বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেছি মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে করোনায় হাসপাতালের বেডে, শরীরের কোন অঙ্গ হানি করে ঘরে না বসি
লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন
👉🇧🇩🌹খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো গাইবান্ধা জেলা মিট আপ 🌷🌷নতুন চমকে গাইবান্ধা জেলা🥀🥀🇧🇩🥀🥀 তারিখ --২৩-০৮-২০২১ স্থান ---গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মাঠ সময়--বিকাল ৪-৩০ ঘটিকায় নিজের বলার মতো একটা ফ
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।
আজ আমরা রংপুর জেলার একঝাক উদোক্তা ভাইবোন একসাথে একত্রিত হয়েছিলাম ইদ পূনমিলনী ও মাসিক মিটআপে ❤️❤️
এ দিন টাকে সফল করার পিছনে, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল দের ভালোবাসা এবং ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। কিন্তু যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রোগ্ৰাম টি এতো সুন্দর এবং আনন্দময় হয়েছে,
কষ্ট, কান্না, দুঃখ, বেদনা এই রমজানে সব ঘুচে যাক আর ফিরে আসুক সুখ, আনন্দ, হাসি। আগত ঈদকে সামনে রেখে #আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা করছি যেন আল্লাহ আমাদের গুনাহকে মাফ করে এই কাজের উছিলায় নাযাতের ফয়সালা কর
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিল তিল করে যে স্বপ্নের ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন,আজ আমরা সেই ফাউন্ডেশনের গর্বিত সদস্য,সেটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ।এই প্লাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ভালো মা
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে। যারা #আর্থিক সহযোগিতা, পরিশ্রম ও ভলেন্টিয়ারিং ও পর্দার অন্তরালে থেকে বিভিন্ন সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে
দেখতে দেখতে শীত কিন্তু চলেই আসছে এজন্য অনেকেই শীতের পোশাক নিয়ে নতুন বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করতাছেন,, এ জন্য অবশ্যই আপনাকে সবার সামনে পোডাক্ট গুলোকে হাইলাইট করতে হবে, তার জন্য প্রয়োজন পোডাক্ট ডিজাইন
নিজের বলার মতো একটা গল্প #iqbal_bahar স্যার ৪টি সামাজিক কাজ করার জন্য বলেছেন তার মধ্যে আমি ২টি কাজ করেছি। # নিজে নার্সারি থেকে গাছ কিনে এনে নিজের হাতে ছাদে গাছ লাগিয়েছি
প্রতিহিংসার টর্চার সয্য হচ্ছিলো না। মা ততক্ষণে একটু একটু বুজতে পারেন কিছু একটা মিসটেক হচ্ছে। আমার দুইজন খালা ছিলেন ক্লাশ ফাইভে পরতেন। তাদের কাছে মা খুলে বলেন বিষয় টি। অভিযোগ আকারে স্কুলে জানালে অই স্য
আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। পাবনা জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপে প্রতি মঙ্গলবার বসছে হাট, হাটে সবাই আসছে সেল পোষ্ট নিয়ে আমি আসছি গল্প নিয়ে ওনা না গল্পে গল্পে সেল করতে আসেস আমার গল্পটা শুনেন যদিও এটা বাস্তব কাহিনী আমার সেলার হয়ে উঠ
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় কোভিড পরিস্থিতিতে যখন কিছু পরিবার চাকরীচ্যুত হন, ঠিক তখনেই কিছু সংখ্যক পরিবারের মাঝে কয়েকদিনের বাজার সামগ্রীর সামান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে তেজগাঁও জোনের সামাজিক কাজ শুরু হয়।
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
এদিকে আমার অবস্থা তখন খুবই খারাপ তখন আমার স্বামী এক রকম জোর করেই আমাকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। আর কেউ যায়নি আমার সাথে শুধু আমি আর আমার হাজব্যান্ড। সেই মুহূর্তের কথা মনে হলে আজ ও চোখের পান
আমার ছোট ভাই আজ একটা ট্রেনিং এর জন্য বাসাসা থেকে ওর মাদ্রাসায় গেছেন। আব্বু সাথে গেছেন, তারপর ছোট ভাইটিকে রেখে বাসায় চলে আসছেন। এসে বলছেন আমার ছেলেটিকে রেখে এসেছি ওই কি খাচ্ছে না খাচ্ছে সেটা নিয়ে ...
আপনারা যারা গ্রুপের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে কস্টো করে সবাই একসাথে উপস্থিত হয়ে ১০০০তম দিন উজ্জাপন করছেন।
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পরিকল্পনার অংশ হিসাব ২য় ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প সম্পন্ন হলো।
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
হাতে পায়ে খানিকটা বড় হলাম দৃশ্যমান হলাম বাবা মা ভাইদের চোখে 🤩 একটি ছেলের কামাই দিয়ে ভালো চলছে না যে সংসার আরো বড় হতে হবে আমাদের🤭 💥কাল হয়ে দাঁড়ালো সেই লোব আমার জন্য। ঘরে ফ্যামিলির সকলের স
অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফেনী জেলা কতৃক এক মেগা মিটআপ আয়োজন করা হয়েছে।
বরাবরই লেখালিখির প্রতি ভালো লাগা ভালোবাসা ছিল তবে এ ভালোলাগা ভালোবাসা যে একসময় নেশায় পরিণত হবে তা বুঝতে পারিনি। ফাউন্ডেশন এর যুক্ত হবার পর থেকে প্রথমদিকে আমি অনেকটা ঝিমিয়ে পড়া সদস্যদের মত ছিলাম ক
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
আমার ছোটবেলা থেকে গ্রামেই বড় হওয়া তাই নিজ গ্রাম থেকেই অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। আপনারা জানেন গ্রামের মানুষের ৮০ ভাগ ইনকাম আসে কৃষি কাজ থাকে। আমার পরিবারও ঠিক তাই ছিল ধানের জমি, গোয়ালের গরু...
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
আগামীকাল ১৪ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ৫ হাজার উদ্যোক্তা নিয়ে ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘৫ম উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন’। রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজনটির উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী
আজ লিখবো আমার সফল উদ্যেগক্তা হয়ে উঠার গল্প। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। ষোল বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। তখন স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছি কারণ আমি যে আর লেখা পড়া করতে পারবোনা। হাসবেন্ডের
দিন, দিন, কাষ্টমারের পাশাপাশি, সদস্য সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় ঠ প্রিয় শিক্ষক জনাব, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যার অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছি এতো বড় একটা নেটওয়ার্ক,
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে আম্মা আব্বা দোয়া নিয়ে নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস রেখে ১৫০০০হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব্যবসা।আমার ব্যবসা জীবনের প্রথম দিনের ইনকাম ছোাট গাড়ি খরচ বাদ দিয়ে ৪৬৭ টাকা।সেদিনের
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
আজকের মিটআপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামী ১৪ ইং জানুয়ারি মহা সম্মেলন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আমার এই ছোট জিবনের কিছু না বলা কষ্টের কথা শিয়ার করবো আমি তেমন কোনো শিক্ষিত মানুষ না আমার কপালে হয়তো শিক্ষা ছিলো না আমি একটি গরিব ফ্যামেলির ছেলে আমরা দুই ভাই চার বোন আমার বড় তিন বোন এক ভাই আমি এক
আমাদের ফাউন্ডেশনের ২৩ তম ব্যাচের সদস্য ও আমাদের রহমানিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হযরত মাওলানা Imam Uddin ভাই।
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
যারা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কষ্ট করে উপস্থিত হয়ে আমাদের মিটআপ কে সাফল্য মন্ডিত করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর সবাই কে অনেক ধন্যবাদ।
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
নারায়ণগঞ্জ জেলার টিকেট মেলা ও আমাদের ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
November 20, 2020 · আজ আমার এলাকায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশান বাগেরহাট জেলা টিমের দ্বিতীয় ফিজিক্যল মিট আপ জাগ যমক ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুল্যবান বক্তব্য রেখেছেন বাগেরহাট জেলা এস্বাসেডর জনা
সেদিন অনেক কেঁদেছি কাঁদতে কাঁদতে এই বলে মনকে বোঝালাম হয়ত এটাই আমার নিয়তি।তারপর শুরু হলো সংসার জীবনের টানা পোড়ন।আমার প্রথম কন্যা সন্তান পৃথিবীর মুখ দেখলো।বোঝেনইতো সংসারে যার আয় বেশি তার কদর বেশি ছিল।যে
নিজের বিজনেস নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। একজন ভালো আর পজেটিভ মানুষ হতে চাই। এক সময় সুইসাইড করতে চাইতাম। সুইসাইড করতে যাওয়া মেয়েটাই সুইসাইড প্রোটেক্টিং স্কোয়াড বাংলাদেশ টিমের সাথে কাজ করার জন্য প্রস্তুত। এটা
আর বাবা কে হারিয়ে ভেংগে পড়া আমি। আমার সকল প্রকার কাজ থেকে দূরে সরে খুব ই ডিপ্রেশন এ ছিলাম।। স্যারের সেশন পোস্ট আমাকে একটু একটু করে বাঁচার প্রেরনা দেয়।