আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
জীবন মানে নিরন্তর ছুটে চলা.. পদে পদে বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতায় রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত হওয়া, সে ক্ষত মুছে আবার প্রবল আগ্রাসে ঝাঁপিয়ে পড়া.. সংগ্রাম-পরিশ্রম যুদ্ধ এবং সাফল্য – এই হতাশা, ব্যর্থতা, গ্লান
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
তারপর আবার কেটে গেল কয়েকটা দিন।কাল এক বন্ধু মেসেজ করলো তার প্রিয়তমার জন্য সে গহনা কিনবে।আবার নাকি শাড়ি ও দেখবে,পছন্দ হলে শাড়ি ও নিবে।।আমি যেহেতু গহনা নিয়ে কাজ করছি সে আমার থেকে গহনা নিবে।শুনে খুব
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
এইবার জব পাওয়ার লড়াইয়ে নেমে পরলাম।এর মধ্যে আমার খুব ইচ্ছে ছিল সি এ(C.A) করার কিন্ত আমার মা কিছুতেই রাজি হল না।বলে আমি কি সারা জীবন শুধু পড়ালেখায় করব।অনেক পড়েছি আর পরতে হবে না।তার পর পি এস সির আন্ডারে
আম্মুর কাজে সহযোগিতা করতাম। মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। তাই
তিতাসের পার ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদস্যদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি গ্রুপের কোর ভলেন্টিয়ার ও উদ্দীপ্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রোগ্রামের কনভেনর Masudor Rahman ভাই, ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Eng
প্রতিটা মানুষের জীবেন, নিজের বলার মতো একটা গল্প থাকা প্রয়োজন, সেটা হতে পারে সফলতার, হতে পারে ব্যার্থতার, হতে পারে কষ্টের গল্প, সবাই চাই সফল হতে, আমি তার ব্যাতিক্রম নই - আমি ও সেই চেষ্টাই করে য
শ্রদ্ধেয় স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস অর্গানাইজিং টিম কাজ করে যাচ্ছে।
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
আমি সম্মেলনের টিকেট সংগ্রহ করেছি, আপনি করেছেন তো? ঘনিয়ে যাচ্ছে #নিজের বলার মতো একটা গল্প# গ্রুপের ৪ জানুয়ারী ইতিহাসের সাক্ষী অপেক্ষমান মহা সম্মেলনের তারিখ। ৳ 🌻কেউ টাকার প্রবলেমে আসতে চাচ্ছেন না বা
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
২০১৯-২০-২১ সালে ৩৫০ টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন তা প্রতিটি উপজেলায় সমভাবে বন্টন করা হয়। 🔘২০২১ সালে বন্যার মধ্যে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা দেওয়া হয়। 🔘১০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে দ
ভিশন উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২ এর ৪র্থ পর্ব প্রিমিয়াম অফলাইন মিটআপ এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি
তারা ছোট থেকেই বিজনেস শুরু করেছিলো , সেই ছোট বিসনেস আকরে ধরে লেগে থাকার কারনে -ধীরে ধীরে একটা সময় গ্রুপ অফ কম্পানির মালিক হয়েছে । বিজনেস করতে কোটি কোটি টাকা প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু কমিটমেন্
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন
গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে যখন HSC পাশ করে ভার্সিটি ভর্তির জন্য বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছি। সেই সুবাদে পরিচিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ খান নামের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে। এক
উদ্যামি ঝালকাঠি জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রেকর্ড 2000 তম দিন উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
বর্তমানে আমরা যেই পরিমাণ শ্রম ব্যয় করি সেই পরিমাণ কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি না। অলসতার দরুন কিংবা অপারগতা বশত। আর যা গ্রহণ করি তাও ভেজালে ভরপুর। যার ফলে দিনদিন নিজেরা হচ্ছি দূর্বল এবং সন্তানরাও
আলহামদুলিল্লাহ, সবার উপস্থিতিতে সুন্দর মিটাপ সম্পন্ন
এম,ডি মাহবুব (Md Mahbub) ছাত্র থাকা অবস্থায় এক বুক স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। প্রবাসে বড় ভাইয়ের কাছে তার প্রথম আশ্রয়। ভাইয়ের আদর এবং ভাইয়ের বন্ধুদের ভালোবাসায় ভালোই অতিবাহিত হচ্ছিল
আমারও ডেঙ্গু হয় । তিন তিনবার ডেঙ্গুর টেস্ট করার মধ্যে দুইবার ই নেগেটিভ আসে। অর্থাৎ রিপোর্টে ভুল আসে কিন্তু আমি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ি। বিছানার প্রায় এক মাসের মত ছিলাম। ভেবেছিলাম আমি বাঁচবো না। কিন্তু
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।🌿 আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আমি সর্বপ্রথম প্রশংসা করছি মহান রাব্বুল আলামিনের; যিনি আমাকে দিয়েছেন সুস্থ একটি জীবন,
স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে অনুপ্রেনিত করে, আমাকে স্বপ্ন দেখায় একজন উদ্দোক্তা হতে। আমার স্বপ্ন আমি একজন উদ্দোক্তা হতে চাই।
নিজের বলার মতো গল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে আজ শিত বস্ত্র বিতরণ করলাম আমি সহ নিজামুল ভাই, মেহেদী ভাই এবং রনি ভাই যাঁরা যাঁরা আর্থিক সহায়তা করেছেন আল্লাহ্ যেনো সবাই কে কবুল করেন। (এটা অন্য রকম একটা
৭ম বারের মতো এ পজেটিভ রক্তদান রক্তদিন জীবন বাচাঁন অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করুন।
বিকালেই একজন ভাইয়া মেসেজ দিলো আমি কাঁথা নিব।আমি ভাইয়া কয়টা নিবেন।আমাকে কয়েকটা কাঁথার পিক দেন। আমি দেখে বলছি। পিক দিলাম।দেখে বলেন। আমি ৪টা নিব।পিক গুলা দিয়েছি দেখেন। ধন্যবাদ ভাইয়া। এগুলা রেডি করা আছে।
প্রিয় হবু শাশুড়ী আম্মা, ভালোবাসা ও সালাম নেবেন, কেমন আছেন জিজ্ঞেস করবো না,কারণ এ বয়সে এসে এত চাপ নিয়ে কারোরই ভালো থাকার কথা নয়,সেটা আমার জানা আছে।আর সত্যি বলতে আমি আপনার ব্যাপারে একটু বেশীই জানি। তাই
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ (বাবাকে নিয়ে আমার জিবনের সুখ ও দুঃখের কাহিনি) ---সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাদেরকে এই
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের বরিশাল জেলার অফলাইন মিটআপ সকলের উপস্থিতিতে খুব সুন্দরভাবে ও সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে,,
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে
💐"আশুগঞ্জ উপজেলা ঈদ পূর্ণমিলনী ও অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল।
🌷ধন্যবাদ জানাই জাতীয় পত্রিকা দৈনিক জনকণ্ঠকে। 🌷পর্যায়ক্রমে আমরা পৃথিবীর প্রতিটি কর্নারে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পৌছাবো ইনশাআল্লাহ। 🌷আসছে আগামী ৯ জানুয়ারি মহাসম্মেলন মিরপুর স্টেডিয়ামে -----আপনা
আপনি স্বপ্নে দেখছেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হবেন কিন্তু সেজন্য আপনি কোন গাইড লাইন পাচ্ছেন না আপনি সময় দিতে প্রস্তুত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত কিন্তু মাধ্যম তাই পাচ্ছেন না আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে সে ম
চাকরি করব না চাকরি দিব। স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, সাফল্য আসবোই। কেবল একটা চাকুরির জন্যই আপনার জন্ম হয় নি। আপনি আরো অনেক বেশি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
This time the news of our Foundation Published to the English daily Newspaper "The Daily Observer". The daily English Newspaper "The Daily Observer " is our "Nijer bolar Moto Ekta Golpo Foundation" Co
এই পৃথিবী এমন এক জায়গা, এখানে বেচে থাকলে নিজেকে, নিজের আপন অস্তিত্বকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। আমি বেচে থাকলে, আমাকে বলতেই হবে " আমি আছি, আমার অস্তিত্ব বাস্তব "। যতক্ষন শ্বাস আছে, ততক্ষন বেঁচ
২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোচিংয়ের টাকা জোগান দিতে একজন আত্মীয়ের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বলে, " ঢাকা গিয়া কি হইবো, পড়ন লাগবো তো সেই চাঁদপুর সরকারি কলেজেই‼️" তার কথায় পাত্তা না দিয়ে আব্বুকে
সত্যিই তো মানুষের জীবনে হার জিৎ থাকবেই। হেরে গেলে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করতে হবে। এভাবে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আজ আমরা এমন এক বিভিষিকাময় সময়ে আছি, যখন আমাদের নেই কোনো সামাজিক নিরাপত্তা
তিনি আগে থেকেই কুয়েতে থাকতেন। এখন আবার আর এক সংগ্রামের জীবন শুরু হলো। স্বামী ছাড়া শ্বশুড় বাড়ি বুঝেনই তো। মানসিক টরচার ও অনেক কথা শুনতে হতো। তাদের কাছে মনে হতো একজন কাজের মেয়ে নিয়ে আসছে। সারাদিন মা
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
আমরা মানিকগঞ্জের মানিকরা তার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি চেষ্টা করছি ছোট করে কিছু শুরু করতে এবং সেই সাথে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজিক উন্নয় মূলক কাজ করতে।
ভ্রমণ সবসময় আনন্দ দেয় মাংসের বদ্ধ ঘরে ক্রান্তি আসলে ঘুরতে যাওয়া উচিত মাইন্ড কাজে মন বসে এটা একটা জীবনের
সততা ও কর্মনিষ্ঠাই আমাকে মহান করে তুলবে এ বিশ্বাস আমি রাখি। কাস্টমারের সেটিসফেকশন কোন কমপ্রোমাইস করিনা। হয়তো এ কারণেই কাস্টমারের কাছে সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়েছি।
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও