"নিজে কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো!!" বলতে পারেন সাবলম্বী হওয়ার একটা ইচ্ছা থেকে ২০১৮ এর শেষের দিকে আমি ঘরোয়া পরিবেশে স্বামীর কাছ থেকে অল্প পুজি নিয়ে কাপড়ের বিজনেস শুরু করি। বিজনেস বেশ ভালোই চলছিলো।
নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আমাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আমার পথ আমাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আমাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখ
নিজের বলার মত একটা গল্প, প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থেকে, মানুষের সেবা করব, আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন ভালো আছি, একটা কোম্পানিতে চাকরি করতেছি, ছোট একটা ব্যবসা করতেছি, সার্ভেয়ার হিসেবে কাজ করতেছি, আমি আরো
_______বিসমিল্লাহর রাহমানির রাহীম ________ _________ আসসালামুয়ালাইকু _________ ________________ শুকরিয়া__________________ সর্বপ্রথমে শুকরিয়া জ্ঞাপন করিতেছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যিন
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
উনার সাথে আমার পরিচয় এই গ্রুপ থেকে, প্রথম পরিচয়, ওনার একটা পোস্ট এর মধ্যে উনি লিখেছিলেন উনি দুবাই থাকে, তখন ওনাকে মেনশন করলাম ওনার ইনবক্স দেখার জন্য, পরে উনার সাথে পরিচিত হয়ে কথা বললাম, কথা বলে এত
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
ম্যাজিক ম্যান আসলে আপনি জানেও না আপনার প্রতিটি কথা কতটা যাদুর মতো কাজ করে একজন সফল মানুষ ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। ছোট বেলা থেকে নিজেকে সফল হিসেবে দেখতে চেয়েছি
আমি উদ্যোক্তা হই বা ব্যবসায়ী যেটাই হয় না কেন, কোনদিন কোন মানুষকে ঠকাবো না, কখনো কাউকে কোন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিব না, কখনো কারো কোন ক্ষতি সাধন করব না, কাউকে কখনো কোন খারাপ পণ্য দিব না,
কি ভাবছেন? ভাবছেন আমি তো বড় রাজনৈতিক নেতা না, আমি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কিভাবে সামাজিক কাজ করব,, কিভাবে দেশের জন্য কাজ করবো। সেটাও আমাদের স্যার দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় রাজনৈতিক নেতা না হয়েও সম
১০০তম সেশন চর্চা উপলক্ষে ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ কর্তৃক আয়োজিত অফলাইন মিট আপ এর একাংশ। উক্ত মিটাপ দুটি সেশনে পরিচালিত হয়েছে প্রথম ভাগে আমন্ত্রিত অতিথিদের ট্রেনিং স্পিচ আর দ্বিতীয় ভাগে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক
গত বছর কোরবানি ঈদের দুদিন পরে দেবর শ্বাশুড়ি ননদ এরা সবাই মিলে আমার সাথে যে আচরণ করছে তা আপনাদের বুঝানোর মতো আমার ভাষা নেই। তারপর আমার স্বামী শুনতে পায় এবং সে আমাকে কয়েক কিলোমিটার দূরে একটি জায়গায় আ
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
🌿আজকের দিনটি ক্রেতা বিক্রেতার জন্য ব্যস্ততমদিন। হাটের দিনে সবাই খুব উৎসাহ নিয়ে বাজারে আসে,কেউ পন্য বা সার্ভিস বিক্রি করে খুশি আবার কেউ কিনে খুশি। আজকে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের সবাইকে জা
আলহামদুলিল্লাহ সফলভাবে শেষ হল মিরপুর জোনের অফলাইন মেগা মিট আপ⭐ সর্বোচ্চ ৭৪টা স্পন্সার নিয়ে মিরপুর জোন এখন সুপার মডেল জোন
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলো একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। তার জন্য প্রয়োজন সততা ও লেগে থাকা, এটা শুধু অর্থনৈতিক সততা নয়, সম্পর্কের সততা ও কমিটমেন্ট
_____বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম ______ ________আসসালামু আলাইকুম_________ _____ওয়া রহমাতুল্লাহিওয়া বারাকাতুহু____ ____শুরুতেই মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি কারণ
আমার অভাব আমাকেই দূর করতে হবে। আমার শুধু মনে হয়েছে আমার কিছু একটা করা দরকার। আমার জন্ম হয়েছে কাজের জন্য, তাই কাজ করেই খাব
যখন যুক্ত হলাম তখন আসলেই এই ফাউন্ডেশন সমন্ধে কিছুই জানতাম না ۔ভাবলাম অন্য আরো আট দশ টা গুরুপের মতোই এটা তেমন কিছু হবে ۔ তাই অনেকটাই অনিয়মিত মাঝে মাঝে পোস্ট গুলো ও সেশন গুলো পড়তাম ۔ মাঝে মধ্যে অনেকের
প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলে এখন ঘরে বসেই যেকোনো বিষয়ে কোর্স করা যাচ্ছে। বাংলাদশেও এর ব্যাতিক্রম নয়। লাখো তরুণ চাকরির পেছনে না দৌড়ে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন উদ্যোক্তা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে অনলাইন
💕 " ধৈর্য্য ধরে টিকে থাকতে পারলে, নিজের যায়গা, নিজেই তৈরি করতে পারবেন" তৈরি করতে পারবেন, নিজের বলার মত একটা গল্প..💓🤳
___________তখন আমি বাংলা এপ্যাস ব্যবহার সটিক ভাবে করতে পারছি না। আমি কিন্তু কম্পিউটার ১ বছরের কোর্স করছি টাইপিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর কিন্তু সেসব তো ভুলে গেছি প্যাকটিসের অভাবে।১৪ মিনিট টাইপিং স্প্র
বিভিন্ন জেলা থেকে স্যারের ডাকে এসেছেন কাধে কাধ রেখে অংশ গ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর প্রাণপ্রিয় যোদ্ধারা।
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
প্রবাস জীবন শুরু আমার ২০০৭ সালে ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ থেকে আজকে প্ররাই ১৩ বছর অতি বাহিত হলাে । আলহামদুলিল্লাহ । এই ১৩ টি বছর থেকে আমি অতি আপন জন হারিয়েছি । মা বাবা চাচা জেড়া ফুফা আরাে কত জন । জ
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
সরিষার তেল🍶, তিনি এসেছে একদম মাঠ থেকে। তাকে অতি যত্ন করে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, ঘানিতে ভাঙানো। তার প্রতি ভালবাসা টা অনেক কারন তিনি প্রতিদিন আমার ঘরের সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন। এজন্য তার প্রতি
ছোটবেলা থেকেই ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চাটা গড়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো একক ঘটনা না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
অনেক সাহস করে ২০১৫ সালে রমজানে বাবার রেখে যাওয়া ৩০০০ টাকা আর দুইটা ড্রেস ছিলো আমার বেবসার পুঁজি।।।।।।।।
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
আপনি ব্যবসা করছেন সেই ব্যবসার কত রকম মারপ্যাঁচ আছে সেইটা কিন্তু আপনি প্রতিনিয়তঃ টের পান।। ঠিক প্রতিটা কাজেরই এরকম ট্র্যাক রয়েছে। লেখার যে কত রকম ট্র্যাক আছে সেটা লিখতে লিখতেই অনুধাবন করা যায়।। আর স
বিনা মূল্যে টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনে নাটোর জেলা টিম, আলহামদুলিল্লাহ সফল আয়োজন। সবাই মিলে একটা সুন্দর দিন পাড় করলাম আলহামদুলিল্লাহ। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর I
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
আসসালামুয়ালাইকুম আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছি আমি ও আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা অনেক ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ আজ আদর্শ ফেনী জেলার বার্ষিক মিল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফেনী জেলা প্রশাসক স্যার ও ফেনী
আমার মূল উনুপ্রেরনা: স্যারের দেয়া সেশান গুলো প্রতিদিন আমাকে আমার কাজ করতে উনুপ্রেরনা দিচ্ছে। সাহস দিচ্ছে। স্যারের প্রতি টি কথাই আমার অনুপ্রেরণা। প্রতিদিনের শপথ বাক্য আমাকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে ।
প্রত্যেকের জীবনে একটা দূর্ঘটনা বা কালো অধ্যায় আছে, তেমনি আমার জীবনেও আছে তা হল রাজনীতি। স্কুল জীবনে মনের মধ্যে কখন যে রাজনীতির বীজ রোপিত হয়েছে তা বুঝতে পারিনি,কিন্তু মনের মধ্যে ছিল দেশ প্রেম ও দেশের ম
স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কিছু স্থাপত্য এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য— মদনপুরের হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমি (র.) মাজার, শাহ সুখুল আম্বিয়া মাজারের পাশে মোগল
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম 🥀আমি প্রথমেই শুকরিয়া জানাই সকল প্রসংশাময় আল্লাহর দরবারে যিনি অশেষ রহমতে আমাদের সুস্থ ও ভালো রেখেছেন । 🥀 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের আশার প্রদীপ জ্বা
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
Iqbal Bahar Zahid স্যারকে কৃতজ্ঞতা জানাই এতো সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে উপহার দেয়ার জন্য।
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
ছোট থেকেই মানুষদের কোনও কষ্ট দেখলে আমার ভাল লাগতো না।সাধ্য মতো চেষ্টা করতাম মানুষদের উপকার করার।এ সময় জুটের এবং পুকুরে মাছের খামার করতাম।মাছের খামারে আমার তেমন লাভ হতো না কারন বেশির ভাগ মাছ যাদের কিনে
আমি অল্পে তুষ্ট হওয়া একজন মানুষ, আমার চাহিদা অনেক কম। আমি ছোট থেকেই কখনও ভাবিনা আমি কি পেলাম, কতটুকু পেলাম, বরং আমি অন্যদের জন্য কতটুকু ত্যাগ করতে পেরেছি, কতটুকু করা প্রয়োজন, আমার নিজের দায়িত্ব কতটুকু
করোনায় যে শিক্ষা মানুষকে দিয়েছে তার মধ্যে আমিও পিছিয়ে ছিলাম না😥। স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপার্জনের সর্বদিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।যে আমি মাসে ইনকাম ছিলো ৩০ হাজার প্রায়, সে এখন বেকার। 🤔রাত যায় দিন আসে ভাবন
মনের মাধুরী মিশিয়ে ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসায় সিক্ত সবাই , যেখানে সারা রাত জেগে কাজ করা অথবা দূর থেকে ছুটে এসেও কেউ ক্লান্ত হয় না। যেখানে নেই হিংসা বিদ্বেষ অহংকার, আছে ভালোবাসা বিশ্বাস, এগিয়ে যাওয়ার সাহস