আরও কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি আমাদের জন্য এত সুন্দর ও চমৎকার একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছেন।
তুমি তো মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর রান্না করতে পারো। তাহলে খাবার আইটেম নিয়ে কাজ শুরু করতে পারো।আমি কথাটা তেমন গুরুত্ব দিলাম না। আবার বললো তোমার রান্না একবার কেউ খেলে দেখবে সে সত্যি আবার খেতে চাইবে।
_______বিসমিল্লাহর রাহমানির রাহীম ________ _________ আসসালামুয়ালাইকু _________ ________________ শুকরিয়া__________________ সর্বপ্রথমে শুকরিয়া জ্ঞাপন করিতেছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যিন
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
কষ্টের কাজ হঠাৎ একদিন বালু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় ছোট গাড়ি সৌদি আরবে যাকে আরাবী বলে এক চাকার এত লোক ছিল আমি কন্ট্রোল করতে না পারার কারণে আমার পায়ের উপর পড়ে যায় এবং অনেক ফুলে যায
শ্রদ্ধেয় স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস অর্গানাইজিং টিম কাজ করে যাচ্ছে।
সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা থাকলে সততার সাথে লেগে থাকলে ধৈর্য কে নিজের অবলম্বন করে রাখলে ভেবেচিন্তে কাজ করলে...মনোবল অটুট রাখলে জীবনে জড়িয়ে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।।জীবনের বাস্তবতা
আজ আমাদের বগুড়া জেলার স্বনামধন্য কলেজ বগুড়া সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজে অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের দেওয়ায় চিঠি প্রদান করেছি আমরা বগুড়া জেলা টিম। সন্মানিত অধ্য
আমি আসলে বলতে চাই বিয়ের পারে স্বামী, শুশুর,শাশুড়ী এবং শশুর বাড়ির লোকেদের সেবা করাই মেয়েদের ধর্ম।কথায় আছে বিয়ের পরে স্বামীর মা বাবা স্ত্রীর মা বাবা হয়। কখনো কখনো তার উল্টোটাও হয়। কিছু কিছু মেয়েরা শশুর
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
এইটা পড়ে মনে সাহস যোগালো এবং নিজের কিছু একটা করবো আর পিচিয়ে থাকবো না। আল্লাহ নাম নিয়া দুইজন পাটনারে দোকান নিয়ে নিলাম আল্লাহ রহমতে ভালো চলতাচে দোয়া করবেন সবাই। সামনে দিগে যেনো আরো এগিয়ে যেতে পারি।
চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পূরণ করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের কর্মসংস্থান। যাতে করে নিজের জীবনে, নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করতে পারি।
যারা নিজেরা প্রডাক্ট খুঁজে হয়রান তাদের স্যার প্রথমেই বলেন ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করতে। ঐতিহ্য হলো তাই যার জন্য আপনার জেলা বা শহর বিখ্যাত। অর্থাৎ ওই জেলার নামের সাথেসাথেই মানুষের মুখে মুখে ওইখানকার পণ্যের নাম
রাত শেষ হলো, সকাল বেলা বের হওয়ার সময় শালটা পড়ে মায়ের কাছে গিয়ে বল্লাম আম্মা আমি বাজারে যাচ্ছি। আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে♥♥♥ আম্মা তখন আমার গায়ে থাকা শালটি দেখতেছেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো বাবা শাল
এই ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানে ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর মোঃরনি ভাই উদ্যােক্তা জীবন শুরু করে ঘুরে দাড়িয়েছেন এবং উদ্যেক্তার গল্প শোনাতে Utv live যাওয়া সৌভাগ্য হয়েছে। প্রবাস থেকে এসে লালবাগ জ
সেল পোস্ট করার পর অনেক কমেন্ট আসে।আলহামদুলিল্লাহ সবাই পজেটিভ এবং গঠন মূলক কমেন্ট করে।অনেকেই কাঁথার দাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে।কেউ কেউ ইনবক্সে মেসেজ দিয়েছে।সবাইকে রিপ্লাই দিয়েছি।বিকালেই একজন ভাইয়া ইনবক
দীর্ঘদিনের বিরতির অবসান ঘটিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ এক মিট আপ সম্পন্ন হলো শেরপুর জেলার সকল স্বপ্ন বাজ তরুন তরুণীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
সবারই অল্প পরিসরে পণ্য সেল হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। সবারই পণ্য গুলো অনেক অনেক ভালো। আপনারা ভাইয়া ও আপুদের কাছ থেকে পণ্য নিতে পারেন
ফাউন্ডেশনের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের আরও একটি ব্যাতিক্রম আয়োজন আইডিয়া কম্পিটিশন ও গল্প ইনকিউবেশন ম্যাচ মেকিং এর শুভ উদ্বোধন
অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলা অফলাইন মিটআপ
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
দেশে একটি বিশাল বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলোর একটি হলো উদ্যোক্তার অভাব। এই অভাবটি মূলত সৃষ্টি হয়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে না পারার ভীতির কারণে। আমরা অনেকেই ভাবি যে একজন সফল উদ্যোক
এই প্লাটফর্ম নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা - এই প্লাটফর্ম থেকে আমার প্রত্যাশা আলাদা করে আর কি বলবো। এমনিতেই মনে হচ্ছে যা না তার চেয়েও বেশি সম্মান পাচ্ছি সারা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ এর বাইরে অবস্থান করছে অনেক অ
সব থেকে কঠিন কাজ হচ্ছে শুরু করা।যে কোনো কিছু শুরু করতেই আমরা বেশি ভাবি।সমাজ পরিবার সবাই কি বলবে এই চিন্তায় হয়তো অনেকে শুরুই করে না।লোকে কি বলবে।আমিও এক দিন ভাবছি লোকে কি বলবে।একটা শিক্ষিত মেয়ে মানুষ এ
আমরা ৫ ভাই ৩ বোন আমি সবার ছোট , আমার বাবা ছিলেন এক জন কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। আমার জন্ম হয় ১৯৯৪ পাবনা জেলার, সদর থানার রাজাপুর গ্রামে। তখন আমার বড় ভাই গ্রামে গ্রামে বাদাম বিক্র
আসসালামু আলায়কুম, সবাইকে জানাই এই রামাদান মাসের শেষ দিকে রামাদান মোবারক। আশা করি সবাই আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ
অনেক দেরিতে হলেও আজ আমি সকল জড়তা কাটিয়ে আপনাদের মাঝে আসলাম নিজের পরিচয় দিতে। আমি একজন খাদ্য প্রকৌশলী।বাবুরহাট বাজারের পাশে বাড়ী হওয়ায় ছোট থেকেই সু্প্ত বাসনা ছিল কাপড় ব্যাবসায়ী হব। কারন আমার সাথের ছোট
লাল ভালবাসা গিফট করলাম এক অসুস্থ রোগীকে। আমার এই গিফট এর ওছিলায় আল্লাহ ওনাকে সুস্থতা দান করুক। আমরা সবার রক্ত দিয়ে মানব সেবা করে যাবো,যতদিন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখে।
আলহামদুলিল্লাহ ১৫ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম। পবিত্র রমজানেও রক্তদান থেমে নেই রক্তযোদ্ধাদের। রক্তদান একটা নেশার মত আমাদের কাছে। তাই রক্তের ডাকে, যে কোন অবস্থায়, যে কোন পরিস্থিতিতে ছুটে চলে যাই আমরা এক
রেকর্ড সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সম্পূর্ণ ফ্রী ভালো মানুষী চর্চা ও উদ্বোক্তা তৈরির অনলাইন কর্মশালার টানা ১০০০ তম দিন উদযাপন হবে ইনশাআল্লাহ আজ থেকে।। প্রিয় ফাউন্ডেশনের
আজ আমরা গিয়েছিলাম বাঘা উপজেলায়।খুব ভালো সময় কেটেছে।ভাই বোনরা ভাীষণ আন্তরিক। এভাবে সব উপজেলা গুলো এক্টিভ হলে রাজশাহী জেলা খুব দ্রুত এগিয়ে যাবে
তুমি ছাড়া সত্যি আমাদের পৃথিবীটা শুন্য😭😭।আব্বু মারা যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আব্বুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হলাম।রাস্তায় হঠাৎ চাচা চিৎকার দিয়ে উঠলেন,যেই মারা গেছে তো গেছেই এতো কান্না করলে কি
👉প্রিয় স্যারের মহৎ সকল কর্ম দেখে, আমি আপনাদের নিকট আমার উদ্যেগের বিষয় বলিলাম, আমার ছোট কালের ইচ্ছে যে আমি একজন ব্যাবসায়ি হইবো, আমি উদ্যেগ নিয়েছি যে, বর্তমান যেহেতু ইন্টারনেটের যুগ,সেহেতু যত দিন যাব
প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব জুনায়েদ আহমেদ পলক (এমপি), মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
আমরা পরিবার থেকে কেউ আসার আগেই, নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ভাইয়েরা ছুটে এসেছে।
আমি আমার এই ছোট জীবনে দেখেছি,চোখের পলকে মানুষের সাজানে গোছানো সংসার, ঝড়ো দমকা হাওয়াই তছনছ হয়ে যায়,নিঃস্ব হয়ে যায় মানুষ। তখন চারদিকে শুধু হা হুতাশ থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবন চলতে গিয়ে শুধু
জীবন কি জিনিস সেদিন বুঝতে পারছি, আমার পাশের সিটের লোকটি সহ ৩/৪ মারা যায়। আমার আলহামদুলিল্লাহ সামান্য ব্যথা লাগে। মায়ের দোয়া হইত সেইদিন আল্লাহর রহমতে আমার কিছু হইনি। মা বাবার দোয়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়া
আমি মানুষ কে নিজের চাইতে বেশি বিশ্বাস করি, এখনো, আমি সবসময় #পজিটিভ , ভাবতাম আল্লাহ মানুষ বানিয়েছে এতো সুন্দর করে৷ সে কি করে বাটপারি করতে পারে, মিথ্যা বলতে পারে মুখ দিয়ে,। এমনি করে বিজনেস টা লস হতে
আমি নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছি, 👉 এখানে আমি নিজেকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি, 👉এখানে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে শিখিয়েছে 👉 শিখিয়েছে বিনাশ্রমে শ্রম দিতে, 👉শিখিয়েছে কি করে একজন দক্ষ
তারা কিছু শুরু করতে চান অল্প টাকায়, তাদের জন্য আমার কিছু অল্প টাকায় ব্যবসার আইডিয়া মাথায় গুর পাক খাচ্ছে, তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম, প্লিজ ঠাণ্ডা মাথায় একটু পড়ে বুঝে দেখুন,
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
মনোমুগ্ধকর আয়োজনে, দায়িত্বশীল সহ বগুড়া জেলা টিমের গর্বিত আজীবন ভাই বোনের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নান্দনিক পণ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে সুসম্পন্ন হয়েছে ফিজিক্যাল মিটআপ টি|
রাতের শেষ প্রহরে ঘুম ভেঙে দেখি খাকি ড্রেস পরা পাক আর্মি আমার মায়ের বুকে রাইফেল ধরে জিজ্ঞেস করছে রাজা কোথায়? তোমরা কারা? পাশে রাইফেল ধারী আরো কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছে। তারা পাকিস্তান আর্মির উর্দু বয়ান বাংলায়
একটা বছর কারখানা দোকান ও কর্মচারী চালিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেলাম । সব বন্ধ করে দিলাম । হঠাৎ মাথার মধ্যে এলো আমি তো রান্না শেখাতাম আমি তো রান্না জানি তাহলে তো আমি ক্যাটারিং এর কাজ করতে পারি । আবার পেপারে
১। নিজের বলার মত একটা গল্প যখন শুরু হয় ৬৪ জেলার ১৬৪ জনকে নিয়ে তখন শুধু আমি ঐ টানা ৯০ দিন গ্রুপ লেখা, দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ২। ৯০ দিন সমাপনী অনুষ্ঠান যখন শেষ, স্যার কাছ থেকে পুরষ্কার হাতে নিলাম...