জীবনেকে নিয়ে অনেক সপ্ন দেখেছি তা ভেঙ্গেপ গিয়েছে কিন্তু সপ্ন দেখা বন্ধ করিনি। প্রতিদিন সপ্ন সাজাই ও তা বাস্তবে রুপ দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আসলে আমি একটু ভিন্ন ভাবে নীজের জীবনে চলার পথের গল্প টা তুলে ধরলাম ভুল ত্রুটি অবশ্যয় আছে আশা করবো সকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আল্লাহ আমরা সকল কে একজন ভাল মানুষ হিসাবে বেছে থাকার তৌফিক দান করুক।
NRB কাতার এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
_____বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম ______ ________আসসালামু আলাইকুম_________ _____ওয়া রহমাতুল্লাহিওয়া বারাকাতুহু____ ____শুরুতেই মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি কারণ
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোন এর অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী। চমৎকার আয়োজন ছিলো। এভাবেই এগিয়ে যাবে ঢাকার প্রতিটা জোন। আয়োজক ও যারা অংশগ্রহন করেছেন তাদের প্রতি অনেক
আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমাদের মত লক্ষ লক্ষ তরুন তরুণী নিজের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে হাটতে শিখছে।
ব্যবসায়ীক অভিঙতা ২ বছরের হচ্ছে আল্লহর রহমতে এখন ভালো মন্দ পার্থক্য বুঝে গেছি। অনেক বার হোচট খেয়ে পরে গেছি, আবার উঠে দাড়িযেছি। হার মানিনি।
♦"ভিশন -উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২"♦ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা ৬০দিনব্যাপী (৬পর্বের) কর্মসূচি চলমান রয়েছে। মহাসম্মেলনে সর্বোচ্চ উপস্থিতি এবং আগামী দিনের
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
ঈদ পুনর্মিলনি ২০২২ ও মাসিক অফলাইন মিটআপ, স্থানঃ রেলের মাঠ রাজবাড়ী,আয়োজনে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন রাজবাড়ী জেলা
🍁 নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলার মাসিক মিটআপ
"দিনে এনে দিনে খায়" গত তিন দিনে সবাই নিজের সাধ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষদের কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়ার জন্যে।
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
১৪/১৫ বছর মানে মনের মাঝে হাজার টা রঙ্গিন চিন্তা ভাবনা। হাহাহাহাহা, হুম সবার মত আমারো ক্রাশ ছিল।রঙিণ জীবনের রঙহীন মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক ও বেশ ভালো ছিল। কিন্তু কয়েক মাস পর জানতে পারলাম ঐ ছেলের
স্বপ্ন আগেই ছিলো কিন্তু কোন কিছু শুরু করার সাহস ছিলো না। স্যারের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা এবং সাহস পেয়ে শুরু করে দিলাম। কিছু প্রোডাক্ট কিনে আনলাম, কিনার আগে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং সেই রোকসানার সাথে
আসসালামু আলাইকুম,, আলহামদুলিল্লাহ,,,, আজকে ৬ষ্ঠ তম রক্ত দান করলাম। সবাই দোয়া করবেন। আজকের প্রোগ্রাম শেষ করে রক্ত দিলাম।
বিষয় টি হচ্ছে, আমার একজন খুব কাছের পরিচিত মানুষ। তিনি একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত আছেন,প্রতিমাসে ৪৫,০০০/- টাকা সেলারি পান,কিন্তু কোম্পানি টানা ৩ মাস সকল স্টাফদের বেতন আটকে রাখছে, ত
এরই ফাকে ভাইয়ের সাথে সুইটার ফ্যাক্টরিতে কাজ শিখতে শুরু করলাম,,যেহেতু ঢাকা গাজিপুরেই আছি! 2015 সালের লাষ্টের দিকে আমার অজান্তেই আমার ভালোবাসার মেয়েকে তার ফ্যামিলি জোর করে বিয়া দিয়ে দিলো,, এটা শুনার পর
আগে পরের বিক্রি হোক বা না হোক। অফার চললে বিক্রি হুরহুর করেই বাড়ে। জ্বী ডেলিভারি চার্জের কারনে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে চায় না। আমার নোয়াখালী কাস্টমার ছিলো। কাস্টমারদের একটাই আবদার হাতে হাতে
মানব মনের ক্ষমতা অদ্ভুত ও অনুভবনিয়! মানব মনের ওপর আস্থা কিভাবে কাজ করে? আকাঙ্ক্ষার প্রচন্ড প্রভাব কেমন? বাস্তবতার সাথে এইসব অদৃশ্য বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে? কীভাবে আকাঙ্ক্ষা ও আস্থার যোগফলে অসম্ভব কাজ
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো আমাদের নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর নাটোর জেলা টিম থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে,৫৫ টা দুস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
জীবনে বলার মতো এটা গল্প থাকা দরকার”। আর সেই গল্প সৃস্টি করার লক্ষ্যে আমার অর্গানিক ফুড নিয়ে পথ চলা। আসলে যা বলতে চাচ্ছি, কোন কিছু করার জন্য আপনার ইচ্ছা শক্তিই যথেস্ঠ, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, ধৈর্
জেদকে যারা বিলাসিতা মনে করে তারাই জগতে পিছিয়ে থাকে সব সময় সব জায়গায় জেদ করতে নেই,,,,,,,,,। 👍যে ব্যক্তিই প্রকৃত জেদি সে কমের মাধ্যমে নিজের জেদ প্রকাশ করে থাকে,,,,,,,,,,,,,,।
যার অক্লান্ত শ্রম ও চেষ্টার ফলে আমরা একেকজন ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি হচ্ছি এবং উদ্যোক্তা বিষয়ক যত শিক্ষা তার নিখুত ধারনা পাচ্ছি। আমি মনে করি স্যার না থাকলে আমরা হয়তো এই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতাম
★মিট আপ+আনন্দ ভ্রমণ! মৌলভীবাজার জেলা 06/09/19 তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময়, দোলনচাঁপা ইকো পার্ক কুলাউড়ায়। সবার প্রথমে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সকলের প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার কে।স্যার এর কারনে আমর
২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ভেন্যু নির্বাচন ও উক্ত প্রোগ্রামের প্রাথমিক আলোচনা সংক্রান্ত মিটআপ চমৎকারভাবে পজিটিভ শরীয়তপুরের দায়িত্বশীলদের নিয়ে সম্পন্ন হলো আজ।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেছি মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে করোনায় হাসপাতালের বেডে, শরীরের কোন অঙ্গ হানি করে ঘরে না বসি
দিনটা ছিলো কোনো এক শনিবারের সকাল। পড়ালেখা নেই করোনাতে ঘর বন্ধি জীবন। কি ভাবে কাটাবো ফিউচার লাইফ সে চিন্তায় চিন্তায় ক্লান্ত। পড়ালেখা আর কোনো দিন চালু হবে কিনা তা অজানা। কি ভাবে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক
আমি আমার বড় ভাইকে বললাম এবং উনি টাকা দিতে রাজি হলেন এবং তারপরে আমি গিয়ে নাটোরে টেসটাইল ইঞ্জিনিয়ারগিয়ে ভর্তি হলাম । তারপরে আমার মা আমার নানাবাড়ি থেকে কিছু টাকা নিয়ে আসছিলেন এবং সেখান থেকে আমাকে
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার আমাকে হতেই হবে সেটা যেভাবেই হোক,দায়িত্বশীলদের পরামর্শ নিয়ে লিখতে শুরু করলাম আমার জীবনের গল্প প্রায় ১৫ দিন পর লেখা সমাপ্তি করে একদিন পোস্ট করলাম।
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
🙏🙏নমস্কার// আদাব শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে স্বরন করছি পরম করুণাময় ঈশ্বর যিনি এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সকল সৃষ্টির মালিক । যার অশেষ কৃপায় সুন্দর এই ধরণীর বুকে এখনো আমরা সুস্থভাবে বেঁচ
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামগতি উপজেলার কলেজ শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট উদ্যেক্তা ও সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গ।
বাইরে রোদের মধ্যে খেলতে খেলতে গায়ের কালার উগান্ডার নাগরিকদের মত হয়ে গেছিলো। একদিন ঈদের সালামি জমা করে আমার জীবনের প্রথম ক্রিকেট ব্যাট কিনি। তখন নিজের একটা ব্যাট থাকা মানে অনেক কিছু।সবাই ডেকে ডেকে খেল
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
আমার একান্ত নিজের আবেগ,অনুভুতির এলোমেলো, অগোছালো কথা ধর্য্য সহকারে পড়ার জন্য প্রিয় ফাউন্ডেশনের সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্য ভাই ও বোন দেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। অনইচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
হয়ে গেলো #খুলনা_টীমের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী, মিট আপ ও Protul Pathak দাদার খুলনা থেকে ঢাকায় যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ও সংবর্ধনা! এই করোনা কালীন সময়ে সবাই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আজকের মিট আপে অংশগ্রহণ
💐"ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল। কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি আমাদের আমাদের প্রিয় মেন্টরের প্রতি যার অবদানে আমরা এই সুন্দর প্লাটফর্ম পেয়েছি৷
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
আজকের টাঙ্গাইল জেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এবং চমৎকার একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত হয়েছে।
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক # গোপালগঞ্জ (ঢাকা)জেলা "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছেন অফলাইন মিট আপ। 🔊
প্রবাসী স্বামীর শপিং 👇👇 স্বামীঃ হ্যালো, কি হলো তোমার? এতো সময় ফোন বেজেই চলছে, অথচ ফোন ধরলে না?? স্ত্রীঃ ফোন দিলেই যে সবসময় রিসিভ করতে হবে এমন কেনো ভাবছো😠 স্বামীঃ সাধারণ একটা শপিং নিয়ে তুমি এমন ক
আরে তাবাসুম,,! গতকাল চাচ্চু যে, আমাদের জন্য এক কালার দুটি ওয়ান পিস কিনে দিয়েছে চলো আমরা এগুলো আগামীকালকে পড়ে যাব, কিন্তু সমস্যা এক জায়গায় ভালো দুটো স্কার্ট প্রয়োজন এখন কি করি কালই বিয়ে। আপনার ন