আম্মুর কাজে সহযোগিতা করতাম। মুলত সেখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু যে আমি বড় হয়ে চাকরীর পাশাপাশি, নিজে কিছু করবো। এবং নিজেকে গড়ে তুলতে সময়মতো পেয়ে গেলাম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। তাই
গর্ব করে বলতে পারি আমরা সৎ, ভালো এবং আদর্শবান পিতা-মাতার সন্তান। আমরা চার বোন দুই ভাই ছিলাম।আমার বড় আপা ২০১৫ সালে ক্যান্সারজনিত রোগে মারা যান।পরিবারের সবার বড় সন্তান মারা যাওয়াতে বাবা-মা খুব ভেঙ্গে পড়
কুড়িগ্রাম জেলায় বর্নাতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ
এভাবেই উদ্যোক্তা ক্লাবের চিঠি পৌঁছে যাবে পুরো বাংলাদেশের প্রতিটি কলেজে ইনশাআল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম আমি ডেমরা থানা এম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পাই কয়েকমাস
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
আলহামদুলিল্লাহ আজ ০৪/১২/২০২২ ইং, রোজ: রবিবার.... ঢাকা জেলার মডেল জোন ওয়ারীর অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল কলেজে প্রিয় মেন্টর, প্রিয় স্যার Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি ও একটি বই ক্লাব তৈরির
গ্রুপে আসার আগেঃ অনেক বড় বড় স্বপ্ন ছিল, আছে, সেই স্বপ্ন অনুসারে গাইডলাইন আর সাহস পেতামনা, অনেক হতাশা, আর অনেক ডিপ্রেশন কাজ করত আমার মধ্যে, হেরে যাওয়ার ভয় থাকত, আমি কথা বলতাম পারতাম না কারো ও সাথে কিন্
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ (বাবাকে নিয়ে আমার জিবনের সুখ ও দুঃখের কাহিনি) ---সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাদেরকে এই
স্বপ্ন দেখুন সাহস করুন লেগে থাকুন সফলতা আসবেই🌹বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে ভেজে কেউ কেউ। বর্তমান,শুভ দিন ✅ফাউন্ডেশন যুক্ত থেকে টানা ৯০ ক্লাস শেষ করে, আজ আমরা ২ জন মিলে একটা, এস এ এস এগ্রো ফুডস্ (বন্ধন) 🌶
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মিট আপ
আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।ইচ্ছা হচ্ছিল বলতে আপনার মেয়েকে তো বলতে পারেন কাজে আমাকে একটু সাহায্য করতে।সব কাজ কী এখন আমি একা করতে পারবো!! কী হলো যাও রান্নাঘরে।আর শোন
একদিন বাজারে আগুণ লাগে। অনেকগুলো দোকানের সাথে সাথে ওই দোকানটা ও পুড়ে যায়। তারপর দোকানদারের কান্না দেখে খুব মন খারাপ হলো। ভাবলাম কি করা যায়। ওনার সাথে কথা বললাম কদিন পর। উনি আবার শুরু করতে চাচ্ছেন, কিন
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
আমি আমার বাবা মার প্রথম সন্তান আমি যখন মায়ের কোল জুড়ে জন্ম গ্রহণ করলাম তখন আবার বাবা শুনতে পেলো মেয়ে জন্ম হয়েছে তখন বাবা আর খুশি হলো না, তিনি চেয়েছিলো ছেলে হক কিন্তু মেয়ে হওয়ায় আমার মাকে কিছু দিন
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো তানজিমুল উম্মাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সুবিধাবঞ্চিত এতিম হাফেজ শিশুদের সাথে অতন্দ্র গাজীপুর জেলার ইফতার ও দোয়া মাহফিল।
উনার সাথে আমার পরিচয় এই গ্রুপ থেকে, প্রথম পরিচয়, ওনার একটা পোস্ট এর মধ্যে উনি লিখেছিলেন উনি দুবাই থাকে, তখন ওনাকে মেনশন করলাম ওনার ইনবক্স দেখার জন্য, পরে উনার সাথে পরিচিত হয়ে কথা বললাম, কথা বলে এত
সুখ- দুঃখ হাসি কান্না -প্রবাস মানেই কস্টের বন্যা - তবুও, পরিবার ও দেশের চাকা ঘুরাই -পাশাপাশি উদ্যোক্তা হবার স্বপ্নও সাজাই।
আসছে মাহে রমজান উপলক্ষে, আমাদের ফেনী জেলার প্রস্তুতি সহ মাসিক মিট আপের আয়োজন করা হয়েছে |
বরিশাল বিভাগের সকল দায়িত্বশীল ভাইবোনেরা ও সদস্যবৃন্দ সকলে মিলে শীত বস্ত্র বিতরণ এর আয়োজন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।।
স্যারের আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত ভলান্টিয়ারিং সামাজিক ও মানবিক কাজগুলো করে চলেছেন ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ প্রাণ ভলান্টিয়ারগণ।
একটু বড় হয়ে যখন ড্রইং করা শিখলাম জাতীয় পতাকা হয়তো আমাদের প্রায় সকলের ই ড্রয়িং করার শুরুর দিকের একটি ছবি থাকে।কিন্তু তখন আমরা এই সবুজের বুকে লাল কেন বুঝতাম না,বললেও না,তখন বুঝার মতো বয়স আমাদের ছিলোনা।ক
ক্লাস ১০ থেকে earn করা একটা মেয়ে প্র্যাগনেন্সির টাইমে হঠাৎ জব ছেড়ে দিয়ে শূণ্য হাতে যখন ঘরে বসে থাকে..... তখন তাকে কি মানসিক দীনতা নিয়ে বাঁচতে হয়েছে তা বোধ হয় সে মেয়েটি ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে পারবে না
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
বর্তমানে দুচোখে স্বপ্ন ভরা একজন তরুণ উদ্যোক্তা। এখন আমি সবার সামনে গর্ব করে বলি আমি একজন উদ্যোক্তা। যাইহোক এখন ফিরে যাই আমার অতীতে। স্কুল পেরিয়ে কলেজ কলেজ পেরিয়ে ভার্সিটি এই দীর্ঘ সময় ধরে সেই একই স
১০০০ তম দিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জ এর মানিকরাও জমকালো আয়োজন করেছি।এটা আমাদের জন্য স্বরনীয় একটি দিন হয়ে থাকবে।প্রোগ্রামের পাশাপাশি করেছি সামাজিক কিছু কাজ যা মনের দিক দিয়ে শান্তি দিয়েছে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মান
আমার বড় ছেলে ক্লাস সেভেন এ পড়ে তো ছেলের নতুন বয়স্ক স্যার প্রাইভেট পড়াই তবে স্যারের সাথে আমার তেমন কথা হয় না কারণ আমি মাঝে অনেক দিন অসুস্হ ছিলাম। আজ স্যারকে নাস্তা দিতে গেলে স্যার বলছে আপনি কি সুস্হ হয়
ফেনী সদর উপজেলা পক্ষ থেকে হঠাৎ মিটআপ আয়োজন। আমাদের সাথে দায়িত্বশীল ও 24 তম ব্যাচের আপুরা উপস্থিত আছেন।
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
নিমিষেই সমস্ত হতাশা ধুর হয়ে গেলো, আর তখনই ৮ম ব্যাচে রেজিষ্ট্রেশন করে নিলাম এবং কি টানা ৯০ দিনের প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন ফ্রী তে বিনামূল্যে স্কেল গুলা আয়ত্ব করে নিলাম। নিজের পরিচিতির জন্য, নিজেকে ব্যান্ড
কত কস্ট করেছি ইউক্রেন তার ছোট একটা অংশ শেয়ার করছি।টানা ৮ মাস ভাত কি জিনিস তা চোখে দেখিনি খাওয়া ত দুরের কথা। ইউক্রেন সময় দুপুর ১২ টায় ২ পিছ পাউরুটি আর হাফ গ্লাস পানি আর রাত ১২ টায় সেইম খাবার ।নাটকিয় এ
আমাদের মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় উওরা জোনের পক্ষ থেকে তুরাগ নদীর তীরে বেদে পরিবারের জন্য শীত বস্র বিতরন সম্পূর্ণ
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম, আইসিটি ডিভিশান এবং চুক্তি স্বাক্ষর করেন জনাব Iqbal Bahar Zahid, ফাউন্ডার, মেন্টর ও চেয়ারম্যান, নিজের বলার
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
মিটআপের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এর মাধ্যমে মিটআপের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন Md. Shakil Ahmed ভাই । সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জয়পুরহাট ডিসটিক অ্যাম্বাসেডর
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
আমি চাচার দায়িত্ব দেখে ওবাক হয়ে যেতাম। যদিও টাকা দিতাম। তাও জোর করে এক রকম। তিনি নিতে চাইতেন না, দোকানের ছেলের হাতে দিয়ে দিতাম। এই নিয়ে তিনি খুব কষ্ট নিয়ে ২দিন আমাকে বললেন আপনি যদি আমার বাসায় শিখাতেন
আমি মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করি আমার কমিটমেন্ট ও সততা আছে। 🌷আমি এখন ইচ্ছে করলেই খারাপ কাজ করতে পারব না। এখন ভয় জয় করার মত মনোবল হয়েছে। 🌷এই গ্রুপে স্যার আমাদের কে একটি সেশন দিয়েছে কথা বল
শখ আর স্বপ্ন দূরে সরে যায়, শৃঙ্খলতায় অবরুদ্ধ হয় হৃদয়। কর্মহীন জীবনে যখন ওষ্ঠাগত প্রান, তখন সমস্ত সীমাবদ্ধতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, শৃঙ্খতায় বেড়ি ছিড়ে, সমস্ত কটুক্তিকে মাড়িয়ে বেড়িয়ে আসা এক মারিয়ার ক্ষুদ্র
পরিবারের ছোটোরা সাধারনত সবার আদরের হয়,, আমিও তেমনি পরিবারের সবার চোখের মনি ছিলাম
প্রতেকটা মানুষের জীবনে একটা স্বপ্ন থাকে। তেমনি আমারও রয়েছে। আমি পোষাক নিয়ে কাজ করি। নিজের কারখানায় তৈরি পোশাক নিজস্ব শোরুমে হোলসেল করে থাকি। এই হচ্ছে বর্তমান।কিন্তু আমার স্বপ্নটা আকাশ ছোয়া। কতটুকু সফ
২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারী,,, আসিফ স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পারি জমায় জামার্নীর ফ্রাঙ্কফুট। ওখানে গিয়ে একবছর তার লেগে যায় ভাষা ইন্সটিটিউটে ভাষা শিখতে। পাশাপাশি কাজ করতে হয় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে, কখ
আলহামদুলিল্লাহ।আজকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন সম্পন্ন হয়েছে
মনে ভয় কিন্তু তা দমিয়ে দেয়া হয়!! এই টাইপ মেডিসিন হল নিচের এই মায়াবতী গহনা 💙এক ভাইয়ার কাস্টমাইজড অর্ডার। তারা স্বামী-স্ত্রীর ম্যাচিং শাড়ি-পাঞ্জাবীর সাথে💙💙।। কাপল ভাইয়া আপুরাও ম্যাচিং করে নিতে পারবেন