তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
উক্ত মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলো যশোর জেলার বিসিকের এজিএম গোলাম হাফিজ স্যার। এছাড়াও জানুয়ারি ১৫ তারিখে আসন্ন ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনে করনীয় বিষয়, টিকিট বিক্রি
আমরা প্রবাসীরা হলাম এমন এক যুদ্ধের সৈনিক. যে যুদ্ধের জয়ের উল্লাস আমরা করতে পারি না! দিয়ে দিতে হয় অন্যদের …হয়তো অন্যদের মাঝ থেকে জয়ের উল্লাস কেউ পায় আবার কেউ পায় না! অথচ, এই যুদ্ধে আমাদের দিতে হয়
আমি ৮ মাসে সফলতা পাইনি। একটা কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম মাত্র। আর সেই সুযোগ টা কে ই এখনো পর্যন্ত বয়ে চলছি। আমি ৮মাসে পেয়ে ছিলাম বলে আপনি যে ৮ মাসে পাবেন তা কিন্তু নয়৷ আপনি ৮ দিনেও পেতে পারেন আবার ৮০ দিনেও
রক্তদান একটি মহৎ গুন যা সকলেই করতে পারে না।বয়স ১৮+ এবং ওজন ৫০+ যেকোনো সুস্থ মানুষ রক্তদান করতে পারে।অনেক ই রক্ত নেওয়ার যে সুই টি সেই সুইয়ের ভয়ে রক্তদান করতে চান না।
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
#বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম #কৃতজ্ঞতা ________ সেই আরশের মালিক মহান আল্লা্হর দরবারে যিনি এই করোনা কালিন সময়েও আমাকে সুস্থ্য ভাবে এবং ভাল অবস্থায় রেখেছেন। #আলহামদুলিল্লাহ্ ___
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য মাগো তোমার ছেলে সাহসিকতার শক্তি আজকে মাওনা থেকে এসেছে ময়মনসিংহে রক্তদান করে। মাগো তুমি ধন্য তোমার এমন ছেলের জন্ম দিয়ে ..
জেলা সুনামগঞ্জ তিন তিন বার বন্যায় কবলিত হয়। আজ সেই বন্যার্তদের মাঝে কিছু ত্রাণ সামগ্রী উপহার দিতে পেরে আমরা সুনামগঞ্জ জেলা অত্যন্ত আনন্দিত
আমার বাবা বলেছিলো কারো থেকে কিছু খেলেই বড় হয়ে যাওয়া যায় না, তবে কাউকে কিছু দিলেই, নিজের মন থেকে বড়ত্ব না-করলেও, আলাদা একটা মৃদু বাতাস অন্তরে বয়। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দুঃখিত মন দূরে যেতে চ
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
NRB কাতার টিমের নিয়মিত চা চক্র সম্পর্ক উন্নয়ন অফলাইন মিটআপ।
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট।সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক।সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগিয়ে
আমার ছোট বেলা থেকেই একটি স্বপ্ন যে আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্নধার হব। সেখান থেকেই আমার চাওয়া-পাওয়া পূরন করব ইনশাআল্লাহ। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে য
#গল্পে_গল্পে_সেল_পোস্টঃ সব ধরনের ব্যবসার জন্য যে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্রেড মার্ক অতি প্রয়োজনীয় বিষয় তা অনেকেই বুঝে না। অনেকেই কোনো লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা শুরু করে দেয়। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্য
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
প্রসাদে আসার পর দরবেশ এক অদ্ভুত কাণ্ডের সাক্ষী হলেন। রাজার প্রহরীরা দরবেশ সাহেবের সাদা পোশাকের উপর লাল রঙ ঢেলে দিলেন।
অদম্য টাংগাইল জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ও দিক নির্দেশনা প্রদান। আরও ছিলো লাকি কুপন ড্র।
সপ্ন দেখছি বেতনের কিছু সেভিং করছি আর কিছু সংসারের খরচ দিচ্ছি..... সংসারের বড় ছেলে আমি... নিম্ন মধ্যবিত্ব সংসার ছোট ভাই বোন এর লেখাপরা বাবার পাশাপাশি সংসারে হেল্প করা..... কর্ম জীবন / চাকরি যেনো একটা
আমার জন্য,আমাদের পরিবারের জন্য রমাজান মাস অনেক বেশি ত্যাগের মাস।কারন এ রকমই এক রমজানের শেষ১০(নাজাতের)২৩শে রমজান আমি মাকে হারিয়েছিলাম।মাকে হঠাৎ হারিয়ে মনে হয়েছিল পৃথিবীটা হারিয়েফেলেছি।কারন আমার মা ছিল
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
শহরের ৩০ টির মতো দোকান এখন আমার কন্ট্রাক্টে,, তিন জন রাইডার কাজ করে আমার সাথে,, একজন স্টাফ,, আমি,, আমার দুই ছোট ভাই,,, একটা সার্ভিস এ থেমে থাকিনি রাইডিং চালু করেছি যাতে করে নতুন উদ্যোক্তাদের ডেলিভারি
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
আমি এই গ্রুপের পাশাপাশি নিজের একটা ফেসবুক পেজ ও খুলেছি।সেখানেও আমার প্রোড়াক্ট গুলো বিক্রি করে থাকি।আমার ফেসবুক পেজের নামঃ জাহানারা সুলতান ট্রেডার্স 🍀কাকিমাঃবৌমা তোমার ভাগ্য ভালো এমন এ
প্রোগ্রামের বিশেষ আয়োজন ছিল পণ্য প্রদর্শনী এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটিকা করে সকল স্পনসরদের পণ্যকে তুলে ধরা এবং পন্য প্রদর্শন করা।
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
আমি ভাইয়ের সাথে কথা বলি।।ভাই এত ভালো মনের একজন মানুষ এবং এতো সুন্দর করে আমাকে সব বুঝিয়ে আশ্বস্ত করলেন যা আমার কল্পনার বাইরে। ভাইয়ের সাথে কথা বলে আমার সব ভয় দূর হয়ে যায়।ভাই আমাকে বলেন ব্যবসা জীব
নওগাঁ জেলার ১৪০ জন এতিম ও অসহায়দের মাঝে ইফতার বিতরন করা হলো
আমি তো মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যেতাম যে এতো সময় ফাউন্ডেশনে প্রতি দিন দিতেছি। আমার কোন ওর্ডার আসে না। কিন্তু স্যারের মোটিভেশনাল কথা গুলো মনে করে সবসময় লেগে আছি।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
রাত শেষ হলো, সকাল বেলা বের হওয়ার সময় শালটা পড়ে মায়ের কাছে গিয়ে বল্লাম আম্মা আমি বাজারে যাচ্ছি। আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে♥♥♥ আম্মা তখন আমার গায়ে থাকা শালটি দেখতেছেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো বাবা শাল
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
জনাব Harun Rashid স্যারকে জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের পক্ষ থেকে প্রেরিত চিঠি পৌঁছে দিয়েছে দূরন্ত জামালপুর জেলা।
গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে যখন HSC পাশ করে ভার্সিটি ভর্তির জন্য বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছি। সেই সুবাদে পরিচিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ খান নামের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে। এক
💎একদিন আমি সাহস করে একটা পোস্টে বলেছিলাম এই প্রিয় প্লাটফর্ম একদিন ইতিহাস সৃষ্টি করবে কারণ সবগুলো ভালো মানুষের হাতের ছোয়া লেগেছে। আজ তা অনকখানি বাস্তবে রুপ নিয়েছে 🎯 🎞(আজকে আমার কমেন্ট বক্সে নিজের ব
এখানে এক জন মানুষ টানা ৯০ দিনের অনলাইন কর্ম সালা করার পর সে একজন প্রকৃত মানুষ হতে পারবে। এবং দেশের জন্য একজন দায়িত্ব শীল ও মানবিক ও সত্ব একজন ভাল মানুষ হিসেবে গর্ব বোদ করবে আমি আশা করি এবং আমি গর্ব কর
‘চাকরি করবো না চাকরি দেব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন-২০২২’।
মুহুর্তেই শোরগোল পরে গেল!সবার একটাই কথা,আমি জেগে গেছি,আমি জেগে গেছি।তৎক্ষনাৎ দেখি ৩-৪জন ডাঃ দৌড়ে আমার কাছেই আসছে।হ্যা ওরা আমার গাড়িতেই বসে আমার পালস চেক করলো।আমায় বললো কেমন আছি আমি?আমি বললাম ভাল।তখনই
আপু আমার কথা শুনে এবার হাসে আর বলে এই জন্যই বুঝি তুমি এভাবে ফোন নিয়ে বসে থাকো। আসলেই তো অনেক ভাল আর মজার বিষয়। 😀😀 👱♀️আপু ঃ আমার পন্যগুলো দেখে আর ওখান থেকে, দাম জিজ্ঞেস করে আর অডার কানফর্ম করে
সকালে উঠে ৭-৮ জন মানুষের রান্না শেষ করে ৪-৫ জন বাচ্চা কে পড়াতাম, তাদের পড়ানো শেষ করে দুপুরের আগেই বীমার টাকা কালেকশন করে দিতাম। তারপর তপ্ত রোদে ঘরে ফিরে দুপুরের খাবারের আয়োজন শেষ করতাম। তারপরেই সেলাই
আমার সাজানো গুছানো জীবন,বাবা মার মায়া,মমতা আত্মীয় স্বজনের সান্যিধ্য শিক্ষাজীবন,পরিবারের সহায়তা, সামাজিক আত্মসম্মানবোধ সবমিলিয়ে আমার ভুল যেন আমাকে এ অঘোষিত কারাগারে নিক্ষেপ করে।। লোহার অদৃশ্য ডান্ড
"নিজের বলার মত একটা গল্প " তৃতীয় ব্যাচের ৯০ দিন, সমাপনী দিনটি উদযাপন উপলক্ষে ইকবাল বাহার স্যারের অনুপ্রেরনায়..
যখন আমার বয়স 10-12, একদিন বাড়িতে গেলাম তিন দিনের জন্য রমজান মাসে, মাগরিবের আগে আগে অনেক লোকের ভিড় সামনের ঘরে, আমি বুঝতে পারলাম না! যেহেতু গ্রামে থাকতে হতো না, হঠাৎ গিয়েছিলাম পরিবারের সাথে। আম্মুকে
আমি দুইদিন আগে আমার অল্প কিছু পন্য ঢাকা পিজি হাসপাতাল থেকে বনশ্রী পাঠানোর জন্য চিন্তিত ছিলাম।কারন আমার মামা ব্যস্ত থাকার জন্য যেতে পারবে না বলছে। পরে চিন্তিত অবস্থায় গ্রুপের কোন ভাই কুরিয়ার ঢাকা কাজ
আজ, আলম ভাইয়ের অপারেশন। দোয়া করি আল্লাহ ভাইকে সুস্থতা দান করুন, সেই সাথে শশুর নামের বৃদ্ধ যোদ্ধাকে আল্লাহ হেফাজত করুন❤❤ প্রোয়জনে রক্ত দানে কোন শর্ত নয় ❤ আসুন রক্ত দিয়ে একে অপরকে সাহায্য করি❤
আলহামদুলিল্লাহ এই নিয়ে ৩ বারের মত সেচ্ছায় রক্ত দান করলাম