শ্বশুর বাড়ি থেকে বার বার ফোন করতেছে যাইতে হবে তাদের বাড়ি।সে জন্য বউ বার বার এসে ডাকতেছে। বউঃ কি গো শুনছো উঠো রেডি হও । আমিঃ পাববো না।ঘাড় মাথা ব্যাথা করছে। বউঃ হ্যা এখন তো কতো কি ব্যাথা করবে। আমার বাবা
অত্যন্ত চমৎকার ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হলো নারায়ণগঞ্জ জেলার ঈদ পুনর্মিলনী ❤️❤️❤️
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
ভালোই চলছিলো কম্পিউটার কম্পোজের কাজ। প্রথম প্রথম কাজ শিখতে শিখতে একটু কম আয় থাকলেও টাইপিং এর স্পিড বেড়ে যাওয়ার পর আয় বাড়তে থাকলো। হঠাৎ দোকানের মালিক বললো, “ভাই, তুমি তো বিশ্বাসের সাথে অনেক দিন ধরেই
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামু আলাইকুম নিজের বলার মতো একটা গল্প পাউন্ডেশন সদস্য ও মেম্বার দের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচছা ও ভালোবাসা --- এই কোরেনা মহামারী থেকে আমাদের সকল কে ভালো রেখেচে সুস
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন," আমি অভিভূত। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প আমাদের সবাইকে বেশ অনুপ্রাণিত করছে, আমি এই ফাউন্ডেশনের সাথে সবসময় থাকবো।"
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আলহামদুলিল্লাহ ৮ম বার রক্ত দান করলাম,মুমূর্ষু রুগীকে, সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
তাই ভালোবাসতে শুরু করলাম এই গ্রুপকে এই পরিবারের মানুষ গুলোকে, তবে ফেরৎ যা পেয়েছি তা লিখে প্রকাশ করা অসম্ভব, বলতে গেলে আমুল পরিবর্তন করে দিয়েছে এই গ্রুপ আমাকে, এই যে লিখছি তাও এই গ্রুপের অবদান এখান
আজ সারা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক এরও বেশি মানুষ গৃহবন্দি।বন্ধ সব ধরনের কর্মকাণ্ড যার বিশাল প্রভাব পড়েছে অসহায় ও নিম্নবিত্ত এবং দিনে আনে দিনে খায় এই মানুষগুলোর উপর।
দিন আনে দিন খায়-গাজীপুর জেলা কতৃক ত্রাণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
হাটছি সেই স্বপ্ন পুরনের লক্ষে।শুরু করছি কিছু কাজ সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। আমি যেন আমার সপ্ন পুরন করতে পারি।
আমি বিভিন্ন কাজ শিখতে ভালোবাসি🥰 ছোট থেকেই কিছু শেখা নিয়ে অবহেলা ছিলোনা। যখন যেই কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি তাহ ছাড়া করিনি🥰 তবে এগুলো খুবই সামান্য! আমাকে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে হবে।৷
আমি ভাইয়ের সাথে কথা বলি।।ভাই এত ভালো মনের একজন মানুষ এবং এতো সুন্দর করে আমাকে সব বুঝিয়ে আশ্বস্ত করলেন যা আমার কল্পনার বাইরে। ভাইয়ের সাথে কথা বলে আমার সব ভয় দূর হয়ে যায়।ভাই আমাকে বলেন ব্যবসা জীব
ধানমন্ডি জোনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীলদের মিটিং ও চা আড্ডা।
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় প্রিয় মেন্টর ও শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিদিনের সেশনগুলো আমাকে নতুনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছে।
জীবন কি জিনিস সেদিন বুঝতে পারছি, আমার পাশের সিটের লোকটি সহ ৩/৪ মারা যায়। আমার আলহামদুলিল্লাহ সামান্য ব্যথা লাগে। মায়ের দোয়া হইত সেইদিন আল্লাহর রহমতে আমার কিছু হইনি। মা বাবার দোয়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়া
অনেক বড়ো একটা নেটওয়ার্ক পেয়েছি। *পেয়েছি ব্যাবসায়ের আইডিয়া। *উদ্দোক্তা হতে পেরেছি। *অনেক পরিচিতি বাড়াতে পেরেছি। *ভলান্টিয়ারিং করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। *কথা বলার জড়তা কাটাতে পেরেছি।
আমি ছোট বেলা থেকেই পড়া লেখার সাথে সাথে আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে সহজোগিতায় লেগে থাকতাম তাই হয়ে গেলাম বাবা মায়ের আদরের সন্তান।আমি আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে লেগে থাকার কারনে আমাদের পরিবারের অবস্থান
আগামীকাল ১৪ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ৫ হাজার উদ্যোক্তা নিয়ে ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘৫ম উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন’। রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজনটির উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী
মহিন বিকেলে কল দিল, হ্যা মহিন বল, কোন ৫ টা পছন্দ হয়েছে। মহিন : তোমার ইনবক্স ২ ডিজাইনের ৫টা দিয়েছি, এই ৫ টাই লাগবে, আমি : ওকে আগামী কাল দুপুরে/বিকেলে তোমার দোকানে নিয়ে আসবে শার্ট গুলো আমি বলে দিচ্
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে, খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, সম্
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে
আমি পরিবারের সবার ছোট বলে সবার খুবই আদরের ছিলাম আমার বড় ভাইয়া সৌদি আরবের ছিল। আমার বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট বলে আমি না চাইতেই সবকিছু পেয়ে গেছি। তাই কষ্ট কি জানিস আমি তেমন বুঝিনি। খুবই আনন্দ
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
বার মার্কেটে সুনাম আছে উনি সৎ নিষ্ঠাবান পরিশ্রমী বিনয়ী একজন ভালো মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে বাবাকে পাইকারি দোকানদাররা দোকানে পাইকারি পন্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আস্তে আস্তে ব্যবসা বড় হয়। কিন্তু লাভ দেখা যায়
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
এই করোনা মহামারীর সময়ে এখনো যারা সুস্থ আছি অন্তর থেকে শুকরিয়া আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আজ ১১/০৪/২০২১ ইং চলছে আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের অফলাইন মিটআপ আলহামদুলিল্লাহ।
অনেকের উদ্যোক্তা হওয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি থাকার পরে ও ইউনিক আইডিয়া খুঁজতে খুঁজতে আমরা জীবনের অনেকটা সময় পার করে দিই, ইউনিক আইডিয়া না পেয়ে অনেকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন থেকে ছিঁটকে যাই।
_______________গতকাল রাতে আসলে একটি মেসেজ আমাকে খুব অবাক করে।প্রিয় এক আপু হঠাৎ মেসেজ করেন আমার আচার আইটেমর একটি পণ্য সম্পর্কে জানতে। আমি প্রথমে ভাবলম হয়তো সে এমনেই জানতে চাচ্ছে।কিন্তু কিছু খনের মধ্যে
‘চাকরি করবো না চাকরি দেব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন-২০২২’।
আমার মাকে বলতে শুনছি আমাদের এলাকায় একজন বুজুর্গ লোকের উছিলায় আল্লাহ আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
যখনই কারো ব্লাড লাগে সবাই দ্রুত সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে। এই গ্রুপের কার্য বিস্তৃতি বলে আমি শেষ করতে পারবনা শুধু দুইটা পয়েন্ট বললাম। এছাড়াও জরুরী প্রয়োজনে আমরা যেকোনো ধরনের সাহায্যর জন্য সবাই সবাইকে পাশে
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
আমার অভাব আমাকেই দূর করতে হবে। আমার শুধু মনে হয়েছে আমার কিছু একটা করা দরকার। আমার জন্ম হয়েছে কাজের জন্য, তাই কাজ করেই খাব
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
মাত্র ১জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় আসে ৪ জানুয়ারি "২য় মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ আমরা শরিয়তপুর থেকে তখন ৫০+ সদস্য সেই প্রগ্রামে উপস্থিত হতে
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
এক বন্ধু প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা থেকে। আমি এটাও জানি, আমি সেদিন সাহায্য না করলেও- অন্য কোনো ভাবে সে চাকরি খোঁজে নিতো বা অন্যকেও আমার মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো। আমার আমার সৌভাগ্য যে সঠিক সময়ে,
নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
স্বাভাবিক ভাবেই নারীরা অন্যের পরিচয়ে পরিচিত হয় যেমন কারো স্ত্রী, মেয়ে, বোন, মা, তাহলে একজন নারীর নিজের পরিচয় কি? আমি এই প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছিলাম না,স্যারের বানী থেকে স্বপ্ন সেট করেছি আমি এ
এভাবে আমি আমার বন্ধুর কাছে আমার প্রোডাক্টটি বিক্রয় করলাম। 🍂 আর অন্যদিকে আমার আরেক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করল বন্ধু কি করছিস? এই করোনা কালীন সময়ে দিন দিন আয় রোজগার কমে যাচ্ছে, কি করা যায় বলতো? আম
২য় বার যখন জ্ঞান ফিরে পাই তখন ইর্মাজেন্সিতে নাকে মুখে পাইপ অক্সিজেন হাত পা ব্রেডের সাথে বাধা পরে জানতে পারি বেচারা রিক্সাওলা সহ তিন জনই এ প্রথিবীতে নেই, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবো এমন বিশ্বাস ছিল
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে