সেখানে অনেক মানুষ কাজ করবে, সারা পৃথিবী তে বাংলাদেশ এর নাম সুনাম ছড়িয়ে যাবে, অসহায় গরিব ও হতদরিদ্র মানুষকে সাহায্য করতে পারবো মন খুলে। আরো কিছু স্বপ্ন না বলাই থাক।
আমার এই ছোট জিবনের কিছু না বলা কষ্টের কথা শিয়ার করবো আমি তেমন কোনো শিক্ষিত মানুষ না আমার কপালে হয়তো শিক্ষা ছিলো না আমি একটি গরিব ফ্যামেলির ছেলে আমরা দুই ভাই চার বোন আমার বড় তিন বোন এক ভাই আমি এক
প্রতি মাসে নতুন সদস্য যুুক্ত করানো ও উদ্যোগক্তা তৈরি করা সহ আরও অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি যেটা বাস্তবায়ন করে আমরা উপজেলা টিমকে আরও এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
ছাত্ররাই পারে একটি সুনির্দিষ্ট টার্গেটকে সামনে রেখে ক্লান্তিহীন পরিশ্রমের মাধ্যমে সেটা বাস্তবে রূপায়ন করতে,
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
আমি বাসায় বসে অর্ডার দেওয়া প্রোডাক্টগুলো প্যাকেট করছিলাম.হঠাৎ পাশের বাসার সুমি আপা আসলেন. 🙋আমি:আসসালামু আলাইকুম সুমি আপা কেমন আছেন? 🍁সুমি আপা:মনটা ভালো নেই রে.সামনে ঈদ হাতে টাকা-পয়সা তেমন নেই.
আমাদের সাথে যে সকল ভাই বোন রা যুক্ত ছিলেন তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঢাকা থেকে আগত এবং তাদের ছুটি কম থাকায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই আয়োজন করেছি।
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলা টিমের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে অসহায়-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ॥
ধন্যবাদ জানায় Md Rubel Ahmed Rubel ভাইকে সাতক্ষীরা জেলাকে সবসময় এভাবে সাপোট দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
প্লাটফর্ম প্রতিটি সেশন থেকে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম স্যারের সেশন গুলো একটা মানুষের জীবনের মোর ঘুরিয়ে দিতে পারে, আমি বিশ্বাস করি ইনশাআল্লাহ চাই শুধু লেগে থাকা :যা বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কি সিদ্ধান্ত নিবো আমি! সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি আমি। ভগ্নিপতি সহ চার ড্রাইভারের সাথে পরামর্শ করলাম। গোডাউনের ৮০ ভাগ মাল বিক্রয় করে দিলাম এবং চার ড্রাইভার ও ভগ্নিপতিকে ব্যাবসার দায়িত্ব বুঝে দিয়ে রওয়ানা দ
গতকাল চট্রগ্রাম অক্সিজেন মোড়ে গাড়ির জন্য দাড়িয়েছিলাম, হঠাৎ দেখি এই ছেলেটা সামনে এসে বল্ল ভাইজান মাক্স লাগবে, আমিত অভাক এতটুকু একটা বাচ্চাকে দেখে, তারপর তার সাথে একটু হাসি দিয়ে কথা শুরু করেলাম...
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর এবং গোছানোভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত চট্রগ্রাম জেলার অন্তর্গত ফটিকছড়ি উপজেলার পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল।
ভালোই চলছিলো কম্পিউটার কম্পোজের কাজ। প্রথম প্রথম কাজ শিখতে শিখতে একটু কম আয় থাকলেও টাইপিং এর স্পিড বেড়ে যাওয়ার পর আয় বাড়তে থাকলো। হঠাৎ দোকানের মালিক বললো, “ভাই, তুমি তো বিশ্বাসের সাথে অনেক দিন ধরেই
আমি আমার বাবা মার প্রথম সন্তান আমি যখন মায়ের কোল জুড়ে জন্ম গ্রহণ করলাম তখন আবার বাবা শুনতে পেলো মেয়ে জন্ম হয়েছে তখন বাবা আর খুশি হলো না, তিনি চেয়েছিলো ছেলে হক কিন্তু মেয়ে হওয়ায় আমার মাকে কিছু দিন
অনেক বছর পর যেন আবার সেই ঈদের আনন্দ টা ফিরে পেলাম🥰 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ দিন টি তে। দেশের ৬৪ টি জেলা এবং বিশ্বের প্রায় ৩০ টি দেশের ন্যায় আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের ভাইয়েরাও নিজের বলার মতো একটা গল্প ফা
কৃতজ্ঞ প্রিয় মেন্টরের প্রতি। আমাদের চমৎকার ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন
আমার বাবা 14 বছরে একবার বাংলাদেশের সফর করেছে বাবার মুখখানা আমার খুব অসহায় লাগতো আমার হৃদয়ে খুব খারাপ লাগত বাবার জন্য। তারপর বাবাকে আমি 2006 সালে প্রবাস জীবন থেকে মুক্ত করে দিলাম।
ছোট বেলা পড়াশোনা করছি নওয়াপাড়া শংকর পাশা স্কুলে ওখান থেকে এস এস সি পাশ,অনেক দুর পায়ে হেটে তারপর নৌকায় করে যেতে হোত স্কুলে। আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করতো আমার ভাইয়া পড়াশোনা করতে ঢাকায় গেলেন ।
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
প্রচন্ড বৃষ্টির মাঝেও নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ জেলা টিমের পক্ষ থেকে স্বল্প পরিসরে এতিম খানায় টুপি ও ইফতার এবং সাধারণ ভাসমান উদ্যোগতাদের মাঝে ইফতার বিতরণ। আমাদের শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে প্রথম উদ্যোগের কাচামাল ও মেশিন দেশে ফেলে চলে আসি আবার সৌদি প্রবাসে।
টানা ২০০০ তম দিন বিশ্বরেকর্ড অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কখনো বন্ধ থাকেনি এমনকি শনিবার সরকারী ছুটি ও ঈদের দিনও।বিভিন্ন বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে উদযাপন হয়েছে |
আমার বাবা সুপার হিরো।বাবা আমাদেরর জন্য তার জীবনের 20বছর প্রবাসে কাটিয়েছে,কত প্রকার রোদে আমার বাবা কাজ করেছেন কত রাত জেগে আমার বাবা আমাদের কথা চিন্তা করেছেন,কতো ভালো ভালো খাবার আমার বাবার চোখ দিয়ে দে
নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
আমি তাঁতি পরিবারের সন্তান, আমার বাপ দাদাসহ আশেপাশে সবাই লুঙ্গি উৎপাদ ও ব্যাবসার সাথে জরিত ছিল শেয়ার বাজার ধসের সাথে সাথে আমাদের সকলের জীবন ও যেন এক প্রকার ধংশ হবার উপক্রম ব্যাবসায় শুধু লস আর লস বড়োদ
শিক্ষা দেওয়া হয় বিভিন্ন বেসিক নলেজ।যেমনঃউদ্যোক্তা তৈরি,বিজনেস আইডিয়া,বিজনেস ধরে রাখার মূলমন্ত্র, বিক্রি বৃদ্ধি, নেটওয়ার্ক সৃষ্টি, মা- বাবাকে ভালবাসা ও যত্ন নেওয়া,অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো,ভাল মানুষ
এখন আমার বিয়ের জীবন ষোলো বছর চলছে। আমার বাচ্চারা আস্তে আস্তে বড় হয়ে গেছে । আমার মনে আবার আগের সেই ঝুলন্ত স্বপ্ন গুলো নাড়া দিতে থাকে। অনেক স্বপ্ন এবং ইচ্ছা থাকার পরও সাহস করতে পারছিলাম না। কারণ এখ
আগামী ১৭ই মার্চ আমাদের আদর্শ টিম ফেনী জেলার মাসিক মিটআপ। উক্ত মিটয়াপ কে সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের ঐতিহ্যবাহী ফুলগাজী উপজেলার আজকের এই মিট আপ এর আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন আমাদের সকলে
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা ২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে এক ফিজিক্যাল মিটআপ এর আয়োজন করা হয়, উ
Iqbal Bahar Zahid is an entrepreneur and founder of Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation. In an interview with Eresh Omar Jamal of The Daily Star, he talks about his foundation and how it seeks to h
উক্ত মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলো যশোর জেলার বিসিকের এজিএম গোলাম হাফিজ স্যার। এছাড়াও জানুয়ারি ১৫ তারিখে আসন্ন ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনে করনীয় বিষয়, টিকিট বিক্রি
মহান আল্লাহ তায়া’লার শুকরিয়া আদায় করছি সর্বপ্রথম, যিনি আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের পাবনা জেলার মিটআপ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
জয়িতা ফাউন্ডেশন" এর সাথে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর MOU সাইন হল আজ। উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং, সেল বৃদ্ধি ও ফান্ডিং নিয়ে ইনশাল্লাহ আমরা একসাথে কাজ করবো।
আমাদের স্বার্থকতা বা প্রাপ্তি এখানেই।।আমরা বলতে পারি,খুব শিঘ্রই Dohar Nawabganj College & University থেকে উৎদ্যোক্তা ক্লাব ও একঝাক শিক্ষার্থী পেতে চলেছি,,,যারা ভবিষ্যতে উৎদ্যোক্তা হওয়ার পথে অগ্রসর হ
সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করতে আজই আমাদের গ্রুপের ওয়েবসাইট এ গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুণ এবং টিকেট কনফার্ম করুন বিকাশে অথবা মিটআপে জয়েন্ট করে।
আমি ও আমার হাজব্যান্ড দুজনেই ভালো মানুষ। আমাদের দুজনের কাছে সততা সবার উর্ধ্বে। আমার হাজব্যান্ড তো এই বয়সে এসে শুধু সততা বজায় রাখার জন্য অনেক চাকরি সে ছেড়েছে। আমার গল্প পড়ে সবাই বুঝতে পেরেছেন আমি ক
আমার অবস্থা ঠিক এমন হয়ে গেছে। এমনো অনেক কথা শুনতে হয়, যে বাবা মাকে মুক্তি দাও। তোমরা তিন বোন, তোমার বিয়ের বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর আমি সব সময় বলি পরিবারকে আমার কিছু আসে যায় না, সব মেনে নিয়েছি, সব মানবো কিন্
জীবন হলো এমন একটি বর্ণময় যাত্রা যা একদিকে যেমন আনন্দ, হাসি, খুশি ও সুন্দর-সুন্দর মুহূর্তের সাথে ভরপুর থাকে তেমন অন্য দিকে তেমনি থাকে বাধা বিপত্তি, দুঃখ কস্ট, হার - জিত ইত্যাদি।
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
আমার প্রবল ইচ্ছা মানসিক শক্তি এবং এবং আমার লেখাপড়ার যে যোগ্যতা আছে, তাতে আমি অনেক হ্যাপি, আমি নারী, আমি আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করি, আমার আছে ভালোমানুষির চর্চা, পজিটিভিটি, বিনয়, এবং পরিশ্রম করে, নিজেকে
#স্যারের আর একটি উক্তি না বললে নয় । #স্বপ্ন দেখুন সাহস করুন শুরু করুন লেগে থাকুন #সফল একদিন হবেন । #স্যারের এই বাণী আমার ক
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
তবে স্বপ্ন দেখে যেতাম, আমার সেই স্বপ্নের সারথি হয়ে এসেছে আমাদের সকলের প্রিয় ,আমাদের লিডার অফ উইথ জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার । যার অনুপ্রেরণায় আমি ১৫/১/২০১৯ সালে তিনটি গরু দিয়ে শুরু করেছি আমার গর
ঠাকুরগাঁও জেলার সামাজিক কর্মসূচী হিসেবে- # ৫০ টি ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। #এক দুখিনী মায়ের পরিবারের জন্য একদিনের খাবারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।