ইতিমধ্যে আমার বোন আমাকে বলে যে ভাই অনলাইনে বিজনেস করা যায়, তুমি যদি চাও তাহলে করতে পারো ও আমাকে কিছু নিয়ম শিখিয়ে দিল,আমি সেইভাবে একটা পেজ খুললাম,কিছু সেলার নিলাম, দুই ভাইবোন মিলে কাপড়ের ব্যবসা শুর
লক্ষ্মীপুর জেলা কৃতজ্ঞ, কৃতজ্ঞ আমি নিজে,, এভাবে লক্ষ্মীপুর জেলাকে আলোকিত করে রাখবেন।প্রবাসীদের সম্মানিত করায় আবারও কৃতজ্ঞ আপনাদের প্রতি।
আমার ছেলের বয়স যখন ১৪ দিন তখন আমাকে টাকার খোজ করতে বের হতে হয়।প্রতিদিন কিস্তির স্যারেরা৪জন ৫জন করে বাড়িতে আসতে থাকে। বলে যেখান থেকে পারেন টাকা নিয়া আসেন আমরা বসে রইলাম। আমি টাকার খোজে চলে গেছি আমার শ
ধন্যবাদ, ওয়ারী জোন সকল দায়িত্বশীল ও সদস্য দের। এভাবেই এগিয়ে যাবে ওয়ারী জোন।
রাজশাহী বিভাগীয় টিম কর্তৃক প্রিয় অনলাইন হাটের জনক Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব শীলগন
কিছু কিছু কষ্টের কথা কখনও বলা যায় না, আবার সয্যও করা যায় না ____আর তা হলো মধ্যবিত্ত জীবন যাপন। কোন কষ্ট থাকলে কাউকে বলা যায় না। যদিও কখনো সমস্যার মধ্যে পড়ে যায় তাও কারো কাছে বলা যায়না ,শেয়ার করা
ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। যদি কিনা কোন কিছুর সাথে লেগে থাকা যায় এই আত্মবিশ্বাসটা আমার প্রচন্ডভাবে বেড়ে যায়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কিভাবে আমি জয়েন করব।
মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Novera's Dream নামে একটি পেজ খুলি। দুয়েকটা ড্রেসের পোস্ট ও দেই
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক # গোপালগঞ্জ (ঢাকা)জেলা "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছেন অফলাইন মিট আপ। 🔊
চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। বগুড়া জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
কারণ স্যার আমাদেরকে নৈতিকতা, পরোপকারী, সামাজিক কাজ,ব্যবসায় কিভাবে ভালো করা যায়, উদ্যোক্তা হতে কি কি গুনাবলি লাগে, কিভাবে ফান্ড সংগ্রহ করবো এই সবকিছু প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন কোন রকম বিনা পারিশ্রমিকে য
নিজের_বালার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশনের_পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দেগে_বৃক্ষ_রপোন_কর্মসূচি_২০২১ইং
ধন্যবাদ জানায় সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর সোহাগ আরাফাত ভাই, ক্যাম্পাস এম্বাসেডর ফিরোজ সাহ ভাই
স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে একটা সময় নিজের একটা ব্যবসা তৈরি করবো। সত্যি বলতে প্রবাস জীবন আর ভালো লাগে না। দেখতে দেখতে ১২ বছর চলে গেলো। ইচ্ছে করে এখনি চলে যাই। মন চাইলে তো আর যাওয়া যাবে না। নিজের পরিবারে
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
আজকে এটা আমার প্রথম বছরের প্রথম পোস্ট আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ এর মত প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে
ইনশাআল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রতিটি কলেজে স্যারের চিঠি পৌছিয়ে দিব এবং উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের জন্য এই মহৎ কাজ অব্যাহত রাখব।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি এই প্লাটফর্মে তৈরি করে আমাদের মাধ্যমে এক বন্ধন এর সৃষ্টি করেছেন ।
ফাউন্ডেশন থেকে আপনি কি চান। ইজ্জত, সম্মান, পপুলারিটি, ভালোবাসা, দান সদকা, রক্তদান ,শিক্ষা কার্যক্রম কি প্রয়োজন আপনার নিয়ে নিতে পারবেন এই ফাউন্ডেশন থেকে।
স্যারের সেই কথাটা চিন্তা করেই এখনো যাওয়া হয়নি। স্যারের সেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন নিজের স্বপ্নের ব্যবসা দাড় করাতে পারি এবং নিজের বলার মতো একটা গল্প তৈরি করতে পারি। আর সেই দিন হয়তো প্রবাস জীবনের অবসান ঘ
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে আমাদের রাজশাহী বিভাগীয় কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর শ্রদ্ধাভাজন Selina Akter আপুর নির্দেশনায় দিনে
তরুণ-তরুণী উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়েছে। এবং প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা উদ্বোধন করতেছেন জিনি উদ্যোক্তা তৈরি করার কারিগ এবং ফেসবুক ভিত্তিক পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যে অনলাইন ভিত্তিক কর
সত্যিই তারার মেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ফাউন্ডেশনের সেরা মুখগুলো আজ একত্রিত হয়েছিলেন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার BGIFT Institute of Science & Techno
আমি সততা,কমিটমেন্ট এবং পণ্যের মানের সাথে কখনো কম্পোমাইজ করিনা। স্যারের শিক্ষা থেকে শিখেছি কিভাবে বিনয়ী আচরণ দিয়ে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকা যায়। দিন শেষে কতটা জয়ী হবো তা জানা নেই তবে শেষ অবধি লেগে
আমি এরপর আর মেনে নিতে না পেরে ফেসবুকের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ওনাদের বুঝালাম এবং ছেড়ে দিলাম। শুরু হলো আবারও আমার বিভীষিকাময় দিন। আমার খুব কাছের বন্ধু খুব ভালো ছবি তুলতে পারে, ইচ্ছা বড় ফটোগ্রাফার হওয়ার।
#বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম #কৃতজ্ঞতা ________ সেই আরশের মালিক মহান আল্লা্হর দরবারে যিনি এই করোনা কালিন সময়েও আমাকে সুস্থ্য ভাবে এবং ভাল অবস্থায় রেখেছেন। #আলহামদুলিল্লাহ্ ___
ছোটবেলা থেকেই আমি লেখাপড়ার দিকে একটু কম মনোযোগী ছিলাম। তবে আমি খুব ভালো গান করতাম। আর সারাক্ষণ শুধু সাজগোছ নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম।
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
আমার স্বপ্ন বড় কিছু নয়, আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি,। বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সুবিধা বঞ্চি
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
নরসিংদী জেলা টিমের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভকামনা এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠান আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
আপনি বিজনেস করছেন বলবেন না কেন এটা তো ভালো। ঈদের পর আমাকে আপনার গ্রুপে এড করে দিবেন এবং আমি আমার দেশের পণ্য (টাঙ্গাইল) নিয়ে কাজ করবো হেল্প করবেন কিন্তু আমি কিন্তু এতো কিছু বুঝি না।আপনাদের গ্রুপে এড দি
আমি যখন প্রথমবার যখন স্ট্যাটাস অফ দা ডে নির্বাচিত হয়েছিলাম বার বার শুধু নোটিফিকেশন আসতে লাগলো, চেক করে দেখি ওমান টিম ও ফেনী টিম থেকে শুরু করে অনেকেই নক দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছে। তখন আমি জানতাম না স্
" দেশে বিদেশে যাদের সাথেই পরামর্শ করেই তারা সাহস দেইনা" বলে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেক কঠিন" ওখানে আরো কিছুদিন থাক কিন্তু আর কত 16 বছর তো হয়ে গেল। 😇সেই থেকে আইডিয়া খুঁজতে লাগলাম হঠাৎ করেই ইকব
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ
আস্তে আস্তে নিজের পরিচয় তুলে ধরে নিজের পণ্যের পরিচিতি তুলে ধরে পরিচিত হতে শুরু করলাম। চার দিনের মাথায় আমার এই গ্রুপ থেকে অর্ডার চলে আসে খেজুরের আচার এর। আস্তে আস্তে করে এই গ্রুপের সাথে পথ চলা এখন কা
প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে তেমনি আমার জীবনেও একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে সব গল্পের শুরুটা খারাপ হয়না, তেমনি,সব গল্পের শেষ টা সুন্দর হয়না, কিছু গল্প সবসময় ব্যাতিক্র
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
কষ্ট, কান্না, দুঃখ, বেদনা এই রমজানে সব ঘুচে যাক আর ফিরে আসুক সুখ, আনন্দ, হাসি। আগত ঈদকে সামনে রেখে #আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা করছি যেন আল্লাহ আমাদের গুনাহকে মাফ করে এই কাজের উছিলায় নাযাতের ফয়সালা কর
এরপর হঠাৎ করেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেক নিয়ে কাজ শুরু করব। যেই ভাবা সেই কাজ। বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া কিছু টাকা এবং হাজবেন্ডের সহযোগিতায় কেক বানানোর সরঞ্জাম কিনলাম এবং বেশ কয়েকটি কেক বানালাম।
এগারো তম ব্যাচ শুরু উপলক্ষে স্যার আমাদের গাছ লাগানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।সে সুবাদে আমরা চট্টগ্রামের পতেঙ্গা জোনের আমি সহ তিন জন এম্বাসেডর মিলে সিদ্ধান্ত নেই, আমাদের গাছ লাগানোর কর্মসূচি টা সম্পূর্ণ
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের শুভাকাঙ্খী প্রিয় নাতি NowShad Bin Ali TaawSif এক থ্যালাসেমিয়া রোগীকে ২য় বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে।
প্রথম এবং প্রধান কারণ, আপনার দানকৃত রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাবে। রক্তদানের জন্য এর থেকে বড় কারণ আর কি হতে পারে !
১বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা (মাগুরা) #২.নীলদর্পন এর রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র এর বাড়ি(মাগুরা) #৩.মাগুরা জেলা ডুবলে,,পুরো বাংলা দেশ তলিয়ে জাবে। #৪.রাজা সীতারাম রাজার রাজ বাড়ি এই মাগুরাতেই। #৫.আরো
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
পণ্য নয় কিনি বিশ্বাস, আমাদের ঈদের কেনা কাটা হয়ে যাক আমাদের উদ্দ্যোক্তাদের ঈদ মেলার এই চমৎকার পন্যের সমাহার থেকে।
এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর দেখলাম যে শুধু আমি না, আমার মত অনেক নারী আছে যাঁরা আমার মত স্বপ্নহারা,দিশেহারা। কিন্তু এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর অনেকে তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলছে, তবে আমি কেন পার