কিভাবে উদ্দোক্তা হওয়ায় তা জানতে পেরেছি. এই ফাউন্ডেশনে ৯০ যুক্ত হয়ে আমি অনেক ভাল মানুষের সন্ধান পেয়েছি. কিভাবে ভলেন্টিয়ারিং করে তা জানতে পেরেছি এবং নিজে ও ভালেন্টিয়ার হতে পেরেছি. কি ভাবে সত্যের সাথে
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
মতিঝিল জোনের দায়িত্বশীলদ ও প্রানপ্রিয় সদস্যদের আন্তরিকতায় এ আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মতিঝিল জোনের ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Shahin Alam ভাইয়া জোন এম্বাসেডর Jowel Rana ভাইয়া থানা এম্বাসেডর Hijbullah Di
সবার কাছে সবার বাবা একজন পৃথিবীর সেরা মানুষ, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্তু আমার নিকট আমার বাবা তার থেকেও আরে বেশি কিছু,যার কোন উপমা হয়তো আমার জানা নেই। আমার বাবা একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী, যার কারনে ছো
অতন্দ্র গাজীপুর জেলা অফলাইন উপজেলা ও ক্যাম্পাস ভিত্তিক মিট-আপ এবং কর্মপরিকল্পনায় আগামী ৬০দিন (টানা ৯ শুক্রবার) >শ্রদ্ধা ভালোবাসা জানাচ্ছি প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
দুর্দান্ত সিলেটের ১০০তম সেশন চর্চা কে স্মরণীয় রাখতে অফলাইনে একটি চমকপ্রদ সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম এর আয়োজন করি।
লক্ষ লক্ষ, দিশে হারা যুবক যুবতী র, প্রানের স্পন্দন, বাংলাদেশের রিয়েল হিরু প্রিয়, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের যুগান্তকারী সৃষ্টি এই সাপ্তাহিক হাটবার.... লক্ষ লক্ষ, মানুষের এই মেলা বন্ধন, এই সুন্দর বিশ্ব
আমি নিজে ঘর সাজানোর জন্য হরেক ডিজাইনের জিনিস তৈরী করি আমার বাসায় আমার হাজবেন্ডের কলিক আমার হাতের কাজের জিনিস দেখে আমাকে উৎসাহিত করে
আমার বাবার আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো,মায়ের মুখে শুনেছে জীবনের অনেক কষ্টের অনেক দুঃখের কাহিনী,,মায়ের চোখে দেখেছি অনেক লোনাজল,,দেখেছে মায়ের ক্ষুধার্ত পেটের হা,হা,কার,,মায়ের মুখে শুনেছি আমার জন্
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। দুই বার দুটি মেজর অপারেশন হয় আমার মাত্র ৮ মাসের ব্যবধানে। আমি রিম্পা ইনজ
গল্পটা লিখতে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারনি ঠিকই কিন্তু নিজেকে স্বার্থক মনে হয়, আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে, আমি আমার ভাইদের জন্য পরিবারের কিছু হলেও করতে পেরেছি
নিজেকে বেশী করে ভালোবাসতে শিখেছি। একটা সময় নিজে বেঁচে থাকার মাঝে শুধু ছিল হতাশা। এখন আমি নিজেকে খুব বেশি ভালোবাসি।
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
#২০২২ সালের ঢাকা জেলার ১১ টি জোনের স্বাধীনতা T10 টুর্নামেন্ট এর উদ্ভোবনী অনুষ্ঠান কেরানীগঞ্জ জোন কতৃক আয়োজন করা হয়েছিলো। এবং স্বাধীনতা T10 কাপ টুর্নামেন্ট এ কেরানীগঞ্জ জোন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরভ অর্জন
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
লালবাগ জোন চমৎকার ভাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজার আজীবন সদস্য সেলিব্রেশন করে। তার মধ্যে ব্যাতিক্রম আয়োজন ছিলো কুইজ প্রতিযোগিতা।
আজ ছিলো মহাসম্মেল ৫ প্রতিষ্ঠাবাষিক এর প্রস্তুতি মিটআপ, আয়োজনে ছিলো মিরপুর জোন শাহাআলী থানা এবং দারুসসালাম থানা।
নারায়ণগঞ্জের ইফতার পার্টি ও অসহায় বাচ্চাদের ঈদ গিফটের অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থকার সুযোগ করে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি।
এখন আর কোনো কাজে ফেইল হলে দোষ খুজি না কারণ খুজি। এখন সব সময় পজিটিভ থাকার চেস্টা করি। প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করার চেস্টা করি। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমার সমাজকে মাদক মুক্ত করার পদক্ষেপ গুলো ধিরে ধির
আমরা পরিবার থেকে কেউ আসার আগেই, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ভাইয়েরা ছুটে এসেছে।
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
শুরুতে আমি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ব্যাবসা শুরু করি।আজকে আমার মুলধন ৫০,০০০০ লাখ টাকা। এটা শুধু আমার একটা ব্যান্ড এর কথা বললাম,বাকীগুলা না হয় নাই বললাম। আমার ব্যাবসা দাঁড় করাতে গিয়ে আমাকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা
বিভিন্ন জেলা থেকে স্যারের ডাকে এসেছেন কাধে কাধ রেখে অংশ গ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর প্রাণপ্রিয় যোদ্ধারা।
অভাবের তারনায় ভালোবাসা যেন জানালা দিয়ে পালিয়ে না যায়। করুণা বা দয়া নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই না। চাই সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে। নতুন নতুন স্বপ্নগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না। আমি কাজ পাগল মানুষ। আমাকে কিছু করতেই
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
এই প্রথম আমার, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এবং জারিক লিঃ নিয়ে এতো বিস্তারিত লিখছি। সব সময় ভেবেছি সফল হতে পারলে কোন একদিন সবাইকে জানাবো। ২০০৭ থেকে জব এবং ২০১২ থেকে বিজনেস করছি আমি নিজের উদ্যোগে।
আমাদের মায়েরা এত ত্যাগ কেমনে করে কেমনে ???আমরা সন্তানরা তো এতো ত্যাগ করি না ।পারলে আমরা আমাদের সুখের জন্য আমাদের মায়েদেরকে ত্যাগ করিদি ।উনারা উনাদের পছন্দ খাবার রেখে দেয় সন্তানে পছন্দ খাবার তাই ।আর
শত শত তরুণ তরুণী আইডল সুপার ম্যান "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। যার কথা শুনে হতাশ হয়ে যাওয়া মানুষ ও অনুপ্রেরণা পেয়ে জীবনের গল্প তৈরী করেছেন।
আমার মা একজন সং ও ভালো মনের মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কোন দিন কারো ক্ষতি করতে দেখেনি সব সময় সত্য কথা বলে উচিত কথা কখনো কারোরে ছাড়েনা তবে আমার মা পাড়া প্রতিবেশী খুব ভালো বাসতো এবং যাদের খাবার
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। শুধু ছোট দুটি বাচ্চাদের কথা ভেবে।যদি আমি মরে যায় ওরা এত ছোট যে মার আদর থে
নতুন ভাই, আপুরা দির্ঘ্যদিন সেশন চর্চা মিটআপে থেকে কথা বললেও সরাসরি সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সবার প্রতি শুভ কামনা রইলো।
রক্ত দান করার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকেও রক্ত দানে উৎসাহিত করা। কে জানে আগামীকাল আপনার জন্যই রক্ত সংগ্রহ করতে হবে কি না! তখন যেন দাতা আপনার পাশেই উপস্হিত থাকে।
জ্বি হ্যা এই গল্পের নায়ক মনির। যে অনেক স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিলো সিংগাপুর। তার স্বপ্ন স্বপ্নই রইয়ে গেলো। বিরক্তি নিয়ে শাপলা ফোনটা রিছিভ করলো ওই পাশ থেকে শাপলার মা বলে কেমন আছিস রে মা? শাপলা- ভাল নেই মা,
আলহামদুলিল্লাহ। শত ব্যস্ততার মাঝে প্রিয় প্ল্যাটফর্ম “To Be an Entrepreneur নিজের বলার মতো একটা গল্প Foundation” জাগো নরসিংদী কতৃক আয়োজিত মাসিক মিটাপে অংশগ্রহন করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে।
কোথায় যাব দুপুর থেকে না খেয়ে রাত্রি ৮ টা পার করে দিলাম এভাবেই আমার অফিস থেকে অন্যান্য কর্মচারীরা আসছে এসে সবাই সবার মত বিছানা করে শুয়ে পড়ছে ৮:৩০এর দিকে বয়স্ক করে এক চাচা আসলো আমার পাশে তার বেটা স
আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মিটআপ সফলতার সাথে শেষ করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। আমি সহ আরও তিন জন ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুধু পোগ্রামের জন্য গিয়েছিলাম। প্রবাসী সকল ভাইয়েরা অনেক বেশি সাপোর্ট
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে
আমার পরিবার বলতে আমার জন্মের পর যেখানে আমার বেড়ে ওঠা। পরিবার বলার কারণ হলো মেয়েদের কোন বাড়ি হয়না। বিয়ের আগে বাবার বাড়ি, বিয়ের পরে স্বামীর বাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলের বাড়ি না হয়......
চলছে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের খুলনা জেলার মাসিক মিটআপ। বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ছিল এবং ছিল হালকা-পাতলা খাবারের আয়োজন। আমরা সবাই সুস্থ এবং সুষ্ঠুভাবে মিটআপ সম্পূর্ণ করেছি।
আমি ইসলামের গন্ডির মধ্যে থেকে পর্দা রেখে, হালাল রুজি এবং রিজিকের সন্ধান করবো,দ্বীনের পথে ব্যায় করবো ইনশাআল্লাহ,,,। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন একদিন আমার ঘুরে দাড়ানোর গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার কর
তবে চলার পথে হোচট খেলে সেখানেই পড়ে থাকলোতো হবেনা। রাত দিন পরিশ্রম করতে লাগলাম মনের মাঝে আশা ছিল আমি পারবো।পরের বছর পাস করি। নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয় কোনো কোচিং করার মতো ব্যাবস্থা ছিলনা,, অন্য কোনো আয়ের উ
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সফল হয়েছে টানা ২০০০ তম দিনের রেকর্ড গড়া আমাদের লক্ষীপুর জেলার প্রোগ্রাম। উক্ত পোগ্রামের মূল আয়োজন ছিল:
কিছুদিন আগে একটা মজার ঝামেলাতে পড়ে ছিলাম .. ঝমেলাটা আপনাদের শেয়ার করছি...।। আমি যেহেতু অনলাইন ব্যবসায়ে যুক্ত তাই আমার প্রতিবেশিরাও আমাকে অনলাইন সংক্রান্ত মজার ঝামেলাতে ফেলে দেয়।।।।। ২য় তলায় ভাবির ছ
ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত বর্ণমালা কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রদান করা হলো। ওয়ারী জোনের সকল দায়িত্ব
পরীক্ষা শেষে লম্বা ছুটি কি করবো বুঝতেছিনা তখন খালাতো ভাই থাকতো ঢাকায় তার কাছ গেলাম। সে যেই ফ্যাক্টিরিতে কাজ করতো সেই খানে ফিনিশিং সেকশনের কোয়ালিটি ম্যানে ডুকিয়ে দিলো সেখানে প্রায় ইন্টারে ভর্তি হওয়ার