খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় ত্রান বিতরন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছে নিজের বলার মত একটি গল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে খুলনা টিম।
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
গুড়ার একজন অসহায় গৃহহীনকে ১টা ঘর বানিয়ে দেয়া হয়েছে - ২০১৯ # ২ জন গরীব তরুণকে ৫০,০০০ টাকা ও অন্য ৪ জনকে ২৫,০০০ টাকা করে মূলধন দিয়ে ব্যবসা দাড় করতে সাহায্য করা হয়েছে - ২০১৮। # দেশের ৬৪ জেলায় সবাই মিলে
১ম অনুধাবন করি আমার কিছু করা প্রয়োজন। তাই ১ম স্টেপ নিলাম শেলাই।যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে আমি শেলাই এর উপর ট্রেনিং নেয়। কিন্তু ঘরে মেশিন না থাকায় তা অসমাপ্ত থেকে যায়। এরপরই আমি বল্কবাটিকের ট্রেনি
মানুষের মধ্যে সেই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ, যে অন্য মানুষকে সাহায্য, সহযোগিতা করে থাকে।
স্বাধীনতা দিবসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা দেশের জেলায় জেলায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা !
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
আমাদের স্বার্থকতা বা প্রাপ্তি এখানেই।।আমরা বলতে পারি,খুব শিঘ্রই Dohar Nawabganj College & University থেকে উৎদ্যোক্তা ক্লাব ও একঝাক শিক্ষার্থী পেতে চলেছি,,,যারা ভবিষ্যতে উৎদ্যোক্তা হওয়ার পথে অগ্রসর হ
এটাই আমার জীবন চলার পথে প্রথম সাহস, প্রথম আত্মবিশ্বাস যেটা আমাকে প্রতিদিন রিমাইন্ড করে! আর তাই তো কখনই যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতেও ভীত নয় কারণ আমি জানি আমার ভালো হবে, ইনশাআল্লাহ! 2003 সালে এসএসসি পরীক্
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
কাজ কররে গেলে অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা আসতেই পারে, তবে হাল ছাড়বেন না। ধৈর্য্য নিয়ে চেষ্টা করে যান সাথে মনোবল হারাবেন না। আমরা যদি মহাজ্ঞানীদের কথা ভাবি, নিউটনের কথাই ধরুন, যার গবেষনার সব কাগজ পুড়ে ছাই হ
একজন নিয়মিত রক্তদাতা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ টিমের সকলের প্রিয় কোর-ভলান্টিয়ার Mohammad Ali ভাই ।আমাদের প্রিয় আলীভাই গতোকাল সন্ধ্যায় একজন মূমূর্ষ রোগীকে AB+ রক্ত দান করেছেন । আল্লাহ্ যেনো উনার রক্তদান কবুল
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
কুষ্টিয়া জেলার ৯০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে মেগা মিট আপ
কোন কারনে কোন একজনের সাথে আমার একটু ঝামেলা হয়েছিলো। এই কারনে আমি অভিমান করে গ্রুপ থেকে দুরে ছিলাম। কিন্তু প্রতি মুহূর্তে আমি গ্রুপটাকে মিস করতাম। সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে আবারও আপনাদের মাঝে ফিরে এ
এই পৃথিবীতে আসে কিন্তু কয় জনই বা মরে গিয়ে অন্যের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে তাই চিন্তা করলাম এই ছোট জীবনে আমাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখে।
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।🌿 আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আমি সর্বপ্রথম প্রশংসা করছি মহান রাব্বুল আলামিনের; যিনি আমাকে দিয়েছেন সুস্থ একটি জীবন,
আমি যখন আমার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে একবারে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম, আমার ভালো বিজনেস ছিল, সেটাও কিছু কুৎসিত লোক আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে ধ্বংস করে ছেড়ে দিয়েছে,, আমি মানুষকে প্রচন্ড বিশ্বাস করতাম
স্লোগান কে সার্থক করতেই সারা বাংলাদেশ ব্যাপি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ব্যানারে সকল ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার পথচলায় আজ শুভ উদ্বোধন হলো সরকারি তিতুমীর কলেজের উদ্যোক্তা ক্লাব।
একটি বৃদ্ধাশ্রমে নিজ জন্মদিনে কিছু সময় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় রাজবাড়ী জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
আমার বড় ছেলে ক্লাস সেভেন এ পড়ে তো ছেলের নতুন বয়স্ক স্যার প্রাইভেট পড়াই তবে স্যারের সাথে আমার তেমন কথা হয় না কারণ আমি মাঝে অনেক দিন অসুস্হ ছিলাম। আজ স্যারকে নাস্তা দিতে গেলে স্যার বলছে আপনি কি সুস্হ হয়
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
নিজের বলার মত একটা গল্প ১, ২, ৩ করতে করতে আজ শেষ হলো ১৫ তম মিট আপ। আজকের মিট আপ Opportunity Sharing Programme "গর্জে ওঠো খুলনা" শিরোনামে সম্পন্ন হলো। সকলের উপস্থিতিতে ও আজকের কনভেনর ও কো-কনভেনর এর কঠো
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
যে কোন জায়গায় আমার গ্রহন যোগ্যতা পাওয়া যায়, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে যে সঞ্চয় গুলো ছিল তা দিয়ে একটি বাসা বাড়ি তৈরী করি বাড়া দেওয়ার জন্য, তার কাজ এখনো শেষ হয় নাই, করুনা মহামারী এসে জিবন টা কে আরো তছনছ
লালবাগ জোনের উদ্যােগে কোরআনের পাখিদের সাথে সুন্দর একটা ইফতার ও দোয়া আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে
ময়মনসিংহ জেলার সকল দায়িত্বশীল এবং সম্মানিত আজীবন মেম্বারদের মিট আপে উপস্থিত হয়ে মিট আপ সফল করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
মায়ের মৃত্যুর পর আমার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বাবার অনুরোধে আমি প্রায় ৩ বছর পর H S C পরীক্ষা দিয়ে পাশ করি। BBA ও কম্পিলিট করি। ছোট ভাই অবশ্য ২০০৭ সালে S S C পাশ করেন। বাবা, বালিয়াকান্দি বাজারে
দুঃখের সমুদ্র পাড়ি দিলেই আশায় আলোর চিকচিকে বালুচরে সোনালী রোদ উপভোগ করা যায়। সময়ে সাথে সাথে আমার অবস্থার পরিবর্তন হল, ভাইদের হাল না ছেড়ে ঘুড়ে দাঁড়ানোর তীব্র প্রচেষ্টায় আজ আমাদের অবস্থা ফিরেছে
আমার জন্ম থেকে বেড়ে ওঠার যমুনা নদীর চরের মধ্যে আমার ছাত্র জীবন ভালোই চলছিল এবং তখন আমি ছাত্র অনেক ভালোই ছিলাম জেএসসি পাস করে যখন নবম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হলাম আর তখনই আমার জীবনের এক ভয়ঙ্কর বাধার সম্ম
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর পরিবেশে শেষ হলো খুলনা জেলার নিজের বলার মত একটা গল্পের আগষ্ট মাসের মাসিক মিট আপ ও নবীন বরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
আসলে একটা মেয়ের জীবনে একটা স্বামী সব হতে পারে না একটা মেয়ে চাইলে স্বাবলম্বী হতে পারে আর আমি সেই স্বাবলম্বী নারী হতে চাই এবং অন্যকেও স্বাবলম্বী করতে চাই জীবনে কত টাকা ইনকাম করতে পারব কি পারব না সেটা
প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলে এখন ঘরে বসেই যেকোনো বিষয়ে কোর্স করা যাচ্ছে। বাংলাদশেও এর ব্যাতিক্রম নয়। লাখো তরুণ চাকরির পেছনে না দৌড়ে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন উদ্যোক্তা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে অনলাইন
ই ছোট্ট জীবনে আমার প্রতিটা পদক্ষেপ শুরুতেই শেষ হয়ে যায়, হয়তো তা দ্বিতীয় বারে হয়েছে বা কখনো দ্বিতীয়বারেও হয় নাই। সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল এইটা যে,দৈনিক জীবনের ছোট খাট প্লানগুলো আমার কখনো প্লান মোতাবেক হয় না
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
জীবন মানেই আমি মনে করি লড়াই বা প্রতিযোগীয় টিকে থাকা, এই গ্রুপে এড হয়ে যেটা আমি হেটে হেটে কিংবা সিড়ি দিয়ে আগাইতাম সেটা এখন স্যারের সেশান গুলোর কারনে লিফটে করে আগাইবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাসী আমি সাহস
সাহস করুন শুরু করুণ লেগে থাকুন সাফল্য আসবেই❤️ তারই ধারাবাহিকতায় এবং নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম মহা সম্মেলন পরবর্তী অফলাইন মিটআপ বরিশাল উদ্যোক্তাদের নিয়ে, ৫ম সম্মেলনে বরিশাল উদ্যোক্তগন কে কি শ
উক্ত অনুষ্ঠানে ইউনিক দুবাই টিমের সকল দায়িত্ব শীল সহ আজীবন সদস্য উপস্থিত ছিলো আলহামদুলিল্লাহ, এভাবেই এগিয়ে যাবে ইউনিক দুবাই টিম। উপস্থিত সকলের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও আন্তরিক ভালোবাসা।
আমি যখন প্রথমবার যখন স্ট্যাটাস অফ দা ডে নির্বাচিত হয়েছিলাম তখন আমার দোকানে কাষ্টমার ছিলো। বার বার শুধু নোটিফিকেশন আসতে লাগলো, চেক করে দেখি ওমান টিম ও ফেনী টিম থেকে শুরু করে অনেকেই নক দিয়ে অভিনন্দন
বিশ্ব পরিচিত ভুলতা গাউসিয়া সুপার মার্কেট। নরসিংদী জেলার পার্শবর্তি, মার্কেট।
কিশোরগঞ্জ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক লেখাপড়া শুরু হয় আমার। তারপর দুই বছর পরপর বাবার বদলি আর আমার নতুন নতুন স্কুল হতে লাগলো। দুরন্ত শৈশবস্মৃতি পড়ে রইলো কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজ এলাকায়, ল