আমার ছোটবেলায় বেড়ে উঠা জীবনের অধিকাংশ সময়টা কেটেছে ঘরবন্দী হয়ে কারণ আমি মেয়ে সন্তান এবং আমার আব্বু-আম্মু ইসলাম ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন দু-জনেই। আমারা তিন ভাইবোন এদের মধ্যে আমি মেজো, ভাইয়া স
অবশ্যই সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া। সততা ও কমিটমেন্ট রক্ষা করা। মা,বাবার সেবা যত্ন করা।পরিবার,সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করা।জীবনের সবক্ষেত্রে পজিটিভ থাকা। নিজে ভালো থাকা ও অন্যকে ভালো রাখা। জীবনে অন্ত
১৯৯৯ সালে চলে আসলাম সেই স্বপ্নের প্রবাস সৌদি আরবে, সেই সাথে প্রবাসীর কাথায় নাম লিখালাম। দেশে থেকে যেমন মনে করেছিলাম সৌদি আরব আসলেই অনেক টাকা কামাই করতে পারব তার কোনো কিছু বাস্তবতার সাথে মিল হচ্ছে
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
আমি মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারে অভাব থাকায় আমি চেষ্টা করি নিজেই টাকা উপার্জন করার।আর সেই থেকে নিজের পড়ালেখার খরচ জোগাড় করতে অনেক ধরনের কাজ করি আমি।আমি জানতাম আমার প্রয়োজনীয়
শুধু এটুকুতে থেমে নেই বহুল আলোচিত বগুড়া বিখ্যাত দই বহু আগে থেকে দেশ ছেড়ে দেশের বাহিরেও সু-নামের সাথে ইমপোর্ট করে ছাড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের বগুড়া ও বগুড়া দই। বগুড়ার দইয়ের ছোট্ট একটু বিপরণ তুলে ধরলাম। 👇👇
আসসালামু আলাইকুম ভাই ও আপুরা কেমন আছেন সবাই ✋ চলছে রাজবাড়ী জেলা কর্তৃক আয়োজিত ফাউন্ডেশনের টানা 2️⃣0️⃣0️⃣0️⃣তম দিন উৎযাপন ও উদ্যোক্তা সম্মেলনের অনুষ্ঠান। স্হানঃ শিল্প কলা একাডেমি, রাজবাড়ী সবাই দোয়া
অনুষ্টান শেষ হয় পথ শিশুদের খাবার বিতরণ ও কেক বিতরণ এর মাধ্যমে।
হঠাৎ করে একদিন পাশের বাসার ভাবি এলেন। আমি রুমে শুয়ে আছি। তিনি এসেই মা কে বললেন কাকি রিতা কই অনেক দিন হলো দেখিনা আবার অসুস্থ হয়ে গেছে নাকি আমার মা/ না অসুস্থ না সারাদিন মোবাইল নিয়ে পরে থাকে দেখবি কি ক
হাজারও ব্যাস্ততার মাঝেও খুব ভাল ভাবে সম্পন্ন হলো পটুয়াখালী জেলা টিমের আনন্দ ভ্রমণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
ভালোই চলছিলো কম্পিউটার কম্পোজের কাজ। প্রথম প্রথম কাজ শিখতে শিখতে একটু কম আয় থাকলেও টাইপিং এর স্পিড বেড়ে যাওয়ার পর আয় বাড়তে থাকলো। হঠাৎ দোকানের মালিক বললো, “ভাই, তুমি তো বিশ্বাসের সাথে অনেক দিন ধরেই
আমি মেসে থাকা কালিন যার যা দেখতাম তাই করার চেষ্টা করতাম। যতক্ষণ না পারি ততক্ষণ চেষ্টা করি। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
লেখার মধ্যে একটা প্রতিবন্ধকতা কি জানেন? লেখার মধ্যে লেখকের অশ্রুসিক্ত চোখ দেখা যায় না। স্যার আপনি বহু বছর হাসি মুখে বেঁচে থাকুন আমাদের মাঝে। ভালো মানুষ হবার জন্য প্রয়োজন দরকার ভালো চর্চা। আপনি ভালো ব
মনে রাখতে হবে একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো বড় বিষয় নয়। মার্কেটিং করা বা আপনার পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ করে কাস্টমারের দৌড় ঘোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কারণ আপনাকে মাথায় রাখ
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
আমি ছোট বেলা থেকে মনে প্রানে যে কথাটা ভাবি সেটা হচ্ছে আমি একটা কোম্পানীর মালিক হবো। সে টা আমার নামে হবে। সে খানে অনেকে চাকরী করবে। আমি চাকরীর পাশাপাশি আমার নিজের উদ্যোগে একটা কম্পিউটার কিনলাম তখন
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
পরিবারের বাবা,মা,ভাই,বোন, আত্মীয়-স্বজন বউ বাচ্চার জন্য। দিনের পর দিন চলে যায় প্রবাসে। তাদের অর্ধেক জীবনটা প্রায় প্রবাসে জীবনে কাটিয়ে দিতে হয় বছর এর পর বছর। পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে টাকা উপার্জন করতে হ
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অতন্দ্র গাজীপুরের মিটআপ
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,
উক্ত “মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলার দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের একাংশ।
মাসুমা : তোমাদের এই হাট বার টা তৈরি করেছে কে? রাবেয়া ইসলাম ফাতেমা : আমাদের সবার প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এই ফাউন্ডেশন তৈরি করে দিয়েছেন । সেই একজন ভালো মানুষ এবং অসাধারণ একজন মানুষ।।
কার কোথায় হাটে বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে কে কোন জিনিস তুলেছে কার বিক্রি হচ্ছে কি হচ্ছে না সব মনিটরিং করা হয় । কেউ কোন ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা কেউ কাউকে ঠকাচ্ছি কিনা সব মনিটরিং করা হয়. তবে এখানে কোন ঠকানোর
700 নম্বর দিন আমাকে মনে করিয়ে দিল আমি কত পিছিয়ে ছিলাম।। নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ আজ আমাদের গ্রুপের 700 নম্বর দিন অতিবাহিত হল। সবাই এই 700 নম্বর দিন নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে আমি তাদের পোস্ট গুলো দেখ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাসিক মিটআপ সম্পুর্ণ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে পরিচয় পর্ব ৯-১-২০২১ মহাসম্মেলন, টিম মেম্বার বাড়ানো, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ বাড়ানো, নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসার গল
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
দিনগুলো ভালোই কাটছিলো। হঠাৎ আব্বুর পরিচিত এক ভাই আব্বুকে বলে লটারির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার কথা। সেখানে পার করে দিই এক গুরুত্বপূর্ণ সময় কিন্তু কোনো লাভ হয় না। সময় গুলোকে অযথা নষ্ট করে ফেলি। তা
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় ত্রান বিতরন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছে নিজের বলার মত একটি গল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে খুলনা টিম।
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার প্রানবন্ত ভাবে ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলার ভাই - বোনদের মধ্যে হয়ে গেলো সম্পর্কের উন্নয়ন মিটআপ।
-স্যারের সেশন নিয়ে প্রতি রাতে ১ঘন্টা আলোচনা ২- প্রতিদিন ১ ঘন্টা ব্যাবসায়ীদের একসাথে করে তাদের খোজ খবর নেয়া ৩- প্রতিদিন ১ জন উদ্দোক্তাকে প্রমোটিং ৪-নিজেরা নিজেদের থেকে ক্রয়-বিক্রয় ও কিনতেচাই পোস্ট এ
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
বার মার্কেটে সুনাম আছে উনি সৎ নিষ্ঠাবান পরিশ্রমী বিনয়ী একজন ভালো মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে বাবাকে পাইকারি দোকানদাররা দোকানে পাইকারি পন্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আস্তে আস্তে ব্যবসা বড় হয়। কিন্তু লাভ দেখা যায়
প্রসাদে আসার পর দরবেশ এক অদ্ভুত কাণ্ডের সাক্ষী হলেন। রাজার প্রহরীরা দরবেশ সাহেবের সাদা পোশাকের উপর লাল রঙ ঢেলে দিলেন।
এখন আমার মনের মধ্যে এই বিশ্বাস দানা বেঁধেছে আমি পারবো, চাকুরী করবো না চাকুরী দিব ইনশাল্লাহ, সকলের কাছে দোয়া প্রার্থি।
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
গতকাল দিনটা খুবই ভালো একটা দিন ছিল। অফিসে আসার সময় পথের মধ্যে এই বাচ্চাটিকে পাই। সে বাসা থেকে একা একাই বের হয়ে হারিয়ে যায়। অফিসে দেরি হয়ে যাবে এই ভয়ে! বাচ্চাটিকে একটি চায়ের দোকানে রেখে অফিসে চলে আসি😧
এই পৃথিবীতে যত রকম দান আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সেরা আর পবিত্র দান হচ্ছে রক্তদান। কারণ জীবন রক্ষার চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। তাই আমিও চেষ্টা করছি মৃত্যুর আগে কিছু মহৎ কাজ করে যাওয়ার জন্য।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামগতি উপজেলার কলেজ শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট উদ্যেক্তা ও সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গ।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর ১০০০তম দিন উপলক্ষে রাংগামাটি জেলায় কেক কেটে উদযাপন করা হয়েছে।প্রতিটি ঘরে ঘরে উদোক্তা গড়ে উঠুক এই মোদের আশা।কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের
আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ!! সফলভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল 🌜🌜 ঈদ পুনর্মিলনী ও ক্যান্টনমেন্ট থানা সদস্যদের অফলাইন মিট আপ।
আমি আমার ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি,আমার মনে সর্বদা স্যারের প্রত্যেকটা বাণী ন্যায় একটি বাণী বেশি বিরাজ করে 'চাকরি করবো না চাকরি-দিব' প্রিয় স্যারের এই বাণীটি বুকে ধারণ করে আমি এখন উদ্দ্যােক্তা
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মাসুম আহামেদ উপ পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর,চুয়াডাঙ্গা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সোহেল তামজিদ হিরো।
মনে মনে ভাবতাম তাদের জীবন কতই না সুন্দর। আমার যদি এমন হতো। আর আমার স্বপ্ন সবসময় বড়ো বড়ো ছিল। যেটা পূরণ করা অনেক সময়ের ব্যাপার। কিন্তু আমার সেই ধৈর্য টুকু ছিল না।দীর্ঘ সময় ধরে কোন কাজকে এগিয়ে নিয়ে য