আমি ইসলামের গন্ডির মধ্যে থেকে পর্দা রেখে, হালাল রুজি এবং রিজিকের সন্ধান করবো,দ্বীনের পথে ব্যায় করবো ইনশাআল্লাহ,,,। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন একদিন আমার ঘুরে দাড়ানোর গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার কর
রিয়াঃআসলে সব সময় ভাবতাম স্বামীর এতো টাকা থাকতে আমাকে কেন কিছু করতে হবে?কিন্তু করোনার কারনে ওর চাকরি চলে গেছে।যা টাকা জমা ছিলো সব খরচ করে ফেলেছে।বাসায় ঠিক মতো টাকা দেয় না।টাকা চাইলেই অনেক কথা শুনায়।বলে
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
পারস্পারিক সহযোগিতায় বর্তমান বিশ্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দরিদ্র দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অগণিত
কিভাবে উদ্দোক্তা হওয়ায় তা জানতে পেরেছি. এই ফাউন্ডেশনে ৯০ যুক্ত হয়ে আমি অনেক ভাল মানুষের সন্ধান পেয়েছি. কিভাবে ভলেন্টিয়ারিং করে তা জানতে পেরেছি এবং নিজে ও ভালেন্টিয়ার হতে পেরেছি. কি ভাবে সত্যের সাথে
একটু বলছি বাবাকে যদি তার কোন ভাই বা বোন এসে ডাক দিতো বড় ভাই আমার এটা লাগবে ওটা করব ইনশাআল্লাহ তাহলে ঐ ব্যক্তির কাজ হয়েছে নিজে থেকে ঐ কাজ শেষ করেছেন । এটাই চিরন্তন সত্য কথা আমার চোখে দেখা । তারা ছোট
জয়িতা ফাউন্ডেশন" এর সাথে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর MOU সাইন হল আজ। উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং, সেল বৃদ্ধি ও ফান্ডিং নিয়ে ইনশাল্লাহ আমরা একসাথে কাজ করবো।
আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিক নির্দেশনায় আমরা প্রতি বছরেই এই আয়োজন করে থাকি, এবং প্রতি বছরেই এই আয়োজন চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।
নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক লোকের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি। 👉উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী হবার সকল কলা-কৌশল শিখতে পেরেছি। 👉 আত্মবিশ্বাস বেড়েছে নিজের পায়ে দাঁড়াবার।
আজ আমি আপনাদের মাঝে বলতে আসলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কত কষ্ট করতে হয় তা নিয়ে।
আমাদের সবাইর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার ঘোষণা দিয়েছেন, এই বিপদের মুহূর্তে এই প্লাটফর্মের সবাই সম্মিলিত ভাবে কিছু গরীব দুঃখী মানুষের জন্য আমরা যেন এগিয়ে আসি। তাই একক ভাবে না করে, আসুন আম
কিশোরগঞ্জ জেলায় এসে আমি আর আমার মেজো ভাইয়া মিলে পরামর্শ করি তাহলে এবার বাবাকে অবসর নিতে হবে। বাবা আর কত করবে। বাবা কে আমার দুই ভাই মিলে বলি বাবা এবার আপনি অবসরে যান,জিবনে তো অনেক কষ্ট করছেন।বাবা তখ
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে রক্তদান বৃষ্টিকে, আলহামদুলিল্লাহ ষষ্ঠ বারের মতো রক্তদান,সদর হাসপাতাল রাজবাড়ী, নাম বৃষ্টি বয়স ৪ বছর রোগ থ্যালাসেমিয়া ২৫ দিনে রক্ত দিতে হয় একবার সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
ছোট থেকেই মানুষদের কোনও কষ্ট দেখলে আমার ভাল লাগতো না।সাধ্য মতো চেষ্টা করতাম মানুষদের উপকার করার।এ সময় জুটের এবং পুকুরে মাছের খামার করতাম।মাছের খামারে আমার তেমন লাভ হতো না কারন বেশির ভাগ মাছ যাদের কিনে
গ্রামে একটা মেয়ে কলেজ পাশ করলেই সবাই তার বিয়ের জন্য উঠেপরে লেগে যায় আমারো তার ব্যতিক্রম নয়। একদিন আমার চাচাতো বোন আমাকে বাজারে কেনাকাটা করতে নিয়ে গিয়ে ছেলেদের পরিবার কে দেখায়। আমি সেদিন কোন গুরুত্ব দে
শুধু এটুকুতে থেমে নেই বহুল আলোচিত বগুড়া বিখ্যাত দই বহু আগে থেকে দেশ ছেড়ে দেশের বাহিরেও সু-নামের সাথে ইমপোর্ট করে ছাড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের বগুড়া ও বগুড়া দই। বগুড়ার দইয়ের ছোট্ট একটু বিপরণ তুলে ধরলাম। 👇👇
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
যখন যুক্ত হলাম তখন আসলেই এই ফাউন্ডেশন সমন্ধে কিছুই জানতাম না ۔ভাবলাম অন্য আরো আট দশ টা গুরুপের মতোই এটা তেমন কিছু হবে ۔ তাই অনেকটাই অনিয়মিত মাঝে মাঝে পোস্ট গুলো ও সেশন গুলো পড়তাম ۔ মাঝে মধ্যে অনেকের
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
হঠাৎ একদিন আমি স্কুল থেকে এসে দেখলাম আমার প্রাণপ্রিয় আব্বু পুরো শরীরে ব্যান্ডেজ করা বিছানায় পড়ে আছে। তখন হয়তো আমি ক্লাস ১/২ তে পড়ছিলাম। কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘরে ঢুকে ভয় পেয়ে গেলাম। চিৎকার করে ক
অত্যন্ত সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ইতিহাস ১ম ইউনিয়ন ভিত্তিক অফলাইন মিট আপ। আজ ১৮/০২/২০২২ ইং রোজ শুক্রবার গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটা ইউনিয়ন পরিষদ
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
আমি আমার ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি,আমার মনে সর্বদা স্যারের প্রত্যেকটা বাণী ন্যায় একটি বাণী বেশি বিরাজ করে 'চাকরি করবো না চাকরি-দিব' প্রিয় স্যারের এই বাণীটি বুকে ধারণ করে আমি এখন উদ্দ্যােক্তা
একটি আদর্শ মিটআপ" বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহের সদস্যদের ১০ম মিটআপ ছিল ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৯ মিটআপ সফল করার জন্য অবশ্যই পূর্বপরিকল্পনা করতে হয়। যে সময়মটায় আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগীতা করেছে ফাহাদ, নাহ
আমরা প্রবাসে বসে কয়েকজন বন্ধু মিলে গতকাল 40 টি পরিবারের কাছে ত্রাণ বিতরণ করেছি । আপনাদের দোয়ায় সম্পন্ন করেছি। তাদের কোনো সেলফি নেইনি কারণ লোক দেখানো মানবতার বহির্প্রকাশ নয়।
আজকে প্রচুর বৃষ্টি থাকার পরেও কষ্ট করে যে সকল ভাই ও যে দুইজন বোন মিট-আপ প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা আজকের মিট-আপে যেকোন কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি আগামী মাসের মিট-আপে তা
চারিদিকে সবাই যখন বলছে বাঁচবোনা বাঁচবো না, কথাটা আমিও মেনে নিলাম। হাল ছেড়ে দিলাম বেঁচে থাকার। পৃথিবী থেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। অপেক্ষা শুধু কখন বিদায়ের ঘন্টা বাজবে।
ফেনী জেলার কর্মসূচি দিনে এনে দিনে খায় কর্মসূচি । প্রয়োজনে কম খাবো তবুও ভাগ করে খাব
।আমি স্যারের থেকে শিখেছি কথা দিয়ে কিভাবে কথা রাখতে হয়, কি ভাবে রাগ কে প্রাধান্য না দিয়ে জেদ কে প্রাধান্য দিতে হয়,কীভাবে স্বার্থ ছাড়াই মানবসেবা করে যেতে হয়, কীভাবে একজন ভালো সন্তান /ভালো মানুষ এবং উদার
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় প্রিয় মেন্টর ও শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিদিনের সেশনগুলো আমাকে নতুনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছে।
তারপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় নিজেকে মানিয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে, সব কিছু কেমন যেনো লাগছে, মানুষ গুলোও কেমন যেনো যাই হোক সব কিছু মানিয়ে নিলাম, আর চাকরি করতে থাকলাম। কিন্তু কিছু দিন পরে চাকরিটা ছেড়ে দিলাম কারণ
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাই। জীবনে সফল হওয়ার জন্য এখন থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা এবং ভালোবাসা থাকলে অবশ্যই সফল হব। ইনশাল্লাহ। আমি চাই জীবনে সফল হয়ে আমার কাছের মানুষগুলোকে আ
আর আমিও এটা এখন পুরোপুরি নিজের জীবন উপলব্ধি করতে পারছি। সবকিছুই যখন শেষ হয়ে যাচ্ছিল তখনই এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নিজেকে বদলাতে পেরেছি এবং আবার সবকিছু ফিরে পেয়েছি। এখন আমার আর কোন চিন্তা নাই।
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
মিটআপ মানেই ভালবাসা সু-সম্পর্ক অটুট রাখা... এই ভালবাসার বন্ধন অটুট থাকুক
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
শাশুড়ী আর বউ মিলে চিন্তা করলো কিছু টাকা আছে তাই দিয়ে একটা দোকান দিবে তার পরে দুজন মিলে বাজারে গিয়ে জা জা লাগবে সব কিনে আনবে বাজার থেকে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে তাই দুজন ভাবলো কাল থেকে শুরু করবে......
নবনিযুক্ত মডারেটর মোঃ মোশারফ হোসেন ভাইকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়
অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার অফলাইন মিট আপ সফল ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে।
আমার বাবা একদিন জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলো তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে,বজ্রপাতে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করে। আমরা হয়ে গেলাম এতিম। আমার বাবা কে হারিয়ে যখন আমরা দিশেহারা ঠিক তখনই আমার চাচারা আমাদের ভাইদে
আলহামদুলিল্লাহ। কিছুক্ষণ পূর্বে Atik Shafique ভাইয়া ব্লাড ডোনেট করে গেল আমায়।