ভোলা জেলা ইউনিটের, খুবই জমকালো ও চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর ১০০০ তম দিন উৎযাপন হলো।
মন দিয়ে শিখে তারপর নিজের মতো করে সব শুরু করবেন। আপনি ব্যবসায়ী হউন আর উদ্যোক্তা উপরোক্ত বিষয় গুলোতে আমি আপনাকে সাহায্য করব ইনশাআল্লাহ। কথায় কথায় রেবেকা আপুর বাড়ির কাছে পৌঁছে গিয়েছি। আপুর কাছে মীরা ক
কুষ্টিয়া জেলার এতিম দের মাঝে প্রয়োজনীয় ও উপহার সামগ্রী বিতরণ
আমি যখন জন্ম হই নাই। তখন ছিল আমার বড় দুই বোন।আমি যখন জন্ম হই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছি আমাকের বংশে সবার তখন নাকি মন খারাপ আমার বাবা, ফুফু, কাকারা, এবং দাদা-দাদী সহকারে সবাইরি মন খারাপ একে একে তিনট
সত্যিই তারার মেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ফাউন্ডেশনের সেরা মুখগুলো আজ একত্রিত হয়েছিলেন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার BGIFT Institute of Science & Techno
আলহামদুলিল্লাহ মানবতার ডাকে সারা দিয়ে মানবতার হিরো আমার প্রিয় মুখ Md Rokon Islam ভাই❣️
🌸আমার স্বপ্ন: আসলে মেয়েদের কোন বাড়ি হয় না।তাই আমার স্বপ্ন যদি বেঁচে থাকি সবার আগে নিজের একটা বাড়ি তৈরি করব। ইনশাআল্লাহ।হোক না সেটা ছোট। অন্তত কেউ কোনদিন বলতে পারবে না যে আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে
এই প্লাটফর্ম থেকে আমি যে সম্মান, স্নেহ, ভালবাসা পেয়েছি।সেটা পৃথিবীর সব সার্টিফিকেট কে হার মানায়। আমি বিশ্বাস করি,এই স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে এর নিয়ম টা নিঃসন্দেহে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি বড় ধাপ।
র বলেছিলেন বাড়ি গাড়ি অনেকেরই আছে কিন্তু জীবনে বলার মতো গল্প তৈরি করেছে কয় জন? আমি কখনো কাউকে সাহায্য সহযোগিতা করে বলতাম না।জীবনে আমি অনেক মানুষদের অনেক কিছুই করেছি প্রতিদানে কারো কাছে কিছু এ আশা করেনি
The Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) has made world record conducting online training for uninterrupted 2000th days.
শীত তো চলে এসেছে ত্বকের যত্নে সবার বাড়তি প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে।এই শীতের কিন্তু আমাদের ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।সঠিক যত্নের অভাবে ত্বকের নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। এক দিন উদ্যোক্তা দের পরিচয় পর্বে নিজ
আমাদের বাড়িতে অনেক গুলি দেশী পেয়ারা গাছ ছিলো, অনেক পেয়ারা ধরতো, কিন্তু কখনো বিক্রি করতো না। আমরা, আত্নীয় স্বজন ও আশেপাশের সবাই খেতো। তবুও এতো পেয়ারা কি আর খাওয়া যায়।* *একদিন আমার বড় ভাই আর আমি এক ঝাঁ
ভালোবাসা.... আসলে ভালোবাসটা কি?দেখতে কেমন?কি তার আকার?কি তার রং?কি তার ঘ্রাণ??আসলে ভালোবাসা, মমতা অনুভব্য বিষয়। যখন যে পাত্রে যেভাবে রাখা হয় ঠিক সে পাত্রের রংই ধারন করে।ভালোবাসা, মমতা সময় নিয়ে ধৈর্য্
রক্তদান নিঃসন্দেহে পুণ্যের কাজ! কয়েক ফোঁটা রক্তের গভীরতাই মুমূর্ষু-প্রাণ৷ তাই অবশ্যই রক্ত দিন৷ কিন্তু রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার সময় ভুলচুকে নষ্ট হয়ে যেতে পারে৷ বিপদে আপনি দাতা-গ্রহীতা পেয়েই! সত্
আমাদের বাড়ির সামনেই একটা ছোট পুকুর (কুয়া বা পুশকুনি) ছিল। কুপের পশ্চিমেই বাড়িতেই মেহমান এসেছিল।আর আমাদের বাড়ি ছিল কুপের পূর্বেই। এই সুযোগেই আমার মেজ চাচী আমার বড় বোনকে বাড়ির সামনের উঠান থেকেই কূপের পা
ডেইলি স্টার এর লেজেন্ড সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মাহফুজ আনাম স্যারকে যখন আমার সোশ্যাল শিক্ষামূলক কাজ "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর গল্প বলছিলাম, তিনি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন
গুড়ার একজন অসহায় গৃহহীনকে ১টা ঘর বানিয়ে দেয়া হয়েছে - ২০১৯ # ২ জন গরীব তরুণকে ৫০,০০০ টাকা ও অন্য ৪ জনকে ২৫,০০০ টাকা করে মূলধন দিয়ে ব্যবসা দাড় করতে সাহায্য করা হয়েছে - ২০১৮। # দেশের ৬৪ জেলায় সবাই মিলে
নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে যে আমি এটা পারবই। বিভিন্ন ধরনের বাঁধা আসবে কেউ পিছনে অনেক কথা বলবে বা কেউ ভয় দেখাবে এটা হবে না, এটা সম্ভব না কিন্তু আপনি বা আমি থেমে গেলে চলবে না। নিজের
কিন্তু আমার মা বুঝাতে চাইতেন টাকা খরচ করতে হলে কষ্ট করে রোজগার করতে হয়। এমন কত দিন হয়েছে আমি সবজি নিয়ে বাজারে গিয়েছি কিন্তু একটা সবজি ও বিক্রি করতে পারি নাই,😍 তখন থেকে আমার বোধগম্য হয়েছে যে টাকা রোজগ
আমি আর সহেল একই দোকানে কর্মরত আছি। আমার উপর সহেল একটু বিরক্তবোধ করতো সবসময়, কারন প্লাটফর্মে সময় দেওয়া থেকে শুরু করে অনলাইন মিটআপের এটেন্ড করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে রেজিষ্ট্রেশন টিমেও কাজ করে যাচ্ছি, কিন্
আপনি যদি সততার সাথে বিজনেস করেন তাহলে আপনার লাভ। আপনি যাকে ভালো পণ্যের নাম করে খারাপ পণ্য দিবেন সেখানে কিন্তু তার লাভ। আপনারই ক্ষতি। তাই আমি কখনও পণ্য বিক্রি করি না। বিক্রি করি সততা। আমি বিশ্বাস করি ভ
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
জাগো নরসিংদী মানেই ব্যতিক্রম কিছু। জাগো নরসিংদী উদ্যোক্তাদের নিয়ে মহা সম্মেলন ও টিকিট কনফার্ম করার উদ্দেশ্য মিট আপ হয়ে গেলো চমৎকার আনুষ্ঠানিকতায়। Iqbal Hossain, RM Moklesur Rahman, Arif Mia, Masum F
সকাল থেকেই কাজের খুব চাপ যাচ্ছে আজ। কারন ছোট বোনের শাশুড়ি, ননাস , তার হাসবেন্ড ও ২ বাচ্চা সহ পুরো পরিবার আসতেছে আমাদের বাসায় । তাই কাজ গুলো একটু গুছিয়ে নিয়ে নিজেও একটু পরিপাটি হয়ে নিলাম কারন অতিথি আ
আজকের মিটআপটি ছিলো অত্যন্ত চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ মিটআপ। এই মিটআপএ তেজগাঁও জোনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিক নির্দেশনা দেন কোরও মডারেটর এবং
তারাও আমার সাথে প্রায় যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়,,,এদিক দিয়ে আমি যে ৪ লক্ষ টাকা এক সাথে দিলাম মধ্যে ২৫০০০০ টাকা ছিল #ব্র্যাক ব্যাংক এর লোন প্রতি মাসে ২৫০০০ টাকা করে। কিন্তু তারা আমার সাথে যোগাযোগ না করায় আম
বলল, "অসুবিধা নেই আমি জানি যে, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । তাদেরকে দেখতে হলে আমাকেই দেখতে হবে এবং তোমরা দুজনেই কেউ টাকা জমাতে পারো না সেইজন্য আমি আমার টাকা জমিয়েছি তোমাদের ভবিষ্যতের কথা
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেছি মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে করোনায় হাসপাতালের বেডে, শরীরের কোন অঙ্গ হানি করে ঘরে না বসি
একটি অফলাইন মিট আপ এর মধ্য দিয়ে পালন করা হয় এ ৩০০তম সেশন চর্চা।
_____বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম ______ ________আসসালামু আলাইকুম_________ _____ওয়া রহমাতুল্লাহিওয়া বারাকাতুহু____ ____শুরুতেই মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি কারণ
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দ্যেগে তৃতীয় বারের অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এই বছরে ৮০০ জন অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে পটুয়াখালী জেলা সহ সকল উ
আমার বাবা সহ চাচারা সাত ভাই বোন (চার ভাই, তিন বোন) আমার বাবা ৬ ষষ্ঠ,আগে আমাদের পরিবারের অভাবের সংসার ছিল, দাদা সবাই কে লেখা-পড়া করাই তে পারে নি, আমার বাবা কষ্ট করে কোন রকম SSC পাশ করেছে,আর পড়া - লেখা
শাশুড়ী আর বউ মিলে চিন্তা করলো কিছু টাকা আছে তাই দিয়ে একটা দোকান দিবে তার পরে দুজন মিলে বাজারে গিয়ে জা জা লাগবে সব কিনে আনবে বাজার থেকে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে তাই দুজন ভাবলো কাল থেকে শুরু করবে......
প্রত্যেকটা সম্পর্কই কিছু না কিছু আমাদের শিক্ষা দিয়ে যায়। চারাগাছটিকে খাবার,পানি না দিলে যেমন গাছটি আর বেড়ে উঠবেনা, ফুল ও ফল সে গাছ থেকে আশাও করা যাবে না। তেমনি সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে,যত্ন
সুখ নাকি বেশি দিন স্থায়ী হয় না,এমন টা মুরুব্বীরা বলেন,2013 তে আমার কোল জুড়ে আসলো আমার রাজকন্যা,তার পৃথিবীতে আগমনের পর আমার এত ভাল জব ছেড়ে দিলাম ,আমার মনে হয়েছিল মেয়েকে দেখাশোনা করা আমার দায়িত্ব
স্যারের কথা মতো সকলেই বেশি বেশি গাছ লাগান।গাছ আমাদের বন্ধু গাছ আমাদের অনেক উপকার করে ।আমাদের জীবন রক্ষার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা এই গাছ থেকেই পায়
এছাড়াও আমাদের জেলা এ্যাম্বাসেডর, উপজেলা এ্যাম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সহ আমাদের জেলার সকল সম্মানিত ভাইবোনেরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার বাবা 14 বছরে একবার বাংলাদেশের সফর করেছে বাবার মুখখানা আমার খুব অসহায় লাগতো আমার হৃদয়ে খুব খারাপ লাগত বাবার জন্য। তারপর বাবাকে আমি 2006 সালে প্রবাস জীবন থেকে মুক্ত করে দিলাম।
রয়্যাল খুলনার প্রতিবেদন খুলনা জেলার পরিচিতিঃ খুলনা হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের দশটি জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর। এটি খুলনা বিভাগের কেন্দ্রীয় শহর। ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরের পরে এটি ব
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
বর্তমানে করনো ভাইরাসের কারণে আমাদের বেশ কিছু মালের অর্ডার স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এমনকি কয়েকটা কোম্পানির সাথে পণ্যের অর্ডার স্থির রাখতে হয়েছে। তবে মাথায় এখন পরিকল্পনা চলছে বর্তমান প্রেক্ষিতে কি করা
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
আমার অবস্থা ঠিক এমন হয়ে গেছে। এমনো অনেক কথা শুনতে হয়, যে বাবা মাকে মুক্তি দাও। তোমরা তিন বোন, তোমার বিয়ের বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর আমি সব সময় বলি পরিবারকে আমার কিছু আসে যায় না, সব মেনে নিয়েছি, সব মানবো কিন্
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
প্রবাসে সততার পরিচয় দিয়ে দেশের নাম উজ্জল করলেন শরীয়তপুরের রহমত উল্লাহ রাজীব৷ রাজীব সিঙ্গাপুরে টাউন কাউন্সিলে গত ৯ বছর যাবত কাজ করছেন৷ কয়েকমাস আগে তিনি কাজের সাইটে কার পার্কে ১০ হাজার ডলার মানিব্যাগস
আসসালামু আলাইকুম, 👉প্রত্যেকের জীবনের গল্প ভিন্ন। 👉আজ আমি আমার জীবনের গল্প বলবো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় অভিভাবক, প্রিয় শিক্ষক, প্রিয় মেন্টর জনাব " ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি। স্যারের জন্য
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো