আমি যখন তেমন কিছুই বুঝতাম না তখনই আমরা তিন বোন ছিলাম মানে ১ বছর করে সবাই ছোট বড়,, পড়ে আমি যখন ওয়ানে পড়ি তখন আমার আরেক জন বোন হয় তাহলে আমরা হলাম ৪ বোন, তখন আব্বা শুননে বললো আবার ও মেয়ে ১ টা ছেলে হলো
আমরা এমন একটা পরিবারে বেড়ে উঠেছি, আমরা হয়তো যথেষ্ট ধনী ছিলাম না। কিন্তু এই অল্প টাকা তেই নিজেরা ধনীর মতো করে কখনো কিছুর জন্য আক্ষেপ না করে বাঁচতে শিখেছি। সবসময় মনে রাখবেন, জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক না
#জীবনের_কিছু_মূল্যবান_কথা 🌹🌹🌹"আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সকলে আশা করি ভালো আছেন, আলহামদুল্লিলাহ আমিও ভালো আছি। 🌹🌹🌹শুকরিয়া মহান আল্লাহ'তালার প্রতি যিনি এতো মহামারীর মাঝেও আমাদের সকলকে ভালো
আমাদের সংসার খুব ভালই চলতেছিল, তিন ভাই এক বোনের সংসার খুব সুন্দর সংসার সাজানো গোছানো পরিপাটি, ছিল না কোন দুঃখ কোন অভাব মোটামুটি ভালোই ছিলাম, বড় ভাই বড় বোন তার উপরে আমি আমার ছোট একটা ছোট ভাই আছে, 199
ইরাক এবং ইরানের যুদ্ধ সময় বাবা একবারে দেশে চলে আসে,আয়ের পথ বন্ধ, কিছুদিন যাওয়ার পর বাবার কেনা জমিগুলো এক এক বিক্রি শুরু করলো,এর মাঝে আমার বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বাবার কেনা জায়গায় বিক্রি পর এবার দা
আজকে নিজের বিজনেস পরিচালনা করার ও সময়ের সাথে আপডেট হয়ে সংযোজন বিয়োজন করার ক্ষমতা ধারণ করার সক্ষমতা হয়েছে...
আমার স্বপ্ন বড় কিছু নয়, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি,। বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সুবিধা বঞ্চি
প্রিয় স্যারের অসাধারণ একটি স্লোগান। প্রিয় প্লাটফর্মের সবাই নিজেদের প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো প্লাটফর্ম থেকে ক্রয় করতে ভালোবাসি কারন আমরা যদি নাই ক্রয় করি তাহলে করবে কারা। তবে অন্যদিনের চেয়ে বেশি বিক্রি ও ক্
২০১৫ সালে হাসপাতালে বাবাকে খুব যত্নে বুকের ভিতর দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, নার্স ডা: গন খুব চেষ্টা করতেছিলেন, তার ভিতর থেকেই বাবাকে নিয়ে গেলেন উপরে,আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যখন তিনি চলে গেল
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৪র্থ বর্ষে পদার্পন ও বিনামুল্যে ৫ লাখ তরুণ তরুণীকে উদ্দ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান উপলক্ষে মহাসম্মেলন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগ
গত ০৫/০২/২০২১ ইং তারিখে আমাদের "নিজের বলার মতো একটা গল্প " ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের মিটআপ ও আনন্দ ভ্রমন সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️ 💗💗লোকেশন ছিলো কুমিল্লা ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক 💝💝
খারাপ লাগে আমার বাবার দিকে তাকালে আমার জন্য শুধু করে যাচ্ছেন আমি কিছুই করতে পারছি না হয়তো কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা পেশায় একজন টেইলার্স, আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি...✊ কারন আমা
অল্প পরিসরে কাজ করে চলছি প্রিয় শপথ নামা কে অনুসরন করছি আমার সাথে ৬ জন মহিলা কাজ করে যাদের হয়তো কিছুটা সহযোগীতা করার চেষ্টা করছি। প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই স্বপ্ন দেখছি গভীরভাবে। গ্রামে থ
আলহামদুলিল্লাহ আজ ০৪/১২/২০২২ ইং, রোজ: রবিবার.... ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
যে কোন জায়গায় আমার গ্রহন যোগ্যতা পাওয়া যায়, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে যে সঞ্চয় গুলো ছিল তা দিয়ে একটি বাসা বাড়ি তৈরী করি বাড়া দেওয়ার জন্য, তার কাজ এখনো শেষ হয় নাই, করুনা মহামারী এসে জিবন টা কে আরো তছনছ
আলহামদুলিল্লাহ নিজের ১২ তম রক্তদান পূর্ণ করলাম
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" একটি ভালো মানুষের ব্র্যান্ড, ভালোবাসার বন্ধন, সৎ উদ্ধোক্তা ও পজিটিভ মানসিকতা তৈরির পাঠশালা। আর এই মহান কাজটি যিনি নিঃস্বার্থ ও নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন তিনি আমাদের সবার অত্যন্ত
🔵 উক্ত মিটআপ উপলক্ষে আমাদের সঙ্গে,,,,, 🍀" সহযোগিতায়" :------- বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও জেলা প্রতিনিধি 1. Shaikh Al Amin, বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও সূদুর ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশ এর
_পৃথিবীতে সেরা শব্দ মা,মায়ের সাথে কখনো কারো তুলনা হয়না,এ পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আছে নিঃস্বার্থভাবে শুধু দিয়ে যায় কিছুই নেয় না সেই ব্যক্তিটি হল মা,,পাহাড় সমান ব্যাথা বুকের মধ্যে চাপা দিয়ে হাসিমুখ
মাদারীপুর জেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে অসহায় মানুষের মাঝে এক বেলা খাবার তুলে দিলাম
যারা বিজনেস করতে চান তাদের আমি বলবো সেল হয় নি, লাভ হয় নি এই চিন্তায় বিজনেস শেষ করবেন না...প্লিজ অপেক্ষা করে কাজ করে যান...
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
দেশের প্রতি ভালোবাসা আমার জন্ম থেকেই। আমি আমার রাজশাহী কে বড় ভালোবাসি । তাই রাজশাহীর মেয়ে হিসেবে রাজশাহী সিল্ক এর প্রসারে রাজশাহী সিল্ক নিয়ে আমার উদ্যোগ শুরু করলাম।
আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ!! সফলভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল 🌜🌜 ঈদ পুনর্মিলনী ও ক্যান্টনমেন্ট থানা সদস্যদের অফলাইন মিট আপ।
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে মেজর ওসমানীর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন ভারতে ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়ে
কার কোথায় হাটে বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে কে কোন জিনিস তুলেছে কার বিক্রি হচ্ছে কি হচ্ছে না সব মনিটরিং করা হয় । কেউ কোন ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা কেউ কাউকে ঠকাচ্ছি কিনা সব মনিটরিং করা হয়. তবে এখানে কোন ঠকানোর
আমি SOD হয়েছি গল্পে গল্পে সেল পোষ্টের মাধ্যমে। SOD হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন শ্রদ্ধেয় Ismat Hasan ভাইয়া। অনুপ্রেরণা পেয়েছি Md Sohel Rana ভাইয়া এবং Md Mahbubur Rahman Bhuiyan ভাই
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাই। জীবনে সফল হওয়ার জন্য এখন থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা এবং ভালোবাসা থাকলে অবশ্যই সফল হব। ইনশাল্লাহ। আমি চাই জীবনে সফল হয়ে আমার কাছের মানুষগুলোকে আ
আমি পাপিয়া সুলতানা। গাজীপুরের মেয়ে এবং গাজীপুরের বৌ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।পরিবারে চারবোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। ছোটবেলায় এই অবস্থানের জন্য অনেকে আবার আমাকে পরিবারের দুই নাম্বার সন্তান বলেও ক্ষ
টুকটাক লিখার আগ্রহ ও বাড়ে, আস্তে আস্তে গ্রুপের প্রতি ভালোবাসা বাড়ে, বাড়ে প্রিয় ভাই ও বোনদের প্রতি ভালোবাসা, সবাইকে খুব আপন মনে হয়, প্রিয় স্যারের সেশন গুলো পড়ে কি শিক্ষা গ্রহণ করতে
সব সময় স্বপ্ন দেখতাম আমি একটা সরকারি চাকরি করব। আমি একজন শিক্ষক হব।আমি কখনও ভাবিনি একজন উদ্যোক্তা হব।ছোট বেলা থেকেই অনেক আঁকার আঁকি করতাম।ভালোবাসার একটা জিনিস ছিল। কাঁথা না আঁকলেও খাতায় এঁকে মনের ভাব
আগামীকাল আরো দুইটি জেলায় ত্রাণসামগ্রী পৌছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
কোথায় যাব দুপুর থেকে না খেয়ে রাত্রি ৮ টা পার করে দিলাম এভাবেই আমার অফিস থেকে অন্যান্য কর্মচারীরা আসছে এসে সবাই সবার মত বিছানা করে শুয়ে পড়ছে ৮:৩০এর দিকে বয়স্ক করে এক চাচা আসলো আমার পাশে তার বেটা স
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
যদি কেউ সপ্ন দেখে এবং সেই সপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে য়ায় তবে তিনি একদি না হয় একদিন সফল হবেন--ই।৷ সেক্ষেতে তিনি ধনী কিংবা দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছেন কিনা সেটা কোন বিষয় না। জীবন কা
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
যখন যুক্ত হলাম তখন আসলেই এই ফাউন্ডেশন সমন্ধে কিছুই জানতাম না ۔ভাবলাম অন্য আরো আট দশ টা গুরুপের মতোই এটা তেমন কিছু হবে ۔ তাই অনেকটাই অনিয়মিত মাঝে মাঝে পোস্ট গুলো ও সেশন গুলো পড়তাম ۔ মাঝে মধ্যে অনেকের
আমি একজন খুব চঞ্চল স্বভাবের মানুষ। নতুন নতুন শেখা আমার একটা সখও বলতে পারেন। আর নতুন কিছু অর্জন করতে পারাটা মনে হয় জীবনে পাওয়ার মতো আরও কিছু যুক্ত হলো। " নিজের বলার মতো একটা গল্প " ফাউন্ডেশনে যুক্ত হও
আমার স্বপ্ন টা আমি দেখেছি ঠিক কিন্তু শুরু করতে ভয় পেয়েছি।তাই শুরু করা হলো না।কিন্তু এই স্লোগান টা দেখে আমার শুরু করার স্পীহা অনেক গুন বেড়ে যায়।আর আমার মত একটা ভিতু মেয়েও সাহস নিয়ে শুরু করে দি। লেগে থা
হাটি হাটি পা করে দুই বছর পর্যন্ত চলার পর কোম্পানিকে লিমিটেড রেজিস্ট্রেশন করে নেই। কোম্পানি তৃতীয় বছরের শেষ দিকে তিনজন পার্টনার নেই ব্যবসাকে বাড়ানোর জন্য।
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা যদি বলি তবে আমি বলব প্রবাসীদের নিজস্ব কোনো সুখ নেই বরং দুঃখেরও কোনো শেষ নেই। তাদের সুখ পরিবার প্রিয় জনদের মুখের হাসি,তাদের সকল আবদার পুরন করার মাঝেই। সকলের চাওয়া পাওয়া পুর্ন
সফলভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ব্যানারে চলছে #খুলনা টীমের দিন বদলের আড্ডা। এই দিন বদলের আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিলো #খুলনা টীমকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই বিষয়ে মতামত প্রকাশ। তাছ