আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
কষ্টের কাজ হঠাৎ একদিন বালু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় ছোট গাড়ি সৌদি আরবে যাকে আরাবী বলে এক চাকার এত লোক ছিল আমি কন্ট্রোল করতে না পারার কারণে আমার পায়ের উপর পড়ে যায় এবং অনেক ফুলে যায
রাজবাড়ী জেলায় সম্পন্ন করলাম ত্রান বিতরনের কাজ কতিপয় সদস্য ভাই ও বোন মিলে,আপনারা যারা সহযোগিতায় ছিলেন তাদেরকে জানাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও গভীর ভালোবাসা।
২৬/১২/২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম , খুলনা নতুন ও পুরনো রেল স্টেশন লঞ্চঘাট কদমতলা এলাকায় ,নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা টিম।
May 20, 2019 · নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কার্যক্রম খুলনা জেলা কতৃক আয়োজিত এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার এবং রাতের খাবারের আয়োজন।
গত ৪ জানুয়ারি ২০২০ এ 'নিজের বলার মত একটা গল্প' প্লাটফর্মের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনার সূচনা হয়। একটা অনলাইন প্লাটফর্মকে কেন্দ্র করে এমন বিশাল এক মহাসম্মেলন বিশ্বের ইতিহ
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের বরিশাল জেলার অফলাইন মিটআপ সকলের উপস্থিতিতে খুব সুন্দরভাবে ও সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে,,
এ সময় আমার সাথে ছিলেন মানবিক কুষ্টিয়া জেলা এম্বাসেডর Waraqua Binta Wali ম্যাডাম। ভেড়ামারা উপজেলা আ্যম্বাসেডর Md Hazrat Ali , আরো ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও আজীবন সদস্য Masud Mortuza M
নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আমাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আমার পথ আমাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আমাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখ
জীবন মানেই আমি মনে করি লড়াই বা প্রতিযোগীয় টিকে থাকা, এই গ্রুপে এড হয়ে যেটা আমি হেটে হেটে কিংবা সিড়ি দিয়ে আগাইতাম সেটা এখন স্যারের সেশান গুলোর কারনে লিফটে করে আগাইবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাসী আমি সাহস
দীর্ঘ ৯ বছর টানা প্রবাস জীবন শেষে এবার দেশে ছুটিতে যাওয়ার পালা বাবা বারবার তাগিদ দিচ্ছিলেন তুমি দেশে আসবে কবে আমার শরীরটা ভাল না তুমি একটু আসো তোমাকে দেখতে মন চাচ্ছে ৩-৬-২০১৫ সালে চলে গেলাম বাংলা মায
এর পর থেকে শুরু হল আমার বেচেঁ থাকার লড়াই। ফিরে এসে শুরু করলাম একটা সিমেন্টের দোকানের ম্যানেজারি। সেখান থেকে মূলধন জোগার করে কিনেছিলাম একটা পুরোনো অটোরিক্সা দেড় বছর চালিয়ে বেশ ভালই ছিলাম মা-বাবার সাথে।
আমি এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বাবার বন্ধু আমার বাবাকে প্রস্তাব দেয় তার ছেলেকে দিয়ে আমার বিয়ের কথা বলে । তবে আমার বাবা রাজি হয় না । অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিবে না বলে কিন্তু আমার মা তাদের কথাতে রাজি হয়
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
প্রবাসে মায়ের মতো এমনি করে কেউ বলে না। খাবার না খেলে ও এমনি করে কেউ ডেকে খাওয়ায় না। একটু ব্যাথা পেলে ও মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় না। প্রবাসে এসে মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে অনেক দুরে চলে গেছি। দেশ
নিজে রক্তদান করি অন্যকে রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করি, আপনার রক্তের উছিলায় মহান আল্লাহ বাচিয়ে রাখতে পারে একটি প্রাণ
" মানুষ মানুষের জন্য কিন্তু আমরা সকলের জন্য
সে আমাদের সবার আগে ভালো মানুষ হওয়ার পরামর্শ দেন কারন শুধু মাএ ভালো মানুষের পক্ষেই সম্ভব মানুষকে মানুষের মত গুরুত্ব দেওয়ার, সম্মানী কে সম্মান করা, মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা, শুধু দুহাত ভর
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
আমার আবেগ, ভালবাসা মাখানো লেখা গুলি মধ্য থেকে সকলের ভালবাসা ও জাজ দের জাজমেন্ট এ.. শত শত ভাল ভাল লেখার সাথে....... স্টেটাস অব দ্যা ডে তে যাইগা দিয়ে আমার এই লেখাগুলিকে ধন্য করেছে...... পর পর১২ বার আম
ধীরে ধীরে বদলে যাই। করোনার থাবায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারাবার পরও স্যারের শিক্ষায় ভেঙ্গে পরিনি। দ্বিগুন উৎসাহে বাকী দুটোকে নিয়ে কাজ শুরু করি। চরম সময়েও পার্টনারশীপ সে দুটো প্রতিষ্ঠান সহ নিজের কর্
🌹🌹২০১০ সালে আমি চট্টগ্রাম আসি আমার বড় বোনের কাছে।এর মধ্যে আমার বড় দুই ও আমার ছোট বোনের বিয়ে হয়ে যায়। এখানে চট্টগ্রাম সিটি কলেজে বি এ ভর্তি হই এবং দুইটা টিউশনি করি।এরপর ২০১২ সালে বাবা গাছ থেকে পড়ে
আলহামদুলিল্লাহ সম্পুর্ণ হল।আজকের মিটাপ
আপনাদের কারও যদি আয়কর রিটার্ন সম্পর্কিত কোনো ঝামেলা হয় অথবা তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
অনেক বাবা মা আছে ৩ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ডায়পার পরিয়ে রাখেন।রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য এই কাজ টা করেন।কিন্তু আগে কার মা রা বাচ্চা দের শুধু কাঁথা দিলে পালতেন।তখন বাচ্চাদের এতো সমস্যা ছিল না।
অনেক সময় আমাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় files গুলোও হারিয়ে যায়। কিন্তু যদি আমরা গুগোল ড্রাইভে রাখি তাহলে ফাইল মিসিং হওয়ার আশংকা থাকে না। **পাশাপাশি এই ফাইলগুলো আপনি লিংকের মাধ
খুব মনখারাপ করে হোস্টেলে ফিরে অনেক ভাবলাম কিন্তু কিছুতেই ভেবে বুঝে উঠিনি মেয়েরা লবনের মতন মূল্যবান কেমনে হয়? লবণ ও কি একটা জিনিষ তুলনা করার মতন? পরেরদিন পড়তে গেলাম স্যার জিগ্যেস করলো, কি ভেবে পাইছিস
মানবিক কুষ্টিয়া জেলার প্রানবন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
ভালো মানুষের পরিবার, কিছু সাদা মনের ভাই, বোন পেয়েছি মিরপুর মডেল জোন থেকে। যারা প্রতি নিয়ত পাসে আছেন সর্ব সময়।
তুই ত জানিস আল আমিন ভাইয়ের কথা। তোর ভাইয়ার খুব ক্লোজ বন্ধু। তার বিজনেস নিয়ে কি যেন ঝামেলা হয়েছে ভ্যাট, ট্যাক্স, চুক্তিপত্র ইত্যাদি নিয়ে। আর আল আমিন ভাইয়ের ঝামেলা যে ও নিজের ঝামেলাই মনে করে সেটা তো
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
একদিন একজন ভালো মানুষ হয়ে একজন ভালো উদ্যোগতা হয়ে ছোট বড় গরিব আসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো সমাজকে পরিবর্তন করে দিবো এবং তাদেরকে দেখিয়ে দিবো আমিও স্বপ্ন দেখতে জানি এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারি
অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন
প্রিয় প্ল্যাটফর্মের জিরো টলারেন্স হল নারীদের অসম্মানের বেপারে
আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশে ছিলো আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চায়, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়, আমার একমাত্র ভায়টাকে কিছু
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমার
যদি কেউ সপ্ন দেখে এবং সেই সপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে য়ায় তবে তিনি একদি না হয় একদিন সফল হবেন--ই।৷ সেক্ষেতে তিনি ধনী কিংবা দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছেন কিনা সেটা কোন বিষয় না। জীবন কা
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
গাছ লাগান পরিবেশ বাচান আমাদের গাছ হলো আম জাম কাঠাল ফল ফলাদি গাছ যাতে করে অক্সিজেন এবং ফল খেতে পারে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের প্রিয় স্যার কে এমন ভাল কাজে শরিক হওয়ার জন্য
কেক কেটে বরণ করা হয় বেগমগঞ্জ উপজেলা এম্বাসেডর মেহেদী হাসান রাফি ভাই কে আলহামদুলিল্লাহ আমি নিজে উপস্থিত হতে পেরে ভালো লাগছে বেগমগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়,
আজ ০৮/১২/২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী সরকারী কলেজে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই তুলে দিলাম অধ্যক্ষ মহোদয়ের হাতে।
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুরু করার ভয়, হতাশা, ডিপ্রেশন এগুলো আমার জীব
আজ আমি বুক ফুলিয়ে বলতে পারছি যে, আমি একজন ভালো মানুষ, আমি আছি এখানে সব ভালো মানুষেরই সাথে, আছি এমন একটা গ্রুপের সাথে যেখানে খারাপ কিংবা নেগেটিভ বলে কিছু নেই এখানে আছে শুধু ভালো ভালো মানুষদের মিলনমেল
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মাসুম আহামেদ উপ পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর,চুয়াডাঙ্গা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সোহেল তামজিদ হিরো।
ভরিয়ে দেয় মন ভাবনার ও উর্ধে কোন অদৃশ্য মায়াজালে অনুভবের এই অনুভূতি নিত্য যথা থাকে না সমান তালে ' ঠিক তাই অনুভবের অনুভূতির পাল্লা যখনই বেশি ভারি হয় তখন অনুভূতি প্রকাশ করাটা বড় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তেম
আসলো জীবন যুদ্ধে আর এক বাঁধা ঃ 🇧🇩যা আমাকে এখনো কাঁদায় হঠাৎ মা ব্রেনস্টোক করলো পরিবারে নেমে আসলো অন্ধকারে ছায়া মায়ের চিকিৎসার খরচ সংসার চালানো সব মিলেয়ে অন্ধকার নেবে আসলো আমাদের জীবনে। আমার পাশাপাশি
একজন নিয়মিত রক্তদাতা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ টিমের সকলের প্রিয় কোর-ভলান্টিয়ার Mohammad Ali ভাই ।আমাদের প্রিয় আলীভাই গতোকাল সন্ধ্যায় একজন মূমূর্ষ রোগীকে AB+ রক্ত দান করেছেন । আল্লাহ্ যেনো উনার রক্তদান কবুল