নিজের বলার মত একটা গল্প ১, ২, ৩ করতে করতে আজ শেষ হলো ১৫ তম মিট আপ। আজকের মিট আপ Opportunity Sharing Programme "গর্জে ওঠো খুলনা" শিরোনামে সম্পন্ন হলো। সকলের উপস্থিতিতে ও আজকের কনভেনর ও কো-কনভেনর এর কঠো
একজন উদ্যোক্তার অনেক কিছু সহ্য করতে হয়। তাই আমি প্রতিনিয়ত সহ্য করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, এবং এই চেষ্টা অব্যহত থাকবে। এবং আমার টার্গেট আমার স্বপ্ন, এই টার্গেট আমি কখনোই বন্ধ করতে পারবো না।
🌹Entrepreneurship নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্দ্যোক্তা তৈরী কেন্দ্র🌹 এর অতন্দ্র গাজীপুর জেলা আয়োজিত ৩য় বার্ষিক বনভোজন ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার ২০২২ বৃন্দাবন রিসোর্ট শ্রীপুর গাজীপুর।
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। আর এই একজীবনেই থাকে হাজারটা গল্প। আজ আমি আমার জীবনের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশাকরি আমার এ গল্প থেকে আপনারা ও কিছু শিখতে পারবেন। ️ প্রাইমারিতে পড়ার সময় থেকেই আমি ছি
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনটি যেন উদ্দ্যোক্তা তৈরীর কারখানা - দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় এই শিরোনাম এ নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়।
আলহামদুলিল্লাহ আজ রোজ শুক্রবার। আজকে খুবই চমৎকার ভাবে আমাদের অফলাইন টিকিট মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা যাচ্ছি শরীয়তপুর জেলা থেকে। আপনারা আসছেন তো?
আমার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা ফুল টাইম হাউজ ওয়াইফ। আমরা পাঁচ বোন এক ভাই। ভাই অনেক কাঙ্খিত হওয়ার পরেও ভাইয়ের পরে আমরা দুই বোন। আমি সবার ছোট। ছোট হিসেবে বাবা মায়ের ভালোবাসা..
জীবন- সংগ্রামে টিকে থাকার চেষ্টা করবে সেই হবে একজন সফল ব্যক্তি, সফল উদ্যোক্তা।কবির ভাষায় তাই বলতে হয়ঃ- পারিব না একথাটি বলিও না আর, একবার না পারিলে দেখ শতবার।
নামটা যেমন তেমন কামটা কিন্তু পারফেক্ট। কত রকমের মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত কথা বলি, আড্ডা দেই & চলাফেরার সুবিধাদে তাদের সম্পর্কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে জানার চেষ্টা করি। এই জানার কারন ইকবাল বাহার জাহিদ স্য
#২০২২ সালের ঢাকা জেলার ১১ টি জোনের স্বাধীনতা T10 টুর্নামেন্ট এর উদ্ভোবনী অনুষ্ঠান কেরানীগঞ্জ জোন কতৃক আয়োজন করা হয়েছিলো। এবং স্বাধীনতা T10 কাপ টুর্নামেন্ট এ কেরানীগঞ্জ জোন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরভ অর্জন
জীবন হলো এমন একটি বর্ণময় যাত্রা যা একদিকে যেমন আনন্দ, হাসি, খুশি ও সুন্দর-সুন্দর মুহূর্তের সাথে ভরপুর থাকে তেমন অন্য দিকে তেমনি থাকে বাধা বিপত্তি, দুঃখ কস্ট, হার - জিত ইত্যাদি।
আমি আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করত
মাঝামাঝিতে এসে হারানো পূর্বের স্কুলের প্রতি জেত কাজ করে যেখান থেকে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল কোন কারণ ছাড়া।
২১) এই নারায়ণগঞ্জ এর কৃতিসন্তান যারা:জ্যোতি বসু,কে এম শফিউল্লাহ,মোনেম মুন্না,পারভিন সুলতানা দিতি,আতাহার আলি খান,গ্রান্ড মাস্টার রাকিব, একে এম সামিম উসমান এবং সেলিনা হায়াত আইভি ২২)বাংলাদেশের প্রথম রপ
যদিও ভয় পাচ্ছি কারণ আমার আলহামদুলিল্লাহ ৩ মেয়ে এবং ওরা ৩ জনই ছোট। বড় মেয়ে ৭ বছর,মেজো মেয়ে ৫ বছর এবং ছোট মেয়ে ১ বছর ৩ মাস।আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তিনি এমন একজন মানুষ কে জীবন সংগী হিসেবে দিয়ে
মেলা উপলক্ষে উত্তরা জোনের আজকের আয়োজন চমৎকার ভালোবাসা দিয়ে সফল হয়েছে। সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অসাধারণ ছিল। অতিথি
কাজের প্রতি প্রেম সৃষ্টি করতে পারলে কাজকে ভালোবাসতে পারলে কোন কাজ কে ছোট মনে না করলে এবং লেগে থাকলে সফলতা আসবে। সর্বপরি স্যার কথায়, স্যারের ভিডিও থেকে
যখন আমি ক্লাশ শিশু শেষ করার পর ক্লাশ ওয়ানে আসি । 1 বছর শেষ করি তাঁর পর ক্লাশ 2 তে আসছি। তখনো দরিদ্রতা লেগেই আছে পিছনে । কথায় আছে না গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
আসলে প্রত্যেক টা বিজয় ও সফলতা পিছনে থাকে, স্বপ্ন, ইচ্ছে শক্তি,, পরিশ্রম, কিছু সুখ ত্যাগ করা, লেগে থাকা, অনুপ্রাণীত হওয়া, অনুপ্রেরণা ও সহযোগীতায়। কোনো কাজের ফলাফল, পাওয়ার জন্য সবাই অপেক্ষা করে আখা
এভাবে প্রায় ছয় মাস চলে গেল। এরপর এক বন্ধুর কোম্পানী থেকে একটা ফুড আইটেম ডিলার নিলাম। সেখানেও নতুন প্রডাক্ট থাকায় টিকতে পারলাম না। বাধ্য হয়ে আবার চাকরি খুজতে শুরু করলাম। সবশেষে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে
কত কষ্ট যে দিন কাটছে প্রতিটা দিন যা বলে বুঝাতে পারব না। একদিন নতুন একটা এসি ফিটিং করালাম। ওখানে কিছু বকশিশ পাই। ওস্তাদেরা সব টাকা ভাগ করে নিয়ে সামান্য কিছু টাকা আমি পাই এবং বড় দুলা ভাই কিছু টাকা দেয়।
আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলন @ মালয়েশিয়া #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন, নাটোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal B
আম কাঠালের সিজন আসলে নানী আমাকে নিয়ে নিজের গাছের আম নিয়ে আন্টির বাসায় বেড়াতে যেতেন। তখন দেখতাম অনেক দুরে যদি কোন এক পুরুষ লোক আসতো দেখতেন। ছাতিটা মেলে ধরে রাস্তার নামায় গিয়ে বসে থাকতেন। যতক্ষণ ঐ
আমরা যে কোন কিছুই একদম শুরুর দিকে করার সময় এমন কিছু ভুল/অপারগতাসম্পুর্ণ কাজ করে থাকি যা পরে ভাবতে গেলেই মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের বোকামি গুলোতে আমরাই মজা পাই পরবর্তীতে।ইন্টারনেট জগতে প্রবেশকা
সেলাই এর কাজ শিখা শুরু করে দেই।হটাৎ একটা কোম্পানি থেকে কল আসে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য।সেখানে সিভি দেওয়া ছিল।ইন্টারভিউ দেওয়ার পরে আল্লাহর রহমতে জব টা হয়েছিল।ফ্যামিলির বাধা থাকার পরে ও অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে
প্রিয় ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার গল্পঃ- ইউটিউবে এ স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি এই ফাউন্ডেশন এর কথা। তারপর এই "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে একজন গর্বিত সদস্য হত
আমার জেঠাতো বোন আর আমি একসাথে ঘুমাতাম। আব্বা ঐখান থেকে ডেকে নিয়ে বলে আমরা একসাথে ঘুমাব।ঐ সময় রমযান মাস ছিল। আমরা ঘুমিয়ে পড়ছি।ওঠে দেখি সকাল হয়ে গেছে। আমার আম্মার চোখ দুটো লাল।অনবরত চোখের পানি পরিতেছ
সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঝিনাইদহ জেলা মিটআপ। প্রথমে আমরা ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ এ আলোচনা পর্ব ও আগামি ৪ জানুয়ারি মহাসম্মেলন এর জন্য প্রস্তুতির পর্ব শেষ করে ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এর সহ-সভাপতির প
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
ধানমন্ডি জোন ,কর্তৃক আয়োজিত অসাধারণ একটি অফলাইন মিট আপের আয়োজন করেছেন , ধানমন্ডির জোনের দায়িত্বশীলরা
❤️একুশের চেতনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিম। এই একুশ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো তাই আমি এই ২১ ভুলতে পারিনা!! আজ আমরা বাংলা বলতে পারি শুধুমাত্র ভাষা শহীদদের ত্যাগে
আট দশটা মেয়ের মতো লাল শাড়ি পরে আমারও বিয়ে হলো,যার ভবিষ্যতের কোনো নিশ্চয়তা নেই,যার সামাজিক কোনো অবস্থান নেই এমন একজোড়া হাত ধরলাম।একটা সাজানো গোছানো সুন্দর স্বপ্ন আমারও চোখে।তখনও আমি দিবাস্বপ্ন দেখেই দি
নিজের জীবনের একটি নীতি সবসময় মানি ও করি, যা হলো “ পারলে কারো উপকার করো তবে কারো অপকার করো না” এই নীতিতে বরাবরই বিশ্বাসী ছিলাম ও সারা জীবন থাকব। কিন্ত নিজে যে একজন ভালো মানুষ তা পুরোপুরি বলার ম
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
গুলশান জোনকে এগিয়ে নিতে গুলশান জোনের সকল দায়িত্বশীলদের নিয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফিজিক্যাল মিট আপ। প্রিয় ফাউন্ডেশনের কোর ভলেন্টিয়ার Mi Hossain এবং কোর ভলান্টিয়ার Mohammad Mahmudul Islam ভা
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; আমি ক্লান্ত প্রাণ
আসুন নতুন একটি দিনের শুরু যেহেতু হয়েছে আরেকটি নতুন সূর্য দেখার সুযোগ পেয়েছি মন খুলে একবার সেই রবের প্রশংসা করি আলহামদুলিল্লাহ। আমি,ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর
২০২০সালের আজকের এই দিনেই সেই মানব টির সাথে সম্পূর্ন পারিবারিকভাবেই আমার বিয়ে হয়😪 যে কিনা প্রথম দেখাতে আমাকে পছন্দ করে ফেলে। এমনকি আমাকে সারাজীবনের জন্য পাওয়ার জন্য কত নামাজ-দোয়া দুরুদ নাকি পড়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ ঝড়নার স্রোত ধারার মত বৃস্টি ধারার মাঝে দিয়েই দারুন ভাবে সম্পুর্ন হলো। ইলিশের শহর চাঁদপুর জেলা টিমের উদ্দোগে অপলাইন মিটআপ। ফেনি জেলা টিম,ঢাকা জেলা টিম ও কুমিল্লা জেলা টিমের অংশগ্রহণ
এভাবে এতো কাছ থেকে উনাদের দেখে উপলব্ধি করলাম আল্লাহ কত নিয়ামত দিয়ে আমাদের সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
আমার খুব করুনা হয় সেই সব সন্তাদের জন্য। যাদের বাবা মা থাকতেও ব্রদ্ধাস্রমে ফেলে রেখে আসে। একবার খোঁজও নেয় না। আবার অনেক সুসন্তান আছে যারা রাস্তায় বাবা মাকে ফেলে চলে যায়। তাই বলি দাত থাকতে দাতের মর্ম
আলহামদুলিল্লাহ। কিছুক্ষণ পূর্বে Atik Shafique ভাইয়া ব্লাড ডোনেট করে গেল আমায়।
আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন, সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজের শরীর মনের যত্ন নিতে হবে, যে নিজেকে ভালবাসে না সে পৃথিবীর কাউকে ভালবাসতে পারেনা,তাই আমাদের সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজ
একটা সময় সব হারিয়ে হতাশ হয়ে পরেছিলাম... এখন আবার সব ইনশাল্লাহ... ফিরে পেয়েছি আত্তভিষ্যাস ও লেগে ছিলাম শক্ত আঠার মত.... এখন এই প্লাটফর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার দোকান চালু করেছি বাবা সবজী খেতের পাশাপ
সময় ২০০৮ইং আমি ইরাক থেকে দেশে আসছি মাত্র ১বছর হলো কি করবো-কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না হঠাৎ একজন আমাকে বুদ্ধি দিল শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নসিমনের ব্যবসা করার জন্য আমি ও আগে পিছে না ভেবে হ্যা বলে দিলাম।তখন নস
সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে শেষ হলো চুয়াডাঙ্গা জেলা টিমের ৫ম মেগা মিটা আপ ও উদ্দোক্তা ফ্যামিলি গেট টুগেদার। প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে আমাদের অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করেছেন।
আয়োজনে ছিলো অসহায় ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ এবং তাদের যাতায়াতের জন্য ১০০ টাকা করে গাড়ীভাড়া প্রদান। এবং সুবিধা বন্ঞ্চিত শিশুদের সাথে খাওয়া দাওয়ার মধ্য দিয়ে আজকের ভালোবাসা আদানপ্রদান।।