দিন, দিন, কাষ্টমারের পাশাপাশি, সদস্য সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় ঠ প্রিয় শিক্ষক জনাব, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যার অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছি এতো বড় একটা নেটওয়ার্ক,
আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...
"নিজের বলার মত একটা গল্প " এর প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার,,,,এর মহান উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা শহরে অন্যের জায়গায় একটি গাছ লাগানোর চেষ্টা,,,,,, আমি ৬ মাস বা ১৮০ দিন স্যারের এই প্রোগ্রাম এর সাথে আছি,,,,
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম এর পক্ষ থেকে প্রিয় ভাইয়ের জন্য দোয়া ও শুভ কামনা এবং ভালোবাসা রইলো💛💛💛
আজ "#যুব_দিবস" পালন হল দিনাজপুর জেলার নবানগঞ্জ উপজেলাতে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে দিবসটি পালিত হল এবং শুভ উদ্বোধন হল "#মানবতার_দেয়াল" এর।
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে আলহামদুলিল্লাহ আজকে চমৎকার ভাবে সম্পূর্ণ হলো সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মাসিক মিটআপ
"নিজের বলার মত গল্প" ফাউন্ডেশনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতিমধ্যে বদলে গেছে লাখো তরুণ-তরুণীর জীবন। "চাকরি করবোনা চাকরি দিবো" এই ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মেন্টর ইকবাল বাহারের মত তারাও এখন উদ্যোগ নিয়ে নিজের প্রতিষ
হাতে পায়ে খানিকটা বড় হলাম দৃশ্যমান হলাম বাবা মা ভাইদের চোখে 🤩 একটি ছেলের কামাই দিয়ে ভালো চলছে না যে সংসার আরো বড় হতে হবে আমাদের🤭 💥কাল হয়ে দাঁড়ালো সেই লোব আমার জন্য। ঘরে ফ্যামিলির সকলের স
হয়ে গেলো,, নিজের বলার মতো একটা গল্প , ফাউন্ডেশন এর " উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার " মাসিক অফলাইন মিটআপ। ❤️ অত্যন্ত ফলপ্রসু এই মিটআপে সদস্য ও ,দ্বায়িত্ব প্রাপ্তগনদের আলোচনা ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে উঠে এসেছ
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
আমার বউ কে বললাম চলো বাজার করতে যাই ,বউ বললো করোনার মধ্যে কোথায় বাজার করতে যাবে,আমি বললাম আমি সেই হাটে বাজার করবো,যে হাট রোদ বৃষ্টি করোনা তে বন্ধ হইনা,বউ বললো কোথায় তোমাদের হাট, আমি বললাম আসো দেখাই আম
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
রক্তের জন্য যাবে না কারো প্রাণ, করিব রক্ত দান বাঁচাব প্রান" নিয়মতান্ত্রিক ভাবে রক্ত দান অব্যাহত থাকবে ইনশাঅাল্লাহ্। রক্তের গ্রুপ (o+)
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার Md. Iftekher Alam Mojumder ভাই এ পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীর
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা নিয়ে আজ বিশ্বব্যাপি এগিয়ে। তৈরি হচ্ছে মানবিক মানুষ, তৈরি হচ্ছে এক একজন সফল উদ্যোক্তা ইন-শা-আল্লাহ্ আমাদের মতিঝিল জোনও এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় স্যারের
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
২০০৯ সালের ১২ই অক্টোবর বেলা ১১টা৫৫ মিনিট, ঢাকা বারডেম হাসপাতাল আমার বাবাকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে গেছেন তার আপন 😭ঠিকানায়। সেই থেকে আমি এতিম😭 ফরহাদ। তারপর থেকে বুঝেছি আমার পড়াশোনা📚🖋️ কর
প্রিয় স্যারের উপস্থিতি আমরা নোয়াখালী বাসী গর্বিত আনন্দিত।
গ্রামে একটা মেয়ে কলেজ পাশ করলেই সবাই তার বিয়ের জন্য উঠেপরে লেগে যায় আমারো তার ব্যতিক্রম নয়। একদিন আমার চাচাতো বোন আমাকে বাজারে কেনাকাটা করতে নিয়ে গিয়ে ছেলেদের পরিবার কে দেখায়। আমি সেদিন কোন গুরুত্ব দে
বিয়ের পর বাসায় তেমন কাজ থাকতো না কাজের খালা করে সব কাজ করে দিত। সেই জন্য বসে অবস্বর থেকে মোটেও ভালো লাগতো না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে দেখি এক আপু আচার সেল এর পোস্ট দিছে।
গোপালগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিজিক্যাল মিটআপ। সকলের সহযোহীতায় সফলভাবে আমরা প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পেরেছি।
আমার এক বন্ধুকে দিয়েছো শুনলাম, সেতো মহা খুশি। তার হিসাবগুলো নাকি খুব ইজিতে করতে পারছে ঐদিন তার দোকানে গেলাম আর এইসব বল্লল। আমিঃ জি ভাইয়া আমি সফটওয়্যার বিক্রি করছি এই হাটে। সকালে পোস্ট দিয়েছিলাম আর ক
সাত উপজেলায় টিকিট বিতরনের কাজ চলছে মানিকগঞ্জ সদর থেকে।চলে যাচ্ছে প্রতিটি উপজেলায় সকলের টিকিট সংগ্রহ এবং কাজকে সহজ করার জন্য।
সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা ৪জানুয়ারির সম্মেলনের টিকেট হাতে পেয়ে অনেক আনন্দিত। ইনশ্আল্লাহ দেখা হবে ভালোমানুষের প্রিয় প্লাটফর্মের সকল সদস্যদের সাথে ভালোমানুষের মহামিলনে।
গ্রুপের নাম দেখেই সেই গ্রুপে জইন হয়ে নিল তারপর সে গ্রুপে রেজিষ্টশন করে গ্রুপে নিয়মিত সময় দিতে লাগলো গ্রুপের প্রতি তাদের ভালোবাসাটাও ছিল অনেক সুযোগ পেলেই গ্রুপে পোষ্ট কমেন্ট ইত্যাদি করত একদিন নিলা গ্রু
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
গ্রুপে আসার আগেঃ অনেক বড় বড় স্বপ্ন ছিল, আছে, সেই স্বপ্ন অনুসারে গাইডলাইন আর সাহস পেতামনা, অনেক হতাশা, আর অনেক ডিপ্রেশন কাজ করত আমার মধ্যে, হেরে যাওয়ার ভয় থাকত, আমি কথা বলতাম পারতাম না কারো ও সাথে কিন্
বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে প্রথম উদ্যোগের কাচামাল ও মেশিন দেশে ফেলে চলে আসি আবার সৌদি প্রবাসে।
তখন মহিলাটি বলে, আফা, আমি মাহাজন এর কাছ থেকে আম, নিয়ে এখানে আম বিক্রি করতে বসছি, মাহাজান বলছে আমি এই দামে আম বিক্রি করতে পারলে মাহাজান আমাকে ১০০/- টাকা দিবে। তখন আমি বুঝে গেলাম, মহিলাটি একজন রিসেলার।
নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্ধীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উদ্যোক্তা সম্মেলন -2020 এর প্রস্তুতি এবং প্রচারনা চলছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে - ইনশাআল্লাহ 500+ সদস্য উপস্থিত থাকবে আপনি আসছেন ত??
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের এর আয়োজনে উদ্দ্যোক্তাদের সম্মাননা তুলে দেন ডাক ও টেলিযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
জীবনে কোন উদ্যোগ নিতে গেলে সেটার আদোপান্ত জেনে নেওয়া খুব বেশি প্রয়োজন। না জেনে না বুঝে কোন কাজে হাত দেওয়া উচিত নয়।অন্যজনের পরামর্শে কিছু করা সবসময় ঠিক না।নিজের বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগানো উচিত। জীবনে
জীবনেকে নিয়ে অনেক সপ্ন দেখেছি তা ভেঙ্গেপ গিয়েছে কিন্তু সপ্ন দেখা বন্ধ করিনি। প্রতিদিন সপ্ন সাজাই ও তা বাস্তবে রুপ দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
অফিস শেষ করে অন্যদিকে যাওয়ার মকো এনার্জি নেই তাই সোজা বাসায় এসেছে ইফতারের টেবিলে যখন গ্লাসের মধ্যে শরবত দেখতে পায় তখন রবিনের মনে পড়ে গেল বাজার করার সময়তো সে ট্যাং নিতেই ভুলে গেছে। তাহলে এখানে কিভাবে
আপনি বলনে, আপনিতো কৃষি নিয়ে, বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর নিয়ে, আবার মাঝেমাঝে দেখছি ব্লক নিয়েও কাজ করছেন। তাহলে বলেনতো ব্লকের ফ্যাক্টরি দিলে কেমন হয়। #বিদেশে এই #কংক্রিট_ব্লকের ব্যবহার অনেক বেশি। 🔷আ
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে আমি খুব ভালোই ছিলাম। নানা, নানী, আন্টি, মামা সবাই আমাকে ছোট বেলা থেকেই অনেক আদর করতো। উনারা আমার পড়ার সকল খরচ বহন করতেন। সেখানেই থেকে খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা শুরু করি। উদ্দেশ্য একট
আজকের মিটআপটা ছিল পতেঙ্গা জোন,খুলশী জোন এবং বায়েজিদ জোনকে নিয়ে।খুবই সুন্দরভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। ধন্যবাদ জানাবো Zahid Islam বড় ভাইয়াকে তিনটা জোনের একসাথে মিটআপ এরেন্জ করার জন্য।ভ
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে। ঈদুল আজহা ও লকডাউন পরর্বতিত
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
নতুন প্রজন্মের সেরা কিংবদন্তি, লক্ষ তরুনের প্রানের স্পন্দন, নয়নের মনি জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অবদান বলে শেষ করার মতো না। তিনি দেখিয়েছেন আমাদের স্বপ্ন, শুধু স্বপ্ন দেখাননি, বাস্তবায়নও হচ্ছে প্রত
আসসালামু আলাইকুম। সেরাদের সেরা জোন উত্তরা মডেল জোন এর আজকে অফলাইন মিটাপ আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার ভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে। আজকের মিটাপের এজেন্ডা ছিল সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, স্যারের উপস্থিতিতে উত্ত
একদিন একজন ভালো মানুষ হয়ে একজন ভালো উদ্যোগতা হয়ে ছোট বড় গরিব আসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো সমাজকে পরিবর্তন করে দিবো এবং তাদেরকে দেখিয়ে দিবো আমিও স্বপ্ন দেখতে জানি এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারি
আমার বাবা সুপার হিরো।বাবা আমাদেরর জন্য তার জীবনের 20বছর প্রবাসে কাটিয়েছে,কত প্রকার রোদে আমার বাবা কাজ করেছেন কত রাত জেগে আমার বাবা আমাদের কথা চিন্তা করেছেন,কতো ভালো ভালো খাবার আমার বাবার চোখ দিয়ে দে
আমি তাম্মিনা আক্তার। আমার মায়ের একমাত্র সন্তান। এখানে শুধু মায়ের বলেছি কেন সে কথায় পরে আসছি। তো আমার যেহেতু আর কোন ভাই-বোন নেই, তাই একা একাই ছোট থেকে আমার বেড়ে ওঠা। খেলাধুলা, লেখাপড়া এসব কিছুতে আমি এক
উক্ত মিটআপটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে শেষ হলো।শত কর্ম ব্যাস্ততার মাঝেও যারা এসেছেন সময় দিয়েছেন সবার প্রতি অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজকের মিট আপ টিতে। আগামী ২০০০তম