এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আরও এগুতে চাই। আমার বাবার কঠোরতা আমাকে ভালোমানুষ তৈরি হতে শিখিয়েছে।
আমি তোফায়েল ভুইয়া তোহা ৯ম ব্যাচের একজন গর্বিত ছাত্র হিসাবে সমাজে বুক ফুলিয়ে পরিচয় দিতে পারি যা আগে পারতাম না, এবার আসি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার নি জীবনের গল্পটা :- আমি একজন গ্রামের বেড়ে উঠা
গরিব প্রতিবন্ধী শিশুদের ঈদ উপহার বিতরণ
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা মাসিক মিটআপ ও ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকেট মেলা সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন হলো।
স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থেকে পুরো রমজান ভালবাসা বিলাই চালু রাখবো ইনশাআল্লাহ।, প্রিয় স্যার এর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি,ধন্যবাদ সবাইকে, আল্লাহ হাফেজ।
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
সাথী বলতে লাগল জানিস আমার তো মোংলাতে বিয়ে হয়েছে ওখানে লবন পানি তখন আমার অনেক চুল ঝরতে শুরু করে আমার এত লম্বা চুল সব ঝরে পড়ে যাচ্ছে আমি পাগলের মত হয়ে এই তেল ঐ তেল ব্যবহার শুরু করি কিন্তু কিছুতেই কিছু
December 7, 2020 · আসসালামু আলাইকুম।। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সকল সদস্যকে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।। এমন একটি পরিবারের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।। বাগেরহাট জেলা টিম
আপনাদের কারও যদি আয়কর রিটার্ন সম্পর্কিত কোনো ঝামেলা হয় অথবা তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
আসসালামু আলাইকুম ভাই ও আপুরা কেমন আছেন সবাই ✋ চলছে রাজবাড়ী জেলা কর্তৃক আয়োজিত ফাউন্ডেশনের টানা 2️⃣0️⃣0️⃣0️⃣তম দিন উৎযাপন ও উদ্যোক্তা সম্মেলনের অনুষ্ঠান। স্হানঃ শিল্প কলা একাডেমি, রাজবাড়ী সবাই দোয়া
আমি বললাম দিদি আমি কোনও সাহায্যে নিতে চাই না ,আমার হাত আছে পা আছে, আমি কাজ করে চলতে চাই ছুটির সময় অনেক লোক জরো হয়ে গেছে । আমি: রিনা দিদি আপনি গতকাল থেকে আমার জন্য যা করেছেন একজন অচেনা অজানা মানুষের জন
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
আমি সেদিন মনে মনে শপথ নিয়েছিলাম, আজ থেকে আমি ও একজন রক্ত যোদ্ধা হবো মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে তাদের চোখের পানি মুছে দিবো, তার পর থেকে নিয়মিত রক্ত দান করে যাচ্ছি।গত ১৭-০৮-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ১১ তম বার
তুই ত জানিস আল আমিন ভাইয়ের কথা। তোর ভাইয়ার খুব ক্লোজ বন্ধু। তার বিজনেস নিয়ে কি যেন ঝামেলা হয়েছে ভ্যাট, ট্যাক্স, চুক্তিপত্র ইত্যাদি নিয়ে। আর আল আমিন ভাইয়ের ঝামেলা যে ও নিজের ঝামেলাই মনে করে সেটা তো
সবার স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা থাকে তাই আমার ও ছিলো আমি একদিন আমার চাঁচত ভাইর সাথে ঢাকা গুলশান যাই এজেন্সি অফিসে ম্যানেজার ছিলো আমার বাড়ির পাশে তাকে বললাম আমি প্যাকেজিং কোঃ স্লিটিং মেশিনের কাজ জানি এই ধরনের
"নিজের বলার মত একটা গল্পের" তৃতীয় ব্যাচের সমাপনী দিনে বিশেষ চারটি সামাজিক কাজ এর একটি হলো ফলজ গাছ লাগানো।
আমরা প্রবাসে আশি এক বুক স্বপ্ন আশা নিয়ে, কারো স্বপ্ন পূরণ হয়, কারো হয় না,আমাদের যখন কষ্টের দিন শেষ হয় না, দেখে প্রবাসে যাওয়া চিন্তা করি যদি একটু সুখে থাকা যায় কি না,এই জন্য স্বপ্ন দেখা শুরু করি, কিন্
আমার কাজের মাধ্যমে একজন লোক ও যদি উপকৃত হয় তাতে আমি নিজের আত্ম তৃপ্তি খুজে পাই। আল্লাহতালা আমাকে যদি সুস্থ রাখেন আমি লেগে আছি লেগে থাকবো,,, আমি পরিশ্রম করে যাচ্ছি আরো পরিশ্রম করে যেতে চাই।
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
দিন দিনই লক্ষ্মীপুর জেলায় ভালোমানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে -- আলহামদুলিল্লাহ
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
এই পৃথিবী এমন এক জায়গা, এখানে বেচে থাকলে নিজেকে, নিজের আপন অস্তিত্বকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। আমি বেচে থাকলে, আমাকে বলতেই হবে " আমি আছি, আমার অস্তিত্ব বাস্তব "। যতক্ষন শ্বাস আছে, ততক্ষন বেঁচ
#শেরপুর_জেলার সদস্যদের অংশগ্রহনে #২য়_মিটআপ আজ ৮/১০/২০১৯ ইং তারিখ সফল ভাবে সম্পন্ন হল।সকলে উপস্থিত হয়ে মিটআপ অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
আজকে এটা আমার প্রথম বছরের প্রথম পোস্ট আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ এর মত প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে
আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে আম্মা আব্বা দোয়া নিয়ে নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস রেখে ১৫০০০হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব্যবসা।আমার ব্যবসা জীবনের প্রথম দিনের ইনকাম ছোাট গাড়ি খরচ বাদ দিয়ে ৪৬৭ টাকা।সেদিনের
মাগুরা জেলা টিমের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
শুরুতে আমি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ব্যাবসা শুরু করি।আজকে আমার মুলধন ৫০,০০০০ লাখ টাকা। এটা শুধু আমার একটা ব্যান্ড এর কথা বললাম,বাকীগুলা না হয় নাই বললাম। আমার ব্যাবসা দাঁড় করাতে গিয়ে আমাকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা
লালবাগ জোনের মেগা সম্মেলন সফল পরবর্তী অফলাইন মিটআপ এবং নবনিযুক্ত ফাউন্ডেশনের সন্মানিত মডারেটর সংবদ্ধনা Md Roni ভাইকে ফুল দিয়ে বরন
আজ থেকে প্রায় চার মাস আগের কথা কথা। তখন পনেরতম ব্যাচ এর অল্প কিছুদিন চলছিল হয়তো। এর কিছুদিন আগে থেকে যুক্ত হলেও, সেদিন ই প্রথম একটা পোস্ট দেখতে পেলাম যে,এই গ্রুপের নাকি রেজিষ্ট্রেশন চলছে। আমি ভাবলাম
তানু আপুঃতার গ্রুপে আপু অনেক বলে আপু পোস্ট করবা নিয়মিত সময় দিবা, এক্টিব থাকবা। মোটামুটি এক্টিব থাকতাম সব গ্রুপে কিন্তু কোন সেল আসে না। 🙋♀️আমিঃ তারপর আমি আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম অনেক গ্রুপে দৌড়া
আমার দ্বারা কিছু হবে না টা আর মনে হল না । আমি রেজিস্ট্রেশন করে যুক্ত হই এবং প্রতিটি সেশন আমি মনোযোগ দিয়ে করি এবং পরিচিত পোস্ট দিতে থাকি । তারপর চুয়াডাঙ্গা মেসেঞ্জার এবং লালবাগ জোন এ এড হই ।
অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার। আমাদের বগুড়া জেলা টিমের কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও হলো, সবার সাথে সুহৃদ সম্পর্কের বিস্তার লাভ করলাম,।
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
নতুন বউ বাড়িতে রেখে ৭৫০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম চাকরি খুজতে। ৩ দিন পর পকেট খালি । বংশের বড় ছেলে এবং আমার বাবার একমাত্র ছেলে বলে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা শেষ করতে না করতেই বাবার অসুস্থতা
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
মা, বলে ছোট বেলা আমাকে নিয়ে বাহিরে গেলে কোনো ভিক্ষুক যদি টাকা ভিক্ষে চাইতো, তখন মা, বাবা, ভাই, বোন, বড়রা যারাই সংগে থাকতো, তাদের, বাইনা করতাম, ভিক্ষুক কে টাকা দেওয়ার জন্য। আর বাড়িতে কোনো ভিক্ষুক আস
ঝিনাইদহ জেলায় আজকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আমার গল্পটা শুরু হয় ২০২২ সালের জুন মাসে আর গল্পটা স্বপ্নে রুপ নেয় সেই বছরের শেষ দিকে অর্থাৎ ২০২২ সালের ০৭ অক্টোবর।
আমাদের দেশ বাংলাদেশ।অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক ছোট একটি দেশ।দেশের আয়তন অনুসারে এ দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এ দেশের সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হল বেকারত্ব,, যার কারণে আমাদের দেশের হাজারো তরুণ প্রজন্ম হতাশাজন
সফলভাবে সম্পন্ন হলো ফাউন্ডেশনের ৩য় বর্ষপূর্তি ও ৪র্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে কেরানীগঞ্জ জোনের অফলাইন মিট আপ ও শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ।
মায়ের মৃত্যুর পর আমার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বাবার অনুরোধে আমি প্রায় ৩ বছর পর H S C পরীক্ষা দিয়ে পাশ করি। BBA ও কম্পিলিট করি। ছোট ভাই অবশ্য ২০০৭ সালে S S C পাশ করেন। বাবা, বালিয়াকান্দি বাজারে
আমার বাবা সহ চাচারা সাত ভাই বোন (চার ভাই, তিন বোন) আমার বাবা ৬ ষষ্ঠ,আগে আমাদের পরিবারের অভাবের সংসার ছিল, দাদা সবাই কে লেখা-পড়া করাই তে পারে নি, আমার বাবা কষ্ট করে কোন রকম SSC পাশ করেছে,আর পড়া - লেখা