পড়াশোনা ছেরে দেওয়ার পড়ে মনে হতে লাগল কেমন করে চলব? কিছুতো করতে হবে, এখন না হয় সবাই আছে, একসময় সবাই ব্যাস্ত হয়ে পরবে, তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে একটা ইলেকট্রিক কাজে যুক্ত হয়ে গেলাম, প্রথম প্রথম
শীত চলেই আসলো।শীত মানে বাড়ছি শুষ্কতা।বাতাসে আদ্রতার অভাব,ফলে আমাদের ত্বক স্বাভাবিক ভাবেই রুক্ষ হয়ে পড়ে। প্রাণহীন ত্বককে সতেজ করার জন্য বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।এর জন্য সবার আগে ময়াশ্চারাইজারের প্রয়োজন।ময়াশ্
আমি আর একজন আছে,যার কারনে খুব বেস্ততায় সময় যাচ্ছিলো,মোবাইল হাতে নেওয়ার সময় পাই নাই, এরই মধ্যে অনেক ম্যাসেজ আসছে মোবাইলে আমি সিন করার সময় পাই নাই, কিছুক্ষন পর মোবাইল হাতে নিয়ে ফেসবুকে ডোকার চেষ্টা করলা
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় কোভিড পরিস্থিতিতে যখন কিছু পরিবার চাকরীচ্যুত হন, ঠিক তখনেই কিছু সংখ্যক পরিবারের মাঝে কয়েকদিনের বাজার সামগ্রীর সামান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে তেজগাঁও জোনের সামাজিক কাজ শুরু হয়।
নিজের পাঁয়ে দাড়ানোর সাহস, শক্তি, এবং কৌশল শিখিয়ে নিজের জীবনের মূল্যবান সময় আমাদের পেছনে ব্যয় করছেন। বেকার যোবকদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্
স্যারের যে কথায় অনুপ্রাণিত হইঃ- ১.স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন,সফলতা আসবেই। ২.চাকরি করবো না, চাকরি দিবো। ৩.বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে, ভিজে কেউ কেউ।
আমার নতুন করে কাজ শুরু হলো "সুনাম শপ"কে নিয়ে। নামটা আমরা ট্রেডমার্ক করাই। এই নামে ডোমেইন আরো আগেই নিয়ে রাখা হয়েছিল। সুনাম শপ নামক এই উদ্যোগটা কিছু দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ জয়েন স্টক কোম্পানির অধীনে নিবন্
আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ। খুলনার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন খুলনা জে
আমি পরিবারের সবার ছোট বলে সবার খুবই আদরের ছিলাম আমার বড় ভাইয়া সৌদি আরবের ছিল। আমার বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট বলে আমি না চাইতেই সবকিছু পেয়ে গেছি। তাই কষ্ট কি জানিস আমি তেমন বুঝিনি। খুবই আনন্দ
লালবাগ জোনের উদ্যােগে কোরআনের পাখিদের সাথে সুন্দর একটা ইফতার ও দোয়া আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে
মিরপুর জোন মাসিক মিটআপ। আজেকর আলোচ্য বিষয় মিরপুর জোন এর মেগা মিটআপ নিয়ে। ইনশাআল্লাহ সামনে নতুন চমক নিয়ে হাজির হবে মিরপুর জোন।
এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। সেইসাথে এই মহৎ কাজে যাঁরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন, তাঁদের সবাইকে জানাই ফাউন্ডেশন তথা পাবনা জেলা টিমের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভা
সত্তরোর্ধ বৃদ্ধ কোন এক বাবাকে বলতে শুনেছি,,,, " এখন ফল খেতে পারবো, আমার ছেলেরা শহরে থাকে, কেউ আমায় ফল কিনে নিয়ে দেখতে আসে না । যখন অসুস্থ হয়ে যাব, খেতে পারবো না; তখন হয়তো আমার মাথার
হুম কিন্তু ভাল করে মনে নাই, আমার এক বব্ধুকে বলেছি এই গ্রুপের কথা কিন্তু বিস্তারিত বলতে পারি নি মনে না থাকার কারনে। 🌹 আমি ঃ শুন তাহলে আবার বলছি, টানা ৯০ দিনের ফ্রি সেশন চর্চা ক্লাস, তারপর আইটি ক্ল
সেদিন পুকুর পাড়ে কেউ ছিলো না, শুধু নানুই পুকুরে গোসল করছিলেন একা একা। আমি পুকুর পাড় থেকে ভাবতে লাগলাম সাঁতার কাঁটা এ আবার এমন কঠিন কি! সাহস করে পুকুরে লাফ দিলে এমনিতেই শিখে যাবো। যেই ভাবনা সেই কাজ
💞💞আমরাই ক্রেতা__আমরাই বিক্রেতাঃ কিছুক্ষন আগেই বলেছিলাম অনেক দিন ধরে Dewan Parbej Islam ভাইয়ের গ্রুপে কোন পোস্ট দেখি না তাই নিজে ব্যাস্ত থাকার পরেও চিন্তা করলাম এই ভাইটির খবর নেওয়া দরকার আমাদের স্য
আর ভালো মানুষরা জীবনের সবক্ষেত্রে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।ভালো মানুষদের সফলতা পেতে হয়তো একটু বেশী পরিশ্রম ও কষ্ট করতে হয়, কিন্ত টিকে থাকে আমৃত্যু সবচেয়ে বড় কথা তারাই জীবনে সুখি হয়।হেরে যাবো বলে কি থেমে
আসছে ১৪ ই জানুয়ারি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা মহা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মতিঝিল জোনের প্রস্তুতি পর্ব মিটআপ সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
আমার উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে প্রিয় স্যারের অবদান তো কখনোই অস্বিকার করতে পারবো না কারন এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত না হলেও আমি কোনদিনও উদ্যক্তা হওয়া তো দুরের কথা এই চিন্তা মাথায় কখনোই আসতো না। স্যারের অবদানের পা
মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলার সফল উদ্যােক্তা ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ি তাপস দত্ত দাদা। সবশেষে উপস্থিত সকলের চমৎকার অনুভূতি, আলোচনা ও জেলা সমন্বয়ক প্রিয় কাওসার আলম ভাইয়ের সমাপনী
প্রিয় স্যার থেকে শিখছি কিভাবে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়,, আমরা সবাই সমান মানুষ সমান ক্ষমতার অধিকারী,, আমাদের দ্বারা জগতে সকল কঠিন কাজে সফল হওয়া সম্ভব যদি আমরা তা নিজে বিশ্বাস করি,,এই আত্মবিশ্ব
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে চাই বিশেষভাবে আমাদেরকে স্যারের লেখা বই স্পন্সর করে সহযোগিতা করেছেন যিনি তার জন্য। তিনি আর কেউ নয় সবার পরিচিত ও ভালোবাসার মানুষ Mezbah Ahamed ভাই মডারেটর ও জেলা সমন্বয়ক (চাঁদপুর)
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
আমরা প্রবাসীরা হলাম এমন এক যুদ্ধের সৈনিক. যে যুদ্ধের জয়ের উল্লাস আমরা করতে পারি না! দিয়ে দিতে হয় অন্যদের …হয়তো অন্যদের মাঝ থেকে জয়ের উল্লাস কেউ পায় আবার কেউ পায় না! অথচ, এই যুদ্ধে আমাদের দিতে হয়
সব জেলায় তো ইফতার ও দোয়া হচ্ছে আমাদের বগুড়া জেলা কেন পিছিয়ে থাকবে, আমাদের ও ইফতার মাহফিল করতে হবে
আলহামদুলিল্লাহ, ৪১( + )টি টিকিট সেল আজকে ওয়ারী জোন কতৃত আয়োজিত মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি ও টিকিট সেল উৎসব থেকে।
আমি ঢাকায় এসে চাকরির জন্য খুঁজতে খুঁজতে এবি ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ডে চাকরি পাই। চাকরির পাওয়ার পরে আমার অনেক ভালো লাগে চাকরির যোগদান করি ২০১৬ সালে আমি মানুষের ভালোবাসা বুঝতে শিখি এখান থেকে।
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
গত 24/12/21 শুক্রবার অতি জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া যশোরের উদ্যোক্তা মেটাপ ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠান টি চারটি পত্রিকা স্পন্দন, সমাজের কথা, প্রতিদিনের কথা ও কল্যাণ পত্রিকা একযোগে প্রচার করেছে।
চট্টগ্রাম জেলা পতেঙ্গা জোন কর্তৃক আয়োজিত মিটআপ এবং ১৫ জানুয়ারী ৪র্থ মহাসম্মেলন এর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও ২য় বারের মত টিকেট বিতরণ ২৫/১২/২০২১ইং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে ।আলহামদুলিল্লাহ্ মিটআপে টিকেট সেল হয়
পরের দিন আবার আমাকে কল দিল, ভাইয়া আপনার ড্রাই ফ্রুটস তো অনেক সুস্বাদু- আমরা গত রাতে পুরোটা খেয়ে শেষ করে ফেলছি। আমিঃ ও আচ্ছা ভাইয়া, ভাবী খুশি তো আমরা সবাই খুশি তো আরো লাগবে নাকি।
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
যখন কোন গরীব অসহায় পুরুষ / মহিলা / শিশু বাচ্চাদের দেখি তখন তাদের জন্য খুব কষ্ট হয়।তারাও তো মানুুষ!! তাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার মনটা তৃপ্তিপায়। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু না করতে পারি ততক্ষণ
২০১১ সাল থেকেই যখন অসুস্থ হয়ে গেলাম স্বাভাবিক জীবন-টা আমার অস্বাভাবিক হয়ে গেল। আমার সকল স্বপ্ন আশা ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো, আমি ধরেই নিয়েছিলাম আমি কখনোই নিজের স্বপ্নের পথে কখনোই হাঁটতে পারব না, ভেব
আসছে মাহে রমজান উপলক্ষে, আমাদের ফেনী জেলার প্রস্তুতি সহ মাসিক মিট আপের আয়োজন করা হয়েছে |
, আপনি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বাড়বে।কারো কাছে কোন কিছু প্রত্যাশা না করে প্রতি সপ্তাহে কাউকে সহায়তা করার জন্য অন্তত একটি ভাল কাজ করুন।
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি রামপুরা থানা , মতিঝিল জোন এর সকল দায়িত্বশীল ও সদস্যসদের। আরো কৃতজ্ঞতা রইল প্লাটফর্মের দায়িত্বশীল কোর- ভলান্টিয়ার ও মডারেটর ভাইয়া-আপুদের প্রতি যারা উপস্থিত থেকে প্রোগ্রাম সফল করেছেন ।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের জাগ্রত গাইবান্ধা জেলা পক্ষে থেকে শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধান্ঞ্জলি ও পুষ্প অর্পন আয়োজন
এ দিন টাকে সফল করার পিছনে, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল দের ভালোবাসা এবং ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। কিন্তু যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রোগ্ৰাম টি এতো সুন্দর এবং আনন্দময় হয়েছে,
রাতের শেষ প্রহরে ঘুম ভেঙে দেখি খাকি ড্রেস পরা পাক আর্মি আমার মায়ের বুকে রাইফেল ধরে জিজ্ঞেস করছে রাজা কোথায়? তোমরা কারা? পাশে রাইফেল ধারী আরো কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছে। তারা পাকিস্তান আর্মির উর্দু বয়ান বাংলায়
তখনও আমি যুক্ত হইনি গ্রুপে, ইতি মধ্যে ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তে শুরু হয় চতুর্থ ব্যাচ আমি যুক্ত হই রেজিস্ট্রেশন করে।আমার মধ্যে শুরু হয় একটু একটু করে বদলে যাওয়া,
দেখতে দেখতে ৯০ টা দিন অর্থাৎ ৩ মাস চলে গেল আমাদের কর্মশালার। প্রতিদিন আমরা কানেক্টটেড ছিলাম - এটা কিন্তু একটা বিশাল অর্জন। এবং শেষ হল টানা ১০ টি ব্যাচের ৯৩১ দিন। টানা এই ৯০ দিনের লম্বা জার্নি আপনাদের
কিবাবে বিনয় হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ , এক জন পজেটিভ মানুষ হওয়ার চর্চার প্রশিক্ষণ ,একজন ভালো মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণ ,নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় তার প্রশিক্ষণ ,64 জেলা ও 50 টির বেশি দেশে অবস্থান রত ফাউন
রাজশাহী_জেলার_গোদাগাড়ী_উপজেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত ভালোবাসা বিলাই এর ঈদ সামগ্রী বিতরণের কিছু অংশ।
আমি তমিস্রা আফরিন অতি ক্ষুদ্র এক মানবী। জীবনটাকে খুব বেশি না দেখলে ও এই ছোট্ট জীবনে দুঃখ কষ্টের রং মসাল কম নাই। সবার দৃষ্টিতে আমার জীবনটা এমন হওয়ার জন্য আমি নিজেই দ্বায়ী তবে মহান আল্লাহ না চাইলে কি
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
অনেক সময় বাবাকে তার নেশা ও দ্বিতীয় বিয়ের কারণে জেলখানায় থাকতে হতো । আমার মা অন্যের বাসায় কাজ করতো।ট্রাক থেকে ইট বালু নামিয়ে আমাকে লালন-পালন করতো ।সেই টাকা দিয়ে বাবাকে জেলখানায় দেখতে যেত। 👉 বাব