টুইনবেবীর মায়েরাই যানে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়।যাক সব সমস্যা নিয়েই ৭মাসের আগেই২০২২সালে জানুয়ারি তে আমার ২টি জমজ ছেলে জন্ম নেয় তারা আকারে ছোট ৬০০/৮০০গ্রাম করে ডাক্তারদের কথায় বাচার আশন্খা ছিলনা ৯৯%
পরিবারের বড় সদস্যরা বেশি একটা পড়াশোনা করেনি। যার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কারণ, আমাদের এলাকায় শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। ভালো কোনো শিক্ষক খুজে পাওয়া যেত না।অন্য এলাকায় গিয়ে প্রাইভেট পড়তে
জীবন মানেই আমি মনে করি লড়াই বা প্রতিযোগীয় টিকে থাকা, এই গ্রুপে এড হয়ে যেটা আমি হেটে হেটে কিংবা সিড়ি দিয়ে আগাইতাম সেটা এখন স্যারের সেশান গুলোর কারনে লিফটে করে আগাইবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাসী আমি সাহস
অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নিজের ভিতরে কিছু করার ইচ্ছা চলে আসে কারন বাবা একা আর পারছে না ছোট ভাইয়ের খরচ আমার খরচ সংসারের খরচ ইত্যাদি।তাই ভাবলাম কিছু একটা করতে হবে।ফাকে ফাকে ২-১ টা টিউশুনি করাতাম ত
পর্দাও আমি ক্লাস নাইন থেকেই করি,তখন বোরখার এমন প্রচলন ছিল না,মেয়োরা বোরখা পড়তনা বললেই হয়।আমার মায়ের মত খাঁটি পর্দানশীল কিছু মহিলা বোরখা পড়ত শুধু। আর আমি মাথায় মিলিনারী পরতাম আর বড় বড় উরনা পড়তাম। তখন
আসলে ছোট থেকেই আমি একটু ডানপিটে সবসময় নিজের কাধে কাজ তুলে নিতে পছন্দ করি এ জন্য অনেক সময় সম্মিলিত কাজের ব্যর্থতার দায় ভার আমার উপর আসার অভিজ্ঞা ও আছে তা নিয়ে আমি মোটেও ভাবছি না আমি ছোট একটা ব্যবসায়ী
দেখতে দেখতে ৯০ টা দিন অর্থাৎ ৩ মাস চলে গেল আমাদের কর্মশালার। প্রতিদিন আমরা কানেক্টটেড ছিলাম - এটা কিন্তু একটা বিশাল অর্জন। এবং শেষ হল টানা ১০ টি ব্যাচের ৯৩১ দিন। টানা এই ৯০ দিনের লম্বা জার্নি আপনাদের
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
বিজনেস শুরু করতে গিয়েও অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে। কিন্তু আমি আর কারো কথাই শুনবো না। জীবন আমার সিদ্ধান্ত আমি নিজে নিবো। আমার বাচ্চা নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে গত ১২/১৩দিন অনেক কষ্ট করেছে। অনে
"নিজের বলার মত একটা গল্প " এর প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার,,,,এর মহান উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা শহরে অন্যের জায়গায় একটি গাছ লাগানোর চেষ্টা,,,,,, আমি ৬ মাস বা ১৮০ দিন স্যারের এই প্রোগ্রাম এর সাথে আছি,,,,
আমারা ভাই বোনেরা জখন পেটের খিদার যন্তোনায় মায়ের সাথে কান্নাঁ করতাম তখন মাকে দেখেছি আমাদের চেয়ে বেশি কান্নাঁ করতে মা কান্নাঁ করতে করতে ঘর থেকে বিরিয়ে কোন এক বাড়িতে গিয়ে বসে থাকতো তাদের ভাত রান্না হলে ভ
সবার প্রতি আহ্বান। আমরা সবাই গাছকে ভালোবাসি। একটি গাছেরও যেন ক্ষতি না করি। জীবনে অন্তত একটি গাছ লাগাই, হোক সেটা ফুলের, ফলের বা ভেষজ গাছ। আপনার পরবর্তীতে যতই এর সেবা গ্রহন হবে ততই আপনার সওয়াব হবে
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
কি সিদ্ধান্ত নিবো আমি! সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি আমি। ভগ্নিপতি সহ চার ড্রাইভারের সাথে পরামর্শ করলাম। গোডাউনের ৮০ ভাগ মাল বিক্রয় করে দিলাম এবং চার ড্রাইভার ও ভগ্নিপতিকে ব্যাবসার দায়িত্ব বুঝে দিয়ে রওয়ানা দ
সফলতা ২০/৩০ভিতর হয়না,আবার হয়েও যায়।কারো কারো জীবনে যেকোন সময় সফলতা আসে সেটা হউক না ৫৫/৬০/৬৫ কিংবা ৭০। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম হাজার ও সফলতার গল্প আছে। স্যার সুন্দর করে বলেছেন স্বপ্ন দেখুন,সা
কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ কবুল করুন 🤲 বছরের শুরুর দিনগুলো স্মরণীয় করে রাখতে পটুয়াখালী জেলা টিমের মানবিক কাজ শুরু করেছে, জয় হোক মানবতার
বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা, আমাদের পরিবারের সকলের প্রিয় মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক, উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর, সামাজিক ও মানবিক কাজের লিডার, জীবন্ত কিংবদন্তি, তরুণ তরুণীর আইডল, হাজারো মানুষের মনের মানুষ, জনাব Iq
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ব্যানারে চলছে #খুলনা টীমের দিন বদলের আড্ডা। এই দিন বদলের আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিলো #খুলনা টীমকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই বিষয়ে মতামত প্রকাশ। তাছ
আলহামদুলিল্লাহ টানা ১০ম বারের মত O+ রক্ত দান করলেন আমাদের প্রিয় Md Zahid Jobayer ভাই। তিনি মিরপুর মডেল জোন এর পল্লবী থানা প্রতিনিধি।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন ১ম ব্যাচ থেকে যাত্রা শুরু করেন। আমাদের মাঝে রয়েছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রদ্ধেয় সানজানা শাহজাহান আমাদের প্রিয় গুলশান
২৮/১০/২০০৫ সাল রোজ শুক্রবার, আমার জীবনের স্বরনীয় দিন,যেদিন প্রথম প্রবাসের জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিলাম। বাবা-মা আত্নীয় স্বজন থেকে বিদায় নিয়ে (সকাল ৮:৩০ মিনিটে) আকাশে উড়াল দিয়েছিলাম। ঠিক সেদিন থেকে মনে
যতই সমনের দিকে আগাই ততই আরো গভীরে জেতে মন চায়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত লেগে আছি প্রিয় এই ফাউন্ডেশনের সাথে।প্রিয় স্যারের শিক্ষায় নিজেকে খুব তারা তারি পরিবর্তন করে ফেললাম এবং প্রতিজ্ঞা করলাম যে জীবনে যতো দ
আমাকে বলল সব কিছু ঠিকঠাক ছিল দুইটি লোক কথা দিয়েছিল রক্ত দিবে কিন্তু এখন তাদের আমি কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। আমি তাকে বললাম এখন পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা আমাকে একটু বলুন? সে আমাকে বলল আমার একজন শালিক
করুনার প্রভাব কিছুটা কমলেও জীবনে কষ্টের প্রভাব কমছিলনা। জীবন তো থেমে থাকেনা,পেটের তাগাদায় সংগ্রাম করতে তে হবেই।অবশেষে কিছুদিন ভালোই যাচ্ছিল।
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
আমার জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প সেই জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়েই আজকের এই লিখাটি। জীবনের গল্পটা অনেক কষ্টের তবে এটা জীবন গড়ার গল্প, জীবনের কষ্টের গল্প। তবে চলুন শুরু করি আমার জীবনের গল্প। প্রত্যেক মা
অত্যান্ত চমৎকার ভাবে সমপন্ন হলো চৌগাছা উপজেলার অফলাইন মিটআপ। যারা ভালবেসে মিটআপে উপস্থিত হয়েছিলেন সকল কে অভিনন্দন।
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
নাটোর জেলার ভালোবাসা বিলাই প্রজেক্ট আজকে ২৬ মার্চ ২০২৩ ইংরেজি ৩রা রমজান নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার সোনাপুর বাজার Md Shahabuddin এর দোকানে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা সমন্
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করিতেছি মহান আল্লাহ তায়া' লা র প্রতি যিনি দয়া করে এ পেন্ডামিক অবস্থার মধ্যে ও আমাদের ভালো রেখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ ______ শ্রদ্ধা,
গত বছর কোরোনা কালীন অবস্হ আমরা যখন বাসায় বন্ধি চিলাম আমার দোকান বন্ধ লক ডাউন তখন সব সময় বাসায় থাকতাম। খাওয়া আর ঘুম এর বাহিরে কিছু চিলো না বা চিন্তা ও করতাম না কোনে কিছু। মোবাইল ও তেমন দেখতাম না মা
রাত শেষ হলো, সকাল বেলা বের হওয়ার সময় শালটা পড়ে মায়ের কাছে গিয়ে বল্লাম আম্মা আমি বাজারে যাচ্ছি। আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে♥♥♥ আম্মা তখন আমার গায়ে থাকা শালটি দেখতেছেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো বাবা শাল
ভালবাসা নামে শব্দ টা ও খেলা করে লেখার গহীনে।হুম, ভালবাসি ভীষণ ভাবে, আর ভালবাসা টা ই লেখার নেশা। এ ভালবাসার সাথে সখ্যতা জীবনের কোন একটা সময়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ব্রেকের পর লেখা নামক ভালবাসাটা আমাকে আবার ক
প্রতিটা সম্পর্ক হলো চারাগাছের মতো। একটি গাছের চারা লাগিয়ে ফেলে রাখলে, আপনি কখনোই এর থেকে সুফল পাবেন না। সুফল পেতে হলে আপনাকে গাছটির যত্ন করতে হবে— নিয়মিত পানি ও সার দিতে হবে, পরিচর্যা করতে হবে। সম্পর
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম। চট্টগ্রাম জেলার ২০২২ সাল শেষ হয় মানবিক কাজ দিয়ে এবং ২০২৩ সাল শুরু হয়েছে মানবিক কাজ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ।
জীবনে ভাল কিছু অর্জন করতে হলে মন থেকে লজ্জা এবং ভয় দূর করতে হবে” ➤বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয়ের কন্যা বলে খ্যাত পঞ্চগড়ের, দেবীগঞ্জ থানায় জম্মগ্রহন করি বর্তমান সময়ের একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা
বাবা মানে কি তা আমাদের কারো অজানা নয় । বাবা নামক শব্দটি ছোট হলেও এর ব্যাখা দেয়া কারো সন্বব না বাবা মানি এক জন ব্যক্তি বা মানুষ নন, বা কোন সন্পকের নাম ও নন, বাবা মানি বিশালতা , বাবা মানি বটগাছ
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
আজকের টাঙ্গাইল জেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এবং চমৎকার একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত হয়েছে।
অনেক সাহস করে ২০১৫ সালে রমজানে বাবার রেখে যাওয়া ৩০০০ টাকা আর দুইটা ড্রেস ছিলো আমার বেবসার পুঁজি।।।।।।।।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে, ঘরোয়া ভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের অফলাইন ফিজিকাল মিটআপ। অনেক সুন্দর এবং প্রাণবন্তরভাবে সম্পুর্ন্ হলো আমাদের এই মিটআপ। ❤️👉আমাদের প্রিয় স্যার
বাবার পিছনে এক টাকাও খরচ করার মত নিজের কোন সমর্থই ছিল না। মনে হয় কিছু একটা করি কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। নিজের ইচ্ছা মতো বাবার পিছে খরচ করব । এবার শুরু হয়ে গেল বিজনেস। শুরু করলাম ত্রিশ হাজার টাকা
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। শুধু ছোট দুটি বাচ্চাদের কথা ভেবে।যদি আমি মরে যায় ওরা এত ছোট যে মার আদর থে
১৪ ই জানুয়ারি ২০২৩ মহা সম্মেলন কে কেন্দ্র করে আদম্য টাঙ্গাইল জেলার #ঘাটাইল_উপজেলায় চলছে টিকেট সেলিং কার্যক্রম ও ২য় মাসিক মিট আপ। উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার ইবনে সাইম রানা।
আমার মায়ের পাশে দাড়াতে চাই। একদম ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি আমার মাকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে। আমার মা একাই ঘরে বাহিরে সবদিক সামলায়। আমার মায়ের ছোট্ট একটা বিজনেস (পার্লার) আছে। তার সাথে সাথে তিনি একজন শিক
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
রিয়াঃআসলে সব সময় ভাবতাম স্বামীর এতো টাকা থাকতে আমাকে কেন কিছু করতে হবে?কিন্তু করোনার কারনে ওর চাকরি চলে গেছে।যা টাকা জমা ছিলো সব খরচ করে ফেলেছে।বাসায় ঠিক মতো টাকা দেয় না।টাকা চাইলেই অনেক কথা শুনায়।বলে