নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০তম প্রশিক্ষণ বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন ১৫/জুলাই ২০০২৩ শনিবার রিয়েল কনসেপ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট মাদ্রাসা স্কুল এন্ড কলেজ পুলিশ লাইন সাতক্ষীরা। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
যারা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কষ্ট করে উপস্থিত হয়ে আমাদের মিটআপ কে সাফল্য মন্ডিত করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর সবাই কে অনেক ধন্যবাদ।
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
ফুফু তো অনেক খুশি আমার কথা শুনে। আমি বলাম যে ফুফু আপনি যেহেতু কোনো কাজ ভালো মত পারেন না।তাহলে আমার কাঁথা সেলাই করতে সাহায্য করেন।আমার বেশি কাঁথার অর্ডার আসলে আমি কাঁথা গুলা এঁকে আপনার বাসায় দিয়ে আসব।
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন উদ্দ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্রো। ১৪ ই জানুয়ারি ৫ ম মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকিট কনফার্ম করতে মেলা হলো ৬ সপ্তাহ ধরে পণ্য প্রর্দশনী মেল চলছে আমাদের । উপস্থিত সকলের জন্য
আমার বাবার কঠোরতা আমাকে ভালোমানুষ তৈরি হতে শিখিয়েছে। জীবনের এ পর্যায়ে এসে মনে হয় বাবার শাসন আমাদের অপরাধ থেকে দুরে রেখেছে। আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি। তাদের পাশে কমবেশি দাড়াই। এই ফান্ডেশন তাদেরক
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
এসেছে নতুন দশক। এভাবেই পার হয়ে যায় সময়, হারিয়ে যায় দিনগুলি। কেউ কাজে লাগায়, আর কেউবা জীবন থেকে হারিয়ে ফেলে দিনগুলি। মূল্যবান এই সময়টাকে সঠিক ভাবে ব্যাবহার করে গত দশ বছরে উদ্যোক্তা হয়ে সফলতার শীর্ষে
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
টিকিট লাগবে? টিকিট? কিভাবে সহজে টিকিট পেতে পারেন সেটা নিয়েই কথা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা মিটাপে।
ইনশাআল্লাহ আনারস সাপ্লাই দিয়ে শুরু হচ্ছে বিজনেস, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা এবং বাংলাদেশের বাইরে রপ্তানি করব আমার আনারস,আনারসের রসে সারা দেশের মানুষ আমার সুনাম করবে, আর আমার বিজনেস প্রসারিত হবে,আনারসের
অাজ ২২ শে নভেম্বর শুক্রবার, বিকাল ৩টায় পৌর-পার্কে ধারাবাহিক মিট-অাপের অংশ হিসাবে গুরত্বপূর্ন মিট-আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আমি গর্বিত আমি নারী, আমার মহিমায় ছুটে চলে বলি - "আমরা নারী, এগিয়ে যেতে আমরাই পারি", সততার আহ্বানে সফলতাকে নিমন্ত্রণ পত্র পাঠাতে পারি, সময় আজ আমাদের, তাই জয় আমাদের সুনিশ্চিত। বিশ্ব অবাক হয়ে দেখবে বঙ্গল
ধীরে ধীরে বদলে যাই। করোনার থাবায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারাবার পরও স্যারের শিক্ষায় ভেঙ্গে পরিনি। দ্বিগুন উৎসাহে বাকী দুটোকে নিয়ে কাজ শুরু করি। চরম সময়েও পার্টনারশীপ সে দুটো প্রতিষ্ঠান সহ নিজের কর্
December 7, 2020 · আসসালামু আলাইকুম।। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সকল সদস্যকে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।। এমন একটি পরিবারের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।। বাগেরহাট জেলা টিম
ভালো মানুষের পরিবার, কিছু সাদা মনের ভাই, বোন পেয়েছি মিরপুর মডেল জোন থেকে। যারা প্রতি নিয়ত পাসে আছেন সর্ব সময়।
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
সংক্ষিপ্ত আকারে চলে আমাদের পন্য প্রদর্শনী। মজার বিষয় হলো আমাদের বায়োজিদ জোন এম্বাসাডর Kazi Md. Amzad Hosain ভাইর সব গুলো পন্য সেল হয়ে যায়।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প
আমার অনেক ভাল করে মনে পরে আমি যখন ক্লাস থ্রি তে পড়ি তখন একটু একটু বুঝি ,আমাদের ক্লাসে ছেলে মেয়ে মিলে আমরা প্রাই ২০ থেকে ২৫ জনের একটা টিম ছিলাম , তো যখন এই দিবস গুলো আসত বিশেষ করে একুশে ফেব্রুয়ারি,
অনেক অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, "নিজের বলা মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"ওনার জনাব, Iqbal Bahar Zahid প্রিয় মেন্টর প্রতি। এতো সুন্দর প্লাটফর্ম তৈরী করার জন্য।
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
সপ্ন দেখছি বেতনের কিছু সেভিং করছি আর কিছু সংসারের খরচ দিচ্ছি..... সংসারের বড় ছেলে আমি... নিম্ন মধ্যবিত্ব সংসার ছোট ভাই বোন এর লেখাপরা বাবার পাশাপাশি সংসারে হেল্প করা..... কর্ম জীবন / চাকরি যেনো একটা
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
সবকিছু নিয়ে ভালোই কাটছিল হঠাৎ এক কালবৈশাখী ঝড় আসল আমার জীবনে। আমার হাসিখুশি সব নিয়ে গেল ঝড় এসে 😥 সারাদিন মন খারাপ থাকে কিছু ভালো লাগে না হাসতে ইচ্ছে করে না ।কোন কিছুতেই শান্তি পাই না। ফেসবুক ইউটি
তাই আবার ও ব্যার্থ হলাম আমার পুজি কম তাই লেগে থাকতে পারলামনা না আমার সেই শিক্ষা ও ছিল না, পরিবার থেকে অনেক চাপ আসল যে তোমাকে দিয়ে ব্যাবসা হবে না তুমি আগের কাজে যাও,
আমাদের মিটআপকে প্রানবন্ত করতে উপস্থিত হয়েছিলেন, ❤️❤️ নবিনগরের UNO স্যার, জনাব #Akramul_siddiq সাহেব। উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অ্যাম্বাসেডর Anamol Haque ভাইয়া আশা করি ভাইয়ের একান্ত অংশগ
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
অনেক বাবা মা আছে ৩ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ডায়পার পরিয়ে রাখেন।রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য এই কাজ টা করেন।কিন্তু আগে কার মা রা বাচ্চা দের শুধু কাঁথা দিলে পালতেন।তখন বাচ্চাদের এতো সমস্যা ছিল না।
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
আমি এই গ্রুপের পাশাপাশি নিজের একটা ফেসবুক পেজ ও খুলেছি।সেখানেও আমার প্রোড়াক্ট গুলো বিক্রি করে থাকি।আমার ফেসবুক পেজের নামঃ জাহানারা সুলতান ট্রেডার্স 🍀কাকিমাঃবৌমা তোমার ভাগ্য ভালো এমন এ
ডিগ্রী শেষ করেই ঢুকে পড়ি কর্ম জীবনে, একটা সেলস এর জব নিয়ে চলে আসি ঢাকায়। পরবর্তীতে আরও দুই একটা কোম্পানি ঘুরে ঘুরে কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। বর্তমানে আছি আড়ং ডেইরি পরিবারের সাথে একজন সেলস ম্যানেজার হি
আগামীর জন্য স্বপ্ন বোনে। কিন্তু আমার জীবনের সেই স্বপ্ন বোনাটা খুব বেশী দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমি যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী ঠিক তখনই আমার বিয়ে ঠিক হয়। অনেক চেষ্টা করেও বিয়েটা আটকাতে পারি নি। বিয়ের
প্রথম বার রক্তদান করার সময় মা জানতে পেরেছিলেন তখন তিনি অনেক দুশ্চিন্তা করছিলেন সাথে বাবা।
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
সংগ্রহে থাকা ৬৪ টি বই নিয়ে যাত্রা শুরু.. এক দিন ৬৪ হাজার ছারাবে ইনশাল্লাহ.. লাইব্রেরী অন্বেষণ এর বই এর সংখ্যা..
শত_ক্লান্তির_মাঝেও_মনে_ছিলো_এক_অন্যরকম_ভালো_লাগা....
এখন আলহামদুলিল্লাহ ৫০+ গাছের নারিকেল বিক্রি করতে পারি বাকি ৫০ গাছে ও ফল আসা শুরু করেছে, সুপারি ও বিক্রি করতে পারি অনেক যা আমার সেলারির সম পরিমাণ ইনকাম আসে সেখান থেকে, যারা আমাকে পাগল বলত তারা এখন
ছাই থেকে শুরু করে স্বর্ণ পর্যন্ত,দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস,পাওয়া যাচ্ছে আমাদের অনলাইন হাটে,,আসুন আমরা ক্রয় করে আমাদের প্রয়োজন মেটায়,বিক্রয়দের মনে উৎসহ জায়গায়।,পণ্য কিনে নিজেকে ব্
মহা সম্মেলন কে গিরে প্রচারণা মুলক একটা আয়োজন আসবে লালবাগ জোন থেকে ইনশাআল্লাহ।
বিছানায় বসে বসে অর্ডার কনফার্ম করলাম।আর মনে মনে ভাবছি । দায়িত্ব কি জিনিস। দায়িত্ব যদি পালনে যদি অবহেলা করতাম তাহলে হয়তো সেই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হতো না। আর লেগে যদি কাজ না করতাম তাহলে বোধহয়
এখন মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যদি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশনকে আরো আগে পেতাম তাহলে স্যারের পরামর্শ পেতাম,বড় ভাইদের পরামর্শ পেতাম। আমাকে দীর্ঘ ১০ বছর পর মাত্র ১৫০০০০-টাকা নিয়ে ফিরতে হতো না। অনেক সময় অনেকেই এরকম
২০১৫ সালে হাসপাতালে বাবাকে খুব যত্নে বুকের ভিতর দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, নার্স ডা: গন খুব চেষ্টা করতেছিলেন, তার ভিতর থেকেই বাবাকে নিয়ে গেলেন উপরে,আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যখন তিনি চলে গেল
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
সোনার বাংলা গড়তে একজন সোনার মানুষ চাই, ইকবাল বাহার স্যারের মত দ্বিতীয় কেউ নাই।
একজন বিক্রেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ক্রেতার কাছ থেকে ভাল রিভিউ পাওয়া। আর স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পুরা হাইজিন মেইন টেইন করে একদম ফ্রেশ সেমাই ক্রেতার হাতে তুলে দেয়াই আমার মেইন লক্ষ্য।
গতরাতে ঝিনাইদহ হয়ে গেলো চমৎকার একটি উদ্বোধনীর আয়োজন,, পূর্বঘোষিত অনুযায়ী প্রিয় স্যারের স্বপ্নবাস্তায়নে - শিক্ষার আলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে জনকল্যাণ মূলক একটা কাজের