আলহামদুলিল্লাহ। অধ্যক্ষ বরাবর চিঠি প্রদান করা সম্পূর্ণ হলো। যার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটা কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে আমরা নিজেরাই এ কাজে ভলেন্টিয়ারিং করেছি। একেক জনের কাছে কম্বল পৌছে দিয়ে তাদের অনুভূতি শুনেছি। এটা একটা অন্য লেভেলের ভালো লাগা।
লালবাগ জোন চমৎকার ভাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজার আজীবন সদস্য সেলিব্রেশন করে। তার মধ্যে ব্যাতিক্রম আয়োজন ছিলো কুইজ প্রতিযোগিতা।
২০১৮ সালের কথা, তখন,পড়াশোনা করতাম চাঁদপুরে, , আমাদের মাদ্রাসার একটা নিয়ম ছিলো কুরবানির ঈদের দিন মাদ্রাসায় থেকে কুরবানির পশুর চামড়া কালেশন করতে হবে, যেহুতু ঈদ করতে হবে মাদ্রাসায়, তাই, ঈদের জামা আগে থে
এই প্রথম আমি আমার সেল পোস্ট নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে শেয়ার করলাম। তাই আমি সত্যিই খুবি আনন্দিত। 🥰🥰 তাছাড়া খুব কষ্টও হচ্ছে ১০ম ব্যাচ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে। 😭😭 প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি #ইকবাল
আলহামদুলিল্লাহ আমি পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট চাকরি করতেছি ফ্যামিলি সুন্দর চলতেছে, এরইমধ্যে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিলাম, পাশাপাশি আমি একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করি, ও আমাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছিল অবশেষে 18
সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে নতুন কোন বিজনেস স্যার উক্তি এটির মাধ্যমে মনের নতুন আশা শুরু হয়েছে সমস্যা তো দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তার সাথে বিজনেস আইডিয়া গুলো বেরিয়ে আসতে জানিনা কতদূর সবার সামনে উপস্থাপন
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সফল হয়েছে টানা ২০০০ তম দিনের রেকর্ড গড়া আমাদের লক্ষীপুর জেলার প্রোগ্রাম। উক্ত পোগ্রামের মূল আয়োজন ছিল:
গত কিছু দিন অাগে অামার দুই বন্ধু কোরিয়া ও সৌদি অারব থেকে অামাকে কল দিয়ে এই গ্রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল। অামি তাদেরকে অামাদের স্যারের নির্দেশনা বা কার্যক্রম সম্পর্কে বলি। তারা খুবই অানন্দিত
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
আমি একজন নয় যে, এত খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও এভাবে টিকে আছে। নিজের লক্ষ্যে স্থির আছে। আমার মত হাজারো তরুণ-তরুণী আছে যারা– হাজারটা খারাপ
তাই ভালোবাসতে শুরু করলাম এই গ্রুপকে এই পরিবারের মানুষ গুলোকে, তবে ফেরৎ যা পেয়েছি তা লিখে প্রকাশ করা অসম্ভব, বলতে গেলে আমুল পরিবর্তন করে দিয়েছে এই গ্রুপ আমাকে, এই যে লিখছি তাও এই গ্রুপের অবদান এখান
যে মেয়েটা তুমি মানুষের সামনে যেতে ভয় পেতে। ছেঁড়া কাপড় পরতে, সেই মেয়েটা আজ তুমি হাজারো মানুষের মাঝে মাথা উঁচু করে নিজেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বক্তব্য দাও। তোমার কথা শুনে অনেক উৎসাহিত হয়, অনুপ্রাণ
#জীবনের_কিছু_মূল্যবান_কথা 🌹🌹🌹"আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সকলে আশা করি ভালো আছেন, আলহামদুল্লিলাহ আমিও ভালো আছি। 🌹🌹🌹শুকরিয়া মহান আল্লাহ'তালার প্রতি যিনি এতো মহামারীর মাঝেও আমাদের সকলকে ভালো
প্রবাস জীবন কতটা কষ্টের দেশে অবস্থান করে সেটা বুঝার মতো ক্যাপাসিটি কারো নেই। প্রবাস জীবনের কষ্টটা উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
প্রিয় স্যারের প্রতিটি উক্তি যখন পড়ি নিজের ভিতর নতুন স্বপ্নের সম্ভাবনা উুকি মারে। 🍀নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম।নিজে কিছু করার চেষ্টা করছি। 🍀আমি কখনো ভাবিনি এক্টিভিটি মানুষকে এত বদলে দিতে
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
কিছু স্মৃতি মন থেকে মুছে যায়, আর কিছু স্মৃতি কখনাে ভােলা যায় না। মাঝে মাঝে জীবনের অতীত পানে যখন ফিরে তাকাই, তখন ফেলে আসা বর্ণাঢ্য সুখস্মৃতি মানস চোখে। মায়াবী রূপে ধরা দেয়। সেই দিনগুলাে ছিল বড়াে
যারা নিজেরা প্রডাক্ট খুঁজে হয়রান তাদের স্যার প্রথমেই বলেন ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করতে। ঐতিহ্য হলো তাই যার জন্য আপনার জেলা বা শহর বিখ্যাত। অর্থাৎ ওই জেলার নামের সাথেসাথেই মানুষের মুখে মুখে ওইখানকার পণ্যের নাম
আমি ছোট থেকেই অনেক স্বপ্ন দেখতাম মানুষের সেবা করবো, বিপদে মানুষের পাশে দারাবো আর তাই সুজগ পেলেই চেষ্টা করতাম মানুষের উপকার করতে, আমার কাছে কেউ সাহায্য চাইলে আমি আমার ইচ্ছে মতো চাউল দিয়ে দিতাম, টিফিনে
প্রিয় ফাউন্ডেশন এর জন্য ও সকল আজীবন সদস্যদের দোয়া করেন অত্র মাদ্রাসার ইমাম সাহেব।
নিজের জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " আমার পরিবারের প্রিয় ভাই বোনদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার উদ্দেশ্যে 23 সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট করি। পোস্টটি "স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে" নি
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জিবিজি কলেজের সিনিয়র শিক্ষক জবান বাশার নাজিবুল ভাই। উক্ত মিট আপে সভাপতিত্ব করেন সম্মানিত জেলা প্রতিনিধি Ashik Ahmed ভাই।
#দাদুভাই : তোমার কোন পাঞ্জাবি পছন্দ হয় সেটা তোমাকে কিনে দেবো । #নাতিন : ওকে । #দাদুভাই : তোমাকে ঈদে সুন্দর একটা পাঞ্জাবী দেবো ঈদের নামাজ পড়তে যাবে । তোমার বন্ধুরা সবাই দেখে অনেক ভালো বলে
সামাজিক মহৎ কাজে অংশগ্রহন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট কোটি কোটি শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। অসংখ্য_ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই #নিজের_বলার_মতো_একটি_গ্রুপের_প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিয় মেন্টর #ইকবাল_বাহার_স্যার
স্যারের সেশন পড়ে অনেক অনেক কিছু নতুন করে জানতে এবং শিখতে পাচ্ছি, মানবিক মানুষ হিসেবে কাজ করার আগ্রহ থেকে রাজশাহী ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রধান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি, সবাইকে সাথে নিয়ে।
আলহামদুলিল্লাহ, সবার উপস্থিতিতে সুন্দর মিটাপ সম্পন্ন
যারা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কষ্ট করে উপস্থিত হয়ে আমাদের মিটআপ কে সাফল্য মন্ডিত করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর সবাই কে অনেক ধন্যবাদ।
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা এবং মানুষ কে আরো স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা, মানুষের পাশে থাকা, ফাউন্ডেশনকে যেভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে মোতাবেক কাজ করে যাওয়া
প্রতিটি মানুষের শৈশব হাসি আনন্দ আর খেলাধুলায় কাটে।ঠিক তেমন আমার ছোট বেলা ছিল আনন্দ মুখরিত। সবার ছোট থাকায় সবার অনেক আদরের ছিলাম। আল্লাহর রহমতে কখনও কিছুর অভাব করি নাই।
যে কোন দেশের বেকার সমস্যা ঐদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক বাধা, এবং বর্তমান বাংলাদেশর অবস্থাও তাই। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্যা যেমন দেশে প্রভাব ফেলছে তেমনি প্রবাসেও। প্রবাসে বেশিরভাগ শ্রমিক
বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিল ঐক্য ও ভালবাসার সেতু বন্ধন। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর "নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"।
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
মিটআপ এ উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার উপজেলা এম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার এবং আজীবন সদস্য বৃন্দ, উক্ত মিটআপ এ প্রত্যেক উদ্যোক্তার উদ্যোগ সম্পর্কে জানা হয় এবং পণ্য পদর্শনীর সুযোগ দেওয়া হয়।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র'র দুর্দান্ত সিলেট জেলা টিমের মাসিক মিটআপ অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাণবন্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সত্যি কথা বলতে কি জানেন আমি কখনো ভাবি নি আমার আজকের মতো বর্তমান একটা অবস্থান তৈরি হবে। আমি কল্পনাও করি নি আমাকে কল দিয়ে মানুষ খুজবে, এটা লাগবে অইটা লাগবে বলবে। আমার কাছে এসে প্রিয় প্লাটফর্ম সম্পর্কে
তাই আজও সফল কিছু শব্দের মিশ্রনে আরো কয়েক ধাপ নিজেকে এগিয়ে নিলাম!!! আবার পড়ুন আমার জীবন গল্প! কি দিয়েছে আমাকে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন -----
এভাবে এতো কাছ থেকে উনাদের দেখে উপলব্ধি করলাম আল্লাহ কত নিয়ামত দিয়ে আমাদের সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
অত্যন্ত বাজে ভাবে জীবনের মূল্যবান বেশ কয়েকটি দিন এভাবেই চলে যায়। শুরু করলাম ঔষধ ব্যবসা খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে, সেখানেও লেগে থাকার অভ্যাস না থাকার কারণে সফলতা লাভ করতে পারিনি। এরপরে এক আত্মীয়ার পীড
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
আলহামদুলিল্লাহ, ধানমন্ডি জোনের সামাজিক কাজের অংশ বিশেষ #সুবিধা বঞ্চিত স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার ও আনন্দ বিলাই| কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন হলো স্থানঃ ডাসওয়াব শিক্ষা নিকেতন স্কুল ১০৬, হাজারীবাগ
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
সেদিন ছিল শুক্রবার বিকেল বেলা অল্প অল্প ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পরছে আমাদের ফেমেলীর সবাই মিলে Tv তে ছবি দখছিলাম।উনাদের আবার হার্ডয়্যারের ব্যাবসা পাইকারি ও খুচরা। আমার আব্বু উনাদের দোকান থেকে মাল আনতো সেই স
ড্রাগন ফল। নামটার মধ্যেই কেমন বিদেশি গন্ধ। এত দিন চিন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামে রমরমা চাহিদা ছিল ড্রাগন ফলের। দেশ-কালের বেড়াজাল ভেঙে সেই ফল এখন চাষ হচ্ছে দুই বাংলার বেশ কিছু জায়গায়। খাদ্যগুণে
লালবাগ জোনের উদ্যােগে কোরআনের পাখিদের সাথে সুন্দর একটা ইফতার ও দোয়া আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে
গত ৪ জানুয়ারি ২০২০ এ 'নিজের বলার মত একটা গল্প' প্লাটফর্মের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনার সূচনা হয়। একটা অনলাইন প্লাটফর্মকে কেন্দ্র করে এমন বিশাল এক মহাসম্মেলন বিশ্বের ইতিহ
২০০৯ সালের ১২ই অক্টোবর বেলা ১১টা৫৫ মিনিট, ঢাকা বারডেম হাসপাতাল আমার বাবাকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে গেছেন তার আপন 😭ঠিকানায়। সেই থেকে আমি এতিম😭 ফরহাদ। তারপর থেকে বুঝেছি আমার পড়াশোনা📚🖋️ কর
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন