আপুটি সুন্দর একটি হাসি দিয়ে,আমার অনাগত সন্তানের জন্য শুভ কামনা জানি ছিলেন, এরপর ০৬ বছর বিভিন্ন রকম পরিস্থিতির মধ্যে কেটে গেল,2015 সালে শুরু করি নিজের খুব সখের একটি বিজনেস,তখন উদ্দ্যোক্তা কী আর বিজনেস
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
আসুন এই বর্ষামৌসুমে সবাই কম পক্ষে ১টি গাছ লাগাই। পরিবেশকে আরো সুন্দর করি। আমরা আমাদের ঘর/ বাড়ি প্রতিনিয়ত সুন্দর রাখি।
উদ্যোক্তা হওয়ায় জীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে । আজ সমাজে আমাকে মাথা উঁচু করে চলার পথ দেখিয়েছে । যারা দুদিন আগে আমাকে নিয়ে সমালোচনা করত চাকুরী হয় নাই বলে । তারা আজ আমার পথ অনুসরণ করছে ।
সেদিন ছিলো ১৫ ই জুলাই,২০২১ তারিখ। স্কয়ার হসপিটালে করোনা টেস্ট করাইতে টাকা পরিশোধ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম।আমার সামনে ছিলো একজন অল্প বয়সী ভদ্র মহিলা,যে তার বোনের এবং বোনের ৩ সন্তানের জন্য টাকা পরি
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি প্রানপ্রিয় মেন্টর/ অভিভাবক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যিনি আমাদেরকে এত সুন্দর একটি ভালো মানুষের পরিবার উপহার দিয়েছেন
আমি তখন নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দ্বাদশের ছাত্রী। প্রতিদিন ৭/৮ কি.মি রাস্তা কখনও পায়ে হেঁটে, ২টা নদী পাড় হয়ে, রিক্সা কিংবা বেবীতে (সিএনজি-এর পুরাতন ভার্সন) তারপর আবার রিক্সা করে কলেজে আসা যাওয়া
আমার স্বপ্নটা সবার থেকে একটু ব্যতিক্রম ছিল। যদিও আমি এমন একটি পরিবার থেকে বিলং করে যেই পরিবারে নারীরা কখনো বাইরে গিয়ে কাজ করার অনুমতি নেই। আমি সেই হতভাগা মেয়ে, যে বিয়ের আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম অনেক কি
বোনকেতো আমার বাবা মা ছারা ডাকতই না। আসলে বোন আমাদের খুব আদরের। আমার বাবা মারা যাওয়ার অল্প কিছু দিন আগেই তার ক্যানসার ধরা পরে।বলতে গেলে হঠাৎ করেই রোগ টা ধরা পরে। ডাক্তার বলেছিলো ইনজেকশন আছে সেটা দিলে আ
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
কোন কথার সাথে সাথে জবাব না দিয়ে একটু সময় নিয়ে জবাব দেওয়ার সু কৌশল অবলম্বন করার শিক্ষা পেয়েছি। পেয়েছি মুখে জবাব না দিয়ে কাজের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার পরম সু শিক্ষা। হৃদয় উজাড় করে কাজকে ভালোবেসে
আলহামদুলিল্লাহ্। শ্রদ্ধেয় প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের হাতে শুভ উদ্ভোধন এর মাধ্যমে শুরু হলো Entrepreneurship নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন- উদ্দ্যোক্তা তৈরী কেন্দ্র এর ঢাকা জে
গাছ খুব ভালোবাসি।আর প্রকৃতির জন্য গাছ লাগানো খুবই দরকারী
চল্লাম ঢাকায় আমার একমাএ ছোট বোন থাকতো শ্যামলী ওর বাসায় উঠলাম ।ও আপনাদের তো বলিনি সাথে আমার চার বছরের মেয়েও ছিলো।আমি বাচ্চা মানুষ করেছি ,পড়াশুনাও করেছি।শ্যামলীতে সান বিউটি পার্লার এ তানজীনা আপুর কাছে
আমি স্যারের কথা মত নিয়ম করে প্রতিদিন মিনিমাম ৪-৫ ঘণ্টা সময় গ্রুপে দিই, দৈনিক পোস্ট করার চেষ্টা করি ৩-৪ টা, সবার পোস্টে কমেন্ট করার চেষ্টা করি,এবং কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করি নিয়মিত প্রিয় স্য
৭/৮/৯ব্যাচ থেকে যা শিখেছি ১০ম ব্যাচ থেকে তার চেয়ে বেশী পেয়েছি... ১০ম ব্যাচে নতুন নতুন অনেক স্কিল যুক্ত হয়েছিল যা আগে পাইনি..... 👉১০ ব্যাচে এসে নতুন পোরানো অনেকের সাথে পরিচিত হয়েছি সু-সম্পর্ক তৈরি হয়
✍️আমার নাম জিনিয়া আফরিন মলি। বাড়ি নরসিংদী জেলার পাচঁদোনা ইউনিয়নের চরপারা গ্রামে।বর্তমান অবস্থান রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট, গাজীপুর। আমার বাবা মো: আব্দুল করিম মিয়া, মাতা : নাসিরা বেগম।আমরা চার বোন দু
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
আজকে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত, বিশ্ব রেকর্ড টানা ২০০০তম দিন উদযাপন সফল ও সার্থক হয়েছে আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতায়।স্পেশাল ধন্যবাদ সম্মানিত জেলা স
NBMEG foundation was founded in 2018 by Mr. Iqbal Bahar to minimize unemployment, to encourage entrepreneurs and to perform better in their present work for the youth of the country's 64 districts and
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
করোনায় যখন সবকিছু আটকা লকডাউনে কেউ বেরোতে পারেনা, তখন আমার হ্যাজব্যান্ডের সার্জিক্যালের একটা বিজনেস ছিলো আমি সেটা দেখাশুনা করতাম, করতে করতে আমার ভিতরে সাহস আসতে শুরু করলো, আমার হ্যাজব্যান্ড আইডিয়া
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
যাইহোক পরবর্তীতে এ্যালুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি আর ভালোভাবে চালাতে পারিনি, ক্যাপিটাল সংকট প্লাস উৎপাদনের তুলনায় সেল মাত্র ২৫% তাও ম্যাক্সিমাম বাকি। রানিং/ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেখতে শূণ্য হয়ে গেলো! শুরুতেই খ
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
অনেক বেশি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা সেই প্রিয় মানুষ # ইকবাল বাহার ভাইয়ের প্রতি যার অনুপ্রেরণা প্রতিনিয়ত সাহস যোগাচ্ছে ভালমানুষ হবার স্বপ্ন দেখতে।
প্রিয় স্যার আমাদেরকে সবসময় শিখিয়েছেন, সততা ও কমিটমেন্ট বজায় রেখে আমরা যেন রিপিট কাস্টমার তৈরি করি। আর সেই রিপিট কাস্টমার একদিন হবে আমার ব্র্যান্ড,,
আমি গ্রামের একটা ছেলে। গ্রামের নয় দশ টা ছেলে মেয়ের মতোই আমার বেড়ে ওঠা। কিন্তু আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোন। ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট ছিলাম। আমি মোটামুটি অন্যান্য ভাই
যারা আমাকে চেনেন জানেন তারা আমাকে কোন কারনে অপছন্দ করলেও আমার এই কথাগুলি স্বীকার করন, আমি মিথ্যা কথা বলিনা, এবং পরিশ্রম ধৈর্য ত্যাগের মেন্টালিটি নিয়ে চলি। আমার এই কার্যক্রমকে যারা অপছন্দ করেন তারা অনে
শুক্রবার খুলনার কয়রা উপজেলার আম্ফান-ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৪৯ মিনিটের মধ্যে ৪৯,০০০ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে এটি।
আজ রংপুর শীতার্থ মানুষের মাঝে মানবতার কল্যাণে কম্বল বিতরন শুরু করেছি।
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
ফুফু তো অনেক খুশি আমার কথা শুনে। আমি বলাম যে ফুফু আপনি যেহেতু কোনো কাজ ভালো মত পারেন না।তাহলে আমার কাঁথা সেলাই করতে সাহায্য করেন।আমার বেশি কাঁথার অর্ডার আসলে আমি কাঁথা গুলা এঁকে আপনার বাসায় দিয়ে আসব।
চাচী বলতো তোর বাবাকে কারখানা, ফ্যাক্টরি দিতে বলিস এ কথাগুলো আমাকে খুব তাড়না দিতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো আমার নিজস্ব কারখানা থাকবে, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। কিন্তু আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
নুষের পাশে দাঁড়ানো,মুখের জড়তা কাটানো ইত্যাদি। মানুষের এমন কোন গুণ নেই যা এই প্রশিক্ষণে দেওয়া হয় না। ইতিমধ্যে আমাদের প্লাটফর্ম প্রায় ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে যা আমাদের দেশের সরকার কোটি কোটি টাকা
আমি ঢাকায় এসে চাকরির জন্য খুঁজতে খুঁজতে এবি ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ডে চাকরি পাই। চাকরির পাওয়ার পরে আমার অনেক ভালো লাগে চাকরির যোগদান করি ২০১৬ সালে আমি মানুষের ভালোবাসা বুঝতে শিখি এখান থেকে।
আমার শিশু কাল কেটেছে আমার নানুর সাথে বেশি সময়,আমরা দুই বোন দুই ভাই ছিলাম, আমাদের গ্রামের পরিবেশটা তেমন ভালো ছিল না, তাই আম্মা আমদের কে মামার বাড়িতে রেখে পড়া লেখা করেয়েছেন,আর নিজে অনেক কষ্ট করতেন,সকাল
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
‘চাকরি করবো না চাকরি দেব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন-২০২২’।
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে কিন্তু অন্যরকম ভাবে চলছে। কোনটির সাথে কোন মিল নেই। 🌺🌺আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য। আমরা চার বোন তিন ভাই। আমি আমার বাবার ১০০ বছরের মেয়ে। সবাই বলে খুব আশ্চর্যের বিষয়।
আমার কাছে আস্তে আস্তে কেমন জানি সবাইকে পর মনে হতে লাগল। কারণ যদি কেউ আপন হতো আমাকে বুঝতে পারতো। আমি সারাক্ষণ শুধু ভাবতাম কি করতে পারি আমি।এক সময় যখন বুঝতে পারলাম,আসলে একান্ত আপন কয়েক জন ছাড়া পৃথিবী
কল্পনাবিলাসী না হয়ে, বাস্তবসম্মত কাজ করি। নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমাই, মা-বাবাকে সেবা করি। ভবিষ্যৎ বংশধরদের শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করি, টমেটো চাষ করলে গ্রামের মানুষ কী বলবে, এসব কথা না শোনার জন্য কানে তুল
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে কিভাবে হবেন এবং এর মানে কি আপনার জীবন থেকে নেওয়া দুঃখ কষ্টের গল্প অর্থাৎ আপনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন আপনার জীবনের গল্প অবশ্যই আছে আপনি সেই আপনার জীবনের গল্প কে গল্প লেখা মাধ্যমে ফুট
তবে এ কমিটমেন্ট রক্ষা এ অভ্যাসটা আগে থেকেই থাকলেও চর্চাটা কিন্তু এ প্লাটফর্ম প্রিয় স্যার শিখিয়েছে। আমি এ প্লাটফর্ম জয়েন্ট না হলে এ কমিটমেন্ট রক্ষা অভ্যাসটা চর্চা করা আসলেই হতো না। এইখানে এমন ইচ্ছে কর
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন," আমি অভিভূত। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প আমাদের সবাইকে বেশ অনুপ্রাণিত করছে, আমি এই ফাউন্ডেশনের সাথে সবসময় থাকবো।"