নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মডারেটর ও ঢাকা জেলা এম্বাসাডর Ismat Hasan ঢাকা জেলা এম্বাসাডর Md. Roman Sarkar জোন এম্বাসাডর আমি Md Mahbubur Rahman Bhuiyan সহ Hazrat Ali ভাই ইনায়া ইসলাম বৃষ্টি
সেই লক্ষী আমার ঘরে আসার পর কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করলো। আমি জানিনা কি ঠিক কি বেঠিক, তবু সময় চলে তার মত করে, শুধু আমরা পারিনা সময়ের দাম দিতে। আমার মেয়ের এক দেড় বছরের মাথায় আমি ভাল কাজের আশায় আমার পরিব
ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
মালা বললো খাল তুমিতো লেবানন থাকো কি ভাবেপাঠাবা।?আমি বললাম তুমি শিক্ষিত মেয়ে।বোকার মত প্রশ্ন করো কেন?তুমি কি জানো না বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়।তুমি মোবাইল ফোনটা হাতে নিয়ে কত সহজে ৭/৭ মিনিটের ভি
-----------------বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম------------- --------------------আসসালামু আলাইকুম--------------- ✅আমার উদ্যোক্তা জীবনের শুরু এবং বর্তমান অবস্থা। ✅আশা করি নতুন উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন সম
আমাদের প্রত্যেকের জীবনের একটা গল্প আছে। অতীতে ফিরে গিয়ে গল্পের শুরুটা কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা গল্পের শেষটা চাইলেই নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারি।জীবনের বাস্তবতা ব
আমি যখন প্রথমবার যখন স্ট্যাটাস অফ দা ডে নির্বাচিত হয়েছিলাম তখন আমার দোকানে কাষ্টমার ছিলো। বার বার শুধু নোটিফিকেশন আসতে লাগলো, চেক করে দেখি ওমান টিম ও ফেনী টিম থেকে শুরু করে অনেকেই নক দিয়ে অভিনন্দন
আমার স্বপ্ন একদিন উদ্যাক্তা হব আমার প্রতিষ্ঠান এর তৈরি করা পন্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক আমার মাধ্যমে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হোক এবং সকলে ভালো থাকবে এবং আমি দুজন এতিম দের পাশে থেকে তাদের স
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোন এর অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী। চমৎকার আয়োজন ছিলো। এভাবেই এগিয়ে যাবে ঢাকার প্রতিটা জোন। আয়োজক ও যারা অংশগ্রহন করেছেন তাদের প্রতি অনেক
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
শুরু আমার প্রবাস জীবন, প্রবাসী জীবন কত সুখ কত কষ্ট এখন দেখা হবে নিজ চোখে। কথা আছে যে যেই জিনিস খায় না সে কি বুঝতে পারে কি তার মজা।যতই অনুভব করেন না কেনো। অামি আর আমি নাই কি আর করবো ভাইয়ার মতো আমার
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
মানবতার সেবায় নিয়োজিত সাভার জোন সবসময় চেষ্টা করে নিজেদের অবস্থান থেকে মানবিক কাজে অবদান রাখার। গত বছরের মতো এই বছরেও অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে সাভার জোন।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাছি আমাদের প্রাণ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে এতো সুন্দর একটি মানবতার সেবায় নিয়োজিত গ্রুপ প্রদান করার জন্য।
মানুষের জীবনে উত্থান পতন থাকবেই। তাই আমার জীবনও এর ব্যাতিক্রম নয়। আমিও অনেকবার অনেকভাবে হোচট খেয়ে কখনও পরে গিয়েছি আবার কখনও দাঁড়িয়েছি। ব্যাবসায় হটাৎ বড় ধরণের একটা ধাক্কা লেগে গেলো, কোনো ভাবেই সেখান থে
আজ আমরা রংপুর জেলার একঝাক উদোক্তা ভাইবোন একসাথে একত্রিত হয়েছিলাম ইদ পূনমিলনী ও মাসিক মিটআপে ❤️❤️
জীবন নামক শব্দটি নিয়ে আজ কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। ছোটবেলায় লেখাপড়ায় বেশ ভালো ছিলাম। ক্রিকেট খেলাতেও ছিলাম বেশ ভালো। কিন্তু এই দুটোর কোনটাই করা হয়নি। করতে দেয়নি অভাব আর দায়িত্ব। অভাব-
তারপর আস্তে আস্তে গ্রুপে সময় দেয়া শুরু করি। ধীরে ধীরে বুঝতে থাকি জানতে থাকি শিখতে থাকি। তারপর নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম একজন উদ্যাক্তা হবো।
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
আমি বিজনেস এর প্রফিটের টাকা দিয়ে বিজনেস বড় করেছি। কারো কাছে কোন টাকা পয়সা ধার করিনি এমনকি নিজের হাজবেন্ডের কাছেও এক টাকা ধার চাই নি। বরং আমি সবসময় চেষ্টা করি নগদ টাকা দিয়ে পণ্য কিনে বিজনেস করার ।
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
আমার জন্য,আমাদের পরিবারের জন্য রমাজান মাস অনেক বেশি ত্যাগের মাস।কারন এ রকমই এক রমজানের শেষ১০(নাজাতের)২৩শে রমজান আমি মাকে হারিয়েছিলাম।মাকে হঠাৎ হারিয়ে মনে হয়েছিল পৃথিবীটা হারিয়েফেলেছি।কারন আমার মা ছিল
গতকাল চট্রগ্রাম অক্সিজেন মোড়ে গাড়ির জন্য দাড়িয়েছিলাম, হঠাৎ দেখি এই ছেলেটা সামনে এসে বল্ল ভাইজান মাক্স লাগবে, আমিত অভাক এতটুকু একটা বাচ্চাকে দেখে, তারপর তার সাথে একটু হাসি দিয়ে কথা শুরু করেলাম...
বিজনেস শুরু করতে গিয়েও অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে। কিন্তু আমি আর কারো কথাই শুনবো না। জীবন আমার সিদ্ধান্ত আমি নিজে নিবো। আমার বাচ্চা নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে গত ১২/১৩দিন অনেক কষ্ট করেছে। অনে
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
মিটআপের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এর মাধ্যমে মিটআপের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন Md. Shakil Ahmed ভাই । সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জয়পুরহাট ডিসটিক অ্যাম্বাসেডর
আমি তখন নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দ্বাদশের ছাত্রী। প্রতিদিন ৭/৮ কি.মি রাস্তা কখনও পায়ে হেঁটে, ২টা নদী পাড় হয়ে, রিক্সা কিংবা বেবীতে (সিএনজি-এর পুরাতন ভার্সন) তারপর আবার রিক্সা করে কলেজে আসা যাওয়া
তিনি বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকার তরুন তরুনীদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার লক্ষে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বপ্ন এক লক্ষ ভালো মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করার শপথ নিয়ে
দুই, এম কে ইসমাইল হুসাইন যখন বিভিন্ন ব্যবসায় লস করে পুঁজি হারিয়ে হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন ঠিক তখনই সন্ধান পান নিজের বলার মতো একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের। এখান থেকে অনুপ্রেরনা পেয়ে শুন্য হাতে এই প্
সেই থেকে তারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহলের ছোটখাটো বিল্ডিংয়ের কাজ করতে লাগলো। সব সময় পারিশ্রমিক পাওয়া যেতনা, পাইলেও ৪-৫ হাজারের উপরে না। তারপরও তারা করে যেতে থাকে। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে তারা ২ জনই চাকরি
টাংগাইল জেলার ঘাটাইল থানা থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্বপ্ন ছিল, স্বপ্ন ছিল ঢাকায় পড়াশোনা করার কেন জানি মত ঢাকায় হয়তো স্বপ্ন পূরনের কোন মাধ্যম খুজে পাবো। তবে বেক আপ সার্পোট হিসেব
জীবন থেকে খুব বেশি কিছু চাইনা। একটুখানি স্বনির্ভরতা আর দেশ ও দশের তরে নিজের সাধ্যের সর্বচ্চোটুকু দিতে চাই। চাই নিজের বলার মতো একটি গল্প। জানিনা কতোটুকু পারবো, তবে আকাশজোড়া সপ্ন আমার... অনেক আশা নিয়ে
তাই দুই বছরের বেতন আস্তে আস্তে দিলাম এবং নগদ ক্যাশ কিছু দিলাম তারপর বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করলো বিদেশে তো নিলেই না পাসপোর্ট করানোর কথা বলে ঢাকা নিয়ে ঘুরাইয়া আনলো
ব্যবসাকে ব্যবসা মনে করিনা মনে করি আমি একটা সন্তান জন্ম দিয়েছি যেই সন্তানের নাম দিয়েছি "ডেইলি এম কে এস"তাকে আমি সন্তানের মতোই খুব যত্ন করে বড় করছি।তাকে আমি পোশাক পড়েছি সে এখন একটু বড় হয়েছে আমার
🌷🌷বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসলামু আলাইকুম ..........। 🌷🌷🌷প্রথমে শুকরিয়া জানাই মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি যিনি আমাদের এই মহামারীর সময়েও সুস্থ রেখেছেন। তরপর কৃতজ্ঞতা জানাই লক্ষ তরুনের স্বপ্নদ্রষ
আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশে ছিলো আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চায়, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়, আমার একমাত্র ভায়টাকে কিছু
আমার কাছে আস্তে আস্তে কেমন জানি সবাইকে পর মনে হতে লাগল। কারণ যদি কেউ আপন হতো আমাকে বুঝতে পারতো। আমি সারাক্ষণ শুধু ভাবতাম কি করতে পারি আমি।এক সময় যখন বুঝতে পারলাম,আসলে একান্ত আপন কয়েক জন ছাড়া পৃথিবী
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
কালো হওয়া যেনো নিজের হাতে ছিলো। জীবনে কিশোরীর এক আবহ এলো পৃথিবীর সৌন্দর্য চোখে অন্যরকম ভাবে ধরা দিতে লাগলো।কিন্তু কালো হওয়া যে একটা অভিশাপ। ভালোলাগা জীবনে প্রথম প্রেম তবু ভয় কালো নারীর প্রেম হয়না
ফজলে রাব্বী বাঁধন ৮ম ব্যাচ রেজিঃ৪৩০৪ আলহামদুলিল্লাহ আজ আবার রক্ত দান করলাম
সব সময় স্বপ্ন দেখতাম আমি একটা সরকারি চাকরি করব। আমি একজন শিক্ষক হব।আমি কখনও ভাবিনি একজন উদ্যোক্তা হব।ছোট বেলা থেকেই অনেক আঁকার আঁকি করতাম।ভালোবাসার একটা জিনিস ছিল। কাঁথা না আঁকলেও খাতায় এঁকে মনের ভাব
দিনগুলো ভালোই কাটছিলো। হঠাৎ আব্বুর পরিচিত এক ভাই আব্বুকে বলে লটারির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার কথা। সেখানে পার করে দিই এক গুরুত্বপূর্ণ সময় কিন্তু কোনো লাভ হয় না। সময় গুলোকে অযথা নষ্ট করে ফেলি। তা
আমি মেসে থাকা কালিন যার যা দেখতাম তাই করার চেষ্টা করতাম। যতক্ষণ না পারি ততক্ষণ চেষ্টা করি। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি
ভালো কাজ..... ২টি কাঁঠাল ১টি আমড়া গাছ ৷ গুলশান লেক, এবং একজন মানুষ কে খাওয়ানো ৷
ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্দ্যোক্তা তৈরীতে অবদান রাখার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ এ ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক ২০২৩ পেয়েছেন নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ