মনি করি, গ্রুপ সংখ্যা J, A, K আজ J তে একটা পোস্ট দেখে ঝাপিয়ে পড়লাম সারাদিন সে পোস্টের লাইক কমেন্ট এ সময় দিলাম, রেজাল্ট আউট হওয়ার আগেই গ্রুপ A তে একটা দারুন তথ্য বহুল পোস্ট পেলাম আবার A তে ঝাপিয়ে পরলাম
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পরিকল্পনার অংশ হিসাব ২য় ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প সম্পন্ন হলো।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের বরিশাল জেলার অফলাইন মিটআপ সকলের উপস্থিতিতে খুব সুন্দরভাবে ও সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে,,
বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিল ঐক্য ও ভালবাসার সেতু বন্ধন। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর "নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"।
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় মিরপুর জোন এর পক্ষ থেকে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার হয় অাজ। সকল কে বিজয় দিবস এর শুভেচ্ছা। ম
নমস্কার - আদাব 🙏🙏 প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, ✍️ ঈশ্বরের নামে শুরু করছি,এবং সকলে মোঙ্গল কামনা অর্থে প্রর্থনা করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি। যার প্রচেষ্টা
তখন মাথায় চিন্তা আসল বাসার বাইরে আসলাম পড়াশোনার জন্য কিন্তু ২ বছড়ে কি করলাম কি রেজাল্ট তুলে দিব ফ্যামেলির হাতে। চিন্তা করে আর লাভ হল না, সময় তখন শেষ এসে গেল পরীক্ষা কিন্তু পরীক্ষা এত ভাল হল যা কোনদি
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প এর সামাজিক কাজ।। প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার এর কথামত ১.একটি কাজ( ফলজ গাছ লাগানো) আজ শেষ করলাম।। ২.পরের কাজ গুলোও শেষ করবো ইনশাআল্লাহ।। সব কিছুই সম্ভব ইকবাল বাহার স্যারের জন্
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক
ভালোবাসা.... আসলে ভালোবাসটা কি?দেখতে কেমন?কি তার আকার?কি তার রং?কি তার ঘ্রাণ??আসলে ভালোবাসা, মমতা অনুভব্য বিষয়। যখন যে পাত্রে যেভাবে রাখা হয় ঠিক সে পাত্রের রংই ধারন করে।ভালোবাসা, মমতা সময় নিয়ে ধৈর্য্
রেকর্ড সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সম্পূর্ণ ফ্রী ভালো মানুষী চর্চা ও উদ্বোক্তা তৈরির অনলাইন কর্মশালার টানা ১০০০ তম দিন উদযাপন হবে ইনশাআল্লাহ আজ থেকে।। প্রিয় ফাউন্ডেশনের
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
আমি এখন অনেক সপ্ন দেখি, এই গ্রুপে যুক্ত হবার পর স্যারের প্রত্যেকটা সেশান আর স্যারের প্রত্যেকটা দিক নির্দেশনা আজ আমাকে আরো সাফ্যলের সিঁড়ি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । আমার
ময়মনসিংহ জেলার সকল দায়িত্বশীল এবং সম্মানিত আজীবন মেম্বারদের মিট আপে উপস্থিত হয়ে মিট আপ সফল করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
আজ ১৬ জুন শুক্রবার অনুষ্টিত হলো আদর্শ ফেনী জেলার নারী টিমের প্রথম মিটআপ। শুকরিয়া মহান আল্লাহর দরবারে সফল ও স্বার্থক মিটআপের জন্য।
সন্ধান করি নিজ জেলার মানুষদেরকে।অনেক খোঁজার পর পরিচিত হই মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা অ্যাম্বাসেডর সুমন আহমেদ হৃদয় ভাইয়ের সাথে।শুরুর সম্পর্ক্টা মনে হয়নি নতুন।ভাইয়া অনেক সাহায্য করেন আমাকে।সব কিছু বুঝিয়ে দেন
আমার উদ্যোক্তা জীবন শুরুই হয়েছে প্লাটফর্ম থেকে।আমার প্রায় ৮০%সেল হয় নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে।
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে
আমি নরসিংদীর মেয়ে হওয়ার কারণে বিখ্যাত নকশী পিঠা নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এরসাথে কাপড়ের সেক্টর যুক্ত করি।
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।ইচ্ছা হচ্ছিল বলতে আপনার মেয়েকে তো বলতে পারেন কাজে আমাকে একটু সাহায্য করতে।সব কাজ কী এখন আমি একা করতে পারবো!! কী হলো যাও রান্নাঘরে।আর শোন
আলহামদুলিল্লাহ, সুবিধা বঞ্চিতদের একদিনের ইফতার আয়োজন ধারাবাহিকতায় ফেনী জেলা সদরের আজকের ইফতার মাহফিল।
জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সাথে কমিটমেন্ট।
সময় ২০১৫ রমজান মাস আমি জব করছি তখনো, বেতন ছিল খুবই কম। সামনে ছিল ঈদ, মনের মধ্যে একটা বিষন্নতা এই বেতন দিয়ে কি হবে, কিভাবে বাড়ি যাবো, কিভাবে ঈদের কেনাকাটা ইত্যাদি🤔 যাহোক 2য় রমজান ইফতারের পরে বের হলা
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আতিকুল ইসলাম। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলেরর প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার,
অধিকাংশ হিফজখানা ও এতিমখানা রমজানে অধিক দান সাহায্য পেয়ে থাকে। এসব আয় দিয়েই মূলত হিফজখানা ও এতিমখানা চলে। চলতি বছর রমজানে এতিমদের এসব আশ্রয় চালু নেই বললেই
একজন বিক্রেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ক্রেতার কাছ থেকে ভাল রিভিউ পাওয়া। আর স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পুরা হাইজিন মেইন টেইন করে একদম ফ্রেশ সেমাই ক্রেতার হাতে তুলে দেয়াই আমার মেইন লক্ষ্য।
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
আমি তনু। মুসলীম পরিবারে জন্ম আমার।একদম অজপাড়া গাঁয়ের মেয়ে আমি। প্রত্যন্ত অঞ্চল যেখানে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম বিদ্যুৎতের দেখা মিলে।হারিকেন জ্বালিয়ে লেখাপড়া করতাম। লেখাপড়া হাতে গুনা দুই একটা.....
টাংগাইল জেলার ভিবিন্ন উপজেলা থেকে আগত সম্মানিত সদস্য সবাইকে উপস্থিত থেকে মিটআপ সফল করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ......
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে। যিনি এত সুন্দর একটা পরিবার উপহার দিয়েছেন।
করতে চান আলোকিত মানুষ হয়ে হাজারো মানুষের আইডল হতে চান, তৈরি করতে চান একটা স্বপ্নের পরিবার। বিশ্বাস করুন আপনি ও হবেন আইডল, আপনার ও থাকবে একটা স্বপ্নের বাড়ি। কারন একটাই, আপনারা আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্
আমাদের নতুন বিবাহিত সুপার একটিভ জেলা প্রতিনিধি Mohammad Kawser Ali ভাই ও Alamin Hossain ভাই এবং নতুন ভাবীদের বরণ করে নিয়েছি আমরা রাজশাহী জেলা টিম।
"হালাল ব্যবসায় যতই ছোট হোক কোনো লজ্জা নয়৷ হারাম ব্যবসা যতই বড হোক সেটি লজ্জার বিষয়৷" আমরা জানি অধিকাংশ নবী রাসুলগন ছাগল ছরিয়েছেন এক কথায় রাখাল ছিলেন৷নবুওয়াত প্রাপ্তীর পূর্বে দীর্ঘ সময় এ কাজে উনাদের সম
সেই ধারাবাহিকতায় ০৩-১২-২০২১ইং রোজ শুক্রবার তারুন্যের মানিকগঞ্জ জেলা টিমের ৮ম অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পূর্ণ হয়ে গেল। মাঝখানে কোরনা কালীন সময়ে স্যার এর দিকনির্দেশনা নিয়ে অনলাইন কার্যক্রম গুলো চলমান ছিল এ
শুরু আমার প্রবাস জীবন, প্রবাসী জীবন কত সুখ কত কষ্ট এখন দেখা হবে নিজ চোখে। কথা আছে যে যেই জিনিস খায় না সে কি বুঝতে পারে কি তার মজা।যতই অনুভব করেন না কেনো। অামি আর আমি নাই কি আর করবো ভাইয়ার মতো আমার
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
আমার জীবনে আমি অনেক খারাপ সময় পার করেছি।অনেক কষ্ট সহ্য করেছি।যাকে আমার পাশে পাওয়ার কথা ছিলো তাকে পাইনি।তবে আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ পাশে পেয়েছি যারা আমাকে আমার জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য
একটা সময় ডিপ্রেশনে কারো কথা ভাল লাগত না। খাবার ভালো লাগতো না। ঘুম ভাল লাগত না। শুধু অন্ধকার ভালো লাগতো। একাকীত্ব ভালো লাগতো। কিন্তু এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হবার পর নিজেকে এতটা পরিবর্তন করে গড়ে তুল
লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ লিজেন্ড ধানমন্ডি জোনের অফ লাইন মিট আপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩০/১২/২২ স্থান ছিল রবীন্দ্র সরবরে আজ বিকাল ৩.৩০ মিনিটে। ধানমন্ডি জোনের দায়িত্বশীলগণ ও সকল আজীবন সদস