মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
এছাড়াও আমাদের জেলা এ্যাম্বাসেডর, উপজেলা এ্যাম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সহ আমাদের জেলার সকল সম্মানিত ভাইবোনেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনা মূল্যে ২০০০তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
যেখানেই যাই সেখানেই সুযেগ পেলে তুলে ধরার চেষ্টা করি আমার প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে। এভাবেই একদিন বিশ্বের দরবারে পোক্ত জায়গা করে নিবে আমাদের সবার প্রিয় " নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন।
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
এ গ্রুপ থেকে আমি প্রতি নিয়ত শিখছি নতুন নতুন ব্যবসার টেকনিক। পেয়েছি সাহস, ভালোবাসা। এবং ভলেন্টিয়ার করার দক্ষতা সমাজিক মানবিক সকল ধরনের কার্যক্রম কিভাবে করতে হয় এগুলো শিখেছি সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেল
আমি সততা,কমিটমেন্ট এবং পণ্যের মানের সাথে কখনো কম্পোমাইজ করিনা। স্যারের শিক্ষা থেকে শিখেছি কিভাবে বিনয়ী আচরণ দিয়ে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকা যায়। দিন শেষে কতটা জয়ী হবো তা জানা নেই তবে শেষ অবধি লেগে
আমি দুইদিন আগে আমার অল্প কিছু পন্য ঢাকা পিজি হাসপাতাল থেকে বনশ্রী পাঠানোর জন্য চিন্তিত ছিলাম।কারন আমার মামা ব্যস্ত থাকার জন্য যেতে পারবে না বলছে। পরে চিন্তিত অবস্থায় গ্রুপের কোন ভাই কুরিয়ার ঢাকা কাজ
Top Choice BD এর মার্কেটিং ডিরেক্টর Saiful Islam Bhuiyan Sohel ভাইয়ের কল পেয়ে ঘুম ভাঙ্গল। সহেল ভাইঃ ভাই কি হাটে গিয়েছেন?আমি যাইতে দেরী হবে। আমার শালা ডুবাই থেকে আমার জন্য iphone 12 নিয়ে আসছে।
প্রথমে কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের সামনে এতিম, গরীব, অসহায় ও পথশিশুদের মাঝে প্রায় ১৫০ টি ইফতার বিতরণ করা হয়। তারপর কিশোরগঞ্জ উদ্যোক্তা ক্লাবে সকল সদস্যদের নিয়ে দোয়া এবং ইফতার করা হয়েছে।
প্রিয় স্যারের উপস্থিতি আমরা নোয়াখালী বাসী গর্বিত আনন্দিত।
আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে আম্মা আব্বা দোয়া নিয়ে নিজের প্রতি নিজের আত্নবিশ্বাস রেখে ১৫০০০হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলাম ব্যবসা।আমার ব্যবসা জীবনের প্রথম দিনের ইনকাম ছোাট গাড়ি খরচ বাদ দিয়ে ৪৬৭ টাকা।সেদিনের
ঈদের তৃতীয় দিন চুয়াডাঙ্গা জেলার অফলাইন মিটাআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন করা হয়েছে।অসাধারণ মুহূর্ত কাটিয়েছি আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের সকল সদস্য মিলে।
আমি একটু ব্যাস্ত আছি তুই কি খাবি খেয়ে নেয়। মেয়েঃ আচ্ছা ঠিক আছে।যাচ্ছি।ভালো কথা তোমায় কেমন চিন্তিত মনে হচ্ছে। মাঃহুম চিন্তিত তো বটেই। মেয়েঃ কেন আম্মু কোন সমস্যা হইছে।
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
আমার খুব করুনা হয় সেই সব সন্তাদের জন্য। যাদের বাবা মা থাকতেও ব্রদ্ধাস্রমে ফেলে রেখে আসে। একবার খোঁজও নেয় না। আবার অনেক সুসন্তান আছে যারা রাস্তায় বাবা মাকে ফেলে চলে যায়। তাই বলি দাত থাকতে দাতের মর্ম
নিজের বলার মত একটা গল্প, প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থেকে, মানুষের সেবা করব, আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন ভালো আছি, একটা কোম্পানিতে চাকরি করতেছি, ছোট একটা ব্যবসা করতেছি, সার্ভেয়ার হিসেবে কাজ করতেছি, আমি আরো
প্রিয়ো স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে সপ্ন দেখায় একজন ভালো মানুষ হতে
কোনো কূল কিনারা খুঁজে না পেয়ে নিজেকে আত্মগোপন করার প্রচেষ্টা চালায় । এমতাবস্থায় আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ইনভাইট করে নিজের বলার মতো একটি গল্প গ্রুপের। আমি তার কাছে চির কৃতজ্ঞ। সেই থেকেই আমি আস্তে আস্ত
এভাবে প্রায় তিনমাস কেটে গেছে আমার সেলসের খুবই খারাপ অবস্থা।এর কারনটা ততদিনে আমি বুাঝতে পেরেছিলাম সেখানে ও আমার সাথে দূর্নীতি করা করা হয়েছে।উদাহরণ সরুপ বলাযায় যে,গোস্ত খেয়ে হাড্ডি ফেলে রাখার মত অবস্
ছাই থেকে শুরু করে স্বর্ণ পর্যন্ত,দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস,পাওয়া যাচ্ছে আমাদের অনলাইন হাটে,,আসুন আমরা ক্রয় করে আমাদের প্রয়োজন মেটায়,বিক্রয়দের মনে উৎসহ জায়গায়।,পণ্য কিনে নিজেকে ব্
শুরু হলো সংসার জীবন। পুরো দমে লক্ষী বউয়ের মত সংসার সন্তান সামলাতে ব্যস্ত সারাদিন সংসারের কাজ করি আর মনের মধ্যে লুকাযিত অতৃপ্ত বাসনা ভাবতে থাকি এভাবেই জিবন শেষ হয়ে যাবে আমি সেলাই এর কাজ জানি, ব্লক,ব
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর ও সকল সদস্যদের পরিবার সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়।। সেই সাথে ১০০প্যাকেট ইফতারি বিতরণ করা হয়েছে।। মানবিক ও সামাজিক এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে আসলেই আমরা গভীর ভাবে
এখন আমি অনেক ভালো আছি বাবা! তোমাকে প্রায় ভুলতেই বসেছি। এখন আমাকে আর নামায পড়তে বলে কেউ ‘জ্বালাতন’ করে না। সময়ের খাওয়া সময়ে না খেলে কেউ বকাবকি করে না! কেউ রাত করে বাসায় ফেরার অপরাধে দন্ডাদেশ করেন
এই প্লাটফর্ম থেকে আমি যে সম্মান, স্নেহ, ভালবাসা পেয়েছি।সেটা পৃথিবীর সব সার্টিফিকেট কে হার মানায়। আমি বিশ্বাস করি,এই স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে এর নিয়ম টা নিঃসন্দেহে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি বড় ধাপ।
ইসরাত নিপার ২০০ টাকা পুজি দিয়ে কাজ শুরু করে এখন ৫০০০০ টাকা পুজি হয়েছে
আজ কেন নিজেকে অপরাধী লাগছে সেই ত্যাগী বাবার কথা মনে করে,যে বাবা আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে কখনো ঘুরতে নিয়ে যাইনি। যার উপর রাগ করে আজ বালিশ বিহীন, খাট হীন ঘরে শুয়ে আছি! তাঁর কথা মনে করে কেন বুকটা দুমড়ে
প্রতিহিংসার টর্চার সয্য হচ্ছিলো না। মা ততক্ষণে একটু একটু বুজতে পারেন কিছু একটা মিসটেক হচ্ছে। আমার দুইজন খালা ছিলেন ক্লাশ ফাইভে পরতেন। তাদের কাছে মা খুলে বলেন বিষয় টি। অভিযোগ আকারে স্কুলে জানালে অই স্য
বিয়ের পর সোনার হরিণের মতো সেই চাকরিটা পেয়ে গেলাম ।কিন্তু সন্তানের মুখের হাসি সন্তানের মায়া সবকিছু মনে করে চাকরিটা বিসর্জন দিয়ে,সিদ্ধান্ত নিলাম এমন একটা চাকরি করব যেখানে পুরোটা সময় সন্তানকে জুড
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
কৃতজ্ঞ প্রিয় মেন্টরের প্রতি। আমাদের চমৎকার ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন
সেখানে অল্প টাকা দিত, এতে আমার তেমনএকটা পোষাতো না। কেননা সংসারে অভাব, কিভাবে বেশি টাকা পাব সেই চিন্তা ছিল মনে তাই বেছে নিলাম,,,,,
শিউলি আপুর জন্য নারিকেল/গুড়ের নাড়ু বানানোর পর ভাইয়ার জন্যেও বানালাম। এবার নারিকেল/চিনি নাড়ু কি ভাবে বানায়🤔 সেই চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু সন্দেশ নাড়ু যাই বলেন পাক কম বেশি আসলে নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট হওয়া...
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
এই একই রকম অনেক, কে আমরা প্রতিবন্ধী মানুষ বলেছি। তারা রক্তদান করছে!! আপনি যদি মানবিক কাজ করেন তাহলে আপনার/আমার কি করা উচিত? বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন??? খুঁজে পাওয়া সামর্থ্য স্থায়ী সত্তেও রক্তদান ক
নিজের ফ্যামিলির পাশাপাশি আরো অনেক হতদরিদ্র মানুষের সাহায্য করবো। গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো। বেকার ভাই-বোনদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকেও যেন ভালো রাখতে পা
কলেজটি ১৯৭২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, ১৯৭৩ সালে বি.এ(পাস) কোর্স ও ১৯৯২ সালে স্নাতক শ্রেনী খোলা হয়। ১ জুন ১৯৮৮ তারিখে কলেজটিকে প্রথম এমপিওভুক্ত করা হয়। পটুয়াখালী জেলার প্রতিটি
আমার জীবনের এখন একটাই লখ্য,প্রিয় স্যারের এই প্লাটফর্ম থেকে নিজেকে একজন সফল উদ্দোগতা ও একজন ভালো মানুষ হিসাবে তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।
৭-৮ বার চেষ্টা করেও যখন পারছেন না তখন নিজেকে বলবেন, “আমি তো এখনো শুরু করিনি” -জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। ইন শা আল্লাহ আমি জিতবো।ঘুরে দাড়াবো।বারবার চেষ্টা করবো।তবুও যদি না পারি নিজেকে বলবো আমি
অনেক দেরিতে হলেও আজ আমি সকল জড়তা কাটিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম নিজের পরিচয় দিতে। আমি একজন খাদ্য প্রকৌশলী।বাবুরহাট বাজারের পাশে বাড়ী হওয়ায় ছোট থেকেই সু্প্ত বাসনা ছিল কাপড় ব্যাবসায়ী হব। কারন আমার সাথের ছোট
এবং ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আজকে প্রোগ্রামের সম্মানিত প্রধান অতিথির উপস্থিতি ক্রমে, আমাদের কিশোরগঞ্জের পৌর মেয়র জনাব মাহামুদ পারভেজ।
বাবা মানেই হাটি হাটি পা পা শুরু। বাবা মানেই শতবার হোচট খাওয়ার পরেও সেই হাত ধরেই উঠে দাড়ানোর আরেক প্রচেষ্টা। বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,
উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে হচ্ছে ‘উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২’।
জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা চর্চা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি যত বেশি শিক্ষাচর্চা করবে সেই ব্যক্তি ততবেশি জ্ঞানী হবেন। শিক্ষা চর্চার মাধ্যমে কিন্তু নিজের জ্ঞান যে ভাবে বিক