স্যার এর সন্ধান পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমার আর অন্য কোন মটিভিশনাল ভিডিও দেখার দরকার হয়নি। স্যার আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন এক জাদুর ঝুরি যেখানে আপনি যা চান তাই পাবেন। কি নেই এই জাদুর ঝুরি, নিজের বলা
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমি ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা পাচ্ছি,এই প্লাটফর্ম আমাকে শূন্য থেকে কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায় সেই শিক্ষা পাচ্ছি,লক্ষ লক্ষ ভালো মানুষের একটি পরিবার পেয়েছি।
স্যারের সবগুলো উক্তি আমার ভিষণ ভালো লেগেছে। স্যার একটা সেশনে বলেছেন আমরা কেন অন্যের মত করে বড় হতে চাইব। একদম সঠিক কথা বলেছেন। আমি আমার মত করে বড় হতে চাই।
একদিন বাবা বললেন, এই দিকে আয়, হালচাষ কিভাবে করতে হয়, শিখিয়ে দেই। বাবা শিখালেন গরু সোজা চলার জন্য কি বলতে হয়, বাঁক ঘুরতে কি বলতে হয়। কি সাবধানতা, গরু পায়ের দিকে লাঙ্গল যাতে কোন ভাবে না লাগে। এই হলো..
এটা শুধু আমার টাইম ছিল যে আমি সন্ধ্যার সময় খাবার খাই, কিন্তু আমার আর ভাইদের তাদের টাইম কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল, কেউ দশটা বাজে কেউ বারোটা বাজে খাবে কেউ তিনটা বাজে খাবে, যে যে সময়ে খাবার চাইতো সেই সময় র
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
পৃথিবীতে মায়ের আশির্বাদ বড় আশির্বাদ, মাকে বলেছি আমি আমার জিবনের গল্প লিখেছি। মা বাহবা দিতেছে আমাকে, এত বড় হয়েও পড়াশোনা করতেছি।শিখার কোন শেষ নাই,জানার কোন শেষ নাই।
প্রিয় ফাউন্ডেশন আসতে পেরে অনেক গর্বিত আমি। কেননা স্কুল কলেজ থেকে যে শিক্ষা না পেয়েছি। তার থেকে বেশি শিক্ষা নিতে পেরেছি আমি এই ফাউন্ডেশন থেকে। স্যার আমাদের কে শিখিয়েছে কি করে ভালো মানুষ হতে হয়....
সব সময় স্বপ্ন দেখতাম আমি একটা সরকারি চাকরি করব। আমি একজন শিক্ষক হব।আমি কখনও ভাবিনি একজন উদ্যোক্তা হব।ছোট বেলা থেকেই অনেক আঁকার আঁকি করতাম।ভালোবাসার একটা জিনিস ছিল। কাঁথা না আঁকলেও খাতায় এঁকে মনের ভাব
প্রিয় স্যার থেকে শিখছি কিভাবে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়,, আমরা সবাই সমান মানুষ সমান ক্ষমতার অধিকারী,, আমাদের দ্বারা জগতে সকল কঠিন কাজে সফল হওয়া সম্ভব যদি আমরা তা নিজে বিশ্বাস করি,,এই আত্মবিশ্ব
আমি এখন অনেক সপ্ন দেখি, এই গ্রুপে যুক্ত হবার পর স্যারের প্রত্যেকটা সেশান আর স্যারের প্রত্যেকটা দিক নির্দেশনা আজ আমাকে আরো সাফ্যলের সিঁড়ি দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । আমার
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা টিমের "ঈদ পূর্ণমিলনী ও মিটআপ" অনুষ্ঠান।
আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১০০ জন অসহায় নারীর কর্ম সহস্থান করতে পারি দেশ ও সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারি।
প্রিয় স্যারের দেওয়া গাইড লাইন নিয়ে প্রতিনিয়ত চেষ্ঠা করে যাচ্ছি। নিজের একটা অবস্থান তৈরি করতে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। স্যার প্রায়ই একটা কথা বলেন সবাই হয়তো উদ্যোগতা হবে না। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি
সম্পর্কে এমন একটা জিনিস আপনকে ও পর করে দেই টাকার জন্য আজ ভাইয়ে ভাইয়ে সুত্র । তাই আমরা কেউ টাকা দিয়া সম্পর্ক না করি সত পথে চলি সত উপাজন করি তাহলে আল্লাহ রহমতে আমরা ভালো বাবে চলতে পারবো সমাজে বুকফুলি কথ
"আমি একজন কেক আর্টিস্ট" এটা বলতে খু্ব গর্ব বোধ করি এখন। আমার স্বপ্ন --বিশাল বড় একটা কেক পার্লার হবে আমার এবং পাশাপাশি আমার মতো শত-শত গৃহিনীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর জন্য একটা ট্রেনিং সেন্টার করবো ।
গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে যখন HSC পাশ করে ভার্সিটি ভর্তির জন্য বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছি। সেই সুবাদে পরিচিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ খান নামের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে। এক
ময়মনসিংহ জেলার সকল দায়িত্বশীল এবং সম্মানিত আজীবন মেম্বারদের মিট আপে উপস্থিত হয়ে মিট আপ সফল করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
এটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে বড় অর্জন। কারন আমি খুবি সাধারণ স্বভাবের একজন মানুষ। গ্রামের আট দশ জন মানুষের মতো আমাকে কেউ চিন্ত না জানতো না ।সবার সাথে সহজে মিশতে পারতাম না।
চমৎকার অফলাইন মিট-আপ করে আজ ঢাকার সেরা জোনে ভূষিত হলেন আলহামদুলিল্লাহ্। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন আমাদের ফাউন্ডেশনের রুপকার জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
--আজ আমি........ আমার সোনালী সময় হারাতে হলো। দিশেহারা হয়ে পরলাম! পরিবারের একটু ভালোর জন্য একটু বেশি টাকা ইনকাম করার লক্ষ্যে প্রবাস জীবন বেছে নিতে হলো। জীবন সংগ্রাম এর সাথে এবং ভলো কোন ক্যারিয়ার লক
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশনের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
কি করবো বুঝতে পারছিলাম না কিছুই।কি হচ্ছে এসব আমার সাথে।হ্যালুসেলেশন হচ্ছে কি আমার সাথে?চোখের সাথে প্রিয় স্যার কথা বলছেন মাইক হাতে,পিছনে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর বিশাল ব্যানার।সবকিছুই হচ্ছে
যখন চলতে চলতে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবেন, নিজেকে খুব অসহায় মনে হবে, এই বুঝি আমি হেরে গেলাম, আমাকে দিয়ে আর কিছু হবে না, আপনার এ নেগেটিভ চিন্তাধারই আপনার জন্য বড় বাধা হয়ে দাড়াবে। সহজ কাজকে তখন অনেক কঠিন মনে হ
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
Iqbal Bahar is teaching his 20th batch now with an exceptional record of around 1800 days of consecutive workshops for free on entrepreneurship, previously unseen in Bangladesh. He has been awarded fo
Top Choice BD এর মার্কেটিং ডিরেক্টর Saiful Islam Bhuiyan Sohel ভাইয়ের কল পেয়ে ঘুম ভাঙ্গল। সহেল ভাইঃ ভাই কি হাটে গিয়েছেন?আমি যাইতে দেরী হবে। আমার শালা ডুবাই থেকে আমার জন্য iphone 12 নিয়ে আসছে।
তারা আমাকে তাদের রুমে সকালে দাওয়াত করে নিলো আমি আর আমার বন্ধু মিলে যায় কিছু সময় দেয় তাদের সাথে কথা বলি।এখন হিসাব নিকাশ ভাইয়েরা বললো আমাকে ভাই কত খরচ করেছেন বলেন । আমি আমার মত হিসাব দেয় । তারা হ
নিজেকে ভালো রাখতে এবং অন্যকে খুশি রাখতে যুক্ত হয়েছিলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের সাথে,,, দিনের আলো আর রাতের অন্ধকার যেমন সত্যি,,,,, নিজেকে সুখে এবং অন্যকে খুশি রেখেছে এই ব্যাক্তি,,,,, জীবনের সব
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
অাজ থেকে প্রায় এক বছর অাগে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর দেখা মিলে তখন থেকে সারের প্রতিটি সেশন, ভিডিও ক্লাস, ইউটিভি লাইভের সাক্ষাৎকার এইসব ফলো করে অনুপ্রেরণা পায়।বর্তমানে একজন সফল উদ্ধেক্তা হও
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মিটআপে গতকাল অংশগ্রহণ করেছিলাম। তারা পাবনা জেলার মধ্যে দ্বিতীয়তে মিটআপ আয়োজন করলো। এবং এটা চাটমোহর উপজেলার প্রথম মিটআপ। অসংখ্য ধন্যবাদ চাটমোহর উপজেলার সকল সদস্যবৃন্দকে ও উপজেল
যেগুলো সত্যি আমাকে মুগ্ধ করছে।আমি যদি আরো আগে এই ভালো মানুষের পরিবারে আসতে পারতাম হয়তো আরো ভালো কিছু করতে পারতাম।স্যারের এক একটা সেশন আমাদের কে নতুন করে বিজনেস আইডিয়া,, ভালো মানুষ হওয়া,,,,
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
আলহামদুলিল্লাহ আজ ০৪/১২/২০২২ ইং, রোজ: রবিবার.... ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির
অভয়নগর উপজেলা একটি মডেল উপজেলা। এই উপজেলা কে মডেল মেনেই অন্যান্য উপজেলা এগিয়ে যাবে
নাগরিক টিভি শো Live with a Purpose এ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
তখন আমার মনে একটা জিধ আসলো আমাকে টপ টুয়েন্টিতে লড়তে হবে আমাকে যিততে হবে, তার একটা মাত্র কারণ আমাদের 👉 NRB লেবানন টিমের কান্ট্রি অ্যাম্বাস্যাডার নাজমুস সাকিব পারভেজ ভাই আমাদের টিমের সকল সদস
একজন নারীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় অনেক কঠিন। চাকরি খেকে উদ্যোক্তা জীবন। বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর সংসার সব স্থান ই পরাধিনতা। একজন নারী চাইলে ই পারে না একজন পুরুষের মত উদ্যোক্তা হতে।
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
তখন অনেক ভেঙে পড়ি। মন খারাপ থাকতো। একা একা বসে থাকতাম আর ভাবতাম! কতো স্বপ্ন, কতো আশা সব শেষ! কিছুই করা হলো না আমার!
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
একটি আলোর কণা পেলে লক্ষ প্রদীপ জ্বলে, একটি মানুষ, মানুষ হলে বিশ্বজগৎ টলে... নাম না জানা কবির কবিতার এই অংশটুকু একজন আলোকিত মানুষের স্বরূপ প্রকাশের জন্য যথেষ্ঠ। আলোকিত মানুষগুলি আলো ছড়ান মানুষ থেকে মা
স্যার বলেন "থাকবো না একটা দিনও বেকার" ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার পর দেশে ফিরে বাড়ির ছাদের উপরে মুরগীর ফার্ম করি । স্যার বলেন "হয় জিতবেন না হয় শিক্ষবেন হারবেন না কক্ষনো"। তাই আমার উদ্দেশ্য ছিলো কাজটা