The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি বরিশাল জেলার সকল জেলা এম্বাসেডরদের যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রোগ্ৰাম সফলভাবে শেষ হয়।
চার জানুয়ারি " নিজের বলার মত একটা গল্প" এই গ্রুপের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের প্রিয় পরশপাথর বলেছেন এই গ্রুপের মাধ্যমে কার জীবনে কি পরিবর্তন এসেছে তা চার মিনিটে প্রকাশ করার জন্য। প্রকৃ
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে
জীবনে কিছু সময় আসে যেটা কোনোদিন ভোলা যায় না। ঠিক এমনই একটা দিন ছিলো আমার জন্য। ০৪/০১/২০ ছিলো অনেক স্বপ্নের একটা দিন। দিনটা ধার্য্য ছিল আগে থেকেই কিন্তু যারা চাকুরি করি তাদের ছুটির একটা ব্যাপার থেকেই
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
সাড়ে ৬ লাখ তরুণকে বিনামূল্যে টানা দুই হাজারতম দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে নজির গড়েছে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। উদ্যোক্তা তৈরির এই কাজটি করে চলেছেন ইকবাল বাহার জাহিদ।
তা এখনো অবাস্তব আমাদের দেশে। এটা কখনো বাস্তব হওয়ার নয়। কেননা আমার দেশের মানুষ যদি এই বিষয়টা নিয়ে একটু কাজ করত তাহলে হয়তো আমার দেশের মানুষেরা এই দেশ ছেড়ে প্রবাসে যেত না বা তাদের নিজ নিজ দেশে তারা কর্মস
🔵 উক্ত মিটআপ উপলক্ষে আমাদের সঙ্গে,,,,, 🍀" সহযোগিতায়" :------- বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও জেলা প্রতিনিধি 1. Shaikh Al Amin, বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও সূদুর ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশ এর
যার জন্য লক্ষ লক্ষ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটেছে। যারা কখনো কোন দিনও কল্পনা ও করেনি, কিন্তু আজ তারা নিজের পায়ে নিজে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখে, শুধু স্বপ্ন দেখার মধ্যে সীমাবধ্য নয়, নিজের বলার মতো একটা গল্
২য় বার যখন জ্ঞান ফিরে পাই তখন ইর্মাজেন্সিতে নাকে মুখে পাইপ অক্সিজেন হাত পা ব্রেডের সাথে বাধা পরে জানতে পারি বেচারা রিক্সাওলা সহ তিন জনই এ প্রথিবীতে নেই, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারবো এমন বিশ্বাস ছিল
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
আমার এই প্রিয় মাতৃভূমির রক্তার্জিত স্বাধীনতার আজ ৫১ বছর।প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আমি উদ্যোগ নিয়ে স্বপ্ন দেখি, কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তৈরি হবে তার উদ্যোগের মাধ্যমে এবং নিজস্ব একটা ব্র্যান্ড তৈরি করার। অন্য কারো পরিচয়ে নয় বরং নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই আমি । এরই মধ্
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন NRB সিংগাপুর টিম কর্তৃক ইফতার ও দোয়ার আয়োজন সুন্দর ভাবে সমাপ্ত হল,
প্রায় ছয় বৎসর বেকার ছিলাম কি করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তখন দেখি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের পেজ টা আমার বন্ধু মনির ভাইয়ের একটা পোস্ট। তখন মনির ভাইকে বিস্তারিত জানতে পারি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ক
আব্বু আমি কিনি নাই এগুলা।আমি বিজনেসের জন্য আনছি। নিজের জন্য না। বাবাঃ ওহ ভালো তো অনেক সুন্দর জামা গুলো।এখন আমি ভাবছি তোর। তাহলে তো তোকে আর জামা কিনে দিতে হবে না। তুই এখন থেকে নিয়ে পরতে পারবি।যেহেতু
কত কস্ট করেছি ইউক্রেন তার ছোট একটা অংশ শেয়ার করছি।টানা ৮ মাস ভাত কি জিনিস তা চোখে দেখিনি খাওয়া ত দুরের কথা। ইউক্রেন সময় দুপুর ১২ টায় ২ পিছ পাউরুটি আর হাফ গ্লাস পানি আর রাত ১২ টায় সেইম খাবার ।নাটকিয় এ
কিন্তু ইদানিং অনেক সাহস করি আর একটু এগিয়ে যাওয়া বুঝতে পারি , পিছিয়ে যাওয়ার কারণটাও জানতে পারি শিখার অনেক কিছু প্রয়োগ করতে পারি ,আমি বিশ্বাস করি এগিয়ে যাওয়ার অনেক শিক্ষা পেয়েছি নিজের বলার মতো এক
দাদি মারা যাওয়ার পর গ্রামের বাড়িও দেখাশুনার কেউ ছিলো না পরে সবাই চলে গেলাম গ্রামের বাড়ি। আমার পড়ালেখা মনে হয়ে ছিলো আর হবে না🤔🤔🤔 তাই মেনে নিয়ে গ্রামে চলে যাই।আবার শুনতে পেলাম এক বিষয় যারা ফেল করছে ত
কিভাবে যেতে হবে তাও জানি না, একা একা এতো দূরের রাস্তা কখনো যাওয়া হয়নি । কি- ভাবে যাবো টেনশন হচ্ছে ?
আমাকে দুই দিন না খেয়ে থাকতে হয়েছে। শুধু মাএ পানি খেয়ে ছিলাম বাড়িতে ও আসেনি আমার জন্য শুধু ভাত রান্না করে রাখত। তরকারি নেই কারন আমার ইনকাম নেই আমার স্ত্রী কে বলতো তোমার জামাইর ইনকাম নেই খাইবা কি শু
আল্লাহ যেন আমাকে একটা নতুন দুনিয়া দান করলেন।এত এত ভালো মানুষ আর এত সুন্দর ব্যবহার আমাকে ভালোবাসায় মগ্ন করে দিল।আহা কি মধুর এক পরিবার।১৬ তম ব্যাচ এর ৯০ দিন শেষ করে এখন আমার উদ্যোক্তা জীবনে প্রবেশ করে
যারা বিজনেস করতে চান তাদের আমি বলবো সেল হয় নি, লাভ হয় নি এই চিন্তায় বিজনেস শেষ করবেন না...প্লিজ অপেক্ষা করে কাজ করে যান...
বিদেশের জন্য কিছু টাকা ধার নিয়েছে কিছু টাকা জমি বন্ধক দিছে আবারও তিন মাসের মধ্যে আমার কুয়েতের ভিসা চলে আসে
আমি তখন সাভার ইপিজেড এ একটা কোরিয়ান গার্মেন্টসে কাজ করি, আমার কোম্পানির নাম A- ONE BD lTD.একদিন কোম্পানির ছুটির দিন আমি, আমার বোনের বাসায় যাই । ওটা ছিল, তেজগাঁও, ঢাকা। পিছন হতে আমাকে এক ভদ্রলোক ইংরেজি
জেলার কার্যক্রম। তার ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিয়ত মাসিক হচ্ছে। আজকের মিট আপের আলোচনার প্রধান দুটি দিক ১)নিজের ব্র্যান্ডিং করা বা পরিচিত বাড়ানো এবং ২) মহাসম্মেলন 2021 এর প্রস্তুতি। মোঃ
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
কেউ যদি সারাক্ষণ ভাবে যে সে ব্যর্থ হবে, তবে সে যত ভালো অবস্থাতেই থাকুক না কেন সে ব্যর্থ হবেই। কারণ, তখন তার কাছে কোনো সামান্য বাঁধাকেই ব্যর্থতার একটা অংশ বলে মনে হবে। আবার আপনার বিশ্বাস যদি হয় যতোই প্
টিকিট লাগবে? টিকিট? কিভাবে সহজে টিকিট পেতে পারেন সেটা নিয়েই কথা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা মিটাপে।
বাবার পিছনে এক টাকাও খরচ করার মত নিজের কোন সমর্থই ছিল না। মনে হয় কিছু একটা করি কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। নিজের ইচ্ছা মতো বাবার পিছে খরচ করব । এবার শুরু হয়ে গেল বিজনেস। শুরু করলাম ত্রিশ হাজার টাকা
প্রিয় স্যার আমাদেরকে পাল্টে দিচ্ছে আমরা পাল্টে যাচ্ছি, আমি বিশ্বাস করি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যারা যুক্ত হয়েছে, এবং নিয়মিত স্যারের সেশনগুলো পড়তেছে তারা না চাইলেও পরিবর্তন হয়ে যাবে,
আলহামদুলিল্লাহ , গোপালগঞ্জ জেলা, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কাজ সু সম্পন্ন হয়েছে।
স্যারের সেশন যেন আমার মধ্যে আত্ববিশ্বাস এতটাই বারিয়ে দিয়েছিল সব বাধাগুলো যেন আমার কাজের গতি আরও বারিয়ে দিত।
স্বপ্ন দেখতে কে না ভালোবাসে???!!! আশা আর স্বপ্ন নিয়েই তো মানুষ বাঁচে!!! এ দুটো যদি না থাকতো তাহলে মানুষ বেঁচে থাকার আগ্রহই হারিয়ে ফেলতো। আর সে স্বপ্ন দেখা মানুষগুলোর মাঝে আমিও একজন😊😊।
প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ তায়ালার। আল্লাহ না চাইলে কাল এতো চমৎকার একটা মিট আপ হতো না।সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো।ভেবেছিলাম মিট আপ হবে না।কিন্তু আল্লাহর রহমতে মিট আপের আগেই রোদ উঠে গেছে।আলহাম
ঢাকা কেরানীগঞ্জ জোনের মোঃ উজ্জল হোসেন তৃতীয়বারের মতো মুমূর্ষ ব্যাক্তিকে রক্ত দান করেন আল হামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ সম্পুর্ণ হল।আজকের মিটাপ
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
করুনার প্রভাব কিছুটা কমলেও জীবনে কষ্টের প্রভাব কমছিলনা। জীবন তো থেমে থাকেনা,পেটের তাগাদায় সংগ্রাম করতে তে হবেই।অবশেষে কিছুদিন ভালোই যাচ্ছিল।
টাংগাইল জেলার ঘাটাইল থানা থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্বপ্ন ছিল, স্বপ্ন ছিল ঢাকায় পড়াশোনা করার কেন জানি মত ঢাকায় হয়তো স্বপ্ন পূরনের কোন মাধ্যম খুজে পাবো। তবে বেক আপ সার্পোট হিসেব
নিজের জীবন টা নিজেকেই গুছিয়ে নিতে শিখতে হয়, যতই থাক নিজ মেধা শক্তি স্বপ্নকে ঘুমাতে দিতে হয়, কেননা এমনো সময় জীবন আসতে পারে নিজ মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজেই বেঁচে থাকার একমাত্র শক্তি হতে পারে। তাই নিজ
কেন রক্তদান করবেন? নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।
আমরা দেশ থেকে মনে করি কী প্রবাস কত যে আনন্দময়। কত যে টাকা আছে, আসলে প্রবাসে যারা আসে তারই বুঝতে পারে প্রবাসীদের কত কষ্ট। কত মেহনত করে অর্থ উপার্জন করতে হয়। সেই সময়ে এখান কার তাপমাত্রা ও ছিল পরিমাণের
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া। সেই আনন্দের রেশ বজায় রেখেই সম্পন্ন হলো, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ফরিদপুর জেলার "ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত বর্ণমালা কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রদান করা হলো। ওয়ারী জোনের সকল দায়িত্ব