আজ ছিল আমাদের প্রাণপ্রিয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ২৮ তম মিটআপ, বনভোজন এবং নৌকা ভ্রমণ। সকাল ১১ ঘটিকায় তিতাস নদীর বুক চীড়ে ভেসে উঠা চরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে শুরু হয় আমাদের মিটআপ। আজকের মিটআ
অনেক সময় আমাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় files গুলোও হারিয়ে যায়। কিন্তু যদি আমরা গুগোল ড্রাইভে রাখি তাহলে ফাইল মিসিং হওয়ার আশংকা থাকে না। **পাশাপাশি এই ফাইলগুলো আপনি লিংকের মাধ
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
শহরের ৩০ টির মতো দোকান এখন আমার কন্ট্রাক্টে,, তিন জন রাইডার কাজ করে আমার সাথে,, একজন স্টাফ,, আমি,, আমার দুই ছোট ভাই,,, একটা সার্ভিস এ থেমে থাকিনি রাইডিং চালু করেছি যাতে করে নতুন উদ্যোক্তাদের ডেলিভারি
We love our country each and every moment of our live. We may die for our country and for the people of our motherland
তার নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা চেতনার মাধ্যমে আমাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অবিরত। তরই ফলশ্রুতিতে আজকে আমাদের এই সনদ তথা সার্টিফিকেট বিতরনের ব্যবস্থা করেছেন। আসলে এই সার্টিফিকেট আমাদের গত
আমি দুইদিন আগে আমার অল্প কিছু পন্য ঢাকা পিজি হাসপাতাল থেকে বনশ্রী পাঠানোর জন্য চিন্তিত ছিলাম।কারন আমার মামা ব্যস্ত থাকার জন্য যেতে পারবে না বলছে। পরে চিন্তিত অবস্থায় গ্রুপের কোন ভাই কুরিয়ার ঢাকা কাজ
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
আস্তে আস্তে চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে আপাতত ছোট খাটো বিজনেস করি, তারপর আস্তে আস্তে বড় হবো, এরকম মাথায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি মনে মনে, , এই চিন্তা টা মাথায় আসার কারণ
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
ওনার কাজ থেকে ১০ হাজার টাকার টি-শার্ট নিয়ে আসি এবং জানতে পারি ওনার একটা মিনি গার্মেন্টস আছে। গিয়ে অবসর সময় বসে বসে মেশিন চালাইতে থাকি এবং ইন্টারনেটে বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলি তার মাঝ থেকে আ
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
May 1, 2019 · আজ মে দিবসেও প্রখর রোদে যে সব শ্রমিক ও রিকশাওায়ালা ভাই ও বোনরা রাস্তায় কাজ করছে তাঁদের জন্য "আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কাজের অংশ"। ধন্যবাদ Lokman Hossain ভাই যাকে আমি শ
অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা টিমের "ঈদ পূর্ণমিলনী ও মিটআপ" অনুষ্ঠান।
আমি SOD হয়েছি গল্পে গল্পে সেল পোষ্টের মাধ্যমে। SOD হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন শ্রদ্ধেয় Ismat Hasan ভাইয়া। অনুপ্রেরণা পেয়েছি Md Sohel Rana ভাইয়া এবং Md Mahbubur Rahman Bhuiyan ভাই
ধন্যবাদ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা টিমকে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর আসন্ন মহা সম্মেলনের প্রস্তুতি মিটআপ করার জন্যে ।
বোন বড় মাঝে দুই ভাই আমি সবচেয়ে ছোট ছিলাম। আমরা বড় হয়েছি জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা অত্যন্ত কড়া শাসনের ও আদর স্নেহ মধ্যে দিয়ে। আমি যখন খুবই ছোট আমার বড় ভাই মারা যায়। আমাদের পরিবার মোটা মুটি ভালোই
প্রিয় স্যার থেকে শিখছি কিভাবে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়,, আমরা সবাই সমান মানুষ সমান ক্ষমতার অধিকারী,, আমাদের দ্বারা জগতে সকল কঠিন কাজে সফল হওয়া সম্ভব যদি আমরা তা নিজে বিশ্বাস করি,,এই আত্মবিশ্ব
নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন NRB কাতার কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ ভ্রমণ গন্তব্যস্থল কাতার বাহারাইন এর সিমান্তবর্তী আল গেরিয়া বিচ
অনেক বড়ো একটা নেটওয়ার্ক পেয়েছি। *পেয়েছি ব্যাবসায়ের আইডিয়া। *উদ্দোক্তা হতে পেরেছি। *অনেক পরিচিতি বাড়াতে পেরেছি। *ভলান্টিয়ারিং করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। *কথা বলার জড়তা কাটাতে পেরেছি।
কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি প্রানপ্রিয় মেন্টর/ অভিভাবক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যিনি আমাদেরকে এত সুন্দর একটি ভালো মানুষের পরিবার উপহার দিয়েছেন
জয়পুরহাট জেলা মিটাপ ৩য় বার "নিজের বলার মত একটি গল্প" জয়পুরহাট জেলা
মাদারীপুর জেলা মেগা মীট আপ বড়ভাই Mahedi Hasan Shuvo জেলা এম্বাসাডর এর পক্ষ থেকে একরাশ ভালোবাসা উপহার পেলাম কৃতজ্ঞ প্রিয় স্যারের প্রতি
কিন্তু আমার মা বুঝাতে চাইতেন টাকা খরচ করতে হলে কষ্ট করে রোজগার করতে হয়। এমন কত দিন হয়েছে আমি সবজি নিয়ে বাজারে গিয়েছি কিন্তু একটা সবজি ও বিক্রি করতে পারি নাই,😍 তখন থেকে আমার বোধগম্য হয়েছে যে টাকা রোজগ
নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাঁদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
আলহামদুলিল্লাহ। আজ সকালে রক্ত দিলাম কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর নুরুন নবি রিয়াজ ভাইয়ের খালু জনাব ওবায়দুল আঙ্কেলকে।
ইনশাআল্লাহ একদিন সুদিন আসবেই! সেদিন চাঁদটাকে কিনে সিলিংয়ে ঝুলিয়ে দেব। চাঁদের আলোতে তোমার কাঁচা-পাকা চুল বিলি করে দেবো। দু হাতে তোমার গাল তালুবন্দী করে গান ধরবো....
যেদিন সৌদি আসার পূর্বে বেগ গুছাই। সাথে গল্পের বই এবং খাতা কলম সহ বেগ গুছিয়েছিলাম আমার বড় বোন আমাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি কি স্কুলে পড়তে যাবি। তখন আমার বোনকে বলেছিলাম দোলনা থেকে কবর পযর্ন্ত শিক্ষা
আমি খুব দ্রুত আসতেছি, তোমাদের বউমার সাথে বাড়িতে যাবেন।আজ আর লিখতে পারছিনা চোখ দিয়ে অজস্র্রে কান্না আসতেছে, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
আমি দিলনাহার পলি। আমার জন্ম নোয়াখালী এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী ।সাত ভাই বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট মেয়ে। সবার খুব আদরের। লেখাপড়া ,গান নাচ সবকিছু তেই পারদর্শী। আমার পিছ
করোনায় যখন সবকিছু আটকা লকডাউনে কেউ বেরোতে পারেনা, তখন আমার হ্যাজব্যান্ডের সার্জিক্যালের একটা বিজনেস ছিলো আমি সেটা দেখাশুনা করতাম, করতে করতে আমার ভিতরে সাহস আসতে শুরু করলো, আমার হ্যাজব্যান্ড আইডিয়া
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে তাই এ দিনটি ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পরাজিত হয়।
আমরা নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানার কয়েকজন মিলে অবশেষে চুক্তিতে আবদ্ধ হলাম। এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানী থেকে নিজেদের পার্টনারশীপ ফার্ম নিবন্ধন করে নিলাম। স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক পার্টনারশীপ ডিড নিবন্ধন ক
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
আমরা পেইজে প্রচার চালাতে থাকি। ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট করি।কিন্তু এক্টিভিটি কম থাকায় পোস্ট তেমন রিচ হয় না।তাই সেল ও তেমন আসে না।আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল, না দেখে প্রোডাক্ট নেওয়ার কারণে প্রোডাক্টের মান
আমি কিছু জায়গা কিনেছি । আপনাদের দোয়ায়। সেখানে খামার করার ইচ্ছা। আগামী পাঁচ বছরে যেন কমপক্ষে অন্তত দশজন লোকের কাজের ব্যাবস্থা করতে পারি।
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
ঘরের পিচনে একটা পুকুর থাকবে, যার মাঝে একটা সিড়ি দিয়ে মাঝে বসার ব্যবস্থা থাকবে। এই স্বপ্ন টা বাস্তব রূপ দিতে চাই সম্পূর্ণ নিজের ইনকামের টাকায়।
নিয়মিত গ্রুপে আমার পোস্ট দেখে। আপু নিজের জন্য এবং তার দুই বোনের জন্য একটু গর্জিয়াস গহনা নিবে সেজন্য আমাকে নক করা।আপু গহনা গুলো কি কি কালারে হবে সেগুলো বললো।আমিও সুন্দর করে নোট করে নিলাম। এরপর চমৎকার
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। অসাধা
পার্টনার হওয়ার জন্য একজন অন্যজনকে ভালো ভাবে বুঝতে এবং জানতে হবে। সর্বোপরি প্রতিষ্টানের নামে একটা জয়েন একাউন্ট থাকতে হবে। যেন ব্যাবসার মধ্যে একজন আরেকজনের টাকা মেরে না দিতে পারে। প্রত্যেকটা সেশন থেকে
কালো হওয়া যেনো নিজের হাতে ছিলো। জীবনে কিশোরীর এক আবহ এলো পৃথিবীর সৌন্দর্য চোখে অন্যরকম ভাবে ধরা দিতে লাগলো।কিন্তু কালো হওয়া যে একটা অভিশাপ। ভালোলাগা জীবনে প্রথম প্রেম তবু ভয় কালো নারীর প্রেম হয়না
৯৫০ তম দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে গুলশান জোনের পক্ষ থেকে গুলশান জোনের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চমৎকারভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে
নাগরিক টিভি শো Live with a Purpose এ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প এর সামাজিক কাজ।। প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার এর কথামত ১.একটি কাজ( ফলজ গাছ লাগানো) আজ শেষ করলাম।। ২.পরের কাজ গুলোও শেষ করবো ইনশাআল্লাহ।। সব কিছুই সম্ভব ইকবাল বাহার স্যারের জন্
নতুন করে কিছু শুরু করার সাহস পাই। এবং যে রকম যুদ্ধ বা সংগ্রামই আসুক না কেন, জীবনে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হয়।
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর টিকেট বিতরণ উৎসব উদযাপন ও মহাসম্মেলন উপলক্ষে অফলাইন মিট আপ সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
তাই আজও সফল কিছু শব্দের মিশ্রনে আরো কয়েক ধাপ নিজেকে এগিয়ে নিলাম!!! আবার পড়ুন আমার জীবন গল্প! কি দিয়েছে আমাকে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন -----
এখন আমি কথা বলতে পারি আমার ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনাকে কে জাগিয়ে তুলতে পেরেছি