিক_ধন্যবাদ।
আমার ছোট্ট বেলা বৈশাখের আমেজ ছিল ভিন্ন।ছোট্ট বেলায় বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই বৈশাখের আমেজ শুরু হয়ে যেত। প্রত্যেকদিন গণনা করতাম কবে বৈশাখ আসবে?কি কিনব সে নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলতাম। বাবা- মা কাছে মেলা
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
ধৈর্য হারানোর শেষ প্রান্তে সাফল্যের শুরু আমরা অনেকেই ব্যবসা করতে চাই। আবার কারও কারও সারা জীবনের স্বপ্ন ব্যবসা করা। কিন্তু আমরা কতটা যত্নের সাথে শুরু করতে পারি তা। অদূরদর্শী পরিকল্পনা শুরুতেই বাধ সাধে
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার জেলার সকল সদস্য এবং দায়িত্বশীল ভাই- বোনদের পক্ষে থেকে আপনাকে জান্নাচ্ছি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক,,
আমাদের সকল দায়িত্বশীল ভাইয়ারা অসাধারণ সব দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।যা আমাদের চট্টগ্রাম কে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ । আমরা পুরো চট্টগ্রাম যেন এভাবেই একে অপরের সহযো
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
আমাকে বলল সব কিছু ঠিকঠাক ছিল দুইটি লোক কথা দিয়েছিল রক্ত দিবে কিন্তু এখন তাদের আমি কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। আমি তাকে বললাম এখন পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা আমাকে একটু বলুন? সে আমাকে বলল আমার একজন শালিক
আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের ঘোষণা অনুযায়ী গুলশান জোনের দায়িত্বশীলদের নিয়ে টিকিট সেলিং প্রোগ্রাম খুব সুন্দ
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
বিষয় টি হচ্ছে, আমার একজন খুব কাছের পরিচিত মানুষ। তিনি একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত আছেন,প্রতিমাসে ৪৫,০০০/- টাকা সেলারি পান,কিন্তু কোম্পানি টানা ৩ মাস সকল স্টাফদের বেতন আটকে রাখছে, ত
আমি একজন মহিলা মানুষ কি আর করব মনের দুঃখ মনে নিয়ে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে ধৈর্য ধারণ করলাম এবং শেষমেষ আবারো প্রবাসে পাড়ি দিলাম। বর্তমানে আমি এখন জর্ডান প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধে অংশগ্রহণ করা আমি
আমি ছোট বেলা থেকে মনে প্রানে যে কথাটা ভাবি সেটা হচ্ছে আমি একটা কোম্পানীর মালিক হবো। সে টা আমার নামে হবে। সে খানে অনেকে চাকরী করবে। আমি চাকরীর পাশাপাশি আমার নিজের উদ্যোগে একটা কম্পিউটার কিনলাম তখন