আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা এই সামনে রেখে কুড়িগ্রাম জেলার মাসিক মিট আপ
আলহামদুলিল্লাহ! ছোট পরিসরে হয়ে গেলো দূরন্ত কেরানীগঞ্জ জোন এর মাসিক অফলাইন মিটআপ।
বাবা-মায়ের পছন্দে বলি হতে হয় বাল্য বিবাহের কাছে।আমার বয়সের দ্বিগুন বয়সী ব্যক্তির সাথে বিয়ে দেয়া হয়।শুরু হয় জীবন যুদ্ধ
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
এস এস সি এর পর ,, বাবা মা আমাকে বিয়ে দেয়,, ছেলে খুলনার ছেলে ,ঢাকায় সেটেল,প্লাট ,, গাড়ি সব আছে,, কিছু বুঝে উঠার আগেই সংসার নামক বোঝা ঘাড়ে চেপে বসলো,,, হাজার ও দায়িত্ব কর্তব্য এর মধ্যে আমি আমার পড
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরণায় আবার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার উদ্যোগতা জীবন পুনরায় শুরু করার জন্য, আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দোয়ায় নতুন করে উদ্যোগতা হিসেবে পথচলা শুরু করতে পারি।
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রমটি জয়পুরহাট জেলা সদর থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম কি জেলার সকল সদস্যবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
আজকে এসেছি লক্ষ্মীপুর জেলার বিখ্যাত পন্য নিয়ে। লক্ষ্মীপুরের বিখ্যাত পন্য শুধু বাংলাদেশে নয়। বরং এর চাহিদা বাইরের দেশ গুলোতেও রয়েছে তাই প্রতি বছর রপ্তানি হচ্ছে লক্ষ্মীপুরের বিখ্যাত পন্য নারিকেল & সুপার
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় জেলা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ। মহা-সম্মেলন কে সফল করতে ময়মনসিংহের প্রতিটা উপজেলা পর্যায়ের মিট আপ চলছে ধুমধামে আলহামদুলিল্লাহ। তারই ধারাবাহিকতায় আসছে ০৪/১২/২০ ইং (রোজ শুক্রব
সপ্নতো সবসময় দেখেছি এবং দেখছি আর এটা সকলেই দেখে।কিন্তু সপ্ন গুলো পুরন করার সাহস টা আমার ছিলোনা।ভাবতাম কি করে সপ্ন গুলো পুরন করবো। অনেক কিছুই ভেবেছিলাম কিন্তুু ভয় ছিলো পারবো কিনা?......
আমার জন্য,আমাদের পরিবারের জন্য রমাজান মাস অনেক বেশি ত্যাগের মাস।কারন এ রকমই এক রমজানের শেষ১০(নাজাতের)২৩শে রমজান আমি মাকে হারিয়েছিলাম।মাকে হঠাৎ হারিয়ে মনে হয়েছিল পৃথিবীটা হারিয়েফেলেছি।কারন আমার মা ছিল
নবনিযুক্ত মডারেটর মোঃ মোশারফ হোসেন ভাইকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়
আমাকে দিয়েই হবে ,আমিই পারবো ইনশাআল্লাহ এই মন্ত্রটি হৃদয়ে পুঞ্জিভূত করে রাখার কৌশল শিখেছি প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকে। জিতবে ,না হয় শিখবে,হারবে না কখনো -----জীবনে সফলতার জন্য এই অমূল্য বাণী হৃদয়স্থ
আমার বাবা একজন কৃষক ও পাশাপশি গ্রামের একজন সৎ মাতব্বর । মা গৃহিণী। আমাদের বাড়ি গ্রামের এমন এক জায়গায় যা আগে পদ্মা নদীতে বার বার বিলীন হয়ে যেত। একটা কথা বলে নেই অনেকের অজানা থাকতে পারে নদীর একপাশ ভাঙ্
আমার হেফজ শেষ এখন সামনে অনেক পড়া-লেখা আছে, ইচ্ছে ছিল বড় একটা মাদ্রাসায় পড়বো কিন্তু কে চালাবে এই পড়া- লিখার খরচ, এবং ছোট ভাই আর মাকে,মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো যাই হোক রিযিকের মালিক আল্লাহ, আমি ২০০৮
আমার বড় চাচা শশুরের বিল্ডিং এর ছাদের জন্য ইট ভেঙে খোয়া বানায় দিয়ে ৮ ম শ্রেণির বই কিনেছিলাম!!! ঐ যে পড়াশোনা শুরু হলো আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি,,,, শুরু হয় আমার পড়ালেখা করার নতুন জীবন যাত্রা,,,
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
গোপালগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিজিক্যাল মিটআপ। সকলের সহযোহীতায় সফলভাবে আমরা প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পেরেছি।
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
তার পর ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে কিছু টাকা দেন হাত খরচে জন্য সব টাকা তো আপনার কাছে দিচি আমার মা বাবা দুইজন এই নেই সব তো আপনার কাছে। তার যবাবে আমার কাছে কোনো টাকা নাই আমি সংসারে খরছ করে ফেলেচি আমার ক
মাত্র ১জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় আসে ৪ জানুয়ারি "২য় মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ আমরা শরিয়তপুর থেকে তখন ৫০+ সদস্য সেই প্রগ্রামে উপস্থিত হতে
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক
May 20, 2019 · নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কার্যক্রম খুলনা জেলা কতৃক আয়োজিত এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার এবং রাতের খাবারের আয়োজন।
আমি গ্রুপে যুক্ত হবার পর আমার পরিবর্তন সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুর
এখন আর আগের মত বাড়িতে টাকা পাঠাইতে পারিনা। কারন এমন ও মাস যায় নিজের খাবারের টাকাও পাইনা মাস শেষে, বাড়িতে বলি সমস্যা কিন্তু পরিবারকে কিছুতেই বিশ্বাস করাতে সক্ষম হইনা। কারন ঐযে প্রথমে অনেক টাকা পাঠাতাম
এরপর হঠাৎ করেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেক নিয়ে কাজ শুরু করব। যেই ভাবা সেই কাজ। বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া কিছু টাকা এবং হাজবেন্ডের সহযোগিতায় কেক বানানোর সরঞ্জাম কিনলাম এবং বেশ কয়েকটি কেক বানালাম।
প্রিয় বন্ধুগন আমি এই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই চেস্টা করি যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার এবং শিক্ষনীয় যা কিছু আছে সব কিছু শিখে নিজের জীবনে ধারন করার,
করুনার প্রভাব কিছুটা কমলেও জীবনে কষ্টের প্রভাব কমছিলনা। জীবন তো থেমে থাকেনা,পেটের তাগাদায় সংগ্রাম করতে তে হবেই।অবশেষে কিছুদিন ভালোই যাচ্ছিল।
আজ আমি আপনাদের মাঝে বলতে আসলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কত কষ্ট করতে হয় তা নিয়ে।
প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে বলব প্রিয় স্যারের নির্দেশনা মেনে সবাই গাছ লাগাবেন এতে করে আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য সুন্দর বজায় থাকবে গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই সেজন্য আমাদের প্রচুর গাছ লাগানো উচিত
বরিশাল জেলা কর্তৃক চমৎকার ভাবে সুসম্পন্ন হয় বৃক্ষরোপন অভিযান ২০২১ ও আনন্দ আয়োজন।।
আমি আগে ডিউটিতে রিক্সায় যাওয়া আসা করতাম, আর এখম সকালে হেটে যায় টাকা ও বাঁচলো এবং হাটা ও হলো।আগে ৩ বেলা বাহিরে খেতাম, আর এখন ৩ বেলা নিজে কষ্ট করে বাসার নিজে রান্না করে খেতাম যাতে কিছু টাকা যোগাতে পারি
আমার জননীআমাকে কথা বলতে শিখিয়েছেন। যা পৃথিবীর অন্য কোন শিক্ষকের দ্বারা সম্ভব নয় মা শিক্ষক ছাড়া। মা আমাকে শিখিয়েছেন কিভাবে বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করতে হয়। নম্রতা, ভদ্রতা, সততা, সত্যবাদিতা এই সবেই
উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা টিমের কর্ণদার মডারেটর সাব্বির ভূঁইয়া, জেলা এম্বাসেডর এমকে ইসমাইল হোসেন ও সদর উপজেলা এম্বাসেডর প্রিয় রায়হানুর রহমান ভাইয়াসহ আরও অনেকে।
কমিটমেন্ট রাখা এবং কাওকে না ঠকানো। 👉মা বাবাকে ভালোবাসা ও আদর, সেবা-যত্ন করা। 👉অসহায় মানুষের পাশে থাকা। 👉সফল না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকা।
এক কথায় বললে ১ টা বিজনেসের স্টার্টআপ থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে কিভাবে পর্যায়ক্রমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে নেওয়া যায়।
সৌদিতে যাবো টাকার খুবই প্রয়োজন কোথা পাবো এতো টাকা কেউ কাউকে বর্তমানে একটাকা দিয়ে বিশ্বাস করে না। ভাবতে থাকি কি ভাবে টাকার সমস্যা সমাধান করা যায় .। পরে ভাবলাম ব্যাংক থেকে লোন করবো, সেখানেই অনেক ঝামে
এই পৃথিবী এমন এক জায়গা, এখানে বেচে থাকলে নিজেকে, নিজের আপন অস্তিত্বকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। আমি বেচে থাকলে, আমাকে বলতেই হবে " আমি আছি, আমার অস্তিত্ব বাস্তব "। যতক্ষন শ্বাস আছে, ততক্ষন বেঁচ
(পূণ্যতা) আমার মেয়ে যখন ঘুমাতো আমি তখন পড়তাম।এমন ও হয়েছে আমার মোটা ব ইটা আমার হাত থেকে পূণ্যতার উপর পরে গেছে। আমি হাল ছাড়ি নি। যতবার আমার পরীক্ষা থাকত সেই দিন পূন্যতা অসুস্থ্য হয়ে যেত।বেশির ভা
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
কত কষ্ট যে দিন কাটছে প্রতিটা দিন যা বলে বুঝাতে পারব না। একদিন নতুন একটা এসি ফিটিং করালাম। ওখানে কিছু বকশিশ পাই। ওস্তাদেরা সব টাকা ভাগ করে নিয়ে সামান্য কিছু টাকা আমি পাই এবং বড় দুলা ভাই কিছু টাকা দেয়।
Management System International (MSI)-এর গবেষক David Mc. Lelland -র নেতৃতে এক দল গবেষক বিশ্বব্যাপী ব্যাপক গবেষনায় জানতে পেরেছে যে মোট ১০ টি প্রধান বৈশিষ্ট কোন ব্যক্তিকে সফল উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করে
আজ ২১ই জানুয়ারি ২০২০ খ্রীস্টাব্দ নিজের বলার মত গল্প গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ৯০ দিনের শেষ দিন। গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ২৮তম দিন থেকে এই গ্রুপের সাথে আমার যাত্রা। গত ৬১ দিনের স্যারের প্রতিটি পোস্টসহ পুরো ৯০ দিনের
আলহামদুলিল্লাহ। অধ্যক্ষ বরাবর চিঠি প্রদান করা সম্পূর্ণ হলো। যার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটা কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী
অনেক নতুন ভাই - বোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সর্বোপরি সবাই মিলে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি