এখানে আমাদের সকল সম্মানিত দায়িত্ব শীল দের প্রচুর ভালোবাসা এবং পরিশ্রমের একটা বিরাট ভূমিকা ছিলো। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে,যে সকল সম্মানিত সদস্য অধির আগ্রহে উপস্থিত হয়ে আমাদের প্রোগ্ৰামটিকে প্রাণবন্ত ক
শ্রদ্ধেয় স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস অর্গানাইজিং টিম কাজ করে যাচ্ছে।
💌আমি নিজেকে আরও অনেক বেশি পরিচিত করার জন্য দিন রাত এই ফাউন্ডেশনে প্রতিটি পোস্ট এ কমেন্ট করে যাওয়ার চেষ্টা করি। কারন ৫০ টা পোস্ট এ ৫০ টা কমেন্ট করলে৷ এই ৫০ জনের মধ্যে অন্তত ২০ জন তো আমায় চিনবে,
আমার আগ্রহ বেড়ে গেলো, তাই আমি লেখায় মনোনিবেশ করলাম। আমি মোট ২৭ তম বার সম্ভবত স্টাটাস অব দা ডে হয়েছি। আমার তাতে কি লাভ হয়েছে, ১.আমি এখন নিজের মতো করে গল্প লিখতে পারি। ২.লেখার প্রতি অনেক আগ্রহী হয়ে
আমার মায়ের পাশে দাড়াতে চাই। একদম ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি আমার মাকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে। আমার মা একাই ঘরে বাহিরে সবদিক সামলায়। আমার মায়ের ছোট্ট একটা বিজনেস (পার্লার) আছে। তার সাথে সাথে তিনি একজন শিক
হঠাৎ করে একদিন পাশের বাসার ভাবি এলেন। আমি রুমে শুয়ে আছি। তিনি এসেই মা কে বললেন কাকি রিতা কই অনেক দিন হলো দেখিনা আবার অসুস্থ হয়ে গেছে নাকি আমার মা/ না অসুস্থ না সারাদিন মোবাইল নিয়ে পরে থাকে দেখবি কি ক
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
দুরন্ত দিনাজপুর জেলার সকল কলেজে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সকলে দোয়া ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে আমাদের সাথেই থাকবেন সবসময়।
স্যারের কথা মতো সকলেই বেশি বেশি গাছ লাগান।গাছ আমাদের বন্ধু গাছ আমাদের অনেক উপকার করে ।আমাদের জীবন রক্ষার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা এই গাছ থেকেই পায়
একটি আলোর কণা পেলে লক্ষ প্রদীপ জ্বলে, একটি মানুষ, মানুষ হলে বিশ্বজগৎ টলে... নাম না জানা কবির কবিতার এই অংশটুকু একজন আলোকিত মানুষের স্বরূপ প্রকাশের জন্য যথেষ্ঠ। আলোকিত মানুষগুলি আলো ছড়ান মানুষ থেকে মা
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে গোপালগঞ্জ জেলার অফলাইন মিটআপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর দেখলাম যে শুধু আমি না, আমার মত অনেক নারী আছে যাঁরা আমার মত স্বপ্নহারা,দিশেহারা। কিন্তু এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর অনেকে তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলছে, তবে আমি কেন পার
কাজী নাজমুল আলম হামীম কোর ভলান্টিয়ার, রেজি ৬১
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
বাসা থেকেই সেল করছি, আমার একটাই স্বপ্ন আগামিতে আমার একটা শোরুম হবে ইনশাআল্লাহ। সকলে দোয়া করবেন আমার জন্য আমি যেন আমার স্বপ্ন গুলো পূরণ করতে পারি জীবনে অন্তত একজন পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পারি।
ইকবাল বাহার জাহেদ স্যার এর এই গাইডিং গুলো ফলো করার পর নিজেকে একজন ব্যাবসায়ী/ উদ্ধোত্ব হবার জন্য উটে-পডে লেগেছি,, সিদ্ধন্ত নিলাম বিদেশ আর করবো না, কারন খুব অল্প বেতনে চাকরি ছিল আমার, তাই চাকরি টার
বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে। যিনি এত সুন্দর একটা পরিবার উপহার দিয়েছেন।
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে- যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
কোনো লেখক জন্ম থেকেই লেখক হয়ে জন্মায় না। সে জানে তার লেখার প্রতিভা আছে।,😊😊 সে নিজের ভেতর তার প্রতিভা আবিষ্কার করেছে এবং লেখার মাধ্যমে তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছে।পাঠকের মন আপ্লুত হয়ে তার লেখনীর মাধ
প্রথম বর্ষেই বিয়ে হয়ে গেল।সংসার পড়াশোনা চলতে থাকলো।অনেক টা সুস্থ ও ছিলাম।ডিগ্রি শেষ হলে ছেলে হলো।মাস্টার্স শেষ করার পর মেয়ে হলো।আবার শুরু হলো প্রায় প্রায় ব্যাথা।চলতেই থাকলো ব্যাথা।দুটো বাচ্চা, সংসার আ
সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হলো আজকের দিনটা। সকল কে নিরন্তর শুভকামনা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
মিট আপটিতে ১৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং অতন্দ্র গাজীপুর জেলার ২য় 💞বার্ষিক বনভোজন ও উদ্যোক্তা আসর💞 আয়োজনের সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয় এবং গাজীপুরের ৫ জন দায়িত্বশীল জেলা এম্বাসেডরদের নেতৃত্
শীতের কবলে কাঁপতে থাকা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আমার-আপনার-আমাদের সবাইকে। সামান্য একটু মানবিকতার স্পর্শ বাঁচাতে পারে শীতার্তদের, তাদের মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারে
আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ۔তাই নিশ্চয় বুজতে পারছেন ۔যে সমস্যা তো লেগেই থাকতো কারণ নাম দিয়ে তো আর সংসার চলেনা ۔তখন পাচঁ ভাই ও বোন সব মিলিয়ে আমরা ছয়জন সবাই পড়া লিখা করতেছি ۔সম্পদ বলতে আমাদের কিছু ধা
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
২০১৮ সাল পর্যন্ত জীবনে অনেক ঝড় হাওয়া বয়েছে, ভেবেছিলাম জীবনে হয়তো কোন কিছুই করতে পারবো না, সারাজীবন পরিবারের বোঝা হয়েই থাকতে হবে,জীবনে মানুষের অনেক কথা শুনেছি ডিপ্লোমা আর্কিটেক্ট হয়ে কি করেছি?
।আমি স্যারের থেকে শিখেছি কথা দিয়ে কিভাবে কথা রাখতে হয়, কি ভাবে রাগ কে প্রাধান্য না দিয়ে জেদ কে প্রাধান্য দিতে হয়,কীভাবে স্বার্থ ছাড়াই মানবসেবা করে যেতে হয়, কীভাবে একজন ভালো সন্তান /ভালো মানুষ এবং উদার
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
শীত তো চলে এসেছে ত্বকের যত্নে সবার বাড়তি প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে।এই শীতের কিন্তু আমাদের ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।সঠিক যত্নের অভাবে ত্বকের নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। এক দিন উদ্যোক্তা দের পরিচয় পর্বে নিজ
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
ত ভোর করে ফেললেও এই বর্ননা ফুরোবার নয়। আমার তো প্রতিনিয়ত মনে হচ্ছে আমি স্যার সহ সবার কাছে চীর ঋণী। কি করে এত ঋণ শোধ করবো আমি জানিনা। এত ভালবাসা পাবার যোগ্য একদমই যোগ্য নই। অথচ যখনই যার সাথে যোগাযোগ কর
আলহামদুলিল্লাহ। অধ্যক্ষ বরাবর চিঠি প্রদান করা সম্পূর্ণ হলো। যার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটা কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী
পান্তা ইলিশ সহ যাবতীয় সবকিছু ইভানের আম্মু রান্না করেছে। কিন্তু আমাকে তো কিছু একটা রান্না করতেই হবে, তাই শেষমেশ লইট্টা মাছ রান্না শুরু করলাম।
বাকি দশ জনের মতোই সে থাকে অতি সাধারণ একজন মানব মানবী কেউ সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় না অথবা সবাই কুড়ে ঘরে জন্মায় না কবি নজরুলের জন্ম কোনো অট্টালিকায় হয় নি,টিনের ফুটোয় বৃষ্টির পানি পরার দৃশ্য দেখেও ক
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
প্রতিদিন নিত্য-নতুন রান্না করার মাধ্যমেও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। কেননা রান্নার সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিকল্পনা, নতুন কিছু করার উদ্যোগ, আনন্দ। বিভিন্ন উপাদান পরিমাণমতো মিশিয়ে সুস্বাদু কোনো খাবার তৈরি ক
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
আজ মঙ্গলবার বার ,,"নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের হাটবার ।বেশ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কোন দিন কি বার সেটা আমার মনে থাকতো না । কিন্ত যখন থেকে গ্রুপে এক্টিভ আছি তখন থেকেই এই হাটবারে অংশ গ্রহণ করার
শুরুতে কৃতজ্ঞতা জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে, স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনে ব্যানারের, অসহায় দরিদ্র ও মাদ্রাসার এতিম খানায় শীতবস্ত্র বিতরণ আয়োজনে রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা
যাইহোক পরবর্তীতে এ্যালুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি আর ভালোভাবে চালাতে পারিনি, ক্যাপিটাল সংকট প্লাস উৎপাদনের তুলনায় সেল মাত্র ২৫% তাও ম্যাক্সিমাম বাকি। রানিং/ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেখতে শূণ্য হয়ে গেলো! শুরুতেই খ
গত 24/12/21 শুক্রবার অতি জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া যশোরের উদ্যোক্তা মেটাপ ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠান টি যশোরের দৈনিক চারটি পত্রিকা স্পন্দন, সমাজের কথা, প্রতিদিনের কথা ও কল্যাণ পত্রিকা একযোগে প্
হাতে পায়ে খানিকটা বড় হলাম দৃশ্যমান হলাম বাবা মা ভাইদের চোখে 🤩 একটি ছেলের কামাই দিয়ে ভালো চলছে না যে সংসার আরো বড় হতে হবে আমাদের🤭 💥কাল হয়ে দাঁড়ালো সেই লোব আমার জন্য। ঘরে ফ্যামিলির সকলের স
আমি খুব সাধারন একজন মানুষ। বিশেষ কোনো গুনাবলি নেই আমার। তবে যখন কোনো কাজ ধরি তার পেছনে লেগে থাকি। অনেক বাধা-বিপত্তির পরও লেগে থাকার ধৈর্য্য আমার ব্যাবসার মূলমন্ত্র। যেটা নিয়ে স্যার সেশনও করেছেন। যেকোন
সবাই আমাদের দোয়া করবেন আমাদের যশোর জেলা টিমের জন্য আমরা যেন স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে সফল উদ্যোক্তা, মানবিক মানুষ হতে পারি, মিলেমিশে আজীবন পথ চলতে পারি।
প্রতেকটা মানুষের জীবনে একটা স্বপ্ন থাকে। তেমনি আমারও রয়েছে। আমি পোষাক নিয়ে কাজ করি। নিজের কারখানায় তৈরি পোশাক নিজস্ব শোরুমে হোলসেল করে থাকি। এই হচ্ছে বর্তমান।কিন্তু আমার স্বপ্নটা আকাশ ছোয়া। কতটুকু সফ