চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
গুলশান জোনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ইউনিক আইডিয়া নিয়ে দায়িত্বশীলদের আলোচনা সভা এবং ঈদ পূর্ণমিল
সম্প্রতি সাড়ে ৬ লাখ তরুণদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা দুই হাজারতম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)।
মানুষের জীবনে এক বা একাধিক অনুপ্ররনা থাকে। আমার ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম নয়।আজ আমার জীবনে অন্যতম অনুপ্রেরণা, আমার বেচে থাকবার অনন্য উপাদান সম্পর্কে বলছি। তিনি আর কেউ নন আমার স্বামী। আমার অর্ধাঙ্গ। এই মা
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
রাস্তায় সাধারণ মানুষ, পুলিশ, র্যাব, রিকশা চালকদের দিয়েছি সচেতনতা মূলক লিফলেট এবং মাস্ক।
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
পড়াশোনা ছেরে দেওয়ার পড়ে মনে হতে লাগল কেমন করে চলব? কিছুতো করতে হবে, এখন না হয় সবাই আছে, একসময় সবাই ব্যাস্ত হয়ে পরবে, তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে একটা ইলেকট্রিক কাজে যুক্ত হয়ে গেলাম, প্রথম প্রথম
কষ্ট ও দুঃখগুলো থেকে তারা শিক্ষা নেয়। একমাত্র আপনিই আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারেন। 👍আপনার চিন্তাধারার সাথে অন্য মানুষের চিন্তা _ধারা এক নাও হতে পারে। 👍খারাপ সময়ের অন্ধকার মাঝে মাঝে আমাদের
আলোচনা সভা শেষে খাওয়া-দাওয়া ও উদ্যোক্তাদের। পণ্য প্রদর্শনী করা হয়। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা ও সহযোগীতায় ছিলেন সায়বা তাজরীন, সোহাগ আলী, প্রবাসী উদ্যোক্তা সহ অন্যান্যরা ।।
সবেমাত্র অনার্স পাশ করা অবস্থায় চাকরি পাওয়াটা খুব একটা সহজ ছিল না সেসময়। এক বন্ধুর রেফারেন্স দিয়ে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম পিৎজা হাটে। আমার খুব পরিষ্কার মনে আছে ইন্টারভিউ নেয়ার আগে ছোট্ট ....
ভ্রমণ সবসময় আনন্দ দেয় মাংসের বদ্ধ ঘরে ক্রান্তি আসলে ঘুরতে যাওয়া উচিত মাইন্ড কাজে মন বসে এটা একটা জীবনের
আমি নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছি, 👉 এখানে আমি নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি, 👉এখানে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে শিখিয়েছে 👉 শিখিয়েছে বিনাশ্রমে শ্রম দিতে, 👉শিখিয়েছে কি করে একজন দক্ষ
বাবা চলে যাওয়ার পর আমি এবং আমার মা, আমাদের জীবনে এক ভয়ঙ্কর অন্ধকার নেমে আসে, একটা সময় আর্থিক অবস্থা খুব দুর্বল হয়ে যাওয়াতে মা আমাকে নিয়ে মামা বাড়িতে গিয়ে ওঠেন, অল্প কিছুদিন যেতেই শুরু হয়ে যায
পরিবারের বড় সদস্যরা বেশি একটা পড়াশোনা করেনি। যার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কারণ, আমাদের এলাকায় শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। ভালো কোনো শিক্ষক খুজে পাওয়া যেত না।অন্য এলাকায় গিয়ে প্রাইভেট পড়তে
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের লক্ষীপুর জেলার সকল সদস্যদের এক্টিভিটি ও নতুন সদস্যদের সক্রিয় করার লক্ষে,উদ্যেক্তাদের উদ্ভুদ্ধ করতে এবং ৩য় মহা সম্মেলনকে সফল করতে লক্ষীপুর জেলার এম্ভাসেডর Rezon Hos
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
আর বোলো না অনেকদিন ধরে বারী এন্টারপ্রাইজের সুমাইয়া বারী আপু চুপচাপ হয়ে আছে গত হাটেও দেখিনি, তাই মনটা খারাপ হয়েছিল। চিন্তা করছিলাম আপুর কি হলো। গতকাল আপুর সাথে যোগাযোগ হল এবং জানলাম বিজনেস গত কারণে
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
যদি এই নিজের বলার মতো একটা গল্পো কে খুজে না পেতাম। ✌যদি খুজে না পেতাম এমন একজন মানুষকে ✌আজ দশম ব্যাচের শেষ দিন স্যার বলেছেন লিখতে। 👏তবে যদি আমি স্যারের বিষয়ে না লিখি আমার লিখা বা আমার অভিমত ব্যাক্
ঈদুল আজহা আমাদের শেখায় শেয়ার করতে। ঠিক তার ব্যতিক্রম নই, মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক কোরবানি মাংস রান্না করে প্রতিবেশীদের সাথে এবং গরীবদের সাথে ভাগ করা হয়। সকল ভাঙা বন্ধন মেরামত করে সবার সাথে ভালোবাসা
বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,,,।💖
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। শুধু ছোট দুটি বাচ্চাদের কথা ভেবে।যদি আমি মরে যায় ওরা এত ছোট যে মার আদর থে
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে
গোপালগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিজিক্যাল মিটআপ। সকলের সহযোহীতায় সফলভাবে আমরা প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পেরেছি।
শূন্য হয়ে আসার জন্য আমার ভিতরটাও চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। আমি বোনকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেই। 😭 আমার মা আমাকে দেখে যেনো প্রান ফিরে পায় আমি আর আমার মা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করি,
একজন মেয়ে হিসেবে কত যে বাধা আসে উদ্দোক্তা হতে গেলে তা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। আমি একজন মেয়ে কতটা প্রতিবন্ধকতা মাঝে ও উদ্দোক্তা হলাম,,
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
সকলের এত সুন্দর উদার মন-মানসিকতার কারণে আজকে একটি নিষ্পাপ ফুলের মতো শিশুর চিকিৎসা করার জন্য যেই অর্থটা সংগ্রহ হয়েছে ধন্যবাদ সকলকে।
বড় মেয়েটার বিয়ে হয়েছে গত ছয় মাস আগে, ভাই যে কত খুশি ছিল সরাসরি না দেখলে বুঝা যেত না, জিজ্ঞেস করলাম পুরো জীবন তো কাটিয়ে দিলেন বিদেশে, আপনি কি সুখি? অভাক করা এক উত্তর পেলাম, বাড়িতে সবাই ভাল থাকলে আমার
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিটআপ সুন্দর, মনোরম পরিবেশে, সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মিটআপের উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর, উপজেলা এম্বাসেডর ও অনেক সদস্যগ
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
💞💞আমরাই ক্রেতা__আমরাই বিক্রেতাঃ কিছুক্ষন আগেই বলেছিলাম অনেক দিন ধরে Dewan Parbej Islam ভাইয়ের গ্রুপে কোন পোস্ট দেখি না তাই নিজে ব্যাস্ত থাকার পরেও চিন্তা করলাম এই ভাইটির খবর নেওয়া দরকার আমাদের স্য
আমার স্বপ্ন একদিন উদ্যাক্তা হব আমার প্রতিষ্ঠান এর তৈরি করা পন্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক আমার মাধ্যমে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হোক এবং সকলে ভালো থাকবে এবং আমি দুজন এতিম দের পাশে থেকে তাদের স
শত_ক্লান্তির_মাঝেও_মনে_ছিলো_এক_অন্যরকম_ভালো_লাগা....
ঈদ পুনর্মিলনী অফলাইন মিট আপ সফল হয়েছে পাবনা জেলা টীম এর আলহামদুলিল্লাহ
আমি গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হতে লাগলাম আমার বাবা ছিল আদর্শ কৃষক এবং খুবই সরল ও সাদা সিদা, তার একটি মাএ উদাহরণ আপনাদের সামনে তুলে দরলাম, আর সেটা হলো, তার ছেলে মেয়েদের কে বলতো বাবারা তোমরা
০৪।০৪।২০২৩ তারিখে ঝিনাইদহ জেলা আয়োজনে সম্পন্ন হলো এতিম বাচ্চাদের সাথে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব। সেই সাথে ইফতার ও দোয়ার
Entrepreneurship Training 03 নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন International University of Scholars Banani, Dhaka.
আমাদের জামালপুরের কিছু দিন আনে দিন খায়,অসহায় মানুষের মাঝে। সারা পৃথিবীর এই সংকটময় মুহর্তে
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
মিরপুর মডেল জোনের মিটআপ কপি পান,দুপুরের খাবার সহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
স্যার আমাদেরকে যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষাকে নিজ নিজ জীবনে কাজে লাগিয়ে আমরা যেনো ভালো মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উচু করে চলতে পারি মহান রাব্বুল আলামিন
তারা চায় আপনি যেন মানুষের মত মানুষ হন।আমার মত অনেকেরই হয়তো পড়ালেখা ভালো লাগে না তাদেরকে বলছি পড়ালেখার বিকল্প আর কোন কিছু নেই। ভালো করে বাঁচতে হলে, নিজেকে উচ্চ একটা জায়গায় নিজেকে দেখতে চাইলে জানত
সম্মানতি উদ্যােক্তাগন, বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে।
ভিন্নধর্মী মিট আপ *ফিজিক্যাল মিটআপে উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী * আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ফিজিকাল মিট আপ। আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zah