৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
আমি ৮ মাসে সফলতা পাইনি। একটা কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম মাত্র। আর সেই সুযোগ টা কে ই এখনো পর্যন্ত বয়ে চলছি। আমি ৮মাসে পেয়ে ছিলাম বলে আপনি যে ৮ মাসে পাবেন তা কিন্তু নয়৷ আপনি ৮ দিনেও পেতে পারেন আবার ৮০ দিনেও
ব্যবসায় কাজের প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স।ট্রেড লাইসেন্স এর অনুমোদন রাষ্ট্রের থেকে নেয়ে হয়। ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়মাবলী না জানার কারণে প্রায়শঃ সকলকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই কিভাবে এটি করতে
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি।
আমার খুব খারাপ লাগে যখন দেখি ঘরের একটা ছেলে সকাল ১০ টা পর্যন্ত ঘুমাচ্ছে কারোর সে বিষয়ে অভিযোগ নেই। অন্যদিকে ঘরের মেয়েটি খুব ভোরে ওঠে মায়ের সাথে সব কাজ অবলীলায় করে যাচ্ছে। একইভাবে স্বামী যখন বাইরের দায়
ইফতার আয়োজন ও উপজেলা এম্বাসেডরদের নতুন দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
আজকের মিটআপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামী ১৪ ইং জানুয়ারি মহা সম্মেলন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ফেনী মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজকে বিকালে আমার মেধা বিকাশ একাডেমির সামনে ৩ টি গাছ লাগিয়েছি। পাশে যে গাছগুলো দেখেছেন দাড়িয়ে আছে সেই গাছগুলো আমরা লাগিয়েছিলাম ২য় ব্যচের সমাপনী দিন উপলক্ষে।
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া। সেই আনন্দের রেশ বজায় রেখেই সম্পন্ন হলো, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ফরিদপুর জেলার "ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
তুমি মনে মনে ভেবেছ দেখেই তো আমি আসলাম।এই হলো ভাবীর প্রতি ননদের টান। আমিঃ কি জামাই বাবু?ভালোই পাম দেওয়া শিখিয়েছেন আমার ননদকে দেখছি। জামাইঃকি যে বলেন ভাবী আমার শিখানো লাগে? ননদঃআচ্ছা ভাবী তোমার ড্রেস
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
আমার শৈশব ছিল বাঁধাহীন দুরন্তপনার অপুর্ব এক মুহুর্ত। বয়সের ভারে এখন যখন প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তখন মনে পড়ে আমার প্রিয় সেই শৈশবের কথা। বার বার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে প্রিয় সেই শৈশবে। কিন্তু যে সময় চ
প্রথম বার রক্তদান করার সময় মা জানতে পেরেছিলেন তখন তিনি অনেক দুশ্চিন্তা করছিলেন সাথে বাবা।
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার আমাকে হতেই হবে সেটা যেভাবেই হোক,দায়িত্বশীলদের পরামর্শ নিয়ে লিখতে শুরু করলাম আমার জীবনের গল্প প্রায় ১৫ দিন পর লেখা সমাপ্তি করে একদিন পোস্ট করলাম।
এটাই আমার জীবন চলার পথে প্রথম সাহস, প্রথম আত্মবিশ্বাস যেটা আমাকে প্রতিদিন রিমাইন্ড করে! আর তাই তো কখনই যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতেও ভীত নয় কারণ আমি জানি আমার ভালো হবে, ইনশাআল্লাহ! 2003 সালে এসএসসি পরীক্
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
আমরা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে যদি দেখি খুব কঠোর অথবা কঠিন তখন সেই নিয়মটাকে ইগনোর করি , যার কারণে কখনো ওই নিয়ম বা অভ্যাস আমাদের মধ্য গড়ে উঠেনা। যেমনটি ঘটেছিলো আমার সাথে, আমি অনেকবার এই প্রাকটিস
আগস্টের 3 তারিখ সকালেই শুনলাম বাবার শরীরটা একটু খারাপ। হালকা জ্বর। সারারাত ঘুমাতে পারেনি বাবা। তাই সবাই মিলে ডিসিশন নিলাম তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করব। এরইমধ্যে যেখানে জাকে পেয়েছে পরিচিত সবাইকে বলেছি।
ভাবছি আর ভাবছি । জীবনকে ভালো রাখার জন্য বারং বার চেষ্টা । পরিবারটা যৌথ ছিল । আমার বাবা চাচারা ফুফুরা মিলে ৯ জন । আমার বাবা দ্বিতীয় সন্তান । গ্রামের হাতুরে ডাক্তার । আমার দাদু ছিলেন একজন স্বর্ণক
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
১০ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলায় হয় অফলাইন মিট আপ।একজন জেলা এম্বাসেডর হিসেবে অফলাইন মিট আপের অনেক কাজ ছিলো।মিট আপের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রেখি পণ্য প্রদর্শনী। সব উদ্যোক্তাকে পণ্য নিতে বলেছি।.
আলহামদুলিল্লাহ কাল রক্ত দান করলাম ৭ম ব্যাচের সমাপনী উপলক্ষে,,, Iqbal Bahar Zahid স্যারের কাছ থেকে শেখা, মানুষের জন্য কাজ করা।অনেক ভালো লাগে মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে।
একটি বৃদ্ধাশ্রমে নিজ জন্মদিনে কিছু সময় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
প্লাটফর্ম প্রতিটি সেশন থেকে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম স্যারের সেশন গুলো একটা মানুষের জীবনের মোর ঘুরিয়ে দিতে পারে, আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ চাই শুধু লেগে থাকা :যা বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বাস্তবতা বড়ই কঠিন সেটা আমি হারে হারে টের পেয়েছি।
সুতরাং তাড়াহুড়ার দরকার নেই।জীবনে ভালো থাকার জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সততা একটুখানি, বিশ্বাস একটু পরিশ্রম মনের অফুরন্ত জোর।।শ্রম মানুষকে কখনোই ঠকায় না।
আরেক দুঃসাহসী তরুণ শফিউর সাইকেলে করে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন। হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হয় তাঁকে। কিন্তু সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি। শফিউরের মেয়ে শাহনাজের
আমী ঘরের গৃহীনি যখন হলাম ধীরে ধীরে শুনতে শুরু করলাম আমার কোন গুনই নাই 😭যা আমাকে এতো কষ্ট দিতো অথচো এই আমি নিজে একটা বিশাল প্রজেক্টে কাজ করেছি সেখান থেকে যা অর্জন করেছি তা আমার জীবনের চলার পথে সাহায্
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল রোজ শুক্রবার কেরানিগঞ্জ জোনের চা আড্ডা ও প্রবাসী বাংলাদেশের অক্সিজেন Din Islam ভাইকে বরন ও অফলাইন মিট আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কলেজটি ১৯৭২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, ১৯৭৩ সালে বি.এ(পাস) কোর্স ও ১৯৯২ সালে স্নাতক শ্রেনী খোলা হয়। ১ জুন ১৯৮৮ তারিখে কলেজটিকে প্রথম এমপিওভুক্ত করা হয়। পটুয়াখালী জেলার প্রতিটি
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টীমের অফলাইন মিট-আপ। উদ্যোক্তা সম্মাননা অনুষ্ঠান
সেশন গুলো পড়তে ও বুঝতে আমার এতোটাই ভালো লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এটা যেন আমার লালিত স্বপ্ন অনুযায়ী চমৎকার ও অসাধারণ ভাবে সাজানো হয়েছে। ঠিক আমি যেমনটি চাই এই সেশন গুলো আমার স্বপ্ন দিয়ে যেন একটা একটা করে বো
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিখেছি অনেক কিছু পেয়েছি অনেক ভালোবাসা। এই প্রাণের প্লাটফর্মে নিজের সর্বস্ব দিয়ে আরো শিখতে চাই নিজেকে এবং আমার চারপাশের মানুষদের ভালোবেসে এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর।
আমার ছোট বেলা থেকেই একটি স্বপ্ন যে আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্নধার হব। সেখান থেকেই আমার চাওয়া-পাওয়া পূরন করব ইনশাআল্লাহ। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে য
আমরা সব সময় কোন কিছু করতে যাওয়ার আগেই সফলতা নিয়ে চিন্তা করি।আচ্ছা বলুনত আমাদের স্যার ইকবাল বাহার যেদীন থেকে তার কম্পানি শুরু করেছিলেন সেদীন থেকেই কি সফলতা পেয়েছেন? উত্তর : না। আমাদের সবারই যানা আছে স
টিকেট এর আনন্দ মানেই টিকেট মেলা তারই প্রতিচ্ছবি হিসাবে আজকের কিছু সুন্দর মুহূর্ত| আপনাদের হাতে টিকেট পৌছে দিত্ব প্রতিটি জেলায় টিকেট মেলা হচ্ছে..
সাথী বলতে লাগল জানিস আমার তো মোংলাতে বিয়ে হয়েছে ওখানে লবন পানি তখন আমার অনেক চুল ঝরতে শুরু করে আমার এত লম্বা চুল সব ঝরে পড়ে যাচ্ছে আমি পাগলের মত হয়ে এই তেল ঐ তেল ব্যবহার শুরু করি কিন্তু কিছুতেই কিছু
আমাদের ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে কোর ভলান্টিয়ার, জেলা এম্বাসেডর, মডারেটরদের সাথে নিয়ে ২১ তারিখে তিনদিন ব্যাপি মেলার উদ্বোধন করবেন আমাদের ডিসি স্যার।
আসোলে ভালোবাসা এমন একটা ব্যাপার যার কোনো কারন থাকে না এটা ভিতর থেকেই হয়ে যায়,, অনেকেই ভাবতে পারে ভালোবাসা প্রকাশ করলেই তা লৌকিকতা,, বাস্তবিক ভাবে তা নয় সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এসব মন থেকেই আসে আর এ
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; আমি ক্লান্ত প্রাণ
প্রযুক্তির কল্যাণকর অগ্রযাত্রার এ সময়ে মানুষ ঘরে বসে উপভোগ করছেন নাগরিক সব সেবা। করোনাকালীন এ প্রবণতা আরও বেড়েছে। প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলেই ঘরে বসে যে কোনো কোর্স করে
জীবন মানেই আমি মনে করি লড়াই বা প্রতিযোগীয় টিকে থাকা, এই গ্রুপে এড হয়ে যেটা আমি হেটে হেটে কিংবা সিড়ি দিয়ে আগাইতাম সেটা এখন স্যারের সেশান গুলোর কারনে লিফটে করে আগাইবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাসী আমি সাহস
আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাব এবং আমি যে উদ্দেগ গ্রহন করেছি সেটাকে আরো বড় করার পরিকল্পনা
দিন যাচ্ছে আমার স্বপ্নগুলো আমার চোখের সামনে শেষ হয়ে যাচ্ছে।অনেক স্বপ্ন নিয়ে অনেক আশা নিয়ে সুইজারল্যান্ড খ্যাত লেবাননে এসেছিলাম। দেশে থেকে ভেবেছিলাম লেবাননের অনেক ডলার কাজ করব আর অনেক ডলার ইনকাম করব
""ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তাদের অফলাইন মিট-আপ"" ****নিজের বলার মতো, একটা গল্প ফাউন্ডেশন****
২০১৭ সালের শেষের দিকে সৌদি আরব ’আলবাহা’ নামক জায়গায় আসি দুচোঁখে পাহাড় সামান স্বপ্ন নিয়ে । আমাকে এনেছিলেন আমার বাবা কিন্তু দূভাগ্যক্রমে আমি আসার আগেই ওনাকে একেবারে বড়িতে চলে যেতে হয়। তখন আমি আসার পর