অসাধারণ একটা আয়োজন ছিল উত্তরা মডেল জোনের পিঠা মিট আপ। দিয়াবাড়ি, উত্তরায় আয়োজিত আজকের প্রোগ্রামের বিশেষত ছিলো # পিঠা মিট আপ # পরিচয়ের রকমফের # ফুটবল টাচ গেইম # মাইন্ড গেইম # পুরস্কার বিতরণ #
এবার একটু থতমত খেয়ে গেলাম। পুলিশ সম্পর্কে আমাদের সাধারন মানুষদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। কথায় বলে, আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা। যাই হোক, যেহেতু খাঁটি মধু নিশ্চিত করতে পারছি এবং মধু
আলহামদুলিল্লাহ, সবার উপস্থিতিতে সুন্দর মিটাপ সম্পন্ন
ঘড়ির কাঁটা থেমে গেলে আমরা যেমন ব্যটারি চার্জ করি তেমনি প্রতিদিন নিজেকে ও চার্জ দেওয়া দরকার। নিজে ভালো থাকলেই ভালো থাকবে সবকিছু ।
রানা রহমান ভাই এবং করিম ভাইকে অনলাইনের ব্যবসা সম্পর্কে বুঝানোর পরে তারা অনলাইনের প্রতি বিশ্বস্ততা পান এবং রানাকে বলেন তারাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা প্রথম বার অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। যেহে
সেই ছোট্ট মেয়েটি যে ছোটবেলা থেকে ফুল পাখি, লতাপাতা নিয়ে খেলতে ভালোবাসতো। পাখির গান শুনতো, মুরগির পিছনে দৌড়াতো, খেলার মাঠে প্রজাপতি ও ফড়িং ধরে লেজে সুতা বেঁধে দিতো সেই মেয়েটিই আমি সালমা সুলতানা।
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
-----------------বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম------------- --------------------আসসালামু আলাইকুম--------------- ✅আমার উদ্যোক্তা জীবনের শুরু এবং বর্তমান অবস্থা। ✅আশা করি নতুন উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন সম
অনেক সময় বাবাকে তার নেশা ও দ্বিতীয় বিয়ের কারণে জেলখানায় থাকতে হতো । আমার মা অন্যের বাসায় কাজ করতো।ট্রাক থেকে ইট বালু নামিয়ে আমাকে লালন-পালন করতো ।সেই টাকা দিয়ে বাবাকে জেলখানায় দেখতে যেত। 👉 বাব
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত ধানমন্ডি থানার সদস্যদের নিয়ে চা আড্ডা ও উদ্যোক্তা প্রোমোটিং।
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
বড় মেয়েটার বিয়ে হয়েছে গত ছয় মাস আগে, ভাই যে কত খুশি ছিল সরাসরি না দেখলে বুঝা যেত না, জিজ্ঞেস করলাম পুরো জীবন তো কাটিয়ে দিলেন বিদেশে, আপনি কি সুখি? অভাক করা এক উত্তর পেলাম, বাড়িতে সবাই ভাল থাকলে আমার
আমি একজন গরীব কৃষক দিনমজুর ঘরের সন্তা। আমার বাবা, একজন গরীব কৃষক দিনমজুর। আমরা দুই ভাই এক বোন, বোন টা সবার বড় এবং ভাইদের মধ্যে আমি বড় আর আমার ছোটো একটি ভাই আছে এ নিয়ে আমাদের পরিবার। এবং সেই পরি
১০০০ তম দিন উদযাপনে #ঝিনাইদহ জেলার আয়োজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১.জনাব সরোজ কুমার নাথ, স্যার জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ২.জনাব সাইদুল করিম মিন্টু সুযোগ্য মেয়র ঝিনাইদহ। ৩.জনাব বদরুদ্দোজা শ
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
নিয়তি খুবই নিষ্ঠুর। হঠাৎ করে আমার স্বামীর মিলটি বন্ধ হয়ে যায়।কিছুদিন পরে করোনাকালীন সময়ে আমার চাকরিও শেষ হয়ে যায়।আর সেইদিন থেকেই আমাকে হতাশায় আঁকড়িয়ে ধরে।
দেখতে অনেকটা লম্বাটে আকৃতি আর শরীরে মাওয়া জড়ানো মিষ্টির নাম চমচম। হালকা আঁচে পোড় খাওয়া এই মিষ্টির রঙ গাঢ় বাদামি বা লালচে। বাহিরটা একটু শক্ত হলেও এর ভেতরটা কিন্তু একদম রসে ভরপুর। একেবারে মাত্রা মত
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
১৪ ই জানুয়ারি ২০২৩ মহা সম্মেলন কে কেন্দ্র করে আদম্য টাঙ্গাইল জেলার #ঘাটাইল_উপজেলায় চলছে টিকেট সেলিং কার্যক্রম ও ২য় মাসিক মিট আপ।
লেখাপড়া চলছি মোটামুটি ভালো ই। একদিন আব্বু বাড়ি আসে এবং আমার হাতের লেখা দেখে বলে, ঢাকার বাচ্চারা ও এর চেয়ে সুন্দর করে লিখে, তারপর আমায় নিয়ে বসলো, আর একদিনেই হাতের লেখায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে, তারপর থে
অবশেষে হাটবার আজ ডেলিভারি দিলাম ভায়ের ৪ কেজি আমের টক ঝাল মিস্টি ও আমের টক ঝাল মিস্টি আমস্বত্বা।ভায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ ভাই যদি আমার কাছে ২০ কেজি আচারের অর্ডার না করতো তাহলে আমি আসলে সাহস পেতাম না এতোগুল
কল্পনাবিলাসী না হয়ে, বাস্তবসম্মত কাজ করি। নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমাই, মা-বাবাকে সেবা করি। ভবিষ্যৎ বংশধরদের শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করি, টমেটো চাষ করলে গ্রামের মানুষ কী বলবে, এসব কথা না শোনার জন্য কানে তুল
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
আসছে মাহে রমজান উপলক্ষে, আমাদের ফেনী জেলার প্রস্তুতি সহ মাসিক মিট আপের আয়োজন করা হয়েছে |
পৃথিবীতে মায়ের আশির্বাদ বড় আশির্বাদ, মাকে বলেছি আমি আমার জিবনের গল্প লিখেছি। মা বাহবা দিতেছে আমাকে, এত বড় হয়েও পড়াশোনা করতেছি।শিখার কোন শেষ নাই,জানার কোন শেষ নাই।
গত ১২ মার্চ ঢাকার মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুষ্ঠিত হলো উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
আমার প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে আমি শিখছি প্রতিনিয়ত,আমি জীবনে বার বার ঠকে গিয়েছি বিশ্বাস করে,আমার সরলতার জন্য।কিন্তু আমার প্রিয় স্যার জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি কথাই আমি শিখতে পেরেছি নতুন কিছু,
আলহামদুলিল্লাহ ঈদ আড্ডায় আমরা #গুলশান_জোনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমাদের সকলের প্রাণ প্রিয় শিক্ষক Iqbal Bahar Zahid স্যারের। উপস্থিত ছিলাম আমি Md Salauddin Jibon গুলশান জোনে অ্যাম্বাসেডর। উপস্থি
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
💕 " ধৈর্য্য ধরে টিকে থাকতে পারলে, নিজের যায়গা, নিজেই তৈরি করতে পারবেন" তৈরি করতে পারবেন, নিজের বলার মত একটা গল্প..💓🤳
আয়োজনে যারা সময় দিয়েছেন তাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি খুব শীঘ্রই আবার আমাদের এক সাথে দেখা হবে।
ইনশাআল্লাহ একদিন সুদিন আসবেই! সেদিন চাঁদটাকে কিনে সিলিংয়ে ঝুলিয়ে দেব। চাঁদের আলোতে তোমার কাঁচা-পাকা চুল বিলি করে দেবো। দু হাতে তোমার গাল তালুবন্দী করে গান ধরবো....
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক # গোপালগঞ্জ (ঢাকা)জেলা "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছেন অফলাইন মিট আপ। 🔊
স্যারের থেকে অণুুপ্রাণিত হয়ে লেগে থাকা নিজের উদ্যেগের সাথে! একটা টাকাও নিইনি বিজনেস থেকে নিজের খরচের জন্য৷ ২/৩বছর নিব না কোন খরচ ৷ সফল উদ্যেক্তা কিংবা ব্যবসায়ী হওয়ার জন্য
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
যারা বৃষ্টির কারণে যারা ফিজিক্যাল মিট ও ঈদ পুনর্মিলনীতে আসতে পারেন নাই তাদেরকেও স্মার্ট নীলফামারী জেলার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।
যার অক্লান্ত শ্রম ও চেষ্টার ফলে আমরা একেকজন ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি হচ্ছি এবং উদ্যোক্তা বিষয়ক যত শিক্ষা তার নিখুত ধারনা পাচ্ছি। আমি মনে করি স্যার না থাকলে আমরা হয়তো এই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতাম
গতকাল রাত থেকেই চিন্তা করছিলাম আগামীকাল তো হাটবার, বেচা কিনা কেমন হবে আল্লাহ জানে, তারমধ্যে এখন আবার নতুন করে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা চাকরি নিয়েছি, সে সুবাদে মাদ্রাসার কিছু দায়-দায়িত্ব আছে.............
ধন্যবাদ, ওয়ারী জোন সকল দায়িত্বশীল ও সদস্য দের। এভাবেই এগিয়ে যাবে ওয়ারী জোন।
স্যারের কথা মতো সকলেই বেশি বেশি গাছ লাগান।গাছ আমাদের বন্ধু গাছ আমাদের অনেক উপকার করে ।আমাদের জীবন রক্ষার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা এই গাছ থেকেই পায়
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
নিজে ভালো থাকি, অন্য কে ভালো রাখার চেষ্টা করি। আজ আমি আমার এলাকায় কয়েক জন মিলে কিছু সচেতন মূলক কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই কাজ দেখে এলাকার কয়েকজন উৎসাহিত হয়ে নিজ মহল্লায় আগামীকাল করবে। করোনা
এই প্রথম আমি আমার সেল পোস্ট নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে শেয়ার করলাম। তাই আমি সত্যিই খুবি আনন্দিত। 🥰🥰 তাছাড়া খুব কষ্টও হচ্ছে ১০ম ব্যাচ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে। 😭😭 প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি #ইকবাল
ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমাদের এখানে সপ্তাহে দুইদিন হাঁট বসে। আর আমি যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম তখন আমার আব্বার সাথে হাঁটে যেতাম। সেটা ছিলো গ্রাম্য হাঁট আর এইটাতো অনলাইন হাঁট। তবুও আজ বার বার আমার
আমিও দেশে আসি, এসে বিয়ে করি। আমার বউ আই এফ আই সি ব্যাংকে জব করে। হঠাৎ একদিন আমার দেশে আসতে হয় পারিবারিক সমস্যা জন্য। আর বিদেশ যাওয়া হয়না। যখন বিদেশ ছিলাম দু হাত ভরে টাকা কামাই করতাম, তখন দেশ বিদেশের অ
এই সুন্দর একটা পথে চলার জন্য আমাকে বার বার বলা হচ্ছিলো,,, দিন রাত সব সময় আমাকে বলতে ছিলো একবার সময় করে এই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে নিজেকে পেজেন্ট করো। ধর্য্য সহকারে একটু অন্যর জীবন কাহিনি