অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর প্রতি। যার মাধ্যমে আমি অনেক কিছু অর্জন করেছি।
নিজের জীবনের একটি নীতি সবসময় মানি ও করি, যা হলো “ পারলে কারো উপকার করো তবে কারো অপকার করো না” এই নীতিতে বরাবরই বিশ্বাসী ছিলাম ও সারা জীবন থাকব। কিন্ত নিজে যে একজন ভালো মানুষ তা পুরোপুরি বলার ম
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে। আমাদের প্রান প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। অসাধা
উপস্থিত ছিলেন "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর কোর ভলান্টিয়া ও মডারেটর, ডিস্ট্রিক এ্যাম্বাসিডর , উপজেলা এ্যাম্বাসেডর সহ ফাউন্ডেশনের নিবেদিত প্রাণ এক্টিভ সদস্যবৃন্দ ও গ্রুপের আজীন মেম্বারবৃন্দ
বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জেলা পতেঙ্গা জোন" কতৃক একটি সুন্দর ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং কোরআন খতম সম্পূর্ণ হলো ,আলহামদুলিল্লাহ।
এখান থেকেই আমার ব্যবসায়িক জীবন শুরু। আমার চাচীর কাছ থেকে কিছু দেশি মুরগির ডিম সংগ্রহ করলাম ইনকিউবেটরে বসালাম অল্পকিছু বাচ্চা বের হলো কিন্তু একটি বাচ্চাও বাঁচাতে পারিনি। থেমে যাইনি লেগে ছিলাম।
সেন্ট্রাল থেকে প্রতিটা জোনের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কোর ভলেন্টিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম ভাই। ১. সেন্ট্রালের সাথে তেজগাঁও, গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা জোন ২. মিরপুর ৩. সাভার ৪.উত্তরা ৫. মত
আলহামদুলিল্লাহ. আজ আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর ব্লাড ডোনেশন টিম এর পক্ষ হতে. ৫ম বারের মত একজন সিজারিয়ান মাকে স্বেচ্ছায় একব্যাগ রক্তদান করলাম.
ভালোবাসা এমন একটি জিনিস, আমরা যদি গভীর ভালোবাসা দিতে পারি যে কোন কিছুতেই সুফল পাবোই। *(১)আমাদের স্যার, আমাদেরকে ভালোবাসেন,মন দিয়ে।তাই উনি আজ সব দিক দিয়ে সফল আল্লাহর রহমতে।
স্বাধীনতার পর উদ্যোক্তা উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের পথচলা খুব বেশি গতিময় না হলেও দেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছেন বেশ কিছু প্রতিভাবান উদ্যোক্তা। যাঁরা স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেই স্বপ্ন পূরণে ঝুঁকিও নিয়েছেন। ত
সরিষার তেল🍶, তিনি এসেছে একদম মাঠ থেকে। তাকে অতি যত্ন করে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, ঘানিতে ভাঙানো। তার প্রতি ভালবাসা টা অনেক কারন তিনি প্রতিদিন আমার ঘরের সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন। এজন্য তার প্রতি
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল (১১/১১/২০২৩) ছিল আমার প্রাণের শহর বাণিজ্য নগর চট্টগ্রামে #উদ্যোক্তা মিলন মেলা, অনেক প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চমৎকার একটি আয়োজন সু-সম্পন্ন হল।
মানুষের জীবন কখনো কখনো নাটকের থেকে ও নাটকীয়, জীবনে কিছু ঘটনা থাকে যেটা নাটক সিনেমা কে ও হার মানায়। আমি আজ আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি..
আমি জাকারিয়া হাসান, দুই ভাই এবং এক বোন এর মধ্যে আমি বড়। ছোট ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে পেশায় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্যালিওগ্রাফার। বোন কওমি
আমি আমার বড় ভাইকে বললাম এবং উনি টাকা দিতে রাজি হলেন এবং তারপরে আমি গিয়ে নাটোরে টেসটাইল ইঞ্জিনিয়ারগিয়ে ভর্তি হলাম । তারপরে আমার মা আমার নানাবাড়ি থেকে কিছু টাকা নিয়ে আসছিলেন এবং সেখান থেকে আমাকে
পরীক্ষা শেষে লম্বা ছুটি কি করবো বুঝতেছিনা তখন খালাতো ভাই থাকতো ঢাকায় তার কাছ গেলাম। সে যেই ফ্যাক্টিরিতে কাজ করতো সেই খানে ফিনিশিং সেকশনের কোয়ালিটি ম্যানে ডুকিয়ে দিলো সেখানে প্রায় ইন্টারে ভর্তি হওয়ার
টাকা ছাড়া, তদবির ছাড়া, নিজের যোগ্যতা বলে একটা সরকারি চাকরি পেয়ে গেলাম- এটা সম্ভব,,,,,,,, এটা আমার জীবনে বড় ধরনের মিরাক্কেল আমি বিশ্বাস করি এটা শুধুই আমার মায়ের দোয়া আমার মায়ের দোয়া ভালোবাসার হ
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা থাকলে সততার সাথে লেগে থাকলে ধৈর্য কে নিজের অবলম্বন করে রাখলে ভেবেচিন্তে কাজ করলে...মনোবল অটুট রাখলে জীবনে জড়িয়ে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।।জীবনের বাস্তবতা
সবার জীবনেই স্বপ্ন থাকে নিজে কিছু করার। কিন্তু এই নিজেকে কিছু করতে হবে এই ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজ করতে গেলে বোঝা যায় নিজের একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কত কষ্ট করতে হয়। আপনা
একসঙ্গে সেলসম্যানের কাজ করি আমরা অনেক বাঙালি ভাই । তারমধ্যে একজন আমার প্রিয় খোরশেদ আলম ভাই। ভাই আমাকে প্রায় বলতেন যে, উনি একটা গ্রুপের সদস্য যেটার নাম ** নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন** ভাই
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...
গাছ খুব ভালোবাসি।আর প্রকৃতির জন্য গাছ লাগানো খুবই দরকারী
নিয়তি খুবই নিষ্ঠুর। হঠাৎ করে আমার স্বামীর মিলটি বন্ধ হয়ে যায়।কিছুদিন পরে করোনাকালীন সময়ে আমার চাকরিও শেষ হয়ে যায়।আর সেইদিন থেকেই আমাকে হতাশায় আঁকড়িয়ে ধরে।
কারন দুঃখ কষ্ট মানুষকে সুখের পথ দেখায়।আজ যে কষ্টের দিন কাটিয়ে নিজেকে দুঃখী ভাবছেন।এমন ও হতে পারে এই দুঃখ নিয়ে আসছে আপনার জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।যদি আপনি নিজেকে গুছিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
বাবা মানে জীবন যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক। বাবা মানে ভাত রুটির নিশ্চয়তা দৈনিক। বাবা মানে রোগে শোকে অফুরন্ত শক্তি। বাবা মানে ই অনাকাঙ্খিত যন্ত্রনার মুক্তি। বাবা মানে ই স্বল্প
তখন আম্মু বাসায় আসলো।ছোট বোন রুমে আসার পর দেখলাম সেই কানের দুল আর পায়েল উনি পরে গিয়েছিল।কি আর বলি তখন মেহমানের সামনে😔। তারপর আম্মুর সাথে গল্প করতে দিয়ে আমি ঝটপট তাদের জন্য পায়েল বানালাম দুটো এবং প্যা
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই জোহরা দিলশাদ আরা আপুকে। নিজের অফিসকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে যেন আমরা সবাই একসাথে একই ছাদের নিচে বসে সুষ্ঠুভাবে মিট আপ করেত পারি
অধিকাংশ হিফজখানা ও এতিমখানা রমজানে অধিক দান সাহায্য পেয়ে থাকে। এসব আয় দিয়েই মূলত হিফজখানা ও এতিমখানা চলে। চলতি বছর রমজানে এতিমদের এসব আশ্রয় চালু নেই বললেই
বাবা মারা যাওয়ার পর মোটামুটি বছরখানেক চলছিল ভালই অভাবের সংসার আমার আম্মু একা সামাল দিতে পারছিল না। পরে বাধ্য হয়ে ছোট বোন কে আমার চাচার কাছে দেয়, আমাকে আমার ফুফুর কাছে পাঠিয়ে দেয় ঝিনাইদহ সেখান থেকে
আমাদের বগুড়া জেলা টিমের সন্মানিতা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর শ্রদ্ধাভাজন Selina Akter আপুর পরামর্শে বগুড়া জেলা টিমের মাসিক অফলাইন মিটআপ সুসম্পন্ন হয়েছে 💕
নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসা চোখের পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম কিছুক্ষন। তারপর ভাবলাম কি করবো, ছেলের উপবৃত্তির সামান্য কয়টা যদি নেই, তাহলে ওর কাছে স্বার্থপর হয়ে যাবো নাতো? কেউ জানলেই বা কি বলবে যে এ
আজকে আমি আমার একটা পরিচয় করতে পেরেছি।। আজকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছি নিজে পরিশ্রম করে উপার্জন করতে পারছি।।। 2007 সাল থেকে সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতার জীবন পার করছি।।
স্যার এর সন্ধান পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমার আর অন্য কোন মটিভিশনাল ভিডিও দেখার দরকার হয়নি। স্যার আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন এক জাদুর ঝুরি যেখানে আপনি যা চান তাই পাবেন। কি নেই এই জাদুর ঝুরি, নিজের বলা
উদ্যোক্তা হওয়ায় জীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে । আজ সমাজে আমাকে মাথা উঁচু করে চলার পথ দেখিয়েছে । যারা দুদিন আগে আমাকে নিয়ে সমালোচনা করত চাকুরী হয় নাই বলে । তারা আজ আমার পথ অনুসরণ করছে ।
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের দায়িত্ব নিয়ে পটুয়াখালী জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে #পটুয়াখালী_বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্
এখন তার কিছুই নেই। নতুন করে আবার শুরু করেছি। মেয়েদের পোশাকের অনলাইন বুটিকস, ফরমালিনমুক্ত আচার আমার মায়ের রেসিপি দিয়ে তৈরি, সিলেটের ক্লোন চা পাতা,ও নতুন শুরু করেছি ক্যাটারিং সার্ভিস। করো
অনুষ্ঠানে দেশে বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে এক কোটি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে এক লাখ উদ্যোক্তা তৈ
বড় ভাইয়াকে কল করে সুন্দর করে প্রপোজাল দিলাম।"""ব্যবসায়ে সুযোগ বার বার আসে না আর যখন আসে তা লুপে নিতে হয়""এখন অনেকে ইনভেস্ট করতে পারতেছেনা দোকানে বাকি বেশি থাকায় পাইকাররা মাল দিচ্ছেনা। তাই কম ভাড়ায় দোক
নিজের বলার মত একটা গল্প মাদারীপুরের মিট আপে MD Mamun Kaysar তার তৈরী rickshaw courier service শুভ উদ্বোধন করলেন । মাদারীপুরের একমাত্র online shop নাইচ অনলাইন শপের সকল পন্য বহনে রিক্সা কুরিয়ারকে সহায়তা
নাটোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি
সকলের উপস্থিতিতে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, ইনশাল্লাহ ১৪ জুলাই সফল ভাবে ২০০০ তম দিন পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করবো
মাহফুজ তখন বললো যাক পাগলীটার তাহলে সারপ্রাইজ পছন্দ হলো,তুমি খুশি তো আমিও খুশি বুঝলে পাগলী?? -তখন সালমা হুম বুঝলাম বাট একটা জন্য জিনিস বুঝলাম না এই Lima Fashion House এটা কে???যে আমাকে পাঠালো??
খুলনা জেলার ঈদ পুনর্মিলনী এবং মেগা অফলাইন মিটাআপের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার
কারণ বাবা থেকেও যে বাবার খেদমত করল না সে নিজের থেকে জান্নাত হারালো। আপনার যদি বাবা বেঁচে থাকে তাহলে আপনি কখনোই ভুল করবেন না। সবচেয়ে অভাগা সেই ছেলে যার বাবা-মা জীবিত থাকা অবস্থায় সে জান্নাত নিশ্চিত
আমরা মানুষেরা সবাই এই অর্থ চক্রের মধ্যে দিয়েই নিজেকে পরিচালিত করে থাকি,সেটা বুঝে হোক অথবা নাবুঝেই হোক না কেন! যদী এভাবে বলা হয় যে:- E, S, B, I তাহলে এমনটি করে বললে ভুল হবেনা হয়ত।
কিন্তু আমি তো তখোন চাকরি করতে শুরু করেছি মাত্র। তারপর ও স্বপ্ন তো বাস্তব করার নেশায় আমি বিভোর টাকা জমা করতে শুরু করেছি। প্রতি মাসে মাত্র ৫০০ টাকা করে জমাতে শুরু করলাম।তারপর হঠাৎ একদিন আমার মা খুব আ