তুন২০২০ সালকে স্বাগতম জানাচ্ছি । ব্যাবসায়িক জীবনের ১৪ বছরে পদার্পন করছি । অনেক সুখ দুঃখ গাঁথা নিয়ে আমার এই কর্মজীবন । আমি এই গ্রুপে রেজিস্ট্রেশন করেছি বেশ কিছু দিন আগে । add আছি বেশ কয়েক মাস থেকেই
জীবনের গল্প সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা পূর্ণতা অফুরন্ত সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়েই আমাদের জীবনকে মহান আল্লাহ-তাআলা প্রতিটা
দুঃখের বিষয় মনে মনে করতাম চাকুরি পেয়ে টাকার অভাব ঘুচবে আর ভালো ভালো চাকুরির বই কিনে পড়ব আর ভালো চাকুরির পরীক্ষা দিব।কিন্তু আমার পুরা পরিবারের দায়িত্ব যেন তখন আমার মাথায় একটা পরীক্ষাও আর দেওয়া হল না টা
আগামীর জন্য স্বপ্ন বোনে। কিন্তু আমার জীবনের সেই স্বপ্ন বোনাটা খুব বেশী দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমি যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী ঠিক তখনই আমার বিয়ে ঠিক হয়। অনেক চেষ্টা করেও বিয়েটা আটকাতে পারি নি। বিয়ের
আমাদের সংসার খুব ভালই চলতেছিল, তিন ভাই এক বোনের সংসার খুব সুন্দর সংসার সাজানো গোছানো পরিপাটি, ছিল না কোন দুঃখ কোন অভাব মোটামুটি ভালোই ছিলাম, বড় ভাই বড় বোন তার উপরে আমি আমার ছোট একটা ছোট ভাই আছে, 199
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
আমার শিশু কাল কেটেছে আমার নানুর সাথে বেশি সময়,আমরা দুই বোন দুই ভাই ছিলাম, আমাদের গ্রামের পরিবেশটা তেমন ভালো ছিল না, তাই আম্মা আমদের কে মামার বাড়িতে রেখে পড়া লেখা করেয়েছেন,আর নিজে অনেক কষ্ট করতেন,সকাল
সম্মানতি উদ্যােক্তাগন, বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে।
কৃতজ্ঞতা প্রান প্রিয় মেন্টর উদ্যােক্তার কারিগর আমাদের নয়নের মধ্যে মনি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। এতো সুন্দর একটা ভালো মানুষের প্লাটফর্ম তৈরী করে দেওয়ার জন্য।
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
আউফল পৌরসভা এবং পৌরসভার বাহিরে মোট দশটি মাদ্রাসা এবং কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
আমাকে টেক্সট করার জন্য। ফর্কলিফট অপারেটিং এর কথা কাউকে জিজ্ঞেস করলাম না। কারণ মনে মনে ছিলো কোম্পানির দেয়া আমার পার্সোনাল ড্রাইভারকে দিয়ে কাজটা সেরে নিবো। কোথাও কোনো সর্টিং দরকার হলে আমি নিজে লেগে য
আজ ১০/১২/২১ রোজ শুক্রবার উদ্যোক্তাদের মান উন্নয়ন ও ৪র্থ মহাসম্মেলন এর প্রস্তুতি উপলক্ষে লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো একটা চমৎকার অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপ এ উপস্থিত ছিলেন রায়পুর রুস
এরপর যখন বিদায় নিতে যাব তখন সবচেয়ে বেশি বিষ্মিত হই। ওই ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে আমাদের গলা জড়িয়ে কান্না করছিল। সত্যিই সেই মুহূর্তটা কখনো ভুলবার নয়, তারপর আমাদের অবাক করে দিয়ে উনি আমাদে
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
জীবনে কিছু সময় আসে যেটা কোনোদিন ভোলা যায় না। ঠিক এমনই একটা দিন ছিলো আমার জন্য। ০৪/০১/২০ ছিলো অনেক স্বপ্নের একটা দিন। দিনটা ধার্য্য ছিল আগে থেকেই কিন্তু যারা চাকুরি করি তাদের ছুটির একটা ব্যাপার থেকেই
আমার রক্তে যদি বাচিয়ে লিখতে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণঘাতী, তাহলে আমি কেন স্বচ্ছায় রক্তদান করব?
যে কোন দেশের বেকার সমস্যা ঐদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক বাধা, এবং বর্তমান বাংলাদেশর অবস্থাও তাই। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্যা যেমন দেশে প্রভাব ফেলছে তেমনি প্রবাসেও। প্রবাসে বেশিরভাগ শ্রমিক
গতকাল এর চাদপুর এর মিটআপ টা আমার ১ম মিটআপ তার আগে কখনো কোন গ্রুপের সদস্যদের সাথে এভাবে মতবিনিময় হয় নি আমার এত ভালো লেগেছে যে মনে হচ্ছে অনেক দেরি করে ফেলেছি এখানে আসতে আরো কয়টা মাস আগে বা শুরু থে
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক
আগুনের বহু উপকার রয়েছে, এই শীতের সকালে যদি খড়কুটা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে রাখা হয়,তবে কার মণ চাবে না আগুনের তাপ পোহাতে, গ্রামের ছোট বড় ছেলে মেয়েরা একসাথে আগুনের তাপ পোহায় আর সূর্যোদয়ের অপেহ্মায় থাকে,, কি
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
এই কথাটা আমি সত্যি। আমি মানি কারণ আমার সে ইচ্ছা ছিল বিদাই আবার পড়া লেখা করতে ভর্তি হয় আমার মেয়ের জন্মের ৫বছর পর আমার বাবাকে বলে আমি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশন নিই।সরকারি মুসলিম হাই স্কুলে ২০১৫
তাকে দেখে নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে অপরাধী মানুষ বলে মনে হচ্ছে। আমি এই কাজটা না করলে ও পারতাম। ছেলে "আম্মু" বলে ডাক দিতেই বেচারী পানির মগটাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে সেকি কান্না, কি আহাজারি,
সব জেলায় তো ইফতার ও দোয়া হচ্ছে আমাদের বগুড়া জেলা কেন পিছিয়ে থাকবে, আমাদের ও ইফতার মাহফিল করতে হবে
তিনি বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকার তরুন তরুনীদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার লক্ষে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বপ্ন এক লক্ষ ভালো মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করার শপথ নিয়ে
আমি মা বাবার একমাএ ছেলে তাই চুরি করে চলে গেলাম , হইতো বল্লে মা, বাবা যেতে দিবে না ভেবে, একটা চিঠি পৌষ্ট অফিসে, আর একটা চিঠি বালিশের নিচে, **** মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিতে প্রথমে, কলকাতা বেচ ক্যাম্প ---
কমিটমেন্ট রাখা এবং কাওকে না ঠকানো। 👉মা বাবাকে ভালোবাসা ও আদর, সেবা-যত্ন করা। 👉অসহায় মানুষের পাশে থাকা। 👉সফল না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকা।
আলহামদুলিল্লাহ সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী জেলা টিমের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল,
সর্বশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি লাখো মানুষের আইডল উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর এ যুগের স্বপ্নদ্রষ্টা মানব প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি এত সুন্দর একটা পরিকল্পনা না করিলে আমরা পেতাম না।
জেলা সুনামগঞ্জ তিন তিন বার বন্যায় কবলিত হয়। আজ সেই বন্যার্তদের মাঝে কিছু ত্রাণ সামগ্রী উপহার দিতে পেরে আমরা সুনামগঞ্জ জেলা অত্যন্ত আনন্দিত
সবার প্রথম ধন্যবাদ জানাই নাসরীন জাহান বাসা পুঠিয়া,থাকে ঢাকায় ধানমন্ডি, জোন এম্বাসেডর, পুঠিয়া উপজেলায় প্রথমবারের মত রাজশাহী জেলা থেকে গিয়েছি আমরা তাই সে নিজে থেকে মিটআপ টি সম্পন্ন করেছে।
আমি আরো বিশ্বাস একদিন মানিকগঞ্জ জেলাও সফল উদ্দোক্তা তৈরি করতে সক্ষম হবে।
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
হঠাৎ একদিন চোখে পড়ল নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এবং ফ্রি কোর্স টানা ৯০ দিনের,,, চিন্তা করলাম স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে এমন কিছু শেখা উচিত করে ফেললাম রেজিষ্ট্রেশন একা একাই।
নওগাঁ জেলার ১৪০ জন এতিম ও অসহায়দের মাঝে ইফতার বিতরন করা হলো
✒️মানুষ পারে না এমন কিছু নেই। সময়, শ্রম আর স্বপ্ন কখনো আপনাকে ফেলে দিবে না।এই তিন উপাদান সাথে থাকলে আপনি সব অসম্ভব কে সম্ভব করতে পারবেন।
প্রিয় স্যার একটি কথা বলেন যেটি আমার অন্তরে গেথেগেছে -কেউ আপনার বিশাল পৃথিবীকে হয়তো একটু খানি ঠকাতে পারবে কিন্তুু সে পুরাই ঠকে যাবে তার ছোট্ট পৃথিবী নিয়ে❤️❤️ ❤️❤️যখনই মোন খারাপ থাকতো তখনই ইন্টারনেট ঘা
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
আজকের এই দিনে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার কে। যার অবদানে আমরা পেয়েছি বিশাল এই ম
🌹গতকাল ১২ ই জুলাই২০২২ তারিখ রোজ মঙ্গলবার হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের নওগাঁ জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত উদ্যোক্তাদের অফলাইন মিট আপ।
দেশে এলো মহামারী করোনা । করোনার জন্য সকল অফিস ছুটি ঘোষণা করলেন রাষ্ট্র। সেই সুবাধে আমারও অফিস বন্ধ হয়ে গেল। সবার মতো ঘরে আটকা পড়লাম আমিও। অলস সময় পার করতে লাগলাম বই পড়ে, গল্প লিখে। ওহ হ্যাঁ, আপনাদেরকে
দিন, দিন, কাষ্টমারের পাশাপাশি, সদস্য সংখ্যা ও বেড়েই চলেছে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় ঠ প্রিয় শিক্ষক জনাব, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যার অক্লান্ত পরিশ্রমে পেয়েছি এতো বড় একটা নেটওয়ার্ক,
ফেনী জেলার কর্মসূচি দিনে এনে দিনে খায় কর্মসূচি । প্রয়োজনে কম খাবো তবুও ভাগ করে খাব