মনে ভয় কিন্তু তা দমিয়ে দেয়া হয়!! এই টাইপ মেডিসিন হল নিচের এই মায়াবতী গহনা 💙এক ভাইয়ার কাস্টমাইজড অর্ডার। তারা স্বামী-স্ত্রীর ম্যাচিং শাড়ি-পাঞ্জাবীর সাথে💙💙।। কাপল ভাইয়া আপুরাও ম্যাচিং করে নিতে পারবেন
নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
এত সুন্দর একটি প্লাটফর্ম গড়ার জন্য প্রান প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমি একজন প্রবাসী নিঃসন্দেহে সকল প্রকার বাংলা কিতাব বা পুস্তক থেকে সম্পূর্ণভাবে অনেক দূরে আছি। তাই প্রায়ই বাংলা পড়ালেখার তেমন কোনো চর্চাই নাই আর সেই সুবাদে বাংলা লেখাটাও আমি ভুলে গেছিলাম। কিন্তু এ প
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
একজন নারীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় অনেক কঠিন। চাকরি খেকে উদ্যোক্তা জীবন। বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর সংসার সব স্থান ই পরাধিনতা। একজন নারী চাইলে ই পারে না একজন পুরুষের মত উদ্যোক্তা হতে।
May 20, 2019 · নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কার্যক্রম খুলনা জেলা কতৃক আয়োজিত এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার এবং রাতের খাবারের আয়োজন।
কাজী নাজমুল আলম হামীম কোর ভলান্টিয়ার, রেজি ৬১
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
এবার একটু থতমত খেয়ে গেলাম। পুলিশ সম্পর্কে আমাদের সাধারন মানুষদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। কথায় বলে, আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা। যাই হোক, যেহেতু খাঁটি মধু নিশ্চিত করতে পারছি এবং মধু
টাংগাইল জেলার ঘাটাইল থানা থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্বপ্ন ছিল, স্বপ্ন ছিল ঢাকায় পড়াশোনা করার কেন জানি মত ঢাকায় হয়তো স্বপ্ন পূরনের কোন মাধ্যম খুজে পাবো। তবে বেক আপ সার্পোট হিসেব
অদম্য টাংগাইল জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ও দিক নির্দেশনা প্রদান। আরও ছিলো লাকি কুপন ড্র।
বাবা হলো আমার জীবনের রিয়েল হিরো,যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমার বাবা কত ভালোবাসাতো সেই কথাই আজ আপনাদের বলব ,আমার বাবা একজন ড্রাইবার সারাদিন ড্রাইব করে রাতে বাসায় এসে জিজ্ঞেস করত কি লাগবে করে আবার দোকানে
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশে শুরু হয়েছে উপজেলা মিটাপের। আর সেই সুবাদে ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা থেকে আয়োজিত হয়ে গেলো একটি মেগা মিটাপের, আলহামদুলিল্লাহ।
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
সমাজ যখন হাটবারে মেয়েদের নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো বর্তমান আধুনিক জীবনে মেয়েরা ঘরে বসে বিশাল এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে আবার ঘুড়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছে।দোয়া রইলো সব স্বপ্নবাজদের জন্য। দোয়া করি প্রিয় স্যারের জন
" দেশে বিদেশে যাদের সাথেই পরামর্শ করেই তারা সাহস দেইনা" বলে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেক কঠিন" ওখানে আরো কিছুদিন থাক কিন্তু আর কত 16 বছর তো হয়ে গেল। 😇সেই থেকে আইডিয়া খুঁজতে লাগলাম হঠাৎ করেই ইকব
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
আমার উদ্দোগক্তা জীবন শুরু করতে যাচ্ছি।শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু কোননা কোন কারন
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
০৫ বার হোল ব্লাড ও ২০ বার প্লাটিলেট সহ মোট ২৫ তম ভালোবাসা দান করলেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন চৌধুরী
তাই আমি যখন নবম শ্রেণিতে এ পড়ি আমি চিন্তা করি আমি দুই জন ছাত্র পরাবো কয়েক দিনের মধ্যে আমার এক জন ছাত্র আর এক জন ছাত্রী ঠিক হয়ে যায়। আমি ওদের কে পরানো শুরু করি এক মাস নাহতে আরো দুই জন ছাত্র ছাত্রী চল
আমি সময় নিচ্ছি আর চাকরির পাশাপাশি সময় দিচ্ছি হুট করেই নই আস্তে আস্তে নিজেকে গুছিয়ে স্বপ্ন নিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছি.. তাই.... দোয়ার দরখাস্ত রইল আমার প্রিয় এই ছোট্ট খামারের জন্য সবার কাছে..... #
আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।
পাবনার সুজানগর উপজেলার মিটআপ। বিশেষ ধন্যবাদ সুজানগর উপজেলা এম্বাসেডর Masuduj Jaman ভাইকে ও সুজানগরের নিবেদিত সদস্যবৃন্দকে যারা চমৎকার এই মিটআপটি আয়োজন করেছেন।
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
কিছুদিন আগে এক প্রবাসী ভাইয়া মেসেজ দিলো রাত ১২ টার দিকে।আমি তখনও ঘুমায়নি।উনি সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলো কেমন আছি।আমি মেসেজ সিন করে চুপ করে আছি।ভাবছি সকালে রিপ্লাই দিব।এতো রাতে দিব না।একটু পরেই আরেকটা মেস
মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলার সফল উদ্যােক্তা ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ি তাপস দত্ত দাদা। সবশেষে উপস্থিত সকলের চমৎকার অনুভূতি, আলোচনা ও জেলা সমন্বয়ক প্রিয় কাওসার আলম ভাইয়ের সমাপনী
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
আমি বিভিন্ন কাজ শিখতে ভালোবাসি🥰 ছোট থেকেই কিছু শেখা নিয়ে অবহেলা ছিলোনা। যখন যেই কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি তাহ ছাড়া করিনি🥰 তবে এগুলো খুবই সামান্য! আমাকে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে হবে।৷
আমার ছোটবেলা থেকে গ্রামেই বড় হওয়া তাই নিজ গ্রাম থেকেই অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। আপনারা জানেন গ্রামের মানুষের ৮০ ভাগ ইনকাম আসে কৃষি কাজ থাকে। আমার পরিবারও ঠিক তাই ছিল ধানের জমি, গোয়ালের গরু...
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় ত্রান বিতরন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছে নিজের বলার মত একটি গল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে খুলনা টিম।
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
সকলে মিলে মানুষের পাশে থাকতে চাই যতদিন বাঁচবো।মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না প্রিয় স্যারের শিক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।
অজস্র ধন্যবাদ বগুড়া জেলা টিমের সবাই কে।
নিমিষেই সমস্ত হতাশা ধুর হয়ে গেলো, আর তখনই ৮ম ব্যাচে রেজিষ্ট্রেশন করে নিলাম এবং কি টানা ৯০ দিনের প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন ফ্রী তে বিনামূল্যে স্কেল গুলা আয়ত্ব করে নিলাম। নিজের পরিচিতির জন্য, নিজেকে ব্যান্ড
গত কিছু দিন অাগে অামার দুই বন্ধু কোরিয়া ও সৌদি অারব থেকে অামাকে কল দিয়ে এই গ্রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল। অামি তাদেরকে অামাদের স্যারের নির্দেশনা বা কার্যক্রম সম্পর্কে বলি। তারা খুবই অানন্দিত
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
মন দিয়ে শিখে তারপর নিজের মতো করে সব শুরু করবেন। আপনি ব্যবসায়ী হউন আর উদ্যোক্তা উপরোক্ত বিষয় গুলোতে আমি আপনাকে সাহায্য করব ইনশাআল্লাহ। কথায় কথায় রেবেকা আপুর বাড়ির কাছে পৌঁছে গিয়েছি। আপুর কাছে মীরা ক
আমি অনেক সময় দেখেছি আমার মা নাখেয়ে বলেছে আমি খেয়েছি তুমি খাও। পৃথিবীতে একমাত্র সন্তানের ভালোর জন্য মিথ্যা কথা বলে একমাত্র মায়। অসুস্থ থাকলেও বলে আমি অনেক ভালো আছি। রাত যত গভীর হোক সন্তানের এক ডা
পার্টনারশিপে ব্যবসা করি। সর্বপ্রথম ঢাকায় যে ভাইয়ের কাছে এসেছিলাম ওই ভাইয়া একদিন ডাকলেন আমাকে, বললেন আস একসঙ্গে ব্যবসা করি পার্টনারে, আমি হ্যাঁ বলে দেই কোন কিছু না বুঝেই, কারন আমার ব্যবসা করার খুব
আলহামদুলিল্লাহ টানা ১০ম বারের মত O+ রক্ত দান করলেন আমাদের প্রিয় Md Zahid Jobayer ভাই। তিনি মিরপুর মডেল জোন এর পল্লবী থানা প্রতিনিধি।
চাকরি করতাম উত্তরাতে একটা আইটি প্রতিষ্ঠান। আলহামদুলিল্লাহ সবাই ভালই চলছিল। প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বসের আস্থা ও বিশ্বাস এটাই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রায় চার বছরের মতন চাকরি করছি। প্রতিষ্ঠানকে কখনো
দুঃখের বিষয় মনে মনে করতাম চাকুরি পেয়ে টাকার অভাব ঘুচবে আর ভালো ভালো চাকুরির বই কিনে পড়ব আর ভালো চাকুরির পরীক্ষা দিব।কিন্তু আমার পুরা পরিবারের দায়িত্ব যেন তখন আমার মাথায় একটা পরীক্ষাও আর দেওয়া হল না টা
#আম_মেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান।
গত ২৫/১২/২০২০ ইং রোজ শুক্রবার আবারও অসাধারণ মনোমুগ্ধকর কোনাবাড়ী মেট্রো স্কুল এন্ড কলেজের চমৎকার মিলনায়তনে নিজের বলার মতন একটি গল্প ফাউন্ডেশনের অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা নবম ও ২০২০ ইং সালের শেষ মি
প্রিয় স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হলো প্রাকৃতিক সম্পদের খনি সাতক্ষীরা জেলা টিমের পক্ষ থেকে।
বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকার কারণে গ্রুপে তেমন কোন পোস্ট কিংবা সময় দিতে পারিনি। এখন আমি আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি, সুস্থ হয়ে আমাদের গ্রামের একটি রাস্তার কাজের সকলের সাথে সহযোগিতা করে সম্পন্ন করলাম। এ রাস্