২০০৬ থেকেই মনে ভিতর একটা স্বপন লালন করছি চাকরি করবো না ব্যাবসা করবো তবে টাকা ছিলো না আরথিক অবস্থা তেমন ভালো ছিলো না বাড়ী থেকে কেউ সাহস দিতো না যদি লস খাই।
আমরা পেইজে প্রচার চালাতে থাকি। ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট করি।কিন্তু এক্টিভিটি কম থাকায় পোস্ট তেমন রিচ হয় না।তাই সেল ও তেমন আসে না।আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল, না দেখে প্রোডাক্ট নেওয়ার কারণে প্রোডাক্টের মান
নিজের ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করতে হবে :- আপনাকে আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়াতে হবে এবং তার জন্যে বেশি করে গ্রুপে পোষ্ট ও ভিডিও পোস্ট করতে হবে এবং স্ট্যাটাস লিখতে হবে, এতে আপনার পরিচিত বাড়বে এবং সেই সাথে
কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার🔴 কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার হওয়া মানে তার লিখার প্রতিভা দেখানো,লিখার মাধ্যমে,গল্পের মাধ্যমে সকলের প্রিয় হয়ে উঠা,আলহামদুলিল্লাহ সেরা লিখার মাধ্যমে পরপর ৩ বার স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হয়েছি।
আসলে একটা মেয়ের জীবনে একটা স্বামী সব হতে পারে না একটা মেয়ে চাইলে স্বাবলম্বী হতে পারে আর আমি সেই স্বাবলম্বী নারী হতে চাই এবং অন্যকেও স্বাবলম্বী করতে চাই জীবনে কত টাকা ইনকাম করতে পারব কি পারব না সেটা
" মা"❣️ ছোট একটি শব্দ তবে এর মাহাত্ম্য অনেক গভীর। দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে সন্তান এর জন্য নিজেকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকেন তবুও সন্তান কে পৃথিবীর আলো থেকে বঞ্চিত করতে চান না। এরকম আত্নত্যআগ শুধু
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
এবার গ্রুপ চেঞ্জ করি এবং এবার চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ডিগ্রীতে ভর্তি হই। কিন্তু আর পারিনি কন্টিনিউ করতে মা, বাচ্চা, সংসার সামলাতে ব্যস্ত আমি ছেড়ে দিলাম সব। খুব মিস করি ভাবি মা সুস্থ থাকলে হয়তো পড়াশোনা
আমার মা বাবাকে দেখতাম তারা না খাইয়ে আমাদেরকে খাওয়াতেন, উপার্জনের প্রধান উপায় ছিল সামান্য একটু জমি আর অন্যের জমি বর্গা চাষ করা, তবে তার লাভ খুব একটা হতো না, প্রত্তেক বছর কয়েক বার বন্নার ফলে বারব
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
দেন একসপ্তা আগের ঘটনা, আমার বন্ধু শফিকের সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের দিই তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। আমার বন্ধু বাড়ি কিশোরগঞ্জ ও থাক তো ঢাকাতে আমিও তখন ঢাকাতে থাকতাম দুজনেই একি কোম্পানিতে জব করতাম।
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
রাঙ্গামাটি জেলায়ও প্রিয় গ্রুপের ১০০০ তম দিন উদযাপন করা হয় , চাকরি করব না চাকরি দেব এই স্লোগান স্মরণ করে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি সেশনের দিকে মনোযোগ
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারী ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে, এবং আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের প্রেমে প
আমরা নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানার কয়েকজন মিলে অবশেষে চুক্তিতে আবদ্ধ হলাম। এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানী থেকে নিজেদের পার্টনারশীপ ফার্ম নিবন্ধন করে নিলাম। স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক পার্টনারশীপ ডিড নিবন্ধন ক
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
তাই আবার ও ব্যার্থ হলাম আমার পুজি কম তাই লেগে থাকতে পারলামনা না আমার সেই শিক্ষা ও ছিল না, পরিবার থেকে অনেক চাপ আসল যে তোমাকে দিয়ে ব্যাবসা হবে না তুমি আগের কাজে যাও,
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
শখ আর স্বপ্ন দূরে সরে যায়, শৃঙ্খলতায় অবরুদ্ধ হয় হৃদয়। কর্মহীন জীবনে যখন ওষ্ঠাগত প্রান, তখন সমস্ত সীমাবদ্ধতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, শৃঙ্খতায় বেড়ি ছিড়ে, সমস্ত কটুক্তিকে মাড়িয়ে বেড়িয়ে আসা এক মারিয়ার ক্ষুদ্র
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
পরিবারের বাবা,মা,ভাই,বোন, আত্মীয়-স্বজন বউ বাচ্চার জন্য। দিনের পর দিন চলে যায় প্রবাসে। তাদের অর্ধেক জীবনটা প্রায় প্রবাসে জীবনে কাটিয়ে দিতে হয় বছর এর পর বছর। পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে টাকা উপার্জন করতে হ
#নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প প্লাটফর্মের নিম্নবিত্তদের মাঝে জরুরী খাদ্যদ্রব্য বিতরণ কর্মসূচি এবং সচেতন মূল লিফলেট ভিতরণ।
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
দুজনেই বিয়ে করে ফেলে কোড মেরিজ আমি জদি সাহায্য টা না করতাম যে কোনো একটা অঘঠন ঘটে যেতো পরিস্তিতি এমন ছিল তারপর ছেলে ওর বাড়ি জানিয়ে দেয় তার বাড়ি ছিল নোয়াখালী সে এইদিকে থাকতেন এস এস এর কাজ করতে । এখন ছে
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাছি আমাদের প্রাণ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে এতো সুন্দর একটি মানবতার সেবায় নিয়োজিত গ্রুপ প্রদান করার জন্য।
এটা শুধু মাএ স্যার শিক্ষা অন্তরে লালন করার জন্য।এত সুন্দর প্লাটফর্ম জন্য এটা সম্ভব হয়েছে।স্যার জন্য আজ আমি হতাশাগ্রস্ত মানুষ থেকে আবার সফল উদ্যোক্তা হওয়া পথে লেগে আছি। এখন আর আগের মত হতাশায় গ্রাস করত
কারন ব্যবসার কথা বললে আত্মীয় স্বজনরা কেউ এই টাকা ধার দিতো না।আমাদের দেশে ব্যবসার কথা বললে আত্মীয় স্বজনরা কেউ এই পাসে আছে না। প্রবাস এর কথা বললে তখন সবাই এসে পাসে দারায়। আর তখন আমার মাথায় একটাি চিন্তা
অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ♦ভিশন - উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২♦ কে সামনে রেখে অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক ঘোষিত ৬০ দিন ব্যাপী কর্ম পরিকল্পনার তৃতীয় পর্ব গোল্ড
আমার দ্বারা কিছু হবে না টা আর মনে হল না । আমি রেজিস্ট্রেশন করে যুক্ত হই এবং প্রতিটি সেশন আমি মনোযোগ দিয়ে করি এবং পরিচিত পোস্ট দিতে থাকি । তারপর চুয়াডাঙ্গা মেসেঞ্জার এবং লালবাগ জোন এ এড হই ।
১৯৯৫ সালে বাবা হজ্ব করে ব্যাবসা ছেড়ে দেন।বড় ভাই তখন বিদেশে, মেঝো ভাই সংসার দেখাশোনা করেন। অামি ছাত্র হিসেবে ভালই ছিলাম জিবনে খুব কমই রোল ১ ছাড়া ২ হয়েছে। মেঝো ভাই নানান রকম কৃষি কাজ করতেন সাথে আমাক
আপনি বিজনেস করছেন বলবেন না কেন এটা তো ভালো। ঈদের পর আমাকে আপনার গ্রুপে এড করে দিবেন এবং আমি আমার দেশের পণ্য (টাঙ্গাইল) নিয়ে কাজ করবো হেল্প করবেন কিন্তু আমি কিন্তু এতো কিছু বুঝি না।আপনাদের গ্রুপে এড দি
আসসালামু আলাইকুম। সেরাদের সেরা জোন উত্তরা মডেল জোন এর আজকে অফলাইন মিটাপ আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার ভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে। আজকের মিটাপের এজেন্ডা ছিল সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, স্যারের উপস্থিতিতে উত্ত
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
ইকবাল বাহার স্যারের নির্দেশে " দিনে আনে দিনে খায় " খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির ফেনী জেলার চতুর্থ ধাপের কার্যক্র
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রিয় পরামর্শদাতা জনাব “ইকবাল বাহার জাহিদ” স্যারের প্রতি। যার বিশেষ দক্ষতা এবং মনোযোগে আজ "নিজেকে বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের” মতো প্লাটফর্মের সৃষ্টি। আমাদের এত সুন্দর দ
সেশন পোস্ট গুলো যতো দেখছি পড়ছি ও UTV LIVE শুনছি ও দেখছি এবং নাটোর জেলা টিম কতৃক আয়োজিত সেশন চর্চা ক্লাস এ প্রতিদিন যুক্ত থাকছি যেখান থেকে প্রতিদিন শিখছি উদ্যোক্তা কি ভাবে হতে হয় বিজনেস কি ভাবে করতে
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
আমার উদ্দোগক্তা জীবন শুরু করতে যাচ্ছি।শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু কোননা কোন কারন
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তদান করতে পারবেন না - রক্তদানের সময় সুগার লেভেল নরমাল থাকে (সাধারন লেভেল সুগার লেভেল ৭ mmol/L নরমাল হয়) - রক্তদাতা যদি ইনসুলিন গ্রহন করে না - রক্তদাতা যদি শারীরিকভাবে শক্তি
কেক কেটে বরণ করা হয় বেগমগঞ্জ উপজেলা এম্বাসেডর মেহেদী হাসান রাফি ভাই কে আলহামদুলিল্লাহ আমি নিজে উপস্থিত হতে পেরে ভালো লাগছে বেগমগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়,
আমি মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করি আমার কমিটমেন্ট ও সততা আছে। 🌷আমি এখন ইচ্ছে করলেই খারাপ কাজ করতে পারব না। এখন ভয় জয় করার মত মনোবল হয়েছে। 🌷এই গ্রুপে স্যার আমাদের কে একটি সেশন দিয়েছে কথা বল
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
আমিঃ এগুলো সব আমার আব্বা বর্তমানে দেখাশোনা করছে। এখন বল তোর কি কি প্রোডাক্ট লাগবে।আমার কাছে সব প্রোডাক্টটি পাবি। যেমন মেয়েদের থ্রি পিস, শাড়ি সাথে পাবি ছেলেদের টি-শার্ট,পাঞ্জাবি বাচ্চাদের জামা। রিয়াজ
আমাদের বাড়িতে অনেক গুলি দেশী পেয়ারা গাছ ছিলো, অনেক পেয়ারা ধরতো, কিন্তু কখনো বিক্রি করতো না। আমরা, আত্নীয় স্বজন ও আশেপাশের সবাই খেতো। তবুও এতো পেয়ারা কি আর খাওয়া যায়।* *একদিন আমার বড় ভাই আর আমি এক ঝাঁ
নুষের পাশে দাঁড়ানো,মুখের জড়তা কাটানো ইত্যাদি। মানুষের এমন কোন গুণ নেই যা এই প্রশিক্ষণে দেওয়া হয় না। ইতিমধ্যে আমাদের প্লাটফর্ম প্রায় ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে যা আমাদের দেশের সরকার কোটি কোটি টাকা