উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলা এম্বাসেডর কিবরিয়া ইমরান ভাইয়ার পরিচালনায় মিট আপে উপস্থিত ছিলেন অভয়নগর উপজেলার সকল এক্টিভ ভলেন্টিয়ারগণ। মিট আপে আলোচনার বিষয় ছিল ৫ম বার্ষিক মহাসম্মেলন ও আমাদের করণীয়।
কিছু স্মৃতি মন থেকে মুছে যায়, আর কিছু স্মৃতি কখনাে ভােলা যায় না। মাঝে মাঝে জীবনের অতীত পানে যখন ফিরে তাকাই, তখন ফেলে আসা বর্ণাঢ্য সুখস্মৃতি মানস চোখে। মায়াবী রূপে ধরা দেয়। সেই দিনগুলাে ছিল বড়াে
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।
শারিরীক সমস্যা থাকার পরে রক্তদানে পিছিয়ে নেই এই ভাইটি মনের শক্তিটা সবচেয়ে বড় বিষয় স্যালুট ভাই 😍 👉অথচ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে /আমাকে সুস্থ রাখার সত্বেও রক্তদান করতে আপনি অনিহা প্রকাশ করেন কেনো?
আমার ব্যবসায়ের প্রথম মূলধন ছিল ১০ হাজার টাকা। বাটিকের সব ধরনের পন্য এবং সব ধরনের প্রিণ্টের বিছানার চাদর। অনলাইন ব্যবসার বয়স ২ বছর এর বেশি। বর্তমানে আমার সেল ২ লক্ষ টাকার বেশি।
ছোট্ট এই জীবনে আমার পরিবারই আমার সবকিছু, তাই নিজের জীবনের গল্পটা আমার পরিবারের মানুষকে ঘিরেই। দিনশেষে আমার পরিবারেরর সবাই ভালো থাকলেই আমিও ভালো থাকি।
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আজ পাবনার নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের নিজস্ব লাইব্রেরি উদ্বোধন করলাম। . #আমাদের আগামী মাস থেকে প্রতি থানা ও ক্যাম্পাসে Meet up করার সিদ্ধান্ত হলো। . #গ্রুপের সবচেয়ে active ও বেশি অবদান যারা রেখেছে
আসলে ছোট থেকেই আমি একটু ডানপিটে সবসময় নিজের কাধে কাজ তুলে নিতে পছন্দ করি এ জন্য অনেক সময় সম্মিলিত কাজের ব্যর্থতার দায় ভার আমার উপর আসার অভিজ্ঞা ও আছে তা নিয়ে আমি মোটেও ভাবছি না আমি ছোট একটা ব্যবসায়ী
আপুটাকে বললাম,ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য,ধামাকা অফার রয়েছে,আপনি চাইলে সে অফারটা লুফে নিতে পারেন,প্রতিটি থ্রিপিচের সাথে কালার ম্যাচ করা,কানের দুল, হাতের চুরি,গলার মেডেল সহ মালা রয়েছে,এবং প্রতিটি জিনিস,
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে।অসাধারণ মুহূর্ত কাটিয়েছি আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের সকল সদস্য মিলে।
২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে
বরিশাল জেলার সকলের উপস্থিতিতে খুবই সুন্দর ও চমৎকার আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো বরিশাল জেলা অফলাইন মিট আপ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
আমি আনুভব করতে থাকলাম আমার ভিতর থেকে সমস্ত নেগেটিভ দিক গুলো বিদায় নিচ্চে।
কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তিনি ৭ম ব্যাচের একজন সদস্য। চট্টগ্রাম থেকে Shaima Akthar Saima এই প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে বলেন আমি একজন গৃহিণী। কখনো কোন চাকরি বা কোন ব্যবসা করিনি।লেখা পড়া করার অনেক ইচ্ছে থাকার পর
এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আজকে প্রোগ্রামের সম্মানিত প্রধান অতিথির উপস্থিতি ক্রমে, আমাদের কিশোরগঞ্জের পৌর মেয়র জনাব মাহামুদ পারভেজ।
আগুনের বহু উপকার রয়েছে, এই শীতের সকালে যদি খড়কুটা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে রাখা হয়,তবে কার মণ চাবে না আগুনের তাপ পোহাতে, গ্রামের ছোট বড় ছেলে মেয়েরা একসাথে আগুনের তাপ পোহায় আর সূর্যোদয়ের অপেহ্মায় থাকে,, কি
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা যদি বলি তবে আমি বলব প্রবাসীদের নিজস্ব কোনো সুখ নেই বরং দুঃখেরও কোনো শেষ নেই। তাদের সুখ পরিবার প্রিয় জনদের মুখের হাসি,তাদের সকল আবদার পুরন করার মাঝেই। সকলের চাওয়া পাওয়া পুর্ন
আলহামদুলিল্লাহ সফলভাবে সম্পাদিত হয়ে গেলো আমাদের ১০০০ তম দিন। যা যা আয়োজন ছিলঃ ১।কোরআন তিলাওয়াত। ২।নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন সম্পর্কে পরিপূর্ণ একটি উৎসাহ মূলক আলোচনা। ৩।নবিনদের বরণ। ৪।উপজেলা
আমার তিনটা মেয়ে তাদের বয়সে তারা ঈদের আনন্দ কি তা জানে না। বড় মেয়ে ১২ বছর মেজ মেয়ে ৫ বছর ছোট মেয়ে তিন বছর
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর পরিবেশে শেষ হলো খুলনা জেলার নিজের বলার মত একটা গল্পের আগষ্ট মাসের মাসিক মিট আপ ও নবীন বরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
তারা আমাকে এখন যে ভাবে সাপোর্ট করে হয়তো ঐ সময় করলে আমি কিছু করতে পারতাম তবে না পাওয়ার হিসাব মিলাতে চায় না, আমাকে কে কি দিলো সেটা বড় না আমি কার জন্য কতটুকু করতে পারবো সেটাই বড় কথা যার কারনে....
আমি একজন নয় যে, এত খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও এভাবে টিকে আছে। নিজের লক্ষ্যে স্থির আছে। আমার মত হাজারো তরুণ-তরুণী আছে যারা– হাজারটা খারাপ
আসলে যারা ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের ছাত্র তারা কখনই থেমে থাকার পাত্র নই, কেন যেন নিজের কাছেই অগোছালো মনে হচ্ছে ব্যবসায়িক পরিবারটি যদিও এটা আমার প্রফেশনাল না পার্টটাইম হিসেবে নিয়েছি তারপরও কোথাও যেন
এর পর থেকে শুরু হল আমার বেচেঁ থাকার লড়াই। ফিরে এসে শুরু করলাম একটা সিমেন্টের দোকানের ম্যানেজারি। সেখান থেকে মূলধন জোগার করে কিনেছিলাম একটা পুরোনো অটোরিক্সা দেড় বছর চালিয়ে বেশ ভালই ছিলাম মা-বাবার সাথে।
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি।
আমিঃ ফারহানা রাজু 🌺জন্মস্থানঃ শৈলকূপা 🌺বর্তমান ঠিকানাঃ ঝিনাইদহ জেলা 🌺রেজিষ্ট্রেশন নংঃ ৯৬৪৮৯ 🌺ব্যাচঃ১৮ 🌺ব্লাড গ্রুপ A+ 🌺কমিউনিটি ভোলেন্টিয়ার 🌺এসো কুরআন শিখি কাফেলা ৬ষষ্ঠ ব্যাচ 🌺এর য
_----------- বিসমিল্লাহহির রহমানির রহিম -------- _--------আসসালামু আলাইকুম -- 💢💢সকলকে পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। 🤲🤲🤲সর্ব প্রথম শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহর যিনি আমাদের সৃষ্টির সেরা হিসেবে সৃ
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
🌸আমার স্বপ্ন: আসলে মেয়েদের কোন বাড়ি হয় না।তাই আমার স্বপ্ন যদি বেঁচে থাকি সবার আগে নিজের একটা বাড়ি তৈরি করব। ইনশাআল্লাহ।হোক না সেটা ছোট। অন্তত কেউ কোনদিন বলতে পারবে না যে আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে
আমার অবস্থা দিনে দিনে বাজে হতে লাগলো। কখনো দুবেলা খেয়ে থাকতাম৷ কখনো বা একবেলা কিন্তু তিনবেলা খাওয়ার সৌভাগ্য হইনি করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে। টাকা ধার নিয়ে চলে এলাম ঢাকা শহরে আয়ের উৎস খোঁজার জন্য।
🥀ভবিষ্যৎপরিকল্পনা: আমার স্বপ্ন নারীদের নিয়ে কাজ করা, তাদের পাশে দাঁড়ানো। স্বেচ্ছাসেবী মতো- এই পৃথিবীতে হাজার নারী আছে যারা এখনো পিছিয়ে- দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে তাদের বিনা পরিশ্রমে। আমি চাই ওই
২বছর চিকিৎসা চলার পর যখন জানতে পারি আমি কখনো সুস্থ হবোনা আর তখন খুব জোরে জোরে হেসে উঠেছিলাম।ডাঃ টিম খুব অবাক হয়েছিল আমার কান্ড দেখে।টেবিলের ওপারে ৬ জন ডাঃ বসা,এপারে আমি আর আম্মু। আম্মু যখন এটা শুনলো
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
যেখানে নিজের ভবিষ্যতটাই অনিশ্চিত, সেখানে নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায় দিশেহারা। তাই যেকোন উপায়ে পরিবারের জন্য টাকার ব্যবস্থা করে পাঠাতে পারলেই মহাখুশি।
ব্যবসায়ীক অভিঙতা ২ বছরের হচ্ছে আল্লহর রহমতে এখন ভালো মন্দ পার্থক্য বুঝে গেছি। অনেক বার হোচট খেয়ে পরে গেছি, আবার উঠে দাড়িযেছি। হার মানিনি।
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
আমার স্বপ্ন একটি প্রতিষ্ঠান করার। বাবা সবসময় বলতেন ব্যাবসা করার জন্য কারন স্বাধীনতা। তাই আমার উদ্দেশ্য আমার সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সফল উদ্দোক্তা হবো ইনশাআল্লাহ।
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
আজ ২য় রমজান সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে বসলাম সময় তখন ৪ টা ৪৫ মিনিট বাবা বলল ক্ষেতে যেতে হবে,তখনো শুয়ে মোবাইল টিপাটিপি করতেছি। আবার হঠাৎ সময় যখন ভোর ৫টা বাবা বলল চল যাই বলে ঘর থেকে বের হয়ে হাটা শুরু করল, আম
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্য ফরিদপুর মুলত শুরু হয়, ২য় ব্যাচ থেকে Saiful Islam Maruf ভাইয়ের মাধ্যমে, তিনি সর্ব প্রথম ফরিদপুর জেলার নিজের বলার মতো গল্প নিয়ে এসেছেন। প্রিয় ভাইয়ের প্র
হবিগঞ্জে আমরা যে বাসায় থাকতাম (৩য় তলায়) ঐ বাড়িতে বসবাসরত প্রায় সব মহিলারা কেন জানি আমাদের খুব ভাল বাসত। আমার স্বামী অফিসে যাওয়ার পর আশেপাশের ভাবীরা চলে আসত হাতের কাজ শিখার জন্য সাথে গল্প করার জন্য। সে
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
এই প্লাটফর্ম থেকে পেয়েছি ৬ লক্ষ ভাই বেন। ৬৪ জেলা ও ৫৫ কান্ট্রি তে ব্রান্ডি করার সুজোগ। এগ্রো ফোরাম ভলান্টিয়ার ও ভিবিন্ন জেলায় কৃষি বিষয়ক নলেজ শেয়ারিং করার সুযোগ ও সন্মান
স্যারের সেশনটা যদি আগে পেতাম তাহলে ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতাম "চাকরি করবো না চাকরি দিবো"।
ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার উন্নয়নশীল একটি গ্রাম কান্দিপাড়ায় আমার জন্ম।ঐখানে আমাদের পরিবারকে "সরকার বাড়ি" নামে একডাকে চিনে। ঐখানে আমাদের পরিবার থেকে চল্লিশ একর জমি দান করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে...
আপনাদের সহযোগীতা পাব কি?আপনাদের সহযোগী তা ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। তৈরী করতে চাই একটা গল্প "নিজের বলার মত একটা গল্প"