ধানমন্ডি জোনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীলদের মিটিং ও চা আড্ডা।
ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশের 64 জেলা, একসাথে দেখা হবে, কথা হবে, নেটওয়ার্কিং হবে, ভালোবাসার বিনিময় হবে, সবকিছু মিলে বিশাল এক মাহেন্দ্রক্ষনের অপেক্ষায় আমরা উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম।
সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে শেষ হলো চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের ৫ম মেগা মিটা আপ ও উদ্দোক্তা ফ্যামিলি গেট টুগেদার। প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে আমাদের অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করেছেন।
আমার ছোটবেলা থেকে গ্রামেই বড় হওয়া তাই নিজ গ্রাম থেকেই অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। আপনারা জানেন গ্রামের মানুষের ৮০ ভাগ ইনকাম আসে কৃষি কাজ থাকে। আমার পরিবারও ঠিক তাই ছিল ধানের জমি, গোয়ালের গরু...
উক্ত দোয়া মাহফিলের জন্য খুলনা জেলার ভাই-বোনেরা যারা এ আয়োজনকে সফল করার জন্য সহযোগিতা করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
প্রথমে কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের সামনে এতিম, গরীব, অসহায় ও পথশিশুদের মাঝে প্রায় ১৫০ টি ইফতার বিতরণ করা হয়। তারপর কিশোরগঞ্জ উদ্যোক্তা ক্লাবে সকল সদস্যদের নিয়ে দোয়া এবং ইফতার করা হয়েছে।
যেই মা স্যারের মতন একজন গর্বিত মানুষ আমাদের জন্য পৃথিবীতে এনেছেন। এমন ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের মত সন্তানের মা হওয়ার সৌভাগ্য যেনো হয় আরও মায়ের।
ঢাকায় চাকরি নিলাম কোম্পানিতে, মাইক্রো ফাইবার গ্রুপে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে। যদিও তখন চাকরি করার ইচ্ছা ছিল ছয় মাস । কিন্তু সেই চাকরির বয়স এখন প্রায় তিন বছর । ভাবতাম পরের অধিনস্থ হয়ে চাকরি না কর
মাথায় যত বেশি আইডিয়া গিজগিজ করবে, এদের মিশেলে তত বেশি অনন্য আইডিয়ার সন্ধান মিলবে। আর এর জন্য বই পড়াকে অতুলনীয় উপায় বলে মনে করেন গুগলের ব্রেইন প্রজেক্ট এবং কোর্সেরা’র সহ প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড্রু।
লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত ২০০০ তম দিন নিয়ে আলোচনা ও ঈদ পূর্নমিলন, সকলের সহযোগীতা এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন হলো।
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
শনিবার ১৫ জুলাই এ বিশেষ প্রাপ্তি উদযাপিত হয় সারা দেশের ৬৪ জেলাসহ বিশ্বের মোট ৩২টি দেশে। এদিন ঢাকা জেলা টিমের আয়োজনে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ্যালো ঢাকা এবং উদ্যোক্তা সম্মেলন
আমি আরো বিশ্বাস একদিন মানিকগঞ্জ জেলাও সফল উদ্দোক্তা তৈরি করতে সক্ষম হবে।
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন ইউনিক দুবাই টিম কর্তৃক আয়োজিত স্বাগতিক শুভেচ্ছা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। #আলহামদুলিল্লাহ
আমার ছোট বেলা থেকেই খুব ইচ্ছে নিজে কিছু করবো,নিজের একটা আলাদা পরিচয় থাকবে। আমার বাবা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী,খুব পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। বাবাকে দেখতাম কিভাবে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিতেন পুরো ২৪ ঘন্টায়
এই পৃথিবীতে আসে কিন্তু কয় জনই বা মরে গিয়ে অন্যের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে তাই চিন্তা করলাম এই ছোট জীবনে আমাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখে।
বাসে আসার সাথেই বুঝে নিয়েছিলাম জীবন কি জিনিস। যে দিন এসেছিলাম তার পর দিন থেকেই কাজ শুরু করেছিলাম। ভালো পান্ট-শার্ট পড়ে যখন গাড়িতে করে কাজের স্থানে নিয়ে যায়।তখন মনে স্বপ্ন চোখ দিয়ে বের হয়ে উঠে গেল ওই ন
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
একটা মানুষের সাবলম্বি হতে জীবনে যতগুলো স্কিল শেখা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক অধিক এখানে বিদ্যমান। এখানে লেগে থাকলে জীবনের নানা জানালা খুলে যাবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যে শিক্ষা আমরা স্কুল কলেজে বই পড়ে অর্জ
১৪/১৫ বছর মানে মনের মাঝে হাজার টা রঙ্গিন চিন্তা ভাবনা। হাহাহাহাহা, হুম সবার মত আমারো ক্রাশ ছিল।রঙিণ জীবনের রঙহীন মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক ও বেশ ভালো ছিল। কিন্তু কয়েক মাস পর জানতে পারলাম ঐ ছেলের
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করিতেছি মহান আল্লাহ তায়া' লা র প্রতি যিনি দয়া করে এ পেন্ডামিক অবস্থার মধ্যে ও আমাদের ভালো রেখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ ______ শ্রদ্ধা,
আমার স্বপ্ন সন্তানদের লেখাপড়া শেষে শীঘ্রই দেশে ফিরবো, খামার এবং আরো কিছু কার্যক্রম করবো ইনশাআল্লাহ, বিজয়ের মঞ্চে সেরা উদ্যেক্তার পুরস্কার নিব।
ইকবাল বাহার স্যারের নির্দেশে " দিনে আনে দিনে খায় " খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির ফেনী জেলার চতুর্থ ধাপের কার্যক্র
প্রতি মাসে নতুন সদস্য যুুক্ত করানো ও উদ্যোগক্তা তৈরি করা সহ আরও অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি যেটা বাস্তবায়ন করে আমরা উপজেলা টিমকে আরও এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
আমি দিলনাহার পলি। আমার জন্ম নোয়াখালী এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী ।সাত ভাই বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট মেয়ে। সবার খুব আদরের। লেখাপড়া ,গান নাচ সবকিছু তেই পারদর্শী। আমার পিছ
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
যখন আমি ক্লাশ শিশু শেষ করার পর ক্লাশ ওয়ানে আসি । 1 বছর শেষ করি তাঁর পর ক্লাশ 2 তে আসছি। তখনো দরিদ্রতা লেগেই আছে পিছনে । কথায় আছে না গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্য ফরিদপুর মুলত শুরু হয়, ২য় ব্যাচ থেকে Saiful Islam Maruf ভাইয়ের মাধ্যমে, তিনি সর্ব প্রথম ফরিদপুর জেলার নিজের বলার মতো গল্প নিয়ে এসেছেন। প্রিয় ভাইয়ের প্র
দূরন্ত রাজশাহী জেলা টিমের ফিজিক্যাল মাসিক মিটআপ আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ভাবেই সমাপ্তি হয়েছে।
জীবনে অনেক পেয়েছি সব পাওয়ার মাঝে নিজের জীবনের গল্প লিখে স্টেটাস অফ দ্যা ডে হওয়ার মতো কিছু পাওয়ার অনুভুতি তা সেদিন আমার জীবনের প্রথম এক ঐতিহাসিক পাওয়া বলে মনে হয়েছিল। সেই সুন্দর তম স্ট্যাটাস অফ দ্যা ড
ইরাক এবং ইরানের যুদ্ধ সময় বাবা একবারে দেশে চলে আসে,আয়ের পথ বন্ধ, কিছুদিন যাওয়ার পর বাবার কেনা জমিগুলো এক এক বিক্রি শুরু করলো,এর মাঝে আমার বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বাবার কেনা জায়গায় বিক্রি পর এবার দা
মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে সবার আদরের ছিলাম।বড় হওয়ার পর থেকে বাবা প্রবাস।তাই অভাব চোখে দেখি নাই।যখন যা চেয়েছি তখন তাই পেতাম।স্বপ্ন বলতে পড়া লেখা আর ভালো চাকরি ছাড়া কিছু দেখতাম না।
মিট আপে অংশগ্রহণ করুন। নিজেকে ও নিজের পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করুন। ফাউন্ডেশনের একে অন্যের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন। আর এভাবেই একে অন্যের সাথে পরিচিত হবার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত
চমৎকার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে তেজগাঁও জোন আওতাধীন ★হাতিরঝিল থানার নলেজ শেয়ারিং ও নবীন বরন মিটআপ সফল ভাবে শেষ হলো।
আমার বিজনেস প্রায় দেড় বছর রানিং। শুরু থেকে এ পর্যন্ত কাজের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা আর নিষ্ঠানিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছি। আমি দীর্ঘ পাঁচ বছর আমার টার্গেট রেখেছি।
এসব কিছু উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তাই হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। অন্ধকার শেষে আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ।
আমাদের বাস্তব জীবনে সফল হতে কে না চায়। এর জন্য তারা জীবন ভড় পরিশ্রমও করে যায়। কিন্তু এ পরিশ্রমটি যদি ভূল পথে হয় তাহলে কঠোর পরিশ্রম করলেও তা অর্থহীন। আমাদের লুকায়িত শক্তি অর্জনে, সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত
শুভ জন্মদিন। প্রিয় প্লাটফর্ম " নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর আজ ৪র্থ জন্মদিন। আলহামদুলিল্লাহ্। এই দিনটি কে স্বরনীয় করে রাখার জন্য ও তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হয়ে গেলো আমাদের খাগড়াছড়ি অফলাইন
আমার রক্তে যদি বাচিয়ে লিখতে মুমূর্ষ রোগীর প্রাণঘাতী, তাহলে আমি কেন স্বচ্ছায় রক্তদান করব?
নাটোর জেলার ভালোবাসা বিলাই প্রজেক্ট আজকে ২৬ মার্চ ২০২৩ ইংরেজি ৩রা রমজান নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার সোনাপুর বাজার Md Shahabuddin এর দোকানে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা সমন্
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Novera's Dream নামে একটি পেজ খুলি। দুয়েকটা ড্রেসের পোস্ট ও দেই
🌷🌷বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসলামু আলাইকুম ..........। 🌷🌷🌷প্রথমে শুকরিয়া জানাই মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি যিনি আমাদের এই মহামারীর সময়েও সুস্থ রেখেছেন। তরপর কৃতজ্ঞতা জানাই লক্ষ তরুনের স্বপ্নদ্রষ
বাবা যখন যুদ্ধ করতে মাঠে চলে যেত তখন আমাদের বাড়ি মহিলাদেরকে মাটিতে গর্ত করে উপরে কাঠ দিয়ে রেখে যেত। হঠাৎ একদিন পাক সেনারা হিন্দুপাড়ায় হামলা করে তখন অনেক হিন্দু মহিলারা প্রেগ্যানেট ছিল তারা দৌড
আমি এখন সামান্য একটু জোর দিয়ে বলতে পারি ব্যবসা করবো উদ্যোক্তা হবো,এটা শুধু ই সম্ভব হয়েছে আমাদের ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের জন্য
কুড়িগ্রাম জেলায় জমকালো আয়োজনে মাসিক মিট আপ
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব