বাংলাদেশ দূতাবাসের মাননীয় রাস্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি এর সাথে NRB Kuwait টিমের কান্ট্রি এম্বাসেডরদের সৌজন্য সাক্ষাৎ।
এই প্লাটফর্ম নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা - এই প্লাটফর্ম থেকে আমার প্রত্যাশা আলাদা করে আর কি বলবো। এমনিতেই মনে হচ্ছে যা না তার চেয়েও বেশি সম্মান পাচ্ছি সারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ এর বাইরে অবস্থান করছে অনেক অ
নামঃ মোহাম্মদ লিমন ব্যাচঃ ৬ষ্ঠ রেজিঃ ৬৬৪ ব্লাড ঃ( ও+) আলহামদুলিল্লাহ ১১তম ডান । সবাই দোয়া করবেন বেশি বেশি ভাল কাজ করতে পারি মত।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি Sagar Banik দাদাকে, যিনি অনেক কষ্ট করে ঢাকা থেকে এসেছিলেন আমাদের পাবনা জেলায় আমাদের সঙ্গে মিটাপে যুক্ত হওয়ার জন্য।
উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
লালবাগ জোনের কিছু ভাই বোন শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে খুব সুন্দর একটা সময় কাটালাম। অনেক ধন্যবাদ লালবাগ থানা এম্বাসেডর Md. Amirul Islam ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর Md Roni কোতোয়ালী থানা এম্বাসেডর Taslima Za
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
যারা আমাকে চেনেন জানেন তারা আমাকে কোন কারনে অপছন্দ করলেও আমার এই কথাগুলি স্বীকার করন, আমি মিথ্যা কথা বলিনা, এবং পরিশ্রম ধৈর্য ত্যাগের মেন্টালিটি নিয়ে চলি। আমার এই কার্যক্রমকে যারা অপছন্দ করেন তারা অনে
আমার নতুন করে কাজ শুরু হলো "সুনাম শপ"কে নিয়ে। নামটা আমরা ট্রেডমার্ক করাই। এই নামে ডোমেইন আরো আগেই নিয়ে রাখা হয়েছিল। সুনাম শপ নামক এই উদ্যোগটা কিছু দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ জয়েন স্টক কোম্পানির অধীনে নিবন্
যাদের প্রচেষ্টায় এই আয়োজন তাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এই ফাউন্ডেশনের কিছু ভাইয়ারা আপুরা রোজ আমাকে মোটিভেট করে যাচ্ছে তুমি পারবে
গ্রুপে যত সময় দিচ্ছিলাম ততই নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম।যে মানুষকে কেউ কিছু বললেই লেগেটিভ ভেবে নিতো, অন্যের সাথে কথা বলতে পারতো না,অল্পতেই ভেঙে পড়তো,সেই আমি আজ সব কিছুই পজিটিভ ভাবে ভাবি।স
লালবাগ জোন"এর আওয়াতাধীন কামরাঙ্গীরচর থানার অফলাইন মিটআপ। খুব সুন্দর ও চমৎকার ভাবে আয়োজিত হয়লো। সকল সদস্য গনের উপস্থিতিতে খুবি প্রানবন্ত হয়ে উঠেছিল লালবাগ জোনের আওতাধীন কামরাঙ্গীরচর থানার অফলাইন মিট
অনেক প্রতিক্ষার পর নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের প্রথম মিটআপ সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী তে। যদিও সদস্য সংখ্যা অনেক কম, তার পরেও অনেক ভালো লেগেছিল আপনাদের সাথে এতটা সময় থাকতে পেরে।
এম এ পাস চা ওয়ালা শপটি আমাকে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আমার জীবনের স্বপ্ন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় এম এ পাস চা ওয়ালার ৬৪ টি আউটলেট ।
আমাদের চাঁদপুর জেলা উদ্যোক্তা টিম ইনশাআল্লাহ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। 😊 আমি কাজ করছি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। আমাদের সেবা সমুহ : * প্রোডাক্টস প্রোমোশনাল ২ ডি এনিমেশন🏙️🌆 * মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন 🧩 * ও
গত ১২ মার্চ ঢাকার মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুষ্ঠিত হলো উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
নিজেকে ভালো রাখতে এবং অন্যকে খুশি রাখতে যুক্ত হয়েছিলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের সাথে,,, দিনের আলো আর রাতের অন্ধকার যেমন সত্যি,,,,, নিজেকে সুখে এবং অন্যকে খুশি রেখেছে এই ব্যাক্তি,,,,, জীবনের সব
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
এতো ছোট একটা বিষয় কে যে এভাবে চিন্তা করা যায় আমি তো কখনো ভাবতেই পারিনি।সত্যি অসাধারণ চিন্তাচেতনার মানুষ উনি। মিলা-- এই জন্যই উনি আজ এতে বড় ব্র্যান্ডের মালিক।আমরা তো ঐভাবে চিন্তাই করতে পারিনা।আমাদের তো
ধানমন্ডি জোনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীলদের মিটিং ও চা আড্ডা।
নিয়তি খুবই নিষ্ঠুর। হঠাৎ করে আমার স্বামীর মিলটি বন্ধ হয়ে যায়।কিছুদিন পরে করোনাকালীন সময়ে আমার চাকরিও শেষ হয়ে যায়।আর সেইদিন থেকেই আমাকে হতাশায় আঁকড়িয়ে ধরে।
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেছি মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে করোনায় হাসপাতালের বেডে, শরীরের কোন অঙ্গ হানি করে ঘরে না বসি
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পরেন, ভাই নিজের দ্বায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেরান,কারণে অকারনে আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন,আমার সমস্ত বই বিক্রি করে দেন,,,বাবার মৃত্যুতে আমি ও ভেঙে পরি,, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না
কিবাবে বিনয় হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ , এক জন পজেটিভ মানুষ হওয়ার চর্চার প্রশিক্ষণ ,একজন ভালো মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণ ,নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় তার প্রশিক্ষণ ,64 জেলা ও 50 টির বেশি দেশে অবস্থান রত ফাউন
প্রবাস জীবন শুরু আমার ২০০৭ সালে ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ থেকে আজকে প্ররাই ১৩ বছর অতি বাহিত হলাে । আলহামদুলিল্লাহ । এই ১৩ টি বছর থেকে আমি অতি আপন জন হারিয়েছি । মা বাবা চাচা জেড়া ফুফা আরাে কত জন । জ
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
এই শ্লোগানটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি মূলত ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখনো করে যাচ্ছি।
আমার ও অনেক স্বপ্ন ছিল, আছে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি, কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে হাঁটার সঠিক গাইডলাইন না থাকার কারণে এখন ও সফল উদ্যােক্তা হতে পারিনি উদ্যােক্তা শব্দটি কী উদ্যােক্তা আসলে কাকে বলে কি
তখন মাথায় চিন্তা আসল বাসার বাইরে আসলাম পড়াশোনার জন্য কিন্তু ২ বছড়ে কি করলাম কি রেজাল্ট তুলে দিব ফ্যামেলির হাতে। চিন্তা করে আর লাভ হল না, সময় তখন শেষ এসে গেল পরীক্ষা কিন্তু পরীক্ষা এত ভাল হল যা কোনদি
হাজবেন্ডের উচ্চ শিক্ষার কারণে বিদেশে পাড়ি জমানো। যদিও আমার কোরিয়াতে পদার্পন তার 2 বছর পর 2018 সালে। কর্মব্যস্ত জীবন, চাকুরী ছেড়ে কোরিয়া এসে হয়ে গেলাম পারফেক্ট হাউজ ওয়াইফ। কিন্তু 2-3 মাস যেতে না যেতেই
আমাদের দুর সম্পর্কের এক ভাই সৌদি আরব থাকতেন ।উনি একদিন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসলেন । বাবার সাথে অনেক আলাপ আলোচনা হলো ।এক পর্যায়ে আমাকে বিদেশ নেওয়ার প্রস্তাব দিলেন ।উনি আমাকে বিদেশ নেওয়ার জন্য রাজি
প্রতিটা ভিডিওতে ভালো মানুষী চর্চাও উদ্যোক্তা হওয়ার হওয়ার বিষয়ে অসাধারণ কিছু শিক্ষা, অনুপ্রেরণা ও পরামর্শ আমি দারুন ভাবে উদ্বুদ্ধ হলাম এবং মুগ্ধ হয়ে শুনলাম এবং নিজেকে আরো বেশি একটিভ করে নিলাম।ইউটিউ
অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গাজীপুর সদর উপজেলার মিটআপ
"নিজের বলার মত একটা গল্প " তৃতীয় ব্যাচের ৯০ দিন, সমাপনী দিনটি উদযাপন উপলক্ষে ইকবাল বাহার স্যারের অনুপ্রেরনায়..
দেখতে দেখতে শীত কিন্তু চলেই আসছে এজন্য অনেকেই শীতের পোশাক নিয়ে নতুন বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করতাছেন,, এ জন্য অবশ্যই আপনাকে সবার সামনে পোডাক্ট গুলোকে হাইলাইট করতে হবে, তার জন্য প্রয়োজন পোডাক্ট ডিজাইন
কোনো কোনো দিন টাকা না থাকায় আদা কেজি মুড়ি বাকিতে আনার জন্য দোকান্দারের কাছে বসে থাকতেন বাবা। দোকান্দার বাকিতে দিলে তা নিয়ে আসতেন আমাদের দুই ভাই কে দিতেন। আর 🔹মা🔹শুধু কাঁদতেন আমাদের নিয়ে😭 ভালোবা
নুষের পাশে দাঁড়ানো,মুখের জড়তা কাটানো ইত্যাদি। মানুষের এমন কোন গুণ নেই যা এই প্রশিক্ষণে দেওয়া হয় না। ইতিমধ্যে আমাদের প্লাটফর্ম প্রায় ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে যা আমাদের দেশের সরকার কোটি কোটি টাকা
প্রায় ছয় বৎসর বেকার ছিলাম কি করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তখন দেখি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের পেজ টা আমার বন্ধু মনির ভাইয়ের একটা পোস্ট। তখন মনির ভাইকে বিস্তারিত জানতে পারি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ক
"তেজগাঁও জোন মিটআপ" ▶️আসসালামু আলাইকুম, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর তেজগাঁও জোন আয়োজিত, চমৎকার উদ্যোক্তা মানউন্নয়ন ও সম্পর্ক উন্নয়নের অফলাইন মিটআপ। 🍁 তা
💌আমি নিজেকে আরও অনেক বেশি পরিচিত করার জন্য দিন রাত এই ফাউন্ডেশনে প্রতিটি পোস্ট এ কমেন্ট করে যাওয়ার চেষ্টা করি। কারন ৫০ টা পোস্ট এ ৫০ টা কমেন্ট করলে৷ এই ৫০ জনের মধ্যে অন্তত ২০ জন তো আমায় চিনবে,
আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মাসুম আহামেদ উপ পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর,চুয়াডাঙ্গা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সোহেল তামজিদ হিরো।
রাঙ্গামাটি জেলায়ও প্রিয় গ্রুপের ১০০০ তম দিন উদযাপন করা হয় , চাকরি করব না চাকরি দেব এই স্লোগান স্মরণ করে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি সেশনের দিকে মনোযোগ
কিন্তু কে জানতো আমি যা কল্পনা করছি তার চেয়ে বহুগুণ পজিটিভিটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাস্তবে চলমান যার নাম ♥নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন♥। ★যথারীতি ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করতে করতে চোখে পড়লো চাকরি করবো ন