খাগড়াছড়ি জেলায় খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে উদযাপিত হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ১০০০ তম দিন। এই ১০০০ দিনের মধ্যে এক দিনের জন্য ট্রেনিং বন্ধ ছিলোনা। এবং এই ট্রেনিং ছিলো সম্পুর্ণ বিনামূল্যে
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
যেদিন সৌদি আসার পূর্বে বেগ গুছাই। সাথে গল্পের বই এবং খাতা কলম সহ বেগ গুছিয়েছিলাম আমার বড় বোন আমাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি কি স্কুলে পড়তে যাবি। তখন আমার বোনকে বলেছিলাম দোলনা থেকে কবর পযর্ন্ত শিক্ষা
হয়তো, আমাদের মত উনাদের কোন প্লাটফর্ম ছিল না। আমরা পেয়েছি একজন শ্রেষ্ঠ অবিভাবক #ইকবাল_বাহার_জাহিদ স্যার। যিনি প্রতিনিয়ত আমাদের কিছু না কিছু শিক্ষা দিয়ে থাকেন যা আমাদের মনযোগ দিয়ে ধারণ করতে হবে। এখন আ
অত্যন্ত সুন্দর উচ্চমৎকার ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাজবাড়ী পাংশা উেজেলা মিটআপ
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে শেষ হল ওয়ারী জোন কতৃক আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ,, "মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয়না " প্রাণের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুক ধারণ প্রতি নিয়ত
May 18, 2020 · নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ, খুলনা জেলার পক্ষ থেকে ২৫ জন পরিবারের হাতে পৌছে দেওয়া হয়েছে ঈদ উপহার। আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় খুলনা টিম বর
November 10, 2019 · আইলার দশ বছর পর কিছু গাছপালা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মানুষ কোনরকম ভিটেমাটি উঁচু করে যবুথবু ঘর বেঁধে ঠাঁই গোঁজার মতো একটা ঘর তৈরি করেছিলো। গতরাতে আবার তা নিমিশেষেই শেষ হয়ে গেলো
চিন্তা সে কাজ বন্ধুদের সাথে গিয়ে সেনাবাহিনীতে পরীক্ষা দিয়ে প্রথম হলাম এবং ভর্তি হয়ে গেলাম। সেনাবাহিনীর ট্রেনিং যে কি কষ্টের সেটা কাউকে বলে বোঝানো যাবে না।কষ্ট বেশী হলে ভাবতাম পরিবারের কথা ছোট ভাইবোনদ
সফলভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ।
আজ সারা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক এরও বেশি মানুষ গৃহবন্দি।বন্ধ সব ধরনের কর্মকাণ্ড যার বিশাল প্রভাব পড়েছে অসহায় ও নিম্নবিত্ত এবং দিনে আনে দিনে খায় এই মানুষগুলোর উপর।
ফরিদপুর জেলা টিমের রেকর্ড ২০০০তম দিন উৎযাপন
আমাদের সম্পদে কেবল আমাদের অধিকার নেই। কাছের দূরের,চেনা অচেনা অনেকেরই অধিকার আছে।
গোপালগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফিজিক্যাল মিটআপ। সকলের সহযোহীতায় সফলভাবে আমরা প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পেরেছি।
আমার জীবনের হতাশা বঞ্চনার মাঝে সেরা প্রাপ্তি হয়ে আমার জীবনকে স্বপ্নের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " যেখানে শিখবো এবং নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করবো।
১ম অনুধাবন করি আমার কিছু করা প্রয়োজন। তাই ১ম স্টেপ নিলাম শেলাই।যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে আমি শেলাই এর উপর ট্রেনিং নেয়। কিন্তু ঘরে মেশিন না থাকায় তা অসমাপ্ত থেকে যায়। এরপরই আমি বল্কবাটিকের ট্রেনি
আমার বড় চাচা শশুরের বিল্ডিং এর ছাদের জন্য ইট ভেঙে খোয়া বানায় দিয়ে ৮ ম শ্রেণির বই কিনেছিলাম!!! ঐ যে পড়াশোনা শুরু হলো আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি,,,, শুরু হয় আমার পড়ালেখা করার নতুন জীবন যাত্রা,,,
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
কিন্তু হায় ৩ দিন চলে যায়, ৪ দিন চলে যায়, কোন মেসেজ নেই, এদিকে বাসায় কাস্টমার আসে ড্রেস গুলো নিতে চায় আমি দেইনা,বলি এগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এতগুলো ড্রেস এভাবে রেখে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বুঝতেও পারছিনা।
আমার বাবারা দুই ভাই। আমার বাবা ছোট। আর আমার বড় কাকা তখন ছিলো গাজীপুরে। সে তখন গাজীপুরের একটা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তো আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা ও গাজীপুরেই থাকবো। তখন আমরা
আমার এই ছোট জিবনের কিছু না বলা কষ্টের কথা শিয়ার করবো আমি তেমন কোনো শিক্ষিত মানুষ না আমার কপালে হয়তো শিক্ষা ছিলো না আমি একটি গরিব ফ্যামেলির ছেলে আমরা দুই ভাই চার বোন আমার বড় তিন বোন এক ভাই আমি এক
আমার প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে আমি শিখছি প্রতিনিয়ত,আমি জীবনে বার বার ঠকে গিয়েছি বিশ্বাস করে,আমার সরলতার জন্য।কিন্তু আমার প্রিয় স্যার জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি কথাই আমি শিখতে পেরেছি নতুন কিছু,
অনেক নতুন ভাই - বোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সর্বোপরি সবাই মিলে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যোক্তা মহা সম্মেলন ২০২৩ উপলক্ষে মনোহরদী উপজেলা মিটআপ ও টিকেট মেলা। উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী সদর এম্বাসেডর রায়নুর রায়হানুর রহমান ভাইয়
ছোট বেলা থেকে ই স্বপ্নে দেখছি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করবো। দেশে ও জাতীয় উন্নয়নে আমার শিক্ষা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবায় কাজ করবো। তার জন্য ছাত্র জীবনে অনেক অরাজনৈতিক সংগঠনও গঠন করে থ
আমার উদ্যোগতা হতে আমাকে যে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে সে হচ্ছে আমার স্ত্রী। আমি হচ্ছি খুব অলস প্রকৃতির মানুষ চাকরি করছি বাকি সময় শুইয়ে বসে কাটিয়ে দি। আমার স্ত্রী সবসময় বলতো চাকরির পাশাপাশি যেন কিছু কর
আলহামদুলিল্লাহ ইতিমধ্যেই আমি কৃষি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি । একজন কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিরাপদ খাদ্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই । আমি এগ্রো ফোরামের সদস্য হয়েছি। এবার একটা ভিশন ও মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
🙏🙏নমস্কার// আদাব শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে স্বরন করছি পরম করুণাময় ঈশ্বর যিনি এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সকল সৃষ্টির মালিক । যার অশেষ কৃপায় সুন্দর এই ধরণীর বুকে এখনো আমরা সুস্থভাবে বেঁচ
সাতক্ষীরা জেলায় আজকে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় মাঝে ত্রান বিতরন কাজ সুস্থভাবে সফল করেছেন সাতক্ষীরা জেলা টিম
শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নিয়ে নতুন বছরের প্রথম আয়োজন আসন্ন ৭ম ফেনী জেলা মিট আপ ও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২৪ জানুয়ারী,শুক্রবার,বিকাল ২.৩০ ঘটিকায়। প্রধান অতিথি : Mohammed Anayet Ullah ( Country Ambass
😭 বাড়িতে কিছু না জানিয়ে চলে আসলাম আমার প্রিয় বাংলাদেশে, দেশে আসার পড়, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না, এক হতাশায় কাটতে লাগলো দিন, আস্তে আস্তে জীবনের মানে বুঝতে পারলাম, কিন্তু অনেক টা লেট হয়ে গেছে,। বিদেশে
এর পর পরিবহনের চাকরি করতে হলো ১ বছর। পরিবহনে চাকরি করতে গিয়ে দেখি অন্য এক জগৎ। আমাকে শিকার করতে হবে। আমার অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। প্রথম মাসে টিকেট কাউন্টারে বসতে হবে। প্রথম সপ্তাহে গেল প্রশিক্
___________তখন আমি বাংলা এপ্যাস ব্যবহার সটিক ভাবে করতে পারছি না। আমি কিন্তু কম্পিউটার ১ বছরের কোর্স করছি টাইপিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর কিন্তু সেসব তো ভুলে গেছি প্যাকটিসের অভাবে।১৪ মিনিট টাইপিং স্প্র
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও নিজেদের মধ্যে পণ্য ক্রয় বিক্রয়, পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয় বাগেরহাট জেলার ফিজিক্যাল মিটাপ।।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, ‘আমার এই সংগঠনের প্রত্যেক উদ্যোক্তা আমার চোখের মণি, প্রত্যেককে আমি নিজ হাতে গড়েছি। তাই গত সাড়ে ৫ বছরে দেশের ব্যবসা সেক্টরের জন্য একেকটি রত্ন হয়ে ওঠা এই ৫ হা
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
হামিদুল্লাহ ভাইয়ার সহযোগিতায় সকল বাধা অতিক্রম করে,খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের প্বার্শবর্তী চত্বরে ও রেস্ট হাউজে মোট ২০ টি ওষধি গাছ ও ৭ টি ফুলের গাছ রোপন করা হয়েছে ।
পারস্পারিক সহযোগিতায় বর্তমান বিশ্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দরিদ্র দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অগণিত
নমস্কার - আদাব 🙏🙏 প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, ✍️ ঈশ্বরের নামে শুরু করছি,এবং সকলে মোঙ্গল কামনা অর্থে প্রর্থনা করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি। যার প্রচেষ্টা
এটা শুধু আমার টাইম ছিল যে আমি সন্ধ্যার সময় খাবার খাই, কিন্তু আমার আর ভাইদের তাদের টাইম কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল, কেউ দশটা বাজে কেউ বারোটা বাজে খাবে কেউ তিনটা বাজে খাবে, যে যে সময়ে খাবার চাইতো সেই সময় র
আপনি ইচ্ছা করলেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শীতার্তদের সাহায্যার্থে অামাদের সাথে অংশগ্রহন করতে পারবেন।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে। যিনি এত সুন্দর একটা পরিবার উপহার দিয়েছেন।
শিউলি আপুর জন্য নারিকেল/গুড়ের নাড়ু বানানোর পর ভাইয়ার জন্যেও বানালাম। এবার নারিকেল/চিনি নাড়ু কি ভাবে বানায়🤔 সেই চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু সন্দেশ নাড়ু যাই বলেন পাক কম বেশি আসলে নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট হওয়া...
আসলে আমি জানি যে কষ্ট ছাড়া কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না তাই মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই যাতে জীবনে কিছু একটা করতে পারি। এভাবেই চলছিল লেখাপড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এসএসসি পাস করলাম এই
আমি যেভাবে বলে দিতাম সেই ভাবে করতো আমার থেকো ও দ্রত ।। তখন আমি অনেকগুলু ব্যাগের অর্ডার পেয়েছি ।। আমি অনলাইন সম্পর্কে তেমন বুঝতাম না।। ছোটো ভাইয়া আমাকে আমার নামে একটা পেজ খুলে দিয়েছেন । উনার ইচ্ছা আমার
আমরা তিন(ভাই বন্ধু অথবা সহচর) যে ভাষায় প্রকাশ করিনা কেনো কম বলা হবে চলার পথে ইট কাঠের এই শহরে যে কজন মানুষের মাঝে নিজেকে খুজে পেয়েছি যাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছি সুখ দুংখ হাসি কান্না যে হাত গুলোর সাথে হা
একটা মানুষকে আরেকটা মানুষ বয়ে নিয়ে চলতে পারেনা। প্রয়োজন হয় একটু সাপোর্টের। ফাউন্ডেশনের কাছে আজ এটাই শিখছি। নিজেকে ভালো গুনগুলোকে আরও বিকশিত করবো নিজের ভিতরের দোষগুলোকে দূর করবো। ভালোমানুষের চর্চা কর
মিট আপে অংশগ্রহণ করুন। নিজেকে ও নিজের পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করুন। ফাউন্ডেশনের একে অন্যের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন। আর এভাবেই একে অন্যের সাথে পরিচিত হবার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত