কি আর করবো সবাই যদি পরিবার ছেড়ে চলে যায় তাহলে আমার ছোট যে ভাই বোন আছে তারা মানুষ হবে কেমন করে,শুরু করলাম সুতা লুঙ্গির দোকানে মহরীর কাজ তিন বছর করলাম বিজনেস শিখলাম। তারপর আমি নিজেই শুরু করলাম লুঙ্গির
স্যারের দুঃসাহসিক সিদ্ধান্তে ১৬৪ জন সদস্য নিয়ে আমাদের ফাউন্ডেশন এর শুরু হলেও এখন আমাদের ২লক্ষ ২১ হাজার আজীবন সদস্য আছেন।
আলু মুন্সীগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল। এ বছর ইতিমধ্যে কৃষকরা আলু উত্তোলন শুরু করেছে। উত্তরবঙ্গের শ্রমিকরা মুন্সীগঞ্জ জেলায় আসতে শুরু করেছেন। পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকেরা মুন্সীগঞ্জে আলু উত্তোল
আলহামদুলিল্লাহ সফলভাবে শেষ হল মিরপুর জোনের অফলাইন মেগা মিট আপ⭐ সর্বোচ্চ ৭৪টা স্পন্সার নিয়ে মিরপুর জোন এখন সুপার মডেল জোন
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো।আমার এক দুলাভাই তখন আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলো মা বাবা না থাকলে যা হয় । ওই বয়সে শ্বশুর বাড়ির সবার মন জোগানো খুব কষ্টের ছিলো। তারপরও অনেক চেষ্টা করেছি কিন্
দেখতে দেখতে আমি হাফিজী শেষ করি, তার পরে দাখিল পাস করলাম, অস্তে অস্তে আমি সঞ্চয় বড় করতে লাগলাম, যখন আমি আলিমে ভর্তি হই তখন আমি চেষ্টা করি নিজের টাকায় লেখাপড়া খরচ চালানো- লেখাপড়ার পাশাপাশি আমি...
অত্যন্ত সুন্দর উচ্চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাজবাড়ী পাংশা উেজেলা মিটআপ
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
পরিবারে সকলেই চাকুরীজীবি, বাবা মা ছিলেন সরকারী ব্যাংকে। চাচারা সকলেই মোটামুটি জব করেন। বিজনেস এর খুটিনাটি কারিগরি বিভিন্ন বিষয় বুঝতাম না। বিজনেস শিখার মতো কোন প্লাটফর্ম ছিলো না। স্যার এর প্রতিটি পোস
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
চাঁদপুর গিয়ে কাপড় এবং মেটারিয়াল কিনলাম, যদিও দাম অনেক বেশি দিয়ে কিনতে হইছে তবুও জরুরি লাগবে এজন্য কিনা। কাজ প্রায় শেষ পর্যায় যখন তখন খালাতো বোন কল দিয়ে বল্লো কাপড়ের কালার এটাতে হবে না। গেলাম কি বিপদে
গতকাল রাত থেকেই চিন্তা করছিলাম আগামীকাল তো হাটবার, বেচা কিনা কেমন হবে আল্লাহ জানে, তারমধ্যে এখন আবার নতুন করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা চাকরি নিয়েছি, সে সুবাদে মাদ্রাসার কিছু দায়-দায়িত্ব আছে, এত শত ব্যস্
#আসলেই সব কিছুতেই চুপ থাকতে নেয়। নিজের স্বপ্ন তৈরিতে নিজেই প্রথম ভরসা হতে হয়, উঠে দাঁড়াতে হয়, মাঝে মাঝে চালাঞ্জ নিতে হয়।সম্মান দেখানোর জায়গায় দেখতে হয়, কিছু মানুষকে শুধরানোর সুযোগও করে দিতে হয়। আমার
জামালপুর জেলার শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে
এতো ছোট একটা বিষয় কে যে এভাবে চিন্তা করা যায় আমি তো কখনো ভাবতেই পারিনি।সত্যি অসাধারণ চিন্তাচেতনার মানুষ উনি। মিলা-- এই জন্যই উনি আজ এতে বড় ব্র্যান্ডের মালিক।আমরা তো ঐভাবে চিন্তাই করতে পারিনা।আমাদের তো
আসসালামু আলাইকুম। সদর উপজেলা নারায়ণগঞ্জ, মহাসম্মেলন টিকেট ম্যানেজম্যান্ট টিম কাজ করে যাচ্ছে সদর উপজেলায়। আমাদের সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার @Md Zaman ভাইয়ের নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় এবং লাইভ সাপো
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
বাবা মানেই হাটি হাটি পা পা শুরু। বাবা মানেই শতবার হোচট খাওয়ার পরেও সেই হাত ধরেই উঠে দাড়ানোর আরেক প্রচেষ্টা। বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,
অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
আমি যখন তেমন কিছুই বুঝতাম না তখনই আমরা তিন বোন ছিলাম মানে ১ বছর করে সবাই ছোট বড়,, পড়ে আমি যখন ওয়ানে পড়ি তখন আমার আরেক জন বোন হয় তাহলে আমরা হলাম ৪ বোন, তখন আব্বা শুননে বললো আবার ও মেয়ে ১ টা ছেলে হলো
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
অাজ ২২ শে নভেম্বর শুক্রবার, বিকাল ৩টায় পৌর-পার্কে ধারাবাহিক মিট-অাপের অংশ হিসাবে গুরত্বপূর্ন মিট-আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
১০০০ তম দিন উজ্জাপন এর প্রস্তুতি নিয়ে আজকে ময়মনসিংহের সদস্যদের সাথে মিটিং করলাম। একটি প্রানবন্ত এবং চমৎকার মিটআপ হয়েছে। তারিখ 12/09/20
সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যাহা এমনিতে গড়ে উঠেনা।একটি ভালো সম্পর্ক তৈরী করতে অনেক বেশি খাঁটি ভালোবাসার দরকার হয়।ঠুনকো ভালোবাসা দিয়ে একটি ভালো সম্পর্ক বিল্ডআপ হয় না।ছোট ছোট ভালোবাসা গুলো একদিন বড় হয়ে
ডিম ভাঙলেই তবে মুরগীর বাচ্চার জীবনের সুচনা হয়। কোনো এক ভেঙে যাওয়া ঘটনা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু। তাই উঠুন, স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করুন। ভাগ্য কপালে থাকেনা, ভাগ্য থাকে কপালের ফোঁট
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
করনা মহামারিতে পরিবারে পড়া লেখা বন্ধ হয়ে গেলো তখন হাল ধরতে হলো
কুয়েত আসলাম তিন মাস বেকার বসে খেলাম , ভাষাগত সমস্যার কারণে কাজ পেতে অনেক কষ্ট হল তিন মাস পর একটা কাজ পেলাম তাও আবার এক মাস পর কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বেতনও পেলাম না। আবার আরেক জায়গায় কাজ পেলাম বেতন অনেক
নতুন আর একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে। সেখানে গিয়ে সুইং হেলপার হিসেবে জয়েন করলাম ১বছর এর মত। হেলপারি করলাম কাজ ভালো দেখে পি এম স্যার আমাকে অপারেটর এর পদ দিল।বেতন ধরল ২৭০০ টাকা আমি অনেক খুশি তার পরেও মন
যখনই কারো ব্লাড লাগে সবাই দ্রুত সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে। এই গ্রুপের কার্য বিস্তৃতি বলে আমি শেষ করতে পারবনা শুধু দুইটা পয়েন্ট বললাম। এছাড়াও জরুরী প্রয়োজনে আমরা যেকোনো ধরনের সাহায্যর জন্য সবাই সবাইকে পাশে
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার আয়োজনে রাত ১০ টা হতে রাত ১২ পযর্ন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সব ভাইদের
সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে শেষ হলো চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের ৫ম মেগা মিটা আপ ও উদ্দোক্তা ফ্যামিলি গেট টুগেদার। প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে আমাদের অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করেছেন।
সফলভাবে সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ। মিটআপ এ সাতক্ষীরা জেলাকে কিভাবে গতিশীল করা যায় এ নিয়ে আলোচনা করলাম
আমরা মানুষ। আর মানুষ হিসেবে আমাদের বিনোদনের প্রয়োজন আছে। ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হলো আমাদের আমাদের বরিশাল জেলা ঈদ পুনর্মিলনী ও অফলাইন মিটাপ।আনন্দ ভ্রমণ, পিকনিক টু কুয়াকাটা।
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ" এই সময় নগরকান্দা উপজেলার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয় ফরিদপুর জেলার সুপার
প্রিয় স্যারের ভিডিও গুলো রাত জেগে দেখি।স্যারের বলা প্রতিটি কথায় মনে অনেক সাহস পাই।আর মনে মনে ভাবি আমার কষ্টের দিনগুলো একদিন হয়তো "নিজের বলার মত একটি গল্পের" প্লাটফর্মে আমাকে নিয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ।
স্যারের থেকে অণুুপ্রাণিত হয়ে লেগে থাকা নিজের উদ্যেগের সাথে! একটা টাকাও নিইনি বিজনেস থেকে নিজের খরচের জন্য৷ ২/৩বছর নিব না কোন খরচ ৷ সফল উদ্যেক্তা কিংবা ব্যবসায়ী হওয়ার জন্য
ন ধরে কথা বলতাছে ড্রেস নিবে। সব ডিটেইলস নিলো। কিন্তু অর্ডার করে না। পরে গতকাল রাতে হাটবারের আগের রাতে নক করলো আপু আমাকে ১০ টা ড্রেস পাঠাবেন আগামী কাল। ভাই কে আমি ভালো করে চিনি না কিন্তু সে আমাকে চিনে।
তরুণ-তরুণী উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়েছে। এবং প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা উদ্বোধন করতেছেন জিনি উদ্যোক্তা তৈরি করার কারিগ এবং ফেসবুক ভিত্তিক পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যে অনলাইন ভিত্তিক কর
মাঃ কেমনে? তুই কি কও কল্লা ঘেডি কিছু বুজিনা। বুজাইয়া ক। মুমুঃ হোন মা, মুই একটা অনলাইন প্লাটফর্মের সদস্য। যার নাম #নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প ফাউন্ডেশন। এইহানে অনেক সদস্য আছে সবাই পন্য কেনা ব্যাচা কর
স্বপ্ন দেখুন সাহস করুন লেগে থাকুন সফলতা আসবেই🌹বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে ভেজে কেউ কেউ। বর্তমান,শুভ দিন ✅ফাউন্ডেশন যুক্ত থেকে টানা ৯০ ক্লাস শেষ করে, আজ আমরা ২ জন মিলে একটা, এস এ এস এগ্রো ফুডস্ (বন্ধন) 🌶
প্রতিটি মানুষেরই কিছু কিছু ভালো লাগা গুলো খুবই রহস্যময়, আর কিছু কিছু মানুষ এই রহস্যময় ভালো লাগার মায়ায় জালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে যায়, হাজার চেষ্টা করেও এর বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। এই রহস্যময় জগতে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।