আজ রমনা জোনে আয়োজিত পিকনিক, অফলাইন মেকআপ, এবং খেলাধুলার চমৎকার আয়োজন ছিলো , দারুন একটি দিন উপভোগ করেছি আমার রমনা জোনের সবাই,,,
আলহামদুলিল্লাহ,, আলহামদুলিল্লাহ,,আলহামদুলিল্লাহ,,,,, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলা ২য় অফলাইন মিটআপ 😊 প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী
ভিশন উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২ এর ৪র্থ পর্ব প্রিমিয়াম অফলাইন মিটআপ এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের শুভাকাঙ্খী প্রিয় নাতি NowShad Bin Ali TaawSif এক থ্যালাসেমিয়া রোগীকে ২য় বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে।
আমি আজকে নিয়ে (০৪)বার রক্ত দান করলাম। ""নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"" এর ব্লাড ডোনেশান এবং ম্যানেজমেন্ট টীম এর একজন সদস্য হিসেবে গর্ববোধ করছি।
গতকালকের মিটআপ ছিলো মালয়েশিয়া টিমের জন্য খুবই আনান্দের দিন। কারণ দীর্ঘ ২ বছর পরে সবাই সবার সাথে দেখা করা এক টেবিলে বসে লান্স করা, আড্ডা দেওয়া সব কিছু সম্ভব হয়েছে। আমরা বিগত যতগুলো অফলাইন মিটআপ করেছি গ
❤️❤️❤️বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম❤️❤️❤️ ❤️আমার নিজের জীনের গল্প সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো❤️ ❤️❤️❤️আসসালামু আলাইকুম❤️❤️❤️ 🌹🌹কেমন আছেন সবাই? আশা করছি ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমিও অন
পড়ালেখা আর করা হলো না। কিন্তু বড় হয়ে গেছি।যেহেতু আমি গ্রামের মেয়ে তাই সকলেই উঠে পড়ে লেগেছে বিয়ে নিয়ে। আমার বিয়ে হয়ে যায় দিনাজপুর জেলায়। আমার শ্বশুড় বাড়ি চলে যাই। আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
হাজারও ব্যাস্ততার মাঝেও খুব ভাল ভাবে সম্পন্ন হলো পটুয়াখালী জেলা টিমের আনন্দ ভ্রমণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
স্যারের সেশনটা যদি আগে পেতাম তাহলে ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতাম "চাকরি করবো না চাকরি দিবো"।
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ মানুষের হৃদয়ের মধ্যে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
700 নম্বর দিন আমাকে মনে করিয়ে দিল আমি কত পিছিয়ে ছিলাম।। নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ আজ আমাদের গ্রুপের 700 নম্বর দিন অতিবাহিত হল। সবাই এই 700 নম্বর দিন নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে আমি তাদের পোস্ট গুলো দেখ
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
সাতক্ষীরা জেলায় আজকে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মাঝে ত্রান বিতরন কাজ সুস্থভাবে সফল করেছেন সাতক্ষীরা জেলা টিম
সত্যি সত্যিই আমরা খুব ভাগ্যবান। না হয় এমন মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন ছিলো। যার জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি প্রয়োজনে দেশের এবং দেশের মানুষের পাশে দাড়াতে পারছি।
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করি আমার ব্যবসায়িক যাত্রা। যা মূলধন রূপে এখন ১২ লক্ষ টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমার ব্যবসায়ের ৮০% সেলই হয় প্রিয় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে।
সম্মেলনকে সামনে রেখে আমাদের উওরা সেরাদের সেরা জোন চমৎকার মিটআপ হচ্ছে,, এখন হচ্ছে থানা বৃওি মিটআপ।। আজকে হয়ে গেল উওরা জোনের পশ্চিম থানা মিটআপ।
আমার বন্ধুর(N) এর কথা অনুযায়ী আমি #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প ফাউন্ডেশনে জয়েন্ট হলাম। তার কিছুদিন পর আমার একটা পরিচয় হলো। আমার নাম, আমার ব্যাচ নাম্বার, আমার রেজিস্টার নাম্বার, এটাই আমার পরিচয়। আমি
জীবন হয়তো জীবনের মতো চলে যায়। দুঃখের পর সুখ ও আসে, কিন্তু সময় গুলো কতটা কঠিন হয় এটা হয়তো শুধু সেই পথিক ই জানে।
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
A platform of 'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) is empowering youths by connecting inspiring tales from different corners of Bangladesh. NBMEGF has inspired 100 thousand entrepreneur
অামরা সবাই উদ্যোক্তা হতে চাই। অামাদের প্রিয় মেন্টর সকলের অনেক প্রিয় একজন মানুষ, জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার অামাদের জন্য প্রতিদিন অনেক পরিশ্রম করেন শ্রম দেন, সময় দেন। এই সবকিছু শুধু যেন অামরা সকলে ভ
আমি আসলে সেই হতভাগা এক মেয়ে যে জীবনে কখনো বাবার আদর পাইনি বাবার আদর কি জিনিস তা আজ অব্দি অনুভব করতে পারিনি কারন আমার বয়স যখন ৯ মাস তখন আমার মা বাবার মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায় ডিভোর্স কারণ হচ্ছে বাবা সব সম
আলহামদুলিল্লাহ খুবই চমৎকার এবং প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা কতৃক আয়োজিত মহাসম্মেলন এর টিকেট বিষয়ে আলোচনা এবং চা আড্ডা। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই আ
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় প্রিয় মেন্টর ও শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিদিনের সেশনগুলো আমাকে নতুনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছে।
ধনসম্পত্তি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেককেই দেখেছি রাতারাতি প্রচুর সম্পত্তি করে,হঠাৎই রাস্তার ভিখারি হতে। তবে সম্পত্তি কম হোক বা বেশি হোক সেটা বড
ত ভোর করে ফেললেও এই বর্ননা ফুরোবার নয়। আমার তো প্রতিনিয়ত মনে হচ্ছে আমি স্যার সহ সবার কাছে চীর ঋণী। কি করে এত ঋণ শোধ করবো আমি জানিনা। এত ভালবাসা পাবার যোগ্য একদমই যোগ্য নই। অথচ যখনই যার সাথে যোগাযোগ কর
আসসালামু আলায়কুম, সবাইকে জানাই এই রামাদান মাসের শেষ দিকে রামাদান মোবারক। আশা করি সবাই আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
ঢাকা কেরানীগঞ্জ জোনের মোঃ উজ্জল হোসেন তৃতীয়বারের মতো মুমূর্ষ ব্যাক্তিকে রক্ত দান করেন আল হামদুলিল্লাহ।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা জেলা কর্তৃক অফলাইন মিটআপ | আজ আমরা
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
আপনি কি ইনসাফ ফুড গার্ডেন এর স্বত্বাধিকারি, আপনার কাছে কি, কি পন্য পাওয়া যায়। আমিঃ প্রিয় ভাই আমার কাছে পাবেন, খেজুর, মধু, তিন ফল,ড্রাই ফ্রুটস, কালোজিরা তেল, আরো রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের কাচের বোতল
--আজ আমি........ আমার সোনালী সময় হারাতে হলো। দিশেহারা হয়ে পরলাম! পরিবারের একটু ভালোর জন্য একটু বেশি টাকা ইনকাম করার লক্ষ্যে প্রবাস জীবন বেছে নিতে হলো। জীবন সংগ্রাম এর সাথে এবং ভলো কোন ক্যারিয়ার লক
বিয়ের পর সোনার হরিণের মতো সেই চাকরিটা পেয়ে গেলাম ।কিন্তু সন্তানের মুখের হাসি সন্তানের মায়া সবকিছু মনে করে চাকরিটা বিসর্জন দিয়ে,সিদ্ধান্ত নিলাম এমন একটা চাকরি করব যেখানে পুরোটা সময় সন্তানকে জুড
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমি নিজে নিজেকে অনেক বেশী ভালোবাসতে শিখেছি,,, আমার চারপাশের সবাইকে ভালোবাসতে গিয়ে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে গিয়ে কখনো নিজেকে কোন কোয়ালিটি টাইম দিই নি। এই ফাউন
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
✳️আমিঃ যখন আমার ফেসবুক প্রোফাইল আপডেট নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। ❇️বান্দবীঃ ওর চোখে দেখা মাত্রই একটি টেক্সট করলো কিরে দোস এটি আবার কোন গল্প।। আমিঃ টেক্স দেখে একটু মুচকি হেসে রিপ্লাই দিয়
 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসছালামু আলাইকুম প্রথমেই শুকরিয়া জানাই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাকে আজও পর্যন্ত সুন্দর এই ধরনীতে সুস্থ রেখেছেন এবং ভালো মানুষের বিশাল এই প্লাটফর্মের সাথ
নিজে তুলে ধরেছি ৬৪ জেলায়। ২ একজাঁক ভালোমানুষ নেটওয়ার্ক পেয়েছি। ৩ পরিশ্রম করতে শিখেছি। ৪ নিজের একটা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি তাও আবার এই গ্রুপ থেকে নিয়ে। বাংলাদেশের সব চাইতে বড় অনলাই কনস্ট্রাকশন মার্কেট
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
আমার বাবারা দুই ভাই। আমার বাবা ছোট। আর আমার বড় কাকা তখন ছিলো গাজীপুরে। সে তখন গাজীপুরের একটা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তো আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা ও গাজীপুরেই থাকবো। তখন আমরা
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাছি আমাদের প্রাণ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে এতো সুন্দর একটি মানবতার সেবায় নিয়োজিত গ্রুপ প্রদান করার জন্য।