১৪ ই জানুয়ারি ২০২৩ মহা সম্মেলন কে কেন্দ্র করে আদম্য টাঙ্গাইল জেলার #ঘাটাইল_উপজেলায় চলছে টিকেট সেলিং কার্যক্রম ও ২য় মাসিক মিট আপ।
আমি স্বপ্ন দেখতাম মেয়ে হয়ে বাবার - মার মুখ যেন উজ্জ্বল করবো।বাবার স্বপ্ন ছিলো মেয়ে আমার বড় উকিল হবে কিন্তু আমার কেন যেন ছোট বেলা থেকে শিক্ষকতা পেশা পছন্দ ছিলো।পছন্দের পেশার সাথে আত্মার সম্পর্ক ছিলো ১০
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
সাগরকন্যা_পটুয়াখালী জেলা কর্তৃক আয়োজিত পটুয়াখালী জেলার ২০২৩ সালের কর্মপরিকল্পনা, নবীন বরন ও মহা সম্মেলনে পরবর্তী গেট টুগেদার মিটআপ।
এরপর যখন বিদায় নিতে যাব তখন সবচেয়ে বেশি বিষ্মিত হই। ওই ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে আমাদের গলা জড়িয়ে কান্না করছিল। সত্যিই সেই মুহূর্তটা কখনো ভুলবার নয়, তারপর আমাদের অবাক করে দিয়ে উনি আমাদে
প্রত্যেকটি মানুষের সফল হওয়া ও সাবলম্বি হওয়া ও নিজের একটি পরিচয় থাকা দরকার। বিপদের সময় সেটিই আমাদের অবলম্বন হবে।
ফরিদপুর জেলার কিছু মানুষ এর মাঝে ত্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি
এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা মানুষির চর্চা করা।মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।জীবনে সংগ্রাম করে বেচে থাকা।সময়কে মূল্যায়ন করা।অসৎ কাজ বা ব্যবসা না করা।ধর্য্যশীল হওয়া।কথা দিয়ে কথা রাখা এবং কাওকে না ঠকানো।
চলো তাহলে লিমা আপুর সাথে কথা বলি। তারা আমাকে ইনবক্সে নক করলেন ছাগল কেনার জন্য, জানতে চাইলেন সব কিছু। আমি- সাথে সাথে তাদের সব কিছু বললাম ছাগলের বিস্তারিত ছাগল নিজে হাতে বাড়িতে লালন পালন করা, ২০/২২ ক
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহু আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তিনি এখনো আমাকে পৃথিবীর স্বাদ গ্রহণ করার তৌফিক দান করেছেন। তবে মানসিক দিক দিয়ে আ
প্রবাসী স্বামীর শপিং 👇👇 স্বামীঃ হ্যালো, কি হলো তোমার? এতো সময় ফোন বেজেই চলছে, অথচ ফোন ধরলে না?? স্ত্রীঃ ফোন দিলেই যে সবসময় রিসিভ করতে হবে এমন কেনো ভাবছো😠 স্বামীঃ সাধারণ একটা শপিং নিয়ে তুমি এমন ক
অদম্য মানে যাকে দমিয়ে রাখা যায় না। টাংগাইলে গিয়ে বুঝছি ঘটনা তার ব্যাতিক্রম নয়। শহর থেকে বেশ দূরে কিন্তু আয়োজনে কোন কমতি নাই। প্রিয় মেন্টর এর উপস্থিতির অপেক্ষায় যেনো পুরো যমুনা রিসোর্ট অপেক্ষায়।
আলহামদুলিল্লাহ লাখো শুকরিয়া আল্লাহতালার দরবারে,আজ কেরানীগঞ্জ আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী ও বনভোজনের প্রোগ্রাম জমকালো আয়োজনে সুন্দর ও সফলভাবে সমাপ্তি হলো।
ভোলা জেলার সকল সদস্য বৃন্দের উপস্থিতিতে খুবই জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরো প্রোগ্রামটি অসাধারণ আলোচনার মধ্য দিয়ে অফলাইন মিটআপ টি সম্পন্ন হলো।।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন হয়ে নিজে কে একজন সফল উদ্যোক্ত হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করব,এবং সমাজে অসংখ্য শিক্ষিত যুবক আছে তাদের কে এই প্লাটফর্ম এর সদস্য হতে আহ্বান করব।সবাই কে নিয়ে এই প্লাটফর্ম মাধ্যমে
অধিকাংশ হিফজখানা ও এতিমখানা রমজানে অধিক দান সাহায্য পেয়ে থাকে। এসব আয় দিয়েই মূলত হিফজখানা ও এতিমখানা চলে। চলতি বছর রমজানে এতিমদের এসব আশ্রয় চালু নেই বললেই
November 10, 2019 · আইলার দশ বছর পর কিছু গাছপালা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মানুষ কোনরকম ভিটেমাটি উঁচু করে যবুথবু ঘর বেঁধে ঠাঁই গোঁজার মতো একটা ঘর তৈরি করেছিলো। গতরাতে আবার তা নিমিশেষেই শেষ হয়ে গেলো
সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঝিনাইদহ জেলা মিটআপ। প্রথমে আমরা ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ এ আলোচনা পর্ব ও আগামি ৪ জানুয়ারি মহাসম্মেলন এর জন্য প্রস্তুতির পর্ব শেষ করে ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এর সহ-সভাপতির প
আসসালামু আলাইকুম। সেরাদের সেরা জোন উত্তরা মডেল জোন এর আজকে অফলাইন মিটাপ আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার ভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে। আজকের মিটাপের এজেন্ডা ছিল সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, স্যারের উপস্থিতিতে উত্ত
সকালে উঠে ৭-৮ জন মানুষের রান্না শেষ করে ৪-৫ জন বাচ্চা কে পড়াতাম, তাদের পড়ানো শেষ করে দুপুরের আগেই বীমার টাকা কালেকশন করে দিতাম। তারপর তপ্ত রোদে ঘরে ফিরে দুপুরের খাবারের আয়োজন শেষ করতাম। তারপরেই সেলাই
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি নিজে ঘর সাজানোর জন্য হরেক ডিজাইনের জিনিস তৈরী করি আমার বাসায় আমার হাজবেন্ডের কলিক আমার হাতের কাজের জিনিস দেখে আমাকে উৎসাহিত করে
আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই খুবই আনন্দ লাগছে প্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার দৃষ্টি গোচর হতে পেরে। কেমন কেমন করেই যেন আজকের মিট আপ টা হয়ে গেল। আমার ডাকে টিকিট নিয়ে হাজির প্রিয় বগুড়া জেলা টিমের
তার মধ্যে একটি হচ্ছে,৬/১১/২০২০ রোজ শুক্রবার, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল এবং আমাদের অনেক প্রিয় সকল সদস্যদের নিয়ে, আনন্দ ভ্রমণ। এক সময় যারা আমার কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিলো। আজ তাদের সাথেই আ
সম্ভাবনার পথে আমরা একসাথে বমেহেরপুর জেলা টিম, কতৃক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি Jannatul Mawa আপুর ১ম বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে। "মূমুর্ষদের বাঁচাতে প্রাণ
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের দায়িত্ব নিয়ে বরিশাল জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন(বিএম কলেজ) কলে
২০০৪ সালে গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে আমার পড়ালেখার যাত্রা শুরু। প্রাইমারী শেষ করে গ্রামের হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেখানে টানা ৫ বছর পড়ালেখা শেষ করে আবারো গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি হয়।
রাত পোহালেই প্রাচ্যের ভ্যানিস বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন উচ্ছ্বাস, অানন্দ, অাবেগ, ভালবাসার সংমিশ্রণে হৈ হোল্লোরে, নদী পথে নৈশ রনতরীতে রওনা হয়েছে একদল নিবেদিত প্রান। কেউ যাচ্ছে সড়ক পথে কেউ বা আকাশ প
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।
আমার বাবার কঠোরতা আমাকে ভালোমানুষ তৈরি হতে শিখিয়েছে। জীবনের এ পর্যায়ে এসে মনে হয় বাবার শাসন আমাদের অপরাধ থেকে দুরে রেখেছে। আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি। তাদের পাশে কমবেশি দাড়াই। এই ফান্ডেশন তাদেরক
ছোট্ট পরিবার আমার। মা বাবা আমার বড় বোন আর আমি আলহামদুলিল্লাহ। ভাই নেই, যে কেউ শুনলে আমাদের চেয়ে উনিই আফসোস করতেন ভাই নেই আমার! আব্বু তখন আমাকে কাছে নিয়ে বলতো এইটাই আমার ছেলে। আমাকে আমার পরিবারের কেউ
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য মাগো তোমার ছেলে সাহসিকতার শক্তি আজকে মাওনা থেকে এসেছে ময়মনসিংহে রক্তদান করে। মাগো তুমি ধন্য তোমার এমন ছেলের জন্ম দিয়ে ..
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
সত্য ঘটনা অবলম্বনেঃ মোবাইল ফোনে📞📞 🆙উলিপুরঃ স্যার আপনাকে দেখছি পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি-পিস হলো ব্লক নিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট দিচ্ছেন। আপনার কাছে কি এগুলো পাওয়া যাব? 🅱️ভ
একটি এর থেকে কঠিন কষ্টগুলো আমি পার করেছি।।। এখনও করে যাচ্ছি।। আসলে আমি সেদিন বলতে পারিনি অনেক কথা আমি সব সময় দোয়া করি।।
প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজে একটি প্রতিষ্টান করবো, আগে বড় কোনো স্বপ্ন দেখতামনা এখন স্বপ্ন দেখি স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রুপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি, এখন প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলি নিজেকে ভালোবাসি।
-জামাই যেখানে পিটায় সে জায়গা বেহেস্তে যায়।এবার যত পার মার খাও।একটি ৮-১২ বছর বয়সি মেয়ে, যার তখন বয়স খেলনা পাতিলে বালি,মাটি নিয়ে ভাত রান্না করার,জংলী সাদা ফুল দিয়ে পায়েস রান্না করার,তখন তাকে জলন্ত চুলায়
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে এমন কিছু গল্প ও মুহূর্ত থাকে যা জানার পর অন্যদের হৃদয় নাড়া দিয়ে ওঠে। আজকে আমার জীবনের ঠিক তেমই কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম।
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যান্ত সফল ও সুন্দর ভাবে শেষ হলো আজকের ♦️অতন্দ্র গাজীপুরের♦️ ছিন্নমূল শিশুদের মধ্যে শীতের উপহার বিতরন কর্মসূচি।
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
আপনাদের মনে পড়ে কি স্যার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হওয়ার কথা বলেছিলেন। এখন আপনাদের শুনাবো প্রবাসে আমার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প। এইতো আমি মাত্র ১১০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করি। সকাল ৭ টা থেকে ২
মূল ক্যাম্পাসে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবন, একটি ওয়ার্কশপ ভবন এবং একটি কম্পিউটার ভবন। এছাড়াও অফিস, লাইব্রেরী, এবং ল্যবরেটরী এবং একটি ২০০ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম রয়েছে। এবং মূল ভবনের উত্তর পাশে
সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে, রাজশাহী জেলা টিমকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি উপজেলাকে এগিয়ে নিতে হবে। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার জন্য, প্রিয় স্যারের দিকনির্দেশনা
বাবার কাছে আমি শুধু বলতাম বাবা আমাকে পাখি থাকে যে সেই টাকা টা দাও কিন্তু বাবা আমাকে ১০ টাকা দিতো আমি বলতাম এটা না পাখি থাকে সেটা দেন আহারে আমি কি বোকা ছিলাম বাবা ১০ টাকা দিতো কিন্তু আমি ২ টাকার জন্য
রমজান উপলক্ষে আমরা মানবিক নেত্রকোনা জেলা সবাই "মানবতার ঝুড়ি" তে ১০০ টাকার পণ্য (আধা কেজি করে চাল, ডাল, সব্জি) পণ্য দিবো ইনশাল্লাহ - সারা দেশের সব জেলা উপজেলা ও প্রবাস থেকে সবাই, "ভালোবাসা বিলাই"।
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
শুরুতে আমি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ব্যাবসা শুরু করি।আজকে আমার মুলধন ৫০,০০০০ লাখ টাকা। এটা শুধু আমার একটা ব্যান্ড এর কথা বললাম,বাকীগুলা না হয় নাই বললাম। আমার ব্যাবসা দাঁড় করাতে গিয়ে আমাকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা
দেখতে দেখতে শীত কিন্তু চলেই আসছে এজন্য অনেকেই শীতের পোশাক নিয়ে নতুন বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করতাছেন,, এ জন্য অবশ্যই আপনাকে সবার সামনে পোডাক্ট গুলোকে হাইলাইট করতে হবে, তার জন্য প্রয়োজন পোডাক্ট ডিজাইন