নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন NRB সিংগাপুর টিম কর্তৃক ইফতার ও দোয়ার আয়োজন সুন্দর ভাবে সমাপ্ত হল,
আলহামদুলিল্লাহ, প্রিয় গ্রুপ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে অফলাইন "মিট আপ"লালমনিরহাট জেলা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মিট আপ সফল হয়েছে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
মুদির দোকান একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে সামান্য পুঁজি নিয়েই একটি মুদির দোকান চালু করা যায়৷ নিজে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নিয়ে এই ব্যবসা করে বাড়তি আয় করা যেতে পারে৷ কারণ সবখানে ও সবসময়ে এর চাহি
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্। 🌿মাশাআল্লাহ, কলেজ ও ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন নিঃসন্দেহে স্যারের যুগ উপযোগী ভালো উদ্যোগ। দেখা যায় যে, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ ও ইউনিভার্সি
অনেক বড়ো একটা নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে ৩) সাহস করে একটা ব্যবসা শুরু করেছি ৪) দেশে এবং দেশের বাইরে পরিচিতি পেয়েছি ৫) দশজন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি ৬) রাস্তায় দাড়িয়ে পন্য বেচাক
ওয়ারী জোনের ইফতার বিতরণ খুব সুন্দর ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে। আলহামদুল্লিল্লাহ।আল্লাহ পাক কবুল করুক। আমীন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ।এত সুন্দর এ
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
টানা ২০০০ তম দিন বিশ্বরেকর্ড অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কখনো বন্ধ থাকেনি এমনকি শনিবার সরকারী ছুটি ও ঈদের দিনও।বিভিন্ন বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন হয়েছে |
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
তাই স্বপ্ন দেখি নিজের জন্য, নতুন প্রজন্মের জন্য, দেশ ও জাতীর জন্য, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে
মা-এর মৃত্যুর ঠিক তিন বছর পর আমার জন্মদাতা পিতা ও আমাকে এতিম করে না ফেরার দেশে চলে গেল , এবারও ছুটির বিরম্বনায় শেষবারের মতো জন্মদাতা পিতার মুখটাও দেখা হলো না হায়রে প্রবাস জীবন। আমরা প্রবাসীরা কতটা য
মানুষের নিজস্ব একটা লক্ষ্যস্থান থাকলে সেই স্থানেই সে নিজেকে উন্নীত করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে পরিশ্রম ও সাধনা করতে হয়। নির্দিষ্
অফলাইন মিটআপ এ উপস্থিত সকল ভাই ও বোনদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজ তাদের উপস্থিতিতে মিট আপ টি ছিলো প্রাণবন্ত ও শিক্ষনীয়। নিজের উন্নতি সাধনে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই,
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
এন আর বি কাতারের প্রথম মিটট-আপের উপস্থিতি ছিল মাত্র দুজন/ তিনজন সভাপতিত্ব করেছিলেন শওকত আলী তারপর ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে সবার সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় মিটআপের অ্যারেঞ্জ করেন মোঃ আল-আমিন
রিয়াঃআসলে সব সময় ভাবতাম স্বামীর এতো টাকা থাকতে আমাকে কেন কিছু করতে হবে?কিন্তু করোনার কারনে ওর চাকরি চলে গেছে।যা টাকা জমা ছিলো সব খরচ করে ফেলেছে।বাসায় ঠিক মতো টাকা দেয় না।টাকা চাইলেই অনেক কথা শুনায়।বলে
আজ ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হল জেলা"বিনিয়োগ ও ব্যবসায় উন্নয়ন সহায়তা" কমিটির বিশেষ সভা। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন ঝিনাইদহের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব সরোজ কুমার নাথ,স্যার। সভায় স্যার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত
আমাদের সকল দায়িত্বশীল ভাইয়ারা অসাধারণ সব দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।যা আমাদের চট্টগ্রাম কে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ । আমরা পুরো চট্টগ্রাম যেন এভাবেই একে অপরের সহযো
আমার বান্ধবীর পুরো দায়িত্ব টা নেওয়ার জন্য বলি আমার বাবা-মা রাজি হয় তারা অত্যন্ত ভালো মানুষ আমার এক কথায় আমার বান্ধবীর সব দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এবং আমাদের বাসায় নিয়ে চলে আসি আর ওর ফ্যামেলিতে যা লাগ
পারস্পারিক সহযোগিতায় বর্তমান বিশ্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দরিদ্র দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অগণিত
নতুন বউ বাড়িতে রেখে ৭৫০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম চাকরি খুজতে। ৩ দিন পর পকেট খালি । বংশের বড় ছেলে এবং আমার বাবার একমাত্র ছেলে বলে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা শেষ করতে না করতেই বাবার অসুস্থতা
মেলা উপলক্ষে উত্তরা জোনের আজকের আয়োজন চমৎকার ভালোবাসা দিয়ে সফল হয়েছে। সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অসাধারণ ছিল। অতিথি
কোথায় যাব দুপুর থেকে না খেয়ে রাত্রি ৮ টা পার করে দিলাম এভাবেই আমার অফিস থেকে অন্যান্য কর্মচারীরা আসছে এসে সবাই সবার মত বিছানা করে শুয়ে পড়ছে ৮:৩০এর দিকে বয়স্ক করে এক চাচা আসলো আমার পাশে তার বেটা স
তবে স্বপ্ন দেখে যেতাম, আমার সেই স্বপ্নের সারথি হয়ে এসেছে আমাদের সকলের প্রিয় ,আমাদের লিডার অফ উইথ জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার । যার অনুপ্রেরণায় আমি ১৫/১/২০১৯ সালে তিনটি গরু দিয়ে শুরু করেছি আমার গর
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
পণ্য সোর্সিংয়ের ব্যাপারে বরাবরই আমি খুঁতখুঁতে স্বভাবের। নিজের হাতে পণ্যের গুণাগুণ পরীক্ষা না করে কখনোই আমার পণ্য কিনে আত্মতৃপ্তি লাভ হয় না। কোয়ালিটির ব্যাপারে আমার কাছে কোনো প্রকার আপোষ নেই। কোন
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
বিকালেই একজন ভাইয়া মেসেজ দিলো আমি কাঁথা নিব।আমি ভাইয়া কয়টা নিবেন।আমাকে কয়েকটা কাঁথার পিক দেন। আমি দেখে বলছি। পিক দিলাম।দেখে বলেন। আমি ৪টা নিব।পিক গুলা দিয়েছি দেখেন। ধন্যবাদ ভাইয়া। এগুলা রেডি করা আছে।
ধৈর্য হারানোর শেষ প্রান্তে সাফল্যের শুরু আমরা অনেকেই ব্যবসা করতে চাই। আবার কারও কারও সারা জীবনের স্বপ্ন ব্যবসা করা। কিন্তু আমরা কতটা যত্নের সাথে শুরু করতে পারি তা। অদূরদর্শী পরিকল্পনা শুরুতেই বাধ সাধে
অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ৩য় মিটআপ সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। আজ ৪জানুয়ারির মহাসম্মেলনের টিকেট সদস্যদের মধ্যে বিক্রি করা হয়।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় রাজবাড়ী জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
আমি কোথায় সফলতা খুঁজে পাই ঃ আমি বিজনেস করে দুই বোনের পড়ালেখা, বিবাহ , ওদের বাচ্চা হওয়ার খরছ, বাচ্চাদের সাতটা সোনার চেইন দেওয়া, আমার বাবা দুই বার হজে যাওয়া, মা একবার হজে যাওয়া, বাইয়ের বিয়ে
অনুষ্ঠানে দেশে বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে এক কোটি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে এক লাখ উদ্যোক্তা তৈ
আমি এখন অনেক সপ্ন দেখি, এই গ্রুপে যুক্ত হবার পর স্যারের প্রত্যেকটা সেশান আর স্যারের প্রত্যেকটা দিক নির্দেশনা আজ আমাকে আরো সাফ্যলের সিঁড়ি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । আমার
আমিঃ ভাই দুই ভাবে দিতে পারবেন বিশ্বাস করলে পুরোটা দিতে পারেন আর শুধু চার্জ টাও এডভান্স করতে পারেন।কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারি করলে একটু সমস্যা আবার কুরিয়ার থেকে পরে টাকা আনতে যেতে হয়।তারা নিদিষ্ট টাকার উ
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়ে নিমিষেই যেনো সব কষ্ট গুলো হালকা হয়ে গেলো।
আমি নরসিংদীর মেয়ে হওয়ার কারণে বিখ্যাত নকশী পিঠা নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এরসাথে কাপড়ের সেক্টর যুক্ত করি।
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
শত শত তরুণ তরুণী আইডল সুপার ম্যান "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। যার কথা শুনে হতাশ হয়ে যাওয়া মানুষ ও অনুপ্রেরণা পেয়ে জীবনের গল্প তৈরী করেছেন।
প্রোগ্রাম ১০ তারিখ নারী দিবস এর অফলাইন মিট আপ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ ভাইয়া আপুদের সাথে
ভালবেসে আমাদের এই মিটআপটি সফল করতে আপনাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। উক্ত মিট আপে ফরিদপুরের সকল সম্মানিত ভাইবোনদের উপস্থিতি কামনা করছি।
শুক্রবার খুলনার কয়রা উপজেলার আম্ফান-ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৪৯ মিনিটের মধ্যে ৪৯,০০০ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে এটি।
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
উদ্যমী জামালপুর 🟡 ভালোবাসায় ভরপুর 🟣 স্বপ্ন পূরণের যেতে হবে 🟢 দূর থেকে বহুদূর এই উদ্যমী স্লোগান কে সামনে রেখে উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত কাঙ্খিত অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পন্ন হয়ে গেল
❤️❤️আজ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। ত্রিশ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ।সকলের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া ❤️❤️ প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
এভাবে আস্তে আস্তে কেটে যায় দুই বছর,দুই বছর পর মামার ম্যানেজার মালাইশিয়া চলে যায়,এর মধ্যে সব কিছু আমি শিখে ফেলি,ঐ দায়িত্ব চলে আসলো আমার কাঁধে,,,এভাবে আরো তিন বছর কেটে গেলো,এখনো ঐ দায়িত্ব পালন করছি আল্
আজকে মাসিক মিটআপে আমাকে এইভাবে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন সকলে তা কল্পনা করি নি। খুব ভালো যেভাবে লেগেছে তেমনি অবাক হয়েছি আমাকে এতোটা সম্মান দেয়ার জন্যে।