হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; আমি ক্লান্ত প্রাণ
আলহামদুলিল্লাহ সিরাজগঞ্জ জেলার মাসিক মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।
আপনার হাতের সিংগাড়ার টেস্ট আমার মায়ের হাতের মতো 😪😪😪 আমিঃ নতুন পেজ খোলার পরে কাস্টমার যাকে বলি তেমন হয়নি তখন কাছের লোকজন ছিলো কাস্টমার। তো একদিন একটা ভাইয়ার আমার পেজে নক এলো।
কিন্তু কে জানতো আমি যা কল্পনা করছি তার চেয়ে বহুগুণ পজিটিভিটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাস্তবে চলমান যার নাম ♥নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন♥। ★যথারীতি ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করতে করতে চোখে পড়লো চাকরি করবো ন
কেউ কেউ সময়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে,তারা হার শিকার করে নিয়েছে তারা বলছে আমাদের দ্বারা কিছু হবে না,আমাদের সন্তানরা হয়তো যদি কিছু করতে পারে।কিন্তুু কিছু লোক আছে যারা কখনই হার মেনে নেয় না, তারা বলে আমাকে
প্রথমেই নিজ এলাকার অনেক মানুষ হাসাহাসি করত বলত এই ব্যবসা দেশ গ্রামে কখনোই হবে না কারণ এটা শহর না এটা গ্রাম গ্রামের মানুষের ক্ষতি করবো এসিড দিয়ে মানুষের চুলকানি হবে অনেক ভয় দেখিয়ে আমাকে অনেক বাধা দি
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আমার সাজানো গুছানো জীবন,বাবা মার মায়া,মমতা আত্মীয় স্বজনের সান্যিধ্য শিক্ষাজীবন,পরিবারের সহায়তা, সামাজিক আত্মসম্মানবোধ সবমিলিয়ে আমার ভুল যেন আমাকে এ অঘোষিত কারাগারে নিক্ষেপ করে।। লোহার অদৃশ্য ডান্ড
কার কোথায় হাটে বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে কে কোন জিনিস তুলেছে কার বিক্রি হচ্ছে কি হচ্ছে না সব মনিটরিং করা হয় । কেউ কোন ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা কেউ কাউকে ঠকাচ্ছি কিনা সব মনিটরিং করা হয়. তবে এখানে কোন ঠকানোর
সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যাহা এমনিতে গড়ে উঠেনা।একটি ভালো সম্পর্ক তৈরী করতে অনেক বেশি খাঁটি ভালোবাসার দরকার হয়।ঠুনকো ভালোবাসা দিয়ে একটি ভালো সম্পর্ক বিল্ডআপ হয় না।ছোট ছোট ভালোবাসা গুলো একদিন বড় হয়ে
প্রিম্যাচ্যুর বেবি হওয়ায় আমি অবার ভেংগে পড়ি। ছাড়তে হয় চাকুরী। ভেংগে পড়ি আর সাহস দেয় মা। শুরু করি অনলাইন ব্যাবসা। লস। আবার মা আমকে সাহস দেয়।
এখন আমার ১২ জন কর্মি আছে যাদের দ্বারা আমি নকশিকাঁথা, নকশি বেডশিট, হাতের কাজের থ্রিপিচ, টু পিচ, ওয়ান পিচ , বেবি নকশিকাঁথা এগুলো তৈরি করে করছি।
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভালো মানের পন্য কিনে কম লাভে বিক্রি করা। আমি আশাবাদী আমার রিপিট কাষ্টমার বাড়বে। পন্য নয় আমরা বিক্রি করি বিশ্বাস। ১০০% গ্যারান্টি সহকারে সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেওয়া হয়। যে কোন
আমরা প্রবাসে বসে কয়েকজন বন্ধু মিলে গতকাল 40 টি পরিবারের কাছে ত্রাণ বিতরণ করেছি । আপনাদের দোয়ায় সম্পন্ন করেছি। তাদের কোনো সেলফি নেইনি কারণ লোক দেখানো মানবতার বহির্প্রকাশ নয়।
২৮/১০/২০০৫ সাল রোজ শুক্রবার, আমার জীবনের স্বরনীয় দিন,যেদিন প্রথম প্রবাসের জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিলাম। বাবা-মা আত্নীয় স্বজন থেকে বিদায় নিয়ে (সকাল ৮:৩০ মিনিটে) আকাশে উড়াল দিয়েছিলাম। ঠিক সেদিন থেকে মনে
ম্যাজিক ম্যান আসলে আপনি জানেও না আপনার প্রতিটি কথা কতটা যাদুর মতো কাজ করে একজন সফল মানুষ ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। ছোট বেলা থেকে নিজেকে সফল হিসেবে দেখতে চেয়েছি
এই সব চিন্তা করতে করতেই সময় পার করে দিতাম.. গ্রুপে তখন নতুন থাকায় তেমন কিছুই বুঝতাম না, মাথার মধ্যে সব সময় কাজ করতো কিভাবে বেশি বেশি লিখার অভ্যাস করা যায়, এটা চিন্তা ভাবনা করতে করতেই আস্তে আস্তে পোস্
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তদান করতে পারবেন না - রক্তদানের সময় সুগার লেভেল নরমাল থাকে (সাধারন লেভেল সুগার লেভেল ৭ mmol/L নরমাল হয়) - রক্তদাতা যদি ইনসুলিন গ্রহন করে না - রক্তদাতা যদি শারীরিকভাবে শক্তি
মেয়েদের সবসময় অবহেলার পাত্র হয়ে সমাজে বেঁচে থাকতে হয়, তাই আমাদের মেয়েদের অবশ্যই সাবলম্বী হওয়ার দরকার, আমরা যে যাই পারি ছোট ছোট কাজগুলো নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করবো,
মহা সম্মেলন কে গিরে প্রচারণা মুলক একটা আয়োজন আসবে লালবাগ জোন থেকে ইনশাআল্লাহ।
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
সেই ছোট্ট মেয়েটি যে ছোটবেলা থেকে ফুল পাখি, লতাপাতা নিয়ে খেলতে ভালোবাসতো। পাখির গান শুনতো, মুরগির পিছনে দৌড়াতো, খেলার মাঠে প্রজাপতি ও ফড়িং ধরে লেজে সুতা বেঁধে দিতো সেই মেয়েটিই আমি সালমা সুলতানা।
আমি উদ্যোক্তা হই বা ব্যবসায়ী যেটাই হয় না কেন, কোনদিন কোন মানুষকে ঠকাবো না, কখনো কাউকে কোন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিব না, কখনো কারো কোন ক্ষতি সাধন করব না, কাউকে কখনো কোন খারাপ পণ্য দিব না,
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ (বাবাকে নিয়ে আমার জিবনের সুখ ও দুঃখের কাহিনি) ---সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাদেরকে এই
আমি সেদিন মনে মনে শপথ নিয়েছিলাম, আজ থেকে আমি ও একজন রক্ত যোদ্ধা হবো মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে তাদের চোখের পানি মুছে দিবো, তার পর থেকে নিয়মিত রক্ত দান করে যাচ্ছি।গত ১৭-০৮-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ১১ তম বার
জীবন আসলেই অনেক সুন্দর। সহজ-সরল, নিস্পাপ। কিন্ত আমরা এই সহজ-সরল জীবনটাকে করে তুলি, কঠিন। জীবনে কি করেছি আর কি বা হারিয়েছি? যদি এই হিসাব আমরা করতে বসি, তাহলে মনে হয় পাওয়ার চেয়ে হারিয়েছে বেশি। কারন, আ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সুপার এক্টিভ মেম্বার জোহরা দিলশাদ আরা আপুর 'লেডিস কোড' এর উদ্বোধনী অনুষ্টানে আমরা অত্র ফাউন্ডেশনের ভাই-বোনেরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম নগরীর ফুসফুস খ্য
বাবা মানেই হাটি হাটি পা পা শুরু। বাবা মানেই শতবার হোচট খাওয়ার পরেও সেই হাত ধরেই উঠে দাড়ানোর আরেক প্রচেষ্টা। বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,
এক মাদকাসক্ত চিকিৎসালয়ে কিছু রোগীর সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে কথপোকথন 👇 ডাক্তার বলছেন : আপনারা এতদিন যথেষ্ট অসুস্থ ছিলেন;এখন বেশ সুস্থ হয়েছেন। এখন থেকে নিয়মিত সুন্দর জী
৭ম বারের মতো এ পজেটিভ রক্তদান রক্তদিন জীবন বাচাঁন অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করুন।
সত্যি আমরা চাইলেই পৃথিবী বদলাবে।নয়তে পৃথিবীই আমাদের বদলে দিবে।আমরাও বৃদ্ধ হবো।কে বলতে পারে আজ আমরা মা বাবার সাথে করছি তা আমাদের ছেলে মেয়ে আমাদের সাথে করবে না? মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। দুনি
এই গ্রুপে একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়, যার মাধ্যমে নিজের একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। বাবার কথা মতো আমি স্যারের প্রতিটা সেশন পড়া শুরু করে দেই এবং একটি একটি করে ৯০ টি সেশন পাঠ শেষ করে ১৫ তম ব্য
নারায়ণগঞ্জ জেলার টিকেট মেলা ও আমাদের ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেল।মা-বাবা,আর আমরা দু-বোনের একা সংসার হয়ে গেল।আমি ২০১২ সালে জেএসসি পরিক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হই। কিন্তু এই কৃতকার্য-ই আমার জীবনটাকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চেয়েছিল😥 কারন,অজপাড়া গা,,,কোন মত
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন," আমি অভিভূত। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প আমাদের সবাইকে বেশ অনুপ্রাণিত করছে, আমি এই ফাউন্ডেশনের সাথে সবসময় থাকবো।"
২৬/১২/২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম , খুলনা নতুন ও পুরনো রেল স্টেশন লঞ্চঘাট কদমতলা এলাকায় ,নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা টিম।
পড়াশোনা করে চাকরি করবো সবাই যেমন চায় আমিও চেয়েছি চাকরি করবো। ২০২০ সাল আমার জীবনটা যেন নিজের কাছেই বিরক্তি পরিনত হলো। আমার দ্বারা কিছুই হবে না এটাই যেন নিত্য সঙ্গী হয়ে গেলো। ফেসবুকে হঠাৎ একদিন দেখলাম
যিনি সুখ খুঁজে না আপন নীড়ে, প্রাণের টানে এই আঙিনায় বারে বারে আসে ফিরে, কালজয়ী, সময়উপযোগী মহা নায়ক, সকলের নয়নের আলো,আমাদের সকলের নয়নের মনি, শিক্ষাগুরু, আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক যার চিন্তা ভাবনা এই
আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমা
তো সুন্দর ভাবেই বিয়ে হয়ে যায়।যদিও বন্ধুরা টুকটাক হাসাহাসি করছে।ইসরাত রে বোকা বানায় নাকি আমি অল্পের মধ্যে দান মাইরা দিছি।আমি এন্স রেডি করে রাখছিলাম।এমন কথা বললে বলতাম ওরে তো এর পরেও এক লাখ টাকা দিছি।আম
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর পরিবেশে শেষ হলো খুলনা জেলার নিজের বলার মত একটা গল্পের আগষ্ট মাসের মাসিক মিট আপ ও নবীন বরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আর ভালো মানুষরা জীবনের সবক্ষেত্রে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।ভালো মানুষদের সফলতা পেতে হয়তো একটু বেশী পরিশ্রম ও কষ্ট করতে হয়, কিন্ত টিকে থাকে আমৃত্যু সবচেয়ে বড় কথা তারাই জীবনে সুখি হয়।হেরে যাবো বলে কি থেমে
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
আসলে বিজনেসটা আমার রক্তে। আমার দাদা সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যমুনা নদীর পাশে হাট গুলোতে বিজনেস করত। আমার বাবা ধান-চালের বিজনেস করেন। সততা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার বিজনেসটা প্রশার করতে থাকেন।।
আমরা পরিবার থেকে কেউ আসার আগেই, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ভাইয়েরা ছুটে এসেছে।
আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না, খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলাম মন খুব খারাপ😥 এদিকে সহপাঠীরা কল দিচ্ছে, কোন কলেজে ভর্তি হবি, কবে? ওদেরকে বললাম পরে জানাবো। আমি অনেক ভাবলাম কি করা যায় হঠাত বড় দুলাভাইর কথা
বাকি দশ জনের মতোই সে থাকে অতি সাধারণ একজন মানব মানবী কেউ সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় না অথবা সবাই কুড়ে ঘরে জন্মায় না কবি নজরুলের জন্ম কোনো অট্টালিকায় হয় নি,টিনের ফুটোয় বৃষ্টির পানি পরার দৃশ্য দেখেও ক
অনেকদিন যাবত চেষ্টার পরে আমাদের সুনামগঞ্জের টিমের উদ্যোগে ও সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট এমভেসেডরের সহযোগীতায় পরিশেষে তা করতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত।
আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।