তানু আপুঃতার গ্রুপে আপু অনেক বলে আপু পোস্ট করবা নিয়মিত সময় দিবা, এক্টিব থাকবা। মোটামুটি এক্টিব থাকতাম সব গ্রুপে কিন্তু কোন সেল আসে না। 🙋♀️আমিঃ তারপর আমি আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম অনেক গ্রুপে দৌড়া
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
জীবনের বাস্তবতার বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা _পরিস্থিতি যতই নিষ্ঠুর হউক বা যতই কষ্ট হউক না কেন- তা সয়ে নিতে হয়, মেনে নিতে হয় জীবনের প্রয়োজনেই। অন্যদের আনন্দের জন্য _জীবনে কষ্ট আসল
তাকে দেখে নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে অপরাধী মানুষ বলে মনে হচ্ছে। আমি এই কাজটা না করলে ও পারতাম। ছেলে "আম্মু" বলে ডাক দিতেই বেচারী পানির মগটাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে সেকি কান্না, কি আহাজারি,
একটা সময় আমরা জামালপুর জেলা ১৪ টি পিছিয়ে জাওয়া জেলা গুলোর মাঝে একটা জেলা ছিলান।কিন্তু এখন আর পিছিয়ে নেই জামালপুর জেলা টিম, আমরা জামালপুর জেলার সদস্যরা এখন বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমরাই সেরা জেলা, ক
মাঝ রাতে নরসিংদী জেলা টিম ভালোবাসা বিলাই। যাদের ভালোবাসা জরুরী প্রয়োজন ছিল তাদের কে খুজে বের করেছি আমরা।
ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটি কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় @Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বগুড়া জেলা টিম ।
আমি আরো বিশ্বাস একদিন মানিকগঞ্জ জেলাও সফল উদ্দোক্তা তৈরি করতে সক্ষম হবে।
ছেলেটার জানার আগ্রহ দেখে বেলুন ওয়ালা তাকে আশ্বস্ত করে বললেন রংয়ের জন্য বেলুন আকাশে ওড়েনা,ভেতরের গ্যাস বেলুনকে আকাশে উড়ায়। মানুষের জীবনেও একথা সত্য। আমাদের ভিতরে কি আছে সেটাই প্রধান। আমাদের ভিতরের যে জ
বাচ্চা থাকলে বাচ্চাটার জীবনতো ধ্বংস হবেই সাথে নিজের ও, তাই নিজেকে তৈরি করতে হবে এমনভাবে যেনো আমাকে দেখে আরো দশটা মেয়ে বাঁচার সাহস পায়। জীবনকে থামতে দিলে হবেনা, বাঁচার সম্ভবনায় সূর্যটা উদীত করতে হবে
তারা বললো এবার আর সময় নাই, এবং দোকানে ও অনেক কাজ,বাস্ আমার পড়াশোনার ইতি ঘটে গেল, তাদের ওখানে প্রায় তিন বছর চাকরি করলাম,তারপর আমি ভাবলাম আমি আর চাকরি
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে
শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার এর নির্দেশনায় আজ বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে " নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিমের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে কিছু গুরুত্বপূর্
আজকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ "নিজের বলার মতো একটা গল্প " গ্রুপের রাজশাহী জেলার মিট আপ এর কিছু ছবি মেহের নিগার আপু,সুজন ভাই, রাজ্জাক ভাই সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ধন্যবাদ সবাইকে ।
তারপর আবার কেটে গেল কয়েকটা দিন।কাল এক বন্ধু মেসেজ করলো তার প্রিয়তমার জন্য সে গহনা কিনবে।আবার নাকি শাড়ি ও দেখবে,পছন্দ হলে শাড়ি ও নিবে।।আমি যেহেতু গহনা নিয়ে কাজ করছি সে আমার থেকে গহনা নিবে।শুনে খুব
The daily English Newspaper "The Daily Star " is our "Nijer bolar Moto Ekta Golpo Foundation" Covered. Sincere gratitude and thanks to the news authorities. Training for 1000 days, target 100,000 peop
পরিবারের ছোটোরা সাধারনত সবার আদরের হয়,, আমিও তেমনি পরিবারের সবার চোখের মনি ছিলাম
২০১৫ সালে হাসপাতালে বাবাকে খুব যত্নে বুকের ভিতর দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, নার্স ডা: গন খুব চেষ্টা করতেছিলেন, তার ভিতর থেকেই বাবাকে নিয়ে গেলেন উপরে,আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যখন তিনি চলে গেল
চার লাখ তরুণকে ফ্রী প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা ১০০০ দিনের ইতিহাস গড়ার পথে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। শুধু বাংলাদেশে নয়, পুরো পৃথিবীতে কেউ কোন দিন টানা ১০০০ দিন প্রতি
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য ।
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পরিকল্পনার অংশ হিসাব ২য় ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প সম্পন্ন হলো।
বিয়ের পরে বরের পারিপাশ্বিক অবস্থা চিন্তা করে জীবনের লক্ষ্য পরিবর্তন করতে বাধ্য হলাম। আমার বর বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের নাগরিক। তাই সংসারের কথা মাথায় রেখে, বাংলাদেশে জব সেক্টরে, ক্যারিয়ার গড়া থেকে পিছপা হ
আগে পরের বিক্রি হোক বা না হোক। অফার চললে বিক্রি হুরহুর করেই বাড়ে। জ্বী ডেলিভারি চার্জের কারনে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে চায় না। আমার নোয়াখালী কাস্টমার ছিলো। কাস্টমারদের একটাই আবদার হাতে হাতে
স্যারের থেকে অণুুপ্রাণিত হয়ে লেগে থাকা নিজের উদ্যেগের সাথে! একটা টাকাও নিইনি বিজনেস থেকে নিজের খরচের জন্য৷ ২/৩বছর নিব না কোন খরচ ৷ সফল উদ্যেক্তা কিংবা ব্যবসায়ী হওয়ার জন্য
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
এটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে বড় অর্জন। কারন আমি খুবি সাধারণ স্বভাবের একজন মানুষ। গ্রামের আট দশ জন মানুষের মতো আমাকে কেউ চিন্ত না জানতো না ।সবার সাথে সহজে মিশতে পারতাম না।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আতিকুল ইসলাম। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলেরর প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার,
ধানমন্ডি জোন ,কর্তৃক আয়োজিত অসাধারণ একটি অফলাইন মিট আপের আয়োজন করেছেন , ধানমন্ডির জোনের দায়িত্বশীলরা
করোনা এসে যেন সবার প্রথম আমাদের ই আঘাত দিল। আব্বু করোনা আক্রান্ত হইল এবং ভয়াবহ অবস্থা কেউ ভাবেনি আব্বু বেচে যাবে।আব্বুকে প্রথমে প্রাইভেট মেডিকেল এ ভর্তি করলাম সেখানে এক রাতে আমাদের বিল ৫৬০০০ টাকা। তার
উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে আয়োজিত আজকের ঈদ পুনর্মিলনী ও চায়ের আড্ডায় প্রধান অতিথি হিসাবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
-----------------বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম------------- --------------------আসসালামু আলাইকুম--------------- ✅আমার উদ্যোক্তা জীবনের শুরু এবং বর্তমান অবস্থা। ✅আশা করি নতুন উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন সম
সারাদিন টইটই করে এই গার্মেন্টসে ওই গার্মেন্টসে ঘোরাফেরা করি। কিন্তু পেটে ভাত নাই সকালে এক গ্লাস পানি খেয়ে বের হয়ে দুপুরে কোন খাবার নেই রাতে আবার বাসায় এসে দুই গ্লাস পানি খেয়ে ঘুমাই।
তাহলে কি এবার পড়া-লেখা বন্ধ হয়ে যাবে! না পড়া-লেখা বন্ধ করা যাবেনা , প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হলাম বি বি এ , সেমিষ্টার রেজাল্ট ভাল হওয়ায় বি বি এ অবস্থায় একটি বাইং হাউজ-এর জুনিয়র মার্চেন্ট
700 নম্বর দিন আমাকে মনে করিয়ে দিল আমি কত পিছিয়ে ছিলাম।। নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ আজ আমাদের গ্রুপের 700 নম্বর দিন অতিবাহিত হল। সবাই এই 700 নম্বর দিন নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে আমি তাদের পোস্ট গুলো দেখ
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
গরিব প্রতিবন্ধী শিশুদের ঈদ উপহার বিতরণ
শূন্য হয়ে আসার জন্য আমার ভিতরটাও চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। আমি বোনকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেই। 😭 আমার মা আমাকে দেখে যেনো প্রান ফিরে পায় আমি আর আমার মা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করি,
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
২০১২ সালে আমাদের জীবনের একটা দুর্ঘটনায় আমি পটুয়াখালী তে চলে যাই এবং জীবনসংগ্রামে লড়াই করার জন্য হয়ে উঠি আসল উদ্যোক্তা।
"চাকরি করবো না চাকরি দিবো" এই মূল মন্ত্রকে ধারণ করে ২০১৮ সালে শুরু হয় এই ফাউন্ডেশনের যাত্রা। বর্তমানে এই ফাউন্ডেশনের সদস্য সংখ্যা সাড়ে ছয় লক্ষেরও বেশি। এবছর ২২ উদ্যোক্তাদের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্ব
অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলা অফলাইন মিটআপ
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
সত্যিই তো মানুষের জীবনে হার জিৎ থাকবেই। হেরে গেলে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করতে হবে। এভাবে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আজ আমরা এমন এক বিভিষিকাময় সময়ে আছি, যখন আমাদের নেই কোনো সামাজিক নিরাপত্তা
বাসা বের হওয়া আমার বন্ধু ডাহুল আমিনের কাছে একটি সুন্দর লক্ষণের জন্য একটি রোগীর অবস্থা অনেক, একটি শিশুর অসুস্থতা নষ্ট হয়ে যাওয়া একজন মহিলার, আজ তাদের হঠকারিতা জরুরি, রোগীর রক্তের রক্তের এবিজেটিভ, তা
আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে মেজর ওসমানীর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন ভারতে ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়ে
নিমিষেই সমস্ত হতাশা ধুর হয়ে গেলো, আর তখনই ৮ম ব্যাচে রেজিষ্ট্রেশন করে নিলাম এবং কি টানা ৯০ দিনের প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন ফ্রী তে বিনামূল্যে স্কেল গুলা আয়ত্ব করে নিলাম। নিজের পরিচিতির জন্য, নিজেকে ব্যান্ড
স্বাভাবিকভাবেই বাবার রাজকন্যা আমি, বাবা আমায় একেক সময় একেক নামে ডাকতেন, দিলকি টুকরা, আখোকা রোশনি, মা, স্বর্বজায়া এই নাম গুলো আমার মনে আছে ৷ছেলে বেলাটা গ্রামে কাঁটলেও গ্রামিন পরিবেশ বা গোরামি গুলো কখনো
চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুলশান জোনের অফলাইন মিট আপ
এখান থেকে বেশকিছু দিন আগে আমার আইডির একটা পোস্টে একটা লাইক আসে যে আইডির সাথে আমি এড নেই। যাইহোক রাতে আমার বিজনেসের জন্য যে নম্বরটা ইউজ করি সেটাতে কল আসে।রিসিভ করতেই সালাম দিলাম।সে ও সালামের জবাব দ
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা