।নিজেরা ভালো খেতেন আর আশেপাশের মানুষজন, আত্মীয়দের সহযোগিতা করতেন।অসহায় বাবাদের মেয়ে বিয়ে দিতে আটকে গেলে আমার বাবা আর মা মিলেই তাদের সেখান থেকে উদ্ধার হতে সহযোগিতা করতেন।এমন অনেক উদাহরণ আছে আমাদের
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত বর্ণমালা কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রদান করা হলো। ওয়ারী জোনের সকল দায়িত্ব
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
আলহামদুলিল্লাহ ২২/১০/২২ইং, রোজ শনিবার ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত নতুন দায়িত্বশীলদের বরণ ও পুরস্কার বিতরণী অফলাইন মিটআপ সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
আসসালামু আলাইকুম ভাই ও আপুরা কেমন আছেন সবাই ✋ চলছে রাজবাড়ী জেলা কর্তৃক আয়োজিত ফাউন্ডেশনের টানা 2️⃣0️⃣0️⃣0️⃣তম দিন উৎযাপন ও উদ্যোক্তা সম্মেলনের অনুষ্ঠান। স্হানঃ শিল্প কলা একাডেমি, রাজবাড়ী সবাই দোয়া
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশন একটি “উদ্যোক্তা তৈরির কারখানা”। এখানে উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ১৭টি বিষয়ে স্কিলস শেখানো, মূল্যবোধ, লিডারশীপ ও ভলান্টিয়ারিং চর্চা সংক্রান্ত প্লাটফর্ম।
আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম, আইসিটি ডিভিশান এবং চুক্তি স্বাক্ষর করেন জনাব Iqbal Bahar Zahid, ফাউন্ডার, মেন্টর ও চেয়ারম্যান, নিজের বলার
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের ( এটি একটি ফেসবুক ভিত্তিক সামাজিক শিক্ষা মূলক প্রতিষ্ঠান) প্রতিষ্ঠাতা ও মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ও বিশ্বের ৫০ টি দেশে সচেতনতা
আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো।আমার এক দুলাভাই তখন আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলো মা বাবা না থাকলে যা হয় । ওই বয়সে শ্বশুর বাড়ির সবার মন জোগানো খুব কষ্টের ছিলো। তারপরও অনেক চেষ্টা করেছি কিন্
একজন স্বপ্নবাজের দিকনির্দেশনায়" একঝাঁক উদীয়মান নক্ষত্র এর উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম। দেখা হয়ে গেল কল্পনার কিছু সফল তারকাদের সাথে। যারা বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে উৎসাহি
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্। 🌿মাশাআল্লাহ, কলেজ ও ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন নিঃসন্দেহে স্যারের যুগ উপযোগী ভালো উদ্যোগ। দেখা যায় যে, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ ও ইউনিভার্সি
আগস্টের 3 তারিখ সকালেই শুনলাম বাবার শরীরটা একটু খারাপ। হালকা জ্বর। সারারাত ঘুমাতে পারেনি বাবা। তাই সবাই মিলে ডিসিশন নিলাম তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করব। এরইমধ্যে যেখানে জাকে পেয়েছে পরিচিত সবাইকে বলেছি।
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর ও সকল সদস্যদের পরিবার সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।। সেই সাথে ১০০প্যাকেট ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে।। মানবিক ও সামাজিক এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আসলেই আমরা গভীর ভাবে
প্রিয় স্যার একটি কথা বলেন যেটি আমার অন্তরে গেথেগেছে -কেউ আপনার বিশাল পৃথিবীকে হয়তো একটু খানি ঠকাতে পারবে কিন্তুু সে পুরাই ঠকে যাবে তার ছোট্ট পৃথিবী নিয়ে❤️❤️ ❤️❤️যখনই মোন খারাপ থাকতো তখনই ইন্টারনেট ঘা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম 🥀আমি প্রথমেই শুকরিয়া জানাই সকল প্রসংশাময় আল্লাহর দরবারে যিনি অশেষ রহমতে আমাদের সুস্থ ও ভালো রেখেছেন । 🥀 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের আশার প্রদীপ জ্বা
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?
🥀ভবিষ্যৎপরিকল্পনা: আমার স্বপ্ন নারীদের নিয়ে কাজ করা, তাদের পাশে দাঁড়ানো। স্বেচ্ছাসেবী মতো- এই পৃথিবীতে হাজার নারী আছে যারা এখনো পিছিয়ে- দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে তাদের বিনা পরিশ্রমে। আমি চাই ওই
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
এটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে বড় অর্জন। কারন আমি খুবি সাধারণ স্বভাবের একজন মানুষ। গ্রামের আট দশ জন মানুষের মতো আমাকে কেউ চিন্ত না জানতো না ।সবার সাথে সহজে মিশতে পারতাম না।
স্বপ্ন বুননের বাতিঘরে নিজেকে চেনার জানালায় এসে সাহস করে শুরু করেছি সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ। মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার অভাব হয় না সেই প্রত্যাশা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি প্রিয়
চাকরি করতাম উত্তরাতে একটা আইটি প্রতিষ্ঠান। আলহামদুলিল্লাহ সবাই ভালই চলছিল। প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বসের আস্থা ও বিশ্বাস এটাই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রায় চার বছরের মতন চাকরি করছি। প্রতিষ্ঠানকে কখনো
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
আমার ব্যবসায়ের প্রথম মূলধন ছিল ১০ হাজার টাকা। বাটিকের সব ধরনের পন্য এবং সব ধরনের প্রিণ্টের বিছানার চাদর। অনলাইন ব্যবসার বয়স ২ বছর এর বেশি। বর্তমানে আমার সেল ২ লক্ষ টাকার বেশি।
আমি উঠে দাঁড়াতে পারছি না। গোড়ালির পিছন থেকে রক্ত পড়ছে। পা ভেঙে চুড়ে গুড়ো হয়ে গেছে। কপালে সামান্য আঘাত আমিও পেয়েছি। ব্যাটারির এসিডে পুড়ে গেছে হাত। বাইকে করে একটা ছেলে যাচ্ছিলেন পাশ দিয়ে। লোকটা এগিয়ে আস
আপনি আমাদের মনের অনুভূতি কে জাগিয়ে তুলেছেন,,প্রাণপ্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার।আপনি বলেছেন.... আমাদের বাবা মাকে প্রতিদিন সালাম দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন প্রিয়, স্যার. লজ্জা শরম ভ
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার আমাকে হতেই হবে সেটা যেভাবেই হোক,দায়িত্বশীলদের পরামর্শ নিয়ে লিখতে শুরু করলাম আমার জীবনের গল্প প্রায় ১৫ দিন পর লেখা সমাপ্তি করে একদিন পোস্ট করলাম।
রাজবাড়ী জেলার কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সোহাগ ভাইয়ের ১০ তম রক্তদান ও আসন্ন মহা সম্মেলন ২০২২ টিকিট বিতরন।
চমৎকার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে তেজগাঁও জোন আওতাধীন ★হাতিরঝিল থানার নলেজ শেয়ারিং ও নবীন বরন মিটআপ সফল ভাবে শেষ হলো।
রক্তের জন্য যাবে না কারো প্রাণ, করিব রক্ত দান বাঁচাব প্রান" নিয়মতান্ত্রিক ভাবে রক্ত দান অব্যাহত থাকবে ইনশাঅাল্লাহ্। রক্তের গ্রুপ (o+)
মানুষের জীবনে উত্থান পতন থাকবেই। তাই আমার জীবনও এর ব্যাতিক্রম নয়। আমিও অনেকবার অনেকভাবে হোচট খেয়ে কখনও পরে গিয়েছি আবার কখনও দাঁড়িয়েছি। ব্যাবসায় হটাৎ বড় ধরণের একটা ধাক্কা লেগে গেলো, কোনো ভাবেই সেখান থে
১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ইং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর ঢাকার ১১ জোনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো❤️
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
👉আমার আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে অনেকে বলে রাসেল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে চেঞ্জ হয়ে গেছে আসলে তা না আমি কখনো নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরতে পছন্দ করি না,সব সময় নিজেকে আড়াল রাখতে পছন্দ করি- আর নতুন কিছু শিখতে পছন্দ কর
আমার পরিচয় এখন একজন ড্রাইভার..... কপাল কে মেনে নিয়ে পিছন ফিরে না তাকিয়ে,, কর্মকে ভালবেসে নতুন করে তৈরী করতে চেষ্টায় আছি যেনো একজন ভাল ড্রাইভার বলে আমাকে সবাই জানে.... এক বছর রেন্টেকার গাড়ি চালানোর প
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
লালবাগ জোন চমৎকার ভাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজার আজীবন সদস্য সেলিব্রেশন করে। তার মধ্যে ব্যাতিক্রম আয়োজন ছিলো কুইজ প্রতিযোগিতা।
।আমি স্যারের থেকে শিখেছি কথা দিয়ে কিভাবে কথা রাখতে হয়, কি ভাবে রাগ কে প্রাধান্য না দিয়ে জেদ কে প্রাধান্য দিতে হয়,কীভাবে স্বার্থ ছাড়াই মানবসেবা করে যেতে হয়, কীভাবে একজন ভালো সন্তান /ভালো মানুষ এবং উদার
আগামীকাল আরো দুইটি জেলায় ত্রাণসামগ্রী পৌছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই ইহার চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই।।’ 🍀কবি কাদের নেওয়াজের এ কবিতায় যেন ঝরে পড়ছে মায়ের মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্নেহ, আদর আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব কথা। মা আসলেই পৃথ
আমি বিজনেস এর প্রফিটের টাকা দিয়ে বিজনেস বড় করেছি। কারো কাছে কোন টাকা পয়সা ধার করিনি এমনকি নিজের হাজবেন্ডের কাছেও এক টাকা ধার চাই নি। বরং আমি সবসময় চেষ্টা করি নগদ টাকা দিয়ে পণ্য কিনে বিজনেস করার ।
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল