কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ কবুল করুন 🤲 বছরের শুরুর দিনগুলো স্মরণীয় করে রাখতে পটুয়াখালী জেলা টিমের মানবিক কাজ শুরু করেছে, জয় হোক মানবতার
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
সবার প্রথম ধন্যবাদ জানাই নাসরীন জাহান বাসা পুঠিয়া,থাকে ঢাকায় ধানমন্ডি, জোন এম্বাসেডর, পুঠিয়া উপজেলায় প্রথমবারের মত রাজশাহী জেলা থেকে গিয়েছি আমরা তাই সে নিজে থেকে মিটআপ টি সম্পন্ন করেছে।
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
আমার স্বপ্ন খুব বেশি কিছু না,আমি যেন একজন সফল উদ্দ্যেক্তা হতে পারি, আমি যেন আমার হ্যাজবেন্ডের পাশে দাঁড়াতে পারি, সে অনেক টাকা ৠণ হয়ে আছে, আমি যেন তার ৠণ গুলো শোধ করে একটু মানসিক শান্তি দিতে পারি।
আমরা যতটুকু পড়ি তারচেয়ে বেশী ভাবি । আইনস্টাইনকে জিগ্যেস করা হয়েছিলো ‘আপনার মাথায় না জানি কত জ্ঞানবুদ্ধি ব্রেন আছে , তিনি বলেছিলেন, আমার মাথায় কিছুই নাই শুধু আমি ভাবি জানার চেষ্টা করি ( বুঝার আগ্রহ আছে
আম্মুর কাজে সহযোগিতা করতাম। মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। তাই
বর্তমানে আমার ছোট চাচা আমাদের মধ্যে আছে।আমার ছোট চাচা আমার মধ্যমনি। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। তিনিও আমাকে ছোটবেলা থেকে অনেক ভালোবেসেছেন।তার ভালোবাসা আমি কখনোই বোঝাতে পারবো না। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি যা
এটা আপনি মোবাইল এবং ডিএসএলআর ক্যামেরার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন তবে হেভি ক্যামেরা জন্য শতভাগ উপযুক্ত না। মূল্য:- ১৬০০ টাকা আজকের ৭ম হাটের জন্যে ১০০ টাকা ছাড়ে ১৫০০ টাকা পাইকারী মূল্য :- কত পিচ নিবেন ত
শ্বশুর বাড়ি থেকে বার বার ফোন করতেছে যাইতে হবে তাদের বাড়ি।সে জন্য বউ বার বার এসে ডাকতেছে। বউঃ কি গো শুনছো উঠো রেডি হও । আমিঃ পাববো না।ঘাড় মাথা ব্যাথা করছে। বউঃ হ্যা এখন তো কতো কি ব্যাথা করবে। আমার বাবা
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
আমার বাবা বলেছিলো কারো থেকে কিছু খেলেই বড় হয়ে যাওয়া যায় না, তবে কাউকে কিছু দিলেই, নিজের মন থেকে বড়ত্ব না-করলেও, আলাদা একটা মৃদু বাতাস অন্তরে বয়। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দুঃখিত মন দূরে যেতে চ
মনি করি, গ্রুপ সংখ্যা J, A, K আজ J তে একটা পোস্ট দেখে ঝাপিয়ে পড়লাম সারাদিন সে পোস্টের লাইক কমেন্ট এ সময় দিলাম, রেজাল্ট আউট হওয়ার আগেই গ্রুপ A তে একটা দারুন তথ্য বহুল পোস্ট পেলাম আবার A তে ঝাপিয়ে পরলাম
যারা উপস্থিত হয়েছেন এবং আমাদের মিটআপকে সফল ও সাফল্যমন্ডিত করেছেন আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একরাশ দোয়া ও ভালোবাসা অবিরাম।
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
জাগো নরসিংদী জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত ঈদ মেলা ও মিটআপ- অত্যন্ত সুন্দর, চমৎকার ও শতভাগ সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ ❇️🌿কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, প্রিয় মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক-
নারায়ণগঞ্জ জেলার টিকেট মেলা ও আমাদের ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক
আলহামদুলিল্লাহ, সবার উপস্থিতিতে সুন্দর মিটাপ সম্পন্ন
আজকে আমাদের ওয়ারী জোনের ৫০০ তম অফলাইন মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা আমার প্রথম অফলাইন মিটআপ ছিলো।খুব ভালো লেগেছে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরে। সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে। আমাদের ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর ও মডারেট
স্বাধীনতা দিবসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা দেশের জেলায় জেলায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা !
এই প্লাটফর্ম নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা - এই প্লাটফর্ম থেকে আমার প্রত্যাশা আলাদা করে আর কি বলবো। এমনিতেই মনে হচ্ছে যা না তার চেয়েও বেশি সম্মান পাচ্ছি সারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ এর বাইরে অবস্থান করছে অনেক অ
চলছে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের খুলনা জেলার মাসিক মিটআপ। বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ছিল এবং ছিল হালকা-পাতলা খাবারের আয়োজন। আমরা সবাই সুস্থ এবং সুষ্ঠুভাবে মিটআপ সম্পূর্ণ করেছি।
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
আমরা সব সময় কোন কিছু করতে যাওয়ার আগেই সফলতা নিয়ে চিন্তা করি।আচ্ছা বলুনত আমাদের স্যার ইকবাল বাহার যেদীন থেকে তার কম্পানি শুরু করেছিলেন সেদীন থেকেই কি সফলতা পেয়েছেন? উত্তর : না। আমাদের সবারই যানা আছে স
শরিয়তপুর জেলার পালং থানায় আজকে আমরা ১০০০ তম দিন উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে, সকলের উপস্থিতিতে সফলভাবে একটা মিটআপ সম্পন্ন করলাম, আলহামদুলিল্লাহ্
সন্ধান করি নিজ জেলার মানুষদেরকে।অনেক খোঁজার পর পরিচিত হই মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা অ্যাম্বাসেডর সুমন আহমেদ হৃদয় ভাইয়ের সাথে।শুরুর সম্পর্ক্টা মনে হয়নি নতুন।ভাইয়া অনেক সাহায্য করেন আমাকে।সব কিছু বুঝিয়ে দেন
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
স্যারের শিক্ষা লালন করে, ৬৪ জেলার ন্যায় পাবনা জেলাতেও স্যারের কিছু প্রিয় শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে গেল, পাবনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালবা
যার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের বিনিময়ে এতো সুন্দর একটা প্লাটফর্ম যেখানে বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা তথা বিশ্বের ৫০ টি দেশে নিজের বলার মতো একটা গল্প প্লাটফর্ম ছড়িয়ে আছে। যার জন্ম না হলে এতো গুলো ভালো ম
নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো। গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো। বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকেও যেন ভালো রাখতে পা
কুষ্টিয়া জেলার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তৃতীয় ধাপে
ধন্যবাদ জানায় Md Rubel Ahmed Rubel ভাইকে সাতক্ষীরা জেলাকে সবসময় এভাবে সাপোট দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
২৫০ টাকা দিয়ে কাঁচামাল কিনে কাজ শুরু করি অনলাইন এ । আমার প্রথম দিন এর পোস্ট এই ২৫০ টাকার পণ্য শেল করি । শুরু হয়ে গেলো কাজের জীবন। তার পর থেকে একটা দিন ও থেমে থাকিনি প্রতিটি সেকেন্ড কাজ করেই যাচ্ছি।
প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজে একটি প্রতিষ্টান করবো, আগে বড় কোনো স্বপ্ন দেখতামনা এখন স্বপ্ন দেখি স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রুপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি, এখন প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলি নিজেকে ভালোবাসি।
স্যার আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন সবার সাথে কমিটমেন্ট ঠীক রাখা এবং সময়ের কাজ সময়তে করা প্রয়োজনীয়তা। 🥰শত ব্যস্ততম মাঝে প্রাণ প্রিয় প্লাটফর্মের ভালো মানুষদের সাথে মিটাআপ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত এবং তাদে
আমার জীবনের হতাশা বঞ্চনার মাঝে সেরা প্রাপ্তি হয়ে আমার জীবনকে স্বপ্নের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " যেখানে শিখবো এবং নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করবো।
স্বাধীনচেতা একজন মানুষ। স্বাধীনভাবে কাজ করতে পছন্দ করি। আমার স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করুক সেটা আমি চাইনা। অবশ্য এর জন্য যে পূর্বে ঝামেলাও পোহাতে হয়নি তা কিন্তু নয়। ভালো কিছু করার প্রয়াস এবং স্বাধীনভা
আমি এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বাবার বন্ধু আমার বাবাকে প্রস্তাব দেয় তার ছেলেকে দিয়ে আমার বিয়ের কথা বলে । তবে আমার বাবা রাজি হয় না । অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিবে না বলে কিন্তু আমার মা তাদের কথাতে রাজি হয়
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
আমার রক্তে যদি বাচিয়ে লিখতে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণঘাতী, তাহলে আমি কেন স্বচ্ছায় রক্তদান করব?
সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত । বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিদর্শন সুন্দরবন সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। সাতক্ষীরার মানুষ অনেকটা পিছিয়ে পড়া এবং অবহেলিত।