#সিদ্ধান্তসমূহঃ ১। সম্মেলন সফল করা। ২। শীত বস্ত্র বিতরণ। ৩। ব্লাড গ্রুপিং করা আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে। ৪। প্রতি থানা জানুয়ারি থেকে Meet up করা ৫। কলেজগুলোতে আমাদের কর্মশালা করা ৬। আমদের গ্রুপ থেকে প
২বছর চিকিৎসা চলার পর যখন জানতে পারি আমি কখনো সুস্থ হবোনা আর তখন খুব জোরে জোরে হেসে উঠেছিলাম।ডাঃ টিম খুব অবাক হয়েছিল আমার কান্ড দেখে।টেবিলের ওপারে ৬ জন ডাঃ বসা,এপারে আমি আর আম্মু। আম্মু যখন এটা শুনলো
আপনি কি ইনসাফ ফুড গার্ডেন এর স্বত্বাধিকারি, আপনার কাছে কি, কি পন্য পাওয়া যায়। আমিঃ প্রিয় ভাই আমার কাছে পাবেন, খেজুর, মধু, তিন ফল,ড্রাই ফ্রুটস, কালোজিরা তেল, আরো রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের কাচের বোতল
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান Iqbal Bahar Zahid স্যার
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
এই একই রকম অনেক, কে আমরা প্রতিবন্ধী মানুষ বলেছি। তারা রক্তদান করছে!! আপনি যদি মানবিক কাজ করেন তাহলে আপনার/আমার কি করা উচিত? বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন??? খুঁজে পাওয়া সামর্থ্য স্থায়ী সত্তেও রক্তদান ক
সন্তান আর সংসার করে নিজের স্বপ্ন টা মরে গেলে, ভুলে গেলাম আমি একজন স্বপ্নবাজ ছিলাম। চিন্তা করতাম বেবিরা বড় হলে আবার চেষ্টা করবো পারাইফেট চাকরি করার। আশায় দিন গুনি কিন্তু কোন কিছু করার সাহস পাই না।অনেক
এই গ্রুপে যুক্ত হওয়ার আগে আমার প্রতিটা দিন ছিল Just ৯ থেকে ৫ টার ছকে বাধা। আর এখন আমি সাহস করে নিজের ভাললাগার কাজ শুরু করে দিয়েছি। এবং আমৃত্যু লেগেও থাকব, দেখি সফলতা কিভাবে না এসে পারে?
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
কষ্ট ও দুঃখগুলো থেকে তারা শিক্ষা নেয়। একমাত্র আপনিই আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারেন। 👍আপনার চিন্তাধারার সাথে অন্য মানুষের চিন্তা _ধারা এক নাও হতে পারে। 👍খারাপ সময়ের অন্ধকার মাঝে মাঝে আমাদের
খারাপ লাগে আমার বাবার দিকে তাকালে আমার জন্য শুধু করে যাচ্ছেন আমি কিছুই করতে পারছি না হয়তো কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা পেশায় একজন টেইলার্স, আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি...✊ কারন আমা
বাবা মানে জীবন যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক। বাবা মানে ভাত রুটির নিশ্চয়তা দৈনিক। বাবা মানে রোগে শোকে অফুরন্ত শক্তি। বাবা মানে ই অনাকাঙ্খিত যন্ত্রনার মুক্তি। বাবা মানে ই স্বল্প
ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। যদি কিনা কোন কিছুর সাথে লেগে থাকা যায় এই আত্মবিশ্বাসটা আমার প্রচন্ডভাবে বেড়ে যায়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কিভাবে আমি জয়েন করব।
একজন সফল উদ্যোক্ত হতে হলে এগুলো কী আগে সেটা আমার জানা প্রয়োজন। তাহলেই আমি সামনের দিকে সুন্দর ভাবে নিজের বিজনেস পরিচালনা করতে পারবো। আমি আমার ব্যবসাটি ভালো করে শুরু করতে পারবো। 💞 আমি জেটা জেনেছি এবং
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন ইউনিক দুবাই টিম কর্তৃক আয়োজিত মাসিক মিট আপ সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আলহামদুলিল্লাহ।
২লাখ ২০হাজার টাকা দিতে হবে মালয়েশিয়া পৌছানোর সাথে সাথে। এত টাকা কিভাবে যোগাড় করব মাথায় কুলচ্ছিল না।আমার সহধর্মিণী আমাকে ভরসা দেয়ঃতুমি যাও,টাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। রাতেই রওনা দিলাম চট্টগ্রামের উদ্দেশ্
সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঝিনাইদহ জেলা মিটআপ। প্রথমে আমরা ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ এ আলোচনা পর্ব ও আগামি ৪ জানুয়ারি মহাসম্মেলন এর জন্য প্রস্তুতির পর্ব শেষ করে ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এর সহ-সভাপতির প
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
প্রান প্রিয় শ্রদ্ধেয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অহবানে সারা দিয়ে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রবাসী ভাই বন্ধুগন
সফল ভাবে সম্পুর্ণ হয়েছে অদম্য টাঙ্গাইল জেলা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত সুবিধা বঞ্চিত মানুষ এবং এয়াতিম শিশুদের মাঝে ইফতার আয়োজন এবং ভালোবাসা বিলাই এর কার্যক্রম।
মূলধন দুই হাজার টাকা থেকে এখন এক লক্ষ+ উদ্যোক্তা জীবন গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক কষ্ট অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছিল। চাকরি ছেড়ে কেনো উদ্যোক্তা পথ বেছে নিলাম। আমি বিশ্বাস করি চাকুরী করলে একজন জীবিকা গ্রহণের
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন উদ্দ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্রো। ১৪ ই জানুয়ারি ৫ ম মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকিট কনফার্ম করতে মেলা হলো ৬ সপ্তাহ ধরে পণ্য প্রর্দশনী মেল চলছে আমাদের । উপস্থিত সকলের জন্য
আমাকে নিজের বলার মতো একটা গল্পের ফাউন্ডেশনে কথা বলে, রেজিস্টেশন করতে বলে,পাশা পাশি ৯০ দিনের সেশন ক্লাস করতে।আমি যখন সেশনে স্যার এর কথা গুলো শুনতাম মনের ভিতরে স্যার এর কথা গুলো নাড়া দিয়ে উঠত।যে কেউই নত
এখন আমার ১২ জন কর্মি আছে যাদের দ্বারা আমি নকশিকাঁথা, নকশি বেডশিট, হাতের কাজের থ্রিপিচ, টু পিচ, ওয়ান পিচ , বেবি নকশিকাঁথা এগুলো তৈরি করে করছি।
আমি নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছি, 👉 এখানে আমি নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি, 👉এখানে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে শিখিয়েছে 👉 শিখিয়েছে বিনাশ্রমে শ্রম দিতে, 👉শিখিয়েছে কি করে একজন দক্ষ
রুপসী বরিশাল জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রেকর্ড 2000 তম দিন উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ 😍✌️ আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের ম
এই প্লাটফর্ম এ যুক্ত হওয়া এখনও আমি উদেক্তা হয়ে উঠতে পারিনি কিছু দিন হলো আমি এখানে যুক্ত হয়েছি এই প্লাটফর্ম যুক্ত হয়ে আমার ধারনা আগ্রহ আরো অনেক গুন বেরে গেছে প্রতিদিন এই প্লাটফর্ম হাজারো উদেক্তা হওয়ার
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশনের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন
বন্ধ হয়ে গেল চাকরির আবেদন। হাজব্যান্ড সব ক্লাসেই ফাষ্টক্লাস পাওয়া এক জন ছাত্র। তাই অপেক্ষায় রইলাম উনিতো কমপক্ষে একজন প্রথম শ্রেনির কর্ম কর্তা হবেন।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
হঠাৎ করে একদিন পাশের বাসার ভাবি এলেন। আমি রুমে শুয়ে আছি। তিনি এসেই মা কে বললেন কাকি রিতা কই অনেক দিন হলো দেখিনা আবার অসুস্থ হয়ে গেছে নাকি আমার মা/ না অসুস্থ না সারাদিন মোবাইল নিয়ে পরে থাকে দেখবি কি ক
নিজের পাঁয়ে দাড়ানোর সাহস, শক্তি, এবং কৌশল শিখিয়ে নিজের জীবনের মূল্যবান সময় আমাদের পেছনে ব্যয় করছেন। বেকার যোবকদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্
ভলান্টিয়ারিং করতে যেয়ে কিছু কিছু মানুষের সাথে এমনভাবে মিশে গেছি যে, এই ফাউন্ডেশন এখন আমার আরেকটি পরিবার হয়ে গেছে মনের অজান্তেই।
কেন রক্তদান করবেন? নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন '' এ যুক্ত হলাম, প্রিয় স্যারের প্রতিদিনের সেশন গুলো পড়া শুরু করলাম তখন থেকেই মনের ভিতরে উদ্যোক্তা হবার সেই বাসনা টা আবার জেগে ওঠা শুরু হল। তখন থেকেই লেগে আছি প্রিয় প্
-ই হোক, শিখে নিলাম ড্রাইভিং। কিন্তুা বাধা আরেকটা! নতুন ড্রাইভার হিসেবে কেউ গাড়ি দেয় না। আমার এক কাছের বন্ধু যার সাথে দিনরাত এক করে চলাফেরা করেছি, সে একটি গাড়ির মালিক। কিন্তু সেও জবাব দিলো, “আমি নতুন ড
এক দিন হটাৎ মামির বাসায় গেছি, ত বসে বসে ফোন টিপ তাছি মামি অনেক ক্ষন লক্ষ করার পর এসে বলতাছে ফোনে এত এত কি করতাছ যখন থেকে আসছ ত ফোন টিপা টিপি করতাছি এত কি কর প্রেম টেম কর নাকি,
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
লেখাপড়া শেষ করার পর আমার আব্বু সময় চেষ্টা করে গেছেন, যাতে আমার লেখা-পড়া কন্টিনিউ থাকে, কিন্তু আমার আম্মু তাতে কখনো রাজি হন নি। আম্মু কখনো চননা যে আমার লেখাপড়া চালু থাকুক। তার কারণ হলো আমি গ্রামের মেয়ে
অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে মেগা মিটাপ করলাম গাজীপুর জেলা।
কিছু স্মৃতি মন থেকে মুছে যায়, আর কিছু স্মৃতি কখনাে ভােলা যায় না। মাঝে মাঝে জীবনের অতীত পানে যখন ফিরে তাকাই, তখন ফেলে আসা বর্ণাঢ্য সুখস্মৃতি মানস চোখে। মায়াবী রূপে ধরা দেয়। সেই দিনগুলাে ছিল বড়াে
আমি প্রথমে রাজশাহীর কেমিক্যাল মুক্ত আম নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম, শুরুটা অনেক কাঁটাযুক্ত ছিল। পরিবারকে ম্যানেজ করা আমার জন্য যুদ্ধ জয়ের মত ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ সবাইকে বুঝাতে সক্ষম হই আল্লাহর রহমতে। আমি
#নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প প্লাটফর্মের নিম্নবিত্তদের মাঝে জরুরী খাদ্যদ্রব্য বিতরণ কর্মসূচি এবং সচেতন মূল লিফলেট ভিতরণ।