গত ৪ জানুয়ারী হয়ে গেল" নিজের বলার মত একটা গল্প " গ্রুপ এর মহাসম্মেলন। এই সম্মেলনে গিয়ে এতদিন ভার্চুয়াল জগতের মানুষ গুলোকে চোখের সামনে দেখতে পেয়ে সত্যিই অভিভূত হয়ে গেছি। আমার জানা নেই এমন কোন অনলাইন
অনেকেই হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পছন্দ করেন আবার অনেকে গাঢ় রং। ধরুন, আপনি যদি লাল রংয়ের লিপস্টিক পরতে ভালবাসেন; তাহলে আপনি যে সাহসী তা আর নতুন করে কিছুই বলার অপেক্ষা রাখে না৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, =
এছাড়াও অন্যান্য শ্রদ্ধেয় লিডারগন এবং সম্মানিত স্পন্সর উদ্যোক্তাগনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। আপনাদের একান্ত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আমরা ২০০০ তম দিনের মত একটি স্মরণীয় দিনের সাক্ষী হতে পেরেছি।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে ফেনী জেলা কতৃক এক মেগা মিটআপ আয়োজন করা হয়েছে।
বড় আর ছোটোর গোলকধাঁয় বাবা মায়ের স্নেহ ভালোবাসার আড়ালে পড়ে রয় তাদের মেজ সন্তান। শান্তর জীবনেও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি,শান্ত পরিবারের মেজ সন্তান আমার লেখা শান্ত কে নিয়ে। অত্যান্ত ডানপিঠে শান্তর চঞ্চলতায়
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
মাত্র ১জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় আসে ৪ জানুয়ারি "২য় মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ আমরা শরিয়তপুর থেকে তখন ৫০+ সদস্য সেই প্রগ্রামে উপস্থিত হতে
আমি আজ প্রায় ১২/১৩বছর প্রবাসে আছি, মাঝখান দিয়ে প্রায় ৩ বছর দেশে ছিলাম, ছোট একটা ব্যবসা চালু করেছিলাম গ্রামে তা অনেক কথা পরে টিকাইতে পারি নাই ব্যবসাটা। তখন থেকে নিজে নিজে ভেবে ছিলাম আমি আর জীবনে
সুন্দর "SOD" এর যাত্রাটা মাত্রা পেয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৬০০ দিন পূর্বে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।।এর মধ্যে আমি একাধিক বার SOD হয়েছি। সকলের শুভেচ্ছা বার্তা আমাকে প্রতফুল্ল করেছে। আমি পেয়েছি উদ্যম।
তারপর আবার কেটে গেল কয়েকটা দিন।কাল এক বন্ধু মেসেজ করলো তার প্রিয়তমার জন্য সে গহনা কিনবে।আবার নাকি শাড়ি ও দেখবে,পছন্দ হলে শাড়ি ও নিবে।।আমি যেহেতু গহনা নিয়ে কাজ করছি সে আমার থেকে গহনা নিবে।শুনে খুব
আমার প্রথম উদ্যোক্তা জীবন শুরু হয় ২০০৭ সাল জুন মাসের ১০ তারিখ আমার জন্মদিন ছিল হাজার ১৯৮৩ সালের জুন মাসের ১০তারিখ আমার প্রিয় বন্ধু স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন আপনার জন্মদিনে আমাদের কোম্পানির শুভ উদ্বোধন হব
হালকা শীতের আমেজ চারিদিকে। এই শীতে চলছে পিঠা পুলির উৎসব। শীত শীত আবহাওয়ায় বিশেষ যত্ন নিতে হয় আমাদের বাচ্চাদের ও বাড়ীর বয়স্কদের। খাবারের প্রতি রাখতে হয় বিশেষ খেয়াল তেমনি এক গল্প ছিল রহিমা ভাবীর।
আমাদের জামালপুরের কিছু দিন আনে দিন খায়,অসহায় মানুষের মাঝে। সারা পৃথিবীর এই সংকটময় মুহর্তে
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদি
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
আসসালামুআলাইকুম। আজকে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান ছিলো। সেখানের অনুভূতি বলে বুঝাতে পারবোনা। এতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসা হয়তো আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই খুবই আনন্দ লাগছে প্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার দৃষ্টি গোচর হতে পেরে। কেমন কেমন করেই যেন আজকের মিট আপ টা হয়ে গেল। আমার ডাকে টিকিট নিয়ে হাজির প্রিয় বগুড়া জেলা টিমের
শুরু হলো সংসার জীবন। পুরো দমে লক্ষী বউয়ের মত সংসার সন্তান সামলাতে ব্যস্ত সারাদিন সংসারের কাজ করি আর মনের মধ্যে লুকাযিত অতৃপ্ত বাসনা ভাবতে থাকি এভাবেই জিবন শেষ হয়ে যাবে আমি সেলাই এর কাজ জানি, ব্লক,ব
উদ্যোক্তা হতে হলে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তার কোনো বিকরল্প নাই। তিল তিল করে গড়ে তোলা বিজনেস এক সময় বিশাল শিল্প সামাজ্য করে সাজাতে সততা আর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। অধিক পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
আজকে নিজের বিজনেস পরিচালনা করার ও সময়ের সাথে আপডেট হয়ে সংযোজন বিয়োজন করার ক্ষমতা ধারণ করার সক্ষমতা হয়েছে...
শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নিয়ে নতুন বছরের প্রথম আয়োজন আসন্ন ৭ম ফেনী জেলা মিট আপ ও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২৪ জানুয়ারী,শুক্রবার,বিকাল ২.৩০ ঘটিকায়। প্রধান অতিথি : Mohammed Anayet Ullah ( Country Ambass
আমার অনেক ভাল করে মনে পরে আমি যখন ক্লাস থ্রি তে পড়ি তখন একটু একটু বুঝি ,আমাদের ক্লাসে ছেলে মেয়ে মিলে আমরা প্রাই ২০ থেকে ২৫ জনের একটা টিম ছিলাম , তো যখন এই দিবস গুলো আসত বিশেষ করে একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমার গাঁয়ের রং কালো বলে আমার প্রতিবেশীরা আমাকে নিয়ে নানা ধরনের হাসি ঠাট্টা করতো। এর মাঝেও ছাত্রী হিসেবে মোটামুটি ভালো থাকার কারণে সেই হাসি ঠাট্টা আমার লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে নি। শত
আমাদের সবার প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার এর পরিকল্পনা, বাংলাদেশের সকল জেলায় লাইব্রেরী স্থাপন, এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ঝিনাইদহ জেলা টিম আজ লাইব্রেরীর জন্য একটি রুম পরিদর্শন করেন। এসময় উপস
আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।মধ্যবিত্ত পরিবারে আমাদের স্বপ্ন বেশি ।সাধারণত আমাদের কোনো সমস্যা না হলেও যখন আমরা কোনো কাজে হাত দেই তখনই আমাদের সমস্যা হয়। এটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েরাই ভালো
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের হবিগঞ্জ জেলার গত কাল রোজ শুক্রবার অফলাইন মিট আপ অনেক সুন্দর ভাবে সফল হয়েছে,
বিয়ের কিছুদিন পরে জানতে পারি সে আগে একটা বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর একদিনের জন্য চাকরি থেকে বিরতি পেলাম না।
শিখেছি কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়। ★পেয়েছি অনেক বড় একটি নেটওয়ার্ক। যা জীবন বদলানোর জন্য যথেষ্টর চেয়েও অনেক বেশি। এবং প্রতিদিন শিখে যাচ্ছি নতুন কিছু।
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর ও সকল সদস্যদের পরিবার সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।। সেই সাথে ১০০প্যাকেট ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে।। মানবিক ও সামাজিক এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আসলেই আমরা গভীর ভাবে
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ এ নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্যোক্তা ক্লাব এর চিঠি ও বই পৌছিয়ে দেওয়া হলো
আসসালামু আলাইকুম আমি ডেমরা থানা এম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পাই কয়েকমাস
আর সেটা জদি হয় মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহিন, সেই কারনে জদি হাড়াতে হয় জিবন শুরুর গুরুত্য পুর্ন সময়,,,,নস্টো হয়ে যায় ফিউচার, সাথে হাড়াতে হয় সহায় সম্বল, জায়গা জমি,,,,লুটপাট করে নিয়ে যায় ঘড়ের মালামাল,,সর্বশ্য
আমার ছোট বেলা থেকেই মাটির ব্যাংকে টাকা জমানোর শখ ছিল সেই মাটির ব্যাংকের জমানো ৬০০০০ হাজার টাকা দিয়ে সদরঘাট গিয়ে কাপড় কিনে ১৫০ পিস ডেনিম প্যান্ট দিয়ে ব্যবসা শুরু করি।
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
আমার কান্না শুনে ভাইয়া আমাকে ধমকাতে শুরু করলো৷ কিছুক্ষণ পর ভাইয়া। আমাকে নিয়ে চাচাকে খুঁজে বের করলো৷ পরে আমার মামার শশুড় বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাইলো৷ কারণ, কাছেই আমার মামার শশুড় বাড়ী। রাতটা কোনো ভাবে সেখা
যার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে যার বিনা পয়সায় দেশ বিদেশের মানুষ নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে,পরিচয় দিতে পারছে।এর চেয়ে বড়ো পাওয়া আর কি হতে পারে। যখন জানলাম স্যার১৪ ই ফেব্রুয়ারিতে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মেলায়
দুঃখ,বেদনার স্মৃতি যত কম মনে করা যায়, তত কম কষ্ট হয়। তাই জীবনের কিছু কথা
জীবনের গল্পে সব থাকতে হয়, তবেই জীবন সুন্দর হয়,জীবনের গল্প কখনো শুধুমাত্র ব্যাবসা সফলের কিছু বাক্যে রচিত হয় না, রচিত হয় জীবনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য তিক্ত অভিজ্ঞতা, দু চারটি প্রাপ্তি আর বুক ভরা স্বপ্ন আশা নি
বরিশাল জেলার সকল ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, সাংবাদিক ও অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে খুবই সুন্দর ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১০০০তম দিনের অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।।
দিন এনে দির খায় এমন বেশ কিছু পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
ভোর রাতে ওঠে ফ্রেশ হয়ে বাবা,মা আর আমার ১বছরের ছেলের কপালে চুম্মন করে দোয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরলাম..... >>ভোর রাতেই হাইওয়ের পাশে থাকতে হবে আমায় টাংগাইল শহর থেকে ভোর ৫টায় আমাদের মাইক্রো ঢাকার .....
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
আমার বাবার স্বপ্ন ছিলো আমি উচ্চপদস্থ চাকরি করবো। আমারও খুব ইচ্ছে ছিলো যে,আমি সরকারি কোন বড় ধরনের জব করবো বা কোনো ব্যাংকে জব করবো। এই তো গেলো স্বপ্ন দেখার কথা এবার আসি মূল কথায়। এবার শুরু হলো স্বপ্ন
আমি 2014 সালে অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয় বদরগঞ্জে প্রতিবন্ধি বাচ্চাদের শিক্ষা সেবা দিয়ে আসছি। সেই স্কুলে আমি প্রথম শিক্ষিকা। তখন রেলের প্ররিতাক্ত বিল্ডিং এ একটা রুমে স্কুল টা শুরু হয়েছিল। এখন
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে