স্বচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য রক্তদান প্রয়োজন। রক্তের জন্য সম্পূর্ণ পূর্ণবয়স্ক জানতে ১৮ বছর বয়স হতে পারে। প্রতি তিন মাস পর পর স্ক্রিনের ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও রক্তে রক্তদান করতে পারবেন।
আমার অবস্থা দিনে দিনে বাজে হতে লাগলো। কখনো দুবেলা খেয়ে থাকতাম৷ কখনো বা একবেলা কিন্তু তিনবেলা খাওয়ার সৌভাগ্য হইনি করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে। টাকা ধার নিয়ে চলে এলাম ঢাকা শহরে আয়ের উৎস খোঁজার জন্য।
সফলভাবে সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ। মিটআপ এ সাতক্ষীরা জেলাকে কিভাবে গতিশীল করা যায় এ নিয়ে আলোচনা করলাম
যখন আমার বয়স 10-12, একদিন বাড়িতে গেলাম তিন দিনের জন্য রমজান মাসে, মাগরিবের আগে আগে অনেক লোকের ভিড় সামনের ঘরে, আমি বুঝতে পারলাম না! যেহেতু গ্রামে থাকতে হতো না, হঠাৎ গিয়েছিলাম পরিবারের সাথে। আম্মুকে
টাংগাইল জেলার ঘাটাইল থানা থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্বপ্ন ছিল, স্বপ্ন ছিল ঢাকায় পড়াশোনা করার কেন জানি মত ঢাকায় হয়তো স্বপ্ন পূরনের কোন মাধ্যম খুজে পাবো। তবে বেক আপ সার্পোট হিসেব
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
আমার জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প সেই জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়েই আজকের এই লিখাটি। জীবনের গল্পটা অনেক কষ্টের তবে এটা জীবন গড়ার গল্প, জীবনের কষ্টের গল্প। তবে চলুন শুরু করি আমার জীবনের গল্প। প্রত্যেক মা
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আলহামদুলিল্লাহ্, আমি ভালো আছি ও সবার জন্য শুভকামনা করছি। আজ আমি মাসিক মিটআপ নিয়ে কিছু কথা বলবো। প্রথমেই ধন্যবাদ ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জনাব ইকবাল বাহার স্যার এর প
সকলেই মানিকগঞ্জের সাথে থ সুন্দর আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন।ছিল সম্মেলন কেন্দ্রিক আলোচনা, ও উদ্যোক্তাদের পরিচয় পর্ব ও পণ্য প্রদর্শনী। উদ্যোক্তাদের ব্রান্ডিংয়ের জন্য ছিল স্পন্সরের ব্যবস্থা যারা অংশগ্রহণ কর
সত্যিই তারার মেলা। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের উজ্জ্বল নক্ষত্র ফাউন্ডেশনের সেরা মুখগুলো আজ একত্রিত হয়েছিলেন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার BGIFT Institute of Science & Techno
আজ আমি আপনাদের মাঝে বলতে আসলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কত কষ্ট করতে হয় তা নিয়ে।
" দেশে বিদেশে যাদের সাথেই পরামর্শ করেই তারা সাহস দেইনা" বলে দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অনেক কঠিন" ওখানে আরো কিছুদিন থাক কিন্তু আর কত 16 বছর তো হয়ে গেল। 😇সেই থেকে আইডিয়া খুঁজতে লাগলাম হঠাৎ করেই ইকব
আশে পাশের সবাই কান ঘুসাঘুসি করতে শুরু করলো মাষ্টার মানুষের ছেলে বাবার এত সম্পত্তি থাকতেও এই কাজ করা লাগবে. ওর দ্বারা এই এত কঠিন কাজ হবে না.. ইইইইইইইইইই. এমন কথা শুনে খারাপ লাগতো খুব.. তখন বাবা বলতো, শ
নিজের নামে নিজের পরিচয় এটায় আমার স্বপ্ন। তাই নিজের নামে গড়েছি, একটি প্রতিষ্ঠান। নাম --সাবিনা বুটিক হাউজ, সাবিনা ফুড কর্নার। সাবিনা লুঙ্গি তোয়ালে এর এখন আমি (স্বাত্তাধিকারী) বাবা-- মরহুম মোঃ রু
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
১০ম ব্যাচের গাছ লাগানো কর্মসূচি নির্দেশনার প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে ১০ম ব্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে আমাদের নিজেদের যায়গায় ১০ টি বেলজিয়াম গাছ রোপন করলাম
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
৪র্থ মহাসম্মেলন উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা টিমের অফলাইন মিটআপ ও অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত সুন্দর এবং সফলভাবে সম্পন্ন হল #ঘাটাইল_উপজেলার মাসিক মিট আপ এবং ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণ বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনের প্রস্তুতি মিট আপ
যদিও স্বপ্নটা আমার ছিলো কিন্তু আমার সাহস ছিলো না, আর ধৈর্য ও কম। কিন্তু প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের সেই মূল্যবান কথা "স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই" নিজের অন্তরে ধারন ও লাল
The daily English Newspaper "The Independent " is our "Nijer bolar Moto Ekta Golpo Foundation" Covered. Sincere gratitude and thanks to the news authorities. Training for 1000 days, target 100,000
যাক এবার তিনজন গিয়ে বাসে উঠে বসলাম। যথারীতি বাস এসে গন্তব্য পৌঁছাল। আমরা নেমে ৩ জন আবার হাঁটা দিলাম ৫১ তম হাঁটের উদ্দেশ্য। একটু দূর এসে দেখলাম খুব পরিচিত একটা আপুকে, কাছে গিয়ে দেখি এতো আর কেহ নয় আমাদ
সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা মাসিক মিটআপ ও ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকেট মেলা সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন হলো।
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
সরিষার তেল🍶, তিনি এসেছে একদম মাঠ থেকে। তাকে অতি যত্ন করে ধুয়ে, রোদে শুকিয়ে, ঘানিতে ভাঙানো। তার প্রতি ভালবাসা টা অনেক কারন তিনি প্রতিদিন আমার ঘরের সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন। এজন্য তার প্রতি
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা যদি বলি তবে আমি বলব প্রবাসীদের নিজস্ব কোনো সুখ নেই বরং দুঃখেরও কোনো শেষ নেই। তাদের সুখ পরিবার প্রিয় জনদের মুখের হাসি,তাদের সকল আবদার পুরন করার মাঝেই। সকলের চাওয়া পাওয়া পুর্ন
আমি প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমি আগে কারো সাথে কথা বলতে পারতাম না, কিন্তু এখন আমি কথা বলতে পারি।
ইনশাআল্লাহ আমরা জয়পুরহাট জেলার পক্ষ থেকে একটি সাফল্যমন্ডিত অনুষ্ঠান প্রিয় প্ল্যাটফর্মকে উপহার হিসেবে পৌঁছে দেব।
রাজশাহী জেলা টিম স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
আমার বিজনেসটা যখন শুরু করেছি কাউকে আমার পাশে পাইনি এক পর্যায়ে যুদ্ধ করে শুরু করেছিলাম মাত্র ৭হাজার টাকা নিয়ে মহিলাদের ড্রেস নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার অনেক অনেক প্রাপ্তি,, ধন্যবাদ সবাইকে আমার গল্প
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ মহাসম্মেলন এর টিকিট মেলা,কুড়িগ্রাম জেলার মাসিক মিটআপ আয়োজন করা হয়।
আমি যখন ক্লাস টুতে পড়ি আমি আমার বড় ভাইয়ার সাথে হাটে গিয়েছি,,হাটে গিয়ে বাজার শেষ করে আমাকে চানাচুর এক প্যাকেট কিনে দিলেন আমি কি খুশি,,,আমাদের বাড়ি থেকে ৫ মিনিটের দূরত্ব একটা পুল আছে,,,আমি কান্না করে
একটি ৮ মাসের বাচ্চার হার্টের অপারেশনের জন্য ৬ষ্ঠ বারের মত রক্ত দান করলাম✌️♥️আলহামদুলিল্লাহ
স্যারের একটা কথা আমার কানে সব সময়ই বাজে, "" বৃষ্টি সবার জন্যে পড়ে,ভিজে কেউ কেউ "" আমি সেই কেউ কেউ এর একজন হতে চেষ্টা করছি, চেষ্টা করছি যদি কোনদিন স্যারের সামনে দাঁড়াতে পারি তবে সেদিন যেনো বলতে পারি,
আসসালামুয়ালাইকুম , জাগো নরসিংদী জেলার উদ্যোগে, নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন থেকে আজ পলাশ উপজেলা মিট আপ এ যারা উপস্থিত হয়েছেন, এবং যারা হতে পারেননি কিন্তু দূর থেকে সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণা দিয়
এখান থেকেই আমার ব্যবসায়িক জীবন শুরু। আমার চাচীর কাছ থেকে কিছু দেশি মুরগির ডিম সংগ্রহ করলাম ইনকিউবেটরে বসালাম অল্পকিছু বাচ্চা বের হলো কিন্তু একটি বাচ্চাও বাঁচাতে পারিনি। থেমে যাইনি লেগে ছিলাম।
রাঙ্গামাটি জেলায়ও প্রিয় গ্রুপের ১০০০ তম দিন উদযাপন করা হয় , চাকরি করব না চাকরি দেব এই স্লোগান স্মরণ করে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি সেশনের দিকে মনোযোগ
গত বছর কোরোনা কালীন অবস্হ আমরা যখন বাসায় বন্ধি চিলাম আমার দোকান বন্ধ লক ডাউন তখন সব সময় বাসায় থাকতাম। খাওয়া আর ঘুম এর বাহিরে কিছু চিলো না বা চিন্তা ও করতাম না কোনে কিছু। মোবাইল ও তেমন দেখতাম না মা
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
যাদের প্রচেষ্টায় এই আয়োজন তাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর পরিবেশে শেষ হলো খুলনা জেলার নিজের বলার মত একটা গল্পের আগষ্ট মাসের মাসিক মিট আপ ও নবীন বরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
অজস্র পুষ্পবৃষ্টি আর লাল গালিচা সম্বধনায় অতন্দ্র গাজীপুর জেলা বরণ করে নিলো লক্ষ তরুণ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা লক্ষ ভালোমানুষের ও শত সহস্র উদ্দ্যোক্তার কারিগর প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে
আজকের মিটআপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আগামী ১৪ ইং জানুয়ারি মহা সম্মেলন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলহামদুলিল্লাহ অত্যান্ত চমৎকার এবং সফল ভাবে সম্পুর্ণ হয়ে গেলো আমাদের যশোর জেলা টিমের আয়োজনে ২০০০তম দিন উৎযাপন ও উদ্দোক্তা সম্মেলন। যারা অনুষ্ঠান টিকে সফল করবার জন্য দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম
যখন যুক্ত হলাম তখন আসলেই এই ফাউন্ডেশন সমন্ধে কিছুই জানতাম না ۔ভাবলাম অন্য আরো আট দশ টা গুরুপের মতোই এটা তেমন কিছু হবে ۔ তাই অনেকটাই অনিয়মিত মাঝে মাঝে পোস্ট গুলো ও সেশন গুলো পড়তাম ۔ মাঝে মধ্যে অনেকের
আমার পরিবারের ইচ্ছা একটা ভাল চাকরি করলেই হবে। কিন্তু আমি তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, নিজে কিছু একটা করবো। নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। সেখানে অনেক লোক কাজ করবে। সে কারনেই J S C পড়িক্ষার পর বানিয্য বিভাগ
আমার এই ছোট জীবনে তেমনই এক প্রাপ্তি ছিলো এই প্লাটফর্ম থেকে। আমি কখনো নিজের মনের কথা গুলো,,ভাব গুলো প্রকাশ করার মতো কোন একটা মনখোলা জায়গা পাইনি।