সত্যিকার অর্থে কিছু অনুভূতির ভাষা প্রকাশ করার মত নয়, কিছু অনুভূতি লিখে শেষ করা যায় না, কিছু মানুষের বিষয়ে লিখেতে গেলে কলমের কালি থাকলেও ভাষা খুজে পাওয়া যায়না
এখানে সকলেই পজেটিভ মানুষ প্রতিদিন দেখছি নতুন নতুন স্বপ্ন। মনে পড়ে গেল স্যারের স্লোগানের কথা, সময় নিন সময় দিন সময় বদলে দেবে সবকিছু।
আরও কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি আমাদের জন্য এত সুন্দর ও চমৎকার একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছেন।
আমার কাজের মাধ্যমে একজন লোক ও যদি উপকৃত হয় তাতে আমি নিজের আত্ম তৃপ্তি খুজে পাই। আল্লাহতালা আমাকে যদি সুস্থ রাখেন আমি লেগে আছি লেগে থাকবো,,, আমি পরিশ্রম করে যাচ্ছি আরো পরিশ্রম করে যেতে চাই।
২৫০ টাকা দিয়ে কাঁচামাল কিনে কাজ শুরু করি অনলাইন এ । আমার প্রথম দিন এর পোস্ট এই ২৫০ টাকার পণ্য শেল করি । শুরু হয়ে গেলো কাজের জীবন। তার পর থেকে একটা দিন ও থেমে থাকিনি প্রতিটি সেকেন্ড কাজ করেই যাচ্ছি।
তারপর আস্তে আস্তে গ্রুপে সময় দেয়া শুরু করি। ধীরে ধীরে বুঝতে থাকি জানতে থাকি শিখতে থাকি। তারপর নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম একজন উদ্যাক্তা হবো।
কিন্তু বিষয়টা অত সহজ ছিলো না যৌথ পরিবার, চোট বাচ্চা লালন-পালন, ইতিমধ্যেই হাসব্যান্ড দেশের বাইরে। সব মিলিয়ে অবস্থা মারাত্বক প্রতিকূল!
স্যারের নিদর্শনা অনুযায়ী ঢাকার এগারোটা জোনকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ধারাবাহিকতায় প্রথম উত্তরা জোনেই দ্বায়িত্বশীলদের নিয়ে মিটিং এ উপস্থিত আছেন কোর ভলেন্টিয়ার ইন্জিঃ সাজ্জাদ কায়সার ও মোঃ যায়েদ হাসান ইমরান
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলা প্রতিবেদন- ২০২২ সম্পর্ক হোক সহযোগিতার নেত্রকোনা জেলা
আমি একজন প্রবাসী, জব করছি একটা কফিশপে, সেই সুবাদে অনেকের সাথে দেখা হয় কথা হয়, একদিন এক বাংলাদেশী ভাই আমার কফিশপে উনার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় নিয়ে আসলেন, উনারা মোট সাতজন ছিলেন,
আমি তাঁতি পরিবারের সন্তান, আমার বাপ দাদাসহ আশেপাশে সবাই লুঙ্গি উৎপাদ ও ব্যাবসার সাথে জরিত ছিল শেয়ার বাজার ধসের সাথে সাথে আমাদের সকলের জীবন ও যেন এক প্রকার ধংশ হবার উপক্রম ব্যাবসায় শুধু লস আর লস বড়োদ
আমাকে এতো সুন্দর একটা পরিবারের কথা বললো যা শুনে সত্যি আমি মুগ্ধ যেখান থেকে আমি পাচ্ছি বাবার মতো একটি মানুষ জনাব ইকবাল বাহজর জাহিদ, যার দিক নির্দেশনায় আমি বাবার ছায়া,আদর, ভালোবাসা, সাশন খুঁজে
আমার পরিবার বলতে আমার জন্মের পর যেখানে আমার বেড়ে ওঠা। পরিবার বলার কারণ হলো মেয়েদের কোন বাড়ি হয়না। বিয়ের আগে বাবার বাড়ি, বিয়ের পরে স্বামীর বাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলের বাড়ি না হয়......
উক্ত মিটআপটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে শেষ হলো।শত কর্ম ব্যাস্ততার মাঝেও যারা এসেছেন সময় দিয়েছেন সবার প্রতি অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজকের মিট আপ টিতে। আগামী ২০০০তম
ই ছোট্ট জীবনে আমার প্রতিটা পদক্ষেপ শুরুতেই শেষ হয়ে যায়, হয়তো তা দ্বিতীয় বারে হয়েছে বা কখনো দ্বিতীয়বারেও হয় নাই। সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল এইটা যে,দৈনিক জীবনের ছোট খাট প্লানগুলো আমার কখনো প্লান মোতাবেক হয় না
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম 🥀আমি প্রথমেই শুকরিয়া জানাই সকল প্রসংশাময় আল্লাহর দরবারে যিনি অশেষ রহমতে আমাদের সুস্থ ও ভালো রেখেছেন । 🥀 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের আশার প্রদীপ জ্বা
🔵 উক্ত মিটআপ উপলক্ষে আমাদের সঙ্গে,,,,, 🍀" সহযোগিতায়" :------- বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও জেলা প্রতিনিধি 1. Shaikh Al Amin, বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও সূদুর ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশ এর
অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্যার মঞ্চে উঠে এলেন এবং আমাদের সকলের উদ্দেশে বক্তব্য শুরু করলেন । আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে স্যারের কথা শুনে যাচ্ছি । স্যার এর প্রতি টা কথা ছিল খুব গুরত্বপূর্ন আমাদের জন্য। এতদিন শুধ
জাতি হিসাবে এটা আমাদের কাছে কত বড় একটা পাওয়া সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আমরা বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ গুলো প্রিয় এই মাতৃভাষায় কথা বলে নিজেদের কে গর্ববোধ করি। ভাষা প্রকাশের যেই অনুভূতি যারা দেশ
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
যাদের বাবা পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়ে পরকালে চলে গিয়েছে এবং যাদের বাবা দুনিয়াতে আছে সকলের প্রতি অনুরোধ আপনারা আমার এই পোস্টটা অবশ্যই পড়বেন বাবা মানে মাথার উপর বিশাল একটি বটগাছ এ কথাটা যাদের বাব
প্রতিটি উপজেলাকে গতিশীল করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় মিটআপ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
নামটা যেমন তেমন কামটা কিন্তু পারফেক্ট। কত রকমের মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত কথা বলি, আড্ডা দেই & চলাফেরার সুবিধাদে তাদের সম্পর্কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে জানার চেষ্টা করি। এই জানার কারন ইকবাল বাহার জাহিদ স্য
আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!
লেখার মধ্যে একটা প্রতিবন্ধকতা কি জানেন? লেখার মধ্যে লেখকের অশ্রুসিক্ত চোখ দেখা যায় না। স্যার আপনি বহু বছর হাসি মুখে বেঁচে থাকুন আমাদের মাঝে। ভালো মানুষ হবার জন্য প্রয়োজন দরকার ভালো চর্চা। আপনি ভালো ব
আসলে বিজনেসটা আমার রক্তে। আমার দাদা সোনালী আঁশ পাট নিয়ে যমুনা নদীর পাশে হাট গুলোতে বিজনেস করত। আমার বাবা ধান-চালের বিজনেস করেন। সততা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার বিজনেসটা প্রশার করতে থাকেন।।
বলল, "অসুবিধা নেই আমি জানি যে, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । তাদেরকে দেখতে হলে আমাকেই দেখতে হবে এবং তোমরা দুজনেই কেউ টাকা জমাতে পারো না সেইজন্য আমি আমার টাকা জমিয়েছি তোমাদের ভবিষ্যতের কথা
আজ ০৫/০৮//২২ তারিখ রোজ শুক্রবার, বিকেল ৩ টায় কলাতলি পয়েন্টে কক্সবাজার জেলা টিম এর মিটআপ এর আয়োজন হয়।
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
তুন২০২০ সালকে স্বাগতম জানাচ্ছি । ব্যাবসায়িক জীবনের ১৪ বছরে পদার্পন করছি । অনেক সুখ দুঃখ গাঁথা নিয়ে আমার এই কর্মজীবন । আমি এই গ্রুপে রেজিস্ট্রেশন করেছি বেশ কিছু দিন আগে । add আছি বেশ কয়েক মাস থেকেই
আমি স্বপ্ন দেখতাম মেয়ে হয়ে বাবার - মার মুখ যেন উজ্জ্বল করবো।বাবার স্বপ্ন ছিলো মেয়ে আমার বড় উকিল হবে কিন্তু আমার কেন যেন ছোট বেলা থেকে শিক্ষকতা পেশা পছন্দ ছিলো।পছন্দের পেশার সাথে আত্মার সম্পর্ক ছিলো ১০
জামালপুর জেলার শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে
সেই থেকে গ্রুপের প্রতি মায়ায় পড়ে যাই এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও টানা ৯০ দিনের সেশানগুলো শেষ করি এবং ভিডিও সেশানও করি কয়েকটা। সেই সাথে আস্তে আস্তে পোস্টগুলো পড়ার চেষ্টা করতে থাকি,কে কি লিখছে সেগুলো শেখা
বৃষ্টি সবার জন্যই পড়ে, কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। প্রিয় স্যারের এমন হাজারো বাণী কতই না পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে। বিশেষ করে প্রিয় স্যার এবং প্রিয় গ্রুপের এত এত প্রিয় মুখগুলোর কাছে সারা জীবন আমি কৃতজ্ঞ
স্যারের শিক্ষায় আমার মতো ক্ষুদ্র শিক্ষার্থী হয়েও একজন মানবিক মানুষ, পরিশ্রমী, ডেলিভারি ম্যান, মৌ চাষী হয়েছি তারপরও নিজের কাজের প্রতি আত্মতৃপ্তি পাই।
১৯৯৫ সালে বাবা হজ্ব করে ব্যাবসা ছেড়ে দেন।বড় ভাই তখন বিদেশে, মেঝো ভাই সংসার দেখাশোনা করেন। অামি ছাত্র হিসেবে ভালই ছিলাম জিবনে খুব কমই রোল ১ ছাড়া ২ হয়েছে। মেঝো ভাই নানান রকম কৃষি কাজ করতেন সাথে আমাক
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোন এর অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী। চমৎকার আয়োজন ছিলো। এভাবেই এগিয়ে যাবে ঢাকার প্রতিটা জোন। আয়োজক ও যারা অংশগ্রহন করেছেন তাদের প্রতি অনেক
স্যারের প্রিয় একটা বানী আমার কানে সারাক্ষন বাজতে থাকেঃ"স্বপ্ন দেখুন,সাহস করুন ,শুরু করুন এবং লেগে থাকুন সফলতা আসবেই"।
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
শুভ জন্মদিন। প্রিয় প্লাটফর্ম " নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর আজ ৪র্থ জন্মদিন। আলহামদুলিল্লাহ্। এই দিনটি কে স্বরনীয় করে রাখার জন্য ও তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হয়ে গেলো আমাদের খাগড়াছড়ি অফলাইন
ছোট থেকে’ই আমার বাবাকে দেখছি অনেক কষ্ট করে সংসার চালাচ্ছেন তাই আমি আমার বাবার একটু হলেও যেন সম্বল হতে পারি এবং আমার ছোট বেলা থেকে’ই স্বপ্ন ছিল নিজের পায়ে দাড়াবার, নিজে কিছু একটা করে নিজে স্বাধিন মতো ন
ভিসা না থাকায় বাংলাদেশ যেতে না পারাই আমার রুরাল এনভাইরনমেন্ট কমিউনিটি হেল্থ সোসাইটি নামক,প্রতিষ্ঠান দিন দিন লাভ জনক আবস্থা থেকে লসের দিকে যেতে থাকে । ভাই,বন্ধু ও সন্তান তুল্য আমার অধিন্থরা, ন
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
সংসারের সবাই যখন মনে করবে এটা আমাদের সংসার, তখন দেখা যায় হাঁসি মুখে অনেক সময় অনেক ত্যাগ স্বীকার করা যায়। আর আমি মনেকরি এটাই হওয়া উচিত।
ইতিমধ্যে আমার বোন আমাকে বলে যে ভাই অনলাইনে বিজনেস করা যায়, তুমি যদি চাও তাহলে করতে পারো ও আমাকে কিছু নিয়ম শিখিয়ে দিল,আমি সেইভাবে একটা পেজ খুললাম,কিছু সেলার নিলাম, দুই ভাইবোন মিলে কাপড়ের ব্যবসা শুর
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন