সেখানে অনেক মানুষ কাজ করবে, সারা পৃথিবী তে বাংলাদেশ এর নাম সুনাম ছড়িয়ে যাবে, অসহায় গরিব ও হতদরিদ্র মানুষকে সাহায্য করতে পারবো মন খুলে। আরো কিছু স্বপ্ন না বলাই থাক।
যারা আমাকে চেনেন জানেন তারা আমাকে কোন কারনে অপছন্দ করলেও আমার এই কথাগুলি স্বীকার করন, আমি মিথ্যা কথা বলিনা, এবং পরিশ্রম ধৈর্য ত্যাগের মেন্টালিটি নিয়ে চলি। আমার এই কার্যক্রমকে যারা অপছন্দ করেন তারা অনে
🌹 এই প্লাটফর্ম পেয়ে সাহস আর্জন করছি পা আর পিছনে দিবোনা। এই প্লাটফর্মের আজীবন সদস্য হয়ে ভালো কিছু শিখতে চাই।নিজের কাজ নিয়ে লেগে থাকতে চাই।🌹
আসলে আপনারা যারা দেশে আছেন। তাদের সবাইকে স্যার কিন্তু একটা কথা বলছেন যে আপনারা প্রতিদিন বলবেন মা আমি আপনাকে ভালোবাসি।পা ছুঁয়ে সালাম করতে বলছে। আসলে আমরা যারা প্রবাসে আছি তাদের কিন্তু শত ইচ্ছা থাকলে
আপু বললো জ্বি ভাই দিতে পারবো তবে শর্ত হলো আপনি কমপক্ষে ৬টি শাড়ী নিতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে আপু নিবো। তারপর অর্ডার করে শাড়ীগুলো নিয়ে আসি। আর আমার বৌ সবাই কে খবর পাঠায়। সবাই এসে দেখেতো অবাক কি করে
আমার একান্ত নিজের আবেগ,অনুভুতির এলোমেলো, অগোছালো কথা ধর্য্য সহকারে পড়ার জন্য প্রিয় ফাউন্ডেশনের সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্য ভাই ও বোন দেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। অনইচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য
কিছুদিন বিজনেস করি কিন্তুু লোকে বলে এম এ পাশ করে বিজনেস।
যখন মিট আপে উপস্থিত থাকবো বলে ঠিক করলাম, মনে হচ্ছিল কাউকেই তো চিনিনা কেমন কাটবে সময়??যখন মিট আপে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল ভিন্ন কোন শহরে যাচ্ছি আমি,সবাইতো অচেনা। গিয়ে দেখি অনেকেই আমার চেনা
যাই হোক একেরপর এক স্বপ্ন ভেংগে গেলো।২০০৭ এর ডিসেম্ভরে এসে ফাইনালী একটা বড় ভুল করে বসলাম।সেই ভুলের খেসারত হিসেবে ২০০৮ আর পরিক্ষাই দেওয়া হয় নি।দেওয়া হয় নি বললে ভুল হবে দিতে দেয় নি পরিক্ষা। যাই হোক জোর
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
আমি যেন আমার মাঝে নেই,এক ঝড়ে পুরো দূনিয়াটা উলট পালট হয়ে গেল,সব হারিয়ে শূন্যতে চলে এলাম,৯/১০ মাস কি করছি না করছি কিছুই বুজলাম না, পুল ডিপ্রেশনে চলে যাই,আমার আপু ডাক্তার দেখিয়ে কিছুটা সুস্থ করে,২ বছর কা
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই জোহরা দিলশাদ আরা আপুকে। নিজের অফিসকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে যেন আমরা সবাই একসাথে একই ছাদের নিচে বসে সুষ্ঠুভাবে মিট আপ করেত পারি
জীবনে কোন উদ্যোগ নিতে গেলে সেটার আদোপান্ত জেনে নেওয়া খুব বেশি প্রয়োজন। না জেনে না বুঝে কোন কাজে হাত দেওয়া উচিত নয়।অন্যজনের পরামর্শে কিছু করা সবসময় ঠিক না।নিজের বিবেক বুদ্ধিকে কাজে লাগানো উচিত। জীবনে
ইনশাআল্লাহ আমরা জয়পুরহাট জেলার পক্ষ থেকে একটি সাফল্যমন্ডিত অনুষ্ঠান প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে উপহার হিসেবে পৌঁছে দেব।
মেয়েদের সবসময় অবহেলার পাত্র হয়ে সমাজে বেঁচে থাকতে হয়, তাই আমাদের মেয়েদের অবশ্যই সাবলম্বী হওয়ার দরকার, আমরা যে যাই পারি ছোট ছোট কাজগুলো নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করবো,
মাঃ কেমনে? তুই কি কও কল্লা ঘেডি কিছু বুজিনা। বুজাইয়া ক। মুমুঃ হোন মা, মুই একটা অনলাইন প্লাটফর্মের সদস্য। যার নাম #নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প ফাউন্ডেশন। এইহানে অনেক সদস্য আছে সবাই পন্য কেনা ব্যাচা কর
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
আমাকে বলল সব কিছু ঠিকঠাক ছিল দুইটি লোক কথা দিয়েছিল রক্ত দিবে কিন্তু এখন তাদের আমি কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। আমি তাকে বললাম এখন পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটা আমাকে একটু বলুন? সে আমাকে বলল আমার একজন শালিক
আজ সারাদিন সাতক্ষীরা টীম বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেঘুরে এ ভাবেই করবো কম্বল বিতরণ।
তরুণ-তরুণী উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়েছে। এবং প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা উদ্বোধন করতেছেন জিনি উদ্যোক্তা তৈরি করার কারিগ এবং ফেসবুক ভিত্তিক পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যে অনলাইন ভিত্তিক কর
সন্ধান করি নিজ জেলার মানুষদেরকে।অনেক খোঁজার পর পরিচিত হই মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা অ্যাম্বাসেডর সুমন আহমেদ হৃদয় ভাইয়ের সাথে।শুরুর সম্পর্ক্টা মনে হয়নি নতুন।ভাইয়া অনেক সাহায্য করেন আমাকে।সব কিছু বুঝিয়ে দেন
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
তুমি তো মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর রান্না করতে পারো। তাহলে খাবার আইটেম নিয়ে কাজ শুরু করতে পারো।আমি কথাটা তেমন গুরুত্ব দিলাম না। আবার বললো তোমার রান্না একবার কেউ খেলে দেখবে সে সত্যি আবার খেতে চাইবে।
আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
ইনশাআল্লাহ আনারস সাপ্লাই দিয়ে শুরু হচ্ছে বিজনেস, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা এবং বাংলাদেশের বাইরে রপ্তানি করব আমার আনারস,আনারসের রসে সারা দেশের মানুষ আমার সুনাম করবে, আর আমার বিজনেস প্রসারিত হবে,আনারসের
আজ কিছু ব্যবসায়িক কথা বলবো। নতুন আপুরা যারা বিজনেস করবেন ভাবছেন, কিনতু এখনও সিদ্ধান্তং নিতে পারছেন না কি করবেন। তাদের জন্য আশা করি খুব উপকার হবে।
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর টিকেট বিতরণ উৎসব উদযাপন ও মহাসম্মেলন উপলক্ষে অফলাইন মিট আপ সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি
নিজের বলার মতো একটা গল্পের" নীলফামারী জেলার ঈদ পুণর্মিলনীর কিছু ছবি ও কার্যক্রম। এখানে পরিচিতি পর্ব শেষে আমরা উদ্যোক্তাদের প্রমোট করেছি,উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আলোচনা
স্যার এর সন্ধান পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমার আর অন্য কোন মটিভিশনাল ভিডিও দেখার দরকার হয়নি। স্যার আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন এক জাদুর ঝুরি যেখানে আপনি যা চান তাই পাবেন। কি নেই এই জাদুর ঝুরি, নিজের বলা
প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে তেমনি আমার জীবনেও একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে সব গল্পের শুরুটা খারাপ হয়না, তেমনি,সব গল্পের শেষ টা সুন্দর হয়না, কিছু গল্প সবসময় ব্যাতিক্র
নিজের দেশের পণ্যকে বিশ্বের বাজারে পরিচিত করব। অসহায় ও নিপিড়ীত মানুষকে সাবলম্বী হতে সাহায্য করব। দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করব। নিজের প্রতিষ্ঠানে একজনকে হলেও চাকরির সুযোগ করে দিয়ে বেকার সমস্যা হ্রাসে অংশগ
প্রোগ্রাম ১০ তারিখ নারী দিবস এর অফলাইন মিট আপ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ ভাইয়া আপুদের সাথে
ডিউটি শেষ করে বের হলাম অনেক দিন পরে এক বদ্ধর সাথে দেখা হলো কথা হলো কুশল বিনিময় শেষে যখন আমি চলে আসবো তখন। বন্ধু ঃ চলো আজকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চমৎকার একটি ক্রিকেট ম্যাচ আছে দুজনে মিলে দেখবো আমি ঃনা ত
আজ আমি আপনাদের মাঝে বলতে আসলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কত কষ্ট করতে হয় তা নিয়ে।
মনের মাধুরী মিশিয়ে ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসায় সিক্ত সবাই , যেখানে সারা রাত জেগে কাজ করা অথবা দূর থেকে ছুটে এসেও কেউ ক্লান্ত হয় না। যেখানে নেই হিংসা বিদ্বেষ অহংকার, আছে ভালোবাসা বিশ্বাস, এগিয়ে যাওয়ার সাহস
কিশোরগঞ্জ জেলা ও ভৈরব উপজেলাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ভৈরবের অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে আজকে সম্পন্ন করলাম বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি।
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
সকলের সুন্দর উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত একটা মিটআপ ছিল। আজকে চট্টগ্রাম জেলাকে এগিয়ে নিতে সবার পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সোনালি উদ্যোক্তারা ! তারা সাহসী তারা দক্ষ তারা পজিটিভ তারা মানবিক এবং তারা ভালোমানুষ!
ফয়সাল আর নীলার সংসার বেশি দিনের না। তাই সংসারে একটা নতুনত্বের ছোয়া এখনো লেগেই রয়েছে, গেলো রোজার ঈদ ই ছিলো ওদের দু'জনের একসাথে কাটানো ১ম ঈদ কিন্তু কিছুই কেনা-কাটা হলো না,বর্তমান পরিস্থিতির কারণে। তবে এ
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
যখন যুক্ত হলাম তখন আসলেই এই ফাউন্ডেশন সমন্ধে কিছুই জানতাম না ۔ভাবলাম অন্য আরো আট দশ টা গুরুপের মতোই এটা তেমন কিছু হবে ۔ তাই অনেকটাই অনিয়মিত মাঝে মাঝে পোস্ট গুলো ও সেশন গুলো পড়তাম ۔ মাঝে মধ্যে অনেকের
আমি উদ্যোগ নিয়ে স্বপ্ন দেখি, কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তৈরি হবে তার উদ্যোগের মাধ্যমে এবং নিজস্ব একটা ব্র্যান্ড তৈরি করার। অন্য কারো পরিচয়ে নয় বরং নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই আমি । এরই মধ্