স্লোগান কে সার্থক করতেই সারা বাংলাদেশ ব্যাপি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ব্যানারে সকল ক্যাম্পাসে উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার পথচলায় আজ শুভ উদ্বোধন হলো সরকারি তিতুমীর কলেজের উদ্যোক্তা ক্লাব।
সবেমাত্র অনার্স পাশ করা অবস্থায় চাকরি পাওয়াটা খুব একটা সহজ ছিল না সেসময়। এক বন্ধুর রেফারেন্স দিয়ে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম পিৎজা হাটে। আমার খুব পরিষ্কার মনে আছে ইন্টারভিউ নেয়ার আগে ছোট্ট ....
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনে ব্যানারের, অসহায় দরিদ্র ও মাদ্রাসার এতিম খানায় শীতবস্ত্র বিতরণ আয়োজনে রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা
ভোর রাতে ওঠে ফ্রেশ হয়ে বাবা,মা আর আমার ১বছরের ছেলের কপালে চুম্মন করে দোয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরলাম..... >>ভোর রাতেই হাইওয়ের পাশে থাকতে হবে আমায় টাংগাইল শহর থেকে ভোর ৫টায় আমাদের মাইক্রো ঢাকার .....
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
আমরা যতটুকু পড়ি তারচেয়ে বেশী ভাবি । আইনস্টাইনকে জিগ্যেস করা হয়েছিলো ‘আপনার মাথায় না জানি কত জ্ঞানবুদ্ধি ব্রেন আছে , তিনি বলেছিলেন, আমার মাথায় কিছুই নাই শুধু আমি ভাবি জানার চেষ্টা করি ( বুঝার আগ্রহ আছে
রুবেল আর ডলির সম্পর্ক সেই ক্লাস নাইন থেকে। দু জন দু জনকে দেখার জন্যই যেনো স্কুলে যেতো।অনেক ব্রিলিয়ান্ট ছিলো ডলি,রুবেল ও দারুন।ম্যাথমেটিংস রুবেল খুব ভালো বুঝতো।নাইনে পড়াকালীন নাইনের স্টুডেন্ট পড়াতো। SS
আমি🍃:আমি যেহেতু ভাইয়াকে বলেছিলাম 5 তাই ভিতর দিয়ে আসব.তাই টাকা বেশি গেলেও আমি কথা রাখার চেষ্টা করেছি.রোজা রেখে পায়ে হেঁটে রিক্সায় যা পেয়েছে তা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কমিটমেন্ট রক্ষা করার জন্য 5 টা
অনেকদিন যাবত চেষ্টার পরে আমাদের সুনামগঞ্জের টিমের উদ্যোগে ও সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট এমভেসেডরের সহযোগীতায় পরিশেষে তা করতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত।
এই পৃথিবীতে যত রকম দান আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সেরা আর পবিত্র দান হচ্ছে রক্তদান। কারণ জীবন রক্ষার চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। তাই আমিও চেষ্টা করছি মৃত্যুর আগে কিছু মহৎ কাজ করে যাওয়ার জন্য।
হোক রৌদ্র বা বৃষ্টি তারপরেও মিট আপ হচ্ছে এটাই আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলার প্রতি ভালবাসা।
১০০০ তম দিন উজ্জাপন এর প্রস্তুতি নিয়ে আজকে ময়মনসিংহের সদস্যদের সাথে মিটিং করলাম। একটি প্রানবন্ত এবং চমৎকার মিটআপ হয়েছে। তারিখ 12/09/20
জ্বি হ্যা এই গল্পের নায়ক মনির। যে অনেক স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিলো সিংগাপুর। তার স্বপ্ন স্বপ্নই রইয়ে গেলো। বিরক্তি নিয়ে শাপলা ফোনটা রিছিভ করলো ওই পাশ থেকে শাপলার মা বলে কেমন আছিস রে মা? শাপলা- ভাল নেই মা,
আমিও বাবাকে এই গ্রুপে অ্যাড করিয়ে নেই, বাবার শেখানো শিক্ষায় আমার এটুকু জীবনের পথচলা, আমার জন্য আমার বাবা ও একজন শিক্ষক,কিন্তু আমার বাবা ওএই গ্রুপে শিখে, আমিও শিখি, কারণ আমরা জানি শিক্ষা এবং জানার কো
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
২৬/১২/২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম , খুলনা নতুন ও পুরনো রেল স্টেশন লঞ্চঘাট কদমতলা এলাকায় ,নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা টিম।
স্বপ্ন দেখেছি, সাহস করেছি, শুরু করেছি, এখন শুধু লেগে থাকার প্রচেষ্টায় আছি। এই ফাউন্ডেশনটা ভালো লাগার করণ। পাঠবই এর বাহিরে অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায়। নিজেকে প্রকাশ করা যায় নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা প্রতি
৫ ই মার্চ ১৯ মঙ্গলবার "নিজের বলার মত একটা গল্প " এর সদস্য দের নিয়ে "জয়নুল আবেদীন পার্ক- ময়মনসিংহ " এ একটি বৈঠকের করা হয়েছে। ময়মনসিংহে অবস্থিত সকল সদস্যদের উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মিটআপ এ বিভিন্ন
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
১০০০ তম দিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জ এর মানিকরাও জমকালো আয়োজন করেছি।এটা আমাদের জন্য স্বরনীয় একটি দিন হয়ে থাকবে।প্রোগ্রামের পাশাপাশি করেছি সামাজিক কিছু কাজ যা মনের দিক দিয়ে শান্তি দিয়েছে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মান
-ই হোক, শিখে নিলাম ড্রাইভিং। কিন্তুা বাধা আরেকটা! নতুন ড্রাইভার হিসেবে কেউ গাড়ি দেয় না। আমার এক কাছের বন্ধু যার সাথে দিনরাত এক করে চলাফেরা করেছি, সে একটি গাড়ির মালিক। কিন্তু সেও জবাব দিলো, “আমি নতুন ড
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যান্ত সফল ও সুন্দর ভাবে শেষ হলো আজকের ♦️অতন্দ্র গাজীপুরের♦️ ছিন্নমূল শিশুদের মধ্যে শীতের উপহার বিতরন কর্মসূচি।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোক্তা ভাইয়া আপুদের নিয়ে "আনন্দ নৌভ্রমন"।
আবিস্কারের নেশায় টানতো আমাকে,, সময় টা ২০১১ আমার বানানো ২ টা প্রযেক্ট যখন ১ম ও ৩য় হয়ে খবরের কাগজে এসেছিলো তখন স্বপ্ন টা অন্য ধারায় চলে গিয়েছিল। তার কিছুদিন পর আমি বুঝতে পারি আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারে
মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্য বান মনে করছি এই জন্য যে প্রিয় স্যারের মতো একজন ভালো মানুষের শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ হয়েছে। স্যারের মতো একটা ভাল মানুষ পেয়ে আমার সাহস আরো দ্বিগুন বেড়ে গেছে । নিজের মধ্য থেকে
এখন আমি কথা বলতে পারি আমার ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনাকে কে জাগিয়ে তুলতে পেরেছি
এই প্রোগ্রামটি এতো সুন্দর করে আয়োজন করার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে স্যারের অনুপ্রেরণায় নিজেকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেছে নিয়েছি উদ্যোক্তা জীবন। সবাই পাশে থাকবেন দোয়া করবেন।
তুমি আমার মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগে। প্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে মায়েরা সন্তান বড় করে না। তবুও বারবার মনে পড়ছে তোমাকে কি যোগ্য মর্যাদা দিতে পারবো।সেই অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর
সাতক্ষীরা জেলায় আজকে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মাঝে ত্রান বিতরন কাজ সুস্থভাবে সফল করেছেন সাতক্ষীরা জেলা টিম
কারন দুঃখ কষ্ট মানুষকে সুখের পথ দেখায়।আজ যে কষ্টের দিন কাটিয়ে নিজেকে দুঃখী ভাবছেন।এমন ও হতে পারে এই দুঃখ নিয়ে আসছে আপনার জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।যদি আপনি নিজেকে গুছিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি জোনের ধারাবাহিক ১১ তম ফিজিক্যাল মাসিক মিট আপ ও টিকেট সেল উৎসব।
স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু এতিম শিশু ও দুস্থ মানুষদের সাথে নিয়ে আজ আমরা রাজশাহী জেলার সদস্যরা ইফতার আয়োজন সম্পন্ন করেছি।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
আমার অভাব আমাকেই দূর করতে হবে। আমার শুধু মনে হয়েছে আমার কিছু একটা করা দরকার। আমার জন্ম হয়েছে কাজের জন্য, তাই কাজ করেই খাব
✳️আমিঃ যখন আমার ফেসবুক প্রোফাইল আপডেট নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। ❇️বান্দবীঃ ওর চোখে দেখা মাত্রই একটি টেক্সট করলো কিরে দোস এটি আবার কোন গল্প।। আমিঃ টেক্স দেখে একটু মুচকি হেসে রিপ্লাই দিয়
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
আমরা এখন আছি Iqbal Bahar Zahid স্যারের এলাকা দেড়পাড়া ফুলগাজীতে "দিনে আনে দিনে খায় "খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির ফেনী টিমের কার্যক্রম।
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
কোন কোন সময় কল্পনাকেও হার মানায়। জীবনের গল্প লিখতে হয়তো ৩০ - ৬০ মিনিট লাগে,, বলতে আরও কম, কিন্তু চড়াই উৎরাই পার করে কঠিন সময় যে কীভাবে পার করে সেটা শুধু ব্যক্তিটাই বুঝে। আমাদের এই প্লাটফর্ম নিজের গ
Iqbal Bahar Zahid স্যারের ১৮ টি গাইডলাইন নির্দেশনা অনুযায়ী সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অদম্য টাংগাইল জেলার অফলাইন মাসিক মেগা মিট আপ।
আজ আমি এমন একটা লোকের জীবনের গল্প বলবো যার জীবনে কোন সফলতা নেই। ব্যর্থতায় জর্জরিত। তিনি ছিলেন বদমেজাজি একজন মানুষ, ছোট বেলা থেকে তার লেখা পড়ার ব্রেইন অনেক ভালো ছিলো, ক্লাসে কখনো ফাকি দিতেন না।
স্বাধীনচেতা একজন মানুষ। স্বাধীনভাবে কাজ করতে পছন্দ করি। আমার স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করুক সেটা আমি চাইনা। অবশ্য এর জন্য যে পূর্বে ঝামেলাও পোহাতে হয়নি তা কিন্তু নয়। ভালো কিছু করার প্রয়াস এবং স্বাধীনভা
ছেলেটি বার বার টাকা চেয়েই যাচ্ছে। আমি চুপ চাপ বসে রইলাম। কথা বলছিলাম না। ভিক্টোরিয়া মোড়ে ম্যাপ অনুযায়ী আমার নেমে যাওয়ার কথা আমি ভিক্টোরিয়া মোড়ে চলে এসেছি। কিন্তু ড্রাইভার গাড়ি স্লো করছিলো না বার বার