তারুণ্যের মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় এই মিট আপের শুভসূচনা করা হয় , একে একে আমরা সকল উপজেলায় মিটআপ করবো ইনশাআল্লাহ।
দাদী - কি তাহলে? আচ্ছা আমি চুপ হয়ে গেলাম তুই বল। ঈশানা - আমি তোমায় মাঝে মাঝেই বলিনা। দাদী আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন নামে একটা ফেসবুক গ্রুপে এড হইছি। দাদী - কি জানি? সে কি আমার মনে আছে?
কিভাবে যেতে হবে তাও জানি না, একা একা এতো দূরের রাস্তা কখনো যাওয়া হয়নি । কি- ভাবে যাবো টেনশন হচ্ছে ?
আমার মায়ের পাশে দাড়াতে চাই। একদম ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি আমার মাকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে। আমার মা একাই ঘরে বাহিরে সবদিক সামলায়। আমার মায়ের ছোট্ট একটা বিজনেস (পার্লার) আছে। তার সাথে সাথে তিনি একজন শিক
আর আমিও এটা এখন পুরোপুরি নিজের জীবন উপলব্ধি করতে পারছি। সবকিছুই যখন শেষ হয়ে যাচ্ছিল তখনই এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নিজেকে বদলাতে পেরেছি এবং আবার সবকিছু ফিরে পেয়েছি। এখন আমার আর কোন চিন্তা নাই।
সকাল থেকেই কাজের খুব চাপ যাচ্ছে আজ। কারন ছোট বোনের শাশুড়ি, ননাস , তার হাসবেন্ড ও ২ বাচ্চা সহ পুরো পরিবার আসতেছে আমাদের বাসায় । তাই কাজ গুলো একটু গুছিয়ে নিয়ে নিজেও একটু পরিপাটি হয়ে নিলাম কারন অতিথি আ
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
আমি নিজে কিছু করার চেষ্টা করবো। এরমধ্যে গলায় একটা স্বর্নের চেইন ছিলো কাউকে না জানিয়ে আমি ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় অই চেইন বিক্রি করে আমি ব্লক, বাটিক,এম্বুশ,ব্রাশ পেইন্ট,জারদৌসি,হাজারী বুটিক এমন আরো অন
প্রবাস জীবন কতটা কষ্টের দেশে অবস্থান করে সেটা বুঝার মতো ক্যাপাসিটি কারো নেই। প্রবাস জীবনের কষ্টটা উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলো একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। তার জন্য প্রয়োজন সততা ও লেগে থাকা, এটা শুধু অর্থনৈতিক সততা নয়, সম্পর্কের সততা ও কমিটমেন্ট
🌹🌺 আজকের চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবং অতিথি ও দায়িত্বশীলদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুষ্টান পরিচলনা করেন কর্ণফুলী জোন এম্ব্যাসেডর Reaz Kamal He
কুষ্টিয়া জেলার এতিম দের মাঝে প্রয়োজনীয় ও উপহার সামগ্রী বিতরণ
কারন ব্যবসার কথা বললে আত্মীয় স্বজনরা কেউ এই টাকা ধার দিতো না।আমাদের দেশে ব্যবসার কথা বললে আত্মীয় স্বজনরা কেউ এই পাসে আছে না। প্রবাস এর কথা বললে তখন সবাই এসে পাসে দারায়। আর তখন আমার মাথায় একটাি চিন্তা
এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে জীবন পাল্টে গেছে। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমার জীবন টা কে পাল্টে দিয়েছেন। স্যারের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
আর বোলো না অনেকদিন ধরে বারী এন্টারপ্রাইজের সুমাইয়া বারী আপু চুপচাপ হয়ে আছে গত হাটেও দেখিনি, তাই মনটা খারাপ হয়েছিল। চিন্তা করছিলাম আপুর কি হলো। গতকাল আপুর সাথে যোগাযোগ হল এবং জানলাম বিজনেস গত কারণে
আমার পরিচিত দের মধ্যে কম বেশি সবাই জানেন যে, আমি হোম মেড আপেল সিডার ভিনেগার উইথ দা মাদার নিয়ে কাজ করছি।
আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের সাথে লড়াই করতে গিয়ে আমা
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য মাগো তোমার ছেলে সাহসিকতার শক্তি আজকে মাওনা থেকে এসেছে ময়মনসিংহে রক্তদান করে। মাগো তুমি ধন্য তোমার এমন ছেলের জন্ম দিয়ে ..
নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্ধীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উদ্যোক্তা সম্মেলন -2020 এর প্রস্তুতি এবং প্রচারনা চলছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে - ইনশাআল্লাহ 500+ সদস্য উপস্থিত থাকবে আপনি আসছেন ত??
আমি আমার এই বয়সে জীবিকার তাগিদে অনেক কিছু করেছি,,চাকরি, ব্যবসা এমনকি বিদেশ ও গিয়েছি কিন্তু কোনো কাজেই সফল হতে পারিনি,তার একমাত্র কারন হচ্ছে কোনোটাই আমি ভাবিয়া /চিন্তা করে করিনি। 👉স্যার গতকালের সেশনে
নরসিংদী জেলা টিমের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভকামনা এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠান আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
★মিট আপ+আনন্দ ভ্রমণ! মৌলভীবাজার জেলা 06/09/19 তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময়, দোলনচাঁপা ইকো পার্ক কুলাউড়ায়। সবার প্রথমে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সকলের প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার কে।স্যার এর কারনে আমর
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
অভাব অনটনের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেলাম ঢাকা শহরে । কাজের জন্য অনেক ঘুড়া ঘুড়ি করলাম । কোন কাজ কাম পেলাম না । বাধ্য হয়ে রাজ মিস্ত্রী এবং রং মিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ নিলাম । এই ভাবে আমার ২ বছর ঢাকা
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি জোনের ধারাবাহিক ১১ তম ফিজিক্যাল মাসিক মিট আপ ও টিকেট সেল উৎসব।
করোনা এসে যেন সবার প্রথম আমাদের ই আঘাত দিল। আব্বু করোনা আক্রান্ত হইল এবং ভয়াবহ অবস্থা কেউ ভাবেনি আব্বু বেচে যাবে।আব্বুকে প্রথমে প্রাইভেট মেডিকেল এ ভর্তি করলাম সেখানে এক রাতে আমাদের বিল ৫৬০০০ টাকা। তার
আজ ২১ই জানুয়ারি ২০২০ খ্রীস্টাব্দ নিজের বলার মত গল্প গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ৯০ দিনের শেষ দিন। গ্রুপের ৮ম ব্যাচের ২৮তম দিন থেকে এই গ্রুপের সাথে আমার যাত্রা। গত ৬১ দিনের স্যারের প্রতিটি পোস্টসহ পুরো ৯০ দিনের
বর্তমানে করনো ভাইরাসের কারণে আমাদের বেশ কিছু মালের অর্ডার স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এমনকি কয়েকটা কোম্পানির সাথে পণ্যের অর্ডার স্থির রাখতে হয়েছে। তবে মাথায় এখন পরিকল্পনা চলছে বর্তমান প্রেক্ষিতে কি করা
আমি সব খবর রাখি। শুধু তাই নয়। ঢাকার মধ্যে একেবারে ফ্রী ডেলিভারি ১ কেজি হাফ কেজি। আর ঢাকার বাইরে ১কজি ১০০ টাকা মাএ ডেলিভারি চার্জ নেয়া হয় ৬০ টাকা ফ্রী কারন সুন্দর বন ও এস, এ পরিবহনে পাঠানো হয় বলে।
নিজের বলার মত গল্প গ্রুপ আমাকে এবং আমার স্বপ্ন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে, প্রিয় স্যারের প্রতিটি সেশন আমাকে চম্বুকের মতো আকর্ষিত করে বলেই আজ আমি আমার সমস্ত স্বপ্ন পুরন করতে সাহস পাই প্রতিনিয়ত,
রত্নদ্বীপ পিরিজপুর জেলার সকলের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশ ও বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশের সকল দায়িত্বশীল এবং সদস্যদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইল।
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনে ব্যানারের, অসহায় দরিদ্র ও মাদ্রাসার এতিম খানায় শীতবস্ত্র বিতরণ আয়োজনে রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা
A platform of 'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) is empowering youths by connecting inspiring tales from different corners of Bangladesh. NBMEGF has inspired 100 thousand entrepreneur
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলার কালিগন্জ উপজেলা মিটআপ
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
একটা সুন্দর সাজানো গুছানো জীবন কিছু মাসের মাঝে অগোছালো হয়ে উঠেছিলো।বাবার অনেক চাওয়ার,অনেক আদরের মেয়ে ছিলাম আমি।আম্মু বলে আমি পেটে ছিলাম সময় আব্বু নাকি মানত করেছিলো যেন মেয়ে হয়।সবার বড় মেয়ে আমি।ছোট থেক
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
মায়ের মৃত্যুর পর আমার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বাবার অনুরোধে আমি প্রায় ৩ বছর পর H S C পরীক্ষা দিয়ে পাশ করি। BBA ও কম্পিলিট করি। ছোট ভাই অবশ্য ২০০৭ সালে S S C পাশ করেন। বাবা, বালিয়াকান্দি বাজারে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় তথ্য মন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু। নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার, তরুণ প্রজম্মের জনপ্রিয়
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
বরিশাল বিভাগের সকল দায়িত্বশীল ভাইবোনেরা ও সদস্যবৃন্দ সকলে মিলে শীত বস্ত্র বিতরণ এর আয়োজন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।।
কাজ শুরু করছি এবং জমানোর অভ্যাস তো আছেই ঘুরে দাড়ানোর প্রবল আগ্রহ আর বড় হওয়ার স্বপ্ন এবার অনেক জেদি হয়ে গেছি।।।।
যদি ভালো সম্পর্ক গড়তে পারি..! বিশ্বাস অর্জন করতে পারি..! নেটওয়ার্কিং করতে পারি..! নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পারি..! তাহলে দেশে এসে কাজ শুরু করলে আমাকে একদিনও বসে থাকতে হবে না। তাই প্রিয় স্যারের শিক্ষা
একদিন বাবা বললেন, এই দিকে আয়, হালচাষ কিভাবে করতে হয়, শিখিয়ে দেই। বাবা শিখালেন গরু সোজা চলার জন্য কি বলতে হয়, বাঁক ঘুরতে কি বলতে হয়। কি সাবধানতা, গরু পায়ের দিকে লাঙ্গল যাতে কোন ভাবে না লাগে। এই হলো..
হাফিজ , আমাদের স্যার , একদিন প্রবাসীদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন, আপনারা যারা প্রবাসী ,আপনারা দেশে একেবারে আসার আগে , দেশে যে কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে,তার পর দেশে একেবারে চলে আসবেন । আপনি একা না পারলে , কাউকে
আজ ২২/১০/২০২১ ইং রোজ শুক্রবার রোজ শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত
কষ্টের কাজ হঠাৎ একদিন বালু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় ছোট গাড়ি সৌদি আরবে যাকে আরাবী বলে এক চাকার এত লোক ছিল আমি কন্ট্রোল করতে না পারার কারণে আমার পায়ের উপর পড়ে যায় এবং অনেক ফুলে যায
এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে, সম্প্রতি চার বন্ধু মিলে আমরা নতুন একটি যৌথ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান খুলেছি। নাম দিয়েছি,"বাংলাদেশ অর্গানিক ফুডস্ এন্ড ফ্যাশন"। চৌষট্টি জেলায় এখন আমরা পণ্য সরবরাহ করে থাকি। আমাদের
আমরা আশ্চর্য হলাম। এটাই গরুর শেষ খাবার ভেবে সে আর খেল না হাতে যে ২ দিন ছিল সে সময়টার মধ্যে। সে প্রায় না খেয়েই ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে খাওয়ানো গেলো না। 🌿অবশেষে চলে এল সেই দিন। কোরবানীর দিন। সকাল