দুই, এম কে ইসমাইল হুসাইন যখন বিভিন্ন ব্যবসায় লস করে পুঁজি হারিয়ে হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন ঠিক তখনই সন্ধান পান নিজের বলার মতো একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের। এখান থেকে অনুপ্রেরনা পেয়ে শুন্য হাতে এই প্
আলহামদুলিল্লাহ গতকাল বিকেলে কেরানীগঞ্জ জোন উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন বাস্তবায়ন টিমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় চা আড্ডা ও আলোচনা সভা
#গল্পে_গল্পে_সেল_পোস্টঃ সব ধরনের ব্যবসার জন্য যে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্রেড মার্ক অতি প্রয়োজনীয় বিষয় তা অনেকেই বুঝে না। অনেকেই কোনো লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা শুরু করে দেয়। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্য
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
প্রিয় স্যারের এই স্লোগান কে সম্মান জানিয়ে, ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে শুরু করলাম আমাদের মুন্সিগন্জ জেলার গৌরব ও ঐতিহ্যের ধারক " সরকারি হরগঙ্গা কলেজ" এ প্রিয় স্যারের চিঠি বিনিময় আলহামদুলিল্লাহ
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
কি ভাবছেন? ভাবছেন আমি তো বড় রাজনৈতিক নেতা না, আমি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবো, কিভাবে সামাজিক কাজ করব,, কিভাবে দেশের জন্য কাজ করবো। সেটাও আমাদের স্যার দেখিয়ে দিয়েছেন, বড় রাজনৈতিক নেতা না হয়েও সম
এখন আর কোনো কাজে ফেইল হলে দোষ খুজি না কারণ খুজি। এখন সব সময় পজিটিভ থাকার চেস্টা করি। প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করার চেস্টা করি। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমার সমাজকে মাদক মুক্ত করার পদক্ষেপ গুলো ধিরে ধির
খারাপ লাগে আমার বাবার দিকে তাকালে আমার জন্য শুধু করে যাচ্ছেন আমি কিছুই করতে পারছি না হয়তো কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা পেশায় একজন টেইলার্স, আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্ববোধ করি...✊ কারন আমা
গল্পের শুরুটা ২০০৮ সালে যখন HSC পাশ করে ভার্সিটি ভর্তির জন্য বিভিন্ন কলেজ ও ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছি। সেই সুবাদে পরিচিত হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ খান নামের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির সাথে। এক
কি আর করবো সবাই যদি পরিবার ছেড়ে চলে যায় তাহলে আমার ছোট যে ভাই বোন আছে তারা মানুষ হবে কেমন করে,শুরু করলাম সুতা লুঙ্গির দোকানে মহরীর কাজ তিন বছর করলাম বিজনেস শিখলাম। তারপর আমি নিজেই শুরু করলাম লুঙ্গির
ইউনিক দুবাই উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২১ এ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক@Iqbal Bahar Zahid স্যার ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন (ইউ এ ই) এর সামাজিক সংগঠন ব্লাকজোন পরিবারকে। #মডারেটর মোহাম্মদ রাসেল আকন্দ জেলা খুলনা ৭ম//
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
শত_ক্লান্তির_মাঝেও_মনে_ছিলো_এক_অন্যরকম_ভালো_লাগা....
খুব ছোট থেকেই পরিবারের সহযোগিতায় আমি কিছু ইসলামিক প্রগ্রামে অংশ গ্রহন করার সুযোগ পেয়েছি। সময়ের পরিবর্তনে সেখান থেকেই মনের মধ্য ভালো কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তারা একটা শব্দ ব্যবহার করতেন "একরামুল মুস
কারো জীবনই কোনো সমান্তরাল ধারায় চলেনা। বেশির ভাগ মানুষের জীবনের বাঁকে বাঁকে ভাঙা-গড়া; উত্থান-পতনের গল্প থাকে। আর যাদের তেমন কোন গল্প নেই তারাতো জীবনের মানেটাই বোঝে না বেশ কিছু দিন আগে আমি লেখাটি লিখে
সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যাহা এমনিতে গড়ে উঠেনা।একটি ভালো সম্পর্ক তৈরী করতে অনেক বেশি খাঁটি ভালোবাসার দরকার হয়।ঠুনকো ভালোবাসা দিয়ে একটি ভালো সম্পর্ক বিল্ডআপ হয় না।ছোট ছোট ভালোবাসা গুলো একদিন বড় হয়ে
'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo' - a foundation empowering the youth to bring glory for Bangladesh
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
সকলের এত সুন্দর উদার মন-মানসিকতার কারণে আজকে একটি নিষ্পাপ ফুলের মতো শিশুর চিকিৎসা করার জন্য যেই অর্থটা সংগ্রহ হয়েছে ধন্যবাদ সকলকে।
আজকে মিটাপের সুবাদে সাথে পেয়ে গেলাম নতুন কিছু সদস্যদের যারা এখন থেকে সবসময়ই আমাদের সাথে পথ চলে নীলফামারী জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম " তরুণ তরুণীকে নিয়ে প্রানের ফাউন্ডেশন কার্যক্রম শুরু করেছেন আমাদের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার। যা বিরতি হীনভাবে চলার কারণে এত সুন্দর একটা প্ল্
রাস্তায় সাধারণ মানুষ, পুলিশ, র্যাব, রিকশা চালকদের দিয়েছি সচেতনতা মূলক লিফলেট এবং মাস্ক।
নিজের ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করতে হবে :- আপনাকে আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়াতে হবে এবং তার জন্যে বেশি করে গ্রুপে পোষ্ট ও ভিডিও পোস্ট করতে হবে এবং স্ট্যাটাস লিখতে হবে, এতে আপনার পরিচিত বাড়বে এবং সেই সাথে
আমার বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে নিজের একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা এবং বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সমগ্র বিশ্বে আমার উদ্যোগ পৌছিয়ে দেয়া। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।
এ সময় আমার সাথে ছিলেন মানবিক কুষ্টিয়া জেলা এম্বাসেডর Waraqua Binta Wali ম্যাডাম। ভেড়ামারা উপজেলা আ্যম্বাসেডর Md Hazrat Ali , আরো ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও আজীবন সদস্য Masud Mortuza M
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
এর ভিতরে আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে গেল আরেকটি তান্ডব লীলা।
আমার একটাই ভুল আমি ব্যবসায় লাগে না থেকে হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম,, লেগে থাকার বিকল্প নেই এবং আমি শুরু থেকেই লেগে থাকলে এখন হয়তো মাসিক সেল এক লক্ষ টাকা হতে পারতো,, আলহামদুলিল্লাহ চলতি মাসে আমার প্রায় ৪০-৫০
মাঝে মাঝে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন পড়ে। আর অভিজ্ঞতা এমনি এমনি কেউ অর্জন করতে পারে না।তার জন্য খারাপ পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়।সেটা কিছুটা হতাশা তৈরি করে দেয় তবে তার পেছনে লুকিয়ে থাকে বিরাট একটা অভিজ্ঞতা।
জীবন সঙ্গী " বিশেষ করে এক জন নারী তার মা বাবাকে ছেড়ে, এক বুক স্বপ্ন ও ভালোবাসা নিয়ে জীবন সঙ্গী বা স্বামীর কাছে আসে। সে রকম ভাবে আমি ও এসেছি কিন্তু আমার আসাটা একটু ভিন্ন রকম। কি লিখবো ? পড়বেন তো ? স্
আমি মা বাবার একমাএ ছেলে তাই চুরি করে চলে গেলাম , হইতো বল্লে মা, বাবা যেতে দিবে না ভেবে, একটা চিঠি পৌষ্ট অফিসে, আর একটা চিঠি বালিশের নিচে, **** মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিতে প্রথমে, কলকাতা বেচ ক্যাম্প ---
সকলের আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা টিম সামনে আরও এগিয়ে যাবে এবং স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম সমস্ত গ্রাম পর্যায়ে পৌছিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
একদিন বাজারে আগুণ লাগে। অনেকগুলো দোকানের সাথে সাথে ওই দোকানটা ও পুড়ে যায়। তারপর দোকানদারের কান্না দেখে খুব মন খারাপ হলো। ভাবলাম কি করা যায়। ওনার সাথে কথা বললাম কদিন পর। উনি আবার শুরু করতে চাচ্ছেন, কিন
২০১৮ এর বানিজ্য মেলায় অনেক সাহস করে স্টল নিয়ে ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ ভালো ভাবেই শুরু করেছিলাম।আমাদের মালামাল ঢুকানোর আগেই আমার মা অসুস্থ হয়ে জরুরি ভাবে স্কয়ার হসপিটালে ভর্তি হন।আমি দিনের বেলা আমার মেলা
সর্বশেষ যশোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সকলের প্রিয় মেন্টর, ভালো মানুষ ও উদ্যোক্তা গড়ার কারিগর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যার জন্য এমন মানবিক ও শিক্ষা মুলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করার
Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কাঠবাদাম এবং কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগান আজিজুল হাকিম
যার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে যার বিনা পয়সায় দেশ বিদেশের মানুষ নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে,পরিচয় দিতে পারছে।এর চেয়ে বড়ো পাওয়া আর কি হতে পারে। যখন জানলাম স্যার১৪ ই ফেব্রুয়ারিতে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মেলায়
সেই প্রথমে সোড হওয়ার মাধ্যমে লিখার যে আগ্রহ আসে আমার মধ্যে, সে আগ্ৰহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই যে লিখার আগ্ৰহ বাড়ার কারনে আস্তে আস্তে এক্টিভ হতে থাকি ভালবাসার এই পরিবারে, এপর্যন্ত আমি অনেকবারই সোড হ
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে করোনার সময় থেকে তার হাজবেন্ড সম্পূর্ণ বেকার। সে বুঝতে পারে না আসলে কি করবে?মেয়েটির বছর খানেক আগে ফারজানা এলিজা নামে একটি মেয়ের সাথে পরিচয় হয় ব্যাংকে । ফারজানা মেয়েটির কাছ
আমাদের নতুন বিবাহিত সুপার একটিভ জেলা প্রতিনিধি Mohammad Kawser Ali ভাই ও Alamin Hossain ভাই এবং নতুন ভাবীদের বরণ করে নিয়েছি আমরা রাজশাহী জেলা টিম।
হাটি পা পা করে আমি অনেক দূর এগিয়ে এসেছি,ফাউন্ডেশন থেকে আমাকে ভালোবেসে যুক্ত করা হয়েছে
প্রতিটা ভিডিওতে ভালো মানুষী চর্চাও উদ্যোক্তা হওয়ার হওয়ার বিষয়ে অসাধারণ কিছু শিক্ষা, অনুপ্রেরণা ও পরামর্শ আমি দারুন ভাবে উদ্বুদ্ধ হলাম এবং মুগ্ধ হয়ে শুনলাম এবং নিজেকে আরো বেশি একটিভ করে নিলাম।ইউটিউ
আমার কাজ পৌছে যাবে দেশের গন্ডি পেড়িয়ে বিদেশের মাটিতে। রোজ প্যাটালস মানে গোলাপের পাপড়ি আর আমার হাত ধরে এই গোলাপের সৌরভ পৌছে যাবে সকলের কাছে।
কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
ধন্যবাদ জানায় Md Rubel Ahmed Rubel ভাইকে সাতক্ষীরা জেলাকে সবসময় এভাবে সাপোট দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিজে একটি প্রতিষ্টান করবো, আগে বড় কোনো স্বপ্ন দেখতামনা এখন স্বপ্ন দেখি স্বপ্নকে কিভাবে বাস্তবে রুপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি, এখন প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলি নিজেকে ভালোবাসি।
ফেসবুকে একটা বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স সাইট রয়েছে"নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"গ্রুপ যার প্রতিষ্ঠাতা প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার.যিনি মাত্র 164 জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন.এখন এই গ্রু