আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
চমৎকার সফল আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার #প্রস্ফুটিত_গোপালপুর_উপজেলার ফিজিক্যাল মিটআপ।
যখন আমি গ্রুফটাতে সময় দেওয়া শুরু করলাম দেখতে পেলাম এইখানে অনেক কিছু শিখার আছে কিভাবে বিজনেস করতে হয় সাহস করতে হয় লেগে থাকতে হয় এবং ভালো মানুষ হতে হয়। কৃতঙ্গতা জানাই প্রিয়ো স্যার এর প্রতি ।
আলহামদুলিল্লাহ Monir Uzzaman ভাইয়া ১৩ তম বারের মতো ব্লাড ডোনেট করেছেন। তিনি ফরিদপুরের অত্যন্ত চমৎকার একজন স্বেচ্ছাসেবক। সকলে তার জন্য দোয়া করবেন এভাবে যেন মানবতার পাশে দাঁড়াতে পারে।
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
জীবনে বড় হতে হলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী হতে হবে। ★চাইলেই যেকোন খারাপ অবস্থা থেকে নিজেকে তুলে আনা যায়, দরকার শুধু নিজের সাথে কমিটমেন্ট।
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
আমরা পেইজে প্রচার চালাতে থাকি। ফাউন্ডেশনে সেল পোস্ট করি।কিন্তু এক্টিভিটি কম থাকায় পোস্ট তেমন রিচ হয় না।তাই সেল ও তেমন আসে না।আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল, না দেখে প্রোডাক্ট নেওয়ার কারণে প্রোডাক্টের মান
করতে চান আলোকিত মানুষ হয়ে হাজারো মানুষের আইডল হতে চান, তৈরি করতে চান একটা স্বপ্নের পরিবার। বিশ্বাস করুন আপনি ও হবেন আইডল, আপনার ও থাকবে একটা স্বপ্নের বাড়ি। কারন একটাই, আপনারা আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্
আজকে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত, বিশ্ব রেকর্ড টানা ২০০০তম দিন উদযাপন সফল ও সার্থক হয়েছে আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতায়।স্পেশাল ধন্যবাদ সম্মানিত জেলা স
আমি এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বাবার বন্ধু আমার বাবাকে প্রস্তাব দেয় তার ছেলেকে দিয়ে আমার বিয়ের কথা বলে । তবে আমার বাবা রাজি হয় না । অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিবে না বলে কিন্তু আমার মা তাদের কথাতে রাজি হয়
আমি ছিলাম গণিতের ছাত্র। বেকার হয়ে শুরু করলাম ব্যবসা। ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য ২০০৩ সাল থেকে বিভিন্ন স্কিল সংক্রান্ত ৮০টিরও বেশি কোর্স করেছি। এমনকি ২০২০ সালেও আমি তিনটা কোর্স করেছি। তবে সবগুলো কোর্সই
আমি গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হতে লাগলাম আমার বাবা ছিল আদর্শ কৃষক এবং খুবই সরল ও সাদা সিদা, তার একটি মাএ উদাহরণ আপনাদের সামনে তুলে দরলাম, আর সেটা হলো, তার ছেলে মেয়েদের কে বলতো বাবারা তোমরা
সব থেকে কঠিন কাজ হচ্ছে শুরু করা।যে কোনো কিছু শুরু করতেই আমরা বেশি ভাবি।সমাজ পরিবার সবাই কি বলবে এই চিন্তায় হয়তো অনেকে শুরুই করে না।লোকে কি বলবে।আমিও এক দিন ভাবছি লোকে কি বলবে।একটা শিক্ষিত মেয়ে মানুষ এ
এইভাবে উনি জীবনের 24 টি বছর মাদ্রাসায় বিনা পয়সায় পড়াশোনা করান গরিব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে বিশাল সহায়-সম্পত্তি ওনার পারিবারিকভাবে উনি পেয়েছেন। এই সহায়-সম্পত্তি
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
ভালো মানুষের পরিবার, কিছু সাদা মনের ভাই, বোন পেয়েছি মিরপুর মডেল জোন থেকে। যারা প্রতি নিয়ত পাসে আছেন সর্ব সময়।
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
তাই আমি লেগে থাকলাম আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় এখন অনেক ভালো বিক্রি হয় এবং পারিবারিক ভাবে অনেক ভালো আছি। আমি বলবো অনেকে হোচট খায় তারপর আর উঠে ধারায় না, বলে আমার দ্বারা আর হবে না আমি আর পারবো না। স
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
শুরুটা তখন থেকেই হয়েছিলো।লিখতে আরো বেশি অনুপ্রেরণা পেতাম। সকলে উৎসাহিত করতো।ভাল লাগতো এসব খুব।
গত কিছু দিন অাগে অামার দুই বন্ধু কোরিয়া ও সৌদি অারব থেকে অামাকে কল দিয়ে এই গ্রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল। অামি তাদেরকে অামাদের স্যারের নির্দেশনা বা কার্যক্রম সম্পর্কে বলি। তারা খুবই অানন্দিত
যাইহোক পরবর্তীতে এ্যালুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি আর ভালোভাবে চালাতে পারিনি, ক্যাপিটাল সংকট প্লাস উৎপাদনের তুলনায় সেল মাত্র ২৫% তাও ম্যাক্সিমাম বাকি। রানিং/ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেখতে শূণ্য হয়ে গেলো! শুরুতেই খ
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
কিছু কিছু কষ্টের কথা কখনও বলা যায় না, আবার সয্যও করা যায় না ____আর তা হলো মধ্যবিত্ত জীবন যাপন। কোন কষ্ট থাকলে কাউকে বলা যায় না। যদিও কখনো সমস্যার মধ্যে পড়ে যায় তাও কারো কাছে বলা যায়না ,শেয়ার করা
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদিআ
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
যাই হোক একেরপর এক স্বপ্ন ভেংগে গেলো।২০০৭ এর ডিসেম্ভরে এসে ফাইনালী একটা বড় ভুল করে বসলাম।সেই ভুলের খেসারত হিসেবে ২০০৮ আর পরিক্ষাই দেওয়া হয় নি।দেওয়া হয় নি বললে ভুল হবে দিতে দেয় নি পরিক্ষা। যাই হোক জোর
এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা মানুষির চর্চা করা।মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।জীবনে সংগ্রাম করে বেচে থাকা।সময়কে মূল্যায়ন করা।অসৎ কাজ বা ব্যবসা না করা।ধর্য্যশীল হওয়া।কথা দিয়ে কথা রাখা এবং কাওকে না ঠকানো।
এখান থেকে আমি শিখতে পেরেছি কিভাবে নিজেকে ভালোবাসতে হয়, অসহায়ের পাশে দারাতে হয়, মানুষ কে ভালোবাসতে হয়। কীভাবে একজন সফল উদ্যোগতা হওয়া যায়
বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,,,।💖
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা। শিখতে পেরেছি অন্যের কথায় কান না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। পেয়েছি জ্ঞানী ও গুনী অভিভাবক।
হাটছি সেই স্বপ্ন পুরনের লক্ষে।শুরু করছি কিছু কাজ সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। আমি যেন আমার সপ্ন পুরন করতে পারি।
আলহামদুলিল্লাহ নিজের ১২ তম রক্তদান পূর্ণ করলাম
অনেক সময় আমাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় files গুলোও হারিয়ে যায়। কিন্তু যদি আমরা গুগোল ড্রাইভে রাখি তাহলে ফাইল মিসিং হওয়ার আশংকা থাকে না। **পাশাপাশি এই ফাইলগুলো আপনি লিংকের মাধ
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
গ্রুপে আসার আগেঃ অনেক বড় বড় স্বপ্ন ছিল, আছে, সেই স্বপ্ন অনুসারে গাইডলাইন আর সাহস পেতামনা, অনেক হতাশা, আর অনেক ডিপ্রেশন কাজ করত আমার মধ্যে, হেরে যাওয়ার ভয় থাকত, আমি কথা বলতাম পারতাম না কারো ও সাথে কিন্
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
মনে মনে ভাবতাম তাদের জীবন কতই না সুন্দর। আমার যদি এমন হতো। আর আমার স্বপ্ন সবসময় বড়ো বড়ো ছিল। যেটা পূরণ করা অনেক সময়ের ব্যাপার। কিন্তু আমার সেই ধৈর্য টুকু ছিল না।দীর্ঘ সময় ধরে কোন কাজকে এগিয়ে নিয়ে য
আমিও আর চেস্টা করলামনা ভাবছি বিদেশে চলে যাব কিন্তু ভাই টাকা দিবেনা এবং কোন সহযোগীতা করবেনা।ওনার কথা একটাই বিদেশ গিয়ে টাকা মাইর খাইলে আমার টাকা কে দিবে।তোমার বাবার এত জমি নাই বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করব
তখন মাথায় চিন্তা আসল বাসার বাইরে আসলাম পড়াশোনার জন্য কিন্তু ২ বছড়ে কি করলাম কি রেজাল্ট তুলে দিব ফ্যামেলির হাতে। চিন্তা করে আর লাভ হল না, সময় তখন শেষ এসে গেল পরীক্ষা কিন্তু পরীক্ষা এত ভাল হল যা কোনদি
আমার ছোট বেলা থেকেই খুব ইচ্ছে নিজে কিছু করবো,নিজের একটা আলাদা পরিচয় থাকবে। আমার বাবা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী,খুব পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। বাবাকে দেখতাম কিভাবে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিতেন পুরো ২৪ ঘন্টায়
আমরা সব সময় কোন কিছু করতে যাওয়ার আগেই সফলতা নিয়ে চিন্তা করি।আচ্ছা বলুনত আমাদের স্যার ইকবাল বাহার যেদীন থেকে তার কম্পানি শুরু করেছিলেন সেদীন থেকেই কি সফলতা পেয়েছেন? উত্তর : না। আমাদের সবারই যানা আছে স
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই