কুষ্টিয়া জেলার এতিম দের মাঝে প্রয়োজনীয় ও উপহার সামগ্রী বিতরণ
তুই ত জানিস আল আমিন ভাইয়ের কথা। তোর ভাইয়ার খুব ক্লোজ বন্ধু। তার বিজনেস নিয়ে কি যেন ঝামেলা হয়েছে ভ্যাট, ট্যাক্স, চুক্তিপত্র ইত্যাদি নিয়ে। আর আল আমিন ভাইয়ের ঝামেলা যে ও নিজের ঝামেলাই মনে করে সেটা তো
আমার বিদ্ধা শিক্ষা অর্জনের ফেমিলি শিক্ষক হিসেবে বাবার চেয়ে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। পড়া লেখা, চলা ফেরা, এক কথায় অল সাইট তদারুকির দায়িত্ব ও অবদান বাবার চেয়ে মায়ের বেশি।
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
অসাধারণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো আজ খুলনা সদর থানার মিটআপ। খুলনা সদর থানার অ্যাম্বাসেডর Jakeya Moon আপুর নেতৃত্বে মিটআপের সকল কার্যক্রম আয়োজন করা হয় এবং সফলভাবে শেষ হয়।অসংখ্য ধন্যবাদ মুন আ
বিশেষ ধন্যবাদ দেলদুয়ার বাসীর প্রতি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় দেলদুয়ার উপজেলা প্রতিনিধি Mominul Islam Sarkar ভাই ও Md Mubarak Hossain ভাই।
প্রোগ্রামের বিশেষ আয়োজন ছিল পণ্য প্রদর্শনী এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটিকা করে সকল স্পনসরদের পণ্যকে তুলে ধরা এবং পন্য প্রদর্শন করা।
উদ্যমী জামালপুর 🟡 ভালোবাসায় ভরপুর 🟣 স্বপ্ন পূরণের যেতে হবে 🟢 দূর থেকে বহুদূর এই উদ্যমী স্লোগান কে সামনে রেখে উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত কাঙ্খিত অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পন্ন হয়ে গেল
প্রথম বিবাহ বার্ষিকী স্বামী -- স্ত্রী রক্তদান। দাম্পত্য সুখী হও দোয়া ও শুভকামনা জাগ্রত-ব্যবস্থা গঠন আনন্দ শ্রেষ্ঠ অনুভূতি
কোন কিছু শুরু করলে সেটার পিছনে অনাবরত লেগে থাকতে হয়। আমি যদি হাল ছেড়ে দিয়ে চলে যেতাম তাহলে হয়তো এটা সম্ভব হতো না। আজ আপ্রাণ চেষ্টা পর যে পথটা আমি খুজে বের করলাম তা হয়তো জীবনে বেঁচে থাকতে আর কখনো ভুলবো
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
গতকাল দিনটা খুবই ভালো একটা দিন ছিল। অফিসে আসার সময় পথের মধ্যে এই বাচ্চাটিকে পাই। সে বাসা থেকে একা একাই বের হয়ে হারিয়ে যায়। অফিসে দেরি হয়ে যাবে এই ভয়ে! বাচ্চাটিকে একটি চায়ের দোকানে রেখে অফিসে চলে আসি😧
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মের সাথে যুক্ত আছি এবং সেখানে আমাদের স্যার শিখাচ্ছেন কিভাবে একজন সফল উদ্দোক্তা হওয়া যায়। ভালো মানুষি চর্চা, বিভিন্ন বিষয়ের উপর লাইভ ক্লাস সহ প্রবাসীদের ইংরেজীতে দক্ষ হও
ঢাকা চলে আশার পর সবাই মিলে বিয়ে দিয়ে দিলো আমাকে। তখন থেকে জীবন শুরু হলো কষ্ট দিন।হাসবেন্ড শুধু চাপে পরে আমাকে বিয়ে করলো মন থেকে ভালোবাসা পেলাম না।সে আমাকে বিয়ে পর থেকে নানা ভাবে অবহেলা করতে লাগলো।সে
বয়স টা তখন অনেক ছোট। বড় বাড়ি আমাদের এক সাথে প্রায় চাচাতো-জেঠাতো ভাই বোন মিলে ১০/১২ জন সহপাঠী পড়াশোনা করতাম একি সাথে বলতে পারি বিশাল একটা দল আরো পিচ্ছি গুলো মিলে ১৬/১৭ জন ও হয়ে যেত। একুশের প্রথম প্রহ
প্রত্যেক উপজেলার জন্য ১০০ করে শীতের কম্বল বিতরন করার জন্য দেয়া হবে।আপনারা নিজ নিজ উপজেলায় ১০০ জন লোকের তালিকা করে ছোট আকারে অনুষ্ঠানের মতো করে কার্যক্রম করেতে পারেন।
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
সাত উপজেলায় টিকিট বিতরনের কাজ চলছে মানিকগঞ্জ সদর থেকে।চলে যাচ্ছে প্রতিটি উপজেলায় সকলের টিকিট সংগ্রহ এবং কাজকে সহজ করার জন্য।
যেই ভাবনা সেই কাজ এক বছরের মাথায় তিনি দোকানটি কিনে নেন মালিকের কাছ থেকে। সফলতা ধরা দেয় তার কাছে। চাকরিজীবি থেকে তিনি এখন একজন ব্যবসায়ী। এরপর তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। কয়েক বছরের ব্যবধানে একটি দুট
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
আলহামদুলিল্লাহ সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী জেলা টিমের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল,
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
ধীরে ধীরে বদলে যাই। করোনার থাবায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারাবার পরও স্যারের শিক্ষায় ভেঙ্গে পরিনি। দ্বিগুন উৎসাহে বাকী দুটোকে নিয়ে কাজ শুরু করি। চরম সময়েও পার্টনারশীপ সে দুটো প্রতিষ্ঠান সহ নিজের কর্
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল রোজ শুক্রবার কেরানিগঞ্জ জোনের চা আড্ডা ও প্রবাসী বাংলাদেশের অক্সিজেন Din Islam ভাইকে বরন ও অফলাইন মিট আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গি
চাঁদপুর জেলা টিমের চুপিচুপি ঈদের ভালোবাসা বিতরণ
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
প্রত্যেকের জীবনে একটা দূর্ঘটনা বা কালো অধ্যায় আছে, তেমনি আমার জীবনেও আছে তা হল রাজনীতি। স্কুল জীবনে মনের মধ্যে কখন যে রাজনীতির বীজ রোপিত হয়েছে তা বুঝতে পারিনি,কিন্তু মনের মধ্যে ছিল দেশ প্রেম ও দেশের ম
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
সুখ নিয়ে, কষ্টের মাঝে বর্তমানে আমার মা এখন সুখী, তার ছেলে বড় হয়ে গেছে এখন ইনকাম করে. দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে. এখন আর অভাব নাই . আমার স্বামীর বাড়িতেও অভাব নাই. ছেলে দুইটা আমাকে নিজের মা ভাবে ওদের
আমি ছিলাম গণিতের ছাত্র। বেকার হয়ে শুরু করলাম ব্যবসা। ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্কিল সংক্রান্ত ৮০টিরও বেশি কোর্স করেছি। এমনকি ২০২০ সালেও আমি তিনটা কোর্স করেছি। তবে সবগুলো কোর্সই
চলো তাহলে লিমা আপুর সাথে কথা বলি। তারা আমাকে ইনবক্সে নক করলেন ছাগল কেনার জন্য, জানতে চাইলেন সব কিছু। আমি- সাথে সাথে তাদের সব কিছু বললাম ছাগলের বিস্তারিত ছাগল নিজে হাতে বাড়িতে লালন পালন করা, ২০/২২ ক
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
গতকাল,, ১৪ই জুলাই ২০২৩ ইং প্রিয় প্ল্যাটফর্ম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর টানা ২০০০তম দিন বিরতিহীন শিক্ষা চর্চার প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলো।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৪র্থ বর্ষে পদার্পন ও বিনামুল্যে ৫ লাখ তরুণ তরুণীকে উদ্দ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান উপলক্ষে মহাসম্মেলন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগ
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
জীবন জীবনের মতই, আমরা চাইলেই কেউ গল্পটা পরিবর্তন করতে পারবোনা। দুঃখ -সুখ জীবনের অংশ। হাঁসি -কান্না, আনন্দ - বেদনা, পাওয়া -নাপাওয়া এসব নিয়েই মানুষের জীবন
আমি আশাবাদী তুমি রেজিষ্ট্রেশন করে এই নিজের বলার মত গল্প প্লাটফর্ম এ ৯০ দিনের সেসন গুলো ঠিকমত পড়, তাহলে ৯০ দিন পরে তুমি নিজেই নিজের পরিবর্তন দেখতে পারবা আর তোমাকে দেশে গিয়ে কোনো রকম চিন্তা করতে হবে না।
মিরপুর জোনের রূপনগর থানার টিকেট সেল মেলা।
টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলার সবাই মিলে আগামী ১৪ ই জুলাই ২০০০ তম দিন
আমি সর্বদা আতনিরভরশিলতা পছন্দ করতাম ।। ডিগ্রীতে পরাকালিন সময়ে ওয়ালতন কোম্পানিতে দেড় বছর জব করেসিল্ম । পরবর্তীতে চাকরী করার ভাবনা বাদ দিয়ে বিদেশে যাবার পরিকল্পনা শুরু করলাম। বাসায় কেউ চায়না আমি বিদেশ
এসএসসি পাশ করলাম কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, কিন্তু...............আমি দেখেছি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাব, অনাটন, বড় বোনের বিয়ে ছোট ভাই বোনদের, পড়ালেখার খরচ সংসারের খরচ।আমার মধ্যে একটি জেদ সবসম
গল্পটা লিখতে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারনি ঠিকই কিন্তু নিজেকে স্বার্থক মনে হয়, আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, আমি আমার ভাইদের জন্য পরিবারের কিছু হলেও করতে পেরেছি
শত_ক্লান্তির_মাঝেও_মনে_ছিলো_এক_অন্যরকম_ভালো_লাগা....