"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলার কালিগন্জ উপজেলা মিটআপ
আমাদের নতুন বিবাহিত সুপার একটিভ জেলা প্রতিনিধি Mohammad Kawser Ali ভাই ও Alamin Hossain ভাই এবং নতুন ভাবীদের বরণ করে নিয়েছি আমরা রাজশাহী জেলা টিম।
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
সেই লক্ষী আমার ঘরে আসার পর কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করলো। আমি জানিনা কি ঠিক কি বেঠিক, তবু সময় চলে তার মত করে, শুধু আমরা পারিনা সময়ের দাম দিতে। আমার মেয়ের এক দেড় বছরের মাথায় আমি ভাল কাজের আশায় আমার পরিব
শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা যে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পেয়েছি, যে প্রতিষ্ঠানের মানুষ গুলোর কাছ থেকে পেয়েছি,তা কখনো ভুলে যাওয়ার মতো নয়
আপনার জানামতে আপনার জেলার / জোনের কোন সদস্য যদি আপনার ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত না থাকে তাহলে তার প্রোফাইল লিংক সহকারে দ্বায়িত্বদের জানিয়ে তাকে যুক্ত করতে সহযোগিতা করুন। 👉 অনুগ্রহ করে মাসিক মিটআপ অন
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন। আজ শুনাবো একজন ইন্জিনিয়ার এর খামারি হওয়ার গল্প। শৈশব ও কর্মজীবন শুরু কথা আগের পোষ্টে লিখেছি। 🎄বিয়ে ঃ-চাকরি জীবনের ৪র্থ বছর বিয়ে করে ফেললাম। আম্মার পছন্দ, পাত
আপনাদের মনে পড়ে কি স্যার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হওয়ার কথা বলেছিলেন। এখন আপনাদের শুনাবো প্রবাসে আমার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প। এইতো আমি মাত্র ১১০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করি। সকাল ৭ টা থেকে ২
সুন্দর ও ভালা মনের মানুষ গুলোর সাথে যুক্ত করে দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনারা যারা মিটআপে উপস্থিত হয়ে প্রোগ্রাম সফল করেছেন। আরো আরো ধন্যবাদ ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি যাদে
উদ্দেশ্য শেষ বারের মত চাচাকে একবার দেখা এবং খাঠ কাদে নেওয়া, আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দান করুক-আমিন, তারপর এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই শুনি ২৫-০৩-২০২০ইং থেকে ০৪-০৪-২০২০ইং পযন্ত সাধারণ ছুটি ও গনপরিবহন বন্ধ, ব
আজ রাজশাহীর সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ীক ভবন "থীম উপর প্লাজার" ৬তালায় রাজশাহী জেলাটিম-এর উদ্যোগে হয়ে গেল জমজমাট ইফতার মাহফিল রাজশাহী বিভাগীয় জেলা প্রতিনিধি সমাবেশ।
নাটোর জেলার নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ত্রাণ কার্যক্রম
আজ মহান বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি বাংলাদেশকে পেয়েছি। সকল শহীদ মুক্তিযুদ্ধাদের স্মরণে আজ #নিজের_বলার_মতো_একটি_গল্প_ফাউন্ডেশন এর ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পক্ষ থেকে ঝিনাইদ
টানা ২০০০ তম দিন বিশ্বরেকর্ড অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কখনো বন্ধ থাকেনি এমনকি শনিবার সরকারী ছুটি ও ঈদের দিনও।বিভিন্ন বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন হয়েছে |
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
ন ধরে কথা বলতাছে ড্রেস নিবে। সব ডিটেইলস নিলো। কিন্তু অর্ডার করে না। পরে গতকাল রাতে হাটবারের আগের রাতে নক করলো আপু আমাকে ১০ টা ড্রেস পাঠাবেন আগামী কাল। ভাই কে আমি ভালো করে চিনি না কিন্তু সে আমাকে চিনে।
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
মাগো ওরা বলে সবার কথা কেড়ে নেবে তোমার কোলে শুয়ে গল্প শুনতে দেবে না। বলো মা তাই কি হয়? তাইতো আমার দেরি হচ্ছে তোমার জন্য কথার ঝুড়ি নিয়ে তবেই না বাড়ি ফিরবো "" সেই কথা এবং ভাষার প্রশ্নে আত্মোৎসর
♥অালহামদুলিল্লাহ♥ বগুড়ায় এটাই প্রথম মিট-আপ। অাশা করছি পরবর্তীতে অারো ভালো হবে, ইনশাঅাল্লাহ্.....
এই প্লাটফর্মে এসে আমি যা পেয়েছি হয়তো আপনারা ও তার চাইতে অনেক বেশি পেয়েছেন বা কেউ কিছুটা কম অর্জন করতে পেরেছেন আসলে এই গ্রুপে না আসলে আমি জানতাম না কি করে একজন উদ্যোক্তা হতে হয়, আমার মনের ভেতর লুকি
অসাধারণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো আজ খুলনা সদর থানার মিটআপ। খুলনা সদর থানার অ্যাম্বাসেডর Jakeya Moon আপুর নেতৃত্বে মিটআপের সকল কার্যক্রম আয়োজন করা হয় এবং সফলভাবে শেষ হয়।অসংখ্য ধন্যবাদ মুন আ
হাজার হাজার ভালো মানুষের দেখা, ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া, ভালো ভালো সামাজিক কাজকর্ম জেলাভিত্তিক মেসেঞ্জারে এড হওয়া,সেশন চর্চা মিটাতে অংশগ্রহণ করা নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা। ইনশাআল্লাহ,অনেক কিছু শেখার চ
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
আমার জেঠাতো বোন আর আমি একসাথে ঘুমাতাম। আব্বা ঐখান থেকে ডেকে নিয়ে বলে আমরা একসাথে ঘুমাব।ঐ সময় রমযান মাস ছিল। আমরা ঘুমিয়ে পড়ছি।ওঠে দেখি সকাল হয়ে গেছে। আমার আম্মার চোখ দুটো লাল।অনবরত চোখের পানি পরিতেছ
আমায় প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের সদ্য ঘোষিত উদ্যেক্তাদের পন্য প্রদর্শনীর আয়োজন ছিলো এটা খুবই ভালো লেগেছে।
আমরা শুধু সেশন ক্লাশ এ সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্যোক্তা দের সহযোগিতায়,,,,,,,
ভালোবাসার টানার পাশে আনে 🥰 আমের জেলা,,, ধানের জেলা,,, প্রাণের নওগাঁ জেলা কৃতক আয়োজিত অফলাইন মিটআপ
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
#নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প প্লাটফর্মের নিম্নবিত্তদের মাঝে জরুরী খাদ্যদ্রব্য বিতরণ কর্মসূচি এবং সচেতন মূল লিফলেট ভিতরণ।
ওই ফসল দিয়ে আমাদের সংসার চলত। দ্রুত টাকার জন্য জমি টা ৪,৫ লক্ষ টাকা লস খেয়ে জমি বিক্রয় করছিলাম।
বারবার মনে ভয় হয় এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে পারব তো!কিন্তু বিশ্বাস আছে নিজের উপরে,শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের শিক্ষার উপরে, প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি,
শুরুতে আমি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ব্যাবসা শুরু করি।আজকে আমার মুলধন ৫০,০০০০ লাখ টাকা। এটা শুধু আমার একটা ব্যান্ড এর কথা বললাম,বাকীগুলা না হয় নাই বললাম। আমার ব্যাবসা দাঁড় করাতে গিয়ে আমাকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
Iqbal Bahar Zahid স্যারের ১৮ টি গাইডলাইন নির্দেশনা অনুযায়ী সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অদম্য টাংগাইল জেলার অফলাইন মাসিক মেগা মিট আপ।
🌈🌈🌈বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম🌈🌈🌈 টিকিট মেলা টিকিট উৎসব পালন করলাম আমরা নাটোর জেলাটিম। আগামী ১৪ই জানুয়ারী পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন উপলক্ষে আমরা নাটোর জেলাটিম টিকিট মেল
আমার প্রথম উদ্যোক্তা জীবন শুরু হয় ২০০৭ সাল জুন মাসের ১০ তারিখ আমার জন্মদিন ছিল হাজার ১৯৮৩ সালের জুন মাসের ১০তারিখ আমার প্রিয় বন্ধু স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন আপনার জন্মদিনে আমাদের কোম্পানির শুভ উদ্বোধন হব
আমাদের মানবিক মডেল গুলশান জোনে ''ভালোবাসা প্রোগ্রাম বিলাই'প্রোগ্রামে
পৃথিবীটা নাকি আজকাল গিভ এন্ড টেক নীতিতে চলে
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
নিয়মিত গ্রুপে আমার পোস্ট দেখে। আপু নিজের জন্য এবং তার দুই বোনের জন্য একটু গর্জিয়াস গহনা নিবে সেজন্য আমাকে নক করা।আপু গহনা গুলো কি কি কালারে হবে সেগুলো বললো।আমিও সুন্দর করে নোট করে নিলাম। এরপর চমৎকার
আলহামদুলিল্লাহ খুবই চমৎকার এবং প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা কতৃক আয়োজিত মহাসম্মেলন এর টিকেট বিষয়ে আলোচনা এবং চা আড্ডা। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই আ
কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি রামপুরা থানা , মতিঝিল জোন এর সকল দায়িত্বশীল ও সদস্যসদের। আরো কৃতজ্ঞতা রইল প্লাটফর্মের দায়িত্বশীল কোর- ভলান্টিয়ার ও মডারেটর ভাইয়া-আপুদের প্রতি যারা উপস্থিত থেকে প্রোগ্রাম সফল করেছেন ।
বিষয় টি হচ্ছে, আমার একজন খুব কাছের পরিচিত মানুষ। তিনি একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত আছেন,প্রতিমাসে ৪৫,০০০/- টাকা সেলারি পান,কিন্তু কোম্পানি টানা ৩ মাস সকল স্টাফদের বেতন আটকে রাখছে, ত
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
আমি এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বাবার বন্ধু আমার বাবাকে প্রস্তাব দেয় তার ছেলেকে দিয়ে আমার বিয়ের কথা বলে । তবে আমার বাবা রাজি হয় না । অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিবে না বলে কিন্তু আমার মা তাদের কথাতে রাজি হয়