ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
টাংগাইল জেলার ঘাটাইল থানা থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্বপ্ন ছিল, স্বপ্ন ছিল ঢাকায় পড়াশোনা করার কেন জানি মত ঢাকায় হয়তো স্বপ্ন পূরনের কোন মাধ্যম খুজে পাবো। তবে বেক আপ সার্পোট হিসেব
পড়াশোনা করে চাকরি করবো সবাই যেমন চায় আমিও চেয়েছি চাকরি করবো। ২০২০ সাল আমার জীবনটা যেন নিজের কাছেই বিরক্তি পরিনত হলো। আমার দ্বারা কিছুই হবে না এটাই যেন নিত্য সঙ্গী হয়ে গেলো। ফেসবুকে হঠাৎ একদিন দেখলাম
অভাব অনটনের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেলাম ঢাকা শহরে । কাজের জন্য অনেক ঘুড়া ঘুড়ি করলাম । কোন কাজ কাম পেলাম না । বাধ্য হয়ে রাজ মিস্ত্রী এবং রং মিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ নিলাম । এই ভাবে আমার ২ বছর ঢাকা
অনেকদিন যাবত চেষ্টার পরে আমাদের সুনামগঞ্জের টিমের উদ্যোগে ও সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট এমভেসেডরের সহযোগীতায় পরিশেষে তা করতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত।
আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
আমাদের প্রিয় স্যার জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার যখন ২০১৮ সালে নিজের বলার মত গল্প প্ল্যাটফর্ম করার উদ্যোগ নিলেন, তার আগে থেকেই আমি তাকে ফলো করি। ফেসবুকে তার প্রতিটি বিষয় আমার ভালো লাগতো। তিনি ৬৪ জেলা
ভালো কাজের উজ্জল দৃষ্টা এসব শিক্ষা মেলে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে। মনে রাখতে হবে, "সময়টা একটা দৌড় প্রতিযোগিতা, কেমন করে এই সময়টাকে ব্যবহার করবো সেটা আমাদের নিজস্ব ব্যাপার কিন্তু এখানে দৌড়ে
আমাদের বাড়িতে অনেক গুলি দেশী পেয়ারা গাছ ছিলো, অনেক পেয়ারা ধরতো, কিন্তু কখনো বিক্রি করতো না। আমরা, আত্নীয় স্বজন ও আশেপাশের সবাই খেতো। তবুও এতো পেয়ারা কি আর খাওয়া যায়।* *একদিন আমার বড় ভাই আর আমি এক ঝাঁ
মিটআপের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এর মাধ্যমে মিটআপের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন Md. Shakil Ahmed ভাই । সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জয়পুরহাট ডিসটিক অ্যাম্বাসেডর
গোপালগঞ্জ জেলার গর্বীত সদস্য হিসেবে প্রিয় স্যারের হাত থেকে টিকেট গ্রহণ করলাম। উদ্দেশ্য একটাই ১৫ই জানুয়ারী ২০২২ মহাসম্মেলন সাফল্যমন্ডিত করা এবং টিকেট সবার কাছে পৌছে দেওয়া।
জীবন মানে নিরন্তর ছুটে চলা.. পদে পদে বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতায় রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত হওয়া, সে ক্ষত মুছে আবার প্রবল আগ্রাসে ঝাঁপিয়ে পড়া.. সংগ্রাম-পরিশ্রম যুদ্ধ এবং সাফল্য – এই হতাশা, ব্যর্থতা, গ্লান
ভিশন উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২ এর ৪র্থ পর্ব প্রিমিয়াম অফলাইন মিটআপ এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে, খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, সম্
উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে আয়োজিত আজকের ঈদ পুনর্মিলনী ও চায়ের আড্ডায় প্রধান অতিথি হিসাবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
বিদেশের জন্য কিছু টাকা ধার নিয়েছে কিছু টাকা জমি বন্ধক দিছে আবারও তিন মাসের মধ্যে আমার কুয়েতের ভিসা চলে আসে
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক
উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করলাম। আপনাদের পরামর্শ,, আমাদের প্রচেষ্টা ইনশাআল্লাহ উদ্দ্যাক্তা ক্লাব গঠন করবো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের প্রিয় মুখ এবং উদ্যোক
নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা জেলায় গতকাল ক্যম্পাস এম্বাসেডর দের সংর্বধনা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত কালকের উপস্থিত মোটামুটি অন্যান্য দিন থেকে বেশি। আশা করি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রে
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন হয়ে নিজে কে একজন সফল উদ্যোক্ত হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করব,এবং সমাজে অসংখ্য শিক্ষিত যুবক আছে তাদের কে এই প্লাটফর্ম এর সদস্য হতে আহ্বান করব।সবাই কে নিয়ে এই প্লাটফর্ম মাধ্যমে
" মা"❣️ ছোট একটি শব্দ তবে এর মাহাত্ম্য অনেক গভীর। দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে সন্তান এর জন্য নিজেকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকেন তবুও সন্তান কে পৃথিবীর আলো থেকে বঞ্চিত করতে চান না। এরকম আত্নত্যআগ শুধু
আমি এই গ্রুপের পাশাপাশি নিজের একটা ফেসবুক পেজ ও খুলেছি।সেখানেও আমার প্রোড়াক্ট গুলো বিক্রি করে থাকি।আমার ফেসবুক পেজের নামঃ জাহানারা সুলতান ট্রেডার্স 🍀কাকিমাঃবৌমা তোমার ভাগ্য ভালো এমন এ
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে মেজর ওসমানীর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন ভারতে ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়ে
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি ন
নিজের বলার মতো একটা গল্প #iqbal_bahar স্যার ৪টি সামাজিক কাজ করার জন্য বলেছেন তার মধ্যে আমি ২টি কাজ করেছি। # নিজে নার্সারি থেকে গাছ কিনে এনে নিজের হাতে ছাদে গাছ লাগিয়েছি
আমি আমার এই বয়সে জীবিকার তাগিদে অনেক কিছু করেছি,,চাকরি, ব্যবসা এমনকি বিদেশ ও গিয়েছি কিন্তু কোনো কাজেই সফল হতে পারিনি,তার একমাত্র কারন হচ্ছে কোনোটাই আমি ভাবিয়া /চিন্তা করে করিনি। 👉স্যার গতকালের সেশনে
গোপালগঞ্জের নাজমুল শেখ ৭ তম রক্ত দন সম্পন্ন।
এই বছরে যাই পেয়েছি পুরোটা "নিজের বলার মত গল্প" দিয়েছে। একজন সদস্য থেকে শুরু করে কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তারপর কান্ট্রি এম্বাসেডর দ্বায়িত্ব আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি শুধু ভালবাসা আর আন্তরিকতা
বগুড়া জেলা গ্রুপের সকল ভাই ওবোনেরা গত কাল ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরনায় কম্বল বিতরন করেছেন,এ
আজ "নিজের বলার মতন একটি গল্প" গ্রুপের পক্ষ থেকে সারা ঢাকায় একযোগে " দিনে এনে দিনে খায়" এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের মতিঝিল জোনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আতিকুল ইসলাম। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলেরর প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার,
আমি জীবনে অনেক শিক্ষা অর্জন করেছি। অনেক শিক্ষা গ্রহণ করেছি। সেই শিক্ষা থেকে আমি আবার ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করতেছি এবং সেটা নিজের জন্য নয়, এ পৃথিবীর আশেপাশের প্রতিটা মানুষের জন্য।
একটু বড় হয়ে যখন ড্রইং করা শিখলাম জাতীয় পতাকা হয়তো আমাদের প্রায় সকলের ই ড্রয়িং করার শুরুর দিকের একটি ছবি থাকে।কিন্তু তখন আমরা এই সবুজের বুকে লাল কেন বুঝতাম না,বললেও না,তখন বুঝার মতো বয়স আমাদের ছিলোনা।ক
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদিআ
আমার বাবা সহ চাচারা সাত ভাই বোন (চার ভাই, তিন বোন) আমার বাবা ৬ ষষ্ঠ,আগে আমাদের পরিবারের অভাবের সংসার ছিল, দাদা সবাই কে লেখা-পড়া করাই তে পারে নি, আমার বাবা কষ্ট করে কোন রকম SSC পাশ করেছে,আর পড়া - লেখা
জীবনে শুধু ১ টা কাজ বা ১ টা চাকরী করার জন্য আপনার জন্ম হয়নি, আপনার যা কিছু করছেন তারচেয়েও আরও অনেক বেশী কিছু করার মেধা ও বুদ্ধি আপনার আছে।
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
জীবনের গল্প সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা পূর্ণতা অফুরন্ত সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়েই আমাদের জীবনকে মহান আল্লাহ-তাআলা প্রতিটা
জীবনের ব্যস্ততা ও বাস্তবতা প্রকৃতির নিয়ম। নিয়ম মেনেই প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে জীবনের সাথে ছুটে চলেছি আলহামদুলিল্লাহ।
সুন্দর "SOD" এর যাত্রাটা মাত্রা পেয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৬০০ দিন পূর্বে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।।এর মধ্যে আমি একাধিক বার SOD হয়েছি। সকলের শুভেচ্ছা বার্তা আমাকে প্রতফুল্ল করেছে। আমি পেয়েছি উদ্যম।
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
সম্পর্কে এমন একটা জিনিস আপনকে ও পর করে দেই টাকার জন্য আজ ভাইয়ে ভাইয়ে সুত্র । তাই আমরা কেউ টাকা দিয়া সম্পর্ক না করি সত পথে চলি সত উপাজন করি তাহলে আল্লাহ রহমতে আমরা ভালো বাবে চলতে পারবো সমাজে বুকফুলি কথ
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য ।
স্কুলের বদলে যেতে হয়েছে গারমেন্টসে। যখন আমার বয়স আনুমানিক 13 বছর তখন থেকে আমার গারমেন্টসে কর্ম জীবন শুরু প্রথম মাসের বেতন 850 টাকা দিয়ে জীবন যাত্রা শুরু করলাম। প্রথম দিন অন্যের জামা পরে
তাই দুই বছরের বেতন আস্তে আস্তে দিলাম এবং নগদ ক্যাশ কিছু দিলাম তারপর বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলো বিদেশে তো নিলেই না পাসপোর্ট করানোর কথা বলে ঢাকা নিয়ে ঘুরাইয়া আনলো