মাটির ব্যাংকে নতুন টাকা জমানোর অভ্যাস ছিল আমার, তাই ব্যাংক ভেঙে ১২৫০ টাকা আমার পার্টনারের হাতে তুলে দেই। কুমিল্লার এক আপুর কাছ থেকে খাদি পাঞ্জাবি অর্ডার করি।
ওদিকে আমার প্রবাসী বর মহাশয় তো বাবা হওয়ার খুশিতে আত্মহারা,সে অনেক কথা,,,,,,। কিছুদিন পর আমি আবার পড়াশোনা শুরু করলাম, আলহামদুলিল্লাহ,এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়ে ভালো ভাবে পাশ করলাম। সাপোর্ট হিসেবে
আমার বাবার স্বপ্ন ছিলো আমি উচ্চপদস্থ চাকরি করবো। আমারও খুব ইচ্ছে ছিলো যে,আমি সরকারি কোন বড় ধরনের জব করবো বা কোনো ব্যাংকে জব করবো। এই তো গেলো স্বপ্ন দেখার কথা এবার আসি মূল কথায়। এবার শুরু হলো স্বপ্ন
সেলাই এর কাজ শিখা শুরু করে দেই।হটাৎ একটা কোম্পানি থেকে কল আসে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য।সেখানে সিভি দেওয়া ছিল।ইন্টারভিউ দেওয়ার পরে আল্লাহর রহমতে জব টা হয়েছিল।ফ্যামিলির বাধা থাকার পরে ও অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
৩০ মিনিট সময় আমাদের সাথে আলোচনা করার ,কথা থাকলেও, পরবর্তীতে স্যার প্রায় ১:৩০ মিনিট আমাদের সাথে মূল্যবান সময় কাটিয়েছেন।সে জন্য স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আমাদের এ সুন্দর প্রো
খানে সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে আমার বাবা আমাকে নিয়ে অনেক গর্ব করে, আগে ও করতেন, কিন্তু আমার অনুপ্রেরণার সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছেন আমার বাবা, আমার বাবা সব সময় আমাকে উৎসাহ দেয়, এখনো দিতেছেন, আমার পৃথিবীত
আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার আয়োজনে রাত ১০ টা হতে রাত ১২ পযর্ন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সব ভাইদের
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
আমার #লক্ষ্মীপুর জেলার এক প্রিয় আপু। Mukta Bhuiyan আপু হঠাৎ সে দিন কয়েকটা কাঁথার পিক দিয়ে বললেন আপু এগুলার সাইজ দাম বলেন। আমি তো অবাক কি ব্যাপার আপু কাঁথা অর্ডার করছে কেনো।আপুকে দাম এবং সাইজ বলে দিলাম
পাওরার ভিতরে যেমন সুখ ! না পাওয়ার ভিতরে তেমন দুঃখ। মানুষ যখন অতি আনন্দে সুখের নদিতে জীবন তরী বাইতে থাকে। হটাৎ কাল বৈশাখী ঝড়ে ডুবে যায় সে তরি। সুখের সতিন হয়ে হাজির হয়ে যায় দুঃখ মানুষের জীবনে,
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।
শূন্য হয়ে আসার জন্য আমার ভিতরটাও চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। আমি বোনকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেই। 😭 আমার মা আমাকে দেখে যেনো প্রান ফিরে পায় আমি আর আমার মা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করি,
তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় এই মিট আপের শুভসূচনা করা হয় , একে একে আমরা সকল উপজেলায় মিটআপ করবো ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারী ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে, এবং আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের প্রেমে প
🏵️আমার জীবনের_গল্প 🏵️👌 বিসমিল্লাহির_রাহমানির_রাহিম। পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। যিনি আমাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। 💢আসসালামু_আলা
আজ মহান বিজয় দিবস বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)। এ বছর দিনটিতে বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করছে। ৫০তম বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কারছে জাতি। বিজয় দিবস বাঙালি জাতির আত্মগৌরবের একটি দিন।
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
আর্থিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা নিয়ে 2011 সালের 11 জুলাই দুবাইয়ের মাটিতে পা রাখলাম। চাকরি মোটামুটি খারাপ ছিলনা কিন্তু মনটা বসছিলনা এখানে। অনেক চেষ্টা করে এখানের পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেও
মহা সম্মেলন কে সফল করতে সবার মতামতের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই কমিটি মহা সম্মেলন কে সফল করতে কাজ করে যাবে।
আমি যেন আমার মাঝে নেই,এক ঝড়ে পুরো দূনিয়াটা উলট পালট হয়ে গেল,সব হারিয়ে শূন্যতে চলে এলাম,৯/১০ মাস কি করছি না করছি কিছুই বুজলাম না, পুল ডিপ্রেশনে চলে যাই,আমার আপু ডাক্তার দেখিয়ে কিছুটা সুস্থ করে,২ বছর কা
সময় ২০১৫ রমজান মাস আমি জব করছি তখনো, বেতন ছিল খুবই কম। সামনে ছিল ঈদ, মনের মধ্যে একটা বিষন্নতা এই বেতন দিয়ে কি হবে, কিভাবে বাড়ি যাবো, কিভাবে ঈদের কেনাকাটা ইত্যাদি🤔 যাহোক 2য় রমজান ইফতারের পরে বের হলা
নারায়ণগঞ্জের ইফতার পার্টি ও অসহায় বাচ্চাদের ঈদ গিফটের অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থকার সুযোগ করে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিবেদন করছি।
ধনসম্পত্তি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেককেই দেখেছি রাতারাতি প্রচুর সম্পত্তি করে,হঠাৎই রাস্তার ভিখারি হতে। তবে সম্পত্তি কম হোক বা বেশি হোক সেটা বড
আমাদের বাস্তব জীবনে সফল হতে কে না চায়। এর জন্য তারা জীবন ভড় পরিশ্রমও করে যায়। কিন্তু এ পরিশ্রমটি যদি ভূল পথে হয় তাহলে কঠোর পরিশ্রম করলেও তা অর্থহীন। আমাদের লুকায়িত শক্তি অর্জনে, সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমি নিজে নিজেকে অনেক বেশী ভালোবাসতে শিখেছি,,, আমার চারপাশের সবাইকে ভালোবাসতে গিয়ে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে গিয়ে কখনো নিজেকে কোন কোয়ালিটি টাইম দিই নি। এই ফাউন
চাকরি না করে নিজে কিছু করব শুনে সবাই বলে এটা সম্ভব না। অনেক টাকার দরকার, আবার একা একটা মেয়ে করতে গেলে সমস্যা হবে ইত্যাদি। যখন স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম মনে মনে সাহস পেতাম। তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে
বিশ্ব রেকর্ড টানা ২০০০তম দিন সেলিব্রেশন জাগ্রত গাইবান্ধা জেলার
সবার স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা থাকে তাই আমার ও ছিলো আমি একদিন আমার চাঁচত ভাইর সাথে ঢাকা গুলশান যাই এজেন্সি অফিসে ম্যানেজার ছিলো আমার বাড়ির পাশে তাকে বললাম আমি প্যাকেজিং কোঃ স্লিটিং মেশিনের কাজ জানি এই ধরনের
ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের নারী টিম লিডার Julekha Khatun Suma আপুকে এ আয়োজনের সাথে আমাকে রাখার জন্য। এবং বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ভাইদের যারা আজ আমাদের সাথে ছিলেন জানান দেওয়ার জন্য যে তারা সবসময় আমাদের পা
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
বুঝে পড়া বা বুঝে করা যখন আমরা কোন কিছু বুঝে সুনে করবো, ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো স্যার আমাদের কে প্রায় বলে থাকেন সর্ট কার্ট নয় তাড়াহুড়ো নয় যা কিছু করবো বুঝে এবং জেনে করব
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
25 জানুয়ারি আমার জন্মদিন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য জন্মদিন তেমন একটা অর্থ বহন করে না। তবে এসএসসির পর থেকে শহরে বেড়ে উঠায় কিছুটা আধুনিকতার ছাপ আমার গায়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জন্মদিন
সকল রক্ত যোদ্ধাদের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ভালোবাসা অভিরাম৷
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
বিভিন্ন জোন এবং উপজেলায় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজ গুলি চলমান রয়েছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের পাশে থাকবেন এবং সহযোগিতা করবেন এই আশা রাখছি।
শুধু মাত্র মালদ্বীপ এর ১০রুপিয়া অর্থাৎ বাংলাদেশের ৫০ টাকা ক্যাশ ছিলো আমার।আমি দশটি অরেঞ্জ কিনলাম,দশ রুপিয়া দিয়ে দশ মিনিট পর এই অরেঞ্জ গুলো বিক্রি করলাম ২০ রুপিয়া, আমার ১০ রুপিয়া দশ মিনিটে লাভ হলে...
তুমি ছাড়া সত্যি আমাদের পৃথিবীটা শুন্য😭😭।আব্বু মারা যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আব্বুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হলাম।রাস্তায় হঠাৎ চাচা চিৎকার দিয়ে উঠলেন,যেই মারা গেছে তো গেছেই এতো কান্না করলে কি
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
নিজের বলার মতো একটা গল্পের" নীলফামারী জেলার ঈদ পুণর্মিলনীর কিছু ছবি ও কার্যক্রম। এখানে পরিচিতি পর্ব শেষে আমরা উদ্যোক্তাদের প্রমোট করেছি,উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আলোচনা
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে অনুপ্রেনিত করে, আমাকে স্বপ্ন দেখায় একজন উদ্দোক্তা হতে। আমার স্বপ্ন আমি একজন উদ্দোক্তা হতে চাই।
কষ্ট করে নিজের জীবন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে আবার অনার্সে বিষয় পাই পছন্দের। বিজ্ঞান বিভাগের একটি বিষয়।কিনতু সেটা আর সুখ রইলো না।প্রথম বর্ষে থাকা কালীন পৃথিবী জুড়ে আসলো মহামারী করোনা। সব কিছু বন্ধ।বাড়িতে চ
বিয়ের পর বাসায় তেমন কাজ থাকতো না কাজের খালা করে সব কাজ করে দিত। সেই জন্য বসে অবস্বর থেকে মোটেও ভালো লাগতো না। হঠাৎ একদিন ফেসবুকে দেখি এক আপু আচার সেল এর পোস্ট দিছে।
আমরা কি জানি নিজের অজান্তেই আমরা নিজেরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে যাচ্ছি এই দুনিয়ার ও পরকালের জন্যেও। 🤔কিভাবে করছি? এক মিনিট বলছি- ☝ধরেন আমাকে আমার আব্বু আম্মু স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছেন যাতে ভালো
নারী উদ্যােক্তা" শব্দটি শুনতে আমার অনেক ভালো লাগে এবং আমি গর্ব করে এখন বলি আমি একজন নারী উদ্যোক্তা।