ইনশাআল্লাহ ৩০০ তম সেশন মিটআপটি আমরা অফলাইনে সফলতার সাথে বাস্তবায়ন করবো।🍁 অসংখ্য ধন্যবাদ আজকের মিটআপে উপস্থিত সকল ভাইবোনকে।বিশ্বাস রাখি সকল ভাই-বোনেরা মিলেমিশে নিজেকে এবং নিজ জেলাকে এগিয়ে নিয়
অাজ ২২ শে নভেম্বর শুক্রবার, বিকাল ৩টায় পৌর-পার্কে ধারাবাহিক মিট-অাপের অংশ হিসাবে গুরত্বপূর্ন মিট-আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্মানতি উদ্যােক্তাগন, বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
সম্মানিত ক্রেতা গ্রুপে আমার পোস্ট গুলো ঘুরে আসুন প্লিজ। সমস্ত কাস্টমার আমার গ্রুপের এবং প্রত্যেকের রিভিউ গুলো দেখলেই বুঝবেন। 👳 ভাই আপনি প্রত্যেককে রিভিউ দিতে অনুরোধ করেছেন তাই পজেটিভ রিভিউ দিয়েছে-
আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন, সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজের শরীর মনের যত্ন নিতে হবে, যে নিজেকে ভালবাসে না সে পৃথিবীর কাউকে ভালবাসতে পারেনা,তাই আমাদের সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজ
আসসালমু আলাইকুম আমার প্রাণ প্রিও পরিবারের সবাইকে। সে সাতে সালাম আমাদের প্রিয় পরিবারে মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে। আর সব চেয়ে বেশি স্মরণ করছি আমার আপনার সবার সৃষ্টি কর্তা কে।।🙏 যিনি আমাদে
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
নামকরা ডিজাইনার Neville Brody এর মতে”ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…
ঝিনাইদহ জেলায় আজকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় গল্প করতাম আমি নিজে ব্যবসা করবো,আমি আমার টাকা দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবো।আপনারা সবাই আমাকে আর্শীবাদ করবেন আমি যেন আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পারি। মুলত সেখ
উদ্দোক্তা সম্মেলনের দিন আপনি যদি ইনডোর স্টেডিয়ামের পুরুষ টয়লেট ইউজ করে থাকেন তাহলে ইউরিন বেসিনের বেহাল দশা অবশ্যই আপনার চোখে পড়ার কথা। ইউরিন বেসিনের ভেতরটা ছিলো ইউজ করা টিস্যু দিয়ে ভর্তি,বলতে গেলে
প্রিয় বন্ধুগন আমি এই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই চেস্টা করি যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার এবং শিক্ষনীয় যা কিছু আছে সব কিছু শিখে নিজের জীবনে ধারন করার,
আমার অবস্থা ঠিক এমন হয়ে গেছে। এমনো অনেক কথা শুনতে হয়, যে বাবা মাকে মুক্তি দাও। তোমরা তিন বোন, তোমার বিয়ের বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর আমি সব সময় বলি পরিবারকে আমার কিছু আসে যায় না, সব মেনে নিয়েছি, সব মানবো কিন্
স্বপ্ন ভেঙ্গে সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছি প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের কথা শুনে,স্যারের ভিডিও সেশন দেখে এবং প্রতিদিনের নিয়মিত সেশন চর্চা ক্লাস করে।
কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি প্রানপ্রিয় মেন্টর/ অভিভাবক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যিনি আমাদেরকে এত সুন্দর একটি ভালো মানুষের পরিবার উপহার দিয়েছেন
জেনে খুশী হবেন যে সেই শূন্য থেকে শুরু করে আজ আমি বাগেরহাট টাইগার্স টিম এর ৭ জনে মিলে তৈরী হওয়া একটা যৌথ কোম্পানির একজন গর্বিত ওনার।
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
দাদী - কি তাহলে? আচ্ছা আমি চুপ হয়ে গেলাম তুই বল। ঈশানা - আমি তোমায় মাঝে মাঝেই বলিনা। দাদী আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন নামে একটা ফেসবুক গ্রুপে এড হইছি। দাদী - কি জানি? সে কি আমার মনে আছে?
আমার দ্বারা কিছু হবে না টা আর মনে হল না । আমি রেজিস্ট্রেশন করে যুক্ত হই এবং প্রতিটি সেশন আমি মনোযোগ দিয়ে করি এবং পরিচিত পোস্ট দিতে থাকি । তারপর চুয়াডাঙ্গা মেসেঞ্জার এবং লালবাগ জোন এ এড হই ।
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মিট আপ
ছোটকাল থেকেই স্বপ্ন ছিল নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। তাই ইউটিউবে বিভিন্ন রকম উদ্যোক্তা দের গল্পগুলো দেখতাম। সে সুবাদে একদিন হঠাৎ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের একটা মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনি এবং তা আমাকে আকৃ
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
একসঙ্গে সেলসম্যানের কাজ করি আমরা অনেক বাঙালি ভাই । তারমধ্যে একজন আমার প্রিয় খোরশেদ আলম ভাই। ভাই আমাকে প্রায় বলতেন যে, উনি একটা গ্রুপের সদস্য যেটার নাম ** নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন** ভাই
তারপর কি আর করবো, খুব কষ্ট করে একটা হাই স্কুলের পার্ট টাইম জব নিলাম, আর সাথেই লেখা লেখি করা শুরু করালাম, কিছু টিউশনি, এভাবেই কষ্ট করে একটু একটু করে, আমি যাদের থেকে মাল আনতাম, তাদের ঋণগুলো পরিশোধ করে দ
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
ডিউটি শেষ করে বের হলাম অনেক দিন পরে এক বদ্ধর সাথে দেখা হলো কথা হলো কুশল বিনিময় শেষে যখন আমি চলে আসবো তখন। বন্ধু ঃ চলো আজকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চমৎকার একটি ক্রিকেট ম্যাচ আছে দুজনে মিলে দেখবো আমি ঃনা ত
আলহামদুলিল্লাহ ,আজকে বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম এর ফুসফুস খ্যাত সি আর বি এলাকায় "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন "চট্টগ্রাম জেলা কতৃক টিকেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয় !
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
এখন আমার মনের মধ্যে এই বিশ্বাস দানা বেঁধেছে আমি পারবো, চাকুরী করবো না চাকুরী দিব ইনশাল্লাহ, সকলের কাছে দোয়া প্রার্থি।
আমাদের বাড়িতে অনেক গুলি দেশী পেয়ারা গাছ ছিলো, অনেক পেয়ারা ধরতো, কিন্তু কখনো বিক্রি করতো না। আমরা, আত্নীয় স্বজন ও আশেপাশের সবাই খেতো। তবুও এতো পেয়ারা কি আর খাওয়া যায়।* *একদিন আমার বড় ভাই আর আমি এক ঝাঁ
আমাদের এই মহত উদ্যোগেক কে স্বাগত জানিয়ে সাথে সার্বিক সহযোগিতা করেন স্থানিয় একটি যুব সংঘ," আদর্শ যুব পরিষদ " আদর্শ যুব পরিষদ এর প্রায় চল্লিশ জন সদস্য
বাবা মানে কি তা আমাদের কারো অজানা নয় । বাবা নামক শব্দটি ছোট হলেও এর ব্যাখা দেয়া কারো সন্বব না বাবা মানি এক জন ব্যক্তি বা মানুষ নন, বা কোন সন্পকের নাম ও নন, বাবা মানি বিশালতা , বাবা মানি বটগাছ
পারিব না একথাটি বলিও না আর কেন পারিবে না ভাবো একবার পাঁচ জনে পারে যাহা তুমিও পারিবে তাহা পারো কিনা না পারো কর যতন আবার
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে যে আমি এটা পারবই। বিভিন্ন ধরনের বাঁধা আসবে কেউ পিছনে অনেক কথা বলবে বা কেউ ভয় দেখাবে এটা হবে না, এটা সম্ভব না কিন্তু আপনি বা আমি থেমে গেলে চলবে না। নিজের
ভোলা জেলা ইউনিটের, খুবই জমকালো ও চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর ১০০০ তম দিন উৎযাপন হলো।
বর্তমান প্রবাসে আমার ৩১ বছর অতিবাহিত হচ্ছে আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই আছে আমার অনেক আলহামদুলিল্লাহ। ইতি মধ্যে দেশে গিয়ে কি করবো ভাবতে ভাবতে খুঁজে পেয়েছি "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" পেয়েছি
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
ছোট বেলা পড়াশোনা করছি নওয়াপাড়া শংকর পাশা স্কুলে ওখান থেকে এস এস সি পাশ,অনেক দুর পায়ে হেটে তারপর নৌকায় করে যেতে হোত স্কুলে। আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করতো আমার ভাইয়া পড়াশোনা করতে ঢাকায় গেলেন ।
গ্রুপের নাম দেখেই সেই গ্রুপে জইন হয়ে নিল তারপর সে গ্রুপে রেজিষ্টশন করে গ্রুপে নিয়মিত সময় দিতে লাগলো গ্রুপের প্রতি তাদের ভালোবাসাটাও ছিল অনেক সুযোগ পেলেই গ্রুপে পোষ্ট কমেন্ট ইত্যাদি করত একদিন নিলা গ্রু
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে ২০ তম ব্যাচ থেকে নিয়মিত সেশন চর্চা করে যাচ্ছি। আপনারা সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে চাই। তৈরি করতে চাই নিজের বলার মত
একটা সময় আমরা জামালপুর জেলা ১৪ টি পিছিয়ে জাওয়া জেলা গুলোর মাঝে একটা জেলা ছিলান।কিন্তু এখন আর পিছিয়ে নেই জামালপুর জেলা টিম, আমরা জামালপুর জেলার সদস্যরা এখন বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমরাই সেরা জেলা, ক
নবাবগঞ্জ উপজেলায এম্বাসেডর ফরিদা ইয়াসমিন এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানটি তে প্রধান অতিথি হিসেবে গুগল মিটের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন আমাদের মেন্টর #জনাব_ইকবাল_বাহার_জাহিদ স্যার । উপস্থিত ছিলেন
সবসময় টাকার জন্য কাজ করলে হয়না। উনার দোকান থেকে বের হওয়ার পর থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্লেস খুজতে থাকি এবং পরিশেষে একটা প্লেস পাই। আব্বু, ভাইয়ার সহযোগিতায় ছেলেদের পোশাক নিয়ে কাজ শুরু করি আলহামদু
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
সকালে উঠে ৭-৮ জন মানুষের রান্না শেষ করে ৪-৫ জন বাচ্চা কে পড়াতাম, তাদের পড়ানো শেষ করে দুপুরের আগেই বীমার টাকা কালেকশন করে দিতাম। তারপর তপ্ত রোদে ঘরে ফিরে দুপুরের খাবারের আয়োজন শেষ করতাম। তারপরেই সেলাই
একদিন সেশনে পড়লাম স্যার বলছে ইউনিক কিছু নিয়ে কাজ করতে। ডাক্তার বান্ধবীদের পরামর্শে অর্গানিক তেল নিয়ে কাজ শুরু করি নতুন করে। অনেকে আমাকে চেনে না,বুড়ি মহিলার সাথে কে বন্ধু তো করে।তবে করবে, আমি নিশ্চিত