আলহামদুলিল্লাহ. আজ আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র NBMEGF এর ব্লাড ডোনেশন টিম এর পক্ষ হতে. ৫ম বারের মত একজন সিজারিয়ান মাকে স্বেচ্ছায় একব্যাগ রক্তদান করলাম.
এক মাদকাসক্ত চিকিৎসালয়ে কিছু রোগীর সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে কথপোকথন 👇 ডাক্তার বলছেন : আপনারা এতদিন যথেষ্ট অসুস্থ ছিলেন;এখন বেশ সুস্থ হয়েছেন। এখন থেকে নিয়মিত সুন্দর জী
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
আশাকরি আমাদের এই উদ্যোগ কনটিনিউ চলমান থাকবে। এগিয়ে যাবে কুড়িগ্রাম জেলা টিম।
বিকালেই একজন ভাইয়া মেসেজ দিলো আমি কাঁথা নিব।আমি ভাইয়া কয়টা নিবেন।আমাকে কয়েকটা কাঁথার পিক দেন। আমি দেখে বলছি। পিক দিলাম।দেখে বলেন। আমি ৪টা নিব।পিক গুলা দিয়েছি দেখেন। ধন্যবাদ ভাইয়া। এগুলা রেডি করা আছে।
ভবিষ্যৎতে দেশের বিভিন্ন জেলায় হাঁসের খামারের শাখা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা চাইলে এবি এগ্রো ফার্মের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে সাহ
প্রতিটা সম্পর্ক হলো চারাগাছের মতো। একটি গাছের চারা লাগিয়ে ফেলে রাখলে, আপনি কখনোই এর থেকে সুফল পাবেন না। সুফল পেতে হলে আপনাকে গাছটির যত্ন করতে হবে— নিয়মিত পানি ও সার দিতে হবে, পরিচর্যা করতে হবে। সম্পর
এই একই রকম অনেক, কে আমরা প্রতিবন্ধী মানুষ বলেছি। তারা রক্তদান করছে!! আপনি যদি মানবিক কাজ করেন তাহলে আপনার/আমার কি করা উচিত? বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন??? খুঁজে পাওয়া সামর্থ্য স্থায়ী সত্তেও রক্তদান ক
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব আতিকুল ইসলাম। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলেরর প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার,
তখন আমাদের ও দোকান ভাঙা পড়ে। আর তখন আমাদের জীবন এ খারাপ সময় নেমে আসে।।।এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে। আমার বাবা স্ট্রোক করেন।।।।। আমাদের জমানো কিছু টাকা ছিলো সেই টাকা দিয়েই আমার বাবার চিকিৎসা চলে।।।
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
আর সেটা জদি হয় মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহিন, সেই কারনে জদি হাড়াতে হয় জিবন শুরুর গুরুত্য পুর্ন সময়,,,,নস্টো হয়ে যায় ফিউচার, সাথে হাড়াতে হয় সহায় সম্বল, জায়গা জমি,,,,লুটপাট করে নিয়ে যায় ঘড়ের মালামাল,,সর্বশ্য
ভিন্নধর্মী মিট আপ *ফিজিক্যাল মিটআপে উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী * আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ফিজিকাল মিট আপ। আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zah
সারারাত অঝোরে দ্বারায় বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দটা অনেক দিন পরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলাম। ফজরের সালাত আদায় করে ভাবলাম একটু ঘুমিয়ে নেই তারপর না হয় হাটে যাবো 🥰🥰
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
6 টি লাশের কবর খোঁড়া হয়। গোটা এলাকা নিস্তব্ধ। যেভাবে পারে আপ্রাণ চেষ্টা করে।একদিনের মধ্যে ছয় লাখ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে ওদের কাছে দিয়েছে।
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল
ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত Conference Room এ অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো ১৬ তম ব্যাচকে সামনে রেখে ডিজ
আমাকে দিয়েই হবে ,আমিই পারবো ইনশাআল্লাহ এই মন্ত্রটি হৃদয়ে পুঞ্জিভূত করে রাখার কৌশল শিখেছি প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকে। জিতবে ,না হয় শিখবে,হারবে না কখনো -----জীবনে সফলতার জন্য এই অমূল্য বাণী হৃদয়স্থ
বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পরেন, ভাই নিজের দ্বায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেরান,কারণে অকারনে আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন,আমার সমস্ত বই বিক্রি করে দেন,,,বাবার মৃত্যুতে আমি ও ভেঙে পরি,, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না
প্রিয় স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হলো প্রাকৃতিক সম্পদের খনি সাতক্ষীরা জেলা টিমের পক্ষ থেকে।
প্রিয় মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক আয়োজিত ১ লাখ মেম্বার সেলিব্রেশন এবং নতুন দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের বরন করে নেয়া এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে,
আজকের গল্পের প্রধান চরিত্র হচ্ছেঃআমি,মেহেদী ভাই ও তার স্ত্রী তাহমিনা আপু #আমরা যাকে ছিনি,তার থেকেই কিনিঃ যেহেতু লকডাউনে সব কিছু বন্ধ যার কারনে অনলাইনে হচ্ছে এখন বেচা-কেনার উপযুক্ত মাধ্যম। তাই বাসায়
লেখাপড়া শেষ করার পর আমার আব্বু সময় চেষ্টা করে গেছেন, যাতে আমার লেখা-পড়া কন্টিনিউ থাকে, কিন্তু আমার আম্মু তাতে কখনো রাজি হন নি। আম্মু কখনো চননা যে আমার লেখাপড়া চালু থাকুক। তার কারণ হলো আমি গ্রামের মেয়ে
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত বর্ণমালা কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রদান করা হলো। ওয়ারী জোনের সকল দায়িত্ব
সফল ভালে শেষ হলো উত্তরা জোনে উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিটআপ। ৩০ জন উদ্দোক্তা ভাই বোনদের পণ্য প্রদশর্নের ব্যবস্থা করে আজকের উদ্দোক্তা প্রমোটিং মিট আপ আয়োজন ছিলো।
সোনালী কি কেবলই রূপবতী কোন প্রেয়সীর ঢং সোনালী কি কেবলই রোদ্দুরে ঝলসানো কোন রং সোনালী কি স্বপ্নের আবর্তে চলমান কোন চিত্র সোনালী কি সত্যের সঙ্গমে,মনের মুখরিত মিত্র ।"
মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে সবার আদরের ছিলাম।বড় হওয়ার পর থেকে বাবা প্রবাস।তাই অভাব চোখে দেখি নাই।যখন যা চেয়েছি তখন তাই পেতাম।স্বপ্ন বলতে পড়া লেখা আর ভালো চাকরি ছাড়া কিছু দেখতাম না।
এখন আমার বিয়ের জীবন ষোলো বছর চলছে। আমার বাচ্চারা আস্তে আস্তে বড় হয়ে গেছে । আমার মনে আবার আগের সেই ঝুলন্ত স্বপ্ন গুলো নাড়া দিতে থাকে। অনেক স্বপ্ন এবং ইচ্ছা থাকার পরও সাহস করতে পারছিলাম না। কারণ এখ
মহা সম্মেলন কে গিরে প্রচারণা মুলক একটা আয়োজন আসবে লালবাগ জোন থেকে ইনশাআল্লাহ।
বর্তমানে করনো ভাইরাসের কারণে আমাদের বেশ কিছু মালের অর্ডার স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এমনকি কয়েকটা কোম্পানির সাথে পণ্যের অর্ডার স্থির রাখতে হয়েছে। তবে মাথায় এখন পরিকল্পনা চলছে বর্তমান প্রেক্ষিতে কি করা
ব্যস্ততার কারনে গাছ লাগাতে দেরী হয়ে গেল। আজ গাছ লাগাতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। ইচ্ছা আছে আরও গাছ লাগানোর। ইচ্ছা আছে রক্তদান করার।
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
এখানে এক জন মানুষ টানা ৯০ দিনের অনলাইন কর্ম সালা করার পর সে একজন প্রকৃত মানুষ হতে পারবে। এবং দেশের জন্য একজন দায়িত্ব শীল ও মানবিক ও সত্ব একজন ভাল মানুষ হিসেবে গর্ব বোদ করবে আমি আশা করি এবং আমি গর্ব কর
আমার পরিচয় এখন একজন ড্রাইভার..... কপাল কে মেনে নিয়ে পিছন ফিরে না তাকিয়ে,, কর্মকে ভালবেসে নতুন করে তৈরী করতে চেষ্টায় আছি যেনো একজন ভাল ড্রাইভার বলে আমাকে সবাই জানে.... এক বছর রেন্টেকার গাড়ি চালানোর প
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
যখন কোন গরীব অসহায় পুরুষ / মহিলা / শিশু বাচ্চাদের দেখি তখন তাদের জন্য খুব কষ্ট হয়।তারাও তো মানুুষ!! তাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার মনটা তৃপ্তিপায়। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু না করতে পারি ততক্ষণ
"নিজের বলার মত গল্প" ফাউন্ডেশনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতিমধ্যে বদলে গেছে লাখো তরুণ-তরুণীর জীবন। "চাকরি করবোনা চাকরি দিবো" এই ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মেন্টর ইকবাল বাহারের মত তারাও এখন উদ্যোগ নিয়ে নিজের প্রতিষ
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় আমার ব্যাবসায় মনমুগ্ধ ছিলাম । মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নি
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,
🌲বৃক্ষরোপন কর্মসুচী ২০২৩ লক্ষ্মীপুর জেলা 🌴আমি গাছ লাগাই ২৩৪ টি 🌳 🌳 গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই 🌴
2015 সালে আমি বিয়ে করি, বিয়ের পর পরে আমি সবার কাছে খারাপ হয়ে যায়। বিভিন্ন রকম অপবাদের পর আমি ভাইয়ের দোকান থেকে রাগ করে চলে আসি। আসার পর আমি কিভাবে জিরু থেকে শুরু করব তা ভেবে পাচ্ছিনা।
টানা ২০০০তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপন অনুষ্ঠানে যারা যারা দূর দূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট করে উপস্থিত হয়েছেন আপনাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন