বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
স্বপ্ন আগেই ছিলো কিন্তু কোন কিছু শুরু করার সাহস ছিলো না। স্যারের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা এবং সাহস পেয়ে শুরু করে দিলাম। কিছু প্রোডাক্ট কিনে আনলাম, কিনার আগে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং সেই রোকসানার সাথে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
মানুষের জীবন কখনো কখনো নাটকের থেকে ও নাটকীয়, জীবনে কিছু ঘটনা থাকে যেটা নাটক সিনেমা কে ও হার মানায়। আমি আজ আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি..
মাঝ রাতে নরসিংদী জেলা টিম ভালোবাসা বিলাই। যাদের ভালোবাসা জরুরী প্রয়োজন ছিল তাদের কে খুজে বের করেছি আমরা।
চাচী বলতো তোর বাবাকে কারখানা, ফ্যাক্টরি দিতে বলিস এ কথাগুলো আমাকে খুব তাড়না দিতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো আমার নিজস্ব কারখানা থাকবে, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। কিন্তু আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
বাঙ্গালিরা তার শ্রুতিমধুর কথাদ্বারা বিশ্ব জয় করে এসেছে।তাদের কথার জাদুতে মাতিয়ে রাখতে পেয়েছে পৃথিবীকে।কথার এই শৈল্পিক কারুকাজে এতটাই পারদর্শী বাঙালি, যেখানেই অবস্থান করুক না কেন,তার কথাতেই সেখানে সকলে
যেহেতু আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের দুই বোন এক ভাই এর মধ্যে সবার ছোট বাবা মারা যাওয়ায় ও বোনদের বিয়ে হয়ে যাওয়াতে পরিবারে বাকি রয়েছি আম্মু আর আমি স্বাভাবিকভাবেই পরিবার হাল ধরার দায়িত্বটা আমার উপরেই বর
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
✒️মানুষ পারে না এমন কিছু নেই। সময়, শ্রম আর স্বপ্ন কখনো আপনাকে ফেলে দিবে না।এই তিন উপাদান সাথে থাকলে আপনি সব অসম্ভব কে সম্ভব করতে পারবেন।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সোনালি উদ্যোক্তারা ! তারা সাহসী তারা দক্ষ তারা পজিটিভ তারা মানবিক এবং তারা ভালোমানুষ!
এই পৃথিবীতে আসে কিন্তু কয় জনই বা মরে গিয়ে অন্যের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে তাই চিন্তা করলাম এই ছোট জীবনে আমাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্ধীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উদ্যোক্তা সম্মেলন -2020 এর প্রস্তুতি এবং প্রচারনা চলছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে - ইনশাআল্লাহ 500+ সদস্য উপস্থিত থাকবে আপনি আসছেন ত??
🌹 এই প্লাটফর্ম পেয়ে সাহস আর্জন করছি পা আর পিছনে দিবোনা। এই প্লাটফর্মের আজীবন সদস্য হয়ে ভালো কিছু শিখতে চাই।নিজের কাজ নিয়ে লেগে থাকতে চাই।🌹
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামগতি উপজেলার কলেজ শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট উদ্যেক্তা ও সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গ।
তো সুন্দর ভাবেই বিয়ে হয়ে যায়।যদিও বন্ধুরা টুকটাক হাসাহাসি করছে।ইসরাত রে বোকা বানায় নাকি আমি অল্পের মধ্যে দান মাইরা দিছি।আমি এন্স রেডি করে রাখছিলাম।এমন কথা বললে বলতাম ওরে তো এর পরেও এক লাখ টাকা দিছি।আম
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
কুয়েত সিটি “সুক মিসিলা” গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্টিত হয়ে গেল কুয়েত টিমের মাসিক মিটআপ।
এছাড়াও আমাদের জেলা এ্যাম্বাসেডর, উপজেলা এ্যাম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সহ আমাদের জেলার সকল সম্মানিত ভাইবোনেরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিয় বন্ধুগন আমি এই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই চেস্টা করি যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার এবং শিক্ষনীয় যা কিছু আছে সব কিছু শিখে নিজের জীবনে ধারন করার,
This year's entrepreneurship conference concluded by giving out awards to successful entrepreneurs. 22 entrepreneurs were honoured as the best story-creating entrepreneurs and one entrepreneur, Rabiul
মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে বড় হয়েছি এই বিপ্লবী আমি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও পিছিয়ে আমি। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই আমাকে ক্ষান্ত হতে হয়েছে। কিন্তু সমাজে সবার চাইতে সৎ এবং ভালো মানুষের কৃতিত্ব আম
তখন আমার মনে একটা জিধ আসলো আমাকে টপ টুয়েন্টিতে লড়তে হবে আমাকে যিততে হবে, তার একটা মাত্র কারণ আমাদের 👉 NRB লেবানন টিমের কান্ট্রি অ্যাম্বাস্যাডার নাজমুস সাকিব পারভেজ ভাই আমাদের টিমের সকল সদস
মূলধন দুই হাজার টাকা থেকে এখন এক লক্ষ+ উদ্যোক্তা জীবন গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক কষ্ট অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছিল। চাকরি ছেড়ে কেনো উদ্যোক্তা পথ বেছে নিলাম। আমি বিশ্বাস করি চাকুরী করলে একজন জীবিকা গ্রহণের
ভালবাসা নামে শব্দ টা ও খেলা করে লেখার গহীনে।হুম, ভালবাসি ভীষণ ভাবে, আর ভালবাসা টা ই লেখার নেশা। এ ভালবাসার সাথে সখ্যতা জীবনের কোন একটা সময়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ব্রেকের পর লেখা নামক ভালবাসাটা আমাকে আবার ক
১৪/১৫ বছর মানে মনের মাঝে হাজার টা রঙ্গিন চিন্তা ভাবনা। হাহাহাহাহা, হুম সবার মত আমারো ক্রাশ ছিল।রঙিণ জীবনের রঙহীন মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক ও বেশ ভালো ছিল। কিন্তু কয়েক মাস পর জানতে পারলাম ঐ ছেলের
জমাট বাঁধা হাজার রঙের কথা উথলে উঠে বুকের চিনচিন ব্যথায়। যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম, তাহলে হয়তো হৃদয়ের জ্বালা কিছুটা মিটত । এইতো সেইদিন বিছানা ঝাড়তে গিয়ে অনেক গুলি কাগজের টুকরা নজরে পড়লো। হাতে
মনোমুগ্ধকর আয়োজনে, দায়িত্বশীল সহ বগুড়া জেলা টিমের গর্বিত আজীবন ভাই বোনের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নান্দনিক পণ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে সুসম্পন্ন হয়েছে ফিজিক্যাল মিটআপ টি|
চুয়াডাঙ্গা জেলার ভৌগলিক অবস্থান ও আয়তনঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার আয়তন ১১৭০.৮৭ বর্গ কিলোমিটার। চুয়াডাঙ্গা জেলার উত্তর-পূর্ব দিকে কুষ্টিয়া জেলা, উত্তর-পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা,দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
পৃথিবীতে মায়ের আশির্বাদ বড় আশির্বাদ, মাকে বলেছি আমি আমার জিবনের গল্প লিখেছি। মা বাহবা দিতেছে আমাকে, এত বড় হয়েও পড়াশোনা করতেছি।শিখার কোন শেষ নাই,জানার কোন শেষ নাই।
#দুটি চোখ আপনাকে কখনোই স্বপ্ন দেখাবেনা,, স্বপ্ন দেখাবে আপনার "মন " আপনার ভেতরে থাকা সুপ্ত বাসনা। এই এক জোড়া চোখ আমাদের সবারই আছে কিন্তু আমরা সবাই কি স্বপ্ন দেখি?
উদ্যোক্তা হতে হলে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তার কোনো বিকরল্প নাই। তিল তিল করে গড়ে তোলা বিজনেস এক সময় বিশাল শিল্প সামাজ্য করে সাজাতে সততা আর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। অধিক পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।
আলহামদুলিল্লাহ ৮ম বার রক্ত দান করলাম,মুমূর্ষু রুগীকে, সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে কিন্তু অন্যরকম ভাবে চলছে। কোনটির সাথে কোন মিল নেই। 🌺🌺আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য। আমরা চার বোন তিন ভাই। আমি আমার বাবার ১০০ বছরের মেয়ে। সবাই বলে খুব আশ্চর্যের বিষয়।
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা সহ বিশ্বের ৫০ টি দেশের সাথে তাল মিলিয়ে দিনটি কে স্বরনীয় করতে আমরাও ছিলাম কিছুটা সময় হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) হাফিজিয়া মাদরাসা লিল্লাহ বডিং এতিমখানার ছেলেদের সাথে
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
December 7, 2020 · আসসালামু আলাইকুম।। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সকল সদস্যকে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।। এমন একটি পরিবারের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।। বাগেরহাট জেলা টিম
আজ আমাদের পরিবারের ৭০০ তম দিন এই দিনটি আসলেই শরোনিও কারণ এটা এক রকম অসম্ভব কিন্তু প্রিয় এইদিন প্রযন্ত প্রিয় স্যার আমাদের সাথেই যুক্ত ছিলেন। প্রিয় স্যার এর জন্য আন্তরিক ভালোবাসা এবং দোয়া। আমি যুক্ত ছিল
আমাদের সাথে যে সকল ভাই বোন রা যুক্ত ছিলেন তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঢাকা থেকে আগত এবং তাদের ছুটি কম থাকায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই আয়োজন করেছি।
খারাপ লাগে আমার বাবার দিকে তাকালে আমার জন্য শুধু করে যাচ্ছেন আমি কিছুই করতে পারছি না হয়তো কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা পেশায় একজন টেইলার্স, আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি...✊ কারন আমা
ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলায় ভালোবাসা বিলাই এর প্রজেক্ট স্থাপনা সহ ডামুড্যা ইফতারের আয়োজন সুসম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্।
মোস্তফা হাকিম ডিগ্রী কলেজে কাট্টলি সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ডাঃ ফজলুর হাজেরা ডিগ্রী কলেজ উদ্যোক্তা ক্লাবের চিঠি পৌঁছে দিয়েছি।
দেখতে দেখতে কয়েক বছর কেটে গেল। আমি বিয়ে করে ফেলি। অনেক জায়গায় কাজ করে করে কিছু পুঁজি করেছিলাম। কয়েক বছরের জমানো পুঁজি থেকে ২০১০ সালে ৫-৬ লাখ টাকার উপরে খরচ করে পাখির ফার্ম দেই।