করোনায় যখন সবকিছু আটকা লকডাউনে কেউ বেরোতে পারেনা, তখন আমার হ্যাজব্যান্ডের সার্জিক্যালের একটা বিজনেস ছিলো আমি সেটা দেখাশুনা করতাম, করতে করতে আমার ভিতরে সাহস আসতে শুরু করলো, আমার হ্যাজব্যান্ড আইডিয়া
নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের ওয়েবসাইট রেজিস্ট্রেশন অগ্রগতি বৃদ্ধির জন্য আমাদের কান্ট্রি এম্বাসেডর, ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার যারা আছেন। যারা অলরেডি রেজি
যারা উপস্থিত হয়েছেন এবং আমাদের মিটআপকে সফল ও সাফল্যমন্ডিত করেছেন আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একরাশ দোয়া ও ভালোবাসা অবিরাম।
আমিঃ ভাই দুই ভাবে দিতে পারবেন বিশ্বাস করলে পুরোটা দিতে পারেন আর শুধু চার্জ টাও এডভান্স করতে পারেন।কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারি করলে একটু সমস্যা আবার কুরিয়ার থেকে পরে টাকা আনতে যেতে হয়।তারা নিদিষ্ট টাকার উ
লক্ষ্মীপুর জেলা কৃতজ্ঞ, কৃতজ্ঞ আমি নিজে,, এভাবে লক্ষ্মীপুর জেলাকে আলোকিত করে রাখবেন।প্রবাসীদের সম্মানিত করায় আবারও কৃতজ্ঞ আপনাদের প্রতি।
🔵 উক্ত মিটআপ উপলক্ষে আমাদের সঙ্গে,,,,, 🍀" সহযোগিতায়" :------- বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও জেলা প্রতিনিধি 1. Shaikh Al Amin, বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও সূদুর ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশ এর
ব্যবসাকে ব্যবসা মনে করিনা মনে করি আমি একটা সন্তান জন্ম দিয়েছি যেই সন্তানের নাম দিয়েছি "ডেইলি এম কে এস"তাকে আমি সন্তানের মতোই খুব যত্ন করে বড় করছি।তাকে আমি পোশাক পড়েছি সে এখন একটু বড় হয়েছে আমার
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
প্রতিটা মানুষের জীবেন, নিজের বলার মতো একটা গল্প থাকা প্রয়োজন, সেটা হতে পারে সফলতার, হতে পারে ব্যার্থতার, হতে পারে কষ্টের গল্প, সবাই চাই সফল হতে, আমি তার ব্যাতিক্রম নই - আমি ও সেই চেষ্টাই করে য
সারাদিন ব্যাস্ত ছিলাম আমার Shopping Network শপিং নেটওয়ার্ক এর স্টলে, কিন্তুু মন পড়ে ছিলো প্রোগ্রামে, বার বার শুধু মনে হচ্ছিলো স্টল দিয়ে ভূল করেছি এত সুন্দর একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে ভিতরে আর আমি বেচা বিক্র
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
তাই আমি লেগে থাকলাম আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় এখন অনেক ভালো বিক্রি হয় এবং পারিবারিক ভাবে অনেক ভালো আছি। আমি বলবো অনেকে হোচট খায় তারপর আর উঠে ধারায় না, বলে আমার দ্বারা আর হবে না আমি আর পারবো না। স
যখন আমি চাকরি পেয়েও হতাশায় ছিলাম তখন আমি ২জন মানুষকে পাশে পেয়েছি মা ও বাবাকে। মা ও বাবা আমাকে বলছিলো চেষ্টা চালিয়ে যেতে সফল একজন উদ্দোক্তা হতে পারবো। তাদের দোয়ায় কিছুটা বিলম্বে হলেও আমি সাফল্যের মুখ দ
স্যার আমাদেরকে যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষাকে নিজ নিজ জীবনে কাজে লাগিয়ে আমরা যেনো ভালো মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উচু করে চলতে পারি মহান রাব্বুল আলামিন
বৃষ্টি পড়ে সবার জন্য, তবে বিজে কেউ কেউ। * ব্যস্ততা বলে কিছুই নাই,its all about priority. *বাবা মাকে মুখ খুলে বলুন আমি তোমাকে ভালোবাসি। *আমরা পন্য কিনি না,কিনি বিশ্বাস। *নিজের সাথে কথা বলুন।পরিবর্তন
ছোট থেকেই আমি একটু উপার্জন মুখী ছিলাম তখন আমার বয়স ৭ কিবা ৮ বছর ক্লাস টু-তে পড়তাম পার্বত্য চট্টগ্রামে মানিকছড়ি রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়তাম,আমার বয়সের ছেলেরা যখন খেলা ধুলায় ব্যস্ত তখন
আলহামদুলিল্লাহ, কৃতজ্ঞতা আমাদের প্রাণপ্রিয় মেন্টাল প্রাণপ্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার এর প্রতি, সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলা টিমের সকল প্রাণ প্রিয় ভাই বোন ও সকল দ
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
প্রথমে কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের সামনে এতিম, গরীব, অসহায় ও পথশিশুদের মাঝে প্রায় ১৫০ টি ইফতার বিতরণ করা হয়। তারপর কিশোরগঞ্জ উদ্যোক্তা ক্লাবে সকল সদস্যদের নিয়ে দোয়া এবং ইফতার করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় কথা এখান থেকে সবাই উদ্যোক্তা হতে না পারলেও সবাই ভালো মানুষ হচ্ছে...এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া...এই ভালো মানুষগুলোই বদলে দেবে আমাদের সমাজ,আমাদের দেশ....!!
ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটি কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় @Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বগুড়া জেলা টিম ।
১৯৯৯ সালে চলে আসলাম সেই স্বপ্নের প্রবাস সৌদি আরবে, সেই সাথে প্রবাসীর কাথায় নাম লিখালাম। দেশে থেকে যেমন মনে করেছিলাম সৌদি আরব আসলেই অনেক টাকা কামাই করতে পারব তার কোনো কিছু বাস্তবতার সাথে মিল হচ্ছে
জীবনে বলার মতো এটা গল্প থাকা দরকার”। আর সেই গল্প সৃস্টি করার লক্ষ্যে আমার অর্গানিক ফুড নিয়ে পথ চলা। আসলে যা বলতে চাচ্ছি, কোন কিছু করার জন্য আপনার ইচ্ছা শক্তিই যথেস্ঠ, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, ধৈর্
আই সি ইউ তে থাকা একজন মুমূর্ষু বৃদ্ধা মাকে প্রয়োজনীয় এ পজিটিভ রক্তদান ।
ইকবাল বাহার জাহেদ স্যার এর এই গাইডিং গুলো ফলো করার পর নিজেকে একজন ব্যাবসায়ী/ উদ্ধোত্ব হবার জন্য উটে-পডে লেগেছি,, সিদ্ধন্ত নিলাম বিদেশ আর করবো না, কারন খুব অল্প বেতনে চাকরি ছিল আমার, তাই চাকরি টার
নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্ধীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উদ্যোক্তা সম্মেলন -2020 এর প্রস্তুতি এবং প্রচারনা চলছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে - ইনশাআল্লাহ 500+ সদস্য উপস্থিত থাকবে আপনি আসছেন ত??
আমি স্বপ্ন দেখতাম মেয়ে হয়ে বাবার - মার মুখ যেন উজ্জ্বল করবো।বাবার স্বপ্ন ছিলো মেয়ে আমার বড় উকিল হবে কিন্তু আমার কেন যেন ছোট বেলা থেকে শিক্ষকতা পেশা পছন্দ ছিলো।পছন্দের পেশার সাথে আত্মার সম্পর্ক ছিলো ১০
প্রবাসীদের কস্ট প্রবাসী ছাড়া কেউ বুঝেনা একজন প্রবাসী আরো একজন প্রবাসীর সাথে যেভাবে জীবনের দুঃখ যন্ত্রনাভাগাভাগি করে আপন পরিবার পরিজনের সাথে
খুবই সুন্দর,সুশৃঙ্খলা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সাফল্যমণ্ডিত উদ্দোক্তা সম্মেলন উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদজ্ঞাপন করছি মিরপুর জোন সহ যারা সম্মেলন বাস্তবায়ন করার লক্ষে নিরলসভাবে সামনে এবং পিছুনে থ
প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব।
আমি SOD হয়েছি গল্পে গল্পে সেল পোষ্টের মাধ্যমে। SOD হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন শ্রদ্ধেয় Ismat Hasan ভাইয়া। অনুপ্রেরণা পেয়েছি Md Sohel Rana ভাইয়া এবং Md Mahbubur Rahman Bhuiyan ভাই
🥀ভবিষ্যৎপরিকল্পনা: আমার স্বপ্ন নারীদের নিয়ে কাজ করা, তাদের পাশে দাঁড়ানো। স্বেচ্ছাসেবী মতো- এই পৃথিবীতে হাজার নারী আছে যারা এখনো পিছিয়ে- দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে তাদের বিনা পরিশ্রমে। আমি চাই ওই
আগে পরের বিক্রি হোক বা না হোক। অফার চললে বিক্রি হুরহুর করেই বাড়ে। জ্বী ডেলিভারি চার্জের কারনে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে চায় না। আমার নোয়াখালী কাস্টমার ছিলো। কাস্টমারদের একটাই আবদার হাতে হাতে
ঠাকুরগাঁও জেলার সামাজিক কর্মসূচী হিসেবে- # ৫০ টি ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। #এক দুখিনী মায়ের পরিবারের জন্য একদিনের খাবারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
আপনার জীবনের কিছু সুন্দর ঘটনা লিখে শেয়ার করতে পারেন, যেখানে শিখনীয় বিষয় থাকবে।
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
আলহামদুলিল্লাহ সিলেক্টেড হইছিলাম। গ্রপ এ সম্ভবতঃ প্রথম মেয়ে। প্রথম দিন হতে আছি।১২৮ জন পরবত্তিতে ১৬৪ নিয়া প্রথম গ্রপ শুরু,আর আজ দেখতে দেখত নবম ব্যাচ শেষ এর দিকে ,গ্রপ থেকে কি পেয়াছি তা উল্লেখ করতে য
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমি ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা পাচ্ছি,এই প্লাটফর্ম আমাকে শূন্য থেকে কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায় সেই শিক্ষা পাচ্ছি,লক্ষ লক্ষ ভালো মানুষের একটি পরিবার পেয়েছি।
আলহামদুলিল্লাহ 🥰🥰 Ayesha Tuba Hashi বোনের প্রথম থ্যালাসেমিয়া রোগী কে (#বি+)রক্তদান সম্পূর্ণ হলো।
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
ই ছোট্ট জীবনে আমার প্রতিটা পদক্ষেপ শুরুতেই শেষ হয়ে যায়, হয়তো তা দ্বিতীয় বারে হয়েছে বা কখনো দ্বিতীয়বারেও হয় নাই। সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল এইটা যে,দৈনিক জীবনের ছোট খাট প্লানগুলো আমার কখনো প্লান মোতাবেক হয় না
অনেক আবেগ নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে, আশা নিয়ে লেখা শুরু করি,আমাদের না বলা কথা গুলো এখানে প্রকাশ করি।আর যখন Sod হয় লেখাটা,তখন তো লেখার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।সবাই যখন অভিনন্দন জানায়,তখনকার অনুভুতিটা প্রকাশ করা
চাচা অনেক দোয়া করবেন স্যারের জন্য সব সময় ভালোই হয় আল্লাহ পাক নেক হায়াত দান করোক তুমার স্যারের জন্য 🌻 আমি চাচাকে আমাদের বাজার ঘুড়ে দেখালাম চাচা বললো খুব ভালো তো বসে বসে সব বাজার ঘুড়ে আসল
আমার কান্না শুনে ভাইয়া আমাকে ধমকাতে শুরু করলো৷ কিছুক্ষণ পর ভাইয়া। আমাকে নিয়ে চাচাকে খুঁজে বের করলো৷ পরে আমার মামার শশুড় বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাইলো৷ কারণ, কাছেই আমার মামার শশুড় বাড়ী। রাতটা কোনো ভাবে সেখা
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক