কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সপ্তম বার কাউকে লাল ভালোবাসা দান করলাম, তবে আনন্দের বিষয় হলো এ প্রথম নিজের বলার মত একটা গল্প গুপের কোন সদস্যের মায়ের জন্য রক্ত দান করলাম আমাদের গুপের বরিশাল বিভাগের, রুহুল আ
আপনি স্বপ্নে দেখছেন আপনি একজন উদ্যোক্তা হবেন কিন্তু সেজন্য আপনি কোন গাইড লাইন পাচ্ছেন না আপনি সময় দিতে প্রস্তুত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত কিন্তু মাধ্যম তাই পাচ্ছেন না আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটি আপনাকে সে ম
কেউ ঋণ করে, কেউবা তার পৈতৃক সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে। প্রবাসে পাড়ি জমান। তার মাঝে কোন চিন্তা নেই, আমি কি পারবো? আমার ঋণ পরিশোধ করতে? আমি কি পারবো? হারানো সম্বলটুকু ফিরে পেতে? 👉 তার মাঝে থাকে স্বপ্
পৃথিবীতে সবার মত আমারও সবচাইতে আপনজন হল আমার মা-বাবা। কিন্তু যদি আপনজন হঠাৎ করে আমাদের ছেড়ে চলে যায় তাহলে তারচেয়ে সবচাইতে কষ্টের পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না । আমার ক্ষেত্রেও তাই।
দুঃখ,বেদনার স্মৃতি যত কম মনে করা যায়, তত কম কষ্ট হয়। তাই জীবনের কিছু কথা
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলো একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। তার জন্য প্রয়োজন সততা ও লেগে থাকা, এটা শুধু অর্থনৈতিক সততা নয়, সম্পর্কের সততা ও কমিটমেন্ট
১০০০ তম দিন উজ্জাপন এর প্রস্তুতি নিয়ে আজকে ময়মনসিংহের সদস্যদের সাথে মিটিং করলাম। একটি প্রানবন্ত এবং চমৎকার মিটআপ হয়েছে। তারিখ 12/09/20
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
আমি সব সময় স্বপ্ন দেখি আমি একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়ার নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো আরো কিছু বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব
যিনি সুখ খুঁজে না আপন নীড়ে, প্রাণের টানে এই আঙিনায় বারে বারে আসে ফিরে, কালজয়ী, সময়উপযোগী মহা নায়ক, সকলের নয়নের আলো,আমাদের সকলের নয়নের মনি, শিক্ষাগুরু, আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক যার চিন্তা ভাবনা এই
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
সেই থেকে তারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহলের ছোটখাটো বিল্ডিংয়ের কাজ করতে লাগলো। সব সময় পারিশ্রমিক পাওয়া যেতনা, পাইলেও ৪-৫ হাজারের উপরে না। তারপরও তারা করে যেতে থাকে। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে তারা ২ জনই চাকরি
২০১৮ সালের কথা, তখন,পড়াশোনা করতাম চাঁদপুরে, , আমাদের মাদ্রাসার একটা নিয়ম ছিলো কুরবানির ঈদের দিন মাদ্রাসায় থেকে কুরবানির পশুর চামড়া কালেশন করতে হবে, যেহুতু ঈদ করতে হবে মাদ্রাসায়, তাই, ঈদের জামা আগে থে
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে মিরপুর মডেল জোনের মাসিক মিটআপ শেষ হলো। আজীবন সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে ও আমাদের মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পণ্য প্রদর্শনী এবং কোর ও মডারেটর বরণ অনুষ্
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
বিভিন্ন জেলা থেকে স্যারের ডাকে এসেছেন কাধে কাধ রেখে অংশ গ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম এর প্রাণপ্রিয় যোদ্ধারা।
প্রিয়তমা বউ আমার পছন্দের ভেঁড়া'র মাংস রান্না করছেন।বউয়ের কাঁধের পেছন দিকে মাংস খাওয়ার জন্যে উঁকিঝুঁকি মারছি। কিন্তু মমো'র (আমার বউ) মন খুব খারাপ!
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আবিস্কারের নেশায় টানতো আমাকে,, সময় টা ২০১১ আমার বানানো ২ টা প্রযেক্ট যখন ১ম ও ৩য় হয়ে খবরের কাগজে এসেছিলো তখন স্বপ্ন টা অন্য ধারায় চলে গিয়েছিল। তার কিছুদিন পর আমি বুঝতে পারি আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারে
এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আজকে প্রোগ্রামের সম্মানিত প্রধান অতিথির উপস্থিতি ক্রমে, আমাদের কিশোরগঞ্জের পৌর মেয়র জনাব মাহামুদ পারভেজ।
একজন নিয়মিত রক্তদাতা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ টিমের সকলের প্রিয় কোর-ভলান্টিয়ার Mohammad Ali ভাই ।আমাদের প্রিয় আলীভাই গতোকাল সন্ধ্যায় একজন মূমূর্ষ রোগীকে AB+ রক্ত দান করেছেন । আল্লাহ্ যেনো উনার রক্তদান কবুল
বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিল ঐক্য ও ভালবাসার সেতু বন্ধন। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর "নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"।
তারপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় নিজেকে মানিয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে, সব কিছু কেমন যেনো লাগছে, মানুষ গুলোও কেমন যেনো যাই হোক সব কিছু মানিয়ে নিলাম, আর চাকরি করতে থাকলাম। কিন্তু কিছু দিন পরে চাকরিটা ছেড়ে দিলাম কারণ
We provide online and offline training base on live project according to industries required. E-commerce Solution. Our Signing product Digital Businessman is E- .
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
কিশোরগঞ্জ জেলা ও ভৈরব উপজেলাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ভৈরবের অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে আজকে সম্পন্ন করলাম বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি।
আমার আব্বু খুব ভালোমানুষ এটা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি।আমার আব্বু কখনো চান না উনার সন্তানরা আব্বুর চোখের আড়ালে কোথাও থাকুক। আব্বু সবসময় চান আব্বুর বুকের মাঝে সবাইকে আগলে রাখবেন। আমার ছোট ভাই আজ একটা..
পরিবারের কাউকে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ অটো চালকের বাড়িতে নেওয়ার পর শুরু হয় ফয়সালে দুষ্টামীর চরম সীমা। যা আমাদের সবাইকে বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পেলে দেয়।
আমি ঢাকায় এসে চাকরির জন্য খুঁজতে খুঁজতে এবি ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ডে চাকরি পাই। চাকরির পাওয়ার পরে আমার অনেক ভালো লাগে চাকরির যোগদান করি ২০১৬ সালে আমি মানুষের ভালোবাসা বুঝতে শিখি এখান থেকে।
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রমটি জয়পুরহাট জেলা সদর থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম কি জেলার সকল সদস্যবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।
আলহামদুলিল্লাহ, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শ্রদ্ধেয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ জুলাই ২০২৩ রোজ- শুক্রবার সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে দুপু
বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে। ঈদুল আজহা ও লকডাউন পরর্বতিত
দিন আনে দিন খায়-গাজীপুর জেলা কতৃক ত্রাণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আমার মাকে বলতে শুনছি আমাদের এলাকায় একজন বুজুর্গ লোকের উছিলায় আল্লাহ আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
August 19, 2019 · শহর আপনার দায়িত্ব আপনার নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের খুলনা জেলার ঈদ পুর্ণমিলনি ও পরিচ্ছন্ন অভিজান। এমন টিম পেলে সত্যি অসাধ্য সাধন করা সম্ভব। ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bah
মূল ক্যাম্পাসে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবন, একটি ওয়ার্কশপ ভবন এবং একটি কম্পিউটার ভবন। এছাড়াও অফিস, লাইব্রেরী, এবং ল্যবরেটরী এবং একটি ২০০ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম রয়েছে। এবং মূল ভবনের উত্তর পাশে
হঠাৎ এক দিন এক আপু মেসেজ দিলো।সালাম দিয়ে অনেক সুন্দর করে কথা বলল।আমি কাজের চাপে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।ঠিক সময় রিপ্লাই দিতে পারছিলাম না।আপুটা একটু বিরক্ত হলো।কিন্তু আমি তো একটা কাজ নিয়ে বসে নেই। বলল আপু আম
♥অালহামদুলিল্লাহ♥ বগুড়ায় এটাই প্রথম মিট-আপ। অাশা করছি পরবর্তীতে অারো ভালো হবে, ইনশাঅাল্লাহ্.....
আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। পাবনা জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন
আমার শিশু কাল কেটেছে আমার নানুর সাথে বেশি সময়,আমরা দুই বোন দুই ভাই ছিলাম, আমাদের গ্রামের পরিবেশটা তেমন ভালো ছিল না, তাই আম্মা আমদের কে মামার বাড়িতে রেখে পড়া লেখা করেয়েছেন,আর নিজে অনেক কষ্ট করতেন,সকাল
প্রায় রাতই ঘুমাতে পারতামনা,এত যুদ্ধ করে পড়ালেখা করে কি পেলাম। আমিতো ব্যর্থ। এই কষ্ট আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। তাহলে কি আমাকে দিয়ে হবে না? জীবন যুদ্ধে আমি কি হেরে গেলাম?
বাবা যখন যুদ্ধ করতে মাঠে চলে যেত তখন আমাদের বাড়ি মহিলাদেরকে মাটিতে গর্ত করে উপরে কাঠ দিয়ে রেখে যেত। হঠাৎ একদিন পাক সেনারা হিন্দুপাড়ায় হামলা করে তখন অনেক হিন্দু মহিলারা প্রেগ্যানেট ছিল তারা দৌড
প্রথমে উদ্দোক্তা জীবনে পা রাখি মার্কেট থেকে কিছু থ্রি-পিছ এনে কিন্তু সুবিধা করতে পারছি না। যেহেতু অফ লাইনে সেল করি সেহেতু গ্রামের মানুষ মনে করে বাজার থেকে কমে দেই বলে আমার পন্যের চেয়ে বাজারের গুলো ভাল
দিনে এনে দিনে খায়" এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির কার্যক্রম- মতিঝিল জোনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি বনশ্রী এলাকায়