প্রথমেই আমি যা শিখেছি তা হলো,কিভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়।আর এই ব্যাপার টা আমার সবচেয়ে বেশি মন ছুয়ে গেছে।আমি যে পুরোপুরি ভালো মানুষ,তা বলবোনা।তবে সম্পুর্ণ একজন ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা করছি। *স্যারের প
আজ থেকে কয়েকটা বছর আগে আমরা কাজিনরা আমাদের এক মামার সাথে ঢাকা শিশু পার্কে ঘুরতে যাই। তখন আমার বয়স কত এই ১৫ কি ১৬ হবে।আমরা পার্কে ঢোকার কিছুক্ষণ পরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।তখন আমরা সবাই জায়গায় গিয়ে বস
আপনার জানামতে আপনার জেলার / জোনের কোন সদস্য যদি আপনার ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত না থাকে তাহলে তার প্রোফাইল লিংক সহকারে দ্বায়িত্বদের জানিয়ে তাকে যুক্ত করতে সহযোগিতা করুন। 👉 অনুগ্রহ করে মাসিক মিটআপ অন
আগামীর জন্য স্বপ্ন বোনে। কিন্তু আমার জীবনের সেই স্বপ্ন বোনাটা খুব বেশী দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমি যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী ঠিক তখনই আমার বিয়ে ঠিক হয়। অনেক চেষ্টা করেও বিয়েটা আটকাতে পারি নি। বিয়ের
আমাদের খাওয়া পরানোর জন্য মায়ের সম্পত্তি বিক্রি করে দেন। হেল্প করার মত কেউ ছিলনা আশেপাশের সবাই বলতো তোমার ছেলেদেরকে কাজে দিয়ে দাও। আমার মা এবং আমার দুই বোন তা কখনো হতে দেয়নি।
প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে স্বপ্ন দেখে শুরু করে দিলাম ( ইনসাফ ফুড গার্ডেন ) নামে অনলাইন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে আমি গ্রুপ এর সকলের ভালবাসা পেয়ে দাদু নামে পরিচিত হয়েছি আলহাদুলিল্লাহ
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
"আস্সালামু আলাইকুম" দুঃখ নিয়ে লিখতে লিখতে আর ভালো লাগেনা, তারপরেও লিখতে বসলেই দুঃখটা কেনো জানি বারবার ফুটে উঠে। সব সময় যে আমি ভালো তাও কিন্তু ঠিক নয়। তবে ভালো হওয়ার চেষ্টায় অনবরত। তেমনি আমার জীবন
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
উক্ত মিট আপকে সফল করতে গাজীপুর জেলার সকল জোনের সকল সম্মানিত সদস্য উদ্দ্যোক্তা ও ভলেন্টিয়ারগনের স্ববান্ধন উপস্থিতি কামনা করছি।
ফয়সাল আর নীলার সংসার বেশি দিনের না। তাই সংসারে একটা নতুনত্বের ছোয়া এখনো লেগেই রয়েছে, গেলো রোজার ঈদ ই ছিলো ওদের দু'জনের একসাথে কাটানো ১ম ঈদ কিন্তু কিছুই কেনা-কাটা হলো না,বর্তমান পরিস্থিতির কারণে। তবে এ
নিজের পাঁয়ে দাড়ানোর সাহস, শক্তি, এবং কৌশল শিখিয়ে নিজের জীবনের মূল্যবান সময় আমাদের পেছনে ব্যয় করছেন। বেকার যোবকদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্
গোপালগঞ্জ জেলার পক্ষ হতে আমরা প্রতি মাসে মিনিমাম 1 টি করে সামাজিক কাজ করবো এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলার সকল সদস্য এবং দায়িত্বশীলদের সহযোগীতা কাম্য।
একজন সফল উদ্যোক্ত হতে হলে এগুলো কী আগে সেটা আমার জানা প্রয়োজন। তাহলেই আমি সামনের দিকে সুন্দর ভাবে নিজের বিজনেস পরিচালনা করতে পারবো। আমি আমার ব্যবসাটি ভালো করে শুরু করতে পারবো। 💞 আমি জেটা জেনেছি এবং
আমাদের বাড়ির সামনে একটা পুকুর বেশী বড় না তবে আমাদের সংসারের মাছের চাহিদা পুরন করতে সক্ষম, পুকুর টা সংস্কার করে মাছ চাষ করতে শুরু করে দিয়েছে. পুকুরের পার ঘেসে একটা ছোট মুরগীর ঘড় করে সেখানে ৪০ টা দেশী
আমি বেশি মজা করতাম আমার নানা ভাইয়ের সাথে।নানা কে অনেক ঝালিয়েছি।নানার সামনে নাচলে নানা লাঠি নিয়ে দৌড় দিতো।কখনো তার লাঠি,চশমা,টচ লাইট লুকিয়ে রাখতাম। একদিন রাতে নানা কে ভূতের ভয় দেখাতে গিয়ে নিজেই
দুঃখের বিষয় মনে মনে করতাম চাকুরি পেয়ে টাকার অভাব ঘুচবে আর ভালো ভালো চাকুরির বই কিনে পড়ব আর ভালো চাকুরির পরীক্ষা দিব।কিন্তু আমার পুরা পরিবারের দায়িত্ব যেন তখন আমার মাথায় একটা পরীক্ষাও আর দেওয়া হল না টা
জন্ম_আমার গ্রামে_মুন্সীগঞ্জ দিঘীর পার আকাল মেক দাদুর আব্বুর গ্রামে_ আমরা চার ভাই ছোট ভেলায় থেকে ভর হোয়ে ছি শহরে আমার একটা রোগ হোয়ে ঘটেছিল ছোট বেলায় অস্বাভাবিক রকম ছোট আকৃতি নিয়ে। কেউ ধারণা করেনি
আলহামদুলিল্লাহ্ আমরা গেল ১০ তারিখ শূক্রবার শীত বস্র বিতরন করেছি শীতার্তদের মাঝে রাতে ১২ টার পর নরসিংদী রেল স্টেশন এ ,
এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। সেইসাথে এই মহৎ কাজে যাঁরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন, তাঁদের সবাইকে জানাই ফাউন্ডেশন তথা পাবনা জেলা টিমের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভা
অনেক প্রতিক্ষার পর নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের প্রথম মিটআপ সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী তে। যদিও সদস্য সংখ্যা অনেক কম, তার পরেও অনেক ভালো লেগেছিল আপনাদের সাথে এতটা সময় থাকতে পেরে।
সেই ১ থেকে আজ ৭০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছি অবিরাম! চলছে গাড়ি পাড়ি দিতে নিজের গল্পের দুনিয়ায়! পড়াশুনা, ক্যারিয়ার ,নতুন বিজনেস এবং "বলার মত একটা গল্প গ্রুপ"
আলহামদুলিল্লাহ গ্রুপ এবং অফলাইনে আমার সেল প্রতি মাসে ৬-১০ লক্ষ টাকা টাকা।গতমাসের সেল ৮ লক্ষ প্লাচ। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় এগিয়ে চলছে আমার স্বপনের প্রতিষ্ঠান AHNAF organic foods
হরে যেতে হতো ৮ কিলোমিটার আসা যাওয়া রাস্তা সকালে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া-দাওয়া করে ৭;৩০ মিনিট থেকে রওয়ানা করতাম কাজে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগে যেত কাজে স্থানে পৌঁছাতে এমনি করে
আজকের মিটআপে আমরা আসন্ন মহা সম্মেলনে টিকিট নিয়ে বিশদ আলোচনা করি। ইনশাআল্লাহ আশাকরি আসন্ন মহা সম্মেলনে যশোর জেলার মধ্যে মনিরামপুর উপজেলা থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণ করবে।
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
প্রচন্ড রকম ভালো লাগে আমার নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা এবং প্রশংসা পেয়ে। সবার উৎসাহে আরো আমি এগিয়ে যাই, স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। " স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,শুরু করুন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই " স্যার এর এই
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
শীত তো চলে এসেছে ত্বকের যত্নে সবার বাড়তি প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে।এই শীতের কিন্তু আমাদের ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।সঠিক যত্নের অভাবে ত্বকের নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। এক দিন উদ্যোক্তা দের পরিচয় পর্বে নিজ
প্রোগ্রামের বিশেষ আয়োজন ছিল পণ্য প্রদর্শনী এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটিকা করে সকল স্পনসরদের পণ্যকে তুলে ধরা এবং পন্য প্রদর্শন করা।
প্রিয় গ্রুপের ৯০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সামজিক কাজের অংশ হিসেবে রক্ত দান করলাম। গ্রুপ সৃষ্টির ১ম দিন থেকে ৯০০ তম দিন পর্যন্ত নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পেরে ভাল লাগছে। সবার আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ।
এইবার জব পাওয়ার লড়াইয়ে নেমে পরলাম।এর মধ্যে আমার খুব ইচ্ছে ছিল সি এ(C.A) করার কিন্ত আমার মা কিছুতেই রাজি হল না।বলে আমি কি সারা জীবন শুধু পড়ালেখায় করব।অনেক পড়েছি আর পরতে হবে না।তার পর পি এস সির আন্ডারে
প্রিয় ভাইকে অভ্যর্থনা এবং স্বাগত জানানোর জন্য আমি পতেঙ্গা জোন এম্বাসেডর Mahfujur Rahman Sujan এবং কর্ণফুলী জোন এম্বাসেডর Mohammad Ibrahim ভাইয়ের নেতৃত্বে
আম্মু বললো চলো বোনের বাড়িতে যাই অনেক দিন হলো আমার বোনের সাথে দেখা নাই। খালা মনিদের বাড়িতে গেলাম সন্ধ্যাবেলা সবাই বাড়ির উঠানে বসলাম। যেহেতু বিদেশ থেকে অনেকদিন পর দেশে এসেছে ইব্রাহিম ভাইয়া তাই খা
হওয়া কতটা যে আনন্দের তা বাসায় লিখে কাউকে বোঝানো যাবে না কিছু কিছু অনুভূতি আছে শুধু অনুভব করা যায়।কিছু কিছু অনুভূতি সেই খুশির মুহূর্ত গুলো কোন লেখার ভাষায় তুলে ধরা যায়না যারা যারা স্ট্যাটাস অফ দ্য
তারপর তারিখ এবং সময় মতো সবাই চলে আসলো।অনেক দিন পর সবাই একসাথে অনেক খুশি সবাই।অনেক আড্ডা দিলো তারা।যার বিয়ে তাকে নিয়ে অনেক মজা করলো😁।কি কি করবে,কি কি অনুষ্ঠান হবে সব কিছু জেনে নিলো।কে কবে যাবে সেটাও ব
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর উদ্দীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উদ্যোক্তা ভাইয়া আপুদের নিয়ে "আনন্দ নৌভ্রমন"।
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
প্রিয় শিক্ষাগুরু ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি, যত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি না কেন কম হবে। এই প্লাটফর্ম যুক্ত না হতে পারলে জীবনের মানে খুঁজে পেতাম না। আমি বেশি দিন হয়নি জয়েন হয়েছি তার পরও যে টুকু জানতেও
আর আমিও এটা এখন পুরোপুরি নিজের জীবন উপলব্ধি করতে পারছি। সবকিছুই যখন শেষ হয়ে যাচ্ছিল তখনই এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নিজেকে বদলাতে পেরেছি এবং আবার সবকিছু ফিরে পেয়েছি। এখন আমার আর কোন চিন্তা নাই।
আমি 2014 সালে অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয় বদরগঞ্জে প্রতিবন্ধি বাচ্চাদের শিক্ষা সেবা দিয়ে আসছি। সেই স্কুলে আমি প্রথম শিক্ষিকা। তখন রেলের প্ররিতাক্ত বিল্ডিং এ একটা রুমে স্কুল টা শুরু হয়েছিল। এখন
আজ লিখব আমার দয়ালু বাবার ত্যাগ, তিতিক্ষা, সংগ্রাম,ব্যবসার উওান পতন। সর্বোপুরি আজ পর্যনত উপসংহারে তার বিজয়ের গল্প। অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে আমার বাবার এই গল্প থেকে আশা করি সবাই অবশ্যই পড়বেন।
বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে কিন্তু ভিজে কেউ কেউঃআমি প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর প্রথম দুমাস গ্রুপে একটিভ ছিলাম না তবে গ্রুপে প্রিয় স্যারের সেশন গুলো ফলো করতাম।প্রতিটি সেশন এর মাধ্যমে স্যার আমাদের স্বপ
নাগরিক টিভি শো Live with a Purpose এ প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
আমি একজন গ্রামের ছেলে আমি যে স্কুলে লেখাপড়া করতাম সেই স্কুল টা আমাদের গ্রাম থেকে দুই কিলোমিটার দূরে প্রতি দিণ আমাকে
বর্তমানে আমি একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমি একজন কৃষি উদ্যোক্তা হতে চাই ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। সবার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।