আমি একজন প্রবাসী, জব করছি একটা কফিশপে, সেই সুবাদে অনেকের সাথে দেখা হয় কথা হয়, একদিন এক বাংলাদেশী ভাই আমার কফিশপে উনার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় নিয়ে আসলেন, উনারা মোট সাতজন ছিলেন,
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
কোন কারনে কোন একজনের সাথে আমার একটু ঝামেলা হয়েছিলো। এই কারনে আমি অভিমান করে গ্রুপ থেকে দুরে ছিলাম। কিন্তু প্রতি মুহূর্তে আমি গ্রুপটাকে মিস করতাম। সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে আবারও আপনাদের মাঝে ফিরে এ
তিনি আগে থেকেই কুয়েতে থাকতেন। এখন আবার আর এক সংগ্রামের জীবন শুরু হলো। স্বামী ছাড়া শ্বশুড় বাড়ি বুঝেনই তো। মানসিক টরচার ও অনেক কথা শুনতে হতো। তাদের কাছে মনে হতো একজন কাজের মেয়ে নিয়ে আসছে। সারাদিন মা
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র'র দুর্দান্ত সিলেট জেলা টিমের মাসিক মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাণবন্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
প্রিয় মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক আয়োজিত ১ লাখ মেম্বার সেলিব্রেশন এবং নতুন দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের বরন করে নেয়া এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে,
জীবন বহতা নদীর মতো।এ জীবনে ঘটনার শেষ হবেনা।তবে থেমে থাকা যাবেনা।স্যারের প্রতিটা সেশন এ কথাগুলোই বারবার মনে জাগিয়ে দেয়।
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি।
শূন্য হয়ে আসার জন্য আমার ভিতরটাও চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। আমি বোনকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেই। 😭 আমার মা আমাকে দেখে যেনো প্রান ফিরে পায় আমি আর আমার মা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করি,
আমাদের মায়েরা এত ত্যাগ কেমনে করে কেমনে ???আমরা সন্তানরা তো এতো ত্যাগ করি না ।পারলে আমরা আমাদের সুখের জন্য আমাদের মায়েদেরকে ত্যাগ করিদি ।উনারা উনাদের পছন্দ খাবার রেখে দেয় সন্তানে পছন্দ খাবার তাই ।আর
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক # গোপালগঞ্জ (ঢাকা)জেলা "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছেন অফলাইন মিট আপ। 🔊
দিনে দিনে এই রসমালাইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো আচার-অনুষ্ঠান এবং মিষ্টিপ্রিয় মানুষের কাছে রসমালাই এক প্রিয় নাম হয়ে ওঠে। মাতৃভান্ডারের ব্যবস্থাপক অনুপম দাস জানান, ১৯৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশ
আপনাদের কারও যদি আয়কর রিটার্ন সম্পর্কিত কোনো ঝামেলা হয় অথবা তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
অনেকেই বলেছিল তুমি পারবা না 👎 আপনার স্বপ্নের কথা শুনে তাহারা হাসবে আর বিজ্ঞ পন্ডিতের মতো বলবে "পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে। বিশ্বাস করেন এই ভাবেই আমাদেরকে থামিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের শেখানো হয় ঐটা ত
আমার পরিবারের ইচ্ছা একটা ভাল চাকরি করলেই হবে। কিন্তু আমি তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, নিজে কিছু একটা করবো। নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। সেখানে অনেক লোক কাজ করবে। সে কারনেই J S C পড়িক্ষার পর বানিয্য বিভাগ
আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পেরেছি। মার কষ্ট কিছু টা হলেও কমাতে পেরেছি।এখন আমি বুঝতে পেরেছি যে সব সময় পর নির্ভর থাকা ঠিক না। ভয় কে জয় করতে হবে সাহস করতে হবে।
প্রতিটি শিশু জন্মের পরে তার মা বাবাকে চিনে না।তাকে শিক্ষা দেয়া হয় এটা তার মা, এটা তার বাবা।কিছুদিন পরেই সে বুঝে নেয় তার মা,বাবাকে।পর্যায়ক্রমে আশে পাশের সব কিছু তার মধ্যে সহজ ব্যাপার হয়ে যায়।এছাড়া জন্ম
থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গি
সর্বশেষ যশোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সকলের প্রিয় মেন্টর, ভালো মানুষ ও উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যার জন্য এমন মানবিক ও শিক্ষা মুলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করার
আর সেটা জদি হয় মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহিন, সেই কারনে জদি হাড়াতে হয় জিবন শুরুর গুরুত্য পুর্ন সময়,,,,নস্টো হয়ে যায় ফিউচার, সাথে হাড়াতে হয় সহায় সম্বল, জায়গা জমি,,,,লুটপাট করে নিয়ে যায় ঘড়ের মালামাল,,সর্বশ্য
মনে রাখতে হবে একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো বড় বিষয় নয়। মার্কেটিং করা বা আপনার পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ করে কাস্টমারের দৌড় ঘোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কারণ আপনাকে মাথায় রাখ
মন থেকে অনুভব করলাম আমরা উদ্যোক্তা হওয়ার পথে যা যা প্রশ্নের সম্মুখীন হয় সবকিছুর সাথে মিলে যায় সেইসাথে অসাধারণ সব পরামর্শ যা উদ্যোক্তাদের জন্য পথনির্দেশক হিসেবে অনেক বড় সহায়ক
আমার জন্ম লক্ষীপুর জেলায়। গ্রামে জন্ম তাইতো প্রকৃতির মতোই ছিল আমার বৈশিষ্ট্য। ছোট থেকেই ছিলাম দুষ্ট, চঞ্চল, হাসি - খুশিতে ভরপুর একজন মানুষ।লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ, কারাতি, সেলাই,
আমি যেভাবে বলে দিতাম সেই ভাবে করতো আমার থেকো ও দ্রত ।। তখন আমি অনেকগুলু ব্যাগের অর্ডার পেয়েছি ।। আমি অনলাইন সম্পর্কে তেমন বুঝতাম না।। ছোটো ভাইয়া আমাকে আমার নামে একটা পেজ খুলে দিয়েছেন । উনার ইচ্ছা আমার
সবার কাছে সবার বাবা একজন পৃথিবীর সেরা মানুষ, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্তু আমার নিকট আমার বাবা তার থেকেও আরে বেশি কিছু,যার কোন উপমা হয়তো আমার জানা নেই। আমার বাবা একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী, যার কারনে ছো
আমার জীবনে আমি অনেক খারাপ সময় পার করেছি।অনেক কষ্ট সহ্য করেছি।যাকে আমার পাশে পাওয়ার কথা ছিলো তাকে পাইনি।তবে আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ পাশে পেয়েছি যারা আমাকে আমার জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য
আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশে ছিলো আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চায়, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়, আমার একমাত্র ভায়টাকে কিছু
তখন মহিলাটি বলে, আফা, আমি মাহাজন এর কাছ থেকে আম, নিয়ে এখানে আম বিক্রি করতে বসছি, মাহাজান বলছে আমি এই দামে আম বিক্রি করতে পারলে মাহাজান আমাকে ১০০/- টাকা দিবে। তখন আমি বুঝে গেলাম, মহিলাটি একজন রিসেলার।
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
May 1, 2019 · আজ মে দিবসেও প্রখর রোদে যে সব শ্রমিক ও রিকশাওায়ালা ভাই ও বোনরা রাস্তায় কাজ করছে তাঁদের জন্য "আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কাজের অংশ"। ধন্যবাদ Lokman Hossain ভাই যাকে আমি শ
রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা, এই বার মহাসম্মেলন উপলক্ষে Iqbal Bahar Zahid স্যার এর নির্দেশনা টিকিট উৎসব পালন করলো অফলাইন মিটআপের মাধ্যমে।
নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাঁদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
কোনো কূল কিনারা খুঁজে না পেয়ে নিজেকে আত্মগোপন করার প্রচেষ্টা চালায় । এমতাবস্থায় আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ইনভাইট করে নিজের বলার মতো একটি গল্প গ্রুপের। আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ। সেই থেকেই আমি আস্তে আস্ত
আমাদের বগুড়া জেলা টিমের সন্মানিতা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর শ্রদ্ধাভাজন Selina Akter আপুর পরামর্শে বগুড়া জেলা টিমের মাসিক অফলাইন মিটআপ সুসম্পন্ন হয়েছে 💕
কারো জীবনই কোনো সমান্তরাল ধারায় চলেনা। বেশির ভাগ মানুষের জীবনের বাঁকে বাঁকে ভাঙা-গড়া; উত্থান-পতনের গল্প থাকে। আর যাদের তেমন কোন গল্প নেই তারাতো জীবনের মানেটাই বোঝে না বেশ কিছু দিন আগে আমি লেখাটি লিখে
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
গুড়ার একজন অসহায় গৃহহীনকে ১টা ঘর বানিয়ে দেয়া হয়েছে - ২০১৯ # ২ জন গরীব তরুণকে ৫০,০০০ টাকা ও অন্য ৪ জনকে ২৫,০০০ টাকা করে মূলধন দিয়ে ব্যবসা দাড় করতে সাহায্য করা হয়েছে - ২০১৮। # দেশের ৬৪ জেলায় সবাই মিলে
ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমাদের এখানে সপ্তাহে দুইদিন হাঁট বসে। আর আমি যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম তখন আমার আব্বার সাথে হাঁটে যেতাম। সেটা ছিলো গ্রাম্য হাঁট আর এইটাতো অনলাইন হাঁট। তবুও আজ বার বার আমার
আলহামদুলিল্লাহ সকল প্রবাসী ভাই এবং দেশীয় প্রিয় ভাইদের সার্বিক সহযোগিতায় অত্যন্ত সফলতার সহিত অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলার নবীন বরণ এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
জীবন- সংগ্রামে টিকে থাকার চেষ্টা করবে সেই হবে একজন সফল ব্যক্তি, সফল উদ্যোক্তা।কবির ভাষায় তাই বলতে হয়ঃ- পারিব না একথাটি বলিও না আর, একবার না পারিলে দেখ শতবার।
অনেক আবেগ নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে, আশা নিয়ে লেখা শুরু করি,আমাদের না বলা কথা গুলো এখানে প্রকাশ করি।আর যখন Sod হয় লেখাটা,তখন তো লেখার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।সবাই যখন অভিনন্দন জানায়,তখনকার অনুভুতিটা প্রকাশ করা
২০১৮ এর বানিজ্য মেলায় অনেক সাহস করে স্টল নিয়ে ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ ভালো ভাবেই শুরু করেছিলাম।আমাদের মালামাল ঢুকানোর আগেই আমার মা অসুস্থ হয়ে জরুরি ভাবে স্কয়ার হসপিটালে ভর্তি হন।আমি দিনের বেলা আমার মেলা
এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে, সম্প্রতি চার বন্ধু মিলে আমরা নতুন একটি যৌথ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান খুলেছি। নাম দিয়েছি,"বাংলাদেশ অর্গানিক ফুডস্ এন্ড ফ্যাশন"। চৌষট্টি জেলায় এখন আমরা পণ্য সরবরাহ করে থাকি। আমাদের
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনা মূল্যে ২০০০তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
মানবতার সেবায় নিয়োজিত সাভার জোন সবসময় চেষ্টা করে নিজেদের অবস্থান থেকে মানবিক কাজে অবদান রাখার। গত বছরের মতো এই বছরেও অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে সাভার জোন।