আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!
এক ছেলে তার বাবাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো বাবা অামার মুল্য কত??উত্তরে ছেলেছেলেটির বাবা ছেলেটির হাতে একটা পাথর দিয়ে বললেন এই পাথরটি নিয়ে বাজারে যাও এবং বিক্রি করার চেষ্টা করবে।কিন্তুু কেউ দাম জিজ্ঞেস
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এরই ফাকে ভাইয়ের সাথে সুইটার ফ্যাক্টরিতে কাজ শিখতে শুরু করলাম,,যেহেতু ঢাকা গাজিপুরেই আছি! 2015 সালের লাষ্টের দিকে আমার অজান্তেই আমার ভালোবাসার মেয়েকে তার ফ্যামিলি জোর করে বিয়া দিয়ে দিলো,, এটা শুনার পর
যদি ভালো সম্পর্ক গড়তে পারি..! বিশ্বাস অর্জন করতে পারি..! নেটওয়ার্কিং করতে পারি..! নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পারি..! তাহলে দেশে এসে কাজ শুরু করলে আমাকে একদিনও বসে থাকতে হবে না। তাই প্রিয় স্যারের শিক্ষা
এভাবে প্রায় ছয় মাস চলে গেল। এরপর এক বন্ধুর কোম্পানী থেকে একটা ফুড আইটেম ডিলার নিলাম। সেখানেও নতুন প্রডাক্ট থাকায় টিকতে পারলাম না। বাধ্য হয়ে আবার চাকরি খুজতে শুরু করলাম। সবশেষে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে
ফরিদপুর জেলার কিছু মানুষ এর মাঝে ত্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
মেসেঞ্জার এ হঠাৎ মেসেজ এল আপু আপনার কাছে কি ধরনের থ্রিপিস আছে? আমিঃ ভাইয়া,আমার কিছু সুতি কালেকশন আছে। ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি লোন,ডিজিটাল প্রিন্ট আর কিছু কাতান বেনারসি থ্রি পিস, জরজেট, কিছু নরমাল প্রি
কেউ কেউ সময়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে,তারা হার শিকার করে নিয়েছে তারা বলছে আমাদের দ্বারা কিছু হবে না,আমাদের সন্তানরা হয়তো যদি কিছু করতে পারে।কিন্তুু কিছু লোক আছে যারা কখনই হার মেনে নেয় না, তারা বলে আমাকে
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
চলছে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের খুলনা জেলার মাসিক মিটআপ। বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ছিল এবং ছিল হালকা-পাতলা খাবারের আয়োজন। আমরা সবাই সুস্থ এবং সুষ্ঠুভাবে মিটআপ সম্পূর্ণ করেছি।
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
2008এ আমার জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব আসে জামাই সৌদি আরব থাকে ওরা। অনেক বড় লোক এমনিতেই তারপর কথা বার্তা বলে বিয়ে হয়ে যায় যেদিন বর যাত্রী আসবে আমাদের বাড়ি ওই আমার ভাই যানতে পারে জামাইর মাথায় সমস্যা তখন আ
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার প্রানবন্ত ভাবে ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলার ভাই - বোনদের মধ্যে হয়ে গেলো সম্পর্কের উন্নয়ন মিটআপ।
আমাদের দেশ বাংলাদেশ।অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক ছোট একটি দেশ।দেশের আয়তন অনুসারে এ দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এ দেশের সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হল বেকারত্ব,, যার কারণে আমাদের দেশের হাজারো তরুণ প্রজন্ম হতাশাজন
আমাদের এই সংহতি অংশ হিসেবে আমরা ২১ মহান ভাষাকে প্রকাশ করছি অনেক মানবতাফে আজ #২৫শেব্রুয়ারি_২০২২ তারিখে কুয়েত রক্তদান কর্মসূচীর জন্য সকলের অংশগ্রহণের অংশ গ্রহণ করছি তা সুন্দরভাবে করার জন্য।
ঈদ পুনর্মিলনী অফলাইন মিট আপ সফল হয়েছে পাবনা জেলা টীম এর আলহামদুলিল্লাহ
আলোচ্য বিষয় ছিলো ৪ জানুয়ারি ২০২০ উদ্যোক্তা সম্মেলনের টিকিট বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়। প্রধান অতিথি ছিলেন নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ফরিদপুর জেলার মুছাফির আমির ফয়সাল ভাই।
অনুষ্টান শেষ হয় পথ শিশুদের খাবার বিতরণ ও কেক বিতরণ এর মাধ্যমে।
আমরা স্কুলে একটা খেলা খেলতাম। প্রিয় রং,প্রিয় খেলা ,প্রিয় পোশাক, প্রিয় নবী, প্রিয় ফল, প্রিয় খাবার,প্রিয় ফুল প্রিয় ফুটবল দল, এরকম অনেক প্রিয় জিনিস বান্ধবীরা যার যার ডায়েরীতে লিখে রাখতাম। উদ্যে
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
_____বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম ______ ________আসসালামু আলাইকুম_________ _____ওয়া রহমাতুল্লাহিওয়া বারাকাতুহু____ ____শুরুতেই মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি কারণ
We provide online and offline training base on live project according to industries required. E-commerce Solution. Our Signing product Digital Businessman is E-
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা ২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে এক ফিজিক্যাল মিটআপ এর আয়োজন করা হয়, উ
যদিও আমি কোন লেখক না তারপরেও আমার কিছু অনুভূতি আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি। সত্যিকার অর্থে কিছু অনুভূতির ভাষা প্রকাশ করার মত নয়, কিছু অনুভূতি লিখে শেষ করা যায় না, কিছু মানুষের বিষয়ে লিখেতে গেলে কলমে
আজ ছিলো মহাসম্মেল ৫ প্রতিষ্ঠাবাষিক এর প্রস্তুতি মিটআপ, আয়োজনে ছিলো মিরপুর জোন শাহাআলী থানা এবং দারুসসালাম থানা।
July 22, 2020 · সবুজে সবুজে বাংলাদেশ - নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মের উদ্যোগে সবুজ হবে সারা বাংলাদেশ, তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলার আয়োজনে রেল স্টেশনে বৃক্ষ রোপন করা হয়। ধন্যবাদ খুলনার সকল সদস
উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান আপনাদের নিজের উৎপাদিত বা ব্যবসায়িক পন্য নিয়ে প্রতিদিন গ্রুপে উপস্থিতি নতুন ও পুরাতন সদস্যদের উদ্বুদ্ধ ও প্রেরনা দিবে** প্রানপ্রিয় ইকবাল বাহার স্যারকে সালাম
🔵 উক্ত মিটআপ উপলক্ষে আমাদের সঙ্গে,,,,, 🍀" সহযোগিতায়" :------- বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও জেলা প্রতিনিধি 1. Shaikh Al Amin, বাগেরহাট জেলার কৃতি সন্তান ও সূদুর ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশ এর
এছাড়াও অন্যান্য শ্রদ্ধেয় লিডারগন এবং সম্মানিত স্পন্সর উদ্যোক্তাগনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। আপনাদের একান্ত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আমরা ২০০০ তম দিনের মত একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে পেরেছি।
ব্যস্ততার কারনে গাছ লাগাতে দেরী হয়ে গেল। আজ গাছ লাগাতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। ইচ্ছা আছে আরও গাছ লাগানোর। ইচ্ছা আছে রক্তদান করার।
নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে যে আমি এটা পারবই। বিভিন্ন ধরনের বাঁধা আসবে কেউ পিছনে অনেক কথা বলবে বা কেউ ভয় দেখাবে এটা হবে না, এটা সম্ভব না কিন্তু আপনি বা আমি থেমে গেলে চলবে না। নিজের
প্রিয় প্লাটফর্মের আজ ৭০০ তম দিন... দোয়া করি শত শত যুগ আমরা এই ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পারি... ৯১ তম দিনে জয়েন করেছিলাম গ্রুপের দ্বিতীয় ব্যাচে আর তার পর থেকে আছি এবং তার পর থেকে ভাই, বন্ধু, বোন
অনলাইনের পাশাপাশি একটি ফিজিক্যাল মিট আপে বাড়ে আন্তরিকতা,, বাড়ে নেটওয়ার্ক বাড়ে সম্পর্ক বৃদ্ধি।
যাই হোক একেরপর এক স্বপ্ন ভেংগে গেলো।২০০৭ এর ডিসেম্ভরে এসে ফাইনালী একটা বড় ভুল করে বসলাম।সেই ভুলের খেসারত হিসেবে ২০০৮ আর পরিক্ষাই দেওয়া হয় নি।দেওয়া হয় নি বললে ভুল হবে দিতে দেয় নি পরিক্ষা। যাই হোক জোর
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে, ঘরোয়া ভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের অফলাইন ফিজিকাল মিটআপ। অনেক সুন্দর এবং প্রাণবন্তরভাবে সম্পুর্ন্ হলো আমাদের এই মিটআপ। ❤️👉আমাদের প্রিয় স্যার
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
মতিঝিল জোনের দায়িত্বশীলদ ও প্রানপ্রিয় সদস্যদের আন্তরিকতায় এ আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মতিঝিল জোনের ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Shahin Alam ভাইয়া জোন এম্বাসেডর Jowel Rana ভাইয়া থানা এম্বাসেডর Hijbullah Di
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
সিদ্ধান্তহীনতা এমন একটি অভ্যাস যেটা ছোট বেলা থেকে আরাম্ভ হয়।এই অভ্যাস বড় হওয়ার সাথে সাথে স্থায়িত্ব লাভ করে।আমরা যখন বিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় উঠেও এই সিদ্ধান্তহিনতা আমাদের মধ্যে রয়ে
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহু আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তিনি এখনো আমাকে পৃথিবীর স্বাদ গ্রহণ করার তৌফিক দান করেছেন। তবে মানসিক দিক দিয়ে আ
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
আমি সেদিন সকাল ৭.১০ মিনিটে পৌঁছাই আমার জোনের আমার আদরের ছোট ভাইয়া আপুরা সহ, অনেকেই আবার আমার আগে গিয়েই পৌঁছায়। প্রথম ভাল লাগা ওদের দেখে, ওরা এত আনন্দিত ছিল যা বলার মতো না,সারা দিন খেটে সেলফি না তুলে স
এখন বাংলাদেশের যে কোন শহরে গেলে একা মনে হয় না কারণ প্ল্যাটফর্মের ভাই বোনেরা তো আছেন যা আমাদের দ্বিতীয় পরিবার। স্যার সেশন থেকে শিক্ষা নিয়েছি কিন্তু এখন ও ব্যবসা শুরু করিনি , কারণ আমি পড়াশোনায় ছিলাম
নাটোর জেলার নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ত্রাণ কার্যক্রম
We love our country each and every moment of our live. We may die for our country and for the people of our motherland
আয়োজক টিমের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
আজ থেকে ৩ বছর আগের কথা। তখন আমার জীবনে হঠাৎ দুঃসময় নেমে আসে। লোককে বলতে শুনেছি, দুঃখ যখন আসে সর্বদিক থেকে আসে। সবদিক থেকে ধাক্কা আসে। আমারও ঠিক সব দিক থেকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। এমনকি