নিজে তুলে ধরেছি ৬৪ জেলায়। ২ একজাঁক ভালোমানুষ নেটওয়ার্ক পেয়েছি। ৩ পরিশ্রম করতে শিখেছি। ৪ নিজের একটা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি তাও আবার এই গ্রুপ থেকে নিয়ে। বাংলাদেশের সব চাইতে বড় অনলাই কনস্ট্রাকশন মার্কেট
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তদান করতে পারবেন না - রক্তদানের সময় সুগার লেভেল নরমাল থাকে (সাধারন লেভেল সুগার লেভেল ৭ mmol/L নরমাল হয়) - রক্তদাতা যদি ইনসুলিন গ্রহন করে না - রক্তদাতা যদি শারীরিকভাবে শক্তি
আসসালামু আলাইকুম, 👉প্রত্যেকের জীবনের গল্প ভিন্ন। 👉আজ আমি আমার জীবনের গল্প বলবো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় অভিভাবক, প্রিয় শিক্ষক, প্রিয় মেন্টর জনাব " ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি। স্যারের জন্য
অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আন্তরিক পরিবেশে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
উদ্দেশ্য শেষ বারের মত চাচাকে একবার দেখা এবং খাঠ কাদে নেওয়া, আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দান করুক-আমিন, তারপর এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই শুনি ২৫-০৩-২০২০ইং থেকে ০৪-০৪-২০২০ইং পযন্ত সাধারণ ছুটি ও গনপরিবহন বন্ধ, ব
প্রথমেই আমি যা শিখেছি তা হলো,কিভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়।আর এই ব্যাপার টা আমার সবচেয়ে বেশি মন ছুয়ে গেছে।আমি যে পুরোপুরি ভালো মানুষ,তা বলবোনা।তবে সম্পুর্ণ একজন ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা করছি। *স্যারের প
কোন কোন সম্পর্ক আপনাকে হয়তো নগদ কিছু দিবে না কিন্তু কোন একটা সময় এমন একটা সুযোগ সামনে নিয়ে আসবে যেটার জন্য নিজের সততার সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই করেননি বা চাননি। প্রিয় স্যারের প্রতিটি বানী নিজে জানি অন্য
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
যার জন্য লক্ষ লক্ষ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটেছে। যারা কখনো কোন দিনও কল্পনা ও করেনি, কিন্তু আজ তারা নিজের পায়ে নিজে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখে, শুধু স্বপ্ন দেখার মধ্যে সীমাবধ্য নয়, নিজের বলার মতো একটা গল্
সৃজনশীল লেখক ও বেস্ট সেলার এ্যাওয়ার্ড @ বইফেরী “নিজের বলার মতো একটা গল্প” বই পুরস্কারটি আমার সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি উৎসর্গ করলাম #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
আমাদের উদ্যোক্তা হতে হলে রাতারাতি বড় লোক হওয়ার চিন্তা বাদ দিতে হবে।সামান্য একটা কাঁথা নিয়ে একটা সেল পোস্ট দিয়ে আমি এতো সাড়া পাব ভাবি নি।এই প্লাটফর্ম এতো বিশাল যে এখানে শুধু বিক্রেতা না ক্রেতাও আছে।
নতুন প্রজন্মের সেরা কিংবদন্তি, লক্ষ তরুনের প্রানের স্পন্দন, নয়নের মনি জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অবদান বলে শেষ করার মতো না। তিনি দেখিয়েছেন আমাদের স্বপ্ন, শুধু স্বপ্ন দেখাননি, বাস্তবায়নও হচ্ছে প্রত
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
মাসুমা : তোমাদের এই হাট বার টা তৈরি করেছে কে? রাবেয়া ইসলাম ফাতেমা : আমাদের সবার প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এই ফাউন্ডেশন তৈরি করে দিয়েছেন । সেই একজন ভালো মানুষ এবং অসাধারণ একজন মানুষ।।
আজ আমাদের বগুড়া জেলার স্বনামধন্য কলেজ বগুড়া সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজে অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের দেওয়ায় চিঠি প্রদান করেছি আমরা বগুড়া জেলা টিম। সন্মানিত অধ্য
ফরিদপুর জেলা টিমের রেকর্ড ২০০০তম দিন উৎযাপন
প্রতিটি মানুষেরই কিছু কিছু ভালো লাগা গুলো খুবই রহস্যময়, আর কিছু কিছু মানুষ এই রহস্যময় ভালো লাগার মায়ায় জালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে যায়, হাজার চেষ্টা করেও এর বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। এই রহস্যময় জগতে
আমি যখন আমার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে একবারে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম, আমার ভালো বিজনেস ছিল, সেটাও কিছু কুৎসিত লোক আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে ধ্বংস করে ছেড়ে দিয়েছে,, আমি মানুষকে প্রচন্ড বিশ্বাস করতাম
🌿🌿 __জীবন মানে সুখ দুঃখের খেলা প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে একটা গল্প আছে কারোটা সুখের আবার কারোটা দুঃখের – কিন্তু আমার যে গল্পতে পরবির্তি প্রজন্ম শিখবে, গ্রহণ করবে সেটা নিজের বলার মত একটা গল্প।
আমরা তিন ভাই বোন। আমি ছিলাম সবার বড় বাবার চাকরির সুবাদে আমার ছোট বেলা কাটে দেশের বিভিন্ন জায়গায় । ছোটবেলা থেকে আমার পড়াশোনার প্রতি ছিল অনেক আগ্রহ। এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করার পর আমি অনার্সে ভর্তি
গ্রুপবাসী সবাই কেমন আছেন???আশা নয় বিশ্বাস করি যে যার অবস্থান এ ভালো ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আজ হঠাৎ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ জোন এ একটি চা আড্ডা হয়ে গেলো। মিট আপ /ইদ পূর্ন মিলনী ২০২২ ও ব
কোনো কূল কিনারা খুঁজে না পেয়ে নিজেকে আত্মগোপন করার প্রচেষ্টা চালায় । এমতাবস্থায় আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ইনভাইট করে নিজের বলার মতো একটি গল্প গ্রুপের। আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ। সেই থেকেই আমি আস্তে আস্ত
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
আলহামদুলিল্লাহ, অতি চমৎকার একটি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে খুলনা বিভাগীয় উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো। স্থান : জেলা শিল্পকলা একাডেমি, খুলনা।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের নারী টিম লিডার Julekha Khatun Suma আপুকে এ আয়োজনের সাথে আমাকে রাখার জন্য। এবং বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ভাইদের যারা আজ আমাদের সাথে ছিলেন জানান দেওয়ার জন্য যে তারা সবসময় আমাদের পা
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
এই বছরে যাই পেয়েছি পুরোটা "নিজের বলার মত গল্প" দিয়েছে। একজন সদস্য থেকে শুরু করে কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তারপর কান্ট্রি এম্বাসেডর দ্বায়িত্ব আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি শুধু ভালবাসা আর আন্তরিকতা
বিশ্ব পরিচিত ভুলতা গাউসিয়া সুপার মার্কেট। নরসিংদী জেলার পার্শবর্তি, মার্কেট।
আজ লিখব আমার দয়ালু বাবার ত্যাগ, তিতিক্ষা, সংগ্রাম,ব্যবসার উওান পতন। সর্বোপুরি আজ পর্যনত উপসংহারে তার বিজয়ের গল্প। অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে আমার বাবার এই গল্প থেকে আশা করি সবাই অবশ্যই পড়বেন।
সাড়ে ৬ লক্ষ তরুণদেরকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষন কর্মশালার টানা দুই হাজার তম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। অদম্য দেশপ্রেমী ইকবাল বাহার জাহিদ বেকার তরুন
২০০৪ সালে গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে আমার পড়ালেখার যাত্রা শুরু। প্রাইমারী শেষ করে গ্রামের হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেখানে টানা ৫ বছর পড়ালেখা শেষ করে আবারো গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি হয়।
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
গোপালগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিজিক্যাল মিটআপ। সকলের সহযোহীতায় সফলভাবে আমরা প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পেরেছি।
নারীর মর্যাদা ও সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটা মেয়ে জন্মগতভাবে তার পরিবারের কাছ থেকে সম্মানিত হবে
কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব,ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিলে তিলে করে তুলেছেন আমাদের সবার প্রিয় প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
একটা মেয়ের যখন জন্ম হয় বা হবে জানে ( বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসার কারণে জানা সম্ভব হয়েছে) তখন থেকেই অনেক সময় দেখা যায় নিজের পরিবার থেকেই শুরু হয় এক ধরণের অবজ্ঞা,অবহেলা বা মনে করা হয় একটা বোঝা এই পৃথিবীতে
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
আমার আগ্রহ বেড়ে গেলো, তাই আমি লেখায় মনোনিবেশ করলাম। আমি মোট ২৭ তম বার সম্ভবত স্টাটাস অব দা ডে হয়েছি। আমার তাতে কি লাভ হয়েছে, ১.আমি এখন নিজের মতো করে গল্প লিখতে পারি। ২.লেখার প্রতি অনেক আগ্রহী হয়ে
আজ আমাদের ঝিনাইদহ জেলার পঞ্চম মিটআপ সফলভাবে শেষ হলো, এবং মিটআপ এর মধ্য দিয়ে আমাদের কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার সফিক রহমান জুয়েল এর ব্যাবস্যা প্রতিষ্ঠান "কারুকাজ ডট কম"এর উদ্বোধন হয়েছে। আমাদের ঝিনাইদহ টিম এর
যতক্ষণ পড়তাম রাতে বাবা ঠিক ততক্ষণ এই আমার পাশে বসে থাকতেন।কখনো আমার আগে ঘুমাতে যেতো না।এমনকি এসএসসি, এইচএসএসি পরীক্ষার সময়ও বাবা না যতক্ষণ জেগে থেকেছি ঠিক ততক্ষণ আমার পাশে বসে থাকতেন, কখনো টিভি দেখতেন
আসলে বিজনেসটা আমার রক্তে। আমার দাদা সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যমুনা নদীর পাশে হাট গুলোতে বিজনেস করত। আমার বাবা ধান-চালের বিজনেস করেন। সততা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার বিজনেসটা প্রশার করতে থাকেন।।
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
এই প্লাটফর্মের এতো গুলো ভাই বোন পেয়েছি সত্যি সেটা বলে বোঝাতে পারবো না। তাদের অনুপ্রেরণায় একে একে দুইটি অর্জন সম্ভব হয়েছে
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
আপনার জানামতে আপনার জেলার / জোনের কোন সদস্য যদি আপনার ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত না থাকে তাহলে তার প্রোফাইল লিংক সহকারে দ্বায়িত্বদের জানিয়ে তাকে যুক্ত করতে সহযোগিতা করুন। 👉 অনুগ্রহ করে মাসিক মিটআপ অন
কিভাবে উদ্দোক্তা হওয়ায় তা জানতে পেরেছি. এই ফাউন্ডেশনে ৯০ যুক্ত হয়ে আমি অনেক ভাল মানুষের সন্ধান পেয়েছি. কিভাবে ভলেন্টিয়ারিং করে তা জানতে পেরেছি এবং নিজে ও ভালেন্টিয়ার হতে পেরেছি. কি ভাবে সত্যের সাথে
গুলশান জোনের উদ্যোগে মহাসড়কের সৌন্দর্য বর্ধনে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত "