পড়ালেখা আর করা হলো না। কিন্তু বড় হয়ে গেছি।যেহেতু আমি গ্রামের মেয়ে তাই সকলেই উঠে পড়ে লেগেছে বিয়ে নিয়ে। আমার বিয়ে হয়ে যায় দিনাজপুর জেলায়। আমার শ্বশুড় বাড়ি চলে যাই। আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি
ঈদ পূর্ণমিলনি অনুষ্ঠান ও মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাণবন্তভাবে সম্পন্ন হয়।
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
আপনি ব্যবসা করছেন সেই ব্যবসার কত রকম মারপ্যাঁচ আছে সেইটা কিন্তু আপনি প্রতিনিয়তঃ টের পান।। ঠিক প্রতিটা কাজেরই এরকম ট্র্যাক রয়েছে। লেখার যে কত রকম ট্র্যাক আছে সেটা লিখতে লিখতেই অনুধাবন করা যায়।। আর স
রক্ত দান,,, দান অনেক প্রকার হয়।আমি মনে করি রক্তদানই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দান।কারন রক্ত দান মানে জীবন দান তবে যদি বাঁচে তার প্রাণ।আমাদের চেষ্টা করা উচিত নিজ অবস্থান থেকে সকলেই রক্ত দান করা। আমরা অনেক সময়
অনেক রাজনৈতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে অন্যতম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ-সংসদ-ভবন এবং মানিক মিয়া এভিনিউ তার দেয়া জমির
আল্লাহ তা'আলা সাহায্য কিভাবে আসে, তা আমি নিজ চোখে না দেখলে, কখনো বিশ্বাস করতাম
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
May 1, 2019 · আজ মে দিবসেও প্রখর রোদে যে সব শ্রমিক ও রিকশাওায়ালা ভাই ও বোনরা রাস্তায় কাজ করছে তাঁদের জন্য "আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কাজের অংশ"। ধন্যবাদ Lokman Hossain ভাই যাকে আমি শ
প্রিয় শিক্ষাগুরু ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি, যত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি না কেন কম হবে। এই প্লাটফর্ম যুক্ত না হতে পারলে জীবনের মানে খুঁজে পেতাম না। আমি বেশি দিন হয়নি জয়েন হয়েছি তার পরও যে টুকু জানতেও
আমার বাবার আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো,মায়ের মুখে শুনেছে জীবনের অনেক কষ্টের অনেক দুঃখের কাহিনী,,মায়ের চোখে দেখেছি অনেক লোনাজল,,দেখেছে মায়ের ক্ষুধার্ত পেটের হা,হা,কার,,মায়ের মুখে শুনেছি আমার জন্
মহা সম্মেলন কে সফল করতে সবার মতামতের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই কমিটি মহা সম্মেলন কে সফল করতে কাজ করে যাবে।
November 20, 2020 · আজ আমার এলাকায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশান বাগেরহাট জেলা টিমের দ্বিতীয় ফিজিক্যল মিট আপ জাগ যমক ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুল্যবান বক্তব্য রেখেছেন বাগেরহাট জেলা এস্বাসেডর জনা
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিল তিল করে যে স্বপ্নের ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন,আজ আমরা সেই ফাউন্ডেশনের গর্বিত সদস্য,সেটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ।এই প্লাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ভালো মা
খুলনা জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
প্রথমেই নিজ এলাকার অনেক মানুষ হাসাহাসি করত বলত এই ব্যবসা দেশ গ্রামে কখনোই হবে না কারণ এটা শহর না এটা গ্রাম গ্রামের মানুষের ক্ষতি করবো এসিড দিয়ে মানুষের চুলকানি হবে অনেক ভয় দেখিয়ে আমাকে অনেক বাধা দি
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
"হালাল ব্যবসায় যতই ছোট হোক কোনো লজ্জা নয়৷ হারাম ব্যবসা যতই বড হোক সেটি লজ্জার বিষয়৷" আমরা জানি অধিকাংশ নবী রাসুলগন ছাগল ছরিয়েছেন এক কথায় রাখাল ছিলেন৷নবুওয়াত প্রাপ্তীর পূর্বে দীর্ঘ সময় এ কাজে উনাদের সম
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
আমার স্বপ্ন একজন ভালোমানুষ এবং সফল উদ্যোক্তা হবো। নিজের জেলা সর্বোপরি নিজের দেশের পণ্যকে বিশ্বের বাজারে পরিচিত করব। অসহায় ও নিপিড়ীত মানুষকে সাবলম্বী হতে সাহায্য করব। নিজের প্রতিষ্ঠানে একজনকে হলেও চা
প্রিয় স্যার আমাদেরকে সবসময় শিখিয়েছেন, সততা ও কমিটমেন্ট বজায় রেখে আমরা যেন রিপিট কাস্টমার তৈরি করি। আর সেই রিপিট কাস্টমার একদিন হবে আমার ব্র্যান্ড,,
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
এই প্লাটফর্ম থেকে পেয়েছি ৬ লক্ষ ভাই বেন। ৬৪ জেলা ও ৫৫ কান্ট্রি তে ব্রান্ডি করার সুজোগ। এগ্রো ফোরাম ভলান্টিয়ার ও ভিবিন্ন জেলায় কৃষি বিষয়ক নলেজ শেয়ারিং করার সুযোগ ও সন্মান
বাবা তার আগের বউকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। মা চাকরি করে আমাদের টাকা দেয় লেখাপড়া করার জন্য আমারা লেখাপড়া করি ও আস্তে আস্তে বড় হই।যখন আমি প্রাইমারি তে পড়ি তখন দাদী মারা যায় ভাই এস এস সি দেয়।তখন ফ
আমরা পেইজে প্রচার চালাতে থাকি। ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট করি।কিন্তু এক্টিভিটি কম থাকায় পোস্ট তেমন রিচ হয় না।তাই সেল ও তেমন আসে না।আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল, না দেখে প্রোডাক্ট নেওয়ার কারণে প্রোডাক্টের মান
থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গি
আই সি ইউ তে থাকা একজন মুমূর্ষু বৃদ্ধা মাকে প্রয়োজনীয় এ পজিটিভ রক্তদান ।
মিট আপে অংশগ্রহণ করুন। নিজেকে ও নিজের পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করুন। ফাউন্ডেশনের একে অন্যের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন। আর এভাবেই একে অন্যের সাথে পরিচিত হবার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত
মানুষের নিজস্ব একটা লক্ষ্যস্থান থাকলে সেই স্থানেই সে নিজেকে উন্নীত করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে পরিশ্রম ও সাধনা করতে হয়। নির্দিষ্
প্রবাসে সততার পরিচয় দিয়ে দেশের নাম উজ্জল করলেন শরীয়তপুরের রহমত উল্লাহ রাজীব৷ রাজীব সিঙ্গাপুরে টাউন কাউন্সিলে গত ৯ বছর যাবত কাজ করছেন৷ কয়েকমাস আগে তিনি কাজের সাইটে কার পার্কে ১০ হাজার ডলার মানিব্যাগস
আসসালামু আলাইকুম। সদর উপজেলা নারায়ণগঞ্জ, মহাসম্মেলন টিকেট ম্যানেজম্যান্ট টিম কাজ করে যাচ্ছে সদর উপজেলায়। আমাদের সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার @Md Zaman ভাইয়ের নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় এবং লাইভ সাপো
একটা সময় ডিপ্রেশনে কারো কথা ভাল লাগত না। খাবার ভালো লাগতো না। ঘুম ভাল লাগত না। শুধু অন্ধকার ভালো লাগতো। একাকীত্ব ভালো লাগতো। কিন্তু এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হবার পর নিজেকে এতটা পরিবর্তন করে গড়ে তুল
চতুর্থ_প্রতিষ্ঠা_বার্ষিকী_উদ্যোক্তা_মহাসম্মেলন_২০২০ইং_উপলক্ষে_প্রস্তুতি_মিটআপ
অযথা ছাদ ফেলে না রেখে সুন্দর পরিবেশ ও ফ্রেশ ফরমালিন মুক্ত ফলমূলের জন্য ছাদ বাগানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সবাই ভাল থাকবেন।
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
আমার জেঠাতো বোন আর আমি একসাথে ঘুমাতাম। আব্বা ঐখান থেকে ডেকে নিয়ে বলে আমরা একসাথে ঘুমাব।ঐ সময় রমযান মাস ছিল। আমরা ঘুমিয়ে পড়ছি।ওঠে দেখি সকাল হয়ে গেছে। আমার আম্মার চোখ দুটো লাল।অনবরত চোখের পানি পরিতেছ
সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম। চট্টগ্রাম জেলার ২০২২ সাল শেষ হয় মানবিক কাজ দিয়ে এবং ২০২৩ সাল শুরু হয়েছে মানবিক কাজ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ।
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
এভাবে আমি আমার বন্ধুর কাছে আমার প্রোডাক্টটি বিক্রয় করলাম। 🍂 আর অন্যদিকে আমার আরেক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করল বন্ধু কি করছিস? এই করোনা কালীন সময়ে দিন দিন আয় রোজগার কমে যাচ্ছে, কি করা যায় বলতো? আম
আজকে এটা আমার প্রথম বছরের প্রথম পোস্ট আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ এর মত প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে
আসলে আপনারা যারা দেশে আছেন। তাদের সবাইকে স্যার কিন্তু একটা কথা বলছেন যে আপনারা প্রতিদিন বলবেন মা আমি আপনাকে ভালোবাসি।পা ছুঁয়ে সালাম করতে বলছে। আসলে আমরা যারা প্রবাসে আছি তাদের কিন্তু শত ইচ্ছা থাকলে
আমি ছোট বেলা থেকে মনে প্রানে যে কথাটা ভাবি সেটা হচ্ছে আমি একটা কোম্পানীর মালিক হবো। সে টা আমার নামে হবে। সে খানে অনেকে চাকরী করবে। আমি চাকরীর পাশাপাশি আমার নিজের উদ্যোগে একটা কম্পিউটার কিনলাম তখন
💞💞আমরাই ক্রেতা__আমরাই বিক্রেতাঃ কিছুক্ষন আগেই বলেছিলাম অনেক দিন ধরে Dewan Parbej Islam ভাইয়ের গ্রুপে কোন পোস্ট দেখি না তাই নিজে ব্যাস্ত থাকার পরেও চিন্তা করলাম এই ভাইটির খবর নেওয়া দরকার আমাদের স্য
আমার পরিবারের ইচ্ছা একটা ভাল চাকরি করলেই হবে। কিন্তু আমি তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, নিজে কিছু একটা করবো। নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। সেখানে অনেক লোক কাজ করবে। সে কারনেই J S C পড়িক্ষার পর বানিয্য বিভাগ