২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
কয়েক দিন আগে মেসেঞ্জারে একটা কল আসলো রাত ১১ টার দিকে।হঠাৎ এতো রাতে মেসেঞ্জারে কল দেখে ধরলাম না।কেটে গেছে আবার দিলো।আমি কল না ধরে মেসেজ দিতে বললাম।কিন্তু উনি মেসেজ সিন করে তার পরেও কল দিচ্ছে।
সেই লক্ষী আমার ঘরে আসার পর কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করলো। আমি জানিনা কি ঠিক কি বেঠিক, তবু সময় চলে তার মত করে, শুধু আমরা পারিনা সময়ের দাম দিতে। আমার মেয়ের এক দেড় বছরের মাথায় আমি ভাল কাজের আশায় আমার পরিব
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
এই শ্লোগানটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি মূলত ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখনো করে যাচ্ছি।
আমার বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা এবং বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সমগ্র বিশ্বে আমার উদ্যোগ পৌছিয়ে দেয়া। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
জীবনের সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টায়ই শক্তিমান মানুষকে দূর্বলদের মধ্যে থেকে আলাদা করে। তার একমাত্র উদাহরণ হলেন আমাদের প্রিয় মেন্টর। স্যারের কাছ থেকেই শি
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
পান্তা ইলিশ সহ যাবতীয় সবকিছু ইভানের আম্মু রান্না করেছে। কিন্তু আমাকে তো কিছু একটা রান্না করতেই হবে, তাই শেষমেশ লইট্টা মাছ রান্না শুরু করলাম।
শাশুড়ী আর বউ মিলে চিন্তা করলো কিছু টাকা আছে তাই দিয়ে একটা দোকান দিবে তার পরে দুজন মিলে বাজারে গিয়ে জা জা লাগবে সব কিনে আনবে বাজার থেকে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে তাই দুজন ভাবলো কাল থেকে শুরু করবে......
অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ♦ভিশন - উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২♦ কে সামনে রেখে অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক ঘোষিত ৬০ দিন ব্যাপী কর্ম পরিকল্পনার তৃতীয় পর্ব গোল্ড
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলন @ মালয়েশিয়া #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
আলহামদুলিল্লাহ টানা ৪র্থ বারের মত B+ রক্ত দান করলেন আমাদের MD Naim Hossain Shihab ভাই। তিনি ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের লক্ষ্মীপুরের প্রতিনিধি।
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে শেষ হলো রুপসী বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার মাসিক মিটআপ ও উদ্যোক্তা মিলনমেলা।
উদ্যোক্তা হওয়ায় জীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে । আজ সমাজে আমাকে মাথা উঁচু করে চলার পথ দেখিয়েছে । যারা দুদিন আগে আমাকে নিয়ে সমালোচনা করত চাকুরী হয় নাই বলে । তারা আজ আমার পথ অনুসরণ করছে ।
সত্যি কথা বলতে কি জানেন আমি কখনো ভাবি নি আমার আজকের মতো বর্তমান একটা অবস্থান তৈরি হবে। আমি কল্পনাও করি নি আমাকে কল দিয়ে মানুষ খুজবে, এটা লাগবে অইটা লাগবে বলবে। আমার কাছে এসে প্রিয় প্লাটফর্ম সম্পর্কে
সত্যি আমরা চাইলেই পৃথিবী বদলাবে।নয়তে পৃথিবীই আমাদের বদলে দিবে।আমরাও বৃদ্ধ হবো।কে বলতে পারে আজ আমরা মা বাবার সাথে করছি তা আমাদের ছেলে মেয়ে আমাদের সাথে করবে না? মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। দুনি
আজ রংপুর শীতার্থ মানুষের মাঝে মানবতার কল্যাণে কম্বল বিতরন শুরু করেছি।
ভাবতেই অবাক লাগে,যেই আমি ভাবতাম,আমার জীবনের আর কিছুই বাকি নেই,চারদিক অন্ধকার ,সবকিছু শেষ,সবসময় অন্ধকার একটা ঘরের কোনে বসে থাকতাম।সারাদিন কোনরকম হলেও ,রাতের নিজেকে একা ভাবতাম। সেই আমি এখন নিজ উৎদ্যোগ
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব
উদ্যমী জামালপুর 🟡 ভালোবাসায় ভরপুর 🟣 স্বপ্ন পূরণের যেতে হবে 🟢 দূর থেকে বহুদূর এই উদ্যমী স্লোগান কে সামনে রেখে উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত কাঙ্খিত অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পন্ন হয়ে গেল
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
700 নম্বর দিন আমাকে মনে করিয়ে দিল আমি কত পিছিয়ে ছিলাম।। নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ আজ আমাদের গ্রুপের 700 নম্বর দিন অতিবাহিত হল। সবাই এই 700 নম্বর দিন নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে আমি তাদের পোস্ট গুলো দেখ
তখন আমার মনে একটা জিধ আসলো আমাকে টপ টুয়েন্টিতে লড়তে হবে আমাকে যিততে হবে, তার একটা মাত্র কারণ আমাদের 👉 NRB লেবানন টিমের কান্ট্রি অ্যাম্বাস্যাডার নাজমুস সাকিব পারভেজ ভাই আমাদের টিমের সকল সদস
আজকের মিটআপটি ছিলো অত্যন্ত চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ মিটআপ। এই মিটআপএ তেজগাঁও জোনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিক নির্দেশনা দেন কোরও মডারেটর এবং
আজ কেন নিজেকে অপরাধী লাগছে সেই ত্যাগী বাবার কথা মনে করে,যে বাবা আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে কখনো ঘুরতে নিয়ে যাইনি। যার উপর রাগ করে আজ বালিশ বিহীন, খাট হীন ঘরে শুয়ে আছি! তাঁর কথা মনে করে কেন বুকটা দুমড়ে
স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কিছু স্থাপত্য এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য— মদনপুরের হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমি (র.) মাজার, শাহ সুখুল আম্বিয়া মাজারের পাশে মোগল
পর্দাও আমি ক্লাস নাইন থেকেই করি,তখন বোরখার এমন প্রচলন ছিল না,মেয়োরা বোরখা পড়তনা বললেই হয়।আমার মায়ের মত খাঁটি পর্দানশীল কিছু মহিলা বোরখা পড়ত শুধু। আর আমি মাথায় মিলিনারী পরতাম আর বড় বড় উরনা পড়তাম। তখন
আলহামদুলিল্লাহ গ্রুপ এবং অফলাইনে আমার সেল প্রতি মাসে ৬-১০ লক্ষ টাকা টাকা।গতমাসের সেল ৮ লক্ষ প্লাচ। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় এগিয়ে চলছে আমার স্বপনের প্রতিষ্ঠান AHNAF organic foods
চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। অবস্থানগত কারণে চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি বিশেষ শ্রেণীভূক্ত জেলা। পাহাড়-সমুদ্র উপত্যকা, বন বনানীর কারনে চট
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
সুতরাং তাড়াহুড়ার দরকার নেই।জীবনে ভালো থাকার জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সততা একটুখানি, বিশ্বাস একটু পরিশ্রম মনের অফুরন্ত জোর।।শ্রম মানুষকে কখনোই ঠকায় না।
আলহামদুলিল্লাহ।।আমাদের গ্রুপের আজিজুর ভাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ব্যাগ রক্ত দান করলাম।।।ইনশাআল্লাহ এভাবেই স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে মানুষের পাশে থেকে এগিয়ে যেতে চাই।।।সবাই দোয়া
বলল, "অসুবিধা নেই আমি জানি যে, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । তাদেরকে দেখতে হলে আমাকেই দেখতে হবে এবং তোমরা দুজনেই কেউ টাকা জমাতে পারো না সেইজন্য আমি আমার টাকা জমিয়েছি তোমাদের ভবিষ্যতের কথা
আমার এক বন্ধুকে দিয়েছো শুনলাম, সেতো মহা খুশি। তার হিসাবগুলো নাকি খুব ইজিতে করতে পারছে ঐদিন তার দোকানে গেলাম আর এইসব বল্লল। আমিঃ জি ভাইয়া আমি সফটওয়্যার বিক্রি করছি এই হাটে। সকালে পোস্ট দিয়েছিলাম আর ক
জীবন- সংগ্রামে টিকে থাকার চেষ্টা করবে সেই হবে একজন সফল ব্যক্তি, সফল উদ্যোক্তা।কবির ভাষায় তাই বলতে হয়ঃ- পারিব না একথাটি বলিও না আর, একবার না পারিলে দেখ শতবার।
প্রথমেই নিজ এলাকার অনেক মানুষ হাসাহাসি করত বলত এই ব্যবসা দেশ গ্রামে কখনোই হবে না কারণ এটা শহর না এটা গ্রাম গ্রামের মানুষের ক্ষতি করবো এসিড দিয়ে মানুষের চুলকানি হবে অনেক ভয় দেখিয়ে আমাকে অনেক বাধা দি
১৯৯৫ সালে বাবা হজ্ব করে ব্যাবসা ছেড়ে দেন।বড় ভাই তখন বিদেশে, মেঝো ভাই সংসার দেখাশোনা করেন। অামি ছাত্র হিসেবে ভালই ছিলাম জিবনে খুব কমই রোল ১ ছাড়া ২ হয়েছে। মেঝো ভাই নানান রকম কৃষি কাজ করতেন সাথে আমাক
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্। 🏵️প্রথমে শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর নামে যার অপার কৃপায় এই পৃথিবীতে এসেছি। সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন
আপনি ব্যবসা করছেন সেই ব্যবসার কত রকম মারপ্যাঁচ আছে সেইটা কিন্তু আপনি প্রতিনিয়তঃ টের পান।। ঠিক প্রতিটা কাজেরই এরকম ট্র্যাক রয়েছে। লেখার যে কত রকম ট্র্যাক আছে সেটা লিখতে লিখতেই অনুধাবন করা যায়।। আর স
সেন্ট্রাল থেকে প্রতিটা জোনের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কোর ভলেন্টিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম ভাই। ১. সেন্ট্রালের সাথে তেজগাঁও, গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা জোন ২. মিরপুর ৩. সাভার ৪.উত্তরা ৫. মত
খুব সুন্দরভাবে পালন হয়ে গেল নীলফামারী জেলা এর অফলাইন মিট-আপ। নীলফামারী জেলা টিমের সকল সদস্যদের অংশগ্রহনে মিট-আপটি প্রানবন্ত হয়ে উঠেছিল।
আমার আগ্রহটা আরোও বেড়ে গেলো।এরপর আমি জয়েন হলাম। কথাগুলো আমার মনের ভিতর কড়া নাড়তে শুরু করলো।তখন এই গ্রুপ সম্পর্কে কিছুই জানতাম। স্যারের কথাগুলোতে অনেক সাহস পেয়েছিলাম স্বপ্নেের দিকে যেতে। শুধু ত
2015 সালে আমি বিয়ে করি, বিয়ের পর পরে আমি সবার কাছে খারাপ হয়ে যায়। বিভিন্ন রকম অপবাদের পর আমি ভাইয়ের দোকান থেকে রাগ করে চলে আসি। আসার পর আমি কিভাবে জিরু থেকে শুরু করব তা ভেবে পাচ্ছিনা।
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
ছোট বেলার সময়টা মনে করে দেখেন তো তার সাথে কত জায়গায় ছুটাছুটি,সে বন্ধুটি ছাড়া আপনি যেন কোথাও অচল হয়ে পড়তেন। কিন্তু সময় সব বদলে দিলো,হারিয়ে দিল প্রিয় বন্ধুটিকেও কারন সময় বদলায়! এরকম ছোট এ জীবনে কত মানু