আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
স্যারের শিক্ষা লালন করে, ৬৪ জেলার ন্যায় পাবনা জেলাতেও স্যারের কিছু প্রিয় শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে গেল, পাবনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালবা
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি।
আমার তিনটা মেয়ে তাদের বয়সে তারা ঈদের আনন্দ কি তা জানে না। বড় মেয়ে ১২ বছর মেজ মেয়ে ৫ বছর ছোট মেয়ে তিন বছর
মিরপুর জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়ক ডাইনামিক লিডার Jahangir Khan দাদাকে বরণ করে নেওয়া হয় । সেই সাথে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২২ তম ব্যাচের নতুন সদস্য।
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
আমার আসে পাশের এবং আমার বন্ধু, আত্নীয় সজ্ন সকলকে এই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সদস্য হওয়ার দাওয়াত দিচ্ছি।
আজকের গল্পের প্রধান চরিত্র হচ্ছেঃআমি,মেহেদী ভাই ও তার স্ত্রী তাহমিনা আপু #আমরা যাকে ছিনি,তার থেকেই কিনিঃ যেহেতু লকডাউনে সব কিছু বন্ধ যার কারনে অনলাইনে হচ্ছে এখন বেচা-কেনার উপযুক্ত মাধ্যম। তাই বাসায়
"হালাল ব্যবসায় যতই ছোট হোক কোনো লজ্জা নয়৷ হারাম ব্যবসা যতই বড হোক সেটি লজ্জার বিষয়৷" আমরা জানি অধিকাংশ নবী রাসুলগন ছাগল ছরিয়েছেন এক কথায় রাখাল ছিলেন৷নবুওয়াত প্রাপ্তীর পূর্বে দীর্ঘ সময় এ কাজে উনাদের সম
অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ৩য় মিটআপ সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। আজ ৪জানুয়ারির মহাসম্মেলনের টিকেট সদস্যদের মধ্যে বিক্রি করা হয়।
তখন আমাদের ও দোকান ভাঙা পড়ে। আর তখন আমাদের জীবন এ খারাপ সময় নেমে আসে।।।এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে। আমার বাবা স্ট্রোক করেন।।।।। আমাদের জমানো কিছু টাকা ছিলো সেই টাকা দিয়েই আমার বাবার চিকিৎসা চলে।।।
আমাকে টেক্সট করার জন্য। ফর্কলিফট অপারেটিং এর কথা কাউকে জিজ্ঞেস করলাম না। কারণ মনে মনে ছিলো কোম্পানির দেয়া আমার পার্সোনাল ড্রাইভারকে দিয়ে কাজটা সেরে নিবো। কোথাও কোনো সর্টিং দরকার হলে আমি নিজে লেগে য
আমি আমার ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি,আমার মনে সর্বদা স্যারের প্রত্যেকটা বাণী ন্যায় একটি বাণী বেশি বিরাজ করে 'চাকরি করবো না চাকরি-দিব' প্রিয় স্যারের এই বাণীটি বুকে ধারণ করে আমি এখন উদ্দ্যােক্তা
আমি এরপর আর মেনে নিতে না পেরে ফেসবুকের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ওনাদের বুঝালাম এবং ছেড়ে দিলাম। শুরু হলো আবারও আমার বিভীষিকাময় দিন। আমার খুব কাছের বন্ধু খুব ভালো ছবি তুলতে পারে, ইচ্ছা বড় ফটোগ্রাফার হওয়ার।
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
চট্টগ্রাম জেলার পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে চট্টগ্রাম জেলার দায়িত্বশীলগন পুষ্প স্থাপক অর্পন করেন।
হঠাৎ এক দিন এক আপু মেসেজ দিলো।সালাম দিয়ে অনেক সুন্দর করে কথা বলল।আমি কাজের চাপে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।ঠিক সময় রিপ্লাই দিতে পারছিলাম না।আপুটা একটু বিরক্ত হলো।কিন্তু আমি তো একটা কাজ নিয়ে বসে নেই। বলল আপু আম
আজ মহান বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি বাংলাদেশকে পেয়েছি। সকল শহীদ মুক্তিযুদ্ধাদের স্মরণে আজ #নিজের_বলার_মতো_একটি_গল্প_ফাউন্ডেশন এর ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পক্ষ থেকে ঝিনাইদ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় রাজবাড়ী জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ইং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর ঢাকার ১১ জোনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো❤️
ম্যগাজিন এর পাতায় আমাদের গ্রুপ কে নিয়ে লিখার সৌভাগ্য হয়েছিল☺❤ যেহেতু এই ম্যগাজিন ২০ হাজার কপি বের হয়েছে তাই আশা করি গ্রুপ সম্পর্কে অনেকে জানতে পারবে।
ফাউন্ডেশন আমাকে নিজের বলার মতো একটি গল্প তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা এই ফাউন্ডেশন আমাকে একজন ভালো মানুষ হওয়ার জন্য প্রতিদিন প্রতিনিয়ত শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে।
বেকার থাকবোনা একদিনও" শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে
সাড়ে ৬ লাখ তরুণকে বিনামূল্যে টানা দুই হাজারতম দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে নজির গড়েছে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। উদ্যোক্তা তৈরির এই কাজটি করে চলেছেন ইকবাল বাহার জাহিদ।
আমার স্কুলের ৩০০ টাকা দিয়ে মা প্রথম একটা বরকি/ ছাগল কিনেন সেই একটা থেকে অনেক ছাগল পালন করতে থাকে আমার মা নিজেই😍🥰মা সেগুলো কে দুইভাগ করতো আমার গুলো বিক্রি করে গরু কিনতো। মা গরু ও ভাগ করে দিতো
আলহামদুলিল্লাহ সিরাজগঞ্জ জেলার মাসিক মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।
নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আমাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আমার পথ আমাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আমাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখ
আপনার জানামতে আপনার জেলার / জোনের কোন সদস্য যদি আপনার ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত না থাকে তাহলে তার প্রোফাইল লিংক সহকারে দ্বায়িত্বদের জানিয়ে তাকে যুক্ত করতে সহযোগিতা করুন। 👉 অনুগ্রহ করে মাসিক মিটআপ অন
ছোটবেলা থেকেই আমি লেখাপড়ার দিকে একটু কম মনোযোগী ছিলাম। তবে আমি খুব ভালো গান করতাম। আর সারাক্ষণ শুধু সাজগোছ নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর ধানমণ্ডি জোন কতৃক আয়োজিত মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধের একটি মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে খারার ও শীতের কম্বল বিতরন করা হল।
রয়্যাল খুলনার প্রতিবেদন খুলনা জেলার পরিচিতিঃ খুলনা হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের দশটি জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর। এটি খুলনা বিভাগের কেন্দ্রীয় শহর। ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরের পরে এটি ব
অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
প্রযুক্তির কল্যাণকর অগ্রযাত্রার এ সময়ে মানুষ ঘরে বসে উপভোগ করছেন নাগরিক সব সেবা। করোনাকালীন এ প্রবণতা আরও বেড়েছে। প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলেই ঘরে বসে যে কোনো কোর্স করে
সত্যিকার অর্থে কিছু অনুভূতির ভাষা প্রকাশ করার মত নয়, কিছু অনুভূতি লিখে শেষ করা যায় না, কিছু মানুষের বিষয়ে লিখেতে গেলে কলমের কালি থাকলেও ভাষা খুজে পাওয়া যায়না
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারী ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে, এবং আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের প্রেমে প
আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে স্যারের অনুপ্রেরণায় নিজেকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেছে নিয়েছি উদ্যোক্তা জীবন। সবাই পাশে থাকবেন দোয়া করবেন।
চাঁদপুর জেলা টিমের চুপিচুপি ঈদের ভালোবাসা বিতরণ
ইসরাত নিপার ২০০ টাকা পুজি দিয়ে কাজ শুরু করে এখন ৫০০০০ টাকা পুজি হয়েছে
কুড়িগ্রাম জেলায় জমকালো আয়োজনে মাসিক মিট আপ
প্রাকৃতিকভাবে ঠাণ্ডা পানি: কাদা-মাটিতে থাকে অণুবীক্ষণিক ছোট ছোট ছিদ্র। ফলে এই কাদা-মাটির তৈরি পাত্রে পানি রাখা হলে বাষ্পীভবন ঘটে। আর এই প্রক্রিয়ায় পানি ঠাণ্ডা হয়। 🌲পরিবেশ বান্ধব: প্লাস্টিকের বোতলের
আমি যেভাবে বলে দিতাম সেই ভাবে করতো আমার থেকো ও দ্রত ।। তখন আমি অনেকগুলু ব্যাগের অর্ডার পেয়েছি ।। আমি অনলাইন সম্পর্কে তেমন বুঝতাম না।। ছোটো ভাইয়া আমাকে আমার নামে একটা পেজ খুলে দিয়েছেন । উনার ইচ্ছা আমার
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মিটআপে গতকাল অংশগ্রহণ করেছিলাম। তারা পাবনা জেলার মধ্যে দ্বিতীয়তে মিটআপ আয়োজন করলো। এবং এটা চাটমোহর উপজেলার প্রথম মিটআপ। অসংখ্য ধন্যবাদ চাটমোহর উপজেলার সকল সদস্যবৃন্দকে ও উপজেল