নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আমার যুক্ত হওয়া এবং সকলের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা উৎসাহ দেখে আমি মুগ্ধ। প্রতিদিন এক থেকে দেড় ঘন্টা সেশন চর্চা ক্লাস শুরু করার পর, নিজের ভিতর একটি আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের লক্ষীপুর জেলার সকল সদস্যদের এক্টিভিটি ও নতুন সদস্যদের সক্রিয় করার লক্ষে,উদ্যেক্তাদের উদ্ভুদ্ধ করতে এবং ৩য় মহা সম্মেলনকে সফল করতে লক্ষীপুর জেলার এম্ভাসেডর Rezon Hos
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, মানবিক সংগঠন "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর, হবিগঞ্জ জেলা কৃর্তিক আয়োজিত মাসিক মিট আপ।
মনে ভয় কিন্তু তা দমিয়ে দেয়া হয়!! এই টাইপ মেডিসিন হল নিচের এই মায়াবতী গহনা 💙এক ভাইয়ার কাস্টমাইজড অর্ডার। তারা স্বামী-স্ত্রীর ম্যাচিং শাড়ি-পাঞ্জাবীর সাথে💙💙।। কাপল ভাইয়া আপুরাও ম্যাচিং করে নিতে পারবেন
কিছুদিন পর তুষ্টি প্রডাক্ট গুলো হাতে পেয়ে খুবই খুশি কেননা পেইজে যেমনটা বলেছেন কাজেও তেমনটি পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। তুষ্টি এইবার পেইজে নক দিয়ে আপুকে ধন্যবাদ জানালেন সাথে এইটআ বললেন বিয়ের সব কেনাকাটা জা
✅✅ আমাদের প্লাটফর্মের সম্পর্কে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন। আমি প্রথমে আমাদের সকলের মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার স্যারকে জানাই আমার অন্তর থেকে হাজার কোটি সালাম এবং আমার অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা।
আজ থেকে প্রায় ২ বছর আগেও আমি উদ্যোক্তা, স্টার্ট-আপ এই শব্দগুলোর সাথে পরিচিত ছিলাম না। ৮/১০ জনের মত গতানুগতিক পড়াশোনা করা এবং দিন শেষে একটা ভাল চাকুরী জোগাড় করাই ছিলো জীবনের একমাত্র এবং মূল লক্ষ্য। সেজ
গত ২৫/১২/২০২০ ইং রোজ শুক্রবার আবারও অসাধারণ মনোমুগ্ধকর কোনাবাড়ী মেট্রো স্কুল এন্ড কলেজের চমৎকার মিলনায়তনে নিজের বলার মতন একটি গল্প ফাউন্ডেশনের অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা নবম ও ২০২০ ইং সালের শেষ মি
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
নতুন করে কিছু শুরু করার সাহস পাই। এবং যে রকম যুদ্ধ বা সংগ্রামই আসুক না কেন, জীবনে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হয়।
বড় হচ্ছি জীবন নিয়ে ভাবা শুরু,,কি করবো কিছুই ভেবে পাইনা,, মাথায় বিদেশ যাবার প্লানিং আসলো,,বিদেশ যাবো লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবো ভাবতেই খুশিতে লাল আমি। 👎আমি ছোট বেলা থেকেই একটু গাঢ় তেরা বালক ছিলাম,,এটা
এর ব্যতিক্রম ছিল না মিথুন ভাই এর ক্ষেত্রে ও, তবে প্রিয় গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর থেকে তার মাথায় একটাই শব্দ শুনতে পাই আমাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হবে। একজন ভাল মানুষ হওয়া লাগবে। একজন পজিটিভ মানুষ হওয়া
আগে পরের বিক্রি হোক বা না হোক। অফার চললে বিক্রি হুরহুর করেই বাড়ে। জ্বী ডেলিভারি চার্জের কারনে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে চায় না। আমার নোয়াখালী কাস্টমার ছিলো। কাস্টমারদের একটাই আবদার হাতে হাতে
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসা চোখের পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম কিছুক্ষন। তারপর ভাবলাম কি করবো, ছেলের উপবৃত্তির সামান্য কয়টা যদি নেই, তাহলে ওর কাছে স্বার্থপর হয়ে যাবো নাতো? কেউ জানলেই বা কি বলবে যে এ
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
প্রিয় একজন বোন মাইমুনা। সে বোনটি ১৫ তম ব্যাচের একেবারে নতুন সদস্য কিন্তু বোনটি অফ লাইনে বিজনেস করতেছে অনেক দিন আগে থেকে। প্লাটর্ফমে নতুন হওয়া কাউকে বিশ্বাস করবে বুজতে পারছেনা তাই চিন্তিত মনে খুজতে থ
আল্লাহ তা'আলা সাহায্য কিভাবে আসে, তা আমি নিজ চোখে না দেখলে, কখনো বিশ্বাস করতাম
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
হাটছি সেই স্বপ্ন পুরনের লক্ষে।শুরু করছি কিছু কাজ সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। আমি যেন আমার সপ্ন পুরন করতে পারি।
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
এর মাঝে আমাদের এক মাত্র কাকা ও ক্যান্সারে মরা যায়।আব্বু নানা চেষ্টা করে পারেনি তাকে বাঁচাতে। এখন তাদের পরিবার ও আমাদের আর একটা পরিবার হলো।সবাইকে নিয়ে আজও যুদ্ধ করে যাচ্ছি আমরা সবাই।
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্বরেকর্ড উদযাপন। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, এতো সুন
গত বছর কোরবানি ঈদের দুদিন পরে দেবর শ্বাশুড়ি ননদ এরা সবাই মিলে আমার সাথে যে আচরণ করছে তা আপনাদের বুঝানোর মতো আমার ভাষা নেই। তারপর আমার স্বামী শুনতে পায় এবং সে আমাকে কয়েক কিলোমিটার দূরে একটি জায়গায় আ
আমাদের প্রত্যেকের জীবনের একটা গল্প আছে। অতীতে ফিরে গিয়ে গল্পের শুরুটা কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা গল্পের শেষটা চাইলেই নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারি।জীবনের বাস্তবতা ব
টাংগাইল জেলার ভিবিন্ন উপজেলা থেকে আগত সম্মানিত সদস্য সবাইকে উপস্থিত থেকে মিটআপ সফল করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ......
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
মামা পরামর্শ দিলেন তাহলে ছোট একটি দোকান দিয়ে কম্পিউটারের কাজ শুরু করতে পারেন। মামা কথা শুনতে শুনতে ফেসবুক ইউজ করতে থাকি এমতাবস্থায় খুব কাছের একজন ভাই নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর লিঙ্ক পাঠালেন। স
আজকে আমি আমার একটা পরিচয় করতে পেরেছি।। আজকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছি নিজে পরিশ্রম করে উপার্জন করতে পারছি।।। 2007 সাল থেকে সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতার জীবন পার করছি।।
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের দায়িত্ব নিয়ে পটুয়াখালী জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে #পটুয়াখালী_বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্
দেশের বাহিরে কিছু উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা আছে। আমি আরও কিছু দিন শিখব। আমিও তৈরি করব নিজের বলার মতো একটা গল্প ইনশাআল্লাহ। যেই গল্প সফল হয়ে অন্য দশজনের মত আমিও বলব ইউটিভি লাইভের স্বপ্নের মঞ্চে।
কিছু কিছু কষ্টের কথা কখনও বলা যায় না, আবার সয্যও করা যায় না ____আর তা হলো মধ্যবিত্ত জীবন যাপন। কোন কষ্ট থাকলে কাউকে বলা যায় না। যদিও কখনো সমস্যার মধ্যে পড়ে যায় তাও কারো কাছে বলা যায়না ,শেয়ার করা
আমি তখন নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দ্বাদশের ছাত্রী। প্রতিদিন ৭/৮ কি.মি রাস্তা কখনও পায়ে হেঁটে, ২টা নদী পাড় হয়ে, রিক্সা কিংবা বেবীতে (সিএনজি-এর পুরাতন ভার্সন) তারপর আবার রিক্সা করে কলেজে আসা যাওয়া
#সিদ্ধান্তসমূহঃ ১। সম্মেলন সফল করা। ২। শীত বস্ত্র বিতরণ। ৩। ব্লাড গ্রুপিং করা আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে। ৪। প্রতি থানা জানুয়ারি থেকে Meet up করা ৫। কলেজগুলোতে আমাদের কর্মশালা করা ৬। আমদের গ্রুপ থেকে প
আমি স্যারের কথা মত নিয়ম করে প্রতিদিন মিনিমাম ৪-৫ ঘণ্টা সময় গ্রুপে দিই, দৈনিক পোস্ট করার চেষ্টা করি ৩-৪ টা, সবার পোস্টে কমেন্ট করার চেষ্টা করি,এবং কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করি নিয়মিত প্রিয় স্য
এই প্লাটফর্ম নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা - এই প্লাটফর্ম থেকে আমার প্রত্যাশা আলাদা করে আর কি বলবো। এমনিতেই মনে হচ্ছে যা না তার চেয়েও বেশি সম্মান পাচ্ছি সারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ এর বাইরে অবস্থান করছে অনেক অ
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
"ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল" এই বিভাগটি নিয়ে যেখানে হয়ে গেলো নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় উদ্যোগতা সম্মেলন ২০২০। উচ্ছ্বাস, অানন্দ, অাবেগ, ভালবাসার সংমিশ্রণে হৈ হোল্লোরে, নদী পথে সুন্
আমি আমার এই ছোট জীবনে দেখেছি,চোখের পলকে মানুষের সাজানে গোছানো সংসার, ঝড়ো দমকা হাওয়াই তছনছ হয়ে যায়,নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষ। তখন চারদিকে শুধু হা হুতাশ থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবন চলতে গিয়ে শুধু
অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে মেগা মিটাপ করলাম গাজীপুর জেলা।
আমার পরিচয় এখন একজন ড্রাইভার..... কপাল কে মেনে নিয়ে পিছন ফিরে না তাকিয়ে,, কর্মকে ভালবেসে নতুন করে তৈরী করতে চেষ্টায় আছি যেনো একজন ভাল ড্রাইভার বলে আমাকে সবাই জানে.... এক বছর রেন্টেকার গাড়ি চালানোর প
ভালোবাসার টানার পাশে আনে 🥰 আমের জেলা,,, ধানের জেলা,,, প্রাণের নওগাঁ জেলা কৃতক আয়োজিত অফলাইন মিটআপ
-জামাই যেখানে পিটায় সে জায়গা বেহেস্তে যায়।এবার যত পার মার খাও।একটি ৮-১২ বছর বয়সি মেয়ে, যার তখন বয়স খেলনা পাতিলে বালি,মাটি নিয়ে ভাত রান্না করার,জংলী সাদা ফুল দিয়ে পায়েস রান্না করার,তখন তাকে জলন্ত চুলায়
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর ধানমণ্ডি জোন কতৃক আয়োজিত মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধের একটি মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে খারার ও শীতের কম্বল বিতরন করা হল।
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
এর পর থেকে শুরু হল আমার বেচেঁ থাকার লড়াই। ফিরে এসে শুরু করলাম একটা সিমেন্টের দোকানের ম্যানেজারি। সেখান থেকে মূলধন জোগার করে কিনেছিলাম একটা পুরোনো অটোরিক্সা দেড় বছর চালিয়ে বেশ ভালই ছিলাম মা-বাবার সাথে।
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই। এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করছি। ভাবছি নিজের একটা বিজনেস করবো। পাশাপাশি শেখাটা চালু রয়েছে। কারন স্যার একটি