যতক্ষণ পড়তাম রাতে বাবা ঠিক ততক্ষণ এই আমার পাশে বসে থাকতেন।কখনো আমার আগে ঘুমাতে যেতো না।এমনকি এসএসসি, এইচএসএসি পরীক্ষার সময়ও বাবা না যতক্ষণ জেগে থেকেছি ঠিক ততক্ষণ আমার পাশে বসে থাকতেন, কখনো টিভি দেখতেন
আলহামদুলিল্লাহ রাজশাহী জেলা টিমের নিয়মিত সেশন চর্চার ১ বছর পূর্ণ উপলক্ষে মিলনমেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্
স্যারের সবগুলো উক্তি আমার ভিষণ ভালো লেগেছে। স্যার একটা সেশনে বলেছেন আমরা কেন অন্যের মত করে বড় হতে চাইব। একদম সঠিক কথা বলেছেন। আমি আমার মত করে বড় হতে চাই।
জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সাথে কমিটমেন্ট।
দিনে দিনে এই রসমালাইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো আচার-অনুষ্ঠান এবং মিষ্টিপ্রিয় মানুষের কাছে রসমালাই এক প্রিয় নাম হয়ে ওঠে। মাতৃভান্ডারের ব্যবস্থাপক অনুপম দাস জানান, ১৯৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশ
আমার আব্বু খুব ভালোমানুষ এটা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি।আমার আব্বু কখনো চান না উনার সন্তানরা আব্বুর চোখের আড়ালে কোথাও থাকুক। আব্বু সবসময় চান আব্বুর বুকের মাঝে সবাইকে আগলে রাখবেন। আমার ছোট ভাই আজ একটা..
কিছু দিন পর মাথায় আসলো এমন কিছু করা দরকার যা আমার পড়ালেখার জন্য ভালো হয়। বসে বসে কিছু করার চিন্তা আসলো কারন ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে পড়ালেখা তেমন করা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিই একটা স্টুডিও টাইফের দো
প্রিয় স্যারের সেই স্লোগান আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করে এবং স্বপ্ন দেখাতে অনেক বেশি সাহায্য করেছে, যার মধ্যে অন্যতম একটি স্লোগানঃ-স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন এবং লেগে থাকুন সফলতা আসবেই,ইনশাআল্লাহ।
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
-জামাই যেখানে পিটায় সে জায়গা বেহেস্তে যায়।এবার যত পার মার খাও।একটি ৮-১২ বছর বয়সি মেয়ে, যার তখন বয়স খেলনা পাতিলে বালি,মাটি নিয়ে ভাত রান্না করার,জংলী সাদা ফুল দিয়ে পায়েস রান্না করার,তখন তাকে জলন্ত চুলায়
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় রাজবাড়ী জেলা টিমের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস ২০২২, ৭১ এর সকল বীর শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
আমরা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে যদি দেখি খুব কঠোর অথবা কঠিন তখন সেই নিয়মটাকে ইগনোর করি , যার কারণে কখনো ওই নিয়ম বা অভ্যাস আমাদের মধ্য গড়ে উঠেনা। যেমনটি ঘটেছিলো আমার সাথে, আমি অনেকবার এই প্রাকটিস
লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
চলো তাহলে লিমা আপুর সাথে কথা বলি। তারা আমাকে ইনবক্সে নক করলেন ছাগল কেনার জন্য, জানতে চাইলেন সব কিছু। আমি- সাথে সাথে তাদের সব কিছু বললাম ছাগলের বিস্তারিত ছাগল নিজে হাতে বাড়িতে লালন পালন করা, ২০/২২ ক
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
মুজাহিদ ভাই ও প্রতুল প্রাঠক তারা এই গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবক তারা দুইজনই খুব হেল্পফুল মানুষ। আশা করি তোমাকে যথেষ্ট হেল্প করবে। ঐ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার তিনি একজন মানবিক মানুষ।
বিশ্ব জুড়ে চলে আসে করোনা ভাইরাস নামক মহামারী,ব্যবসার অবস্থা দিন দিন খুব খারাপ হতে থাকে। আমি ভেঙ্গে পরি,কিন্ত হাল ছেড়ে দেই নি এভাবেই আমার ব্যবসা চলতে থাকে।
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
আমার উদ্যোগতা হতে আমাকে যে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে সে হচ্ছে আমার স্ত্রী। আমি হচ্ছি খুব অলস প্রকৃতির মানুষ চাকরি করছি বাকি সময় শুইয়ে বসে কাটিয়ে দি। আমার স্ত্রী সবসময় বলতো চাকরির পাশাপাশি যেন কিছু কর
বাইরে রোদের মধ্যে খেলতে খেলতে গায়ের কালার উগান্ডার নাগরিকদের মত হয়ে গেছিলো। একদিন ঈদের সালামি জমা করে আমার জীবনের প্রথম ক্রিকেট ব্যাট কিনি। তখন নিজের একটা ব্যাট থাকা মানে অনেক কিছু।সবাই ডেকে ডেকে খেল
আমি মানবিক কুষ্টিয়া জেলার ছেলে। আমার নিজের জেলাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার লহ্ম্যে কাজ করতেছি। তাই প্রিয় প্লাটফর্ম এর সকল ভাই ও বোনেরা আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা পেলে আমি অনেক দূরে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। আ
আজ লিখব আমার দয়ালু বাবার ত্যাগ, তিতিক্ষা, সংগ্রাম,ব্যবসার উওান পতন। সর্বোপুরি আজ পর্যনত উপসংহারে তার বিজয়ের গল্প। অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে আমার বাবার এই গল্প থেকে আশা করি সবাই অবশ্যই পড়বেন।
অনেকবারই হাতের স্যালাইন খুলে ফেলতাম,অক্সিজেন নলটা খুলে রাখতাম যাতে মরে যেতে পারি।কিন্তু যখনই মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতাম আম্মু ব্যস্ত হয়ে পরতো। নার্সদের ডাঃ দের ডেকে নিয়ে আসতো।আর তারা এসে সব ঠিক করে দ
নিম্মি মানুষের কথায় তুই এখনও কষ্ট পাস?যারা তোকে নিয়ে মন্দ বলে তাদের দিকে একবার তাকা।তারাই বলে যারা তোর চাইতে খারাপ অবস্থানে আছে।তনয়া তো ফেইল করেছে,আর তার মা তোকে খারাপ কথা বলেছে তাহলে ভাব? যাদের কাজ ন
সরিষার তেল🍶, তিনি এসেছে একদম মাঠ থেকে। তাকে অতি যত্ন করে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, ঘানিতে ভাঙানো। তার প্রতি ভালবাসা টা অনেক কারন তিনি প্রতিদিন আমার ঘরের সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন। এজন্য তার প্রতি
একটি অফলাইন মিট আপ এর মধ্য দিয়ে পালন করা হয় এ ৩০০তম সেশন চর্চা।
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের জাগ্রত গাইবান্ধা জেলা পক্ষে থেকে শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধান্ঞ্জলি ও পুষ্প অর্পন আয়োজন
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
👉নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। 👉জাগ্রত ব্লাড ডোনার্র ক্লাব, কুষ্টিয়া। 👉সহযোগিতায়ঃ ভালোবাসার কুষ্টিয়া। কার্যক্রম এক সাথে নিষ্টিতো হলো। আজকের আয়োজন তাল গাছ রোপন কার্যক্রম
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
আসসালামুআলাইকুম। আজকে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান ছিলো। সেখানের অনুভূতি বলে বুঝাতে পারবোনা। এতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসা হয়তো আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের খুলনা জেলার মিট আপ ও টিকিট বিক্রি কার্যক্রমের অংশ বিশেষ। ৪ জানুয়ারি সম্মেলনের টিকিট সংগ্রহের শেষ দিন ১৬ই ডিসেম্বর তাই এখনো যারা টিকিট সংগ্রহ করেন নাই তারা শিঘ্রই নিকটস
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলায় ২০০০তম দিন রেকর্ড উদযাপন
র বলেছিলেন বাড়ি গাড়ি অনেকেরই আছে কিন্তু জীবনে বলার মতো গল্প তৈরি করেছে কয় জন? আমি কখনো কাউকে সাহায্য সহযোগিতা করে বলতাম না।জীবনে আমি অনেক মানুষদের অনেক কিছুই করেছি প্রতিদানে কারো কাছে কিছু এ আশা করেনি
শহীদ রাজ্জাক পার্ক শহীদ মিনারে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা টীমের উদ্দোগে স্বাধীনতার ৫০ বছর উৎযাপন
গ্রুপে আসার আগেঃ অনেক বড় বড় স্বপ্ন ছিল, আছে, সেই স্বপ্ন অনুসারে গাইডলাইন আর সাহস পেতামনা, অনেক হতাশা, আর অনেক ডিপ্রেশন কাজ করত আমার মধ্যে, হেরে যাওয়ার ভয় থাকত, আমি কথা বলতাম পারতাম না কারো ও সাথে কিন্
আজ "#যুব_দিবস" পালন হল দিনাজপুর জেলার নবানগঞ্জ উপজেলাতে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে দিবসটি পালিত হল এবং শুভ উদ্বোধন হল "#মানবতার_দেয়াল" এর।
কুয়েত আসলাম তিন মাস বেকার বসে খেলাম , ভাষাগত সমস্যার কারণে কাজ পেতে অনেক কষ্ট হল তিন মাস পর একটা কাজ পেলাম তাও আবার এক মাস পর কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বেতনও পেলাম না। আবার আরেক জায়গায় কাজ পেলাম বেতন অনেক
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
এ দিন টাকে সফল করার পিছনে, আমাদের চট্টগ্রামের সকল দায়িত্ব শীল দের ভালোবাসা এবং ভূমিকা ছিলো অপরিসীম। কিন্তু যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রোগ্ৰাম টি এতো সুন্দর এবং আনন্দময় হয়েছে,
আমার মা বাবাকে দেখতাম তারা না খাইয়ে আমাদেরকে খাওয়াতেন, উপার্জনের প্রধান উপায় ছিল সামান্য একটু জমি আর অন্যের জমি বর্গা চাষ করা, তবে তার লাভ খুব একটা হতো না, প্রত্তেক বছর কয়েক বার বন্নার ফলে বারব
চমৎকার একটি আয়োজনের মধ্য দিয়ে কোনাবাড়ী মেট্রো কলেজের অনিন্দ সুন্দর অডিটোরিয়াম সম্পন্ন হয়ে গেল আজ অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী জোনের ইফতার আয়োজন ও সংক্ষিপ্ত মাসিক মিট আপ
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
বাংলাদেশে ভ্রমণকৃত বিদেশি পর্যটকগণ আমাদের দোকানে গিয়ে বলবে,প্লিজ গিভ মি সাম প্রোডাক্ট প্রিপেয়ার্ড বাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন ইন্টারপ্রেনার। তখন গর্বে বুকটা ভরে যাবে।