সেই প্রথমে সোড হওয়ার মাধ্যমে লিখার যে আগ্রহ আসে আমার মধ্যে, সে আগ্ৰহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই যে লিখার আগ্ৰহ বাড়ার কারনে আস্তে আস্তে এক্টিভ হতে থাকি ভালবাসার এই পরিবারে, এপর্যন্ত আমি অনেকবারই সোড হ
এই রোদের মধ্যে না সকাল, না দুপুর, অনেক সময় পায়ে হেঁটে এক প্রজেক্ট থেকে আরেক প্রজেক্টে যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সহযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য যেতে হতো।
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
অদম্য টাংগাইল জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ও দিক নির্দেশনা প্রদান। আরও ছিলো লাকি কুপন ড্র।
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
নিজের বলার মত একটা গল্প, প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থেকে, মানুষের সেবা করব, আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন ভালো আছি, একটা কোম্পানিতে চাকরি করতেছি, ছোট একটা ব্যবসা করতেছি, সার্ভেয়ার হিসেবে কাজ করতেছি, আমি আরো
আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাব এবং আমি যে উদ্দেগ গ্রহন করেছি সেটাকে আরো বড় করার পরিকল্পনা
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর টিকেট বিতরণ উৎসব উদযাপন ও মহাসম্মেলন উপলক্ষে অফলাইন মিট আপ সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
বাসে আসার সাথেই বুঝে নিয়েছিলাম জীবন কি জিনিস। যে দিন এসেছিলাম তার পর দিন থেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। ভালো পান্ট-শার্ট পড়ে যখন গাড়িতে করে কাজের স্থানে নিয়ে যায়।তখন মনে স্বপ্ন চোখ দিয়ে বের হয়ে উঠে গেল ওই ন
মোটামুটি ১৪ দীন একটানা আমার মায়ের সাথে মক্কা হারাম শরিফ উমরা তওয়াফ ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেয়ারা ও মদীনা মসজীদে নববী রাসুল (সাঃ) এর রওজা মোবাকর ও রাসুল (সাঃ)এবং আবু বকর ওমর ইবেন খাত্তাব (রাঃ) ও ওহুদ
এভাবে প্রায় তিনমাস কেটে গেছে আমার সেলসের খুবই খারাপ অবস্থা।এর কারনটা ততদিনে আমি বুাঝতে পেরেছিলাম সেখানে ও আমার সাথে দূর্নীতি করা করা হয়েছে।উদাহরণ সরুপ বলাযায় যে,গোস্ত খেয়ে হাড্ডি ফেলে রাখার মত অবস্
আমি বিভিন্ন কাজ শিখতে ভালোবাসি🥰 ছোট থেকেই কিছু শেখা নিয়ে অবহেলা ছিলোনা। যখন যেই কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি তাহ ছাড়া করিনি🥰 তবে এগুলো খুবই সামান্য! আমাকে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে হবে।৷
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
অত্যন্ত সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ইতিহাস ১ম ইউনিয়ন ভিত্তিক অফলাইন মিট আপ। আজ ১৮/০২/২০২২ ইং রোজ শুক্রবার গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটা ইউনিয়ন পরিষদ
November 15, 2020 · #বাগেরহাট 🌿আসসালামু আলাইকুম!! 🍁নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যকে #বাগেরহাট জেলা টিমের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।। 🍁কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর ইকবাল বা
কথাটি শুনলে আশ্চর্য হওয়ার কথা বেড়া আবার ধান খায় কীভাবে? আমরা সাধারন যখন কোন জমি চাষ করি তখন গরু-ছাগলে সেই ধান যাতে খেতে না পারে সে জন্য চারপাশে বেড়া দেয়া হয়। ঠিক তেমনি একটা কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান যখ
সবার বাড়ির ভালো খাবার গুলো ফুফুর ঘরেই আগে আসতো আর আমাদের বাগির খাবার গুলো আমিই নিয়ে যেতাম। ফুফুর বাড়িটা আমাদের বাড়ির পাশে থাকায় এবটু সুবিধা হতো স্কুল যাবার পথে ফেরার পথে ফুফুর খোজ নেওয়া তার খাবার দেওয়
এম,ডি মাহবুব (Md Mahbub) ছাত্র থাকা অবস্থায় এক বুক স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। প্রবাসে বড় ভাইয়ের কাছে তার প্রথম আশ্রয়। ভাইয়ের আদর এবং ভাইয়ের বন্ধুদের ভালোবাসায় ভালোই অতিবাহিত হচ্ছিল
৯৫০ তম দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে গুলশান জোনের পক্ষ থেকে গুলশান জোনের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চমৎকারভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর রংপুর জেলার অফলাইনে প্রিয় মুখগুলোর মিলন মেলা
আমার আগ্রহ বেড়ে গেলো, তাই আমি লেখায় মনোনিবেশ করলাম। আমি মোট ২৭ তম বার সম্ভবত স্টাটাস অব দা ডে হয়েছি। আমার তাতে কি লাভ হয়েছে, ১.আমি এখন নিজের মতো করে গল্প লিখতে পারি। ২.লেখার প্রতি অনেক আগ্রহী হয়ে
সফলভাবে শিবচর উপজেলা মীট আপ সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাচ্ছি প্রতিদিন। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা।
গতকাল চট্রগ্রাম অক্সিজেন মোড়ে গাড়ির জন্য দাড়িয়েছিলাম, হঠাৎ দেখি এই ছেলেটা সামনে এসে বল্ল ভাইজান মাক্স লাগবে, আমিত অভাক এতটুকু একটা বাচ্চাকে দেখে, তারপর তার সাথে একটু হাসি দিয়ে কথা শুরু করেলাম...
টানা ২০০০ দিন অনলাইন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড!টানা ২০০০ দিন অনলাইন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড!সাড়ে ৬ লক্ষ তরুণদেরকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষন কর্মশালার টানা দুই হাজার তম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের
আপনি বলনে, আপনিতো কৃষি নিয়ে, বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর নিয়ে, আবার মাঝেমাঝে দেখছি ব্লক নিয়েও কাজ করছেন। তাহলে বলেনতো ব্লকের ফ্যাক্টরি দিলে কেমন হয়। #বিদেশে এই #কংক্রিট_ব্লকের ব্যবহার অনেক বেশি। 🔷আ
প্রতিটি শিশু জন্মের পরে তার মা বাবাকে চিনে না।তাকে শিক্ষা দেয়া হয় এটা তার মা, এটা তার বাবা।কিছুদিন পরেই সে বুঝে নেয় তার মা,বাবাকে।পর্যায়ক্রমে আশে পাশের সব কিছু তার মধ্যে সহজ ব্যাপার হয়ে যায়।এছাড়া জন্ম
মন থেকে অনুভব করলাম আমরা উদ্যোক্তা হওয়ার পথে যা যা প্রশ্নের সম্মুখীন হয় সবকিছুর সাথে মিলে যায় সেইসাথে অসাধারণ সব পরামর্শ যা উদ্যোক্তাদের জন্য পথনির্দেশক হিসেবে অনেক বড় সহায়ক
ছোটবেলা থেকেই ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চাটা গড়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো একক ঘটনা না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
যখন কোন গরীব অসহায় পুরুষ / মহিলা / শিশু বাচ্চাদের দেখি তখন তাদের জন্য খুব কষ্ট হয়।তারাও তো মানুুষ!! তাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার মনটা তৃপ্তিপায়। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু না করতে পারি ততক্ষণ
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
অনেকের উদ্যোক্তা হওয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি থাকার পরে ও ইউনিক আইডিয়া খুঁজতে খুঁজতে আমরা জীবনের অনেকটা সময় পার করে দিই, ইউনিক আইডিয়া না পেয়ে অনেকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন থেকে ছিঁটকে যাই।
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
এক জন আদর্শ শিক্ষক,মেন্টর, স্পিকার, পেয়েছি। #চমৎকার একটা প্লাটফর্ম পেয়েছি যেখানে প্রতিনিয়তো না আসলে ভালো লাগে না। #অসংখ্য ভালো মানুষের একটা পরিবার পেয়েছি। #অনেক গুলো ভালো মানুষের সাথে, পরিচয়
এ গ্রুপ থেকে প্রশিক্ষন গ্রহন করে আমার বদলে যাওয়া কিচু কথা আজ শেয়ার করবো। ১ এখন আইতিবাচক ভাবনা ভাবি। ২ এখন আমি বুক ফুলিয়ে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। ৩ আত্মবিশ্বাসী হতে পেরেছি। ৪ সামাজিক সকল কাজে
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ ১১ই মার্চ ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত "নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ এর নাটোর জেলার" একটি চমৎকার অফলাইন মাসিক মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
চার জানুয়ারি " নিজের বলার মত একটা গল্প" এই গ্রুপের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের প্রিয় পরশপাথর বলেছেন এই গ্রুপের মাধ্যমে কার জীবনে কি পরিবর্তন এসেছে তা চার মিনিটে প্রকাশ করার জন্য। প্রকৃ
বিয়ের পর বাসায় তেমন কাজ থাকতো না কাজের খালা করে সব কাজ করে দিত। সেই জন্য বসে অবস্বর থেকে মোটেও ভালো লাগতো না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে দেখি এক আপু আচার সেল এর পোস্ট দিছে।
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
শুধু করব বল্লেই যে করা যায় না সেটা আরও ভাল করে বুঝলাম স্যার এর সেশন গুলো পড়ে,,,নিজেকে আগে স্কীলড করতে না পারলে যে কতটা পিছিয়ে পড়তে হয় লাইফে এবং বিজনেস এ সেটা ভালই বুঝতে পারলাম। ধীরে ধীরে স্যারের সেশন
যেদিন সৌদি আসার পূর্বে বেগ গুছাই। সাথে গল্পের বই এবং খাতা কলম সহ বেগ গুছিয়েছিলাম আমার বড় বোন আমাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি কি স্কুলে পড়তে যাবি। তখন আমার বোনকে বলেছিলাম দোলনা থেকে কবর পযর্ন্ত শিক্ষা
প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজে একটি প্রতিষ্টান করবো, আগে বড় কোনো স্বপ্ন দেখতামনা এখন স্বপ্ন দেখি স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রুপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি, এখন প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলি নিজেকে ভালোবাসি।
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
উত্তরবঙ্গের রাজধানী" খ্যাত বগুড়াতে অাজ দ্বিতীয় বারের মতো মিট-আপ সম্পন্ন হলো।
রাস্তায় সাধারণ মানুষ, পুলিশ, র্যাব, রিকশা চালকদের দিয়েছি সচেতনতা মূলক লিফলেট এবং মাস্ক।
আমাদের চোখের সামনে ভেসে আসে সমাজের অবহেলিত,উপেক্ষিত জনপদ। যাদের শুধু মাত্র একটি কর্মসংস্থানের জন্য তাদের পরিবাররা অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাবলাম যদি আমরা এদের জন্য একটা কর্মসংস্থানের.....
অনুষ্টান শেষ হয় পথ শিশুদের খাবার বিতরণ ও কেক বিতরণ এর মাধ্যমে।