লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
আমি আজ প্রায় ১২/১৩বছর প্রবাসে আছি, মাঝখান দিয়ে প্রায় ৩ বছর দেশে ছিলাম, ছোট একটা ব্যবসা চালু করেছিলাম গ্রামে তা অনেক কথা পরে টিকাইতে পারি নাই ব্যবসাটা। তখন থেকে নিজে নিজে ভেবে ছিলাম আমি আর জীবনে
ন্যবাদ প্রিয় বড় ভাই শাহিনুর রহমান ভাইকে তার আন্তরিকতায় গাজীপুরের উল্লেখযোগ্য নিউজ পেপার বাংলাভূমি এবং ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি কভার করেছে আবারো ধন্যবাদ প্রিয় ভাই
২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে
আলহামদুলিল্লাহ সফলভাবে শেষ হল মিরপুর জোনের অফলাইন মেগা মিট আপ⭐ সর্বোচ্চ ৭৪টা স্পন্সার নিয়ে মিরপুর জোন এখন সুপার মডেল জোন
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে, খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, সম্
সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করতে আজই আমাদের গ্রুপের ওয়েবসাইট এ গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুণ এবং টিকেট কনফার্ম করুন বিকাশে অথবা মিটআপে জয়েন্ট করে।
কিছু স্মৃতি মন থেকে মুছে যায়, আর কিছু স্মৃতি কখনাে ভােলা যায় না। মাঝে মাঝে জীবনের অতীত পানে যখন ফিরে তাকাই, তখন ফেলে আসা বর্ণাঢ্য সুখস্মৃতি মানস চোখে। মায়াবী রূপে ধরা দেয়। সেই দিনগুলাে ছিল বড়াে
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
গত ৪ জানুয়ারী হয়ে গেল" নিজের বলার মত একটা গল্প " গ্রুপ এর মহাসম্মেলন। এই সম্মেলনে গিয়ে এতদিন ভার্চুয়াল জগতের মানুষ গুলোকে চোখের সামনে দেখতে পেয়ে সত্যিই অভিভূত হয়ে গেছি। আমার জানা নেই এমন কোন অনলাইন
🍀নিজের বলার মত একটা গল্প, মুন্সিগঞ্জ জেলা টিম❤️ আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সুন্দর ভাবে টানা রেকর্ড ২০০০ তম দিনটি উদযাপন করেন মুন্সিগঞ্জ জেলা।
এই ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর মোঃরনি ভাই উদ্যােক্তা জীবন শুরু করে ঘুরে দাড়িয়েছেন এবং উদ্যেক্তার গল্প শোনাতে Utv live যাওয়া সৌভাগ্য হয়েছে। প্রবাস থেকে এসে লালবাগ জ
নারায়ণগঞ্জ জেলার টিকেট মেলা ও আমাদের ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
বাবা মানে কি তা আমাদের কারো অজানা নয় । বাবা নামক শব্দটি ছোট হলেও এর ব্যাখা দেয়া কারো সন্বব না বাবা মানি এক জন ব্যক্তি বা মানুষ নন, বা কোন সন্পকের নাম ও নন, বাবা মানি বিশালতা , বাবা মানি বটগাছ
তখন অনেক ভেঙে পড়ি। মন খারাপ থাকতো। একা একা বসে থাকতাম আর ভাবতাম! কতো স্বপ্ন, কতো আশা সব শেষ! কিছুই করা হলো না আমার!
মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলার সফল উদ্যােক্তা ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ি তাপস দত্ত দাদা। সবশেষে উপস্থিত সকলের চমৎকার অনুভূতি, আলোচনা ও জেলা সমন্বয়ক প্রিয় কাওসার আলম ভাইয়ের সমাপনী
আমি খুব দরিদ্র ঘরের ছেলে।গরিব হলেও আমাদের সংসারে ভালোবাসার কোন অভাব ছিলো না। আম্মা,বাবা,আমি, ছোট ভাই, আর ছোট দুটি বোন কে নিয়ে আমাদের সুখের একটা সংসার ছিলো।আম্মা আমাদেরকে খুবই ভালোবাসতেন।বাবাও বাসতেন
আমি স্যারের কথা মত নিয়ম করে প্রতিদিন মিনিমাম ৪-৫ ঘণ্টা সময় গ্রুপে দিই, দৈনিক পোস্ট করার চেষ্টা করি ৩-৪ টা, সবার পোস্টে কমেন্ট করার চেষ্টা করি,এবং কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করি নিয়মিত প্রিয় স্য
আলহামদুলিল্লাহ কিছুক্ষণ পরে এমন এক ঘটনা ঘটল যা আমিনা আমার সাথে যারা আছে এখানে তারাও কখনো কল্পনা করতে পারে নাই, এরকম হতে পারে। হঠাৎ করে গাড়ি থেকে নামল একজন অসম্ভব ভদ্রলোক, প্রথমে আমার চোখ পরল আমি তো এ
কালো হওয়া যেনো নিজের হাতে ছিলো। জীবনে কিশোরীর এক আবহ এলো পৃথিবীর সৌন্দর্য চোখে অন্যরকম ভাবে ধরা দিতে লাগলো।কিন্তু কালো হওয়া যে একটা অভিশাপ। ভালোলাগা জীবনে প্রথম প্রেম তবু ভয় কালো নারীর প্রেম হয়না
প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে প্রিয় স্যারের শিক্ষা ও সাহস নিয়ে আমার ইচ্ছা ও বাবার স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিয়ে ছোট করে গরুর ফার্মের কাজ শুরু করেছি এখন পরিপূর্ণ করার পালা,,, ভবিষ্যৎ এ বড় করার পরিকল্পনা আছে।যেন দু
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহু আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তিনি এখনো আমাকে পৃথিবীর স্বাদ গ্রহণ করার তৌফিক দান করেছেন। তবে মানসিক দিক দিয়ে আ
সকলের এত সুন্দর উদার মন-মানসিকতার কারণে আজকে একটি নিষ্পাপ ফুলের মতো শিশুর চিকিৎসা করার জন্য যেই অর্থটা সংগ্রহ হয়েছে ধন্যবাদ সকলকে।
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
এর পর পরিবহনের চাকরি করতে হলো ১ বছর। পরিবহনে চাকরি করতে গিয়ে দেখি অন্য এক জগৎ। আমাকে শিকার করতে হবে। আমার অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। প্রথম মাসে টিকেট কাউন্টারে বসতে হবে। প্রথম সপ্তাহে গেল প্রশিক্
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
গত 24/12/21 শুক্রবার অতি জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া যশোরের উদ্যোক্তা মেটাপ ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠান টি চারটি পত্রিকা স্পন্দন, সমাজের কথা, প্রতিদিনের কথা ও কল্যাণ পত্রিকা একযোগে প্রচার করেছে।
বর্তমানে আমরা যেই পরিমাণ শ্রম ব্যয় করি সেই পরিমাণ কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি না। অলসতার দরুন কিংবা অপারগতা বশত। আর যা গ্রহণ করি তাও ভেজালে ভরপুর। যার ফলে দিনদিন নিজেরা হচ্ছি দূর্বল এবং সন্তানরাও
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
একটি এর থেকে কঠিন কষ্টগুলো আমি পার করেছি।।। এখনও করে যাচ্ছি।। আসলে আমি সেদিন বলতে পারিনি অনেক কথা আমি সব সময় দোয়া করি।।
উত্তরা জোনের আয়োজনে উদ্দোক্তা বেসিক ট্রেনিং দ্বায়িত্বশীলদের সাথে টিকিট সেলিং প্রোগ্রাম এবং নৈশভোজের আড্ডা। আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের উত্তরা জোনে দায়িত্বশীলদের নিয়ে গু
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের সাথে আমার পথচলা ৪৫১তম দিন থেকে। আজকে এর ৭০০তম দিন। এই দিনটি উপলক্ষে প্রথমেই ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই গ্রুপের ফাউন্ডার শ্রদ্ধেয় জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
আমিঃ এগুলো সব আমার আব্বা বর্তমানে দেখাশোনা করছে। এখন বল তোর কি কি প্রোডাক্ট লাগবে।আমার কাছে সব প্রোডাক্টটি পাবি। যেমন মেয়েদের থ্রি পিস, শাড়ি সাথে পাবি ছেলেদের টি-শার্ট,পাঞ্জাবি বাচ্চাদের জামা। রিয়াজ
সরিষার তেল🍶, তিনি এসেছে একদম মাঠ থেকে। তাকে অতি যত্ন করে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, ঘানিতে ভাঙানো। তার প্রতি ভালবাসা টা অনেক কারন তিনি প্রতিদিন আমার ঘরের সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন। এজন্য তার প্রতি
কোন কোন সময় কল্পনাকেও হার মানায়। জীবনের গল্প লিখতে হয়তো ৩০ - ৬০ মিনিট লাগে,, বলতে আরও কম, কিন্তু চড়াই উৎরাই পার করে কঠিন সময় যে কীভাবে পার করে সেটা শুধু ব্যক্তিটাই বুঝে। আমাদের এই প্লাটফর্ম নিজের গ
মনে রাখতে হবে একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো বড় বিষয় নয়। মার্কেটিং করা বা আপনার পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ করে কাস্টমারের দৌড় ঘোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কারণ আপনাকে মাথায় রাখ
তার কিছুক্ষণ পর মিজান নাকে এক ভাইয়া ম্যাসেন্জারে একটা শার্ট ও একটা পাঞ্জাবির স্কিন সর্ট দিয়ে বললো ভাইয়া এই দুটো হবে?? আমি: জী ভাইয়া হবে, আমাকে সাইজটা বলেন আর আপনার মোবাইল নাম্বার, কুরিয়ার নাম, জায়গার
চট্টগ্রাম জেলা পতেঙ্গা জোন কর্তৃক আয়োজিত মিটআপ এবং ১৫ জানুয়ারী ৪র্থ মহাসম্মেলন এর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও ২য় বারের মত টিকেট বিতরণ ২৫/১২/২০২১ইং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে ।আলহামদুলিল্লাহ্ মিটআপে টিকেট সেল হয়
নিজের_বলার_মত_একটি_গল্প_গ্রুপের_জয়পুরহাট_জেলার_৪র্থ_মিট_আপ। আলহামদুলিল্লাহ জয়পুরহাট জেলার ৪র্থ মিট আপ শেষ করে
আলহামদুলিল্লাহ, প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে উপজেলা থেকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের অদম্য টাংগাইল জে
৪র্থ মহাসম্মেলন উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা টিমের অফলাইন মিটআপ ও অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
ইউনিক দুবাই উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২১ এ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক@Iqbal Bahar Zahid স্যার ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন (ইউ এ ই) এর সামাজিক সংগঠন ব্লাকজোন পরিবারকে। #মডারেটর মোহাম্মদ রাসেল আকন্দ জেলা খুলনা ৭ম//
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
জখন মাথায় করে গাছের চারা আর গারিতে করে লাকরি নিয়ে জেতাম ক্লাসমিট দের দেখলে আমি লুকিয়ে যেতাম এমন ভয়াবহ দিন ছিল কারণ আমার মত কষ্ট পরিশ্রম করত না ওরা কেউ আমার লজ্জা লাগতো আলহামদুলিল্লাহ তাও থামিনি,ক