প্রত্যেক উপজেলার জন্য ১০০ করে শীতের কম্বল বিতরন করার জন্য দেয়া হবে।আপনারা নিজ নিজ উপজেলায় ১০০ জন লোকের তালিকা করে ছোট আকারে অনুষ্ঠানের মতো করে কার্যক্রম করেতে পারেন।
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশে শুরু হয়েছে উপজেলা মিটাপের। আর সেই সুবাদে ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে আয়োজিত হয়ে গেলো একটি মেগা মিটাপের, আলহামদুলিল্লাহ।
জ্বি হ্যা এই গল্পের নায়ক মনির। যে অনেক স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিলো সিংগাপুর। তার স্বপ্ন স্বপ্নই রইয়ে গেলো। বিরক্তি নিয়ে শাপলা ফোনটা রিছিভ করলো ওই পাশ থেকে শাপলার মা বলে কেমন আছিস রে মা? শাপলা- ভাল নেই মা,
২১/০১/২০২২ ইং রোজ শুক্রবার দীর্ঘদিন পরে আমাদের এন আর বি কাতারের সম্পর্ক_উন্নয়ন মিটআপ অনুষ্ঠিত হলো, এই মিটআপে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবার অংশগ্রহণ ছিল বলার মতো, আজকে কাতারে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অনেক দূর দূ
শরিয়তপুর জেলার পালং থানায় আজকে আমরা ১০০০ তম দিন উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে, সকলের উপস্থিতিতে সফলভাবে একটা মিটআপ সম্পন্ন করলাম, আলহামদুলিল্লাহ্
কিছুদিন আগেও যাদেরকে আমি চিনতামই না। কিন্তু আজ তাদের সাথে কথা না বললে ভালো লাগে না। সারাদিন অপেক্ষা করে থাকি কখন সেশন এর সময়টা আসবে। এবং কখন সবার সাথে কথা হবে। আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়ত
তুমি আমার মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগে। প্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে মায়েরা সন্তান বড় করে না। তবুও বারবার মনে পড়ছে তোমাকে কি যোগ্য মর্যাদা দিতে পারবো।সেই অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর
এভাবে প্রায় তিনমাস কেটে গেছে আমার সেলসের খুবই খারাপ অবস্থা।এর কারনটা ততদিনে আমি বুাঝতে পেরেছিলাম সেখানে ও আমার সাথে দূর্নীতি করা করা হয়েছে।উদাহরণ সরুপ বলাযায় যে,গোস্ত খেয়ে হাড্ডি ফেলে রাখার মত অবস্
মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
ত্রাণ বিতরণকালের কিছু স্থির চিত্র। পশ্চিম চর বরমা, চান্দনাইশ, চট্টগ্রাম
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
তুমি মনে মনে ভেবেছ দেখেই তো আমি আসলাম।এই হলো ভাবীর প্রতি ননদের টান। আমিঃ কি জামাই বাবু?ভালোই পাম দেওয়া শিখিয়েছেন আমার ননদকে দেখছি। জামাইঃকি যে বলেন ভাবী আমার শিখানো লাগে? ননদঃআচ্ছা ভাবী তোমার ড্রেস
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
অদম্য_টাংগাইল জেলায়... নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর...... তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে এতিমখানায় কম্বল বিতরন ও দোয়ার আয়োজন করা হয়
শীত এসে পড়ছে! জানি সবাই শীতের নতুন পোশাক কিনতে যাব। আমরা কি পারিনা পরিবাবের শীতবস্ত্র কেনার সময় আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু শীতবস্ত্র কিনি!
দেশের বাহিরে কিছু উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা আছে। আমি আরও কিছু দিন শিখব। আমিও তৈরি করব নিজের বলার মতো একটা গল্প ইনশাআল্লাহ। যেই গল্প সফল হয়ে অন্য দশজনের মত আমিও বলব ইউটিভি লাইভের স্বপ্নের মঞ্চে।
২০০৪ সালে গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে আমার পড়ালেখার যাত্রা শুরু। প্রাইমারী শেষ করে গ্রামের হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেখানে টানা ৫ বছর পড়ালেখা শেষ করে আবারো গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি হয়।
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
ফেনী জেলার কর্মসূচি দিনে এনে দিনে খায় কর্মসূচি । প্রয়োজনে কম খাবো তবুও ভাগ করে খাব
আমি জানতে চেয়েছিলাম আমার সম্যস্যার সমাধান অপারেশন ছাড়া অন্য উপায় আছে কিনা কিন্তু তিনি ও সবার মত একই কথা বললেন কথা শুনে মন ভেংগে হাহাকার অবস্থা তিনি বুজতে পেরেছিলেন সাহস জুগিয়েছিলেন যে চলার পথে রিক্স ম
যে বিজনেস দীর্ঘদিন যাবত করছে সেখানে হঠাৎ করে পরিবর্তন আমার বাবা মেনে নিতে পারছিলনা। আমার বাবার পার্টনার আমাদের আম আড়ৎতের যিনি মহরি ছিল এক কথায় তিনি হিসাব নিকাশের কাজ করতেন তাকে নিয়ে চলে যায়। আমার
কারণ স্যার আমাদেরকে নৈতিকতা, পরোপকারী, সামাজিক কাজ,ব্যবসায় কিভাবে ভালো করা যায়, উদ্যোক্তা হতে কি কি গুনাবলি লাগে, কিভাবে ফান্ড সংগ্রহ করবো এই সবকিছু প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন কোন রকম বিনা পারিশ্রমিকে য
রক্তের অভাবে যেন না হারায় কোন প্রাণ জীবন বাঁচাতে এসো করি রক্ত দান । " "স্বেচ্ছায় করবো রক্ত দান হাসবে রোগী, বাঁচবে প্রাণ । " আলহামদুলিল্লাহ ১৩ তম বার লাল ভালোবাসা দান করলাম
ধন্যবাদ কুষ্টিয়া জেলা টিমকে -
❤️❤️ আজ আমাদের নিজের বলার মতন একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রাজশাহী জেলা টিমের ঈদ আড্ডা ও পুনর্মিলনী মিটআপ সফল ভাবে আয়োজিত হয়েছে
অনুষ্টান শেষ হয় পথ শিশুদের খাবার বিতরণ ও কেক বিতরণ এর মাধ্যমে।
ভাবতেই অবাক লাগে,যেই আমি ভাবতাম,আমার জীবনের আর কিছুই বাকি নেই,চারদিক অন্ধকার ,সবকিছু শেষ,সবসময় অন্ধকার একটা ঘরের কোনে বসে থাকতাম।সারাদিন কোনরকম হলেও ,রাতের নিজেকে একা ভাবতাম। সেই আমি এখন নিজ উৎদ্যোগ
বাইরে রোদের মধ্যে খেলতে খেলতে গায়ের কালার উগান্ডার নাগরিকদের মত হয়ে গেছিলো। একদিন ঈদের সালামি জমা করে আমার জীবনের প্রথম ক্রিকেট ব্যাট কিনি। তখন নিজের একটা ব্যাট থাকা মানে অনেক কিছু।সবাই ডেকে ডেকে খেল
২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে ২৪ তারিখে.. শুরু হলো প্রবাসের_জীবন মালয়েশিয়া চলে আসলাম। নতুন স্বপ্ন নতুন দেশ কাজ করে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশের পাঠাবো স্বপ্ন দেখতে দেখতেই হঠাৎ শুরু হলো দুঃস্বপ্ন
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
আসলে যারা ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের ছাত্র তারা কখনই থেমে থাকার পাত্র নই, কেন যেন নিজের কাছেই অগোছালো মনে হচ্ছে ব্যবসায়িক পরিবারটি যদিও এটা আমার প্রফেশনাল না পার্টটাইম হিসেবে নিয়েছি তারপরও কোথাও যেন
১৪/ বাংলাদেশের এই প্রথমবারের মতো সপ্তাহিক অনলাইন হাট, এটাই হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবেন। ১৫/ মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,, নাজনিন আপু কাজিন আপু এক সাথে বলে উঠলো মনির ভাই থামেন থাম
পরিবারের বড় সদস্যরা বেশি একটা পড়াশোনা করেনি। যার কারণে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। কারণ, আমাদের এলাকায় শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। ভালো কোনো শিক্ষক খুজে পাওয়া যেত না।অন্য এলাকায় গিয়ে প্রাইভেট পড়তে
আউফল পৌরসভা এবং পৌরসভার বাহিরে মোট দশটি মাদ্রাসা এবং কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাঁদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
মিট আপের মধ্যমনি প্রিয় রুহুল আমিন ভাই,বরিশাল বিভাগের গর্ব তার মুল্যবান সময় দিয়ে আমাদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।
আলোচনা সভা শেষে খাওয়া-দাওয়া ও উদ্যোক্তাদের। পণ্য প্রদর্শনী করা হয়। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা ও সহযোগীতায় ছিলেন সায়বা তাজরীন, সোহাগ আলী, প্রবাসী উদ্যোক্তা সহ অন্যান্যরা ।।
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
আমার উদ্যোক্তা জীবন শুরুই হয়েছে প্লাটফর্ম থেকে।আমার প্রায় ৮০%সেল হয় নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে।
আমি চাচার দায়িত্ব দেখে ওবাক হয়ে যেতাম। যদিও টাকা দিতাম। তাও জোর করে এক রকম। তিনি নিতে চাইতেন না, দোকানের ছেলের হাতে দিয়ে দিতাম। এই নিয়ে তিনি খুব কষ্ট নিয়ে ২দিন আমাকে বললেন আপনি যদি আমার বাসায় শিখাতেন
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
আমাদের ফাউন্ডেশনের ২৩ তম ব্যাচের সদস্য ও আমাদের রহমানিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হযরত মাওলানা Imam Uddin ভাই।
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ, আজ এক Sopno Raj এর সারথি হয়ে,আমাদের বগুড়া জেলার #বগুড়া সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর প্রিয় স্যারের চিঠি প্রদান সম্পন্ন হয়েছে,এবং ৬৪ জেলায় বই পড়া আন্দ