আমিও দেশে আসি, এসে বিয়ে করি। আমার বউ আই এফ আই সি ব্যাংকে জব করে। হঠাৎ একদিন আমার দেশে আসতে হয় পারিবারিক সমস্যা জন্য। আর বিদেশ যাওয়া হয়না। যখন বিদেশ ছিলাম দু হাত ভরে টাকা কামাই করতাম, তখন দেশ বিদেশের অ
★মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে সুখী হওয়া যায় না। মা-বাবার দোয়া সবচেয়ে বড় রহমত ও বরকত। ★জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সা
বর্তমানে আমার ছোট চাচা আমাদের মধ্যে আছে।আমার ছোট চাচা আমার মধ্যমনি। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। তিনিও আমাকে ছোটবেলা থেকে অনেক ভালোবেসেছেন।তার ভালোবাসা আমি কখনোই বোঝাতে পারবো না। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি যা
ভলান্টিয়ারিং করতে যেয়ে কিছু কিছু মানুষের সাথে এমনভাবে মিশে গেছি যে, এই ফাউন্ডেশন এখন আমার আরেকটি পরিবার হয়ে গেছে মনের অজান্তেই।
তাদের কখনও কষ্ট দিবেন না। যার বাবা-মা নেই সেই জানে কষ্ট টা কেমন। বিশ্বাস করেন এমন কোনো রাত নেই বাবা-মা এর জন্য চোখের পানি ঝরে না। সবাই সবার বাবা-মা এর সেবা করবেন। আর আমার বাবা-মা এর জন্য দোয়া করবে
নামকরা ডিজাইনার Neville Brody এর মতে”ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনারা যারা এতক্ষণ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার লেখাটা পড়েছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশ
যাইহোক পরবর্তীতে এ্যালুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি আর ভালোভাবে চালাতে পারিনি, ক্যাপিটাল সংকট প্লাস উৎপাদনের তুলনায় সেল মাত্র ২৫% তাও ম্যাক্সিমাম বাকি। রানিং/ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেখতে শূণ্য হয়ে গেলো! শুরুতেই খ
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
এবার একটু থতমত খেয়ে গেলাম। পুলিশ সম্পর্কে আমাদের সাধারন মানুষদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। কথায় বলে, আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা। যাই হোক, যেহেতু খাঁটি মধু নিশ্চিত করতে পারছি এবং মধু
আমাদের শিশুকাল ছিল অনেক স্বচ্ছ ও সুন্দর। ঘুম থেকে উঠে মসজিদ, মসজিদ থেকে এসে স্কুল। তার পর সারাদিন খেলাধুলা, সন্ধ্যা হলে পড়তে বসা, নানা বাড়ি কাছে থাকায় মাঝে মাঝে পালিয়ে চলে যেতাম নানা বাড়ি। যেটা আমার
বগুড়া জেলা গ্রুপের সকল ভাই ওবোনেরা গত কাল ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরনায় কম্বল বিতরন করেছেন,এ
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
কৃতজ্ঞতা প্রান প্রিয় মেন্টর উদ্যােক্তার কারিগর আমাদের নয়নের মধ্যে মনি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। এতো সুন্দর একটা ভালো মানুষের প্লাটফর্ম তৈরী করে দেওয়ার জন্য।
প্রত্যেকটা সম্পর্কই কিছু না কিছু আমাদের শিক্ষা দিয়ে যায়। চারাগাছটিকে খাবার,পানি না দিলে যেমন গাছটি আর বেড়ে উঠবেনা, ফুল ও ফল সে গাছ থেকে আশাও করা যাবে না। তেমনি সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে,যত্ন
আমার বিজনেসটা যখন শুরু করেছি কাউকে আমার পাশে পাইনি এক পর্যায়ে যুদ্ধ করে শুরু করেছিলাম মাত্র ৭হাজার টাকা নিয়ে মহিলাদের ড্রেস নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার অনেক অনেক প্রাপ্তি,, ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্প
মাদারীপুর জেলা অফলাইন মীট আপ উপস্থিতি ছিল অনেক। চমৎকার আয়োজন দীর্ঘ সময় উপভোগ করেন প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলার কালিগন্জ উপজেলা মিটআপ
অনুষ্ঠানে দেশে বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে এক কোটি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে এক লাখ উদ্যোক্তা তৈ
আমি আমার বাবা মার প্রথম সন্তান আমি যখন মায়ের কোল জুড়ে জন্ম গ্রহণ করলাম তখন আবার বাবা শুনতে পেলো মেয়ে জন্ম হয়েছে তখন বাবা আর খুশি হলো না, তিনি চেয়েছিলো ছেলে হক কিন্তু মেয়ে হওয়ায় আমার মাকে কিছু দিন
চিন্তা সে কাজ বন্ধুদের সাথে গিয়ে সেনাবাহিনীতে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম হলাম এবং ভর্তি হয়ে গেলাম। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং যে কি কষ্টের সেটা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না।কষ্ট বেশী হলে ভাবতাম পরিবারের কথা ছোট ভাইবোনদ
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।
বাবা মানেই হাটি হাটি পা পা শুরু। বাবা মানেই শতবার হোচট খাওয়ার পরেও সেই হাত ধরেই উঠে দাড়ানোর আরেক প্রচেষ্টা। বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,
কষ্ট, কান্না, দুঃখ, বেদনা এই রমজানে সব ঘুচে যাক আর ফিরে আসুক সুখ, আনন্দ, হাসি। আগত ঈদকে সামনে রেখে #আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা করছি যেন আল্লাহ আমাদের গুনাহকে মাফ করে এই কাজের উছিলায় নাযাতের ফয়সালা কর
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশনের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন
দেহে বা মনে সংবেদন সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় অনুভূতি। অনুভূতি শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের হয়। স্পর্শের দ্বারা ঠাণ্ডা, গরম কিংবা ব্যাথা, আরামের অনুভব করা শারীরিক অনুভূতির মধ্যে পড়ে। মনের আনন্দ, ব্যাথা-বে
এই প্লাটফর্মের এতো গুলো ভাই বোন পেয়েছি সত্যি সেটা বলে বোঝাতে পারবো না। তাদের অনুপ্রেরণায় একে একে দুইটি অর্জন সম্ভব হয়েছে
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, জুম্মা মোবারক। একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প শুনতে,,,,,,, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আজ আমদের বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা মিটআপে আসছি।
চমৎকার আয়োজন, আলোচনা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সুষ্ঠু সুন্দর ও প্রানবন্ত ভাবে শেষ হয়েছে আমাদের #কালীগঞ্জ_উপজেলা_টিম, ঝিনাইদহের আজকের অফলাইন মিট আপ। 👇 আজ ২০-১১-২০ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০.০০ টায় শুরু হয়ে প্
দেখতে দেখতে শীত কিন্তু চলেই আসছে এজন্য অনেকেই শীতের পোশাক নিয়ে নতুন বিজনেস করার চিন্তাভাবনা করতাছেন,, এ জন্য অবশ্যই আপনাকে সবার সামনে পোডাক্ট গুলোকে হাইলাইট করতে হবে, তার জন্য প্রয়োজন পোডাক্ট ডিজাইন
তিনি আগে থেকেই কুয়েতে থাকতেন। এখন আবার আর এক সংগ্রামের জীবন শুরু হলো। স্বামী ছাড়া শ্বশুড় বাড়ি বুঝেনই তো। মানসিক টরচার ও অনেক কথা শুনতে হতো। তাদের কাছে মনে হতো একজন কাজের মেয়ে নিয়ে আসছে। সারাদিন মা
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হলো সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম ও ফিজিক্যাল মিট আপ 🌹 আলহামদুলিল্লাহ ♥️ ⭐ আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুলশান জোন সেরা জোনের তালিকায় অন্ত
জীবনেকে নিয়ে অনেক সপ্ন দেখেছি তা ভেঙ্গেপ গিয়েছে কিন্তু সপ্ন দেখা বন্ধ করিনি। প্রতিদিন সপ্ন সাজাই ও তা বাস্তবে রুপ দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
আগামীর জন্য স্বপ্ন বোনে। কিন্তু আমার জীবনের সেই স্বপ্ন বোনাটা খুব বেশী দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমি যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী ঠিক তখনই আমার বিয়ে ঠিক হয়। অনেক চেষ্টা করেও বিয়েটা আটকাতে পারি নি। বিয়ের
৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
স্যারের সেশন যেন আমার মধ্যে আত্ববিশ্বাস এতটাই বারিয়ে দিয়েছিল সব বাধাগুলো যেন আমার কাজের গতি আরও বারিয়ে দিত।
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা এবং মানুষ কে আরো স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা, মানুষের পাশে থাকা, ফাউন্ডেশনকে যেভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে মোতাবেক কাজ করে যাওয়া
অনেক বছর পর যেন আবার সেই ঈদের আনন্দ টা ফিরে পেলাম🥰 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ দিন টি তে। দেশের ৬৪ টি জেলা এবং বিশ্বের প্রায় ৩০ টি দেশের ন্যায় আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের ভাইয়েরাও নিজের বলার মতো একটা গল্প ফা
গতকাল,, ১৪ই জুলাই ২০২৩ ইং প্রিয় প্ল্যাটফর্ম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর টানা ২০০০তম দিন বিরতিহীন শিক্ষা চর্চার প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলো।
করুনার প্রভাব কিছুটা কমলেও জীবনে কষ্টের প্রভাব কমছিলনা। জীবন তো থেমে থাকেনা,পেটের তাগাদায় সংগ্রাম করতে তে হবেই।অবশেষে কিছুদিন ভালোই যাচ্ছিল।
আমি ছিলাম আমার বাবা মা এর একমাত্র সন্তান। আমার বাবা মা আমাকে অনেক আদর ও শাশন এ লালন পালন করেছেন। তখন আমার ছোট বোন ছিল না আল্লাহ তাআলা ওকে পাঠিয়েছেন যখন আমার বয়স ১৫ বছর তখন । আমার বাবা মা আমাকে এমন আ
আজ ৫টা বছর ধরে অসুস্থ আমি। ছোট জীবনটার খুব দুর্বিষহ কিছু মুহূর্ত দেখেছি আমি। আমার জীবনের কিছু সময় আর পাঁচটা মেয়েদের মত নয়। আলাদা একটু বেশিই আলাদা। আমি আজ আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু অতীতে
অসাধারণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো আজ খুলনা সদর থানার মিটআপ। খুলনা সদর থানার অ্যাম্বাসেডর Jakeya Moon আপুর নেতৃত্বে মিটআপের সকল কার্যক্রম আয়োজন করা হয় এবং সফলভাবে শেষ হয়।অসংখ্য ধন্যবাদ মুন আ
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
আমার উদ্দোগক্তা জীবন শুরু করতে যাচ্ছি।শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি।