একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
ভিন্নধর্মী মিট আপ *ফিজিক্যাল মিটআপে উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী * আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ফিজিকাল মিট আপ। আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zah
পরের দিন আবার আমাকে কল দিল, ভাইয়া আপনার ড্রাই ফ্রুটস তো অনেক সুস্বাদু- আমরা গত রাতে পুরোটা খেয়ে শেষ করে ফেলছি। আমিঃ ও আচ্ছা ভাইয়া, ভাবী খুশি তো আমরা সবাই খুশি তো আরো লাগবে নাকি।
চাকরি করব না চাকরি দিব। স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, সাফল্য আসবোই। কেবল একটা চাকুরির জন্যই আপনার জন্ম হয় নি। আপনি আরো অনেক বেশি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় এই মিট আপের শুভসূচনা করা হয় , একে একে আমরা সকল উপজেলায় মিটআপ করবো ইনশাআল্লাহ।
স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আমাদের আসন্ন মহাসম্মেলন এর টিকেট কেনার উৎসব পালন করা হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক ভাবে টিকেট স
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
এদিকে আমার অবস্থা তখন খুবই খারাপ তখন আমার স্বামী এক রকম জোর করেই আমাকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালে। আর কেউ যায়নি আমার সাথে শুধু আমি আর আমার হাজব্যান্ড। সেই মুহূর্তের কথা মনে হলে আজ ও চোখের পান
শনিবার ১৫ জুলাই এ বিশেষ প্রাপ্তি উদযাপিত হয় সারা দেশের ৬৪ জেলাসহ বিশ্বের মোট ৩২টি দেশে। এদিন ঢাকা জেলা টিমের আয়োজনে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ্যালো ঢাকা এবং উদ্যোক্তা সম্মেলন
নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো। গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো। বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকেও যেন ভালো রাখতে পা
একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন(আর্মি)। আমার বাবা এমন একজন ভালো মানুষ ছিলেন যার কথা না বললেই নয়।বাবা অত্যন্ত সৎ,এবং দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাএ উপার্জনকারি ব্যাক্তি। তবুও খুবই সুন্দর
কিবাবে বিনয় হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ , এক জন পজেটিভ মানুষ হওয়ার চর্চার প্রশিক্ষণ ,একজন ভালো মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণ ,নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় তার প্রশিক্ষণ ,64 জেলা ও 50 টির বেশি দেশে অবস্থান রত ফাউন
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পরিকল্পনার অংশ হিসাব ২য় ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প সম্পন্ন হলো।
সব থেকে কঠিন কাজ হচ্ছে শুরু করা।যে কোনো কিছু শুরু করতেই আমরা বেশি ভাবি।সমাজ পরিবার সবাই কি বলবে এই চিন্তায় হয়তো অনেকে শুরুই করে না।লোকে কি বলবে।আমিও এক দিন ভাবছি লোকে কি বলবে।একটা শিক্ষিত মেয়ে মানুষ এ
আগামী,, "উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২" ও "৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী" উপলক্ষে অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, আয়োজনেঃ খাগড়াছড়ি জেলা টিম আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্
আমি ব্যবসায়ী নই, তবে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার চর্চা করছি। আমার সদাইপাতি এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভোর ফ্যাশন এই বন্ধি। নানা রং এর কাস্টমার সামাল দিতে হচ্ছে আমাকেই। সে এক ব্যস্ততায় দিন যায় আমার। এর ফাঁকে
আমিও দেশে আসি, এসে বিয়ে করি। আমার বউ আই এফ আই সি ব্যাংকে জব করে। হঠাৎ একদিন আমার দেশে আসতে হয় পারিবারিক সমস্যা জন্য। আর বিদেশ যাওয়া হয়না। যখন বিদেশ ছিলাম দু হাত ভরে টাকা কামাই করতাম, তখন দেশ বিদেশের অ
আসলে পরের অধিনে চাকরি করা আমার ভালো লাগে না, অনেক সময় ভালো না লাগলে ও জীবিকার তাগিতে চাকরি করতে হয়,,,,। চাকরির পাশাপাশি প্রিয় স্যারের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে ছোট পরিসারে একটা বিজনেস শুরু করেছি। আমা
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি ন
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
এরপর হঠাৎ করেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেক নিয়ে কাজ শুরু করব। যেই ভাবা সেই কাজ। বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া কিছু টাকা এবং হাজবেন্ডের সহযোগিতায় কেক বানানোর সরঞ্জাম কিনলাম এবং বেশ কয়েকটি কেক বানালাম।
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...
ইউনিক দুবাই উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২১ এ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক@Iqbal Bahar Zahid স্যার ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন (ইউ এ ই) এর সামাজিক সংগঠন ব্লাকজোন পরিবারকে। #মডারেটর মোহাম্মদ রাসেল আকন্দ জেলা খুলনা ৭ম//
আমার ছেলের বয়স যখন ১৪ দিন তখন আমাকে টাকার খোজ করতে বের হতে হয়।প্রতিদিন কিস্তির স্যারেরা৪জন ৫জন করে বাড়িতে আসতে থাকে। বলে যেখান থেকে পারেন টাকা নিয়া আসেন আমরা বসে রইলাম। আমি টাকার খোজে চলে গেছি আমার শ
আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। পাবনা জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন
নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের ফিজিক্যাল মিটআপ গত ১০-১২-২০২১ ইং তারিখে। মিটআপের আয়োজনে ছিলো, ♦️উদ্যোক্তাদের পন্য প্রদর্শনীর সুব্যাবস্থা ♦️টিকিট বিতরণ ♦️আসন্ন মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা। সবমিলিয়ে চমৎকা
কি আর করবো সবাই যদি পরিবার ছেড়ে চলে যায় তাহলে আমার ছোট যে ভাই বোন আছে তারা মানুষ হবে কেমন করে,শুরু করলাম সুতা লুঙ্গির দোকানে মহরীর কাজ তিন বছর করলাম বিজনেস শিখলাম। তারপর আমি নিজেই শুরু করলাম লুঙ্গির
ধন্যবাদ জানাই আমাদের সবার প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সুন্দর একটি প্লাটফর্ম উপহার দেওয়ার জন্য।
অনেকবারই হাতের স্যালাইন খুলে ফেলতাম,অক্সিজেন নলটা খুলে রাখতাম যাতে মরে যেতে পারি।কিন্তু যখনই মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতাম আম্মু ব্যস্ত হয়ে পরতো। নার্সদের ডাঃ দের ডেকে নিয়ে আসতো।আর তারা এসে সব ঠিক করে দ
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
এটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে বড় অর্জন। কারন আমি খুবি সাধারণ স্বভাবের একজন মানুষ। গ্রামের আট দশ জন মানুষের মতো আমাকে কেউ চিন্ত না জানতো না ।সবার সাথে সহজে মিশতে পারতাম না।
তারপর আস্তে আস্তে গ্রুপে সময় দেয়া শুরু করি। ধীরে ধীরে বুঝতে থাকি জানতে থাকি শিখতে থাকি। তারপর নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম একজন উদ্যাক্তা হবো।
শুরু হলো আমার সংগ্রাম জীবনের পথ চলা। কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে শেষে আল্লাহর অশেষ রহমতে ভর্তির সুযোগ পেলাম মেধা তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত তেজগাঁও কলেজ এ হিসাববিজ্ঞান বি
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
আমার জন্ম থেকে বেড়ে ওঠার যমুনা নদীর চরের মধ্যে আমার ছাত্র জীবন ভালোই চলছিল এবং তখন আমি ছাত্র অনেক ভালোই ছিলাম জেএসসি পাস করে যখন নবম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হলাম আর তখনই আমার জীবনের এক ভয়ঙ্কর বাধার সম্ম
ডিগ্রী শেষ করেই ঢুকে পড়ি কর্ম জীবনে, একটা সেলস এর জব নিয়ে চলে আসি ঢাকায়। পরবর্তীতে আরও দুই একটা কোম্পানি ঘুরে ঘুরে কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। বর্তমানে আছি আড়ং ডেইরি পরিবারের সাথে একজন সেলস ম্যানেজার হি
আজ লিখব আমার দয়ালু বাবার ত্যাগ, তিতিক্ষা, সংগ্রাম,ব্যবসার উওান পতন। সর্বোপুরি আজ পর্যনত উপসংহারে তার বিজয়ের গল্প। অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে আমার বাবার এই গল্প থেকে আশা করি সবাই অবশ্যই পড়বেন।
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমা
শরিয়তপুর জেলার পালং থানায় আজকে আমরা ১০০০ তম দিন উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে, সকলের উপস্থিতিতে সফলভাবে একটা মিটআপ সম্পন্ন করলাম, আলহামদুলিল্লাহ্
এক মাদকাসক্ত চিকিৎসালয়ে কিছু রোগীর সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে কথপোকথন 👇 ডাক্তার বলছেন : আপনারা এতদিন যথেষ্ট অসুস্থ ছিলেন;এখন বেশ সুস্থ হয়েছেন। এখন থেকে নিয়মিত সুন্দর জী
মানবতার দর্পণ প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষায় আমাদের ফাউন্ডেশনের ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিম মানবতার অগ্রদূত হিসেবে ২৪ঘন্টা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
স্যারের অনুপ্রেরণা নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত অনলাইন সেশন চর্চা করছি এবং শিখছি, জানছি। আমাকে জিততেই হবে। বারবার হোঁচট খেয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্ল
দোয়া চাই, যতদিনে আমার রক্তদানে রক্তদানে সহোযোগিতা করা যায়
আমি আরো বিশ্বাস একদিন মানিকগঞ্জ জেলাও সফল উদ্দোক্তা তৈরি করতে সক্ষম হবে।
আমি🍃:আমি যেহেতু ভাইয়াকে বলেছিলাম 5 তাই ভিতর দিয়ে আসব.তাই টাকা বেশি গেলেও আমি কথা রাখার চেষ্টা করেছি.রোজা রেখে পায়ে হেঁটে রিক্সায় যা পেয়েছে তা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কমিটমেন্ট রক্ষা করার জন্য 5 টা
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।