এভাবে আমি আমার বন্ধুর কাছে আমার প্রোডাক্টটি বিক্রয় করলাম। 🍂 আর অন্যদিকে আমার আরেক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করল বন্ধু কি করছিস? এই করোনা কালীন সময়ে দিন দিন আয় রোজগার কমে যাচ্ছে, কি করা যায় বলতো? আম
টিকেট এর আনন্দ মানেই টিকেট মেলা তারই প্রতিচ্ছবি হিসাবে আজকের কিছু সুন্দর মুহূর্ত| আপনাদের হাতে টিকেট পৌছে দিত্ব প্রতিটি জেলায় টিকেট মেলা হচ্ছে..
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
MOU সাইন হলো “নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশন ও এবি ব্যাংক এর সাথে AB Bank এর গুলশান হেড অফিসে। এখন থেকে আমাদের ফাউন্ডেশনের আজীবন মেম্বাররা AB Bank এর এজেন্ট ব্যাংকার হবার সুযোগ পাবেন।
তার মধ্যে একটি হচ্ছে,৬/১১/২০২০ রোজ শুক্রবার, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল এবং আমাদের অনেক প্রিয় সকল সদস্যদের নিয়ে, আনন্দ ভ্রমণ। এক সময় যারা আমার কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিলো। আজ তাদের সাথেই আ
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
বাংলার রুপ আমি দেখিয়াছি.... পৃথিবীর রুপ খুজিঁতে চাইনা আর....
🍀2018 সালের শেষের দিকটায় একটা রিক্রুটিং লাইসেন্স এর অফার পেলেন। যেহেতু সে এই লাইনের কাজ গুলো ভাল বোঝেন তাই আমি আর না করি নি। নিজের জমানো টাকা ছিল দিয়ে দিলাম। গহনা ছিল অনেক সেল করে দিলাম। রিলেটিভসদ
"দি ইনক্যাপ" এর মার্চ ২০২০ সংখ্যায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" নিয়ে প্রচ্ছদ ও কাভার স্টোরি
আমি সব খবর রাখি। শুধু তাই নয়। ঢাকার মধ্যে একেবারে ফ্রী ডেলিভারি ১ কেজি হাফ কেজি। আর ঢাকার বাইরে ১কজি ১০০ টাকা মাএ ডেলিভারি চার্জ নেয়া হয় ৬০ টাকা ফ্রী কারন সুন্দর বন ও এস, এ পরিবহনে পাঠানো হয় বলে।
আলহামদুলিল্লাহ আজ ০৪/১২/২০২২ ইং, রোজ: রবিবার.... ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির
তাই ভালোবাসতে শুরু করলাম এই গ্রুপকে এই পরিবারের মানুষ গুলোকে, তবে ফেরৎ যা পেয়েছি তা লিখে প্রকাশ করা অসম্ভব, বলতে গেলে আমুল পরিবর্তন করে দিয়েছে এই গ্রুপ আমাকে, এই যে লিখছি তাও এই গ্রুপের অবদান এখান
তাহলে কি এবার পড়া-লেখা বন্ধ হয়ে যাবে! না পড়া-লেখা বন্ধ করা যাবেনা , প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হলাম বি বি এ , সেমিষ্টার রেজাল্ট ভাল হওয়ায় বি বি এ অবস্থায় একটি বাইং হাউজ-এর জুনিয়র মার্চেন্ট
সময়কে মানিয়ে নিয়েছি উদ্যোগ জীবনের সাথে। কারন এই সময়ের সাথে জড়িয়ে আছে নানা জড়তা। স্বপ্ন ছিলো ব্যাংক জব করবো, সেভাবে নিজেকে তৈরিও করেছি, কিন্তু বাচ্চাদের কথা ভেবে আর করা হলো না। একটা সময় এসে জী
প্রতিদিন নিত্য-নতুন রান্না করার মাধ্যমেও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। কেননা রান্নার সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিকল্পনা, নতুন কিছু করার উদ্যোগ, আনন্দ। বিভিন্ন উপাদান পরিমাণমতো মিশিয়ে সুস্বাদু কোনো খাবার তৈরি ক
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন হয়ে নিজে কে একজন সফল উদ্যোক্ত হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করব,এবং সমাজে অসংখ্য শিক্ষিত যুবক আছে তাদের কে এই প্লাটফর্ম এর সদস্য হতে আহ্বান করব।সবাই কে নিয়ে এই প্লাটফর্ম মাধ্যমে
আমি নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছি, 👉 এখানে আমি নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি, 👉এখানে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে শিখিয়েছে 👉 শিখিয়েছে বিনাশ্রমে শ্রম দিতে, 👉শিখিয়েছে কি করে একজন দক্ষ
এভাবে আস্তে আস্তে কেটে যায় দুই বছর,দুই বছর পর মামার ম্যানেজার মালাইশিয়া চলে যায়,এর মধ্যে সব কিছু আমি শিখে ফেলি,ঐ দায়িত্ব চলে আসলো আমার কাঁধে,,,এভাবে আরো তিন বছর কেটে গেলো,এখনো ঐ দায়িত্ব পালন করছি আল্
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
রমজান উপলক্ষে আমরা মানবিক নেত্রকোনা জেলা সবাই "মানবতার ঝুড়ি" তে ১০০ টাকার পণ্য (আধা কেজি করে চাল, ডাল, সব্জি) পণ্য দিবো ইনশাল্লাহ - সারা দেশের সব জেলা উপজেলা ও প্রবাস থেকে সবাই, "ভালোবাসা বিলাই"।
নারায়ণগঞ্জের ইফতার পার্টি ও অসহায় বাচ্চাদের ঈদ গিফটের অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থকার সুযোগ করে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি।
নিজের বলার মতো গল্প, গোপালগঞ্জ ভাল মানুষদের সাথে, ভালবাসার মানুষদের সাথে #Gopalgong Team
এই গ্রুপ থেকে শিখলাম একজন ভাল মানুষ হওয়া চেষ্টা করতেছি সব সময় আমি। আগে ভাবতাম জীবনে লক্ষ্য মানে ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার বা অনেক টাকা মালিক হওয়া এখন সবই ভুল মনে হচ্ছে। 👉👉 জানুয়ারি ২০২০ ইং দেশে থাকা অব
অদম্য টাংগাইল জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ও দিক নির্দেশনা প্রদান। আরও ছিলো লাকি কুপন ড্র।
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদিআ
তারি বাহিকতায় গতকাল টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মিটআপ খুবই সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। খুবই আনন্দের বিষয় হচ্ছে আমাদের গতকালকের এই অনুষ্ঠানটি দুইটি অনলাইন পত্রিকা নিউজ প্রকাশ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ এগিয
নোয়াখালী জেলার সূর্বনচর উপজেলা সহ আরো ৮টি উপজেলার সমন্বয়ে নোয়াখালি ড্রিমওয়াল্ড পার্কে প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সম্পর্কে যতই বলি তা কখনো বলে শেষ করতে পারবো না৷৷৷ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে হাজারো ভালো মানুষের দেখা পেয়েছি
চল্লাম ঢাকায় আমার একমাএ ছোট বোন থাকতো শ্যামলী ওর বাসায় উঠলাম ।ও আপনাদের তো বলিনি সাথে আমার চার বছরের মেয়েও ছিলো।আমি বাচ্চা মানুষ করেছি ,পড়াশুনাও করেছি।শ্যামলীতে সান বিউটি পার্লার এ তানজীনা আপুর কাছে
দুঃখের বিষয় মনে মনে করতাম চাকুরি পেয়ে টাকার অভাব ঘুচবে আর ভালো ভালো চাকুরির বই কিনে পড়ব আর ভালো চাকুরির পরীক্ষা দিব।কিন্তু আমার পুরা পরিবারের দায়িত্ব যেন তখন আমার মাথায় একটা পরীক্ষাও আর দেওয়া হল না টা
জেলার উদ্যোক্তা,সঞ্চালক, প্রবাসী এবং আয়োজক টিম কে অসংখ্য ধন্যবাদ। যাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগিতার কারনে একটা সুন্দর মনোরম ও মনোমুগ্ধকর মিটআপ এর আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন আরো সুন্দর
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমি নিজে নিজেকে অনেক বেশী ভালোবাসতে শিখেছি,,, আমার চারপাশের সবাইকে ভালোবাসতে গিয়ে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে গিয়ে কখনো নিজেকে কোন কোয়ালিটি টাইম দিই নি। এই ফাউন
শহরের ৩০ টির মতো দোকান এখন আমার কন্ট্রাক্টে,, তিন জন রাইডার কাজ করে আমার সাথে,, একজন স্টাফ,, আমি,, আমার দুই ছোট ভাই,,, একটা সার্ভিস এ থেমে থাকিনি রাইডিং চালু করেছি যাতে করে নতুন উদ্যোক্তাদের ডেলিভারি
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল বিকেলে কেরানীগঞ্জ জোন উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন বাস্তবায়ন টিমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় চা আড্ডা ও আলোচনা সভা
আমার বউ কে বললাম চলো বাজার করতে যাই ,বউ বললো করোনার মধ্যে কোথায় বাজার করতে যাবে,আমি বললাম আমি সেই হাটে বাজার করবো,যে হাট রোদ বৃষ্টি করোনা তে বন্ধ হইনা,বউ বললো কোথায় তোমাদের হাট, আমি বললাম আসো দেখাই আম
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
✍️ ক্রিং ক্রিং ক্রিং ফোনের শব্দ শুনে রান্না রেখে দৌড়ে এলাম এত সকাল কে কল দিলো 🤔🤔 ফোনের পাশে এসেই দেখি ফুফি তাড়াতাড়ি রিসিভ করলাম সালাম দেওয়ার আগেই ফুফি কি ব্যাপার আপনার শুনি গতকাল রাত দশটার পরে কত
আমার ছোট বেলা থেকেই একটি স্বপ্ন যে আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্নধার হব। সেখান থেকেই আমার চাওয়া-পাওয়া পূরন করব ইনশাআল্লাহ। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে য
"নিজের বলার মত গল্প" ফাউন্ডেশনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতিমধ্যে বদলে গেছে লাখো তরুণ-তরুণীর জীবন। "চাকরি করবোনা চাকরি দিবো" এই ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মেন্টর ইকবাল বাহারের মত তারাও এখন উদ্যোগ নিয়ে নিজের প্রতিষ
প্রবাস জীবনে খুব ভালো কাটছিলো পরিবারের সবার জীবন সুখ ও শান্তিতে কাটছিলো। নিজেদের অবস্থার অনেক উন্নত করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। তারপর মনের ভিতর সব সময় একটা কষ্ট কাজ করতো প্রবাসে না থেকে যদি নিজ দেশে
700 নম্বর দিন আমাকে মনে করিয়ে দিল আমি কত পিছিয়ে ছিলাম।। নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ আজ আমাদের গ্রুপের 700 নম্বর দিন অতিবাহিত হল। সবাই এই 700 নম্বর দিন নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে আমি তাদের পোস্ট গুলো দেখ
আমি আগে তেমন কথা বলতে পারতাম না কারো সামনে বা ভিডিও তে,নিজের পরিচয় দিতে পারতাম না, আলহামদুলিল্লাহ এখন পারছি
রোহান অনেক বছর পর বিদেশ থেকে এসেছে। প্রবাসে থাকা অবস্থায় রান্নায় ঝাল খেলে তাে সহ্য হয়না। তাইসে সব সময় ঝাল কম খেত তাই এখন সে সব খাবারেই ঝাল কম খায়। ঝাল খেলেই শরীর খারাপ করে মুখ লাল হয়ে অসুস্থ হয়ে যায়।