সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমার মা যখন আমার কাছে থাকতো না তখন আমি যদি কান্না করতাম আমার মেজো ফুপু তার জিব্বা আমার মুখে দিয়ে রাখতেন আমাকে থামানোর জন্য, আমাকে খুব ভালোবাসতেন তো। ফুপুর যখন বিয়ে হয় তখন আমি
গত শুক্রবার সকালবেলা হাজীগঞ্জে শাহজাহান মেমোরিয়াল হসপিটালে ভর্তি হলাম সেদিন কয়েকটা ব্লাডের জন্য রিকুয়েস্ট আসলো ম্যানেজ করে দিতে পারিনি মনের অজান্তে খুব খারাপ লাগলো অসহায় মানুষগুলো আমাকে ফোন দিচ্ছে
এইটা পড়ে মনে সাহস যোগালো এবং নিজের কিছু একটা করবো আর পিচিয়ে থাকবো না। আল্লাহ নাম নিয়া দুইজন পাটনারে দোকান নিয়ে নিলাম আল্লাহ রহমতে ভালো চলতাচে দোয়া করবেন সবাই। সামনে দিগে যেনো আরো এগিয়ে যেতে পারি।
হুম কিন্তু ভাল করে মনে নাই, আমার এক বব্ধুকে বলেছি এই গ্রুপের কথা কিন্তু বিস্তারিত বলতে পারি নি মনে না থাকার কারনে। 🌹 আমি ঃ শুন তাহলে আবার বলছি, টানা ৯০ দিনের ফ্রি সেশন চর্চা ক্লাস, তারপর আইটি ক্ল
জীবনের প্রকৃত অর্থেই একজন মেন্টর, পথপ্রদর্শক। আমি আজ আপনাদের সেই মানুষটার গল্প শোনাতে আসি নি যে মানুষটি ডিপ্রেশনে ভুগে জীবনের একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বরং সেই মানুষটির এই তথাকথিত সম
আমি যখন তেমন কিছুই বুঝতাম না তখনই আমরা তিন বোন ছিলাম মানে ১ বছর করে সবাই ছোট বড়,, পড়ে আমি যখন ওয়ানে পড়ি তখন আমার আরেক জন বোন হয় তাহলে আমরা হলাম ৪ বোন, তখন আব্বা শুননে বললো আবার ও মেয়ে ১ টা ছেলে হলো
শুরুতে আমি মাত্র ১০০০টাকা মূলধন নিয়ে অল্প কিছু জিনিস কিনে প্রথমে আমার কাজ শুরু করি।আমার প্রথম কাস্টমার হয় আমার এক ফ্রেন্ড এর অফিসের কিছু মহিলা। আর প্রথমেই আমি ৮টা অর্ডার একসাথে পাই। আলহামদুলিল্লাহ। সে
কিন্তু বিষয়টা অত সহজ ছিলো না যৌথ পরিবার, চোট বাচ্চা লালন-পালন, ইতিমধ্যেই হাসব্যান্ড দেশের বাইরে। সব মিলিয়ে অবস্থা মারাত্বক প্রতিকূল!
নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন NRB কাতার কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আনন্দ ভ্রমণ গন্তব্যস্থল কাতার বাহারাইন এর সিমান্তবর্তী আল গেরিয়া বিচ
আশে পাশের সবাই কান ঘুসাঘুসি করতে শুরু করলো মাষ্টার মানুষের ছেলে বাবার এত সম্পত্তি থাকতেও এই কাজ করা লাগবে. ওর দ্বারা এই এত কঠিন কাজ হবে না.. ইইইইইইইইইই. এমন কথা শুনে খারাপ লাগতো খুব.. তখন বাবা বলতো, শ
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
মিট আপটিতে অংশগ্রহণ করতে পেরে এবং নতুন পুরাতন সকল ভাইবোনদের সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে। এভাবেই একে অন্যের সাথে সু সম্পর্ক তৈরীর মাধ্যমে এগিয়ে যাব আমরা।
সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা থাকলে সততার সাথে লেগে থাকলে ধৈর্য কে নিজের অবলম্বন করে রাখলে ভেবেচিন্তে কাজ করলে...মনোবল অটুট রাখলে জীবনে জড়িয়ে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।।জীবনের বাস্তবতা
হয়ে গেলো,, নিজের বলার মতো একটা গল্প , ফাউন্ডেশন এর " উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার " মাসিক অফলাইন মিটআপ। ❤️ অত্যন্ত ফলপ্রসু এই মিটআপে সদস্য ও ,দ্বায়িত্ব প্রাপ্তগনদের আলোচনা ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে উঠে এসেছ
হঠাৎ করেই ঝড়ের মতো এসে এলোমেলো করে চলে যায় আমার জীবনকে।আমার জীবনে এমন একটা ঝড় এসেছিল যে ঝড়ে আমার সবাইকে হারাতে হয়েছে।আমি আমার পরিবার বাবা,মা,ভাই বোন আত্মীয় স্বজনদের থেকে অনেক দুরে চলে আসি। 🌹❤আল্লাহর
।নিজেরা ভালো খেতেন আর আশেপাশের মানুষজন, আত্মীয়দের সহযোগিতা করতেন।অসহায় বাবাদের মেয়ে বিয়ে দিতে আটকে গেলে আমার বাবা আর মা মিলেই তাদের সেখান থেকে উদ্ধার হতে সহযোগিতা করতেন।এমন অনেক উদাহরণ আছে আমাদের
আলহামদুলিল্লাহ অতন্দ্র গাজীপুর জেলায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে উদযাপিত হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা প্রশিক্ষণের ২০০০ তম দিন।
হ্যাঁ সিদ্ধান্তটা সাথে সাথেই হুট করে নিয়ে নিলাম। কারণ আমার সই ছিলো পুরান ঢাকার মেয়ে, সে হিসেবে ওর চেনা জানা কিছু কাপড়ের দোকান ছিলো। পুরান ঢাকার কাপড়ের ব্যাপারে অনেক শুনেছি, যখন বাটিকের কাজ শিখলাম।
কুয়েত সিটি “সুক মিসিলা” গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্টিত হয়ে গেল কুয়েত টিমের মাসিক মিটআপ।
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
আপনার হাতের সিংগাড়ার টেস্ট আমার মায়ের হাতের মতো 😪😪😪 আমিঃ নতুন পেজ খোলার পরে কাস্টমার যাকে বলি তেমন হয়নি তখন কাছের লোকজন ছিলো কাস্টমার। তো একদিন একটা ভাইয়ার আমার পেজে নক এলো।
মাদারীপুর জেলা মেগা মীট আপ বড়ভাই Mahedi Hasan Shuvo জেলা এম্বাসাডর এর পক্ষ থেকে একরাশ ভালোবাসা উপহার পেলাম কৃতজ্ঞ প্রিয় স্যারের প্রতি
কিন্তু ইদানিং অনেক সাহস করি আর একটু এগিয়ে যাওয়া বুঝতে পারি , পিছিয়ে যাওয়ার কারণটাও জানতে পারি শিখার অনেক কিছু প্রয়োগ করতে পারি ,আমি বিশ্বাস করি এগিয়ে যাওয়ার অনেক শিক্ষা পেয়েছি নিজের বলার মতো এক
দূর্গাপুর উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে দূর্গাপুর উপজেলা টিম সহ উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
ফেনী জেলার মোট উদ্যোক্তা- ১০২ জন ৫। মানবিক ও সামাজিক কাজের বিবরণঃ ফেনী জেলার উদ্যোগে প্রতিবছরই মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সামাজিক কাজের মধ্যে আছে বৃক্ষরোপন। মানবিক কাজের মধ্যে রয়েছে ফেনী
আমার খুব করুনা হয় সেই সব সন্তাদের জন্য। যাদের বাবা মা থাকতেও ব্রদ্ধাস্রমে ফেলে রেখে আসে। একবার খোঁজও নেয় না। আবার অনেক সুসন্তান আছে যারা রাস্তায় বাবা মাকে ফেলে চলে যায়। তাই বলি দাত থাকতে দাতের মর্ম
আস্তে আস্তে চিন্তা ও বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে আপাতত ছোট খাটো বিজনেস করি, তারপর আস্তে আস্তে বড় হবো, এরকম মাথায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছি মনে মনে, , এই চিন্তা টা মাথায় আসার কারণ
ফেনী জেলার কর্মসূচি দিনে এনে দিনে খায় কর্মসূচি । প্রয়োজনে কম খাবো তবুও ভাগ করে খাব
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
" মা"❣️ ছোট একটি শব্দ তবে এর মাহাত্ম্য অনেক গভীর। দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে সন্তান এর জন্য নিজেকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকেন তবুও সন্তান কে পৃথিবীর আলো থেকে বঞ্চিত করতে চান না। এরকম আত্নত্যআগ শুধু
Bahar is teaching his 20th batch with an exceptional record of around 1800 days of consecutive workshops for free on entrepreneurship, previously unseen in Bangladesh. He has been awarded for organizi
আসসালমু আলাইকুম আমার প্রাণ প্রিও পরিবারের সবাইকে। সে সাতে সালাম আমাদের প্রিয় পরিবারে মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে। আর সব চেয়ে বেশি স্মরণ করছি আমার আপনার সবার সৃষ্টি কর্তা কে।।🙏 যিনি আমাদে
বারবার মনে ভয় হয় এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে পারব তো!কিন্তু বিশ্বাস আছে নিজের উপরে,শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের শিক্ষার উপরে, প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি,
নিজের বলার মতো একটা গল্প" সম্পর্কে জানতে পারি। প্লাটফর্মে যুক্ত হই। 🌿স্যারের ৯০দিনের সেশন গুলো পড়ে পড়ে নিজের সমস্যাগুলো সমাধান আস্তে আস্তে জানতে ও বুঝতে পারি । আমার বিজনেসে সেল না হওয়ার কারন।স্যার
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
দেশে এলো মহামারী করোনা । করোনার জন্য সকল অফিস ছুটি ঘোষণা করলেন রাষ্ট্র। সেই সুবাধে আমারও অফিস বন্ধ হয়ে গেল। সবার মতো ঘরে আটকা পড়লাম আমিও। অলস সময় পার করতে লাগলাম বই পড়ে, গল্প লিখে। ওহ হ্যাঁ, আপনাদেরকে
প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে প্রিয় স্যারের শিক্ষা ও সাহস নিয়ে আমার ইচ্ছা ও বাবার স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিয়ে ছোট করে গরুর ফার্মের কাজ শুরু করেছি এখন পরিপূর্ণ করার পালা,,, ভবিষ্যৎ এ বড় করার পরিকল্পনা আছে।যেন দু
কখনো কখনো মনে হয় কালকের দিনটিতে মনে হয় আর চলতে পারব না।আজ এখানে এই পযন্তই সবকিছু শেষ করে ইতি টানতে হবে।মনের অজান্তেই ভাবি,নিজেকে সফল করতে পারিনি তাতে কি সবার জন্য তো অভিজ্ঞ হয়ে পরামর্শ দিতে পারব,পা
🖌️🖌️জীবনের গল্প🖌️🖌️ 🙋আসসালামু ওয়ালাইকুম।আশা করছি সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন।আমিও আল্লাহ্ পাকের অশেষ রহমতে ভালো আছি,সুস্থ আছি আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহ্ পাক যেন ভালো রাখে, সুস্থ রাখে এই দোআ করি সবসম
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
আলহামদুলিল্লাহ এই নিয়ে ৩ বারের মত সেচ্ছায় রক্ত দান করলাম
একটি অফলাইন মিট আপ এর মধ্য দিয়ে পালন করা হয় এ ৩০০তম সেশন চর্চা।
এক মাদকাসক্ত চিকিৎসালয়ে কিছু রোগীর সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে কথপোকথন 👇 ডাক্তার বলছেন : আপনারা এতদিন যথেষ্ট অসুস্থ ছিলেন;এখন বেশ সুস্থ হয়েছেন। এখন থেকে নিয়মিত সুন্দর জী
ভিটামিন -সি সাধারণ জ্বর, সর্দি এর স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়, ফুসফুসীয় সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং উহানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের ওভার ডোজ (প্রায় ১২ গ্রাম, যেখানে আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয় ৯০-১২০ মি.
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
কার কোথায় হাটে বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে কে কোন জিনিস তুলেছে কার বিক্রি হচ্ছে কি হচ্ছে না সব মনিটরিং করা হয় । কেউ কোন ভুল তথ্য দিচ্ছে কিনা কেউ কাউকে ঠকাচ্ছি কিনা সব মনিটরিং করা হয়. তবে এখানে কোন ঠকানোর