সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা। শিখতে পেরেছি অন্যের কথায় কান না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। পেয়েছি জ্ঞানী ও গুনী অভিভাবক।
নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই – এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং অনেক সময় দিই। গত ৪ বছরে প্রায় ৫০০,০০০ জন তরুণের মাঝে এই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পেরেছি – এটাই ব
চমৎকার ভাবে, রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিট আপ সম্পূর্ণ হয়েছে।
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
আজকে প্রিয় প্লাটফর্মে ৮১ তম হাটবারে গল্পে গল্পে সেল পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশাকরি সকলের ভালো লাগবে।
‘দূরে থেকেও কাছে, চলি এক সাথে’ এবং 'চাকরী করব না চাকরী দিব' শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র হাজার তম দিন উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল
আমার জীবনে আর একজন প্রিয় মানুষ হচ্ছে আমার খালু।যাকে আমি কাকা বলে ডাকি।আমার বাবা এবং আমার খালু দুই পরিবারের দুইজন। কিন্তু তারা দুইজন প্রায় একইরকম দেখতে ছিলো। তাদের দুইজনের গায়ের রঙও একইরকম ছিলো যেনো মন
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
আমাদের মানবিক মডেল গুলশান জোনে ''ভালোবাসা প্রোগ্রাম বিলাই'প্রোগ্রামে
মাটির ব্যাংকে নতুন টাকা জমানোর অভ্যাস ছিল আমার, তাই ব্যাংক ভেঙে ১২৫০ টাকা আমার পার্টনারের হাতে তুলে দেই। কুমিল্লার এক আপুর কাছ থেকে খাদি পাঞ্জাবি অর্ডার করি।
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
আলহামদুলিল্লাহ। দ্বিতীয়বারের মতো নিজের ভালবাসার রক্তদান করলেন Abdullah Bin Yousuf সবাই মানবতার সেবক ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
মাঝামাঝিতে এসে হারানো পূর্বের স্কুলের প্রতি জেত কাজ করে যেখান থেকে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল কোন কারণ ছাড়া।
উদ্দেশ্য শেষ বারের মত চাচাকে একবার দেখা এবং খাঠ কাদে নেওয়া, আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দান করুক-আমিন, তারপর এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই শুনি ২৫-০৩-২০২০ইং থেকে ০৪-০৪-২০২০ইং পযন্ত সাধারণ ছুটি ও গনপরিবহন বন্ধ, ব
যে কোন কাজ করার আগে অবশ্যই তাকে প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করতে হবে। শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। প্রশিক্ষণ নিয়ে উদ্যোক্তা হলে। সফল হতে একটু সময় লাগলোও ক্ষতির হয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আমার সাথে যারাই খামার রিলে
বরিশাল জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি বরিশাল জেলা টিম। ইনশাআল্লাহ বরিশালের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব।
সফলভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ।
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
নিজের নামে নিজের পরিচয় এটায় আমার স্বপ্ন। তাই নিজের নামে গড়েছি, একটি প্রতিষ্ঠান। নাম --সাবিনা বুটিক হাউজ, সাবিনা ফুড কর্নার। সাবিনা লুঙ্গি তোয়ালে এর এখন আমি (স্বাত্তাধিকারী) বাবা-- মরহুম মোঃ রু
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
চলছে ময়মনসিংহ জেলার মিট আপ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান । ১২ তম ব্যাচের সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন মোডারেটর ইবনে রানা ভাই। অসাধারণ চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ উপস্
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ মহাসম্মেলন এর টিকিট মেলা,কুড়িগ্রাম জেলার মাসিক মিটআপ আয়োজন করা হয়।
অভাব অনটনের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেলাম ঢাকা শহরে । কাজের জন্য অনেক ঘুড়া ঘুড়ি করলাম । কোন কাজ কাম পেলাম না । বাধ্য হয়ে রাজ মিস্ত্রী এবং রং মিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ নিলাম । এই ভাবে আমার ২ বছর ঢাকা
এতো কষ্ট পাইনি যতটা কষ্ট পেয়েছি বন্ধু অন্যর মুখে তোমার বিয়ের কথাটা শুনে!!! ভালো জব করছো বিয়ে করবা অনেক বেশি খুশির কথা কিন্ত একবারও জানানোর প্রয়োজন মনে করনি বন্ধু!!!!!! তোমার বিয়ের খবরটা দুর দুরের
এন আর বি কাতারের প্রথম মিটট-আপের উপস্থিতি ছিল মাত্র দুজন/ তিনজন সভাপতিত্ব করেছিলেন শওকত আলী তারপর ফেসবুকের পোস্ট দিয়ে সবার সাথে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় মিটআপের অ্যারেঞ্জ করেন মোঃ আল-আমিন
আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক
সবার সুন্দর আলোচনায় উক্ত মিটআপের সকলের আন্তরিকতা এবং ভালবাসায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ফেনী জেলা টিমের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
সাতক্ষীরা জেলাতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিজের বলার মত প্লাটফর্মের মাসিক মিটআপ অনুষ্টান। উক্ত মিটআপ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা টিমের সকল সদস্যদৃন্দ।
আব্বার মুখে কথা গুলো শুনে নিজের অজান্তেই কেঁদে ফেললাম। নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে এখন। শুধু নিজের ভালোর জন্য,বাবা মাকে এতটা কষ্ট দেয় আমি। যে বাবা মা আমাকে আমাকে এত ভালোবাসে তাদের কে আমি এতদিন অবহ
এবার গ্রুপ চেঞ্জ করি এবং এবার চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ডিগ্রীতে ভর্তি হই। কিন্তু আর পারিনি কন্টিনিউ করতে মা, বাচ্চা, সংসার সামলাতে ব্যস্ত আমি ছেড়ে দিলাম সব। খুব মিস করি ভাবি মা সুস্থ থাকলে হয়তো পড়াশোনা
প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব।
মিট আপের মধ্যমনি প্রিয় রুহুল আমিন ভাই,বরিশাল বিভাগের গর্ব তার মুল্যবান সময় দিয়ে আমাদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল
বাচ্চা থাকলে বাচ্চাটার জীবনতো ধ্বংস হবেই সাথে নিজের ও, তাই নিজেকে তৈরি করতে হবে এমনভাবে যেনো আমাকে দেখে আরো দশটা মেয়ে বাঁচার সাহস পায়। জীবনকে থামতে দিলে হবেনা, বাঁচার সম্ভবনায় সূর্যটা উদীত করতে হবে
কত কস্ট করেছি ইউক্রেন তার ছোট একটা অংশ শেয়ার করছি।টানা ৮ মাস ভাত কি জিনিস তা চোখে দেখিনি খাওয়া ত দুরের কথা। ইউক্রেন সময় দুপুর ১২ টায় ২ পিছ পাউরুটি আর হাফ গ্লাস পানি আর রাত ১২ টায় সেইম খাবার ।নাটকিয় এ
এভাবে প্রায় ছয় মাস চলে গেল। এরপর এক বন্ধুর কোম্পানী থেকে একটা ফুড আইটেম ডিলার নিলাম। সেখানেও নতুন প্রডাক্ট থাকায় টিকতে পারলাম না। বাধ্য হয়ে আবার চাকরি খুজতে শুরু করলাম। সবশেষে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে
চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুলশান জোনের অফলাইন মিট আপ
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা নিয়ে আজ বিশ্বব্যাপি এগিয়ে। তৈরি হচ্ছে মানবিক মানুষ, তৈরি হচ্ছে এক একজন সফল উদ্যোক্তা ইন-শা-আল্লাহ্ আমাদের মতিঝিল জোনও এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় স্যারের
কাউকে না যানানোর কারন আমার অনেক টাকা দেনা।এজেন্সি থেকে যেই লোকটার বিশা হয়েছিল তার পাঁচ লক্ষ টাকা লাগছে এবং শর্ত ছিল এই টাকার কথা
জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সাথে কমিটমেন্ট।
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
আমি এরপর আর মেনে নিতে না পেরে ফেসবুকের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ওনাদের বুঝালাম এবং ছেড়ে দিলাম। শুরু হলো আবারও আমার বিভীষিকাময় দিন। আমার খুব কাছের বন্ধু খুব ভালো ছবি তুলতে পারে, ইচ্ছা বড় ফটোগ্রাফার হওয়ার।
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
রাতের অন্ধকার ঘেরা মানুষ আমি হুট করে সন্ধান পেলাম আমার মেন্টর জনাব_ ইকবাল বাহার জাহিদ_স্যার এর। সেই মেন্টর এর fb id এর follower ছিলাম, আর সে ভাবেই চোখে পড়ে একদিন নিজের বলার মতো একটা গল্প প্লাটফর্ম এর
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
❣️আমি কারো সন্তান, স্ত্রী কিংবা মা এর পরিচয় এ-র বাহিরে নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে চাই। তাই জীবনের এ-ই পড়ন্ত বেলায় আপনাদের কাছে আমার একটা বার্তা পৌঁছে দেয়ার আছে ---- আমরা একে অপরের হাত ধরে ওয়াদা করি -
মাদারীপুর জেলা অফলাইন মীট আপ উপস্থিতি ছিল অনেক। চমৎকার আয়োজন দীর্ঘ সময় উপভোগ করেন প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
আমিঃ ভাই দুই ভাবে দিতে পারবেন বিশ্বাস করলে পুরোটা দিতে পারেন আর শুধু চার্জ টাও এডভান্স করতে পারেন।কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারি করলে একটু সমস্যা আবার কুরিয়ার থেকে পরে টাকা আনতে যেতে হয়।তারা নিদিষ্ট টাকার উ
আমরা অনেকে মনে করি যে হাতের কাজে কষ্ট নেই খুবই সিম্পল কাজ। কিন্তু যিনি করে তিনিই বুজে কতটা কষ্ট। আমরা অনেকে অন্যকে দিয়ে কাজ করাই কিন্তু তাদের সঠিক পারিশ্রমিক দিতে জানি না।তাই আমাদেরকে সব দিক বিবেচনা