জেসমিন নামেই সবাই আমাকে ডাকে,,ছোট বেলা থেকে শ্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে সরকারি চাকরি করবো। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হলো না। সাধারন মানুষের মতই চাওয়াটা নিরবে নিব্রিতে মনের ভিতরই দাফন হয়ে গেছে সেটা অর্জন করা
কোন কারনে কোন একজনের সাথে আমার একটু ঝামেলা হয়েছিলো। এই কারনে আমি অভিমান করে গ্রুপ থেকে দুরে ছিলাম। কিন্তু প্রতি মুহূর্তে আমি গ্রুপটাকে মিস করতাম। সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে আবারও আপনাদের মাঝে ফিরে এ
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে
মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
সবার আগে যে কাজটি করতে হবে, সেটা হলো আপনার পারসোনাল ব্যান্ডিং,আর ব্যন্ডিং এর জন্য যে সকল বিষয় রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটা বিষয় হলো আপনার নিজের বিজনেসের একটা পেইজ থাকা,এবং পেইজটি হতে হবে ভালো লেবেলের,
প্রাণপ্রিয় প্লাটফর্মের সকল ভাই-বোনদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক দোয়া ও ভালবাসা। আচ্ছে আগামীকাল ২৬/০৩/২১ইং রোজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় আমাদের ফরিদপুর জেলা টিমের পক্ষ থেকে আয়োজন করতে যাচ্ছে প্রতি স
মুহুর্তেই শোরগোল পরে গেল!সবার একটাই কথা,আমি জেগে গেছি,আমি জেগে গেছি।তৎক্ষনাৎ দেখি ৩-৪জন ডাঃ দৌড়ে আমার কাছেই আসছে।হ্যা ওরা আমার গাড়িতেই বসে আমার পালস চেক করলো।আমায় বললো কেমন আছি আমি?আমি বললাম ভাল।তখনই
স্যারের যে কথায় অনুপ্রাণিত হইঃ- ১.স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন,সফলতা আসবেই। ২.চাকরি করবো না, চাকরি দিবো। ৩.বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে, ভিজে কেউ কেউ।
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
গল্পটা লিখতে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারনি ঠিকই কিন্তু নিজেকে স্বার্থক মনে হয়, আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, আমি আমার ভাইদের জন্য পরিবারের কিছু হলেও করতে পেরেছি
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব।
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা সেন্ট্রাল টিম - সমন্বয়ে ওয়ারী জোন প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন করছে ।
নতুন কিছু স্বপ্ন এক মুঠো আশা,,সকলেরে ভালবাসা...যে যাত্রাপথে আমাদেরর সাথে হাজার মানুষের সাথে দেখা হবে, কথা হবে, সাথে বন্ধুত্ব হবে আবার সেই সম্পর্ক চোখের পলকে ভেঙ্গে যাবে।জীবনের এই সময়ের সবটুকু পথ
নারীর মর্যাদা ও সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটা মেয়ে জন্মগতভাবে তার পরিবারের কাছ থেকে সম্মানিত হবে
সেশন গুলো পড়তে ও বুঝতে আমার এতোটাই ভালো লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এটা যেন আমার লালিত স্বপ্ন অনুযায়ী চমৎকার ও অসাধারণ ভাবে সাজানো হয়েছে। ঠিক আমি যেমনটি চাই এই সেশন গুলো আমার স্বপ্ন দিয়ে যেন একটা একটা করে বো
১০০০ পরিবারের জন্য ত্রান সামগ্রী পাঠাতে পেরেছি ও ১০টি পরিবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের জন্য টিন দিতে পারেছি।
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরণায় পজিটিভ শরীয়তপুর জেলা ভিন্নভাবে ভালোবাসা বিলি করেছেন।
অনেক নতুন ভাই - বোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সর্বোপরি সবাই মিলে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২০
সবার ইচ্ছা ছিলো একটা মেয়ের প্রতি। আম্মুর কাছ থেকে শুনেছি আম্মুর একটা কালো শাড়ি ছিলো, সেটা পড়ে তাহাজ্জুত নামাজ পড়ে আল্লাহ কে বলতো "ঠিক এই কাপড়ের মতো কালো হোক তাও একটা মেয়ে চাই"আল্লাহ আমাকে পাঠিয়
এই পৃথিবীতে যত রকম দান আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সেরা আর পবিত্র দান হচ্ছে রক্তদান। কারণ জীবন রক্ষার চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। তাই আমিও চেষ্টা করছি মৃত্যুর আগে কিছু মহৎ কাজ করে যাওয়ার জন্য।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় মিরপুর জোন এর পক্ষ থেকে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার হয় অাজ। সকল কে বিজয় দিবস এর শুভেচ্ছা। ম
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
ভরিয়ে দেয় মন ভাবনার ও উর্ধে কোন অদৃশ্য মায়াজালে অনুভবের এই অনুভূতি নিত্য যথা থাকে না সমান তালে ' ঠিক তাই অনুভবের অনুভূতির পাল্লা যখনই বেশি ভারি হয় তখন অনুভূতি প্রকাশ করাটা বড় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তেম
শাড়ি নিয়ে প্রতিটা মেয়েরই মনে হয় একটা করে গল্প থাকে। খুব আপন, খুব আদরের, খুব রোমান্টিকও হয়তো বা! তখন ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বয়ফ্রেন্ড সেই সময়ে টিউশনী করতো। টাকা জমিয়ে জমিয়ে একদিন আমাকে একটা
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় আমার ব্যাবসায় মনমুগ্ধ ছিলাম । মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নি
ব্যবসায়ীক অভিঙতা ২ বছরের হচ্ছে আল্লহর রহমতে এখন ভালো মন্দ পার্থক্য বুঝে গেছি। অনেক বার হোচট খেয়ে পরে গেছি, আবার উঠে দাড়িযেছি। হার মানিনি।
নব্বই দশকের আগে তখনকার সময়ে সামাজিক পারিবারিক ধ্যান ধারনা ছিল ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হওয়া নয়তো বিদেশ গিয়ে অনেক টাকা পয়সা রোজগার করে অর্থ সম্পত্তির মালিক হওয়া। এখন ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হতে হবে অথবা বিদেশ গি
ইসরাত নিপার ২০০ টাকা পুজি দিয়ে কাজ শুরু করে এখন ৫০০০০ টাকা পুজি হয়েছে
আমি এখনো এই ফাউন্ডেশনে কোন সেল করতে পারিনি। তবে আমার পেইজ বুক বন্ধু আমার পরিবারের লোকজন। আশেপাশের মানুষের কাছে আমি গত এক দেড় মাসে প্রায় সেল করেছি দেড় লক্ষ টাকার ও বেশি। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার প্
জীবনেরসবচেয়ে কঠিন বিপদের মুখোমুখি হঠাৎ করে আমি আবার অসুস্থ হয়ে যাই কপালের কি নির্মম পরিহাস পড়ে যায় একটি ডাক্তার নামে ডাকাতের হাতে যে আমার রোগটির সঠিক ট্রিটমেন্ট করতে পারত না আরো ভুল ট্রিটমেন্ট করে
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
ঈদ পূর্ণমিলনী পজিটিভ শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা উপজেলায়, এসে উদ্যোক্তা প্রমোট
ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিদিন যে শিক্ষা নিচ্ছি সেটা আমার জীবনে মেজিকের মত কাজ করতে লাগলো, এখন নিজেকে অনেক দৃঢ় মন মানসিকতার মানুষে পরিণত করেছি।
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
আমার প্রথম উদ্যোক্তা জীবন শুরু হয় ২০০৭ সাল জুন মাসের ১০ তারিখ আমার জন্মদিন ছিল হাজার ১৯৮৩ সালের জুন মাসের ১০তারিখ আমার প্রিয় বন্ধু স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন আপনার জন্মদিনে আমাদের কোম্পানির শুভ উদ্বোধন হব
আজ এ বিষয়ে লিখার উদ্দেশ্য শুধু প্রিয় প্লাটফর্মের ভাই বোনদের বুঝাতে এবং জানাতে যে প্রিয় স্যারের ৯০দিনের সেশন একটা মানুষকে কতটুকু পরিবর্তন করতে পারে, ★আমি গত ২১-০৩-২০২০ইং হঠাৎ প্রয়োজনে আমার গ্রামের বাড়ি
উত্তরা জোনের আয়োজনে উদ্দোক্তা বেসিক ট্রেনিং দ্বায়িত্বশীলদের সাথে টিকিট সেলিং প্রোগ্রাম এবং নৈশভোজের আড্ডা। আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের উত্তরা জোনে দায়িত্বশীলদের নিয়ে গু
Bahar is teaching his 20th batch with an exceptional record of around 1800 days of consecutive workshops for free on entrepreneurship, previously unseen in Bangladesh. He has been awarded for organizi
আশাকরি আমাদের এই উদ্যোগ কনটিনিউ চলমান থাকবে। এগিয়ে যাবে কুড়িগ্রাম জেলা টিম।
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
অনেক অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, "নিজের বলা মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"ওনার জনাব, Iqbal Bahar Zahid প্রিয় মেন্টর প্রতি। এতো সুন্দর প্লাটফর্ম তৈরী করার জন্য।