বাংলাদেশ ৬৪ জেলার মানুষকে একটি জায়গায় একত্রিত করে একটি স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি। হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন আবার দেখতে শুরু করেছি আমরা। সংকল্প করছি নিজেকে বদলে তৈরি করবো বলার মত একটা গল্প।
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
আসোলে ভালোবাসা এমন একটা ব্যাপার যার কোনো কারন থাকে না এটা ভিতর থেকেই হয়ে যায়,, অনেকেই ভাবতে পারে ভালোবাসা প্রকাশ করলেই তা লৌকিকতা,, বাস্তবিক ভাবে তা নয় সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এসব মন থেকেই আসে আর এ
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
জেলা মাসিক মিট আপ......! আলহামদুলিল্লাহ হাটি হাটি পা পা করে নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন জয়পুরহাট জেলার কার্যক্রম
🎆বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, আসসালামুআলাইকুম আমার প্রাণ প্রিয় ভাই ও বোনেরা সবাই কেমন আছেন? শুরুতেই সকল প্রশংসা জ্ঞাপন করছি মহান আল্লাহ পাকের প্রতি, যিনি আমাকে দয়া করে মায়া করে আপনাদের সকলের ভালোবাসার
একটা সুন্দর সাজানো গুছানো জীবন কিছু মাসের মাঝে অগোছালো হয়ে উঠেছিলো।বাবার অনেক চাওয়ার,অনেক আদরের মেয়ে ছিলাম আমি।আম্মু বলে আমি পেটে ছিলাম সময় আব্বু নাকি মানত করেছিলো যেন মেয়ে হয়।সবার বড় মেয়ে আমি।ছোট থেক
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনেক সময় বাবাকে তার নেশা ও দ্বিতীয় বিয়ের কারণে জেলখানায় থাকতে হতো । আমার মা অন্যের বাসায় কাজ করতো।ট্রাক থেকে ইট বালু নামিয়ে আমাকে লালন-পালন করতো ।সেই টাকা দিয়ে বাবাকে জেলখানায় দেখতে যেত। 👉 বাব
Iqbal Bahar Zahid is an entrepreneur and founder of Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation. In an interview with Eresh Omar Jamal of The Daily Star, he talks about his foundation and how it seeks to h
কৃতজ্ঞতা প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি আমাদের কে এত সুন্দর একটি পরিবার উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য।
আমিও ওইখানে এক বছর পরেও টিউশন পাই এখানে প্রথম কাজ ছিলো এটা বেশ ভালই টাকা দিয়ে এইভাবে আট ঘণ্টা সাড়ে নয় ঘণ্টা স্কুলে থাকে ডিউটি করতে হবে। নিজের পড়াশোনা মনে হচ্ছিলো না সবাই ইউনিভার্সিটি ভর্তি স্বপ্ন
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
আমি সাথী ১২ তম ব্যাচ থেকে নিজেকে নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে শিখছি নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন সদস্য হতে পেরে।বুঝতে পেরেছি জীবন মানে যুদ্ধ কত শত মানুষের জীবনের গল্প পড়ছি ও শুনচ্ছি।আল্লাহ পাকের দরবার
সেদিন ছিল শুক্রবার বিকেল বেলা অল্প অল্প ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পরছে আমাদের ফেমেলীর সবাই মিলে Tv তে ছবি দখছিলাম।উনাদের আবার হার্ডয়্যারের ব্যাবসা পাইকারি ও খুচরা। আমার আব্বু উনাদের দোকান থেকে মাল আনতো সেই স
কারণ স্যার আমাদেরকে নৈতিকতা, পরোপকারী, সামাজিক কাজ,ব্যবসায় কিভাবে ভালো করা যায়, উদ্যোক্তা হতে কি কি গুনাবলি লাগে, কিভাবে ফান্ড সংগ্রহ করবো এই সবকিছু প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন কোন রকম বিনা পারিশ্রমিকে য
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন, এই দিনে ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমাদের এই সোনার বাংলা। এই দিনটির অপেক্ষায় আমরা লাখো কোটি জনতা, লাখো ফুল ও হাজার তোরা দিয়ে জানাই তাদের শুভেচ্ছা। ⛳এক সাগর রক্তের
অভাব অনটনের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেলাম ঢাকা শহরে । কাজের জন্য অনেক ঘুড়া ঘুড়ি করলাম । কোন কাজ কাম পেলাম না । বাধ্য হয়ে রাজ মিস্ত্রী এবং রং মিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ নিলাম । এই ভাবে আমার ২ বছর ঢাকা
আমি বাজারে যাইনি কোনো দিন কিন্তু আমি যে দোকান থেকে সদাই-পাতি আনি আমি কিন্তু রেগুলার কাস্টমার সেই সুবাদে তার দোকান থেকে সব কিছুই নেই একদিন কি হলো আমি ভাইয়ার দোকানে গিয়েছিল ভাইয়া কেন যানি আমাকে দেখেও
আমার স্বপ্ন টা আমি দেখেছি ঠিক কিন্তু শুরু করতে ভয় পেয়েছি।তাই শুরু করা হলো না।কিন্তু এই স্লোগান টা দেখে আমার শুরু করার স্পীহা অনেক গুন বেড়ে যায়।আর আমার মত একটা ভিতু মেয়েও সাহস নিয়ে শুরু করে দি। লেগে থা
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের সেশনের ২০০০-তম দিন উৎযাপন হলো আজ।
আমার ছোট্ট বেলা বৈশাখের আমেজ ছিল ভিন্ন।ছোট্ট বেলায় বৈশাখের এক মাস আগে থেকেই বৈশাখের আমেজ শুরু হয়ে যেত। প্রত্যেকদিন গণনা করতাম কবে বৈশাখ আসবে?কি কিনব সে নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলতাম। বাবা- মা কাছে মেলা
কমিটমেন্ট রাখা এবং কাওকে না ঠকানো। 👉মা বাবাকে ভালোবাসা ও আদর, সেবা-যত্ন করা। 👉অসহায় মানুষের পাশে থাকা। 👉সফল না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকা।
মাত্র ৮ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করি আমার ব্যবসায়িক যাত্রা। যা মূলধন রূপে এখন ১২ লক্ষ টাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। আমার ব্যবসায়ের ৮০% সেলই হয় প্রিয় নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে।
০৮/০৩/২০২৩ আজ পবিত্র শবে বরাত। হঠাৎ করে রাতে ফোন আসলো, চার বছরের ছোট বাচ্চার জন্য প্লাটিলেট দরকার। ছুটে গিয়ে ধানমন্ডি থেরাসেনিয়াম হাসপাতালে প্লাটিলেট দান সম্পন্ন করলাম। আলহামদুলিল্লাহ মোট রক্ত ও প্
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে- যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
সফলভাবে সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ। মিটআপ এ সাতক্ষীরা জেলাকে কিভাবে গতিশীল করা যায় এ নিয়ে আলোচনা করলাম
চাকরি না করে নিজে কিছু করব শুনে সবাই বলে এটা সম্ভব না। অনেক টাকার দরকার, আবার একা একটা মেয়ে করতে গেলে সমস্যা হবে ইত্যাদি। যখন স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম মনে মনে সাহস পেতাম। তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে
মানুষের জীবনে দুঃখ-কষ্ট, ব্যাথা-বেদনা, হাসি-কান্না এগুলো থাকবেই, এগুলো জীবনেরই একটা পার্ট। তবে কারো জীবনে কষ্ট একটু বেশি, সুখটা একটু কম,, বা সুখ একটু বেশি কষ্ট একটু কম, আল্লাহ কাউকেই পরিপূর্ণতা দ
আমরা যারা ইতি মধ্যে ভাল মানুষ হতে সক্ষম হয়েছি তাহারা অবশ্যই আমাদের উদ্যোক্তা জীবনেও সফল হবো ইনশাআল্লাহ্। সফল হতে হলে আগে ভাল মানুষ হতে হয়, যা আমরা ইতিমধ্যে হয়েছি। আমাদের জন্য স্যার অনেক বড় একটা নেটওয়
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
আমি নতুন।আমার কাস্টমার কিন্ত নতুন না। আমার কাস্টমার যে কয়েকজন সবাই আমার রিপিট কাস্টমার। আমি এতেই খুশি। আমি প্রচার করতে পারি না লজ্জা লাগে।আমার হয়ে আমার কাস্টমাররাই প্রচার কে দেন।
।নিজেরা ভালো খেতেন আর আশেপাশের মানুষজন, আত্মীয়দের সহযোগিতা করতেন।অসহায় বাবাদের মেয়ে বিয়ে দিতে আটকে গেলে আমার বাবা আর মা মিলেই তাদের সেখান থেকে উদ্ধার হতে সহযোগিতা করতেন।এমন অনেক উদাহরণ আছে আমাদের
প্রতিটি শিশু জন্মের পরে তার মা বাবাকে চিনে না।তাকে শিক্ষা দেয়া হয় এটা তার মা, এটা তার বাবা।কিছুদিন পরেই সে বুঝে নেয় তার মা,বাবাকে।পর্যায়ক্রমে আশে পাশের সব কিছু তার মধ্যে সহজ ব্যাপার হয়ে যায়।এছাড়া জন্ম
সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে নতুন কোন বিজনেস স্যার উক্তি এটির মাধ্যমে মনের নতুন আশা শুরু হয়েছে সমস্যা তো দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তার সাথে বিজনেস আইডিয়া গুলো বেরিয়ে আসতে জানিনা কতদূর সবার সামনে উপস্থাপন
শত শত তরুণ তরুণী আইডল সুপার ম্যান "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। যার কথা শুনে হতাশ হয়ে যাওয়া মানুষ ও অনুপ্রেরণা পেয়ে জীবনের গল্প তৈরী করেছেন।
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
আই সি ইউ তে থাকা একজন মুমূর্ষু বৃদ্ধা মাকে প্রয়োজনীয় এ পজিটিভ রক্তদান ।
ইতিমধ্যে আমার বোন আমাকে বলে যে ভাই অনলাইনে বিজনেস করা যায়, তুমি যদি চাও তাহলে করতে পারো ও আমাকে কিছু নিয়ম শিখিয়ে দিল,আমি সেইভাবে একটা পেজ খুললাম,কিছু সেলার নিলাম, দুই ভাইবোন মিলে কাপড়ের ব্যবসা শুর
আলহামদুলিল্লাহ ঈদ আড্ডায় আমরা #গুলশান_জোনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমাদের সকলের প্রাণ প্রিয় শিক্ষক Iqbal Bahar Zahid স্যারের। উপস্থিত ছিলাম আমি Md Salauddin Jibon গুলশান জোনে অ্যাম্বাসেডর। উপস্থি
তুমি ছাড়া সত্যি আমাদের পৃথিবীটা শুন্য😭😭।আব্বু মারা যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আব্বুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হলাম।রাস্তায় হঠাৎ চাচা চিৎকার দিয়ে উঠলেন,যেই মারা গেছে তো গেছেই এতো কান্না করলে কি
বিয়ের পরে বরের পারিপাশ্বিক অবস্থা চিন্তা করে জীবনের লক্ষ্য পরিবর্তন করতে বাধ্য হলাম। আমার বর বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের নাগরিক। তাই সংসারের কথা মাথায় রেখে, বাংলাদেশে জব সেক্টরে, ক্যারিয়ার গড়া থেকে পিছপা হ
আমার স্কুলের ৩০০ টাকা দিয়ে মা প্রথম একটা বরকি/ ছাগল কিনেন সেই একটা থেকে অনেক ছাগল পালন করতে থাকে আমার মা নিজেই😍🥰মা সেগুলো কে দুইভাগ করতো আমার গুলো বিক্রি করে গরু কিনতো। মা গরু ও ভাগ করে দিতো
আমার সাজানো গুছানো জীবন,বাবা মার মায়া,মমতা আত্মীয় স্বজনের সান্যিধ্য শিক্ষাজীবন,পরিবারের সহায়তা, সামাজিক আত্মসম্মানবোধ সবমিলিয়ে আমার ভুল যেন আমাকে এ অঘোষিত কারাগারে নিক্ষেপ করে।। লোহার অদৃশ্য ডান্ড
আমাদের মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় উওরা জোনের পক্ষ থেকে তুরাগ নদীর তীরে বেদে পরিবারের জন্য শীত বস্র বিতরন সম্পূর্ণ