বিছানায় বসে বসে অর্ডার কনফার্ম করলাম।আর মনে মনে ভাবছি । দায়িত্ব কি জিনিস। দায়িত্ব যদি পালনে যদি অবহেলা করতাম তাহলে হয়তো সেই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হতো না। আর লেগে যদি কাজ না করতাম তাহলে বোধহয়
আমি একজন গ্রামের ছেলে আমি যে স্কুলে লেখাপড়া করতাম সেই স্কুল টা আমাদের গ্রাম থেকে দুই কিলোমিটার দূরে প্রতি দিণ আমাকে
অসহায় মানুষের মুখে এক চিলতে হাসি ফুটানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসে। আর্তমানবতার সেবায় সিলেট জেলার প্রবাসী রেমিট্যান্স যুদ্ধা এবং জেলার উদ্যোগী সদস্যদের সহযোগিতায় প্রতি বছরের ন্যায়, এবছর ও সিলেট জেলার ৪ টি জোনে
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রিয় পরামর্শদাতা জনাব “ইকবাল বাহার জাহিদ” স্যারের প্রতি। যার বিশেষ দক্ষতা এবং মনোযোগে আজ "নিজেকে বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের” মতো প্লাটফর্মের সৃষ্টি। আমাদের এত সুন্দর দ
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" একটি ভালো মানুষের ব্র্যান্ড, ভালোবাসার বন্ধন, সৎ উদ্ধোক্তা ও পজিটিভ মানসিকতা তৈরির পাঠশালা। আর এই মহান কাজটি যিনি নিঃস্বার্থ ও নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন তিনি আমাদের সবার অত্যন্ত
আমি এখন অনেক সপ্ন দেখি, এই গ্রুপে যুক্ত হবার পর স্যারের প্রত্যেকটা সেশান আর স্যারের প্রত্যেকটা দিক নির্দেশনা আজ আমাকে আরো সাফ্যলের সিঁড়ি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । আমার
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, ‘আমার এই সংগঠনের প্রত্যেক উদ্যোক্তা আমার চোখের মণি, প্রত্যেককে আমি নিজ হাতে গড়েছি। তাই গত সাড়ে ৫ বছরে দেশের ব্যবসা সেক্টরের জন্য একেকটি রত্ন হয়ে ওঠা এই ৫ হা
সত্যি সত্যিই আমরা খুব ভাগ্যবান। না হয় এমন মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন ছিলো। যার জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি প্রয়োজনে দেশের এবং দেশের মানুষের পাশে দাড়াতে পারছি।
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
৮ গাছ এবং প্রাণীর পারস্পরিক বন্ধন , উদ্ভিদকুলের ধ্বংস ও জীবকুলের প্রাণসংকট , একটি গাছ একটি প্রাণ’ অভিযানের গুরুত্ব
আমি খুব দ্রুত আসতেছি, তোমাদের বউমার সাথে বাড়িতে যাবেন।আজ আর লিখতে পারছিনা চোখ দিয়ে অজস্র্রে কান্না আসতেছে, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
দাদি মারা যাওয়ার পর গ্রামের বাড়িও দেখাশুনার কেউ ছিলো না পরে সবাই চলে গেলাম গ্রামের বাড়ি। আমার পড়ালেখা মনে হয়ে ছিলো আর হবে না🤔🤔🤔 তাই মেনে নিয়ে গ্রামে চলে যাই।আবার শুনতে পেলাম এক বিষয় যারা ফেল করছে ত
আলহামদুলিল্লাহ। দ্বিতীয়বারের মতো নিজের ভালবাসার রক্তদান করলেন Abdullah Bin Yousuf সবাই মানবতার সেবক ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
খুবি ভালো সুন্দর আয়োজন ছিলো ধন্যবাদ জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের নওগাঁ জেলা শাখার সদস্যদের তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তুলনাহীন ভাবে আয়োজন সফল হয়েছে.
তারপর আবার কেটে গেল কয়েকটা দিন।কাল এক বন্ধু মেসেজ করলো তার প্রিয়তমার জন্য সে গহনা কিনবে।আবার নাকি শাড়ি ও দেখবে,পছন্দ হলে শাড়ি ও নিবে।।আমি যেহেতু গহনা নিয়ে কাজ করছি সে আমার থেকে গহনা নিবে।শুনে খুব
সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা ৪জানুয়ারির সম্মেলনের টিকেট হাতে পেয়ে অনেক আনন্দিত। ইনশ্আল্লাহ দেখা হবে ভালোমানুষের প্রিয় প্লাটফর্মের সকল সদস্যদের সাথে ভালোমানুষের মহামিলনে।
ওই ফসল দিয়ে আমাদের সংসার চলত। দ্রুত টাকার জন্য জমি টা ৪,৫ লক্ষ টাকা লস খেয়ে জমি বিক্রয় করছিলাম।
মানবিক কুষ্টিয়া জেলার প্রানবন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
আমাদের সকল দায়িত্বশীল ভাইয়ারা অসাধারণ সব দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।যা আমাদের চট্টগ্রাম কে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ । আমরা পুরো চট্টগ্রাম যেন এভাবেই একে অপরের সহযো
আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন, সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজের শরীর মনের যত্ন নিতে হবে, যে নিজেকে ভালবাসে না সে পৃথিবীর কাউকে ভালবাসতে পারেনা,তাই আমাদের সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজ
মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করি আমার ব্যবসায়িক যাত্রা। যা মূলধন রূপে এখন ১২ লক্ষ টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমার ব্যবসায়ের ৮০% সেলই হয় প্রিয় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে।
অজস্র পুষ্পবৃষ্টি আর লাল গালিচা সম্বধনায় অতন্দ্র গাজীপুর জেলা বরণ করে নিলো লক্ষ তরুণ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা লক্ষ ভালোমানুষের ও শত সহস্র উদ্দ্যোক্তার কারিগর প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে
আগামি ৫ বছর পরে ঢাকায় আমার ৫ টা আউটলেট হবে এবং ১০ বছর এ আমার সারা বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় আমার আউটলেট থাকে ইনশাআল্লাহ। a
জানতাম না সরাসরি মোবাইলে বাংলা লেখাটা। (বাংলিশ গল্প লিখতাম 😀 মনে পড়লে হাসি আসে), ফাউন্ডেশনে কয়েকদিন বাংলিশ লেখার পর পুরোপুরি বাংলা টাও মোবাইলে লেখা শিখে নিয়েছি, (উল্লেখ্য বাংলিশ লিখেও "স্ট্যাটাস অ
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। অসাধা
আলহামদুলিল্লাহ Monir Uzzaman ভাইয়া ১৩ তম বারের মতো ব্লাড ডোনেট করেছেন। তিনি ফরিদপুরের অত্যন্ত চমৎকার একজন স্বেচ্ছাসেবক। সকলে তার জন্য দোয়া করবেন এভাবে যেন মানবতার পাশে দাঁড়াতে পারে।
ইউটিউব নামক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট একটা ভিডিও আমার সামনে পড়ে ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের বেশ মনোযোগ সহকারে শুনলাম একটার পর দুইটা দুইটার পর তিনটা এরকমের যত ভিডিও সামনে আসে, যখনি আসে তখন
প্রিয় হবু শাশুড়ী আম্মা, ভালোবাসা ও সালাম নেবেন, কেমন আছেন জিজ্ঞেস করবো না,কারণ এ বয়সে এসে এত চাপ নিয়ে কারোরই ভালো থাকার কথা নয়,সেটা আমার জানা আছে।আর সত্যি বলতে আমি আপনার ব্যাপারে একটু বেশীই জানি। তাই
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
আলহামদুলিল্লাহ, প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে উপজেলা থেকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের অদম্য টাংগাইল জে
আজকে উদীয়মান রমনা জোনের ২০২৩ সালের ১ ম অফলাইন চা আড্ডা মাসিক মিটাপ ২১ তম ব্যাচ এর সকল কে বরন করে নেওয়া হয়েছে। আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর প্রতি
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনারা যারা এতক্ষণ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার লেখাটা পড়েছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশ
নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা জেলায় গতকাল ক্যম্পাস এম্বাসেডর দের সংর্বধনা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত কালকের উপস্থিত মোটামুটি অন্যান্য দিন থেকে বেশি। আশা করি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রে
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
০৫ বার হোল ব্লাড ও ২০ বার প্লাটিলেট সহ মোট ২৫ তম ভালোবাসা দান করলেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন চৌধুরী
আমি তালগাছ না বটগাছ হতে চাই । গাছ মাত্রই উপকারী-তা সে তালগাছই হোক,আর বটগাছই হোক।তবু কিছু বাহ্যিক ও গুণগত বৈশিষ্ট্যের নিরিখে আমরা তাদের বিচার করি।ঠিক সেরকমই কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে আমর
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর ধানমণ্ডি জোন কতৃক আয়োজিত মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধের একটি মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে খারার ও শীতের কম্বল বিতরন করা হল।
১০০ তম সেশন চর্চা ক্লাস উপলক্ষে অফলাইন মিট আপের একাংশ
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
আসছে ১৪ ই জানুয়ারি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তথা মহা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মতিঝিল জোনের প্রস্তুতি পর্ব মিটআপ সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন👇 বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক কোর ভলান্টিয়ার ও মডারেটর জনাব রুহুল আমিন ভাই
মানুষের মধ্যে সেই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ, যে অন্য মানুষকে সাহায্য, সহযোগিতা করে থাকে।
আমার জন্য একটা শাড়ি ও হাজবেন্ড এর জন্য পাঞ্জাবী দেন দিলাম ওনি পছন্দ করে নিলেন। তখন ওনি বললেন কাল ঢাকা যাব সার্টিফিকেট আনার জন্য তো সেখানে একটা প্রোগ্রাম আছে এর জন্য ভালো দেখে একটা থ্রিপিছ