প্রিয় প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এ যুক্ত হয়েছি ২৮ জানুয়ারী। ইউটিউবে যখন স্যারের সেশনগুলো দেখতে পাই,তখন থেকে শুরু হয়ে যায় আমার পাগলামি। অন্য কোনদিকে মন তেমন একটা বসে না সারাদিন এটা
তারপর দু জনে বেড়িয়ে পড়লো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। সময় মত পৌঁছে গেল সেখানে। 🍂অনুষ্ঠানের সবার নজর পড়লো তাদের ওপড়। সবাই যেন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মেয়েটার ওপড়। সবাই যেন মুগ্ধ হয়ে দেখছে।এত সুন্দর শাড়ী
মহান বিজয় দিবসের রক্তিম কৃষ্ণচূড়ার শুভেচ্ছা সবাইকে ❤️💚
প্রিয় স্যার এর পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের হবিগঞ্জ জেলায় সুন্দর ভাবে আয়োজন টি সম্পুর্ন করতে পেরেছি, সে জন্য প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থে
শুধুমাত্র উদ্যোগতাদের নিয়ে উদ্যোগতা উন্নয়নের জন্য গাজীপুর জেলা ২য় বারের মতো ফিজিক্যাল মিটাপ করেছি।
হাটি হাটি পা করে দুই বছর পর্যন্ত চলার পর কোম্পানিকে লিমিটেড রেজিস্ট্রেশন করে নেই। কোম্পানি তৃতীয় বছরের শেষ দিকে তিনজন পার্টনার নেই ব্যবসাকে বাড়ানোর জন্য।
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
আশে পাশের সবাই কান ঘুসাঘুসি করতে শুরু করলো মাষ্টার মানুষের ছেলে বাবার এত সম্পত্তি থাকতেও এই কাজ করা লাগবে. ওর দ্বারা এই এত কঠিন কাজ হবে না.. ইইইইইইইইইই. এমন কথা শুনে খারাপ লাগতো খুব.. তখন বাবা বলতো, শ
গতকাল এর চাদপুর এর মিটআপ টা আমার ১ম মিটআপ তার আগে কখনো কোন গ্রুপের সদস্যদের সাথে এভাবে মতবিনিময় হয় নি আমার এত ভালো লেগেছে যে মনে হচ্ছে অনেক দেরি করে ফেলেছি এখানে আসতে আরো কয়টা মাস আগে বা শুরু থে
টিকিট লাগবে? টিকিট? কিভাবে সহজে টিকিট পেতে পারেন সেটা নিয়েই কথা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা মিটাপে।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন '' এ যুক্ত হলাম, প্রিয় স্যারের প্রতিদিনের সেশন গুলো পড়া শুরু করলাম তখন থেকেই মনের ভিতরে উদ্যোক্তা হবার সেই বাসনা টা আবার জেগে ওঠা শুরু হল। তখন থেকেই লেগে আছি প্রিয় প্
প্রিয় প্ল্যাটফর্মের জিরো টলারেন্স হল নারীদের অসম্মানের বেপারে
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
মোটামুটি ১৪ দীন একটানা আমার মায়ের সাথে মক্কা হারাম শরিফ উমরা তওয়াফ ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেয়ারা ও মদীনা মসজীদে নববী রাসুল (সাঃ) এর রওজা মোবাকর ও রাসুল (সাঃ)এবং আবু বকর ওমর ইবেন খাত্তাব (রাঃ) ও ওহুদ
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ব্যানারে চলছে #খুলনা টীমের দিন বদলের আড্ডা। এই দিন বদলের আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিলো #খুলনা টীমকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই বিষয়ে মতামত প্রকাশ। তাছ
আমার অনেক ভাল করে মনে পরে আমি যখন ক্লাস থ্রি তে পড়ি তখন একটু একটু বুঝি ,আমাদের ক্লাসে ছেলে মেয়ে মিলে আমরা প্রাই ২০ থেকে ২৫ জনের একটা টিম ছিলাম , তো যখন এই দিবস গুলো আসত বিশেষ করে একুশে ফেব্রুয়ারি,
স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কিছু স্থাপত্য এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য— মদনপুরের হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমি (র.) মাজার, শাহ সুখুল আম্বিয়া মাজারের পাশে মোগল
আলহামদুলিল্লাহ, সুবিধা বঞ্চিতদের একদিনের ইফতার আয়োজন ধারাবাহিকতায় ফেনী জেলা সদরের আজকের ইফতার মাহফিল।
সারাদেশে সাড়ে ছয় লাখ তরুণকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা দুই হাজারতম দিনের উদাহরণ গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)।
পরিবার জন্য পাটিয়ে দিতাম মা বাবার ভাই বোনের ওষধ খরচ ওপরিবারের খরচ সবমিলিয়ে একপ্রকার হিমশিম খাচ্ছি তার উপর ছোট ভাই বোন আছে ওদের পড়াশোনা করছে তবে আরো দুই ঈদের সময় ঈদের অতিরিও টাকা জমানো অনেক কটিন হয়ে যে
জেলা মাসিক মিট আপ......! আলহামদুলিল্লাহ হাটি হাটি পা পা করে নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন জয়পুরহাট জেলার কার্যক্রম
চট্টগ্রাম জেলা পতেঙ্গা জোন কর্তৃক আয়োজিত মিটআপ এবং ১৫ জানুয়ারী ৪র্থ মহাসম্মেলন এর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও ২য় বারের মত টিকেট বিতরণ ২৫/১২/২০২১ইং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে ।আলহামদুলিল্লাহ্ মিটআপে টিকেট সেল হয়
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
ছোট থেকেই আমি একটু উপার্জন মুখী ছিলাম তখন আমার বয়স ৭ কিবা ৮ বছর ক্লাস টু-তে পড়তাম পার্বত্য চট্টগ্রামে মানিকছড়ি রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়তাম,আমার বয়সের ছেলেরা যখন খেলা ধুলায় ব্যস্ত তখন
সফল ভালে শেষ হলো উত্তরা জোনে উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিটআপ। ৩০ জন উদ্দোক্তা ভাই বোনদের পণ্য প্রদশর্নের ব্যবস্থা করে আজকের উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিট আপ আয়োজন ছিলো।
প্রিয় প্লাটফর্মের আজ ৭০০ তম দিন... দোয়া করি শত শত যুগ আমরা এই ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পারি... ৯১ তম দিনে জয়েন করেছিলাম গ্রুপের দ্বিতীয় ব্যাচে আর তার পর থেকে আছি এবং তার পর থেকে ভাই, বন্ধু, বোন
আমি পাপিয়া সুলতানা। গাজীপুরের মেয়ে এবং গাজীপুরের বৌ। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।পরিবারে চারবোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। ছোটবেলায় এই অবস্থানের জন্য অনেকে আবার আমাকে পরিবারের দুই নাম্বার সন্তান বলেও ক্ষ
যখন আমি গ্রুফটাতে সময় দেওয়া শুরু করলাম দেখতে পেলাম এইখানে অনেক কিছু শিখার আছে কিভাবে বিজনেস করতে হয় সাহস করতে হয় লেগে থাকতে হয় এবং ভালো মানুষ হতে হয়। কৃতঙ্গতা জানাই প্রিয়ো স্যার এর প্রতি ।
যখন মিট আপে উপস্থিত থাকবো বলে ঠিক করলাম, মনে হচ্ছিল কাউকেই তো চিনিনা কেমন কাটবে সময়??যখন মিট আপে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল ভিন্ন কোন শহরে যাচ্ছি আমি,সবাইতো অচেনা। গিয়ে দেখি অনেকেই আমার চেনা
বাবার কাছে আমি শুধু বলতাম বাবা আমাকে পাখি থাকে যে সেই টাকা টা দাও কিন্তু বাবা আমাকে ১০ টাকা দিতো আমি বলতাম এটা না পাখি থাকে সেটা দেন আহারে আমি কি বোকা ছিলাম বাবা ১০ টাকা দিতো কিন্তু আমি ২ টাকার জন্য
আসলে আমরা প্রত্যেকটা মানুষ স্বপ্ন দেখি, একেক জনের স্বপ্ন একেক রকম,,,কারো স্বপ্ন পুরন হয় আবার কারো হয়না।সবাইর স্বপ্ন সে জীবনে অনেক বড় হবে,,,ছোট বেলা থেকে আমার ও একটা স্বপ্ন ছিলো যে আমি একজন ব্যবসায়ী হব
আজকের দিনের প্রথম পর্ব ভোলার বোরহানউদ্দিন এর হাকিমউদ্দিন এলাকায়।
স্বপ্ন ভেঙ্গে সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছি প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের কথা শুনে,স্যারের ভিডিও সেশন দেখে এবং প্রতিদিনের নিয়মিত সেশন চর্চা ক্লাস করে।
"নিজে কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো!!" বলতে পারেন সাবলম্বী হওয়ার একটা ইচ্ছা থেকে ২০১৮ এর শেষের দিকে আমি ঘরোয়া পরিবেশে স্বামীর কাছ থেকে অল্প পুজি নিয়ে কাপড়ের বিজনেস শুরু করি। বিজনেস বেশ ভালোই চলছিলো।
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
নারায়ণগঞ্জের ইফতার পার্টি ও অসহায় বাচ্চাদের ঈদ গিফটের অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থকার সুযোগ করে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি।
এস এস সি এর পর ,, বাবা মা আমাকে বিয়ে দেয়,, ছেলে খুলনার ছেলে ,ঢাকায় সেটেল,প্লাট ,, গাড়ি সব আছে,, কিছু বুঝে উঠার আগেই সংসার নামক বোঝা ঘাড়ে চেপে বসলো,,, হাজার ও দায়িত্ব কর্তব্য এর মধ্যে আমি আমার পড
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে। যারা #আর্থিক সহযোগিতা, পরিশ্রম ও ভলেন্টিয়ারিং ও পর্দার অন্তরালে থেকে বিভিন্ন সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান ও আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন অসাধারণ মুহূর্ত কাটিয়েছি আমরা চুয়াডা
আমি উঠে দাঁড়াতে পারছি না। গোড়ালির পিছন থেকে রক্ত পড়ছে। পা ভেঙে চুড়ে গুড়ো হয়ে গেছে। কপালে সামান্য আঘাত আমিও পেয়েছি। ব্যাটারির এসিডে পুড়ে গেছে হাত। বাইকে করে একটা ছেলে যাচ্ছিলেন পাশ দিয়ে। লোকটা এগিয়ে আস
সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা থাকলে সততার সাথে লেগে থাকলে ধৈর্য কে নিজের অবলম্বন করে রাখলে ভেবেচিন্তে কাজ করলে...মনোবল অটুট রাখলে জীবনে জড়িয়ে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।।জীবনের বাস্তবতা
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আমি আমার নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে অনেক কিছু শিখতে পারছি। এখন অনেক কিছু শিখার বাকি আছে। সবাই দোয়া করবেন সকলে যেন আমি একজন ভাল উদ্দোক্তা হতে পারি।
রাতের শেষ প্রহরে ঘুম ভেঙে দেখি খাকি ড্রেস পরা পাক আর্মি আমার মায়ের বুকে রাইফেল ধরে জিজ্ঞেস করছে রাজা কোথায়? তোমরা কারা? পাশে রাইফেল ধারী আরো কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছে। তারা পাকিস্তান আর্মির উর্দু বয়ান বাংলায়
আলহামদুলিল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা টিমের মহাসম্মেলন এর প্রস্তুতি ও টিকিট বিতরন অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয়েছে।
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।