মাঝে মাঝেই কোলে মাথা রেখে মায়ের কাছে শুনি মা আমাদের জন্য জীবনে তুমি অনেক কষ্ট করেছো। সত্যি কি এখন আমরা তোমাকে সুখে রাখতে পেরেছি? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে মা বলেন, বাবা আমার জীবনের সমস্ত সুখ তো তোমরা, পরি
আমার খুব করুনা হয় সেই সব সন্তাদের জন্য। যাদের বাবা মা থাকতেও ব্রদ্ধাস্রমে ফেলে রেখে আসে। একবার খোঁজও নেয় না। আবার অনেক সুসন্তান আছে যারা রাস্তায় বাবা মাকে ফেলে চলে যায়। তাই বলি দাত থাকতে দাতের মর্ম
আমি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম চাকরি নয় নিজে কিছু করে দেখাবো, শুধু নিজের জন্য নয় , সমাজের জন্য, দেশের জন্য, দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করব। ইচ্ছা থেকে আজও আমি চেষ্টা করে য
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
। নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের আমার বন্ধু মির্জা ইব্রাহিমকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই আমাকে এতো সুন্দর একটা সংগঠনের সন্ধান দেওয়ার জন্য এবং নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমার অন্তরের অন্তরস্তল থেকে অনেক অন
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
আমাদের রাজবাড়ীর সদস্য কাতার প্রবাসী সোহেল রানার সহায়তায়,নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ রাজবাড়ী জেলার উদ্যোগে,রাজবাড়ীর রেল গেইট এবং রেল স্টেশনে কিছু মাস্ক ফিরিতে বিতরন করা হলো
#জীবনের_কিছু_মূল্যবান_কথা 🌹🌹🌹"আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সকলে আশা করি ভালো আছেন, আলহামদুল্লিলাহ আমিও ভালো আছি। 🌹🌹🌹শুকরিয়া মহান আল্লাহ'তালার প্রতি যিনি এতো মহামারীর মাঝেও আমাদের সকলকে ভালো
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে মেগা মিটাপ করলাম গাজীপুর জেলা।
প্রিয় স্যার আমাদেরকে পাল্টে দিচ্ছে আমরা পাল্টে যাচ্ছি, আমি বিশ্বাস করি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যারা যুক্ত হয়েছে, এবং নিয়মিত স্যারের সেশনগুলো পড়তেছে তারা না চাইলেও পরিবর্তন হয়ে যাবে,
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার তিনি ৭ম ব্যাচের একজন সদস্য। চট্টগ্রাম থেকে Shaima Akthar Saima এই প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে বলেন আমি একজন গৃহিণী। কখনো কোন চাকরি বা কোন ব্যবসা করিনি।লেখা পড়া করার অনেক ইচ্ছে থাকার পর
এইভাবে চলছে নিজের মাথা কাজ করছে নিজে কি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবো।চিন্তা করলাম ড্রাইভারি করবো কিন্তু এইদেশে লাইসেন্স নেওয়া তো খুব টপ সোনার হরিন এর মত অনেক টাকার ও প্রয়োজন তবু নেমে গেলাম এবং সফল ও হলাম এইদ
কিভাবে উদ্দোক্তা হওয়ায় তা জানতে পেরেছি. এই ফাউন্ডেশনে ৯০ যুক্ত হয়ে আমি অনেক ভাল মানুষের সন্ধান পেয়েছি. কিভাবে ভলেন্টিয়ারিং করে তা জানতে পেরেছি এবং নিজে ও ভালেন্টিয়ার হতে পেরেছি. কি ভাবে সত্যের সাথে
আমরা এমন একটা পরিবারে বেড়ে উঠেছি, আমরা হয়তো যথেষ্ট ধনী ছিলাম না। কিন্তু এই অল্প টাকা তেই নিজেরা ধনীর মতো করে কখনো কিছুর জন্য আক্ষেপ না করে বাঁচতে শিখেছি। সবসময় মনে রাখবেন, জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক না
আমরা Tulshimala Agro পক্ষ থেকে সেই সুন্দর ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য তার পরিত্যক্ত জায়গায় একটি মৌসুমী ফলের গাছ, লটকন গাছ লাগিয়েছি
তার কিছুক্ষণ পর মিজান নাকে এক ভাইয়া ম্যাসেন্জারে একটা শার্ট ও একটা পাঞ্জাবির স্কিন সর্ট দিয়ে বললো ভাইয়া এই দুটো হবে?? আমি: জী ভাইয়া হবে, আমাকে সাইজটা বলেন আর আপনার মোবাইল নাম্বার, কুরিয়ার নাম, জায়গার
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলা প্রতিবেদন- ২০২২ সম্পর্ক হোক সহযোগিতার নেত্রকোনা জেলা
উক্ত “মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলার দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের একাংশ।
আমরা সবাই স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে সবাই ভালোবাসে।কারও স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়া,কার ও স্বপ্ন খুব সামান্য। ছোট হোক বা বড় সে তো কেবলি স্বপ্ন। স্বপ্ন ছাড়া বাঁচা যায় না কখনো? সবাই চায় পৃথিবীতে একদিন সবাই ত
এখন তার কিছুই নেই। নতুন করে আবার শুরু করেছি। মেয়েদের পোশাকের অনলাইন বুটিকস, ফরমালিনমুক্ত আচার আমার মায়ের রেসিপি দিয়ে তৈরি, সিলেটের ক্লোন চা পাতা,ও নতুন শুরু করেছি ক্যাটারিং সার্ভিস। করো
মতিঝিল জোনের দায়িত্বশীলদ ও প্রানপ্রিয় সদস্যদের আন্তরিকতায় এ আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মতিঝিল জোনের ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Shahin Alam ভাইয়া জোন এম্বাসেডর Jowel Rana ভাইয়া থানা এম্বাসেডর Hijbullah Di
তখন মহিলাটি বলে, আফা, আমি মাহাজন এর কাছ থেকে আম, নিয়ে এখানে আম বিক্রি করতে বসছি, মাহাজান বলছে আমি এই দামে আম বিক্রি করতে পারলে মাহাজান আমাকে ১০০/- টাকা দিবে। তখন আমি বুঝে গেলাম, মহিলাটি একজন রিসেলার।
এক জন আদর্শ শিক্ষক,মেন্টর, স্পিকার, পেয়েছি। #চমৎকার একটা প্লাটফর্ম পেয়েছি যেখানে প্রতিনিয়তো না আসলে ভালো লাগে না। #অসংখ্য ভালো মানুষের একটা পরিবার পেয়েছি। #অনেক গুলো ভালো মানুষের সাথে, পরিচয়
সফলতা ২০/৩০ভিতর হয়না,আবার হয়েও যায়।কারো কারো জীবনে যেকোন সময় সফলতা আসে সেটা হউক না ৫৫/৬০/৬৫ কিংবা ৭০। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম হাজার ও সফলতার গল্প আছে। স্যার সুন্দর করে বলেছেন স্বপ্ন দেখুন,সা
দূর্গাপুর উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে দূর্গাপুর উপজেলা টিম সহ উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
👉যেই প্রিয় মানুষটি আমাদের কে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখিয়ে যাচ্ছেন,,, আপনাদের ফ্রী প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন । প্রিয় স্যারের দেখানো পথ আমরা তরুন তরুনীরা অনুস্বরন করছি। সেই প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার অনেক অ
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল রোজ শুক্রবার কেরানিগঞ্জ জোনের চা আড্ডা ও প্রবাসী বাংলাদেশের অক্সিজেন Din Islam ভাইকে বরন ও অফলাইন মিট আপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জন্মের তিন মাস পরে বাবাকে হারাই -বাবা শব্দটা বোঝার আগেই আমার বাবা পৃথিবী থেকে চলে যায়- মায়ের কোলে পিঠে চড়ে বেড়ে উঠা- আমরা বড় ভাই বোনদের আদরের কলিজার টুকরা ছিলাম আমি। -আমরা 4 ভাই 2 বোন আমি সবার ছ
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
মা-মনি আমার ছোটবেলায় কোন জিনিস এর বায়না ধরলে বলতাম আমাদের তো শোকেস নেই মা -কোথায় রাখবো জিনিস পএ। তখনও বলতো মা আমাদের শোকেস হলে আমরা এই জিনিস কিনব । ও খুব সৌখিন কিন্তু আমি কখনো একটি সোকেস বানাতে
রুপসী বরিশাল জেলার নবীন বরণ ও উদ্যোক্তাদের মিলনমেলা ২০২২ চমৎকার আয়োজনের মাঝে সফল হলো আলহামদুলিল্লাহ!
মিট আপে অংশগ্রহণ করুন। নিজেকে ও নিজের পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করুন। ফাউন্ডেশনের একে অন্যের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন। আর এভাবেই একে অন্যের সাথে পরিচিত হবার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত
ডেইলি স্টার এর লেজেন্ড সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মাহফুজ আনাম স্যারকে যখন আমার সোশ্যাল শিক্ষামূলক কাজ "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর গল্প বলছিলাম, তিনি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন
ভালোবাসা সবার জন্য, ভালোবাসা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর প্রতি! ঈদ মোবারক
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও নিজেদের মধ্যে পণ্য ক্রয় বিক্রয়, পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয় বাগেরহাট জেলার ফিজিক্যাল মিটাপ।।
১০০০ তম দিন উদযাপনে #ঝিনাইদহ জেলার আয়োজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১.জনাব সরোজ কুমার নাথ, স্যার জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ২.জনাব সাইদুল করিম মিন্টু সুযোগ্য মেয়র ঝিনাইদহ। ৩.জনাব বদরুদ্দোজা শ
মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে বড় হয়েছি এই বিপ্লবী আমি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকেও পিছিয়ে আমি। স্কুল পর্যন্ত পড়াশোনা করেই আমাকে ক্ষান্ত হতে হয়েছে। কিন্তু সমাজে সবার চাইতে সৎ এবং ভালো মানুষের কৃতিত্ব আম
তো সুন্দর ভাবেই বিয়ে হয়ে যায়।যদিও বন্ধুরা টুকটাক হাসাহাসি করছে।ইসরাত রে বোকা বানায় নাকি আমি অল্পের মধ্যে দান মাইরা দিছি।আমি এন্স রেডি করে রাখছিলাম।এমন কথা বললে বলতাম ওরে তো এর পরেও এক লাখ টাকা দিছি।আম
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের খুলনা জেলার মিট আপ ও টিকিট বিক্রি কার্যক্রমের অংশ বিশেষ। ৪ জানুয়ারি সম্মেলনের টিকিট সংগ্রহের শেষ দিন ১৬ই ডিসেম্বর তাই এখনো যারা টিকিট সংগ্রহ করেন নাই তারা শিঘ্রই নিকটস
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
পরিবারে সকলেই চাকুরীজীবি, বাবা মা ছিলেন সরকারী ব্যাংকে। চাচারা সকলেই মোটামুটি জব করেন। বিজনেস এর খুটিনাটি কারিগরি বিভিন্ন বিষয় বুঝতাম না। বিজনেস শিখার মতো কোন প্লাটফর্ম ছিলো না। স্যার এর প্রতিটি পোস
হবিগঞ্জে আমরা যে বাসায় থাকতাম (৩য় তলায়) ঐ বাড়িতে বসবাসরত প্রায় সব মহিলারা কেন জানি আমাদের খুব ভাল বাসত। আমার স্বামী অফিসে যাওয়ার পর আশেপাশের ভাবীরা চলে আসত হাতের কাজ শিখার জন্য সাথে গল্প করার জন্য। সে
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি এই প্লাটফর্মে তৈরি করে আমাদের মাধ্যমে এক বন্ধন এর সৃষ্টি করেছেন ।
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
বাবা যখন যুদ্ধ করতে মাঠে চলে যেত তখন আমাদের বাড়ি মহিলাদেরকে মাটিতে গর্ত করে উপরে কাঠ দিয়ে রেখে যেত। হঠাৎ একদিন পাক সেনারা হিন্দুপাড়ায় হামলা করে তখন অনেক হিন্দু মহিলারা প্রেগ্যানেট ছিল তারা দৌড
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়"ঈদ পূর্নমিলনী ও অফলাইন মিটআপ" এই সময় নগরকান্দা উপজেলার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয় ফরিদপুর জেলার সুপার
♥️রেমিটেন্স যোদ্ধা বাবার গল্প♥️ ❣প্রতিটি মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনের পেছনে রয়েছে জানা -অজানা ,সুখ -দুঃখ,মেশানো অনেক গল্প। কোন গল্প দুঃখের, কোন গল্প হাসির,কোন গল্প অনুপ্রেরনামুলক। কিন্তু সব গল্প
দেশে এলো মহামারী করোনা । করোনার জন্য সকল অফিস ছুটি ঘোষণা করলেন রাষ্ট্র। সেই সুবাধে আমারও অফিস বন্ধ হয়ে গেল। সবার মতো ঘরে আটকা পড়লাম আমিও। অলস সময় পার করতে লাগলাম বই পড়ে, গল্প লিখে। ওহ হ্যাঁ, আপনাদেরকে