আজকে প্রিয় প্লাটফর্মে ৮১ তম হাটবারে গল্পে গল্পে সেল পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশাকরি সকলের ভালো লাগবে।
আজ ০৫/০৮//২২ তারিখ রোজ শুক্রবার, বিকেল ৩ টায় কলাতলি পয়েন্টে কক্সবাজার জেলা টিম এর মিটআপ এর আয়োজন হয়।
ফেনী জেলার কর্মসূচি দিনে এনে দিনে খায় কর্মসূচি । প্রয়োজনে কম খাবো তবুও ভাগ করে খাব
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
আলহামদুলিল্লাহ ৮ম বার রক্ত দান করলাম,মুমূর্ষু রুগীকে, সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
১৪ ই জানুয়ারি ২০২৩ মহা সম্মেলন কে কেন্দ্র করে আদম্য টাঙ্গাইল জেলার #ঘাটাইল_উপজেলায় চলছে টিকেট সেলিং কার্যক্রম ও ২য় মাসিক মিট আপ। উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার ইবনে সাইম রানা।
জয়পুরহাট জেলার টীম এর সফল ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। উপস্থিত সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল
আজ আমি এখানে এসেছি খুব বেশি দিন হয়েনি এই অল্প সময়ে আমাকে দেখে দুজন বোনও শুরু করেছে এবং আমার কাছে যখন যেভাবে পরামর্শ চেয়েছে আমি তাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি
আমি সবসময় ভাবতাম আমি চাকরি করব না চাকরি দিব। শুরু করুন 9 টা 5 টা ভুলে গিয়ে লেগে থাকুন সফলতা আসবেই।
মাঝে মাঝে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন পড়ে। আর অভিজ্ঞতা এমনি এমনি কেউ অর্জন করতে পারে না।তার জন্য খারাপ পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়।সেটা কিছুটা হতাশা তৈরি করে দেয় তবে তার পেছনে লুকিয়ে থাকে বিরাট একটা অভিজ্ঞতা।
আমি প্রথম প্রথম যখন এক বছর পরপর ঢাকা থেকে বাড়িতে যেতাম এবং বাড়ি থেকে যখন ঢাকায় আসতাম তখন মা একটা কথা বলতো তুই অনেক বরো হবি আর কাদতো আচল দিয়ে সুধু চোখ মুছতো আর বাবার কাছে দোয়া চাইলে সুধু কাদতো । #একটা
স্নাতকোত্তর পাসের পর পরিবার থেকে চাকরির নেয়ার জন্য তাগিদ দিতে লাগলো কারণ বাবা তার সহকর্মী মেয়ে ও তার ছাত্রীকে আমার জন্য পছন্দ করে রেখেছিলেন জার জন্য চাকরি নেওয়ার তাগাদা আমি প্রথমে ঔষধ কোম্পানিতে রিপ্র
তারপর বেকারি হারিয়ে আব্বা একটা মুদি দোকান দিল। যেটা আব্বা নিজে চালাতো। সেটা ২০০০ সালে হবে। ভালোই চলছিল। আমার বড় ভাই তখন ক্লাস সিক্সে পড়ে। হঠাৎ আমার চাচা তার বাড়ি টি বিক্রি করে দিবে। দাদার সম্পদ অন্য ক
Social Awareness Award 2023 Best Mentor of the Year
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
আমার আব্বু খুব ভালোমানুষ এটা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি।আমার আব্বু কখনো চান না উনার সন্তানরা আব্বুর চোখের আড়ালে কোথাও থাকুক। আব্বু সবসময় চান আব্বুর বুকের মাঝে সবাইকে আগলে রাখবেন। আমার ছোট ভাই আজ একটা..
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
সম্মানিত ক্রেতা গ্রুপে আমার পোস্ট গুলো ঘুরে আসুন প্লিজ। সমস্ত কাস্টমার আমার গ্রুপের এবং প্রত্যেকের রিভিউ গুলো দেখলেই বুঝবেন। 👳 ভাই আপনি প্রত্যেককে রিভিউ দিতে অনুরোধ করেছেন তাই পজেটিভ রিভিউ দিয়েছে-
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
একজন উদ্যোক্তার অনেক কিছু সহ্য করতে হয়। তাই আমি প্রতিনিয়ত সহ্য করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, এবং এই চেষ্টা অব্যহত থাকবে। এবং আমার টার্গেট আমার স্বপ্ন, এই টার্গেট আমি কখনোই বন্ধ করতে পারবো না।
নামঃ মোহাম্মদ লিমন ব্যাচঃ ৬ষ্ঠ রেজিঃ ৬৬৪ ব্লাড ঃ( ও+) আলহামদুলিল্লাহ ১১তম ডান । সবাই দোয়া করবেন বেশি বেশি ভাল কাজ করতে পারি মত।
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
২০০৬ থেকেই মনে ভিতর একটা স্বপন লালন করছি চাকরি করবো না ব্যাবসা করবো তবে টাকা ছিলো না আরথিক অবস্থা তেমন ভালো ছিলো না বাড়ী থেকে কেউ সাহস দিতো না যদি লস খাই।
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
প্রিয় বন্ধুগন আমি এই প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই চেস্টা করি যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার এবং শিক্ষনীয় যা কিছু আছে সব কিছু শিখে নিজের জীবনে ধারন করার,
এরপর শুরু হলো নতুন পথ চলা কমিউনিটি ভলান্টিয়ার মানেই আমাদের স্যার বলেন গ্রুপের প্রাণ এবং কমিউনিটি ভলেন্টিয়ারদের স্যার মাঝমাঠের খেলোয়ার বলেও আখ্যায়িত করেন। ভলেন্টিয়ারীকাজ করতে বরাবরই আমার খুবই ভা
আমাদের সাথে যে সকল ভাই বোন রা যুক্ত ছিলেন তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঢাকা থেকে আগত এবং তাদের ছুটি কম থাকায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই আয়োজন করেছি।
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
তারা ছোট থেকেই বিজনেস শুরু করেছিলো , সেই ছোট বিসনেস আকরে ধরে লেগে থাকার কারনে -ধীরে ধীরে একটা সময় গ্রুপ অফ কম্পানির মালিক হয়েছে । বিজনেস করতে কোটি কোটি টাকা প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু কমিটমেন্
আল্লাহ যেন আমাকে একটা নতুন দুনিয়া দান করলেন।এত এত ভালো মানুষ আর এত সুন্দর ব্যবহার আমাকে ভালোবাসায় মগ্ন করে দিল।আহা কি মধুর এক পরিবার।১৬ তম ব্যাচ এর ৯০ দিন শেষ করে এখন আমার উদ্যোক্তা জীবনে প্রবেশ করে
আমি মা বাবার একমাএ ছেলে তাই চুরি করে চলে গেলাম , হইতো বল্লে মা, বাবা যেতে দিবে না ভেবে, একটা চিঠি পৌষ্ট অফিসে, আর একটা চিঠি বালিশের নিচে, **** মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিতে প্রথমে, কলকাতা বেচ ক্যাম্প ---
বিয়ের কিছুদিন পরে জানতে পারি সে আগে একটা বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর একদিনের জন্য চাকরি থেকে বিরতি পেলাম না।
টিকিট লাগবে? টিকিট? কিভাবে সহজে টিকিট পেতে পারেন সেটা নিয়েই কথা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা মিটাপে।
মোটামুটি ১৪ দীন একটানা আমার মায়ের সাথে মক্কা হারাম শরিফ উমরা তওয়াফ ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেয়ারা ও মদীনা মসজীদে নববী রাসুল (সাঃ) এর রওজা মোবাকর ও রাসুল (সাঃ)এবং আবু বকর ওমর ইবেন খাত্তাব (রাঃ) ও ওহুদ
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
অধিকাংশ হিফজখানা ও এতিমখানা রমজানে অধিক দান সাহায্য পেয়ে থাকে। এসব আয় দিয়েই মূলত হিফজখানা ও এতিমখানা চলে। চলতি বছর রমজানে এতিমদের এসব আশ্রয় চালু নেই বললেই
আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্য দিয়ে আমাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে। মাঝে মাঝে আামাদের পরিবারে অভাব নিয়ে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। অনেক খারাপ লগতো। মনে হতো নিজেই নিজের জীবনকে শেষ করে দেই। কারন এর ওর কথা তাছাড়া সংসার
স্বাস্থ্যদানের মাধ্যমে অন্যের প্রযুক্তি করার সুযোগ আজকেও হাত ছাড়া না। তাইতো একজন সিজার করা মাকে❤️ #লাল_ভালোবাসা দান আপনিও এগিয়ে যান
একদিন বাজারে আগুণ লাগে। অনেকগুলো দোকানের সাথে সাথে ওই দোকানটা ও পুড়ে যায়। তারপর দোকানদারের কান্না দেখে খুব মন খারাপ হলো। ভাবলাম কি করা যায়। ওনার সাথে কথা বললাম কদিন পর। উনি আবার শুরু করতে চাচ্ছেন, কিন
ফজলে রাব্বী বাঁধন ৮ম ব্যাচ রেজিঃ৪৩০৪ আলহামদুলিল্লাহ আজ আবার রক্ত দান করলাম
বিভিন্ন জোন এবং উপজেলায় ভালোবাসা বিলায় প্রজেক্ট উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল চলমান রয়েছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।
চমৎকার ভাবে, রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিট আপ সম্পূর্ণ হয়েছে।
বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউঃআমি প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর প্রথম দুমাস গ্রুপে একটিভ ছিলাম না তবে গ্রুপে প্রিয় স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম।প্রতিটি সেশন এর মাধ্যমে স্যার আমাদের স্বপ
সবার প্রতি আহ্বান। আমরা সবাই গাছকে ভালোবাসি। একটি গাছেরও যেন ক্ষতি না করি। জীবনে অন্তত একটি গাছ লাগাই, হোক সেটা ফুলের, ফলের বা ভেষজ গাছ। আপনার পরবর্তীতে যতই এর সেবা গ্রহন হবে ততই আপনার সওয়াব হবে