সফলভাবে শিবচর উপজেলা মীট আপ সম্পন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
প্রবাস জীবন শিখিয়েছে কীভাবে কিভাবে আশপাশে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুকেই এড়িয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে হয়। 👉নিরাশার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া ছেলেটা হাতে হাত চেপে, চোখের নোনাজলকে উপেক্ষা করে বলতে শিখেছে,
পঞ্চগড় জেলায় ঈদ আড্ডা ও ২০০০ তম দিন উৎযাপন প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়।
করোনায় যখন সবকিছু আটকা লকডাউনে কেউ বেরোতে পারেনা, তখন আমার হ্যাজব্যান্ডের সার্জিক্যালের একটা বিজনেস ছিলো আমি সেটা দেখাশুনা করতাম, করতে করতে আমার ভিতরে সাহস আসতে শুরু করলো, আমার হ্যাজব্যান্ড আইডিয়া
প্রিয় স্যার এর পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের হবিগঞ্জ জেলায় সুন্দর ভাবে আয়োজন টি সম্পুর্ন করতে পেরেছি, সে জন্য প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থে
শুধু মাত্র মালদ্বীপ এর ১০রুপিয়া অর্থাৎ বাংলাদেশের ৫০ টাকা ক্যাশ ছিলো আমার।আমি দশটি অরেঞ্জ কিনলাম,দশ রুপিয়া দিয়ে দশ মিনিট পর এই অরেঞ্জ গুলো বিক্রি করলাম ২০ রুপিয়া, আমার ১০ রুপিয়া দশ মিনিটে লাভ হলে...
ভোলা জেলা হয়ে গেল স্বপ্নবাজ ভালো মানুষের মিলন মেলা,
কোথায় যাব দুপুর থেকে না খেয়ে রাত্রি ৮ টা পার করে দিলাম এভাবেই আমার অফিস থেকে অন্যান্য কর্মচারীরা আসছে এসে সবাই সবার মত বিছানা করে শুয়ে পড়ছে ৮:৩০এর দিকে বয়স্ক করে এক চাচা আসলো আমার পাশে তার বেটা স
আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না, খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলাম মন খুব খারাপ😥 এদিকে সহপাঠীরা কল দিচ্ছে, কোন কলেজে ভর্তি হবি, কবে? ওদেরকে বললাম পরে জানাবো। আমি অনেক ভাবলাম কি করা যায় হঠাত বড় দুলাভাইর কথা
কাউকে না যানানোর কারন আমার অনেক টাকা দেনা।এজেন্সি থেকে যেই লোকটার বিশা হয়েছিল তার পাঁচ লক্ষ টাকা লাগছে এবং শর্ত ছিল এই টাকার কথা
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাই। জীবনে সফল হওয়ার জন্য এখন থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা এবং ভালোবাসা থাকলে অবশ্যই সফল হব। ইনশাল্লাহ। আমি চাই জীবনে সফল হয়ে আমার কাছের মানুষগুলোকে আ
শুরুতে আমি ৪০,০০০ টাকা দিয়ে ব্যাবসা শুরু করি।আজকে আমার মুলধন ৫০,০০০০ লাখ টাকা। এটা শুধু আমার একটা ব্যান্ড এর কথা বললাম,বাকীগুলা না হয় নাই বললাম। আমার ব্যাবসা দাঁড় করাতে গিয়ে আমাকে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা
আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।এভাবে গত কয়েকদিন ধরে চলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার জেলা চুয়াডাঙ্গার পাশে থাকার জন্য।
গতকালকের মিটআপ ছিলো মালয়েশিয়া টিমের জন্য খুবই আনান্দের দিন। কারণ দীর্ঘ ২ বছর পরে সবাই সবার সাথে দেখা করা এক টেবিলে বসে লান্স করা, আড্ডা দেওয়া সব কিছু সম্ভব হয়েছে। আমরা বিগত যতগুলো অফলাইন মিটআপ করেছি গ
কোন কথার সাথে সাথে জবাব না দিয়ে একটু সময় নিয়ে জবাব দেওয়ার সু কৌশল অবলম্বন করার শিক্ষা পেয়েছি। পেয়েছি মুখে জবাব না দিয়ে কাজের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার পরম সু শিক্ষা। হৃদয় উজাড় করে কাজকে ভালোবেসে
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
আমার বিজনেসটা যখন শুরু করেছি কাউকে আমার পাশে পাইনি এক পর্যায়ে যুদ্ধ করে শুরু করেছিলাম মাত্র ৭হাজার টাকা নিয়ে মহিলাদের ড্রেস নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার অনেক অনেক প্রাপ্তি,,
উদ্যোক্তা ভিত্তিক প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটি গল্প প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলা, ৪৯২টি উপজেলা ও ৫০টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মোট সাড়ে ছয় লাখের বেশি
বাসে আসার সাথেই বুঝে নিয়েছিলাম জীবন কি জিনিস। যে দিন এসেছিলাম তার পর দিন থেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। ভালো পান্ট-শার্ট পড়ে যখন গাড়িতে করে কাজের স্থানে নিয়ে যায়।তখন মনে স্বপ্ন চোখ দিয়ে বের হয়ে উঠে গেল ওই ন
এসএসসি পাশ করলাম কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, কিন্তু...............আমি দেখেছি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাব, অনাটন, বড় বোনের বিয়ে ছোট ভাই বোনদের, পড়ালেখার খরচ সংসারের খরচ।আমার মধ্যে একটি জেদ সবসম
এগুলো আমি দর্জি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কোর্স কমপ্লিট করি। কিন্তু শখের বসে শেখা আমার খুব ভালো লাগতো। আমি বাসায়ও ট্রেনিং সেন্টার দিয়েছিলাম। সব সামলিয়ে বিকেল বেলা মহিলাদের শিখাতাম। আমার সব সময় মহিলাদের নি
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
খুব মনখারাপ করে হোস্টেলে ফিরে অনেক ভাবলাম কিন্তু কিছুতেই ভেবে বুঝে উঠিনি মেয়েরা লবনের মতন মূল্যবান কেমনে হয়? লবণ ও কি একটা জিনিষ তুলনা করার মতন? পরেরদিন পড়তে গেলাম স্যার জিগ্যেস করলো, কি ভেবে পাইছিস
2008এ আমার জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব আসে জামাই সৌদি আরব থাকে ওরা। অনেক বড় লোক এমনিতেই তারপর কথা বার্তা বলে বিয়ে হয়ে যায় যেদিন বর যাত্রী আসবে আমাদের বাড়ি ওই আমার ভাই যানতে পারে জামাইর মাথায় সমস্যা তখন আ
বিনা মূল্যে টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনে নাটোর জেলা টিম, আলহামদুলিল্লাহ সফল আয়োজন। সবাই মিলে একটা সুন্দর দিন পাড় করলাম আলহামদুলিল্লাহ। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর I
নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই – এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং অনেক সময় দিই। গত ৪ বছরে প্রায় ৫০০,০০০ জন তরুণের মাঝে এই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পেরেছি – এটাই ব
আমার স্বপ্ন সন্তানদের লেখাপড়া শেষে শীঘ্রই দেশে ফিরবো, খামার এবং আরো কিছু কার্যক্রম করবো ইনশাআল্লাহ, বিজয়ের মঞ্চে সেরা উদ্যেক্তার পুরস্কার নিব।
জীবনের বাস্তবতার বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা _পরিস্থিতি যতই নিষ্ঠুর হউক বা যতই কষ্ট হউক না কেন- তা সয়ে নিতে হয়, মেনে নিতে হয় জীবনের প্রয়োজনেই। অন্যদের আনন্দের জন্য _জীবনে কষ্ট আসল
অংশগ্রহণকারী সকল সদস্যদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে আপনারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে
Bahar is teaching his 20th batch with an exceptional record of around 1800 days of consecutive workshops for free on entrepreneurship, previously unseen in Bangladesh. He has been awarded for organizi
বিয়ের কিছুদিন পর জানলাম স্বামীর বাজে নেশা আছে সে টাকা দিয়ে জুয়া খেলে। অনেক চেষ্টা করলাম ভালো করার জন্য কিন্তু হলো না বাবার বাড়ি থেকে টাকা গয়না সব শেষ করে দিলো আমার, এবং নানা ধরনের মানসিক শারীরিক
“৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে গতকাল ২৪-১২-২১ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আনন্দ ভ
ভালবাসায় পরিপূর্ণ একটি আয়োজন ছিলো সারা দিন।
এরপর হঠাৎ করেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেক নিয়ে কাজ শুরু করব। যেই ভাবা সেই কাজ। বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া কিছু টাকা এবং হাজবেন্ডের সহযোগিতায় কেক বানানোর সরঞ্জাম কিনলাম এবং বেশ কয়েকটি কেক বানালাম।
অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি দারুন একটা সময় পার করলাম। আমাদের পরবর্তী মিটাপ যেনো আরো অনেক বড় পরিসরে করতে পারি, সবাই দোয়া করবেন।
July 22, 2020 · সবুজে সবুজে বাংলাদেশ - নিজের বলার মত একটা গল্প প্লাটফর্মের উদ্যোগে সবুজ হবে সারা বাংলাদেশ, তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলার আয়োজনে রেল স্টেশনে বৃক্ষ রোপন করা হয়। ধন্যবাদ খুলনার সকল সদস
আমার #লক্ষ্মীপুর জেলার এক প্রিয় আপু। Mukta Bhuiyan আপু হঠাৎ সে দিন কয়েকটা কাঁথার পিক দিয়ে বললেন আপু এগুলার সাইজ দাম বলেন। আমি তো অবাক কি ব্যাপার আপু কাঁথা অর্ডার করছে কেনো।আপুকে দাম এবং সাইজ বলে দিলাম
,🌿🌿আজ ঝিনাইদহ জেলা কর্তৃক আয়োজিত অফলাইন মিটআপের আয়োজন করা হয়েছিলো
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
অফিস শেষ করে অন্যদিকে যাওয়ার মকো এনার্জি নেই তাই সোজা বাসায় এসেছে ইফতারের টেবিলে যখন গ্লাসের মধ্যে শরবত দেখতে পায় তখন রবিনের মনে পড়ে গেল বাজার করার সময়তো সে ট্যাং নিতেই ভুলে গেছে। তাহলে এখানে কিভাবে
হাসবে রোগী বাচবে প্রান আমরা করবো রক্তদান
এইবার জব পাওয়ার লড়াইয়ে নেমে পরলাম।এর মধ্যে আমার খুব ইচ্ছে ছিল সি এ(C.A) করার কিন্ত আমার মা কিছুতেই রাজি হল না।বলে আমি কি সারা জীবন শুধু পড়ালেখায় করব।অনেক পড়েছি আর পরতে হবে না।তার পর পি এস সির আন্ডারে
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
🍀2018 সালের শেষের দিকটায় একটা রিক্রুটিং লাইসেন্স এর অফার পেলেন। যেহেতু সে এই লাইনের কাজ গুলো ভাল বোঝেন তাই আমি আর না করি নি। নিজের জমানো টাকা ছিল দিয়ে দিলাম। গহনা ছিল অনেক সেল করে দিলাম। রিলেটিভসদ
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
🌸আমার স্বপ্ন: আসলে মেয়েদের কোন বাড়ি হয় না।তাই আমার স্বপ্ন যদি বেঁচে থাকি সবার আগে নিজের একটা বাড়ি তৈরি করব। ইনশাআল্লাহ।হোক না সেটা ছোট। অন্তত কেউ কোনদিন বলতে পারবে না যে আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে
অযথা ছাদ ফেলে না রেখে সুন্দর পরিবেশ ও ফ্রেশ ফরমালিন মুক্ত ফলমূলের জন্য ছাদ বাগানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সবাই ভাল থাকবেন।
স্যারের দুঃসাহসিক সিদ্ধান্তে ১৬৪ জন সদস্য নিয়ে আমাদের ফাউন্ডেশন এর শুরু হলেও এখন আমাদের ২লক্ষ ২১ হাজার আজীবন সদস্য আছেন।
চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন পালন করা হলো। বগুড়া জেলা টিম আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।