অনেকের সাধ্য আছে স্বাদ নেই আবার অনেকের স্বাদ আছে সাধ্য নেই। আসলে কিছু মানুষের অনেক টাকা হলেও তাদের সাহায্য করার মন-মানসিকতা থাকেনা। আবার অনেক মানুষ দেখা যায় তারা খুব অসচ্ছল কিন্তু তারপরও অন্যের বিপদে
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
কোন কথার সাথে সাথে জবাব না দিয়ে একটু সময় নিয়ে জবাব দেওয়ার সু কৌশল অবলম্বন করার শিক্ষা পেয়েছি। পেয়েছি মুখে জবাব না দিয়ে কাজের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার পরম সু শিক্ষা। হৃদয় উজাড় করে কাজকে ভালোবেসে
এই ফাউন্ডেশনে এসে আমি সফল উদ্যোক্তা হতে পারব কিনা জানি না।তবে আমি ভালো মানুষ হতে পেরেছি।এখন হয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগবে তাহলে কি আগে খারাপ ছিলেন? স্যার বলেছেন
যে বিজনেস দীর্ঘদিন যাবত করছে সেখানে হঠাৎ করে পরিবর্তন আমার বাবা মেনে নিতে পারছিলনা। আমার বাবার পার্টনার আমাদের আম আড়ৎতের যিনি মহরি ছিল এক কথায় তিনি হিসাব নিকাশের কাজ করতেন তাকে নিয়ে চলে যায়। আমার
বড় হচ্ছি জীবন নিয়ে ভাবা শুরু,,কি করবো কিছুই ভেবে পাইনা,, মাথায় বিদেশ যাবার প্লানিং আসলো,,বিদেশ যাবো লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবো ভাবতেই খুশিতে লাল আমি। 👎আমি ছোট বেলা থেকেই একটু গাঢ় তেরা বালক ছিলাম,,এটা
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
এবার দ্বিতীয় বারের মত আমার অবাক হবার পালা। আমি যেহেতু ঢাকার বাইরে থাকি তাই সাধারণ এডভান্স পেইমেন্ট পণ্য বিক্রয় করি। শুধুমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনর ভাইবোনদের জন্য ব্যাপার টি শিথিল।
আমার আবেগ, ভালবাসা মাখানো লেখা গুলি মধ্য থেকে সকলের ভালবাসা ও জাজ দের জাজমেন্ট এ.. শত শত ভাল ভাল লেখার সাথে....... স্টেটাস অব দ্যা ডে তে যাইগা দিয়ে আমার এই লেখাগুলিকে ধন্য করেছে...... পর পর১২ বার আম
দুঃখ পেয়েছি তো কি হয়েছে?দুঃখ আমাকে শক্ত করে নিজেকে বাঁচাতে সাহায্যকরবে,হেরে যাওয়ার নাম জীবন নয়,প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার নামই জীবন,আমরা পৃথিবীতে কেউ নিখুঁত নয়,সুখ-দুঃখ হাসি-কান্
স্যারের অনুপ্রেরণা নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত অনলাইন সেশন চর্চা করছি এবং শিখছি, জানছি। আমাকে জিততেই হবে। বারবার হোঁচট খেয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্ল
আমি একজন প্রবাসী নিঃসন্দেহে সকল প্রকার বাংলা কিতাব বা পুস্তক থেকে সম্পূর্ণভাবে অনেক দূরে আছি। তাই প্রায়ই বাংলা পড়ালেখার তেমন কোনো চর্চাই নাই আর সেই সুবাদে বাংলা লেখাটাও আমি ভুলে গেছিলাম। কিন্তু এ প
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
ইনশাআল্লাহ আমরা জয়পুরহাট জেলার পক্ষ থেকে একটি সাফল্যমন্ডিত অনুষ্ঠান প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে উপহার হিসেবে পৌঁছে দেব।
আমার অনেক বড় একটা স্বপ্ন ছিল আমি মার্চেন্ডাইজার হব কিন্তু যখন আমি বাসায় আসি বাবার এই অবস্থা দেখি তখন আমার সমস্ত স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যাবে যা হোক তাকদীর যেটা হবার সেটা হয়েছে আমার কোন আফসোস নাই। যখন মারা
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য ।
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
রক্ত দান,,, দান অনেক প্রকার হয়।আমি মনে করি রক্তদানই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দান।কারন রক্ত দান মানে জীবন দান তবে যদি বাঁচে তার প্রাণ।আমাদের চেষ্টা করা উচিত নিজ অবস্থান থেকে সকলেই রক্ত দান করা। আমরা অনেক সময়
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে #সুবিধা_বঞ্চিত_এতিম_শিশুদের সাথে ইফতার এবং #হত_দরিদ্র_খেটে_খাওয়া_মানুষের মাঝে ভালোবাসা বিলাই #তিন_দিন ব্যাপী আয়োজনের #প্রথম_দিনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে
যারা আমাকে চেনেন জানেন তারা আমাকে কোন কারনে অপছন্দ করলেও আমার এই কথাগুলি স্বীকার করন, আমি মিথ্যা কথা বলিনা, এবং পরিশ্রম ধৈর্য ত্যাগের মেন্টালিটি নিয়ে চলি। আমার এই কার্যক্রমকে যারা অপছন্দ করেন তারা অনে
আমার বাবার আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো,মায়ের মুখে শুনেছে জীবনের অনেক কষ্টের অনেক দুঃখের কাহিনী,,মায়ের চোখে দেখেছি অনেক লোনাজল,,দেখেছে মায়ের ক্ষুধার্ত পেটের হা,হা,কার,,মায়ের মুখে শুনেছি আমার জন্
৩১ অক্টোবর ২০১৯ইং তারিখে Iqbal Bahar Zahid স্যারের আইডি থেকে সর্ব প্রথম "নিজের বলার মতো একটা গল্প" গ্রুপে সম্মেলনের ঘোষনা আসে। ঘোষনাটি ছিলো এমন "আসছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় মিলন মেলা "নিজের বলা
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
কিশোরগঞ্জ জেলা ও ভৈরব উপজেলাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ভৈরবের অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে আজকে সম্পন্ন করলাম বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি।
প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে বলব প্রিয় স্যারের নির্দেশনা মেনে সবাই গাছ লাগাবেন এতে করে আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য সুন্দর বজায় থাকবে গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই সেজন্য আমাদের প্রচুর গাছ লাগানো উচিত
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার আমাকে হতেই হবে সেটা যেভাবেই হোক,দায়িত্বশীলদের পরামর্শ নিয়ে লিখতে শুরু করলাম আমার জীবনের গল্প প্রায় ১৫ দিন পর লেখা সমাপ্তি করে একদিন পোস্ট করলাম।
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন সফলতা আসবেই, ইনশাআল্লাহ। স্যারের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে চালিয়ে নিচ্ছি, শত হতাশার মাঝে ও লেগে আছি।
অফিস শেষ করে অন্যদিকে যাওয়ার মকো এনার্জি নেই তাই সোজা বাসায় এসেছে ইফতারের টেবিলে যখন গ্লাসের মধ্যে শরবত দেখতে পায় তখন রবিনের মনে পড়ে গেল বাজার করার সময়তো সে ট্যাং নিতেই ভুলে গেছে। তাহলে এখানে কিভাবে
যখন আমি ক্লাশ শিশু শেষ করার পর ক্লাশ ওয়ানে আসি । 1 বছর শেষ করি তাঁর পর ক্লাশ 2 তে আসছি। তখনো দরিদ্রতা লেগেই আছে পিছনে । কথায় আছে না গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
একজন মানুষ সফল হতে হলে তার জীবনে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন প্রত্যেকটি ধাপই #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন এর মধ্যে আছে।
২০০০ তম দিন বিশ্ব রেকর্ড উপলক্ষে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। শোভাযাত্রাটি টাংগাইল শহরের পৌর উদ্যান থেকে শুরু হয়
বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,,,।💖
নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসা চোখের পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম কিছুক্ষন। তারপর ভাবলাম কি করবো, ছেলের উপবৃত্তির সামান্য কয়টা যদি নেই, তাহলে ওর কাছে স্বার্থপর হয়ে যাবো নাতো? কেউ জানলেই বা কি বলবে যে এ
বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা, আমাদের পরিবারের সকলের প্রিয় মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক, উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর, সামাজিক ও মানবিক কাজের লিডার, জীবন্ত কিংবদন্তি, তরুণ তরুণীর আইডল, হাজারো মানুষের মনের মানুষ, জনাব Iq
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
মহৎকর্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সূর্য সন্তানেরা সুদূর প্রবাস থেকেও সার্বিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন,আমি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিম সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
জ্বর-ঠান্ডাকে পেছনে ফেলে রোদ-বৃষ্টি পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় স্বউদ্যমে একসময় বন্ধুদের নিয়ে অস্থির জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছেলেকে অন্য এক অস্থিরতায় পেয়ে বসে, আর তা হলো বিদেশে আসার ধারদেনা ফেরত দেওয়ার অস্থ
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
আমার #লক্ষ্মীপুর জেলার এক প্রিয় আপু। Mukta Bhuiyan আপু হঠাৎ সে দিন কয়েকটা কাঁথার পিক দিয়ে বললেন আপু এগুলার সাইজ দাম বলেন। আমি তো অবাক কি ব্যাপার আপু কাঁথা অর্ডার করছে কেনো।আপুকে দাম এবং সাইজ বলে দিলাম
নারীরা বলে আমরা নারী, আমরাই পারি। এই স্লোগানে তাদের সফলতা ছিনিয়ে আনার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়।পাল্টিয়েছে যুগ,বদলে গেছে জীবন যাত্রার মান,সমাজ,কর্মক্ষেত্র।আজকের যুগের নারীরা বদলে গেছে তাদের কাজের দ্বারা,
প্রবাসে মায়ের মতো এমনি করে কেউ বলে না। খাবার না খেলে ও এমনি করে কেউ ডেকে খাওয়ায় না। একটু ব্যাথা পেলে ও মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় না। প্রবাসে এসে মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে অনেক দুরে চলে গেছি। দেশ
১০ম ব্যাচ উৎযাপন উপলক্ষে স্যার বলেছেন যে সারা দেশে ১০,০০০ বৃক্ষ রোপণ করতে, সেই ধারাবাহিকতা গাজীপুর জেলায় ৬০০ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,
আলহামদুলিল্লাহ, কৃতজ্ঞতা আমাদের প্রাণপ্রিয় মেন্টাল প্রাণপ্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার এর প্রতি, সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলা টিমের সকল প্রাণ প্রিয় ভাই বোন ও সকল দ
আমিও ভাঙ্গা মোবাইল নিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্র্যান্ডিং নয়, নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া দুঃসহ গল্পগুলো লিখার আগ্রহ প্রকাশ করি, মন থেকে। সেই মোতাবেক শুরু করেও দেই, অনেক অনুভূতিতে লিখেছি ৭০/৮০ দিন পার হয়ে যায়
অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে মেগা মিটাপ করলাম গাজীপুর জেলা।
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্