আমার বন্ধুর(N) এর কথা অনুযায়ী আমি #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প ফাউন্ডেশনে জয়েন্ট হলাম। তার কিছুদিন পর আমার একটা পরিচয় হলো। আমার নাম, আমার ব্যাচ নাম্বার, আমার রেজিস্টার নাম্বার, এটাই আমার পরিচয়। আমি
নিম্মি মানুষের কথায় তুই এখনও কষ্ট পাস?যারা তোকে নিয়ে মন্দ বলে তাদের দিকে একবার তাকা।তারাই বলে যারা তোর চাইতে খারাপ অবস্থানে আছে।তনয়া তো ফেইল করেছে,আর তার মা তোকে খারাপ কথা বলেছে তাহলে ভাব? যাদের কাজ ন
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন ইউনিক দুবাই টিম কর্তৃক আয়োজিত স্বাগতিক শুভেচ্ছা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। #আলহামদুলিল্লাহ
কিভাবে লেখা শুরু করলাম সেটা বলার আগে আমি একবার কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এই গ্রুপের স্টেটাস অফ দা ডে হওয়ার পেছনে যে সকল মানুষ কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তরভাবে, আমাদের লেখাগুলা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে, তারা ম
আজ আমাদের পরিবারের ৭০০ তম দিন এই দিনটি আসলেই শরোনিও কারণ এটা এক রকম অসম্ভব কিন্তু প্রিয় এইদিন প্রযন্ত প্রিয় স্যার আমাদের সাথেই যুক্ত ছিলেন। প্রিয় স্যার এর জন্য আন্তরিক ভালোবাসা এবং দোয়া। আমি যুক্ত ছিল
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে কিভাবে হবেন এবং এর মানে কি আপনার জীবন থেকে নেওয়া দুঃখ কষ্টের গল্প অর্থাৎ আপনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন আপনার জীবনের গল্প অবশ্যই আছে আপনি সেই আপনার জীবনের গল্প কে গল্প লেখা মাধ্যমে ফুট
অনেক বেশি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা সেই প্রিয় মানুষ # ইকবাল বাহার ভাইয়ের প্রতি যার অনুপ্রেরণা প্রতিনিয়ত সাহস যোগাচ্ছে ভালমানুষ হবার স্বপ্ন দেখতে।
সময় ২০১৫ রমজান মাস আমি জব করছি তখনো, বেতন ছিল খুবই কম। সামনে ছিল ঈদ, মনের মধ্যে একটা বিষন্নতা এই বেতন দিয়ে কি হবে, কিভাবে বাড়ি যাবো, কিভাবে ঈদের কেনাকাটা ইত্যাদি🤔 যাহোক 2য় রমজান ইফতারের পরে বের হলা
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
সাড়ে ৬ লক্ষ তরুণদেরকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষন কর্মশালার টানা দুই হাজার তম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। অদম্য দেশপ্রেমী ইকবাল বাহার জাহিদ বেকার তরুন
আমি কাজ করছি একি সাথে আমি গ্রামিণ ফোনে খাবার সাপ্লাই ও করেছি।প্রায় ৩০-৪০ জন করে। আলহামদুলিল্লাহ। স্যারের সেশন গুলো থেকে ইন্সপায়ার হয়ে, কিভাবে হাজারো প্রতিবন্ধকতায় আগাতে হয় তাই শিখেছি।
আমি সম্পূর্ণভাবে আমার দোকানে বাস করে খুব ভালোভাবে এক ভদ্রলোক এডিক-ওদিক ছোটছুটি করছি আমি ব্যাপকভাবে কি গভীরভাবে আমার দিকে বলতে চাইছি আমার একজন সিজারিয়ান রোগীর রোগী হসপিটালে গঠনের জন্য তাঁর ওটিভ এক ব্য
সকল জোন এবং উপজেলা এম্বয়াসেডরগন তাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
আমি মোঃ আসাদ। নিম্নমধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৯৩ সালের ২০ মার্চ আমার জন্ম। পারিবারিক জীবনে আমরা তিন বোন এক ভাই। আমার অবস্থান তিন নাম্বার। এক ভাই হওয়ার ফলে পরিবারের সবার কাছ থেকে ছোটবেলা থেকে অনেক আদর
আজ ৭০০ তম দিন। সেদিনের সেই অনুভূতি প্রকাশ করলে ও যেন শেষ হবে না কিভাবে Sod হলাম। আমি ১৫ তম ব্যাচে ছিলাম কিন্তু অনিয়মিত ভাবে। Sod কি বা কি করে হতে হয় জানতাম না। পোস্ট করলাম নিজস্ব প্রডাক্ট নিয়ে।
টুকটাক লিখার আগ্রহ ও বাড়ে, আস্তে আস্তে গ্রুপের প্রতি ভালোবাসা বাড়ে, বাড়ে প্রিয় ভাই ও বোনদের প্রতি ভালোবাসা, সবাইকে খুব আপন মনে হয়, প্রিয় স্যারের সেশন গুলো পড়ে কি শিক্ষা গ্রহণ করতে
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
কিছু কিছু কষ্টের কথা কখনও বলা যায় না, আবার সয্যও করা যায় না ____আর তা হলো মধ্যবিত্ত জীবন যাপন। কোন কষ্ট থাকলে কাউকে বলা যায় না। যদিও কখনো সমস্যার মধ্যে পড়ে যায় তাও কারো কাছে বলা যায়না ,শেয়ার করা
নিজে তুলে ধরেছি ৬৪ জেলায়। ২ একজাঁক ভালোমানুষ নেটওয়ার্ক পেয়েছি। ৩ পরিশ্রম করতে শিখেছি। ৪ নিজের একটা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি তাও আবার এই গ্রুপ থেকে নিয়ে। বাংলাদেশের সব চাইতে বড় অনলাই কনস্ট্রাকশন মার্কেট
পৃথিবীতে সব বাবারাই সন্তানের কাছে সেরা কিন্তু আমার বাবা সবার কাছেই অন্যরকম সেরা। বাবাকে সবাই ভালোবাসেন। আমার বাবা ন্যায়নিষ্ঠা, সততা, আদর্শবান, নিরিহ ও ভালো মনের একজন মানুষ। বাবা-মা এখনো বেঁচে আছেন আল
সারারাত অঝোরে দ্বারায় বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দটা অনেক দিন পরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলাম। ফজরের সালাত আদায় করে ভাবলাম একটু ঘুমিয়ে নেই তারপর না হয় হাটে যাবো 🥰🥰
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
আম কাঠালের সিজন আসলে নানী আমাকে নিয়ে নিজের গাছের আম নিয়ে আন্টির বাসায় বেড়াতে যেতেন। তখন দেখতাম অনেক দুরে যদি কোন এক পুরুষ লোক আসতো দেখতেন। ছাতিটা মেলে ধরে রাস্তার নামায় গিয়ে বসে থাকতেন। যতক্ষণ ঐ
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
ফরিদপুর জেলা টিমের রেকর্ড ২০০০তম দিন উৎযাপন
আলহামদুলিল্লাহ। শত ব্যস্ততার মাঝে প্রিয় প্ল্যাটফর্ম “To Be an Entrepreneur নিজের বলার মতো একটা গল্প Foundation” জাগো নরসিংদী কতৃক আয়োজিত মাসিক মিটাপে অংশগ্রহন করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে।
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
আগামি ৫ বছর পরে ঢাকায় আমার ৫ টা আউটলেট হবে এবং ১০ বছর এ আমার সারা বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় আমার আউটলেট থাকে ইনশাআল্লাহ। a
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
তিতাসের পার ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদস্যদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি গ্রুপের কোর ভলেন্টিয়ার ও উদ্দীপ্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রোগ্রামের কনভেনর Masudor Rahman ভাই, ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Eng
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
আমরা মানিকগঞ্জের মানিকরা তার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি চেষ্টা করছি ছোট করে কিছু শুরু করতে এবং সেই সাথে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজিক উন্নয় মূলক কাজ করতে।
অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার অফলাইন মিট আপ সফল ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে।
আসলে প্রত্যেক টা বিজয় ও সফলতা পিছনে থাকে, স্বপ্ন, ইচ্ছে শক্তি,, পরিশ্রম, কিছু সুখ ত্যাগ করা, লেগে থাকা, অনুপ্রাণীত হওয়া, অনুপ্রেরণা ও সহযোগীতায়। কোনো কাজের ফলাফল, পাওয়ার জন্য সবাই অপেক্ষা করে আখা
আমরা ভাই বোন ৮ জন তার মধ্য আমি ৬ নাম্বার আমার জীবন চলার কিছু গল্প তুলে দরবো বুল হলে খমা ছোখে দেখবেন-------- বাবা মারা জান ২০০৬ সালে মাস মাসের ২০ তারিখে মা মারা জান ২০০৬ সালে September ১৯ তারিখে ত তা
আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হল একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া ও ভালো মানূষ হওয়া।জীবনে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের শিক্ষা আমার জীবনের কাজে লাগাতে চাই। আমার জন্য
যারা উপস্থিত হয়েছেন এবং আমাদের মিটআপকে সফল ও সাফল্যমন্ডিত করেছেন আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একরাশ দোয়া ও ভালোবাসা অবিরাম।
আলহামদুলিল্লাহ টানা ১০ম বারের মত O+ রক্ত দান করলেন আমাদের প্রিয় Md Zahid Jobayer ভাই। তিনি মিরপুর মডেল জোন এর পল্লবী থানা প্রতিনিধি।
রুপসী বরিশাল জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রেকর্ড 2000 তম দিন উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ 😍✌️ আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের ম
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা গল্প থাকে হোক তা সফলতার কিংবা ব্যার্থতার আমারও তার ব্যাতিক্রম নয়। প্রানের ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে অনেক ভাই-বোনদের জীবনের গল্প পড়েছি
কত কস্ট করেছি ইউক্রেন তার ছোট একটা অংশ শেয়ার করছি।টানা ৮ মাস ভাত কি জিনিস তা চোখে দেখিনি খাওয়া ত দুরের কথা। ইউক্রেন সময় দুপুর ১২ টায় ২ পিছ পাউরুটি আর হাফ গ্লাস পানি আর রাত ১২ টায় সেইম খাবার ।নাটকিয় এ
স্যারের থেকে অণুুপ্রাণিত হয়ে লেগে থাকা নিজের উদ্যেগের সাথে! একটা টাকাও নিইনি বিজনেস থেকে নিজের খরচের জন্য৷ ২/৩বছর নিব না কোন খরচ ৷ সফল উদ্যেক্তা কিংবা ব্যবসায়ী হওয়ার জন্য
এই ফাউন্ডেশনের কিছু ভাইয়ারা আপুরা রোজ আমাকে মোটিভেট করে যাচ্ছে তুমি পারবে
হ্যাঁ এটাই ভালো বাসার প্লাটফর্ম। মানুষ মানুষের জন্য। একটু কি সহন ভূতি কি পেতে পারেনা। প্রিয় মেন্টর শিক্ষা মানুষের উপকার করবো ইনশাআল্লাহ। আজ জীবনের প্রথম বার আমার মায়ের মতন চাচিকে রক্ত দান করলাম। পোষ্ট
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্। 🌿মাশাআল্লাহ, কলেজ ও ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন নিঃসন্দেহে স্যারের যুগ উপযোগী ভালো উদ্যোগ। দেখা যায় যে, স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ ও ইউনিভার্সি
মিরপুর জোন হইতে মানবতার সেবায় আমরা সামান্য কিছু করতে চলছি ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমাদেরকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিক নির্দেশনায় আমরা প্রতি বছরেই এই আয়োজন করে থাকি, এবং প্রতি বছরেই এই আয়োজন চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।
এরপর শুরু হলো নতুন পথ চলা কমিউনিটি ভলান্টিয়ার মানেই আমাদের স্যার বলেন গ্রুপের প্রাণ এবং কমিউনিটি ভলেন্টিয়ারদের স্যার মাঝমাঠের খেলোয়ার বলেও আখ্যায়িত করেন। ভলেন্টিয়ারীকাজ করতে বরাবরই আমার খুবই ভা
আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি