রক্তদানে কেউ আমরা পিছিয়ে থাকবো না। বিশেষ করে আমাদের নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের করো যদি কখনো ব্লাড লাগে আমরা সবাই মিলে ওনার জন্য কাজ করমো। রক্তদানে কোনো ক্ষতি নাই বরং নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আ
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
স্যারের কথাগুলো আমাকে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি জোগায় প্রতিদিন। স্যারের দেয়া উদ্যোক্তা হবার নীতি ও আদর্শ বুকে ধারন করে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ একদিন সফল হব এই আশায়।
পড়ালেখা আর করা হলো না। কিন্তু বড় হয়ে গেছি।যেহেতু আমি গ্রামের মেয়ে তাই সকলেই উঠে পড়ে লেগেছে বিয়ে নিয়ে। আমার বিয়ে হয়ে যায় দিনাজপুর জেলায়। আমার শ্বশুড় বাড়ি চলে যাই। আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি
অবশ্যই সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া। সততা ও কমিটমেন্ট রক্ষা করা। মা,বাবার সেবা যত্ন করা।পরিবার,সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করা।জীবনের সবক্ষেত্রে পজিটিভ থাকা। নিজে ভালো থাকা ও অন্যকে ভালো রাখা। জীবনে অন্ত
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
জীবনে বলার মতো এটা গল্প থাকা দরকার”। আর সেই গল্প সৃস্টি করার লক্ষ্যে আমার অর্গানিক ফুড নিয়ে পথ চলা। আসলে যা বলতে চাচ্ছি, কোন কিছু করার জন্য আপনার ইচ্ছা শক্তিই যথেস্ঠ, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, ধৈর্
আমার জন্য একটা শাড়ি ও হাজবেন্ড এর জন্য পাঞ্জাবী দেন দিলাম ওনি পছন্দ করে নিলেন। তখন ওনি বললেন কাল ঢাকা যাব সার্টিফিকেট আনার জন্য তো সেখানে একটা প্রোগ্রাম আছে এর জন্য ভালো দেখে একটা থ্রিপিছ
#স্যারের আর একটি উক্তি না বললে নয় । #স্বপ্ন দেখুন সাহস করুন শুরু করুন লেগে থাকুন #সফল একদিন হবেন । #স্যারের এই বাণী আমার ক
পরিবারের কাউকে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ অটো চালকের বাড়িতে নেওয়ার পর শুরু হয় ফয়সালে দুষ্টামীর চরম সীমা। যা আমাদের সবাইকে বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পেলে দেয়।
সকলের এত সুন্দর উদার মন-মানসিকতার কারণে আজকে একটি নিষ্পাপ ফুলের মতো শিশুর চিকিৎসা করার জন্য যেই অর্থটা সংগ্রহ হয়েছে ধন্যবাদ সকলকে।
উক্ত মিট আপ প্রোগরামে আমাদের সম্মেলনে আমাদের সকলের শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় স্যার এবং যার ভালবাসায় আমরা সিক্ত সেই মহান মানুষের দিক নির্দেশনা গুলো আলোচনা করবো। শুধু তাই নয় আগামী দিনে আমাদের গ্রুফের কার্যক্রম
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
হয়ে গেলো #খুলনা_টীমের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী, মিট আপ ও Protul Pathak দাদার খুলনা থেকে ঢাকায় যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ও সংবর্ধনা! এই করোনা কালীন সময়ে সবাই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আজকের মিট আপে অংশগ্রহণ
খুলনা জেলা টীমের পক্ষ থেকে কোমলমতি শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ উপহার দেওয়া হয়। 🎒 নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
যারা পূর্ব-পাকিস্তানের পুলিশের নির্মম প্রহার, টিয়ার গ্যাস এবং গোলাগুলি সহ্য করার পরেও, সহস্র মানুষ আহত হওয়ার পরেও নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পিছুপা হয়নি। 🤔 তারা বিশ্বের সর্বোত্তম #উদ্যোক্তা ছাড়া আ
যে কোন দেশের বেকার সমস্যা ঐদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক বাধা, এবং বর্তমান বাংলাদেশর অবস্থাও তাই। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্যা যেমন দেশে প্রভাব ফেলছে তেমনি প্রবাসেও। প্রবাসে বেশিরভাগ শ্রমিক
হয়ে গেলো,, নিজের বলার মতো একটা গল্প , ফাউন্ডেশন এর " উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার " মাসিক অফলাইন মিটআপ। ❤️ অত্যন্ত ফলপ্রসু এই মিটআপে সদস্য ও ,দ্বায়িত্ব প্রাপ্তগনদের আলোচনা ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে উঠে এসেছ
নিজের বলার মতো একটা গল্প" সম্পর্কে জানতে পারি। প্লাটফর্মে যুক্ত হই। 🌿স্যারের ৯০দিনের সেশন গুলো পড়ে পড়ে নিজের সমস্যাগুলো সমাধান আস্তে আস্তে জানতে ও বুঝতে পারি । আমার বিজনেসে সেল না হওয়ার কারন।স্যার
আলহামদুলিল্লাহ অত্যান্ত চমৎকার এবং সফল ভাবে সম্পুর্ণ হয়ে গেলো আমাদের যশোর জেলা টিমের আয়োজনে ২০০০তম দিন উৎযাপন ও উদ্দোক্তা সম্মেলন। যারা অনুষ্ঠান টিকে সফল করবার জন্য দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম
ভালবেসে আমাদের এই মিটআপটি সফল করতে আপনাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। উক্ত মিট আপে ফরিদপুরের সকল সম্মানিত ভাইবোনদের উপস্থিতি কামনা করছি।
আমি স্থানীয় ভূইয়ারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক,ফৈজুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি, উত্তর সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, এবং মনপুরা সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বি
বার মার্কেটে সুনাম আছে উনি সৎ নিষ্ঠাবান পরিশ্রমী বিনয়ী একজন ভালো মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে বাবাকে পাইকারি দোকানদাররা দোকানে পাইকারি পন্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আস্তে আস্তে ব্যবসা বড় হয়। কিন্তু লাভ দেখা যায়
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে #সুবিধা_বঞ্চিত_এতিম_শিশুদের সাথে ইফতার এবং #হত_দরিদ্র_খেটে_খাওয়া_মানুষের মাঝে ভালোবাসা বিলাই #তিন_দিন ব্যাপী আয়োজনের #প্রথম_দিনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
১)নতুন বিজনেস সেন্টার তৈরি করাঃ এটা হবে আমাদের প্রথম কাজ।যেহেতু আমরা কৃষি প্রধান দেশ,উদাহরণ হিসেবে কৃষি নিয়ে বলি। আপনি নিজে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন কৃষি পণ্য আপনার হাতে কিভাবে পৌঁছে। কৃষক~ব্যাপারী(এল
১ টা বছর আমার মা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিল। পুরো পরিবার দুটো শোক একসাথে কি করে সহ্য করেছিল সেটা একমাত্র আল্লাহ
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
আমি সবসময় ভাবতাম আমি চাকরি করব না চাকরি দিব। শুরু করুন 9 টা 5 টা ভুলে গিয়ে লেগে থাকুন সফলতা আসবেই।
ঢাকা চলে আশার পর সবাই মিলে বিয়ে দিয়ে দিলো আমাকে। তখন থেকে জীবন শুরু হলো কষ্ট দিন।হাসবেন্ড শুধু চাপে পরে আমাকে বিয়ে করলো মন থেকে ভালোবাসা পেলাম না।সে আমাকে বিয়ে পর থেকে নানা ভাবে অবহেলা করতে লাগলো।সে
টুইনবেবীর মায়েরাই যানে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়।যাক সব সমস্যা নিয়েই ৭মাসের আগেই২০২২সালে জানুয়ারি তে আমার ২টি জমজ ছেলে জন্ম নেয় তারা আকারে ছোট ৬০০/৮০০গ্রাম করে ডাক্তারদের কথায় বাচার আশন্খা ছিলনা ৯৯%
আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার আয়োজনে রাত ১০ টা হতে রাত ১২ পযর্ন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সব ভাইদের
আমরা দুই বোন। বাবা-মা ছোট পরিবার নিয়ে সুখেই ছিলাম। আমার কোন ভাই নেই। ভাই নেই তেমন কোন কষ্ট ও নেই। কারন বড় বোন ছিলো ভাইয়ের মতো।কখনো অভাব বুঝতে দেয় নি বড় বোন।বড় বোন মায়ের মত।আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমর
৭ম বারের মতো এ পজেটিভ রক্তদান রক্তদিন জীবন বাচাঁন অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করুন।
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
বাধ্যে হয়ে রাতের অন্ধকারে রড সিমেন্টের দোকানে ট্রাক থেকে বালু নামিয়ে সারা রাতে ১২০০ টাকা ইনকাম করি, ওটাই ছিলো আমার জীবনের প্রথম পরিশ্রমে টাকা ইনকাম করা। কাজের অভ্যাস না থাকায় সারা শরির ব্যাথা হয়ে গেলো
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
-------- পথ চলা -------- "" ছুটছি আমি থামায় কে"" সেই দুরন্তপনা দিয়ে কেড়েছি হাজারো মানুষের স্নেহ ও ভালোবাসা। সেলিব্রেটি বললেই ভালো হবে😜।অশ্লীল চলাফেরা দিয়ে নয়।বরং ভদ্রতা,নম্রতা, সারল্যতা, দুরন্তপনা দি
আমার গাঁয়ের রং কালো বলে আমার প্রতিবেশীরা আমাকে নিয়ে নানা ধরনের হাসি ঠাট্টা করতো। এর মাঝেও ছাত্রী হিসেবে মোটামুটি ভালো থাকার কারণে সেই হাসি ঠাট্টা আমার লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে নি। শত
আমরা প্রবাসীরা হলাম এমন এক যুদ্ধের সৈনিক. যে যুদ্ধের জয়ের উল্লাস আমরা করতে পারি না! দিয়ে দিতে হয় অন্যদের …হয়তো অন্যদের মাঝ থেকে জয়ের উল্লাস কেউ পায় আবার কেউ পায় না! অথচ, এই যুদ্ধে আমাদের দিতে হয়
সেশন গুলো পড়তে ও বুঝতে আমার এতোটাই ভালো লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এটা যেন আমার লালিত স্বপ্ন অনুযায়ী চমৎকার ও অসাধারণ ভাবে সাজানো হয়েছে। ঠিক আমি যেমনটি চাই এই সেশন গুলো আমার স্বপ্ন দিয়ে যেন একটা একটা করে বো
আমার উদ্যোগতা হতে আমাকে যে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে সে হচ্ছে আমার স্ত্রী। আমি হচ্ছি খুব অলস প্রকৃতির মানুষ চাকরি করছি বাকি সময় শুইয়ে বসে কাটিয়ে দি। আমার স্ত্রী সবসময় বলতো চাকরির পাশাপাশি যেন কিছু কর
বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার ত্রাণ কার্যক্রম দুটি পর্বে করা হয়েছে প্রথম পর্ব সকালে হাকিমুদ্দিন এর মেঘনা নদীর কোল গেসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এবং বিকেলে ভোলা সদরের ইলশা ভেরিবাদে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় ম
মিটআপে সকল সদস্যগণ তাদের ব্যাক্তিগত, বিজনেস পরিচয় তুলে ধরেন,এবং কিভাবে আলমডাঙ্গা উপজেলা টিমকে আরো শক্তিশালি ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এ বিষয়ে সবাই গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
নারী উদ্যােক্তা" শব্দটি শুনতে আমার অনেক ভালো লাগে এবং আমি গর্ব করে এখন বলি আমি একজন নারী উদ্যোক্তা।
ভবিষ্যৎতে দেশের বিভিন্ন জেলায় হাঁসের খামারের শাখা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা চাইলে এবি এগ্রো ফার্মের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে সাহ