আজ ছিলো মহাসম্মেল ৫ প্রতিষ্ঠাবাষিক এর প্রস্তুতি মিটআপ, আয়োজনে ছিলো মিরপুর জোন শাহাআলী থানা এবং দারুসসালাম থানা।
২০১৯ সালে আমি আবার মাটিরাংগা ফিরে আসি। এখানে অনেকেই বাঁশ ও প্লাস্টিকের বেতির দ্বারা মোড়া বানায়,যা ব্যাপারি এসে কিনে নিয়ে যায়। আমিও এই কাজ টা পারি সেই ক্লাস সেভেন থেকে। আমিও বানাতাম মায়ের সাহায্য নিয়ে
৯৫০ তম দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে গুলশান জোনের পক্ষ থেকে গুলশান জোনের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চমৎকারভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের জন্মদিনে ময়মনসিংহের আয়োজন। তারিখ : 29/5/20 এখানে কোন নামি-দামি ব্যাক্তি ছিলো না! ক্ষুধা দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেয়ার
টিকিট লাগবে? টিকিট? কিভাবে সহজে টিকিট পেতে পারেন সেটা নিয়েই কথা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা মিটাপে।
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
দেশের প্রতি ভালোবাসা আমার জন্ম থেকেই। আমি আমার রাজশাহী কে বড় ভালোবাসি । তাই রাজশাহীর মেয়ে হিসেবে রাজশাহী সিল্ক এর প্রসারে রাজশাহী সিল্ক নিয়ে আমার উদ্যোগ শুরু করলাম।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর নির্দেশনায় মিরপুর জোন এর পক্ষ থেকে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার হয় অাজ। সকল কে বিজয় দিবস এর শুভেচ্ছা। ম
শুরুতে কৃতজ্ঞতা জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে, স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন
বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যবসা চলছে বেকারদের নিয়ে।। নামে বেনামে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে লোভ দেখিয়ে প্রতিনিয়ত বেকারদের নিকট থেকে আত্মসাৎ করছে বিশাল অংকের অর্থ। আবার এম
বাবা মায়ের একমাএ সন্তান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে আমাকে ঘরে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি পড়াশোনায় ছিলাম খুব ভালো। জীবনে কখনো ফেল করিনি। এস.এস.সি দিয়েছিলাম পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে পাবলিক স্কুল থেকে। যেহেতু পড়ালেখায়
সারাদিন ব্যাস্ত ছিলাম আমার Shopping Network শপিং নেটওয়ার্ক এর স্টলে, কিন্তুু মন পড়ে ছিলো প্রোগ্রামে, বার বার শুধু মনে হচ্ছিলো স্টল দিয়ে ভূল করেছি এত সুন্দর একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে ভিতরে আর আমি বেচা বিক্র
ইকবাল বাহার স্যারের নির্দেশে " দিনে আনে দিনে খায় " খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির ফেনী জেলার চতুর্থ ধাপের কার্যক্র
থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গি
ফেনী সদর উপজেলা পক্ষ থেকে হঠাৎ মিটআপ আয়োজন। আমাদের সাথে দায়িত্বশীল ও 24 তম ব্যাচের আপুরা উপস্থিত আছেন।
হঠাৎ করে একদিন চোখে পড়ে প্রিয় স্যারের একটা ভিডিও। দেখে অনেক ভালো লাগলো। তার পর প্রায় সময় এরকম অনেক ভিডিও আসত। তখন একাধারে সব গুলো ভিডিও দেখতে থাকি । কিন্তু আমি ফেসবুক এত বেশি চালাতাম না।
প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে প্রিয় স্যারের শিক্ষা ও সাহস নিয়ে আমার ইচ্ছা ও বাবার স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিয়ে ছোট করে গরুর ফার্মের কাজ শুরু করেছি এখন পরিপূর্ণ করার পালা,,, ভবিষ্যৎ এ বড় করার পরিকল্পনা আছে।যেন দু
কিছুদিন আগে এক প্রবাসী ভাইয়া মেসেজ দিলো রাত ১২ টার দিকে।আমি তখনও ঘুমায়নি।উনি সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলো কেমন আছি।আমি মেসেজ সিন করে চুপ করে আছি।ভাবছি সকালে রিপ্লাই দিব।এতো রাতে দিব না।একটু পরেই আরেকটা মেস
ছেলেটি বার বার টাকা চেয়েই যাচ্ছে। আমি চুপ চাপ বসে রইলাম। কথা বলছিলাম না। ভিক্টোরিয়া মোড়ে ম্যাপ অনুযায়ী আমার নেমে যাওয়ার কথা আমি ভিক্টোরিয়া মোড়ে চলে এসেছি। কিন্তু ড্রাইভার গাড়ি স্লো করছিলো না বার বার
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে তাই এ দিনটি ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পরাজিত হয়।
ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন কর্মশালার মধ্যে অন্যতম একটি কর্মশালা হচ্ছে লেখার চর্চা করা যার নাম করন করা হয় স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে নামে। স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে কি? উ:- প্রতিদিনের লেখা যে স্ট্যাটাস আকারে আমরা
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল
এ যেন একখন্ড ভালো মানুষের দেশ।যেখানে সবাই সবার জন্য, সবার পাশে সবাই,নেই কোন ভেদাভেদ, কে বড় কে ছোট তা নিয়ে নেই কোন মতামত। ধনী গরীবের কোন আলাদা স্থান নেই।সবাই যেন একই বন্ধনে একটা সুখী পরিবার। এখন বলি
তা এখনো অবাস্তব আমাদের দেশে। এটা কখনো বাস্তব হওয়ার নয়। কেননা আমার দেশের মানুষ যদি এই বিষয়টা নিয়ে একটু কাজ করত তাহলে হয়তো আমার দেশের মানুষেরা এই দেশ ছেড়ে প্রবাসে যেত না বা তাদের নিজ নিজ দেশে তারা কর্মস
মিটআপে অংশগ্রহণকারী স্পন্সর উদ্যোক্তারা ও সদস্যরা তাদের উদ্যোক্তা জীবনের গল্পগুলি সবার সাথে শেয়ার করেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। অতিথিবৃন্দরা বক্তব্যে, তরুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান করেন এবং
যখন হসপিটালে যেতাম নার্সদের ডাক্তারদের দেখতাম তখন আমার মনে হতো আমিও যদি লেখাপড়া কন্টিনিউ করতাম তাহলে আমিও ডাক্তার হতাম,তখনতো শুধু ডাক্তার হওয়ার চিন্তা মাথায় থাকতো, মাঝে মাঝে নার্সদের সাথে কথা বলতাম...
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
আমারও ডেঙ্গু হয় । তিন তিনবার ডেঙ্গুর টেস্ট করার মধ্যে দুইবার ই নেগেটিভ আসে। অর্থাৎ রিপোর্টে ভুল আসে কিন্তু আমি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ি। বিছানার প্রায় এক মাসের মত ছিলাম। ভেবেছিলাম আমি বাঁচবো না। কিন্তু
ভাই এতো সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলত যে, সব সময় মনে হতো ভাইয়ের কথাগুলোই শুনি। সত্যি বলতে আমার এই একুশ বছরের জীবনে ইমরান ভাইয়ের মতো কোন মানুষ আমি দেখিনি। যদি একজন আদর্শ মানুষের উদাহরণ দেয়া যায় তবে আমার
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। শুধু ছোট দুটি বাচ্চাদের কথা ভেবে।যদি আমি মরে যায় ওরা এত ছোট যে মার আদর থে
এখন আর আগের মত বাড়িতে টাকা পাঠাইতে পারিনা। কারন এমন ও মাস যায় নিজের খাবারের টাকাও পাইনা মাস শেষে, বাড়িতে বলি সমস্যা কিন্তু পরিবারকে কিছুতেই বিশ্বাস করাতে সক্ষম হইনা। কারন ঐযে প্রথমে অনেক টাকা পাঠাতাম
জীবনে চলার পথে বহু ভুল ভ্রান্তি, সিদ্ধান্তহীনতা, অপরাধ অনেক কিছুই করে ফেলেছি। অনেক ক্ষতি করেছি। ধিক্কার, বঞ্চনা, অপমানিত সবই হয়েছি। একটা সময় গেছে মনে হয় যেন বন্দিজীবন কাটিয়েছি। অভাব-অনটন অনুভব করে
প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে বলব প্রিয় স্যারের নির্দেশনা মেনে সবাই গাছ লাগাবেন এতে করে আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য সুন্দর বজায় থাকবে গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই সেজন্য আমাদের প্রচুর গাছ লাগানো উচিত
জীবনের গল্প সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা পূর্ণতা অফুরন্ত সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়েই আমাদের জীবনকে মহান আল্লাহ-তাআলা প্রতিটা
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
আলহামদুলিল্লাহ কিছুক্ষণ পরে এমন এক ঘটনা ঘটল যা আমিনা আমার সাথে যারা আছে এখানে তারাও কখনো কল্পনা করতে পারে নাই, এরকম হতে পারে। হঠাৎ করে গাড়ি থেকে নামল একজন অসম্ভব ভদ্রলোক, প্রথমে আমার চোখ পরল আমি তো এ
বর্তমানে আমরা যেই পরিমাণ শ্রম ব্যয় করি সেই পরিমাণ কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি না। অলসতার দরুন কিংবা অপারগতা বশত। আর যা গ্রহণ করি তাও ভেজালে ভরপুর। যার ফলে দিনদিন নিজেরা হচ্ছি দূর্বল এবং সন্তানরাও
উত্তরা জোনের আয়োজনে উদ্দোক্তা বেসিক ট্রেনিং দ্বায়িত্বশীলদের সাথে টিকিট সেলিং প্রোগ্রাম এবং নৈশভোজের আড্ডা। আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের উত্তরা জোনে দায়িত্বশীলদের নিয়ে গু
যেদিন সৌদি আসার পূর্বে বেগ গুছাই। সাথে গল্পের বই এবং খাতা কলম সহ বেগ গুছিয়েছিলাম আমার বড় বোন আমাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি কি স্কুলে পড়তে যাবি। তখন আমার বোনকে বলেছিলাম দোলনা থেকে কবর পযর্ন্ত শিক্ষা
ছোট থেকেই মানুষদের কোনও কষ্ট দেখলে আমার ভাল লাগতো না।সাধ্য মতো চেষ্টা করতাম মানুষদের উপকার করার।এ সময় জুটের এবং পুকুরে মাছের খামার করতাম।মাছের খামারে আমার তেমন লাভ হতো না কারন বেশির ভাগ মাছ যাদের কিনে
স্যারের দেওয়া সেশনে অনুপ্রানিত হয়ে আজ প্রথম একটা রোগীকে রক্ত দিলাম।রোগী আমাকে চেনে না আমিও রোগীকে চিনিনা।আল্লাহ উওম পরিকল্পনা কারী। আমি আজহারুল ইসলাম ব্যাচ নাং ঃ ১৭
জীবন যদি রংধনু হয়, তবে তুমি হলে তার রঙের বাহার, জীবনে যদি নামে আঁধার, তুমি হয়ে উঠো তার আশার আলো।
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
একজন মানুষ সফল হতে হলে তার জীবনে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন প্রত্যেকটি ধাপই #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন এর মধ্যে আছে।
১৪/ বাংলাদেশের এই প্রথমবারের মতো সপ্তাহিক অনলাইন হাট, এটাই হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবেন। ১৫/ মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,, নাজনিন আপু কাজিন আপু এক সাথে বলে উঠলো মনির ভাই থামেন থাম
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
গত দুমাস ধরে সম্মেলন এর ব্যাপারে বেপক উৎসাহ আর উদ্দিপনায় আমার কুমিল্লার জেলার ভাইদের ও মতিঝিল টিমের ভাইদের সাথে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতেছিলাম। এবং ডিসেম্বর এর ১১ তারিখ কুমিল্লা মিটআপে সম্মেলন কি ভাবে
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
সুখ নাকি বেশি দিন স্থায়ী হয় না,এমন টা মুরুব্বীরা বলেন,2013 তে আমার কোল জুড়ে আসলো আমার রাজকন্যা,তার পৃথিবীতে আগমনের পর আমার এত ভাল জব ছেড়ে দিলাম ,আমার মনে হয়েছিল মেয়েকে দেখাশোনা করা আমার দায়িত্ব