তখন ভাগ্যের উপর জীবনটাকে ছেড়ে দিই,এবং মনে মনে নিজের জন্ম হওয়াটায়,আজন্ম পাপ বলে, মনকে বোঝায়,আমার ছেলে মেয়ে ভালো থাকুক আমি তো জন্ম থেকে জ্বলছি, আমিই জ্বলি,এভাবেই লাঞ্চনা গঞ্জনা মাইর খেয়ে সহ্যকরে থাকতে ল
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
কিন্তু আমি তো তখোন চাকরি করতে শুরু করেছি মাত্র। তারপর ও স্বপ্ন তো বাস্তব করার নেশায় আমি বিভোর টাকা জমা করতে শুরু করেছি। প্রতি মাসে মাত্র ৫০০ টাকা করে জমাতে শুরু করলাম।তারপর হঠাৎ একদিন আমার মা খুব আ
অল্প সুখে কাতর অধিক সুখে পাথর হয়ে যায়। মায়ের লাশের কাছে গিয়ে নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হল। আমার চোখের পানি শেষ হয়ে গেল, তার পর থেকেই আমার আর কোন দিন কান্না আসে নাই। আমি বেছে আছি কিন্ত মায়ের সেব
উদ্যােক্তা জীবনের সূচনা হলেও আমার কাছে মূলধন ছিল না। ছিল না পরিবারের কারোর সাপোর্ট, সহযোগিতা। আমি মধ্যবিত্ত সুনামধন্য ইসলামিক পরিবারের মেয়ে হওয়াতে সমস্যাটা বেশি হয়েছে। বাবা, মা বড় বোন, দুলাভাইরা কেউ র
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
ভোরে চলে যেতাম সপ্তাহে ১ দিন ড্রেস কিনতে ,ছেলেকে ঘুমে রেখে ( প্রতিবেশীর কাছে) । আবার ঘুম থেকে উঠার সময় হলে চলে আসতাম। এভাবে বেশ অনেক দিন চলে। আমার সাত রঙ পেজ নিয়ে বেশি চিন্তা করি নি ,কারন বুঝতাম ও ন
আজ কেন নিজেকে অপরাধী লাগছে সেই ত্যাগী বাবার কথা মনে করে,যে বাবা আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে কখনো ঘুরতে নিয়ে যাইনি। যার উপর রাগ করে আজ বালিশ বিহীন, খাট হীন ঘরে শুয়ে আছি! তাঁর কথা মনে করে কেন বুকটা দুমড়ে
কুয়েত আসলাম তিন মাস বেকার বসে খেলাম , ভাষাগত সমস্যার কারণে কাজ পেতে অনেক কষ্ট হল তিন মাস পর একটা কাজ পেলাম তাও আবার এক মাস পর কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বেতনও পেলাম না। আবার আরেক জায়গায় কাজ পেলাম বেতন অনেক
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
বিজনেসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, কিভাবে কাজ করলে আমি ভালো কিছু করতে পারব। এই গ্রুপে যুক্ত হতে না পারলে হয়তো নিজের একটা পরিচয় গড়ার স্বপ্ন টুকু দেখতে পেতাম না।
কাস্টমার : আমি যে ৭ সেট গহনা পছন্দ করেছি আপনি ওই সবগুলোই পাঠাবেন।আমার 3 সেট গহনা অনেক বেশি পছন্দ হয়েছে।আর বাকি ৪ সেট গহনা দেখার পর যদি ভাল লাগে তাহলে রেখে দিব আর ভাল না লাগলে রিটার্ন করে দিব।
ইউটিউব নামক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট একটা ভিডিও আমার সামনে পড়ে ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের বেশ মনোযোগ সহকারে শুনলাম একটার পর দুইটা দুইটার পর তিনটা এরকমের যত ভিডিও সামনে আসে, যখনি আসে তখন
ভবিষ্যৎতে দেশের বিভিন্ন জেলায় হাঁসের খামারের শাখা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তারা চাইলে এবি এগ্রো ফার্মের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি আর্থিক সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে সাহ
বর্তমানে আমরা যেই পরিমাণ শ্রম ব্যয় করি সেই পরিমাণ কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি না। অলসতার দরুন কিংবা অপারগতা বশত। আর যা গ্রহণ করি তাও ভেজালে ভরপুর। যার ফলে দিনদিন নিজেরা হচ্ছি দূর্বল এবং সন্তানরাও
কিছুদিন বিজনেস করি কিন্তুু লোকে বলে এম এ পাশ করে বিজনেস।
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
মায়ের নাম হাসিনা বেগম। হাসিনা একটি ফুলের নাম।ফুল মানে সুন্দর, ফুল মানে সুরভি ছড়াবে,ফুলকে সবাই পছন্দ করে। তেমনি মাকে সবাই পছন্দ করে। কারন মায়ের ৪ চাচার ২৩ জন ছেলেমেয়ের মা সবার বড়। মা খুব আদরের সন্তা
ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরণায় আবার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার উদ্যোগতা জীবন পুনরায় শুরু করার জন্য, আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দোয়ায় নতুন করে উদ্যোগতা হিসেবে পথচলা শুরু করতে পারি।
অনুষ্ঠানে দেশে বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে এক কোটি মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে এক লাখ উদ্যোক্তা তৈ
একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
আজকের মহান বিজয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি লাখ শহীদের প্রতি যাদের অক্লান্ত ত্যাগ থেকে এসেছে আজকের এই মুক্ত স্বাধীনতা ও মুক্ত মানচিত্র, তারা যদি দেশের জন্য মায়ের বুকটাকে খালি না করত হয়তবা আমরা পে
মানব মনের ক্ষমতা অদ্ভুত ও অনুভবনিয়! মানব মনের ওপর আস্থা কিভাবে কাজ করে? আকাঙ্ক্ষার প্রচন্ড প্রভাব কেমন? বাস্তবতার সাথে এইসব অদৃশ্য বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে? কীভাবে আকাঙ্ক্ষা ও আস্থার যোগফলে অসম্ভব কাজ
আমার ছোটবেলায় বেড়ে উঠা জীবনের অধিকাংশ সময়টা কেটেছে ঘরবন্দী হয়ে কারণ আমি মেয়ে সন্তান এবং আমার আব্বু-আম্মু ইসলাম ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন দু-জনেই। আমারা তিন ভাইবোন এদের মধ্যে আমি মেজো, ভাইয়া স
প্রিয়ো স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে সপ্ন দেখায় একজন ভালো মানুষ হতে
সেদিন ছিলো ১৫ ই জুলাই,২০২১ তারিখ। স্কয়ার হসপিটালে করোনা টেস্ট করাইতে টাকা পরিশোধ করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম।আমার সামনে ছিলো একজন অল্প বয়সী ভদ্র মহিলা,যে তার বোনের এবং বোনের ৩ সন্তানের জন্য টাকা পরি
যারা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কষ্ট করে উপস্থিত হয়ে আমাদের মিটআপ কে সাফল্য মন্ডিত করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর সবাই কে অনেক ধন্যবাদ।
আমার প্রিয় ফাউন্ডেশন থেকে আমি শিখছি প্রতিনিয়ত,আমি জীবনে বার বার ঠকে গিয়েছি বিশ্বাস করে,আমার সরলতার জন্য।কিন্তু আমার প্রিয় স্যার জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতিটি কথাই আমি শিখতে পেরেছি নতুন কিছু,
আজ আমাদের ঝিনাইদহ জেলার পঞ্চম মিটআপ সফলভাবে শেষ হলো, এবং মিটআপ এর মধ্য দিয়ে আমাদের কমিউনিটি ভলেন্টিয়ার সফিক রহমান জুয়েল এর ব্যাবস্যা প্রতিষ্ঠান "কারুকাজ ডট কম"এর উদ্বোধন হয়েছে। আমাদের ঝিনাইদহ টিম এর
আসলে ছোট থেকেই আমি একটু ডানপিটে সবসময় নিজের কাধে কাজ তুলে নিতে পছন্দ করি এ জন্য অনেক সময় সম্মিলিত কাজের ব্যর্থতার দায় ভার আমার উপর আসার অভিজ্ঞা ও আছে তা নিয়ে আমি মোটেও ভাবছি না আমি ছোট একটা ব্যবসায়ী
শরীয়তপুর জেলার আরো এক্টিভ মিট আপ সহ নিজেদের ব্যবসা-বানিজ্যের উন্নতি ও কেন্দ্র থেকে দিকনির্দেশনামুলক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা।
যেকোনো কর্মকান্ডেই নারীর আগে একজন পুরুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। একজন নারীকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য স্বাবলম্বী হতে হবে। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য নারীর কর্
আসসালামু আলাইকুম। সেরাদের সেরা জোন উত্তরা মডেল জোন এর আজকে অফলাইন মিটাপ আলহামদুলিল্লাহ চমৎকার ভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে। আজকের মিটাপের এজেন্ডা ছিল সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, স্যারের উপস্থিতিতে উত্ত
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
খুব বেশি প্রয়োজন নেই। মন থেকে একটু সহযোগিতা পেলেই মানুষের মন ভরে ওঠে।
জমাট বাঁধা হাজার রঙের কথা উথলে উঠে বুকের চিনচিন ব্যথায়। যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম, তাহলে হয়তো হৃদয়ের জ্বালা কিছুটা মিটত । এইতো সেইদিন বিছানা ঝাড়তে গিয়ে অনেক গুলি কাগজের টুকরা নজরে পড়লো। হাতে
গ্রুপবাসী সবাই কেমন আছেন???আশা নয় বিশ্বাস করি যে যার অবস্থান এ ভালো ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আজ হঠাৎ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ জোন এ একটি চা আড্ডা হয়ে গেলো। মিট আপ /ইদ পূর্ন মিলনী ২০২২ ও ব
মহিন বিকেলে কল দিল, হ্যা মহিন বল, কোন ৫ টা পছন্দ হয়েছে। মহিন : তোমার ইনবক্স ২ ডিজাইনের ৫টা দিয়েছি, এই ৫ টাই লাগবে, আমি : ওকে আগামী কাল দুপুরে/বিকেলে তোমার দোকানে নিয়ে আসবে শার্ট গুলো আমি বলে দিচ্
আমার বাবা একদিন জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলো তখন হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে,বজ্রপাতে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করে। আমরা হয়ে গেলাম এতিম। আমার বাবা কে হারিয়ে যখন আমরা দিশেহারা ঠিক তখনই আমার চাচারা আমাদের ভাইদে
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
চলছে ময়মনসিংহ জেলার মিট আপ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান । ১২ তম ব্যাচের সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন মোডারেটর ইবনে রানা ভাই। অসাধারণ চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ উপস্
এই আয়োজনের পিছনে যারা অনেক শ্রম দিয়ে আয়োজন টা সফল করেছে বিশেষ করে Amena Amena Shamim Ahmed গোলাপি আক্তার আপু এবং ওনার আব্বু আম্মু সহ সকলকে।
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
উক্ত মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলো যশোর জেলার বিসিকের এজিএম গোলাম হাফিজ স্যার। এছাড়াও জানুয়ারি ১৫ তারিখে আসন্ন ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনে করনীয় বিষয়, টিকিট বিক্রি
তারপর কি আর করবো, খুব কষ্ট করে একটা হাই স্কুলের পার্ট টাইম জব নিলাম, আর সাথেই লেখা লেখি করা শুরু করালাম, কিছু টিউশনি, এভাবেই কষ্ট করে একটু একটু করে, আমি যাদের থেকে মাল আনতাম, তাদের ঋণগুলো পরিশোধ করে দ
আমি যখন আমার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে একবারে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম, আমার ভালো বিজনেস ছিল, সেটাও কিছু কুৎসিত লোক আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে ধ্বংস করে ছেড়ে দিয়েছে,, আমি মানুষকে প্রচন্ড বিশ্বাস করতাম
অদম্য টাংগাইল জেলার পিকনিক ও উদ্যোক্তা সম্মেলনে ২০২১.....