বাবা মারা যাওয়ার পর মোটামুটি বছরখানেক চলছিল ভালই অভাবের সংসার আমার আম্মু একা সামাল দিতে পারছিল না। পরে বাধ্য হয়ে ছোট বোন কে আমার চাচার কাছে দেয়, আমাকে আমার ফুফুর কাছে পাঠিয়ে দেয় ঝিনাইদহ সেখান থেকে
সবসময় বাবার থেকে চেয়ে নিয়ে চলা সম্ভব নয় এরপর আমি নিজে একটা জুতার রিটেইল দোকান নিলাম মোটামুটি ভালো চলছে এখানেও প্রায় তিন বছর ব্যবসা করলাম ,এরই মাঝে আমাদের ঘরে আসলো এক কন্যা সন্তান আলহামদুলিল্লাহ,প
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
কিছুদিন মধ্যে পেয়ে গেলাম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের " খুজ। ফেসবুকে স্যারে একটা ভিডিও দেখলাম- স্যার বলছেন, প্রবাসীরা হচ্ছে বাংলাদেশের অক্সিজেন। প্রচন্ড ভালো লাগলো কথাটা -দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ন
স্যারের কথা মতো সকলেই বেশি বেশি গাছ লাগান।গাছ আমাদের বন্ধু গাছ আমাদের অনেক উপকার করে ।আমাদের জীবন রক্ষার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা এই গাছ থেকেই পায়
ইফতার আয়োজন ও উপজেলা এম্বাসেডরদের নতুন দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
একটা মেয়ের যখন জন্ম হয় বা হবে জানে ( বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসার কারণে জানা সম্ভব হয়েছে) তখন থেকেই অনেক সময় দেখা যায় নিজের পরিবার থেকেই শুরু হয় এক ধরণের অবজ্ঞা,অবহেলা বা মনে করা হয় একটা বোঝা এই পৃথিবীতে
খারাপ লাগে আমার বাবার দিকে তাকালে আমার জন্য শুধু করে যাচ্ছেন আমি কিছুই করতে পারছি না হয়তো কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা পেশায় একজন টেইলার্স, আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি...✊ কারন আমা
উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করলাম। আপনাদের পরামর্শ,, আমাদের প্রচেষ্টা ইনশাআল্লাহ উদ্দ্যাক্তা ক্লাব গঠন করবো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের প্রিয় মুখ এবং উদ্যোক
আমি ছোট বেলা থেকেই ছিলাম খুব সান্ত, লাজুক এবং চাপা সভাবের।তার জন্য কোন সমস্যা হয়নি, সবাই আলহামদুলিল্লাহ আমাকে ভালো বাসতো। কোন অবহেলা বা অনাদর আমাকে পোহাতে হয়নি, আলহামদুলিল্লাহ
টিমটাইগার্স বাগেরহাটজেলা কর্তৃক আয়োজিত নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রেকর্ড 2000 তম দিন উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ 😍✌️ আমাদের প্রোগ্রাম সফল ভাবে বাস্তোবায়ন করার জন্য আমাদ
প্রিয় স্যার এর পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের হবিগঞ্জ জেলায় সুন্দর ভাবে আয়োজন টি সম্পুর্ন করতে পেরেছি, সে জন্য প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থে
প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ তায়ালার। আল্লাহ না চাইলে কাল এতো চমৎকার একটা মিট আপ হতো না।সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো।ভেবেছিলাম মিট আপ হবে না।কিন্তু আল্লাহর রহমতে মিট আপের আগেই রোদ উঠে গেছে।আলহাম
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামু আলাইকুম নিজের বলার মতো একটা গল্প পাউন্ডেশন সদস্য ও মেম্বার দের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচছা ও ভালোবাসা --- এই কোরেনা মহামারী থেকে আমাদের সকল কে ভালো রেখেচে সুস
কিন্তু হায় ৩ দিন চলে যায়, ৪ দিন চলে যায়, কোন মেসেজ নেই, এদিকে বাসায় কাস্টমার আসে ড্রেস গুলো নিতে চায় আমি দেইনা,বলি এগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এতগুলো ড্রেস এভাবে রেখে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বুঝতেও পারছিনা।
মা ও মা, মাগো আজ সারাদিন কিছুই খাইনি। সারাক্ষণ শুধু তোমাকে ভেবেছি মা। তুমি যখন কাছে ছিলে সকাল হতে না হতেই সকালের নাস্তা বানিয়ে অপেক্ষা করতে কখন আমার খোকা ঘুম থেকে উঠবে কখন নাস্তা করবে ভেবে ভেবে
এই গ্রুপ থেকে শিখলাম একজন ভাল মানুষ হওয়া চেষ্টা করতেছি সব সময় আমি। আগে ভাবতাম জীবনে লক্ষ্য মানে ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার বা অনেক টাকা মালিক হওয়া এখন সবই ভুল মনে হচ্ছে। 👉👉 জানুয়ারি ২০২০ ইং দেশে থাকা অব
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
এ নশ্বর পৃথিবীতে কেউ চির স্থায়ী নয়।সবাইকে একদিন ছেড়ে যেতে হবে এ পৃথিবীর ছেড়ে।আমরা এই অল্প সময়ে বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নের পূরনের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত দিন রাত পরিশ্রম করি।কেউ সফল হচ্ছে কেউ বা
পার্টনার হওয়ার জন্য একজন অন্যজনকে ভালো ভাবে বুঝতে এবং জানতে হবে। সর্বোপরি প্রতিষ্টানের নামে একটা জয়েন একাউন্ট থাকতে হবে। যেন ব্যাবসার মধ্যে একজন আরেকজনের টাকা মেরে না দিতে পারে। প্রত্যেকটা সেশন থেকে
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
তিনি বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকার তরুন তরুনীদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার লক্ষে দিন রাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বপ্ন এক লক্ষ ভালো মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করার শপথ নিয়ে
কোন ব্যাক্তিকে ভালোবাসি তার ব্যাক্তিগত ভালো কাজের জন্য,, মাজে মধ্যে দেশের নাগরিক 🇧🇩হিসাবে একজন দেশপ্রেমিক হিসাবে দায়বদ্ধতা তেকে কিছু
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা লালবাগ জোন। #যারা_প্রজেক্ট_বাস্তবায়নে_খাবার_ও_অর্থ সহযোগিতা_করেছেন_সবাইকে_আন্তরিক_ধন্যবাদ।
আমার আম্মু কাঁথা সেলাই করতো,আর সেই টাকা দিয়ে পরীক্ষার আগে কিছুদিন প্রাইভেট পরতাম। কিছু দুঃখ কষ্ট সুখের মধ্য দিয়েই চলে গেল জীবনের কিছু দিন গুলি।
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
২০০৬ থেকেই মনে ভিতর একটা স্বপন লালন করছি চাকরি করবো না ব্যাবসা করবো তবে টাকা ছিলো না আরথিক অবস্থা তেমন ভালো ছিলো না বাড়ী থেকে কেউ সাহস দিতো না যদি লস খাই।
আজকের মিটআপটি ছিলো অত্যন্ত চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ মিটআপ। এই মিটআপএ তেজগাঁও জোনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিক নির্দেশনা দেন কোরও মডারেটর এবং
নতুন করে কিছু শুরু করার সাহস পাই। এবং যে রকম যুদ্ধ বা সংগ্রামই আসুক না কেন, জীবনে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হয়।
কষ্ট, কান্না, দুঃখ, বেদনা এই রমজানে সব ঘুচে যাক আর ফিরে আসুক সুখ, আনন্দ, হাসি। আগত ঈদকে সামনে রেখে #আল্লাহর কাছে এটাই প্রার্থনা করছি যেন আল্লাহ আমাদের গুনাহকে মাফ করে এই কাজের উছিলায় নাযাতের ফয়সালা কর
সে আমাকে জরিরে ধরে বলে আমি আজ বাজারে ব্যাস্তা না হয়ে মরন ছাড়া কোন পথ ছিলোনা। ভাই আল্লাহ আপনার ভালো করুন। তার পর আমাকে বুকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে। তাকে বুঝিয়ে রিস্কা ভাড়া দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
রাজধানীর মিরপুরে সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থেকে প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্দ্যোক্তা এতে অংশ নেয়।চাকরী করব না চাকরি দেব এই মূলমন্ত্র ধারন ক
স্যারের শিক্ষা থেকেই পবিত্র রমজান মাসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর খুলনা টিম আয়োজন করছে দোয়া ও ইফতার মাহফিল।
তারুন্যের মানিকগঞ্জ জেলা টিমের আয়োজনে ২৩/০৭/২২ ইং রোজ শনিবার বিকাল ৫ টায় ৯ম অফলাইন মিট আপ ও ঈদ পূর্নমিলনী ছিল।এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে মানিকগঞ্জ টিম একত্রিত হয়েছিলাম সম্পর্কের সেতুবন্ধন আরো সুন্দর করার
চাঁদপুর জেলা আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রানের গ্রুপের সবাই কেমন আছেন। আমরা অতি আনন্দিত ও উজ্জীবিত কেননা আমার জেলার প্রিয় মানুষগুলো জেগে উঠেছে #অসীম_ভালবাসায়_হৃদয়ের_বন্ধনে নিজজেলাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য লাগে #ভা
সকালে ঘুম ভাঙলো সূর্যের আলো চোখে পড়াতে। চোখ খুলেই দেখি আমাদের চারপাশে ওনেকগুলো কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে এবং মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে এবং আমাদের নিয়ে মজা নিচ্ছে। চুল নাক কান দেখে ধরে আশ্চর্য হচ্ছে। তাদের মজা নেয
আজকে চলে আসলাম ,আমার ছোটবেলার বেড়ে উঠা,বৈবাহিক জীবন, শিক্ষাজীবন এবং এই ফাউন্ডেশনে কিভাবে বা কার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে কি কি শিখলাম সেই গল্প নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক
বাবা মায়ের দোয়ায় বিয়ে হলো আমার ২০০১ সালে,শুরু হল আমার জীবনে ২য় মহাযুদ্ধ, সংসার জীবন,আমার স্বামী আমার জীবনের তাজ হয়ে আসলো,তার দৌলতে আমার জিবনে আসলো ১ছেলে ১মেয়ে, তাদের নিয়ে আমার জীবন হাসি খুশি
কাউকে না যানানোর কারন আমার অনেক টাকা দেনা।এজেন্সি থেকে যেই লোকটার বিশা হয়েছিল তার পাঁচ লক্ষ টাকা লাগছে এবং শর্ত ছিল এই টাকার কথা
শুরুটা ছিলো মাত্র আট হাজার টাকা প্রথম পোষ্ট থেকে আমার অর্ডার আসে দশ হাজার টাকার। যদিও অর্ডার আমার আরও বেশি ছিলো কিন্তু অজানা দুটি ভয় থেকে আমি নিতে পারিনি। প্রথম ভয় ছিলো আমার পুঁজি মাত্র আট হাজার
বড় ভাইয়াকে কল করে সুন্দর করে প্রপোজাল দিলাম।"""ব্যবসায়ে সুযোগ বার বার আসে না আর যখন আসে তা লুপে নিতে হয়""এখন অনেকে ইনভেস্ট করতে পারতেছেনা দোকানে বাকি বেশি থাকায় পাইকাররা মাল দিচ্ছেনা। তাই কম ভাড়ায় দোক
ছোটকাল থেকেই স্বপ্ন ছিল নিজের একটা প্রতিষ্ঠান থাকবে। তাই ইউটিউবে বিভিন্ন রকম উদ্যোক্তা দের গল্পগুলো দেখতাম। সে সুবাদে একদিন হঠাৎ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের একটা মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনি এবং তা আমাকে আকৃ
ডিম ভাঙলেই তবে মুরগীর বাচ্চার জীবনের সুচনা হয়। কোনো এক ভেঙে যাওয়া ঘটনা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু। তাই উঠুন, স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করুন। ভাগ্য কপালে থাকেনা, ভাগ্য থাকে কপালের ফোঁট
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
🌷🌷বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসলামু আলাইকুম ..........। 🌷🌷🌷প্রথমে শুকরিয়া জানাই মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি যিনি আমাদের এই মহামারীর সময়েও সুস্থ রেখেছেন। তরপর কৃতজ্ঞতা জানাই লক্ষ তরুনের স্বপ্নদ্রষ
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা সেন্ট্রাল টিম - সমন্বয়ে ওয়ারী জোন প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন করছে ।
স্যার আমাদেরকে যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষাকে নিজ নিজ জীবনে কাজে লাগিয়ে আমরা যেনো ভালো মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উচু করে চলতে পারি মহান রাব্বুল আলামিন