আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। বিশেষ করে মেয়েদের নিয়ে কাজ করতে চাই।আমি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই।এবং নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরী করতে চাই।
🌷🌷বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসলামু আলাইকুম ..........। 🌷🌷🌷প্রথমে শুকরিয়া জানাই মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি যিনি আমাদের এই মহামারীর সময়েও সুস্থ রেখেছেন। তরপর কৃতজ্ঞতা জানাই লক্ষ তরুনের স্বপ্নদ্রষ
বৃষ্টি সবার জন্যই পড়ে, কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। প্রিয় স্যারের এমন হাজারো বাণী কতই না পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে। বিশেষ করে প্রিয় স্যার এবং প্রিয় গ্রুপের এত এত প্রিয় মুখগুলোর কাছে সারা জীবন আমি কৃতজ্ঞ
এই ফাউন্ডেশনে এসে আমি সফল উদ্যোক্তা হতে পারব কিনা জানি না।তবে আমি ভালো মানুষ হতে পেরেছি।এখন হয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগবে তাহলে কি আগে খারাপ ছিলেন? স্যার বলেছেন
আর ডাক্তার এর সাথে কথা বল একটা কিডনি লাগলে আমি দিবো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসতো আমার সঙ্গে আমার বাবার ব্লাডগ্রুপ ম্যাচ করলো না ডাক্তার বললো সেইম ব্লাডগ্রুপ লাগবে। তা-না হলে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে না।
যেখানেই যাই সেখানেই সুযেগ পেলে তুলে ধরার চেষ্টা করি আমার প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে। এভাবেই একদিন বিশ্বের দরবারে পোক্ত জায়গা করে নিবে আমাদের সবার প্রিয় " নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন।
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
মুজাহিদ ভাই ও প্রতুল প্রাঠক তারা এই গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবক তারা দুইজনই খুব হেল্পফুল মানুষ। আশা করি তোমাকে যথেষ্ট হেল্প করবে। ঐ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার তিনি একজন মানবিক মানুষ।
আমাদের বাস্তব জীবনে সফল হতে কে না চায়। এর জন্য তারা জীবন ভড় পরিশ্রমও করে যায়। কিন্তু এ পরিশ্রমটি যদি ভূল পথে হয় তাহলে কঠোর পরিশ্রম করলেও তা অর্থহীন। আমাদের লুকায়িত শক্তি অর্জনে, সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত
বাবা হলো আমার জীবনের রিয়েল হিরো,যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমার বাবা কত ভালোবাসাতো সেই কথাই আজ আপনাদের বলব ,আমার বাবা একজন ড্রাইবার সারাদিন ড্রাইব করে রাতে বাসায় এসে জিজ্ঞেস করত কি লাগবে করে আবার দোকানে
শুরুটা তখন থেকেই হয়েছিলো।লিখতে আরো বেশি অনুপ্রেরণা পেতাম। সকলে উৎসাহিত করতো।ভাল লাগতো এসব খুব।
আমার উদ্দোগক্তা শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু এস এস সি দেয়ার পর পরই পরা আমার বিয়
স্বপ্ন ভেঙ্গে সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছি প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের কথা শুনে,স্যারের ভিডিও সেশন দেখে এবং প্রতিদিনের নিয়মিত সেশন চর্চা ক্লাস করে।
আজ ০৮/১২/২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী সরকারী কলেজে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই তুলে দিলাম অধ্যক্ষ মহোদয়ের হাতে।
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
এভাবে কেটে যাচ্ছিল আমার প্রবাস জীবন হঠাৎ একদিন আমি ভাবলাম দশটি বছর কাটিয়ে দিলাম কি পেলাম কি হারালাম কি দিলাম কিনিলাম তা বুঝতে না বুঝতেই কেটে গেল আমার জীবন থেকে দশটি বছর মনের বিতর হতাশা কাজ করছিল সব
Iqbal Bahar Zahid স্যারের ১৮ টি গাইডলাইন নির্দেশনা অনুযায়ী সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অদম্য টাংগাইল জেলার অফলাইন মাসিক মেগা মিট আপ।
১৪/ বাংলাদেশের এই প্রথমবারের মতো সপ্তাহিক অনলাইন হাট, এটাই হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবেন। ১৫/ মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,, নাজনিন আপু কাজিন আপু এক সাথে বলে উঠলো মনির ভাই থামেন থাম
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
প্রায় ৩৩ বছরের কর্মচঞ্চল জীবনে হটাৎ ই নেমে আসে স্থবিরতা। মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Nover
প্রথম বর্ষেই বিয়ে হয়ে গেল।সংসার পড়াশোনা চলতে থাকলো।অনেক টা সুস্থ ও ছিলাম।ডিগ্রি শেষ হলে ছেলে হলো।মাস্টার্স শেষ করার পর মেয়ে হলো।আবার শুরু হলো প্রায় প্রায় ব্যাথা।চলতেই থাকলো ব্যাথা।দুটো বাচ্চা, সংসার আ
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
জীবনের ব্যস্ততা ও বাস্তবতা প্রকৃতির নিয়ম। নিয়ম মেনেই প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে জীবনের সাথে ছুটে চলেছি আলহামদুলিল্লাহ।
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
কতটা দর্য্য থাকলে খালি পেটে মাথায় টেনশন নিয়ে তারসাথে স্বাভাবিক ভাবে কথার উওর গুলো দিলাম। আর আমি আমার ফেসবুকের টেনশনে শেষ 😥কিছুখন পর এক ক্লাইন্ট ফোন করে বললো আপু আপনাকে ম্যাসেজ দিচ্ছি সিন করেন না মোব
আগস্টের 3 তারিখ সকালেই শুনলাম বাবার শরীরটা একটু খারাপ। হালকা জ্বর। সারারাত ঘুমাতে পারেনি বাবা। তাই সবাই মিলে ডিসিশন নিলাম তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করব। এরইমধ্যে যেখানে জাকে পেয়েছে পরিচিত সবাইকে বলেছি।
আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।ইচ্ছা হচ্ছিল বলতে আপনার মেয়েকে তো বলতে পারেন কাজে আমাকে একটু সাহায্য করতে।সব কাজ কী এখন আমি একা করতে পারবো!! কী হলো যাও রান্নাঘরে।আর শোন
18 October at 20:18. আলহামদুলিল্লাহ। অধ্যক্ষ বরাবর চিঠি প্রদান করা সম্পূর্ণ হলো। যার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে নাম দিয়েছিলাম অনলাইন হাটের জনক ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী গোদাগাড়ী সরকারি
আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান...
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো তানজিমুল উম্মাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুবিধাবঞ্চিত এতিম হাফেজ শিশুদের সাথে অতন্দ্র গাজীপুর জেলার ইফতার ও দোয়া মাহফিল।
তার পর ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে কিছু টাকা দেন হাত খরচে জন্য সব টাকা তো আপনার কাছে দিচি আমার মা বাবা দুইজন এই নেই সব তো আপনার কাছে। তার যবাবে আমার কাছে কোনো টাকা নাই আমি সংসারে খরছ করে ফেলেচি আমার ক
বাসা থেকেই সেল করছি, আমার একটাই স্বপ্ন আগামিতে আমার একটা শোরুম হবে ইনশাআল্লাহ। সকলে দোয়া করবেন আমার জন্য আমি যেন আমার স্বপ্ন গুলো পূরণ করতে পারি জীবনে অন্তত একজন পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পারি।
আমিও বাবাকে এই গ্রুপে অ্যাড করিয়ে নেই, বাবার শেখানো শিক্ষায় আমার এটুকু জীবনের পথচলা, আমার জন্য আমার বাবা ও একজন শিক্ষক,কিন্তু আমার বাবা ওএই গ্রুপে শিখে, আমিও শিখি, কারণ আমরা জানি শিক্ষা এবং জানার কো
আমরা প্রবাসীরা অনেক সময় একবার রান্না, করে দুইদিন খেয়ে জীবন কাটাই, শুধু কর্মের খাতিরে। শুধু পরিবার-পরিজন ও দেশের খাতিরে। এগুলো মনে পড়লে চোখের কান্না ছাড়া অন্য কিছু আসে না।
দীর্ঘ ৯ বছর টানা প্রবাস জীবন শেষে এবার দেশে ছুটিতে যাওয়ার পালা বাবা বারবার তাগিদ দিচ্ছিলেন তুমি দেশে আসবে কবে আমার শরীরটা ভাল না তুমি একটু আসো তোমাকে দেখতে মন চাচ্ছে ৩-৬-২০১৫ সালে চলে গেলাম বাংলা মায
শেরপুর জেলার ৩য় মিট আপ অনুষ্ঠিত হল নালিতা বাড়ির উত্তর গড়কান্দা,ঘোনাপাড়া আমাদের সবার প্রিয় জয়নাল ভাইয়ের নতুন প্রতিষ্ঠান স্বপ্নপুরী রিসোর্স সেন্টারে।
৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
আশে পাশের সবাই কান ঘুসাঘুসি করতে শুরু করলো মাষ্টার মানুষের ছেলে বাবার এত সম্পত্তি থাকতেও এই কাজ করা লাগবে. ওর দ্বারা এই এত কঠিন কাজ হবে না.. ইইইইইইইইইই. এমন কথা শুনে খারাপ লাগতো খুব.. তখন বাবা বলতো, শ
আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাব এবং আমি যে উদ্দেগ গ্রহন করেছি সেটাকে আরো বড় করার পরিকল্পনা
আমি গ্রামের একটা ছেলে। গ্রামের নয় দশ টা ছেলে মেয়ের মতোই আমার বেড়ে ওঠা। কিন্তু আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোন। ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট ছিলাম। আমি মোটামুটি অন্যান্য ভাই
জাতি হিসাবে এটা আমাদের কাছে কত বড় একটা পাওয়া সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আমরা বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ গুলো প্রিয় এই মাতৃভাষায় কথা বলে নিজেদের কে গর্ববোধ করি। ভাষা প্রকাশের যেই অনুভূতি যারা দেশ
অদম্য টাঙ্গাইল জেলা নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মের উদ্দ্যোগে আর্তমানবতার সেবায় টাঙ্গাইল জেলা
মাঃ হুম, বুঝতে পেরেছি বাবা। আমি জানতাম আমার ছেলে ভালো কাজেই থাকে। কিন্তু তুই তো আমাকে আগে বলিস নাই এতো কিছু ফেইসবুক এ আছে। রাফিঃ মা, ঈদের surprise দেয়ার জন্য তোমাকে বলি নাই। মাঃ পাগল ছেলে। বাজার
আমি আমার পরিবারকে ফিরে পেয়েছি আপনার ভিডিও দেখে একটা ভিডিও তে ছিলো এমন যে নিজের ফ্যামিলি কে কনভিন্স না করতে পারলে কাস্টমার কে কিভাবে করবে তারপর শুরু হয়ে গেলো এখন আমার পরিবার সাথে আছে
❤️একুশের চেতনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিম। এই একুশ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো তাই আমি এই ২১ ভুলতে পারিনা!! আজ আমরা বাংলা বলতে পারি শুধুমাত্র ভাষা শহীদদের ত্যাগে
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
রিয়াঃআসলে সব সময় ভাবতাম স্বামীর এতো টাকা থাকতে আমাকে কেন কিছু করতে হবে?কিন্তু করোনার কারনে ওর চাকরি চলে গেছে।যা টাকা জমা ছিলো সব খরচ করে ফেলেছে।বাসায় ঠিক মতো টাকা দেয় না।টাকা চাইলেই অনেক কথা শুনায়।বলে
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই