আজকে উদীয়মান রমনা জোনের ২০২৩ সালের ১ ম অফলাইন চা আড্ডা মাসিক মিটাপ ২১ তম ব্যাচ এর সকল কে বরন করে নেওয়া হয়েছে। আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর প্রতি
সোনালী কি কেবলই রূপবতী কোন প্রেয়সীর ঢং সোনালী কি কেবলই রোদ্দুরে ঝলসানো কোন রং সোনালী কি স্বপ্নের আবর্তে চলমান কোন চিত্র সোনালী কি সত্যের সঙ্গমে,মনের মুখরিত মিত্র ।"
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
কুষ্টিয়া জেলার এতিম দের মাঝে প্রয়োজনীয় ও উপহার সামগ্রী বিতরণ
🥀ভবিষ্যৎপরিকল্পনা: আমার স্বপ্ন নারীদের নিয়ে কাজ করা, তাদের পাশে দাঁড়ানো। স্বেচ্ছাসেবী মতো- এই পৃথিবীতে হাজার নারী আছে যারা এখনো পিছিয়ে- দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে তাদের বিনা পরিশ্রমে। আমি চাই ওই
অনেক বাবা মা আছে ৩ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ডায়পার পরিয়ে রাখেন।রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য এই কাজ টা করেন।কিন্তু আগে কার মা রা বাচ্চা দের শুধু কাঁথা দিলে পালতেন।তখন বাচ্চাদের এতো সমস্যা ছিল না।
আমার কি দোষ আমি কেন পেলাম না মন খারাপ, মন খারাপ করে হতাশা, বিদ্বেষ বিভিন্ন স্টাটাস নিজের টাইমলাইনে। আবার গ্রুপ J , A তে। আপনি যে ২দিন গ্রুপ K তে সময় দিলেন এর মাঝে গ্রুপ J, A তে যারা নিয়মিত ছিলো তার আ
দিনটা ছিলো কোনো এক শনিবারের সকাল। পড়ালেখা নেই করোনাতে ঘর বন্ধি জীবন। কি ভাবে কাটাবো ফিউচার লাইফ সে চিন্তায় চিন্তায় ক্লান্ত। পড়ালেখা আর কোনো দিন চালু হবে কিনা তা অজানা। কি ভাবে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় আমার ব্যাবসায় মনমুগ্ধ ছিলাম । মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নি
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
আমাদের পাবনা জেলার অফলাইন মিটআপে উপস্থিত সবাইকে পাবনা জেলার পক্ষ থেকে প্রান ভরা শুভেচ্ছা। আজকের মিটআপের কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত রূপ বর্ননা করছি M. A. Al Mamun (ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসিডর পাবনা)
মানুষের নিজস্ব একটা লক্ষ্যস্থান থাকলে সেই স্থানেই সে নিজেকে উন্নীত করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে পরিশ্রম ও সাধনা করতে হয়। নির্দিষ্
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
সত্যিকার অর্থে কিছু অনুভূতির ভাষা প্রকাশ করার মত নয়, কিছু অনুভূতি লিখে শেষ করা যায় না, কিছু মানুষের বিষয়ে লিখেতে গেলে কলমের কালি থাকলেও ভাষা খুজে পাওয়া যায়না
কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব,ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তিলে তিলে করে তুলেছেন আমাদের সবার প্রিয় প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গাজীপুর সদর উপজেলার মিটআপ
স্যার বলেছেন বেকার বসে না থেকে স্কুল জীবননথেকে শুরু করতে। লেখা পড়া অবস্থায় শুরু করতে যাতে করে লেখা পড়া শেষ করার পর আপনাকে বসে না থাকতে হয়।
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
আজকে প্রচুর বৃষ্টি থাকার পরেও কষ্ট করে যে সকল ভাই ও যে দুইজন বোন মিট-আপ প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা আজকের মিট-আপে যেকোন কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি আগামী মাসের মিট-আপে তা
আমি আমার এই বয়সে জীবিকার তাগিদে অনেক কিছু করেছি,,চাকরি, ব্যবসা এমনকি বিদেশ ও গিয়েছি কিন্তু কোনো কাজেই সফল হতে পারিনি,তার একমাত্র কারন হচ্ছে কোনোটাই আমি ভাবিয়া /চিন্তা করে করিনি। 👉স্যার গতকালের সেশনে
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের" ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তাদের অফলাইন মিট-আপ খুব চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে।
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সুপার এক্টিভ মেম্বার জোহরা দিলশাদ আরা আপুর 'লেডিস কোড' এর উদ্বোধনী অনুষ্টানে আমরা অত্র ফাউন্ডেশনের ভাই-বোনেরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম নগরীর ফুসফুস খ্য
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
প্রিয়তমা বউ আমার পছন্দের ভেঁড়া'র মাংস রান্না করছেন।বউয়ের কাঁধের পেছন দিকে মাংস খাওয়ার জন্যে উঁকিঝুঁকি মারছি। কিন্তু মমো'র (আমার বউ) মন খুব খারাপ!
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
জীবন আসলেই অনেক সুন্দর। সহজ-সরল, নিস্পাপ। কিন্ত আমরা এই সহজ-সরল জীবনটাকে করে তুলি, কঠিন। জীবনে কি করেছি আর কি বা হারিয়েছি? যদি এই হিসাব আমরা করতে বসি, তাহলে মনে হয় পাওয়ার চেয়ে হারিয়েছে বেশি। কারন, আ
যারা নিজেরা প্রডাক্ট খুঁজে হয়রান তাদের স্যার প্রথমেই বলেন ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করতে। ঐতিহ্য হলো তাই যার জন্য আপনার জেলা বা শহর বিখ্যাত। অর্থাৎ ওই জেলার নামের সাথেসাথেই মানুষের মুখে মুখে ওইখানকার পণ্যের নাম
আমার মাকে বলতে শুনছি আমাদের এলাকায় একজন বুজুর্গ লোকের উছিলায় আল্লাহ আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন
আমি সাথী ১২ তম ব্যাচ থেকে নিজেকে নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে শিখছি নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন সদস্য হতে পেরে।বুঝতে পেরেছি জীবন মানে যুদ্ধ কত শত মানুষের জীবনের গল্প পড়ছি ও শুনচ্ছি।আল্লাহ পাকের দরবার
এখানে উপস্থিত ছিল কোর ভলেন্টিয়ার ডিস্ট্রিক্ট অ্যাম্বাসেডার্স উপজেলা এম্বাসেডার্স কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার্স এবং নতুন পুরাতন আজীবন সদস্যবৃন্দ।
নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মে জয়েন হওয়ার পর প্রিয় স্যারের একের পর এক সেশন পড়তে লাগলাম কিভাবে হতাশাগ্রস্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হয় কিভাবে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে হয় প্রিয় স্যারের সেশন থেকে আমি জ
স্ট্যাটাস অফ দা ডে হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া, সোড হওয়ার মাধ্যমে যেটা সবচেয়ে বেশি পেয়েছি সেটা হল ভালোবাসা, এই ভালোবাসার পরিবারের প্রিয় ভাই ও বোনেরা সোড ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে অনেকেই অভিনন্দন জানায় যাদ
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিল তিল করে যে স্বপ্নের ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন,আজ আমরা সেই ফাউন্ডেশনের গর্বিত সদস্য,সেটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ।এই প্লাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ভালো মা
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সোনালি উদ্যোক্তারা ! তারা সাহসী তারা দক্ষ তারা পজিটিভ তারা মানবিক এবং তারা ভালোমানুষ!
মেন্টর, প্রিয় শিক্ষক- লক্ষ তরুণ-তরুণীর আইডল, আমাদের নয়নের মনি, স্বপ্নদ্রষ্টা, জীবন্তকিংবদন্তি, শ্রদ্ধাভাজন জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার প্রতি ভালমানুষি চর্চায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ড
এইভাবে চলছে নিজের মাথা কাজ করছে নিজে কি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবো।চিন্তা করলাম ড্রাইভারি করবো কিন্তু এইদেশে লাইসেন্স নেওয়া তো খুব টপ সোনার হরিন এর মত অনেক টাকার ও প্রয়োজন তবু নেমে গেলাম এবং সফল ও হলাম এইদ
যার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে যার বিনা পয়সায় দেশ বিদেশের মানুষ নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে,পরিচয় দিতে পারছে।এর চেয়ে বড়ো পাওয়া আর কি হতে পারে। যখন জানলাম স্যার১৪ ই ফেব্রুয়ারিতে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মেলায়
ইসরাত নিপার ২০০ টাকা পুজি দিয়ে কাজ শুরু করে এখন ৫০০০০ টাকা পুজি হয়েছে
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনারা যারা এতক্ষণ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার লেখাটা পড়েছেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশ
নিজের বিজনেস নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। একজন ভালো আর পজেটিভ মানুষ হতে চাই। এক সময় সুইসাইড করতে চাইতাম। সুইসাইড করতে যাওয়া মেয়েটাই সুইসাইড প্রোটেক্টিং স্কোয়াড বাংলাদেশ টিমের সাথে কাজ করার জন্য প্রস্তুত। এটা
আসসালামুআলাইকুম। আজকে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান ছিলো। সেখানের অনুভূতি বলে বুঝাতে পারবোনা। এতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসা হয়তো আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
তুই ত জানিস আল আমিন ভাইয়ের কথা। তোর ভাইয়ার খুব ক্লোজ বন্ধু। তার বিজনেস নিয়ে কি যেন ঝামেলা হয়েছে ভ্যাট, ট্যাক্স, চুক্তিপত্র ইত্যাদি নিয়ে। আর আল আমিন ভাইয়ের ঝামেলা যে ও নিজের ঝামেলাই মনে করে সেটা তো
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের নারী টিম লিডার Julekha Khatun Suma আপুকে এ আয়োজনের সাথে আমাকে রাখার জন্য। এবং বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ভাইদের যারা আজ আমাদের সাথে ছিলেন জানান দেওয়ার জন্য যে তারা সবসময় আমাদের পা
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
আমার কান্না শুনে ভাইয়া আমাকে ধমকাতে শুরু করলো৷ কিছুক্ষণ পর ভাইয়া। আমাকে নিয়ে চাচাকে খুঁজে বের করলো৷ পরে আমার মামার শশুড় বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাইলো৷ কারণ, কাছেই আমার মামার শশুড় বাড়ী। রাতটা কোনো ভাবে সেখা
আমি তখন সাভার ইপিজেড এ একটা কোরিয়ান গার্মেন্টসে কাজ করি, আমার কোম্পানির নাম A- ONE BD lTD.একদিন কোম্পানির ছুটির দিন আমি, আমার বোনের বাসায় যাই । ওটা ছিল, তেজগাঁও, ঢাকা। পিছন হতে আমাকে এক ভদ্রলোক ইংরেজি