আলহামদুলিল্লাহ আজকের শরীয়তপুর জেলা এর কম্বল বিতরন এর অনুস্ঠান বিজয়ের বাংলাদেশ পএিকায় প্রকাশ
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
আমি প্রথম প্রথম যখন এক বছর পরপর ঢাকা থেকে বাড়িতে যেতাম এবং বাড়ি থেকে যখন ঢাকায় আসতাম তখন মা একটা কথা বলতো তুই অনেক বরো হবি আর কাদতো আচল দিয়ে সুধু চোখ মুছতো আর বাবার কাছে দোয়া চাইলে সুধু কাদতো । #একটা
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
ওয়ারী জোনের ইফতার বিতরণ খুব সুন্দর ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে। আলহামদুল্লিল্লাহ।আল্লাহ পাক কবুল করুক। আমীন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ।এত সুন্দর এ
এখন আমার মনের মধ্যে এই বিশ্বাস দানা বেঁধেছে আমি পারবো, চাকুরী করবো না চাকুরী দিব ইনশাল্লাহ, সকলের কাছে দোয়া প্রার্থি।
আজ "নিজের বলার মতন একটি গল্প" গ্রুপের পক্ষ থেকে সারা ঢাকায় একযোগে " দিনে এনে দিনে খায়" এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের মতিঝিল জোনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
অনেকের সাধ্য আছে স্বাদ নেই আবার অনেকের স্বাদ আছে সাধ্য নেই। আসলে কিছু মানুষের অনেক টাকা হলেও তাদের সাহায্য করার মন-মানসিকতা থাকেনা। আবার অনেক মানুষ দেখা যায় তারা খুব অসচ্ছল কিন্তু তারপরও অন্যের বিপদে
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে
আমার স্বামীর কাছে যেহেতু বেশি টাকা ছিলো না কি করবে বুঝতে পারছিলেন না তখন সেন্ট্রাল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের অ্যাএম্বুলেন্সের ডাইভার বললেন আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে দিয়ে আসতে পারব টাকা লাগবে না
যে কারণে আজও সফল হতে পারেনি কোন কাজেই ধৈর্য না থাকার কারণে। পরামর্শ দেওয়ার মত কোন শিক্ষক না থাকার কারণে। ইনকাম অনুসারে সঞ্চয় না করার কারণে। জীবনে কি করব কোন লক্ষ্য না থাকার কারণে।
আমি আমার ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি,আমার মনে সর্বদা স্যারের প্রত্যেকটা বাণী ন্যায় একটি বাণী বেশি বিরাজ করে 'চাকরি করবো না চাকরি-দিব' প্রিয় স্যারের এই বাণীটি বুকে ধারণ করে আমি এখন উদ্দ্যােক্তা
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
জীবনের গল্প সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা পূর্ণতা অফুরন্ত সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়েই আমাদের জীবনকে মহান আল্লাহ-তাআলা প্রতিটা
এই প্লাটফর্ম এ যুক্ত হওয়া এখনও আমি উদেক্তা হয়ে উঠতে পারিনি কিছু দিন হলো আমি এখানে যুক্ত হয়েছি এই প্লাটফর্ম যুক্ত হয়ে আমার ধারনা আগ্রহ আরো অনেক গুন বেরে গেছে প্রতিদিন এই প্লাটফর্ম হাজারো উদেক্তা হওয়ার
আমি দিলনাহার পলি। আমার জন্ম নোয়াখালী এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী ।সাত ভাই বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট মেয়ে। সবার খুব আদরের। লেখাপড়া ,গান নাচ সবকিছু তেই পারদর্শী। আমার পিছ
আমার নাতিও পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে কিছু একটা তোমাদের থেকে শিখুক, যা আমিও চাই। আচ্ছা এইসব শেখাতে তোমাদের ওই গ্রুপে মাসে কত টাকা নেয় ? তখন আমি আবারো হেসে বললাম, আরে আঙ্কেল এখানে রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু
আপনাদের সহযোগীতা পাব কি?আপনাদের সহযোগী তা ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। তৈরী করতে চাই একটা গল্প "নিজের বলার মত একটা গল্প"
যারা উপস্থিত হয়েছেন এবং আমাদের মিটআপকে সফল ও সাফল্যমন্ডিত করেছেন আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একরাশ দোয়া ও ভালোবাসা অবিরাম।
আমি আগে নিজেকে সবসময় গুছিয়ে রাখতে চাইতাম মানুষের মাঝে নিজেকে প্রকাশ করতে পারতাম না একধরনের লজ্জাবোধ আমাকে মানুষের সাথে মিশতে বাধা দিতো নিজের গন্ডির বাহিরে কখনো নিজেকে উপস্থাপন করার সাহস করতে পারিনি >
উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ ১১ই মার্চ ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত "নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ এর নাটোর জেলার" একটি চমৎকার অফলাইন মাসিক মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
একটা আজব চিন্তার যুক্তি আমি কিছুতেই খুঁজে পাইনা! কিছু প্রশিক্ষণ থাকার জন্য একটা বিজনেসএর সাথে স্বল্প পরিমানে যুক্ত আছি স্টুডেন্ট অবস্হা থেকেই,তবুও আমি নিজেকে পুরো বেকার বলেই দাবি করতাম কারন, সেই কাজ
আমি মানুষ কে নিজের চাইতে বেশি বিশ্বাস করি, এখনো, আমি সবসময় #পজিটিভ , ভাবতাম আল্লাহ মানুষ বানিয়েছে এতো সুন্দর করে৷ সে কি করে বাটপারি করতে পারে, মিথ্যা বলতে পারে মুখ দিয়ে,। এমনি করে বিজনেস টা লস হতে
আমার বাবা একদিন জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলো তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে,বজ্রপাতে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করে। আমরা হয়ে গেলাম এতিম। আমার বাবা কে হারিয়ে যখন আমরা দিশেহারা ঠিক তখনই আমার চাচারা আমাদের ভাইদে
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
ছোটকাল থেকেই স্বপ্ন ছিল নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। তাই ইউটিউবে বিভিন্ন রকম উদ্যোক্তা দের গল্পগুলো দেখতাম। সে সুবাদে একদিন হঠাৎ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের একটা মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনি এবং তা আমাকে আকৃ
সকলের সুন্দর উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত একটা মিটআপ ছিল। আজকে চট্টগ্রাম জেলাকে এগিয়ে নিতে সবার পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
এদিকে আমার অবস্থা তখন খুবই খারাপ তখন আমার স্বামী এক রকম জোর করেই আমাকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। আর কেউ যায়নি আমার সাথে শুধু আমি আর আমার হাজব্যান্ড। সেই মুহূর্তের কথা মনে হলে আজ ও চোখের পান
আমি আমার জীবনের যে কথাগুলো কখন কারো সাথে বলি নাই। আমার দুংখ,কষ্ট না পাওয়ার বেদনা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার জীবন নিয়ে লিখে, আমি SOD হয়েছি।
মানুষের জীবনে দুঃখ-কষ্ট, ব্যাথা-বেদনা, হাসি-কান্না এগুলো থাকবেই, এগুলো জীবনেরই একটা পার্ট। তবে কারো জীবনে কষ্ট একটু বেশি, সুখটা একটু কম,, বা সুখ একটু বেশি কষ্ট একটু কম, আল্লাহ কাউকেই পরিপূর্ণতা দ
একজন বিক্রেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ক্রেতার কাছ থেকে ভাল রিভিউ পাওয়া। আর স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পুরা হাইজিন মেইন টেইন করে একদম ফ্রেশ সেমাই ক্রেতার হাতে তুলে দেয়াই আমার মেইন লক্ষ্য।
আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।
পেয়েছি ২০২০ সালের উদ্যোক্তা সম্মেলনের সেরা ভলোন্টিয়ারের পুরস্কার এবং ফেনীকে সেরা জেলার স্বীকৃতিও। #পেয়েছি গ্রুপের সেবা করার কোর ভলোন্টিয়ার এবং মডারেটরের দায়িত্ব। #সর্বশেষ যেইটি বলবো ২য় ব্যচ শেষ কর
শীত এসে পড়ছে! জানি সবাই শীতের নতুন পোশাক কিনতে যাব। আমরা কি পারিনা পরিবাবের শীতবস্ত্র কেনার সময় আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু শীতবস্ত্র কিনি!
রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন--- পজিটিভিটি কি জিনিস সেটাও জানতাম না। সেটা জানলাম স্যারের ভিডিও এবং প্রত্যেকটা সেশন ফলো করে।
এই প্লাটফর্ম যুক্ত হয়তে পেরে আমি নিজেকে অনেক পরিবর্তন করতে পেরেচি যদি। যদি এই প্লাটফর্ম যুক্ত হতে না পারতাম তাহলে আমি মনে হয় সারা জীবন এই ভাবে পড়ে থাকতাম
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর ধানমণ্ডি জোন কতৃক আয়োজিত মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধের একটি মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে খারার ও শীতের কম্বল বিতরন করা হল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
সেশন গুলো পড়তে ও বুঝতে আমার এতোটাই ভালো লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এটা যেন আমার লালিত স্বপ্ন অনুযায়ী চমৎকার ও অসাধারণ ভাবে সাজানো হয়েছে। ঠিক আমি যেমনটি চাই এই সেশন গুলো আমার স্বপ্ন দিয়ে যেন একটা একটা করে বো
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কাঠবাদাম এবং কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগান আজিজুল হাকিম
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।