আজ ছিল আমাদের প্রাণপ্রিয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ২৮ তম মিটআপ, বনভোজন এবং নৌকা ভ্রমণ। সকাল ১১ ঘটিকায় তিতাস নদীর বুক চীড়ে ভেসে উঠা চরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে শুরু হয় আমাদের মিটআপ। আজকের মিটআ
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
নামোশংরবাটি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করলাম। আপনাদের পরামর্শ,, আমাদের প্রচেষ্টা ইনশাআল্লাহ উদ্দ্যাক্তা ক্লাব গঠন করবো। কৃতজ্ঞতা প্
পার্টনার হওয়ার জন্য একজন অন্যজনকে ভালো ভাবে বুঝতে এবং জানতে হবে। সর্বোপরি প্রতিষ্টানের নামে একটা জয়েন একাউন্ট থাকতে হবে। যেন ব্যাবসার মধ্যে একজন আরেকজনের টাকা মেরে না দিতে পারে। প্রত্যেকটা সেশন থেকে
গত বছর কোরোনা কালীন অবস্হ আমরা যখন বাসায় বন্ধি চিলাম আমার দোকান বন্ধ লক ডাউন তখন সব সময় বাসায় থাকতাম। খাওয়া আর ঘুম এর বাহিরে কিছু চিলো না বা চিন্তা ও করতাম না কোনে কিছু। মোবাইল ও তেমন দেখতাম না মা
সম্পর্কে এমন একটা জিনিস আপনকে ও পর করে দেই টাকার জন্য আজ ভাইয়ে ভাইয়ে সুত্র । তাই আমরা কেউ টাকা দিয়া সম্পর্ক না করি সত পথে চলি সত উপাজন করি তাহলে আল্লাহ রহমতে আমরা ভালো বাবে চলতে পারবো সমাজে বুকফুলি কথ
পরিশেষে বলতে চাই আমার বাবা প্রথমে আমাকে না করছে পরে আমার মুখে গ্রুপের সব কথা শুনে দোয়া করে গেছে যেন আমি সফল হতে পারি।স্যারের জন্য দোয়া করেছে। আসলে আমি যদি না বুঝাতাম তাহলে আমার বাবাও নেগেটিভ থাকতো কি
আলহামদুলিল্লাহ সকল প্রবাসী ভাই এবং দেশীয় প্রিয় ভাইদের সার্বিক সহযোগিতায় অত্যন্ত সফলতার সহিত অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলার নবীন বরণ এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
আমি সকালে গল্প লিখা নিয়ে ব্যস্ত থাকি আমার মা তা খেয়াল করছে।আজ আমি সকালে ঘুমিয়ে গেছি।কিন্তু আমার মা ভুলে নাই।বার বার বলতেছে কিরে আজ না হাটবার তোর গল্প লিখবি কখন😁আমি তো অবাক আমার মাও বুজে🤔সব মা রা এমন
ছোট থেকেই আমি একটু উপার্জন মুখী ছিলাম তখন আমার বয়স ৭ কিবা ৮ বছর ক্লাস টু-তে পড়তাম পার্বত্য চট্টগ্রামে মানিকছড়ি রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়তাম,আমার বয়সের ছেলেরা যখন খেলা ধুলায় ব্যস্ত তখন
সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা ৪জানুয়ারির সম্মেলনের টিকেট হাতে পেয়ে অনেক আনন্দিত। ইনশ্আল্লাহ দেখা হবে ভালোমানুষের প্রিয় প্লাটফর্মের সকল সদস্যদের সাথে ভালোমানুষের মহামিলনে।
ছোট বেলার সময়টা মনে করে দেখেন তো তার সাথে কত জায়গায় ছুটাছুটি,সে বন্ধুটি ছাড়া আপনি যেন কোথাও অচল হয়ে পড়তেন। কিন্তু সময় সব বদলে দিলো,হারিয়ে দিল প্রিয় বন্ধুটিকেও কারন সময় বদলায়! এরকম ছোট এ জীবনে কত মানু
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
স্কুলের বদলে যেতে হয়েছে গারমেন্টসে। যখন আমার বয়স আনুমানিক 13 বছর তখন থেকে আমার গারমেন্টসে কর্ম জীবন শুরু প্রথম মাসের বেতন 850 টাকা দিয়ে জীবন যাত্রা শুরু করলাম। প্রথম দিন অন্যের জামা পরে
যারা বৃষ্টির কারণে যারা ফিজিক্যাল মিট ও ঈদ পুনর্মিলনীতে আসতে পারেন নাই তাদেরকেও স্মার্ট নীলফামারী জেলার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।
১)নতুন বিজনেস সেন্টার তৈরি করাঃ এটা হবে আমাদের প্রথম কাজ।যেহেতু আমরা কৃষি প্রধান দেশ,উদাহরণ হিসেবে কৃষি নিয়ে বলি। আপনি নিজে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন কৃষি পণ্য আপনার হাতে কিভাবে পৌঁছে। কৃষক~ব্যাপারী(এল
মাদারীপুর জেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে অসহায় মানুষের মাঝে এক বেলা খাবার তুলে দিলাম
২০১২ সালে আমাদের জীবনের একটা দুর্ঘটনায় আমি পটুয়াখালী তে চলে যাই এবং জীবনসংগ্রামে লড়াই করার জন্য হয়ে উঠি আসল উদ্যোক্তা।
এই রোদের মধ্যে না সকাল, না দুপুর, অনেক সময় পায়ে হেঁটে এক প্রজেক্ট থেকে আরেক প্রজেক্টে যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সহযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য যেতে হতো।
আলহামদুলিল্লাহ❤️ আলহামদুলিল্লাহ❤️ আলহামদুলিল্লাহ❤️ বিশ্ব রেকর্ড নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ২০০০ তম দিন উৎযাপন ও উদ্যোক্তা সম্মেলন জয়পুরহাট জেলা টিম কতৃক আয়োজিত প্রোগ্রাম সবার স্বতঃস্ফূর্ত স
আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের ঘোষণা অনুযায়ী গুলশান জোনের দায়িত্বশীলদের নিয়ে টিকিট সেলিং প্রোগ্রাম খুব সুন্দ
এতো গেল ফেনীরটিম এরা ছাড়াও পুরো পরিবারের অনেকে সাথে আমার বন্ধুত্ব কাকে ছেড়ে কার নাম লিখবো। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সবশেষে বলবো সবাই আপনারা ভালো কাজের চর্চা
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
আজকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ "নিজের বলার মতো একটা গল্প " গ্রুপের রাজশাহী জেলার মিট আপ এর কিছু ছবি মেহের নিগার আপু,সুজন ভাই, রাজ্জাক ভাই সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ধন্যবাদ সবাইকে ।
ওয়ারী_জোনের_সেশন_চর্চা_২০০_তম_দিন উপলক্ষে ঐতিহাসিক মেগা মিটআপ। অসাধারণ একটা মিটাপ উপহার দিয়েছেন আমাদের সকল সদস্যরা।
বিভিন্ন জেলা থেকে স্যারের ডাকে এসেছেন কাধে কাধ রেখে অংশ গ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর প্রাণপ্রিয় যোদ্ধারা।
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
ড্রাগন ফল। নামটার মধ্যেই কেমন বিদেশি গন্ধ। এত দিন চিন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামে রমরমা চাহিদা ছিল ড্রাগন ফলের। দেশ-কালের বেড়াজাল ভেঙে সেই ফল এখন চাষ হচ্ছে দুই বাংলার বেশ কিছু জায়গায়। খাদ্যগুণে
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।
🌷ধন্যবাদ জানাই জাতীয় পত্রিকা দৈনিক জনকণ্ঠকে। 🌷পর্যায়ক্রমে আমরা পৃথিবীর প্রতিটি কর্নারে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পৌছাবো ইনশাআল্লাহ। 🌷আসছে আগামী ৯ জানুয়ারি মহাসম্মেলন মিরপুর স্টেডিয়ামে -----আপনা
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
এর পর থেকে শুরু হল আমার বেচেঁ থাকার লড়াই। ফিরে এসে শুরু করলাম একটা সিমেন্টের দোকানের ম্যানেজারি। সেখান থেকে মূলধন জোগার করে কিনেছিলাম একটা পুরোনো অটোরিক্সা দেড় বছর চালিয়ে বেশ ভালই ছিলাম মা-বাবার সাথে।
কিন্তু কত দিন মনের মধ্যে এই হতাশাকে বাসা বাঁধতে দিবেন? আপনি কি জানেন আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন? আমাদেরকে মন থেকে হতাশা কে চিরদিনের জন্য দূর করতে হবে, হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো আমাদের নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর নাটোর জেলা টিম থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে,৫৫ টা দুস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।এভাবে গত কয়েকদিন ধরে চলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার জেলা চুয়াডাঙ্গার পাশে থাকার জন্য।
সর্বশেষ যশোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সকলের প্রিয় মেন্টর, ভালো মানুষ ও উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যার জন্য এমন মানবিক ও শিক্ষা মুলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করার
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
২য় বার যখন জ্ঞান ফিরে পাই তখন ইর্মাজেন্সিতে নাকে মুখে পাইপ অক্সিজেন হাত পা ব্রেডের সাথে বাধা পরে জানতে পারি বেচারা রিক্সাওলা সহ তিন জনই এ প্রথিবীতে নেই, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবো এমন বিশ্বাস ছিল
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
সফলভাবে শিবচর উপজেলা মীট আপ সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
আমার হেফজ শেষ এখন সামনে অনেক পড়া-লেখা আছে, ইচ্ছে ছিল বড় একটা মাদ্রাসায় পড়বো কিন্তু কে চালাবে এই পড়া- লিখার খরচ, এবং ছোট ভাই আর মাকে,মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো যাই হোক রিযিকের মালিক আল্লাহ, আমি ২০০৮
গোপালগঞ্জের নাজমুল শেখ ৭ তম রক্ত দন সম্পন্ন।
নিজের বলার মত গল্প গ্রুপ আমাকে এবং আমার স্বপ্ন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে, প্রিয় স্যারের প্রতিটি সেশন আমাকে চম্বুকের মতো আকর্ষিত করে বলেই আজ আমি আমার সমস্ত স্বপ্ন পুরন করতে সাহস পাই প্রতিনিয়ত,
আমার জীবন থেকে বিশেষ করে আমার পরিবার থেকে আমার শিক্ষা অহংকার যারা করবে তাদের পতন অবশ্যই হবে।
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
শুরু হল আমার জীবন যুদ্ধ। ভাগ্য ভালো যে চাচা এগিয়ে এসেছে। এক রাস্তা বন্ধ হলে আল্লাহ আরেক রাস্তা খুলে দেয় মুরুব্বী দের মুখে শুনতাম তা যেন হাতে নাতে পেলাম। চাচার সহযোগিতায় চলে আসলাম সংযুক্ত আরব আমিরা