বিদেশের জন্য কিছু টাকা ধার নিয়েছে কিছু টাকা জমি বন্ধক দিছে আবারও তিন মাসের মধ্যে আমার কুয়েতের ভিসা চলে আসে
স্যার এর ক্লাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গত বছর কুরবানির ঈদের সময় আমার বাবুর সালামির কিছু টাকা, ও বাবুর বাবার ঈদ বোনাস এর কিছু টাকা দিয়ে সামান্য কিছু প্রডাক্ট দিয়ে বিজনেস শুরু করি।
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...
কিন্তু ইদানিং অনেক সাহস করি আর একটু এগিয়ে যাওয়া বুঝতে পারি , পিছিয়ে যাওয়ার কারণটাও জানতে পারি শিখার অনেক কিছু প্রয়োগ করতে পারি ,আমি বিশ্বাস করি এগিয়ে যাওয়ার অনেক শিক্ষা পেয়েছি নিজের বলার মতো এক
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে আম্মা আব্বা দোয়া নিয়ে নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস রেখে ১৫০০০হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব্যবসা।আমার ব্যবসা জীবনের প্রথম দিনের ইনকাম ছোাট গাড়ি খরচ বাদ দিয়ে ৪৬৭ টাকা।সেদিনের
সত্তরোর্ধ বৃদ্ধ কোন এক বাবাকে বলতে শুনেছি,,,, " এখন ফল খেতে পারবো, আমার ছেলেরা শহরে থাকে, কেউ আমায় ফল কিনে নিয়ে দেখতে আসে না । যখন অসুস্থ হয়ে যাব, খেতে পারবো না; তখন হয়তো আমার মাথার
প্রতেকটা মানুষের জীবনে একটা স্বপ্ন থাকে। তেমনি আমারও রয়েছে। আমি পোষাক নিয়ে কাজ করি। নিজের কারখানায় তৈরি পোশাক নিজস্ব শোরুমে হোলসেল করে থাকি। এই হচ্ছে বর্তমান।কিন্তু আমার স্বপ্নটা আকাশ ছোয়া। কতটুকু সফ
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
এই প্রোগ্রামটি এতো সুন্দর করে আয়োজন করার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা
আমরা সবাই স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে সবাই ভালোবাসে।কারও স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া,কার ও স্বপ্ন খুব সামান্য। ছোট হোক বা বড় সে তো কেবলি স্বপ্ন। স্বপ্ন ছাড়া বাঁচা যায় না কখনো? সবাই চায় পৃথিবীতে একদিন সবাই ত
আমাদের সকলের প্রানপ্রিয় মেন্টর পরামর্শদাতা কিংবদন্তি পুরুষ সুপার হিরো জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ সারের সকল কথা মেনে আমি আমার ভালোবাসা নিজ জেলা টিমের শ্রেষ্ঠ টিম ও শেষ্ঠ জেলা যশোর কে দেখতে চায়।
আমি নিজে উদ্যোক্তা হয়ে হয়ে নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক গরীব হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো আরো কিছু বেকার ভাই-বোনদেরকে আমার মতো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব।
শিখেছি কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়। ★পেয়েছি অনেক বড় একটি নেটওয়ার্ক। যা জীবন বদলানোর জন্য যথেষ্টর চেয়েও অনেক বেশি। এবং প্রতিদিন শিখে যাচ্ছি নতুন কিছু।
আলহামদুলিল্লাহ, প্রিয় গ্রুপ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে অফলাইন "মিট আপ"লালমনিরহাট জেলা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মিট আপ সফল হয়েছে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আসসালামুআলাইকুম। আজকে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান ছিলো। সেখানের অনুভূতি বলে বুঝাতে পারবোনা। এতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসা হয়তো আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
আমার জীবনের এখন একটাই লখ্য,প্রিয় স্যারের এই প্লাটফর্ম থেকে নিজেকে একজন সফল উদ্দোগতা ও একজন ভালো মানুষ হিসাবে তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।
গতকাল রাত থেকেই চিন্তা করছিলাম আগামীকাল তো হাটবার, বেচা কিনা কেমন হবে আল্লাহ জানে, তারমধ্যে এখন আবার নতুন করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা চাকরি নিয়েছি, সে সুবাদে মাদ্রাসার কিছু দায়-দায়িত্ব আছে.............
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
একদিন আমার পোস্টে মালেয়েশিয়া প্রবাসি একজন ভাই কমেন্ট করেন, 'আপু চকলেট নিতে চাই, ইনবক্স চেক প্লিজ' আমি ইনবক্স চেক করলাম, ভাইয়া চকলেট এর প্রাইজ আর ভ্যারাইটি জানতে চাইলেন, আমি তাকে সব ইনফরমেশন দিলা
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃতজ্ঞতা প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি আমাদের কে এত সুন্দর একটি পরিবার উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য।
তাড়াতাড়ি সব কাজ শেষ করলো। কিন্তু কি পড়ে যাবে ভেবে পাচ্ছিল না। আলমারি খুলে অনেক শাড়ী দেখলো কোনটা পড়বে বুঝতে পারছে না। দেখতে দেখতে চোখে পড়ল নীল রংয়ের একটা শাড়ী। সেটা বেড় করে পড়ে নিল। সাথে নীল চুড়ি কপালে
NRB কাতার এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
কি মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করতে লাগলাম সামনে তখন আমার এইচএসসি পরীক্ষা কিছুদিন পর আমার এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা দিলাম পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল তারপর পরীক্ষার রেজাল্টের অপেক্ষা রেজাল্ট হল আল্
প্রত্যেকটা সম্পর্কই কিছু না কিছু আমাদের শিক্ষা দিয়ে যায়। চারাগাছটিকে খাবার,পানি না দিলে যেমন গাছটি আর বেড়ে উঠবেনা, ফুল ও ফল সে গাছ থেকে আশাও করা যাবে না। তেমনি সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে,যত্ন
জমাট বাঁধা হাজার রঙের কথা উথলে উঠে বুকের চিনচিন ব্যথায়। যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম, তাহলে হয়তো হৃদয়ের জ্বালা কিছুটা মিটত । এইতো সেইদিন বিছানা ঝাড়তে গিয়ে অনেক গুলি কাগজের টুকরা নজরে পড়লো। হাতে
আমি🍃:আমি যেহেতু ভাইয়াকে বলেছিলাম 5 তাই ভিতর দিয়ে আসব.তাই টাকা বেশি গেলেও আমি কথা রাখার চেষ্টা করেছি.রোজা রেখে পায়ে হেঁটে রিক্সায় যা পেয়েছে তা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কমিটমেন্ট রক্ষা করার জন্য 5 টা
এখন আগামীর লক্ষ্য হচ্ছে আমি আমার নিজের হাতে তৈরি আচারগুলো বাংলাদেশ তথা বিশ্বের 100 টি দেশে পৌঁছে দেওয়া সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমার কোম্পানির যেন অধিক লোকের কর্মসংস্থান
জীবন হলো এমন একটি বর্ণময় যাত্রা যা একদিকে যেমন আনন্দ, হাসি, খুশি ও সুন্দর-সুন্দর মুহূর্তের সাথে ভরপুর থাকে তেমন অন্য দিকে তেমনি থাকে বাধা বিপত্তি, দুঃখ কস্ট, হার - জিত ইত্যাদি।
আমরা স্কুলে একটা খেলা খেলতাম। প্রিয় রং,প্রিয় খেলা ,প্রিয় পোশাক, প্রিয় নবী, প্রিয় ফল, প্রিয় খাবার,প্রিয় ফুল প্রিয় ফুটবল দল, এরকম অনেক প্রিয় জিনিস বান্ধবীরা যার যার ডায়েরীতে লিখে রাখতাম। উদ্যে
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
সেই ধারাবাহিকতায় ০৩-১২-২০২১ইং রোজ শুক্রবার তারুন্যের মানিকগঞ্জ জেলা টিমের ৮ম অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পূর্ণ হয়ে গেল। মাঝখানে কোরনা কালীন সময়ে স্যার এর দিকনির্দেশনা নিয়ে অনলাইন কার্যক্রম গুলো চলমান ছিল এ
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
আলহামদুলিল্লাহ্ চমৎকার ভাবে সম্পূর্ণ হলো আমাদের শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাসিক অফলাইন মিটআপ।
একদিন বাবা বললেন, এই দিকে আয়, হালচাষ কিভাবে করতে হয়, শিখিয়ে দেই। বাবা শিখালেন গরু সোজা চলার জন্য কি বলতে হয়, বাঁক ঘুরতে কি বলতে হয়। কি সাবধানতা, গরু পায়ের দিকে লাঙ্গল যাতে কোন ভাবে না লাগে। এই হলো..
উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে হচ্ছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২’।
চাইলে আপনিও মানুষের জন্যে কাজ করতে পারেন, পাশে দাঁড়াতে পারেন। মানুষ কে সাহায্য করলে সব সময় টাকার প্রয়োজন হয় না টাকা ছাড়াও সহযোগিতা করা যায়। রক্তদানে মধ্যে (স্যার ইকবাল বাহার জাহিদ)
জমি বন্ধক রেখে আমি প্রবাসে চলে যাই আর সেখানে তৈরি হয়ে প্রবাসী জীবন
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
আপনি বলনে, আপনিতো কৃষি নিয়ে, বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর নিয়ে, আবার মাঝেমাঝে দেখছি ব্লক নিয়েও কাজ করছেন। তাহলে বলেনতো ব্লকের ফ্যাক্টরি দিলে কেমন হয়। #বিদেশে এই #কংক্রিট_ব্লকের ব্যবহার অনেক বেশি। 🔷আ
শারিরীক সমস্যা থাকার পরে রক্তদানে পিছিয়ে নেই এই ভাইটি মনের শক্তিটা সবচেয়ে বড় বিষয় স্যালুট ভাই 😍 👉অথচ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে /আমাকে সুস্থ রাখার সত্বেও রক্তদান করতে আপনি অনিহা প্রকাশ করেন কেনো?
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
প্রবাসী স্বামীর শপিং 👇👇 স্বামীঃ হ্যালো, কি হলো তোমার? এতো সময় ফোন বেজেই চলছে, অথচ ফোন ধরলে না?? স্ত্রীঃ ফোন দিলেই যে সবসময় রিসিভ করতে হবে এমন কেনো ভাবছো😠 স্বামীঃ সাধারণ একটা শপিং নিয়ে তুমি এমন ক
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,