To Be an Entrepreneur নিজের বলার মত একটা গল্প Foundation এর সকলের সহযোগিতায় কুমিল্লায় একটি অসহায় শিশুর চোখের চিকিৎসা জন্য ৪০,০০০/= টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।
স্যারের যে কথায় অনুপ্রাণিত হইঃ- ১.স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন,সফলতা আসবেই। ২.চাকরি করবো না, চাকরি দিবো। ৩.বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে, ভিজে কেউ কেউ।
আমিও বাবাকে এই গ্রুপে অ্যাড করিয়ে নেই, বাবার শেখানো শিক্ষায় আমার এটুকু জীবনের পথচলা, আমার জন্য আমার বাবা ও একজন শিক্ষক,কিন্তু আমার বাবা ওএই গ্রুপে শিখে, আমিও শিখি, কারণ আমরা জানি শিক্ষা এবং জানার কো
কুয়েত সিটি “সুক মিসিলা” গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্টিত হয়ে গেল কুয়েত টিমের মাসিক মিটআপ।
বেডে যখন শুতে আসলাম হাত দুটোর ব্যথায় আমি কাতর। এদোকান থেকে ওদোকানে যেতে দুহাতে যে ভারী ব্যাগ টেনে বইয়েছি তার ফলস্বরূপ এবং দীর্ঘ সময় নেটে থাকার ফলে ততক্ষণে আমার মাথা এবং হাত দুটোই প্রচন্ড ব্যথা করছে
আমরা ভাই বোন ৮ জন তার মধ্য আমি ৬ নাম্বার আমার জীবন চলার কিছু গল্প তুলে দরবো বুল হলে খমা ছোখে দেখবেন-------- বাবা মারা জান ২০০৬ সালে মাস মাসের ২০ তারিখে মা মারা জান ২০০৬ সালে September ১৯ তারিখে ত তা
কিছু দিন পর মাথায় আসলো এমন কিছু করা দরকার যা আমার পড়ালেখার জন্য ভালো হয়। বসে বসে কিছু করার চিন্তা আসলো কারন ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে পড়ালেখা তেমন করা যায় না। তাই সিদ্ধান্ত নিই একটা স্টুডিও টাইফের দো
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত সুন্দর এবং সফলভাবে সম্পন্ন হল #ঘাটাইল_উপজেলার মাসিক মিট আপ এবং ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণ বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনের প্রস্তুতি মিট আপ
তখনও আমি যুক্ত হইনি গ্রুপে, ইতি মধ্যে ২৩ অক্টোবর ২০১৮ তে শুরু হয় চতুর্থ ব্যাচ আমি যুক্ত হই রেজিস্ট্রেশন করে।আমার মধ্যে শুরু হয় একটু একটু করে বদলে যাওয়া,
শ্রদ্ধেয় স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস অর্গানাইজিং টিম কাজ করে যাচ্ছে।
এক দিন হটাৎ মামির বাসায় গেছি, ত বসে বসে ফোন টিপ তাছি মামি অনেক ক্ষন লক্ষ করার পর এসে বলতাছে ফোনে এত এত কি করতাছ যখন থেকে আসছ ত ফোন টিপা টিপি করতাছি এত কি কর প্রেম টেম কর নাকি,
আজকের প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রবাস থেকে আগত কোর ভলেন্টিয়ার Mohammad Jafar Iqbal ভাই ও কোর ভলেন্টিয়ার Zahid Islam ওনাদের উপস্থিতিতে আজকের প্রোগ্রামটি আরো বেশি প্রানবন্ত হয়
পৃথিবী যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন, ঠিক তখনই আলোর সন্ধানে আমরা। আর সেই আলোর সন্ধানে, সন্ধানী আমি। একমাত্র সাক্ষী...........। নিজের নামে বাড়ি শান্তি নিকেতন 😌😌আর বাড়িওয়ালার ভাড়া বাড়ি অশান্তির🤯 ভুবন 🍁
আমি গ্রুপে যুক্ত হবার পর আমার পরিবর্তন সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুর
আগে থেকেই স্বপ্ন ছিল কিছু করবো অবহেলায় জীবনের অনেক দিন চলে য়ায। সরকারি চাকুরী করব খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পরও হলো না। পরে মানসিক ভাবে খুব ভেঙ্গে পরি। মনে করেছিলাম আমাকে দিয়ে কিছু হবেনা
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হলেন আমার মা।স্বামীর সংসার থাকার পরও প্রতিদিন রান্না করে আমার মা খাবার নিয়ে গেটের সামনে দাড়িয়ে থাকেন। আজ পর্যন্ত তাকে কষ্ট ছাড়া কিছুই দিতে পারিনি😭😭😭 মায়ের কা
আমি আমার আম্মুকে দেখেছি সব সময় সবার সাথে সুন্দর সুসম্পর্ক বজায় রাখতে।সবার খুঁজ খবর নেওয়া,কথা বলা,কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা,কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া সকল কিছু খুব খুশি মনে করতো।নতুন নতুন মানুষের
এই পরিবার থেকে প্রাপ্তির সংখ্য অনেক। যা পেয়েছি তা লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাপ্তির ঝুড়ি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া হাসি-কান্না এবং সুখ-দুঃখের কিছু স্মৃতির দিনগুলোর কথা, আসা করবো সবাই ধৈর্য সহকারে আমার জীবন গল্প টা পড়বেন,এটা সত্যি গল্প নয় আমার জীবনের স্মৃতিবিজড়ীত কিছু কথামালা,
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পেতাম অন্যদের লাইফ দেখে- আমার সামনে কারোর বাবা আদর করলে এত কষ্ট লাগতো সাথে সাথে কেদে দিতাম-আর মনে মনে বলতাম আল্লাহ কেন তুমি বাবাকে নিয়ে গেলা-জীবনে অনেক আঘাত পেয়ে মনকে স্থির করি কিছু
আলহামদুলিল্লাহ মানবতার ডাকে সারা দিয়ে মানবতার হিরো আমার প্রিয় মুখ Md Rokon Islam ভাই❣️
আমাকে দুই দিন না খেয়ে থাকতে হয়েছে। শুধু মাএ পানি খেয়ে ছিলাম বাড়িতে ও আসেনি আমার জন্য শুধু ভাত রান্না করে রাখত। তরকারি নেই কারন আমার ইনকাম নেই আমার স্ত্রী কে বলতো তোমার জামাইর ইনকাম নেই খাইবা কি শু
শরীয়তপুর জেলায় এ পর্যন্ত ৫টা উপজেলায় ভালোবাসা বিলাই প্রজেক্টের কার্যক্রম বাস্তবায়ন চলমান ৬টা ঝুড়ি বসিয়ে।
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
ভালবাসায় পরিপূর্ণ একটি আয়োজন ছিলো সারা দিন।
নিজের বলার মত একটা গল্প খুলনা জেলায় গতকাল ক্যম্পাস এম্বাসেডর দের সংর্বধনা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত কালকের উপস্থিত মোটামুটি অন্যান্য দিন থেকে বেশি। আশা করি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রে
এখন বাংলাদেশের যে কোন শহরে গেলে একা মনে হয় না কারণ প্ল্যাটফর্মের ভাই বোনেরা তো আছেন যা আমাদের দ্বিতীয় পরিবার। স্যার সেশন থেকে শিক্ষা নিয়েছি কিন্তু এখন ও ব্যবসা শুরু করিনি , কারণ আমি পড়াশোনায় ছিলাম
নিজের মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একজন শিশুকে নবম সন্তানের মতো লাল ভালোবাসা জানার অনুরোধ।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও নিজেদের মধ্যে পণ্য ক্রয় বিক্রয়, পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয় বাগেরহাট জেলার ফিজিক্যাল মিটাপ।।
১০০০ তম দিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জ এর মানিকরাও জমকালো আয়োজন করেছি।এটা আমাদের জন্য স্বরনীয় একটি দিন হয়ে থাকবে।প্রোগ্রামের পাশাপাশি করেছি সামাজিক কিছু কাজ যা মনের দিক দিয়ে শান্তি দিয়েছে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মান
এই পৃথিবীতে যত রকম দান আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সেরা আর পবিত্র দান হচ্ছে রক্তদান। কারণ জীবন রক্ষার চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। তাই আমিও চেষ্টা করছি মৃত্যুর আগে কিছু মহৎ কাজ করে যাওয়ার জন্য।
আজ চারিদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সবকিছু রুদ্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু থেমে নেই উদ্দোক্তা হওয়ার কর্মশালা।এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যে ঘরে বসে লাখো তরুণ তরুণী উদ্দোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারন করে স্যারের
❤️বিসমিল্লাহ রাহমানির রাহিম ❤️ ☘️ আস্সালামু আলাইকুম☘️ 🙏🙏🙏🙏সকলকে পড়ার অনুরধ রইলো🙏🙏🙏 👉👉👉জীবন গল্প👈👈👈 🙏প্রথমে লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাই মহান রবের দরবারে যিনি আমাদের কে ১৮ হাজার মাখলুক
সত্তরোর্ধ বৃদ্ধ কোন এক বাবাকে বলতে শুনেছি,,,, " এখন ফল খেতে পারবো, আমার ছেলেরা শহরে থাকে, কেউ আমায় ফল কিনে নিয়ে দেখতে আসে না । যখন অসুস্থ হয়ে যাব, খেতে পারবো না; তখন হয়তো আমার মাথার
এর পর থেকে শুরু হল আমার বেচেঁ থাকার লড়াই। ফিরে এসে শুরু করলাম একটা সিমেন্টের দোকানের ম্যানেজারি। সেখান থেকে মূলধন জোগার করে কিনেছিলাম একটা পুরোনো অটোরিক্সা দেড় বছর চালিয়ে বেশ ভালই ছিলাম মা-বাবার সাথে।
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
আসসালামুয়ালাইকুম আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছি আমি ও আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা অনেক ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ আজ আদর্শ ফেনী জেলার বার্ষিক মিল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফেনী জেলা প্রশাসক স্যার ও ফেনী
আমি নিজে কিছু করার চেষ্টা করবো। এরমধ্যে গলায় একটা স্বর্নের চেইন ছিলো কাউকে না জানিয়ে আমি ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় অই চেইন বিক্রি করে আমি ব্লক, বাটিক,এম্বুশ,ব্রাশ পেইন্ট,জারদৌসি,হাজারী বুটিক এমন আরো অন
কুষ্টিয়া জেলার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তৃতীয় ধাপে
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদিআ
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
স্বপ্ন দেখতে কে না ভালোবাসে???!!! আশা আর স্বপ্ন নিয়েই তো মানুষ বাঁচে!!! এ দুটো যদি না থাকতো তাহলে মানুষ বেঁচে থাকার আগ্রহই হারিয়ে ফেলতো। আর সে স্বপ্ন দেখা মানুষগুলোর মাঝে আমিও একজন😊😊।
আলহামদুলিল্লাহ গ্রুপ এবং অফলাইনে আমার সেল প্রতি মাসে ৬-১০ লক্ষ টাকা টাকা।গতমাসের সেল ৮ লক্ষ প্লাচ। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় এগিয়ে চলছে আমার স্বপনের প্রতিষ্ঠান AHNAF organic foods
যে কোন দেশের বেকার সমস্যা ঐদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক বাধা, এবং বর্তমান বাংলাদেশর অবস্থাও তাই। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্যা যেমন দেশে প্রভাব ফেলছে তেমনি প্রবাসেও। প্রবাসে বেশিরভাগ শ্রমিক
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট