বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যবসা চলছে বেকারদের নিয়ে।। নামে বেনামে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে লোভ দেখিয়ে প্রতিনিয়ত বেকারদের নিকট থেকে আত্মসাৎ করছে বিশাল অংকের অর্থ। আবার এম
পরিবারের বাবা,মা,ভাই,বোন, আত্মীয়-স্বজন বউ বাচ্চার জন্য। দিনের পর দিন চলে যায় প্রবাসে। তাদের অর্ধেক জীবনটা প্রায় প্রবাসে জীবনে কাটিয়ে দিতে হয় বছর এর পর বছর। পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে টাকা উপার্জন করতে হ
দিনাজপুর জেলার তরুণ উদ্যোক্তা ভাই আখতার হোসেন ও টুটুল দাদার প্রচেষ্টায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
দেখতে দেখতে আমি হাফিজী শেষ করি, তার পরে দাখিল পাস করলাম, অস্তে অস্তে আমি সঞ্চয় বড় করতে লাগলাম, যখন আমি আলিমে ভর্তি হই তখন আমি চেষ্টা করি নিজের টাকায় লেখাপড়া খরচ চালানো- লেখাপড়ার পাশাপাশি আমি...
নতুন কিছু স্বপ্ন এক মুঠো আশা,,সকলেরে ভালবাসা...যে যাত্রাপথে আমাদেরর সাথে হাজার মানুষের সাথে দেখা হবে, কথা হবে, সাথে বন্ধুত্ব হবে আবার সেই সম্পর্ক চোখের পলকে ভেঙ্গে যাবে।জীবনের এই সময়ের সবটুকু পথ
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
স্যারের সবগুলো উক্তি আমার ভিষণ ভালো লেগেছে। স্যার একটা সেশনে বলেছেন আমরা কেন অন্যের মত করে বড় হতে চাইব। একদম সঠিক কথা বলেছেন। আমি আমার মত করে বড় হতে চাই।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা টীম বাইক টুর ও লঞ্চ ভ্রমণ সুন্দরবন।
যতক্ষণ পড়তাম রাতে বাবা ঠিক ততক্ষণ এই আমার পাশে বসে থাকতেন।কখনো আমার আগে ঘুমাতে যেতো না।এমনকি এসএসসি, এইচএসএসি পরীক্ষার সময়ও বাবা না যতক্ষণ জেগে থেকেছি ঠিক ততক্ষণ আমার পাশে বসে থাকতেন, কখনো টিভি দেখতেন
আবার পন্য সেল শুরু করি কিন্তু কিভাবে পন্য সেল করতে হয় আমার কোন আইডিয়া তেমন ছিল না, তবুও আমি ভ্যানগাড়ি ও ড্রাইভার নিয়ে মার্কেটে যেতাম পন্য সেল করার জন্য , কিন্তু আমার ফুফাতো ভাই তখন তীর কোম্পানিতে জ
নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো। গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো। বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকেও যেন ভালো রাখতে পা
শুরু আমার প্রবাস জীবন, প্রবাসী জীবন কত সুখ কত কষ্ট এখন দেখা হবে নিজ চোখে। কথা আছে যে যেই জিনিস খায় না সে কি বুঝতে পারে কি তার মজা।যতই অনুভব করেন না কেনো। অামি আর আমি নাই কি আর করবো ভাইয়ার মতো আমার
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
রাত যখন গভিরের দিকে যাচ্ছে ঠিক তখন মানবতার কিছু ফেরীআলা বেরিয়ে পড়েন রাস্তায় শুয়ে থাকা কিছু মানুষদের খোজ খবর নিতে।
টানা ২০০০তম দিন উদযাপন আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ জেলা টিম।
এই রোদের মধ্যে না সকাল, না দুপুর, অনেক সময় পায়ে হেঁটে এক প্রজেক্ট থেকে আরেক প্রজেক্টে যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং সহযোদ্ধাদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য যেতে হতো।
আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমা
এখানে আমাদের সকল সম্মানিত দায়িত্ব শীল দের প্রচুর ভালোবাসা এবং পরিশ্রমের একটা বিরাট ভূমিকা ছিলো। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে,যে সকল সম্মানিত সদস্য অধির আগ্রহে উপস্থিত হয়ে আমাদের প্রোগ্ৰামটিকে প্রাণবন্ত ক
★মা-বাবাকে কষ্ট দিয়ে সুখী হওয়া যায় না। মা-বাবার দোয়া সবচেয়ে বড় রহমত ও বরকত। ★জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সা
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।
কুষ্টিয়া জেলার প্রায় সকল প্রান্ত থেকে ছুটে আসে উদ্যোক্তারা
বিপদগ্রস্ত এই মানুষগুলোর আহাজারি ও আর্তনাথ চিৎকার আমি সহ্য করতে পারিনি।মানুষ গুলোর অসহায়ত্ব আর তাদের অমানবিক কষ্ট আমাকে ক্ষত বিক্ষত করে প্রতিনিয়ত। তখন থেকে এই অসহায় মানুষগুলোর জন্য কিছু একটা করার চি
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
আজ থেকে প্রায় চার মাস আগের কথা কথা। তখন পনেরতম ব্যাচ এর অল্প কিছুদিন চলছিল হয়তো। এর কিছুদিন আগে থেকে যুক্ত হলেও, সেদিন ই প্রথম একটা পোস্ট দেখতে পেলাম যে,এই গ্রুপের নাকি রেজিষ্ট্রেশন চলছে। আমি ভাবলাম
বিছানায় বসে বসে অর্ডার কনফার্ম করলাম।আর মনে মনে ভাবছি । দায়িত্ব কি জিনিস। দায়িত্ব যদি পালনে যদি অবহেলা করতাম তাহলে হয়তো সেই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হতো না। আর লেগে যদি কাজ না করতাম তাহলে বোধহয়
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা, আমাদের পরিবারের সকলের প্রিয় মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক, উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর, সামাজিক ও মানবিক কাজের লিডার, জীবন্ত কিংবদন্তি, তরুণ তরুণীর আইডল, হাজারো মানুষের মনের মানুষ, জনাব Iq
উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সকল ব্যস্ততা এবং প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে আপনাদের সদয় উপস্থিতির মাধ্যমে আজকে আমাদের খাগড়াছড়ি জেলা টিমের "অফলাইন মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী"।
আমরা বাবুল ভাই এর পরিবারের সন্ধান পেয়েছি যিনি দীর্ঘ নয় মাস যাবত সৌদি আরবে রিয়াদে তারিক আল খারিজে রাবিয়া হসপিটালে কাতরাচ্ছেন। ধন্যবাদ জানায় নাই "নিজের বলার মত একটা গল্প" রিয়াদ টীমের চার জন সদস্য......
সময় থেমে থাকবে না, তা প্রতিনিয়ত বহমান। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে আবারও নতুন করে ভাবনালোকের দ্বার উন্মোচিত হলো। এই ছোট্ট জীবন বড় হয়ে উঠবে তখনই যখন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষের অন্তরে আমার ঠাই
তারপর বেকারি হারিয়ে আব্বা একটা মুদি দোকান দিল। যেটা আব্বা নিজে চালাতো। সেটা ২০০০ সালে হবে। ভালোই চলছিল। আমার বড় ভাই তখন ক্লাস সিক্সে পড়ে। হঠাৎ আমার চাচা তার বাড়ি টি বিক্রি করে দিবে। দাদার সম্পদ অন্য ক
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
পৃথিবীতে সব বাবারাই সন্তানের কাছে সেরা কিন্তু আমার বাবা সবার কাছেই অন্যরকম সেরা। বাবাকে সবাই ভালোবাসেন। আমার বাবা ন্যায়নিষ্ঠা, সততা, আদর্শবান, নিরিহ ও ভালো মনের একজন মানুষ। বাবা-মা এখনো বেঁচে আছেন আল
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমার মা যখন আমার কাছে থাকতো না তখন আমি যদি কান্না করতাম আমার মেজো ফুপু তার জিব্বা আমার মুখে দিয়ে রাখতেন আমাকে থামানোর জন্য, আমাকে খুব ভালোবাসতেন তো। ফুপুর যখন বিয়ে হয় তখন আমি
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম কক্সবাজার প্রতিনিধি Manjur Alam একজন স্বেচ্ছাসেবক। সবাই ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন
আমরা প্রবাসীরা হলাম এমন এক যুদ্ধের সৈনিক. যে যুদ্ধের জয়ের উল্লাস আমরা করতে পারি না! দিয়ে দিতে হয় অন্যদের …হয়তো অন্যদের মাঝ থেকে জয়ের উল্লাস কেউ পায় আবার কেউ পায় না! অথচ, এই যুদ্ধে আমাদের দিতে হয়
সততা ও কর্মনিষ্ঠাই আমাকে মহান করে তুলবে এ বিশ্বাস আমি রাখি। কাস্টমারের সেটিসফেকশন কোন কমপ্রোমাইস করিনা। হয়তো এ কারণেই কাস্টমারের কাছে সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়েছি।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র'র দুর্দান্ত সিলেট জেলা টিমের মাসিক মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাণবন্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
১০ম ব্যাচ উৎযাপন উপলক্ষে স্যার বলেছেন যে সারা দেশে ১০,০০০ বৃক্ষ রোপণ করতে, সেই ধারাবাহিকতা গাজীপুর জেলায় ৬০০ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,
অনেকের সাধ্য আছে স্বাদ নেই আবার অনেকের স্বাদ আছে সাধ্য নেই। আসলে কিছু মানুষের অনেক টাকা হলেও তাদের সাহায্য করার মন-মানসিকতা থাকেনা। আবার অনেক মানুষ দেখা যায় তারা খুব অসচ্ছল কিন্তু তারপরও অন্যের বিপদে
অবশ্যই সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া। সততা ও কমিটমেন্ট রক্ষা করা। মা,বাবার সেবা যত্ন করা।পরিবার,সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করা।জীবনের সবক্ষেত্রে পজিটিভ থাকা। নিজে ভালো থাকা ও অন্যকে ভালো রাখা। জীবনে অন্ত
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
হয়ে গেলো #খুলনা_টীমের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী, মিট আপ ও Protul Pathak দাদার খুলনা থেকে ঢাকায় যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ও সংবর্ধনা! এই করোনা কালীন সময়ে সবাই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আজকের মিট আপে অংশগ্রহণ
হঠাৎ একদিন ছোট বোন কে কল দিয়ে দাদুকে চাইলে ওর মুখ পসকে বেরিয়ে যায় দাদুতো মারা গেছে তুই কি ভুলে গেছিস। তুই দাদুকে অনেক ভালোবাসতি বলে তোর মনে নেই যে দাদু মারা গেছে। আসল কথা আমি কষ্ট পাবো বলে আমাকে দাদু