মাসুমা : তোমাদের এই হাট বার টা তৈরি করেছে কে? রাবেয়া ইসলাম ফাতেমা : আমাদের সবার প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এই ফাউন্ডেশন তৈরি করে দিয়েছেন । সেই একজন ভালো মানুষ এবং অসাধারণ একজন মানুষ।।
এক বন্ধু নবাব পুরের বড় ইম্পোটার বেশ বড় দোকান আছে, তিনি বিভিন্ন ধরনের পন্য ইমপোর্ট করেন। অন্য বন্ধু বিদেশ ফিরত, টাকা পয়সা ধরা খেয়ে এখন সে নিঃস্ব সুতরাং সে নবাবপুরে বন্ধুর দোকানে বসে সময় দিতে থাকে
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি Jannatul Mawa আপুর ১ম বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে। "মূমুর্ষদের বাঁচাতে প্রাণ
আবিস্কারের নেশায় টানতো আমাকে,, সময় টা ২০১১ আমার বানানো ২ টা প্রযেক্ট যখন ১ম ও ৩য় হয়ে খবরের কাগজে এসেছিলো তখন স্বপ্ন টা অন্য ধারায় চলে গিয়েছিল। তার কিছুদিন পর আমি বুঝতে পারি আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারে
উদ্দেশ্য শেষ বারের মত চাচাকে একবার দেখা এবং খাঠ কাদে নেওয়া, আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দান করুক-আমিন, তারপর এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই শুনি ২৫-০৩-২০২০ইং থেকে ০৪-০৪-২০২০ইং পযন্ত সাধারণ ছুটি ও গনপরিবহন বন্ধ, ব
আলহামদুলিল্লাহ খুবই প্রানবন্ত এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো zara's kitchen এর উদ্যোগে ধানমন্ডি জোন এর অফলাইন মিট আপ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আছে প্রবাসীদের মর্যাদা আছে ভালোবাসা আছে তাদের জন্য চিন্তা। এখানে প্রবাসীদের বলা হয় দেশের অক্সিজেন।
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
ঈদুল আজহা আমাদের শেখায় শেয়ার করতে। ঠিক তার ব্যতিক্রম নই, মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক কোরবানি মাংস রান্না করে প্রতিবেশীদের সাথে এবং গরীবদের সাথে ভাগ করা হয়। সকল ভাঙা বন্ধন মেরামত করে সবার সাথে ভালোবাসা
প্রিয়তমা বউ আমার পছন্দের ভেঁড়া'র মাংস রান্না করছেন।বউয়ের কাঁধের পেছন দিকে মাংস খাওয়ার জন্যে উঁকিঝুঁকি মারছি। কিন্তু মমো'র (আমার বউ) মন খুব খারাপ!
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
৮ বছরের মধ্যে অনেকবার রক্ত দিয়েছি তবে ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দেওয়া হয়নি ভাগ্যক্রমে।আজ ৮ বছর পরে দ্বিতীয়বার ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দান করলাম।। কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে বোনটা।বাবুটা কে দেখে খুব মায়া
এভাবে আমি আমার বন্ধুর কাছে আমার প্রোডাক্টটি বিক্রয় করলাম। 🍂 আর অন্যদিকে আমার আরেক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করল বন্ধু কি করছিস? এই করোনা কালীন সময়ে দিন দিন আয় রোজগার কমে যাচ্ছে, কি করা যায় বলতো? আম
আজ ২১ই জানুয়ারি ২০২০ খ্রীস্টাব্দ নিজের বলার মত গল্প গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ৯০ দিনের শেষ দিন। গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ২৮তম দিন থেকে এই গ্রুপের সাথে আমার যাত্রা। গত ৬১ দিনের স্যারের প্রতিটি পোস্টসহ পুরো ৯০ দিনের
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
Top Choice BD এর মার্কেটিং ডিরেক্টর Saiful Islam Bhuiyan Sohel ভাইয়ের কল পেয়ে ঘুম ভাঙ্গল। সহেল ভাইঃ ভাই কি হাটে গিয়েছেন?আমি যাইতে দেরী হবে। আমার শালা ডুবাই থেকে আমার জন্য iphone 12 নিয়ে আসছে।
পরিবারের ছোটোরা সাধারনত সবার আদরের হয়,, আমিও তেমনি পরিবারের সবার চোখের মনি ছিলাম
কোন কোন সম্পর্ক আপনাকে হয়তো নগদ কিছু দিবে না কিন্তু কোন একটা সময় এমন একটা সুযোগ সামনে নিয়ে আসবে যেটার জন্য নিজের সততার সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই করেননি বা চাননি। প্রিয় স্যারের প্রতিটি বানী নিজে জানি অন্য
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট। সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক। সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগি
প্রিয় বন্ধুগন আমি এই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই চেস্টা করি যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার এবং শিক্ষনীয় যা কিছু আছে সব কিছু শিখে নিজের জীবনে ধারন করার,
আপনি বিজনেস করছেন বলবেন না কেন এটা তো ভালো। ঈদের পর আমাকে আপনার গ্রুপে এড করে দিবেন এবং আমি আমার দেশের পণ্য (টাঙ্গাইল) নিয়ে কাজ করবো হেল্প করবেন কিন্তু আমি কিন্তু এতো কিছু বুঝি না।আপনাদের গ্রুপে এড দি
আব্বু আমি কিনি নাই এগুলা।আমি বিজনেসের জন্য আনছি। নিজের জন্য না। বাবাঃ ওহ ভালো তো অনেক সুন্দর জামা গুলো।এখন আমি ভাবছি তোর। তাহলে তো তোকে আর জামা কিনে দিতে হবে না। তুই এখন থেকে নিয়ে পরতে পারবি।যেহেতু
আর এই ইচ্ছাশক্তি যদি নারীর হয় তবে তো কোনো কথাই নেই। নারী অদম্য। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমাদের দুর্দান্ত সিলেট জেলার নারী মিট-আপ সম্পন্ন হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশের 64 জেলা, একসাথে দেখা হবে, কথা হবে, নেটওয়ার্কিং হবে, ভালোবাসার বিনিময় হবে, সবকিছু মিলে বিশাল এক মাহেন্দ্রক্ষনের অপেক্ষায় আমরা উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম।
মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলার সফল উদ্যােক্তা ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ি তাপস দত্ত দাদা। সবশেষে উপস্থিত সকলের চমৎকার অনুভূতি, আলোচনা ও জেলা সমন্বয়ক প্রিয় কাওসার আলম ভাইয়ের সমাপনী
৪র্থ মহাসম্মেলন উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা টিমের অফলাইন মিটআপ ও অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
আমার ছেলের বয়স যখন ১৪ দিন তখন আমাকে টাকার খোজ করতে বের হতে হয়।প্রতিদিন কিস্তির স্যারেরা৪জন ৫জন করে বাড়িতে আসতে থাকে। বলে যেখান থেকে পারেন টাকা নিয়া আসেন আমরা বসে রইলাম। আমি টাকার খোজে চলে গেছি আমার শ
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
তখন ভাগ্যের উপর জীবনটাকে ছেড়ে দিই,এবং মনে মনে নিজের জন্ম হওয়াটায়,আজন্ম পাপ বলে, মনকে বোঝায়,আমার ছেলে মেয়ে ভালো থাকুক আমি তো জন্ম থেকে জ্বলছি, আমিই জ্বলি,এভাবেই লাঞ্চনা গঞ্জনা মাইর খেয়ে সহ্যকরে থাকতে ল
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
শুরু হলো আবারও কষ্টের জীবন প্রবাস জীবন,----- তাই টাকা ঋণ করে জমি বন্ধক রেখে চলে এলাম সৌদি আরবে দালালের কথা ছয় নয় কিছুই মিলে না দালাল বলছে ফ্রি ভিসা। এ দেশে কোন ফ্রি ভিসা নাই।কি করবো মাথা ঠান্ডা করে
এদিকে আমার অবস্থা তখন খুবই খারাপ তখন আমার স্বামী এক রকম জোর করেই আমাকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। আর কেউ যায়নি আমার সাথে শুধু আমি আর আমার হাজব্যান্ড। সেই মুহূর্তের কথা মনে হলে আজ ও চোখের পান
টানা ৬বার লাল ভালোবাসা দান করলেন কিশোরগঞ্জের সাইফ মুহাম্মদ সুলতান
ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটি কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় @Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বগুড়া জেলা টিম ।
ছোটবেলা থেকেই ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চাটা গড়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো একক ঘটনা না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
আমি জানতে চেয়েছিলাম আমার সম্যস্যার সমাধান অপারেশন ছাড়া অন্য উপায় আছে কিনা কিন্তু তিনি ও সবার মত একই কথা বললেন কথা শুনে মন ভেংগে হাহাকার অবস্থা তিনি বুজতে পেরেছিলেন সাহস জুগিয়েছিলেন যে চলার পথে রিক্স ম
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
রাতের শেষ প্রহরে ঘুম ভেঙে দেখি খাকি ড্রেস পরা পাক আর্মি আমার মায়ের বুকে রাইফেল ধরে জিজ্ঞেস করছে রাজা কোথায়? তোমরা কারা? পাশে রাইফেল ধারী আরো কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছে। তারা পাকিস্তান আর্মির উর্দু বয়ান বাংলায়
৪র্থ মিটাপ সম্পন্ন
আমার বাবার স্বপ্ন ছিলো আমি উচ্চপদস্থ চাকরি করবো। আমারও খুব ইচ্ছে ছিলো যে,আমি সরকারি কোন বড় ধরনের জব করবো বা কোনো ব্যাংকে জব করবো। এই তো গেলো স্বপ্ন দেখার কথা এবার আসি মূল কথায়। এবার শুরু হলো স্বপ্ন
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
চাকরি না করে নিজে কিছু করব শুনে সবাই বলে এটা সম্ভব না। অনেক টাকার দরকার, আবার একা একটা মেয়ে করতে গেলে সমস্যা হবে ইত্যাদি। যখন স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম মনে মনে সাহস পেতাম। তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে আয়োজিত আজকের ঈদ পুনর্মিলনী ও চায়ের আড্ডায় প্রধান অতিথি হিসাবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; আমি ক্লান্ত প্রাণ
৮ গাছ এবং প্রাণীর পারস্পরিক বন্ধন , উদ্ভিদকুলের ধ্বংস ও জীবকুলের প্রাণসংকট , একটি গাছ একটি প্রাণ’ অভিযানের গুরুত্ব