বাবা মানে জীবন যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক। বাবা মানে ভাত রুটির নিশ্চয়তা দৈনিক। বাবা মানে রোগে শোকে অফুরন্ত শক্তি। বাবা মানে ই অনাকাঙ্খিত যন্ত্রনার মুক্তি। বাবা মানে ই স্বল্প
আমি মেসে থাকা কালিন যার যা দেখতাম তাই করার চেষ্টা করতাম। যতক্ষণ না পারি ততক্ষণ চেষ্টা করি। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, মানবিক সংগঠন "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর, হবিগঞ্জ জেলা কৃর্তিক আয়োজিত মাসিক মিট আপ।
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
টাকা ছাড়া, তদবির ছাড়া, নিজের যোগ্যতা বলে একটা সরকারি চাকরি পেয়ে গেলাম- এটা সম্ভব,,,,,,,, এটা আমার জীবনে বড় ধরনের মিরাক্কেল আমি বিশ্বাস করি এটা শুধুই আমার মায়ের দোয়া আমার মায়ের দোয়া ভালোবাসার হ
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
মহৎকর্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সূর্য সন্তানেরা সুদূর প্রবাস থেকেও সার্বিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন,আমি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিম সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
আপনাদের মনে পড়ে কি স্যার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হওয়ার কথা বলেছিলেন। এখন আপনাদের শুনাবো প্রবাসে আমার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প। এইতো আমি মাত্র ১১০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করি। সকাল ৭ টা থেকে ২
জন্ম_আমার গ্রামে_মুন্সীগঞ্জ দিঘীর পার আকাল মেক দাদুর আব্বুর গ্রামে_ আমরা চার ভাই ছোট ভেলায় থেকে ভর হোয়ে ছি শহরে আমার একটা রোগ হোয়ে ঘটেছিল ছোট বেলায় অস্বাভাবিক রকম ছোট আকৃতি নিয়ে। কেউ ধারণা করেনি
তাড়াতাড়ি সব কাজ শেষ করলো। কিন্তু কি পড়ে যাবে ভেবে পাচ্ছিল না। আলমারি খুলে অনেক শাড়ী দেখলো কোনটা পড়বে বুঝতে পারছে না। দেখতে দেখতে চোখে পড়ল নীল রংয়ের একটা শাড়ী। সেটা বেড় করে পড়ে নিল। সাথে নীল চুড়ি কপালে
মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করি আমার ব্যবসায়িক যাত্রা। যা মূলধন রূপে এখন ১২ লক্ষ টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমার ব্যবসায়ের ৮০% সেলই হয় প্রিয় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে।
হঠাৎ এক দিন এক আপু মেসেজ দিলো।সালাম দিয়ে অনেক সুন্দর করে কথা বলল।আমি কাজের চাপে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।ঠিক সময় রিপ্লাই দিতে পারছিলাম না।আপুটা একটু বিরক্ত হলো।কিন্তু আমি তো একটা কাজ নিয়ে বসে নেই। বলল আপু আম
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
আমার জন্য,আমাদের পরিবারের জন্য রমাজান মাস অনেক বেশি ত্যাগের মাস।কারন এ রকমই এক রমজানের শেষ১০(নাজাতের)২৩শে রমজান আমি মাকে হারিয়েছিলাম।মাকে হঠাৎ হারিয়ে মনে হয়েছিল পৃথিবীটা হারিয়েফেলেছি।কারন আমার মা ছিল
এদিকে এলাকার সামাজিক চাপ তো আছেই বাবা ক্ষেতনামা বড় একজন আলেম আর আমিও বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ যে মাদ্রাসা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনেক বার শীর্ষস্হান দখল করেছে স্বর্ন পদক প্রাপ্ত মাদ্রাসা নামকরা শি
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
আমি ছিলাম গণিতের ছাত্র। বেকার হয়ে শুরু করলাম ব্যবসা। ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্কিল সংক্রান্ত ৮০টিরও বেশি কোর্স করেছি। এমনকি ২০২০ সালেও আমি তিনটা কোর্স করেছি। তবে সবগুলো কোর্সই
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
The Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) has made world record conducting online training for uninterrupted 2000th days.
আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।ইচ্ছা হচ্ছিল বলতে আপনার মেয়েকে তো বলতে পারেন কাজে আমাকে একটু সাহায্য করতে।সব কাজ কী এখন আমি একা করতে পারবো!! কী হলো যাও রান্নাঘরে।আর শোন
চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। অবস্থানগত কারণে চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি বিশেষ শ্রেণীভূক্ত জেলা। পাহাড়-সমুদ্র উপত্যকা, বন বনানীর কারনে চট
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
শরীয়তপুর জেলার আরো এক্টিভ মিট আপ সহ নিজেদের ব্যবসা-বানিজ্যের উন্নতি ও কেন্দ্র থেকে দিকনির্দেশনামুলক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা।
বিশ্ব পরিচিত ভুলতা গাউসিয়া সুপার মার্কেট। নরসিংদী জেলার পার্শবর্তি, মার্কেট।
জীবনের প্রকৃত অর্থেই একজন মেন্টর, পথপ্রদর্শক। আমি আজ আপনাদের সেই মানুষটার গল্প শোনাতে আসি নি যে মানুষটি ডিপ্রেশনে ভুগে জীবনের একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বরং সেই মানুষটির এই তথাকথিত সম
আর আমিও এটা এখন পুরোপুরি নিজের জীবন উপলব্ধি করতে পারছি। সবকিছুই যখন শেষ হয়ে যাচ্ছিল তখনই এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নিজেকে বদলাতে পেরেছি এবং আবার সবকিছু ফিরে পেয়েছি। এখন আমার আর কোন চিন্তা নাই।
স্যারের সেশন যেন আমার মধ্যে আত্ববিশ্বাস এতটাই বারিয়ে দিয়েছিল সব বাধাগুলো যেন আমার কাজের গতি আরও বারিয়ে দিত।
সবাই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন এই আশা আমাদের কাম্য ধন্যবাদ
শৈশবটা কেটেছে একেবারে গ্রামের পরিবেশে।ছোট বেলা থেকে ছিলাম বেশ চঞ্চল। কোথাও স্থির থাকা আমার একদম পছন্দের ছিল না।বাবা গ্রামের জমিদার ছিল কিনা আমি জানিনা। তবে প্রায় ১০০ বিঘার মত জমি ছিল।আমার মনে আছে বাবা
আপনি স্বপ্নে দেখছেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হবেন কিন্তু সেজন্য আপনি কোন গাইড লাইন পাচ্ছেন না আপনি সময় দিতে প্রস্তুত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত কিন্তু মাধ্যম তাই পাচ্ছেন না আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে সে ম
।নিজেরা ভালো খেতেন আর আশেপাশের মানুষজন, আত্মীয়দের সহযোগিতা করতেন।অসহায় বাবাদের মেয়ে বিয়ে দিতে আটকে গেলে আমার বাবা আর মা মিলেই তাদের সেখান থেকে উদ্ধার হতে সহযোগিতা করতেন।এমন অনেক উদাহরণ আছে আমাদের
#গল্পে_গল্পে_সেল_পোস্টঃ সব ধরনের ব্যবসার জন্য যে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্রেড মার্ক অতি প্রয়োজনীয় বিষয় তা অনেকেই বুঝে না। অনেকেই কোনো লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা শুরু করে দেয়। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্য
ভালোবাসা এমন একটি জিনিস, আমরা যদি গভীর ভালোবাসা দিতে পারি যে কোন কিছুতেই সুফল পাবোই। *(১)আমাদের স্যার, আমাদেরকে ভালোবাসেন,মন দিয়ে।তাই উনি আজ সব দিক দিয়ে সফল আল্লাহর রহমতে।
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
আমি সেদিন সকাল ৭.১০ মিনিটে পৌঁছাই আমার জোনের আমার আদরের ছোট ভাইয়া আপুরা সহ, অনেকেই আবার আমার আগে গিয়েই পৌঁছায়। প্রথম ভাল লাগা ওদের দেখে, ওরা এত আনন্দিত ছিল যা বলার মতো না,সারা দিন খেটে সেলফি না তুলে স
সাড়ে ৬ লক্ষ তরুণদেরকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষন কর্মশালার টানা দুই হাজার তম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। অদম্য দেশপ্রেমী ইকবাল বাহার জাহিদ বেকার তরুন
দিন দিনই লক্ষ্মীপুর জেলায় ভালোমানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে -- আলহামদুলিল্লাহ
আপু বললো জ্বি ভাই দিতে পারবো তবে শর্ত হলো আপনি কমপক্ষে ৬টি শাড়ী নিতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে আপু নিবো। তারপর অর্ডার করে শাড়ীগুলো নিয়ে আসি। আর আমার বৌ সবাই কে খবর পাঠায়। সবাই এসে দেখেতো অবাক কি করে
আমি আমার বান্ধবী সুমি আমরা দুজনে একসাথে পড়াশুনা করতাম । হঠাৎ একদিন কফিসপে, দেখা হয়ে গেল সুমির সাথে, তারপর শুরু হলো না বলা জমে থাকা অনেক অনেক কথা। সুমি অতি আনন্দে কান্না করে দিল, বলতে শুরু করলো দোস ত
আমি যখন জন্ম হই নাই। তখন ছিল আমার বড় দুই বোন।আমি যখন জন্ম হই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছি আমাকের বংশে সবার তখন নাকি মন খারাপ আমার বাবা, ফুফু, কাকারা, এবং দাদা-দাদী সহকারে সবাইরি মন খারাপ একে একে তিনট
বলল, "অসুবিধা নেই আমি জানি যে, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । তাদেরকে দেখতে হলে আমাকেই দেখতে হবে এবং তোমরা দুজনেই কেউ টাকা জমাতে পারো না সেইজন্য আমি আমার টাকা জমিয়েছি তোমাদের ভবিষ্যতের কথা
স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থেকে পুরো রমজান ভালবাসা বিলাই চালু রাখবো ইনশাআল্লাহ।, প্রিয় স্যার এর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি,ধন্যবাদ সবাইকে, আল্লাহ হাফেজ।
আমাদের দেশ বাংলাদেশ।অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক ছোট একটি দেশ।দেশের আয়তন অনুসারে এ দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এ দেশের সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হল বেকারত্ব,, যার কারণে আমাদের দেশের হাজারো তরুণ প্রজন্ম হতাশাজন
সততা ও কর্মনিষ্ঠাই আমাকে মহান করে তুলবে এ বিশ্বাস আমি রাখি। কাস্টমারের সেটিসফেকশন কোন কমপ্রোমাইস করিনা। হয়তো এ কারণেই কাস্টমারের কাছে সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়েছি।
বাঙ্গালিরা তার শ্রুতিমধুর কথাদ্বারা বিশ্ব জয় করে এসেছে।তাদের কথার জাদুতে মাতিয়ে রাখতে পেয়েছে পৃথিবীকে।কথার এই শৈল্পিক কারুকাজে এতটাই পারদর্শী বাঙালি, যেখানেই অবস্থান করুক না কেন,তার কথাতেই সেখানে সকলে
আল্লাহ তা'আলা সাহায্য কিভাবে আসে, তা আমি নিজ চোখে না দেখলে, কখনো বিশ্বাস করতাম