আসসালামু আলাইকুম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা টিমের বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন। নিজের বলার মতো একটা গল্প - উদ্যোক্তা তৈরির গল্প নিজের বলার মতো একটা গল্প Foundation ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মে
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
জীবনেকে নিয়ে অনেক সপ্ন দেখেছি তা ভেঙ্গেপ গিয়েছে কিন্তু সপ্ন দেখা বন্ধ করিনি। প্রতিদিন সপ্ন সাজাই ও তা বাস্তবে রুপ দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় গল্প করতাম আমি নিজে ব্যবসা করবো,আমি আমার টাকা দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবো।আপনারা সবাই আমাকে আর্শীবাদ করবেন আমি যেন আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পারি। মুলত সেখ
হাজবেন্ডের উচ্চ শিক্ষার কারণে বিদেশে পাড়ি জমানো। যদিও আমার কোরিয়াতে পদার্পন তার 2 বছর পর 2018 সালে। কর্মব্যস্ত জীবন, চাকুরী ছেড়ে কোরিয়া এসে হয়ে গেলাম পারফেক্ট হাউজ ওয়াইফ। কিন্তু 2-3 মাস যেতে না যেতেই
প্রতিহিংসার টর্চার সয্য হচ্ছিলো না। মা ততক্ষণে একটু একটু বুজতে পারেন কিছু একটা মিসটেক হচ্ছে। আমার দুইজন খালা ছিলেন ক্লাশ ফাইভে পরতেন। তাদের কাছে মা খুলে বলেন বিষয় টি। অভিযোগ আকারে স্কুলে জানালে অই স্য
আজকে আমাদের ওয়ারী জোনের ৫০০ তম অফলাইন মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা আমার প্রথম অফলাইন মিটআপ ছিলো।খুব ভালো লেগেছে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরে। সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে। আমাদের ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর ও মডারেট
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারী ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে, এবং আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের প্রেমে প
প্রথমেই আমি যা শিখেছি তা হলো,কিভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়।আর এই ব্যাপার টা আমার সবচেয়ে বেশি মন ছুয়ে গেছে।আমি যে পুরোপুরি ভালো মানুষ,তা বলবোনা।তবে সম্পুর্ণ একজন ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা করছি। *স্যারের প
স্যারের অনুপ্রেরণা নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত অনলাইন সেশন চর্চা করছি এবং শিখছি, জানছি। আমাকে জিততেই হবে। বারবার হোঁচট খেয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্ল
আপনি আমাদের মনের অনুভূতি কে জাগিয়ে তুলেছেন,,প্রাণপ্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার।আপনি বলেছেন.... আমাদের বাবা মাকে প্রতিদিন সালাম দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন প্রিয়, স্যার. লজ্জা শরম ভ
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান ও আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন অসাধারণ মুহূর্ত কাটিয়েছি আমরা চুয়াডা
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
ভালবাসা নামে শব্দ টা ও খেলা করে লেখার গহীনে।হুম, ভালবাসি ভীষণ ভাবে, আর ভালবাসা টা ই লেখার নেশা। এ ভালবাসার সাথে সখ্যতা জীবনের কোন একটা সময়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ব্রেকের পর লেখা নামক ভালবাসাটা আমাকে আবার ক
সবার প্রতি অনেক বেশী কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা আমাদের রমনা জোনের অফলাইন মিটআপ সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুসম্পন্ন করতে সহযোগিতা করার জন্য। আপনারা এসেছিলেন বিধায় এতটা রঙিন হয়েছিল আজকের মিটআপ।
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
আমার অবস্থা দিনে দিনে বাজে হতে লাগলো। কখনো দুবেলা খেয়ে থাকতাম৷ কখনো বা একবেলা কিন্তু তিনবেলা খাওয়ার সৌভাগ্য হইনি করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে। টাকা ধার নিয়ে চলে এলাম ঢাকা শহরে আয়ের উৎস খোঁজার জন্য।
আমার ছোট্ট বেলা বৈশাখের আমেজ ছিল ভিন্ন।ছোট্ট বেলায় বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই বৈশাখের আমেজ শুরু হয়ে যেত। প্রত্যেকদিন গণনা করতাম কবে বৈশাখ আসবে?কি কিনব সে নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলতাম। বাবা- মা কাছে মেলা
তখনও আমি যুক্ত হইনি গ্রুপে, ইতি মধ্যে ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তে শুরু হয় চতুর্থ ব্যাচ আমি যুক্ত হই রেজিস্ট্রেশন করে।আমার মধ্যে শুরু হয় একটু একটু করে বদলে যাওয়া,
দীর্ঘদিন পরে আজ হয়ে গেলো #খুলনা টীমের মিট আপ! পুরনো মানুষ গুলোর সাথে আজ অনেক নতুন মুখ ও ছিলো প্রোগ্রামে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ১০ম ব্যাচ, ১১ ব্যাচের অনেকেই শুধুমাত্র অনলাইনের মিট আপে এটেন্ড করতো, আজ
শুধুমাত্র উদ্যোগতাদের নিয়ে উদ্যোগতা উন্নয়নের জন্য গাজীপুর জেলা ২য় বারের মতো ফিজিক্যাল মিটাপ করেছি।
দিন আনে দিন খায়-গাজীপুর জেলা কতৃক ত্রাণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ভাবছি আর ভাবছি । জীবনকে ভালো রাখার জন্য বারং বার চেষ্টা । পরিবারটা যৌথ ছিল । আমার বাবা চাচারা ফুফুরা মিলে ৯ জন । আমার বাবা দ্বিতীয় সন্তান । গ্রামের হাতুরে ডাক্তার । আমার দাদু ছিলেন একজন স্বর্ণক
রাত শেষ হলো, সকাল বেলা বের হওয়ার সময় শালটা পড়ে মায়ের কাছে গিয়ে বল্লাম আম্মা আমি বাজারে যাচ্ছি। আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে♥♥♥ আম্মা তখন আমার গায়ে থাকা শালটি দেখতেছেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো বাবা শাল
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
আমার আবেগ, ভালবাসা মাখানো লেখা গুলি মধ্য থেকে সকলের ভালবাসা ও জাজ দের জাজমেন্ট এ.. শত শত ভাল ভাল লেখার সাথে....... স্টেটাস অব দ্যা ডে তে যাইগা দিয়ে আমার এই লেখাগুলিকে ধন্য করেছে...... পর পর১২ বার আম
সত্যি কথা বলতে কি জানেন আমি কখনো ভাবি নি আমার আজকের মতো বর্তমান একটা অবস্থান তৈরি হবে। আমি কল্পনাও করি নি আমাকে কল দিয়ে মানুষ খুজবে, এটা লাগবে অইটা লাগবে বলবে। আমার কাছে এসে প্রিয় প্লাটফর্ম সম্পর্কে
ময়মনসিংহ জেলার সকল দায়িত্বশীল এবং সম্মানিত আজীবন মেম্বারদের মিট আপে উপস্থিত হয়ে মিট আপ সফল করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
আব্দুল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! ✒️ আব্দুল্লাহঃ শাহাদাত ভাই! আমি আপনার কাছ থেকে আমার পরিবারের জন্য এক মাসের মসলার বাজারটা করে নিতে চাই। 🥀 আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ! কাস্টমার আমার রাজা। আমি খুশি হলাম ভাইয়া! ✒️ আ
জীবনে শুধু ১ টা কাজ বা ১ টা চাকরী করার জন্য আপনার জন্ম হয়নি, আপনার যা কিছু করছেন তারচেয়েও আরও অনেক বেশী কিছু করার মেধা ও বুদ্ধি আপনার আছে।
ধনসম্পত্তি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেককেই দেখেছি রাতারাতি প্রচুর সম্পত্তি করে,হঠাৎই রাস্তার ভিখারি হতে। তবে সম্পত্তি কম হোক বা বেশি হোক সেটা বড
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
নতুন প্রজন্মের সেরা কিংবদন্তি, লক্ষ তরুনের প্রানের স্পন্দন, নয়নের মনি জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অবদান বলে শেষ করার মতো না। তিনি দেখিয়েছেন আমাদের স্বপ্ন, শুধু স্বপ্ন দেখাননি, বাস্তবায়নও হচ্ছে প্রত
এই ফাউন্ডেশনের কিছু ভাইয়ারা আপুরা রোজ আমাকে মোটিভেট করে যাচ্ছে তুমি পারবে
Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কাঠবাদাম এবং কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগান আজিজুল হাকিম
চারিদিকে সবাই যখন বলছে বাঁচবোনা বাঁচবো না, কথাটা আমিও মেনে নিলাম। হাল ছেড়ে দিলাম বেঁচে থাকার। পৃথিবী থেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। অপেক্ষা শুধু কখন বিদায়ের ঘন্টা বাজবে।
সফলভাবে শিবচর উপজেলা মীট আপ সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
ছোট্ট পরিবার আমার। মা বাবা আমার বড় বোন আর আমি আলহামদুলিল্লাহ। ভাই নেই, যে কেউ শুনলে আমাদের চেয়ে উনিই আফসোস করতেন ভাই নেই আমার! আব্বু তখন আমাকে কাছে নিয়ে বলতো এইটাই আমার ছেলে। আমাকে আমার পরিবারের কেউ
শুরু হলো সংসার জীবন। পুরো দমে লক্ষী বউয়ের মত সংসার সন্তান সামলাতে ব্যস্ত সারাদিন সংসারের কাজ করি আর মনের মধ্যে লুকাযিত অতৃপ্ত বাসনা ভাবতে থাকি এভাবেই জিবন শেষ হয়ে যাবে আমি সেলাই এর কাজ জানি, ব্লক,ব
স্বপ্নীল ড্রাগ পার্ক নামক আমার একটি ফার্মেসী রয়েছে যেখান থেকে গত ৭ বছর যাবৎ নিজে অনুশীলনের পাশাপাশি রোগীদের নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এই পেশার মাধ্যমে বিশেষ করে অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খুব কাছাকাছি
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
স্যারের যেই কথাগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে: ১/চাকরি করব না চাকরি দিব। ২/নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে হবে। ৩/বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউ ৪/আমরা সবাই ভালো মানুষ তাছাড়াও প্লাটফর্
নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন NRB কাতার কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ ভ্রমণ গন্তব্যস্থল কাতার বাহারাইন এর সিমান্তবর্তী আল গেরিয়া বিচ
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
আমার একজন অনলাইন কাস্টমার আমাকে বললো, ভাই আপনি লোগো কত টাকা দিয়ে তৈরি করেন, তারপর আমি তাকে আমার প্রাইজ বললাম বললো আপনি যদি আরো কিছু কম টাকা দিয়ে করে দেন তাহলে আমি আরো অনেক কাস্টমার দিবো আপনাকো, তারপর
তাই দুই বছরের বেতন আস্তে আস্তে দিলাম এবং নগদ ক্যাশ কিছু দিলাম তারপর বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলো বিদেশে তো নিলেই না পাসপোর্ট করানোর কথা বলে ঢাকা নিয়ে ঘুরাইয়া আনলো
প্রবাসে মায়ের মতো এমনি করে কেউ বলে না। খাবার না খেলে ও এমনি করে কেউ ডেকে খাওয়ায় না। একটু ব্যাথা পেলে ও মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় না। প্রবাসে এসে মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে অনেক দুরে চলে গেছি। দেশ
দিনে এনে দিনে খায়" এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির কার্যক্রম- মতিঝিল জোনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি বনশ্রী এলাকায়