সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ
সকলের জীবনী ও বক্তব্য শুনে অনুপ্রাণিত ও শিখতে পেরেছি অনেক কিছুই।
স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে অনুপ্রেনিত করে, আমাকে স্বপ্ন দেখায় একজন উদ্দোক্তা হতে। আমার স্বপ্ন আমি একজন উদ্দোক্তা হতে চাই।
মাত্র ৫০০০ টাকা দিয়ে আমার উদ্যোগ " বেলতা অর্গানিক বিডি" এর পথচলা, যা এখন ১৫ লক্ষ টাকায় রুপান্তরিত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার মাসিক সেল ৫ লক্ষ টাকা।
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক
এই প্রথম আমার, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এবং জারিক লিঃ নিয়ে এতো বিস্তারিত লিখছি। সব সময় ভেবেছি সফল হতে পারলে কোন একদিন সবাইকে জানাবো। ২০০৭ থেকে জব এবং ২০১২ থেকে বিজনেস করছি আমি নিজের উদ্যোগে।
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে
#দাদুভাই : তোমার কোন পাঞ্জাবি পছন্দ হয় সেটা তোমাকে কিনে দেবো । #নাতিন : ওকে । #দাদুভাই : তোমাকে ঈদে সুন্দর একটা পাঞ্জাবী দেবো ঈদের নামাজ পড়তে যাবে । তোমার বন্ধুরা সবাই দেখে অনেক ভালো বলে
আজ মহান বিজয় দিবস। এ বছর এই দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। এবছর ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে সমগ্র জাতি। তারই ধারাবাহিকতায় প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid
আমি নিজে কিছু করার চেষ্টা করবো। এরমধ্যে গলায় একটা স্বর্নের চেইন ছিলো কাউকে না জানিয়ে আমি ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় অই চেইন বিক্রি করে আমি ব্লক, বাটিক,এম্বুশ,ব্রাশ পেইন্ট,জারদৌসি,হাজারী বুটিক এমন আরো অন
পরিশেষে বলতে চাই আমার বাবা প্রথমে আমাকে না করছে পরে আমার মুখে গ্রুপের সব কথা শুনে দোয়া করে গেছে যেন আমি সফল হতে পারি।স্যারের জন্য দোয়া করেছে। আসলে আমি যদি না বুঝাতাম তাহলে আমার বাবাও নেগেটিভ থাকতো কি
করোনা অনেকের জীবনের ধ্বংসের কারণ আর আমি মনে করি করোনা আমার জীবনের নতুন পথ উন্মোচন করে দিয়ে গেছে। "কিছু অশুভ কারো কারো জন্য শুভও হয়"
মুজাহিদ ভাই ও প্রতুল প্রাঠক তারা এই গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবক তারা দুইজনই খুব হেল্পফুল মানুষ। আশা করি তোমাকে যথেষ্ট হেল্প করবে। ঐ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার তিনি একজন মানবিক মানুষ।
আমি আমার বাবা মার প্রথম সন্তান আমি যখন মায়ের কোল জুড়ে জন্ম গ্রহণ করলাম তখন আবার বাবা শুনতে পেলো মেয়ে জন্ম হয়েছে তখন বাবা আর খুশি হলো না, তিনি চেয়েছিলো ছেলে হক কিন্তু মেয়ে হওয়ায় আমার মাকে কিছু দিন
আমরা পেইজে প্রচার চালাতে থাকি। ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট করি।কিন্তু এক্টিভিটি কম থাকায় পোস্ট তেমন রিচ হয় না।তাই সেল ও তেমন আসে না।আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল, না দেখে প্রোডাক্ট নেওয়ার কারণে প্রোডাক্টের মান
রক্তের অভাবে যেন না হারায় কোন প্রাণ জীবন বাঁচাতে এসো করি রক্ত দান । " "স্বেচ্ছায় করবো রক্ত দান হাসবে রোগী, বাঁচবে প্রাণ । " আলহামদুলিল্লাহ ১৩ তম বার লাল ভালোবাসা দান করলাম
প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকেই শিক্ষা নিয়ে আমার জীবনের সব চেয়ে বড় অর্জনঃ- ছাত্র অবস্থায় পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি এবং গার্মেন্টস আইটেম নিয়ে কাজ করছি
আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ। খুলনার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন খুলনা জে
চল্লাম ঢাকায় আমার একমাএ ছোট বোন থাকতো শ্যামলী ওর বাসায় উঠলাম ।ও আপনাদের তো বলিনি সাথে আমার চার বছরের মেয়েও ছিলো।আমি বাচ্চা মানুষ করেছি ,পড়াশুনাও করেছি।শ্যামলীতে সান বিউটি পার্লার এ তানজীনা আপুর কাছে
আমার স্বপ্ন বড় কিছু নয়, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি,। বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সুবিধা বঞ্চি
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন ১ম ব্যাচ থেকে যাত্রা শুরু করেন। আমাদের মাঝে রয়েছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রদ্ধেয় সানজানা শাহজাহান আমাদের প্রিয় গুলশান
গরিব প্রতিবন্ধী শিশুদের ঈদ উপহার বিতরণ
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, “৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আ
প্রোগ্রাম ১০ তারিখ নারী দিবস এর অফলাইন মিট আপ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ ভাইয়া আপুদের সাথে
আসলে পরের অধিনে চাকরি করা আমার ভালো লাগে না, অনেক সময় ভালো না লাগলে ও জীবিকার তাগিতে চাকরি করতে হয়,,,,। চাকরির পাশাপাশি প্রিয় স্যারের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে ছোট পরিসারে একটা বিজনেস শুরু করেছি। আমা
আগামি ৫ বছর পরে ঢাকায় আমার ৫ টা আউটলেট হবে এবং ১০ বছর এ আমার সারা বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় আমার আউটলেট থাকে ইনশাআল্লাহ। a
এই পৃথিবীতে আসে কিন্তু কয় জনই বা মরে গিয়ে অন্যের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে তাই চিন্তা করলাম এই ছোট জীবনে আমাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখে।
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো।আমার এক দুলাভাই তখন আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলো মা বাবা না থাকলে যা হয় । ওই বয়সে শ্বশুর বাড়ির সবার মন জোগানো খুব কষ্টের ছিলো। তারপরও অনেক চেষ্টা করেছি কিন্
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
গত ০৫/০২/২০২১ ইং তারিখে আমাদের "নিজের বলার মতো একটা গল্প " ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের মিটআপ ও আনন্দ ভ্রমন সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️ 💗💗লোকেশন ছিলো কুমিল্লা ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক 💝💝
আমার স্বপ্নটা সবার থেকে একটু ব্যতিক্রম ছিল। যদিও আমি এমন একটি পরিবার থেকে বিলং করে যেই পরিবারে নারীরা কখনো বাইরে গিয়ে কাজ করার অনুমতি নেই। আমি সেই হতভাগা মেয়ে, যে বিয়ের আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম অনেক কি
সেই থেকে তারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহলের ছোটখাটো বিল্ডিংয়ের কাজ করতে লাগলো। সব সময় পারিশ্রমিক পাওয়া যেতনা, পাইলেও ৪-৫ হাজারের উপরে না। তারপরও তারা করে যেতে থাকে। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে তারা ২ জনই চাকরি
জাতি হিসাবে এটা আমাদের কাছে কত বড় একটা পাওয়া সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আমরা বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ গুলো প্রিয় এই মাতৃভাষায় কথা বলে নিজেদের কে গর্ববোধ করি। ভাষা প্রকাশের যেই অনুভূতি যারা দেশ
স্যার আমাদেরকে যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষাকে নিজ নিজ জীবনে কাজে লাগিয়ে আমরা যেনো ভালো মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উচু করে চলতে পারি মহান রাব্বুল আলামিন
শুরু_হলো নতুন করে এই ভালো মানুষ তৈরির কারিগর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের সৃষ্ট প্লাটফর্মে পথ চলা এবং চলছি ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবো। কারন একটি বিষয় খেয়াল করলাম স্যারের সেশন গুলোর যতই সামনের দিকে এগুচ্ছে ততই
জীবন থেকে খুব বেশি কিছু চাইনা। একটুখানি স্বনির্ভরতা আর দেশ ও দশের তরে নিজের সাধ্যের সর্বচ্চোটুকু দিতে চাই। চাই নিজের বলার মতো একটি গল্প। জানিনা কতোটুকু পারবো, তবে আকাশজোড়া সপ্ন আমার... অনেক আশা নিয়ে
উত্তরে শিশুটির মুখ থেকে আসে আমি বড় হলে ডাক্তার হব, বা ইঞ্জিনিয়ার হব, বা পাইলট হব। কারণ তার ব্রেনে প্রতিনিয়ত কাজ করে মা বাবার স্বপ্ন দেখানো পথে হাঁটতে হবে।
তখন আমাদের ও দোকান ভাঙা পড়ে। আর তখন আমাদের জীবন এ খারাপ সময় নেমে আসে।।।এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে। আমার বাবা স্ট্রোক করেন।।।।। আমাদের জমানো কিছু টাকা ছিলো সেই টাকা দিয়েই আমার বাবার চিকিৎসা চলে।।।
২৬/১২/২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম , খুলনা নতুন ও পুরনো রেল স্টেশন লঞ্চঘাট কদমতলা এলাকায় ,নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা টিম।
মানব মনের ক্ষমতা অদ্ভুত ও অনুভবনিয়! মানব মনের ওপর আস্থা কিভাবে কাজ করে? আকাঙ্ক্ষার প্রচন্ড প্রভাব কেমন? বাস্তবতার সাথে এইসব অদৃশ্য বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে? কীভাবে আকাঙ্ক্ষা ও আস্থার যোগফলে অসম্ভব কাজ
আজ লিখবো আমার সফল উদ্যেগক্তা হয়ে উঠার গল্প। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। ষোল বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। তখন স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছি কারণ আমি যে আর লেখা পড়া করতে পারবোনা। হাসবেন্ডের
।নিজেরা ভালো খেতেন আর আশেপাশের মানুষজন, আত্মীয়দের সহযোগিতা করতেন।অসহায় বাবাদের মেয়ে বিয়ে দিতে আটকে গেলে আমার বাবা আর মা মিলেই তাদের সেখান থেকে উদ্ধার হতে সহযোগিতা করতেন।এমন অনেক উদাহরণ আছে আমাদের
আসসালামু আলাইকুম। সদর উপজেলা নারায়ণগঞ্জ, মহাসম্মেলন টিকেট ম্যানেজম্যান্ট টিম কাজ করে যাচ্ছে সদর উপজেলায়। আমাদের সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার @Md Zaman ভাইয়ের নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় এবং লাইভ সাপো
এতো গেল ফেনীরটিম এরা ছাড়াও পুরো পরিবারের অনেকে সাথে আমার বন্ধুত্ব কাকে ছেড়ে কার নাম লিখবো। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সবশেষে বলবো সবাই আপনারা ভালো কাজের চর্চা
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো