#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
_____বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম_____ 🙋 আসসালামুয়ালাইকুম পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করিলাম। আল্লাহের অশেষ নিয়ামতের মাঝে আছি বলেই আমরা সকলে অনেক ভালো আছি। মহান রাব্বুল আলামীনের
ফজলে রাব্বী বাঁধন ৮ম ব্যাচ রেজিঃ৪৩০৪ আলহামদুলিল্লাহ আজ আবার রক্ত দান করলাম
উক্ত অনুষ্ঠানে ইউনিক দুবাই টিমের সকল দায়িত্ব শীল সহ আজীবন সদস্য উপস্থিত ছিলো আলহামদুলিল্লাহ, এভাবেই এগিয়ে যাবে ইউনিক দুবাই টিম। উপস্থিত সকলের জন্য অনেক অনেক দোয়া ও আন্তরিক ভালোবাসা।
যে কোন জায়গায় আমার গ্রহন যোগ্যতা পাওয়া যায়, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে যে সঞ্চয় গুলো ছিল তা দিয়ে একটি বাসা বাড়ি তৈরী করি বাড়া দেওয়ার জন্য, তার কাজ এখনো শেষ হয় নাই, করুনা মহামারী এসে জিবন টা কে আরো তছনছ
২০০৯ সালের ১২ই অক্টোবর বেলা ১১টা৫৫ মিনিট, ঢাকা বারডেম হাসপাতাল আমার বাবাকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে গেছেন তার আপন 😭ঠিকানায়। সেই থেকে আমি এতিম😭 ফরহাদ। তারপর থেকে বুঝেছি আমার পড়াশোনা📚🖋️ কর
আমাদের সম্পদে কেবল আমাদের অধিকার নেই। কাছের দূরের,চেনা অচেনা অনেকেরই অধিকার আছে।
আমরা তিন ভাই বোন। আমি ছিলাম সবার বড় বাবার চাকরির সুবাদে আমার ছোট বেলা কাটে দেশের বিভিন্ন জায়গায় । ছোটবেলা থেকে আমার পড়াশোনার প্রতি ছিল অনেক আগ্রহ। এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করার পর আমি অনার্সে ভর্তি
মহিন বিকেলে কল দিল, হ্যা মহিন বল, কোন ৫ টা পছন্দ হয়েছে। মহিন : তোমার ইনবক্স ২ ডিজাইনের ৫টা দিয়েছি, এই ৫ টাই লাগবে, আমি : ওকে আগামী কাল দুপুরে/বিকেলে তোমার দোকানে নিয়ে আসবে শার্ট গুলো আমি বলে দিচ্
সব সময় স্বপ্ন দেখতাম আমি একটা সরকারি চাকরি করব। আমি একজন শিক্ষক হব।আমি কখনও ভাবিনি একজন উদ্যোক্তা হব।ছোট বেলা থেকেই অনেক আঁকার আঁকি করতাম।ভালোবাসার একটা জিনিস ছিল। কাঁথা না আঁকলেও খাতায় এঁকে মনের ভাব
কেরানীগঞ্জ জোনের সকল ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসাডর সহ সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের উপস্থিতে অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে আজকের মিটআপ।
সোনার বাংলা গড়তে একজন সোনার মানুষ চাই, ইকবাল বাহার স্যারের মত দ্বিতীয় কেউ নাই।
এতো বিশাল একটা আয়োজন খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করার জন্য ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা জানাচ্ছি প্রিয় ফাউন্ডেশনের সন্মানিত ঢাকা জেলা এম্বাসেডর ও মডারেটর Md Roni ভাই সহ লালবাগ জো
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
আমাকে বলল সব কিছু ঠিকঠাক ছিল দুইটি লোক কথা দিয়েছিল রক্ত দিবে কিন্তু এখন তাদের আমি কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। আমি তাকে বললাম এখন পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা আমাকে একটু বলুন? সে আমাকে বলল আমার একজন শালিক
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
হঠাৎ করে একদিন চোখে পড়ে প্রিয় স্যারের একটা ভিডিও। দেখে অনেক ভালো লাগলো। তার পর প্রায় সময় এরকম অনেক ভিডিও আসত। তখন একাধারে সব গুলো ভিডিও দেখতে থাকি । কিন্তু আমি ফেসবুক এত বেশি চালাতাম না।
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। এই প্লাটফর্মে ‘পণ্য নয়, বিশ্বাস বিক্রি’র প্র
মুদির দোকান একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে সামান্য পুঁজি নিয়েই একটি মুদির দোকান চালু করা যায়৷ নিজে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নিয়ে এই ব্যবসা করে বাড়তি আয় করা যেতে পারে৷ কারণ সবখানে ও সবসময়ে এর চাহি
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
আমি ভোলাভালা যাযাবর মানুষ ছিলাম। চাকুরী আর বাল্যবন্ধু বাতেনের সাথে ঘুরাঘুরি ও খুনসুটিতে জীবন ভালোই কাটছিলো। এরই মধ্যে ছন্দপতন, হঠাৎ শুনলাম বাতেন বিয়ে করেছে তাও নাকি পাক্কা তিন বছর প্রেমের পর। ওরে বাত
মানুষের জীবনে উত্থান পতন থাকবেই। তাই আমার জীবনও এর ব্যাতিক্রম নয়। আমিও অনেকবার অনেকভাবে হোচট খেয়ে কখনও পরে গিয়েছি আবার কখনও দাঁড়িয়েছি। ব্যাবসায় হটাৎ বড় ধরণের একটা ধাক্কা লেগে গেলো, কোনো ভাবেই সেখান থে
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে- যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
আসলে আপনারা যারা দেশে আছেন। তাদের সবাইকে স্যার কিন্তু একটা কথা বলছেন যে আপনারা প্রতিদিন বলবেন মা আমি আপনাকে ভালোবাসি।পা ছুঁয়ে সালাম করতে বলছে। আসলে আমরা যারা প্রবাসে আছি তাদের কিন্তু শত ইচ্ছা থাকলে
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা যদি বলি তবে আমি বলব প্রবাসীদের নিজস্ব কোনো সুখ নেই বরং দুঃখেরও কোনো শেষ নেই। তাদের সুখ পরিবার প্রিয় জনদের মুখের হাসি,তাদের সকল আবদার পুরন করার মাঝেই। সকলের চাওয়া পাওয়া পুর্ন
তখন মাথায় চিন্তা আসল বাসার বাইরে আসলাম পড়াশোনার জন্য কিন্তু ২ বছড়ে কি করলাম কি রেজাল্ট তুলে দিব ফ্যামেলির হাতে। চিন্তা করে আর লাভ হল না, সময় তখন শেষ এসে গেল পরীক্ষা কিন্তু পরীক্ষা এত ভাল হল যা কোনদি
" দেশে বিদেশে যাদের সাথেই পরামর্শ করেই তারা সাহস দেইনা" বলে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেক কঠিন" ওখানে আরো কিছুদিন থাক কিন্তু আর কত 16 বছর তো হয়ে গেল। 😇সেই থেকে আইডিয়া খুঁজতে লাগলাম হঠাৎ করেই ইকব
আসসালমু আলাইকুম আমার প্রাণ প্রিও পরিবারের সবাইকে। সে সাতে সালাম আমাদের প্রিয় পরিবারে মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে। আর সব চেয়ে বেশি স্মরণ করছি আমার আপনার সবার সৃষ্টি কর্তা কে।।🙏 যিনি আমাদে
আজ থেকে কয়েকটা বছর আগে আমরা কাজিনরা আমাদের এক মামার সাথে ঢাকা শিশু পার্কে ঘুরতে যাই। তখন আমার বয়স কত এই ১৫ কি ১৬ হবে।আমরা পার্কে ঢোকার কিছুক্ষণ পরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।তখন আমরা সবাই জায়গায় গিয়ে বস
যারা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কষ্ট করে উপস্থিত হয়ে আমাদের মিটআপ কে সাফল্য মন্ডিত করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর সবাই কে অনেক ধন্যবাদ।
হামিদুল্লাহ ভাইয়ার সহযোগিতায় সকল বাধা অতিক্রম করে,খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের প্বার্শবর্তী চত্বরে ও রেস্ট হাউজে মোট ২০ টি ওষধি গাছ ও ৭ টি ফুলের গাছ রোপন করা হয়েছে ।
আমরা সবাই বাড়ির উঠানে হলেও অন্তত একটি করে গাছ লাগাবো ইনশাআল্লাহ
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
তারপর দু জনে বেড়িয়ে পড়লো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। সময় মত পৌঁছে গেল সেখানে। 🍂অনুষ্ঠানের সবার নজর পড়লো তাদের ওপড়। সবাই যেন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মেয়েটার ওপড়। সবাই যেন মুগ্ধ হয়ে দেখছে।এত সুন্দর শাড়ী
২০১৭ সালের শেষের দিকে সৌদি আরব ’আলবাহা’ নামক জায়গায় আসি দুচোঁখে পাহাড় সামান স্বপ্ন নিয়ে । আমাকে এনেছিলেন আমার বাবা কিন্তু দূভাগ্যক্রমে আমি আসার আগেই ওনাকে একেবারে বড়িতে চলে যেতে হয়। তখন আমি আসার পর
যে কোন কাজ করার আগে অবশ্যই তাকে প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করতে হবে। শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। প্রশিক্ষণ নিয়ে উদ্যোক্তা হলে। সফল হতে একটু সময় লাগলোও ক্ষতির হয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আমার সাথে যারাই খামার রিলে
তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেল।মা-বাবা,আর আমরা দু-বোনের একা সংসার হয়ে গেল।আমি ২০১২ সালে জেএসসি পরিক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হই। কিন্তু এই কৃতকার্য-ই আমার জীবনটাকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চেয়েছিল😥 কারন,অজপাড়া গা,,,কোন মত
খুলনা জেলার ঈদ পুনর্মিলনী এবং মেগা অফলাইন মিটাআপের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার
আমার জীবন চলার পথে আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতা আমার ভীষণ প্রয়োজন, আশা করছি ভালোবেসে পাশে থাকবেন সবসময়, সবশেষে আপনাদের সবার সুখি ও সুন্দর জীবন কামনা করি, সুন্দর হোক আপনাদের জীবন।
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ
ভোর রাতে ওঠে ফ্রেশ হয়ে বাবা,মা আর আমার ১বছরের ছেলের কপালে চুম্মন করে দোয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরলাম..... >>ভোর রাতেই হাইওয়ের পাশে থাকতে হবে আমায় টাংগাইল শহর থেকে ভোর ৫টায় আমাদের মাইক্রো ঢাকার .....
আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশে ছিলো আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চায়, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়, আমার একমাত্র ভায়টাকে কিছু
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Novera's Dream নামে একটি পেজ খুলি। দুয়েকটা ড্রেসের পোস্ট ও দেই
আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!