আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।
আমি প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমি আগে কারো সাথে কথা বলতে পারতাম না, কিন্তু এখন আমি কথা বলতে পারি।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন গাইবান্ধা জেলার ঈদ পূর্ণ মিলোনি ও নবীন উপজেলা এম্বাসেডর বরন উপলক্ষে
এখন রেজাল্টের অপেক্ষায়, ৩ মাস পর রেজাল্ট দিবে। কি করবো বুঝতে পারছি না। এমনিতে কবুতরের বিজনেসটা চলছে। আমার সাথে আমার আম্মু ও দেখা শুনা করে। আমি এই ৩ মাস ঘুড়া ফেরা করে আত্মীয় স্বজনের বাসায় বেড়াতে ব
ভাবতেই অবাক লাগে,যেই আমি ভাবতাম,আমার জীবনের আর কিছুই বাকি নেই,চারদিক অন্ধকার ,সবকিছু শেষ,সবসময় অন্ধকার একটা ঘরের কোনে বসে থাকতাম।সারাদিন কোনরকম হলেও ,রাতের নিজেকে একা ভাবতাম। সেই আমি এখন নিজ উৎদ্যোগ
আমাদের ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে কোর ভলান্টিয়ার, জেলা এম্বাসেডর, মডারেটরদের সাথে নিয়ে ২১ তারিখে তিনদিন ব্যাপি মেলার উদ্বোধন করবেন আমাদের ডিসি স্যার।
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে কিন্তু অন্যরকম ভাবে চলছে। কোনটির সাথে কোন মিল নেই। 🌺🌺আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য। আমরা চার বোন তিন ভাই। আমি আমার বাবার ১০০ বছরের মেয়ে। সবাই বলে খুব আশ্চর্যের বিষয়।
প্রথম বর্ষেই বিয়ে হয়ে গেল।সংসার পড়াশোনা চলতে থাকলো।অনেক টা সুস্থ ও ছিলাম।ডিগ্রি শেষ হলে ছেলে হলো।মাস্টার্স শেষ করার পর মেয়ে হলো।আবার শুরু হলো প্রায় প্রায় ব্যাথা।চলতেই থাকলো ব্যাথা।দুটো বাচ্চা, সংসার আ
আমরা মানুষ। আর মানুষ হিসেবে আমাদের বিনোদনের প্রয়োজন আছে। ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হলো আমাদের আমাদের বরিশাল জেলা ঈদ পুনর্মিলনী ও অফলাইন মিটাপ।আনন্দ ভ্রমণ, পিকনিক টু কুয়াকাটা।
আব্বু আমি কিনি নাই এগুলা।আমি বিজনেসের জন্য আনছি। নিজের জন্য না। বাবাঃ ওহ ভালো তো অনেক সুন্দর জামা গুলো।এখন আমি ভাবছি তোর। তাহলে তো তোকে আর জামা কিনে দিতে হবে না। তুই এখন থেকে নিয়ে পরতে পারবি।যেহেতু
একজন উদ্যোক্তার বিশেষ করে পুরুষ উদ্যোক্তার প্রতিটা দিনই অনেক রকম চ্যালেঞ্জের সঙ্গে পার করতে হয়, একজন পুরুষ বিজনেস করতে পারে সমাজের চোখে এটাই যেন অনেক বড় একটা অপরাধ, আশেপাশের মানুষগুলোর বাঁকা দৃষ্টি ব
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
যেই মা স্যারের মতন একজন গর্বিত মানুষ আমাদের জন্য পৃথিবীতে এনেছেন। এমন ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের মত সন্তানের মা হওয়ার সৌভাগ্য যেনো হয় আরও মায়ের।
মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করি আমার ব্যবসায়িক যাত্রা। যা মূলধন রূপে এখন ১২ লক্ষ টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমার ব্যবসায়ের ৮০% সেলই হয় প্রিয় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে।
🍀2018 সালের শেষের দিকটায় একটা রিক্রুটিং লাইসেন্স এর অফার পেলেন। যেহেতু সে এই লাইনের কাজ গুলো ভাল বোঝেন তাই আমি আর না করি নি। নিজের জমানো টাকা ছিল দিয়ে দিলাম। গহনা ছিল অনেক সেল করে দিলাম। রিলেটিভসদ
২১ টি বছরে নিজের সাহস অনেক গুলো সেক্টরের সাথে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে।বর্তমানে অনলাইন একটি কম্পানীর সাথে সম্পৃক্ত আছি।খুব ইচ্ছে বিজনেস করবো,নিজের প্রতিষ্ঠান বড় থেকে আরো বড় করবো,তাই সেই পরিকল্
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
যখন আমি গ্রুফটাতে সময় দেওয়া শুরু করলাম দেখতে পেলাম এইখানে অনেক কিছু শিখার আছে কিভাবে বিজনেস করতে হয় সাহস করতে হয় লেগে থাকতে হয় এবং ভালো মানুষ হতে হয়। কৃতঙ্গতা জানাই প্রিয়ো স্যার এর প্রতি ।
জ্বর-ঠান্ডাকে পেছনে ফেলে রোদ-বৃষ্টি পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় স্বউদ্যমে একসময় বন্ধুদের নিয়ে অস্থির জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছেলেকে অন্য এক অস্থিরতায় পেয়ে বসে, আর তা হলো বিদেশে আসার ধারদেনা ফেরত দেওয়ার অস্থ
বার মার্কেটে সুনাম আছে উনি সৎ নিষ্ঠাবান পরিশ্রমী বিনয়ী একজন ভালো মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে বাবাকে পাইকারি দোকানদাররা দোকানে পাইকারি পন্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আস্তে আস্তে ব্যবসা বড় হয়। কিন্তু লাভ দেখা যায়
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
তার কিছুদিন আগে ঘরে বসে ভাবছিলাম কিভাবে সেল করব। খুব টেনশনে ছিলাম কিন্তু সেই সময় আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের অভিভাবক আমাদের জন্য ৭ দিনের দারুণ একটি সুযোগ নিয়ে আসলেন। যেখানে আমরা ঘরে বসেই নিশ্চিন্তে আ
আলহামদুলিল্লাহ, সকলের সহোযোগিতায় দিনাজপুর জেলার আশুরার বিলে #নিজের #বলার #মতো #একটা #গল্প গ্রুপের ৩য় মিটআপ সফলভাবে সম্পন্ন হলো
যারা পূর্ব-পাকিস্তানের পুলিশের নির্মম প্রহার, টিয়ার গ্যাস এবং গোলাগুলি সহ্য করার পরেও, সহস্র মানুষ আহত হওয়ার পরেও নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পিছুপা হয়নি। 🤔 তারা বিশ্বের সর্বোত্তম #উদ্যোক্তা ছাড়া আ
স্বাধীনতা দিবসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা দেশের জেলায় জেলায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা !
দিন দিনই লক্ষ্মীপুর জেলায় ভালোমানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে -- আলহামদুলিল্লাহ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, জুম্মা মোবারক। একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প শুনতে,,,,,,, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আজ আমদের বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা মিটআপে আসছি।
#জীবনের_কিছু_মূল্যবান_কথা 🌹🌹🌹"আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সকলে আশা করি ভালো আছেন, আলহামদুল্লিলাহ আমিও ভালো আছি। 🌹🌹🌹শুকরিয়া মহান আল্লাহ'তালার প্রতি যিনি এতো মহামারীর মাঝেও আমাদের সকলকে ভালো
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
৭ম বারের মতো এ পজেটিভ রক্তদান রক্তদিন জীবন বাচাঁন অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করুন।
কি করবো বুঝতে পারছিলাম না কিছুই।কি হচ্ছে এসব আমার সাথে।হ্যালুসেলেশন হচ্ছে কি আমার সাথে?চোখের সাথে প্রিয় স্যার কথা বলছেন মাইক হাতে,পিছনে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর বিশাল ব্যানার।সবকিছুই হচ্ছে
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
"দি ইনক্যাপ" এর মার্চ ২০২০ সংখ্যায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" নিয়ে প্রচ্ছদ ও কাভার স্টোরি
আমাদের দোকানে সব সময় সেল বেশি হতো কারন। বাবার একটা সুনাম ছিল এবং সুনাম আছে । যে আমাদের দোকানের কাপড় কিনলে কেউ ঠকবে না। ভালো পন্য দেয় সিমিত লাভ করে। এই কারনে সব সময় দোকানে ঈশ্বরের কৃপায় ভা
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের মনের কথা গুলো শেয়ার করতে পারছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।যার অনুপ্রেরণায় আমরা নিজের পায়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখি।স্
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, “৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আ
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
যে বিজনেস দীর্ঘদিন যাবত করছে সেখানে হঠাৎ করে পরিবর্তন আমার বাবা মেনে নিতে পারছিলনা। আমার বাবার পার্টনার আমাদের আম আড়ৎতের যিনি মহরি ছিল এক কথায় তিনি হিসাব নিকাশের কাজ করতেন তাকে নিয়ে চলে যায়। আমার
আমি তোফায়েল ভুইয়া তোহা ৯ম ব্যাচের একজন গর্বিত ছাত্র হিসাবে সমাজে বুক ফুলিয়ে পরিচয় দিতে পারি যা আগে পারতাম না, এবার আসি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার নি জীবনের গল্পটা :- আমি একজন গ্রামের বেড়ে উঠা
আমার বড় ছেলে ক্লাস সেভেন এ পড়ে তো ছেলের নতুন বয়স্ক স্যার প্রাইভেট পড়াই তবে স্যারের সাথে আমার তেমন কথা হয় না কারণ আমি মাঝে অনেক দিন অসুস্হ ছিলাম। আজ স্যারকে নাস্তা দিতে গেলে স্যার বলছে আপনি কি সুস্হ হয়
১৪ ই জানুয়ারি ২০২৩ মহা সম্মেলন কে কেন্দ্র করে আদম্য টাঙ্গাইল জেলার #ঘাটাইল_উপজেলায় চলছে টিকেট সেলিং কার্যক্রম ও ২য় মাসিক মিট আপ।
বিয়ের পর সোনার হরিণের মতো সেই চাকরিটা পেয়ে গেলাম ।কিন্তু সন্তানের মুখের হাসি সন্তানের মায়া সবকিছু মনে করে চাকরিটা বিসর্জন দিয়ে,সিদ্ধান্ত নিলাম এমন একটা চাকরি করব যেখানে পুরোটা সময় সন্তানকে জুড
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
কেমন লেগেছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার কেমন যেনো অস্থির অনুভূতি কাজ করেছিলে। আমি আমার ছোট জীবন থেকে আমার ছোট একটা গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছিলাম ও শেয়ার করেছিলাম তখন লিখতে লিখতে রাত চার টা
অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান Iqbal Bahar Zahid স্যার
পান্তা ইলিশ সহ যাবতীয় সবকিছু ইভানের আম্মু রান্না করেছে। কিন্তু আমাকে তো কিছু একটা রান্না করতেই হবে, তাই শেষমেশ লইট্টা মাছ রান্না শুরু করলাম।
আমি আসলে বলতে চাই বিয়ের পারে স্বামী, শুশুর,শাশুড়ী এবং শশুর বাড়ির লোকেদের সেবা করাই মেয়েদের ধর্ম।কথায় আছে বিয়ের পরে স্বামীর মা বাবা স্ত্রীর মা বাবা হয়। কখনো কখনো তার উল্টোটাও হয়। কিছু কিছু মেয়েরা শশুর
এসব কাজ শখ থেকে আজ পেশা হয়ে গেছে। এর পর বিজনেস শুরু করলাম কিন্তু লাভ হচ্ছে না তখন আমার অনেক জানতে ইচ্ছে হলো কি করে বিজনেস শিখতে পারি আর যখন ভাবছি তখন আমার প্রিয় স্যার প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্
ব্যবসায় কাজের প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স।ট্রেড লাইসেন্স এর অনুমোদন রাষ্ট্রের থেকে নেয়ে হয়। ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়মাবলী না জানার কারণে প্রায়শঃ সকলকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই কিভাবে এটি করতে