আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন👇 জেলা প্রতিনিধি 👇 Mainul Islam ভাই উপজেলা এম্বাসেডর 👇 Md Bellal Hussain ভাই, বাকেরগঞ্জ Neshad khan emon ভাই, বরিশাল সদর। S
হাটাৎ একদিন আমার কলিজায় অর্থাৎ স্বপ্নে আঘাত আহ্। চোরা মামু আমার স্বপ্ন ভেঙ্গে নিয়ে গেল আহ্ আমি শুধু কাঁদতে লাগলাম। এরপর ভাঙ্গা মন নিয়ে আবারো স্বপ্নের পথ ধরতে লাগলাম অল্প কিছু টাকা বাকি ছিল সেগুলো উঠি
২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোচিংয়ের টাকা জোগান দিতে একজন আত্মীয়ের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বলে, " ঢাকা গিয়া কি হইবো, পড়ন লাগবো তো সেই চাঁদপুর সরকারি কলেজেই‼️" তার কথায় পাত্তা না দিয়ে আব্বুকে
আমি সাথী ১২ তম ব্যাচ থেকে নিজেকে নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে শিখছি নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন সদস্য হতে পেরে।বুঝতে পেরেছি জীবন মানে যুদ্ধ কত শত মানুষের জীবনের গল্প পড়ছি ও শুনচ্ছি।আল্লাহ পাকের দরবার
এ ফাউন্ডেশনে আশার আগে আমি কখনো এতো মানুষের সামনে দাড়িয়ে এত কথা বলিনি বা বলার সাহস হয়নি, কিন্তু যখন এ ফাউন্ডেশনে আসলাম, তখন থেকে আমি সবার সাথে কথা বলার আলাদা যে দক্ষতা রয়েছে তা রপ্ত করতে পেরেছি আলহাম
যিনি সুখ খুঁজে না আপন নীড়ে, প্রাণের টানে এই আঙিনায় বারে বারে আসে ফিরে, কালজয়ী, সময়উপযোগী মহা নায়ক, সকলের নয়নের আলো,আমাদের সকলের নয়নের মনি, শিক্ষাগুরু, আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক যার চিন্তা ভাবনা এই
চমৎকার সফল আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার #প্রস্ফুটিত_গোপালপুর_উপজেলার ফিজিক্যাল মিটআপ।
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
নরসিংদী জেলায় শিশুদের সাথে ইফতার আয়োজন করে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর নরসিংদী টিম
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
জেলার কার্যক্রম। তার ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিয়ত মাসিক হচ্ছে। আজকের মিট আপের আলোচনার প্রধান দুটি দিক ১)নিজের ব্র্যান্ডিং করা বা পরিচিত বাড়ানো এবং ২) মহাসম্মেলন 2021 এর প্রস্তুতি। মোঃ
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
বাবা মানে জীবন যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক। বাবা মানে ভাত রুটির নিশ্চয়তা দৈনিক। বাবা মানে রোগে শোকে অফুরন্ত শক্তি। বাবা মানে ই অনাকাঙ্খিত যন্ত্রনার মুক্তি। বাবা মানে ই স্বল্প
একদিন বাবা বললেন, এই দিকে আয়, হালচাষ কিভাবে করতে হয়, শিখিয়ে দেই। বাবা শিখালেন গরু সোজা চলার জন্য কি বলতে হয়, বাঁক ঘুরতে কি বলতে হয়। কি সাবধানতা, গরু পায়ের দিকে লাঙ্গল যাতে কোন ভাবে না লাগে। এই হলো..
আমার বাবারা দুই ভাই। আমার বাবা ছোট। আর আমার বড় কাকা তখন ছিলো গাজীপুরে। সে তখন গাজীপুরের একটা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তো আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা ও গাজীপুরেই থাকবো। তখন আমরা
আসলে একটা মেয়ের জীবনে একটা স্বামী সব হতে পারে না একটা মেয়ে চাইলে স্বাবলম্বী হতে পারে আর আমি সেই স্বাবলম্বী নারী হতে চাই এবং অন্যকেও স্বাবলম্বী করতে চাই জীবনে কত টাকা ইনকাম করতে পারব কি পারব না সেটা
আজ ৫টা বছর ধরে অসুস্থ আমি। ছোট জীবনটার খুব দুর্বিষহ কিছু মুহূর্ত দেখেছি আমি। আমার জীবনের কিছু সময় আর পাঁচটা মেয়েদের মত নয়। আলাদা একটু বেশিই আলাদা। আমি আজ আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু অতীতে
অনেক নতুন ভাই - বোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সর্বোপরি সবাই মিলে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি
বাংলাদেশ দূতাবাসের মাননীয় রাস্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি এর সাথে NRB Kuwait টিমের কান্ট্রি এম্বাসেডরদের সৌজন্য সাক্ষাৎ।
ভিসা না থাকায় বাংলাদেশ যেতে না পারাই আমার রুরাল এনভাইরনমেন্ট কমিউনিটি হেল্থ সোসাইটি নামক,প্রতিষ্ঠান দিন দিন লাভ জনক আবস্থা থেকে লসের দিকে যেতে থাকে । ভাই,বন্ধু ও সন্তান তুল্য আমার অধিন্থরা, ন
আমাদের সবার প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার এর পরিকল্পনা, বাংলাদেশের সকল জেলায় লাইব্রেরী স্থাপন, এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ঝিনাইদহ জেলা টিম আজ লাইব্রেরীর জন্য একটি রুম পরিদর্শন করেন। এসময় উপস
স্কুলের বদলে যেতে হয়েছে গারমেন্টসে। যখন আমার বয়স আনুমানিক 13 বছর তখন থেকে আমার গারমেন্টসে কর্ম জীবন শুরু প্রথম মাসের বেতন 850 টাকা দিয়ে জীবন যাত্রা শুরু করলাম। প্রথম দিন অন্যের জামা পরে
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
প্রথমত পেয়েছি অগনিত ভালো মানুষ। যারা প্রতিনিয়ত ভরসা এবং পরামর্শ দিচ্ছেন। ২/ পেয়েছি এত বিশাল একটা প্লাটফর্ম যেখানে রয়েছে ক্রেতা এবং বিক্রেতা। ৩/ ৯০ টা সেশনের মাধ্যমে অনেক কিছু শেখার সুযোগ যেটা কোথাও প
আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তাআলার অশেষ কৃপায় ময়মনসিংহ জেলার চারটি উপজেলা (ফুলপুর,তারাকান্দা,ধোবাউড়া, হালুয়াঘাট) তারিখ 17/05/21 এর উদ্দোগে ঈদ আড্ডা সফলভাবে সম্পুর্ন করতে পেরেছি। এই ঈদ আড্ড
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর ও সকল সদস্যদের পরিবার সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।। সেই সাথে ১০০প্যাকেট ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে।। মানবিক ও সামাজিক এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আসলেই আমরা গভীর ভাবে
কিভাবে এই গ্রুপে আসা: 2020 সালের অক্টোবর ও নভেম্বরের মাঝামাঝি দিকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ওবায়দুল্লাহ আমিন প্রবাসী ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয় এবং আমাকে বন্ধু বানিয়ে ফেলে তো আমি যখন হতাশাগ্রস্ত আমার জীবনের গ
আমি একটা জিনিস সবসময় ভাবতাম চীন তার এত বড় জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করলো আমরা কেন পারিনা। আমি এই গ্রুপে যুক্ত হয়ে বুঝলাম ইনশাআল্লাহ আমরাও পারবো। আমাদের মেন্টর ইকবাল বাহার স্যার এবং এই গ্রুপে অনেক
আগস্টের 3 তারিখ সকালেই শুনলাম বাবার শরীরটা একটু খারাপ। হালকা জ্বর। সারারাত ঘুমাতে পারেনি বাবা। তাই সবাই মিলে ডিসিশন নিলাম তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করব। এরইমধ্যে যেখানে জাকে পেয়েছে পরিচিত সবাইকে বলেছি।
ইফতার আয়োজন ও উপজেলা এম্বাসেডরদের নতুন দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে শেষ হলো রুপসী বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার মাসিক মিটআপ ও উদ্যোক্তা মিলনমেলা।
আজ লিখবো আমার সফল উদ্যেগক্তা হয়ে উঠার গল্প। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। ষোল বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। তখন স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছি কারণ আমি যে আর লেখা পড়া করতে পারবোনা। হাসবেন্ডের
জন্ম_আমার গ্রামে_মুন্সীগঞ্জ দিঘীর পার আকাল মেক দাদুর আব্বুর গ্রামে_ আমরা চার ভাই ছোট ভেলায় থেকে ভর হোয়ে ছি শহরে আমার একটা রোগ হোয়ে ঘটেছিল ছোট বেলায় অস্বাভাবিক রকম ছোট আকৃতি নিয়ে। কেউ ধারণা করেনি
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
রক্ত দান করার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকেও রক্ত দানে উৎসাহিত করা। কে জানে আগামীকাল আপনার জন্যই রক্ত সংগ্রহ করতে হবে কি না! তখন যেন দাতা আপনার পাশেই উপস্হিত থাকে।
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
আমাদের চাঁদপুর জেলা উদ্যোক্তা টিম ইনশাআল্লাহ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। 😊 আমি কাজ করছি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। আমাদের সেবা সমুহ : * প্রোডাক্টস প্রোমোশনাল ২ ডি এনিমেশন🏙️🌆 * মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন 🧩 * ও
বাংলাদেশের প্রানিজ আমিষের চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রে গরু,মহিষের পরে ছাগলের ভুমিকা অপরসীম।ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।কারন মনে করেন এখন একটি সমস্যা দেখা দিল আপনার ৩০০০/৪০০০টাকার খুব প্রয়োজন আপনি ইচ্ছে করল
মায়াবতী অর্গানিক হেয়ার অয়েল চুলের যত্নে একাই একশো এইটা থাকলে আমার আর কিছুই লাগে না । শক্ত হাতে নিজের সংসার , সন্তান , উদ্যোগ সামলানোর সাথে সাথে চুলের গোড়া শক্ত রাখতে আমি ভুলি না ।
আমার এই প্রিয় মাতৃভূমির রক্তার্জিত স্বাধীনতার আজ ৫১ বছর।প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
পড়াশোনা ছেরে দেওয়ার পড়ে মনে হতে লাগল কেমন করে চলব? কিছুতো করতে হবে, এখন না হয় সবাই আছে, একসময় সবাই ব্যাস্ত হয়ে পরবে, তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে একটা ইলেকট্রিক কাজে যুক্ত হয়ে গেলাম, প্রথম প্রথম
আর ডাক্তার এর সাথে কথা বল একটা কিডনি লাগলে আমি দিবো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসতো আমার সঙ্গে আমার বাবার ব্লাডগ্রুপ ম্যাচ করলো না ডাক্তার বললো সেইম ব্লাডগ্রুপ লাগবে। তা-না হলে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে না।
সারারাত সি সি ইউ আই সি ইউ তে নাইট ডিউটি করে মর্নিং শিফটে ক্লাস করতে যেতাম। খুবই কষ্ট হতো তবুও ইচ্ছা শক্তি ছিল আমাকে পাড়তে হবে। চালিয়ে গেলাম। কিন্তু বড় ভাই রাগ ছিল শুরু থেকে তাই খরচ দিত না।
রক্তদান করি অনেক অনেক পজিটিভ মনে মনে কোন প্রকার নেগেটিভ দিক নেই। 💉আগামী ৩১শেশে আগস্ট ২০১৯ রোজ শনিবার মালয়েশিয়া অবস্থানরত সদস্যদের ২য় মিট আপ সময় হবে।
সবার ই একটা বলার মতো গল্প থাকে কারো গল্প টা সুখের,কারো গল্প-টা দুঃখ কষ্টে জর্জরিত। আমার গল্পটাও অনেকটাই দুঃখ কষ্টেই জর্জরিত, আমি সবার মতো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ না, আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী যে নিজে