একটা আজব চিন্তার যুক্তি আমি কিছুতেই খুঁজে পাইনা! কিছু প্রশিক্ষণ থাকার জন্য একটা বিজনেসএর সাথে স্বল্প পরিমানে যুক্ত আছি স্টুডেন্ট অবস্হা থেকেই,তবুও আমি নিজেকে পুরো বেকার বলেই দাবি করতাম কারন, সেই কাজ
স্যারের শিক্ষায় আমার মতো ক্ষুদ্র শিক্ষার্থী হয়েও একজন মানবিক মানুষ, পরিশ্রমী, ডেলিভারি ম্যান, মৌ চাষী হয়েছি তারপরও নিজের কাজের প্রতি আত্মতৃপ্তি পাই।
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
ফেনী জেলা মিটআপ ১৫/০৮/২০১৯ আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে গত ১৫/০৮/২০১৯ আমাদের ফেনীজেলা মিট আপ সম্পন্ন হলো। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি উক্ত মিটআপে উপস্থিত থাকতে পেরে। সবাই খুব
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প এর সামাজিক কাজ।। প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার এর কথামত ১.একটি কাজ( ফলজ গাছ লাগানো) আজ শেষ করলাম।। ২.পরের কাজ গুলোও শেষ করবো ইনশাআল্লাহ।। সব কিছুই সম্ভব ইকবাল বাহার স্যারের জন্
এখন আর আগের মত বাড়িতে টাকা পাঠাইতে পারিনা। কারন এমন ও মাস যায় নিজের খাবারের টাকাও পাইনা মাস শেষে, বাড়িতে বলি সমস্যা কিন্তু পরিবারকে কিছুতেই বিশ্বাস করাতে সক্ষম হইনা। কারন ঐযে প্রথমে অনেক টাকা পাঠাতাম
আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ۔তাই নিশ্চয় বুজতে পারছেন ۔যে সমস্যা তো লেগেই থাকতো কারণ নাম দিয়ে তো আর সংসার চলেনা ۔তখন পাচঁ ভাই ও বোন সব মিলিয়ে আমরা ছয়জন সবাই পড়া লিখা করতেছি ۔সম্পদ বলতে আমাদের কিছু ধা
গতকাল রাত থেকেই চিন্তা করছিলাম আগামীকাল তো হাটবার, বেচা কিনা কেমন হবে আল্লাহ জানে, তারমধ্যে এখন আবার নতুন করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা চাকরি নিয়েছি, সে সুবাদে মাদ্রাসার কিছু দায়-দায়িত্ব আছে, এত শত ব্যস্
গতকাল ১৬ ই জুলাই রোজ রবিবার জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে প্রশিক্ষনের ২০০০ তম দিন বিশ্বরেকর্ড উদযাপন সম্পন্ন করলো #সৈকত_সৌন্দর্যের_বরগুন
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
আমারা ভাই বোনেরা জখন পেটের খিদার যন্তোনায় মায়ের সাথে কান্নাঁ করতাম তখন মাকে দেখেছি আমাদের চেয়ে বেশি কান্নাঁ করতে মা কান্নাঁ করতে করতে ঘর থেকে বিরিয়ে কোন এক বাড়িতে গিয়ে বসে থাকতো তাদের ভাত রান্না হলে ভ
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
চাকরি না করে নিজে কিছু করব শুনে সবাই বলে এটা সম্ভব না। অনেক টাকার দরকার, আবার একা একটা মেয়ে করতে গেলে সমস্যা হবে ইত্যাদি। যখন স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম মনে মনে সাহস পেতাম। তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
আমি গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হতে লাগলাম আমার বাবা ছিল আদর্শ কৃষক এবং খুবই সরল ও সাদা সিদা, তার একটি মাএ উদাহরণ আপনাদের সামনে তুলে দরলাম, আর সেটা হলো, তার ছেলে মেয়েদের কে বলতো বাবারা তোমরা
ন ধরে কথা বলতাছে ড্রেস নিবে। সব ডিটেইলস নিলো। কিন্তু অর্ডার করে না। পরে গতকাল রাতে হাটবারের আগের রাতে নক করলো আপু আমাকে ১০ টা ড্রেস পাঠাবেন আগামী কাল। ভাই কে আমি ভালো করে চিনি না কিন্তু সে আমাকে চিনে।
একটা বাচ্চা শিশু কিন্তু অনেক দূরন্ত আর চঞ্চল থাকে, সেটা হতে পারে,বাঘের বাচ্চা বা যেকোনো পশুর বাচ্চা তো, সেই ছোট হাতি কে যখন মানুষ কন্ট্রোল করতে চায় তখন দূরন্ত বাচ্চা হাতিটাকে আটকে রেখে, পোষ মানাতে
আমরা যারা ইতি মধ্যে ভাল মানুষ হতে সক্ষম হয়েছি তাহারা অবশ্যই আমাদের উদ্যোক্তা জীবনেও সফল হবো ইনশাআল্লাহ্। সফল হতে হলে আগে ভাল মানুষ হতে হয়, যা আমরা ইতিমধ্যে হয়েছি। আমাদের জন্য স্যার অনেক বড় একটা নেটওয়
ধৈর্য সহকারে কাজ করবেন আরজে কাজে করেন না কেন কাজের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে আর মেন্ জিনিস যেটা ইচ্ছা শক্তি থাকতে হবে তাহলে আপনি সেরা উদ্যোক্তা হতে পারবেন।
মাত্র ১জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় আসে ৪ জানুয়ারি "২য় মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ আমরা শরিয়তপুর থেকে তখন ৫০+ সদস্য সেই প্রগ্রামে উপস্থিত হতে
পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দ্যেগে তৃতীয় বারের অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এই বছরে ৮০০ জন অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে পটুয়াখালী জেলা সহ সকল উ
প্রবাস জীবন শিখিয়েছে কীভাবে কিভাবে আশপাশে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুকেই এড়িয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে হয়। 👉নিরাশার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া ছেলেটা হাতে হাত চেপে, চোখের নোনাজলকে উপেক্ষা করে বলতে শিখেছে,
মুহুর্তেই শোরগোল পরে গেল!সবার একটাই কথা,আমি জেগে গেছি,আমি জেগে গেছি।তৎক্ষনাৎ দেখি ৩-৪জন ডাঃ দৌড়ে আমার কাছেই আসছে।হ্যা ওরা আমার গাড়িতেই বসে আমার পালস চেক করলো।আমায় বললো কেমন আছি আমি?আমি বললাম ভাল।তখনই
প্রতিটা মানুষ যেমন করে একটা পরিবারে বেড়ে উঠে ঠিক তেমন করেই আমার বেড়ে উঠা তবে আমার মধ্যে একটু ভিন্নতা ছিল। ছোট বেলায় দেখেছি আমার মা কত কষ্টকরে আমাদের লালন পালন করেছেন। একটা সময় এমনও হয়েছে আব্বু বাড়িতে
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
আমি যখন ক্লাস টুতে পড়ি আমি আমার বড় ভাইয়ার সাথে হাটে গিয়েছি,,হাটে গিয়ে বাজার শেষ করে আমাকে চানাচুর এক প্যাকেট কিনে দিলেন আমি কি খুশি,,,আমাদের বাড়ি থেকে ৫ মিনিটের দূরত্ব একটা পুল আছে,,,আমি কান্না করে
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট। সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক। সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগি
ধরনের ব্যবসা করলে সফল হওয়া যাবে এবং কি কি বৈশিষ্ট একজন সফল উদ্যোক্তার থাকা প্রয়োজন সবকিছু জানার চেষ্টা করছি।স্যারের দেখানো পথে আমি হাটতে চাই,আমি শিখতে চাই , সৎ থেকে অর্জন করতে চাই।আমার সাহস আছে এবং ম
এই প্লাটফর্মের এতো গুলো ভাই বোন পেয়েছি সত্যি সেটা বলে বোঝাতে পারবো না। তাদের অনুপ্রেরণায় একে একে দুইটি অর্জন সম্ভব হয়েছে
আজ ৫টা বছর ধরে অসুস্থ আমি। ছোট জীবনটার খুব দুর্বিষহ কিছু মুহূর্ত দেখেছি আমি। আমার জীবনের কিছু সময় আর পাঁচটা মেয়েদের মত নয়। আলাদা একটু বেশিই আলাদা। আমি আজ আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু অতীতে
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
জয়পুরহাট জেলা মিটাপ ৩য় বার "নিজের বলার মত একটি গল্প" জয়পুরহাট জেলা
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনা মূল্যে ২০০০তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
এবার একটু থতমত খেয়ে গেলাম। পুলিশ সম্পর্কে আমাদের সাধারন মানুষদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। কথায় বলে, আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা। যাই হোক, যেহেতু খাঁটি মধু নিশ্চিত করতে পারছি এবং মধু
আমার শৈশব ছিল বাঁধাহীন দুরন্তপনার অপুর্ব এক মুহুর্ত। বয়সের ভারে এখন যখন প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তখন মনে পড়ে আমার প্রিয় সেই শৈশবের কথা। বার বার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে প্রিয় সেই শৈশবে। কিন্তু যে সময় চ
জীবনে কখনো ভাবিনি মোস্তফা জব্বার স্যার ও ঢাকার উত্তরের মেয়র আতিকুর ইসলাম স্যার কে কখনো স্বশরীরে দেখতে ও তাদের উপদেশ ও তাদের ব্যর্থতার কথা শুনতে পারবো। জব্বার স্যারের বানানো বিজয় সফ্টওয়্যারে দিয়ে প্রতি
যাদে মা আছেন, আমি সেই সকল মা দের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।তোমরা আছো তাই আমরা আছি, এভাবে সাথে থেকো, এভাবেই পাশে থেকো।৷ """ মা"""