আমার এক বন্ধুকে দিয়েছো শুনলাম, সেতো মহা খুশি। তার হিসাবগুলো নাকি খুব ইজিতে করতে পারছে ঐদিন তার দোকানে গেলাম আর এইসব বল্লল। আমিঃ জি ভাইয়া আমি সফটওয়্যার বিক্রি করছি এই হাটে। সকালে পোস্ট দিয়েছিলাম আর ক
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
ওসমান গণি ভাইয়ের ১মহাদান। উৎসর্গ সম্মানিত ইকবাল বাহার ভাইয়া। অসমান ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
২০০২ সালে আমার দাখিল/ এস এস সি পরীক্ষা শুরু , আমার জিবনে ৩ মাাস প্রাইভেট টিউটর পেয়েছি মাএ। সাইন্স বিভাগের স্টুডেন্ট ছিলাম রোল নং ছিল ২,শরু হলো পরীক্ষা তখনকার শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন এহসানুল হল মিলন,কি
ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরণায় আবার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার উদ্যোগতা জীবন পুনরায় শুরু করার জন্য, আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দোয়ায় নতুন করে উদ্যোগতা হিসেবে পথচলা শুরু করতে পারি।
আজ মহান বিজয় দিবস ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি বাংলাদেশকে পেয়েছি। সকল শহীদ মুক্তিযুদ্ধাদের স্মরণে আজ #নিজের_বলার_মতো_একটি_গল্প_ফাউন্ডেশন এর ঝিনাইদহ জেলা টিম এর পক্ষ থেকে ঝিনাইদ
আমি চাচার দায়িত্ব দেখে ওবাক হয়ে যেতাম। যদিও টাকা দিতাম। তাও জোর করে এক রকম। তিনি নিতে চাইতেন না, দোকানের ছেলের হাতে দিয়ে দিতাম। এই নিয়ে তিনি খুব কষ্ট নিয়ে ২দিন আমাকে বললেন আপনি যদি আমার বাসায় শিখাতেন
আস্তে আস্তে নিজের পরিচয় তুলে ধরে নিজের পণ্যের পরিচিতি তুলে ধরে পরিচিত হতে শুরু করলাম। চার দিনের মাথায় আমার এই গ্রুপ থেকে অর্ডার চলে আসে খেজুরের আচার এর। আস্তে আস্তে করে এই গ্রুপের সাথে পথ চলা এখন কা
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের এক হাজার তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর ২০২০খ্রিঃ) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
আলহামদুলিল্লাহ ৮ম বার রক্ত দান করলাম,মুমূর্ষু রুগীকে, সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
চলে এসেছি মূল মেলা প্রাঙ্গনে।চারদিকে মিস্টি গন্ধে মৌ মৌ করছে যা আপনি স্বশরিরে উপস্থিত না হলে বুঝতেই পারবেন না।চারদিকে শুধু পিঠার স্টল আর কাস্টমারের ভিড় লেগেই আছে প্রতিটি স্টলে।সকলেই বেশ মজা ও আয়েস কর
❤️বিসমিল্লাহ রাহমানির রাহিম ❤️ ☘️ আস্সালামু আলাইকুম☘️ 🙏🙏🙏🙏সকলকে পড়ার অনুরধ রইলো🙏🙏🙏 👉👉👉জীবন গল্প👈👈👈 🙏প্রথমে লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাই মহান রবের দরবারে যিনি আমাদের কে ১৮ হাজার মাখলুক
শুরু হল আমার জীবন যুদ্ধ। ভাগ্য ভালো যে চাচা এগিয়ে এসেছে। এক রাস্তা বন্ধ হলে আল্লাহ আরেক রাস্তা খুলে দেয় মুরুব্বী দের মুখে শুনতাম তা যেন হাতে নাতে পেলাম। চাচার সহযোগিতায় চলে আসলাম সংযুক্ত আরব আমিরা
ধন্যবাদ জানাই জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে এত সুন্দর প্লাটফর্ম তৈরী করে দেওয়ার জন্য
নিজের বলার মত একটা গল্প মাদারীপুরের মিট আপে MD Mamun Kaysar তার তৈরী rickshaw courier service শুভ উদ্বোধন করলেন । মাদারীপুরের একমাত্র online shop নাইচ অনলাইন শপের সকল পন্য বহনে রিক্সা কুরিয়ারকে সহায়তা
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
প্রিয় ফাউন্ডেশন আসতে পেরে অনেক গর্বিত আমি। কেননা স্কুল কলেজ থেকে যে শিক্ষা না পেয়েছি। তার থেকে বেশি শিক্ষা নিতে পেরেছি আমি এই ফাউন্ডেশন থেকে। স্যার আমাদের কে শিখিয়েছে কি করে ভালো মানুষ হতে হয়....
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
স্যারের সেই কথাটা চিন্তা করেই এখনো যাওয়া হয়নি। স্যারের সেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন নিজের স্বপ্নের ব্যবসা দাড় করাতে পারি এবং নিজের বলার মতো একটা গল্প তৈরি করতে পারি। আর সেই দিন হয়তো প্রবাস জীবনের অবসান ঘ
৭/৮/৯ব্যাচ থেকে যা শিখেছি ১০ম ব্যাচ থেকে তার চেয়ে বেশী পেয়েছি... ১০ম ব্যাচে নতুন নতুন অনেক স্কিল যুক্ত হয়েছিল যা আগে পাইনি..... 👉১০ ব্যাচে এসে নতুন পোরানো অনেকের সাথে পরিচিত হয়েছি সু-সম্পর্ক তৈরি হয়
মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে বড় হয়েছি এই বিপ্লবী আমি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও পিছিয়ে আমি। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই আমাকে ক্ষান্ত হতে হয়েছে। কিন্তু সমাজে সবার চাইতে সৎ এবং ভালো মানুষের কৃতিত্ব আম
মিটআপ এ উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার উপজেলা এম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার এবং আজীবন সদস্য বৃন্দ, উক্ত মিটআপ এ প্রত্যেক উদ্যোক্তার উদ্যোগ সম্পর্কে জানা হয় এবং পণ্য পদর্শনীর সুযোগ দেওয়া হয়।
যেখানেই যাই সেখানেই সুযেগ পেলে তুলে ধরার চেষ্টা করি আমার প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে। এভাবেই একদিন বিশ্বের দরবারে পোক্ত জায়গা করে নিবে আমাদের সবার প্রিয় " নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের নারী টিম লিডার Julekha Khatun Suma আপুকে এ আয়োজনের সাথে আমাকে রাখার জন্য। এবং বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ভাইদের যারা আজ আমাদের সাথে ছিলেন জানান দেওয়ার জন্য যে তারা সবসময় আমাদের পা
সপ্ন দেখছি বেতনের কিছু সেভিং করছি আর কিছু সংসারের খরচ দিচ্ছি..... সংসারের বড় ছেলে আমি... নিম্ন মধ্যবিত্ব সংসার ছোট ভাই বোন এর লেখাপরা বাবার পাশাপাশি সংসারে হেল্প করা..... কর্ম জীবন / চাকরি যেনো একটা
ফরিদপুর জেলার কিছু মানুষ এর মাঝে ত্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে তাদের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
নাটোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি
অনেকে তো জড়িয়ে ধরে বলছেন মা তোমরা আজকে থাকবে এখানে আমাদের সাথে একটা রাত,তাহলে অনেক ভালো লাগবে যেও না যেন তোমাদের দেখে অনেক ভালো লাগছে,,,,
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ এবং ২০০০ তম দিন উৎযাপনকে কেন্দ্র করে বিশেষ আলোচনা।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি জোনের ধারাবাহিক ১১ তম ফিজিক্যাল মাসিক মিট আপ ও টিকেট সেল উৎসব।
আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে মেজর ওসমানীর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন ভারতে ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়ে
বৃষ্টি পড়ে সবার জন্য, তবে বিজে কেউ কেউ। * ব্যস্ততা বলে কিছুই নাই,its all about priority. *বাবা মাকে মুখ খুলে বলুন আমি তোমাকে ভালোবাসি। *আমরা পন্য কিনি না,কিনি বিশ্বাস। *নিজের সাথে কথা বলুন।পরিবর্তন
আজ থেকে কয়েকটা বছর আগে আমরা কাজিনরা আমাদের এক মামার সাথে ঢাকা শিশু পার্কে ঘুরতে যাই। তখন আমার বয়স কত এই ১৫ কি ১৬ হবে।আমরা পার্কে ঢোকার কিছুক্ষণ পরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।তখন আমরা সবাই জায়গায় গিয়ে বস
স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে একটা সময় নিজের একটা ব্যবসা তৈরি করবো। সত্যি বলতে প্রবাস জীবন আর ভালো লাগে না। দেখতে দেখতে ১২ বছর চলে গেলো। ইচ্ছে করে এখনি চলে যাই। মন চাইলে তো আর যাওয়া যাবে না। নিজের পরিবারে
বাচ্চা থাকলে বাচ্চাটার জীবনতো ধ্বংস হবেই সাথে নিজের ও, তাই নিজেকে তৈরি করতে হবে এমনভাবে যেনো আমাকে দেখে আরো দশটা মেয়ে বাঁচার সাহস পায়। জীবনকে থামতে দিলে হবেনা, বাঁচার সম্ভবনায় সূর্যটা উদীত করতে হবে
2015 সালে আমি বিয়ে করি, বিয়ের পর পরে আমি সবার কাছে খারাপ হয়ে যায়। বিভিন্ন রকম অপবাদের পর আমি ভাইয়ের দোকান থেকে রাগ করে চলে আসি। আসার পর আমি কিভাবে জিরু থেকে শুরু করব তা ভেবে পাচ্ছিনা।
পাচ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম, কিন্তু আশানুরূপ সেল হয়নি।
স্বামী জীবিকার তাগিদে, পরিবারের সবাই কে ভালো রাখার জন্য, পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটানোর জন্য, শত কষ্টের মাঝেও ভালো আছি বলে কষ্ট লুকিয়ে দেশের বাহিরে আছেন।
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
এখন আমি কথা বলতে পারি আমার ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনাকে কে জাগিয়ে তুলতে পেরেছি
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।