কেউ যদি সারাক্ষণ ভাবে যে সে ব্যর্থ হবে, তবে সে যত ভালো অবস্থাতেই থাকুক না কেন সে ব্যর্থ হবেই। কারণ, তখন তার কাছে কোনো সামান্য বাঁধাকেই ব্যর্থতার একটা অংশ বলে মনে হবে। আবার আপনার বিশ্বাস যদি হয় যতোই প্
প্রিম্যাচ্যুর বেবি হওয়ায় আমি অবার ভেংগে পড়ি। ছাড়তে হয় চাকুরী। ভেংগে পড়ি আর সাহস দেয় মা। শুরু করি অনলাইন ব্যাবসা। লস। আবার মা আমকে সাহস দেয়।
রুবেল আর ডলির সম্পর্ক সেই ক্লাস নাইন থেকে। দু জন দু জনকে দেখার জন্যই যেনো স্কুলে যেতো।অনেক ব্রিলিয়ান্ট ছিলো ডলি,রুবেল ও দারুন।ম্যাথমেটিংস রুবেল খুব ভালো বুঝতো।নাইনে পড়াকালীন নাইনের স্টুডেন্ট পড়াতো। SS
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
চারিদিকে সবাই যখন বলছে বাঁচবোনা বাঁচবো না, কথাটা আমিও মেনে নিলাম। হাল ছেড়ে দিলাম বেঁচে থাকার। পৃথিবী থেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। অপেক্ষা শুধু কখন বিদায়ের ঘন্টা বাজবে।
আলহামদুলিল্লাহ 🥰🥰 Ayesha Tuba Hashi বোনের প্রথম থ্যালাসেমিয়া রোগী কে (#বি+)রক্তদান সম্পূর্ণ হলো।
ফুফু তো অনেক খুশি আমার কথা শুনে। আমি বলাম যে ফুফু আপনি যেহেতু কোনো কাজ ভালো মত পারেন না।তাহলে আমার কাঁথা সেলাই করতে সাহায্য করেন।আমার বেশি কাঁথার অর্ডার আসলে আমি কাঁথা গুলা এঁকে আপনার বাসায় দিয়ে আসব।
প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলে এখন ঘরে বসেই যেকোনো বিষয়ে কোর্স করা যাচ্ছে। বাংলাদশেও এর ব্যাতিক্রম নয়। লাখো তরুণ চাকরির পেছনে না দৌড়ে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন উদ্যোক্তা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে অনলাইন
আমার জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প সেই জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়েই আজকের এই লিখাটি। জীবনের গল্পটা অনেক কষ্টের তবে এটা জীবন গড়ার গল্প, জীবনের কষ্টের গল্প। তবে চলুন শুরু করি আমার জীবনের গল্প। প্রত্যেক মা
আমাদের এলাকায় মৌসুমি কিছু ফল এবং সবজী পাওয়া যেতো অনেক বেশি। আমাদের গ্রামে মিষ্টি কুমরা অনেক ভালো ফলন হতো। একটা সময় কৃষক এই মিষ্টি কুমরা জমিতেই এক সাথে বিক্রি করে দিতো। আমি তখন যে সকল কৃষক এর সাথে ভা
হ্যাঁ এটাই ভালো বাসার প্লাটফর্ম। মানুষ মানুষের জন্য। একটু কি সহন ভূতি কি পেতে পারেনা। প্রিয় মেন্টর শিক্ষা মানুষের উপকার করবো ইনশাআল্লাহ। আজ জীবনের প্রথম বার আমার মায়ের মতন চাচিকে রক্ত দান করলাম। পোষ্ট
জীবনের বাঁকে বাঁকে অনেক প্রতিকূলতা দেখেছি,অনেক মানুষ দেখেছি সুসময়ে।দূর সময়েও দেখছি নতুন করে,এটাতো জীবনের বাস্তবতা,মনিষীদের হাজার বছর আগের জ্ঞানগর্ভ। ভালোবাসাটা,সে কয়দিনই ভালোবাসা থাকে,যে কয়দিন আমার
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
জীবনের এই কলগুলো যদি আমার জন্য মিসকল না হতো, তাহলে হয়তো জীবনটা আজ ঐখানে থেমে যেত,যাইহোক বেঁচে আছি বলেই আপনাদের এত ভালোবাসা আমি প্রতি নিয়তি পেয়ে যাচ্ছি,আলহামদুলিল্লাহ তবে এজীবনের স্বাদে - বিস্বাদ
খাগড়াছড়ি জেলায় খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে উদযাপিত হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ১০০০ তম দিন। এই ১০০০ দিনের মধ্যে এক দিনের জন্য ট্রেনিং বন্ধ ছিলোনা। এবং এই ট্রেনিং ছিলো সম্পুর্ণ বিনামূল্যে
সপ্ন দেখছি বেতনের কিছু সেভিং করছি আর কিছু সংসারের খরচ দিচ্ছি..... সংসারের বড় ছেলে আমি... নিম্ন মধ্যবিত্ব সংসার ছোট ভাই বোন এর লেখাপরা বাবার পাশাপাশি সংসারে হেল্প করা..... কর্ম জীবন / চাকরি যেনো একটা
আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মাসুম আহামেদ উপ পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর,চুয়াডাঙ্গা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সোহেল তামজিদ হিরো।
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
অনেক আবেগ নিয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে, আশা নিয়ে লেখা শুরু করি,আমাদের না বলা কথা গুলো এখানে প্রকাশ করি।আর যখন Sod হয় লেখাটা,তখন তো লেখার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।সবাই যখন অভিনন্দন জানায়,তখনকার অনুভুতিটা প্রকাশ করা
দুরন্ত দিনাজপুর জেলার সকল কলেজে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সকলে দোয়া ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে আমাদের সাথেই থাকবেন সবসময়।
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হলো যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ,এই আয়োজনের মাধ্যমে প্লাটফর্ম এর প্রিয় ভাই ও বোনেরা তাদের নিজেদের জীবনের সুখ,দুঃখ,হতাশা,সফলতার গল্প সকলের মাঝে তুলে ধরতে পারছেন।পাচ্ছেন অনেকের প্রতি
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
সোনালী কি কেবলই রূপবতী কোন প্রেয়সীর ঢং সোনালী কি কেবলই রোদ্দুরে ঝলসানো কোন রং সোনালী কি স্বপ্নের আবর্তে চলমান কোন চিত্র সোনালী কি সত্যের সঙ্গমে,মনের মুখরিত মিত্র ।"
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
গ্রুপের নাম দেখেই সেই গ্রুপে জইন হয়ে নিল তারপর সে গ্রুপে রেজিষ্টশন করে গ্রুপে নিয়মিত সময় দিতে লাগলো গ্রুপের প্রতি তাদের ভালোবাসাটাও ছিল অনেক সুযোগ পেলেই গ্রুপে পোষ্ট কমেন্ট ইত্যাদি করত একদিন নিলা গ্রু
আমাদের এই সংহতি অংশ হিসেবে আমরা ২১ মহান ভাষাকে প্রকাশ করছি অনেক মানবতাফে আজ #২৫শেব্রুয়ারি_২০২২ তারিখে কুয়েত রক্তদান কর্মসূচীর জন্য সকলের অংশগ্রহণের অংশ গ্রহণ করছি তা সুন্দরভাবে করার জন্য।
মেয়েদের স্বাবলম্বী হতে মোটামুটি সব কাজই শেখা দরকার। যতটূকু সম্ভব। কখন যে কোনটা কাজে লাগে। তাই চেস্টা করেছি যখন যা শেখার সুযোগ পেয়েছি এখনো শিখে যাচ্ছি। সামনেও যা শিখার সুযোগ পাবো শেখার চেস্টা করে যাব।
কয়েক দিন আগে মেসেঞ্জারে একটা কল আসলো রাত ১১ টার দিকে।হঠাৎ এতো রাতে মেসেঞ্জারে কল দেখে ধরলাম না।কেটে গেছে আবার দিলো।আমি কল না ধরে মেসেজ দিতে বললাম।কিন্তু উনি মেসেজ সিন করে তার পরেও কল দিচ্ছে।
ওয়ারী_জোনের_সেশন_চর্চা_২০০_তম_দিন উপলক্ষে ঐতিহাসিক মেগা মিটআপ। অসাধারণ একটা মিটাপ উপহার দিয়েছেন আমাদের সকল সদস্যরা।
আমি একটা জিনিস সবসময় ভাবতাম চীন তার এত বড় জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করলো আমরা কেন পারিনা। আমি এই গ্রুপে যুক্ত হয়ে বুঝলাম ইনশাআল্লাহ আমরাও পারবো। আমাদের মেন্টর ইকবাল বাহার স্যার এবং এই গ্রুপে অনেক
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
সকলে উপস্থিত হয়ে এই অফলাইন মিটআপ কে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। এভাবেই লালবাগ জোনকে সকলে মিলে এগিয়ে নিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ। এই অফলাইন মিটআপের উপস্থিত সকলের জন্য অন
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া। সেই আনন্দের রেশ বজায় রেখেই সম্পন্ন হলো, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ফরিদপুর জেলার "ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ"
"হালাল ব্যবসায় যতই ছোট হোক কোনো লজ্জা নয়৷ হারাম ব্যবসা যতই বড হোক সেটি লজ্জার বিষয়৷" আমরা জানি অধিকাংশ নবী রাসুলগন ছাগল ছরিয়েছেন এক কথায় রাখাল ছিলেন৷নবুওয়াত প্রাপ্তীর পূর্বে দীর্ঘ সময় এ কাজে উনাদের সম
২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ভেন্যু নির্বাচন ও উক্ত প্রোগ্রামের প্রাথমিক আলোচনা সংক্রান্ত মিটআপ চমৎকারভাবে পজিটিভ শরীয়তপুরের দায়িত্বশীলদের নিয়ে সম্পন্ন হলো আজ।
মূল ক্যাম্পাসে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবন, একটি ওয়ার্কশপ ভবন এবং একটি কম্পিউটার ভবন। এছাড়াও অফিস, লাইব্রেরী, এবং ল্যবরেটরী এবং একটি ২০০ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম রয়েছে। এবং মূল ভবনের উত্তর পাশে
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন, এই দিনে ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমাদের এই সোনার বাংলা। এই দিনটির অপেক্ষায় আমরা লাখো কোটি জনতা, লাখো ফুল ও হাজার তোরা দিয়ে জানাই তাদের শুভেচ্ছা। ⛳এক সাগর রক্তের
প্রায় রাতই ঘুমাতে পারতামনা,এত যুদ্ধ করে পড়ালেখা করে কি পেলাম। আমিতো ব্যর্থ। এই কষ্ট আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। তাহলে কি আমাকে দিয়ে হবে না? জীবন যুদ্ধে আমি কি হেরে গেলাম?
আমার মা যত আদরেই মানুষ হোক না কেন সেসময়ের মেয়েদের ওপর করা মানসিক অত্যাচার থেকে রেহাই পাননি।অন্তিম শয্যায় আমার দাদি আমার মায়ের সামনে আমার বাবাকে তার আগের স্ত্রীকে আবার ফিরিয়ে নিতে বলেন ।
নাটোর জেলার নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ত্রাণ কার্যক্রম
শ্বশুর বাড়ি থেকে বার বার ফোন করতেছে যাইতে হবে তাদের বাড়ি।সে জন্য বউ বার বার এসে ডাকতেছে। বউঃ কি গো শুনছো উঠো রেডি হও । আমিঃ পাববো না।ঘাড় মাথা ব্যাথা করছে। বউঃ হ্যা এখন তো কতো কি ব্যাথা করবে। আমার বাবা
আমার জীবনে আমি অনেক খারাপ সময় পার করেছি।অনেক কষ্ট সহ্য করেছি।যাকে আমার পাশে পাওয়ার কথা ছিলো তাকে পাইনি।তবে আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ পাশে পেয়েছি যারা আমাকে আমার জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য
আমার উদ্দোগক্তা জীবন শুরু করতে যাচ্ছি।শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু কোননা কোন কারন
নওগাঁ জেলা উদ্যেক্তা মিলন মেলা ---২০২২ ইং আমের জেলা, ধানের জেলা, প্রাণের জেলা নওগাঁ কতৃক ৩০০ তম সেশন ক্লাশ ও ফিজিক্যাল মিটআপ
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে