অর্জনের ঝুলিটা ভারী হয়ে উঠলেও,জীবনের ঝুলিটা ততদিনে শূন্যে পৌঁছে গিয়েছিল। তবু স্বপ্ন দেখতে ছাড়ি নি, পিছ পা হইনি এক মুহুর্তের জন্য,কয়েকটা বছর সূর্য কোনদিক থেকে উঠেছে আর কখন কোনদিকে ডুবেছে তা দেখার সময়
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
আমার কাজ পৌছে যাবে দেশের গন্ডি পেড়িয়ে বিদেশের মাটিতে। রোজ প্যাটালস মানে গোলাপের পাপড়ি আর আমার হাত ধরে এই গোলাপের সৌরভ পৌছে যাবে সকলের কাছে।
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
একসঙ্গে সেলসম্যানের কাজ করি আমরা অনেক বাঙালি ভাই । তারমধ্যে একজন আমার প্রিয় খোরশেদ আলম ভাই। ভাই আমাকে প্রায় বলতেন যে, উনি একটা গ্রুপের সদস্য যেটার নাম ** নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন** ভাই
আমার বিজনেসটা যখন শুরু করেছি কাউকে আমার পাশে পাইনি এক পর্যায়ে যুদ্ধ করে শুরু করেছিলাম মাত্র ৭হাজার টাকা নিয়ে মহিলাদের ড্রেস নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার অনেক অনেক প্রাপ্তি,, ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্প
চিন্তা সে কাজ বন্ধুদের সাথে গিয়ে সেনাবাহিনীতে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম হলাম এবং ভর্তি হয়ে গেলাম। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং যে কি কষ্টের সেটা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না।কষ্ট বেশী হলে ভাবতাম পরিবারের কথা ছোট ভাইবোনদ
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
আলোচনা সভা শেষে খাওয়া-দাওয়া ও উদ্যোক্তাদের। পণ্য প্রদর্শনী করা হয়। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা ও সহযোগীতায় ছিলেন সায়বা তাজরীন, সোহাগ আলী, প্রবাসী উদ্যোক্তা সহ অন্যান্যরা ।।
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
আমার মা যত আদরেই মানুষ হোক না কেন সেসময়ের মেয়েদের ওপর করা মানসিক অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি।অন্তিম শয্যায় আমার দাদি আমার মায়ের সামনে আমার বাবাকে তার আগের স্ত্রীকে আবার ফিরিয়ে নিতে বলেন ।
পাহাড়ের আকাঁ বাঁকা মেঠোপথে হেঁটে চলে এক সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্যে দিয়ে আমার বেড়ে উঠা।সেই ছোটবেলা থেকে নতুন কিছু শিখার আর জানার প্রতি আমি অধিক আগ্রহী ছিলাম। অজানাকে জানার জন্য অধিক কৌতুহলী ছিলাম ।
এন আর বি কাতারের প্রথম মিটট-আপের উপস্থিতি ছিল মাত্র দুজন/ তিনজন সভাপতিত্ব করেছিলেন শওকত আলী তারপর ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে সবার সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় মিটআপের অ্যারেঞ্জ করেন মোঃ আল-আমিন
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ অনুষ্ঠান।
সেটাই আমাদের পরবর্তী কাজ করার শক্তি যুগিয়েছে৷ ফ্যামিলি সাপোর্ট পেয়েই তখন লেখাপড়ার পাশাপাশি আবার নতুন করে আবার শক্ত হাতে ধরেছিলাম ব্যবসার হাল । বাবার সকল পুরাতন কাস্টমার আর কোম্পানির মহাজনেরাই পাশে দ
প্রবাস জীবন কষ্টের সময় ও হতাশা আমাকে একটু একটু করে গ্রাস করছে কোন কিছু ভালো লাগে না।সবসময় চিন্তা করি কিভাবে নিজের একটা সফল ও সুন্দর জীবন গড়তে পারবো
দীর্ঘ এক মাসের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে মতিঝিল জোনকে আবার সুসংগঠিত করতে যে পরিকল্পনা করেছিলাম তার কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন গতকাল মতিঝিল জোনের মিটাআপের মাধ্যমে সম্পূর্ণ করলাম।
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
ওয়ারী জোনের ৮০০তম সেশন চর্চা পূর্তি এবং ২৪তম ব্যাচের সদস্যদের নবীন বরণ কর
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
সবার আগে যে কাজটি করতে হবে, সেটা হলো আপনার পারসোনাল ব্যান্ডিং,আর ব্যন্ডিং এর জন্য যে সকল বিষয় রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটা বিষয় হলো আপনার নিজের বিজনেসের একটা পেইজ থাকা,এবং পেইজটি হতে হবে ভালো লেবেলের,
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
🇧🇩🇧🇩গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের মুন্সিগন্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলা টিম একটি অফলাইন মিটআপ এর আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিরাজদিখান 🙋
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
আসলামুআলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার এবং সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়ে গেল আমাদের চৌগাছা উপজেলার মিটআপ। Iqbal Bahar Zahid স্যারের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি বিভিন্ন উপজেলাতে
‘দূরে থেকেও কাছে, চলি এক সাথে’ এবং 'চাকরী করব না চাকরী দিব' শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র হাজার তম দিন উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল
আমি একজন খুব চঞ্চল স্বভাবের মানুষ। নতুন নতুন শেখা আমার একটা সখও বলতে পারেন। আর নতুন কিছু অর্জন করতে পারাটা মনে হয় জীবনে পাওয়ার মতো আরও কিছু যুক্ত হলো। " নিজের বলার মতো একটা গল্প " ফাউন্ডেশনে যুক্ত হও
২৫০ টাকা দিয়ে কাঁচামাল কিনে কাজ শুরু করি অনলাইন এ । আমার প্রথম দিন এর পোস্ট এই ২৫০ টাকার পণ্য শেল করি । শুরু হয়ে গেলো কাজের জীবন। তার পর থেকে একটা দিন ও থেমে থাকিনি প্রতিটি সেকেন্ড কাজ করেই যাচ্ছি।
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
আমার হেফজ শেষ এখন সামনে অনেক পড়া-লেখা আছে, ইচ্ছে ছিল বড় একটা মাদ্রাসায় পড়বো কিন্তু কে চালাবে এই পড়া- লিখার খরচ, এবং ছোট ভাই আর মাকে,মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো যাই হোক রিযিকের মালিক আল্লাহ, আমি ২০০৮
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
রক্তের অভাবে যেন না হারায় কোন প্রাণ জীবন বাঁচাতে এসো করি রক্ত দান । " "স্বেচ্ছায় করবো রক্ত দান হাসবে রোগী, বাঁচবে প্রাণ । " আলহামদুলিল্লাহ ১৩ তম বার লাল ভালোবাসা দান করলাম
কোনও ব্যবসাকে যদি সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফল হতে হয়, তবে অবশ্যই তার মধ্যে এমন কিছু থাকতে হবে – যা এর আগে কেউ করেনি। আপনি যখন পুরোপুরি ইউনিক কোনও আইডিয়া নিয়ে কাজ করবেন, অথবা প্রচলিত কোনও ব্যবসায় ইউনিক কিছু ন
সবার জীবনেই স্বপ্ন থাকে নিজে কিছু করার। কিন্তু এই নিজেকে কিছু করতে হবে এই ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজ করতে গেলে বোঝা যায় নিজের একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কত কষ্ট করতে হয়। আপনা
কুড়িগ্রাম জেলায় জমকালো আয়োজনে মাসিক মিট আপ
যিনি সুখ খুঁজে না আপন নীড়ে, প্রাণের টানে এই আঙিনায় বারে বারে আসে ফিরে, কালজয়ী, সময়উপযোগী মহা নায়ক, সকলের নয়নের আলো,আমাদের সকলের নয়নের মনি, শিক্ষাগুরু, আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক যার চিন্তা ভাবনা এই
স্বাধীনতা দিবসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা দেশের জেলায় জেলায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা !
আমি তো মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যেতাম যে এতো সময় ফাউন্ডেশনে প্রতি দিন দিতেছি। আমার কোন ওর্ডার আসে না। কিন্তু স্যারের মোটিভেশনাল কথা গুলো মনে করে সবসময় লেগে আছি।
প্রিয় শিক্ষাগুরু ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি, যত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি না কেন কম হবে। এই প্লাটফর্ম যুক্ত না হতে পারলে জীবনের মানে খুঁজে পেতাম না। আমি বেশি দিন হয়নি জয়েন হয়েছি তার পরও যে টুকু জানতেও
“ধৈর্য মানে শুধু বসে বসে অপেক্ষা করা নয়, ধৈর্য মানে ভবিষ্যৎকে দেখতে পাওয়া। ধৈর্য মানে কাঁটার দিকে তাকিয়েও গোলাপকে দেখা, রাতের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দিনের আলোকে দেখা। “
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হলো যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ,এই আয়োজনের মাধ্যমে প্লাটফর্ম এর প্রিয় ভাই ও বোনেরা তাদের নিজেদের জীবনের সুখ,দুঃখ,হতাশা,সফলতার গল্প সকলের মাঝে তুলে ধরতে পারছেন।পাচ্ছেন অনেকের প্রতি
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই জোহরা দিলশাদ আরা আপুকে। নিজের অফিসকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে যেন আমরা সবাই একসাথে একই ছাদের নিচে বসে সুষ্ঠুভাবে মিট আপ করেত পারি
১০ ডিগ্রি দক্ষিনে কর্কট ক্রান্তি রেখায়। বসবাস যে যেখানে করি আমাদের লক্ষ্য একটাই,সফল হউয়া। পুরো পৃথিবী এখন এক প্রকার কান্না করতেছে।তার সাথে সাথে আমরাও কান্নায়, চিন্তায় জর্জরিত। কিন্তু চিন্তা করে দেখে