নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় কোভিড পরিস্থিতিতে যখন কিছু পরিবার চাকরীচ্যুত হন, ঠিক তখনেই কিছু সংখ্যক পরিবারের মাঝে কয়েকদিনের বাজার সামগ্রীর সামান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে তেজগাঁও জোনের সামাজিক কাজ শুরু হয়।
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
কিবাবে বিনয় হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ , এক জন পজেটিভ মানুষ হওয়ার চর্চার প্রশিক্ষণ ,একজন ভালো মানুষ হওয়ার প্রশিক্ষণ ,নারীদের কিভাবে সম্মান করতে হয় তার প্রশিক্ষণ ,64 জেলা ও 50 টির বেশি দেশে অবস্থান রত ফাউন
গত বছর কোরোনা কালীন অবস্হ আমরা যখন বাসায় বন্ধি চিলাম আমার দোকান বন্ধ লক ডাউন তখন সব সময় বাসায় থাকতাম। খাওয়া আর ঘুম এর বাহিরে কিছু চিলো না বা চিন্তা ও করতাম না কোনে কিছু। মোবাইল ও তেমন দেখতাম না মা
কেউ যদি সারাক্ষণ ভাবে যে সে ব্যর্থ হবে, তবে সে যত ভালো অবস্থাতেই থাকুক না কেন সে ব্যর্থ হবেই। কারণ, তখন তার কাছে কোনো সামান্য বাঁধাকেই ব্যর্থতার একটা অংশ বলে মনে হবে। আবার আপনার বিশ্বাস যদি হয় যতোই প্
নিজে ভালো থাকি, অন্য কে ভালো রাখার চেষ্টা করি। আজ আমি আমার এলাকায় কয়েক জন মিলে কিছু সচেতন মূলক কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই কাজ দেখে এলাকার কয়েকজন উৎসাহিত হয়ে নিজ মহল্লায় আগামীকাল করবে। করোনা
প্রান প্রিয় শ্রদ্ধেয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অহবানে সারা দিয়ে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রবাসী ভাই বন্ধুগন
আলহামদুলিল্লাহ্ ছোট্ট পরিসরে চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আজকে আমাদের #পজিটিভ #শরীয়তপুরের_ঈদ_পূর্ণমিলনী ও ঈদ আড্ডা, বিনোদন।
জয়িতা ফাউন্ডেশন" এর সাথে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর MOU সাইন হল আজ। উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং, সেল বৃদ্ধি ও ফান্ডিং নিয়ে ইনশাল্লাহ আমরা একসাথে কাজ করবো।
আজ ১৬/০৯/২০২২ ইং শুক্রবার দাগনভুইয়া উপজেলার প্রথম মিটআপের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত মিটআপে চমৎকার উপস্থিতি ছিল , আপনাদের সবার ভালোবাসা অংশ গ্রহণ ও সহযোগিতায় সফল ও সার্থক হয়েছে আমাদের এই খুদ্র প্রয়াস ।
শুনুন আমার পরিশ্রমের কিছু ধারাবাহিক, আমি যে পণ্য নিয়ে কাজ করি সেগুলো হচ্ছে মেয়েদের ম্যাক্সি, মেয়েদের রেডিমেট থ্রি-পিস, মেয়েদের কটি ছেলেদের টি-শার্ট, আমি যেখানে চাকরি করি সেই চাকরির লাস্ট টাইম রাত
আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। পাবনা জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন
সেই থেকে গ্রুপের প্রতি মায়ায় পড়ে যাই এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও টানা ৯০ দিনের সেশানগুলো শেষ করি এবং ভিডিও সেশানও করি কয়েকটা। সেই সাথে আস্তে আস্তে পোস্টগুলো পড়ার চেষ্টা করতে থাকি,কে কি লিখছে সেগুলো শেখা
কিছুদিন পর তুষ্টি প্রডাক্ট গুলো হাতে পেয়ে খুবই খুশি কেননা পেইজে যেমনটা বলেছেন কাজেও তেমনটি পেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। তুষ্টি এইবার পেইজে নক দিয়ে আপুকে ধন্যবাদ জানালেন সাথে এইটআ বললেন বিয়ের সব কেনাকাটা জা
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল বিকেলে কেরানীগঞ্জ জোন উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন বাস্তবায়ন টিমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় চা আড্ডা ও আলোচনা সভা
আমাদের মনে শান্তি, কোন প্রকার ভয়নাই সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারছি। আমরা স্যারের শিখানো মত আস্তে আস্তে অগ্রসর হবো দুইনাম্বারি করে বেলুনের মত পুলে আবার বেনিস না হয়ে ভালো পথে পাথর কনার মত শক্ত হবো আকা
♥️♥️মা গো ♥️♥️তোমার ঋন সত্যিই আমি কোনদিন শেষ করতে পারবোনা।
#দাদুভাই : তোমার কোন পাঞ্জাবি পছন্দ হয় সেটা তোমাকে কিনে দেবো । #নাতিন : ওকে । #দাদুভাই : তোমাকে ঈদে সুন্দর একটা পাঞ্জাবী দেবো ঈদের নামাজ পড়তে যাবে । তোমার বন্ধুরা সবাই দেখে অনেক ভালো বলে
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপে জয়েন করার পর আমি নিজের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারছি। যদিও এই পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার আসি মূল কথায়। আমি ছিলাম প্রচুর রাগী একজন মেয়ে। মা-বাবার সাথে রা
প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে তেমনি আমার জীবনেও একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে সব গল্পের শুরুটা খারাপ হয়না, তেমনি,সব গল্পের শেষ টা সুন্দর হয়না, কিছু গল্প সবসময় ব্যাতিক্র
সুখ নাকি বেশি দিন স্থায়ী হয় না,এমন টা মুরুব্বীরা বলেন,2013 তে আমার কোল জুড়ে আসলো আমার রাজকন্যা,তার পৃথিবীতে আগমনের পর আমার এত ভাল জব ছেড়ে দিলাম ,আমার মনে হয়েছিল মেয়েকে দেখাশোনা করা আমার দায়িত্ব
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি জোনের ধারাবাহিক ১১ তম ফিজিক্যাল মাসিক মিট আপ ও টিকেট সেল উৎসব।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
১০০০ তম দিন উজ্জাপন এর প্রস্তুতি নিয়ে আজকে ময়মনসিংহের সদস্যদের সাথে মিটিং করলাম। একটি প্রানবন্ত এবং চমৎকার মিটআপ হয়েছে। তারিখ 12/09/20
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের কথা যদি বলি তবে আমি বলব প্রবাসীদের নিজস্ব কোনো সুখ নেই বরং দুঃখেরও কোনো শেষ নেই। তাদের সুখ পরিবার প্রিয় জনদের মুখের হাসি,তাদের সকল আবদার পুরন করার মাঝেই। সকলের চাওয়া পাওয়া পুর্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাসিক মিটআপ সম্পুর্ণ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে পরিচয় পর্ব ৯-১-২০২১ মহাসম্মেলন, টিম মেম্বার বাড়ানো, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ বাড়ানো, নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসার গল
#আলহামদুলিল্লাহ। জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলার অনলাইন সেশন চর্চা ক্লাস টানা #৪০০_তম_দিন ফিজিক্যাল মিটআপের মাধ্যমে উদযাপন হলো শুকরিয়া। আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিক নির্দেশনা
আসলে ছোট থেকেই আমি একটু ডানপিটে সবসময় নিজের কাধে কাজ তুলে নিতে পছন্দ করি এ জন্য অনেক সময় সম্মিলিত কাজের ব্যর্থতার দায় ভার আমার উপর আসার অভিজ্ঞা ও আছে তা নিয়ে আমি মোটেও ভাবছি না আমি ছোট একটা ব্যবসায়ী
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা শ্রদ্ধেয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার এর প্রতি। অসাধারণ একটি ভালো মানুষের ফাউন্ডেশন আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। মহান আল্লাহ তা'আলা আপনাকে উত্তম বদলা দান করুন, আমিন।
কিভাবে যেতে হবে তাও জানি না, একা একা এতো দূরের রাস্তা কখনো যাওয়া হয়নি । কি- ভাবে যাবো টেনশন হচ্ছে ?
ত্রিশ বছর পর দেখা মাসুদের সাথে ওর পাশে নিজেকে এখন বেমানান লাগে। বড় ভাইদের দিকনির্দেশনায় একপর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠনের জেলা পয্যায়ে ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে গেলাম, একটু সময়ের ব্যাবধানে আনুগত্যের অনুসারী তৈরী হ
শনিবার ১৫ জুলাই এ বিশেষ প্রাপ্তি উদযাপিত হয় সারা দেশের ৬৪ জেলাসহ বিশ্বের মোট ৩২টি দেশে। এদিন ঢাকা জেলা টিমের আয়োজনে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ্যালো ঢাকা এবং উদ্যোক্তা সম্মেলন
আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার আয়োজনে রাত ১০ টা হতে রাত ১২ পযর্ন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সব ভাইদের
প্রথমেই নিজ এলাকার অনেক মানুষ হাসাহাসি করত বলত এই ব্যবসা দেশ গ্রামে কখনোই হবে না কারণ এটা শহর না এটা গ্রাম গ্রামের মানুষের ক্ষতি করবো এসিড দিয়ে মানুষের চুলকানি হবে অনেক ভয় দেখিয়ে আমাকে অনেক বাধা দি
এখানে আমাদের সকল সম্মানিত দায়িত্ব শীল দের প্রচুর ভালোবাসা এবং পরিশ্রমের একটা বিরাট ভূমিকা ছিলো। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে,যে সকল সম্মানিত সদস্য অধির আগ্রহে উপস্থিত হয়ে আমাদের প্রোগ্ৰামটিকে প্রাণবন্ত ক
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
২০২৩ সালের জানুয়ারি শুরুতে আমি আমার ভাইয়ের কাছ থেকে রিসেলিং শুরু করি কারণ আমার বিজনেসের জন্য কোনো মুলধন ছিল না। তবে প্রথম মাসেই আমি সবার সহযোগিতায় ১৮ পিস শার্ট পাইকারি সেল করি । এটা আমার অনেক বড় প্
আহবান পোস্ট আগামী কাল মংগলবার আমাদের হাটে কেনা বেচার দুম চলবে পূর্বের হাট গুলোর চাইতেও বেশি কেনা বেচার টার্গেটে এগুচ্ছি। ততক্ষণে নাফিসাকে ডেকে বলে দাও বাজার কি কি লাগবে লিস্ট করো কাল হাটে যাবো।
প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে স্বপ্ন দেখে শুরু করে দিলাম ( ইনসাফ ফুড গার্ডেন ) নামে অনলাইন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে আমি গ্রুপ এর সকলের ভালবাসা পেয়ে দাদু নামে পরিচিত হয়েছি আলহাদুলিল্লাহ
স্যারের একটা কথা আমার কানে সব সময়ই বাজে, "" বৃষ্টি সবার জন্যে পড়ে,ভিজে কেউ কেউ "" আমি সেই কেউ কেউ এর একজন হতে চেষ্টা করছি, চেষ্টা করছি যদি কোনদিন স্যারের সামনে দাঁড়াতে পারি তবে সেদিন যেনো বলতে পারি,
বিয়ের কিছুদিন পরে জানতে পারি সে আগে একটা বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর একদিনের জন্য চাকরি থেকে বিরতি পেলাম না।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যার নিরলস প্রচেষ্টায় আমরা পেয়েছি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডশন।
আমি জানতে চেয়েছিলাম আমার সম্যস্যার সমাধান অপারেশন ছাড়া অন্য উপায় আছে কিনা কিন্তু তিনি ও সবার মত একই কথা বললেন কথা শুনে মন ভেংগে হাহাকার অবস্থা তিনি বুজতে পেরেছিলেন সাহস জুগিয়েছিলেন যে চলার পথে রিক্স ম
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
💐 ভালোর জয় সবসময়ই হয় 💐 সেই প্রচারের ও শিক্ষায় সামিল হয়ে বরগুনা জেলা আজ আপনার দেওয়া বিরতিহীন ১০০০ তম দিনের উদযাপনে অংশগ্রহণ করে অন্ধ মাদ্রাসায় একবেলা খাবারের পন্য সামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ দা
আমি কাজ শুরু করার প্রথম মাসে সেল ছিলো ৪০০০০ হাজার টাকা।আর গতমাসে আমার উদ্যোক্তা জীবনের সর্বোচ্চ সেল ছিল ৩লাখ ৩১হাজার টাকা।আমি মনে করি আমার জন্য এটি একটি অভাবনীয় একটি সাফল্য। নিজের পরিবার সামলিয়ে ও
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে