নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
উক্ত অনুষ্ঠানে ইউনিক দুবাই টিমের সকল দায়িত্ব শীল সহ আজীবন সদস্য উপস্থিত ছিলো আলহামদুলিল্লাহ, এভাবেই এগিয়ে যাবে ইউনিক দুবাই টিম। উপস্থিত সকলের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও আন্তরিক ভালোবাসা।
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এবং স্যারের সুস্থতা কামনায় দোয়া মুনাজাত করা হয় 26.03.2021তারিখ রোজঃশুক্রবার বিকাল 5 টায় মিট আপ অনুষ্ঠিত হয় সেবার হাট এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও এতিমখানা
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
রক্তদানে কেউ আমরা পিছিয়ে থাকবো না। বিশেষ করে আমাদের নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের করো যদি কখনো ব্লাড লাগে আমরা সবাই মিলে ওনার জন্য কাজ করমো। রক্তদানে কোনো ক্ষতি নাই বরং নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আ
মহা সম্মেলন কে সফল করতে সবার মতামতের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই কমিটি মহা সম্মেলন কে সফল করতে কাজ করে যাবে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার আমাকে হতেই হবে সেটা যেভাবেই হোক,দায়িত্বশীলদের পরামর্শ নিয়ে লিখতে শুরু করলাম আমার জীবনের গল্প প্রায় ১৫ দিন পর লেখা সমাপ্তি করে একদিন পোস্ট করলাম।
মানব মনের ক্ষমতা অদ্ভুত ও অনুভবনিয়! মানব মনের ওপর আস্থা কিভাবে কাজ করে? আকাঙ্ক্ষার প্রচন্ড প্রভাব কেমন? বাস্তবতার সাথে এইসব অদৃশ্য বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে? কীভাবে আকাঙ্ক্ষা ও আস্থার যোগফলে অসম্ভব কাজ
সবার কাছে সবার বাবা একজন পৃথিবীর সেরা মানুষ, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্তু আমার নিকট আমার বাবা তার থেকেও আরে বেশি কিছু,যার কোন উপমা হয়তো আমার জানা নেই। আমার বাবা একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী, যার কারনে ছো
প্রযুক্তির কল্যাণকর অগ্রযাত্রার এ সময়ে মানুষ ঘরে বসে উপভোগ করছেন নাগরিক সব সেবা। করোনাকালীন এ প্রবণতা আরও বেড়েছে। প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলেই ঘরে বসে যে কোনো কোর্স করে নিচ্ছেন। মহামারির প্রভাবে চাকরি
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?
বেকার থাকবোনা একদিনও" শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে
অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় কালিহাতী টিমের প্রতি চমৎকার এই আয়োজনে দারুন ভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করার জন্য। বিশেষ করে সম্মানিত উপজেলা প্রতিনিধি
তাকে দেখে নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে অপরাধী মানুষ বলে মনে হচ্ছে। আমি এই কাজটা না করলে ও পারতাম। ছেলে "আম্মু" বলে ডাক দিতেই বেচারী পানির মগটাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে সেকি কান্না, কি আহাজারি,
ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের চমৎকার স্বপ্নের, চমৎকার গ্রুপের, চমৎকার কার্যক্রমের, চমৎকার এগিয়ে চলার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের এই চরম সংকটময় সময়ের চমৎকার উদ
আমি আছি এখন ভালোবাসার রমনা জোনে, সবার সহযোগিতায়, পরামর্শে সামনে থেকে কাজ করে, আগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সম্পন্ন করতে পেরেছি আরো একটি (৯তম) সফল অফলাইন মিটআপ
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,
কেউ ঋণ করে, কেউবা তার পৈতৃক সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে। প্রবাসে পাড়ি জমান। তার মাঝে কোন চিন্তা নেই, আমি কি পারবো? আমার ঋণ পরিশোধ করতে? আমি কি পারবো? হারানো সম্বলটুকু ফিরে পেতে? 👉 তার মাঝে থাকে স্বপ্
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্। 🏵️প্রথমে শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর নামে যার অপার কৃপায় এই পৃথিবীতে এসেছি। সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন
২১/০১/২০২২ ইং রোজ শুক্রবার দীর্ঘদিন পরে আমাদের এন আর বি কাতারের সম্পর্ক_উন্নয়ন মিটআপ অনুষ্ঠিত হলো, এই মিটআপে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবার অংশগ্রহণ ছিল বলার মতো, আজকে কাতারে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অনেক দূর দূ
এই অনলাইন ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি কর্মশালার আজ ৮১৮ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলো। আর আজ আমাদের সদস্য সংখ্যা ১৬৪ থেকে ১০০০০০ পৌঁছে গেলো। অভিনন্দন জানায় ১০০০০০ সদস্য সবাইকে। সবাই নিয়মিত আমাদের এই পরিবারে যুক্ত থ
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
চলছে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের খুলনা জেলার মাসিক মিটআপ। বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ছিল এবং ছিল হালকা-পাতলা খাবারের আয়োজন। আমরা সবাই সুস্থ এবং সুষ্ঠুভাবে মিটআপ সম্পূর্ণ করেছি।
বগুড়া জেলা গ্রুপের সকল ভাই ওবোনেরা গত কাল ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরনায় কম্বল বিতরন করেছেন,এ
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রাণ" এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমি দ্বিতীয় বারের মত লাল ভালবাসা দান করলাম। নিজের বলার মত গল্প ব্লাড ডোনার ক্লাব এর পক্ষ থেকে সকল ডোনার ভাইদের জন্য রইল অবিরাম
‘চাকরি করবো না চাকরি দেব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন-২০২২’।
আলহামদুলিল্লাহ টানা ৪র্থ বারের মত B+ রক্ত দান করলেন আমাদের MD Naim Hossain Shihab ভাই। তিনি ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের লক্ষ্মীপুরের প্রতিনিধি।
আমার বউ কে বললাম চলো বাজার করতে যাই ,বউ বললো করোনার মধ্যে কোথায় বাজার করতে যাবে,আমি বললাম আমি সেই হাটে বাজার করবো,যে হাট রোদ বৃষ্টি করোনা তে বন্ধ হইনা,বউ বললো কোথায় তোমাদের হাট, আমি বললাম আসো দেখাই আম
জয়পুরহাট জেলার টীম এর সফল ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। উপস্থিত সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল
আমরা স্কুলে একটা খেলা খেলতাম। প্রিয় রং,প্রিয় খেলা ,প্রিয় পোশাক, প্রিয় নবী, প্রিয় ফল, প্রিয় খাবার,প্রিয় ফুল প্রিয় ফুটবল দল, এরকম অনেক প্রিয় জিনিস বান্ধবীরা যার যার ডায়েরীতে লিখে রাখতাম। উদ্যে
আমি নিজে উদ্যোক্তা হয়ে হয়ে নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক গরীব হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো আরো কিছু বেকার ভাই-বোনদেরকে আমার মতো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব।
আমি প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমি আগে কারো সাথে কথা বলতে পারতাম না, কিন্তু এখন আমি কথা বলতে পারি।
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমার মা যখন আমার কাছে থাকতো না তখন আমি যদি কান্না করতাম আমার মেজো ফুপু তার জিব্বা আমার মুখে দিয়ে রাখতেন আমাকে থামানোর জন্য, আমাকে খুব ভালোবাসতেন তো। ফুপুর যখন বিয়ে হয় তখন আমি
"নিজের বলার মত একটা গল্প" প্লাটফর্মে থেকে যা শিখেছি- # ভালো মানুষ হওয়া ও জীবনের সংগ্রাম করা। # মানুষের প্রতি মানুষের মূল্যবোধ তৈরি করা। # কথা দিয়ে কথা রাখা ও সময়কে মূল্য দেওয়া। # ধৈর্য্যশীল হয
আমাদের বাড়ির সামনেই একটা ছোট পুকুর (কুয়া বা পুশকুনি) ছিল। কুপের পশ্চিমেই বাড়িতেই মেহমান এসেছিল।আর আমাদের বাড়ি ছিল কুপের পূর্বেই। এই সুযোগেই আমার মেজ চাচী আমার বড় বোনকে বাড়ির সামনের উঠান থেকেই কূপের পা
৭/৮/৯ব্যাচ থেকে যা শিখেছি ১০ম ব্যাচ থেকে তার চেয়ে বেশী পেয়েছি... ১০ম ব্যাচে নতুন নতুন অনেক স্কিল যুক্ত হয়েছিল যা আগে পাইনি..... 👉১০ ব্যাচে এসে নতুন পোরানো অনেকের সাথে পরিচিত হয়েছি সু-সম্পর্ক তৈরি হয়
আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা এই সামনে রেখে কুড়িগ্রাম জেলার মাসিক মিট আপ
৩০ মিনিট সময় আমাদের সাথে আলোচনা করার ,কথা থাকলেও, পরবর্তীতে স্যার প্রায় ১:৩০ মিনিট আমাদের সাথে মূল্যবান সময় কাটিয়েছেন।সে জন্য স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আমাদের এ সুন্দর প্রো
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই