নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৪র্থ বর্ষে পদার্পন ও বিনামুল্যে ৫ লাখ তরুণ তরুণীকে উদ্দ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান উপলক্ষে মহাসম্মেলন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগ
I must say that, i will win definitely. আমি কোন ব্যর্থতার জীবনে বসবাস করতে আগ্রহী নই।একটা হাসিখুশি প্রানোচ্ছল জীবন থাকবে আমার।যেখানে থাকবে ছোট একটা সফলতার গল্প।
আমি ছোট থেকেই অনেক স্বপ্ন দেখতাম মানুষের সেবা করবো, বিপদে মানুষের পাশে দারাবো আর তাই সুজগ পেলেই চেষ্টা করতাম মানুষের উপকার করতে, আমার কাছে কেউ সাহায্য চাইলে আমি আমার ইচ্ছে মতো চাউল দিয়ে দিতাম, টিফিনে
আমার স্কুলের ৩০০ টাকা দিয়ে মা প্রথম একটা বরকি/ ছাগল কিনেন সেই একটা থেকে অনেক ছাগল পালন করতে থাকে আমার মা নিজেই😍🥰মা সেগুলো কে দুইভাগ করতো আমার গুলো বিক্রি করে গরু কিনতো। মা গরু ও ভাগ করে দিতো
গতকাল,, ১৪ই জুলাই ২০২৩ ইং প্রিয় প্ল্যাটফর্ম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর টানা ২০০০তম দিন বিরতিহীন শিক্ষা চর্চার প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলো।
মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে অদম্য টাংগাইল জেলার ব্লাড মেনেজমেন্ট টিম এর স্বেচ্ছাসেবক সদস্য সাদিয়া মিম আপু (A+) ১ম বারের মতো সিজার রোগীকে রক্তদান করলেন রক্তদাতার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও ভা
উক্ত মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলো যশোর জেলার বিসিকের এজিএম গোলাম হাফিজ স্যার। এছাড়াও জানুয়ারি ১৫ তারিখে আসন্ন ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনে করনীয় বিষয়, টিকিট বিক্রি
★মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে সুখী হওয়া যায় না। মা-বাবার দোয়া সবচেয়ে বড় রহমত ও বরকত। ★জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সা
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
বাবা মারা যাওয়ার পর মোটামুটি বছরখানেক চলছিল ভালই অভাবের সংসার আমার আম্মু একা সামাল দিতে পারছিল না। পরে বাধ্য হয়ে ছোট বোন কে আমার চাচার কাছে দেয়, আমাকে আমার ফুফুর কাছে পাঠিয়ে দেয় ঝিনাইদহ সেখান থেকে
আমার জীবনের এখন একটাই লখ্য,প্রিয় স্যারের এই প্লাটফর্ম থেকে নিজেকে একজন সফল উদ্দোগতা ও একজন ভালো মানুষ হিসাবে তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।
আমাদের এই মহত উদ্যোগেক কে স্বাগত জানিয়ে সাথে সার্বিক সহযোগিতা করেন স্থানিয় একটি যুব সংঘ," আদর্শ যুব পরিষদ " আদর্শ যুব পরিষদ এর প্রায় চল্লিশ জন সদস্য
কিভাবে যেতে হবে তাও জানি না, একা একা এতো দূরের রাস্তা কখনো যাওয়া হয়নি । কি- ভাবে যাবো টেনশন হচ্ছে ?
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
প্রবাস জীবন কতটা কষ্টের দেশে অবস্থান করে সেটা বুঝার মতো ক্যাপাসিটি কারো নেই। প্রবাস জীবনের কষ্টটা উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
কিছুদিন পর তুষ্টি প্রডাক্ট গুলো হাতে পেয়ে খুবই খুশি কেননা পেইজে যেমনটা বলেছেন কাজেও তেমনটি পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। তুষ্টি এইবার পেইজে নক দিয়ে আপুকে ধন্যবাদ জানালেন সাথে এইটআ বললেন বিয়ের সব কেনাকাটা জা
এই সব চিন্তা করতে করতেই সময় পার করে দিতাম.. গ্রুপে তখন নতুন থাকায় তেমন কিছুই বুঝতাম না, মাথার মধ্যে সব সময় কাজ করতো কিভাবে বেশি বেশি লিখার অভ্যাস করা যায়, এটা চিন্তা ভাবনা করতে করতেই আস্তে আস্তে পোস্
ওয়ারী জোনের ইফতার বিতরণ খুব সুন্দর ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে। আলহামদুল্লিল্লাহ।আল্লাহ পাক কবুল করুক। আমীন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ।এত সুন্দর এ
আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।মধ্যবিত্ত পরিবারে আমাদের স্বপ্ন বেশি ।সাধারণত আমাদের কোনো সমস্যা না হলেও যখন আমরা কোনো কাজে হাত দেই তখনই আমাদের সমস্যা হয়। এটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েরাই ভালো
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
উক্ত মিট আপকে সফল করতে গাজীপুর জেলার সকল জোনের সকল সম্মানিত সদস্য উদ্দ্যোক্তা ও ভলেন্টিয়ারগনের স্ববান্ধন উপস্থিতি কামনা করছি।
সময় ও পরিবেশ অনুযায়ী অঞ্চল ভেদে সেখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর গবেষণা করে ব্যবসা করতে পারলে ব্যাবসায়ের সফলতা নিশ্চিত
আসসালামু আলাইকুম। সদর উপজেলা নারায়ণগঞ্জ, মহাসম্মেলন টিকেট ম্যানেজম্যান্ট টিম কাজ করে যাচ্ছে সদর উপজেলায়। আমাদের সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার @Md Zaman ভাইয়ের নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় এবং লাইভ সাপো
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে আমি খুব ভালোই ছিলাম। নানা, নানী, আন্টি, মামা সবাই আমাকে ছোট বেলা থেকেই অনেক আদর করতো। উনারা আমার পড়ার সকল খরচ বহন করতেন। সেখানেই থেকে খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা শুরু করি। উদ্দেশ্য একট
কিন্তু আমার মা বুঝাতে চাইতেন টাকা খরচ করতে হলে কষ্ট করে রোজগার করতে হয়। এমন কত দিন হয়েছে আমি সবজি নিয়ে বাজারে গিয়েছি কিন্তু একটা সবজি ও বিক্রি করতে পারি নাই,😍 তখন থেকে আমার বোধগম্য হয়েছে যে টাকা রোজগ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে ২০ তম ব্যাচ থেকে নিয়মিত সেশন চর্চা করে যাচ্ছি। আপনারা সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে চাই। তৈরি করতে চাই নিজের বলার মত
এভাবে কেটে যাচ্ছিল আমার প্রবাস জীবন হঠাৎ একদিন আমি ভাবলাম দশটি বছর কাটিয়ে দিলাম কি পেলাম কি হারালাম কি দিলাম কিনিলাম তা বুঝতে না বুঝতেই কেটে গেল আমার জীবন থেকে দশটি বছর মনের বিতর হতাশা কাজ করছিল সব
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
এরপর শুরু হলো নতুন পথ চলা কমিউনিটি ভলান্টিয়ার মানেই আমাদের স্যার বলেন গ্রুপের প্রাণ এবং কমিউনিটি ভলেন্টিয়ারদের স্যার মাঝমাঠের খেলোয়ার বলেও আখ্যায়িত করেন। ভলেন্টিয়ারীকাজ করতে বরাবরই আমার খুবই ভা
বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে প্রথম উদ্যোগের কাচামাল ও মেশিন দেশে ফেলে চলে আসি আবার সৌদি প্রবাসে।
নিজের বলার মতো একটা গল্পের" নীলফামারী জেলার ঈদ পুণর্মিলনীর কিছু ছবি ও কার্যক্রম। এখানে পরিচিতি পর্ব শেষে আমরা উদ্যোক্তাদের প্রমোট করেছি,উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আলোচনা
বিষয় টি হচ্ছে, আমার একজন খুব কাছের পরিচিত মানুষ। তিনি একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত আছেন,প্রতিমাসে ৪৫,০০০/- টাকা সেলারি পান,কিন্তু কোম্পানি টানা ৩ মাস সকল স্টাফদের বেতন আটকে রাখছে, ত
আলহামদুলিল্লাহ, ৪১( + )টি টিকিট সেল আজকে ওয়ারী জোন কতৃত আয়োজিত মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি ও টিকিট সেল উৎসব থেকে।
আমরা সবাই স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে সবাই ভালোবাসে।কারও স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া,কার ও স্বপ্ন খুব সামান্য। ছোট হোক বা বড় সে তো কেবলি স্বপ্ন। স্বপ্ন ছাড়া বাঁচা যায় না কখনো? সবাই চায় পৃথিবীতে একদিন সবাই ত
জীবনের গল্প সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা পূর্ণতা অফুরন্ত সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়েই আমাদের জীবনকে মহান আল্লাহ-তাআলা প্রতিটা
ডিউটি শেষ করে বের হলাম অনেক দিন পরে এক বদ্ধর সাথে দেখা হলো কথা হলো কুশল বিনিময় শেষে যখন আমি চলে আসবো তখন। বন্ধু ঃ চলো আজকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চমৎকার একটি ক্রিকেট ম্যাচ আছে দুজনে মিলে দেখবো আমি ঃনা ত
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর পরামর্শদাতা,যনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
আলহামদুলিল্লাহ নিজের ১২ তম রক্তদান পূর্ণ করলাম
আমি আজকে নিয়ে (০৪)বার রক্ত দান করলাম। ""নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"" এর ব্লাড ডোনেশান এবং ম্যানেজমেন্ট টীম এর একজন সদস্য হিসেবে গর্ববোধ করছি।
ভোর রাতে ওঠে ফ্রেশ হয়ে বাবা,মা আর আমার ১বছরের ছেলের কপালে চুম্মন করে দোয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরলাম..... >>ভোর রাতেই হাইওয়ের পাশে থাকতে হবে আমায় টাংগাইল শহর থেকে ভোর ৫টায় আমাদের মাইক্রো ঢাকার .....
রমজান উপলক্ষে আমরা মানবিক নেত্রকোনা জেলা সবাই "মানবতার ঝুড়ি" তে ১০০ টাকার পণ্য (আধা কেজি করে চাল, ডাল, সব্জি) পণ্য দিবো ইনশাল্লাহ - সারা দেশের সব জেলা উপজেলা ও প্রবাস থেকে সবাই, "ভালোবাসা বিলাই"।
সময় ২০০৮ইং আমি ইরাক থেকে দেশে আসছি মাত্র ১বছর হলো কি করবো-কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না হঠাৎ একজন আমাকে বুদ্ধি দিল শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নসিমনের ব্যবসা করার জন্য আমি ও আগে পিছে না ভেবে হ্যা বলে দিলাম।তখন নস
যেখানেই যাই সেখানেই সুযেগ পেলে তুলে ধরার চেষ্টা করি আমার প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে। এভাবেই একদিন বিশ্বের দরবারে পোক্ত জায়গা করে নিবে আমাদের সবার প্রিয় " নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন।
যার অক্লান্ত শ্রম ও চেষ্টার ফলে আমরা একেকজন ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি হচ্ছি এবং উদ্যোক্তা বিষয়ক যত শিক্ষা তার নিখুত ধারনা পাচ্ছি। আমি মনে করি স্যার না থাকলে আমরা হয়তো এই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতাম
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
আজকের টাঙ্গাইল জেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এবং চমৎকার একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত হয়েছে।
অনেক দেরিতে হলেও আজ আমি সকল জড়তা কাটিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম নিজের পরিচয় দিতে। আমি একজন খাদ্য প্রকৌশলী।বাবুরহাট বাজারের পাশে বাড়ী হওয়ায় ছোট থেকেই সু্প্ত বাসনা ছিল কাপড় ব্যাবসায়ী হব। কারন আমার সাথের ছোট
বড় আর ছোটোর গোলকধাঁয় বাবা মায়ের স্নেহ ভালোবাসার আড়ালে পড়ে রয় তাদের মেজ সন্তান। শান্তর জীবনেও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি,শান্ত পরিবারের মেজ সন্তান আমার লেখা শান্ত কে নিয়ে। অত্যান্ত ডানপিঠে শান্তর চঞ্চলতায়
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে