আমার বাবা সুপার হিরো।বাবা আমাদেরর জন্য তার জীবনের 20বছর প্রবাসে কাটিয়েছে,কত প্রকার রোদে আমার বাবা কাজ করেছেন কত রাত জেগে আমার বাবা আমাদের কথা চিন্তা করেছেন,কতো ভালো ভালো খাবার আমার বাবার চোখ দিয়ে দে
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
কত কষ্ট যে দিন কাটছে প্রতিটা দিন যা বলে বুঝাতে পারব না। একদিন নতুন একটা এসি ফিটিং করালাম। ওখানে কিছু বকশিশ পাই। ওস্তাদেরা সব টাকা ভাগ করে নিয়ে সামান্য কিছু টাকা আমি পাই এবং বড় দুলা ভাই কিছু টাকা দেয়।
কেন রক্তদান করবেন? নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম।
ফেনী জেলা মিটআপ ১৫/০৮/২০১৯ আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে গত ১৫/০৮/২০১৯ আমাদের ফেনীজেলা মিট আপ সম্পন্ন হলো। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি উক্ত মিটআপে উপস্থিত থাকতে পেরে। সবাই খুব
সবার স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা থাকে তাই আমার ও ছিলো আমি একদিন আমার চাঁচত ভাইর সাথে ঢাকা গুলশান যাই এজেন্সি অফিসে ম্যানেজার ছিলো আমার বাড়ির পাশে তাকে বললাম আমি প্যাকেজিং কোঃ স্লিটিং মেশিনের কাজ জানি এই ধরনের
তখন অনেক ভেঙে পড়ি। মন খারাপ থাকতো। একা একা বসে থাকতাম আর ভাবতাম! কতো স্বপ্ন, কতো আশা সব শেষ! কিছুই করা হলো না আমার!
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
ড্রাগন ফল। নামটার মধ্যেই কেমন বিদেশি গন্ধ। এত দিন চিন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামে রমরমা চাহিদা ছিল ড্রাগন ফলের। দেশ-কালের বেড়াজাল ভেঙে সেই ফল এখন চাষ হচ্ছে দুই বাংলার বেশ কিছু জায়গায়। খাদ্যগুণে
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে মিরপুর মডেল জোনের মাসিক মিটআপ শেষ হলো। আজীবন সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে ও আমাদের মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পণ্য প্রদর্শনী এবং কোর ও মডারেটর বরণ অনুষ্
জীবন সৎ ও পজিটিভির কোন বিকল্প নেই। আর এই শিক্ষা পেয়েছি প্রিয় শিক্ষক জনাব " ইকবাল বাহার জাহিদ " স্যার থেকে।আর এগিয়ে চলার অদম্য সাহস পাচ্ছি "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন থেকে।
✳️আমিঃ যখন আমার ফেসবুক প্রোফাইল আপডেট নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। ❇️বান্দবীঃ ওর চোখে দেখা মাত্রই একটি টেক্সট করলো কিরে দোস এটি আবার কোন গল্প।। আমিঃ টেক্স দেখে একটু মুচকি হেসে রিপ্লাই দিয়
আমার স্টুডেন্ট সামিয়া,তাকে আমি বাসায় গিয়ে পড়াই।স্টুডেন্ট আমার সুযোগ পেলেই ফাঁকি দেয়।একদিন বাসায় গিয়ে দেখি তাদের বাসায় মেহমান।তার মামা রা এসেছে,আমাকে জানায়নি।যাওয়ার পর স্টুডেন্ট এর রুমে গিয়ে বসলাম,তখন
সবার কাছে সবার বাবা একজন পৃথিবীর সেরা মানুষ, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্তু আমার নিকট আমার বাবা তার থেকেও আরে বেশি কিছু,যার কোন উপমা হয়তো আমার জানা নেই। আমার বাবা একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী, যার কারনে ছো
💎একদিন আমি সাহস করে একটা পোস্টে বলেছিলাম এই প্রিয় প্লাটফর্ম একদিন ইতিহাস সৃষ্টি করবে কারণ সবগুলো ভালো মানুষের হাতের ছোয়া লেগেছে। আজ তা অনকখানি বাস্তবে রুপ নিয়েছে 🎯 🎞(আজকে আমার কমেন্ট বক্সে নিজের ব
অতীত কোন ঘটনা অনুশোচনাকে কেন্দ্র করে জীবনকে থামিয়ে দেয়া কোন বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কেননা অতীতকে যে পরিবর্তন করা যায় না তা ধ্রুব সত্য। তাই অতীতকে অনুশোচনার মাধ্যমে বর্তমানকে শুধরে ভবিষ্যতকে আলোকময় করার চে
উত্তরবঙ্গের রাজধানী" খ্যাত বগুড়াতে অাজ দ্বিতীয় বারের মতো মিট-আপ সম্পন্ন হলো।
প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকেই শিক্ষা নিয়ে আমার জীবনের সব চেয়ে বড় অর্জনঃ- ছাত্র অবস্থায় পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি এবং গার্মেন্টস আইটেম নিয়ে কাজ করছি
#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর দেখলাম যে শুধু আমি না, আমার মত অনেক নারী আছে যাঁরা আমার মত স্বপ্নহারা,দিশেহারা। কিন্তু এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর অনেকে তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলছে, তবে আমি কেন পার
উদ্যোক্তা হতে প্রচুর টাকা লাগে? উদ্যোক্তা হতে প্রচুর পরিমনের টাকার দরকার নেই, সর্বপ্রথম দরকার ইচ্ছা ও কল্পনা শক্তি, অপনার নিজের মধ্যে ইচ্ছা জাগতে হবে বা ইচ্ছা জাগ্রত করতে হবে। জাগ্রত ইচ্ছার বিষয়বস্তুু
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
অজস্র ধন্যবাদ বগুড়া জেলা টিমের সবাই কে।
শারিরীক সমস্যা থাকার পরে রক্তদানে পিছিয়ে নেই এই ভাইটি মনের শক্তিটা সবচেয়ে বড় বিষয় স্যালুট ভাই 😍 👉অথচ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে /আমাকে সুস্থ রাখার সত্বেও রক্তদান করতে আপনি অনিহা প্রকাশ করেন কেনো?
#সিদ্ধান্তসমূহঃ ১। সম্মেলন সফল করা। ২। শীত বস্ত্র বিতরণ। ৩। ব্লাড গ্রুপিং করা আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে। ৪। প্রতি থানা জানুয়ারি থেকে Meet up করা ৫। কলেজগুলোতে আমাদের কর্মশালা করা ৬। আমদের গ্রুপ থেকে প
একদিন আমার পোস্টে মালেয়েশিয়া প্রবাসি একজন ভাই কমেন্ট করেন, 'আপু চকলেট নিতে চাই, ইনবক্স চেক প্লিজ' আমি ইনবক্স চেক করলাম, ভাইয়া চকলেট এর প্রাইজ আর ভ্যারাইটি জানতে চাইলেন, আমি তাকে সব ইনফরমেশন দিলা
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
সেই থেকে তারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহলের ছোটখাটো বিল্ডিংয়ের কাজ করতে লাগলো। সব সময় পারিশ্রমিক পাওয়া যেতনা, পাইলেও ৪-৫ হাজারের উপরে না। তারপরও তারা করে যেতে থাকে। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে তারা ২ জনই চাকরি
কোনও ব্যবসাকে যদি সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফল হতে হয়, তবে অবশ্যই তার মধ্যে এমন কিছু থাকতে হবে – যা এর আগে কেউ করেনি। আপনি যখন পুরোপুরি ইউনিক কোনও আইডিয়া নিয়ে কাজ করবেন, অথবা প্রচলিত কোনও ব্যবসায় ইউনিক কিছু ন
যখন কোন গরীব অসহায় পুরুষ / মহিলা / শিশু বাচ্চাদের দেখি তখন তাদের জন্য খুব কষ্ট হয়।তারাও তো মানুুষ!! তাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার মনটা তৃপ্তিপায়। যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু না করতে পারি ততক্ষণ
গ্রুপবাসী সবাই কেমন আছেন???আশা নয় বিশ্বাস করি যে যার অবস্থান এ ভালো ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আজ হঠাৎ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ জোন এ একটি চা আড্ডা হয়ে গেলো। মিট আপ /ইদ পূর্ন মিলনী ২০২২ ও ব
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
প্রত্যেকের জীবনে একটা দূর্ঘটনা বা কালো অধ্যায় আছে, তেমনি আমার জীবনেও আছে তা হল রাজনীতি। স্কুল জীবনে মনের মধ্যে কখন যে রাজনীতির বীজ রোপিত হয়েছে তা বুঝতে পারিনি,কিন্তু মনের মধ্যে ছিল দেশ প্রেম ও দেশের ম
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
বাবা যখন যুদ্ধ করতে মাঠে চলে যেত তখন আমাদের বাড়ি মহিলাদেরকে মাটিতে গর্ত করে উপরে কাঠ দিয়ে রেখে যেত। হঠাৎ একদিন পাক সেনারা হিন্দুপাড়ায় হামলা করে তখন অনেক হিন্দু মহিলারা প্রেগ্যানেট ছিল তারা দৌড
গোপালগঞ্জের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামনের সমাধি, ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি, জমিদার গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ী, অন্যন্যা চন্দ্র ঘাট, বধ্য ভূমি স্মৃতি সৌধ, বিলরুট ক্যানেল,
তারা ছোট থেকেই বিজনেস শুরু করেছিলো , সেই ছোট বিসনেস আকরে ধরে লেগে থাকার কারনে -ধীরে ধীরে একটা সময় গ্রুপ অফ কম্পানির মালিক হয়েছে । বিজনেস করতে কোটি কোটি টাকা প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু কমিটমেন্
❤️❤️❤️বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম❤️❤️❤️ ❤️আমার নিজের জীনের গল্প সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো❤️ ❤️❤️❤️আসসালামু আলাইকুম❤️❤️❤️ 🌹🌹কেমন আছেন সবাই? আশা করছি ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমিও অন
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
ধৈর্য হারানোর শেষ প্রান্তে সাফল্যের শুরু আমরা অনেকেই ব্যবসা করতে চাই। আবার কারও কারও সারা জীবনের স্বপ্ন ব্যবসা করা। কিন্তু আমরা কতটা যত্নের সাথে শুরু করতে পারি তা। অদূরদর্শী পরিকল্পনা শুরুতেই বাধ সাধে
আজকের মিটআপটা ছিল পতেঙ্গা জোন,খুলশী জোন এবং বায়েজিদ জোনকে নিয়ে।খুবই সুন্দরভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। ধন্যবাদ জানাবো Zahid Islam বড় ভাইয়াকে তিনটা জোনের একসাথে মিটআপ এরেন্জ করার জন্য।ভ
আজ মতিঝিল জোন কর্তিক আয়োজিত আজ কম্বল বিতরন করলাম সিরাজগঞ্জের শীতে খুব কষ্ট পাওয়া মানুষদের কে
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
আপনারা যারা গ্রুপের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে কস্টো করে সবাই একসাথে উপস্থিত হয়ে ১০০০তম দিন উজ্জাপন করছেন।
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ