এন আর বি কাতারের প্রথম মিটট-আপের উপস্থিতি ছিল মাত্র দুজন/ তিনজন সভাপতিত্ব করেছিলেন শওকত আলী তারপর ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে সবার সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় মিটআপের অ্যারেঞ্জ করেন মোঃ আল-আমিন
সময় ও পরিবেশ অনুযায়ী অঞ্চল ভেদে সেখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর গবেষণা করে ব্যবসা করতে পারলে ব্যাবসায়ের সফলতা নিশ্চিত
স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে অনুপ্রেনিত করে, আমাকে স্বপ্ন দেখায় একজন উদ্দোক্তা হতে। আমার স্বপ্ন আমি একজন উদ্দোক্তা হতে চাই।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের অন্যতম ইউনিক জেলা লক্ষ্মীপুর জেলা, আমাদের জেলার প্রত্যেক সদস্য নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে কাজ করছে ফাউন্ডেশনের জন্যে। অসাধারণ চমৎকার মিট আপ সফল হয়েছে আলহামদুলিল্
পরিবারের বাবা,মা,ভাই,বোন, আত্মীয়-স্বজন বউ বাচ্চার জন্য। দিনের পর দিন চলে যায় প্রবাসে। তাদের অর্ধেক জীবনটা প্রায় প্রবাসে জীবনে কাটিয়ে দিতে হয় বছর এর পর বছর। পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে টাকা উপার্জন করতে হ
প্রিয় হবু শাশুড়ী আম্মা, ভালোবাসা ও সালাম নেবেন, কেমন আছেন জিজ্ঞেস করবো না,কারণ এ বয়সে এসে এত চাপ নিয়ে কারোরই ভালো থাকার কথা নয়,সেটা আমার জানা আছে।আর সত্যি বলতে আমি আপনার ব্যাপারে একটু বেশীই জানি। তাই
আসসালামু আলাইকুম,, আলহামদুলিল্লাহ,,,, আজকে ৬ষ্ঠ তম রক্ত দান করলাম। সবাই দোয়া করবেন। আজকের প্রোগ্রাম শেষ করে রক্ত দিলাম।
কুমিল্লায় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে মাতৃভাষা দিবস উৎযাপন। কুমিল্লা জেলার সকল দায়িত্বশীলের উপস্থিতিতে চমৎকারভাবে উদযাপিত হয়।
আমার স্বপ্ন বড় কিছু নয়, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি,। বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সুবিধা বঞ্চি
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
গ্রুপে যত সময় দিচ্ছিলাম ততই নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম।যে মানুষকে কেউ কিছু বললেই লেগেটিভ ভেবে নিতো, অন্যের সাথে কথা বলতে পারতো না,অল্পতেই ভেঙে পড়তো,সেই আমি আজ সব কিছুই পজিটিভ ভাবে ভাবি।স
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যান্ত চমৎকার এবং সফল ভাবে সম্পুর্ণ হয়ে গেলো আমাদের যশোর জেলা টিমের আয়োজনে ২০০০তম দিন উৎযাপন ও উদ্দোক্তা সম্মেলন। যারা অনুষ্ঠান টিকে সফল করবার জন্য দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম
লক্ষ লক্ষ, দিশে হারা যুবক যুবতী র, প্রানের স্পন্দন, বাংলাদেশের রিয়েল হিরু প্রিয়, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের যুগান্তকারী সৃষ্টি এই সাপ্তাহিক হাটবার.... লক্ষ লক্ষ, মানুষের এই মেলা বন্ধন, এই সুন্দর বিশ্ব
আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন "" নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন "" ফাউন্ডেশনের ৫ ম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সকল কোর
নতুন ভাই, আপুরা দির্ঘ্যদিন সেশন চর্চা মিটআপে থেকে কথা বললেও সরাসরি সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সবার প্রতি শুভ কামনা রইলো।
মিটআপ এ উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার উপজেলা এম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার এবং আজীবন সদস্য বৃন্দ, উক্ত মিটআপ এ প্রত্যেক উদ্যোক্তার উদ্যোগ সম্পর্কে জানা হয় এবং পণ্য পদর্শনীর সুযোগ দেওয়া হয়।
এখন আমার ১২ জন কর্মি আছে যাদের দ্বারা আমি নকশিকাঁথা, নকশি বেডশিট, হাতের কাজের থ্রিপিচ, টু পিচ, ওয়ান পিচ , বেবি নকশিকাঁথা এগুলো তৈরি করে করছি।
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় প্রিয় মেন্টর ও শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিদিনের সেশনগুলো আমাকে নতুনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছে।
আজ ১৬ ই ডিসেম্বর ২০২২ ইং। প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলার বায়েজিদ জোনের উদ্যোগে মহাসম্মেলনের টিকিট বিক্রয় মেলা, মহাসম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক ফিজিক্যাল মিটআপ, পু
যখন হসপিটালে যেতাম নার্সদের ডাক্তারদের দেখতাম তখন আমার মনে হতো আমিও যদি লেখাপড়া কন্টিনিউ করতাম তাহলে আমিও ডাক্তার হতাম,তখনতো শুধু ডাক্তার হওয়ার চিন্তা মাথায় থাকতো, মাঝে মাঝে নার্সদের সাথে কথা বলতাম...
যেগুলো সত্যি আমাকে মুগ্ধ করছে।আমি যদি আরো আগে এই ভালো মানুষের পরিবারে আসতে পারতাম হয়তো আরো ভালো কিছু করতে পারতাম।স্যারের এক একটা সেশন আমাদের কে নতুন করে বিজনেস আইডিয়া,, ভালো মানুষ হওয়া,,,,
এটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে বড় অর্জন। কারন আমি খুবি সাধারণ স্বভাবের একজন মানুষ। গ্রামের আট দশ জন মানুষের মতো আমাকে কেউ চিন্ত না জানতো না ।সবার সাথে সহজে মিশতে পারতাম না।
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্। 🌿মাশাআল্লাহ, কলেজ ও ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন নিঃসন্দেহে স্যারের যুগ উপযোগী ভালো উদ্যোগ। দেখা যায় যে, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ ও ইউনিভার্সি
নিজের মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একজন শিশুকে নবম সন্তানের মতো লাল ভালোবাসা জানার অনুরোধ।
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
এভাবে আস্তে আস্তে কেটে যায় দুই বছর,দুই বছর পর মামার ম্যানেজার মালাইশিয়া চলে যায়,এর মধ্যে সব কিছু আমি শিখে ফেলি,ঐ দায়িত্ব চলে আসলো আমার কাঁধে,,,এভাবে আরো তিন বছর কেটে গেলো,এখনো ঐ দায়িত্ব পালন করছি আল্
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
প্রিয় প্ল্যাটফর্মের জিরো টলারেন্স হল নারীদের অসম্মানের বেপারে
প্রতিটি উপজেলাকে গতিশীল করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় মিটআপ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প
২০২৩ সালের জানুয়ারি শুরুতে আমি আমার ভাইয়ের কাছ থেকে রিসেলিং শুরু করি কারণ আমার বিজনেসের জন্য কোনো মুলধন ছিল না। তবে প্রথম মাসেই আমি সবার সহযোগিতায় ১৮ পিস শার্ট পাইকারি সেল করি । এটা আমার অনেক বড় প্
একটি ৮ মাসের বাচ্চার হার্টের অপারেশনের জন্য ৬ষ্ঠ বারের মত রক্ত দান করলাম✌️♥️আলহামদুলিল্লাহ
প্রথম বিবাহ বার্ষিকী স্বামী -- স্ত্রী রক্তদান। দাম্পত্য সুখী হও দোয়া ও শুভকামনা জাগ্রত-ব্যবস্থা গঠন আনন্দ শ্রেষ্ঠ অনুভূতি
কেউ কেউ সময়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে,তারা হার শিকার করে নিয়েছে তারা বলছে আমাদের দ্বারা কিছু হবে না,আমাদের সন্তানরা হয়তো যদি কিছু করতে পারে।কিন্তুু কিছু লোক আছে যারা কখনই হার মেনে নেয় না, তারা বলে আমাকে
মাদারীপুর জেলা অফলাইন মীট আপ উপস্থিতি ছিল অনেক। চমৎকার আয়োজন দীর্ঘ সময় উপভোগ করেন প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণ মিলনি অনুষ্ঠান ছিলো। সাথে ছিলো নতুন কোর মোহাম্মদ তারেক আহমদ ভাইয়া কে বরন করে নেয়া। চমৎকার ভাবে এই অনুষ্ঠান উপভোগ করলাম।
আমাদের বাড়ির সামনে একটা পুকুর বেশী বড় না তবে আমাদের সংসারের মাছের চাহিদা পুরন করতে সক্ষম, পুকুর টা সংস্কার করে মাছ চাষ করতে শুরু করে দিয়েছে. পুকুরের পার ঘেসে একটা ছোট মুরগীর ঘড় করে সেখানে ৪০ টা দেশী
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক
জীবনে চলার পথে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ কাজ নয়। তথাপি এমন কিছু কাজ আছে যা আপনাকে সিদ্ধান্তহীনতা থেকে বের করে এনে মনস্থির করতে সাহায্য করবে বা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবো।👍👍 #সিদ্
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
আমিও ভাঙ্গা মোবাইল নিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্র্যান্ডিং নয়, নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া দুঃসহ গল্পগুলো লিখার আগ্রহ প্রকাশ করি, মন থেকে। সেই মোতাবেক শুরু করেও দেই, অনেক অনুভূতিতে লিখেছি ৭০/৮০ দিন পার হয়ে যায়
আমাদের ফাউন্ডেশনের ২৩ তম ব্যাচের সদস্য ও আমাদের রহমানিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হযরত মাওলানা Imam Uddin ভাই।