আর বোলো না অনেকদিন ধরে বারী এন্টারপ্রাইজের সুমাইয়া বারী আপু চুপচাপ হয়ে আছে গত হাটেও দেখিনি, তাই মনটা খারাপ হয়েছিল। চিন্তা করছিলাম আপুর কি হলো। গতকাল আপুর সাথে যোগাযোগ হল এবং জানলাম বিজনেস গত কারণে
শুরুতে কৃতজ্ঞতা জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে, স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন
আমার আম্মু কাঁথা সেলাই করতো,আর সেই টাকা দিয়ে পরীক্ষার আগে কিছুদিন প্রাইভেট পরতাম। কিছু দুঃখ কষ্ট সুখের মধ্য দিয়েই চলে গেল জীবনের কিছু দিন গুলি।
পড়াশোনা ছেরে দেওয়ার পড়ে মনে হতে লাগল কেমন করে চলব? কিছুতো করতে হবে, এখন না হয় সবাই আছে, একসময় সবাই ব্যাস্ত হয়ে পরবে, তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে একটা ইলেকট্রিক কাজে যুক্ত হয়ে গেলাম, প্রথম প্রথম
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
যেই ভাবনা সেই কাজ এক বছরের মাথায় তিনি দোকানটি কিনে নেন মালিকের কাছ থেকে। সফলতা ধরা দেয় তার কাছে। চাকরিজীবি থেকে তিনি এখন একজন ব্যবসায়ী। এরপর তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। কয়েক বছরের ব্যবধানে একটি দুট
মুজাহিদ ভাই ও প্রতুল প্রাঠক তারা এই গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবক তারা দুইজনই খুব হেল্পফুল মানুষ। আশা করি তোমাকে যথেষ্ট হেল্প করবে। ঐ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার তিনি একজন মানবিক মানুষ।
এখন বাংলাদেশের যে কোন শহরে গেলে একা মনে হয় না কারণ প্ল্যাটফর্মের ভাই বোনেরা তো আছেন যা আমাদের দ্বিতীয় পরিবার। স্যার সেশন থেকে শিক্ষা নিয়েছি কিন্তু এখন ও ব্যবসা শুরু করিনি , কারণ আমি পড়াশোনায় ছিলাম
এখানে নিজের পরিচয় ফুটিয়ে তোলা যায়, কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করা যায়, নিজের, পণ্য'র ব্রান্ডিং ও ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা হয়, মানবিক কাজ করা হয়,ভলান্টিয়ারিং শেখানো এবং প্রতিদিন উদ্যোক্তা হওয়ার জ
অনেকবারই হাতের স্যালাইন খুলে ফেলতাম,অক্সিজেন নলটা খুলে রাখতাম যাতে মরে যেতে পারি।কিন্তু যখনই মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতাম আম্মু ব্যস্ত হয়ে পরতো। নার্সদের ডাঃ দের ডেকে নিয়ে আসতো।আর তারা এসে সব ঠিক করে দ
💐"ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল। কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি আমাদের আমাদের প্রিয় মেন্টরের প্রতি যার অবদানে আমরা এই সুন্দর প্লাটফর্ম পেয়েছি৷
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই যারা আর্থিক সহো সার্বিক বিষয়ে সাহায্য করেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ। খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোনের মহাসম্মেলন প্রস্তুতি ও টিকেট বিক্রয় উৎসব এর মিট আপ। সবাই উপস্থিত এ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হলো মিট আপ টি।
আলহামদুলিল্লাহ আজকের শরীয়তপুর জেলা এর কম্বল বিতরন এর অনুস্ঠান বিজয়ের বাংলাদেশ পএিকায় প্রকাশ
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
আপনাদের মনে পড়ে কি স্যার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হওয়ার কথা বলেছিলেন। এখন আপনাদের শুনাবো প্রবাসে আমার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প। এইতো আমি মাত্র ১১০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করি। সকাল ৭ টা থেকে ২
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
আমি তখন নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে দ্বাদশের ছাত্রী। প্রতিদিন ৭/৮ কি.মি রাস্তা কখনও পায়ে হেঁটে, ২টা নদী পাড় হয়ে, রিক্সা কিংবা বেবীতে (সিএনজি-এর পুরাতন ভার্সন) তারপর আবার রিক্সা করে কলেজে আসা যাওয়া
এই গ্রুপ থেকে যেই পরিমান ভালবাসা পেয়েছি,তার বিনিময়ে আমি কিছুই দিতে পারি নি।।আমি কৃতজ্ঞ আমাদের এক লক্ষ ভাই বোনের কাছে।। আমি কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের কাছে।।যেই ভালবাসা স্যার আমাকে দেখিয়েছ
খাগড়াছড়ি জেলায় সবুজাভ পাহাড়ের ছড়াছড়ি। এর সঙ্গে পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া চেঙ্গি, মাইনি ও ফেনী নদী এই জেলাকে সাজিয়েছে অপরূপ সাজে।
এভাবে চলতে থাকে দিনগুলো আমার পরিবারের সার্পোটের কারনে নিজেকে আস্তে আস্তে কন্ট্রোল করা শুরু শুরু করলাম মেয়ের দিকে খেয়াল রাখা শুরু করলাম। যখন ডিভোর্স হয় তখন আমার মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে ফাইনাল পরীক্ষ
ঢাকা কেরানীগঞ্জ জোনের মোঃ উজ্জল হোসেন তৃতীয়বারের মতো মুমূর্ষ ব্যাক্তিকে রক্ত দান করেন আল হামদুলিল্লাহ।
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
কলাতিয়া ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
আগে থেকেই স্বপ্ন ছিল কিছু করবো অবহেলায় জীবনের অনেক দিন চলে য়ায। সরকারি চাকুরী করব খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পরও হলো না। পরে মানসিক ভাবে খুব ভেঙ্গে পরি। মনে করেছিলাম আমাকে দিয়ে কিছু হবেনা
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
শুনুন আমার পরিশ্রমের কিছু ধারাবাহিক, আমি যে পণ্য নিয়ে কাজ করি সেগুলো হচ্ছে মেয়েদের ম্যাক্সি, মেয়েদের রেডিমেট থ্রি-পিস, মেয়েদের কটি ছেলেদের টি-শার্ট, আমি যেখানে চাকরি করি সেই চাকরির লাস্ট টাইম রাত
আমি সব খবর রাখি। শুধু তাই নয়। ঢাকার মধ্যে একেবারে ফ্রী ডেলিভারি ১ কেজি হাফ কেজি। আর ঢাকার বাইরে ১কজি ১০০ টাকা মাএ ডেলিভারি চার্জ নেয়া হয় ৬০ টাকা ফ্রী কারন সুন্দর বন ও এস, এ পরিবহনে পাঠানো হয় বলে।
ঠাকুরগাঁও জেলার সামাজিক কর্মসূচী হিসেবে- # ৫০ টি ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। #এক দুখিনী মায়ের পরিবারের জন্য একদিনের খাবারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পূরণ করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের কর্মসংস্থান। যাতে করে নিজের জীবনে, নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে পারি।
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা মাসিক মিটআপ ও ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকেট মেলা সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন হলো।
পৃথিবীর অনেক দেশ পাঠ্যসূচি,কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেওয়ার কারনে আমাদের চাইতেও তাদের জিডিপি অনেক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ তারা পূর্বে আমাদের চেয়েও নিম্নগামী অর্থনীতির দেশ ছিল।
বাসে আসার সাথেই বুঝে নিয়েছিলাম জীবন কি জিনিস। যে দিন এসেছিলাম তার পর দিন থেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। ভালো পান্ট-শার্ট পড়ে যখন গাড়িতে করে কাজের স্থানে নিয়ে যায়।তখন মনে স্বপ্ন চোখ দিয়ে বের হয়ে উঠে গেল ওই ন
আমি সাতটি বছর দেশে টাকাই পাঠালাম।সাতটি বছর পর দেশে ছুটি কাটানো জন্য গেলাম। দেশে যাওয়ার কিছু দিন পর জানতে পারলাম আমার ঋন পরিশোধ হয়নি।আমার ঋণের পরিমানটা প্রায় ১.৫+মিলিয়ন(বাংলা টাকা) আমি হতাশ হয়ে পড়ল
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
অত্যান্ত চমৎকার ভাবে সমপন্ন হলো চৌগাছা উপজেলার অফলাইন মিটআপ। যারা ভালবেসে মিটআপে উপস্থিত হয়েছিলেন সকল কে অভিনন্দন।
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
আমরা সবাই স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে সবাই ভালোবাসে।কারও স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া,কার ও স্বপ্ন খুব সামান্য। ছোট হোক বা বড় সে তো কেবলি স্বপ্ন। স্বপ্ন ছাড়া বাঁচা যায় না কখনো? সবাই চায় পৃথিবীতে একদিন সবাই ত
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
আসুন বর্ণবৈষম্য ভুলে কাজের যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করি, যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ করে দেই। আসুন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই জীবন বদলে যাবে। এভাবেই প্রতিটি দিন নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয় আমাকে যা লিখে প
সুতরাং তাড়াহুড়ার দরকার নেই।জীবনে ভালো থাকার জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু সততা একটুখানি, বিশ্বাস একটু পরিশ্রম মনের অফুরন্ত জোর।।শ্রম মানুষকে কখনোই ঠকায় না।
কিন্তু সবার আগে তোমাকে দিয়ে শুরু করবো কারন তুমি আমাদের শিখালেসবার কিভাবে ভাল মানুষ হতে হয় এখন তোমাকে প্রমাণ দিতে হবে না আমরা যে একটু হলেও ভাল মানুষ হয়েছি পজেটিভ চিন্তা করতে শিখেছি😊😊
এত সুন্দর একটি প্লাটফর্ম গড়ার জন্য প্রান প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
১৪/১৫ বছর মানে মনের মাঝে হাজার টা রঙ্গিন চিন্তা ভাবনা। হাহাহাহাহা, হুম সবার মত আমারো ক্রাশ ছিল।রঙিণ জীবনের রঙহীন মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক ও বেশ ভালো ছিল। কিন্তু কয়েক মাস পর জানতে পারলাম ঐ ছেলের