আমার প্রথম উদ্যোক্তা জীবন শুরু হয় ২০০৭ সাল জুন মাসের ১০ তারিখ আমার জন্মদিন ছিল হাজার ১৯৮৩ সালের জুন মাসের ১০তারিখ আমার প্রিয় বন্ধু স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন আপনার জন্মদিনে আমাদের কোম্পানির শুভ উদ্বোধন হব
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
বাবাকে বলা হয়নি , তবে বাবা জানতে পেরেছে।সেই সময় আমার বাবা প্রবাসে আসতে দিবে না। বাবা বলেছিল আমার যা আছে তাই তুমি এক পুলা সারা জনম চলে যাবে। বাবা আসতে দিবেই না; বাবা বল্লেহ দেখি কেমনে যাও! বাবাকে কি
শারিরীক সমস্যা থাকার পরে রক্তদানে পিছিয়ে নেই এই ভাইটি মনের শক্তিটা সবচেয়ে বড় বিষয় স্যালুট ভাই 😍 👉অথচ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে /আমাকে সুস্থ রাখার সত্বেও রক্তদান করতে আপনি অনিহা প্রকাশ করেন কেনো?
আমরা কম বেশি সপ্ন সবাই দেখি ছোট এই জীবনে বৃহৎ কিছু করার । এর মাঝে আমরা কজন আমরা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি ? আমদের ছোট্ট এই জীবনে অনেকের সম্পূর্ণ জীবন কেটে যায় শুধু স্বপ্ন দেখে আর পরিকল্পনা ক
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে যখন HSC পাশ করে ভার্সিটি ভর্তির জন্য বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছি। সেই সুবাদে পরিচিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ খান নামের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে। এক
খুবই সুন্দর,সুশৃঙ্খলা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সাফল্যমণ্ডিত উদ্দোক্তা সম্মেলন উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদজ্ঞাপন করছি মিরপুর জোন সহ যারা সম্মেলন বাস্তবায়ন করার লক্ষে নিরলসভাবে সামনে এবং পিছুনে থ
আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
নিজের জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " আমার পরিবারের প্রিয় ভাই বোনদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার উদ্দেশ্যে 23 সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট করি। পোস্টটি "স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে" নি
বন্ধ হয়ে গেল চাকরির আবেদন। হাজব্যান্ড সব ক্লাসেই ফাষ্টক্লাস পাওয়া এক জন ছাত্র। তাই অপেক্ষায় রইলাম উনিতো কমপক্ষে একজন প্রথম শ্রেনির কর্ম কর্তা হবেন।
নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়বো। নিজেকে ভালোবাসুন। পরিবারকে ভালোবাসুন। বাবা মা'কে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলেও কিভাবে নতুন করে বাঁচা যায়। অন্যের দয়ায় বেঁচে না থেকে কিভাবে আত্মসম্মান নিয়
#বাবা নেই কিন্তু আছে তার স্মৃতি মায়া ভালবাসা আজ থেকে ২০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা আমি আপনাদের সাথে এখন শেয়ার করতে যাচ্ছি। ২০বছর আগে ০৯ বছরের ছোট্ট মেয়েটা ঘুমিয়ে ছিলো।খুব সকালে তার ঘুম ভেঙে যা
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
ভালো কাজের উজ্জল দৃষ্টা এসব শিক্ষা মেলে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে। মনে রাখতে হবে, "সময়টা একটা দৌড় প্রতিযোগিতা, কেমন করে এই সময়টাকে ব্যবহার করবো সেটা আমাদের নিজস্ব ব্যাপার কিন্তু এখানে দৌড়ে
সেখানে অল্প টাকা দিত, এতে আমার তেমনএকটা পোষাতো না। কেননা সংসারে অভাব, কিভাবে বেশি টাকা পাব সেই চিন্তা ছিল মনে তাই বেছে নিলাম,,,,,
✳️আমিঃ যখন আমার ফেসবুক প্রোফাইল আপডেট নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। ❇️বান্দবীঃ ওর চোখে দেখা মাত্রই একটি টেক্সট করলো কিরে দোস এটি আবার কোন গল্প।। আমিঃ টেক্স দেখে একটু মুচকি হেসে রিপ্লাই দিয়
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
"যখন কোনো মুসলিম গাছ লাগায়, অথবা কোনো ফসল বোনে, আর মানুষ, পাখি বা পশু তা থেকে খায়, এটা রোপণকারীর জন্য সদাকা হিসেবে গণ্য হয়। (সহীহ বুখারী, হাদীস ২৩২০; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৫৫৩)"
বিশেষভাবে উল্লেখ্য করা যেতে পারে, ঢাকাসহ সারা দেশের সরবরাহকৃত পানির মান নিয়ে সম্প্রতি এক জরিপ চালায় বিশ্ব ব্যাংক। সেখানে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ প্রায় ৮২%. তবে চাইলে এই পানি ফিল্টারের মাধ্যমে শতভাগ ব
🍁 নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলার মাসিক মিটআপ
তাই দুই বছরের বেতন আস্তে আস্তে দিলাম এবং নগদ ক্যাশ কিছু দিলাম তারপর বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলো বিদেশে তো নিলেই না পাসপোর্ট করানোর কথা বলে ঢাকা নিয়ে ঘুরাইয়া আনলো
যাদের বাবা পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়ে পরকালে চলে গিয়েছে এবং যাদের বাবা দুনিয়াতে আছে সকলের প্রতি অনুরোধ আপনারা আমার এই পোস্টটা অবশ্যই পড়বেন বাবা মানে মাথার উপর বিশাল একটি বটগাছ এ কথাটা যাদের বাব
অযথা ছাদ ফেলে না রেখে সুন্দর পরিবেশ ও ফ্রেশ ফরমালিন মুক্ত ফলমূলের জন্য ছাদ বাগানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সবাই ভাল থাকবেন।
মিট আপটিতে অংশগ্রহণ করতে পেরে এবং নতুন পুরাতন সকল ভাইবোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে। এভাবেই একে অন্যের সাথে সু সম্পর্ক তৈরীর মাধ্যমে এগিয়ে যাব আমরা।
দাদু আমাকে দাদা ভাই বলে ডাকতো।আমার পরিবারের সকলের মাথার মনি ছিলো আমার দাদু। দাদু তার ভালোবাসা দিয়ে আমাদের পরিবার কে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলো। আমার স্কুল জীবনের সবচেয়ে বড় গাইড ছিলো আমার দাদু। আমি পড়ছি কি না
আমার মূল উনুপ্রেরনা: স্যারের দেয়া সেশান গুলো প্রতিদিন আমাকে আমার কাজ করতে উনুপ্রেরনা দিচ্ছে। সাহস দিচ্ছে। স্যারের প্রতি টি কথাই আমার অনুপ্রেরণা। প্রতিদিনের শপথ বাক্য আমাকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে ।
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
"নিজে কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো!!" বলতে পারেন সাবলম্বী হওয়ার একটা ইচ্ছা থেকে ২০১৮ এর শেষের দিকে আমি ঘরোয়া পরিবেশে স্বামীর কাছ থেকে অল্প পুজি নিয়ে কাপড়ের বিজনেস শুরু করি। বিজনেস বেশ ভালোই চলছিলো।
আমার গ্যাফ টা একটু বেশিই ছিল আর এই গ্যাপের সুযোগও ছাড়লেন না আমাদের দেশের প্রিয় ২ ভাই গাঁ-ঘেসে ডুকে গেলো গ্যাপের মাধ্যমে তারপরও কিছু বললাম না, এর মধ্যে একটা ভারতীয় লোক কিছুক্ষন পর পর এসে গাঁ-ঘেসে ধাক্
❣প্রাপ্তি কথাটি খুবই ছোট একটি শব্দ হলোও এর পরিধী ব্যাপক ও বিস্তৃত। আমাদের প্রিয় পরিবার, "নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সদস্যদের এই ফাউন্ডেশন থেকে অনেক ধরনের প্রাপ্তি রয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জিবিজি কলেজের সিনিয়র শিক্ষক জবান বাশার নাজিবুল ভাই। উক্ত মিট আপে সভাপতিত্ব করেন সম্মানিত জেলা প্রতিনিধি Ashik Ahmed ভাই।
আজকের টাঙ্গাইল জেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এবং চমৎকার একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত হয়েছে।
একটা সময় ডিপ্রেশনে কারো কথা ভাল লাগত না। খাবার ভালো লাগতো না। ঘুম ভাল লাগত না। শুধু অন্ধকার ভালো লাগতো। একাকীত্ব ভালো লাগতো। কিন্তু এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হবার পর নিজেকে এতটা পরিবর্তন করে গড়ে তুল
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিটআপ সুন্দর, মনোরম পরিবেশে, সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মিটআপের উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর, উপজেলা এম্বাসেডর ও অনেক সদস্যগ
দেশে এসে একটা ব্যবসা শুরু করেছে।আমাদের দিনগুলি খুব ভালই যাচ্ছিল। এরইমধ্যে দেশে মহামারী করোনা আসলো। করোনার কারনে আমার হাজবেন্ডের ব্যবসা মন্দা। আলহামদুলিল্লাহ তবুও অনেকের চেয়ে ভালো আছি। একদিন হঠাৎ করে
সিজারের একদিন পর আমার জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফিরে আসার পর আমাকে গাইনী ওয়ার্ডে এবং আমার ছেলেকে শিশু ওয়ার্ডে দেয়া হয়। বাবু ছিল আন্ডার ওয়েট আর সবাই ধরে নিয়েছিল যে ও বাঁচবে না। সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ
আজ রাজশাহীর সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ীক ভবন "থীম উপর প্লাজার" ৬তালায় রাজশাহী জেলাটিম-এর উদ্যোগে হয়ে গেল জমজমাট ইফতার মাহফিল রাজশাহী বিভাগীয় জেলা প্রতিনিধি সমাবেশ।
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
পৃথিবী যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন, ঠিক তখনই আলোর সন্ধানে আমরা। আর সেই আলোর সন্ধানে, সন্ধানী আমি। একমাত্র সাক্ষী...........। নিজের নামে বাড়ি শান্তি নিকেতন 😌😌আর বাড়িওয়ালার ভাড়া বাড়ি অশান্তির🤯 ভুবন 🍁
তুমি জানো মা , এই পরিবারের বাবা মা ভাই বোন এতো ভালো মানুষ কোথাও দেখি নাই ।যে কোন মুহুর্তে ডাক দিলে পাশে পাই , পাশে এসে দাঁড়ায় । কোন সময় রক্তের প্রয়োজন হলে, অভাব অনটন হলে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেয়
😭 বাড়িতে কিছু না জানিয়ে চলে আসলাম আমার প্রিয় বাংলাদেশে, দেশে আসার পড়, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না, এক হতাশায় কাটতে লাগলো দিন, আস্তে আস্তে জীবনের মানে বুঝতে পারলাম, কিন্তু অনেক টা লেট হয়ে গেছে,। বিদেশে
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
পার্টনার হওয়ার জন্য একজন অন্যজনকে ভালো ভাবে বুঝতে এবং জানতে হবে। সর্বোপরি প্রতিষ্টানের নামে একটা জয়েন একাউন্ট থাকতে হবে। যেন ব্যাবসার মধ্যে একজন আরেকজনের টাকা মেরে না দিতে পারে। প্রত্যেকটা সেশন থেকে
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।🌿 আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আমি সর্বপ্রথম প্রশংসা করছি মহান রাব্বুল আলামিনের; যিনি আমাকে দিয়েছেন সুস্থ একটি জীবন,
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।