আমার পরিবার বলতে আমার জন্মের পর যেখানে আমার বেড়ে ওঠা। পরিবার বলার কারণ হলো মেয়েদের কোন বাড়ি হয়না। বিয়ের আগে বাবার বাড়ি, বিয়ের পরে স্বামীর বাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলের বাড়ি না হয়......
সত্যি কথা বলতে কি জানেন আমি কখনো ভাবি নি আমার আজকের মতো বর্তমান একটা অবস্থান তৈরি হবে। আমি কল্পনাও করি নি আমাকে কল দিয়ে মানুষ খুজবে, এটা লাগবে অইটা লাগবে বলবে। আমার কাছে এসে প্রিয় প্লাটফর্ম সম্পর্কে
লালবাগ জোনের মেগা সম্মেলন সফল পরবর্তী অফলাইন মিটআপ এবং নবনিযুক্ত ফাউন্ডেশনের সন্মানিত মডারেটর সংবদ্ধনা Md Roni ভাইকে ফুল দিয়ে বরন
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
ফেনী মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজকে বিকালে আমার মেধা বিকাশ একাডেমির সামনে ৩ টি গাছ লাগিয়েছি। পাশে যে গাছগুলো দেখেছেন দাড়িয়ে আছে সেই গাছগুলো আমরা লাগিয়েছিলাম ২য় ব্যচের সমাপনী দিন উপলক্ষে।
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় কালিহাতী টিমের প্রতি চমৎকার এই আয়োজনে দারুন ভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করার জন্য। বিশেষ করে সম্মানিত উপজেলা প্রতিনিধি
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাসিক মিটআপ সম্পুর্ণ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে পরিচয় পর্ব ৯-১-২০২১ মহাসম্মেলন, টিম মেম্বার বাড়ানো, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ বাড়ানো, নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসার গল
তুমি ছাড়া সত্যি আমাদের পৃথিবীটা শুন্য😭😭।আব্বু মারা যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আব্বুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হলাম।রাস্তায় হঠাৎ চাচা চিৎকার দিয়ে উঠলেন,যেই মারা গেছে তো গেছেই এতো কান্না করলে কি
রক্ত দান করার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকেও রক্ত দানে উৎসাহিত করা। কে জানে আগামীকাল আপনার জন্যই রক্ত সংগ্রহ করতে হবে কি না! তখন যেন দাতা আপনার পাশেই উপস্হিত থাকে।
উদ্যোক্তা ভিত্তিক প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটি গল্প প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলা, ৪৯২টি উপজেলা ও ৫০টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মোট সাড়ে ছয় লাখের বেশি
আমি এখনো এই ফাউন্ডেশনে কোন সেল করতে পারিনি। তবে আমার পেইজ বুক বন্ধু আমার পরিবারের লোকজন। আশেপাশের মানুষের কাছে আমি গত এক দেড় মাসে প্রায় সেল করেছি দেড় লক্ষ টাকার ও বেশি। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার প্
ইউনিক দুবাই উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২১ এ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক@Iqbal Bahar Zahid স্যার ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন (ইউ এ ই) এর সামাজিক সংগঠন ব্লাকজোন পরিবারকে। #মডারেটর মোহাম্মদ রাসেল আকন্দ জেলা খুলনা ৭ম//
খুলনা জেলার ঈদ পুনর্মিলনী এবং মেগা অফলাইন মিটাআপের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার
বিয়ের কিছুদিন পরে জানতে পারি সে আগে একটা বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর একদিনের জন্য চাকরি থেকে বিরতি পেলাম না।
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
২১-শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা।
স্বাভাবিকভাবেই বাবার রাজকন্যা আমি, বাবা আমায় একেক সময় একেক নামে ডাকতেন, দিলকি টুকরা, আখোকা রোশনি, মা, স্বর্বজায়া এই নাম গুলো আমার মনে আছে ৷ছেলে বেলাটা গ্রামে কাঁটলেও গ্রামিন পরিবেশ বা গোরামি গুলো কখনো
হতে চাই নেহাৎ একজন ভালো মানুষ। বাবার মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমি আমার অবস্থান থেকে এখনো চেস্টা করি মানুষের জন্য কিছু করার। আমি চাই আমার এ চেষ্টা অব্যহত থাকুক। নিজের জীবনের নিজের বলার মতো এ
🇧🇩🇧🇩গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের মুন্সিগন্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলা টিম একটি অফলাইন মিটআপ এর আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিরাজদিখান 🙋
উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে হচ্ছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২’।
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
আয়োজনে যারা সময় দিয়েছেন তাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি খুব শীঘ্রই আবার আমাদের এক সাথে দেখা হবে।
শুরু হলো নতুন এক লড়ায়, কিছু দিন পর দুই মেয়ের মা আমি বয়স কম, তাতে কি কাধে এসে পড়ে দুই মেয়ের দায়িত্ব। আমিও হার না মানা মা।মনে মনে শপদ নিয়েছিলাম বাবার অভাব বুঝতে দিব না কোন দিন।তাই মা বাবার সংসারে বোঝা
ভবিষ্যৎতে দেশের বিভিন্ন জেলায় হাঁসের খামারের শাখা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা চাইলে এবি এগ্রো ফার্মের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে সাহ
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
ওসমান গণি ভাইয়ের ১মহাদান। উৎসর্গ সম্মানিত ইকবাল বাহার ভাইয়া। অসমান ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
আমি বরাবরের মতোই খুব ভালো ছাত্রী ছিলাম তাই সব সময় চেয়েছিলাম ভালো একটা চাকরি করব। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুবাদে Forhad Chowdhury সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়।পরিচয়ের মাধ্যমে ভালো লাগা আর সেই ভালো লাগা থে
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
প্রথম বিবাহ বার্ষিকী স্বামী -- স্ত্রী রক্তদান। দাম্পত্য সুখী হও দোয়া ও শুভকামনা জাগ্রত-ব্যবস্থা গঠন আনন্দ শ্রেষ্ঠ অনুভূতি
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
আমরা সবাই স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে সবাই ভালোবাসে।কারও স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া,কার ও স্বপ্ন খুব সামান্য। ছোট হোক বা বড় সে তো কেবলি স্বপ্ন। স্বপ্ন ছাড়া বাঁচা যায় না কখনো? সবাই চায় পৃথিবীতে একদিন সবাই ত
৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
কিন্তু কত দিন মনের মধ্যে এই হতাশাকে বাসা বাঁধতে দিবেন? আপনি কি জানেন আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন? আমাদেরকে মন থেকে হতাশা কে চিরদিনের জন্য দূর করতে হবে, হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ
দুঃখ পেয়েছি তো কি হয়েছে?দুঃখ আমাকে শক্ত করে নিজেকে বাঁচাতে সাহায্যকরবে,হেরে যাওয়ার নাম জীবন নয়,প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার নামই জীবন,আমরা পৃথিবীতে কেউ নিখুঁত নয়,সুখ-দুঃখ হাসি-কান্
ছোট্ট পরিবার আমার। মা বাবা আমার বড় বোন আর আমি আলহামদুলিল্লাহ। ভাই নেই, যে কেউ শুনলে আমাদের চেয়ে উনিই আফসোস করতেন ভাই নেই আমার! আব্বু তখন আমাকে কাছে নিয়ে বলতো এইটাই আমার ছেলে। আমাকে আমার পরিবারের কেউ
কিছু দিন পর মাথায় আসলো এমন কিছু করা দরকার যা আমার পড়ালেখার জন্য ভালো হয়। বসে বসে কিছু করার চিন্তা আসলো কারন ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে পড়ালেখা তেমন করা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিই একটা স্টুডিও টাইফের দো
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
বিয়ের পর বাসায় তেমন কাজ থাকতো না কাজের খালা করে সব কাজ করে দিত। সেই জন্য বসে অবস্বর থেকে মোটেও ভালো লাগতো না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে দেখি এক আপু আচার সেল এর পোস্ট দিছে।
এই শ্লোগানটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি মূলত ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখনো করে যাচ্ছি।
আমার একান্ত নিজের আবেগ,অনুভুতির এলোমেলো, অগোছালো কথা ধর্য্য সহকারে পড়ার জন্য প্রিয় ফাউন্ডেশনের সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্য ভাই ও বোন দেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। অনইচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য
আমার পরিবারের ইচ্ছা একটা ভাল চাকরি করলেই হবে। কিন্তু আমি তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, নিজে কিছু একটা করবো। নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। সেখানে অনেক লোক কাজ করবে। সে কারনেই J S C পড়িক্ষার পর বানিয্য বিভাগ
ফজলে রাব্বী বাঁধন ৮ম ব্যাচ রেজিঃ৪৩০৪ আলহামদুলিল্লাহ আজ আবার রক্ত দান করলাম
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি