নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মে জয়েন হওয়ার পর প্রিয় স্যারের একের পর এক সেশন পড়তে লাগলাম কিভাবে হতাশাগ্রস্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হয় কিভাবে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে হয় প্রিয় স্যারের সেশন থেকে আমি জ
ঐ যে দেখা যাচ্ছে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের বাজার কমিটির সাইনবোর্ড। সেখানে গিয়ে দেখি অনেকে বসে আছে, মনে হচ্ছে দুর্বিন নিয়ে বসে আছে। আবার কেউ প্রস্তুতি নিচ্ছে হাঁট পরিদর্শনের জন্য মনে হচ্ছ
স্বপ্ন দেখতে শিখেছি। স্বপ্নের সাথে সাহস করে লেগে থাকা শিখেছি। 👉নিজেকে এবং অন্যকে ভালবাসতে শিখেছি। 👉একজন পজিটিভ মানুষ হবার শিক্ষা পেয়েছি।
কি ভাবছেন? ভাবছেন আমি তো বড় রাজনৈতিক নেতা না, আমি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কিভাবে সামাজিক কাজ করব,, কিভাবে দেশের জন্য কাজ করবো। সেটাও আমাদের স্যার দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় রাজনৈতিক নেতা না হয়েও সম
নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাঁদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
আমার স্বামীর কাছে যেহেতু বেশি টাকা ছিলো না কি করবে বুঝতে পারছিলেন না তখন সেন্ট্রাল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের অ্যাএম্বুলেন্সের ডাইভার বললেন আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে দিয়ে আসতে পারব টাকা লাগবে না
♥️আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়া ও আপুরা আশা করছি সবাই ভালো আছেন ।আমিও আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো আছি। আমি আপনাদের কাছ থেকে কিছু সময় চেয়ে নিব আশা করছি সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। 🙏 প্রথমেই শুকরিয়া জ্
বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার ত্রাণ কার্যক্রম দুটি পর্বে করা হয়েছে প্রথম পর্ব সকালে হাকিমুদ্দিন এর মেঘনা নদীর কোল গেসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এবং বিকেলে ভোলা সদরের ইলশা ভেরিবাদে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় ম
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
আলহামদুলিল্লাহ লাখো শুকরিয়া আল্লাহতালার দরবারে,আজ কেরানীগঞ্জ আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী ও বনভোজনের প্রোগ্রাম জমকালো আয়োজনে সুন্দর ও সফলভাবে সমাপ্তি হলো।
শাড়ি নিয়ে প্রতিটা মেয়েরই মনে হয় একটা করে গল্প থাকে। খুব আপন, খুব আদরের, খুব রোমান্টিকও হয়তো বা! তখন ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বয়ফ্রেন্ড সেই সময়ে টিউশনী করতো। টাকা জমিয়ে জমিয়ে একদিন আমাকে একটা
মেসেঞ্জার এ হঠাৎ মেসেজ এল আপু আপনার কাছে কি ধরনের থ্রিপিস আছে? আমিঃ ভাইয়া,আমার কিছু সুতি কালেকশন আছে। ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি লোন,ডিজিটাল প্রিন্ট আর কিছু কাতান বেনারসি থ্রি পিস, জরজেট, কিছু নরমাল প্রি
সবেমাত্র অনার্স পাশ করা অবস্থায় চাকরি পাওয়াটা খুব একটা সহজ ছিল না সেসময়। এক বন্ধুর রেফারেন্স দিয়ে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম পিৎজা হাটে। আমার খুব পরিষ্কার মনে আছে ইন্টারভিউ নেয়ার আগে ছোট্ট ....
আজ ২য় রমজান সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে বসলাম সময় তখন ৪ টা ৪৫ মিনিট বাবা বলল ক্ষেতে যেতে হবে,তখনো শুয়ে মোবাইল টিপাটিপি করতেছি। আবার হঠাৎ সময় যখন ভোর ৫টা বাবা বলল চল যাই বলে ঘর থেকে বের হয়ে হাটা শুরু করল, আম
ধরনের ব্যবসা করলে সফল হওয়া যাবে এবং কি কি বৈশিষ্ট একজন সফল উদ্যোক্তার থাকা প্রয়োজন সবকিছু জানার চেষ্টা করছি।স্যারের দেখানো পথে আমি হাটতে চাই,আমি শিখতে চাই , সৎ থেকে অর্জন করতে চাই।আমার সাহস আছে এবং ম
এখানে সকলেই পজেটিভ মানুষ প্রতিদিন দেখছি নতুন নতুন স্বপ্ন। মনে পড়ে গেল স্যারের স্লোগানের কথা, সময় নিন সময় দিন সময় বদলে দেবে সবকিছু।
মেমের মেয়েটা প্রায় আমার পেজ দেখে এবং ওর মাকে বলে যে ওনার খাবার গুলো দেখতে ভালো লাগে। তো একদিন মেম আমাকে ২০ পিস সিংগাড়া আর ১০ টা ভেজিটেবল রোল অর্ডার করলেন। বললেন আমার মেয়ে আর মেয়ের বাবার জন্য নিচ্ছি।
মা, বলে ছোট বেলা আমাকে নিয়ে বাহিরে গেলে কোনো ভিক্ষুক যদি টাকা ভিক্ষে চাইতো, তখন মা, বাবা, ভাই, বোন, বড়রা যারাই সংগে থাকতো, তাদের, বাইনা করতাম, ভিক্ষুক কে টাকা দেওয়ার জন্য। আর বাড়িতে কোনো ভিক্ষুক আস
র বলেছিলেন বাড়ি গাড়ি অনেকেরই আছে কিন্তু জীবনে বলার মতো গল্প তৈরি করেছে কয় জন? আমি কখনো কাউকে সাহায্য সহযোগিতা করে বলতাম না।জীবনে আমি অনেক মানুষদের অনেক কিছুই করেছি প্রতিদানে কারো কাছে কিছু এ আশা করেনি
আমি বরাবরের মতোই খুব ভালো ছাত্রী ছিলাম তাই সব সময় চেয়েছিলাম ভালো একটা চাকরি করব। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুবাদে Forhad Chowdhury সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়।পরিচয়ের মাধ্যমে ভালো লাগা আর সেই ভালো লাগা থে
সময় থেমে থাকবে না, তা প্রতিনিয়ত বহমান। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে আবারও নতুন করে ভাবনালোকের দ্বার উন্মোচিত হলো। এই ছোট্ট জীবন বড় হয়ে উঠবে তখনই যখন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষের অন্তরে আমার ঠাই
এরই ফাকে ভাইয়ের সাথে সুইটার ফ্যাক্টরিতে কাজ শিখতে শুরু করলাম,,যেহেতু ঢাকা গাজিপুরেই আছি! 2015 সালের লাষ্টের দিকে আমার অজান্তেই আমার ভালোবাসার মেয়েকে তার ফ্যামিলি জোর করে বিয়া দিয়ে দিলো,, এটা শুনার পর
আমি সম্মেলনের টিকেট সংগ্রহ করেছি, আপনি করেছেন তো? ঘনিয়ে যাচ্ছে #নিজের বলার মতো একটা গল্প# গ্রুপের ৪ জানুয়ারী ইতিহাসের সাক্ষী অপেক্ষমান মহা সম্মেলনের তারিখ। ৳ 🌻কেউ টাকার প্রবলেমে আসতে চাচ্ছেন না বা
কোন কোন সময় কল্পনাকেও হার মানায়। জীবনের গল্প লিখতে হয়তো ৩০ - ৬০ মিনিট লাগে,, বলতে আরও কম, কিন্তু চড়াই উৎরাই পার করে কঠিন সময় যে কীভাবে পার করে সেটা শুধু ব্যক্তিটাই বুঝে। আমাদের এই প্লাটফর্ম নিজের গ
আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভালো মানের পন্য কিনে কম লাভে বিক্রি করা। আমি আশাবাদী আমার রিপিট কাষ্টমার বাড়বে। পন্য নয় আমরা বিক্রি করি বিশ্বাস। ১০০% গ্যারান্টি সহকারে সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেওয়া হয়। যে কোন
#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
সেশন পোস্ট গুলো যতো দেখছি পড়ছি ও UTV LIVE শুনছি ও দেখছি এবং নাটোর জেলা টিম কতৃক আয়োজিত সেশন চর্চা ক্লাস এ প্রতিদিন যুক্ত থাকছি যেখান থেকে প্রতিদিন শিখছি উদ্যোক্তা কি ভাবে হতে হয় বিজনেস কি ভাবে করতে
পরিবারের বড় সদস্যরা বেশি একটা পড়াশোনা করেনি। যার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কারণ, আমাদের এলাকায় শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। ভালো কোনো শিক্ষক খুজে পাওয়া যেত না।অন্য এলাকায় গিয়ে প্রাইভেট পড়তে
১০ম ব্যাচ উৎযাপন উপলক্ষে স্যার বলেছেন যে সারা দেশে ১০,০০০ বৃক্ষ রোপণ করতে, সেই ধারাবাহিকতা গাজীপুর জেলায় ৬০০ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,
আমাদের মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় উওরা জোনের পক্ষ থেকে তুরাগ নদীর তীরে বেদে পরিবারের জন্য শীত বস্র বিতরন সম্পূর্ণ
২০১৮ সাল পর্যন্ত জীবনে অনেক ঝড় হাওয়া বয়েছে, ভেবেছিলাম জীবনে হয়তো কোন কিছুই করতে পারবো না, সারাজীবন পরিবারের বোঝা হয়েই থাকতে হবে,জীবনে মানুষের অনেক কথা শুনেছি ডিপ্লোমা আর্কিটেক্ট হয়ে কি করেছি?
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
মিরপুর জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়ক ডাইনামিক লিডার Jahangir Khan দাদাকে বরণ করে নেওয়া হয় । সেই সাথে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২২ তম ব্যাচের নতুন সদস্য।
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
এতক্ষণ ধরে আপনারা যার সত্য জীবনের গল্প শুনলেন তিনি আর কেউ নন আমার একমাত্র ভালোবাসা আমার প্রিয় বাবা।আমার বাবার গল্প শুরু না হলেতো আমার জীবনের গল্প শুরু হতো না।আমি আমার বাবার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখেছি
স্বপ্নীল ড্রাগ পার্ক নামক আমার একটি ফার্মেসী রয়েছে যেখান থেকে গত ৭ বছর যাবৎ নিজে অনুশীলনের পাশাপাশি রোগীদের নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এই পেশার মাধ্যমে বিশেষ করে অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খুব কাছাকাছি
আমি জন্মগ্রহণ করি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানায় শ্রীধরপুর গ্রামে আমরা মোট ৭ভাই বোন, ৪ভাই ৩বোন আর বাবা মা-কে নিয়ে মোট ৯জনের পরিবার। আমি আমাদের পরিবারের ৬ষ্ঠ তম আমি আমার পরিবারে অনেক আদরের সাথে বড় হয়েছ
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
আগে প্রচলিত ছিল কন্যা সন্তান জন্ম নিলে মাটিতে পুঁতে রাখতো। তবে এখন আর নেই কিন্তু এখনো কন্যা সন্তান জন্ম নিলে তার মাকে অবহেলা করে, নির্যাতন করে। আমি যখন জন্ম নেই তখন আমি মেয়ে বলে আমার দাদীমা আমাকে
আজ আমাদের বগুড়া জেলার স্বনামধন্য কলেজ বগুড়া সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজে অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের দেওয়ায় চিঠি প্রদান করেছি আমরা বগুড়া জেলা টিম। সন্মানিত অধ্য
করোনায় যখন সবকিছু আটকা লকডাউনে কেউ বেরোতে পারেনা, তখন আমার হ্যাজব্যান্ডের সার্জিক্যালের একটা বিজনেস ছিলো আমি সেটা দেখাশুনা করতাম, করতে করতে আমার ভিতরে সাহস আসতে শুরু করলো, আমার হ্যাজব্যান্ড আইডিয়া
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
আমাদের চোখের সামনে ভেসে আসে সমাজের অবহেলিত,উপেক্ষিত জনপদ। যাদের শুধু মাত্র একটি কর্মসংস্থানের জন্য তাদের পরিবাররা অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাবলাম যদি আমরা এদের জন্য একটা কর্মসংস্থানের.....
টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলার সবাই মিলে আগামী ১৪ ই জুলাই ২০০০ তম দিন
এগারো তম ব্যাচ শুরু উপলক্ষে স্যার আমাদের গাছ লাগানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।সে সুবাদে আমরা চট্টগ্রামের পতেঙ্গা জোনের আমি সহ তিন জন এম্বাসেডর মিলে সিদ্ধান্ত নেই, আমাদের গাছ লাগানোর কর্মসূচি টা সম্পূর্ণ