আমার বাবা একদিন জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলো তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে,বজ্রপাতে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করে। আমরা হয়ে গেলাম এতিম। আমার বাবা কে হারিয়ে যখন আমরা দিশেহারা ঠিক তখনই আমার চাচারা আমাদের ভাইদে
২০০৭সালে ৫ অক্টোবর আমি প্রথম মা হয়েছি সে এক নতুন অনুভূতি নতুন জগৎ নতুন আশা নতুন ভাবে বেঁচে থাকার শক্তি।কোল আলো করে আসে আমার বড় ছেলে শেখ ইউনুস রহমান সিয়াম। তখন থেকে স্বপ্ন দেখি ছেলেকে নিয়ে তাকে অনেক প
এই গ্রুপ আমাকে স্বস্তি দিয়েছে। উদ্যোক্তা হতে শিক্ষা ও উৎসাহ যুগিয়েছে। দুশ্চিন্তা দূর করে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে অনেক গুলো বন্ধুবান্ধব দিয়েছে। এখন আর আমাকে এয়ারপোর্টে বসে কাঁদতে হবে না
সেখানে অনেক মানুষ কাজ করবে, সারা পৃথিবী তে বাংলাদেশ এর নাম সুনাম ছড়িয়ে যাবে, অসহায় গরিব ও হতদরিদ্র মানুষকে সাহায্য করতে পারবো মন খুলে। আরো কিছু স্বপ্ন না বলাই থাক।
আমার উদ্যোগতা হতে আমাকে যে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে সে হচ্ছে আমার স্ত্রী। আমি হচ্ছি খুব অলস প্রকৃতির মানুষ চাকরি করছি বাকি সময় শুইয়ে বসে কাটিয়ে দি। আমার স্ত্রী সবসময় বলতো চাকরির পাশাপাশি যেন কিছু কর
নিজের জীবন টা নিজেকেই গুছিয়ে নিতে শিখতে হয়, যতই থাক নিজ মেধা শক্তি স্বপ্নকে ঘুমাতে দিতে হয়, কেননা এমনো সময় জীবন আসতে পারে নিজ মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজেই বেঁচে থাকার একমাত্র শক্তি হতে পারে। তাই নিজ
শুরুটা তখন থেকেই হয়েছিলো।লিখতে আরো বেশি অনুপ্রেরণা পেতাম। সকলে উৎসাহিত করতো।ভাল লাগতো এসব খুব।
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
২০০৯ সালের ১২ই অক্টোবর বেলা ১১টা৫৫ মিনিট, ঢাকা বারডেম হাসপাতাল আমার বাবাকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিয়ে গেছেন তার আপন 😭ঠিকানায়। সেই থেকে আমি এতিম😭 ফরহাদ। তারপর থেকে বুঝেছি আমার পড়াশোনা📚🖋️ কর
দিন এনে দির খায় এমন বেশ কিছু পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ
শারিরীক সমস্যা থাকার পরে রক্তদানে পিছিয়ে নেই এই ভাইটি মনের শক্তিটা সবচেয়ে বড় বিষয় স্যালুট ভাই 😍 👉অথচ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে /আমাকে সুস্থ রাখার সত্বেও রক্তদান করতে আপনি অনিহা প্রকাশ করেন কেনো?
তারা বললো এবার আর সময় নাই, এবং দোকানে ও অনেক কাজ,বাস্ আমার পড়াশোনার ইতি ঘটে গেল, তাদের ওখানে প্রায় তিন বছর চাকরি করলাম,তারপর আমি ভাবলাম আমি আর চাকরি
এই গ্রুপ থেকে যেই পরিমান ভালবাসা পেয়েছি,তার বিনিময়ে আমি কিছুই দিতে পারি নি।।আমি কৃতজ্ঞ আমাদের এক লক্ষ ভাই বোনের কাছে।। আমি কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের কাছে।।যেই ভালবাসা স্যার আমাকে দেখিয়েছ
সেখান থেকে ভালো মানুষ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করেন ফাউন্ডেশন থেকে আমাদেরকে একটি অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যেটা প্রতি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। যেন সকল উদ্যোক্তা, এখা
নিম্মি মানুষের কথায় তুই এখনও কষ্ট পাস?যারা তোকে নিয়ে মন্দ বলে তাদের দিকে একবার তাকা।তারাই বলে যারা তোর চাইতে খারাপ অবস্থানে আছে।তনয়া তো ফেইল করেছে,আর তার মা তোকে খারাপ কথা বলেছে তাহলে ভাব? যাদের কাজ ন
দিনটা ছিলো কোনো এক শনিবারের সকাল। পড়ালেখা নেই করোনাতে ঘর বন্ধি জীবন। কি ভাবে কাটাবো ফিউচার লাইফ সে চিন্তায় চিন্তায় ক্লান্ত। পড়ালেখা আর কোনো দিন চালু হবে কিনা তা অজানা। কি ভাবে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা
ডিউটি শেষ করে বের হলাম অনেক দিন পরে এক বদ্ধর সাথে দেখা হলো কথা হলো কুশল বিনিময় শেষে যখন আমি চলে আসবো তখন। বন্ধু ঃ চলো আজকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চমৎকার একটি ক্রিকেট ম্যাচ আছে দুজনে মিলে দেখবো আমি ঃনা ত
ছোট বেলা থেকেই কেন জানিনা আমি সবসময় গল্প করতাম আমি নিজে ব্যবসা করবো,আমি আমার টাকা দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবো।আপনারা সবাই আমাকে আর্শীবাদ করবেন আমি যেন আমার স্বপ্ন সত্যি করতে পারি। মুলত সেখ
আমি সর্বদা আতনিরভরশিলতা পছন্দ করতাম ।। ডিগ্রীতে পরাকালিন সময়ে ওয়ালতন কোম্পানিতে দেড় বছর জব করেসিল্ম । পরবর্তীতে চাকরী করার ভাবনা বাদ দিয়ে বিদেশে যাবার পরিকল্পনা শুরু করলাম। বাসায় কেউ চায়না আমি বিদেশ
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
আল্লাহর ইচ্ছায় দ্বীনের বুঝ আসে।আর পর্দা রক্ষা করে ঘরে বসেই আমি বিজনেস করতে পারছি।হালাল পথে আমার নিজের জন্য ও পরিবারের জন্য কিছু করতে পারছি। ✨জীবন থেকে একটা শিক্ষা মনে গেথে নিয়েছি --সব স্বপ্ন পুরন হয়ন
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
সকালে ঘুম ভাঙলো সূর্যের আলো চোখে পড়াতে। চোখ খুলেই দেখি আমাদের চারপাশে ওনেকগুলো কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে এবং মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে এবং আমাদের নিয়ে মজা নিচ্ছে। চুল নাক কান দেখে ধরে আশ্চর্য হচ্ছে। তাদের মজা নেয
কেরানীগঞ্জ জোনের সকল ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসাডর সহ সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের উপস্থিতে অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে আজকের মিটআপ।
আর বোলো না অনেকদিন ধরে বারী এন্টারপ্রাইজের সুমাইয়া বারী আপু চুপচাপ হয়ে আছে গত হাটেও দেখিনি, তাই মনটা খারাপ হয়েছিল। চিন্তা করছিলাম আপুর কি হলো। গতকাল আপুর সাথে যোগাযোগ হল এবং জানলাম বিজনেস গত কারণে
৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ উত্তরা জোনের, দক্ষিণ খান থানার মিটআপে লাইভ টিকেট সেল হয়েছে অনেক ।
গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া এই ৫টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা থেকে বিভক্ত হয়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গাজীপুর জেলায় এই ৫টি উপজেলা ছাড়া
অজস্র পুষ্পবৃষ্টি আর লাল গালিচা সম্বধনায় অতন্দ্র গাজীপুর জেলা বরণ করে নিলো লক্ষ তরুণ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা লক্ষ ভালোমানুষের ও শত সহস্র উদ্দ্যোক্তার কারিগর প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
রক্তদানে কেউ আমরা পিছিয়ে থাকবো না। বিশেষ করে আমাদের নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের করো যদি কখনো ব্লাড লাগে আমরা সবাই মিলে ওনার জন্য কাজ করমো। রক্তদানে কোনো ক্ষতি নাই বরং নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আ
আমার দাদী আমার কষ্ট দেখে বলত দাদাভাই তুমি একদিন অনেক বড় হইবা, একদিন অনেক টাকা হবে তোমার এমনো সময় ছিল আমি জুতা পায়ে দিয়ে স্কুলে যেতে পারতাম না টাকার অভাবে, তায় কান্না করতাম তখন আমার দাদী বলত দাদাভাই এক
"নিজে কিছু করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো!!" বলতে পারেন সাবলম্বী হওয়ার একটা ইচ্ছা থেকে ২০১৮ এর শেষের দিকে আমি ঘরোয়া পরিবেশে স্বামীর কাছ থেকে অল্প পুজি নিয়ে কাপড়ের বিজনেস শুরু করি। বিজনেস বেশ ভালোই চলছিলো।
রানা রহমান ভাই এবং করিম ভাইকে অনলাইনের ব্যবসা সম্পর্কে বুঝানোর পরে তারা অনলাইনের প্রতি বিশ্বস্ততা পান এবং রানাকে বলেন তারাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা প্রথম বার অনলাইন থেকেই কেনাকাটা করবেন। যেহে
স্যারের সেশন যেন আমার মধ্যে আত্ববিশ্বাস এতটাই বারিয়ে দিয়েছিল সব বাধাগুলো যেন আমার কাজের গতি আরও বারিয়ে দিত।
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
যাদের টিকিট ইসু করতে সমস্যা ছিল আজকে মিটিংয়ে উপস্থিত হয়ে আমাদের টিকিট হেল্প ডেস্ক এর মাধ্যমে টিকিট নিতেপেরেছেন আলহামদুলিল্লাহ।
মোটামুটি ১৪ দীন একটানা আমার মায়ের সাথে মক্কা হারাম শরিফ উমরা তওয়াফ ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেয়ারা ও মদীনা মসজীদে নববী রাসুল (সাঃ) এর রওজা মোবাকর ও রাসুল (সাঃ)এবং আবু বকর ওমর ইবেন খাত্তাব (রাঃ) ও ওহুদ
শীত চলেই আসলো।শীত মানে বাড়ছি শুষ্কতা।বাতাসে আদ্রতার অভাব,ফলে আমাদের ত্বক স্বাভাবিক ভাবেই রুক্ষ হয়ে পড়ে। প্রাণহীন ত্বককে সতেজ করার জন্য বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।এর জন্য সবার আগে ময়াশ্চারাইজারের প্রয়োজন।ময়াশ্
যেদিন সৌদি আসার পূর্বে বেগ গুছাই। সাথে গল্পের বই এবং খাতা কলম সহ বেগ গুছিয়েছিলাম আমার বড় বোন আমাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি কি স্কুলে পড়তে যাবি। তখন আমার বোনকে বলেছিলাম দোলনা থেকে কবর পযর্ন্ত শিক্ষা
ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটি কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় @Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বগুড়া জেলা টিম ।
সপ্তাহের সব গল্প গুলো জমিয়ে রাখি সেরা গল্প টা হাট বারে আপনাদের সাথে শেয়ার করব বলে। আজও একটা মজার গল্প নিয়ে এসেছি।আশা করি সবাই পড়বেন।আমার উদ্যোক্তা জীবনের পণ্য সেলের মজার একটা গল্প বলব আজ।
পরিবারের কাউকে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ অটো চালকের বাড়িতে নেওয়ার পর শুরু হয় ফয়সালে দুষ্টামীর চরম সীমা। যা আমাদের সবাইকে বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পেলে দেয়।
চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দ্যেগে তৃতীয় বারের অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এই বছরে ৮০০ জন অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে পটুয়াখালী জেলা সহ সকল উ
আজ থেকে ৩ বছর আগের কথা। তখন আমার জীবনে হঠাৎ দুঃসময় নেমে আসে। লোককে বলতে শুনেছি, দুঃখ যখন আসে সর্বদিক থেকে আসে। সবদিক থেকে ধাক্কা আসে। আমারও ঠিক সব দিক থেকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিলো। এমনকি
সেল পোস্ট করার পর অনেক কমেন্ট আসে।আলহামদুলিল্লাহ সবাই পজেটিভ এবং গঠন মূলক কমেন্ট করে।অনেকেই কাঁথার দাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে।কেউ কেউ ইনবক্সে মেসেজ দিয়েছে।সবাইকে রিপ্লাই দিয়েছি।বিকালেই একজন ভাইয়া ইনবক
শুরুতে কৃতজ্ঞতা জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে, স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন