গর্ব করে বলতে পারি আমরা সৎ, ভালো এবং আদর্শবান পিতা-মাতার সন্তান। আমরা চার বোন দুই ভাই ছিলাম।আমার বড় আপা ২০১৫ সালে ক্যান্সারজনিত রোগে মারা যান।পরিবারের সবার বড় সন্তান মারা যাওয়াতে বাবা-মা খুব ভেঙ্গে পড়
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
ফেসবুকে একটা বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স সাইট রয়েছে"নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"গ্রুপ যার প্রতিষ্ঠাতা প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার.যিনি মাত্র 164 জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন.এখন এই গ্রু
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনসঙ্গিনী নিয়ে একটা স্বপ্ন থাকে, নিজের পছন্দ-অপছন্দের একটা বিষয় থাকে, যে তার সহধর্মিণী কেমন হবে। আমি এটা বিশ্বাস করি, যে মানুষ সৌন্দর্যের পুজারী সুন্দরের প্রতি সবার একটু লোভ থাক
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
আমার অভাব আমাকেই দূর করতে হবে। আমার শুধু মনে হয়েছে আমার কিছু একটা করা দরকার। আমার জন্ম হয়েছে কাজের জন্য, তাই কাজ করেই খাব
নিজেকে বড় করতে হলে চাকুরি দিয়ে হবেনা, ছেলেও কথা বলতে পারেনা, কিছু একটা করতে হবে। চিন্তা শুরু করলাম, কি করা যায়। করোনা শুরু হবার আগে একটি দোকান নিলাম, স্টেশনারি বিজনেস শুরু করলাম। ভালো সেল শুরু হতে না
কুয়েত আসলাম তিন মাস বেকার বসে খেলাম , ভাষাগত সমস্যার কারণে কাজ পেতে অনেক কষ্ট হল তিন মাস পর একটা কাজ পেলাম তাও আবার এক মাস পর কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বেতনও পেলাম না। আবার আরেক জায়গায় কাজ পেলাম বেতন অনেক
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে মিরপুর মডেল জোনের মাসিক মিটআপ শেষ হলো। আজীবন সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে ও আমাদের মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পণ্য প্রদর্শনী এবং কোর ও মডারেটর বরণ অনুষ্
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার ও SME Foundation এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব ড. মোঃ মফিজুর রহমান এর মিটিং
আমি একজন নয় যে, এত খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও এভাবে টিকে আছে। নিজের লক্ষ্যে স্থির আছে। আমার মত হাজারো তরুণ-তরুণী আছে যারা– হাজারটা খারাপ
""আদাপ/ নমস্কার ছুটে যাই ফেনী জেলা "🙋♀️🙋♂️🏃♂️🏃♀️ 💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐 এক্টিভিটি দেখতে চাইলে ঘুরে যান ফেনী জেলাই 👉 শত তম সেশন চর্চা ও অফলাইন মিট আপ ফেনী জেলা👆 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছ
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
স্যার বলেন "থাকবো না একটা দিনও বেকার" ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার পর দেশে ফিরে বাড়ির ছাদের উপরে মুরগীর ফার্ম করি । স্যার বলেন "হয় জিতবেন না হয় শিক্ষবেন হারবেন না কক্ষনো"। তাই আমার উদ্দেশ্য ছিলো কাজটা
উনার সাথে আমার পরিচয় এই গ্রুপ থেকে, প্রথম পরিচয়, ওনার একটা পোস্ট এর মধ্যে উনি লিখেছিলেন উনি দুবাই থাকে, তখন ওনাকে মেনশন করলাম ওনার ইনবক্স দেখার জন্য, পরে উনার সাথে পরিচিত হয়ে কথা বললাম, কথা বলে এত
আজ থেকে প্রায় চার মাস আগের কথা কথা। তখন পনেরতম ব্যাচ এর অল্প কিছুদিন চলছিল হয়তো। এর কিছুদিন আগে থেকে যুক্ত হলেও, সেদিন ই প্রথম একটা পোস্ট দেখতে পেলাম যে,এই গ্রুপের নাকি রেজিষ্ট্রেশন চলছে। আমি ভাবলাম
কারো জীবনই কোনো সমান্তরাল ধারায় চলেনা। বেশির ভাগ মানুষের জীবনের বাঁকে বাঁকে ভাঙা-গড়া; উত্থান-পতনের গল্প থাকে। আর যাদের তেমন কোন গল্প নেই তারাতো জীবনের মানেটাই বোঝে না বেশ কিছু দিন আগে আমি লেখাটি লিখে
গাইবান্ধা জেলার মো: আপেল মন্ডল ভাইয়ের ভাইয়ের রক্ত দান সমন্ন।
আমার সাজানো গুছানো জীবন,বাবা মার মায়া,মমতা আত্মীয় স্বজনের সান্যিধ্য শিক্ষাজীবন,পরিবারের সহায়তা, সামাজিক আত্মসম্মানবোধ সবমিলিয়ে আমার ভুল যেন আমাকে এ অঘোষিত কারাগারে নিক্ষেপ করে।। লোহার অদৃশ্য ডান্ড
চমৎকার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে তেজগাঁও জোন আওতাধীন ★হাতিরঝিল থানার নলেজ শেয়ারিং ও নবীন বরন মিটআপ সফল ভাবে শেষ হলো।
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
এটা আপনি মোবাইল এবং ডিএসএলআর ক্যামেরার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন তবে হেভি ক্যামেরা জন্য শতভাগ উপযুক্ত না। মূল্য:- ১৬০০ টাকা আজকের ৭ম হাটের জন্যে ১০০ টাকা ছাড়ে ১৫০০ টাকা পাইকারী মূল্য :- কত পিচ নিবেন ত
আমি গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বড় হতে লাগলাম আমার বাবা ছিল আদর্শ কৃষক এবং খুবই সরল ও সাদা সিদা, তার একটি মাএ উদাহরণ আপনাদের সামনে তুলে দরলাম, আর সেটা হলো, তার ছেলে মেয়েদের কে বলতো বাবারা তোমরা
নরসিংদী জেলা টিমের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভকামনা এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠান আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
প্রিয়ো স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে সপ্ন দেখায় একজন ভালো মানুষ হতে
স্যার আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন সবার সাথে কমিটমেন্ট ঠীক রাখা এবং সময়ের কাজ সময়তে করা প্রয়োজনীয়তা। 🥰শত ব্যস্ততম মাঝে প্রাণ প্রিয় প্লাটফর্মের ভালো মানুষদের সাথে মিটাআপ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত এবং তাদে
লালবাগ জোনের মেগা সম্মেলন সফল পরবর্তী অফলাইন মিটআপ এবং নবনিযুক্ত ফাউন্ডেশনের সন্মানিত মডারেটর সংবদ্ধনা Md Roni ভাইকে ফুল দিয়ে বরন
অসাধারণ আয়োজন এর মাধ্যমে পালিত হয়
কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি রামপুরা থানা , মতিঝিল জোন এর সকল দায়িত্বশীল ও সদস্যসদের। আরো কৃতজ্ঞতা রইল প্লাটফর্মের দায়িত্বশীল কোর- ভলান্টিয়ার ও মডারেটর ভাইয়া-আপুদের প্রতি যারা উপস্থিত থেকে প্রোগ্রাম সফল করেছেন ।
নিজের_বলার_মত_একটি_গল্প_গ্রুপের_জয়পুরহাট_জেলার_৪র্থ_মিট_আপ। আলহামদুলিল্লাহ জয়পুরহাট জেলার ৪র্থ মিট আপ শেষ করে
জেলার উদ্যোক্তা,সঞ্চালক, প্রবাসী এবং আয়োজক টিম কে অসংখ্য ধন্যবাদ। যাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগিতার কারনে একটা সুন্দর মনোরম ও মনোমুগ্ধকর মিটআপ এর আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন আরো সুন্দর
জীবন থেকে খুব বেশি কিছু চাইনা। একটুখানি স্বনির্ভরতা আর দেশ ও দশের তরে নিজের সাধ্যের সর্বচ্চোটুকু দিতে চাই। চাই নিজের বলার মতো একটি গল্প। জানিনা কতোটুকু পারবো, তবে আকাশজোড়া সপ্ন আমার... অনেক আশা নিয়ে
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত সুন্দর এবং গোছানোভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত চট্রগ্রাম জেলার অন্তর্গত ফটিকছড়ি উপজেলার পক্ষ থেকে ইফতার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল।
যে বয়সে স্কুল যাবার কথা সেই বয়সে কাজ করতে হয় ঘরের হাড়ি পাতিল পরিষ্কার করার কাজ। কতটা নিষ্ঠুরতা ভাবতে পারেন?? শুধু কি ঘরের কাজ?? এই ছোট্ট বাচ্চাটা কাজ করতে হতো কৃষি কাজ। জমিতে ধান লাগানো,, আলু চাষের
আমাদের সকলের প্রানপ্রিয় মেন্টর পরামর্শদাতা কিংবদন্তি পুরুষ সুপার হিরো জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ সারের সকল কথা মেনে আমি আমার ভালোবাসা নিজ জেলা টিমের শ্রেষ্ঠ টিম ও শেষ্ঠ জেলা যশোর কে দেখতে চায়।
Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কাঠবাদাম এবং কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগান আজিজুল হাকিম
কি ভাবছেন? ভাবছেন আমি তো বড় রাজনৈতিক নেতা না, আমি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কিভাবে সামাজিক কাজ করব,, কিভাবে দেশের জন্য কাজ করবো। সেটাও আমাদের স্যার দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় রাজনৈতিক নেতা না হয়েও সম
প্রতিটা মানুষ যেমন করে একটা পরিবারে বেড়ে উঠে ঠিক তেমন করেই আমার বেড়ে উঠা তবে আমার মধ্যে একটু ভিন্নতা ছিল। ছোট বেলায় দেখেছি আমার মা কত কষ্টকরে আমাদের লালন পালন করেছেন। একটা সময় এমনও হয়েছে আব্বু বাড়িতে
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
নিজের জীবন টা নিজেকেই গুছিয়ে নিতে শিখতে হয়, যতই থাক নিজ মেধা শক্তি স্বপ্নকে ঘুমাতে দিতে হয়, কেননা এমনো সময় জীবন আসতে পারে নিজ মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজেই বেঁচে থাকার একমাত্র শক্তি হতে পারে। তাই নিজ
মহা সম্মেলন কে গিরে প্রচারণা মুলক একটা আয়োজন আসবে লালবাগ জোন থেকে ইনশাআল্লাহ।
২০০৬ থেকেই মনে ভিতর একটা স্বপন লালন করছি চাকরি করবো না ব্যাবসা করবো তবে টাকা ছিলো না আরথিক অবস্থা তেমন ভালো ছিলো না বাড়ী থেকে কেউ সাহস দিতো না যদি লস খাই।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পর্দাও আমি ক্লাস নাইন থেকেই করি,তখন বোরখার এমন প্রচলন ছিল না,মেয়োরা বোরখা পড়তনা বললেই হয়।আমার মায়ের মত খাঁটি পর্দানশীল কিছু মহিলা বোরখা পড়ত শুধু। আর আমি মাথায় মিলিনারী পরতাম আর বড় বড় উরনা পড়তাম। তখন
২০০২ সালে আমার দাখিল/ এস এস সি পরীক্ষা শুরু , আমার জিবনে ৩ মাাস প্রাইভেট টিউটর পেয়েছি মাএ। সাইন্স বিভাগের স্টুডেন্ট ছিলাম রোল নং ছিল ২,শরু হলো পরীক্ষা তখনকার শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন এহসানুল হল মিলন,কি
স্বাধীনতা দিবসে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা দেশের জেলায় জেলায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা !
আজকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ "নিজের বলার মতো একটা গল্প " গ্রুপের রাজশাহী জেলার মিট আপ এর কিছু ছবি মেহের নিগার আপু,সুজন ভাই, রাজ্জাক ভাই সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ধন্যবাদ সবাইকে ।
ইনশাআল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রতিটি কলেজে স্যারের চিঠি পৌছিয়ে দিব এবং উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের জন্য এই মহৎ কাজ অব্যাহত রাখব।