কিবাবে বিনয় হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ , এক জন পজেটিভ মানুষ হওয়ার চর্চার প্রশিক্ষণ ,একজন ভালো মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণ ,নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় তার প্রশিক্ষণ ,64 জেলা ও 50 টির বেশি দেশে অবস্থান রত ফাউন
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম কে চুয়াডাঙ্গা জেলার সমস্ত জায়গায় ছড়িয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
সেদিন ছিলো ১৫ ই জুলাই,২০২১ তারিখ। স্কয়ার হসপিটালে করোনা টেস্ট করাইতে টাকা পরিশোধ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম।আমার সামনে ছিলো একজন অল্প বয়সী ভদ্র মহিলা,যে তার বোনের এবং বোনের ৩ সন্তানের জন্য টাকা পরি
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
যাই হোক একেরপর এক স্বপ্ন ভেংগে গেলো।২০০৭ এর ডিসেম্ভরে এসে ফাইনালী একটা বড় ভুল করে বসলাম।সেই ভুলের খেসারত হিসেবে ২০০৮ আর পরিক্ষাই দেওয়া হয় নি।দেওয়া হয় নি বললে ভুল হবে দিতে দেয় নি পরিক্ষা। যাই হোক জোর
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
নিজে তুলে ধরেছি ৬৪ জেলায়। ২ একজাঁক ভালোমানুষ নেটওয়ার্ক পেয়েছি। ৩ পরিশ্রম করতে শিখেছি। ৪ নিজের একটা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি তাও আবার এই গ্রুপ থেকে নিয়ে। বাংলাদেশের সব চাইতে বড় অনলাই কনস্ট্রাকশন মার্কেট
দিন দিনই লক্ষ্মীপুর জেলায় ভালোমানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে -- আলহামদুলিল্লাহ
টুইনবেবীর মায়েরাই যানে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়।যাক সব সমস্যা নিয়েই ৭মাসের আগেই২০২২সালে জানুয়ারি তে আমার ২টি জমজ ছেলে জন্ম নেয় তারা আকারে ছোট ৬০০/৮০০গ্রাম করে ডাক্তারদের কথায় বাচার আশন্খা ছিলনা ৯৯%
আমি গ্রুপে যুক্ত হবার পর আমার পরিবর্তন সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুর
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ লিজেন্ড ধানমন্ডি জোনের অফ লাইন মিট আপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৩০/১২/২২ স্থান ছিল রবীন্দ্র সরবরে আজ বিকাল ৩.৩০ মিনিটে। ধানমন্ডি জোনের দায়িত্বশীলগণ ও সকল আজীবন সদস
কোনো কূল কিনারা খুঁজে না পেয়ে নিজেকে আত্মগোপন করার প্রচেষ্টা চালায় । এমতাবস্থায় আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ইনভাইট করে নিজের বলার মতো একটি গল্প গ্রুপের। আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ। সেই থেকেই আমি আস্তে আস্ত
আলোচ্য বিষয় ছিলো ৪ জানুয়ারি ২০২০ উদ্যোক্তা সম্মেলনের টিকিট বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়। প্রধান অতিথি ছিলেন নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ফরিদপুর জেলার মুছাফির আমির ফয়সাল ভাই।
বর্তমান প্রবাসে আমার ৩১ বছর অতিবাহিত হচ্ছে আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই আছে আমার অনেক আলহামদুলিল্লাহ। ইতি মধ্যে দেশে গিয়ে কি করবো ভাবতে ভাবতে খুঁজে পেয়েছি "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" পেয়েছি
এরপর যখন বিদায় নিতে যাব তখন সবচেয়ে বেশি বিষ্মিত হই। ওই ব্যক্তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে আমাদের গলা জড়িয়ে কান্না করছিল। সত্যিই সেই মুহূর্তটা কখনো ভুলবার নয়, তারপর আমাদের অবাক করে দিয়ে উনি আমাদে
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
সমগ্র দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গাঁ উপজেলায় আজ চমৎকার একটা মিটআপ সম্পন্ন হলো আলহামদুলিল্লাহ।
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আরও এগুতে চাই। আমার বাবার কঠোরতা আমাকে ভালোমানুষ তৈরি হতে শিখিয়েছে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
১ম অনুধাবন করি আমার কিছু করা প্রয়োজন। তাই ১ম স্টেপ নিলাম শেলাই।যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে আমি শেলাই এর উপর ট্রেনিং নেয়। কিন্তু ঘরে মেশিন না থাকায় তা অসমাপ্ত থেকে যায়। এরপরই আমি বল্কবাটিকের ট্রেনি
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
এভাবে যখন তিন বছর হয়ে গেল। তখন তো আমার দেশে যেতে হবে। দেশে যাওয়ার জন্য মনটা ছটফট করে। ছেলেটাকে দেখতে মন চায়। গ্রামের পাড়া-প্রতিবেশীরা বলে এখন তুমি চলে আসো ও ভালো হয়েছে। এখন তোমাকে খুব প্রয়োজন। ত
খুব ভালো লাগছিল।সব কিছুই যেন ভালো হচ্ছিল।এইভাবে সারাটাদিন ই ভালো কাটলো।রাতে নেটে ডুকে দেখি অনুরাধা আপু মেসেজ করেছে।আপু হাই দিল।তারপর কথা বললাম একটু।আপু আমার সম্পর্কে আরো অনেক কিছু জিজ্ঞেস করলো।আমিও কর
স্কুলের বদলে যেতে হয়েছে গারমেন্টসে। যখন আমার বয়স আনুমানিক 13 বছর তখন থেকে আমার গারমেন্টসে কর্ম জীবন শুরু প্রথম মাসের বেতন 850 টাকা দিয়ে জীবন যাত্রা শুরু করলাম। প্রথম দিন অন্যের জামা পরে
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
সবাই বলেছিল আমি বাঁচবো না আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি বাঁচবো না প্রাই বিশ দিন পর আমি চোখ মেলে তাকাই। তখন আমার ছেলে আর আমার মা কথা মনে হয় ডাক্তার তখন বলেছিল না এখন আমি ঠিক। এক মাস ঢাকা হাই কেয়া
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
চাকরির পিছনে ছুটতে ছুটতে আমি ক্লান্ত। তবে একটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারি পরিস্থিতি মানুষকে সবকিছু শিখিয়ে দেয়। পরিস্থিতি মানুষকে শিখিয়ে দেয় কোন পথে সে আগাবে। পরিস্থিতি আমাকে দিনের পর দিন রাস্তা দেখিয
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
এই প্লাটফর্ম যুক্ত হয়তে পেরে আমি নিজেকে অনেক পরিবর্তন করতে পেরেচি যদি। যদি এই প্লাটফর্ম যুক্ত হতে না পারতাম তাহলে আমি মনে হয় সারা জীবন এই ভাবে পড়ে থাকতাম
তখনও আমি যুক্ত হইনি গ্রুপে, ইতি মধ্যে ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তে শুরু হয় চতুর্থ ব্যাচ আমি যুক্ত হই রেজিস্ট্রেশন করে।আমার মধ্যে শুরু হয় একটু একটু করে বদলে যাওয়া,
২০১১ সাল থেকেই যখন অসুস্থ হয়ে গেলাম স্বাভাবিক জীবন-টা আমার অস্বাভাবিক হয়ে গেল। আমার সকল স্বপ্ন আশা ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো, আমি ধরেই নিয়েছিলাম আমি কখনোই নিজের স্বপ্নের পথে কখনোই হাঁটতে পারব না, ভেব
মহা সম্মেলন কে সফল করতে সবার মতামতের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই কমিটি মহা সম্মেলন কে সফল করতে কাজ করে যাবে।
❣️আমি কারো সন্তান, স্ত্রী কিংবা মা এর পরিচয় এ-র বাহিরে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে চাই। তাই জীবনের এ-ই পড়ন্ত বেলায় আপনাদের কাছে আমার একটা বার্তা পৌঁছে দেয়ার আছে ---- আমরা একে অপরের হাত ধরে ওয়াদা করি -
দিনে দিনে এই রসমালাইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো আচার-অনুষ্ঠান এবং মিষ্টিপ্রিয় মানুষের কাছে রসমালাই এক প্রিয় নাম হয়ে ওঠে। মাতৃভান্ডারের ব্যবস্থাপক অনুপম দাস জানান, ১৯৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশ
অত্যন্ত বাজে ভাবে জীবনের মূল্যবান বেশ কয়েকটি দিন এভাবেই চলে যায়। শুরু করলাম ঔষধ ব্যবসা খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে, সেখানেও লেগে থাকার অভ্যাস না থাকার কারণে সফলতা লাভ করতে পারিনি। এরপরে এক আত্মীয়ার পীড
সততা ও কর্মনিষ্ঠাই আমাকে মহান করে তুলবে এ বিশ্বাস আমি রাখি। কাস্টমারের সেটিসফেকশন কোন কমপ্রোমাইস করিনা। হয়তো এ কারণেই কাস্টমারের কাছে সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়েছি।
রানা রহমান ভাই এবং করিম ভাইকে অনলাইনের ব্যবসা সম্পর্কে বুঝানোর পরে তারা অনলাইনের প্রতি বিশ্বস্ততা পান এবং রানাকে বলেন তারাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা প্রথম বার অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। যেহে
স্বচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য রক্তদান প্রয়োজন। রক্তের জন্য সম্পূর্ণ পূর্ণবয়স্ক জানতে ১৮ বছর বয়স হতে পারে। প্রতি তিন মাস পর পর স্ক্রিনের ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও রক্তে রক্তদান করতে পারবেন।
আমার উদ্দোগক্তা শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু এস এস সি দেয়ার পর পরই পরা আমার বিয়
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
❣প্রাপ্তি কথাটি খুবই ছোট একটি শব্দ হলোও এর পরিধী ব্যাপক ও বিস্তৃত। আমাদের প্রিয় পরিবার, "নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সদস্যদের এই ফাউন্ডেশন থেকে অনেক ধরনের প্রাপ্তি রয়েছে।
অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজে বিজনেস করবো অনেক মানুষ কে নিয়ে সফল হবো, সেই ধারাবাহিকতায় এলাকার
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে
স্যার এর ক্লাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গত বছর কুরবানির ঈদের সময় আমার বাবুর সালামির কিছু টাকা, ও বাবুর বাবার ঈদ বোনাস এর কিছু টাকা দিয়ে সামান্য কিছু প্রডাক্ট দিয়ে বিজনেস শুরু করি।
স্থাপত্য রয়েছে। সেগুলোর অধিকাংশই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কিছু স্থাপত্য এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য— মদনপুরের হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমি (র.) মাজার, শাহ সুখুল আম্বিয়া মাজারের পাশে মোগল