আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পূরণ করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের কর্মসংস্থান। যাতে করে নিজের জীবনে, নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে পারি।
করনা মহামারিতে পরিবারে পড়া লেখা বন্ধ হয়ে গেলো তখন হাল ধরতে হলো
আগে থেকেই স্বপ্ন ছিল কিছু করবো অবহেলায় জীবনের অনেক দিন চলে য়ায। সরকারি চাকুরী করব খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পরও হলো না। পরে মানসিক ভাবে খুব ভেঙ্গে পরি। মনে করেছিলাম আমাকে দিয়ে কিছু হবেনা
আমি মূলত নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারে অভাব থাকায় আমি চেষ্টা করি নিজেই টাকা উপার্জন করার।আর সেই থেকে নিজের পড়ালেখার খরচ জোগাড় করতে অনেক ধরনের কাজ করি আমি।আমি জানতাম আমার প্রয়োজনীয়
যেমন ধরুন আপনারা পাশের একটি লোক অসুবিধা আছে, যেকোনো ধরনের অসুবিধা থাকতে পারে, কিন্তু আপনার সামর্থ থাকা সত্বেও তা দেখেও না দেখার ভান করলেন মানে এড়িয়ে চললেন, তাহলে তখনই আপনার বিবেককে আপনি প্রশ্ন করুন
আর সেটা জদি হয় মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহিন, সেই কারনে জদি হাড়াতে হয় জিবন শুরুর গুরুত্য পুর্ন সময়,,,,নস্টো হয়ে যায় ফিউচার, সাথে হাড়াতে হয় সহায় সম্বল, জায়গা জমি,,,,লুটপাট করে নিয়ে যায় ঘড়ের মালামাল,,সর্বশ্য
দেখুন সুখের অনুভুতি এমন একটা বিষয় যেটা সকল মানুষের সাথে জড়িয়ে আছে। শিশু কিশোর জোয়ান বৃদ্ধা এবং কি পাগলের একটা অনুভূতি থাকে। অর্থাৎ যার যার অবস্থান এবং ব্যক্তি হিসেবে তার তার অনুভূতির জায়গাটা ভিন্
আমার দ্বারা কিছু হবে না টা আর মনে হল না । আমি রেজিস্ট্রেশন করে যুক্ত হই এবং প্রতিটি সেশন আমি মনোযোগ দিয়ে করি এবং পরিচিত পোস্ট দিতে থাকি । তারপর চুয়াডাঙ্গা মেসেঞ্জার এবং লালবাগ জোন এ এড হই ।
৭/৮/৯ব্যাচ থেকে যা শিখেছি ১০ম ব্যাচ থেকে তার চেয়ে বেশী পেয়েছি... ১০ম ব্যাচে নতুন নতুন অনেক স্কিল যুক্ত হয়েছিল যা আগে পাইনি..... 👉১০ ব্যাচে এসে নতুন পোরানো অনেকের সাথে পরিচিত হয়েছি সু-সম্পর্ক তৈরি হয়
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
অনুষ্টান শেষ হয় পথ শিশুদের খাবার বিতরণ ও কেক বিতরণ এর মাধ্যমে।
আমি তাম্মিনা আক্তার। আমার মায়ের একমাত্র সন্তান। এখানে শুধু মায়ের বলেছি কেন সে কথায় পরে আসছি। তো আমার যেহেতু আর কোন ভাই-বোন নেই, তাই একা একাই ছোট থেকে আমার বেড়ে ওঠা। খেলাধুলা, লেখাপড়া এসব কিছুতে আমি এক
আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মিটআপ সফলতার সাথে শেষ করতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। আমি সহ আরও তিন জন ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুধু পোগ্রামের জন্য গিয়েছিলাম। প্রবাসী সকল ভাইয়েরা অনেক বেশি সাপোর্ট
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
যেহেতু আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের দুই বোন এক ভাই এর মধ্যে সবার ছোট বাবা মারা যাওয়ায় ও বোনদের বিয়ে হয়ে যাওয়াতে পরিবারে বাকি রয়েছি আম্মু আর আমি স্বাভাবিকভাবেই পরিবার হাল ধরার দায়িত্বটা আমার উপরেই বর
মেয়েদের সবসময় অবহেলার পাত্র হয়ে সমাজে বেঁচে থাকতে হয়, তাই আমাদের মেয়েদের অবশ্যই সাবলম্বী হওয়ার দরকার, আমরা যে যাই পারি ছোট ছোট কাজগুলো নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করবো,
ইউনিক দুবাই টিম ইউনিক আয়োজন করে ২০০০ তম দিন উদযাপন করে
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
কিছুদিন আগেও যাদেরকে আমি চিনতামই না। কিন্তু আজ তাদের সাথে কথা না বললে ভালো লাগে না। সারাদিন অপেক্ষা করে থাকি কখন সেশন এর সময়টা আসবে। এবং কখন সবার সাথে কথা হবে। আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়ত
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
আমি ৮ মাসে সফলতা পাইনি। একটা কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম মাত্র। আর সেই সুযোগ টা কে ই এখনো পর্যন্ত বয়ে চলছি। আমি ৮মাসে পেয়ে ছিলাম বলে আপনি যে ৮ মাসে পাবেন তা কিন্তু নয়৷ আপনি ৮ দিনেও পেতে পারেন আবার ৮০ দিনেও
সকলের দোয়া ও ভালোবাসা চাই।
মাঃ হুম, বুঝতে পেরেছি বাবা। আমি জানতাম আমার ছেলে ভালো কাজেই থাকে। কিন্তু তুই তো আমাকে আগে বলিস নাই এতো কিছু ফেইসবুক এ আছে। রাফিঃ মা, ঈদের surprise দেয়ার জন্য তোমাকে বলি নাই। মাঃ পাগল ছেলে। বাজার
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
কিছু লোক জ্ঞানের ঝর্ণা থেকে জ্ঞান পান করেন, আর কিছু লোক গার্গল করেন। SOD ও ঠিক জ্ঞানের ঝর্ণা একটা। এখন আপনি ঠিক করুন আপনি কোনটা করবেন,পান করবেন নাকি গার্গল। Choice is yours.
একজন নারীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় অনেক কঠিন। চাকরি খেকে উদ্যোক্তা জীবন। বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর সংসার সব স্থান ই পরাধিনতা। একজন নারী চাইলে ই পারে না একজন পুরুষের মত উদ্যোক্তা হতে।
ব্যবসাকে ব্যবসা মনে করিনা মনে করি আমি একটা সন্তান জন্ম দিয়েছি যেই সন্তানের নাম দিয়েছি "ডেইলি এম কে এস"তাকে আমি সন্তানের মতোই খুব যত্ন করে বড় করছি।তাকে আমি পোশাক পড়েছি সে এখন একটু বড় হয়েছে আমার
আমার বাবা সুপার হিরো।বাবা আমাদেরর জন্য তার জীবনের 20বছর প্রবাসে কাটিয়েছে,কত প্রকার রোদে আমার বাবা কাজ করেছেন কত রাত জেগে আমার বাবা আমাদের কথা চিন্তা করেছেন,কতো ভালো ভালো খাবার আমার বাবার চোখ দিয়ে দে
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২২ সফলভাবে সম্পূর্ণ হলো শুকরিয়া।
ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন কর্মসূচী সুন্দরভাবে সম্পন্ন। যে একটি গাছ লাগালো । সে একটি আশা তৈরি করলো ।🌲🌲🌲🌲🌲🌲 গতকাল ২৭জুন ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন করাহয়। বনজ, ফলদ, ঔষধি বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা লাগানো
নিজের বলার মতো গল্প একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার।সম্মেলনে যু
মাগুরা জেলা টিমের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
বিপদগ্রস্ত এই মানুষগুলোর আহাজারি ও আর্তনাথ চিৎকার আমি সহ্য করতে পারিনি।মানুষ গুলোর অসহায়ত্ব আর তাদের অমানবিক কষ্ট আমাকে ক্ষত বিক্ষত করে প্রতিনিয়ত। তখন থেকে এই অসহায় মানুষগুলোর জন্য কিছু একটা করার চি
আমার আব্বু খুব ভালোমানুষ এটা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি।আমার আব্বু কখনো চান না উনার সন্তানরা আব্বুর চোখের আড়ালে কোথাও থাকুক। আব্বু সবসময় চান আব্বুর বুকের মাঝে সবাইকে আগলে রাখবেন। আমার ছোট ভাই আজ একটা..
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
"দি ইনক্যাপ" এর মার্চ ২০২০ সংখ্যায় "নিজের বলার মত একটা গল্প" নিয়ে প্রচ্ছদ ও কাভার স্টোরি
মাদারীপুর জেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে অসহায় মানুষের মাঝে এক বেলা খাবার তুলে দিলাম
আসলে ছোট থেকেই আমি একটু ডানপিটে সবসময় নিজের কাধে কাজ তুলে নিতে পছন্দ করি এ জন্য অনেক সময় সম্মিলিত কাজের ব্যর্থতার দায় ভার আমার উপর আসার অভিজ্ঞা ও আছে তা নিয়ে আমি মোটেও ভাবছি না আমি ছোট একটা ব্যবসায়ী
লক্ষ্মীপুর জেলা কৃতজ্ঞ, কৃতজ্ঞ আমি নিজে,, এভাবে লক্ষ্মীপুর জেলাকে আলোকিত করে রাখবেন।প্রবাসীদের সম্মানিত করায় আবারও কৃতজ্ঞ আপনাদের প্রতি।
বাবা মায়ের একমাএ সন্তান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে আমাকে ঘরে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি পড়াশোনায় ছিলাম খুব ভালো। জীবনে কখনো ফেল করিনি। এস.এস.সি দিয়েছিলাম পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে পাবলিক স্কুল থেকে। যেহেতু পড়ালেখায়
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
"নিজের বলার মত গল্প" ফাউন্ডেশনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতিমধ্যে বদলে গেছে লাখো তরুণ-তরুণীর জীবন। "চাকরি করবোনা চাকরি দিবো" এই ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মেন্টর ইকবাল বাহারের মত তারাও এখন উদ্যোগ নিয়ে নিজের প্রতিষ
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
স্বপ্ন আগেই ছিলো কিন্তু কোন কিছু শুরু করার সাহস ছিলো না। স্যারের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা এবং সাহস পেয়ে শুরু করে দিলাম। কিছু প্রোডাক্ট কিনে আনলাম, কিনার আগে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন এবং সেই রোকসানার সাথে
আজ এ বিষয়ে লিখার উদ্দেশ্য শুধু প্রিয় প্লাটফর্মের ভাই বোনদের বুঝাতে এবং জানাতে যে প্রিয় স্যারের ৯০দিনের সেশন একটা মানুষকে কতটুকু পরিবর্তন করতে পারে, ★আমি গত ২১-০৩-২০২০ইং হঠাৎ প্রয়োজনে আমার গ্রামের বাড়ি