তারপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় নিজেকে মানিয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে, সব কিছু কেমন যেনো লাগছে, মানুষ গুলোও কেমন যেনো যাই হোক সব কিছু মানিয়ে নিলাম, আর চাকরি করতে থাকলাম। কিন্তু কিছু দিন পরে চাকরিটা ছেড়ে দিলাম কারণ
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ
এক ছেলে তার বাবাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো বাবা অামার মুল্য কত??উত্তরে ছেলেছেলেটির বাবা ছেলেটির হাতে একটা পাথর দিয়ে বললেন এই পাথরটি নিয়ে বাজারে যাও এবং বিক্রি করার চেষ্টা করবে।কিন্তুু কেউ দাম জিজ্ঞেস
আমি দিলনাহার পলি। আমার জন্ম নোয়াখালী এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী ।সাত ভাই বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট মেয়ে। সবার খুব আদরের। লেখাপড়া ,গান নাচ সবকিছু তেই পারদর্শী। আমার পিছ
সকলে মিলে মানুষের পাশে থাকতে চাই যতদিন বাঁচবো।মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না প্রিয় স্যারের শিক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।
ইনশাআল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রতিটি কলেজে স্যারের চিঠি পৌছিয়ে দিব এবং উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের জন্য এই মহৎ কাজ অব্যাহত রাখব।
৩০ মিনিট সময় আমাদের সাথে আলোচনা করার ,কথা থাকলেও, পরবর্তীতে স্যার প্রায় ১:৩০ মিনিট আমাদের সাথে মূল্যবান সময় কাটিয়েছেন।সে জন্য স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আমাদের এ সুন্দর প্রো
সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুরু করার ভয়, হতাশা, ডিপ্রেশন এগুলো আমার জীব
২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে
আমরা অত্যান্ত আনন্দিত ও আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,আমাদের পতেঙ্গা জোনের অফলাইন মাসিক মিটআপ আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।
প্রবাসে সততার পরিচয় দিয়ে দেশের নাম উজ্জল করলেন শরীয়তপুরের রহমত উল্লাহ রাজীব৷ রাজীব সিঙ্গাপুরে টাউন কাউন্সিলে গত ৯ বছর যাবত কাজ করছেন৷ কয়েকমাস আগে তিনি কাজের সাইটে কার পার্কে ১০ হাজার ডলার মানিব্যাগস
16 November at 12:21. "বেকার থাকবো না একদিন ও " স্লোগান কে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ জনাব আঃ: রাজ্জাক স্যারের পক্ষ থেকে লাকি ম্যাডামের কাছে সম্মানিত মেন্টর এর চিঠি প্রদ
আপনি স্বপ্নে দেখছেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হবেন কিন্তু সেজন্য আপনি কোন গাইড লাইন পাচ্ছেন না আপনি সময় দিতে প্রস্তুত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত কিন্তু মাধ্যম তাই পাচ্ছেন না আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে সে ম
জয়পুরহাট জেলা মিটাপ ৩য় বার "নিজের বলার মত একটি গল্প" জয়পুরহাট জেলা
আমি মানবিক কুষ্টিয়া জেলার ছেলে। আমার নিজের জেলাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার লহ্ম্যে কাজ করতেছি। তাই প্রিয় প্লাটফর্ম এর সকল ভাই ও বোনেরা আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা পেলে আমি অনেক দূরে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। আ
আপনি জানেন কি মাঝি ছাড়া নৌকা কিংবা চালকবিহীন গাড়ি আর স্বপ্নবিহীন মানুষের মধ্যে বিস্তর কোন পার্থক্য নেই। তার কারণটা আমি লিখছি অবশ্যই, যে নৌকার মাঝি থাকেনা যে গাড়ির চালক থাকে না সেই নৌকা, সেই গাড়
পোশাক কে এখন ব্যবহার করা হয় ফার্স্ট ইম্প্রেসন এর মাধ্যম হিসেবে। তাই পোশাক নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পোশাক হচ্ছে একটি নিসচুপ ভাষা। একজন লোক আপনার সাথে ঘনিষ্ঠ হবার পূর্বেই আপনাকে বিচার করে আ
কুড়িগ্রাম জেলায় জমকালো আয়োজনে মাসিক মিট আপ
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
সীঁথি আর লিমা কলেজ লাইফের প্রথম থেকেই খুব ভালো বন্ধু । বন্ধু বললে ভুল হবে লিমা সীঁথির চেয়ে একটু বয়সে ছোট হওয়ায় পথ চলতে চলতে একসময় এতো বেশিই ভালোবেসেছে যে তা প্রকাশ করার ভাষা নেই। তারা এতোটাই ঘনিষ্ঠ
আমি আগে নিজেকে সবসময় গুছিয়ে রাখতে চাইতাম মানুষের মাঝে নিজেকে প্রকাশ করতে পারতাম না একধরনের লজ্জাবোধ আমাকে মানুষের সাথে মিশতে বাধা দিতো নিজের গন্ডির বাহিরে কখনো নিজেকে উপস্থাপন করার সাহস করতে পারিনি >
নিজের বিজনেস নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। একজন ভালো আর পজেটিভ মানুষ হতে চাই। এক সময় সুইসাইড করতে চাইতাম। সুইসাইড করতে যাওয়া মেয়েটাই সুইসাইড প্রোটেক্টিং স্কোয়াড বাংলাদেশ টিমের সাথে কাজ করার জন্য প্রস্তুত। এটা
মোঃ জামান সপ্তম ব্যাচ নারায়ণগঞ্জ সদস্য নং2224 ৪তারিখের মহা সম্মেলনের টিকেট কিনে নারায়ণগঞ্জ মিট আপ সফল ভাবে সম্পন্ন কারা হয়েছে ।
বরিশাল জেলার সকল ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, সাংবাদিক ও অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে খুবই সুন্দর ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১০০০তম দিনের অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।।
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন ইউনিক দুবাই টিম কর্তৃক আয়োজিত স্বাগতিক শুভেচ্ছা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। #আলহামদুলিল্লাহ
আপু বিকাশ চেক করেন।আমি টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমিঃ জ্বি ভাইয়া পেয়েছি।তবে আপনি পুরা টাকা -------কেনো দিলেন।হয়তো ভুলে আসছে।আমি অর্ধেক টাকা দিতে বলেছি।বাকিটা পণ্য হাতে পেলে দিবেন।আপনি আপনার বিকাশ নাম্বার দে
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট। সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক। সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগি
মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
আসলে আমি একটু ভিন্ন ভাবে নীজের জীবনে চলার পথের গল্প টা তুলে ধরলাম ভুল ত্রুটি অবশ্যয় আছে আশা করবো সকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আল্লাহ আমরা সকল কে একজন ভাল মানুষ হিসাবে বেছে থাকার তৌফিক দান করুক।
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মিটআপে গতকাল অংশগ্রহণ করেছিলাম। তারা পাবনা জেলার মধ্যে দ্বিতীয়তে মিটআপ আয়োজন করলো। এবং এটা চাটমোহর উপজেলার প্রথম মিটআপ। অসংখ্য ধন্যবাদ চাটমোহর উপজেলার সকল সদস্যবৃন্দকে ও উপজেল
অনেক দেরিতে হলেও আজ আমি সকল জড়তা কাটিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম নিজের পরিচয় দিতে। আমি একজন খাদ্য প্রকৌশলী।বাবুরহাট বাজারের পাশে বাড়ী হওয়ায় ছোট থেকেই সু্প্ত বাসনা ছিল কাপড় ব্যাবসায়ী হব। কারন আমার সাথের ছোট
আলহামদুলিল্লাহ টানা ৪র্থ বারের মত B+ রক্ত দান করলেন আমাদের MD Naim Hossain Shihab ভাই। তিনি ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের লক্ষ্মীপুরের প্রতিনিধি।
আজকের প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রবাস থেকে আগত কোর ভলেন্টিয়ার Mohammad Jafar Iqbal ভাই ও কোর ভলেন্টিয়ার Zahid Islam ওনাদের উপস্থিতিতে আজকের প্রোগ্রামটি আরো বেশি প্রানবন্ত হয়
ধন্যবাদ কুষ্টিয়া জেলা টিমকে -
০৫ বার হোল ব্লাড ও ২০ বার প্লাটিলেট সহ মোট ২৫ তম ভালোবাসা দান করলেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন চৌধুরী
চমৎকার অফলাইন মিট-আপ করে আজ ঢাকার সেরা জোনে ভূষিত হলেন আলহামদুলিল্লাহ্। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন আমাদের ফাউন্ডেশনের রুপকার জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
১৩ই নভেম্বর আমাদের পাহাড়তলী জোনের প্রথম অফলাইন মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে কোরআন তেলাওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। তারপর জোনের সদস্যগণ নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরেন সদস্যগণের পরিচিতির পর দায
আম্মুকে আমরা তিন ভাইবোন রক্ত দিলাম আমার ছিলো এইটা ১৭তম ছোট ভাইয়ের ২য় তম এবং ছোট বোনের এটাই ১ম স্বেচ্ছায় রক্তদান।
১০ ডিগ্রি দক্ষিনে কর্কট ক্রান্তি রেখায়। বসবাস যে যেখানে করি আমাদের লক্ষ্য একটাই,সফল হউয়া। পুরো পৃথিবী এখন এক প্রকার কান্না করতেছে।তার সাথে সাথে আমরাও কান্নায়, চিন্তায় জর্জরিত। কিন্তু চিন্তা করে দেখে
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
♥️আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাইয়া ও আপুরা আশা করছি সবাই ভালো আছেন ।আমিও আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো আছি। আমি আপনাদের কাছ থেকে কিছু সময় চেয়ে নিব আশা করছি সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। 🙏 প্রথমেই শুকরিয়া জ্
আজ সারা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক এরও বেশি মানুষ গৃহবন্দি।বন্ধ সব ধরনের কর্মকাণ্ড যার বিশাল প্রভাব পড়েছে অসহায় ও নিম্নবিত্ত এবং দিনে আনে দিনে খায় এই মানুষগুলোর উপর।
সারারাত সি সি ইউ আই সি ইউ তে নাইট ডিউটি করে মর্নিং শিফটে ক্লাস করতে যেতাম। খুবই কষ্ট হতো তবুও ইচ্ছা শক্তি ছিল আমাকে পাড়তে হবে। চালিয়ে গেলাম। কিন্তু বড় ভাই রাগ ছিল শুরু থেকে তাই খরচ দিত না।
আমার জন্ম লক্ষীপুর জেলায়। গ্রামে জন্ম তাইতো প্রকৃতির মতোই ছিল আমার বৈশিষ্ট্য। ছোট থেকেই ছিলাম দুষ্ট, চঞ্চল, হাসি - খুশিতে ভরপুর একজন মানুষ।লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ, কারাতি, সেলাই,
কোনও ব্যবসাকে যদি সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফল হতে হয়, তবে অবশ্যই তার মধ্যে এমন কিছু থাকতে হবে – যা এর আগে কেউ করেনি। আপনি যখন পুরোপুরি ইউনিক কোনও আইডিয়া নিয়ে কাজ করবেন, অথবা প্রচলিত কোনও ব্যবসায় ইউনিক কিছু ন
(পূণ্যতা) আমার মেয়ে যখন ঘুমাতো আমি তখন পড়তাম।এমন ও হয়েছে আমার মোটা ব ইটা আমার হাত থেকে পূণ্যতার উপর পরে গেছে। আমি হাল ছাড়ি নি। যতবার আমার পরীক্ষা থাকত সেই দিন পূন্যতা অসুস্থ্য হয়ে যেত।বেশির ভা
সকাল থেকেই কাজের খুব চাপ যাচ্ছে আজ। কারন ছোট বোনের শাশুড়ি, ননাস , তার হাসবেন্ড ও ২ বাচ্চা সহ পুরো পরিবার আসতেছে আমাদের বাসায় । তাই কাজ গুলো একটু গুছিয়ে নিয়ে নিজেও একটু পরিপাটি হয়ে নিলাম কারন অতিথি আ
বর্তমানে আমি একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমি একজন কৃষি উদ্যোক্তা হতে চাই ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। সবার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে
এই প্লাটফর্ম থেকে পেয়েছি ৬ লক্ষ ভাই বেন। ৬৪ জেলা ও ৫৫ কান্ট্রি তে ব্রান্ডি করার সুজোগ। এগ্রো ফোরাম ভলান্টিয়ার ও ভিবিন্ন জেলায় কৃষি বিষয়ক নলেজ শেয়ারিং করার সুযোগ ও সন্মান
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি