ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ এবং ২০০০ তম দিন উৎযাপনকে কেন্দ্র করে বিশেষ আলোচনা।
উত্তরবঙ্গের রাজধানী" খ্যাত বগুড়াতে অাজ দ্বিতীয় বারের মতো মিট-আপ সম্পন্ন হলো।
৫ ই মার্চ ১৯ মঙ্গলবার "নিজের বলার মত একটা গল্প " এর সদস্য দের নিয়ে "জয়নুল আবেদীন পার্ক- ময়মনসিংহ " এ একটি বৈঠকের করা হয়েছে। ময়মনসিংহে অবস্থিত সকল সদস্যদের উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মিটআপ এ বিভিন্ন
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আপনি আমাদের মনের অনুভূতি কে জাগিয়ে তুলেছেন,,প্রাণপ্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার।আপনি বলেছেন.... আমাদের বাবা মাকে প্রতিদিন সালাম দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন প্রিয়, স্যার. লজ্জা শরম ভ
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আমরা এমন একটা পরিবারে বেড়ে উঠেছি, আমরা হয়তো যথেষ্ট ধনী ছিলাম না। কিন্তু এই অল্প টাকা তেই নিজেরা ধনীর মতো করে কখনো কিছুর জন্য আক্ষেপ না করে বাঁচতে শিখেছি। সবসময় মনে রাখবেন, জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক না
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের সাথে আমার পথচলা ৪৫১তম দিন থেকে। আজকে এর ৭০০তম দিন। এই দিনটি উপলক্ষে প্রথমেই ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই গ্রুপের ফাউন্ডার শ্রদ্ধেয় জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
সিদ্ধান্তহীনতা এমন একটি অভ্যাস যেটা ছোট বেলা থেকে আরাম্ভ হয়।এই অভ্যাস বড় হওয়ার সাথে সাথে স্থায়িত্ব লাভ করে।আমরা যখন বিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় উঠেও এই সিদ্ধান্তহিনতা আমাদের মধ্যে রয়ে
আলহামদুলিল্লাহ। শত ব্যস্ততার মাঝে প্রিয় প্ল্যাটফর্ম “To Be an Entrepreneur নিজের বলার মতো একটা গল্প Foundation” জাগো নরসিংদী কতৃক আয়োজিত মাসিক মিটাপে অংশগ্রহন করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে।
দেশের শেষ প্রান্তের জেলা হওয়ার দুঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের পন্য ডেলিভারি সিস্টেম খুবই দুর্বল, তাই বরগুনা জেলার ভেতরে এবং বরিশালের অন্তর্ভুক্ত ছয় জেলায় পন্য ডেলিভারি সার্ভিস নিয়ে কাজ করে সফলতা পাবার সম
চাকরি করতাম উত্তরাতে একটা আইটি প্রতিষ্ঠান। আলহামদুলিল্লাহ সবাই ভালই চলছিল। প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বসের আস্থা ও বিশ্বাস এটাই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রায় চার বছরের মতন চাকরি করছি। প্রতিষ্ঠানকে কখনো
আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না, খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলাম মন খুব খারাপ😥 এদিকে সহপাঠীরা কল দিচ্ছে, কোন কলেজে ভর্তি হবি, কবে? ওদেরকে বললাম পরে জানাবো। আমি অনেক ভাবলাম কি করা যায় হঠাত বড় দুলাভাইর কথা
ব্যবসায়িক ধাক্কা আমাকে নতুন ভাবে বেঁচে থাকতে শিখেয়েছে। ব্যবসায়িক ধাক্কাটা মূলত বড় ভাইয়ার জন্য খেয়েছি, সে কারু সাথে পরামর্শ না করে এক্সটা ব্যবসায়ে হাত দেন। অর্থাৎ না শিখে, না জেনে, অভিজ্ঞতা না নিয়ে কার
আমি একজন ভালো ও বিশ্বস্ত বিনয়ী মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং একজন সফল উদ্যোক্তা না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে চাই। কখনো ভাবিনি নিজেকে উদ্যোক্তা কিংবা বিজনেসম্যান হতে হবে,
ছোটবেলা থেকেই আমি লেখাপড়ার দিকে একটু কম মনোযোগী ছিলাম। তবে আমি খুব ভালো গান করতাম। আর সারাক্ষণ শুধু সাজগোছ নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম।
যখন চলতে চলতে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবেন, নিজেকে খুব অসহায় মনে হবে, এই বুঝি আমি হেরে গেলাম, আমাকে দিয়ে আর কিছু হবে না, আপনার এ নেগেটিভ চিন্তাধারই আপনার জন্য বড় বাধা হয়ে দাড়াবে। সহজ কাজকে তখন অনেক কঠিন মনে হ
#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।
আজ "নিজের বলার মতন একটি গল্প" গ্রুপের পক্ষ থেকে সারা ঢাকায় একযোগে " দিনে এনে দিনে খায়" এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের মতিঝিল জোনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
আমি তাম্মিনা আক্তার। আমার মায়ের একমাত্র সন্তান। এখানে শুধু মায়ের বলেছি কেন সে কথায় পরে আসছি। তো আমার যেহেতু আর কোন ভাই-বোন নেই, তাই একা একাই ছোট থেকে আমার বেড়ে ওঠা। খেলাধুলা, লেখাপড়া এসব কিছুতে আমি এক
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই। এই স্লোগানকে বুকে ধারন করে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করছি। ভাবছি নিজের একটা বিজনেস করবো। পাশাপাশি শেখাটা চালু রয়েছে। কারন স্যার একটি
নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর বগুড়া জেলার উদ্যোগে অসহায় শীতার্থদের মাঝে শীতবস্র ( কম্বল) বিতরন কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে|
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
একটু বড় হয়ে যখন ড্রইং করা শিখলাম জাতীয় পতাকা হয়তো আমাদের প্রায় সকলের ই ড্রয়িং করার শুরুর দিকের একটি ছবি থাকে।কিন্তু তখন আমরা এই সবুজের বুকে লাল কেন বুঝতাম না,বললেও না,তখন বুঝার মতো বয়স আমাদের ছিলোনা।ক
২০১৮ সালের কথা, তখন,পড়াশোনা করতাম চাঁদপুরে, , আমাদের মাদ্রাসার একটা নিয়ম ছিলো কুরবানির ঈদের দিন মাদ্রাসায় থেকে কুরবানির পশুর চামড়া কালেশন করতে হবে, যেহুতু ঈদ করতে হবে মাদ্রাসায়, তাই, ঈদের জামা আগে থে
আজকের কর্মসূচি সফল ভাবে সম্পূর্ন হলো। যারা পুরো কার্যক্রমটি সফল করতে স-শরীরে উপস্থিত থেকেছেন। এবং কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। তাদের প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন।
আজ ১৫ মে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলার উদদ্যোগে ঈদ পূনমিলনী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
আমি আমার জীবনের যে কথাগুলো কখন কারো সাথে বলি নাই। আমার দুংখ,কষ্ট না পাওয়ার বেদনা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার জীবন নিয়ে লিখে, আমি SOD হয়েছি।
বোনকেতো আমার বাবা মা ছারা ডাকতই না। আসলে বোন আমাদের খুব আদরের। আমার বাবা মারা যাওয়ার অল্প কিছু দিন আগেই তার ক্যানসার ধরা পরে।বলতে গেলে হঠাৎ করেই রোগ টা ধরা পরে। ডাক্তার বলেছিলো ইনজেকশন আছে সেটা দিলে আ
আমি সাথী ১২ তম ব্যাচ থেকে নিজেকে নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে শিখছি নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন সদস্য হতে পেরে।বুঝতে পেরেছি জীবন মানে যুদ্ধ কত শত মানুষের জীবনের গল্প পড়ছি ও শুনচ্ছি।আল্লাহ পাকের দরবার
শীতের কবলে কাঁপতে থাকা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আমার-আপনার-আমাদের সবাইকে। সামান্য একটু মানবিকতার স্পর্শ বাঁচাতে পারে শীতার্তদের, তাদের মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারে
যখন আমার বয়স 10-12, একদিন বাড়িতে গেলাম তিন দিনের জন্য রমজান মাসে, মাগরিবের আগে আগে অনেক লোকের ভিড় সামনের ঘরে, আমি বুঝতে পারলাম না! যেহেতু গ্রামে থাকতে হতো না, হঠাৎ গিয়েছিলাম পরিবারের সাথে। আম্মুকে
স্যারের প্রতি দিনের সেশন অনুযায়ী আমার জীবনকে আমি সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি৷এই ফাউন্ডেশন যুক্ত না হলে বুঝতেই পারতাম না যে কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়৷ স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটা ফাউন
আলহামদুলিল্লাহ কাল রক্ত দান করলাম ৭ম ব্যাচের সমাপনী উপলক্ষে,,, Iqbal Bahar Zahid স্যারের কাছ থেকে শেখা, মানুষের জন্য কাজ করা।অনেক ভালো লাগে মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে।
2008এ আমার জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব আসে জামাই সৌদি আরব থাকে ওরা। অনেক বড় লোক এমনিতেই তারপর কথা বার্তা বলে বিয়ে হয়ে যায় যেদিন বর যাত্রী আসবে আমাদের বাড়ি ওই আমার ভাই যানতে পারে জামাইর মাথায় সমস্যা তখন আ
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট
আমি একটু ব্যাস্ত আছি তুই কি খাবি খেয়ে নেয়। মেয়েঃ আচ্ছা ঠিক আছে।যাচ্ছি।ভালো কথা তোমায় কেমন চিন্তিত মনে হচ্ছে। মাঃহুম চিন্তিত তো বটেই। মেয়েঃ কেন আম্মু কোন সমস্যা হইছে।
আমরা অত্যান্ত আনন্দিত ও আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আমাদের পতেঙ্গা জোনের অফলাইন মাসিক মিটআপ আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।
১০০০ তম দিন উদযাপনে #ঝিনাইদহ জেলার আয়োজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১.জনাব সরোজ কুমার নাথ, স্যার জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ২.জনাব সাইদুল করিম মিন্টু সুযোগ্য মেয়র ঝিনাইদহ। ৩.জনাব বদরুদ্দোজা শ
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
এম এ পাস চা ওয়ালা শপটি আমাকে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আমার জীবনের স্বপ্ন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় এম এ পাস চা ওয়ালার ৬৪ টি আউটলেট ।
চাকরি নয় ব্যবসা করতে হবে। বেকারদের কর্মসংস্থান করতে হবে বেকারত্ব দুর করতে হবে।তাই শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করতেছি।
সকলের উপস্থিতিতে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, ইনশাল্লাহ ১৪ জুলাই সফল ভাবে ২০০০ তম দিন পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করবো
প্রবাস জীবন শুরু আমার ২০০৭ সালে ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ থেকে আজকে প্ররাই ১৩ বছর অতি বাহিত হলাে । আলহামদুলিল্লাহ । এই ১৩ টি বছর থেকে আমি অতি আপন জন হারিয়েছি । মা বাবা চাচা জেড়া ফুফা আরাে কত জন । জ
এদিকে এলাকার সামাজিক চাপ তো আছেই বাবা ক্ষেতনামা বড় একজন আলেম আর আমিও বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ যে মাদ্রাসা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনেক বার শীর্ষস্হান দখল করেছে স্বর্ন পদক প্রাপ্ত মাদ্রাসা নামকরা শি