আউফল পৌরসভা এবং পৌরসভার বাহিরে মোট দশটি মাদ্রাসা এবং কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
কাজ শুরু করছি এবং জমানোর অভ্যাস তো আছেই ঘুরে দাড়ানোর প্রবল আগ্রহ আর বড় হওয়ার স্বপ্ন এবার অনেক জেদি হয়ে গেছি।।।।
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
জীবনের প্রকৃত অর্থেই একজন মেন্টর, পথপ্রদর্শক। আমি আজ আপনাদের সেই মানুষটার গল্প শোনাতে আসি নি যে মানুষটি ডিপ্রেশনে ভুগে জীবনের একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বরং সেই মানুষটির এই তথাকথিত সম
আমি আর সহেল একই দোকানে কর্মরত আছি। আমার উপর সহেল একটু বিরক্তবোধ করতো সবসময়, কারন প্লাটফর্মে সময় দেওয়া থেকে শুরু করে অনলাইন মিটআপের এটেন্ড করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে রেজিষ্ট্রেশন টিমেও কাজ করে যাচ্ছি, কিন্
আমি একজন ভালো ও বিশ্বস্ত বিনয়ী মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং একজন সফল উদ্যোক্তা না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে চাই। কখনো ভাবিনি নিজেকে উদ্যোক্তা কিংবা বিজনেসম্যান হতে হবে,
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন ১ম ব্যাচ থেকে যাত্রা শুরু করেন। আমাদের মাঝে রয়েছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রদ্ধেয় সানজানা শাহজাহান আমাদের প্রিয় গুলশান
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
#বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম #কৃতজ্ঞতা ________ সেই আরশের মালিক মহান আল্লা্হর দরবারে যিনি এই করোনা কালিন সময়েও আমাকে সুস্থ্য ভাবে এবং ভাল অবস্থায় রেখেছেন। #আলহামদুলিল্লাহ্ ___
আমরা তিন ভাই বোন। আমি ছিলাম সবার বড় বাবার চাকরির সুবাদে আমার ছোট বেলা কাটে দেশের বিভিন্ন জায়গায় । ছোটবেলা থেকে আমার পড়াশোনার প্রতি ছিল অনেক আগ্রহ। এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করার পর আমি অনার্সে ভর্তি
আমাকে দিয়েই হবে ,আমিই পারবো ইনশাআল্লাহ এই মন্ত্রটি হৃদয়ে পুঞ্জিভূত করে রাখার কৌশল শিখেছি প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকে। জিতবে ,না হয় শিখবে,হারবে না কখনো -----জীবনে সফলতার জন্য এই অমূল্য বাণী হৃদয়স্থ
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
দুই, এম কে ইসমাইল হুসাইন যখন বিভিন্ন ব্যবসায় লস করে পুঁজি হারিয়ে হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন ঠিক তখনই সন্ধান পান নিজের বলার মতো একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের। এখান থেকে অনুপ্রেরনা পেয়ে শুন্য হাতে এই প্
ফেনী মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজকে বিকালে আমার মেধা বিকাশ একাডেমির সামনে ৩ টি গাছ লাগিয়েছি। পাশে যে গাছগুলো দেখেছেন দাড়িয়ে আছে সেই গাছগুলো আমরা লাগিয়েছিলাম ২য় ব্যচের সমাপনী দিন উপলক্ষে।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
গতকালকের মিটআপ ছিলো মালয়েশিয়া টিমের জন্য খুবই আনান্দের দিন। কারণ দীর্ঘ ২ বছর পরে সবাই সবার সাথে দেখা করা এক টেবিলে বসে লান্স করা, আড্ডা দেওয়া সব কিছু সম্ভব হয়েছে। আমরা বিগত যতগুলো অফলাইন মিটআপ করেছি গ
রাত পোহালেই প্রাচ্যের ভ্যানিস বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন উচ্ছ্বাস, অানন্দ, অাবেগ, ভালবাসার সংমিশ্রণে হৈ হোল্লোরে, নদী পথে নৈশ রনতরীতে রওনা হয়েছে একদল নিবেদিত প্রান। কেউ যাচ্ছে সড়ক পথে কেউ বা আকাশ প
আমি ছোট থেকেই অনেক স্বপ্ন দেখতাম মানুষের সেবা করবো, বিপদে মানুষের পাশে দারাবো আর তাই সুজগ পেলেই চেষ্টা করতাম মানুষের উপকার করতে, আমার কাছে কেউ সাহায্য চাইলে আমি আমার ইচ্ছে মতো চাউল দিয়ে দিতাম, টিফিনে
আমার কর্ম জীবন শুুরু কাতার এর দোহায় আল মুনতাজা নামক যায়গায়। একটি বোরকার দোকান এ সেটাও ছিল আমার আপনা মামার। আসলে পড়াশোনা আমাকে কেও ছেরে দিতে বলেনি কিন্তুু আমার কাছে আমাদের দেশের পড়াশোনার সিস্টেম অতটা প
আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাব এবং আমি যে উদ্দেগ গ্রহন করেছি সেটাকে আরো বড় করার পরিকল্পনা
ওয়ারী জোনের ইফতার বিতরণ খুব সুন্দর ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে। আলহামদুল্লিল্লাহ।আল্লাহ পাক কবুল করুক। আমীন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ।এত সুন্দর এ
ধন্যবাদ জানাচ্ছি Sagar Banik দাদাকে, যিনি অনেক কষ্ট করে ঢাকা থেকে এসেছিলেন আমাদের পাবনা জেলায় আমাদের সঙ্গে মিটাপে যুক্ত হওয়ার জন্য।
নিজেকে বড় করতে হলে চাকুরি দিয়ে হবেনা, ছেলেও কথা বলতে পারেনা, কিছু একটা করতে হবে। চিন্তা শুরু করলাম, কি করা যায়। করোনা শুরু হবার আগে একটি দোকান নিলাম, স্টেশনারি বিজনেস শুরু করলাম। ভালো সেল শুরু হতে না
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
জোনের ইফতার এর পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের মাঝে কিছু খাবার বিতরণ করা হয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে। যা ধানমন্ডি জোন বিগত বছরগুলোতেও করে আসছে।
কাউকে না যানানোর কারন আমার অনেক টাকা দেনা।এজেন্সি থেকে যেই লোকটার বিশা হয়েছিল তার পাঁচ লক্ষ টাকা লাগছে এবং শর্ত ছিল এই টাকার কথা
যার যার এই সুন্দর উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি চমৎকার একটি পরিবার, আর এই পরিবারের বিতরে পেয়েছি আমরা অনেকগুলো ভালো মানুষ,এখানেই শেষ নয় এখানেই পেয়েছি আমরা লক্ষ লক্ষ ভাই বোন, যাদের যাদের পজিটিভিটি মু
ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন কর্মশালার মধ্যে অন্যতম একটি কর্মশালা হচ্ছে লেখার চর্চা করা যার নাম করন করা হয় স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে নামে। স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে কি? উ:- প্রতিদিনের লেখা যে স্ট্যাটাস আকারে আমরা
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
আজ প্রথম বার জাগো নরসিংদী জেলা নারী টিম শুধু নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজন করেছিল "নেটওয়ার্কিং এবং নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন" বিষয়ক আলোচনা আড্ডা।
আপনার জানামতে আপনার জেলার / জোনের কোন সদস্য যদি আপনার ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত না থাকে তাহলে তার প্রোফাইল লিংক সহকারে দ্বায়িত্বদের জানিয়ে তাকে যুক্ত করতে সহযোগিতা করুন। 👉 অনুগ্রহ করে মাসিক মিটআপ অন
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
আসোলে ভালোবাসা এমন একটা ব্যাপার যার কোনো কারন থাকে না এটা ভিতর থেকেই হয়ে যায়,, অনেকেই ভাবতে পারে ভালোবাসা প্রকাশ করলেই তা লৌকিকতা,, বাস্তবিক ভাবে তা নয় সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এসব মন থেকেই আসে আর এ
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনা মূল্যে ২০০০তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে
প্রশ্নটা শুনে কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। আসলে চট করে কোন কিছুকে সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া যায় না। বা উচিত ও না। অনেক টা ধীরস্থির হয়ে বসলাম সদ্য কিশোরে পা দেওয়া দূরন্ত মেয়েটার সামনে। তার চোখে মুখে কৌতুহল উপচে প
অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলা অফলাইন মিটআপ
কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ কবুল করুন 🤲 বছরের শুরুর দিনগুলো স্মরণীয় করে রাখতে পটুয়াখালী জেলা টিমের মানবিক কাজ শুরু করেছে, জয় হোক মানবতার
আগামী "১৪ই জানুয়ারি" আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর ৫ম মহাসম্মেলন উপলক্ষে আজকে চট্টগ্রাম কর্ণফুলী জোনের উদ্যোগে টিকিট বিক্রয় উৎসব ও মহাসম্মেলন প্রস্তুতিমূলক মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হলো |
প্লাটফর্ম প্রতিটি সেশন থেকে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম স্যারের সেশন গুলো একটা মানুষের জীবনের মোর ঘুরিয়ে দিতে পারে, আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ চাই শুধু লেগে থাকা :যা বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সুখ নাকি বেশি দিন স্থায়ী হয় না,এমন টা মুরুব্বীরা বলেন,2013 তে আমার কোল জুড়ে আসলো আমার রাজকন্যা,তার পৃথিবীতে আগমনের পর আমার এত ভাল জব ছেড়ে দিলাম ,আমার মনে হয়েছিল মেয়েকে দেখাশোনা করা আমার দায়িত্ব
কেউ কেউ সময়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে,তারা হার শিকার করে নিয়েছে তারা বলছে আমাদের দ্বারা কিছু হবে না,আমাদের সন্তানরা হয়তো যদি কিছু করতে পারে।কিন্তুু কিছু লোক আছে যারা কখনই হার মেনে নেয় না, তারা বলে আমাকে
আজ আমরা গিয়েছিলাম বাঘা উপজেলায়।খুব ভালো সময় কেটেছে।ভাই বোনরা ভাীষণ আন্তরিক। এভাবে সব উপজেলা গুলো এক্টিভ হলে রাজশাহী জেলা খুব দ্রুত এগিয়ে যাবে