আজ ২২/১০/২০২১ ইং রোজ শুক্রবার রোজ শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত
6 টি লাশের কবর খোঁড়া হয়। গোটা এলাকা নিস্তব্ধ। যেভাবে পারে আপ্রাণ চেষ্টা করে।একদিনের মধ্যে ছয় লাখ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে ওদের কাছে দিয়েছে।
শুরু হলো আমার সংগ্রাম জীবনের পথ চলা। কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে শেষে আল্লাহর অশেষ রহমতে ভর্তির সুযোগ পেলাম মেধা তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত তেজগাঁও কলেজ এ হিসাববিজ্ঞান বি
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
২৮/১০/২০০৫ সাল রোজ শুক্রবার, আমার জীবনের স্বরনীয় দিন,যেদিন প্রথম প্রবাসের জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিলাম। বাবা-মা আত্নীয় স্বজন থেকে বিদায় নিয়ে (সকাল ৮:৩০ মিনিটে) আকাশে উড়াল দিয়েছিলাম। ঠিক সেদিন থেকে মনে
মাদারীপুর জেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে অসহায় মানুষের মাঝে এক বেলা খাবার তুলে দিলাম
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
🤲আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ🤲 🧕 শুরু করছি পরম করুনাময় মহান রাব্বুল আলামিনের নামে , শুকরিয়া আদায় করি সেই মহান রাব্বুল আলামীনের যিনি আমাদের কে সৃষ্টি করেছে ,আর প্রতিনিয়ত আমাদের এই মহামার
এই সব চিন্তা করতে করতেই সময় পার করে দিতাম.. গ্রুপে তখন নতুন থাকায় তেমন কিছুই বুঝতাম না, মাথার মধ্যে সব সময় কাজ করতো কিভাবে বেশি বেশি লিখার অভ্যাস করা যায়, এটা চিন্তা ভাবনা করতে করতেই আস্তে আস্তে পোস্
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন গাইবান্ধা জেলার ঈদ পূর্ণ মিলোনি ও নবীন উপজেলা এম্বাসেডর বরন উপলক্ষে
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
সবাই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন এই আশা আমাদের কাম্য ধন্যবাদ
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
মোটামুটি ১৪ দীন একটানা আমার মায়ের সাথে মক্কা হারাম শরিফ উমরা তওয়াফ ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেয়ারা ও মদীনা মসজীদে নববী রাসুল (সাঃ) এর রওজা মোবাকর ও রাসুল (সাঃ)এবং আবু বকর ওমর ইবেন খাত্তাব (রাঃ) ও ওহুদ
উক্ত মিটআপে অংশগ্রহণ করেন জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এপি এম মুজাম্মেল, তাছাড়া ইটনা উপজেলা এম্বাসাডর নাজমুল করিম মুনির ও ও মিঠামইন উপজেলা এম্বাসাডর মোল্লা আল মামুন সহ তিন উপজেলা সকল দায়িত্বশীল ও
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
জীবনের গল্প লিখা মানে জীবনের অতীতকে নতুন করে আর একবার মনে করা।কিছু খারাপ স্মৃতি কিছু ভালো স্মৃতি সব মিলিয়ে অন্য রকম অনুভূতি। যা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।জীবনের গল্প কখনও লিখে শেষ করা যায় না।
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
জীবন মানেই আমি মনে করি লড়াই বা প্রতিযোগীয় টিকে থাকা, এই গ্রুপে এড হয়ে যেটা আমি হেটে হেটে কিংবা সিড়ি দিয়ে আগাইতাম সেটা এখন স্যারের সেশান গুলোর কারনে লিফটে করে আগাইবো ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাসী আমি সাহস
এখন আমার মনের মধ্যে এই বিশ্বাস দানা বেঁধেছে আমি পারবো, চাকুরী করবো না চাকুরী দিব ইনশাল্লাহ, সকলের কাছে দোয়া প্রার্থি।
স্যার এর সন্ধান পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমার আর অন্য কোন মটিভিশনাল ভিডিও দেখার দরকার হয়নি। স্যার আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন এক জাদুর ঝুরি যেখানে আপনি যা চান তাই পাবেন। কি নেই এই জাদুর ঝুরি, নিজের বলা
বড় আর ছোটোর গোলকধাঁয় বাবা মায়ের স্নেহ ভালোবাসার আড়ালে পড়ে রয় তাদের মেজ সন্তান। শান্তর জীবনেও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি,শান্ত পরিবারের মেজ সন্তান আমার লেখা শান্ত কে নিয়ে। অত্যান্ত ডানপিঠে শান্তর চঞ্চলতায়
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন থেকে শিখেছি অনেক কিছু পেয়েছি অনেক ভালোবাসা। এই প্রাণের প্লাটফর্মে নিজের সর্বস্ব দিয়ে আরো শিখতে চাই নিজেকে এবং আমার চারপাশের মানুষদের ভালোবেসে এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর।
আমার বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা এবং বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সমগ্র বিশ্বে আমার উদ্যোগ পৌছিয়ে দেয়া। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ۔তাই নিশ্চয় বুজতে পারছেন ۔যে সমস্যা তো লেগেই থাকতো কারণ নাম দিয়ে তো আর সংসার চলেনা ۔তখন পাচঁ ভাই ও বোন সব মিলিয়ে আমরা ছয়জন সবাই পড়া লিখা করতেছি ۔সম্পদ বলতে আমাদের কিছু ধা
আমি নিজে ঘর সাজানোর জন্য হরেক ডিজাইনের জিনিস তৈরী করি আমার বাসায় আমার হাজবেন্ডের কলিক আমার হাতের কাজের জিনিস দেখে আমাকে উৎসাহিত করে
২য় ধফায় বরগুনা জেলার আমতলীতে হেফজখানার ৪০০ ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করে।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌর সভা মেয়র মহাদ্বয়। 📣📣 ২০২০ সালে করোনা কালীন শুরুর দিকে পটুয়াখালী জেলার সদরে বেমাগ
সফল ভালে শেষ হলো উত্তরা জোনে উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিটআপ। ৩০ জন উদ্দোক্তা ভাই বোনদের পণ্য প্রদশর্নের ব্যবস্থা করে আজকের উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিট আপ আয়োজন ছিলো।
আমার ছোট ভাই আজ একটা ট্রেনিং এর জন্য বাসাসা থেকে ওর মাদ্রাসায় গেছেন। আব্বু সাথে গেছেন, তারপর ছোট ভাইটিকে রেখে বাসায় চলে আসছেন। এসে বলছেন আমার ছেলেটিকে রেখে এসেছি ওই কি খাচ্ছে না খাচ্ছে সেটা নিয়ে ...
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনে ব্যানারের, অসহায় দরিদ্র ও মাদ্রাসার এতিম খানায় শীতবস্ত্র বিতরণ আয়োজনে রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা
মহাসম্মেলন আগের তিনদিন শুরু হলো, সারা দেশে অনেক বৃষ্টি এবং সাথে শীততো আছে। এ যেনো পরিস্থিতি প্রতিকূলে চলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সম্মেলনে যাওয়া হবে না। কিন্তু আমি যে কাতার টিমকে কথা দিয়ে আসলাম, সম্মেলনে যা
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, “৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আ
আলহামদুলিল্লাহ্। শ্রদ্ধেয় প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের হাতে শুভ উদ্ভোধন এর মাধ্যমে শুরু হলো Entrepreneurship নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন- উদ্দ্যোক্তা তৈরী কেন্দ্র এর ঢাকা জে
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
চলে এসেছি মূল মেলা প্রাঙ্গনে।চারদিকে মিস্টি গন্ধে মৌ মৌ করছে যা আপনি স্বশরিরে উপস্থিত না হলে বুঝতেই পারবেন না।চারদিকে শুধু পিঠার স্টল আর কাস্টমারের ভিড় লেগেই আছে প্রতিটি স্টলে।সকলেই বেশ মজা ও আয়েস কর
আমরা দেশ থেকে মনে করি কী প্রবাস কত যে আনন্দময়। কত যে টাকা আছে, আসলে প্রবাসে যারা আসে তারই বুঝতে পারে প্রবাসীদের কত কষ্ট। কত মেহনত করে অর্থ উপার্জন করতে হয়। সেই সময়ে এখান কার তাপমাত্রা ও ছিল পরিমাণের
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
অভাবের তারনায় ভালোবাসা যেন জানালা দিয়ে পালিয়ে না যায়। করুণা বা দয়া নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই না। চাই সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে। নতুন নতুন স্বপ্নগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না। আমি কাজ পাগল মানুষ। আমাকে কিছু করতেই
টানা ২০০০তম দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকার ভাবে এই দিন টি উদযাপন করেন।
আমার প্রবল ইচ্ছা মানসিক শক্তি এবং এবং আমার লেখাপড়ার যে যোগ্যতা আছে, তাতে আমি অনেক হ্যাপি, আমি নারী, আমি আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করি, আমার আছে ভালোমানুষির চর্চা, পজিটিভিটি, বিনয়, এবং পরিশ্রম করে, নিজেকে
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
আমি গর্বিত আমি নারী, আমার মহিমায় ছুটে চলে বলি - "আমরা নারী, এগিয়ে যেতে আমরাই পারি", সততার আহ্বানে সফলতাকে নিমন্ত্রণ পত্র পাঠাতে পারি, সময় আজ আমাদের, তাই জয় আমাদের সুনিশ্চিত। বিশ্ব অবাক হয়ে দেখবে বঙ্গল
এর পরে চাকুরি টা ছেরে বেকার হয় পরি৷ তখন আবার পরিবার থেকে পকেট খরচ নিয়ে চলতে হয় তখন নিজে চাহিদা মতো খরচ করতে পারি না৷ তখন নানা ধরনের নেগেটিভ চিন্তা আসে কি আর করার এ রকম করতে করতে আরো একটা বছর অতিবাহিত
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর আমার বাবার ঐখানে আমার চাকরি হয়ে যায়। যার সুবাদে আমি আমার বউ কাজের এখানে চলে যায়।অল্প টাকা বেতনে কাজ করি কিছুদিন আমি ভাবতে থাকি এভাবে কি করে জীবন চলবে।এর কারণে আমি আমার বউয়
মানুষের মধ্যে সেই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ, যে অন্য মানুষকে সাহায্য, সহযোগিতা করে থাকে।
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক