অনেক সময় বাবাকে তার নেশা ও দ্বিতীয় বিয়ের কারণে জেলখানায় থাকতে হতো । আমার মা অন্যের বাসায় কাজ করতো।ট্রাক থেকে ইট বালু নামিয়ে আমাকে লালন-পালন করতো ।সেই টাকা দিয়ে বাবাকে জেলখানায় দেখতে যেত। 👉 বাব
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।
আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তাআলার অশেষ কৃপায় ময়মনসিংহ জেলার চারটি উপজেলা (ফুলপুর,তারাকান্দা,ধোবাউড়া, হালুয়াঘাট) তারিখ 17/05/21 এর উদ্দোগে ঈদ আড্ডা সফলভাবে সম্পুর্ন করতে পেরেছি। এই ঈদ আড্ড
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২২ সফলভাবে সম্পূর্ণ হলো শুকরিয়া।
The Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) has made world record conducting online training for uninterrupted 2000th days.
সংসারের সবাই যখন মনে করবে এটা আমাদের সংসার, তখন দেখা যায় হাঁসি মুখে অনেক সময় অনেক ত্যাগ স্বীকার করা যায়। আর আমি মনেকরি এটাই হওয়া উচিত।
আমি ম্যাশিন সেকশনে কাজ নিলাম অতিরিক্ত ঠান্ডার ভিতর কাজ করা লাগতো লোহার মেশিন ঠান্ডা রাখার জন্য সেন্টাল এসি ২৪/৭ সব সময় চলতো। প্রচন্ড ঠান্ডায় কাশি, কান ভারি সহ নানান ঠান্ডা জনিত সমস্যা হতো কিন্তু আমি
আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। বিশেষ করে মেয়েদের নিয়ে কাজ করতে চাই।আমি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই।এবং নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরী করতে চাই।
নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়বো। নিজেকে ভালোবাসুন। পরিবারকে ভালোবাসুন। বাবা মা'কে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলেও কিভাবে নতুন করে বাঁচা যায়। অন্যের দয়ায় বেঁচে না থেকে কিভাবে আত্মসম্মান নিয়
ইউটিউব নামক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট একটা ভিডিও আমার সামনে পড়ে ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের বেশ মনোযোগ সহকারে শুনলাম একটার পর দুইটা দুইটার পর তিনটা এরকমের যত ভিডিও সামনে আসে, যখনি আসে তখন
আমার মূল উনুপ্রেরনা: স্যারের দেয়া সেশান গুলো প্রতিদিন আমাকে আমার কাজ করতে উনুপ্রেরনা দিচ্ছে। সাহস দিচ্ছে। স্যারের প্রতি টি কথাই আমার অনুপ্রেরণা। প্রতিদিনের শপথ বাক্য আমাকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে ।
আজ রমনা জোনে আয়োজিত পিকনিক, অফলাইন মেকআপ, এবং খেলাধুলার চমৎকার আয়োজন ছিলো , দারুন একটি দিন উপভোগ করেছি আমার রমনা জোনের সবাই,,,
জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা চর্চা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি যত বেশি শিক্ষাচর্চা করবে সেই ব্যক্তি ততবেশি জ্ঞানী হবেন। শিক্ষা চর্চার মাধ্যমে কিন্তু নিজের জ্ঞান যে ভাবে বিক
সে দিন তরুণ সমাজের যারা জীবন সাগরের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে তাঁদের টেনে তুলবো। বলবো বাঁচতেই হবে। কোনো ভুল মানুষ, কোনো তুচ্ছ ভালোবাসা, কোনো তুচ্ছ কারণে এই মূল্যবান জীবনটাকে হারিয়ে ফেলা যাবে না৷ সবাই দ
স্নাতকোত্তর পাসের পর পরিবার থেকে চাকরির নেয়ার জন্য তাগিদ দিতে লাগলো কারণ বাবা তার সহকর্মী মেয়ে ও তার ছাত্রীকে আমার জন্য পছন্দ করে রেখেছিলেন জার জন্য চাকরি নেওয়ার তাগাদা আমি প্রথমে ঔষধ কোম্পানিতে রিপ্র
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
আমার কর্ম জীবন শুুরু কাতার এর দোহায় আল মুনতাজা নামক যায়গায়। একটি বোরকার দোকান এ সেটাও ছিল আমার আপনা মামার। আসলে পড়াশোনা আমাকে কেও ছেরে দিতে বলেনি কিন্তুু আমার কাছে আমাদের দেশের পড়াশোনার সিস্টেম অতটা প
গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া এই ৫টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা থেকে বিভক্ত হয়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গাজীপুর জেলায় এই ৫টি উপজেলা ছাড়া
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
আমার ছোট বেলা থেকেই খুব ইচ্ছে নিজে কিছু করবো,নিজের একটা আলাদা পরিচয় থাকবে। আমার বাবা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী,খুব পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। বাবাকে দেখতাম কিভাবে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিতেন পুরো ২৪ ঘন্টায়
আমি জাকারিয়া হাসান, দুই ভাই এবং এক বোন এর মধ্যে আমি বড়। ছোট ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে পেশায় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্যালিওগ্রাফার। বোন কওমি
ঈদ পূর্ণমিলনি অনুষ্ঠান ও মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাণবন্তভাবে সম্পন্ন হয়।
আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ। খুলনার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন খুলনা জে
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
আসুন সবাই গাছ লাগাই। আর আমার গাছগুলোর জন্য দোয়া করবেন সবাই। ধন্যবাদ।
আমি ছিলাম গণিতের ছাত্র। বেকার হয়ে শুরু করলাম ব্যবসা। ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্কিল সংক্রান্ত ৮০টিরও বেশি কোর্স করেছি। এমনকি ২০২০ সালেও আমি তিনটা কোর্স করেছি। তবে সবগুলো কোর্সই
যার যার এই সুন্দর উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি চমৎকার একটি পরিবার, আর এই পরিবারের বিতরে পেয়েছি আমরা অনেকগুলো ভালো মানুষ,এখানেই শেষ নয় এখানেই পেয়েছি আমরা লক্ষ লক্ষ ভাই বোন, যাদের যাদের পজিটিভিটি মু
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আছে প্রবাসীদের মর্যাদা আছে ভালোবাসা আছে তাদের জন্য চিন্তা। এখানে প্রবাসীদের বলা হয় দেশের অক্সিজেন।
হঠাৎ করে একদিন চোখে পড়ে প্রিয় স্যারের একটা ভিডিও। দেখে অনেক ভালো লাগলো। তার পর প্রায় সময় এরকম অনেক ভিডিও আসত। তখন একাধারে সব গুলো ভিডিও দেখতে থাকি । কিন্তু আমি ফেসবুক এত বেশি চালাতাম না।
মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়সে আমাকে বাবা-মা'য়ের কোল ছাড়তে হয়। ঠাঁই হয় আমার সর্বশেষ আশ্রয় স্থল মামার বাড়িতে। আমার দিদা, দাদুর পরিবার ছিলো আমাদের থেকেও অসচ্ছল। তবুও আমাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে তার
আমার জন্ম লক্ষীপুর জেলায়। গ্রামে জন্ম তাইতো প্রকৃতির মতোই ছিল আমার বৈশিষ্ট্য। ছোট থেকেই ছিলাম দুষ্ট, চঞ্চল, হাসি - খুশিতে ভরপুর একজন মানুষ।লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ, কারাতি, সেলাই,
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য আলহামদুলিল্লাহ তার ডাকে মানবতার মানবতার হিরো
দিন দিনই লক্ষ্মীপুর জেলায় ভালোমানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে -- আলহামদুলিল্লাহ
৫ ই মার্চ ১৯ মঙ্গলবার "নিজের বলার মত একটা গল্প " এর সদস্য দের নিয়ে "জয়নুল আবেদীন পার্ক- ময়মনসিংহ " এ একটি বৈঠকের করা হয়েছে। ময়মনসিংহে অবস্থিত সকল সদস্যদের উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মিটআপ এ বিভিন্ন
আমার #লক্ষ্মীপুর জেলার এক প্রিয় আপু। Mukta Bhuiyan আপু হঠাৎ সে দিন কয়েকটা কাঁথার পিক দিয়ে বললেন আপু এগুলার সাইজ দাম বলেন। আমি তো অবাক কি ব্যাপার আপু কাঁথা অর্ডার করছে কেনো।আপুকে দাম এবং সাইজ বলে দিলাম
"নিজের বলার মত একটা গল্প" প্লাটফর্মে থেকে যা শিখেছি- # ভালো মানুষ হওয়া ও জীবনের সংগ্রাম করা। # মানুষের প্রতি মানুষের মূল্যবোধ তৈরি করা। # কথা দিয়ে কথা রাখা ও সময়কে মূল্য দেওয়া। # ধৈর্য্যশীল হয
আর করা। অবশেষে নিজেকে বাচাতে জমি বিক্রি করে বাইপাস সার্জারি করি।সুস্থ হয়ে এখন নিজেকে নিয়ে ভাবি এখন কি করব। যাক অল্প পুঁজিতে একটি দোকান নিয়ে লেদারের ব্যবসা শুরু করি।
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
আমরা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে যদি দেখি খুব কঠোর অথবা কঠিন তখন সেই নিয়মটাকে ইগনোর করি , যার কারণে কখনো ওই নিয়ম বা অভ্যাস আমাদের মধ্য গড়ে উঠেনা। যেমনটি ঘটেছিলো আমার সাথে, আমি অনেকবার এই প্রাকটিস
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
জীবনের গল্প লিখা মানে জীবনের অতীতকে নতুন করে আর একবার মনে করা।কিছু খারাপ স্মৃতি কিছু ভালো স্মৃতি সব মিলিয়ে অন্য রকম অনুভূতি। যা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।জীবনের গল্প কখনও লিখে শেষ করা যায় না।
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
আবার পন্য সেল শুরু করি কিন্তু কিভাবে পন্য সেল করতে হয় আমার কোন আইডিয়া তেমন ছিল না, তবুও আমি ভ্যানগাড়ি ও ড্রাইভার নিয়ে মার্কেটে যেতাম পন্য সেল করার জন্য , কিন্তু আমার ফুফাতো ভাই তখন তীর কোম্পানিতে জ
হঠাৎ একদিন ছোট বোন কে কল দিয়ে দাদুকে চাইলে ওর মুখ পসকে বেরিয়ে যায় দাদুতো মারা গেছে তুই কি ভুলে গেছিস। তুই দাদুকে অনেক ভালোবাসতি বলে তোর মনে নেই যে দাদু মারা গেছে। আসল কথা আমি কষ্ট পাবো বলে আমাকে দাদু
আমি অপেক্ষায় আছি সেই সোনালী সন্ধ্যার যে দিন আমার জীবনের সকল পরিবর্তন,,, কিছু অজানা কথা বলতে চাই আমারই স্বপ্নের মঞ্চে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে। সেই পযন্ত আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেনো ২১ মাস নয় একুশ যুগ প