শাড়ি নিয়ে প্রতিটা মেয়েরই মনে হয় একটা করে গল্প থাকে। খুব আপন, খুব আদরের, খুব রোমান্টিকও হয়তো বা! তখন ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বয়ফ্রেন্ড সেই সময়ে টিউশনী করতো। টাকা জমিয়ে জমিয়ে একদিন আমাকে একটা
সর্বশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি লাখো মানুষের আইডল উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর এ যুগের স্বপ্নদ্রষ্টা মানব প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি এত সুন্দর একটা পরিকল্পনা না করিলে আমরা পেতাম না।
৮ বছরের মধ্যে অনেকবার রক্ত দিয়েছি তবে ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দেওয়া হয়নি ভাগ্যক্রমে।আজ ৮ বছর পরে দ্বিতীয়বার ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দান করলাম।। কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে বোনটা।বাবুটা কে দেখে খুব মায়া
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
আলহামদুলিল্লাহ কাল রক্ত দান করলাম ৭ম ব্যাচের সমাপনী উপলক্ষে,,, Iqbal Bahar Zahid স্যারের কাছ থেকে শেখা, মানুষের জন্য কাজ করা।অনেক ভালো লাগে মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে।
স্যারের যেই কথাগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে: ১/চাকরি করব না চাকরি দিব। ২/নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে হবে। ৩/বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউ ৪/আমরা সবাই ভালো মানুষ তাছাড়াও প্লাটফর্
অসাধারণ আয়োজন এর মাধ্যমে পালিত হয়
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়ে নিমিষেই যেনো সব কষ্ট গুলো হালকা হয়ে গেলো।
কেন রক্তদান করবেন? নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।
বাবা চলে যাওয়ার পর আমি এবং আমার মা, আমাদের জীবনে এক ভয়ঙ্কর অন্ধকার নেমে আসে, একটা সময় আর্থিক অবস্থা খুব দুর্বল হয়ে যাওয়াতে মা আমাকে নিয়ে মামা বাড়িতে গিয়ে ওঠেন, অল্প কিছুদিন যেতেই শুরু হয়ে যায
আম কাঠালের সিজন আসলে নানী আমাকে নিয়ে নিজের গাছের আম নিয়ে আন্টির বাসায় বেড়াতে যেতেন। তখন দেখতাম অনেক দুরে যদি কোন এক পুরুষ লোক আসতো দেখতেন। ছাতিটা মেলে ধরে রাস্তার নামায় গিয়ে বসে থাকতেন। যতক্ষণ ঐ
আমরা কম বেশি সপ্ন সবাই দেখি ছোট এই জীবনে বৃহৎ কিছু করার । এর মাঝে আমরা কজন আমরা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি ? আমদের ছোট্ট এই জীবনে অনেকের সম্পূর্ণ জীবন কেটে যায় শুধু স্বপ্ন দেখে আর পরিকল্পনা ক
একজন বিক্রেতার সবচেয়ে বড় অর্জন ক্রেতার কাছ থেকে ভাল রিভিউ পাওয়া। আর স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পুরা হাইজিন মেইন টেইন করে একদম ফ্রেশ সেমাই ক্রেতার হাতে তুলে দেয়াই আমার মেইন লক্ষ্য।
লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন
বেকার থাকবোনা একদিনও" শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে
আজকের দিনের প্রথম পর্ব ভোলার বোরহানউদ্দিন এর হাকিমউদ্দিন এলাকায়।
এই বছরে যাই পেয়েছি পুরোটা "নিজের বলার মত গল্প" দিয়েছে। একজন সদস্য থেকে শুরু করে কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তারপর কান্ট্রি এম্বাসেডর দ্বায়িত্ব আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি শুধু ভালবাসা আর আন্তরিকতা
আরে তুমি আগে ভালো করে শুনো সেখানে সবাই ভালো মানুষ তারা কারো সাথে কোন প্রতারণা করে না তারা পন্য বিক্রি করে না বিক্রি করে বিশ্বাস তাদের যে শিক্ষক আছে তিনিও একজন ভালো মানুষ তিনি সবাইকে ভালো মানুষ হওয়ার জ
আলহামদুলিল্লাহ , গোপালগঞ্জ জেলা, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কাজ সু সম্পন্ন হয়েছে।
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি Jannatul Mawa আপুর ১ম বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে। "মূমুর্ষদের বাঁচাতে প্রাণ
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
ফজলে রাব্বী বাঁধন ৮ম ব্যাচ রেজিঃ৪৩০৪ আলহামদুলিল্লাহ আজ আবার রক্ত দান করলাম
আমরা ভাই বোন ৮ জন তার মধ্য আমি ৬ নাম্বার আমার জীবন চলার কিছু গল্প তুলে দরবো বুল হলে খমা ছোখে দেখবেন-------- বাবা মারা জান ২০০৬ সালে মাস মাসের ২০ তারিখে মা মারা জান ২০০৬ সালে September ১৯ তারিখে ত তা
যার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে যার বিনা পয়সায় দেশ বিদেশের মানুষ নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে,পরিচয় দিতে পারছে।এর চেয়ে বড়ো পাওয়া আর কি হতে পারে। যখন জানলাম স্যার১৪ ই ফেব্রুয়ারিতে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মেলায়
আমি ছোট বেলা থেকেই পড়া লেখার সাথে সাথে আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে সহজোগিতায় লেগে থাকতাম তাই হয়ে গেলাম বাবা মায়ের আদরের সন্তান।আমি আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে লেগে থাকার কারনে আমাদের পরিবারের অবস্থান
নেগেটিভ সব সময় নেগেটিভ নয়, নেগেটিভ ও অনেক সময় পজিটিভ হয়। আবার সব পজিটিভ ও সব সময় পজিটিভ নয় কিছু পজিটিভ নেগেটিভ ও হয়। বুঝলেননা নাকি? মনে করুন একটা ছোট পাখি প্রোচনড শিতের মধ্যে কুয়াশার ভিতরে রাস্তার
সকলেই মানিকগঞ্জের সাথে থ সুন্দর আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন।ছিল সম্মেলন কেন্দ্রিক আলোচনা, ও উদ্যোক্তাদের পরিচয় পর্ব ও পণ্য প্রদর্শনী। উদ্যোক্তাদের ব্রান্ডিংয়ের জন্য ছিল স্পন্সরের ব্যবস্থা যারা অংশগ্রহণ কর
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আছে প্রবাসীদের মর্যাদা আছে ভালোবাসা আছে তাদের জন্য চিন্তা। এখানে প্রবাসীদের বলা হয় দেশের অক্সিজেন।
আমাদের বাড়িতে অনেক গুলি দেশী পেয়ারা গাছ ছিলো, অনেক পেয়ারা ধরতো, কিন্তু কখনো বিক্রি করতো না। আমরা, আত্নীয় স্বজন ও আশেপাশের সবাই খেতো। তবুও এতো পেয়ারা কি আর খাওয়া যায়।* *একদিন আমার বড় ভাই আর আমি এক ঝাঁ
প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজে একটি প্রতিষ্টান করবো, আগে বড় কোনো স্বপ্ন দেখতামনা এখন স্বপ্ন দেখি স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রুপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি, এখন প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলি নিজেকে ভালোবাসি।
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
রানা রহমান ভাই এবং করিম ভাইকে অনলাইনের ব্যবসা সম্পর্কে বুঝানোর পরে তারা অনলাইনের প্রতি বিশ্বস্ততা পান এবং রানাকে বলেন তারাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা প্রথম বার অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। যেহে
আর এই ইচ্ছাশক্তি যদি নারীর হয় তবে তো কোনো কথাই নেই। নারী অদম্য। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমাদের দুর্দান্ত সিলেট জেলার নারী মিট-আপ সম্পন্ন হয়েছে।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের নারী টিম লিডার Julekha Khatun Suma আপুকে এ আয়োজনের সাথে আমাকে রাখার জন্য। এবং বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ভাইদের যারা আজ আমাদের সাথে ছিলেন জানান দেওয়ার জন্য যে তারা সবসময় আমাদের পা
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
বড় ছেলে যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় বা বয়স হল তখন স্কুলে ভর্তি হল এই শর্তে যে সংসার থেকে এক টাকা খরচ দিবে না ও উনার সাথে ক্ষেতে খামারে কাজ করতে হবে। একটা সময় সব ছেলে মেয়েকে স্কুলে ভতি করাতে সক্ষম হন। ম
আমাকে নিজের বলার মতো একটা গল্পের ফাউন্ডেশনে কথা বলে, রেজিস্টেশন করতে বলে,পাশা পাশি ৯০ দিনের সেশন ক্লাস করতে।আমি যখন সেশনে স্যার এর কথা গুলো শুনতাম মনের ভিতরে স্যার এর কথা গুলো নাড়া দিয়ে উঠত।যে কেউই নত
গল্পের শুরু হয় আমার জন্মের আগেই। দাদাবাড়ী বরিশালের বরগুনা জেলায়। দাদার চাকরি সুত্রে তিনি পরিবার নিয়ে বহু বছর ধরে চট্টগ্রাম থাকতেন। সেখানেই গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের ভুবন। পরিবার নিয়ে খুব সুখের দিন ছিল
প্রিয়ো স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে সপ্ন দেখায় একজন ভালো মানুষ হতে
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
এক জন আদর্শ শিক্ষক,মেন্টর, স্পিকার, পেয়েছি। #চমৎকার একটা প্লাটফর্ম পেয়েছি যেখানে প্রতিনিয়তো না আসলে ভালো লাগে না। #অসংখ্য ভালো মানুষের একটা পরিবার পেয়েছি। #অনেক গুলো ভালো মানুষের সাথে, পরিচয়
এ সময় আমার সাথে ছিলেন মানবিক কুষ্টিয়া জেলা এম্বাসেডর Waraqua Binta Wali ম্যাডাম। ভেড়ামারা উপজেলা আ্যম্বাসেডর Md Hazrat Ali , আরো ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও আজীবন সদস্য Masud Mortuza M
স্যারের আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত ভলান্টিয়ারিং সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো করে চলেছেন ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ প্রাণ ভলান্টিয়ারগণ।
বরিশাল জেলার সকলের উপস্থিতিতে খুবই সুন্দর ও চমৎকার আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো বরিশাল জেলা অফলাইন মিট আপ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
আমরা মানিকগঞ্জের মানিকরা তার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি চেষ্টা করছি ছোট করে কিছু শুরু করতে এবং সেই সাথে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজিক উন্নয় মূলক কাজ করতে।
আপু আমার কথা শুনে এবার হাসে আর বলে এই জন্যই বুঝি তুমি এভাবে ফোন নিয়ে বসে থাকো। আসলেই তো অনেক ভাল আর মজার বিষয়। 😀😀 👱♀️আপু ঃ আমার পন্যগুলো দেখে আর ওখান থেকে, দাম জিজ্ঞেস করে আর অডার কানফর্ম করে
আমার ছেলের বয়স যখন ১৪ দিন তখন আমাকে টাকার খোজ করতে বের হতে হয়।প্রতিদিন কিস্তির স্যারেরা৪জন ৫জন করে বাড়িতে আসতে থাকে। বলে যেখান থেকে পারেন টাকা নিয়া আসেন আমরা বসে রইলাম। আমি টাকার খোজে চলে গেছি আমার শ
২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারী,,, আসিফ স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পারি জমায় জামার্নীর ফ্রাঙ্কফুট। ওখানে গিয়ে একবছর তার লেগে যায় ভাষা ইন্সটিটিউটে ভাষা শিখতে। পাশাপাশি কাজ করতে হয় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে, কখ
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
শুরু হলো আমার সংগ্রাম জীবনের পথ চলা। কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পেরে শেষে আল্লাহর অশেষ রহমতে ভর্তির সুযোগ পেলাম মেধা তালিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত তেজগাঁও কলেজ এ হিসাববিজ্ঞান বি