বগুড়া জেলা গ্রুপের সকল ভাই ওবোনেরা গত কাল ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরনায় কম্বল বিতরন করেছেন,এ
প্রায় রাতই ঘুমাতে পারতামনা,এত যুদ্ধ করে পড়ালেখা করে কি পেলাম। আমিতো ব্যর্থ। এই কষ্ট আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। তাহলে কি আমাকে দিয়ে হবে না? জীবন যুদ্ধে আমি কি হেরে গেলাম?
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান আপনাদের নিজের উৎপাদিত বা ব্যবসায়িক পন্য নিয়ে প্রতিদিন গ্রুপে উপস্থিতি নতুন ও পুরাতন সদস্যদের উদ্বুদ্ধ ও প্রেরনা দিবে** প্রানপ্রিয় ইকবাল বাহার স্যারকে সালাম
আমার কি দোষ আমি কেন পেলাম না মন খারাপ, মন খারাপ করে হতাশা, বিদ্বেষ বিভিন্ন স্টাটাস নিজের টাইমলাইনে। আবার গ্রুপ J , A তে। আপনি যে ২দিন গ্রুপ K তে সময় দিলেন এর মাঝে গ্রুপ J, A তে যারা নিয়মিত ছিলো তার আ
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব
তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেল।মা-বাবা,আর আমরা দু-বোনের একা সংসার হয়ে গেল।আমি ২০১২ সালে জেএসসি পরিক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হই। কিন্তু এই কৃতকার্য-ই আমার জীবনটাকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চেয়েছিল😥 কারন,অজপাড়া গা,,,কোন মত
চলে এসেছি মূল মেলা প্রাঙ্গনে।চারদিকে মিস্টি গন্ধে মৌ মৌ করছে যা আপনি স্বশরিরে উপস্থিত না হলে বুঝতেই পারবেন না।চারদিকে শুধু পিঠার স্টল আর কাস্টমারের ভিড় লেগেই আছে প্রতিটি স্টলে।সকলেই বেশ মজা ও আয়েস কর
আলহামদুলিল্লাহ, অতি চমৎকার একটি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে খুলনা বিভাগীয় উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো। স্থান : জেলা শিল্পকলা একাডেমি, খুলনা।
যে মেয়েটা তুমি মানুষের সামনে যেতে ভয় পেতে। ছেঁড়া কাপড় পরতে, সেই মেয়েটা আজ তুমি হাজারো মানুষের মাঝে মাথা উঁচু করে নিজেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বক্তব্য দাও। তোমার কথা শুনে অনেক উৎসাহিত হয়, অনুপ্রাণ
কলাতিয়া ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ মহাসম্মেলন এর টিকিট মেলা,কুড়িগ্রাম জেলার মাসিক মিটআপ আয়োজন করা হয়।
নামটা যেমন তেমন কামটা কিন্তু পারফেক্ট। কত রকমের মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত কথা বলি, আড্ডা দেই & চলাফেরার সুবিধাদে তাদের সম্পর্কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে জানার চেষ্টা করি। এই জানার কারন ইকবাল বাহার জাহিদ স্য
প্রাকৃতিকভাবে ঠাণ্ডা পানি: কাদা-মাটিতে থাকে অণুবীক্ষণিক ছোট ছোট ছিদ্র। ফলে এই কাদা-মাটির তৈরি পাত্রে পানি রাখা হলে বাষ্পীভবন ঘটে। আর এই প্রক্রিয়ায় পানি ঠাণ্ডা হয়। 🌲পরিবেশ বান্ধব: প্লাস্টিকের বোতলের
আলহাজ্ব মকবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে ঢাকার জোন গুলোর মধ্যে ধানমন্ডি জোন কতৃক সর্বপ্রথম কার্যক্রম শুরু করলাম
কার কোথায় হাটে বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে কে কোন জিনিস তুলেছে কার বিক্রি হচ্ছে কি হচ্ছে না সব মনিটরিং করা হয় । কেউ কোন ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা কেউ কাউকে ঠকাচ্ছি কিনা সব মনিটরিং করা হয়. তবে এখানে কোন ঠকানোর
আপনি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, আসলে এখানে আপনার প্রাপ্তিটা কি। স্যার তখন হেসে উত্তর দিলো,আমার ভালো ঘুম হয়। সাংবাদিক তো স্যারের উত্তর শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। এই ঘুম তো সেই সাধারন ঘুম নয়,মানুষের
স্যার এর ক্লাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গত বছর কুরবানির ঈদের সময় আমার বাবুর সালামির কিছু টাকা, ও বাবুর বাবার ঈদ বোনাস এর কিছু টাকা দিয়ে সামান্য কিছু প্রডাক্ট দিয়ে বিজনেস শুরু করি।
পঞ্চগড় জেলায় ঈদ আড্ডা ও ২০০০ তম দিন উৎযাপন প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।
প্রত্যেক উপজেলার জন্য ১০০ করে শীতের কম্বল বিতরন করার জন্য দেয়া হবে।আপনারা নিজ নিজ উপজেলায় ১০০ জন লোকের তালিকা করে ছোট আকারে অনুষ্ঠানের মতো করে কার্যক্রম করেতে পারেন।
আরে তুমি আগে ভালো করে শুনো সেখানে সবাই ভালো মানুষ তারা কারো সাথে কোন প্রতারণা করে না তারা পন্য বিক্রি করে না বিক্রি করে বিশ্বাস তাদের যে শিক্ষক আছে তিনিও একজন ভালো মানুষ তিনি সবাইকে ভালো মানুষ হওয়ার জ
মানবিক কুষ্টিয়া জেলার প্রানবন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
স্যারের সেশনটা যদি আগে পেতাম তাহলে ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতাম "চাকরি করবো না চাকরি দিবো"।
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
সৃজনশীল লেখক ও বেস্ট সেলার এ্যাওয়ার্ড @ বইফেরী “নিজের বলার মতো একটা গল্প” বই পুরস্কারটি আমার সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি উৎসর্গ করলাম #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
অত্যন্ত বাজে ভাবে জীবনের মূল্যবান বেশ কয়েকটি দিন এভাবেই চলে যায়। শুরু করলাম ঔষধ ব্যবসা খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে, সেখানেও লেগে থাকার অভ্যাস না থাকার কারণে সফলতা লাভ করতে পারিনি। এরপরে এক আত্মীয়ার পীড
গোমস্তাপুর উপজেলা উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২” সফলভাবে উৎযাপন হয়ে গেল
ত ভোর করে ফেললেও এই বর্ননা ফুরোবার নয়। আমার তো প্রতিনিয়ত মনে হচ্ছে আমি স্যার সহ সবার কাছে চীর ঋণী। কি করে এত ঋণ শোধ করবো আমি জানিনা। এত ভালবাসা পাবার যোগ্য একদমই যোগ্য নই। অথচ যখনই যার সাথে যোগাযোগ কর
👉যেই প্রিয় মানুষটি আমাদের কে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখিয়ে যাচ্ছেন,,, আপনাদের ফ্রী প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন । প্রিয় স্যারের দেখানো পথ আমরা তরুন তরুনীরা অনুস্বরন করছি। সেই প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার অনেক অ
সৌদিতে যাবো টাকার খুবই প্রয়োজন কোথা পাবো এতো টাকা কেউ কাউকে বর্তমানে একটাকা দিয়ে বিশ্বাস করে না। ভাবতে থাকি কি ভাবে টাকার সমস্যা সমাধান করা যায় .। পরে ভাবলাম ব্যাংক থেকে লোন করবো, সেখানেই অনেক ঝামে
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি, ক্লাস ফাইভ পাস করেছি কিভাবে মনে নেই। এক দিন আমার প্রতিবেশী সম্পর্কের এক মামা নাম তার জসিম আমাকে বললো_ - ভাগিনা কালেঙ্গা প্রাইমারি স্কুলতো পাশ করলা এখন মিরাশী হাই স্কুলে পড়ো।
যাই হোক তাও শান্তি অর্জন টা অামার। অামি যে এই পড়ালেখার জন্য কত কষ্ট করছি তা কেবল অামি জানি। সারাদিন অফিস করে বাসায় এসে সংসারের কাজ করতাম। কোনো কাজের লোক ও ছিলো না।
চাইলে আপনিও মানুষের জন্যে কাজ করতে পারেন, পাশে দাঁড়াতে পারেন। মানুষ কে সাহায্য করলে সব সময় টাকার প্রয়োজন হয় না টাকা ছাড়াও সহযোগিতা করা যায়। রক্তদানে মধ্যে (স্যার ইকবাল বাহার জাহিদ)
কাকা জান ঝামেলার শেষ নাই সব ট্রাভেল্স্ গুলান টিকিটের যেই দাম চায় আমরা গরিব মানুষ এতো টাকা দিয়া ক্যামনে জামু আবার এইদিন না সেই দিন খালি ঘুরায়
আলহামদুলিল্লাহ কেরানিগঞ্জ জোন দক্ষিণ ২০০তম সেশন ও নবীন বরন অফলাইন মিটআপ ও নবীনবরন। প্রোগ্রাম খুব জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে সমাপ্ত হলো , উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন
আমি একজন প্রবাসী নিঃসন্দেহে সকল প্রকার বাংলা কিতাব বা পুস্তক থেকে সম্পূর্ণভাবে অনেক দূরে আছি। তাই প্রায়ই বাংলা পড়ালেখার তেমন কোনো চর্চাই নাই আর সেই সুবাদে বাংলা লেখাটাও আমি ভুলে গেছিলাম। কিন্তু এ প
আজকে হয়ে গেলো দূরন্ত দিনাজপুর জেলার টিকিট মেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মহাসম্মেলন আমরা দিনাজপুর জেলা থেকে প্রায় ৪০ জন আসছি দেখা হবে ১৪ জানুয়ারি। আমরা থাকছি ইতিহা
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
বউরে, বড় ভালোবাসি তোমারে... এখনো তুমি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, কখনো কখনো তোমার কপালে আলতো চুমু খেয়েছি। তোমার অন্তরাত্মা তোমাকে বলেনি বোধহয়!
দেন একসপ্তা আগের ঘটনা, আমার বন্ধু শফিকের সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের দিই তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। আমার বন্ধু বাড়ি কিশোরগঞ্জ ও থাক তো ঢাকাতে আমিও তখন ঢাকাতে থাকতাম দুজনেই একি কোম্পানিতে জব করতাম।
সবার প্রথম ধন্যবাদ জানাই নাসরীন জাহান বাসা পুঠিয়া,থাকে ঢাকায় ধানমন্ডি, জোন এম্বাসেডর, পুঠিয়া উপজেলায় প্রথমবারের মত রাজশাহী জেলা থেকে গিয়েছি আমরা তাই সে নিজে থেকে মিটআপ টি সম্পন্ন করেছে।
অভাবের তারনায় ভালোবাসা যেন জানালা দিয়ে পালিয়ে না যায়। করুণা বা দয়া নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই না। চাই সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে। নতুন নতুন স্বপ্নগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না। আমি কাজ পাগল মানুষ। আমাকে কিছু করতেই
আজ এ বিষয়ে লিখার উদ্দেশ্য শুধু প্রিয় প্লাটফর্মের ভাই বোনদের বুঝাতে এবং জানাতে যে প্রিয় স্যারের ৯০দিনের সেশন একটা মানুষকে কতটুকু পরিবর্তন করতে পারে, ★আমি গত ২১-০৩-২০২০ইং হঠাৎ প্রয়োজনে আমার গ্রামের বাড়ি
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলা টিমের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে অসহায়-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ॥
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০