প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
একটি আলোর কণা পেলে লক্ষ প্রদীপ জ্বলে, একটি মানুষ, মানুষ হলে বিশ্বজগৎ টলে... নাম না জানা কবির কবিতার এই অংশটুকু একজন আলোকিত মানুষের স্বরূপ প্রকাশের জন্য যথেষ্ঠ। আলোকিত মানুষগুলি আলো ছড়ান মানুষ থেকে মা
প্রবাস জীবন কতটা কষ্টের দেশে অবস্থান করে সেটা বুঝার মতো ক্যাপাসিটি কারো নেই। প্রবাস জীবনের কষ্টটা উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
যাদে মা আছেন, আমি সেই সকল মা দের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।তোমরা আছো তাই আমরা আছি, এভাবে সাথে থেকো, এভাবেই পাশে থেকো।৷ """ মা"""
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
আগে পরের বিক্রি হোক বা না হোক। অফার চললে বিক্রি হুরহুর করেই বাড়ে। জ্বী ডেলিভারি চার্জের কারনে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে চায় না। আমার নোয়াখালী কাস্টমার ছিলো। কাস্টমারদের একটাই আবদার হাতে হাতে
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
প্লাটফর্ম প্রতিটি সেশন থেকে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম স্যারের সেশন গুলো একটা মানুষের জীবনের মোর ঘুরিয়ে দিতে পারে, আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ চাই শুধু লেগে থাকা :যা বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমার মনে হয় কোন প্রবাসীকে দেশ থেকে অন্তত যাদের প্রবাস জীবনের অভিঙ্গতা নাই একজন প্রবাসীর মনের অবস্থা, তার একাকিত্ত্ব, তার আবেগ, তার কষ্ট, তার উদাসীনতা, তার নিরব কান্না এগুলো বুঝতে পারে না।
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
এছাড়াও অন্যান্য শ্রদ্ধেয় লিডারগন এবং সম্মানিত স্পন্সর উদ্যোক্তাগনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। আপনাদের একান্ত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আমরা ২০০০ তম দিনের মত একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে পেরেছি।
আমি একজন খুব চঞ্চল স্বভাবের মানুষ। নতুন নতুন শেখা আমার একটা সখও বলতে পারেন। আর নতুন কিছু অর্জন করতে পারাটা মনে হয় জীবনে পাওয়ার মতো আরও কিছু যুক্ত হলো। " নিজের বলার মতো একটা গল্প " ফাউন্ডেশনে যুক্ত হও
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
সবার ইচ্ছা ছিলো একটা মেয়ের প্রতি। আম্মুর কাছ থেকে শুনেছি আম্মুর একটা কালো শাড়ি ছিলো, সেটা পড়ে তাহাজ্জুত নামাজ পড়ে আল্লাহ কে বলতো "ঠিক এই কাপড়ের মতো কালো হোক তাও একটা মেয়ে চাই"আল্লাহ আমাকে পাঠিয়
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
সাড়ে ৬ লাখ তরুণদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা দুই হাজারতম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। অদম্য দেশপ্রেমী ইকবাল বাহার জাহিদ বেকার তরুণদের
ব্যবসায়ীক অভিঙতা ২ বছরের হচ্ছে আল্লহর রহমতে এখন ভালো মন্দ পার্থক্য বুঝে গেছি। অনেক বার হোচট খেয়ে পরে গেছি, আবার উঠে দাড়িযেছি। হার মানিনি।
এক কথায় বললে ১ টা বিজনেসের স্টার্টআপ থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে কিভাবে পর্যায়ক্রমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে নেওয়া যায়।
প্রবাস জীবন শিখিয়েছে কীভাবে কিভাবে আশপাশে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুকেই এড়িয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে হয়। 👉নিরাশার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া ছেলেটা হাতে হাত চেপে, চোখের নোনাজলকে উপেক্ষা করে বলতে শিখেছে,
প্রিয় মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক আয়োজিত ১ লাখ মেম্বার সেলিব্রেশন এবং নতুন দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের বরন করে নেয়া এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে,
কিভাবে লেখা শুরু করলাম সেটা বলার আগে আমি একবার কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এই গ্রুপের স্টেটাস অফ দা ডে হওয়ার পেছনে যে সকল মানুষ কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তরভাবে, আমাদের লেখাগুলা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে, তারা ম
আমার ছোট বেলা থেকেই একটি স্বপ্ন যে আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্নধার হব। সেখান থেকেই আমার চাওয়া-পাওয়া পূরন করব ইনশাআল্লাহ। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে য
যখন আমি গ্রুফটাতে সময় দেওয়া শুরু করলাম দেখতে পেলাম এইখানে অনেক কিছু শিখার আছে কিভাবে বিজনেস করতে হয় সাহস করতে হয় লেগে থাকতে হয় এবং ভালো মানুষ হতে হয়। কৃতঙ্গতা জানাই প্রিয়ো স্যার এর প্রতি ।
-ই হোক, শিখে নিলাম ড্রাইভিং। কিন্তুা বাধা আরেকটা! নতুন ড্রাইভার হিসেবে কেউ গাড়ি দেয় না। আমার এক কাছের বন্ধু যার সাথে দিনরাত এক করে চলাফেরা করেছি, সে একটি গাড়ির মালিক। কিন্তু সেও জবাব দিলো, “আমি নতুন ড
সবাই বলেছিল আমি বাঁচবো না আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি বাঁচবো না প্রাই বিশ দিন পর আমি চোখ মেলে তাকাই। তখন আমার ছেলে আর আমার মা কথা মনে হয় ডাক্তার তখন বলেছিল না এখন আমি ঠিক। এক মাস ঢাকা হাই কেয়া
আমার আব্বু ভাবছিল উনাকে হয়তো ভালোবেসে সবাই চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জন্য বলতেছে। আমার বাবা বুঝে পারে নেই। যে উনার টাকার জন্য উনাকে চেয়ারম্যানি নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। চেয়ারম্যানি নির্ব
স্বপ্ন আগেই ছিলো কিন্তু কোন কিছু শুরু করার সাহস ছিলো না। স্যারের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা এবং সাহস পেয়ে শুরু করে দিলাম। কিছু প্রোডাক্ট কিনে আনলাম, কিনার আগে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং সেই রোকসানার সাথে
আম্মুকে আমরা তিন ভাইবোন রক্ত দিলাম আমার ছিলো এইটা ১৭তম ছোট ভাইয়ের ২য় তম এবং ছোট বোনের এটাই ১ম স্বেচ্ছায় রক্তদান।
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
ইনশাআল্লাহ আনারস সাপ্লাই দিয়ে শুরু হচ্ছে বিজনেস, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা এবং বাংলাদেশের বাইরে রপ্তানি করব আমার আনারস,আনারসের রসে সারা দেশের মানুষ আমার সুনাম করবে, আর আমার বিজনেস প্রসারিত হবে,আনারসের
জীবনে কিছু সময় আসে যেটা কোনোদিন ভোলা যায় না। ঠিক এমনই একটা দিন ছিলো আমার জন্য। ০৪/০১/২০ ছিলো অনেক স্বপ্নের একটা দিন। দিনটা ধার্য্য ছিল আগে থেকেই কিন্তু যারা চাকুরি করি তাদের ছুটির একটা ব্যাপার থেকেই
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
সবাই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন এই আশা আমাদের কাম্য ধন্যবাদ
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
ছোটকাল থেকেই স্বপ্ন ছিল নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। তাই ইউটিউবে বিভিন্ন রকম উদ্যোক্তা দের গল্পগুলো দেখতাম। সে সুবাদে একদিন হঠাৎ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের একটা মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনি এবং তা আমাকে আকৃ
বাবার কাছে আমি শুধু বলতাম বাবা আমাকে পাখি থাকে যে সেই টাকা টা দাও কিন্তু বাবা আমাকে ১০ টাকা দিতো আমি বলতাম এটা না পাখি থাকে সেটা দেন আহারে আমি কি বোকা ছিলাম বাবা ১০ টাকা দিতো কিন্তু আমি ২ টাকার জন্য
আমার স্বপ্নটা সবার থেকে একটু ব্যতিক্রম ছিল। যদিও আমি এমন একটি পরিবার থেকে বিলং করে যেই পরিবারে নারীরা কখনো বাইরে গিয়ে কাজ করার অনুমতি নেই। আমি সেই হতভাগা মেয়ে, যে বিয়ের আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম অনেক কি
এই প্লাটফর্ম থেকে আমি যে সম্মান, স্নেহ, ভালবাসা পেয়েছি।সেটা পৃথিবীর সব সার্টিফিকেট কে হার মানায়। আমি বিশ্বাস করি,এই স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে এর নিয়ম টা নিঃসন্দেহে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি বড় ধাপ।
২০১২ সালে আমাদের জীবনের একটা দুর্ঘটনায় আমি পটুয়াখালী তে চলে যাই এবং জীবনসংগ্রামে লড়াই করার জন্য হয়ে উঠি আসল উদ্যোক্তা।
🌹🌹২০১০ সালে আমি চট্টগ্রাম আসি আমার বড় বোনের কাছে।এর মধ্যে আমার বড় দুই ও আমার ছোট বোনের বিয়ে হয়ে যায়। এখানে চট্টগ্রাম সিটি কলেজে বি এ ভর্তি হই এবং দুইটা টিউশনি করি।এরপর ২০১২ সালে বাবা গাছ থেকে পড়ে
লক্ষ লক্ষ, দিশে হারা যুবক যুবতী র, প্রানের স্পন্দন, বাংলাদেশের রিয়েল হিরু প্রিয়, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের যুগান্তকারী সৃষ্টি এই সাপ্তাহিক হাটবার.... লক্ষ লক্ষ, মানুষের এই মেলা বন্ধন, এই সুন্দর বিশ্ব
আজকে নিজের বিজনেস পরিচালনা করার ও সময়ের সাথে আপডেট হয়ে সংযোজন বিয়োজন করার ক্ষমতা ধারণ করার সক্ষমতা হয়েছে...
তুমি মনে মনে ভেবেছ দেখেই তো আমি আসলাম।এই হলো ভাবীর প্রতি ননদের টান। আমিঃ কি জামাই বাবু?ভালোই পাম দেওয়া শিখিয়েছেন আমার ননদকে দেখছি। জামাইঃকি যে বলেন ভাবী আমার শিখানো লাগে? ননদঃআচ্ছা ভাবী তোমার ড্রেস
আমাদের নতুন বিবাহিত সুপার একটিভ জেলা প্রতিনিধি Mohammad Kawser Ali ভাই ও Alamin Hossain ভাই এবং নতুন ভাবীদের বরণ করে নিয়েছি আমরা রাজশাহী জেলা টিম।
এক বন্ধু নবাব পুরের বড় ইম্পোটার বেশ বড় দোকান আছে, তিনি বিভিন্ন ধরনের পন্য ইমপোর্ট করেন। অন্য বন্ধু বিদেশ ফিরত, টাকা পয়সা ধরা খেয়ে এখন সে নিঃস্ব সুতরাং সে নবাবপুরে বন্ধুর দোকানে বসে সময় দিতে থাকে
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক