ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
হ্যাঁ এটাই ভালো বাসার প্লাটফর্ম। মানুষ মানুষের জন্য। একটু কি সহন ভূতি কি পেতে পারেনা। প্রিয় মেন্টর শিক্ষা মানুষের উপকার করবো ইনশাআল্লাহ। আজ জীবনের প্রথম বার আমার মায়ের মতন চাচিকে রক্ত দান করলাম। পোষ্ট
উক্ত মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আমি সত্যি খুব আনন্দিত ও মুগ্ধ। অসাধারণ আয়োজন ও আতিথিয়েতা এবং অল্প সময়ে আপন করে নেয়া …… যা এই প্লাটফর্মেই একমাত্র সম্ভব। লালমনিরহাট জেলা সহ হাতিব
আসসালামু আলাইকুম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা টিমের বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন। নিজের বলার মতো একটা গল্প - উদ্যোক্তা তৈরির গল্প নিজের বলার মতো একটা গল্প Foundation ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মে
নারীর মর্যাদা ও সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটা মেয়ে জন্মগতভাবে তার পরিবারের কাছ থেকে সম্মানিত হবে
"নিজের বলার মত একটা গল্পের" তৃতীয় ব্যাচের সমাপনী দিনে বিশেষ দুইটি সামাজিক কাজ Iqbal Bahar স্যারের দেয়া তিনটি সামাজিক কাজের ২ টি সুসম্পন্ন করেছি
বিদেশের জন্য কিছু টাকা ধার নিয়েছে কিছু টাকা জমি বন্ধক দিছে আবারও তিন মাসের মধ্যে আমার কুয়েতের ভিসা চলে আসে
বিয়ের পর কন্যা সন্তানের মা হলাম। দায়িত্ব আর কর্তব্যের এক বিশাল সমুদ্রে ডুবে গেলাম। নিজের জন্য আলাদা করে একটু ভাবার কোন অবকাশই যেনো ছিলোনা। তবুও কষ্ট করে অনার্স মাস্টার্স শেষ করলাম। কিন্তু চাকরির জন্য
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
আমার স্বপ্ন একদিন উদ্যাক্তা হব আমার প্রতিষ্ঠান এর তৈরি করা পন্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক আমার মাধ্যমে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হোক এবং সকলে ভালো থাকবে এবং আমি দুজন এতিম দের পাশে থেকে তাদের স
আলহামদুলিল্লাহ টানা ১০ম বারের মত O+ রক্ত দান করলেন আমাদের প্রিয় Md Zahid Jobayer ভাই। তিনি মিরপুর মডেল জোন এর পল্লবী থানা প্রতিনিধি।
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
তুই ত জানিস আল আমিন ভাইয়ের কথা। তোর ভাইয়ার খুব ক্লোজ বন্ধু। তার বিজনেস নিয়ে কি যেন ঝামেলা হয়েছে ভ্যাট, ট্যাক্স, চুক্তিপত্র ইত্যাদি নিয়ে। আর আল আমিন ভাইয়ের ঝামেলা যে ও নিজের ঝামেলাই মনে করে সেটা তো
অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নিজের ভিতরে কিছু করার ইচ্ছা চলে আসে কারন বাবা একা আর পারছে না ছোট ভাইয়ের খরচ আমার খরচ সংসারের খরচ ইত্যাদি।তাই ভাবলাম কিছু একটা করতে হবে।ফাকে ফাকে ২-১ টা টিউশুনি করাতাম ত
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
মিট আপে ২০০০ তম দিনকে স্মৃতিময় করে রাখার জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামকে ডেলে সাজানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, ইনশাআল্লাহ
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
স্যারের সেশন গুলো ফ্ল করছি।যুক্ত হতে হতে সপ্তম ব্যাচে যুক্ত হবার সুভাগ্য হয়েছি।এবং উদ্যোগতা হয়ে গেছি।যদিও স্যারের লিস্টে নাই।আমি একটি কার ওয়াসিং সার্ভিসিং সেন্টার করেছিলাম এক বছর আগে এক বছরে আমার মূলধ
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।
আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
২লাখ ২০হাজার টাকা দিতে হবে মালয়েশিয়া পৌছানোর সাথে সাথে। এত টাকা কিভাবে যোগাড় করব মাথায় কুলচ্ছিল না।আমার সহধর্মিণী আমাকে ভরসা দেয়ঃতুমি যাও,টাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। রাতেই রওনা দিলাম চট্টগ্রামের উদ্দেশ্
আলহামদুলিল্লাহ। #এগারো১১_তম বাংলাদেশ, উত্তরে কলিগের অনুরোধ বাবাকে রক্তদান।
জর্জ ফোরম্যান ১৯৯৪ সালে ২০ বছর পর মুষ্টিযুদ্ধের খেতাবী লড়াইয়ে জয়ী হয়ে প্রমাণ করেছিলেন স্বপ্নের নিকট আত্মসমর্পণের কোন বয়স সীমা নেই, যদি সমর্পণ করা যায় তা হলে জয় সুনিশ্চিত। ১৯৭৪ সালে মোহাম্মদ আলী
বিষয় টি হচ্ছে, আমার একজন খুব কাছের পরিচিত মানুষ। তিনি একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত আছেন,প্রতিমাসে ৪৫,০০০/- টাকা সেলারি পান,কিন্তু কোম্পানি টানা ৩ মাস সকল স্টাফদের বেতন আটকে রাখছে, ত
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে মিরপুর মডেল জোনের মাসিক মিটআপ শেষ হলো। আজীবন সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে ও আমাদের মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পণ্য প্রদর্শনী এবং কোর ও মডারেটর বরণ অনুষ্
মেয়েরা সমাজের চোখে অনেক অবহেলিত অন্যের করুণা অনুগ্রহ হয়ে বেঁচে থাকতে হয় যা আমি মেনে নিতে পারিনা। যখন আমি নিজে কিছু করতে পারব তখন কেন অন্যের গলগ্রহ হয়ে বাচঁবো। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সাড়া পাচ্ছি। যাদের
সব সময় স্বপ্ন দেখতাম আমি একটা সরকারি চাকরি করব। আমি একজন শিক্ষক হব।আমি কখনও ভাবিনি একজন উদ্যোক্তা হব।ছোট বেলা থেকেই অনেক আঁকার আঁকি করতাম।ভালোবাসার একটা জিনিস ছিল। কাঁথা না আঁকলেও খাতায় এঁকে মনের ভাব
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় এই মিট আপের শুভসূচনা করা হয় , একে একে আমরা সকল উপজেলায় মিটআপ করবো ইনশাআল্লাহ।
" সেটা হল স্যার আপনি যখন এই ফাউন্ডেশন ওপেন করার উদ্যোগ নেন তখন এই ভাবনা টা নিয়ে যার সাথেই আলোচনা করেছিলেন সেই বলেছিল যে আপনি পাগল। কারন এখনকার দিনে কেউ নিশ্বার্থ ভাবে কিছু করতে চায় না। স্যার তখন আপনি
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
প্রসাদে আসার পর দরবেশ এক অদ্ভুত কাণ্ডের সাক্ষী হলেন। রাজার প্রহরীরা দরবেশ সাহেবের সাদা পোশাকের উপর লাল রঙ ঢেলে দিলেন।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোক্তা ভাইয়া আপুদের নিয়ে "আনন্দ নৌভ্রমন"।
আগস্টের 3 তারিখ সকালেই শুনলাম বাবার শরীরটা একটু খারাপ। হালকা জ্বর। সারারাত ঘুমাতে পারেনি বাবা। তাই সবাই মিলে ডিসিশন নিলাম তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করব। এরইমধ্যে যেখানে জাকে পেয়েছে পরিচিত সবাইকে বলেছি।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার মুহূর্ত। আমি স্যারের অনেক ভিডিও দেখেছি এবং তার লেখাগুলো পড়েছি সেই থেকেই অনুপ্রেরণা এই কারনেই নিজের মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়া।
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
“ধৈর্য মানে শুধু বসে বসে অপেক্ষা করা নয়, ধৈর্য মানে ভবিষ্যৎকে দেখতে পাওয়া। ধৈর্য মানে কাঁটার দিকে তাকিয়েও গোলাপকে দেখা, রাতের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে দিনের আলোকে দেখা। “
পর্দাও আমি ক্লাস নাইন থেকেই করি,তখন বোরখার এমন প্রচলন ছিল না,মেয়োরা বোরখা পড়তনা বললেই হয়।আমার মায়ের মত খাঁটি পর্দানশীল কিছু মহিলা বোরখা পড়ত শুধু। আর আমি মাথায় মিলিনারী পরতাম আর বড় বড় উরনা পড়তাম। তখন
স্বাধীনচেতা একজন মানুষ। স্বাধীনভাবে কাজ করতে পছন্দ করি। আমার স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করুক সেটা আমি চাইনা। অবশ্য এর জন্য যে পূর্বে ঝামেলাও পোহাতে হয়নি তা কিন্তু নয়। ভালো কিছু করার প্রয়াস এবং স্বাধীনভা
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনে ব্যানারের, অসহায় দরিদ্র ও মাদ্রাসার এতিম খানায় শীতবস্ত্র বিতরণ আয়োজনে রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা
Entrepreneurship Training 03 নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন International University of Scholars Banani, Dhaka.
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
মিটআপ মানেই ভালবাসা সু-সম্পর্ক অটুট রাখা... এই ভালবাসার বন্ধন অটুট থাকুক
বিশ্ব জুড়ে চলে আসে করোনা ভাইরাস নামক মহামারী,ব্যবসার অবস্থা দিন দিন খুব খারাপ হতে থাকে। আমি ভেঙ্গে পরি,কিন্ত হাল ছেড়ে দেই নি এভাবেই আমার ব্যবসা চলতে থাকে।
যেখানে নিজের ভবিষ্যতটাই অনিশ্চিত, সেখানে নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায় দিশেহারা। তাই যেকোন উপায়ে পরিবারের জন্য টাকার ব্যবস্থা করে পাঠাতে পারলেই মহাখুশি।
বরিশাল বিভাগের সকল দায়িত্বশীল ভাইবোনেরা ও সদস্যবৃন্দ সকলে মিলে শীত বস্ত্র বিতরণ এর আয়োজন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।।
একটি আদর্শ মিটআপ" বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহের সদস্যদের ১০ম মিটআপ ছিল ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৯ মিটআপ সফল করার জন্য অবশ্যই পূর্বপরিকল্পনা করতে হয়। যে সময়মটায় আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগীতা করেছে ফাহাদ, নাহ
আমি নতুন জীবন শুরু করলাম।আলহামদুলিল্লাহ ২ মাসে ৪২০০০ হাজার টাকা সেল করলাম শুধু আমার পন্য খাটি ছিল বলে। মনের মধ্যে আশা দেখলাম নতুন করে আমি পারব হে আমি পারব