গত ৪ জানুয়ারি ২০২০ এ 'নিজের বলার মত একটা গল্প' প্লাটফর্মের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনার সূচনা হয়। একটা অনলাইন প্লাটফর্মকে কেন্দ্র করে এমন বিশাল এক মহাসম্মেলন বিশ্বের ইতিহ
আল্লাহ তাআলার পরে মা-বাবার স্থান কেউ যদি নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসে থাকে সারা জীবন আগলে রাখে সে হলো মা- বাবা। আমার মা-বাবা নিজে না খেয়ে আমাদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন, লেখাপড়া পোশাক পরিচ্ছদ থেকে শুরু ক
স্যারের সেশন গুলো ফ্ল করছি।যুক্ত হতে হতে সপ্তম ব্যাচে যুক্ত হবার সুভাগ্য হয়েছি।এবং উদ্যোগতা হয়ে গেছি।যদিও স্যারের লিস্টে নাই।আমি একটি কার ওয়াসিং সার্ভিসিং সেন্টার করেছিলাম এক বছর আগে এক বছরে আমার মূলধ
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
মিট আপে ২০০০ তম দিনকে স্মৃতিময় করে রাখার জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামকে ডেলে সাজানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, ইনশাআল্লাহ
আমি আমার বাবা মার প্রথম সন্তান আমি যখন মায়ের কোল জুড়ে জন্ম গ্রহণ করলাম তখন আবার বাবা শুনতে পেলো মেয়ে জন্ম হয়েছে তখন বাবা আর খুশি হলো না, তিনি চেয়েছিলো ছেলে হক কিন্তু মেয়ে হওয়ায় আমার মাকে কিছু দিন
আমার বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা এবং বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সমগ্র বিশ্বে আমার উদ্যোগ পৌছিয়ে দেয়া। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
নিজে ভালো থাকি, অন্য কে ভালো রাখার চেষ্টা করি। আজ আমি আমার এলাকায় কয়েক জন মিলে কিছু সচেতন মূলক কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই কাজ দেখে এলাকার কয়েকজন উৎসাহিত হয়ে নিজ মহল্লায় আগামীকাল করবে। করোনা
তারপর কি আর করবো, খুব কষ্ট করে একটা হাই স্কুলের পার্ট টাইম জব নিলাম, আর সাথেই লেখা লেখি করা শুরু করালাম, কিছু টিউশনি, এভাবেই কষ্ট করে একটু একটু করে, আমি যাদের থেকে মাল আনতাম, তাদের ঋণগুলো পরিশোধ করে দ
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে করোনার সময় থেকে তার হাজবেন্ড সম্পূর্ণ বেকার। সে বুঝতে পারে না আসলে কি করবে?মেয়েটির বছর খানেক আগে ফারজানা এলিজা নামে একটি মেয়ের সাথে পরিচয় হয় ব্যাংকে । ফারজানা মেয়েটির কাছ
গোপালগঞ্জ জেলার গর্বীত সদস্য হিসেবে প্রিয় স্যারের হাত থেকে টিকেট গ্রহণ করলাম। উদ্দেশ্য একটাই ১৫ই জানুয়ারী ২০২২ মহাসম্মেলন সাফল্যমন্ডিত করা এবং টিকেট সবার কাছে পৌছে দেওয়া।
বাবা যখন যুদ্ধ করতে মাঠে চলে যেত তখন আমাদের বাড়ি মহিলাদেরকে মাটিতে গর্ত করে উপরে কাঠ দিয়ে রেখে যেত। হঠাৎ একদিন পাক সেনারা হিন্দুপাড়ায় হামলা করে তখন অনেক হিন্দু মহিলারা প্রেগ্যানেট ছিল তারা দৌড
নাটোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি
আমি যেন আমার মাঝে নেই,এক ঝড়ে পুরো দূনিয়াটা উলট পালট হয়ে গেল,সব হারিয়ে শূন্যতে চলে এলাম,৯/১০ মাস কি করছি না করছি কিছুই বুজলাম না, পুল ডিপ্রেশনে চলে যাই,আমার আপু ডাক্তার দেখিয়ে কিছুটা সুস্থ করে,২ বছর কা
অনেক বড়ো একটা নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে ৩) সাহস করে একটা ব্যবসা শুরু করেছি ৪) দেশে এবং দেশের বাইরে পরিচিতি পেয়েছি ৫) দশজন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি ৬) রাস্তায় দাড়িয়ে পন্য বেচাক
অবশ্যই সবার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া। সততা ও কমিটমেন্ট রক্ষা করা। মা,বাবার সেবা যত্ন করা।পরিবার,সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করা।জীবনের সবক্ষেত্রে পজিটিভ থাকা। নিজে ভালো থাকা ও অন্যকে ভালো রাখা। জীবনে অন্ত
ট দশকের কথা,, আমার দাদার ছিল তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় চাচা, ফুপু ও মেজ চাচার পর জন্ম হয় বাবার। বাবার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন হঠাৎ জর হয়ে আমার দাদী মারা যায়। তখন বড় চাচার (১২) ফুপুর (৮) এবং মেজ চাচার (৫) ব
প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে প্রিয় স্যারের শিক্ষা ও সাহস নিয়ে আমার ইচ্ছা ও বাবার স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিয়ে ছোট করে গরুর ফার্মের কাজ শুরু করেছি এখন পরিপূর্ণ করার পালা,,, ভবিষ্যৎ এ বড় করার পরিকল্পনা আছে।যেন দু
“নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
কি ভাবছেন? ভাবছেন আমি তো বড় রাজনৈতিক নেতা না, আমি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কিভাবে সামাজিক কাজ করব,, কিভাবে দেশের জন্য কাজ করবো। সেটাও আমাদের স্যার দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় রাজনৈতিক নেতা না হয়েও সম
আমরা প্রায় সব পরিবারে দেখি বাবা মা মেজ সন্তানকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তাই মগ্ন থাকে। কারণ মেজ সন্তান কেমন জানি সবার থেকে একটু আলাদা হয়। তারা একটু গাড় টেরা স্বভাবের হয়। অনেক বেশি স্বাধীনচেতা, একটু একগুঁ
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ এবং ২০০০ তম দিন উৎযাপনকে কেন্দ্র করে বিশেষ আলোচনা।
আজকের কর্মসূচি সফল ভাবে সম্পূর্ন হলো। যারা পুরো কার্যক্রমটি সফল করতে স-শরীরে উপস্থিত থেকেছেন। এবং কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। তাদের প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন।
স্যার বলেছেন বেকার বসে না থেকে স্কুল জীবননথেকে শুরু করতে। লেখা পড়া অবস্থায় শুরু করতে যাতে করে লেখা পড়া শেষ করার পর আপনাকে বসে না থাকতে হয়।
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কতৃক আয়োজিত "ধানমন্ডি জোনের আপুদের চা আড্ডা ও পন্য প্রদর্শনী"। প্রতিনিয়ত ব্যতিক্রম কিছু আয়োজনের শুভ সুচনা করে থাকেন ধানমন্ডি জোন।
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি Sagar Banik দাদাকে, যিনি অনেক কষ্ট করে ঢাকা থেকে এসেছিলেন আমাদের পাবনা জেলায় আমাদের সঙ্গে মিটাপে যুক্ত হওয়ার জন্য।
টাকা ছাড়া, তদবির ছাড়া, নিজের যোগ্যতা বলে একটা সরকারি চাকরি পেয়ে গেলাম- এটা সম্ভব,,,,,,,, এটা আমার জীবনে বড় ধরনের মিরাক্কেল আমি বিশ্বাস করি এটা শুধুই আমার মায়ের দোয়া আমার মায়ের দোয়া ভালোবাসার হ
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তদান করতে পারবেন না - রক্তদানের সময় সুগার লেভেল নরমাল থাকে (সাধারন লেভেল সুগার লেভেল ৭ mmol/L নরমাল হয়) - রক্তদাতা যদি ইনসুলিন গ্রহন করে না - রক্তদাতা যদি শারীরিকভাবে শক্তি
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আমার অবস্থা ঠিক এমন হয়ে গেছে। এমনো অনেক কথা শুনতে হয়, যে বাবা মাকে মুক্তি দাও। তোমরা তিন বোন, তোমার বিয়ের বয়স হয়ে যাচ্ছে, আর আমি সব সময় বলি পরিবারকে আমার কিছু আসে যায় না, সব মেনে নিয়েছি, সব মানবো কিন্
এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর দেখলাম যে শুধু আমি না, আমার মত অনেক নারী আছে যাঁরা আমার মত স্বপ্নহারা,দিশেহারা। কিন্তু এ পরিবারের সাথে যুক্ত হবার পর অনেকে তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলছে, তবে আমি কেন পার
A platform of 'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) is empowering youths by connecting inspiring tales from different corners of Bangladesh. NBMEGF has inspired 100 thousand entrepreneur
আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার সাথে যারা আসছে তারা সবাই চলে গিয়েছি আমি শুধু একা বসে আছি বাহারাইন বিমান বন্ধরের বারান্দায়। এ দিকে ক্ষিধায় পেট চুচু করছে, বাড়িতে জানানোর পর ৬ ঘন্টা পর এক জন এসে আমাকে নিয়ে গ
আস্তে আস্তে চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে আপাতত ছোট খাটো বিজনেস করি, তারপর আস্তে আস্তে বড় হবো, এরকম মাথায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি মনে মনে, , এই চিন্তা টা মাথায় আসার কারণ
২০১৯-২০-২১ সালে ৩৫০ টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন তা প্রতিটি উপজেলায় সমভাবে বন্টন করা হয়। 🔘২০২১ সালে বন্যার মধ্যে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা দেওয়া হয়। 🔘১০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে দ
আমার ফোন নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারনে ৫ দিন গ্রুপে থাকতে পারিনি।এই সময়টা আমার কাছে মনে হয়েছে যে আমি কোথায় যেন ছন্নতা হারিয়ে ফেলছি। এই গ্রুপটা হলো এমন একটা গ্রুপ যেখানে স্যারের সেশন ও প্রতিটা মানুষের পজিটিভ
আমরা বাবুল ভাই এর পরিবারের সন্ধান পেয়েছি যিনি দীর্ঘ নয় মাস যাবত সৌদি আরবে রিয়াদে তারিক আল খারিজে রাবিয়া হসপিটালে কাতরাচ্ছেন। ধন্যবাদ জানায় নাই "নিজের বলার মত একটা গল্প" রিয়াদ টীমের চার জন সদস্য......
আমি 2014 সালে অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয় বদরগঞ্জে প্রতিবন্ধি বাচ্চাদের শিক্ষা সেবা দিয়ে আসছি। সেই স্কুলে আমি প্রথম শিক্ষিকা। তখন রেলের প্ররিতাক্ত বিল্ডিং এ একটা রুমে স্কুল টা শুরু হয়েছিল। এখন
মানুষের জীবনে এক বা একাধিক অনুপ্ররনা থাকে। আমার ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম নয়।আজ আমার জীবনে অন্যতম অনুপ্রেরণা, আমার বেচে থাকবার অনন্য উপাদান সম্পর্কে বলছি। তিনি আর কেউ নন আমার স্বামী। আমার অর্ধাঙ্গ। এই মা
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল
আমি তখন সাভার ইপিজেড এ একটা কোরিয়ান গার্মেন্টসে কাজ করি, আমার কোম্পানির নাম A- ONE BD lTD.একদিন কোম্পানির ছুটির দিন আমি, আমার বোনের বাসায় যাই । ওটা ছিল, তেজগাঁও, ঢাকা। পিছন হতে আমাকে এক ভদ্রলোক ইংরেজি
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আছে প্রবাসীদের মর্যাদা আছে ভালোবাসা আছে তাদের জন্য চিন্তা। এখানে প্রবাসীদের বলা হয় দেশের অক্সিজেন।
আলহামদুলিল্লাহ ইতিমধ্যেই আমি কৃষি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি । একজন কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিরাপদ খাদ্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই । আমি এগ্রো ফোরামের সদস্য হয়েছি। এবার একটা ভিশন ও মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
আপনি বিজনেস করছেন বলবেন না কেন এটা তো ভালো। ঈদের পর আমাকে আপনার গ্রুপে এড করে দিবেন এবং আমি আমার দেশের পণ্য (টাঙ্গাইল) নিয়ে কাজ করবো হেল্প করবেন কিন্তু আমি কিন্তু এতো কিছু বুঝি না।আপনাদের গ্রুপে এড দি