-ই হোক, শিখে নিলাম ড্রাইভিং। কিন্তুা বাধা আরেকটা! নতুন ড্রাইভার হিসেবে কেউ গাড়ি দেয় না। আমার এক কাছের বন্ধু যার সাথে দিনরাত এক করে চলাফেরা করেছি, সে একটি গাড়ির মালিক। কিন্তু সেও জবাব দিলো, “আমি নতুন ড
বেকার থাকবো না এক দিনও"স্যারের এই স্লোগান স্যস্টুডেন্টদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
মায়ের আরো অনেক কথা হলো এবং মাকে বললাম ইনশাআল্লাহ আগামীকালকে হাঁট থেকে আপনাদের প্রয়োজনীয় আই পি এসটি আমি ক্রয় করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ। মার সাথে এই কথা বলেই ফোন রেখে দিলাম। এবং প্রিয় গ্রুপে পোস্ট
নিজের বলার মত গল্প গ্রুপ আমাকে এবং আমার স্বপ্ন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে, প্রিয় স্যারের প্রতিটি সেশন আমাকে চম্বুকের মতো আকর্ষিত করে বলেই আজ আমি আমার সমস্ত স্বপ্ন পুরন করতে সাহস পাই প্রতিনিয়ত,
💕💦🌼☀️ সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ দরবারে শোকরিয়া আদায় করি যিনি এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সকল সৃষ্টির মালিক । যার অশেষ কৃপায় সুন্দর এই ধরণীর বুকে এখনো
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
নারীরা বলে আমরা নারী, আমরাই পারি। এই স্লোগানে তাদের সফলতা ছিনিয়ে আনার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়।পাল্টিয়েছে যুগ,বদলে গেছে জীবন যাত্রার মান,সমাজ,কর্মক্ষেত্র।আজকের যুগের নারীরা বদলে গেছে তাদের কাজের দ্বারা,
যার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের বিনিময়ে এতো সুন্দর একটা প্লাটফর্ম যেখানে বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা তথা বিশ্বের ৫০ টি দেশে নিজের বলার মতো একটা গল্প প্লাটফর্ম ছড়িয়ে আছে। যার জন্ম না হলে এতো গুলো ভালো ম
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
আদর্শ ফেনী জেলা নারী টিমের ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তা আপুদের সাথে চা-ফুচকার আডডাবাজি
জীবনে কখনো ভাবিনি মোস্তফা জব্বার স্যার ও ঢাকার উত্তরের মেয়র আতিকুর ইসলাম স্যার কে কখনো স্বশরীরে দেখতে ও তাদের উপদেশ ও তাদের ব্যর্থতার কথা শুনতে পারবো। জব্বার স্যারের বানানো বিজয় সফ্টওয়্যারে দিয়ে প্রতি
জীবন যদি রংধনু হয়, তবে তুমি হলে তার রঙের বাহার, জীবনে যদি নামে আঁধার, তুমি হয়ে উঠো তার আশার আলো।
আলহামদুলিল্লাহ রাজশাহী জেলা টিমের নিয়মিত সেশন চর্চার ১ বছর পূর্ণ উপলক্ষে মিলনমেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
হওয়া কতটা যে আনন্দের তা বাসায় লিখে কাউকে বোঝানো যাবে না কিছু কিছু অনুভূতি আছে শুধু অনুভব করা যায়।কিছু কিছু অনুভূতি সেই খুশির মুহূর্ত গুলো কোন লেখার ভাষায় তুলে ধরা যায়না যারা যারা স্ট্যাটাস অফ দ্য
স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আমাদের আসন্ন মহাসম্মেলন এর টিকেট কেনার উৎসব পালন করা হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক ভাবে টিকেট স
সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত । বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিদর্শন সুন্দরবন সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। সাতক্ষীরার মানুষ অনেকটা পিছিয়ে পড়া এবং অবহেলিত।
আমি তো অলরেডি পড়া বাদ দিয়েছি। আমি যখন এইচএসসি পাশ করি বাবা আমাকে ওয়াদা অনুযায়ী কম্পিউটার কিনে দিয়েছিলেন। কম্পিউটার কেনার পর থেকেই আমি খুব আগ্রহের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজে খুবদ্রুত এক্সপার্ট হয়ে উ
6 টি লাশের কবর খোঁড়া হয়। গোটা এলাকা নিস্তব্ধ। যেভাবে পারে আপ্রাণ চেষ্টা করে।একদিনের মধ্যে ছয় লাখ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে ওদের কাছে দিয়েছে।
কৃতজ্ঞ প্রিয় মেন্টরের প্রতি। আমাদের চমৎকার ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
আশা ছাড়িনি আমাকে উদ্যোক্তা হতে হবে সেটা যেই কোন বিনিময় আমার ছোট ভাই কে সব খুলে বললাম ও আমাকে সাহস দিলো এবং আমার হাসব্যান্ড কে বুঝালো ঘরে বসে আমার বোন যদি কিছু করতে চায় আপনি না করবেন না। আজ না হয়
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
নবাবগঞ্জ উপজেলায এম্বাসেডর ফরিদা ইয়াসমিন এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানটি তে প্রধান অতিথি হিসেবে গুগল মিটের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন আমাদের মেন্টর #জনাব_ইকবাল_বাহার_জাহিদ স্যার । উপস্থিত ছিলেন
এখন আপনি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হিসেবে বুঝতে পারেন ভালো ভালো সভাবের বন্ধু, বান্দব,আর বক্স হিসেবে নিতে পারেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম, নিজের বলার মতো একটা গল্প,, গ্রুপ। আর মধু হিসেবে নিতে পারেন আমরা যে গুল
আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
পড়ালেখা আর করা হলো না। কিন্তু বড় হয়ে গেছি।যেহেতু আমি গ্রামের মেয়ে তাই সকলেই উঠে পড়ে লেগেছে বিয়ে নিয়ে। আমার বিয়ে হয়ে যায় দিনাজপুর জেলায়। আমার শ্বশুড় বাড়ি চলে যাই। আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
'Entrepreneurs Conference 2022' was held at Mirpur Indoor Stadium. Presided over by the founder of "Nijer Bolar Moto Ekti Golpo" Iqbal Bahar Zahid, Minister of Posts and Telecommunications Mustafa
সবার কাছে সবার বাবা একজন পৃথিবীর সেরা মানুষ, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্তু আমার নিকট আমার বাবা তার থেকেও আরে বেশি কিছু,যার কোন উপমা হয়তো আমার জানা নেই। আমার বাবা একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী, যার কারনে ছো
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা টীমের অফলাইন মিট-আপ। উদ্যোক্তা সম্মাননা অনুষ্ঠান
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সোনালি উদ্যোক্তারা ! তারা সাহসী তারা দক্ষ তারা পজিটিভ তারা মানবিক এবং তারা ভালোমানুষ!
সবার স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা থাকে তাই আমার ও ছিলো আমি একদিন আমার চাঁচত ভাইর সাথে ঢাকা গুলশান যাই এজেন্সি অফিসে ম্যানেজার ছিলো আমার বাড়ির পাশে তাকে বললাম আমি প্যাকেজিং কোঃ স্লিটিং মেশিনের কাজ জানি এই ধরনের
হ্যাঁ এটাই ভালো বাসার প্লাটফর্ম। মানুষ মানুষের জন্য। একটু কি সহন ভূতি কি পেতে পারেনা। প্রিয় মেন্টর শিক্ষা মানুষের উপকার করবো ইনশাআল্লাহ। আজ জীবনের প্রথম বার আমার মায়ের মতন চাচিকে রক্ত দান করলাম। পোষ্ট
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
ফুফু তো অনেক খুশি আমার কথা শুনে। আমি বলাম যে ফুফু আপনি যেহেতু কোনো কাজ ভালো মত পারেন না।তাহলে আমার কাঁথা সেলাই করতে সাহায্য করেন।আমার বেশি কাঁথার অর্ডার আসলে আমি কাঁথা গুলা এঁকে আপনার বাসায় দিয়ে আসব।
কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
স্নাতকোত্তর পাসের পর পরিবার থেকে চাকরির নেয়ার জন্য তাগিদ দিতে লাগলো কারণ বাবা তার সহকর্মী মেয়ে ও তার ছাত্রীকে আমার জন্য পছন্দ করে রেখেছিলেন জার জন্য চাকরি নেওয়ার তাগাদা আমি প্রথমে ঔষধ কোম্পানিতে রিপ্র
সেদিন ছিলো ১৫ ই জুলাই,২০২১ তারিখ। স্কয়ার হসপিটালে করোনা টেস্ট করাইতে টাকা পরিশোধ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম।আমার সামনে ছিলো একজন অল্প বয়সী ভদ্র মহিলা,যে তার বোনের এবং বোনের ৩ সন্তানের জন্য টাকা পরি
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
মহাসম্মেলন আগের তিনদিন শুরু হলো, সারা দেশে অনেক বৃষ্টি এবং সাথে শীততো আছে। এ যেনো পরিস্থিতি প্রতিকূলে চলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সম্মেলনে যাওয়া হবে না। কিন্তু আমি যে কাতার টিমকে কথা দিয়ে আসলাম, সম্মেলনে যা
আমার কাজের মাধ্যমে একজন লোক ও যদি উপকৃত হয় তাতে আমি নিজের আত্ম তৃপ্তি খুজে পাই। আল্লাহতালা আমাকে যদি সুস্থ রাখেন আমি লেগে আছি লেগে থাকবো,,, আমি পরিশ্রম করে যাচ্ছি আরো পরিশ্রম করে যেতে চাই।
যখন চলতে চলতে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবেন, নিজেকে খুব অসহায় মনে হবে, এই বুঝি আমি হেরে গেলাম, আমাকে দিয়ে আর কিছু হবে না, আপনার এ নেগেটিভ চিন্তাধারই আপনার জন্য বড় বাধা হয়ে দাড়াবে। সহজ কাজকে তখন অনেক কঠিন মনে হ
আর বাবা কে হারিয়ে ভেংগে পড়া আমি। আমার সকল প্রকার কাজ থেকে দূরে সরে খুব ই ডিপ্রেশন এ ছিলাম।। স্যারের সেশন পোস্ট আমাকে একটু একটু করে বাঁচার প্রেরনা দেয়।