আমাদের জামালপুরের কিছু দিন আনে দিন খায়,অসহায় মানুষের মাঝে। সারা পৃথিবীর এই সংকটময় মুহর্তে
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের লক্ষীপুর জেলার সকল সদস্যদের এক্টিভিটি ও নতুন সদস্যদের সক্রিয় করার লক্ষে,উদ্যেক্তাদের উদ্ভুদ্ধ করতে এবং ৩য় মহা সম্মেলনকে সফল করতে লক্ষীপুর জেলার এম্ভাসেডর Rezon Hos
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
শিক্ষা দেওয়া হয় বিভিন্ন বেসিক নলেজ।যেমনঃউদ্যোক্তা তৈরি,বিজনেস আইডিয়া,বিজনেস ধরে রাখার মূলমন্ত্র, বিক্রি বৃদ্ধি, নেটওয়ার্ক সৃষ্টি, মা- বাবাকে ভালবাসা ও যত্ন নেওয়া,অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো,ভাল মানুষ
" সেটা হল স্যার আপনি যখন এই ফাউন্ডেশন ওপেন করার উদ্যোগ নেন তখন এই ভাবনা টা নিয়ে যার সাথেই আলোচনা করেছিলেন সেই বলেছিল যে আপনি পাগল। কারন এখনকার দিনে কেউ নিশ্বার্থ ভাবে কিছু করতে চায় না। স্যার তখন আপনি
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। দুই বার দুটি মেজর অপারেশন হয় আমার মাত্র ৮ মাসের ব্যবধানে। আমি রিম্পা ইনজ
ভরিয়ে দেয় মন ভাবনার ও উর্ধে কোন অদৃশ্য মায়াজালে অনুভবের এই অনুভূতি নিত্য যথা থাকে না সমান তালে ' ঠিক তাই অনুভবের অনুভূতির পাল্লা যখনই বেশি ভারি হয় তখন অনুভূতি প্রকাশ করাটা বড় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তেম
ছোট বেলা থেকে ই স্বপ্নে দেখছি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করবো। দেশে ও জাতীয় উন্নয়নে আমার শিক্ষা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবায় কাজ করবো। তার জন্য ছাত্র জীবনে অনেক অরাজনৈতিক সংগঠনও গঠন করে থ
স্বচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য রক্তদান প্রয়োজন। রক্তের জন্য সম্পূর্ণ পূর্ণবয়স্ক জানতে ১৮ বছর বয়স হতে পারে। প্রতি তিন মাস পর পর স্ক্রিনের ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও রক্তে রক্তদান করতে পারবেন।
গতকাল,, ১৪ই জুলাই ২০২৩ ইং প্রিয় প্ল্যাটফর্ম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর টানা ২০০০তম দিন বিরতিহীন শিক্ষা চর্চার প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলো।
কয়েকদিন ধরে অনেকের পোস্ট থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আর স্যার এর কথা অনুযায়ী, আর বিশেষ করে দেশের এমন অর্থনৈতিক বিপর্যয় এর সময় আমাদের উচিত নিজেদের চাহিদা নিজেদেরকে পূরণ করতে হবে।আর তাই আমাদের যে সময় আছে এবং ব
ওয়ারী জোনের ৮০০তম সেশন চর্চা পূর্তি এবং ২৪তম ব্যাচের সদস্যদের নবীন বরণ কর
আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চাই, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চাই,, আমার জীবনে চলার পথে আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতা আমার ভীষণ প্রয়োজন, আশা করছি ভালোবেসে পাশে থ
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের হবিগঞ্জ জেলার গত কাল রোজ শুক্রবার অফলাইন মিট আপ অনেক সুন্দর ভাবে সফল হয়েছে,
আপনারা যারা গ্রুপের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে কস্টো করে সবাই একসাথে উপস্থিত হয়ে ১০০০তম দিন উজ্জাপন করছেন।
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
বউরে, বড় ভালোবাসি তোমারে... এখনো তুমি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, কখনো কখনো তোমার কপালে আলতো চুমু খেয়েছি। তোমার অন্তরাত্মা তোমাকে বলেনি বোধহয়!
আমি সেদিন মনে মনে শপথ নিয়েছিলাম, আজ থেকে আমি ও একজন রক্ত যোদ্ধা হবো মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে তাদের চোখের পানি মুছে দিবো, তার পর থেকে নিয়মিত রক্ত দান করে যাচ্ছি।গত ১৭-০৮-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ১১ তম বার
আমার স্বপ্ন একটি প্রতিষ্ঠান করার। বাবা সবসময় বলতেন ব্যাবসা করার জন্য কারন স্বাধীনতা। তাই আমার উদ্দেশ্য আমার সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সফল উদ্দোক্তা হবো ইনশাআল্লাহ।
নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসা চোখের পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম কিছুক্ষন। তারপর ভাবলাম কি করবো, ছেলের উপবৃত্তির সামান্য কয়টা যদি নেই, তাহলে ওর কাছে স্বার্থপর হয়ে যাবো নাতো? কেউ জানলেই বা কি বলবে যে এ
সাতক্ষীরা জেলায় আজকে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মাঝে ত্রান বিতরন কাজ সুস্থভাবে সফল করেছেন সাতক্ষীরা জেলা টিম
উত্তরবঙ্গের রাজধানী" খ্যাত বগুড়াতে অাজ দ্বিতীয় বারের মতো মিট-আপ সম্পন্ন হলো।
১ম অনুধাবন করি আমার কিছু করা প্রয়োজন। তাই ১ম স্টেপ নিলাম শেলাই।যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে আমি শেলাই এর উপর ট্রেনিং নেয়। কিন্তু ঘরে মেশিন না থাকায় তা অসমাপ্ত থেকে যায়। এরপরই আমি বল্কবাটিকের ট্রেনি
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন👇 বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক কোর ভলান্টিয়ার ও মডারেটর জনাব রুহুল আমিন ভাই
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
মাদারীপুর জেলা(রপ্তানী পণ্য)☞☞পাট ও পাটজাত দ্রব্য। আমাদের বেশ কিছু উদ্যোক্তা আছে যারা পাটে তৈরি ব্যাগ নানান ব্যবহার সামগ্রি তৈরি করে তা নিয়ে কাজ করছে। মাদারীপুর জেলা(বিখ্যাত খাবার)☞☞খেজুর গুড়,রসগো
আমরা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে যদি দেখি খুব কঠোর অথবা কঠিন তখন সেই নিয়মটাকে ইগনোর করি , যার কারণে কখনো ওই নিয়ম বা অভ্যাস আমাদের মধ্য গড়ে উঠেনা। যেমনটি ঘটেছিলো আমার সাথে, আমি অনেকবার এই প্রাকটিস
তবে এ কমিটমেন্ট রক্ষা এ অভ্যাসটা আগে থেকেই থাকলেও চর্চাটা কিন্তু এ প্লাটফর্ম প্রিয় স্যার শিখিয়েছে। আমি এ প্লাটফর্ম জয়েন্ট না হলে এ কমিটমেন্ট রক্ষা অভ্যাসটা চর্চা করা আসলেই হতো না। এইখানে এমন ইচ্ছে কর
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে আমরা নিজেরাই এ কাজে ভলেন্টিয়ারিং করেছি। একেক জনের কাছে কম্বল পৌছে দিয়ে তাদের অনুভূতি শুনেছি। এটা একটা অন্য লেভেলের ভালো লাগা।
চাকরি করব না চাকরি দিব। স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, সাফল্য আসবোই। কেবল একটা চাকুরির জন্যই আপনার জন্ম হয় নি। আপনি আরো অনেক বেশি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
যখন হসপিটালে যেতাম নার্সদের ডাক্তারদের দেখতাম তখন আমার মনে হতো আমিও যদি লেখাপড়া কন্টিনিউ করতাম তাহলে আমিও ডাক্তার হতাম,তখনতো শুধু ডাক্তার হওয়ার চিন্তা মাথায় থাকতো, মাঝে মাঝে নার্সদের সাথে কথা বলতাম...
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।❣ 💕শুকরিয়া আদায় করতেছি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে যিনি আমাদেরকে সুস্থতার সাথে আজ একটি সুন্দর অফলাইন মিটআপ করার সুযোগ দান করেছেন। 💕কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতেছি ত
August 21, 2019 · দেবাশীষ দে প্রীতম, ৩য় ব্যাচ ডিস্ট্রিক্ট অ্যাম্বাসেডর, বাগেরহাট জেলা। আপনাদের সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ এ আজ আমাদের হযরত পীর খাজা খানজাহান আলী রহমত উল্লাহর পূণ্যভূমি বিশ্ব সপ্তম আশ্চর
বয়স টা তখন অনেক ছোট। বড় বাড়ি আমাদের এক সাথে প্রায় চাচাতো-জেঠাতো ভাই বোন মিলে ১০/১২ জন সহপাঠী পড়াশোনা করতাম একি সাথে বলতে পারি বিশাল একটা দল আরো পিচ্ছি গুলো মিলে ১৬/১৭ জন ও হয়ে যেত। একুশের প্রথম প্রহ
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মডারেটর ও ঢাকা জেলা এম্বাসাডর Ismat Hasan ঢাকা জেলা এম্বাসাডর Md. Roman Sarkar জোন এম্বাসাডর আমি Md Mahbubur Rahman Bhuiyan সহ Hazrat Ali ভাই ইনায়া ইসলাম বৃষ্টি
ছোট্ট এই জীবনে আমার পরিবারই আমার সবকিছু, তাই নিজের জীবনের গল্পটা আমার পরিবারের মানুষকে ঘিরেই। দিনশেষে আমার পরিবারেরর সবাই ভালো থাকলেই আমিও ভালো থাকি।
নবাবগঞ্জ উপজেলায এম্বাসেডর ফরিদা ইয়াসমিন এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানটি তে প্রধান অতিথি হিসেবে গুগল মিটের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন আমাদের মেন্টর #জনাব_ইকবাল_বাহার_জাহিদ স্যার । উপস্থিত ছিলেন
ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
এখন আপনি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হিসেবে বুঝতে পারেন ভালো ভালো সভাবের বন্ধু, বান্দব,আর বক্স হিসেবে নিতে পারেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম, নিজের বলার মতো একটা গল্প,, গ্রুপ। আর মধু হিসেবে নিতে পারেন আমরা যে গুল
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
আজ সারা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক এরও বেশি মানুষ গৃহবন্দি।বন্ধ সব ধরনের কর্মকাণ্ড যার বিশাল প্রভাব পড়েছে অসহায় ও নিম্নবিত্ত এবং দিনে আনে দিনে খায় এই মানুষগুলোর উপর।
এক মাদকাসক্ত চিকিৎসালয়ে কিছু রোগীর সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে কথপোকথন 👇 ডাক্তার বলছেন : আপনারা এতদিন যথেষ্ট অসুস্থ ছিলেন;এখন বেশ সুস্থ হয়েছেন। এখন থেকে নিয়মিত সুন্দর জী
ধন্যবাদ জানাই সকল জেলা প্রতিনিধিদের যাদের শ্রম ,মেধা ও পরামর্শ আজকের আয়োজন সফল হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য দায়িত্বশীল ,কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার ও আজীবন সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন