জয়পুরহাট জেলার টীম এর সফল ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। উপস্থিত সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল
এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে জীবন পাল্টে গেছে। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমার জীবন টা কে পাল্টে দিয়েছেন। স্যারের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
টানা ২০০০তম দিন উদযাপন আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ জেলা টিম।
আমি মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করি আমার কমিটমেন্ট ও সততা আছে। 🌷আমি এখন ইচ্ছে করলেই খারাপ কাজ করতে পারব না। এখন ভয় জয় করার মত মনোবল হয়েছে। 🌷এই গ্রুপে স্যার আমাদের কে একটি সেশন দিয়েছে কথা বল
এর পরে চাকুরি টা ছেরে বেকার হয় পরি৷ তখন আবার পরিবার থেকে পকেট খরচ নিয়ে চলতে হয় তখন নিজে চাহিদা মতো খরচ করতে পারি না৷ তখন নানা ধরনের নেগেটিভ চিন্তা আসে কি আর করার এ রকম করতে করতে আরো একটা বছর অতিবাহিত
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্য ফরিদপুর মুলত শুরু হয়, ২য় ব্যাচ থেকে Saiful Islam Maruf ভাইয়ের মাধ্যমে, তিনি সর্ব প্রথম ফরিদপুর জেলার নিজের বলার মতো গল্প নিয়ে এসেছেন। প্রিয় ভাইয়ের প্র
দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় জেলা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ। মহা-সম্মেলন কে সফল করতে ময়মনসিংহের প্রতিটা উপজেলা পর্যায়ের মিট আপ চলছে ধুমধামে আলহামদুলিল্লাহ। তারই ধারাবাহিকতায় আসছে ০৪/১২/২০ ইং (রোজ শুক্রব
আমি আনুভব করতে থাকলাম আমার ভিতর থেকে সমস্ত নেগেটিভ দিক গুলো বিদায় নিচ্চে।
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
আলহামদুলিল্লাহ! সকলের সহযোগিতায় ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সম্পন্ন হওয়া কেরানীগঞ্জ জোনের উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন।
মোঃ জামান সপ্তম ব্যাচ নারায়ণগঞ্জ সদস্য নং2224 ৪তারিখের মহা সম্মেলনের টিকেট কিনে নারায়ণগঞ্জ মিট আপ সফল ভাবে সম্পন্ন কারা হয়েছে ।
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
রাগ,জেদ,কড়া কথা,ধমক,মুখ ঝামটা এই বয়োসন্ধি সময়ের সমস্যাকে জটিল করে।ওরা বিভ্রান্ত হয়।পথ হারায়।ওদের মধ্যে কেউ কেউ আছে যারা পথ হারানো একটা ক্ষতি এভাবে বুঝতে পারে।ফলে নিজেকে পিছলে যাওয়া থেকে বাঁচায়
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
বরিশাল জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ বরিশালের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব।
আগে প্রচলিত ছিল কন্যা সন্তান জন্ম নিলে মাটিতে পুঁতে রাখতো। তবে এখন আর নেই কিন্তু এখনো কন্যা সন্তান জন্ম নিলে তার মাকে অবহেলা করে, নির্যাতন করে। আমি যখন জন্ম নেই তখন আমি মেয়ে বলে আমার দাদীমা আমাকে
এখন আমার বিয়ের জীবন ষোলো বছর চলছে। আমার বাচ্চারা আস্তে আস্তে বড় হয়ে গেছে । আমার মনে আবার আগের সেই ঝুলন্ত স্বপ্ন গুলো নাড়া দিতে থাকে। অনেক স্বপ্ন এবং ইচ্ছা থাকার পরও সাহস করতে পারছিলাম না। কারণ এখ
আমি যেন আমার মাঝে নেই,এক ঝড়ে পুরো দূনিয়াটা উলট পালট হয়ে গেল,সব হারিয়ে শূন্যতে চলে এলাম,৯/১০ মাস কি করছি না করছি কিছুই বুজলাম না, পুল ডিপ্রেশনে চলে যাই,আমার আপু ডাক্তার দেখিয়ে কিছুটা সুস্থ করে,২ বছর কা
আমরা প্রবাসে বসে কয়েকজন বন্ধু মিলে গতকাল 40 টি পরিবারের কাছে ত্রাণ বিতরণ করেছি । আপনাদের দোয়ায় সম্পন্ন করেছি। তাদের কোনো সেলফি নেইনি কারণ লোক দেখানো মানবতার বহির্প্রকাশ নয়।
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
আজকের মিটআপটা ছিল পতেঙ্গা জোন,খুলশী জোন এবং বায়েজিদ জোনকে নিয়ে।খুবই সুন্দরভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। ধন্যবাদ জানাবো Zahid Islam বড় ভাইয়াকে তিনটা জোনের একসাথে মিটআপ এরেন্জ করার জন্য।ভ
চাকরি করব না চাকরি দিব। স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, সাফল্য আসবোই। কেবল একটা চাকুরির জন্যই আপনার জন্ম হয় নি। আপনি আরো অনেক বেশি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
শেরপুর জেলার ৩য় মিট আপ অনুষ্ঠিত হল নালিতা বাড়ির উত্তর গড়কান্দা,ঘোনাপাড়া আমাদের সবার প্রিয় জয়নাল ভাইয়ের নতুন প্রতিষ্ঠান স্বপ্নপুরী রিসোর্স সেন্টারে।
ন ধরে কথা বলতাছে ড্রেস নিবে। সব ডিটেইলস নিলো। কিন্তু অর্ডার করে না। পরে গতকাল রাতে হাটবারের আগের রাতে নক করলো আপু আমাকে ১০ টা ড্রেস পাঠাবেন আগামী কাল। ভাই কে আমি ভালো করে চিনি না কিন্তু সে আমাকে চিনে।
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই জোহরা দিলশাদ আরা আপুকে। নিজের অফিসকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে যেন আমরা সবাই একসাথে একই ছাদের নিচে বসে সুষ্ঠুভাবে মিট আপ করেত পারি
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার মুহূর্ত। আমি স্যারের অনেক ভিডিও দেখেছি এবং তার লেখাগুলো পড়েছি সেই থেকেই অনুপ্রেরণা এই কারনেই নিজের মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়া।
যারা বিজনেস করতে চান তাদের আমি বলবো সেল হয় নি, লাভ হয় নি এই চিন্তায় বিজনেস শেষ করবেন না...প্লিজ অপেক্ষা করে কাজ করে যান...
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক- লক্ষ তরুণ-তরুণীর আইডল, আমাদের নয়নের মনি, স্বপ্নদ্রষ্টা, জীবন্তকিংবদন্তি, শ্রদ্ধাভাজন জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ভালমানুষি চর্চায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ড
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
জাগো নরসিংদী মানেই ব্যতিক্রম কিছু। জাগো নরসিংদী উদ্যোক্তাদের নিয়ে মহা সম্মেলন ও টিকিট কনফার্ম করার উদ্দেশ্য মিট আপ হয়ে গেলো চমৎকার আনুষ্ঠানিকতায়। Iqbal Hossain, RM Moklesur Rahman, Arif Mia, Masum F
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনারা যারা এতক্ষণ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার লেখাটা পড়েছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশ
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
আগামীর জন্য স্বপ্ন বোনে। কিন্তু আমার জীবনের সেই স্বপ্ন বোনাটা খুব বেশী দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমি যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী ঠিক তখনই আমার বিয়ে ঠিক হয়। অনেক চেষ্টা করেও বিয়েটা আটকাতে পারি নি। বিয়ের
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, মানবিক সংগঠন "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর, হবিগঞ্জ জেলা কৃর্তিক আয়োজিত মাসিক মিট আপ।
পাহাড়ের আকাঁ বাঁকা মেঠোপথে হেঁটে চলে এক সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্যে দিয়ে আমার বেড়ে উঠা।সেই ছোটবেলা থেকে নতুন কিছু শিখার আর জানার প্রতি আমি অধিক আগ্রহী ছিলাম। অজানাকে জানার জন্য অধিক কৌতুহলী ছিলাম ।
ছোট বেলা থেকে ই স্বপ্নে দেখছি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করবো। দেশে ও জাতীয় উন্নয়নে আমার শিক্ষা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবায় কাজ করবো। তার জন্য ছাত্র জীবনে অনেক অরাজনৈতিক সংগঠনও গঠন করে থ
যখন হসপিটালে যেতাম নার্সদের ডাক্তারদের দেখতাম তখন আমার মনে হতো আমিও যদি লেখাপড়া কন্টিনিউ করতাম তাহলে আমিও ডাক্তার হতাম,তখনতো শুধু ডাক্তার হওয়ার চিন্তা মাথায় থাকতো, মাঝে মাঝে নার্সদের সাথে কথা বলতাম...
নতুন প্রজন্মের সেরা কিংবদন্তি, লক্ষ তরুনের প্রানের স্পন্দন, নয়নের মনি জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অবদান বলে শেষ করার মতো না। তিনি দেখিয়েছেন আমাদের স্বপ্ন, শুধু স্বপ্ন দেখাননি, বাস্তবায়নও হচ্ছে প্রত
বাবা মায়ের একমাএ সন্তান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে আমাকে ঘরে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি পড়াশোনায় ছিলাম খুব ভালো। জীবনে কখনো ফেল করিনি। এস.এস.সি দিয়েছিলাম পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে পাবলিক স্কুল থেকে। যেহেতু পড়ালেখায়
রক্তদানে কেউ আমরা পিছিয়ে থাকবো না। বিশেষ করে আমাদের নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের করো যদি কখনো ব্লাড লাগে আমরা সবাই মিলে ওনার জন্য কাজ করমো। রক্তদানে কোনো ক্ষতি নাই বরং নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আ
স্যারের আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত ভলান্টিয়ারিং সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো করে চলেছেন ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ প্রাণ ভলান্টিয়ারগণ।
শুরু হলো আমার সংগ্রাম জীবনের পথ চলা। কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে শেষে আল্লাহর অশেষ রহমতে ভর্তির সুযোগ পেলাম মেধা তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত তেজগাঁও কলেজ এ হিসাববিজ্ঞান বি
আমার বাবা বলেছিলো কারো থেকে কিছু খেলেই বড় হয়ে যাওয়া যায় না, তবে কাউকে কিছু দিলেই, নিজের মন থেকে বড়ত্ব না-করলেও, আলাদা একটা মৃদু বাতাস অন্তরে বয়। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দুঃখিত মন দূরে যেতে চ
আমি খুব দরিদ্র ঘরের ছেলে।গরিব হলেও আমাদের সংসারে ভালোবাসার কোন অভাব ছিলো না। আম্মা,বাবা,আমি, ছোট ভাই, আর ছোট দুটি বোন কে নিয়ে আমাদের সুখের একটা সংসার ছিলো।আম্মা আমাদেরকে খুবই ভালোবাসতেন।বাবাও বাসতেন