প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
বর্তমানে আমরা যেই পরিমাণ শ্রম ব্যয় করি সেই পরিমাণ কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি না। অলসতার দরুন কিংবা অপারগতা বশত। আর যা গ্রহণ করি তাও ভেজালে ভরপুর। যার ফলে দিনদিন নিজেরা হচ্ছি দূর্বল এবং সন্তানরাও
আমি গ্রামের একটা ছেলে। গ্রামের নয় দশ টা ছেলে মেয়ের মতোই আমার বেড়ে ওঠা। কিন্তু আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোন। ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট ছিলাম। আমি মোটামুটি অন্যান্য ভাই
উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান আপনাদের নিজের উৎপাদিত বা ব্যবসায়িক পন্য নিয়ে প্রতিদিন গ্রুপে উপস্থিতি নতুন ও পুরাতন সদস্যদের উদ্বুদ্ধ ও প্রেরনা দিবে** প্রানপ্রিয় ইকবাল বাহার স্যারকে সালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
বয়স টা তখন অনেক ছোট। বড় বাড়ি আমাদের এক সাথে প্রায় চাচাতো-জেঠাতো ভাই বোন মিলে ১০/১২ জন সহপাঠী পড়াশোনা করতাম একি সাথে বলতে পারি বিশাল একটা দল আরো পিচ্ছি গুলো মিলে ১৬/১৭ জন ও হয়ে যেত। একুশের প্রথম প্রহ
শুধু এই একটা জিনিস ই পাইনি এ পরিবার থেকে। কি পেয়েছি এর কথা লিখে শেষ করার মত শব্দ চয়ন গুলো। তবে সহস্রাব্দের মাজে কয়েকটি কথা না হলে নাই হয় আমি পেয়েছি জীবন গড়ার স্কিল, ভালো মানুষী চর্চা একজন ভালো স্য
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে কিভাবে হবেন এবং এর মানে কি আপনার জীবন থেকে নেওয়া দুঃখ কষ্টের গল্প অর্থাৎ আপনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন আপনার জীবনের গল্প অবশ্যই আছে আপনি সেই আপনার জীবনের গল্প কে গল্প লেখা মাধ্যমে ফুট
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট
#দুটি চোখ আপনাকে কখনোই স্বপ্ন দেখাবেনা,, স্বপ্ন দেখাবে আপনার "মন " আপনার ভেতরে থাকা সুপ্ত বাসনা। এই এক জোড়া চোখ আমাদের সবারই আছে কিন্তু আমরা সবাই কি স্বপ্ন দেখি?
আমি কিছু জায়গা কিনেছি । আপনাদের দোয়ায়। সেখানে খামার করার ইচ্ছা। আগামী পাঁচ বছরে যেন কমপক্ষে অন্তত দশজন লোকের কাজের ব্যাবস্থা করতে পারি।
আম্মু বললো চলো বোনের বাড়িতে যাই অনেক দিন হলো আমার বোনের সাথে দেখা নাই। খালা মনিদের বাড়িতে গেলাম সন্ধ্যাবেলা সবাই বাড়ির উঠানে বসলাম। যেহেতু বিদেশ থেকে অনেকদিন পর দেশে এসেছে ইব্রাহিম ভাইয়া তাই খা
বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে রক্তদান বৃষ্টিকে, আলহামদুলিল্লাহ ষষ্ঠ বারের মতো রক্তদান,সদর হাসপাতাল রাজবাড়ী, নাম বৃষ্টি বয়স ৪ বছর রোগ থ্যালাসেমিয়া ২৫ দিনে রক্ত দিতে হয় একবার সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।
প্রোগ্রামের বিশেষ আয়োজন ছিল পণ্য প্রদর্শনী এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটিকা করে সকল স্পনসরদের পণ্যকে তুলে ধরা এবং পন্য প্রদর্শন করা।
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
আলহামদুলিল্লাহ, সকলের সহোযোগিতায় দিনাজপুর জেলার আশুরার বিলে #নিজের #বলার #মতো #একটা #গল্প গ্রুপের ৩য় মিটআপ সফলভাবে সম্পন্ন হলো
ভালোবাসা এমন একটি জিনিস, আমরা যদি গভীর ভালোবাসা দিতে পারি যে কোন কিছুতেই সুফল পাবোই। *(১)আমাদের স্যার, আমাদেরকে ভালোবাসেন,মন দিয়ে।তাই উনি আজ সব দিক দিয়ে সফল আল্লাহর রহমতে।
আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমা
মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই ইহার চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই।।’ 🍀কবি কাদের নেওয়াজের এ কবিতায় যেন ঝরে পড়ছে মায়ের মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্নেহ, আদর আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব কথা। মা আসলেই পৃথ
এক কথায় বললে ১ টা বিজনেসের স্টার্টআপ থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে কিভাবে পর্যায়ক্রমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে নেওয়া যায়।
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
তখনও আমি যুক্ত হইনি গ্রুপে, ইতি মধ্যে ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তে শুরু হয় চতুর্থ ব্যাচ আমি যুক্ত হই রেজিস্ট্রেশন করে।আমার মধ্যে শুরু হয় একটু একটু করে বদলে যাওয়া,
সবার প্রতি অনেক বেশী কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা আমাদের রমনা জোনের অফলাইন মিটআপ সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুসম্পন্ন করতে সহযোগিতা করার জন্য। আপনারা এসেছিলেন বিধায় এতটা রঙিন হয়েছিল আজকের মিটআপ।
❤️একুশের চেতনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিম। এই একুশ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো তাই আমি এই ২১ ভুলতে পারিনা!! আজ আমরা বাংলা বলতে পারি শুধুমাত্র ভাষা শহীদদের ত্যাগে
আজকে আমাদের ওয়ারী জোনের ৫০০ তম অফলাইন মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা আমার প্রথম অফলাইন মিটআপ ছিলো।খুব ভালো লেগেছে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরে। সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে। আমাদের ডিস্ট্রিক এম্বাসেডর ও মডারেট
আমি ব্যবসায়ী নই, তবে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার চর্চা করছি। আমার সদাইপাতি এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভোর ফ্যাশন এই বন্ধি। নানা রং এর কাস্টমার সামাল দিতে হচ্ছে আমাকেই। সে এক ব্যস্ততায় দিন যায় আমার। এর ফাঁকে
নোয়াখালী জেলার সূর্বনচর উপজেলা সহ আরো ৮টি উপজেলার সমন্বয়ে নোয়াখালি ড্রিমওয়াল্ড পার্কে প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
প্রিয় মিরপুর মডেল জোন কর্তৃক আয়োজিত ১ লাখ মেম্বার সেলিব্রেশন এবং নতুন দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের বরন করে নেয়া এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে,
এর ব্যতিক্রম ছিল না মিথুন ভাই এর ক্ষেত্রে ও, তবে প্রিয় গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর থেকে তার মাথায় একটাই শব্দ শুনতে পাই আমাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হবে। একজন ভাল মানুষ হওয়া লাগবে। একজন পজিটিভ মানুষ হওয়া
আমার জীবনে আর একজন প্রিয় মানুষ হচ্ছে আমার খালু।যাকে আমি কাকা বলে ডাকি।আমার বাবা এবং আমার খালু দুই পরিবারের দুইজন। কিন্তু তারা দুইজন প্রায় একইরকম দেখতে ছিলো। তাদের দুইজনের গায়ের রঙও একইরকম ছিলো যেনো মন
তারা বললো এবার আর সময় নাই, এবং দোকানে ও অনেক কাজ,বাস্ আমার পড়াশোনার ইতি ঘটে গেল, তাদের ওখানে প্রায় তিন বছর চাকরি করলাম,তারপর আমি ভাবলাম আমি আর চাকরি
স্বাভাবিকভাবেই বাবার রাজকন্যা আমি, বাবা আমায় একেক সময় একেক নামে ডাকতেন, দিলকি টুকরা, আখোকা রোশনি, মা, স্বর্বজায়া এই নাম গুলো আমার মনে আছে ৷ছেলে বেলাটা গ্রামে কাঁটলেও গ্রামিন পরিবেশ বা গোরামি গুলো কখনো
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে
জীবনের এই কঠিন রঙ্গমঞ্চে ছোট্ট একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চাই। কাজ করতে চাই সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রের জন্য। বেঁচে থাকতে চাই কাজের মাধ্যমে এবং সৃষ্টির মাধ্যমে। দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য একজন কর্
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
সকলের কথা শুনে কোন কিছু না বলেই নিজের মতো করে যতটুকু পারি দিনমজুরের কাজ করে গেলাম এবং সাথে করে আমার যে স্কেল গুলো জানা আছে তার এগেনস্টে কাজ খোঁজ করতে থাকলাম। খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি এক মাসের মা
দারুণভাবে প্রোগ্রাম উপভোগ করছি । এরই মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আমার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে ছিলাম স্যার কে দেখার জন্য। স্যার অডিটোরিয়াম এ প্রবেশ করলেন হাসি
জীবনে চলার পথে বহু ভুল ভ্রান্তি, সিদ্ধান্তহীনতা, অপরাধ অনেক কিছুই করে ফেলেছি। অনেক ক্ষতি করেছি। ধিক্কার, বঞ্চনা, অপমানিত সবই হয়েছি। একটা সময় গেছে মনে হয় যেন বন্দিজীবন কাটিয়েছি। অভাব-অনটন অনুভব করে
অনেকক্ষন পর্যন্ত নানান কথাবার্তা বললাম।একপর্যায়ে সহেল বলল তাকে কিছু শার্ট, টি শার্ট ও পাঞ্জাবি দেখাতে। আমি : হোয়াটসঅ্যাপে দিয়ে দিচ্ছি একটু দেখে নিবে, কোন গুলো তোমার পছন্দ হয়। সহেল : কিছুক্ষণ পর সহেল
প্রচুর পোস্ট ও কমেন্ট, কমেন্ট রিপ্লাই করেছি। এটার জন্য মডারেটর ভাই ও বোনদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও চমৎকার একটিভিটি দিয়ে দিন রাত এক করে প্রত্যকটি পোস্ট চেক করে তবেই এ্যা
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১০০ জন অসহায় নারীর কর্ম সহস্থান করতে পারি দেশ ও সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারি।
মেলা উপলক্ষে উত্তরা জোনের আজকের আয়োজন চমৎকার ভালোবাসা দিয়ে সফল হয়েছে। সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অসাধারণ ছিল। অতিথি
বৃষ্টি সবার জন্যই পড়ে, কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। প্রিয় স্যারের এমন হাজারো বাণী কতই না পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে। বিশেষ করে প্রিয় স্যার এবং প্রিয় গ্রুপের এত এত প্রিয় মুখগুলোর কাছে সারা জীবন আমি কৃতজ্ঞ
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
অদম্য মানে যাকে দমিয়ে রাখা যায় না। টাংগাইলে গিয়ে বুঝছি ঘটনা তার ব্যাতিক্রম নয়। শহর থেকে বেশ দূরে কিন্তু আয়োজনে কোন কমতি নাই। প্রিয় মেন্টর এর উপস্থিতির অপেক্ষায় যেনো পুরো যমুনা রিসোর্ট অপেক্ষায়।
2015 সালে আমি বিয়ে করি, বিয়ের পর পরে আমি সবার কাছে খারাপ হয়ে যায়। বিভিন্ন রকম অপবাদের পর আমি ভাইয়ের দোকান থেকে রাগ করে চলে আসি। আসার পর আমি কিভাবে জিরু থেকে শুরু করব তা ভেবে পাচ্ছিনা।
প্রথম বার রক্তদান করার সময় মা জানতে পেরেছিলেন তখন তিনি অনেক দুশ্চিন্তা করছিলেন সাথে বাবা।