বোনকেতো আমার বাবা মা ছারা ডাকতই না। আসলে বোন আমাদের খুব আদরের। আমার বাবা মারা যাওয়ার অল্প কিছু দিন আগেই তার ক্যানসার ধরা পরে।বলতে গেলে হঠাৎ করেই রোগ টা ধরা পরে। ডাক্তার বলেছিলো ইনজেকশন আছে সেটা দিলে আ
মা-এর মৃত্যুর ঠিক তিন বছর পর আমার জন্মদাতা পিতা ও আমাকে এতিম করে না ফেরার দেশে চলে গেল , এবারও ছুটির বিরম্বনায় শেষবারের মতো জন্মদাতা পিতার মুখটাও দেখা হলো না হায়রে প্রবাস জীবন। আমরা প্রবাসীরা কতটা য
রক্তের জন্য যাবে না কারো প্রাণ, করিব রক্ত দান বাঁচাব প্রান" নিয়মতান্ত্রিক ভাবে রক্ত দান অব্যাহত থাকবে ইনশাঅাল্লাহ্। রক্তের গ্রুপ (o+)
শরিয়তপুর জেলার পালং থানায় আজকে আমরা ১০০০ তম দিন উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে, সকলের উপস্থিতিতে সফলভাবে একটা মিটআপ সম্পন্ন করলাম, আলহামদুলিল্লাহ্
কালো হওয়া যেনো নিজের হাতে ছিলো। জীবনে কিশোরীর এক আবহ এলো পৃথিবীর সৌন্দর্য চোখে অন্যরকম ভাবে ধরা দিতে লাগলো।কিন্তু কালো হওয়া যে একটা অভিশাপ। ভালোলাগা জীবনে প্রথম প্রেম তবু ভয় কালো নারীর প্রেম হয়না
যদিও আমি কোন লেখক না তারপরেও আমার কিছু অনুভূতি আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি। সত্যিকার অর্থে কিছু অনুভূতির ভাষা প্রকাশ করার মত নয়, কিছু অনুভূতি লিখে শেষ করা যায় না, কিছু মানুষের বিষয়ে লিখেতে গেলে কলমে
নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো। গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো। বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকেও যেন ভালো রাখতে পা
মানুষের জীবনে এক বা একাধিক অনুপ্ররনা থাকে। আমার ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম নয়।আজ আমার জীবনে অন্যতম অনুপ্রেরণা, আমার বেচে থাকবার অনন্য উপাদান সম্পর্কে বলছি। তিনি আর কেউ নন আমার স্বামী। আমার অর্ধাঙ্গ। এই মা
জীবন থেকে খুব বেশি কিছু চাইনা। একটুখানি স্বনির্ভরতা আর দেশ ও দশের তরে নিজের সাধ্যের সর্বচ্চোটুকু দিতে চাই। চাই নিজের বলার মতো একটি গল্প। জানিনা কতোটুকু পারবো, তবে আকাশজোড়া সপ্ন আমার... অনেক আশা নিয়ে
এখন আমার মাশাআল্লাহ ভালোই চলছে চারজন লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।এই দোকানের লাভ থেকে একটা প্রইভেট কার কিনলাম চারটা ওটো রিক্সাওএকটা শিক্ষা প্রতিষ্টান।কিন্তুু তারপরও মনে হয় আমার আসল স্বপ্নটা পুরন হয়
আমি জাকারিয়া হাসান, দুই ভাই এবং এক বোন এর মধ্যে আমি বড়। ছোট ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে পেশায় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্যালিওগ্রাফার। বোন কওমি
গতকাল ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে খুলনা জেলা টীম আয়োজিত বিশেষ মিট আপ সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ! আমার নিজের শারিরীকভাবে একটু কম সুস্থ ও নেটওয়ার্ক জনীত কারণে অনুষ্ঠান পরবর্তীতে কারোর সাথ
রাত পোহালেই প্রাচ্যের ভ্যানিস বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন উচ্ছ্বাস, অানন্দ, অাবেগ, ভালবাসার সংমিশ্রণে হৈ হোল্লোরে, নদী পথে নৈশ রনতরীতে রওনা হয়েছে একদল নিবেদিত প্রান। কেউ যাচ্ছে সড়ক পথে কেউ বা আকাশ প
অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্যার মঞ্চে উঠে এলেন এবং আমাদের সকলের উদ্দেশে বক্তব্য শুরু করলেন । আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে স্যারের কথা শুনে যাচ্ছি । স্যার এর প্রতি টা কথা ছিল খুব গুরত্বপূর্ন আমাদের জন্য। এতদিন শুধ
আমাকে নিজের বলার মতো একটা গল্পের ফাউন্ডেশনে কথা বলে, রেজিস্টেশন করতে বলে,পাশা পাশি ৯০ দিনের সেশন ক্লাস করতে।আমি যখন সেশনে স্যার এর কথা গুলো শুনতাম মনের ভিতরে স্যার এর কথা গুলো নাড়া দিয়ে উঠত।যে কেউই নত
সবার উপস্থিতিতে মিটআপটি ছিলো প্রাণবন্ত। আমাদের আলোচনার বিষয় ছিল আমারা সবাই মিলে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
রক্তদান করি অনেক অনেক পজিটিভ মনে মনে কোন প্রকার নেগেটিভ দিক নেই। 💉আগামী ৩১শেশে আগস্ট ২০১৯ রোজ শনিবার মালয়েশিয়া অবস্থানরত সদস্যদের ২য় মিট আপ সময় হবে।
মনোমুগ্ধকর আয়োজনে, দায়িত্বশীল সহ বগুড়া জেলা টিমের গর্বিত আজীবন ভাই বোনের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নান্দনিক পণ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে সুসম্পন্ন হয়েছে ফিজিক্যাল মিটআপ টি|
হঠাৎ করে একদিন চোখে পড়ে প্রিয় স্যারের একটা ভিডিও। দেখে অনেক ভালো লাগলো। তার পর প্রায় সময় এরকম অনেক ভিডিও আসত। তখন একাধারে সব গুলো ভিডিও দেখতে থাকি । কিন্তু আমি ফেসবুক এত বেশি চালাতাম না।
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
আমি যেভাবে বলে দিতাম সেই ভাবে করতো আমার থেকো ও দ্রত ।। তখন আমি অনেকগুলু ব্যাগের অর্ডার পেয়েছি ।। আমি অনলাইন সম্পর্কে তেমন বুঝতাম না।। ছোটো ভাইয়া আমাকে আমার নামে একটা পেজ খুলে দিয়েছেন । উনার ইচ্ছা আমার
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
মিটআপে অংশগ্রহণকারী স্পন্সর উদ্যোক্তারা ও সদস্যরা তাদের উদ্যোক্তা জীবনের গল্পগুলি সবার সাথে শেয়ার করেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। অতিথিবৃন্দরা বক্তব্যে, তরুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান করেন এবং
আজকের মিটআপটি চমৎকার ভাবে আয়োজন করেছেন ইকেয়ার সলিউশন এর প্রধন Mostafizur Rahman ও তার টিম। এঠাড়াও সার্বিক সহযোগিতা করেছেন নীড লাইফ এর ফাউন্ডার shamakdum milon এবং স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেছেন ভোজ
#২৫শে_ফেব্রুয়ারি_২০২২ তারিখে কুয়েত টিম রক্তদান কর্মসূচীটি সকলের সহযোগিতায় সকলের অংশ গ্রহণ করে তা সুন্দর ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
💐"আশুগঞ্জ উপজেলা ঈদ পূর্ণমিলনী ও অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল।
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি সেখানে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ জনকে পরিচালনা করি। সারাদিন খুব ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটে। তারপরও যখনি সময় পেয়েছি। তখনি আমি গ্রুপে দিয়েছি। লাঞ্চ টাইম ১ ঘন্টা তার মধ
"নিজে কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো!!" বলতে পারেন সাবলম্বী হওয়ার একটা ইচ্ছা থেকে ২০১৮ এর শেষের দিকে আমি ঘরোয়া পরিবেশে স্বামীর কাছ থেকে অল্প পুজি নিয়ে কাপড়ের বিজনেস শুরু করি। বিজনেস বেশ ভালোই চলছিলো।
দিনে দিনে এই রসমালাইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো আচার-অনুষ্ঠান এবং মিষ্টিপ্রিয় মানুষের কাছে রসমালাই এক প্রিয় নাম হয়ে ওঠে। মাতৃভান্ডারের ব্যবস্থাপক অনুপম দাস জানান, ১৯৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশ
আলহামদুলিল্লাহ, কৃতজ্ঞতা আমাদের প্রাণপ্রিয় মেন্টাল প্রাণপ্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার এর প্রতি, সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলা টিমের সকল প্রাণ প্রিয় ভাই বোন ও সকল দ
আজকে প্রচুর বৃষ্টি থাকার পরেও কষ্ট করে যে সকল ভাই ও যে দুইজন বোন মিট-আপ প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা আজকের মিট-আপে যেকোন কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি আগামী মাসের মিট-আপে তা
নিজের বলার মতো গল্প একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার।সম্মেলনে যু
আমিও ব্যাংকে একটা একাউন্ট করি একটা ডিপিএস ও করি মাসে ২০০০টাকা ডিপিএসে রেখে বাকি টাকা একাউন্টেই রাখতাম সেখানে প্রায় ৪লক্ষ টাকা জমেযায় তখন মনেহয়২০০৮সাল চলে, দির্ঘ ৬ বছর কাজ করার পরে। গার্মেসের কাজ আর
জীবনে ভাল কিছু অর্জন করতে হলে মন থেকে লজ্জা এবং ভয় দূর করতে হবে” ➤বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয়ের কন্যা বলে খ্যাত পঞ্চগড়ের, দেবীগঞ্জ থানায় জম্মগ্রহন করি বর্তমান সময়ের একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
পরিবারে সকলেই চাকুরীজীবি, বাবা মা ছিলেন সরকারী ব্যাংকে। চাচারা সকলেই মোটামুটি জব করেন। বিজনেস এর খুটিনাটি কারিগরি বিভিন্ন বিষয় বুঝতাম না। বিজনেস শিখার মতো কোন প্লাটফর্ম ছিলো না। স্যার এর প্রতিটি পোস
স্বাস্থ্যদানের মাধ্যমে অন্যের প্রযুক্তি করার সুযোগ আজকেও হাত ছাড়া না। তাইতো একজন সিজার করা মাকে❤️ #লাল_ভালোবাসা দান আপনিও এগিয়ে যান
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
খুবই সুন্দর,সুশৃঙ্খলা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সাফল্যমণ্ডিত উদ্দোক্তা সম্মেলন উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদজ্ঞাপন করছি মিরপুর জোন সহ যারা সম্মেলন বাস্তবায়ন করার লক্ষে নিরলসভাবে সামনে এবং পিছুনে থ
ভিশন উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২ এর ৪র্থ পর্ব প্রিমিয়াম অফলাইন মিটআপ এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি
আমি বিজনেস এর প্রফিটের টাকা দিয়ে বিজনেস বড় করেছি। কারো কাছে কোন টাকা পয়সা ধার করিনি এমনকি নিজের হাজবেন্ডের কাছেও এক টাকা ধার চাই নি। বরং আমি সবসময় চেষ্টা করি নগদ টাকা দিয়ে পণ্য কিনে বিজনেস করার ।
হামিদুল্লাহ ভাইয়ার সহযোগিতায় সকল বাধা অতিক্রম করে,খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের প্বার্শবর্তী চত্বরে ও রেস্ট হাউজে মোট ২০ টি ওষধি গাছ ও ৭ টি ফুলের গাছ রোপন করা হয়েছে ।
সেদিন ছিলো ১৫ ই জুলাই,২০২১ তারিখ। স্কয়ার হসপিটালে করোনা টেস্ট করাইতে টাকা পরিশোধ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম।আমার সামনে ছিলো একজন অল্প বয়সী ভদ্র মহিলা,যে তার বোনের এবং বোনের ৩ সন্তানের জন্য টাকা পরি