এর পর পরিবহনের চাকরি করতে হলো ১ বছর। পরিবহনে চাকরি করতে গিয়ে দেখি অন্য এক জগৎ। আমাকে শিকার করতে হবে। আমার অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। প্রথম মাসে টিকেট কাউন্টারে বসতে হবে। প্রথম সপ্তাহে গেল প্রশিক্
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
বিনা মূল্যে টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনে নাটোর জেলা টিম, আলহামদুলিল্লাহ সফল আয়োজন। সবাই মিলে একটা সুন্দর দিন পাড় করলাম আলহামদুলিল্লাহ। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর I
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
আমি ছিলাম আমার বাবা মা এর একমাত্র সন্তান। আমার বাবা মা আমাকে অনেক আদর ও শাশন এ লালন পালন করেছেন। তখন আমার ছোট বোন ছিল না আল্লাহ তাআলা ওকে পাঠিয়েছেন যখন আমার বয়স ১৫ বছর তখন । আমার বাবা মা আমাকে এমন আ
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
আমার ছোট্ট বেলা বৈশাখের আমেজ ছিল ভিন্ন।ছোট্ট বেলায় বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই বৈশাখের আমেজ শুরু হয়ে যেত। প্রত্যেকদিন গণনা করতাম কবে বৈশাখ আসবে?কি কিনব সে নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলতাম। বাবা- মা কাছে মেলা
ধন্যবাদ জানায় সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর সোহাগ আরাফাত ভাই, ক্যাম্পাস এম্বাসেডর ফিরোজ সাহ ভাই
গতকাল রাত থেকেই চিন্তা করছিলাম আগামীকাল তো হাটবার, বেচা কিনা কেমন হবে আল্লাহ জানে, তারমধ্যে এখন আবার নতুন করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা চাকরি নিয়েছি, সে সুবাদে মাদ্রাসার কিছু দায়-দায়িত্ব আছে, এত শত ব্যস্
আমার জীবনের হতাশা বঞ্চনার মাঝে সেরা প্রাপ্তি হয়ে আমার জীবনকে স্বপ্নের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " যেখানে শিখবো এবং নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করবো।
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তাআলার অশেষ কৃপায় ময়মনসিংহ জেলার চারটি উপজেলা (ফুলপুর,তারাকান্দা,ধোবাউড়া, হালুয়াঘাট) তারিখ 17/05/21 এর উদ্দোগে ঈদ আড্ডা সফলভাবে সম্পুর্ন করতে পেরেছি। এই ঈদ আড্ড
হ্যাঁ সিদ্ধান্তটা সাথে সাথেই হুট করে নিয়ে নিলাম। কারণ আমার সই ছিলো পুরান ঢাকার মেয়ে, সে হিসেবে ওর চেনা জানা কিছু কাপড়ের দোকান ছিলো। পুরান ঢাকার কাপড়ের ব্যাপারে অনেক শুনেছি, যখন বাটিকের কাজ শিখলাম।
আমরা অত্যান্ত আনন্দিত ও আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আমাদের পতেঙ্গা জোনের অফলাইন মাসিক মিটআপ আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।
❤️বিসমিল্লাহ রাহমানির রাহিম ❤️ ☘️ আস্সালামু আলাইকুম☘️ 🙏🙏🙏🙏সকলকে পড়ার অনুরধ রইলো🙏🙏🙏 👉👉👉জীবন গল্প👈👈👈 🙏প্রথমে লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাই মহান রবের দরবারে যিনি আমাদের কে ১৮ হাজার মাখলুক
সারাদেশে সাড়ে ছয় লাখ তরুণকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা দুই হাজারতম দিনের উদাহরণ গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)।
পাহাড়ের আকাঁ বাঁকা মেঠোপথে হেঁটে চলে এক সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্যে দিয়ে আমার বেড়ে উঠা।সেই ছোটবেলা থেকে নতুন কিছু শিখার আর জানার প্রতি আমি অধিক আগ্রহী ছিলাম। অজানাকে জানার জন্য অধিক কৌতুহলী ছিলাম ।
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
বোন বড় মাঝে দুই ভাই আমি সবচেয়ে ছোট ছিলাম। আমরা বড় হয়েছি জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা অত্যন্ত কড়া শাসনের ও আদর স্নেহ মধ্যে দিয়ে। আমি যখন খুবই ছোট আমার বড় ভাই মারা যায়। আমাদের পরিবার মোটা মুটি ভালোই
আমার জীবনে আমি অনেক খারাপ সময় পার করেছি।অনেক কষ্ট সহ্য করেছি।যাকে আমার পাশে পাওয়ার কথা ছিলো তাকে পাইনি।তবে আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ পাশে পেয়েছি যারা আমাকে আমার জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
১বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা (মাগুরা) #২.নীলদর্পন এর রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এর বাড়ি(মাগুরা) #৩.মাগুরা জেলা ডুবলে,,পুরো বাংলা দেশ তলিয়ে জাবে। #৪.রাজা সীতারাম রাজার রাজ বাড়ি এই মাগুরাতেই। #৫.আরো
বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা, আমাদের পরিবারের সকলের প্রিয় মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক, উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর, সামাজিক ও মানবিক কাজের লিডার, জীবন্ত কিংবদন্তি, তরুণ তরুণীর আইডল, হাজারো মানুষের মনের মানুষ, জনাব Iq
একজন উদ্যোক্তার বিশেষ করে পুরুষ উদ্যোক্তার প্রতিটা দিনই অনেক রকম চ্যালেঞ্জের সঙ্গে পার করতে হয়, একজন পুরুষ বিজনেস করতে পারে সমাজের চোখে এটাই যেন অনেক বড় একটা অপরাধ, আশেপাশের মানুষগুলোর বাঁকা দৃষ্টি ব
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
#শেরপুর_জেলার সদস্যদের অংশগ্রহনে #২য়_মিটআপ আজ ৮/১০/২০১৯ ইং তারিখ সফল ভাবে সম্পন্ন হল।সকলে উপস্থিত হয়ে মিটআপ অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কোনো কোনো দিন টাকা না থাকায় আদা কেজি মুড়ি বাকিতে আনার জন্য দোকান্দারের কাছে বসে থাকতেন বাবা। দোকান্দার বাকিতে দিলে তা নিয়ে আসতেন আমাদের দুই ভাই কে দিতেন। আর 🔹মা🔹শুধু কাঁদতেন আমাদের নিয়ে😭 ভালোবা
৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনকে সফল করার লক্ষ্যে নেত্রকোনা জেলা অফলাইন মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের অফলাইন মিটআপ এ উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলার প্রায় সকল দায়িত্বশীল ও সকল আজীবন সদস্য এবং ময়মনস
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য আলহামদুলিল্লাহ তার ডাকে মানবতার মানবতার হিরো
আমরা তিন ভাই বোন। আমি ছিলাম সবার বড় বাবার চাকরির সুবাদে আমার ছোট বেলা কাটে দেশের বিভিন্ন জায়গায় । ছোটবেলা থেকে আমার পড়াশোনার প্রতি ছিল অনেক আগ্রহ। এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করার পর আমি অনার্সে ভর্তি
আমার স্বপ্ন একদিন উদ্যাক্তা হব আমার প্রতিষ্ঠান এর তৈরি করা পন্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক আমার মাধ্যমে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হোক এবং সকলে ভালো থাকবে এবং আমি দুজন এতিম দের পাশে থেকে তাদের স
এক পর্যায় ধিরে ধিরে আমাদের পরিবারে কষ্ট নেমে আসে এবং তখন থেকে বাবাও মাঝে মধ্যে অসুস্থ হয়ে পরেন পারিবারিক সমস্যা কারনে দিন দিন বাবা দুর্বল হয়ে যাচ্ছেন হঠাৎ মা আমাকে বললেন তুমি কিছু একটা কাজ কর আয় রোজ
আমিঃ ভাই দুই ভাবে দিতে পারবেন বিশ্বাস করলে পুরোটা দিতে পারেন আর শুধু চার্জ টাও এডভান্স করতে পারেন।কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারি করলে একটু সমস্যা আবার কুরিয়ার থেকে পরে টাকা আনতে যেতে হয়।তারা নিদিষ্ট টাকার উ
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
যে কোন দেশের বেকার সমস্যা ঐদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক বাধা, এবং বর্তমান বাংলাদেশর অবস্থাও তাই। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্যা যেমন দেশে প্রভাব ফেলছে তেমনি প্রবাসেও। প্রবাসে বেশিরভাগ শ্রমিক
ডিগ্রী শেষ করেই ঢুকে পড়ি কর্ম জীবনে, একটা সেলস এর জব নিয়ে চলে আসি ঢাকায়। পরবর্তীতে আরও দুই একটা কোম্পানি ঘুরে ঘুরে কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। বর্তমানে আছি আড়ং ডেইরি পরিবারের সাথে একজন সেলস ম্যানেজার হি
আমার বিদ্ধা শিক্ষা অর্জনের ফেমিলি শিক্ষক হিসেবে বাবার চেয়ে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। পড়া লেখা, চলা ফেরা, এক কথায় অল সাইট তদারুকির দায়িত্ব ও অবদান বাবার চেয়ে মায়ের বেশি।
#আম_মেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান।
এক বন্ধু নবাব পুরের বড় ইম্পোটার বেশ বড় দোকান আছে, তিনি বিভিন্ন ধরনের পন্য ইমপোর্ট করেন। অন্য বন্ধু বিদেশ ফিরত, টাকা পয়সা ধরা খেয়ে এখন সে নিঃস্ব সুতরাং সে নবাবপুরে বন্ধুর দোকানে বসে সময় দিতে থাকে
পাড়া কুটুমবাড়ী পার্টি সেন্টার এন্ড রেস্টুরেন্টের হল রুমে অফলাইন মিট আপ ও উদ্যোক্তা মেলা-২০২১ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআন করে ছেন মোঃ ইয়াসিন আত্তারী থেকে তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনা,ফু
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
আগামী,, "উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২" ও "৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী" উপলক্ষে অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, আয়োজনেঃ খাগড়াছড়ি জেলা টিম আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্
উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
সবার জীবনেই স্বপ্ন থাকে নিজে কিছু করার। কিন্তু এই নিজেকে কিছু করতে হবে এই ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজ করতে গেলে বোঝা যায় নিজের একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কত কষ্ট করতে হয়। আপনা
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
২বছর চিকিৎসা চলার পর যখন জানতে পারি আমি কখনো সুস্থ হবোনা আর তখন খুব জোরে জোরে হেসে উঠেছিলাম।ডাঃ টিম খুব অবাক হয়েছিল আমার কান্ড দেখে।টেবিলের ওপারে ৬ জন ডাঃ বসা,এপারে আমি আর আম্মু। আম্মু যখন এটা শুনলো
একজন ভালো মানুষ সমগ্র পৃথিবীর জন্য আলোকবর্তিকা। আর প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমাদেরকে সর্বদা সেই ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আসলে স্যারের প্রতিটি কথার মধ্যে আমার মনে
বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জেলা পতেঙ্গা জোন" কতৃক একটি সুন্দর ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং কোরআন খতম সম্পূর্ণ হলো ,আলহামদুলিল্লাহ।
বড্ড মন খারাপ। চারদিকে শুধু মানুষের বিপদ আপদ আর অসুখ বিসুখ। এই আহাজারি যেনো প্রতিদিনের নিত্য রুটিন হয়ে উঠেছে। অসুস্থ থাকলে বুঝা যায় আসলেই সুস্থতা আল্লাহর দেয়া কত বড় নেয়ামত❤️❤️। জানিনা মহান রব এই কোন ক