স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন সফলতা আসবেই, ইনশাআল্লাহ। স্যারের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে চালিয়ে নিচ্ছি, শত হতাশার মাঝে ও লেগে আছি।
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
বন্ধ হয়ে গেল চাকরির আবেদন। হাজব্যান্ড সব ক্লাসেই ফাষ্টক্লাস পাওয়া এক জন ছাত্র। তাই অপেক্ষায় রইলাম উনিতো কমপক্ষে একজন প্রথম শ্রেনির কর্ম কর্তা হবেন।
গত ২৫/১২/২০২০ ইং রোজ শুক্রবার আবারও অসাধারণ মনোমুগ্ধকর কোনাবাড়ী মেট্রো স্কুল এন্ড কলেজের চমৎকার মিলনায়তনে নিজের বলার মতন একটি গল্প ফাউন্ডেশনের অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা নবম ও ২০২০ ইং সালের শেষ মি
মিরপুর জন এর পক্ষ থেকে এবং মিরপুর থানা ওসি সাহেবের সহযোগিতায় পুলিশ এর গাড়ি নিয়ে খাবার ও মাক্স তুলে দিয়েছি দরিদ্র মানুষ এর হাতে পুরা মিরপুর ঘুরে ঘুরে। এবং মিরপুর থানার অসি স্যার কে ধন্যবাদ তিনি স্
স্যারের যেই কথাগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে: ১/চাকরি করব না চাকরি দিব। ২/নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে হবে। ৩/বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউ ৪/আমরা সবাই ভালো মানুষ তাছাড়াও প্লাটফর্
তুমি ছাড়া সত্যি আমাদের পৃথিবীটা শুন্য😭😭।আব্বু মারা যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আব্বুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হলাম।রাস্তায় হঠাৎ চাচা চিৎকার দিয়ে উঠলেন,যেই মারা গেছে তো গেছেই এতো কান্না করলে কি
ভালোবাসা এমন একটি জিনিস, আমরা যদি গভীর ভালোবাসা দিতে পারি যে কোন কিছুতেই সুফল পাবোই। *(১)আমাদের স্যার, আমাদেরকে ভালোবাসেন,মন দিয়ে।তাই উনি আজ সব দিক দিয়ে সফল আল্লাহর রহমতে।
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুলশান জোনের অফলাইন মিট আপ
আজ ৬ জুলাই ভালো কিছু কাজ দিয়ে উদযাপন উপলক্ষ্যে ❤️ দুজন অসহায় গরীব বৃদ্ধ+বৃদ্ধা মানুষকে খাওয়ালাম এবং কিছু টাকা দিলাম।
আমার ব্যবসায়ের প্রথম মূলধন ছিল ১০ হাজার টাকা। বাটিকের সব ধরনের পন্য এবং সব ধরনের প্রিণ্টের বিছানার চাদর। অনলাইন ব্যবসার বয়স ২ বছর এর বেশি। বর্তমানে আমার সেল ২ লক্ষ টাকার বেশি।
আমি বিজনেস এর প্রফিটের টাকা দিয়ে বিজনেস বড় করেছি। কারো কাছে কোন টাকা পয়সা ধার করিনি এমনকি নিজের হাজবেন্ডের কাছেও এক টাকা ধার চাই নি। বরং আমি সবসময় চেষ্টা করি নগদ টাকা দিয়ে পণ্য কিনে বিজনেস করার ।
তুমি আমার মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগে। প্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে মায়েরা সন্তান বড় করে না। তবুও বারবার মনে পড়ছে তোমাকে কি যোগ্য মর্যাদা দিতে পারবো।সেই অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
অফলাইন মিট আপ মানেই উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা। খুবই অল্প সময়ের নোটিশে উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
আজ পর্যন্ত এ রকম কোন ফাউন্ডেশন দেখি নাই।তখন থেকে প্রিয় পরিবারের একজন নিয়মিত সদস্য হলাম এবং প্রতিদিন স্যারের সেশনগুলো পড়তাম। সময় নিয়ে লেগে থাকা শুরু করলাম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, জুম্মা মোবারক। একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প শুনতে,,,,,,, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আজ আমদের বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা মিটআপে আসছি।
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
🖌️🖌️জীবনের গল্প🖌️🖌️ 🙋আসসালামু ওয়ালাইকুম।আশা করছি সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন।আমিও আল্লাহ্ পাকের অশেষ রহমতে ভালো আছি,সুস্থ আছি আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহ্ পাক যেন ভালো রাখে, সুস্থ রাখে এই দোআ করি সবসম
এখান থেকে বেশকিছু দিন আগে আমার আইডির একটা পোস্টে একটা লাইক আসে যে আইডির সাথে আমি এড নেই। যাইহোক রাতে আমার বিজনেসের জন্য যে নম্বরটা ইউজ করি সেটাতে কল আসে।রিসিভ করতেই সালাম দিলাম।সে ও সালামের জবাব দ
সুন্দর "SOD" এর যাত্রাটা মাত্রা পেয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৬০০ দিন পূর্বে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।।এর মধ্যে আমি একাধিক বার SOD হয়েছি। সকলের শুভেচ্ছা বার্তা আমাকে প্রতফুল্ল করেছে। আমি পেয়েছি উদ্যম।
আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এবং স্যারের সুস্থতা কামনায় দোয়া মুনাজাত করা হয় 26.03.2021তারিখ রোজঃশুক্রবার বিকাল 5 টায় মিট আপ অনুষ্ঠিত হয় সেবার হাট এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও এতিমখানা
সফল ভালে শেষ হলো উত্তরা জোনে উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিটআপ। ৩০ জন উদ্দোক্তা ভাই বোনদের পণ্য প্রদশর্নের ব্যবস্থা করে আজকের উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিট আপ আয়োজন ছিলো।
আমরা মানুষ। আর মানুষ হিসেবে আমাদের বিনোদনের প্রয়োজন আছে। ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হলো আমাদের আমাদের বরিশাল জেলা ঈদ পুনর্মিলনী ও অফলাইন মিটাপ।আনন্দ ভ্রমণ, পিকনিক টু কুয়াকাটা।
সকলের জীবনী ও বক্তব্য শুনে অনুপ্রাণিত ও শিখতে পেরেছি অনেক কিছুই।
স্বাধীনতার পর উদ্যোক্তা উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের পথচলা খুব বেশি গতিময় না হলেও দেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছেন বেশ কিছু প্রতিভাবান উদ্যোক্তা। যাঁরা স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেই স্বপ্ন পূরণে ঝুঁকিও নিয়েছেন। ত
অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো তানজিমুল উম্মাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুবিধাবঞ্চিত এতিম হাফেজ শিশুদের সাথে অতন্দ্র গাজীপুর জেলার ইফতার ও দোয়া মাহফিল।
তারপর আস্তে আস্তে গ্রুপে সময় দেয়া শুরু করি। ধীরে ধীরে বুঝতে থাকি জানতে থাকি শিখতে থাকি। তারপর নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম একজন উদ্যাক্তা হবো।
আমার উদ্যোগতা হতে আমাকে যে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে সে হচ্ছে আমার স্ত্রী। আমি হচ্ছি খুব অলস প্রকৃতির মানুষ চাকরি করছি বাকি সময় শুইয়ে বসে কাটিয়ে দি। আমার স্ত্রী সবসময় বলতো চাকরির পাশাপাশি যেন কিছু কর
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টীমের অফলাইন মিট-আপ। উদ্যোক্তা সম্মাননা অনুষ্ঠান
নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন NRB কাতার কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ ভ্রমণ গন্তব্যস্থল কাতার বাহারাইন এর সিমান্তবর্তী আল গেরিয়া বিচ
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার মুহূর্ত। আমি স্যারের অনেক ভিডিও দেখেছি এবং তার লেখাগুলো পড়েছি সেই থেকেই অনুপ্রেরণা এই কারনেই নিজের মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়া।
আমার আম্মু কাঁথা সেলাই করতো,আর সেই টাকা দিয়ে পরীক্ষার আগে কিছুদিন প্রাইভেট পরতাম। কিছু দুঃখ কষ্ট সুখের মধ্য দিয়েই চলে গেল জীবনের কিছু দিন গুলি।
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলায় ২০০০তম দিন রেকর্ড উদযাপন
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
তবে চলার পথে হোচট খেলে সেখানেই পড়ে থাকলোতো হবেনা। রাত দিন পরিশ্রম করতে লাগলাম মনের মাঝে আশা ছিল আমি পারবো।পরের বছর পাস করি। নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয় কোনো কোচিং করার মতো ব্যাবস্থা ছিলনা,, অন্য কোনো আয়ের উ
আমার ছোট্ট বেলা বৈশাখের আমেজ ছিল ভিন্ন।ছোট্ট বেলায় বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই বৈশাখের আমেজ শুরু হয়ে যেত। প্রত্যেকদিন গণনা করতাম কবে বৈশাখ আসবে?কি কিনব সে নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলতাম। বাবা- মা কাছে মেলা
নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে যে আমি এটা পারবই। বিভিন্ন ধরনের বাঁধা আসবে কেউ পিছনে অনেক কথা বলবে বা কেউ ভয় দেখাবে এটা হবে না, এটা সম্ভব না কিন্তু আপনি বা আমি থেমে গেলে চলবে না। নিজের
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমি ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা পাচ্ছি,এই প্লাটফর্ম আমাকে শূন্য থেকে কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায় সেই শিক্ষা পাচ্ছি,লক্ষ লক্ষ ভালো মানুষের একটি পরিবার পেয়েছি।
আজ ছিলো মহাসম্মেল ৫ প্রতিষ্ঠাবাষিক এর প্রস্তুতি মিটআপ, আয়োজনে ছিলো মিরপুর জোন শাহাআলী থানা এবং দারুসসালাম থানা।
গ্রামে একটা মেয়ে কলেজ পাশ করলেই সবাই তার বিয়ের জন্য উঠেপরে লেগে যায় আমারো তার ব্যতিক্রম নয়। একদিন আমার চাচাতো বোন আমাকে বাজারে কেনাকাটা করতে নিয়ে গিয়ে ছেলেদের পরিবার কে দেখায়। আমি সেদিন কোন গুরুত্ব দে
জীবনের মধ্যে কতো উথান পতন,কত স্ট্রাগল করে বড় হতে হয়।সবকিছুর মাঝে ও সাফল্য আসবে,আমরা এটা মাথায় রেখে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করি।আসলে সফলতা একদিনের বিষয় নয়।দীর্ঘ সময় ধরে একটা কাজের পিছনে লেগে থাকলেই সাফা
স্যারের শিক্ষা লালন করে, ৬৪ জেলার ন্যায় পাবনা জেলাতেও স্যারের কিছু প্রিয় শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে গেল, পাবনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালবা