আমি এরপর আর মেনে নিতে না পেরে ফেসবুকের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ওনাদের বুঝালাম এবং ছেড়ে দিলাম। শুরু হলো আবারও আমার বিভীষিকাময় দিন। আমার খুব কাছের বন্ধু খুব ভালো ছবি তুলতে পারে, ইচ্ছা বড় ফটোগ্রাফার হওয়ার।
আমার দ্বারা কিছু হবে না টা আর মনে হল না । আমি রেজিস্ট্রেশন করে যুক্ত হই এবং প্রতিটি সেশন আমি মনোযোগ দিয়ে করি এবং পরিচিত পোস্ট দিতে থাকি । তারপর চুয়াডাঙ্গা মেসেঞ্জার এবং লালবাগ জোন এ এড হই ।
শুরু আমার প্রবাস জীবন, প্রবাসী জীবন কত সুখ কত কষ্ট এখন দেখা হবে নিজ চোখে। কথা আছে যে যেই জিনিস খায় না সে কি বুঝতে পারে কি তার মজা।যতই অনুভব করেন না কেনো। অামি আর আমি নাই কি আর করবো ভাইয়ার মতো আমার
আলোচ্য বিষয়ঃ আসন্ন রমাদান উপলক্ষে প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ক আলোচনা
আমি একজন গরীব কৃষক দিনমজুর ঘরের সন্তা। আমার বাবা, একজন গরীব কৃষক দিনমজুর। আমরা দুই ভাই এক বোন, বোন টা সবার বড় এবং ভাইদের মধ্যে আমি বড় আর আমার ছোটো একটি ভাই আছে এ নিয়ে আমাদের পরিবার। এবং সেই পরি
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে আমি খুব ভালোই ছিলাম। নানা, নানী, আন্টি, মামা সবাই আমাকে ছোট বেলা থেকেই অনেক আদর করতো। উনারা আমার পড়ার সকল খরচ বহন করতেন। সেখানেই থেকে খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা শুরু করি। উদ্দেশ্য একট
আমাদের চাঁদপুর জেলা উদ্যোক্তা টিম ইনশাআল্লাহ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। 😊 আমি কাজ করছি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। আমাদের সেবা সমুহ : * প্রোডাক্টস প্রোমোশনাল ২ ডি এনিমেশন🏙️🌆 * মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন 🧩 * ও
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
স্যারের শিক্ষায় আমার মতো ক্ষুদ্র শিক্ষার্থী হয়েও একজন মানবিক মানুষ, পরিশ্রমী, ডেলিভারি ম্যান, মৌ চাষী হয়েছি তারপরও নিজের কাজের প্রতি আত্মতৃপ্তি পাই।
👉যেই প্রিয় মানুষটি আমাদের কে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখিয়ে যাচ্ছেন,,, আপনাদের ফ্রী প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন । প্রিয় স্যারের দেখানো পথ আমরা তরুন তরুনীরা অনুস্বরন করছি। সেই প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার অনেক অ
পৃথিবীতে মায়ের আশির্বাদ বড় আশির্বাদ, মাকে বলেছি আমি আমার জিবনের গল্প লিখেছি। মা বাহবা দিতেছে আমাকে, এত বড় হয়েও পড়াশোনা করতেছি।শিখার কোন শেষ নাই,জানার কোন শেষ নাই।
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
সকলের সুন্দর উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত একটা মিটআপ ছিল। আজকে চট্টগ্রাম জেলাকে এগিয়ে নিতে সবার পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
কোন ব্যাক্তিকে ভালোবাসি তার ব্যাক্তিগত ভালো কাজের জন্য,, মাজে মধ্যে দেশের নাগরিক 🇧🇩হিসাবে একজন দেশপ্রেমিক হিসাবে দায়বদ্ধতা তেকে কিছু
আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিক নির্দেশনায় আমরা প্রতি বছরেই এই আয়োজন করে থাকি, এবং প্রতি বছরেই এই আয়োজন চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
রক্তদানের পাশাপাশি আশে-পাশের মানুষগুলোকেও রক্তদানে উৎসাহি করুন; অসহায় মুমূর্ষ রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করে জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করুন” ।
আমার স্বপ্ন একজন ভালোমানুষ এবং সফল উদ্যোক্তা হবো। নিজের জেলা সর্বোপরি নিজের দেশের পণ্যকে বিশ্বের বাজারে পরিচিত করব। অসহায় ও নিপিড়ীত মানুষকে সাবলম্বী হতে সাহায্য করব। নিজের প্রতিষ্ঠানে একজনকে হলেও চা
আমার ছোটবেলায় বেড়ে উঠা জীবনের অধিকাংশ সময়টা কেটেছে ঘরবন্দী হয়ে কারণ আমি মেয়ে সন্তান এবং আমার আব্বু-আম্মু ইসলাম ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন দু-জনেই। আমারা তিন ভাইবোন এদের মধ্যে আমি মেজো, ভাইয়া স
শরীয়তপুর জেলায় এ পর্যন্ত ৫টা উপজেলায় ভালোবাসা বিলাই প্রজেক্টের কার্যক্রম বাস্তবায়ন চলমান ৬টা ঝুড়ি বসিয়ে।
সন্তান আর সংসার করে নিজের স্বপ্ন টা মরে গেলে, ভুলে গেলাম আমি একজন স্বপ্নবাজ ছিলাম। চিন্তা করতাম বেবিরা বড় হলে আবার চেষ্টা করবো পারাইফেট চাকরি করার। আশায় দিন গুনি কিন্তু কোন কিছু করার সাহস পাই না।অনেক
আলহামদুলিল্লাহ। দ্বিতীয়বারের মতো নিজের ভালবাসার রক্তদান করলেন Abdullah Bin Yousuf সবাই মানবতার সেবক ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।
মনে রাখতে হবে একটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো বড় বিষয় নয়। মার্কেটিং করা বা আপনার পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ করে কাস্টমারের দৌড় ঘোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কারণ আপনাকে মাথায় রাখ
জনাব Harun Rashid স্যারকে জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের পক্ষ থেকে প্রেরিত চিঠি পৌঁছে দিয়েছে দূরন্ত জামালপুর জেলা।
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি, ক্লাস ফাইভ পাস করেছি কিভাবে মনে নেই। এক দিন আমার প্রতিবেশী সম্পর্কের এক মামা নাম তার জসিম আমাকে বললো_ - ভাগিনা কালেঙ্গা প্রাইমারি স্কুলতো পাশ করলা এখন মিরাশী হাই স্কুলে পড়ো।
জোনের ইফতার এর পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের মাঝে কিছু খাবার বিতরণ করা হয় সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে। যা ধানমন্ডি জোন বিগত বছরগুলোতেও করে আসছে।
ধানমন্ডি জোন ,কর্তৃক আয়োজিত অসাধারণ একটি অফলাইন মিট আপের আয়োজন করেছেন , ধানমন্ডির জোনের দায়িত্বশীলরা
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক # গোপালগঞ্জ (ঢাকা)জেলা "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছেন অফলাইন মিট আপ। 🔊
চুলুন জানা আর শেখার মাঝে সময়টাকে কাটাই। ব্যবসা বা কোনো উদ্যোগকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যেতে নিশ্চয়ই অনেক কাজ করতে হয়। তার জন্য অনেক কিছু জানতে হয়, শিখতে হয় এবং কাজ করতে হয়। তাই আসুন আগে একটি লিস্ট করে নিই
আমরা প্রবাসে বসে কয়েকজন বন্ধু মিলে গতকাল 40 টি পরিবারের কাছে ত্রাণ বিতরণ করেছি । আপনাদের দোয়ায় সম্পন্ন করেছি। তাদের কোনো সেলফি নেইনি কারণ লোক দেখানো মানবতার বহির্প্রকাশ নয়।
অত্যান্ত চমৎকার ভাবে সমপন্ন হলো চৌগাছা উপজেলার অফলাইন মিটআপ। যারা ভালবেসে মিটআপে উপস্থিত হয়েছিলেন সকল কে অভিনন্দন।
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মিটআপে গতকাল অংশগ্রহণ করেছিলাম। তারা পাবনা জেলার মধ্যে দ্বিতীয়তে মিটআপ আয়োজন করলো। এবং এটা চাটমোহর উপজেলার প্রথম মিটআপ। অসংখ্য ধন্যবাদ চাটমোহর উপজেলার সকল সদস্যবৃন্দকে ও উপজেল
আমার বাবার কঠোরতা আমাকে ভালোমানুষ তৈরি হতে শিখিয়েছে। জীবনের এ পর্যায়ে এসে মনে হয় বাবার শাসন আমাদের অপরাধ থেকে দুরে রেখেছে। আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি। তাদের পাশে কমবেশি দাড়াই। এই ফান্ডেশন তাদেরক
"দিনে এনে দিনে খায়" গত তিন দিনে সবাই নিজের সাধ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষদের কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়ার জন্যে।
শত ব্যার্থতার পরও আমি এর শেষ দেখতে চেয়েছিলাম। জীবনে অনেক কিছুই তো করেছি। কিন্তু উদ্দোক্তা জীবনে নিজেকে মৌ খামারি হিসেবে পরিচয় দিতেই গর্ব বোধ করি।কারণ একজন পেশাদার মৌ -খামারী হয়ে ওঠা আমার জন্য অতটা সহ
এতক্ষণ ধরে আপনারা যার সত্য জীবনের গল্প শুনলেন তিনি আর কেউ নন আমার একমাত্র ভালোবাসা আমার প্রিয় বাবা।আমার বাবার গল্প শুরু না হলেতো আমার জীবনের গল্প শুরু হতো না।আমি আমার বাবার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখেছি
বারবার মনে ভয় হয় এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে পারব তো!কিন্তু বিশ্বাস আছে নিজের উপরে,শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের শিক্ষার উপরে, প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি,
আমি খুব সাধারন একজন মানুষ। বিশেষ কোনো গুনাবলি নেই আমার। তবে যখন কোনো কাজ ধরি তার পেছনে লেগে থাকি। অনেক বাধা-বিপত্তির পরও লেগে থাকার ধৈর্য্য আমার ব্যাবসার মূলমন্ত্র। যেটা নিয়ে স্যার সেশনও করেছেন। যেকোন
২০১৫ সালে হাসপাতালে বাবাকে খুব যত্নে বুকের ভিতর দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, নার্স ডা: গন খুব চেষ্টা করতেছিলেন, তার ভিতর থেকেই বাবাকে নিয়ে গেলেন উপরে,আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যখন তিনি চলে গেল
ধানমন্ডি জোনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীলদের মিটিং ও চা আড্ডা।
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে আমরা নিজেরাই এ কাজে ভলেন্টিয়ারিং করেছি। একেক জনের কাছে কম্বল পৌছে দিয়ে তাদের অনুভূতি শুনেছি। এটা একটা অন্য লেভেলের ভালো লাগা।
এসব কাজ শখ থেকে আজ পেশা হয়ে গেছে। এর পর বিজনেস শুরু করলাম কিন্তু লাভ হচ্ছে না তখন আমার অনেক জানতে ইচ্ছে হলো কি করে বিজনেস শিখতে পারি আর যখন ভাবছি তখন আমার প্রিয় স্যার প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্
বর্তমানে করনো ভাইরাসের কারণে আমাদের বেশ কিছু মালের অর্ডার স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এমনকি কয়েকটা কোম্পানির সাথে পণ্যের অর্ডার স্থির রাখতে হয়েছে। তবে মাথায় এখন পরিকল্পনা চলছে বর্তমান প্রেক্ষিতে কি করা
সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ অনুষ্ঠান।
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় এই মিট আপের শুভসূচনা করা হয় , একে একে আমরা সকল উপজেলায় মিটআপ করবো ইনশাআল্লাহ।
অত্যন্ত সুন্দর উচ্চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাজবাড়ী পাংশা উেজেলা মিটআপ
দীর্ঘ ৩ মাস পর ঝড়ে পড়া নক্ষত্র থেকে নিজের সাথে নিজের ঘর্ষনে দেড় বছর পর স্বস্তি ফিরে পেলাম। আল্লাহর রহমত আর আম্মুর দোয়া নামাজ আমাদের সহায় হয়। এরপর আল্লাহ অশেষ রহমতে আবার স্যারকে ফলো করা শুরু করি এব