আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন👇 জেলা প্রতিনিধি 👇 Mainul Islam ভাই উপজেলা এম্বাসেডর 👇 Md Bellal Hussain ভাই, বাকেরগঞ্জ Neshad khan emon ভাই, বরিশাল সদর। S
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা এবং মানুষ কে আরো স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা, মানুষের পাশে থাকা, ফাউন্ডেশনকে যেভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে মোতাবেক কাজ করে যাওয়া
আমাদের পরিবারের অবস্থা তখন খুব একটা ভাল না আমি টিওশনি করে সংসারে যতটুকু সাহায্য করা যায় করতাম। বাবা সবে মাত্র সুস্থ হয়েছেন ( বাবা অসুস্থ ছিলেন প্রায় ২ বছর)। মার সাথে কতা বললাম আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখ
আমার ছোটবেলা থেকে গ্রামেই বড় হওয়া তাই নিজ গ্রাম থেকেই অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। আপনারা জানেন গ্রামের মানুষের ৮০ ভাগ ইনকাম আসে কৃষি কাজ থাকে। আমার পরিবারও ঠিক তাই ছিল ধানের জমি, গোয়ালের গরু...
অনেকের সাধ্য আছে স্বাদ নেই আবার অনেকের স্বাদ আছে সাধ্য নেই। আসলে কিছু মানুষের অনেক টাকা হলেও তাদের সাহায্য করার মন-মানসিকতা থাকেনা। আবার অনেক মানুষ দেখা যায় তারা খুব অসচ্ছল কিন্তু তারপরও অন্যের বিপদে
মনে রাখতে হবে একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো বড় বিষয় নয়। মার্কেটিং করা বা আপনার পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ করে কাস্টমারের দৌড় ঘোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কারণ আপনাকে মাথায় রাখ
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
শুধু করব বল্লেই যে করা যায় না সেটা আরও ভাল করে বুঝলাম স্যার এর সেশন গুলো পড়ে,,,নিজেকে আগে স্কীলড করতে না পারলে যে কতটা পিছিয়ে পড়তে হয় লাইফে এবং বিজনেস এ সেটা ভালই বুঝতে পারলাম। ধীরে ধীরে স্যারের সেশন
এ দিন টাকে সফল করার পিছনে, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল দের ভালোবাসা এবং ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। কিন্তু যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রোগ্ৰাম টি এতো সুন্দর এবং আনন্দময় হয়েছে,
এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। সেইসাথে এই মহৎ কাজে যাঁরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন, তাঁদের সবাইকে জানাই ফাউন্ডেশন তথা পাবনা জেলা টিমের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভা
আজকে হাট বারে আমি, সোনা মনি, জান্নাতের পাখিগুলান, লাল নীল, প্রজাপতি গুলোর জন্য, নিয়ে আসলাম, চমৎকার কিছু ড্রেস এবং, স্টাইলিশ শার্ট.... আমার কাছ থেকে, আপনার পাইকারী তে নিয়ে, নিজের শোরুম, এবং হ
ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলায় ভালোবাসা বিলাই এর প্রজেক্ট স্থাপনা সহ ডামুড্যা ইফতারের আয়োজন সুসম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্।
আমি নতুন জীবন শুরু করলাম।আলহামদুলিল্লাহ ২ মাসে ৪২০০০ হাজার টাকা সেল করলাম শুধু আমার পন্য খাটি ছিল বলে। মনের মধ্যে আশা দেখলাম নতুন করে আমি পারব হে আমি পারব
আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হলেন আমার মা।স্বামীর সংসার থাকার পরও প্রতিদিন রান্না করে আমার মা খাবার নিয়ে গেটের সামনে দাড়িয়ে থাকেন। আজ পর্যন্ত তাকে কষ্ট ছাড়া কিছুই দিতে পারিনি😭😭😭 মায়ের কা
আউফল পৌরসভা এবং পৌরসভার বাহিরে মোট দশটি মাদ্রাসা এবং কিছু হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
একজন ব্যক্তি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছেছে, রক্তদান তো ছাত্ররা'ই!! কোন কর্ম কর্ম নেই!! শারীরিক ঘাটতি নেই, অবস্থান অবস্থান ইত্যাদি কোন শব্দে শুনতে!
ছোট্ট এই জীবনে আমার পরিবারই আমার সবকিছু, তাই নিজের জীবনের গল্পটা আমার পরিবারের মানুষকে ঘিরেই। দিনশেষে আমার পরিবারেরর সবাই ভালো থাকলেই আমিও ভালো থাকি।
♦"ভিশন -উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২"♦ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা ৬০দিনব্যাপী (৬পর্বের) কর্মসূচি চলমান রয়েছে। মহাসম্মেলনে সর্বোচ্চ উপস্থিতি এবং আগামী দিনের
এতো গেল ফেনীরটিম এরা ছাড়াও পুরো পরিবারের অনেকে সাথে আমার বন্ধুত্ব কাকে ছেড়ে কার নাম লিখবো। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সবশেষে বলবো সবাই আপনারা ভালো কাজের চর্চা
কিছু দিন পর মাথায় আসলো এমন কিছু করা দরকার যা আমার পড়ালেখার জন্য ভালো হয়। বসে বসে কিছু করার চিন্তা আসলো কারন ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে পড়ালেখা তেমন করা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিই একটা স্টুডিও টাইফের দো
দেশের বাহিরে কিছু উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা আছে। আমি আরও কিছু দিন শিখব। আমিও তৈরি করব নিজের বলার মতো একটা গল্প ইনশাআল্লাহ। যেই গল্প সফল হয়ে অন্য দশজনের মত আমিও বলব ইউটিভি লাইভের স্বপ্নের মঞ্চে।
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
আমার সাজানো গুছানো জীবন,বাবা মার মায়া,মমতা আত্মীয় স্বজনের সান্যিধ্য শিক্ষাজীবন,পরিবারের সহায়তা, সামাজিক আত্মসম্মানবোধ সবমিলিয়ে আমার ভুল যেন আমাকে এ অঘোষিত কারাগারে নিক্ষেপ করে।। লোহার অদৃশ্য ডান্ড
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
আমাদের চোখের সামনে ভেসে আসে সমাজের অবহেলিত,উপেক্ষিত জনপদ। যাদের শুধু মাত্র একটি কর্মসংস্থানের জন্য তাদের পরিবাররা অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভাবলাম যদি আমরা এদের জন্য একটা কর্মসংস্থানের.....
সোনার বাংলা গড়তে একজন সোনার মানুষ চাই, ইকবাল বাহার স্যারের মত দ্বিতীয় কেউ নাই।
নিজেকে বড় করতে হলে চাকুরি দিয়ে হবেনা, ছেলেও কথা বলতে পারেনা, কিছু একটা করতে হবে। চিন্তা শুরু করলাম, কি করা যায়। করোনা শুরু হবার আগে একটি দোকান নিলাম, স্টেশনারি বিজনেস শুরু করলাম। ভালো সেল শুরু হতে না
আমরা দুই বোন। বাবা-মা ছোট পরিবার নিয়ে সুখেই ছিলাম। আমার কোন ভাই নেই। ভাই নেই তেমন কোন কষ্ট ও নেই। কারন বড় বোন ছিলো ভাইয়ের মতো।কখনো অভাব বুঝতে দেয় নি বড় বোন।বড় বোন মায়ের মত।আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমর
" আইচ্ছা ঠিক আছে আমি তাইলে হাটে যাই, হাটের থেকে নিয়া আহি যা যা লাগবো " " রহিমের আব্বা আজকে তো মঙ্গলবার, আজকে তো আমগো হাট না। আমাগো হাট তো বৃহস্পতিবারে, আমনে কি ভুইলা গেছেন নি হ্যাঁ " " না আমি ভুলি ন
আমার বাবা একদিন জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলো তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে,বজ্রপাতে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করে। আমরা হয়ে গেলাম এতিম। আমার বাবা কে হারিয়ে যখন আমরা দিশেহারা ঠিক তখনই আমার চাচারা আমাদের ভাইদে
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
নিজের_বলার_মত_একটি_গল্প_গ্রুপের_জয়পুরহাট_জেলার_৪র্থ_মিট_আপ। আলহামদুলিল্লাহ জয়পুরহাট জেলার ৪র্থ মিট আপ শেষ করে
আর ভালো মানুষরা জীবনের সবক্ষেত্রে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।ভালো মানুষদের সফলতা পেতে হয়তো একটু বেশী পরিশ্রম ও কষ্ট করতে হয়, কিন্ত টিকে থাকে আমৃত্যু সবচেয়ে বড় কথা তারাই জীবনে সুখি হয়।হেরে যাবো বলে কি থেমে
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
আজ পর্যন্ত এ রকম কোন ফাউন্ডেশন দেখি নাই।তখন থেকে প্রিয় পরিবারের একজন নিয়মিত সদস্য হলাম এবং প্রতিদিন স্যারের সেশনগুলো পড়তাম। সময় নিয়ে লেগে থাকা শুরু করলাম।
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
তিতাসের পার ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদস্যদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি গ্রুপের কোর ভলেন্টিয়ার ও উদ্দীপ্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রোগ্রামের কনভেনর Masudor Rahman ভাই, ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Eng
কুষ্টিয়া জেলার মাসিক সামাজসেবামূলক কাজ হিসাবে প্রয় ৫০ জন শিশুর হাতে খাবার তুলে দেওয়া হয়
এক কথায় বললে ১ টা বিজনেসের স্টার্টআপ থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে কিভাবে পর্যায়ক্রমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে নেওয়া যায়।
সবসময় বাবার থেকে চেয়ে নিয়ে চলা সম্ভব নয় এরপর আমি নিজে একটা জুতার রিটেইল দোকান নিলাম মোটামুটি ভালো চলছে এখানেও প্রায় তিন বছর ব্যবসা করলাম ,এরই মাঝে আমাদের ঘরে আসলো এক কন্যা সন্তান আলহামদুলিল্লাহ,প
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
২৬/১২/২০১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম , খুলনা নতুন ও পুরনো রেল স্টেশন লঞ্চঘাট কদমতলা এলাকায় ,নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা টিম।
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
একটা বাচ্চা শিশু কিন্তু অনেক দূরন্ত আর চঞ্চল থাকে, সেটা হতে পারে,বাঘের বাচ্চা বা যেকোনো পশুর বাচ্চা তো, সেই ছোট হাতি কে যখন মানুষ কন্ট্রোল করতে চায় তখন দূরন্ত বাচ্চা হাতিটাকে আটকে রেখে, পোষ মানাতে
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
ঐ যে দেখা যাচ্ছে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের বাজার কমিটির সাইনবোর্ড। সেখানে গিয়ে দেখি অনেকে বসে আছে, মনে হচ্ছে দুর্বিন নিয়ে বসে আছে। আবার কেউ প্রস্তুতি নিচ্ছে হাঁট পরিদর্শনের জন্য মনে হচ্ছ
সকলের কথা শুনে কোন কিছু না বলেই নিজের মতো করে যতটুকু পারি দিনমজুরের কাজ করে গেলাম এবং সাথে করে আমার যে স্কেল গুলো জানা আছে তার এগেনস্টে কাজ খোঁজ করতে থাকলাম। খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি এক মাসের মা