৩১ অক্টোবর ২০১৯ইং তারিখে Iqbal Bahar Zahid স্যারের আইডি থেকে সর্ব প্রথম "নিজের বলার মতো একটা গল্প" গ্রুপে সম্মেলনের ঘোষনা আসে। ঘোষনাটি ছিলো এমন "আসছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় মিলন মেলা "নিজের বলা
শুভ জন্মদিন। প্রিয় প্লাটফর্ম " নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর আজ ৪র্থ জন্মদিন। আলহামদুলিল্লাহ্। এই দিনটি কে স্বরনীয় করে রাখার জন্য ও তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হয়ে গেলো আমাদের খাগড়াছড়ি অফলাইন
আমি তো অলরেডি পড়া বাদ দিয়েছি। আমি যখন এইচএসসি পাশ করি বাবা আমাকে ওয়াদা অনুযায়ী কম্পিউটার কিনে দিয়েছিলেন। কম্পিউটার কেনার পর থেকেই আমি খুব আগ্রহের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজে খুবদ্রুত এক্সপার্ট হয়ে উ
১০০০ তম দিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জ এর মানিকরাও জমকালো আয়োজন করেছি।এটা আমাদের জন্য স্বরনীয় একটি দিন হয়ে থাকবে।প্রোগ্রামের পাশাপাশি করেছি সামাজিক কিছু কাজ যা মনের দিক দিয়ে শান্তি দিয়েছে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মান
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই। এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করছি। ভাবছি নিজের একটা বিজনেস করবো। পাশাপাশি শেখাটা চালু রয়েছে। কারন স্যার একটি
ধন্যবাদ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা টিমকে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর আসন্ন মহা সম্মেলনের প্রস্তুতি মিটআপ করার জন্যে ।
আমাদের বাড়ির সামনেই একটা ছোট পুকুর (কুয়া বা পুশকুনি) ছিল। কুপের পশ্চিমেই বাড়িতেই মেহমান এসেছিল।আর আমাদের বাড়ি ছিল কুপের পূর্বেই। এই সুযোগেই আমার মেজ চাচী আমার বড় বোনকে বাড়ির সামনের উঠান থেকেই কূপের পা
যখন আমি ক্লাশ শিশু শেষ করার পর ক্লাশ ওয়ানে আসি । 1 বছর শেষ করি তাঁর পর ক্লাশ 2 তে আসছি। তখনো দরিদ্রতা লেগেই আছে পিছনে । কথায় আছে না গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
অত্যন্ত বাজে ভাবে জীবনের মূল্যবান বেশ কয়েকটি দিন এভাবেই চলে যায়। শুরু করলাম ঔষধ ব্যবসা খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে, সেখানেও লেগে থাকার অভ্যাস না থাকার কারণে সফলতা লাভ করতে পারিনি। এরপরে এক আত্মীয়ার পীড
প্রোগ্রাম ১০ তারিখ নারী দিবস এর অফলাইন মিট আপ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ ভাইয়া আপুদের সাথে
দেখতে দেখতে কয়েক বছর কেটে গেল। আমি বিয়ে করে ফেলি। অনেক জায়গায় কাজ করে করে কিছু পুঁজি করেছিলাম। কয়েক বছরের জমানো পুঁজি থেকে ২০১০ সালে ৫-৬ লাখ টাকার উপরে খরচ করে পাখির ফার্ম দেই।
সোনার বাংলা গড়তে একজন সোনার মানুষ চাই, ইকবাল বাহার স্যারের মত দ্বিতীয় কেউ নাই।
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
এর পরে চাকুরি টা ছেরে বেকার হয় পরি৷ তখন আবার পরিবার থেকে পকেট খরচ নিয়ে চলতে হয় তখন নিজে চাহিদা মতো খরচ করতে পারি না৷ তখন নানা ধরনের নেগেটিভ চিন্তা আসে কি আর করার এ রকম করতে করতে আরো একটা বছর অতিবাহিত
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক
আজকে এসেছি লক্ষ্মীপুর জেলার বিখ্যাত পন্য নিয়ে। লক্ষ্মীপুরের বিখ্যাত পন্য শুধু বাংলাদেশে নয়। বরং এর চাহিদা বাইরের দেশ গুলোতেও রয়েছে তাই প্রতি বছর রপ্তানি হচ্ছে লক্ষ্মীপুরের বিখ্যাত পন্য নারিকেল & সুপার
 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসছালামু আলাইকুম প্রথমেই শুকরিয়া জানাই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাকে আজও পর্যন্ত সুন্দর এই ধরনীতে সুস্থ রেখেছেন এবং ভালো মানুষের বিশাল এই প্লাটফর্মের সাথ
ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। যদি কিনা কোন কিছুর সাথে লেগে থাকা যায় এই আত্মবিশ্বাসটা আমার প্রচন্ডভাবে বেড়ে যায়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কিভাবে আমি জয়েন করব।
নিজের_বালার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশনের_পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দেগে_বৃক্ষ_রপোন_কর্মসূচি_২০২১ইং
২৮/১০/২০০৫ সাল রোজ শুক্রবার, আমার জীবনের স্বরনীয় দিন,যেদিন প্রথম প্রবাসের জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিলাম। বাবা-মা আত্নীয় স্বজন থেকে বিদায় নিয়ে (সকাল ৮:৩০ মিনিটে) আকাশে উড়াল দিয়েছিলাম। ঠিক সেদিন থেকে মনে
এই গ্রুপে যুক্ত হওয়ার আগে আমার প্রতিটা দিন ছিল Just ৯ থেকে ৫ টার ছকে বাধা। আর এখন আমি সাহস করে নিজের ভাললাগার কাজ শুরু করে দিয়েছি। এবং আমৃত্যু লেগেও থাকব, দেখি সফলতা কিভাবে না এসে পারে?
শুভ জন্মদিন প্রিয় " নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন "। আলহামদুলিল্লাহ 2022 সাল ছিল আমার জন্য চমৎকার একটি সাল। নিজের উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, ব্র্যান্ডিং , প্রিয় ফাউন্ডেশন-এর অনেক অনেক
টাংগাইল জেলার ভিবিন্ন উপজেলা থেকে আগত সম্মানিত সদস্য সবাইকে উপস্থিত থেকে মিটআপ সফল করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ......
আমি পিঠা বানাই আমার নিজের করা গুড়ি দিয়ে। ধান থেকে চাউল করে সেই চাউল থেকেই গুড়ি করি,,সব চেয়ে বড় কথা এত গুলো প্রসেসিং আমি নিজ দ্বায়িত্বে করি,,অন্য কারো মাধ্যমে ও নয়। আন্টি আমি গুড়িও সেল করি,, আপনার ইচ্ছ
রক্তের জন্য যাবে না কারো প্রাণ, করিব রক্ত দান বাঁচাব প্রান" নিয়মতান্ত্রিক ভাবে রক্ত দান অব্যাহত থাকবে ইনশাঅাল্লাহ্। রক্তের গ্রুপ (o+)
মুক্তির লাল সবুজ উল্লাসে পাজরের বন্ধনগুলো অন্য আলোয় উদ্ভাসিতন মাসের লালিত ক্ষোভের দাবানলেক্ষয় হয়ে যাক মনের সব নীচতা, মৌনতা, হীনতা
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
তারপর দু জনে বেড়িয়ে পড়লো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। সময় মত পৌঁছে গেল সেখানে। 🍂অনুষ্ঠানের সবার নজর পড়লো তাদের ওপড়। সবাই যেন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মেয়েটার ওপড়। সবাই যেন মুগ্ধ হয়ে দেখছে।এত সুন্দর শাড়ী
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা জেলা কর্তৃক অফলাইন মিটআপ | আজ আমরা
ভ্রমণ সবসময় আনন্দ দেয় মাংসের বদ্ধ ঘরে ক্রান্তি আসলে ঘুরতে যাওয়া উচিত মাইন্ড কাজে মন বসে এটা একটা জীবনের
এভাবে এতো কাছ থেকে উনাদের দেখে উপলব্ধি করলাম আল্লাহ কত নিয়ামত দিয়ে আমাদের সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
সবাই বলেছিল আমি বাঁচবো না আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি বাঁচবো না প্রাই বিশ দিন পর আমি চোখ মেলে তাকাই। তখন আমার ছেলে আর আমার মা কথা মনে হয় ডাক্তার তখন বলেছিল না এখন আমি ঠিক। এক মাস ঢাকা হাই কেয়া
আজ আব্বা আমাদের মাঝে নেই!😥 আজ আব্বা ছাড়া আমাদের ২৪ বছর! আব্বা চলে যাওয়ার পর, শিখেছি অনেক বাস্তবতা, দেখেছি অনেক নিষ্ঠুরতা।😶 মানুষকে আল্লাহ অফুরন্ত নিয়ামত দান করেছেন। সেই অসাধারণ সুন্দর নিয়ামতের এক
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
সেই ১ থেকে আজ ৭০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছি অবিরাম! চলছে গাড়ি পাড়ি দিতে নিজের গল্পের দুনিয়ায়! পড়াশুনা, ক্যারিয়ার ,নতুন বিজনেস এবং "বলার মত একটা গল্প গ্রুপ"
মুহুর্তেই শোরগোল পরে গেল!সবার একটাই কথা,আমি জেগে গেছি,আমি জেগে গেছি।তৎক্ষনাৎ দেখি ৩-৪জন ডাঃ দৌড়ে আমার কাছেই আসছে।হ্যা ওরা আমার গাড়িতেই বসে আমার পালস চেক করলো।আমায় বললো কেমন আছি আমি?আমি বললাম ভাল।তখনই
ছেলেটি বার বার টাকা চেয়েই যাচ্ছে। আমি চুপ চাপ বসে রইলাম। কথা বলছিলাম না। ভিক্টোরিয়া মোড়ে ম্যাপ অনুযায়ী আমার নেমে যাওয়ার কথা আমি ভিক্টোরিয়া মোড়ে চলে এসেছি। কিন্তু ড্রাইভার গাড়ি স্লো করছিলো না বার বার
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
যেমন ধরুন আপনারা পাশের একটি লোক অসুবিধা আছে, যেকোনো ধরনের অসুবিধা থাকতে পারে, কিন্তু আপনার সামর্থ থাকা সত্বেও তা দেখেও না দেখার ভান করলেন মানে এড়িয়ে চললেন, তাহলে তখনই আপনার বিবেককে আপনি প্রশ্ন করুন
প্রিম্যাচ্যুর বেবি হওয়ায় আমি অবার ভেংগে পড়ি। ছাড়তে হয় চাকুরী। ভেংগে পড়ি আর সাহস দেয় মা। শুরু করি অনলাইন ব্যাবসা। লস। আবার মা আমকে সাহস দেয়।
বিশেষ ধন্যবাদ দেলদুয়ার বাসীর প্রতি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় দেলদুয়ার উপজেলা প্রতিনিধি Mominul Islam Sarkar ভাই ও Md Mubarak Hossain ভাই।
আমরা পরিবার থেকে কেউ আসার আগেই, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ভাইয়েরা ছুটে এসেছে।
ভোলা জেলা হয়ে গেল স্বপ্নবাজ ভালো মানুষের মিলন মেলা,
রাজবাড়ী জেলায় সম্পন্ন করলাম ত্রান বিতরনের কাজ কতিপয় সদস্য ভাই ও বোন মিলে,আপনারা যারা সহযোগিতায় ছিলেন তাদেরকে জানাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও গভীর ভালোবাসা।