উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
বিয়ের কিছুদিন পর জানলাম স্বামীর বাজে নেশা আছে সে টাকা দিয়ে জুয়া খেলে। অনেক চেষ্টা করলাম ভালো করার জন্য কিন্তু হলো না বাবার বাড়ি থেকে টাকা গয়না সব শেষ করে দিলো আমার, এবং নানা ধরনের মানসিক শারীরিক
হঠাৎ একদিন ছোট বোন কে কল দিয়ে দাদুকে চাইলে ওর মুখ পসকে বেরিয়ে যায় দাদুতো মারা গেছে তুই কি ভুলে গেছিস। তুই দাদুকে অনেক ভালোবাসতি বলে তোর মনে নেই যে দাদু মারা গেছে। আসল কথা আমি কষ্ট পাবো বলে আমাকে দাদু
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রিয় পরামর্শদাতা জনাব “ইকবাল বাহার জাহিদ” স্যারের প্রতি। যার বিশেষ দক্ষতা এবং মনোযোগে আজ "নিজেকে বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের” মতো প্লাটফর্মের সৃষ্টি। আমাদের এত সুন্দর দ
নিজের_বলার_মত_একটি_গল্প_গ্রুপের_জয়পুরহাট_জেলার_৪র্থ_মিট_আপ। আলহামদুলিল্লাহ জয়পুরহাট জেলার ৪র্থ মিট আপ শেষ করে
একসঙ্গে সেলসম্যানের কাজ করি আমরা অনেক বাঙালি ভাই । তারমধ্যে একজন আমার প্রিয় খোরশেদ আলম ভাই। ভাই আমাকে প্রায় বলতেন যে, উনি একটা গ্রুপের সদস্য যেটার নাম ** নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন** ভাই
সবার বাড়ির ভালো খাবার গুলো ফুফুর ঘরেই আগে আসতো আর আমাদের বাগির খাবার গুলো আমিই নিয়ে যেতাম। ফুফুর বাড়িটা আমাদের বাড়ির পাশে থাকায় এবটু সুবিধা হতো স্কুল যাবার পথে ফেরার পথে ফুফুর খোজ নেওয়া তার খাবার দেওয়
স্যারের যে কথায় অনুপ্রাণিত হইঃ- ১.স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন,সফলতা আসবেই। ২.চাকরি করবো না, চাকরি দিবো। ৩.বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে, ভিজে কেউ কেউ।
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি ন
প্রথমত পেয়েছি অগনিত ভালো মানুষ। যারা প্রতিনিয়ত ভরসা এবং পরামর্শ দিচ্ছেন। ২/ পেয়েছি এত বিশাল একটা প্লাটফর্ম যেখানে রয়েছে ক্রেতা এবং বিক্রেতা। ৩/ ৯০ টা সেশনের মাধ্যমে অনেক কিছু শেখার সুযোগ যেটা কোথাও প
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
হাজারও ব্যাস্ততার মাঝেও খুব ভাল ভাবে সম্পন্ন হলো পটুয়াখালী জেলা টিমের আনন্দ ভ্রমণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই – এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং অনেক সময় দিই। গত ৪ বছরে প্রায় ৫০০,০০০ জন তরুণের মাঝে এই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পেরেছি – এটাই ব
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট
স্যারের সেই কথাটা চিন্তা করেই এখনো যাওয়া হয়নি। স্যারের সেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন নিজের স্বপ্নের ব্যবসা দাড় করাতে পারি এবং নিজের বলার মতো একটা গল্প তৈরি করতে পারি। আর সেই দিন হয়তো প্রবাস জীবনের অবসান ঘ
প্রিম্যাচ্যুর বেবি হওয়ায় আমি অবার ভেংগে পড়ি। ছাড়তে হয় চাকুরী। ভেংগে পড়ি আর সাহস দেয় মা। শুরু করি অনলাইন ব্যাবসা। লস। আবার মা আমকে সাহস দেয়।
প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ তায়ালার। আল্লাহ না চাইলে কাল এতো চমৎকার একটা মিট আপ হতো না।সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো।ভেবেছিলাম মিট আপ হবে না।কিন্তু আল্লাহর রহমতে মিট আপের আগেই রোদ উঠে গেছে।আলহাম
কারো জীবনই কোনো সমান্তরাল ধারায় চলেনা। বেশির ভাগ মানুষের জীবনের বাঁকে বাঁকে ভাঙা-গড়া; উত্থান-পতনের গল্প থাকে। আর যাদের তেমন কোন গল্প নেই তারাতো জীবনের মানেটাই বোঝে না বেশ কিছু দিন আগে আমি লেখাটি লিখে
আমাদের বাস্তব জীবনে সফল হতে কে না চায়। এর জন্য তারা জীবন ভড় পরিশ্রমও করে যায়। কিন্তু এ পরিশ্রমটি যদি ভূল পথে হয় তাহলে কঠোর পরিশ্রম করলেও তা অর্থহীন। আমাদের লুকায়িত শক্তি অর্জনে, সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
স্যারের একটা কথা আমার কানে সব সময়ই বাজে, "" বৃষ্টি সবার জন্যে পড়ে,ভিজে কেউ কেউ "" আমি সেই কেউ কেউ এর একজন হতে চেষ্টা করছি, চেষ্টা করছি যদি কোনদিন স্যারের সামনে দাঁড়াতে পারি তবে সেদিন যেনো বলতে পারি,
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
_______বিসমিল্লাহর রাহমানির রাহীম ________ _________ আসসালামুয়ালাইকু _________ ________________ শুকরিয়া__________________ সর্বপ্রথমে শুকরিয়া জ্ঞাপন করিতেছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যিন
শুধুমাত্র উদ্যোগতাদের নিয়ে উদ্যোগতা উন্নয়নের জন্য গাজীপুর জেলা ২য় বারের মতো ফিজিক্যাল মিটাপ করেছি।
আসলে আমরা প্রত্যেকটা মানুষ স্বপ্ন দেখি, একেক জনের স্বপ্ন একেক রকম,,,কারো স্বপ্ন পুরন হয় আবার কারো হয়না।সবাইর স্বপ্ন সে জীবনে অনেক বড় হবে,,,ছোট বেলা থেকে আমার ও একটা স্বপ্ন ছিলো যে আমি একজন ব্যবসায়ী হব
অনেক সময় আমাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় files গুলোও হারিয়ে যায়। কিন্তু যদি আমরা গুগোল ড্রাইভে রাখি তাহলে ফাইল মিসিং হওয়ার আশংকা থাকে না। **পাশাপাশি এই ফাইলগুলো আপনি লিংকের মাধ
বউরে, বড় ভালোবাসি তোমারে... এখনো তুমি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, কখনো কখনো তোমার কপালে আলতো চুমু খেয়েছি। তোমার অন্তরাত্মা তোমাকে বলেনি বোধহয়!
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
সারাদিন টইটই করে এই গার্মেন্টসে ওই গার্মেন্টসে ঘোরাফেরা করি। কিন্তু পেটে ভাত নাই সকালে এক গ্লাস পানি খেয়ে বের হয়ে দুপুরে কোন খাবার নেই রাতে আবার বাসায় এসে দুই গ্লাস পানি খেয়ে ঘুমাই।
এইচ এস সি পাস করে চাকরির জন্য ঢাকা চলে গিয়েছিলাম। আঠারো বছর বয়স না হওয়ায় চাকরি আর হলো না। হতাশা আর চোখে মুখে অন্ধকার নিয়ে বাসায় চলে আসি।কিন্তু মনের মাঝে স্বপ্ন বুনে রেখেছি নিজেকে কিছু করতেই হবে।
নিজেকে বেশী করে ভালোবাসতে শিখেছি। একটা সময় নিজে বেঁচে থাকার মাঝে শুধু ছিল হতাশা। এখন আমি নিজেকে খুব বেশি ভালোবাসি।
জমাট বাঁধা হাজার রঙের কথা উথলে উঠে বুকের চিনচিন ব্যথায়। যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম, তাহলে হয়তো হৃদয়ের জ্বালা কিছুটা মিটত । এইতো সেইদিন বিছানা ঝাড়তে গিয়ে অনেক গুলি কাগজের টুকরা নজরে পড়লো। হাতে
সেই ছোট থেকেই নিজে কিছু করব। নিজে ইনকাম করে মা আর ছোট ভাই বোন দের মানুষ করার ইচ্ছা জাগে সেই সাত বছর বয়স থেকেই। কিন্তুু আমার মা আমাকে ভরসা করতে পারল না। মেয়ে তাই যত তারাতারি বিয়ে দেয়া যায় ততই ভালো। এই
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
পরিবারের কাউকে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ অটো চালকের বাড়িতে নেওয়ার পর শুরু হয় ফয়সালে দুষ্টামীর চরম সীমা। যা আমাদের সবাইকে বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পেলে দেয়।
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার এর নির্দেশনায় আজ বিকাল ৪ঃ০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে " নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিমের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে কিছু গুরুত্বপূর্
প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকেই শিক্ষা নিয়ে আমার জীবনের সব চেয়ে বড় অর্জনঃ- ছাত্র অবস্থায় পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি এবং গার্মেন্টস আইটেম নিয়ে কাজ করছি
রাজধানীর মিরপুরে সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থেকে প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্দ্যোক্তা এতে অংশ নেয়।চাকরী করব না চাকরি দেব এই মূলমন্ত্র ধারন ক
দেশে এসে একটা ব্যবসা শুরু করেছে।আমাদের দিনগুলি খুব ভালই যাচ্ছিল। এরইমধ্যে দেশে মহামারী করোনা আসলো। করোনার কারনে আমার হাজবেন্ডের ব্যবসা মন্দা। আলহামদুলিল্লাহ তবুও অনেকের চেয়ে ভালো আছি। একদিন হঠাৎ করে
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
কোন কোন সম্পর্ক আপনাকে হয়তো নগদ কিছু দিবে না কিন্তু কোন একটা সময় এমন একটা সুযোগ সামনে নিয়ে আসবে যেটার জন্য নিজের সততার সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই করেননি বা চাননি। প্রিয় স্যারের প্রতিটি বানী নিজে জানি অন্য
বন্ধ হয়ে গেল চাকরির আবেদন। হাজব্যান্ড সব ক্লাসেই ফাষ্টক্লাস পাওয়া এক জন ছাত্র। তাই অপেক্ষায় রইলাম উনিতো কমপক্ষে একজন প্রথম শ্রেনির কর্ম কর্তা হবেন।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তিনি ৭ম ব্যাচের একজন সদস্য। চট্টগ্রাম থেকে Shaima Akthar Saima এই প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে বলেন আমি একজন গৃহিণী। কখনো কোন চাকরি বা কোন ব্যবসা করিনি।লেখা পড়া করার অনেক ইচ্ছে থাকার পর
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরণায় পজিটিভ শরীয়তপুর জেলা ভিন্নভাবে ভালোবাসা বিলি করেছেন।
আমি পিঠা বানাই আমার নিজের করা গুড়ি দিয়ে। ধান থেকে চাউল করে সেই চাউল থেকেই গুড়ি করি,,সব চেয়ে বড় কথা এত গুলো প্রসেসিং আমি নিজ দ্বায়িত্বে করি,,অন্য কারো মাধ্যমে ও নয়। আন্টি আমি গুড়িও সেল করি,, আপনার ইচ্ছ