আদর্শ ফেনী জেলা নারী টিমের ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তা আপুদের সাথে চা-ফুচকার আডডাবাজি
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
বাবা মায়ের একমাএ সন্তান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে আমাকে ঘরে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি পড়াশোনায় ছিলাম খুব ভালো। জীবনে কখনো ফেল করিনি। এস.এস.সি দিয়েছিলাম পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে পাবলিক স্কুল থেকে। যেহেতু পড়ালেখায়
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবেই সম্পন্ন হলো আমাদের কেরানীগঞ্জ জোনের দোহার উপজেলার JOYPARA COLLEGE এর প্রিন্সিপালের নিকট চিঠি পৌছে দেওয়ার কার্যক্রম।
আসসালামু আলাইকুম,,, আশা করছি প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাই ভালো আছেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে আমাদের " উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া'" স্লোগানে ৬০০+ মানুষের উপস্থিতিতে প্রোগ্রাম হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলায় জমকালো আয়োজনে মাসিক মিট আপ
২০১৫ সালে হাসপাতালে বাবাকে খুব যত্নে বুকের ভিতর দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম, নার্স ডা: গন খুব চেষ্টা করতেছিলেন, তার ভিতর থেকেই বাবাকে নিয়ে গেলেন উপরে,আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যখন তিনি চলে গেল
✒️মানুষ পারে না এমন কিছু নেই। সময়, শ্রম আর স্বপ্ন কখনো আপনাকে ফেলে দিবে না।এই তিন উপাদান সাথে থাকলে আপনি সব অসম্ভব কে সম্ভব করতে পারবেন।
অনেকে তো জড়িয়ে ধরে বলছেন মা তোমরা আজকে থাকবে এখানে আমাদের সাথে একটা রাত,তাহলে অনেক ভালো লাগবে যেও না যেন তোমাদের দেখে অনেক ভালো লাগছে,,,,
আলহামদুলিল্লাহ আমি পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট চাকরি করতেছি ফ্যামিলি সুন্দর চলতেছে, এরইমধ্যে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিলাম, পাশাপাশি আমি একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করি, ও আমাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছিল অবশেষে 18
জামালপুর জেলার শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে
সুখ নিয়ে, কষ্টের মাঝে বর্তমানে আমার মা এখন সুখী, তার ছেলে বড় হয়ে গেছে এখন ইনকাম করে. দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে. এখন আর অভাব নাই . আমার স্বামীর বাড়িতেও অভাব নাই. ছেলে দুইটা আমাকে নিজের মা ভাবে ওদের
বিয়ের কিছুদিন পর জানলাম স্বামীর বাজে নেশা আছে সে টাকা দিয়ে জুয়া খেলে। অনেক চেষ্টা করলাম ভালো করার জন্য কিন্তু হলো না বাবার বাড়ি থেকে টাকা গয়না সব শেষ করে দিলো আমার, এবং নানা ধরনের মানসিক শারীরিক
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা ৪জানুয়ারির সম্মেলনের টিকেট হাতে পেয়ে অনেক আনন্দিত। ইনশ্আল্লাহ দেখা হবে ভালোমানুষের প্রিয় প্লাটফর্মের সকল সদস্যদের সাথে ভালোমানুষের মহামিলনে।
আমি আমার এই ছোট জীবনে দেখেছি,চোখের পলকে মানুষের সাজানে গোছানো সংসার, ঝড়ো দমকা হাওয়াই তছনছ হয়ে যায়,নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষ। তখন চারদিকে শুধু হা হুতাশ থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবন চলতে গিয়ে শুধু
চমৎকার ভাবে, রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিট আপ সম্পূর্ণ হয়েছে।
আমার ছোট বেলা থেকেই মাটির ব্যাংকে টাকা জমানোর শখ ছিল সেই মাটির ব্যাংকের জমানো ৬০০০০ হাজার টাকা দিয়ে সদরঘাট গিয়ে কাপড় কিনে ১৫০ পিস ডেনিম প্যান্ট দিয়ে ব্যবসা শুরু করি।
আমার স্বপ্ন একজন ভালোমানুষ এবং সফল উদ্যোক্তা হবো। নিজের জেলা সর্বোপরি নিজের দেশের পণ্যকে বিশ্বের বাজারে পরিচিত করব। অসহায় ও নিপিড়ীত মানুষকে সাবলম্বী হতে সাহায্য করব। নিজের প্রতিষ্ঠানে একজনকে হলেও চা
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ
বাসে আসার সাথেই বুঝে নিয়েছিলাম জীবন কি জিনিস। যে দিন এসেছিলাম তার পর দিন থেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। ভালো পান্ট-শার্ট পড়ে যখন গাড়িতে করে কাজের স্থানে নিয়ে যায়।তখন মনে স্বপ্ন চোখ দিয়ে বের হয়ে উঠে গেল ওই ন
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
শৈশবটা কেটেছে একেবারে গ্রামের পরিবেশে।ছোট বেলা থেকে ছিলাম বেশ চঞ্চল। কোথাও স্থির থাকা আমার একদম পছন্দের ছিল না।বাবা গ্রামের জমিদার ছিল কিনা আমি জানিনা। তবে প্রায় ১০০ বিঘার মত জমি ছিল।আমার মনে আছে বাবা
🌷🌷নতুন চমকে গাইবান্ধা জেলা🥀🥀🇧🇩🥀🥀 তারিখ --২৩-০৮-২০২১ স্থান ---গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মাঠ সময়--বিকাল ৪-৩০ ঘটিকায় নিজের বলার মতো একটা ফাউন্ডেশন এর গাইবান্ধা জেলার মাসিক মিট আপ খুব সুন্দর ভাবে সফল
প্রিয় স্যারের অসাধারণ একটি স্লোগান। প্রিয় প্লাটফর্মের সবাই নিজেদের প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো প্লাটফর্ম থেকে ক্রয় করতে ভালোবাসি কারন আমরা যদি নাই ক্রয় করি তাহলে করবে কারা। তবে অন্যদিনের চেয়ে বেশি বিক্রি ও ক্
নিজেকে ভালো রাখতে এবং অন্যকে খুশি রাখতে যুক্ত হয়েছিলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের সাথে,,, দিনের আলো আর রাতের অন্ধকার যেমন সত্যি,,,,, নিজেকে সুখে এবং অন্যকে খুশি রেখেছে এই ব্যাক্তি,,,,, জীবনের সব
দুঃখ পেয়েছি তো কি হয়েছে?দুঃখ আমাকে শক্ত করে নিজেকে বাঁচাতে সাহায্যকরবে,হেরে যাওয়ার নাম জীবন নয়,প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার নামই জীবন,আমরা পৃথিবীতে কেউ নিখুঁত নয়,সুখ-দুঃখ হাসি-কান্
নিজে রক্তদান করি অন্যকে রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করি, আপনার রক্তের উছিলায় মহান আল্লাহ বাচিয়ে রাখতে পারে একটি প্রাণ
আজ রংপুর শীতার্থ মানুষের মাঝে মানবতার কল্যাণে কম্বল বিতরন শুরু করেছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
গাছ খুব ভালোবাসি।আর প্রকৃতির জন্য গাছ লাগানো খুবই দরকারী
সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুরু করার ভয়, হতাশা, ডিপ্রেশন এগুলো আমার জীব
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
আমি আগে তেমন কথা বলতে পারতাম না কারো সামনে বা ভিডিও তে,নিজের পরিচয় দিতে পারতাম না, আলহামদুলিল্লাহ এখন পারছি
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
আমরা কি জানি নিজের অজান্তেই আমরা নিজেরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে যাচ্ছি এই দুনিয়ার ও পরকালের জন্যেও। 🤔কিভাবে করছি? এক মিনিট বলছি- ☝ধরেন আমাকে আমার আব্বু আম্মু স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছেন যাতে ভালো
আমার প্রবল ইচ্ছা মানসিক শক্তি এবং এবং আমার লেখাপড়ার যে যোগ্যতা আছে, তাতে আমি অনেক হ্যাপি, আমি নারী, আমি আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করি, আমার আছে ভালোমানুষির চর্চা, পজিটিভিটি, বিনয়, এবং পরিশ্রম করে, নিজেকে
ভিশন উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২ এর ৪র্থ পর্ব প্রিমিয়াম অফলাইন মিটআপ এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি
এই গ্রুপে একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়, যার মাধ্যমে নিজের একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। বাবার কথা মতো আমি স্যারের প্রতিটা সেশন পড়া শুরু করে দেই এবং একটি একটি করে ৯০ টি সেশন পাঠ শেষ করে ১৫ তম ব্য
আমার একান্ত নিজের আবেগ,অনুভুতির এলোমেলো, অগোছালো কথা ধর্য্য সহকারে পড়ার জন্য প্রিয় ফাউন্ডেশনের সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্য ভাই ও বোন দেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। অনইচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটির জন্য
চাকরির পিছনে ছুটতে ছুটতে আমি ক্লান্ত। তবে একটা জিনিস উপলব্ধি করতে পারি পরিস্থিতি মানুষকে সবকিছু শিখিয়ে দেয়। পরিস্থিতি মানুষকে শিখিয়ে দেয় কোন পথে সে আগাবে। পরিস্থিতি আমাকে দিনের পর দিন রাস্তা দেখিয
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
চাচী বলতো তোর বাবাকে কারখানা, ফ্যাক্টরি দিতে বলিস এ কথাগুলো আমাকে খুব তাড়না দিতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো আমার নিজস্ব কারখানা থাকবে, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। কিন্তু আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
প্রতিদিন নিত্য-নতুন রান্না করার মাধ্যমেও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। কেননা রান্নার সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিকল্পনা, নতুন কিছু করার উদ্যোগ, আনন্দ। বিভিন্ন উপাদান পরিমাণমতো মিশিয়ে সুস্বাদু কোনো খাবার তৈরি ক
মা-মনি আমার ছোটবেলায় কোন জিনিস এর বায়না ধরলে বলতাম আমাদের তো শোকেস নেই মা -কোথায় রাখবো জিনিস পএ। তখনও বলতো মা আমাদের শোকেস হলে আমরা এই জিনিস কিনব । ও খুব সৌখিন কিন্তু আমি কখনো একটি সোকেস বানাতে
আগামি ৫ বছর পরে ঢাকায় আমার ৫ টা আউটলেট হবে এবং ১০ বছর এ আমার সারা বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় আমার আউটলেট থাকে ইনশাআল্লাহ। a
-ই হোক, শিখে নিলাম ড্রাইভিং। কিন্তুা বাধা আরেকটা! নতুন ড্রাইভার হিসেবে কেউ গাড়ি দেয় না। আমার এক কাছের বন্ধু যার সাথে দিনরাত এক করে চলাফেরা করেছি, সে একটি গাড়ির মালিক। কিন্তু সেও জবাব দিলো, “আমি নতুন ড