আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
ধন্যবাদ জানায় Md Rubel Ahmed Rubel ভাইকে সাতক্ষীরা জেলাকে সবসময় এভাবে সাপোট দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
আমি চাচার দায়িত্ব দেখে ওবাক হয়ে যেতাম। যদিও টাকা দিতাম। তাও জোর করে এক রকম। তিনি নিতে চাইতেন না, দোকানের ছেলের হাতে দিয়ে দিতাম। এই নিয়ে তিনি খুব কষ্ট নিয়ে ২দিন আমাকে বললেন আপনি যদি আমার বাসায় শিখাতেন
কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার🔴 কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার হওয়া মানে তার লিখার প্রতিভা দেখানো,লিখার মাধ্যমে,গল্পের মাধ্যমে সকলের প্রিয় হয়ে উঠা,আলহামদুলিল্লাহ সেরা লিখার মাধ্যমে পরপর ৩ বার স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হয়েছি।
মাদারীপুর জেলা(রপ্তানী পণ্য)☞☞পাট ও পাটজাত দ্রব্য। আমাদের বেশ কিছু উদ্যোক্তা আছে যারা পাটে তৈরি ব্যাগ নানান ব্যবহার সামগ্রি তৈরি করে তা নিয়ে কাজ করছে। মাদারীপুর জেলা(বিখ্যাত খাবার)☞☞খেজুর গুড়,রসগো
আমি তো তখন আর আমি নাই পুরো আকাশটা আমার মাথার উপর ভেঙে পড়লো। সারাটা দিন খুঁজাখুঁজি করলাম পেলাম না। সেই সময় থেকে খাওয়া দাওয়ার কোন খেয়াল নাই। শরীরের কি অবস্হা বেহাল দশা অনেক কান্না করেছি। সে সময়ে তিনবার
কাজী নাজমুল আলম হামীম কোর ভলান্টিয়ার, রেজি ৬১
আমাকে দুই দিন না খেয়ে থাকতে হয়েছে। শুধু মাএ পানি খেয়ে ছিলাম বাড়িতে ও আসেনি আমার জন্য শুধু ভাত রান্না করে রাখত। তরকারি নেই কারন আমার ইনকাম নেই আমার স্ত্রী কে বলতো তোমার জামাইর ইনকাম নেই খাইবা কি শু
শহীদদের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সবাই উপস্থিত হয়ে খুব সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠান কার্যাবলী সুসম্পন্ন করার জন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি
আমার রক্তে যদি বাচিয়ে লিখতে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণঘাতী, তাহলে আমি কেন স্বচ্ছায় রক্তদান করব?
সম্ভাবনার পথে আমরা একসাথে বমেহেরপুর জেলা টিম, কতৃক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে
আমিও দেশে আসি, এসে বিয়ে করি। আমার বউ আই এফ আই সি ব্যাংকে জব করে। হঠাৎ একদিন আমার দেশে আসতে হয় পারিবারিক সমস্যা জন্য। আর বিদেশ যাওয়া হয়না। যখন বিদেশ ছিলাম দু হাত ভরে টাকা কামাই করতাম, তখন দেশ বিদেশের অ
পরিবারের বড় সদস্যরা বেশি একটা পড়াশোনা করেনি। যার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কারণ, আমাদের এলাকায় শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। ভালো কোনো শিক্ষক খুজে পাওয়া যেত না।অন্য এলাকায় গিয়ে প্রাইভেট পড়তে
আমি বিজনেস এর প্রফিটের টাকা দিয়ে বিজনেস বড় করেছি। কারো কাছে কোন টাকা পয়সা ধার করিনি এমনকি নিজের হাজবেন্ডের কাছেও এক টাকা ধার চাই নি। বরং আমি সবসময় চেষ্টা করি নগদ টাকা দিয়ে পণ্য কিনে বিজনেস করার ।
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপে প্রতি মঙ্গলবার বসছে হাট, হাটে সবাই আসছে সেল পোষ্ট নিয়ে আমি আসছি গল্প নিয়ে ওনা না গল্পে গল্পে সেল করতে আসেস আমার গল্পটা শুনেন যদিও এটা বাস্তব কাহিনী আমার সেলার হয়ে উঠ
সকলের আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা টিম সামনে আরও এগিয়ে যাবে এবং স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম সমস্ত গ্রাম পর্যায়ে পৌছিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
গোপালগঞ্জ জেলার পক্ষ হতে আমরা প্রতি মাসে মিনিমাম 1 টি করে সামাজিক কাজ করবো এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলার সকল সদস্য এবং দায়িত্বশীলদের সহযোগীতা কাম্য।
যেমন ধরুন আপনারা পাশের একটি লোক অসুবিধা আছে, যেকোনো ধরনের অসুবিধা থাকতে পারে, কিন্তু আপনার সামর্থ থাকা সত্বেও তা দেখেও না দেখার ভান করলেন মানে এড়িয়ে চললেন, তাহলে তখনই আপনার বিবেককে আপনি প্রশ্ন করুন
আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন "" নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন "" ফাউন্ডেশনের ৫ ম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সকল কোর
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা গল্প থাকে হোক তা সফলতার কিংবা ব্যার্থতার আমারও তার ব্যাতিক্রম নয়। প্রানের ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে অনেক ভাই-বোনদের জীবনের গল্প পড়েছি
নিজের জীবনের একটি নীতি সবসময় মানি ও করি, যা হলো “ পারলে কারো উপকার করো তবে কারো অপকার করো না” এই নীতিতে বরাবরই বিশ্বাসী ছিলাম ও সারা জীবন থাকব। কিন্ত নিজে যে একজন ভালো মানুষ তা পুরোপুরি বলার ম
এর ব্যতিক্রম ছিল না মিথুন ভাই এর ক্ষেত্রে ও, তবে প্রিয় গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর থেকে তার মাথায় একটাই শব্দ শুনতে পাই আমাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হবে। একজন ভাল মানুষ হওয়া লাগবে। একজন পজিটিভ মানুষ হওয়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাসিক মিটআপ সম্পুর্ণ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে পরিচয় পর্ব ৯-১-২০২১ মহাসম্মেলন, টিম মেম্বার বাড়ানো, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ বাড়ানো, নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসার গল
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
পঞ্চগড় জেলায় ঈদ আড্ডা ও ২০০০ তম দিন উৎযাপন প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।
ছোট বেলা পড়াশোনা করছি নওয়াপাড়া শংকর পাশা স্কুলে ওখান থেকে এস এস সি পাশ,অনেক দুর পায়ে হেটে তারপর নৌকায় করে যেতে হোত স্কুলে। আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করতো আমার ভাইয়া পড়াশোনা করতে ঢাকায় গেলেন ।
জানতাম না সরাসরি মোবাইলে বাংলা লেখাটা। (বাংলিশ গল্প লিখতাম 😀 মনে পড়লে হাসি আসে), ফাউন্ডেশনে কয়েকদিন বাংলিশ লেখার পর পুরোপুরি বাংলা টাও মোবাইলে লেখা শিখে নিয়েছি, (উল্লেখ্য বাংলিশ লিখেও "স্ট্যাটাস অ
আমাদের মায়েরা এত ত্যাগ কেমনে করে কেমনে ???আমরা সন্তানরা তো এতো ত্যাগ করি না ।পারলে আমরা আমাদের সুখের জন্য আমাদের মায়েদেরকে ত্যাগ করিদি ।উনারা উনাদের পছন্দ খাবার রেখে দেয় সন্তানে পছন্দ খাবার তাই ।আর
বলল, "অসুবিধা নেই আমি জানি যে, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । তাদেরকে দেখতে হলে আমাকেই দেখতে হবে এবং তোমরা দুজনেই কেউ টাকা জমাতে পারো না সেইজন্য আমি আমার টাকা জমিয়েছি তোমাদের ভবিষ্যতের কথা
বিভিন্ন জেলা থেকে স্যারের ডাকে এসেছেন কাধে কাধ রেখে অংশ গ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর প্রাণপ্রিয় যোদ্ধারা।
উক্ত মিট আপকে সফল করতে গাজীপুর জেলার সকল জোনের সকল সম্মানিত সদস্য উদ্দ্যোক্তা ও ভলেন্টিয়ারগনের স্ববান্ধন উপস্থিতি কামনা করছি।
এত সুন্দর একটি প্লাটফর্ম গড়ার জন্য প্রান প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
🌿🌿 __জীবন মানে সুখ দুঃখের খেলা প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে একটা গল্প আছে কারোটা সুখের আবার কারোটা দুঃখের – কিন্তু আমার যে গল্পতে পরবির্তি প্রজন্ম শিখবে, গ্রহণ করবে সেটা নিজের বলার মত একটা গল্প।
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
অল্প সুখে কাতর অধিক সুখে পাথর হয়ে যায়। মায়ের লাশের কাছে গিয়ে নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হল। আমার চোখের পানি শেষ হয়ে গেল, তার পর থেকেই আমার আর কোন দিন কান্না আসে নাই। আমি বেছে আছি কিন্ত মায়ের সেব
এখান থেকে কি পেলাম যদি বলি তাহলে অনেক কথায় বলতে হয়, তন্মোধ্যে একটি কথা বলব। এখান থেকে জীবনে স্বপ্ন দেখতে শিখেছি,স্বপ্ন বুনতে শিখেছি,এবং সাহস করতে শিখেছি, আমি শিখেছি ও বুঝেছি যে,চাকরির পেছনে না দৌড়িয়ে,
সেই লক্ষী আমার ঘরে আসার পর কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করলো। আমি জানিনা কি ঠিক কি বেঠিক, তবু সময় চলে তার মত করে, শুধু আমরা পারিনা সময়ের দাম দিতে। আমার মেয়ের এক দেড় বছরের মাথায় আমি ভাল কাজের আশায় আমার পরিব
জীবন কি জিনিস সেদিন বুঝতে পারছি, আমার পাশের সিটের লোকটি সহ ৩/৪ মারা যায়। আমার আলহামদুলিল্লাহ সামান্য ব্যথা লাগে। মায়ের দোয়া হইত সেইদিন আল্লাহর রহমতে আমার কিছু হইনি। মা বাবার দোয়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়া
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
আসছে আগামী ১৫ই জানুয়ারী-২০২২ইং রোজ শনিবার ৫০০০ জন উদ্যোক্তা ও আজীবন মেম্বার সকল দায়িত্বশীলদের নিয়ে ঢাকায় মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে "উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২" ও ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে “
আমাদের মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় উওরা জোনের পক্ষ থেকে তুরাগ নদীর তীরে বেদে পরিবারের জন্য শীত বস্র বিতরন সম্পূর্ণ
যে কারণে আজও সফল হতে পারেনি কোন কাজেই ধৈর্য না থাকার কারণে। পরামর্শ দেওয়ার মত কোন শিক্ষক না থাকার কারণে। ইনকাম অনুসারে সঞ্চয় না করার কারণে। জীবনে কি করব কোন লক্ষ্য না থাকার কারণে।
চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
১০০০ পরিবারের জন্য ত্রান সামগ্রী পাঠাতে পেরেছি ও ১০টি পরিবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের জন্য টিন দিতে পারেছি।