এখন আর আগের মত বাড়িতে টাকা পাঠাইতে পারিনা। কারন এমন ও মাস যায় নিজের খাবারের টাকাও পাইনা মাস শেষে, বাড়িতে বলি সমস্যা কিন্তু পরিবারকে কিছুতেই বিশ্বাস করাতে সক্ষম হইনা। কারন ঐযে প্রথমে অনেক টাকা পাঠাতাম
একটা সুন্দর সাজানো গুছানো জীবন কিছু মাসের মাঝে অগোছালো হয়ে উঠেছিলো।বাবার অনেক চাওয়ার,অনেক আদরের মেয়ে ছিলাম আমি।আম্মু বলে আমি পেটে ছিলাম সময় আব্বু নাকি মানত করেছিলো যেন মেয়ে হয়।সবার বড় মেয়ে আমি।ছোট থেক
#আসলেই সব কিছুতেই চুপ থাকতে নেয়। নিজের স্বপ্ন তৈরিতে নিজেই প্রথম ভরসা হতে হয়, উঠে দাঁড়াতে হয়, মাঝে মাঝে চালাঞ্জ নিতে হয়।সম্মান দেখানোর জায়গায় দেখতে হয়, কিছু মানুষকে শুধরানোর সুযোগও করে দিতে হয়। আমার
নামটা যেমন তেমন কামটা কিন্তু পারফেক্ট। কত রকমের মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত কথা বলি, আড্ডা দেই & চলাফেরার সুবিধাদে তাদের সম্পর্কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে জানার চেষ্টা করি। এই জানার কারন ইকবাল বাহার জাহিদ স্য
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় আমার ব্যাবসায় মনমুগ্ধ ছিলাম । মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নি
এই প্রথম আমি আমার সেল পোস্ট নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে শেয়ার করলাম। তাই আমি সত্যিই খুবি আনন্দিত। 🥰🥰 তাছাড়া খুব কষ্টও হচ্ছে ১০ম ব্যাচ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে। 😭😭 প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি #ইকবাল
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
কুয়েত সিটি “সুক মিসিলা” গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্টিত হয়ে গেল কুয়েত টিমের মাসিক মিটআপ।
প্রিয় স্যার আমাদেরকে পাল্টে দিচ্ছে আমরা পাল্টে যাচ্ছি, আমি বিশ্বাস করি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যারা যুক্ত হয়েছে, এবং নিয়মিত স্যারের সেশনগুলো পড়তেছে তারা না চাইলেও পরিবর্তন হয়ে যাবে,
আসসালামু আলায়কুম, সবাইকে জানাই এই রামাদান মাসের শেষ দিকে রামাদান মোবারক। আশা করি সবাই আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ
আমি একজন মহিলা মানুষ কি আর করব মনের দুঃখ মনে নিয়ে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে ধৈর্য ধারণ করলাম এবং শেষমেষ আবারো প্রবাসে পাড়ি দিলাম। বর্তমানে আমি এখন জর্ডান প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধে অংশগ্রহণ করা আমি
কোনো কোনো দিন টাকা না থাকায় আদা কেজি মুড়ি বাকিতে আনার জন্য দোকান্দারের কাছে বসে থাকতেন বাবা। দোকান্দার বাকিতে দিলে তা নিয়ে আসতেন আমাদের দুই ভাই কে দিতেন। আর 🔹মা🔹শুধু কাঁদতেন আমাদের নিয়ে😭 ভালোবা
ইরাক এবং ইরানের যুদ্ধ সময় বাবা একবারে দেশে চলে আসে,আয়ের পথ বন্ধ, কিছুদিন যাওয়ার পর বাবার কেনা জমিগুলো এক এক বিক্রি শুরু করলো,এর মাঝে আমার বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বাবার কেনা জায়গায় বিক্রি পর এবার দা
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
রক্তদান একটি মহৎ গুন যা সকলেই করতে পারে না।বয়স ১৮+ এবং ওজন ৫০+ যেকোনো সুস্থ মানুষ রক্তদান করতে পারে।অনেক ই রক্ত নেওয়ার যে সুই টি সেই সুইয়ের ভয়ে রক্তদান করতে চান না।
ধন্যবাদ জানাই সকল জেলা প্রতিনিধিদের যাদের শ্রম ,মেধা ও পরামর্শ আজকের আয়োজন সফল হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য দায়িত্বশীল ,কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার ও আজীবন সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আজকে মাসিক মিটআপে আমাকে এইভাবে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন সকলে তা কল্পনা করি নি। খুব ভালো যেভাবে লেগেছে তেমনি অবাক হয়েছি আমাকে এতোটা সম্মান দেয়ার জন্যে।
ভালবাসা নামে শব্দ টা ও খেলা করে লেখার গহীনে।হুম, ভালবাসি ভীষণ ভাবে, আর ভালবাসা টা ই লেখার নেশা। এ ভালবাসার সাথে সখ্যতা জীবনের কোন একটা সময়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ব্রেকের পর লেখা নামক ভালবাসাটা আমাকে আবার ক
হঠাৎ একদিন ফেসবুকে নিজে বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর সন্ধান পাই তখন থেকেই আলহামদুলিল্লাহ মনে হচ্ছিল নিজেকে দিয়ে কিছু হবে এবং সেশন পড়ে যাচ্ছি ভিতরে শক্তি চলে আসছে।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের" ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তাদের অফলাইন মিট-আপ খুব চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে।
তরুণ-তরুণী উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়েছে। এবং প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা উদ্বোধন করতেছেন জিনি উদ্যোক্তা তৈরি করার কারিগ এবং ফেসবুক ভিত্তিক পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যে অনলাইন ভিত্তিক কর
চমৎকার ভাবে, রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিট আপ সম্পূর্ণ হয়েছে।
একজন প্রবাসীর উপর ভরসা করে গোটা একটা পরিবার স্বপ্নের পশরা সাজায়। আর এভাবেই এপাড়ে ভরসা করে ওপাড়ে বুনতে থাকে স্বপ্নের জাল। অনেক আবার ৩ বেলা ঠিকমত খাবারের স্বপ্নও জড়িয়ে থাকে এই প্রবাসীর উপর। এরকম হাজারও
মেসেঞ্জার এ হঠাৎ মেসেজ এল আপু আপনার কাছে কি ধরনের থ্রিপিস আছে? আমিঃ ভাইয়া,আমার কিছু সুতি কালেকশন আছে। ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি লোন,ডিজিটাল প্রিন্ট আর কিছু কাতান বেনারসি থ্রি পিস, জরজেট, কিছু নরমাল প্রি
ডিম ভাঙলেই তবে মুরগীর বাচ্চার জীবনের সুচনা হয়। কোনো এক ভেঙে যাওয়া ঘটনা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু। তাই উঠুন, স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করুন। ভাগ্য কপালে থাকেনা, ভাগ্য থাকে কপালের ফোঁট
সাহস করুন শুরু করুণ লেগে থাকুন সাফল্য আসবেই❤️ তারই ধারাবাহিকতায় এবং নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম মহা সম্মেলন পরবর্তী অফলাইন মিটআপ বরিশাল উদ্যোক্তাদের নিয়ে, ৫ম সম্মেলনে বরিশাল উদ্যোক্তগন কে কি শ
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
কতটা দর্য্য থাকলে খালি পেটে মাথায় টেনশন নিয়ে তারসাথে স্বাভাবিক ভাবে কথার উওর গুলো দিলাম। আর আমি আমার ফেসবুকের টেনশনে শেষ 😥কিছুখন পর এক ক্লাইন্ট ফোন করে বললো আপু আপনাকে ম্যাসেজ দিচ্ছি সিন করেন না মোব
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের যুক্ত আছি, যুক্ত থাকব ইনশাআল্লাহ। একজন ভালো মানুষ হবো, একজন সফল উদ্যোক্তা না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকব। (ইনশাআল্লাহ) সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
স্বপ্ন আগেই ছিলো কিন্তু কোন কিছু শুরু করার সাহস ছিলো না। স্যারের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা এবং সাহস পেয়ে শুরু করে দিলাম। কিছু প্রোডাক্ট কিনে আনলাম, কিনার আগে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং সেই রোকসানার সাথে
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
গ্রুপে যত সময় দিচ্ছিলাম ততই নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম।যে মানুষকে কেউ কিছু বললেই লেগেটিভ ভেবে নিতো, অন্যের সাথে কথা বলতে পারতো না,অল্পতেই ভেঙে পড়তো,সেই আমি আজ সব কিছুই পজিটিভ ভাবে ভাবি।স
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
আমি সময় নিচ্ছি আর চাকরির পাশাপাশি সময় দিচ্ছি হুট করেই নই আস্তে আস্তে নিজেকে গুছিয়ে স্বপ্ন নিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছি.. তাই.... দোয়ার দরখাস্ত রইল আমার প্রিয় এই ছোট্ট খামারের জন্য সবার কাছে..... #
মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Novera's Dream নামে একটি পেজ খুলি। দুয়েকটা ড্রেসের পোস্ট ও দেই
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
ভ্রমণ সবসময় আনন্দ দেয় মাংসের বদ্ধ ঘরে ক্রান্তি আসলে ঘুরতে যাওয়া উচিত মাইন্ড কাজে মন বসে এটা একটা জীবনের
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় গল্প করতাম আমি নিজে ব্যবসা করবো,আমি আমার টাকা দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবো।আপনারা সবাই আমাকে আর্শীবাদ করবেন আমি যেন আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পারি। মুলত সেখ
২য় বারের মতো (বি পজিটিভ) লাল ভালবাসা দান করলাম আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
চমৎকার সফল আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার #প্রস্ফুটিত_গোপালপুর_উপজেলার ফিজিক্যাল মিটআপ।
আমার গল্পটা শুরু হয় ২০২২ সালের জুন মাসে আর গল্পটা স্বপ্নে রুপ নেয় সেই বছরের শেষ দিকে অর্থাৎ ২০২২ সালের ০৭ অক্টোবর।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৪র্থ বর্ষে পদার্পন ও বিনামুল্যে ৫ লাখ তরুণ তরুণীকে উদ্দ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান উপলক্ষে মহাসম্মেলন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগ
আমার বাবা 14 বছরে একবার বাংলাদেশের সফর করেছে বাবার মুখখানা আমার খুব অসহায় লাগতো আমার হৃদয়ে খুব খারাপ লাগত বাবার জন্য। তারপর বাবাকে আমি 2006 সালে প্রবাস জীবন থেকে মুক্ত করে দিলাম।
খাগড়াছড়ি জেলায় খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে উদযাপিত হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ১০০০ তম দিন। এই ১০০০ দিনের মধ্যে এক দিনের জন্য ট্রেনিং বন্ধ ছিলোনা। এবং এই ট্রেনিং ছিলো সম্পুর্ণ বিনামূল্যে
একজন মেয়ে হিসেবে কত যে বাধা আসে উদ্দোক্তা হতে গেলে তা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। আমি একজন মেয়ে কতটা প্রতিবন্ধকতা মাঝে ও উদ্দোক্তা হলাম,,
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্। 🏵️প্রথমে শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর নামে যার অপার কৃপায় এই পৃথিবীতে এসেছি। সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ