কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। অন্ধকার জীবন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে ভাবলাম। এই ভাবে ধুকে ধুকে মৃর্তুর চেয়ে,,, যুদ্ধ করে বেচে থাকা শ্রেয়। জীবনটাই একটা যুদ্ধ ক্ষেএ এই যুদ্ধে আমাকে জয়ী হতেই হবে। পর
দেখুন সুখের অনুভুতি এমন একটা বিষয় যেটা সকল মানুষের সাথে জড়িয়ে আছে। শিশু কিশোর জোয়ান বৃদ্ধা এবং কি পাগলের একটা অনুভূতি থাকে। অর্থাৎ যার যার অবস্থান এবং ব্যক্তি হিসেবে তার তার অনুভূতির জায়গাটা ভিন্
যাই হোক একেরপর এক স্বপ্ন ভেংগে গেলো।২০০৭ এর ডিসেম্ভরে এসে ফাইনালী একটা বড় ভুল করে বসলাম।সেই ভুলের খেসারত হিসেবে ২০০৮ আর পরিক্ষাই দেওয়া হয় নি।দেওয়া হয় নি বললে ভুল হবে দিতে দেয় নি পরিক্ষা। যাই হোক জোর
শীতের কবলে কাঁপতে থাকা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাদের প্রতি মানবতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে আমার-আপনার-আমাদের সবাইকে। সামান্য একটু মানবিকতার স্পর্শ বাঁচাতে পারে শীতার্তদের, তাদের মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারে
থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গি
এটা আপনি মোবাইল এবং ডিএসএলআর ক্যামেরার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন তবে হেভি ক্যামেরা জন্য শতভাগ উপযুক্ত না। মূল্য:- ১৬০০ টাকা আজকের ৭ম হাটের জন্যে ১০০ টাকা ছাড়ে ১৫০০ টাকা পাইকারী মূল্য :- কত পিচ নিবেন ত
উদ্দোক্তা সম্মেলনের দিন আপনি যদি ইনডোর স্টেডিয়ামের পুরুষ টয়লেট ইউজ করে থাকেন তাহলে ইউরিন বেসিনের বেহাল দশা অবশ্যই আপনার চোখে পড়ার কথা। ইউরিন বেসিনের ভেতরটা ছিলো ইউজ করা টিস্যু দিয়ে ভর্তি,বলতে গেলে
নিজের বলার মতো একটি গল্প” এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার বলেন, “আমাদের প্লাটফর্মের উদ্যোক্তারা যাতে ২০২৩ সালে তাঁদের উদ্যোগকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য বিশেষ মেন্টিং করা হবে এই বছর জুড়ে।
প্রথম সেল পোস্ট এর পরে একটা বড় অর্ডার আসে।অনেক বেশি খুশি হয় কারন আমি আশাও করি নাই এতো তাড়াতাড়ি অর্ডার পাব।পরের দিনই বড় একটা বাজারে যায় যেখান থেকে বড় ব্যবসায়ী রা কাপড় কিনে।ভাবছি সেখানে কম দামে ভালো কাপ
তারপর কি আর করবো, খুব কষ্ট করে একটা হাই স্কুলের পার্ট টাইম জব নিলাম, আর সাথেই লেখা লেখি করা শুরু করালাম, কিছু টিউশনি, এভাবেই কষ্ট করে একটু একটু করে, আমি যাদের থেকে মাল আনতাম, তাদের ঋণগুলো পরিশোধ করে দ
আলহামদুলিল্লাহ। আজ সকালে রক্ত দিলাম কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর নুরুন নবি রিয়াজ ভাইয়ের খালু জনাব ওবায়দুল আঙ্কেলকে।
তিতাসের পার ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদস্যদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি গ্রুপের কোর ভলেন্টিয়ার ও উদ্দীপ্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রোগ্রামের কনভেনর Masudor Rahman ভাই, ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Eng
আমাদের মনে শান্তি, কোন প্রকার ভয়নাই সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারছি। আমরা স্যারের শিখানো মত আস্তে আস্তে অগ্রসর হবো দুইনাম্বারি করে বেলুনের মত পুলে আবার বেনিস না হয়ে ভালো পথে পাথর কনার মত শক্ত হবো আকা
আমার স্কুলের ৩০০ টাকা দিয়ে মা প্রথম একটা বরকি/ ছাগল কিনেন সেই একটা থেকে অনেক ছাগল পালন করতে থাকে আমার মা নিজেই😍🥰মা সেগুলো কে দুইভাগ করতো আমার গুলো বিক্রি করে গরু কিনতো। মা গরু ও ভাগ করে দিতো
স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রম সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিল তিল করে যে স্বপ্নের ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন,আজ আমরা সেই ফাউন্ডেশনের গর্বিত সদস্য,সেটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ।এই প্লাটফর্মে লক্ষ লক্ষ ভালো মা
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
যখনই কারো ব্লাড লাগে সবাই দ্রুত সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে। এই গ্রুপের কার্য বিস্তৃতি বলে আমি শেষ করতে পারবনা শুধু দুইটা পয়েন্ট বললাম। এছাড়াও জরুরী প্রয়োজনে আমরা যেকোনো ধরনের সাহায্যর জন্য সবাই সবাইকে পাশে
গত বছর কোরোনা কালীন অবস্হ আমরা যখন বাসায় বন্ধি চিলাম আমার দোকান বন্ধ লক ডাউন তখন সব সময় বাসায় থাকতাম। খাওয়া আর ঘুম এর বাহিরে কিছু চিলো না বা চিন্তা ও করতাম না কোনে কিছু। মোবাইল ও তেমন দেখতাম না মা
অর্জনের ঝুলিটা ভারী হয়ে উঠলেও,জীবনের ঝুলিটা ততদিনে শূন্যে পৌঁছে গিয়েছিল। তবু স্বপ্ন দেখতে ছাড়ি নি, পিছ পা হইনি এক মুহুর্তের জন্য,কয়েকটা বছর সূর্য কোনদিক থেকে উঠেছে আর কখন কোনদিকে ডুবেছে তা দেখার সময়
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
বিয়ের পরে বরের পারিপাশ্বিক অবস্থা চিন্তা করে জীবনের লক্ষ্য পরিবর্তন করতে বাধ্য হলাম। আমার বর বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের নাগরিক। তাই সংসারের কথা মাথায় রেখে, বাংলাদেশে জব সেক্টরে, ক্যারিয়ার গড়া থেকে পিছপা হ
অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজে বিজনেস করবো অনেক মানুষ কে নিয়ে সফল হবো, সেই ধারাবাহিকতায় এলাকার
নিজের জীবনের একটি নীতি সবসময় মানি ও করি, যা হলো “ পারলে কারো উপকার করো তবে কারো অপকার করো না” এই নীতিতে বরাবরই বিশ্বাসী ছিলাম ও সারা জীবন থাকব। কিন্ত নিজে যে একজন ভালো মানুষ তা পুরোপুরি বলার ম
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
অল্প সুখে কাতর অধিক সুখে পাথর হয়ে যায়। মায়ের লাশের কাছে গিয়ে নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হল। আমার চোখের পানি শেষ হয়ে গেল, তার পর থেকেই আমার আর কোন দিন কান্না আসে নাই। আমি বেছে আছি কিন্ত মায়ের সেব
✅✅ আমাদের প্লাটফর্মের সম্পর্কে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন। আমি প্রথমে আমাদের সকলের মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার স্যারকে জানাই আমার অন্তর থেকে হাজার কোটি সালাম এবং আমার অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা।
আমাদের মানবিক মডেল গুলশান জোনে ''ভালোবাসা প্রোগ্রাম বিলাই'প্রোগ্রামে
আলহামদুলিল্লাহ, প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে উপজেলা থেকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের অদম্য টাংগাইল জে
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম কে চুয়াডাঙ্গা জেলার সমস্ত জায়গায় ছড়িয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।
সর্বশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি লাখো মানুষের আইডল উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর এ যুগের স্বপ্নদ্রষ্টা মানব প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি এত সুন্দর একটা পরিকল্পনা না করিলে আমরা পেতাম না।
আমি তো মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যেতাম যে এতো সময় ফাউন্ডেশনে প্রতি দিন দিতেছি। আমার কোন ওর্ডার আসে না। কিন্তু স্যারের মোটিভেশনাল কথা গুলো মনে করে সবসময় লেগে আছি।
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
কেমন লেগেছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার কেমন যেনো অস্থির অনুভূতি কাজ করেছিলে। আমি আমার ছোট জীবন থেকে আমার ছোট একটা গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছিলাম ও শেয়ার করেছিলাম তখন লিখতে লিখতে রাত চার টা
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
আমার লাইফে কিছু মানুষ আছেন, যারা আমাকে প্রতিনিয়ত মানসিক সাপোর্ট দেয়, উৎসাহ দেয়, মনে সাহস জোগায় যে তুমি পারবেই। তারা এই গ্রুপেও আছে, কিন্তু মেনশন দিলাম না। প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমার মনের মাঝেই থাক। প
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
উদ্দেশ্য শেষ বারের মত চাচাকে একবার দেখা এবং খাঠ কাদে নেওয়া, আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত দান করুক-আমিন, তারপর এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই শুনি ২৫-০৩-২০২০ইং থেকে ০৪-০৪-২০২০ইং পযন্ত সাধারণ ছুটি ও গনপরিবহন বন্ধ, ব
প্রথমে উদ্দোক্তা জীবনে পা রাখি মার্কেট থেকে কিছু থ্রি-পিছ এনে কিন্তু সুবিধা করতে পারছি না। যেহেতু অফ লাইনে সেল করি সেহেতু গ্রামের মানুষ মনে করে বাজার থেকে কমে দেই বলে আমার পন্যের চেয়ে বাজারের গুলো ভাল
চমৎকার ভাবে সম্পূর্ণ হলো আমাদের পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অফলাইন মিট-আপটি।
আপনার হাতের সিংগাড়ার টেস্ট আমার মায়ের হাতের মতো 😪😪😪 আমিঃ নতুন পেজ খোলার পরে কাস্টমার যাকে বলি তেমন হয়নি তখন কাছের লোকজন ছিলো কাস্টমার। তো একদিন একটা ভাইয়ার আমার পেজে নক এলো।
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
মা ও মা, মাগো আজ সারাদিন কিছুই খাইনি। সারাক্ষণ শুধু তোমাকে ভেবেছি মা। তুমি যখন কাছে ছিলে সকাল হতে না হতেই সকালের নাস্তা বানিয়ে অপেক্ষা করতে কখন আমার খোকা ঘুম থেকে উঠবে কখন নাস্তা করবে ভেবে ভেবে
সততা ও কর্মনিষ্ঠাই আমাকে মহান করে তুলবে এ বিশ্বাস আমি রাখি। কাস্টমারের সেটিসফেকশন কোন কমপ্রোমাইস করিনা। হয়তো এ কারণেই কাস্টমারের কাছে সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়েছি।
_____বিসমিল্লাহির রাহমানুর রাহিম ______ ________আসসালামু আলাইকুম_________ _____ওয়া রহমাতুল্লাহিওয়া বারাকাতুহু____ ____শুরুতেই মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি কারণ
চর্চায় আপনাকে সৌন্দর্যের রশ্নিতে আলোকিত করবে। কারন চর্চায় আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। যারা আমাদের প্রিয় নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়েছেন এবং নিয়মিত ধৈর্য ধরে লেগে থাকার অভ্যাসটা..
শাড়ি নিয়ে প্রতিটা মেয়েরই মনে হয় একটা করে গল্প থাকে। খুব আপন, খুব আদরের, খুব রোমান্টিকও হয়তো বা! তখন ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বয়ফ্রেন্ড সেই সময়ে টিউশনী করতো। টাকা জমিয়ে জমিয়ে একদিন আমাকে একটা
আজকের মিটআপে আমরা আসন্ন মহা সম্মেলনে টিকিট নিয়ে বিশদ আলোচনা করি। ইনশাআল্লাহ আশাকরি আসন্ন মহা সম্মেলনে যশোর জেলার মধ্যে মনিরামপুর উপজেলা থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণ করবে।