এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
সকলে মিলে মানুষের পাশে থাকতে চাই যতদিন বাঁচবো।মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না প্রিয় স্যারের শিক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।
আমাদের সবাইর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার ঘোষণা দিয়েছেন, এই বিপদের মুহূর্তে এই প্লাটফর্মের সবাই সম্মিলিত ভাবে কিছু গরীব দুঃখী মানুষের জন্য আমরা যেন এগিয়ে আসি। তাই একক ভাবে না করে, আসুন আম
ঈদ পুনর্মিলনি ২০২২ ও মাসিক অফলাইন মিটআপ, স্থানঃ রেলের মাঠ রাজবাড়ী,আয়োজনে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন রাজবাড়ী জেলা
স্যারের যেই কথাগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে: ১/চাকরি করব না চাকরি দিব। ২/নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে হবে। ৩/বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউ ৪/আমরা সবাই ভালো মানুষ তাছাড়াও প্লাটফর্
রাজবাড়ী জেলার কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সোহাগ ভাইয়ের ১০ তম রক্তদান ও আসন্ন মহা সম্মেলন ২০২২ টিকিট বিতরন।
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু গল্প রয়েছে ।কারো টা প্রকাশ পায় আবার কারো টি কেউ জানতেও পারেনা।জীবন টা খুব ছোট।আমরা সবাই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পৃথিবীর বুকে এসেছি কিন্তু এই সময়ের একটা গল্প ই যদি না থ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন রামপুরা থানার চা আড্ডা ও মিট আপ মতিঝিল জোন, ঢাকা।
গুলশান জোনকে এগিয়ে নিতে গুলশান জোনের সকল দায়িত্বশীলদের নিয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফিজিক্যাল মিট আপ। প্রিয় ফাউন্ডেশনের কোর ভলেন্টিয়ার Mi Hossain এবং কোর ভলান্টিয়ার Mohammad Mahmudul Islam ভা
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
" দেশে বিদেশে যাদের সাথেই পরামর্শ করেই তারা সাহস দেইনা" বলে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেক কঠিন" ওখানে আরো কিছুদিন থাক কিন্তু আর কত 16 বছর তো হয়ে গেল। 😇সেই থেকে আইডিয়া খুঁজতে লাগলাম হঠাৎ করেই ইকব
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
আমি একজন প্রবাসী, এসেছে শীত,বয়ছে বাতাস কিভাবে কিনবো আমরা হইছি হতাশ। সময় যখন সন্ধ্যা হলো, বাড়ি থেকে ফোন এলো,, আসসালামুয়ালাইকুম রাহাতের আব্বু কি করতেছো ।তুমি কি অনেক ব্যস্ত ?উত্তরে আমি বললাম না কিছ
বরাবরই লেখালিখির প্রতি ভালো লাগা ভালোবাসা ছিল তবে এ ভালোলাগা ভালোবাসা যে একসময় নেশায় পরিণত হবে তা বুঝতে পারিনি। ফাউন্ডেশন এর যুক্ত হবার পর থেকে প্রথমদিকে আমি অনেকটা ঝিমিয়ে পড়া সদস্যদের মত ছিলাম ক
তাড়াতাড়ি সব কাজ শেষ করলো। কিন্তু কি পড়ে যাবে ভেবে পাচ্ছিল না। আলমারি খুলে অনেক শাড়ী দেখলো কোনটা পড়বে বুঝতে পারছে না। দেখতে দেখতে চোখে পড়ল নীল রংয়ের একটা শাড়ী। সেটা বেড় করে পড়ে নিল। সাথে নীল চুড়ি কপালে
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
আমার স্বপ্ন বড় কিছু নয়, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি,। বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সুবিধা বঞ্চি
নব্বই দশকের আগে তখনকার সময়ে সামাজিক পারিবারিক ধ্যান ধারনা ছিল ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হওয়া নয়তো বিদেশ গিয়ে অনেক টাকা পয়সা রোজগার করে অর্থ সম্পত্তির মালিক হওয়া। এখন ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হতে হবে অথবা বিদেশ গি
শাড়ি নিয়ে প্রতিটা মেয়েরই মনে হয় একটা করে গল্প থাকে। খুব আপন, খুব আদরের, খুব রোমান্টিকও হয়তো বা! তখন ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বয়ফ্রেন্ড সেই সময়ে টিউশনী করতো। টাকা জমিয়ে জমিয়ে একদিন আমাকে একটা
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর প্রতি। যার মাধ্যমে আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি।
প্রথম বিবাহ বার্ষিকী স্বামী -- স্ত্রী রক্তদান। দাম্পত্য সুখী হও দোয়া ও শুভকামনা জাগ্রত-ব্যবস্থা গঠন আনন্দ শ্রেষ্ঠ অনুভূতি
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, “৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আ
প্রিয় স্যারের দেওয়া গাইড লাইন নিয়ে প্রতিনিয়ত চেষ্ঠা করে যাচ্ছি। নিজের একটা অবস্থান তৈরি করতে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। স্যার প্রায়ই একটা কথা বলেন সবাই হয়তো উদ্যোগতা হবে না। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি
যখন মিট আপে উপস্থিত থাকবো বলে ঠিক করলাম, মনে হচ্ছিল কাউকেই তো চিনিনা কেমন কাটবে সময়??যখন মিট আপে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল ভিন্ন কোন শহরে যাচ্ছি আমি,সবাইতো অচেনা। গিয়ে দেখি অনেকেই আমার চেনা
আলহামদুলিল্লাহ টানা ৪র্থ বারের মত B+ রক্ত দান করলেন আমাদের MD Naim Hossain Shihab ভাই। তিনি ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের লক্ষ্মীপুরের প্রতিনিধি।
দিন, দিন, কাষ্টমারের পাশাপাশি, সদস্য সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় ঠ প্রিয় শিক্ষক জনাব, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যার অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছি এতো বড় একটা নেটওয়ার্ক,
বাবা চলে যাওয়ার পর টেনশন হতাশা আমাকে ঘিরে ধরে, চিন্তা করতে থাকি কিভাবে কি করব, সারা জীবন কি বিদেশে ই কাঠিয়ে দিব, আমি আমার জীবন কাটিয়ে দিচ্ছি, আমার যখন বয়স হবে তখন কেমন করে চলব, আমি বৃদ্ধ হলে আম
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি জোনের ধারাবাহিক ১১ তম ফিজিক্যাল মাসিক মিট আপ ও টিকেট সেল উৎসব।
আলহামদুলিল্লাহ সম্পুর্ণ হল।আজকের মিটাপ
আমিও ব্যাংকে একটা একাউন্ট করি একটা ডিপিএস ও করি মাসে ২০০০টাকা ডিপিএসে রেখে বাকি টাকা একাউন্টেই রাখতাম সেখানে প্রায় ৪লক্ষ টাকা জমেযায় তখন মনেহয়২০০৮সাল চলে, দির্ঘ ৬ বছর কাজ করার পরে। গার্মেসের কাজ আর
দূর্গাপুর উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে দূর্গাপুর উপজেলা টিম সহ উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমার বউ কে বললাম চলো বাজার করতে যাই ,বউ বললো করোনার মধ্যে কোথায় বাজার করতে যাবে,আমি বললাম আমি সেই হাটে বাজার করবো,যে হাট রোদ বৃষ্টি করোনা তে বন্ধ হইনা,বউ বললো কোথায় তোমাদের হাট, আমি বললাম আসো দেখাই আম
স্বপ্ন দেখেছি, সাহস করেছি, শুরু করেছি, এখন শুধু লেগে থাকার প্রচেষ্টায় আছি। এই ফাউন্ডেশনটা ভালো লাগার করণ। পাঠবই এর বাহিরে অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। নিজেকে প্রকাশ করা যায় নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা প্রতি
বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নেই যে কোনো কাজ হলেই চলবে। এদিকে একটি মুদির দোকানে ৫০০০ টাকা বাকি পরে যায়। বন্ধুবান্ধব থেকে অনেক টাকা ধার করি। তখন রুমমেটের সহায়তায় কাজ না পেয়ে রাস্তায় আইসক্রিম বিক্রির সিদ্ধান্ত
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
অভাবের তারনায় ভালোবাসা যেন জানালা দিয়ে পালিয়ে না যায়। করুণা বা দয়া নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই না। চাই সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে। নতুন নতুন স্বপ্নগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না। আমি কাজ পাগল মানুষ। আমাকে কিছু করতেই
💕 " ধৈর্য্য ধরে টিকে থাকতে পারলে, নিজের যায়গা, নিজেই তৈরি করতে পারবেন" তৈরি করতে পারবেন, নিজের বলার মত একটা গল্প..💓🤳
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
👉আমার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে অনেকে বলে রাসেল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে চেঞ্জ হয়ে গেছে আসলে তা না আমি কখনো নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরতে পছন্দ করি না,সব সময় নিজেকে আড়াল রাখতে পছন্দ করি- আর নতুন কিছু শিখতে পছন্দ কর
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই কোনাবাড়ী জোনের সকল ভাই বোনদের প্রতি। আপনাদের সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ওসর্বাত্বক সহযোগিতায় সফল ভাবে মিট-আপটি সম্পন্ন হয়েছে।
আমার অনেক দিনের আশা যে ঘরে বসে কিছু একটা করবো।আমি এই ফাউন্ডেশন এসে অনেক কিছু শিখছি ও জানতে পারছি এবং আরও কিছু জানবো।আমার বিশ্বাস,
আশে পাশের সবাই কান ঘুসাঘুসি করতে শুরু করলো মাষ্টার মানুষের ছেলে বাবার এত সম্পত্তি থাকতেও এই কাজ করা লাগবে. ওর দ্বারা এই এত কঠিন কাজ হবে না.. ইইইইইইইইইই. এমন কথা শুনে খারাপ লাগতো খুব.. তখন বাবা বলতো, শ
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্বরেকর্ড উদযাপন। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, এতো সুন
আলহামদুলিল্লাহ লাখো শুকরিয়া আল্লাহতালার দরবারে,আজ কেরানীগঞ্জ আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী ও বনভোজনের প্রোগ্রাম জমকালো আয়োজনে সুন্দর ও সফলভাবে সমাপ্তি হলো।
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
কেন রক্তদান করবেন? নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের এর আয়োজনে উদ্দ্যোক্তাদের সম্মাননা তুলে দেন ডাক ও টেলিযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
রক্ত দান করার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকেও রক্ত দানে উৎসাহিত করা। কে জানে আগামীকাল আপনার জন্যই রক্ত সংগ্রহ করতে হবে কি না! তখন যেন দাতা আপনার পাশেই উপস্হিত থাকে।