শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম 🥀আমি প্রথমেই শুকরিয়া জানাই সকল প্রসংশাময় আল্লাহর দরবারে যিনি অশেষ রহমতে আমাদের সুস্থ ও ভালো রেখেছেন । 🥀 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের আশার প্রদীপ জ্বা
একদিন সেশনে পড়লাম স্যার বলছে ইউনিক কিছু নিয়ে কাজ করতে। ডাক্তার বান্ধবীদের পরামর্শে অর্গানিক তেল নিয়ে কাজ শুরু করি নতুন করে। অনেকে আমাকে চেনে না,বুড়ি মহিলার সাথে কে বন্ধু তো করে।তবে করবে, আমি নিশ্চিত
ধন্যবাদ জানাচ্ছি Sagar Banik দাদাকে, যিনি অনেক কষ্ট করে ঢাকা থেকে এসেছিলেন আমাদের পাবনা জেলায় আমাদের সঙ্গে মিটাপে যুক্ত হওয়ার জন্য।
করোনা এসে যেন সবার প্রথম আমাদের ই আঘাত দিল। আব্বু করোনা আক্রান্ত হইল এবং ভয়াবহ অবস্থা কেউ ভাবেনি আব্বু বেচে যাবে।আব্বুকে প্রথমে প্রাইভেট মেডিকেল এ ভর্তি করলাম সেখানে এক রাতে আমাদের বিল ৫৬০০০ টাকা। তার
আমি ছোট বেলা থেকে মনে প্রানে যে কথাটা ভাবি সেটা হচ্ছে আমি একটা কোম্পানীর মালিক হবো। সে টা আমার নামে হবে। সে খানে অনেকে চাকরী করবে। আমি চাকরীর পাশাপাশি আমার নিজের উদ্যোগে একটা কম্পিউটার কিনলাম তখন
কেমন লেগেছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার কেমন যেনো অস্থির অনুভূতি কাজ করেছিলে। আমি আমার ছোট জীবন থেকে আমার ছোট একটা গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছিলাম ও শেয়ার করেছিলাম তখন লিখতে লিখতে রাত চার টা
আমরা বাবুল ভাই এর পরিবারের সন্ধান পেয়েছি যিনি দীর্ঘ নয় মাস যাবত সৌদি আরবে রিয়াদে তারিক আল খারিজে রাবিয়া হসপিটালে কাতরাচ্ছেন। ধন্যবাদ জানায় নাই "নিজের বলার মত একটা গল্প" রিয়াদ টীমের চার জন সদস্য......
গতকালই সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী জেলার সকল সদস্য ভাই ও বোনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইফতার বিতরন কর্মসূচি,
মূলধন দুই হাজার টাকা থেকে এখন এক লক্ষ+ উদ্যোক্তা জীবন গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক কষ্ট অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছিল। চাকরি ছেড়ে কেনো উদ্যোক্তা পথ বেছে নিলাম। আমি বিশ্বাস করি চাকুরী করলে একজন জীবিকা গ্রহণের
কিন্তু হায় ৩ দিন চলে যায়, ৪ দিন চলে যায়, কোন মেসেজ নেই, এদিকে বাসায় কাস্টমার আসে ড্রেস গুলো নিতে চায় আমি দেইনা,বলি এগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এতগুলো ড্রেস এভাবে রেখে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বুঝতেও পারছিনা।
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল বিকেলে কেরানীগঞ্জ জোন উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন বাস্তবায়ন টিমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় চা আড্ডা ও আলোচনা সভা
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি।
আমি আজ প্রায় ১২/১৩বছর প্রবাসে আছি, মাঝখান দিয়ে প্রায় ৩ বছর দেশে ছিলাম, ছোট একটা ব্যবসা চালু করেছিলাম গ্রামে তা অনেক কথা পরে টিকাইতে পারি নাই ব্যবসাটা। তখন থেকে নিজে নিজে ভেবে ছিলাম আমি আর জীবনে
আমি প্রথমে ১০,০০০ টাকা ইনভেন্স করি। বর্তমানে আমার ৮০,০০০ টাকার পোডাক্ট বাসায় স্টক করে সেল করছি
"নিজের বলার মত একটা গল্প " তৃতীয় ব্যাচের ৯০ দিন, সমাপনী দিনটি উদযাপন উপলক্ষে ইকবাল বাহার স্যারের অনুপ্রেরনায়..
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
অনেক বেশি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা সেই প্রিয় মানুষ # ইকবাল বাহার ভাইয়ের প্রতি যার অনুপ্রেরণা প্রতিনিয়ত সাহস যোগাচ্ছে ভালমানুষ হবার স্বপ্ন দেখতে।
আমি উদ্যোগ নিয়ে স্বপ্ন দেখি, কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তৈরি হবে তার উদ্যোগের মাধ্যমে এবং নিজস্ব একটা ব্র্যান্ড তৈরি করার। অন্য কারো পরিচয়ে নয় বরং নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই আমি । এরই মধ্
ধন্যবাদ জানাই আমাদের সবার প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সুন্দর একটি প্লাটফর্ম উপহার দেওয়ার জন্য।
আমি আমার বান্ধবী সুমি আমরা দুজনে একসাথে পড়াশুনা করতাম । হঠাৎ একদিন কফিসপে, দেখা হয়ে গেল সুমির সাথে, তারপর শুরু হলো না বলা জমে থাকা অনেক অনেক কথা। সুমি অতি আনন্দে কান্না করে দিল, বলতে শুরু করলো দোস ত
সবাই আমাদের দোয়া করবেন আমাদের যশোর জেলা টিমের জন্য আমরা যেন স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে সফল উদ্যোক্তা, মানবিক মানুষ হতে পারি, মিলেমিশে আজীবন পথ চলতে পারি।
কিভাবে লিডারশীপ তৈরী করতে হয় তা জানতে পেরেছি। উদ্যোতা হতে যে সমস্ত গুণবলী প্রয়োজন তা জানতে পেরেছি। সবশেষে বলতে পারি আমাদের সকলের প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে জানাই সালাম ও আন্তরিক মোবারকবাদ। আমি
আজ থেকে শুরু হলো ফেব্রিকন লিমিটেডের নতুন ভাবে পথ চলা !! আপনাদের দোয়া কামনা করছি। ফেব্রিকন লিমিটেড হলো সমসাময়িক যুগের ছেলেদের পাইকারি তৈরি পোশাকের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান!
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের সেশনের ২০০০-তম দিন উৎযাপন হলো আজ।
শীতের কবলে কাঁপতে থাকা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আমার-আপনার-আমাদের সবাইকে। সামান্য একটু মানবিকতার স্পর্শ বাঁচাতে পারে শীতার্তদের, তাদের মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারে
এভাবে চলতে থাকে দিনগুলো আমার পরিবারের সার্পোটের কারনে নিজেকে আস্তে আস্তে কন্ট্রোল করা শুরু শুরু করলাম মেয়ের দিকে খেয়াল রাখা শুরু করলাম। যখন ডিভোর্স হয় তখন আমার মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে ফাইনাল পরীক্ষ
আগে প্রচলিত ছিল কন্যা সন্তান জন্ম নিলে মাটিতে পুঁতে রাখতো। তবে এখন আর নেই কিন্তু এখনো কন্যা সন্তান জন্ম নিলে তার মাকে অবহেলা করে, নির্যাতন করে। আমি যখন জন্ম নেই তখন আমি মেয়ে বলে আমার দাদীমা আমাকে
প্রসাদে আসার পর দরবেশ এক অদ্ভুত কাণ্ডের সাক্ষী হলেন। রাজার প্রহরীরা দরবেশ সাহেবের সাদা পোশাকের উপর লাল রঙ ঢেলে দিলেন।
করতে চান আলোকিত মানুষ হয়ে হাজারো মানুষের আইডল হতে চান, তৈরি করতে চান একটা স্বপ্নের পরিবার। বিশ্বাস করুন আপনি ও হবেন আইডল, আপনার ও থাকবে একটা স্বপ্নের বাড়ি। কারন একটাই, আপনারা আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন গাইবান্ধা জেলার ঈদ পূর্ণ মিলোনি ও নবীন উপজেলা এম্বাসেডর বরন উপলক্ষে
আলহামদুলিল্লাহ , গোপালগঞ্জ জেলা, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কাজ সু সম্পন্ন হয়েছে।
মেমের মেয়েটা প্রায় আমার পেজ দেখে এবং ওর মাকে বলে যে ওনার খাবার গুলো দেখতে ভালো লাগে। তো একদিন মেম আমাকে ২০ পিস সিংগাড়া আর ১০ টা ভেজিটেবল রোল অর্ডার করলেন। বললেন আমার মেয়ে আর মেয়ের বাবার জন্য নিচ্ছি।
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এত সুন্দর একটা প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়ার জন্যে।
ম্যাজিক ম্যান আসলে আপনি জানেও না আপনার প্রতিটি কথা কতটা যাদুর মতো কাজ করে একজন সফল মানুষ ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। ছোট বেলা থেকে নিজেকে সফল হিসেবে দেখতে চেয়েছি
বর্তমানে আমার ছোট চাচা আমাদের মধ্যে আছে।আমার ছোট চাচা আমার মধ্যমনি। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। তিনিও আমাকে ছোটবেলা থেকে অনেক ভালোবেসেছেন।তার ভালোবাসা আমি কখনোই বোঝাতে পারবো না। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি যা
এই করোনার ক্লান্তি মুহুর্তের মধ্যে সুস্থ্য রেখে আমাদের প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনায় , সামাজিক, দেশ ও পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল , আলহামদুলিল্লাহ।
এখন থেকে আমাদের ফাউন্ডেশনের আজীবন মেম্বাররা AB Bank এর এজেন্ট ব্যাংকার হবার সুযোগ পাবেন এবং তাঁরা এই মিনি ব্যাংকিং ব্রাঞ্চের মালিক হয়ে উদ্যোক্তা হবার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবেন। স্যারের এই প্রদক্ষেপ খ
আমার মা বাবাকে দেখতাম তারা না খাইয়ে আমাদেরকে খাওয়াতেন, উপার্জনের প্রধান উপায় ছিল সামান্য একটু জমি আর অন্যের জমি বর্গা চাষ করা, তবে তার লাভ খুব একটা হতো না, প্রত্তেক বছর কয়েক বার বন্নার ফলে বারব
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
আমরা কি জানি নিজের অজান্তেই আমরা নিজেরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে যাচ্ছি এই দুনিয়ার ও পরকালের জন্যেও। 🤔কিভাবে করছি? এক মিনিট বলছি- ☝ধরেন আমাকে আমার আব্বু আম্মু স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছেন যাতে ভালো
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন রাজবাড়ী জেলা টিমের পক্ষ থেকে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুস্প স্তবক অর্পন।
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে আমি খুব ভালোই ছিলাম। নানা, নানী, আন্টি, মামা সবাই আমাকে ছোট বেলা থেকেই অনেক আদর করতো। উনারা আমার পড়ার সকল খরচ বহন করতেন। সেখানেই থেকে খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা শুরু করি। উদ্দেশ্য একট
নিজের বলার মত গল্প গ্রুপ আমাকে এবং আমার স্বপ্ন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে, প্রিয় স্যারের প্রতিটি সেশন আমাকে চম্বুকের মতো আকর্ষিত করে বলেই আজ আমি আমার সমস্ত স্বপ্ন পুরন করতে সাহস পাই প্রতিনিয়ত,
নিজের জীবন টা নিজেকেই গুছিয়ে নিতে শিখতে হয়, যতই থাক নিজ মেধা শক্তি স্বপ্নকে ঘুমাতে দিতে হয়, কেননা এমনো সময় জীবন আসতে পারে নিজ মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজেই বেঁচে থাকার একমাত্র শক্তি হতে পারে। তাই নিজ
কুষ্টিয়া জেলার ৯০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে মেগা মিট আপ
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
স্যারের একটা কথা আমার কানে সব সময়ই বাজে, "" বৃষ্টি সবার জন্যে পড়ে,ভিজে কেউ কেউ "" আমি সেই কেউ কেউ এর একজন হতে চেষ্টা করছি, চেষ্টা করছি যদি কোনদিন স্যারের সামনে দাঁড়াতে পারি তবে সেদিন যেনো বলতে পারি,
বয়স টা তখন অনেক ছোট। বড় বাড়ি আমাদের এক সাথে প্রায় চাচাতো-জেঠাতো ভাই বোন মিলে ১০/১২ জন সহপাঠী পড়াশোনা করতাম একি সাথে বলতে পারি বিশাল একটা দল আরো পিচ্ছি গুলো মিলে ১৬/১৭ জন ও হয়ে যেত। একুশের প্রথম প্রহ