গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া এই ৫টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা থেকে বিভক্ত হয়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গাজীপুর জেলায় এই ৫টি উপজেলা ছাড়া
আমি তো অলরেডি পড়া বাদ দিয়েছি। আমি যখন এইচএসসি পাশ করি বাবা আমাকে ওয়াদা অনুযায়ী কম্পিউটার কিনে দিয়েছিলেন। কম্পিউটার কেনার পর থেকেই আমি খুব আগ্রহের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজে খুবদ্রুত এক্সপার্ট হয়ে উ
আজকে হয়ে গেলো দূরন্ত দিনাজপুর জেলার টিকিট মেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মহাসম্মেলন আমরা দিনাজপুর জেলা থেকে প্রায় ৪০ জন আসছি দেখা হবে ১৪ জানুয়ারি। আমরা থাকছি ইতিহা
এই রোদের মধ্যে না সকাল, না দুপুর, অনেক সময় পায়ে হেঁটে এক প্রজেক্ট থেকে আরেক প্রজেক্টে যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সহযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য যেতে হতো।
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
#আসলেই সব কিছুতেই চুপ থাকতে নেয়। নিজের স্বপ্ন তৈরিতে নিজেই প্রথম ভরসা হতে হয়, উঠে দাঁড়াতে হয়, মাঝে মাঝে চালাঞ্জ নিতে হয়।সম্মান দেখানোর জায়গায় দেখতে হয়, কিছু মানুষকে শুধরানোর সুযোগও করে দিতে হয়। আমার
প্রযুক্তির কল্যাণকর অগ্রযাত্রার এ সময়ে মানুষ ঘরে বসে উপভোগ করছেন নাগরিক সব সেবা। করোনাকালীন এ প্রবণতা আরও বেড়েছে। প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলেই ঘরে বসে যে কোনো কোর্স করে নিচ্ছেন। মহামারির প্রভাবে চাকরি
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
আজ আমি যেই পরিবারের কথা বলব তা হচ্ছে ভালো মানুষের পরিবার। ভিন্ন রকমের পরিবার। সৎ ও বিনয়ী মানুষের পরিবার। আপনারা ইতপূর্বে যেই পরিবার গুলো দেখেছেন তার মধ্যে গুগলের তথ্য মতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের সদ
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
আলহামদুলিল্লাহ, ৪১( + )টি টিকিট সেল আজকে ওয়ারী জোন কতৃত আয়োজিত মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি ও টিকিট সেল উৎসব থেকে।
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা টিমের "ঈদ পূর্ণমিলনী ও মিটআপ" অনুষ্ঠান।
মায়ের আরো অনেক কথা হলো এবং মাকে বললাম ইনশাআল্লাহ আগামীকালকে হাঁট থেকে আপনাদের প্রয়োজনীয় আই পি এসটি আমি ক্রয় করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ। মার সাথে এই কথা বলেই ফোন রেখে দিলাম। এবং প্রিয় গ্রুপে পোস্ট
ধানমন্ডি জোন ,কর্তৃক আয়োজিত অসাধারণ একটি অফলাইন মিট আপের আয়োজন করেছেন , ধানমন্ডির জোনের দায়িত্বশীলরা
সত্যিকার অর্থেই মেয়েদের কোন বাড়ি হয় না,,বিয়ের আগে বাবার বাড়ি, বিয়ের পর শ্বশুর বাড়ি। আর আমার তো কোন বাড়ি নাই বল্লেই চলে।
আমি এখন অনেক সপ্ন দেখি, এই গ্রুপে যুক্ত হবার পর স্যারের প্রত্যেকটা সেশান আর স্যারের প্রত্যেকটা দিক নির্দেশনা আজ আমাকে আরো সাফ্যলের সিঁড়ি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । আমার
হাটছি সেই স্বপ্ন পুরনের লক্ষে।শুরু করছি কিছু কাজ সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। আমি যেন আমার সপ্ন পুরন করতে পারি।
হঠাৎ আমার এক বড় ভাই এইসব শোনে এবং আমার কাছে পুরো ব্যাপারটা জানতে চায়,আমি বড় ভাইটাকে সব কিছু বলি, পরে সে আমাকে গ্রামীণফোনের হেড অফিসে যোগাযোগ করতে বলে এবং লোকেশন দিয়ে দেয় সে বলে জব এইভাবে হয় না
নিম্মি মানুষের কথায় তুই এখনও কষ্ট পাস?যারা তোকে নিয়ে মন্দ বলে তাদের দিকে একবার তাকা।তারাই বলে যারা তোর চাইতে খারাপ অবস্থানে আছে।তনয়া তো ফেইল করেছে,আর তার মা তোকে খারাপ কথা বলেছে তাহলে ভাব? যাদের কাজ ন
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে আম্মা আব্বা দোয়া নিয়ে নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস রেখে ১৫০০০হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব্যবসা।আমার ব্যবসা জীবনের প্রথম দিনের ইনকাম ছোাট গাড়ি খরচ বাদ দিয়ে ৪৬৭ টাকা।সেদিনের
আমি একটি সাধারন মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে।আমার বাবা একজন কন্টাকটর ও মা গৃহিণী। দাদা- দাদি ,মা -বাবা, আর আট ভাইবোন নিয়ে আমাদের পরিবার। আমি পরিবারের সপ্তম সন্তান। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলাম। বাবা
জীবনে ভাল কিছু অর্জন করতে হলে মন থেকে লজ্জা এবং ভয় দূর করতে হবে” ➤বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয়ের কন্যা বলে খ্যাত পঞ্চগড়ের, দেবীগঞ্জ থানায় জম্মগ্রহন করি বর্তমান সময়ের একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা
কয়েকদিন ধরে অনেকের পোস্ট থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আর স্যার এর কথা অনুযায়ী, আর বিশেষ করে দেশের এমন অর্থনৈতিক বিপর্যয় এর সময় আমাদের উচিত নিজেদের চাহিদা নিজেদেরকে পূরণ করতে হবে।আর তাই আমাদের যে সময় আছে এবং ব
এই করোনার ক্লান্তি মুহুর্তের মধ্যে সুস্থ্য রেখে আমাদের প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনায় , সামাজিক, দেশ ও পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল , আলহামদুলিল্লাহ।
আমরা মানিকগঞ্জের মানিকরা তার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি চেষ্টা করছি ছোট করে কিছু শুরু করতে এবং সেই সাথে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজিক উন্নয় মূলক কাজ করতে।
"ঢাকায় ২ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা ১৩-১৪ এপ্রিল ২০২০ " এই মেলার কনভেনর Kazi Nazmul Alam Hamim স্যারকে মনের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি বৈশাখী মেলার আয়োজন করার জন্য। আমাদের প্ল্যাটফর্মের নতুন উদ্যোক্তাদের
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
কিন্তু বিষয়টা অত সহজ ছিলো না যৌথ পরিবার, চোট বাচ্চা লালন-পালন, ইতিমধ্যেই হাসব্যান্ড দেশের বাইরে। সব মিলিয়ে অবস্থা মারাত্বক প্রতিকূল!
পণ্য সোর্সিংয়ের ব্যাপারে বরাবরই আমি খুঁতখুঁতে স্বভাবের। নিজের হাতে পণ্যের গুণাগুণ পরীক্ষা না করে কখনোই আমার পণ্য কিনে আত্মতৃপ্তি লাভ হয় না। কোয়ালিটির ব্যাপারে আমার কাছে কোনো প্রকার আপোষ নেই। কোন
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" একটি ভালো মানুষের ব্র্যান্ড, ভালোবাসার বন্ধন, সৎ উদ্ধোক্তা ও পজিটিভ মানসিকতা তৈরির পাঠশালা। আর এই মহান কাজটি যিনি নিঃস্বার্থ ও নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন তিনি আমাদের সবার অত্যন্ত
১৬ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা টিমের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি
‘দূরে থেকেও কাছে, চলি এক সাথে’ এবং 'চাকরী করব না চাকরী দিব' শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র হাজার তম দিন উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
ম্যাজিক ম্যান আসলে আপনি জানেও না আপনার প্রতিটি কথা কতটা যাদুর মতো কাজ করে একজন সফল মানুষ ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। ছোট বেলা থেকে নিজেকে সফল হিসেবে দেখতে চেয়েছি
করোনায় যে শিক্ষা মানুষকে দিয়েছে তার মধ্যে আমিও পিছিয়ে ছিলাম না😥। স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপার্জনের সর্বদিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।যে আমি মাসে ইনকাম ছিলো ৩০ হাজার প্রায়, সে এখন বেকার। 🤔রাত যায় দিন আসে ভাবন
আমার মনে হয় কোন প্রবাসীকে দেশ থেকে অন্তত যাদের প্রবাস জীবনের অভিঙ্গতা নাই একজন প্রবাসীর মনের অবস্থা, তার একাকিত্ত্ব, তার আবেগ, তার কষ্ট, তার উদাসীনতা, তার নিরব কান্না এগুলো বুঝতে পারে না।
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
হাজার হাজার ভালো মানুষের দেখা, ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া, ভালো ভালো সামাজিক কাজকর্ম জেলাভিত্তিক মেসেঞ্জারে এড হওয়া,সেশন চর্চা মিটাতে অংশগ্রহণ করা নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা। ইনশাআল্লাহ,অনেক কিছু শেখার চ
9 November at 15:53. M বেকার থাকবোনা একদিনও- শুরু করতে হবে ছাত্র জীবন থেকে। প্রিয় স্যারের এই স্লোগানকে সামনে রেখে চলছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সারা দেশের ৬৪ জেলার ক্যাম্পাস গুলোতে #ক্যাম
আমাদের "স্বপ্নীল সুনামগঞ্জ" জেলার একঝাঁক স্বপ্নবাজদের নিয়ে আয়োজিত হয় আজকের মিটআপ। আজকের মিটআপে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা টিমকে পরিপূর্ণ করতে।
আজ মতিঝিল জোন কর্তিক আয়োজিত আজ কম্বল বিতরন করলাম সিরাজগঞ্জের শীতে খুব কষ্ট পাওয়া মানুষদের কে
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
করনা মহামারিতে পরিবারে পড়া লেখা বন্ধ হয়ে গেলো তখন হাল ধরতে হলো
মনে মনে বলতেছেন এটা আবার কেমন বিষয়,?😄 কিন্তু টাকা ভাংতি দিয়েও অনেক কাস্টমারের মন জয় করা যায়। আপনার দোকানের সেল ও বাড়বে। কারন টা হলো অনেক সময় অনেক কাস্টমার অনেক আশা নিয়ে আপনার কাছে আসে, যে ভাই ৫
মনোমুগ্ধকর আয়োজনে, দায়িত্বশীল সহ বগুড়া জেলা টিমের গর্বিত আজীবন ভাই বোনের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নান্দনিক পণ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে সুসম্পন্ন হয়েছে ফিজিক্যাল মিটআপ টি|