সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২০
একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজের জীবন গঠন করবো। চাকরি নয় ব্যবসা করবো। মানুষের সেবা করবো। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে যা কিছু শিখেছি সারাজীবন হৃদয়ে ধারন করে বাকী জীবন পার করবো
২০০৯ সালের ১২ই অক্টোবর বেলা ১১টা৫৫ মিনিট, ঢাকা বারডেম হাসপাতাল আমার বাবাকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে গেছেন তার আপন 😭ঠিকানায়। সেই থেকে আমি এতিম😭 ফরহাদ। তারপর থেকে বুঝেছি আমার পড়াশোনা📚🖋️ কর
এভাবে আস্তে আস্তে কেটে যায় দুই বছর,দুই বছর পর মামার ম্যানেজার মালাইশিয়া চলে যায়,এর মধ্যে সব কিছু আমি শিখে ফেলি,ঐ দায়িত্ব চলে আসলো আমার কাঁধে,,,এভাবে আরো তিন বছর কেটে গেলো,এখনো ঐ দায়িত্ব পালন করছি আল্
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
রানা রহমান ভাই এবং করিম ভাইকে অনলাইনের ব্যবসা সম্পর্কে বুঝানোর পরে তারা অনলাইনের প্রতি বিশ্বস্ততা পান এবং রানাকে বলেন তারাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা প্রথম বার অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। যেহে
 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসছালামু আলাইকুম প্রথমেই শুকরিয়া জানাই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাকে আজও পর্যন্ত সুন্দর এই ধরনীতে সুস্থ রেখেছেন এবং ভালো মানুষের বিশাল এই প্লাটফর্মের সাথ
আমার আব্বু ভাবছিল উনাকে হয়তো ভালোবেসে সবাই চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জন্য বলতেছে। আমার বাবা বুঝে পারে নেই। যে উনার টাকার জন্য উনাকে চেয়ারম্যানি নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। চেয়ারম্যানি নির্ব
গতকালই সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী জেলার সকল সদস্য ভাই ও বোনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইফতার বিতরন কর্মসূচি,
আমার কাজের মাধ্যমে একজন লোক ও যদি উপকৃত হয় তাতে আমি নিজের আত্ম তৃপ্তি খুজে পাই। আল্লাহতালা আমাকে যদি সুস্থ রাখেন আমি লেগে আছি লেগে থাকবো,,, আমি পরিশ্রম করে যাচ্ছি আরো পরিশ্রম করে যেতে চাই।
আমার বিজনেসটা যখন শুরু করেছি কাউকে আমার পাশে পাইনি এক পর্যায়ে যুদ্ধ করে শুরু করেছিলাম মাত্র ৭হাজার টাকা নিয়ে মহিলাদের ড্রেস নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার অনেক অনেক প্রাপ্তি,, ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্প
আমার নাতিও পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে কিছু একটা তোমাদের থেকে শিখুক, যা আমিও চাই। আচ্ছা এইসব শেখাতে তোমাদের ওই গ্রুপে মাসে কত টাকা নেয় ? তখন আমি আবারো হেসে বললাম, আরে আঙ্কেল এখানে রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু
বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা সহ বিশ্বের ৫০ টি দেশের সাথে তাল মিলিয়ে দিনটি কে স্বরনীয় করতে আমরাও ছিলাম কিছুটা সময় হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) হাফিজিয়া মাদরাসা লিল্লাহ বডিং এতিমখানার ছেলেদের সাথে
স্বচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য রক্তদান প্রয়োজন। রক্তের জন্য সম্পূর্ণ পূর্ণবয়স্ক জানতে ১৮ বছর বয়স হতে পারে। প্রতি তিন মাস পর পর স্ক্রিনের ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও রক্তে রক্তদান করতে পারবেন।
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে
আজ ১৬/০৯/২০২২ ইং শুক্রবার দাগনভুইয়া উপজেলার প্রথম মিটআপের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত মিটআপে চমৎকার উপস্থিতি ছিল , আপনাদের সবার ভালোবাসা অংশ গ্রহণ ও সহযোগিতায় সফল ও সার্থক হয়েছে আমাদের এই খুদ্র প্রয়াস ।
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
তারাও আমার সাথে প্রায় যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়,,,এদিক দিয়ে আমি যে ৪ লক্ষ টাকা এক সাথে দিলাম মধ্যে ২৫০০০০ টাকা ছিল #ব্র্যাক ব্যাংক এর লোন প্রতি মাসে ২৫০০০ টাকা করে। কিন্তু তারা আমার সাথে যোগাযোগ না করায় আম
যখন চলতে চলতে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবেন, নিজেকে খুব অসহায় মনে হবে, এই বুঝি আমি হেরে গেলাম, আমাকে দিয়ে আর কিছু হবে না, আপনার এ নেগেটিভ চিন্তাধারই আপনার জন্য বড় বাধা হয়ে দাড়াবে। সহজ কাজকে তখন অনেক কঠিন মনে হ
কিছু ভালবাসা, কিছু স্মৃতি আর কিছু কষ্ট যা মানুষের সবসময় মনে থাকবে। ভালবাসা এমন একটা অনুভূতি যেটা কারো সাথে সারাজীবন থেকেও আসে না। আবার কারো সাথে হয়তো কিছু মুহুর্তই যথেষ্ট যা কখনো জোর করে হয় না।😥😥 ক
সাথী বলতে লাগল জানিস আমার তো মোংলাতে বিয়ে হয়েছে ওখানে লবন পানি তখন আমার অনেক চুল ঝরতে শুরু করে আমার এত লম্বা চুল সব ঝরে পড়ে যাচ্ছে আমি পাগলের মত হয়ে এই তেল ঐ তেল ব্যবহার শুরু করি কিন্তু কিছুতেই কিছু
ডিউটি শেষ করে বের হলাম অনেক দিন পরে এক বদ্ধর সাথে দেখা হলো কথা হলো কুশল বিনিময় শেষে যখন আমি চলে আসবো তখন। বন্ধু ঃ চলো আজকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চমৎকার একটি ক্রিকেট ম্যাচ আছে দুজনে মিলে দেখবো আমি ঃনা ত
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে- যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
কুড়িগ্রাম জেলায় বর্নাতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
আমাদের প্রিয় স্যার জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার যখন ২০১৮ সালে নিজের বলার মত গল্প প্ল্যাটফর্ম করার উদ্যোগ নিলেন, তার আগে থেকেই আমি তাকে ফলো করি। ফেসবুকে তার প্রতিটি বিষয় আমার ভালো লাগতো। তিনি ৬৪ জেলা
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
সবার প্রতি অনেক বেশী কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা আমাদের রমনা জোনের অফলাইন মিটআপ সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুসম্পন্ন করতে সহযোগিতা করার জন্য। আপনারা এসেছিলেন বিধায় এতটা রঙিন হয়েছিল আজকের মিটআপ।
সত্য ঘটনা অবলম্বনেঃ মোবাইল ফোনে📞📞 🆙উলিপুরঃ স্যার আপনাকে দেখছি পাঞ্জাবি, শাড়ি, থ্রি-পিস হলো ব্লক নিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট দিচ্ছেন। আপনার কাছে কি এগুলো পাওয়া যাব? 🅱️ভ
করুনার প্রভাব কিছুটা কমলেও জীবনে কষ্টের প্রভাব কমছিলনা। জীবন তো থেমে থাকেনা,পেটের তাগাদায় সংগ্রাম করতে তে হবেই।অবশেষে কিছুদিন ভালোই যাচ্ছিল।
বর্তমান প্রবাসে আমার ৩১ বছর অতিবাহিত হচ্ছে আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই আছে আমার অনেক আলহামদুলিল্লাহ। ইতি মধ্যে দেশে গিয়ে কি করবো ভাবতে ভাবতে খুঁজে পেয়েছি "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" পেয়েছি
মেয়েদের সবসময় অবহেলার পাত্র হয়ে সমাজে বেঁচে থাকতে হয়, তাই আমাদের মেয়েদের অবশ্যই সাবলম্বী হওয়ার দরকার, আমরা যে যাই পারি ছোট ছোট কাজগুলো নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করবো,
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কিছু স্থাপত্য এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য— মদনপুরের হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমি (র.) মাজার, শাহ সুখুল আম্বিয়া মাজারের পাশে মোগল
পৃথিবীর অনেক দেশ পাঠ্যসূচি,কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেওয়ার কারনে আমাদের চাইতেও তাদের জিডিপি অনেক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ তারা পূর্বে আমাদের চেয়েও নিম্নগামী অর্থনীতির দেশ ছিল।
২০০৮সালে আমার ভিসা আসে ভিসার দাম দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা। আমাদের জমি বিক্রি আর জমানো টাকা আছে ১লক্ষ টাকা কেও আর দিতে রাজি হয়না। যদি মাইর যায় কোথায় থেকে দিবো।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে তাই এ দিনটি ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পরাজিত হয়।
আমরা মানুষেরা সবাই এই অর্থ চক্রের মধ্যে দিয়েই নিজেকে পরিচালিত করে থাকি,সেটা বুঝে হোক অথবা নাবুঝেই হোক না কেন! যদী এভাবে বলা হয় যে:- E, S, B, I তাহলে এমনটি করে বললে ভুল হবেনা হয়ত।
আমার বাবা 14 বছরে একবার বাংলাদেশের সফর করেছে বাবার মুখখানা আমার খুব অসহায় লাগতো আমার হৃদয়ে খুব খারাপ লাগত বাবার জন্য। তারপর বাবাকে আমি 2006 সালে প্রবাস জীবন থেকে মুক্ত করে দিলাম।
শেরপুর জেলার ৩য় মিট আপ অনুষ্ঠিত হল নালিতা বাড়ির উত্তর গড়কান্দা,ঘোনাপাড়া আমাদের সবার প্রিয় জয়নাল ভাইয়ের নতুন প্রতিষ্ঠান স্বপ্নপুরী রিসোর্স সেন্টারে।
১০০০ তম দিন উদযাপনে #ঝিনাইদহ জেলার আয়োজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১.জনাব সরোজ কুমার নাথ, স্যার জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ২.জনাব সাইদুল করিম মিন্টু সুযোগ্য মেয়র ঝিনাইদহ। ৩.জনাব বদরুদ্দোজা শ
আমার অনেক দিনের আশা যে ঘরে বসে কিছু একটা করবো।আমি এই ফাউন্ডেশন এসে অনেক কিছু শিখছি ও জানতে পারছি এবং আরও কিছু জানবো।আমার বিশ্বাস,
৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহা সম্মেলন-২০২৩ আলহামদুলিল্লাহ।টিকিট মেলা আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
ছোট্ট পরিবার আমার। মা বাবা আমার বড় বোন আর আমি আলহামদুলিল্লাহ। ভাই নেই, যে কেউ শুনলে আমাদের চেয়ে উনিই আফসোস করতেন ভাই নেই আমার! আব্বু তখন আমাকে কাছে নিয়ে বলতো এইটাই আমার ছেলে। আমাকে আমার পরিবারের কেউ
আমি বাজারে যাইনি কোনো দিন কিন্তু আমি যে দোকান থেকে সদাই-পাতি আনি আমি কিন্তু রেগুলার কাস্টমার সেই সুবাদে তার দোকান থেকে সব কিছুই নেই একদিন কি হলো আমি ভাইয়ার দোকানে গিয়েছিল ভাইয়া কেন যানি আমাকে দেখেও
আলহামদুলিল্লাহ অত্যান্ত চমৎকার এবং সফল ভাবে সম্পুর্ণ হয়ে গেলো আমাদের যশোর জেলা টিমের আয়োজনে ২০০০তম দিন উৎযাপন ও উদ্দোক্তা সম্মেলন। যারা অনুষ্ঠান টিকে সফল করবার জন্য দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম
জেলা সুনামগঞ্জ তিন তিন বার বন্যায় কবলিত হয়। আজ সেই বন্যার্তদের মাঝে কিছু ত্রাণ সামগ্রী উপহার দিতে পেরে আমরা সুনামগঞ্জ জেলা অত্যন্ত আনন্দিত