তাই স্বপ্ন দেখি নিজের জন্য, নতুন প্রজন্মের জন্য, দেশ ও জাতীর জন্য, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে
আমার আব্বু খুব ভালোমানুষ এটা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি।আমার আব্বু কখনো চান না উনার সন্তানরা আব্বুর চোখের আড়ালে কোথাও থাকুক। আব্বু সবসময় চান আব্বুর বুকের মাঝে সবাইকে আগলে রাখবেন। আমার ছোট ভাই আজ একটা..
আমি আমার এই ছোট জীবনে দেখেছি,চোখের পলকে মানুষের সাজানে গোছানো সংসার, ঝড়ো দমকা হাওয়াই তছনছ হয়ে যায়,নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষ। তখন চারদিকে শুধু হা হুতাশ থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবন চলতে গিয়ে শুধু
গুলশান জোনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ইউনিক আইডিয়া নিয়ে দায়িত্বশীলদের আলোচনা সভা এবং ঈদ পূর্ণমিল
যেগুলো সত্যি আমাকে মুগ্ধ করছে।আমি যদি আরো আগে এই ভালো মানুষের পরিবারে আসতে পারতাম হয়তো আরো ভালো কিছু করতে পারতাম।স্যারের এক একটা সেশন আমাদের কে নতুন করে বিজনেস আইডিয়া,, ভালো মানুষ হওয়া,,,,
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোন এর অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী। চমৎকার আয়োজন ছিলো। এভাবেই এগিয়ে যাবে ঢাকার প্রতিটা জোন। আয়োজক ও যারা অংশগ্রহন করেছেন তাদের প্রতি অনেক
আসলে আমি একটু ভিন্ন ভাবে নীজের জীবনে চলার পথের গল্প টা তুলে ধরলাম ভুল ত্রুটি অবশ্যয় আছে আশা করবো সকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আল্লাহ আমরা সকল কে একজন ভাল মানুষ হিসাবে বেছে থাকার তৌফিক দান করুক।
পরিস্তিতি বাস্তবতাকে চেনায় আর আমিও বাস্তবতাকে চিনতে শিখেছি।। যেখানে আমি রান্নাই পারতাম না সেখানে এখন আমি ২৫+ খাবার আইটেম তৈরি করতে পারি।
একটা সময় আমরা জামালপুর জেলা ১৪ টি পিছিয়ে জাওয়া জেলা গুলোর মাঝে একটা জেলা ছিলান।কিন্তু এখন আর পিছিয়ে নেই জামালপুর জেলা টিম, আমরা জামালপুর জেলার সদস্যরা এখন বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমরাই সেরা জেলা, ক
"নিজের বলার মত একটা গল্প " এর প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার,,,,এর মহান উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা শহরে অন্যের জায়গায় একটি গাছ লাগানোর চেষ্টা,,,,,, আমি ৬ মাস বা ১৮০ দিন স্যারের এই প্রোগ্রাম এর সাথে আছি,,,,
মানুষের জীবনে উত্থান পতন থাকবেই। তাই আমার জীবনও এর ব্যাতিক্রম নয়। আমিও অনেকবার অনেকভাবে হোচট খেয়ে কখনও পরে গিয়েছি আবার কখনও দাঁড়িয়েছি। ব্যাবসায় হটাৎ বড় ধরণের একটা ধাক্কা লেগে গেলো, কোনো ভাবেই সেখান থে
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
সারারাত অঝোরে দ্বারায় বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দটা অনেক দিন পরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলাম। ফজরের সালাত আদায় করে ভাবলাম একটু ঘুমিয়ে নেই তারপর না হয় হাটে যাবো 🥰🥰
আজ থেকে প্রায় চার মাস আগের কথা কথা। তখন পনেরতম ব্যাচ এর অল্প কিছুদিন চলছিল হয়তো। এর কিছুদিন আগে থেকে যুক্ত হলেও, সেদিন ই প্রথম একটা পোস্ট দেখতে পেলাম যে,এই গ্রুপের নাকি রেজিষ্ট্রেশন চলছে। আমি ভাবলাম
আমার ও অনেক স্বপ্ন ছিল, আছে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি, কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে হাঁটার সঠিক গাইডলাইন না থাকার কারণে এখন ও সফল উদ্যােক্তা হতে পারিনি উদ্যােক্তা শব্দটি কী উদ্যােক্তা আসলে কাকে বলে কি
অনেকেই বলেছিল তুমি পারবা না 👎 আপনার স্বপ্নের কথা শুনে তাহারা হাসবে আর বিজ্ঞ পন্ডিতের মতো বলবে "পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে। বিশ্বাস করেন এই ভাবেই আমাদেরকে থামিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের শেখানো হয় ঐটা ত
রাঙ্গামাটি জেলায়ও প্রিয় গ্রুপের ১০০০ তম দিন উদযাপন করা হয় , চাকরি করব না চাকরি দেব এই স্লোগান স্মরণ করে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি সেশনের দিকে মনোযোগ
অনেক বছর পর যেন আবার সেই ঈদের আনন্দ টা ফিরে পেলাম🥰 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ দিন টি তে। দেশের ৬৪ টি জেলা এবং বিশ্বের প্রায় ৩০ টি দেশের ন্যায় আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের ভাইয়েরাও নিজের বলার মতো একটা গল্প ফা
এখানে সকলেই পজেটিভ মানুষ প্রতিদিন দেখছি নতুন নতুন স্বপ্ন। মনে পড়ে গেল স্যারের স্লোগানের কথা, সময় নিন সময় দিন সময় বদলে দেবে সবকিছু।
শুরু আমার প্রবাস জীবন, প্রবাসী জীবন কত সুখ কত কষ্ট এখন দেখা হবে নিজ চোখে। কথা আছে যে যেই জিনিস খায় না সে কি বুঝতে পারে কি তার মজা।যতই অনুভব করেন না কেনো। অামি আর আমি নাই কি আর করবো ভাইয়ার মতো আমার
স্যারের কথাগুলো আমাকে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি জোগায় প্রতিদিন। স্যারের দেয়া উদ্যোক্তা হবার নীতি ও আদর্শ বুকে ধারন করে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ একদিন সফল হব এই আশায়।
তুন২০২০ সালকে স্বাগতম জানাচ্ছি । ব্যাবসায়িক জীবনের ১৪ বছরে পদার্পন করছি । অনেক সুখ দুঃখ গাঁথা নিয়ে আমার এই কর্মজীবন । আমি এই গ্রুপে রেজিস্ট্রেশন করেছি বেশ কিছু দিন আগে । add আছি বেশ কয়েক মাস থেকেই
গোপালগঞ্জের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামনের সমাধি, ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি, জমিদার গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ী, অন্যন্যা চন্দ্র ঘাট, বধ্য ভূমি স্মৃতি সৌধ, বিলরুট ক্যানেল,
আজকের মিটআপটি চমৎকার ভাবে আয়োজন করেছেন ইকেয়ার সলিউশন এর প্রধন Mostafizur Rahman ও তার টিম। এঠাড়াও সার্বিক সহযোগিতা করেছেন নীড লাইফ এর ফাউন্ডার shamakdum milon এবং স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেছেন ভোজ
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
আমাকে বলল সব কিছু ঠিকঠাক ছিল দুইটি লোক কথা দিয়েছিল রক্ত দিবে কিন্তু এখন তাদের আমি কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। আমি তাকে বললাম এখন পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা আমাকে একটু বলুন? সে আমাকে বলল আমার একজন শালিক
কি করবো বুঝতে পারছিলাম না কিছুই।কি হচ্ছে এসব আমার সাথে।হ্যালুসেলেশন হচ্ছে কি আমার সাথে?চোখের সাথে প্রিয় স্যার কথা বলছেন মাইক হাতে,পিছনে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর বিশাল ব্যানার।সবকিছুই হচ্ছে
মহৎকর্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সূর্য সন্তানেরা সুদূর প্রবাস থেকেও সার্বিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন,আমি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিম সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
এতো গেল ফেনীরটিম এরা ছাড়াও পুরো পরিবারের অনেকে সাথে আমার বন্ধুত্ব কাকে ছেড়ে কার নাম লিখবো। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সবশেষে বলবো সবাই আপনারা ভালো কাজের চর্চা
নিজেকে বেশী করে ভালোবাসতে শিখেছি। একটা সময় নিজে বেঁচে থাকার মাঝে শুধু ছিল হতাশা। এখন আমি নিজেকে খুব বেশি ভালোবাসি।
পরিশেষে বলতে চাই আমার বাবা প্রথমে আমাকে না করছে পরে আমার মুখে গ্রুপের সব কথা শুনে দোয়া করে গেছে যেন আমি সফল হতে পারি।স্যারের জন্য দোয়া করেছে। আসলে আমি যদি না বুঝাতাম তাহলে আমার বাবাও নেগেটিভ থাকতো কি
এই করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের উক্ত অফলাইন মিটআপটি অনুষ্ঠিত হয় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ও আনন্দঘন পরিবেশে।
নব্বই দশকের আগে তখনকার সময়ে সামাজিক পারিবারিক ধ্যান ধারনা ছিল ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হওয়া নয়তো বিদেশ গিয়ে অনেক টাকা পয়সা রোজগার করে অর্থ সম্পত্তির মালিক হওয়া। এখন ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হতে হবে অথবা বিদেশ গি
গল্পের শুরু হয় আমার জন্মের আগেই। দাদাবাড়ী বরিশালের বরগুনা জেলায়। দাদার চাকরি সুত্রে তিনি পরিবার নিয়ে বহু বছর ধরে চট্টগ্রাম থাকতেন। সেখানেই গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের ভুবন। পরিবার নিয়ে খুব সুখের দিন ছিল
আমরা মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, আমাদেরএকটা স্বভাব গত অভ্যাস হলো আমরা অল্পতেই হতাশ হয়ে পড়ি, উদাহরণ স্বরূপ, আমাদের কারো যদি ব্যাবসায় লোকসান হয় তাহলে দেখা জায় আমরা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দেই,এবং নিজের ভাগ্য
আশা ছাড়িনি আমাকে উদ্যোক্তা হতে হবে সেটা যেই কোন বিনিময় আমার ছোট ভাই কে সব খুলে বললাম ও আমাকে সাহস দিলো এবং আমার হাসব্যান্ড কে বুঝালো ঘরে বসে আমার বোন যদি কিছু করতে চায় আপনি না করবেন না। আজ না হয়
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
শুধুমাত্র উদ্যোগতাদের নিয়ে উদ্যোগতা উন্নয়নের জন্য গাজীপুর জেলা ২য় বারের মতো ফিজিক্যাল মিটাপ করেছি।
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
মালা বললো খাল তুমিতো লেবানন থাকো কি ভাবেপাঠাবা।?আমি বললাম তুমি শিক্ষিত মেয়ে।বোকার মত প্রশ্ন করো কেন?তুমি কি জানো না বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়।তুমি মোবাইল ফোনটা হাতে নিয়ে কত সহজে ৭/৭ মিনিটের ভি
নিজের জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " আমার পরিবারের প্রিয় ভাই বোনদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার উদ্দেশ্যে 23 সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট করি। পোস্টটি "স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে" নি
রেকর্ড সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সম্পূর্ণ ফ্রী ভালো মানুষী চর্চা ও উদ্বোক্তা তৈরির অনলাইন কর্মশালার টানা ১০০০ তম দিন উদযাপন হবে ইনশাআল্লাহ আজ থেকে।। প্রিয় ফাউন্ডেশনের
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশানের ১০০০ তম দিন উদযাপন জয়পুরহাট জেলায় সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
২০০২ সালে আমার দাখিল/ এস এস সি পরীক্ষা শুরু , আমার জিবনে ৩ মাাস প্রাইভেট টিউটর পেয়েছি মাএ। সাইন্স বিভাগের স্টুডেন্ট ছিলাম রোল নং ছিল ২,শরু হলো পরীক্ষা তখনকার শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন এহসানুল হল মিলন,কি
মায়ের কাছ থেকে 250 টাকা নিয়ে শুরু করলাম ব্যবসা।🌺 ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের খেলনার জিনিস এবং মজা বিক্রি করতাম । ঘরের ভিতরে জিনিসপত্র রাখতাম এবং বিক্রি করতাম। কিছুদিন এভাবে করার পরে আব্বা ছোট্ট করে একটি দ
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।