আলু মুন্সীগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল। এ বছর ইতিমধ্যে কৃষকরা আলু উত্তোলন শুরু করেছে। উত্তরবঙ্গের শ্রমিকরা মুন্সীগঞ্জ জেলায় আসতে শুরু করেছেন। পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকেরা মুন্সীগঞ্জে আলু উত্তোল
একজন বিক্রেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ক্রেতার কাছ থেকে ভাল রিভিউ পাওয়া। আর স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পুরা হাইজিন মেইন টেইন করে একদম ফ্রেশ সেমাই ক্রেতার হাতে তুলে দেয়াই আমার মেইন লক্ষ্য।
ধীরে ধীরে বদলে যাই। করোনার থাবায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারাবার পরও স্যারের শিক্ষায় ভেঙ্গে পরিনি। দ্বিগুন উৎসাহে বাকী দুটোকে নিয়ে কাজ শুরু করি। চরম সময়েও পার্টনারশীপ সে দুটো প্রতিষ্ঠান সহ নিজের কর্
গত দুমাস ধরে সম্মেলন এর ব্যাপারে বেপক উৎসাহ আর উদ্দিপনায় আমার কুমিল্লার জেলার ভাইদের ও মতিঝিল টিমের ভাইদের সাথে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতেছিলাম। এবং ডিসেম্বর এর ১১ তারিখ কুমিল্লা মিটআপে সম্মেলন কি ভাবে
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
-------- পথ চলা -------- "" ছুটছি আমি থামায় কে"" সেই দুরন্তপনা দিয়ে কেড়েছি হাজারো মানুষের স্নেহ ও ভালোবাসা। সেলিব্রেটি বললেই ভালো হবে😜।অশ্লীল চলাফেরা দিয়ে নয়।বরং ভদ্রতা,নম্রতা, সারল্যতা, দুরন্তপনা দি
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন হয়ে নিজে কে একজন সফল উদ্যোক্ত হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করব,এবং সমাজে অসংখ্য শিক্ষিত যুবক আছে তাদের কে এই প্লাটফর্ম এর সদস্য হতে আহ্বান করব।সবাই কে নিয়ে এই প্লাটফর্ম মাধ্যমে
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
আমি🍃:আমি যেহেতু ভাইয়াকে বলেছিলাম 5 তাই ভিতর দিয়ে আসব.তাই টাকা বেশি গেলেও আমি কথা রাখার চেষ্টা করেছি.রোজা রেখে পায়ে হেঁটে রিক্সায় যা পেয়েছে তা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কমিটমেন্ট রক্ষা করার জন্য 5 টা
আমার বড় ছেলে ক্লাস সেভেন এ পড়ে তো ছেলের নতুন বয়স্ক স্যার প্রাইভেট পড়াই তবে স্যারের সাথে আমার তেমন কথা হয় না কারণ আমি মাঝে অনেক দিন অসুস্হ ছিলাম। আজ স্যারকে নাস্তা দিতে গেলে স্যার বলছে আপনি কি সুস্হ হয়
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ ১১ই মার্চ ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত "নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ এর নাটোর জেলার" একটি চমৎকার অফলাইন মাসিক মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অতন্দ্র গাজীপুরের মিটআপ
টানা ২০০০তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন অনুষ্ঠানে যারা যারা দূর দূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট করে উপস্থিত হয়েছেন আপনাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
একজন উদ্যোক্তার বিশেষ করে পুরুষ উদ্যোক্তার প্রতিটা দিনই অনেক রকম চ্যালেঞ্জের সঙ্গে পার করতে হয়, একজন পুরুষ বিজনেস করতে পারে সমাজের চোখে এটাই যেন অনেক বড় একটা অপরাধ, আশেপাশের মানুষগুলোর বাঁকা দৃষ্টি ব
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় গল্প করতাম আমি নিজে ব্যবসা করবো,আমি আমার টাকা দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবো।আপনারা সবাই আমাকে আর্শীবাদ করবেন আমি যেন আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পারি। মুলত সেখ
আজ পর্যন্ত এ রকম কোন ফাউন্ডেশন দেখি নাই।তখন থেকে প্রিয় পরিবারের একজন নিয়মিত সদস্য হলাম এবং প্রতিদিন স্যারের সেশনগুলো পড়তাম। সময় নিয়ে লেগে থাকা শুরু করলাম।
আমরা প্রবাসে বসে কয়েকজন বন্ধু মিলে গতকাল 40 টি পরিবারের কাছে ত্রাণ বিতরণ করেছি । আপনাদের দোয়ায় সম্পন্ন করেছি। তাদের কোনো সেলফি নেইনি কারণ লোক দেখানো মানবতার বহির্প্রকাশ নয়।
তুমি আমার মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগে। প্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে মায়েরা সন্তান বড় করে না। তবুও বারবার মনে পড়ছে তোমাকে কি যোগ্য মর্যাদা দিতে পারবো।সেই অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর
কিছু দিন পর মাথায় আসলো এমন কিছু করা দরকার যা আমার পড়ালেখার জন্য ভালো হয়। বসে বসে কিছু করার চিন্তা আসলো কারন ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে পড়ালেখা তেমন করা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিই একটা স্টুডিও টাইফের দো
উদ্যামি ঝালকাঠি জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রেকর্ড 2000 তম দিন উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।এভাবে গত কয়েকদিন ধরে চলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার জেলা চুয়াডাঙ্গার পাশে থাকার জন্য।
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
অফলাইন মিট আপ মানেই উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা। খুবই অল্প সময়ের নোটিশে উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
নিজের জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " আমার পরিবারের প্রিয় ভাই বোনদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার উদ্দেশ্যে 23 সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট করি। পোস্টটি "স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে" নি
দীর্ঘদিন পরে আজ হয়ে গেলো #খুলনা টীমের মিট আপ! পুরনো মানুষ গুলোর সাথে আজ অনেক নতুন মুখ ও ছিলো প্রোগ্রামে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ১০ম ব্যাচ, ১১ ব্যাচের অনেকেই শুধুমাত্র অনলাইনের মিট আপে এটেন্ড করতো, আজ
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন, এই দিনে ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমাদের এই সোনার বাংলা। এই দিনটির অপেক্ষায় আমরা লাখো কোটি জনতা, লাখো ফুল ও হাজার তোরা দিয়ে জানাই তাদের শুভেচ্ছা। ⛳এক সাগর রক্তের
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন
দেখতে দেখতে ৯০ টা দিন অর্থাৎ ৩ মাস চলে গেল আমাদের কর্মশালার। প্রতিদিন আমরা কানেক্টটেড ছিলাম - এটা কিন্তু একটা বিশাল অর্জন। এবং শেষ হল টানা ১০ টি ব্যাচের ৯৩১ দিন। টানা এই ৯০ দিনের লম্বা জার্নি আপনাদের
আসুন সবাই গাছ লাগাই। আর আমার গাছগুলোর জন্য দোয়া করবেন সবাই। ধন্যবাদ।
আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মিটআপ সফলতার সাথে শেষ করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। আমি সহ আরও তিন জন ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুধু পোগ্রামের জন্য গিয়েছিলাম। প্রবাসী সকল ভাইয়েরা অনেক বেশি সাপোর্ট
চাকরি না করে নিজে কিছু করব শুনে সবাই বলে এটা সম্ভব না। অনেক টাকার দরকার, আবার একা একটা মেয়ে করতে গেলে সমস্যা হবে ইত্যাদি। যখন স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম মনে মনে সাহস পেতাম। তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে
আজকের গল্পের প্রধান চরিত্র হচ্ছেঃআমি,মেহেদী ভাই ও তার স্ত্রী তাহমিনা আপু #আমরা যাকে ছিনি,তার থেকেই কিনিঃ যেহেতু লকডাউনে সব কিছু বন্ধ যার কারনে অনলাইনে হচ্ছে এখন বেচা-কেনার উপযুক্ত মাধ্যম। তাই বাসায়
আপনাদের ভালবাসা ও সহযোগিতায় আজ পর্যন্ত পথ চলা সম্ভব হয়েছে। সবার নিকট দোয়া চাই, ভলান্টিয়ারিং-দায়িত্ব পালনের সাথে একজন ভাল মানুষ ও সফল উদ্যোক্তা হতে পারি।
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
সময় ও পরিবেশ অনুযায়ী অঞ্চল ভেদে সেখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর গবেষণা করে ব্যবসা করতে পারলে ব্যাবসায়ের সফলতা নিশ্চিত
জীবনের গল্প লিখা মানে জীবনের অতীতকে নতুন করে আর একবার মনে করা।কিছু খারাপ স্মৃতি কিছু ভালো স্মৃতি সব মিলিয়ে অন্য রকম অনুভূতি। যা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।জীবনের গল্প কখনও লিখে শেষ করা যায় না।
হয়তো, আমাদের মত উনাদের কোন প্লাটফর্ম ছিল না। আমরা পেয়েছি একজন শ্রেষ্ঠ অবিভাবক #ইকবাল_বাহার_জাহিদ স্যার। যিনি প্রতিনিয়ত আমাদের কিছু না কিছু শিক্ষা দিয়ে থাকেন যা আমাদের মনযোগ দিয়ে ধারণ করতে হবে। এখন আ
জনাব Harun Rashid স্যারকে জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের পক্ষ থেকে প্রেরিত চিঠি পৌঁছে দিয়েছে দূরন্ত জামালপুর জেলা।
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিল তিল করে যে স্বপ্নের ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন,আজ আমরা সেই ফাউন্ডেশনের গর্বিত সদস্য,সেটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ।এই প্লাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ভালো মা
মাত্র ৫০০০ টাকা দিয়ে আমার উদ্যোগ " বেলতা অর্গানিক বিডি" এর পথচলা, যা এখন ১৫ লক্ষ টাকায় রুপান্তরিত হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার মাসিক সেল ৫ লক্ষ টাকা।
রাজবাড়ী জেলায় সম্পন্ন করলাম ত্রান বিতরনের কাজ কতিপয় সদস্য ভাই ও বোন মিলে,আপনারা যারা সহযোগিতায় ছিলেন তাদেরকে জানাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও গভীর ভালোবাসা।
মেসেঞ্জার এ হঠাৎ মেসেজ এল আপু আপনার কাছে কি ধরনের থ্রিপিস আছে? আমিঃ ভাইয়া,আমার কিছু সুতি কালেকশন আছে। ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি লোন,ডিজিটাল প্রিন্ট আর কিছু কাতান বেনারসি থ্রি পিস, জরজেট, কিছু নরমাল প্রি
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর প্রতি। যার মাধ্যমে আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি।
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
রাজবাড়ী জেলার কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সোহাগ ভাইয়ের ১০ তম রক্তদান ও আসন্ন মহা সম্মেলন ২০২২ টিকিট বিতরন।
This time the news of our Foundation Published to the English daily Newspaper "The Daily Observer". The daily English Newspaper "The Daily Observer " is our "Nijer bolar Moto Ekta Golpo Foundation" Co
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
ছোট থেকেই মানুষদের কোনও কষ্ট দেখলে আমার ভাল লাগতো না।সাধ্য মতো চেষ্টা করতাম মানুষদের উপকার করার।এ সময় জুটের এবং পুকুরে মাছের খামার করতাম।মাছের খামারে আমার তেমন লাভ হতো না কারন বেশির ভাগ মাছ যাদের কিনে
স্যারের আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত ভলান্টিয়ারিং সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো করে চলেছেন ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ প্রাণ ভলান্টিয়ারগণ।