আমি সময় নিচ্ছি আর চাকরির পাশাপাশি সময় দিচ্ছি হুট করেই নই আস্তে আস্তে নিজেকে গুছিয়ে স্বপ্ন নিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছি.. তাই.... দোয়ার দরখাস্ত রইল আমার প্রিয় এই ছোট্ট খামারের জন্য সবার কাছে..... #
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
আমি,, রিতা আক্তার সৃতি,আমরা চার বোন,আমি বোনদের মধ্যে তৃতীয়,আমাদের পরিবারটি ছিল খুব সুন্দর। আব্বু সরকারি জব করতেন,টাঙ্গাইল ।আমাদের তিন বোনের পর একটি ভাই হয়েছি।খুব আদরে ছিল সেই ভাইটি,বাবা সরকারি জব
আয়োজনে নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের মিট আপ ও উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত।। স্যালুট, ধন্যবাদ ও অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে এত সুন্দর পরিবার ও প্লাটফর্ম উপহার দেওয়ার জন্
ইংরেজি শুভ নববর্ষঃ সকালের সূর্যটা গোধূলি লগ্নে ডুব দিলো পশ্চিমাকাশের শেষ প্রান্তে। জীবন থেকে খসে পড়ল আরও একটি বছর। এভাবেই পুরাতন হারিয়ে যায় নতুনের ভিড়ে। একটি বছর ৩৬৫ দিন। শুরুতে মনে হয় অনেক দীর্ঘ
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
আসুন সবাই গাছ লাগাই। আর আমার গাছগুলোর জন্য দোয়া করবেন সবাই। ধন্যবাদ।
আমি কিছু জায়গা কিনেছি । আপনাদের দোয়ায়। সেখানে খামার করার ইচ্ছা। আগামী পাঁচ বছরে যেন কমপক্ষে অন্তত দশজন লোকের কাজের ব্যাবস্থা করতে পারি।
নিরাশা হইনি। নতুন জীবন শুরু করলাম নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন পেয়ে৷ আমি এখান থেকে অনেক বড় হতে চাই৷ অনেক কিছু শিখেছি এই ফাউন্ডেশনে।
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
December 7, 2020 · আসসালামু আলাইকুম।। নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সকল সদস্যকে অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।। এমন একটি পরিবারের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।। বাগেরহাট জেলা টিম
নিজের মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একজন শিশুকে নবম সন্তানের মতো লাল ভালোবাসা জানার অনুরোধ।
৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহা সম্মেলন-২০২৩ আলহামদুলিল্লাহ।টিকিট মেলা আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।
নিজের পরিচয় শুধুমাত্র নিজের কাজ। কারো বউ কারো জামাই কারো বোন বা কারো চাচা/মামা এর পরিচয় নয়। "" এই কথাটা শুনে আমি খুব উৎসাহিত হয়ে ছিলাম এবং আমি যে এক সময় চিন্তা করতাম মেয়েদের জন্ম কি শুধুই অন্যের
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে আছে প্রবাসীদের মর্যাদা আছে ভালোবাসা আছে তাদের জন্য চিন্তা। এখানে প্রবাসীদের বলা হয় দেশের অক্সিজেন।
এম এ পাস চা ওয়ালা শপটি আমাকে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আমার জীবনের স্বপ্ন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় এম এ পাস চা ওয়ালার ৬৪ টি আউটলেট ।
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
আস্তে আস্তে চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে আপাতত ছোট খাটো বিজনেস করি, তারপর আস্তে আস্তে বড় হবো, এরকম মাথায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি মনে মনে, , এই চিন্তা টা মাথায় আসার কারণ
যদিও স্বপ্নটা আমার ছিলো কিন্তু আমার সাহস ছিলো না, আর ধৈর্য ও কম। কিন্তু প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের সেই মূল্যবান কথা "স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই" নিজের অন্তরে ধারন ও লাল
তুমি মনে মনে ভেবেছ দেখেই তো আমি আসলাম।এই হলো ভাবীর প্রতি ননদের টান। আমিঃ কি জামাই বাবু?ভালোই পাম দেওয়া শিখিয়েছেন আমার ননদকে দেখছি। জামাইঃকি যে বলেন ভাবী আমার শিখানো লাগে? ননদঃআচ্ছা ভাবী তোমার ড্রেস
আজকে এটা আমার প্রথম বছরের প্রথম পোস্ট আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ এর মত প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে
আজ হয়ে গেলো আমাদের ফরিদপুর সদর ভাংগা উপজেলার মাসিক মিটআপ, ফরিদপুর জেলার সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে এই মিটআপ সফল করেন, ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন সবাই।
🏵️আমার জীবনের_গল্প 🏵️👌 বিসমিল্লাহির_রাহমানির_রাহিম। পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। যিনি আমাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। 💢আসসালামু_আলা
পৃথিবীতে সবার মত আমারও সবচাইতে আপনজন হল আমার মা-বাবা। কিন্তু যদি আপনজন হঠাৎ করে আমাদের ছেড়ে চলে যায় তাহলে তারচেয়ে সবচাইতে কষ্টের পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না । আমার ক্ষেত্রেও তাই।
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
ছোটবেলা থেকেই আমার সপ্ন ছিল যে আমি বড় হয়ে একজন উদ্দোক্তা হব। আর এ সপ্ন পূরণ করেছে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন। আর নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন থেকেই আমি উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখতে পাই।
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আমাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আমার পথ আমাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আমাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখ
আমি দুইদিন আগে আমার অল্প কিছু পন্য ঢাকা পিজি হাসপাতাল থেকে বনশ্রী পাঠানোর জন্য চিন্তিত ছিলাম।কারন আমার মামা ব্যস্ত থাকার জন্য যেতে পারবে না বলছে। পরে চিন্তিত অবস্থায় গ্রুপের কোন ভাই কুরিয়ার ঢাকা কাজ
আমি তখন সাভার ইপিজেড এ একটা কোরিয়ান গার্মেন্টসে কাজ করি, আমার কোম্পানির নাম A- ONE BD lTD.একদিন কোম্পানির ছুটির দিন আমি, আমার বোনের বাসায় যাই । ওটা ছিল, তেজগাঁও, ঢাকা। পিছন হতে আমাকে এক ভদ্রলোক ইংরেজি
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
এই তো মাত্র ৫ বছরের হইলো,চাইছিলাম স্কুলে ভওি করায় দিতে।কিন্তু টেহার যোগারযন্ত কইওে পারি লাই বইল্যা আর হইয়া উঠে লাই।এইবার টেহা জমায়তাছি।সামনের বছর করাই দিমু।তহন আমার মাইয়াটাও ইসকুলে যাইবো।লেহাপরা শিকবো
আমরা মানিকগঞ্জের মানিকরা তার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি চেষ্টা করছি ছোট করে কিছু শুরু করতে এবং সেই সাথে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজিক উন্নয় মূলক কাজ করতে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোক্তা ভাইয়া আপুদের নিয়ে "আনন্দ নৌভ্রমন"।
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প এর সামাজিক কাজ।। প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার এর কথামত ১.একটি কাজ( ফলজ গাছ লাগানো) আজ শেষ করলাম।। ২.পরের কাজ গুলোও শেষ করবো ইনশাআল্লাহ।। সব কিছুই সম্ভব ইকবাল বাহার স্যারের জন্
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
আলহাজ্ব মকবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে ঢাকার জোন গুলোর মধ্যে ধানমন্ডি জোন কতৃক সর্বপ্রথম কার্যক্রম শুরু করলাম
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
আমার খুব করুনা হয় সেই সব সন্তাদের জন্য। যাদের বাবা মা থাকতেও ব্রদ্ধাস্রমে ফেলে রেখে আসে। একবার খোঁজও নেয় না। আবার অনেক সুসন্তান আছে যারা রাস্তায় বাবা মাকে ফেলে চলে যায়। তাই বলি দাত থাকতে দাতের মর্ম
আমরা এখন আছি Iqbal Bahar Zahid স্যারের এলাকা দেড়পাড়া ফুলগাজীতে "দিনে আনে দিনে খায় "খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির ফেনী টিমের কার্যক্রম।
১০ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলায় হয় অফলাইন মিট আপ।একজন জেলা এম্বাসেডর হিসেবে অফলাইন মিট আপের অনেক কাজ ছিলো।মিট আপের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রেখি পণ্য প্রদর্শনী। সব উদ্যোক্তাকে পণ্য নিতে বলেছি।.
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
উক্ত মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আমি সত্যি খুব আনন্দিত ও মুগ্ধ। অসাধারণ আয়োজন ও আতিথিয়েতা এবং অল্প সময়ে আপন করে নেয়া …… যা এই প্লাটফর্মেই একমাত্র সম্ভব। লালমনিরহাট জেলা সহ হাতিব
আজ ২১ই জানুয়ারি ২০২০ খ্রীস্টাব্দ নিজের বলার মত গল্প গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ৯০ দিনের শেষ দিন। গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ২৮তম দিন থেকে এই গ্রুপের সাথে আমার যাত্রা। গত ৬১ দিনের স্যারের প্রতিটি পোস্টসহ পুরো ৯০ দিনের
মনে মনে ভাবছি যেহেতু আশছি মার্কেটের সবগুলো দোখান ঘুরে দেখব।আমি আবার আমার বন্দুর দোখানে গিয়ে বল্লাম দুস্ত আমি আশছি। সে,যেখানেই থাকিস দুপুরবেলা একসাথে খাবো, আমি বল্লাম ঠিক আছে আমি আশছি।তো আমি ঘুরে ঘুরে