আমার একটাই ভুল আমি ব্যবসায় লাগে না থেকে হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম,, লেগে থাকার বিকল্প নেই এবং আমি শুরু থেকেই লেগে থাকলে এখন হয়তো মাসিক সেল এক লক্ষ টাকা হতে পারতো,, আলহামদুলিল্লাহ চলতি মাসে আমার প্রায় ৪০-৫০
আমি একটি সাধারন মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে।আমার বাবা একজন কন্টাকটর ও মা গৃহিণী। দাদা- দাদি ,মা -বাবা, আর আট ভাইবোন নিয়ে আমাদের পরিবার। আমি পরিবারের সপ্তম সন্তান। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলাম। বাবা
আমি আর সহেল একই দোকানে কর্মরত আছি। আমার উপর সহেল একটু বিরক্তবোধ করতো সবসময়, কারন প্লাটফর্মে সময় দেওয়া থেকে শুরু করে অনলাইন মিটআপের এটেন্ড করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে রেজিষ্ট্রেশন টিমেও কাজ করে যাচ্ছি, কিন্
আমরা স্কুলে একটা খেলা খেলতাম। প্রিয় রং,প্রিয় খেলা ,প্রিয় পোশাক, প্রিয় নবী, প্রিয় ফল, প্রিয় খাবার,প্রিয় ফুল প্রিয় ফুটবল দল, এরকম অনেক প্রিয় জিনিস বান্ধবীরা যার যার ডায়েরীতে লিখে রাখতাম। উদ্যে
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন '' এ যুক্ত হলাম, প্রিয় স্যারের প্রতিদিনের সেশন গুলো পড়া শুরু করলাম তখন থেকেই মনের ভিতরে উদ্যোক্তা হবার সেই বাসনা টা আবার জেগে ওঠা শুরু হল। তখন থেকেই লেগে আছি প্রিয় প্
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপে প্রতি মঙ্গলবার বসছে হাট, হাটে সবাই আসছে সেল পোষ্ট নিয়ে আমি আসছি গল্প নিয়ে ওনা না গল্পে গল্পে সেল করতে আসেস আমার গল্পটা শুনেন যদিও এটা বাস্তব কাহিনী আমার সেলার হয়ে উঠ
আমাদের বাড়ির সামনেই একটা ছোট পুকুর (কুয়া বা পুশকুনি) ছিল। কুপের পশ্চিমেই বাড়িতেই মেহমান এসেছিল।আর আমাদের বাড়ি ছিল কুপের পূর্বেই। এই সুযোগেই আমার মেজ চাচী আমার বড় বোনকে বাড়ির সামনের উঠান থেকেই কূপের পা
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত ধানমন্ডি থানার সদস্যদের নিয়ে চা আড্ডা ও উদ্যোক্তা প্রোমোটিং।
প্রথম বিবাহ বার্ষিকী স্বামী -- স্ত্রী রক্তদান। দাম্পত্য সুখী হও দোয়া ও শুভকামনা জাগ্রত-ব্যবস্থা গঠন আনন্দ শ্রেষ্ঠ অনুভূতি
চুলুন জানা আর শেখার মাঝে সময়টাকে কাটাই। ব্যবসা বা কোনো উদ্যোগকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যেতে নিশ্চয়ই অনেক কাজ করতে হয়। তার জন্য অনেক কিছু জানতে হয়, শিখতে হয় এবং কাজ করতে হয়। তাই আসুন আগে একটি লিস্ট করে নিই
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যান্ত সফল ও সুন্দর ভাবে শেষ হলো আজকের ♦️অতন্দ্র গাজীপুরের♦️ ছিন্নমূল শিশুদের মধ্যে শীতের উপহার বিতরন কর্মসূচি।
মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
মানবতার সেবায় নিয়োজিত সাভার জোন সবসময় চেষ্টা করে নিজেদের অবস্থান থেকে মানবিক কাজে অবদান রাখার। গত বছরের মতো এই বছরেও অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে সাভার জোন।
মাত্র একটু ঘুরে দাড়াবো এর মধ্যে আমার দোকান থেকে সব কাপড় চুরি হয়ে গেলো। আবার চেষ্টা শুরু করলাম কাউকে কিছু না বলে।
আমি গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হতে লাগলাম আমার বাবা ছিল আদর্শ কৃষক এবং খুবই সরল ও সাদা সিদা, তার একটি মাএ উদাহরণ আপনাদের সামনে তুলে দরলাম, আর সেটা হলো, তার ছেলে মেয়েদের কে বলতো বাবারা তোমরা
আসলো জীবন যুদ্ধে আর এক বাঁধা ঃ 🇧🇩যা আমাকে এখনো কাঁদায় হঠাৎ মা ব্রেনস্টোক করলো পরিবারে নেমে আসলো অন্ধকারে ছায়া মায়ের চিকিৎসার খরচ সংসার চালানো সব মিলেয়ে অন্ধকার নেবে আসলো আমাদের জীবনে। আমার পাশাপাশি
আলোচ্য বিষয়ঃ আসন্ন রমাদান উপলক্ষে প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ক আলোচনা
আমার পরিচয় এখন একজন ড্রাইভার..... কপাল কে মেনে নিয়ে পিছন ফিরে না তাকিয়ে,, কর্মকে ভালবেসে নতুন করে তৈরী করতে চেষ্টায় আছি যেনো একজন ভাল ড্রাইভার বলে আমাকে সবাই জানে.... এক বছর রেন্টেকার গাড়ি চালানোর প
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
মাথায় যত বেশি আইডিয়া গিজগিজ করবে, এদের মিশেলে তত বেশি অনন্য আইডিয়ার সন্ধান মিলবে। আর এর জন্য বই পড়াকে অতুলনীয় উপায় বলে মনে করেন গুগলের ব্রেইন প্রজেক্ট এবং কোর্সেরা’র সহ প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড্রু।
ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। যদি কিনা কোন কিছুর সাথে লেগে থাকা যায় এই আত্মবিশ্বাসটা আমার প্রচন্ডভাবে বেড়ে যায়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কিভাবে আমি জয়েন করব।
আমরা দুই বোন। বাবা-মা ছোট পরিবার নিয়ে সুখেই ছিলাম। আমার কোন ভাই নেই। ভাই নেই তেমন কোন কষ্ট ও নেই। কারন বড় বোন ছিলো ভাইয়ের মতো।কখনো অভাব বুঝতে দেয় নি বড় বোন।বড় বোন মায়ের মত।আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমর
জোনের ইফতার এর পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের মাঝে কিছু খাবার বিতরণ করা হয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে। যা ধানমন্ডি জোন বিগত বছরগুলোতেও করে আসছে।
এটা শুধু মাএ স্যার শিক্ষা অন্তরে লালন করার জন্য।এত সুন্দর প্লাটফর্ম জন্য এটা সম্ভব হয়েছে।স্যার জন্য আজ আমি হতাশাগ্রস্ত মানুষ থেকে আবার সফল উদ্যোক্তা হওয়া পথে লেগে আছি। এখন আর আগের মত হতাশায় গ্রাস করত
আপনি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, আসলে এখানে আপনার প্রাপ্তিটা কি। স্যার তখন হেসে উত্তর দিলো,আমার ভালো ঘুম হয়। সাংবাদিক তো স্যারের উত্তর শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। এই ঘুম তো সেই সাধারন ঘুম নয়,মানুষের
আমি একজন প্রবাসী নিঃসন্দেহে সকল প্রকার বাংলা কিতাব বা পুস্তক থেকে সম্পূর্ণভাবে অনেক দূরে আছি। তাই প্রায়ই বাংলা পড়ালেখার তেমন কোনো চর্চাই নাই আর সেই সুবাদে বাংলা লেখাটাও আমি ভুলে গেছিলাম। কিন্তু এ প
চিন্তা সে কাজ বন্ধুদের সাথে গিয়ে সেনাবাহিনীতে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম হলাম এবং ভর্তি হয়ে গেলাম। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং যে কি কষ্টের সেটা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না।কষ্ট বেশী হলে ভাবতাম পরিবারের কথা ছোট ভাইবোনদ
কি সিদ্ধান্ত নিবো আমি! সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি আমি। ভগ্নিপতি সহ চার ড্রাইভারের সাথে পরামর্শ করলাম। গোডাউনের ৮০ ভাগ মাল বিক্রয় করে দিলাম এবং চার ড্রাইভার ও ভগ্নিপতিকে ব্যাবসার দায়িত্ব বুঝে দিয়ে রওয়ানা দ
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ব্যানারে চলছে #খুলনা টীমের দিন বদলের আড্ডা। এই দিন বদলের আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিলো #খুলনা টীমকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই বিষয়ে মতামত প্রকাশ। তাছ
২ বছর পর ফিজিক্যালি মিট করতে পেরেছি দিনাজপুর জেলার সদস্যদের নিয়ে। খুব সুন্দর একটা দিন কেটেছে। এর সবই সম্ভব হয়েছে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার এর জন্য। এত সুন্দর একটা প্লাটফর্ম উপহার দিয়েছ
আবার পন্য সেল শুরু করি কিন্তু কিভাবে পন্য সেল করতে হয় আমার কোন আইডিয়া তেমন ছিল না, তবুও আমি ভ্যানগাড়ি ও ড্রাইভার নিয়ে মার্কেটে যেতাম পন্য সেল করার জন্য , কিন্তু আমার ফুফাতো ভাই তখন তীর কোম্পানিতে জ
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
আমার #লক্ষ্মীপুর জেলার এক প্রিয় আপু। Mukta Bhuiyan আপু হঠাৎ সে দিন কয়েকটা কাঁথার পিক দিয়ে বললেন আপু এগুলার সাইজ দাম বলেন। আমি তো অবাক কি ব্যাপার আপু কাঁথা অর্ডার করছে কেনো।আপুকে দাম এবং সাইজ বলে দিলাম
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
ধন্যবাদ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা টিমকে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর আসন্ন মহা সম্মেলনের প্রস্তুতি মিটআপ করার জন্যে ।
রুপসী বরিশাল জেলার নবীন বরণ ও উদ্যোক্তাদের মিলনমেলা ২০২২ চমৎকার আয়োজনের মাঝে সফল হলো আলহামদুলিল্লাহ!
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
কত কস্ট করেছি ইউক্রেন তার ছোট একটা অংশ শেয়ার করছি।টানা ৮ মাস ভাত কি জিনিস তা চোখে দেখিনি খাওয়া ত দুরের কথা। ইউক্রেন সময় দুপুর ১২ টায় ২ পিছ পাউরুটি আর হাফ গ্লাস পানি আর রাত ১২ টায় সেইম খাবার ।নাটকিয় এ
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
আলহামদুলিল্লাহ খুবই চমৎকার এবং প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা কতৃক আয়োজিত মহাসম্মেলন এর টিকেট বিষয়ে আলোচনা এবং চা আড্ডা। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই আ
আজ ছিল আমাদের প্রাণপ্রিয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ২৮ তম মিটআপ, বনভোজন এবং নৌকা ভ্রমণ। সকাল ১১ ঘটিকায় তিতাস নদীর বুক চীড়ে ভেসে উঠা চরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে শুরু হয় আমাদের মিটআপ। আজকের মিটআ
প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব।
রাগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি আগের মতো যখন তখন রেগে যাই না। মানবিক কাজ করার ইচ্ছে ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মনের ভিতর সাহস ফিরে পেয়েছি,,,,, ভালো মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।
এই সুন্দর একটা পথে চলার জন্য আমাকে বার বার বলা হচ্ছিলো,,, দিন রাত সব সময় আমাকে বলতে ছিলো একবার সময় করে এই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে নিজেকে পেজেন্ট করো। ধর্য্য সহকারে একটু অন্যর জীবন কাহিনি
আলোচনা সভা শেষে খাওয়া-দাওয়া ও উদ্যোক্তাদের। পণ্য প্রদর্শনী করা হয়। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা ও সহযোগীতায় ছিলেন সায়বা তাজরীন, সোহাগ আলী, প্রবাসী উদ্যোক্তা সহ অন্যান্যরা ।।
অজস্র ধন্যবাদ বগুড়া জেলা টিমের সবাই কে।
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
১)নতুন বিজনেস সেন্টার তৈরি করাঃ এটা হবে আমাদের প্রথম কাজ।যেহেতু আমরা কৃষি প্রধান দেশ,উদাহরণ হিসেবে কৃষি নিয়ে বলি। আপনি নিজে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন কৃষি পণ্য আপনার হাতে কিভাবে পৌঁছে। কৃষক~ব্যাপারী(এল