আমার অনেক বড় একটা স্বপ্ন ছিল আমি মার্চেন্ডাইজার হব কিন্তু যখন আমি বাসায় আসি বাবার এই অবস্থা দেখি তখন আমার সমস্ত স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যাবে যা হোক তাকদীর যেটা হবার সেটা হয়েছে আমার কোন আফসোস নাই। যখন মারা
২লাখ ২০হাজার টাকা দিতে হবে মালয়েশিয়া পৌছানোর সাথে সাথে। এত টাকা কিভাবে যোগাড় করব মাথায় কুলচ্ছিল না।আমার সহধর্মিণী আমাকে ভরসা দেয়ঃতুমি যাও,টাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। রাতেই রওনা দিলাম চট্টগ্রামের উদ্দেশ্
মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক- লক্ষ তরুণ-তরুণীর আইডল, আমাদের নয়নের মনি, স্বপ্নদ্রষ্টা, জীবন্তকিংবদন্তি, শ্রদ্ধাভাজন জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ভালমানুষি চর্চায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ড
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর আমার বাবার ঐখানে আমার চাকরি হয়ে যায়। যার সুবাদে আমি আমার বউ কাজের এখানে চলে যায়।অল্প টাকা বেতনে কাজ করি কিছুদিন আমি ভাবতে থাকি এভাবে কি করে জীবন চলবে।এর কারণে আমি আমার বউয়
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
জীবনে কখনো ভাবিনি মোস্তফা জব্বার স্যার ও ঢাকার উত্তরের মেয়র আতিকুর ইসলাম স্যার কে কখনো স্বশরীরে দেখতে ও তাদের উপদেশ ও তাদের ব্যর্থতার কথা শুনতে পারবো। জব্বার স্যারের বানানো বিজয় সফ্টওয়্যারে দিয়ে প্রতি
আপু বললো জ্বি ভাই দিতে পারবো তবে শর্ত হলো আপনি কমপক্ষে ৬টি শাড়ী নিতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে আপু নিবো। তারপর অর্ডার করে শাড়ীগুলো নিয়ে আসি। আর আমার বৌ সবাই কে খবর পাঠায়। সবাই এসে দেখেতো অবাক কি করে
আজকের কর্মসূচি সফল ভাবে সম্পূর্ন হলো। যারা পুরো কার্যক্রমটি সফল করতে স-শরীরে উপস্থিত থেকেছেন। এবং কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। তাদের প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন।
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
যার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের বিনিময়ে এতো সুন্দর একটা প্লাটফর্ম যেখানে বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা তথা বিশ্বের ৫০ টি দেশে নিজের বলার মতো একটা গল্প প্লাটফর্ম ছড়িয়ে আছে। যার জন্ম না হলে এতো গুলো ভালো ম
প্রবাসের জীবন হতাশা চলে আসছে।অনিচ্ছা স্বত্বেও ।কাজ করতে হয়।কাজ করতে ব্যাক পেইন শুরু হয়ে গেছে,সেজা হয়ে বেশীক্ষণ বসে থাকতে পারিনা।
জীবন কি জিনিস সেদিন বুঝতে পারছি, আমার পাশের সিটের লোকটি সহ ৩/৪ মারা যায়। আমার আলহামদুলিল্লাহ সামান্য ব্যথা লাগে। মায়ের দোয়া হইত সেইদিন আল্লাহর রহমতে আমার কিছু হইনি। মা বাবার দোয়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়া
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
প্রিয় স্যারের ভিডিও গুলো রাত জেগে দেখি।স্যারের বলা প্রতিটি কথায় মনে অনেক সাহস পাই।আর মনে মনে ভাবি আমার কষ্টের দিনগুলো একদিন হয়তো "নিজের বলার মত একটি গল্পের" প্লাটফর্মে আমাকে নিয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ।
আমি জাকারিয়া হাসান, দুই ভাই এবং এক বোন এর মধ্যে আমি বড়। ছোট ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে পেশায় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্যালিওগ্রাফার। বোন কওমি
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
সারারাত সি সি ইউ আই সি ইউ তে নাইট ডিউটি করে মর্নিং শিফটে ক্লাস করতে যেতাম। খুবই কষ্ট হতো তবুও ইচ্ছা শক্তি ছিল আমাকে পাড়তে হবে। চালিয়ে গেলাম। কিন্তু বড় ভাই রাগ ছিল শুরু থেকে তাই খরচ দিত না।
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
বেডে যখন শুতে আসলাম হাত দুটোর ব্যথায় আমি কাতর। এদোকান থেকে ওদোকানে যেতে দুহাতে যে ভারী ব্যাগ টেনে বইয়েছি তার ফলস্বরূপ এবং দীর্ঘ সময় নেটে থাকার ফলে ততক্ষণে আমার মাথা এবং হাত দুটোই প্রচন্ড ব্যথা করছে
টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলার সবাই মিলে আগামী ১৪ ই জুলাই ২০০০ তম দিন
আজকে মাসিক মিটআপে আমাকে এইভাবে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন সকলে তা কল্পনা করি নি। খুব ভালো যেভাবে লেগেছে তেমনি অবাক হয়েছি আমাকে এতোটা সম্মান দেয়ার জন্যে।
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমাদের মত লক্ষ লক্ষ তরুন তরুণী নিজের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে হাটতে শিখছে।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে চাই বিশেষভাবে আমাদেরকে স্যারের লেখা বই স্পন্সর করে সহযোগিতা করেছেন যিনি তার জন্য। তিনি আর কেউ নয় সবার পরিচিত ও ভালোবাসার মানুষ Mezbah Ahamed ভাই মডারেটর ও জেলা সমন্বয়ক (চাঁদপুর)
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
ওসমান গণি ভাইয়ের ১মহাদান। উৎসর্গ সম্মানিত ইকবাল বাহার ভাইয়া। অসমান ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন ১ম ব্যাচ থেকে যাত্রা শুরু করেন। আমাদের মাঝে রয়েছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রদ্ধেয় সানজানা শাহজাহান আমাদের প্রিয় গুলশান
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের আরও একটি ব্যাতিক্রম আয়োজন আইডিয়া কম্পিটিশন ও গল্প ইনকিউবেশন ম্যাচ মেকিং এর শুভ উদ্বোধন
দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় জেলা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ। মহা-সম্মেলন কে সফল করতে ময়মনসিংহের প্রতিটা উপজেলা পর্যায়ের মিট আপ চলছে ধুমধামে আলহামদুলিল্লাহ। তারই ধারাবাহিকতায় আসছে ০৪/১২/২০ ইং (রোজ শুক্রব
তারা ছোট থেকেই বিজনেস শুরু করেছিলো , সেই ছোট বিসনেস আকরে ধরে লেগে থাকার কারনে -ধীরে ধীরে একটা সময় গ্রুপ অফ কম্পানির মালিক হয়েছে । বিজনেস করতে কোটি কোটি টাকা প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু কমিটমেন্
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?
বাংলার রুপ আমি দেখিয়াছি.... পৃথিবীর রুপ খুজিঁতে চাইনা আর....
👉প্রিয় স্যারের মহৎ সকল কর্ম দেখে, আমি আপনাদের নিকট আমার উদ্যেগের বিষয় বলিলাম, আমার ছোট কালের ইচ্ছে যে আমি একজন ব্যাবসায়ি হইবো, আমি উদ্যেগ নিয়েছি যে, বর্তমান যেহেতু ইন্টারনেটের যুগ,সেহেতু যত দিন যাব
আমি সততা,কমিটমেন্ট এবং পণ্যের মানের সাথে কখনো কম্পোমাইজ করিনা। স্যারের শিক্ষা থেকে শিখেছি কিভাবে বিনয়ী আচরণ দিয়ে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকা যায়। দিন শেষে কতটা জয়ী হবো তা জানা নেই তবে শেষ অবধি লেগে
ঈদ পূর্ণমিলনী পজিটিভ শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা উপজেলায়, এসে উদ্যোক্তা প্রমোট
আলহামদুলিল্লাহ, সাভার জোন কর্তৃক নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন প্রস্তুতি মিট আপ অনুষ্ঠিত হলো।
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, মানবিক সংগঠন "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর, হবিগঞ্জ জেলা কৃর্তিক আয়োজিত মাসিক মিট আপ।
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশন একটি “উদ্যোক্তা তৈরির কারখানা”। এখানে উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ১৭টি বিষয়ে স্কিলস শেখানো, মূল্যবোধ, লিডারশীপ ও ভলান্টিয়ারিং চর্চা সংক্রান্ত প্লাটফর্ম।
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?💪💪 কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ। ইলিশের শহর চাঁদপুর জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শফত নিয়েছে এক ঝাক স্বপ্ন বাজ তরুন, বেকারত্বের ও চাকরি
-স্যারের সেশন নিয়ে প্রতি রাতে ১ঘন্টা আলোচনা ২- প্রতিদিন ১ ঘন্টা ব্যাবসায়ীদের একসাথে করে তাদের খোজ খবর নেয়া ৩- প্রতিদিন ১ জন উদ্দোক্তাকে প্রমোটিং ৪-নিজেরা নিজেদের থেকে ক্রয়-বিক্রয় ও কিনতেচাই পোস্ট এ
(পূণ্যতা) আমার মেয়ে যখন ঘুমাতো আমি তখন পড়তাম।এমন ও হয়েছে আমার মোটা ব ইটা আমার হাত থেকে পূণ্যতার উপর পরে গেছে। আমি হাল ছাড়ি নি। যতবার আমার পরীক্ষা থাকত সেই দিন পূন্যতা অসুস্থ্য হয়ে যেত।বেশির ভা
বর্তমানে দুচোখে স্বপ্ন ভরা একজন তরুণ উদ্যোক্তা। এখন আমি সবার সামনে গর্ব করে বলি আমি একজন উদ্যোক্তা। যাইহোক এখন ফিরে যাই আমার অতীতে। স্কুল পেরিয়ে কলেজ কলেজ পেরিয়ে ভার্সিটি এই দীর্ঘ সময় ধরে সেই একই স
এই গ্রুপে একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়, যার মাধ্যমে নিজের একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। বাবার কথা মতো আমি স্যারের প্রতিটা সেশন পড়া শুরু করে দেই এবং একটি একটি করে ৯০ টি সেশন পাঠ শেষ করে ১৫ তম ব্য
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
প্রায় ৩৩ বছরের কর্মচঞ্চল জীবনে হটাৎ ই নেমে আসে স্থবিরতা। মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Nover
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে বড় হয়েছি এই বিপ্লবী আমি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও পিছিয়ে আমি। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই আমাকে ক্ষান্ত হতে হয়েছে। কিন্তু সমাজে সবার চাইতে সৎ এবং ভালো মানুষের কৃতিত্ব আম