স্বাভাবিক ভাবেই নারীরা অন্যের পরিচয়ে পরিচিত হয় যেমন কারো স্ত্রী, মেয়ে, বোন, মা, তাহলে একজন নারীর নিজের পরিচয় কি? আমি এই প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছিলাম না,স্যারের বানী থেকে স্বপ্ন সেট করেছি আমি এ
এই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার গন্ডি পেড়িয়ে বিশ্বের ৫০ টির অধিক দেশের মধ্যে। এই নেটওয়ার্কিং এ অন্তর্ভুক্ত অাছে বর্তমানে ১ লাখ ২৮ হাজারের অধিক একটিভ সদস্য, এর অধিকাংশের সাথে অাছে অামা
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার Md. Iftekher Alam Mojumder ভাই এ পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীর
অনেক সময় আমাদের মোবাইল বা ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় files গুলোও হারিয়ে যায়। কিন্তু যদি আমরা গুগোল ড্রাইভে রাখি তাহলে ফাইল মিসিং হওয়ার আশংকা থাকে না। **পাশাপাশি এই ফাইলগুলো আপনি লিংকের মাধ
ডিম ভাঙলেই তবে মুরগীর বাচ্চার জীবনের সুচনা হয়। কোনো এক ভেঙে যাওয়া ঘটনা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু। তাই উঠুন, স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করুন। ভাগ্য কপালে থাকেনা, ভাগ্য থাকে কপালের ফোঁট
ছোট থেকেই আমি একটু উপার্জন মুখী ছিলাম তখন আমার বয়স ৭ কিবা ৮ বছর ক্লাস টু-তে পড়তাম পার্বত্য চট্টগ্রামে মানিকছড়ি রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়তাম,আমার বয়সের ছেলেরা যখন খেলা ধুলায় ব্যস্ত তখন
প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে তেমনি আমার জীবনেও একটি ভুলতে না পারার অধ্যায় রয়েছে সব গল্পের শুরুটা খারাপ হয়না, তেমনি,সব গল্পের শেষ টা সুন্দর হয়না, কিছু গল্প সবসময় ব্যাতিক্র
মায়ের কাছ থেকে 250 টাকা নিয়ে শুরু করলাম ব্যবসা।🌺 ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের খেলনার জিনিস এবং মজা বিক্রি করতাম । ঘরের ভিতরে জিনিসপত্র রাখতাম এবং বিক্রি করতাম। কিছুদিন এভাবে করার পরে আব্বা ছোট্ট করে একটি দ
প্রথম সেল পোস্ট এর পরে একটা বড় অর্ডার আসে।অনেক বেশি খুশি হয় কারন আমি আশাও করি নাই এতো তাড়াতাড়ি অর্ডার পাব।পরের দিনই বড় একটা বাজারে যায় যেখান থেকে বড় ব্যবসায়ী রা কাপড় কিনে।ভাবছি সেখানে কম দামে ভালো কাপ
হাজারও ব্যাস্ততার মাঝেও খুব ভাল ভাবে সম্পন্ন হলো পটুয়াখালী জেলা টিমের আনন্দ ভ্রমণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
জীবনের বাস্তবতার বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা _পরিস্থিতি যতই নিষ্ঠুর হউক বা যতই কষ্ট হউক না কেন- তা সয়ে নিতে হয়, মেনে নিতে হয় জীবনের প্রয়োজনেই। অন্যদের আনন্দের জন্য _জীবনে কষ্ট আসল
"কলা আর পান ঝিনাইদহের প্রাণ " আজ বিকাল ৪ টা থেকে ঝিনাইদহ শহরের পৌর ইকোপার্ক দেবদারু এভিনিউ নবগঙ্গা নদী পাড়ে- "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান " ঝিনাইদহ জেলা টিমের অফ
আমিঃ এগুলো সব আমার আব্বা বর্তমানে দেখাশোনা করছে। এখন বল তোর কি কি প্রোডাক্ট লাগবে।আমার কাছে সব প্রোডাক্টটি পাবি। যেমন মেয়েদের থ্রি পিস, শাড়ি সাথে পাবি ছেলেদের টি-শার্ট,পাঞ্জাবি বাচ্চাদের জামা। রিয়াজ
টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলার সবাই মিলে আগামী ১৪ ই জুলাই ২০০০ তম দিন
আমি আশাবাদী তুমি রেজিষ্ট্রেশন করে এই নিজের বলার মত গল্প প্লাটফর্ম এ ৯০ দিনের সেসন গুলো ঠিকমত পড়, তাহলে ৯০ দিন পরে তুমি নিজেই নিজের পরিবর্তন দেখতে পারবা আর তোমাকে দেশে গিয়ে কোনো রকম চিন্তা করতে হবে না।
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
প্রবাসী জীবন যে কত কষ্টের যে কোনো দিন আসে নাই সে বুঝবে না দেশে হয়তো কম টাকা ইনকাম করেছিলাম কিন্তু ভালোই কেটেছে দিনগুলো আজ হয়তো অনেক টাকা ইনকাম করি তার পিছনে রয়েছে অনেক অনেক রহস্য অনেক কিছুই তার মধ্
কাকা জান ঝামেলার শেষ নাই সব ট্রাভেল্স্ গুলান টিকিটের যেই দাম চায় আমরা গরিব মানুষ এতো টাকা দিয়া ক্যামনে জামু আবার এইদিন না সেই দিন খালি ঘুরায়
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন ১০০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা টীম ইতিহাসের পথে
প্রবাসীদের কস্ট প্রবাসী ছাড়া কেউ বুঝেনা একজন প্রবাসী আরো একজন প্রবাসীর সাথে যেভাবে জীবনের দুঃখ যন্ত্রনাভাগাভাগি করে আপন পরিবার পরিজনের সাথে
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
নিজের বলার মতো একটা গল্প" এটা শুধু অনলাইনে নয় সীমাবদ্ধ বিভিন্নভাবে করে যাচ্ছে নানা কর্মকাণ্ড। যেটা না বললেই নয়। আসলেই সত্যিকারে গ্রুপটির একদম শুরু থেকেই এই গ্রুপে যুক্ত হয়েছি।প্রথমদিকে এই গ্রুপট
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো আমাদের নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর নাটোর জেলা টিম থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে,৫৫ টা দুস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অবশেষে টানা ২০০০ তম দিন উদযাপন : ১৫/০৭/২০২৩ শনিবার স্মৃতিময় সেই ক্ষণের সাক্ষী হতে পৌঁছে গেলাম টিসিবি অডিটোরিয়াম কাওরান বাজার । অনেক ভাইয়া আপুরা আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আবার আমার পরে
গোমস্তাপুর উপজেলা উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২” সফলভাবে উৎযাপন হয়ে গেল
বাবা মায়ের একমাএ সন্তান হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে আমাকে ঘরে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি পড়াশোনায় ছিলাম খুব ভালো। জীবনে কখনো ফেল করিনি। এস.এস.সি দিয়েছিলাম পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে পাবলিক স্কুল থেকে। যেহেতু পড়ালেখায়
আই সি ইউ তে থাকা একজন মুমূর্ষু বৃদ্ধা মাকে প্রয়োজনীয় এ পজিটিভ রক্তদান ।
কেউ ঋণ করে, কেউবা তার পৈতৃক সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে। প্রবাসে পাড়ি জমান। তার মাঝে কোন চিন্তা নেই, আমি কি পারবো? আমার ঋণ পরিশোধ করতে? আমি কি পারবো? হারানো সম্বলটুকু ফিরে পেতে? 👉 তার মাঝে থাকে স্বপ্
গত ৪ জানুয়ারি ২০২০ এ 'নিজের বলার মত একটা গল্প' প্লাটফর্মের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনার সূচনা হয়। একটা অনলাইন প্লাটফর্মকে কেন্দ্র করে এমন বিশাল এক মহাসম্মেলন বিশ্বের ইতিহ
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
দুই-একদিন মায়ের এই কথা ভেবে ভেবে সময় পার করলাম এরপর আবারও ভুলে গেলাম সেই স্বপ্নের কথাগুলো এভাবেই চলতে থাকে আমার দিনের পর দিন আর আমি ভেবে নিয়েছি আমার দারা সত্যি কিছু হবে না, হঠাৎ করেই ২০১৬ সালের ২৮
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও নিজেদের মধ্যে পণ্য ক্রয় বিক্রয়, পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয় বাগেরহাট জেলার ফিজিক্যাল মিটাপ।।
আমার মা মাথায় কাপড় ঠিক করে দেয়না। দোকানে কত পুরুষের সাথে কথা বলে আমার মা। আরও কত কত কত কথা। আমার এত সুন্দর মা তার সব কিছু ত্যাগ করেছে আমাদের জন্য।সুখ, সখ জিবনে কিছুই পাইনি সে। মানুষের কটু কথা ছাড়া।
গ্রুপের সদস্য ও বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ইকবাল বাহার জাহিদ।
সকলের জীবনী ও বক্তব্য শুনে অনুপ্রাণিত ও শিখতে পেরেছি অনেক কিছুই।
হঠাৎ একদিন চোখে পড়ল নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এবং ফ্রি কোর্স টানা ৯০ দিনের,,, চিন্তা করলাম স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে এমন কিছু শেখা উচিত করে ফেললাম রেজিষ্ট্রেশন একা একাই।
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন সফলতা আসবেই, ইনশাআল্লাহ। স্যারের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে চালিয়ে নিচ্ছি, শত হতাশার মাঝে ও লেগে আছি।
আমরা প্রায় সব পরিবারে দেখি বাবা মা মেজ সন্তানকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তাই মগ্ন থাকে। কারণ মেজ সন্তান কেমন জানি সবার থেকে একটু আলাদা হয়। তারা একটু গাড় টেরা স্বভাবের হয়। অনেক বেশি স্বাধীনচেতা, একটু একগুঁ
একটা মেয়ে জন্ম হওয়ার পর থেকে মা-বাবার আদরে বড় হতে থাকে, ছোট থাকতে সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে,অনেক আদরও করে, অনেকে আবার অনেক কিছু কিনে দেয়। তারপর যখন মেয়েটার বয়স ৯/১০ বছর হয় তখন থেকেই মেয়েটার অনেক ভুল
আমি যখন জন্ম হই নাই। তখন ছিল আমার বড় দুই বোন।আমি যখন জন্ম হই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছি আমাকের বংশে সবার তখন নাকি মন খারাপ আমার বাবা, ফুফু, কাকারা, এবং দাদা-দাদী সহকারে সবাইরি মন খারাপ একে একে তিনট
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন NRB সিংগাপুর টিম কর্তৃক ইফতার ও দোয়ার আয়োজন সুন্দর ভাবে সমাপ্ত হল,
ম্যাজিক ম্যান আসলে আপনি জানেও না আপনার প্রতিটি কথা কতটা যাদুর মতো কাজ করে একজন সফল মানুষ ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি। ছোট বেলা থেকে নিজেকে সফল হিসেবে দেখতে চেয়েছি
টানা ২০০০তম দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকার ভাবে এই দিন টি উদযাপন করেন।
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হলো যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ,এই আয়োজনের মাধ্যমে প্লাটফর্ম এর প্রিয় ভাই ও বোনেরা তাদের নিজেদের জীবনের সুখ,দুঃখ,হতাশা,সফলতার গল্প সকলের মাঝে তুলে ধরতে পারছেন।পাচ্ছেন অনেকের প্রতি
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
স্যারের সেশন যেন আমার মধ্যে আত্ববিশ্বাস এতটাই বারিয়ে দিয়েছিল সব বাধাগুলো যেন আমার কাজের গতি আরও বারিয়ে দিত।
দিনের গল্প শুনে আমি অভিভূত হই এবং মনে মনে সিদ্ধান্ত নেই যে, অবসর পরবর্তী বাকি জীবনে একজন ভালো মানুষ হয়ে কিছু সামাজিক ও মানবিক কাজ করবো. ইনশা-আল্লাহ্। আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে ভালোবাসার এই ফাউন্ডেশনের শিক
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।
চলে এসেছি মূল মেলা প্রাঙ্গনে।চারদিকে মিস্টি গন্ধে মৌ মৌ করছে যা আপনি স্বশরিরে উপস্থিত না হলে বুঝতেই পারবেন না।চারদিকে শুধু পিঠার স্টল আর কাস্টমারের ভিড় লেগেই আছে প্রতিটি স্টলে।সকলেই বেশ মজা ও আয়েস কর