চাঁদপুর জেলা টিমের চুপিচুপি ঈদের ভালোবাসা বিতরণ
মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়সে আমাকে বাবা-মা'য়ের কোল ছাড়তে হয়। ঠাঁই হয় আমার সর্বশেষ আশ্রয় স্থল মামার বাড়িতে। আমার দিদা, দাদুর পরিবার ছিলো আমাদের থেকেও অসচ্ছল। তবুও আমাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে তার
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের মনের কথা গুলো শেয়ার করতে পারছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।যার অনুপ্রেরণায় আমরা নিজের পায়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখি।স্
জাতি হিসাবে এটা আমাদের কাছে কত বড় একটা পাওয়া সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আমরা বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ গুলো প্রিয় এই মাতৃভাষায় কথা বলে নিজেদের কে গর্ববোধ করি। ভাষা প্রকাশের যেই অনুভূতি যারা দেশ
প্রিয় স্যারের ভিডিও গুলো রাত জেগে দেখি।স্যারের বলা প্রতিটি কথায় মনে অনেক সাহস পাই।আর মনে মনে ভাবি আমার কষ্টের দিনগুলো একদিন হয়তো "নিজের বলার মত একটি গল্পের" প্লাটফর্মে আমাকে নিয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ।
_____বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম_____ 🙋 আসসালামুয়ালাইকুম পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করিলাম। আল্লাহের অশেষ নিয়ামতের মাঝে আছি বলেই আমরা সকলে অনেক ভালো আছি। মহান রাব্বুল আলামীনের
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
ওনার কথা শুনে বেশ হাসলাম আর ভাবলাম আরে বোন এ বিষয়ে কি আর করার! আমাদের চালটা অটো মেশিনে পালিশ করা না, আর আমরা কোন কেমিক্যাল মিশাই না। 💖সত্যিই ভাই অসাধারণ একটা প্লাটফর্ম ভাই, যেখানে অনলাইনে কেনা কাট
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
প্রিয় স্যারের উপস্থিতি আমরা নোয়াখালী বাসী গর্বিত আনন্দিত।
বাবাকে বলা হয়নি , তবে বাবা জানতে পেরেছে।সেই সময় আমার বাবা প্রবাসে আসতে দিবে না। বাবা বলেছিল আমার যা আছে তাই তুমি এক পুলা সারা জনম চলে যাবে। বাবা আসতে দিবেই না; বাবা বল্লেহ দেখি কেমনে যাও! বাবাকে কি
আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। বিশেষ করে মেয়েদের নিয়ে কাজ করতে চাই।আমি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই।এবং নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরী করতে চাই।
মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে কিভাবে হবেন এবং এর মানে কি আপনার জীবন থেকে নেওয়া দুঃখ কষ্টের গল্প অর্থাৎ আপনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন আপনার জীবনের গল্প অবশ্যই আছে আপনি সেই আপনার জীবনের গল্প কে গল্প লেখা মাধ্যমে ফুট
কেরানীগঞ্জ জোনের সকল ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসাডর সহ সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের উপস্থিতে অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে আজকের মিটআপ।
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে।গতকাল ৪/২/২৩ তারিখে সাভারে চমৎকারভাবে প্রথম উদ্দোক্তা মিট আপের আয়োজন করা হয়েছিলো।উপস্থিত সকল ভাইবোনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমাদের সবার প্রিয় বনিক সাগর ভাইয়ার গুরুত্বপূর্ণ
একটি বৃদ্ধাশ্রমে নিজ জন্মদিনে কিছু সময় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত ২০০০ তম দিন নিয়ে আলোচনা ও ঈদ পূর্নমিলন, সকলের সহযোগীতা এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন হলো।
ফাউন্ডেশন থেকে আপনি কি চান। ইজ্জত, সম্মান, পপুলারিটি, ভালোবাসা, দান সদকা, রক্তদান ,শিক্ষা কার্যক্রম কি প্রয়োজন আপনার নিয়ে নিতে পারবেন এই ফাউন্ডেশন থেকে।
তাহলে কি এবার পড়া-লেখা বন্ধ হয়ে যাবে! না পড়া-লেখা বন্ধ করা যাবেনা , প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হলাম বি বি এ , সেমিষ্টার রেজাল্ট ভাল হওয়ায় বি বি এ অবস্থায় একটি বাইং হাউজ-এর জুনিয়র মার্চেন্ট
জীবনের বাস্তবতার বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা _পরিস্থিতি যতই নিষ্ঠুর হউক বা যতই কষ্ট হউক না কেন- তা সয়ে নিতে হয়, মেনে নিতে হয় জীবনের প্রয়োজনেই। অন্যদের আনন্দের জন্য _জীবনে কষ্ট আসল
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
কাস্টমারঃ আসসালামু আলাইকুম আপু। আমি একজন ব্যাচলর মানুষ। রুটি বানাতে সমস্যা হয়।এবং মাঝে মাঝে একটু নাস্তা খেতেও মন চায় কিন্তু মনমতো কোথায়ও পাচ্ছিলাম না। আপনার পেজটা দেখে আপনাকে নক করলাম।
স্যারের অনুপ্রেরণা নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত অনলাইন সেশন চর্চা করছি এবং শিখছি, জানছি। আমাকে জিততেই হবে। বারবার হোঁচট খেয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্ল
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের জাগ্রত গাইবান্ধা জেলা পক্ষে থেকে শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধান্ঞ্জলি ও পুষ্প অর্পন আয়োজন
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
আমার নতুন করে কাজ শুরু হলো "সুনাম শপ"কে নিয়ে। নামটা আমরা ট্রেডমার্ক করাই। এই নামে ডোমেইন আরো আগেই নিয়ে রাখা হয়েছিল। সুনাম শপ নামক এই উদ্যোগটা কিছু দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ জয়েন স্টক কোম্পানির অধীনে নিবন্
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
খুলনা জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাজবাড়ী জেলার কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সোহাগ ভাইয়ের ১০ তম রক্তদান ও আসন্ন মহা সম্মেলন ২০২২ টিকিট বিতরন।
নিজে ভালো থাকি, অন্য কে ভালো রাখার চেষ্টা করি। আজ আমি আমার এলাকায় কয়েক জন মিলে কিছু সচেতন মূলক কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই কাজ দেখে এলাকার কয়েকজন উৎসাহিত হয়ে নিজ মহল্লায় আগামীকাল করবে। করোনা
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনারা যারা এতক্ষণ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার লেখাটা পড়েছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশ
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
আমি ভাইয়ের সাথে কথা বলি।।ভাই এত ভালো মনের একজন মানুষ এবং এতো সুন্দর করে আমাকে সব বুঝিয়ে আশ্বস্ত করলেন যা আমার কল্পনার বাইরে। ভাইয়ের সাথে কথা বলে আমার সব ভয় দূর হয়ে যায়।ভাই আমাকে বলেন ব্যবসা জীব
২০১২ সালে আমাদের জীবনের একটা দুর্ঘটনায় আমি পটুয়াখালী তে চলে যাই এবং জীবনসংগ্রামে লড়াই করার জন্য হয়ে উঠি আসল উদ্যোক্তা।
আজ কেন নিজেকে অপরাধী লাগছে সেই ত্যাগী বাবার কথা মনে করে,যে বাবা আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে কখনো ঘুরতে নিয়ে যাইনি। যার উপর রাগ করে আজ বালিশ বিহীন, খাট হীন ঘরে শুয়ে আছি! তাঁর কথা মনে করে কেন বুকটা দুমড়ে
Entrepreneur-based platform "Nijer Bolar Moto Ekti Golpo" organised the fifth Entrepreneurship Conference at Mirpur Indoor Stadium in the capital on Saturday (14 January). The theme of the latest
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
আমরা দুই বোন। বাবা-মা ছোট পরিবার নিয়ে সুখেই ছিলাম। আমার কোন ভাই নেই। ভাই নেই তেমন কোন কষ্ট ও নেই। কারন বড় বোন ছিলো ভাইয়ের মতো।কখনো অভাব বুঝতে দেয় নি বড় বোন।বড় বোন মায়ের মত।আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমর
প্রতিটা ভিডিওতে ভালো মানুষী চর্চাও উদ্যোক্তা হওয়ার হওয়ার বিষয়ে অসাধারণ কিছু শিক্ষা, অনুপ্রেরণা ও পরামর্শ আমি দারুন ভাবে উদ্বুদ্ধ হলাম এবং মুগ্ধ হয়ে শুনলাম এবং নিজেকে আরো বেশি একটিভ করে নিলাম।ইউটিউ
দুই, এম কে ইসমাইল হুসাইন যখন বিভিন্ন ব্যবসায় লস করে পুঁজি হারিয়ে হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন ঠিক তখনই সন্ধান পান নিজের বলার মতো একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের। এখান থেকে অনুপ্রেরনা পেয়ে শুন্য হাতে এই প্
আমার বান্ধবীর পুরো দায়িত্ব টা নেওয়ার জন্য বলি আমার বাবা-মা রাজি হয় তারা অত্যন্ত ভালো মানুষ আমার এক কথায় আমার বান্ধবীর সব দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এবং আমাদের বাসায় নিয়ে চলে আসি আর ওর ফ্যামেলিতে যা লাগ
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
নিজের বলার মতো একটা গল্পের" নীলফামারী জেলার ঈদ পুণর্মিলনীর কিছু ছবি ও কার্যক্রম। এখানে পরিচিতি পর্ব শেষে আমরা উদ্যোক্তাদের প্রমোট করেছি,উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আলোচনা
শীত এসে পড়ছে! জানি সবাই শীতের নতুন পোশাক কিনতে যাব। আমরা কি পারিনা পরিবাবের শীতবস্ত্র কেনার সময় আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু শীতবস্ত্র কিনি!