লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
2008এ আমার জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব আসে জামাই সৌদি আরব থাকে ওরা। অনেক বড় লোক এমনিতেই তারপর কথা বার্তা বলে বিয়ে হয়ে যায় যেদিন বর যাত্রী আসবে আমাদের বাড়ি ওই আমার ভাই যানতে পারে জামাইর মাথায় সমস্যা তখন আ
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
স্বপ্নীল ড্রাগ পার্ক নামক আমার একটি ফার্মেসী রয়েছে যেখান থেকে গত ৭ বছর যাবৎ নিজে অনুশীলনের পাশাপাশি রোগীদের নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এই পেশার মাধ্যমে বিশেষ করে অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খুব কাছাকাছি
আমিও বাবাকে এই গ্রুপে অ্যাড করিয়ে নেই, বাবার শেখানো শিক্ষায় আমার এটুকু জীবনের পথচলা, আমার জন্য আমার বাবা ও একজন শিক্ষক,কিন্তু আমার বাবা ওএই গ্রুপে শিখে, আমিও শিখি, কারণ আমরা জানি শিক্ষা এবং জানার কো
২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারী,,, আসিফ স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পারি জমায় জামার্নীর ফ্রাঙ্কফুট। ওখানে গিয়ে একবছর তার লেগে যায় ভাষা ইন্সটিটিউটে ভাষা শিখতে। পাশাপাশি কাজ করতে হয় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে, কখ
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় কোভিড পরিস্থিতিতে যখন কিছু পরিবার চাকরীচ্যুত হন, ঠিক তখনেই কিছু সংখ্যক পরিবারের মাঝে কয়েকদিনের বাজার সামগ্রীর সামান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে তেজগাঁও জোনের সামাজিক কাজ শুরু হয়।
একজন ভালো মানুষ সমগ্র পৃথিবীর জন্য আলোকবর্তিকা। আর প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমাদেরকে সর্বদা সেই ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আসলে স্যারের প্রতিটি কথার মধ্যে আমার মনে
২১-শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা।
আমি ছিলাম আমার বাবা মা এর একমাত্র সন্তান। আমার বাবা মা আমাকে অনেক আদর ও শাশন এ লালন পালন করেছেন। তখন আমার ছোট বোন ছিল না আল্লাহ তাআলা ওকে পাঠিয়েছেন যখন আমার বয়স ১৫ বছর তখন । আমার বাবা মা আমাকে এমন আ
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
আমাদের মায়েরা এত ত্যাগ কেমনে করে কেমনে ???আমরা সন্তানরা তো এতো ত্যাগ করি না ।পারলে আমরা আমাদের সুখের জন্য আমাদের মায়েদেরকে ত্যাগ করিদি ।উনারা উনাদের পছন্দ খাবার রেখে দেয় সন্তানে পছন্দ খাবার তাই ।আর
চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুলশান জোনের অফলাইন মিট আপ
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় তথ্য মন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার, তরুণ প্রজম্মের জনপ্রিয়
★মিট আপ+আনন্দ ভ্রমণ! মৌলভীবাজার জেলা 06/09/19 তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময়, দোলনচাঁপা ইকো পার্ক কুলাউড়ায়। সবার প্রথমে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সকলের প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার কে।স্যার এর কারনে আমর
আলহামদুলিল্লাহ সম্পন্নভাবে শেষ হলো কেরানীগঞ্জ জোন অফলাইন মিট আপ ও মহাসম্মেলন টিকিট বিতরণ কাজকর্ম।
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে
আমিও ভাঙ্গা মোবাইল নিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্র্যান্ডিং নয়, নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া দুঃসহ গল্পগুলো লিখার আগ্রহ প্রকাশ করি, মন থেকে। সেই মোতাবেক শুরু করেও দেই, অনেক অনুভূতিতে লিখেছি ৭০/৮০ দিন পার হয়ে যায়
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
তার মধ্যে একটি হচ্ছে,৬/১১/২০২০ রোজ শুক্রবার, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল এবং আমাদের অনেক প্রিয় সকল সদস্যদের নিয়ে, আনন্দ ভ্রমণ। এক সময় যারা আমার কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিলো। আজ তাদের সাথেই আ
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
আমার গাঁয়ের রং কালো বলে আমার প্রতিবেশীরা আমাকে নিয়ে নানা ধরনের হাসি ঠাট্টা করতো। এর মাঝেও ছাত্রী হিসেবে মোটামুটি ভালো থাকার কারণে সেই হাসি ঠাট্টা আমার লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে নি। শত
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
এখন আর কোনো কাজে ফেইল হলে দোষ খুজি না কারণ খুজি। এখন সব সময় পজিটিভ থাকার চেস্টা করি। প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করার চেস্টা করি। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমার সমাজকে মাদক মুক্ত করার পদক্ষেপ গুলো ধিরে ধির
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে
এখানে নিজের পরিচয় ফুটিয়ে তোলা যায়, কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করা যায়, নিজের, পণ্য'র ব্রান্ডিং ও ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা হয়, মানবিক কাজ করা হয়,ভলান্টিয়ারিং শেখানো এবং প্রতিদিন উদ্যোক্তা হওয়ার জ
আমার বিদ্ধা শিক্ষা অর্জনের ফেমিলি শিক্ষক হিসেবে বাবার চেয়ে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। পড়া লেখা, চলা ফেরা, এক কথায় অল সাইট তদারুকির দায়িত্ব ও অবদান বাবার চেয়ে মায়ের বেশি।
সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে শেষ হলো চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের ৫ম মেগা মিটা আপ ও উদ্দোক্তা ফ্যামিলি গেট টুগেদার। প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে আমাদের অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করেছেন।
আসলে বিজনেসটা আমার রক্তে। আমার দাদা সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যমুনা নদীর পাশে হাট গুলোতে বিজনেস করত। আমার বাবা ধান-চালের বিজনেস করেন। সততা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার বিজনেসটা প্রশার করতে থাকেন।।
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
কোনো লেখক জন্ম থেকেই লেখক হয়ে জন্মায় না। সে জানে তার লেখার প্রতিভা আছে।,😊😊 সে নিজের ভেতর তার প্রতিভা আবিষ্কার করেছে এবং লেখার মাধ্যমে তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছে।পাঠকের মন আপ্লুত হয়ে তার লেখনীর মাধ
তবে স্বপ্ন দেখে যেতাম, আমার সেই স্বপ্নের সারথি হয়ে এসেছে আমাদের সকলের প্রিয় ,আমাদের লিডার অফ উইথ জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার । যার অনুপ্রেরণায় আমি ১৫/১/২০১৯ সালে তিনটি গরু দিয়ে শুরু করেছি আমার গর
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট।সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক।সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগিয়ে
★মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে সুখী হওয়া যায় না। মা-বাবার দোয়া সবচেয়ে বড় রহমত ও বরকত। ★জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সা
আগামি ৫ বছর পরে ঢাকায় আমার ৫ টা আউটলেট হবে এবং ১০ বছর এ আমার সারা বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় আমার আউটলেট থাকে ইনশাআল্লাহ। a
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে।গতকাল ৪/২/২৩ তারিখে সাভারে চমৎকারভাবে প্রথম উদ্দোক্তা মিট আপের আয়োজন করা হয়েছিলো।উপস্থিত সকল ভাইবোনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমাদের সবার প্রিয় বনিক সাগর ভাইয়ার গুরুত্বপূর্ণ
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল বিকেলে কেরানীগঞ্জ জোন উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন বাস্তবায়ন টিমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় চা আড্ডা ও আলোচনা সভা
স্যারের কথা মতো সকলেই বেশি বেশি গাছ লাগান।গাছ আমাদের বন্ধু গাছ আমাদের অনেক উপকার করে ।আমাদের জীবন রক্ষার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা এই গাছ থেকেই পায়