অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
আমি এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বাবার বন্ধু আমার বাবাকে প্রস্তাব দেয় তার ছেলেকে দিয়ে আমার বিয়ের কথা বলে । তবে আমার বাবা রাজি হয় না । অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিবে না বলে কিন্তু আমার মা তাদের কথাতে রাজি হয়
ন্যবাদ প্রিয় বড় ভাই শাহিনুর রহমান ভাইকে তার আন্তরিকতায় গাজীপুরের উল্লেখযোগ্য নিউজ পেপার বাংলাভূমি এবং ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি কভার করেছে আবারো ধন্যবাদ প্রিয় ভাই
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য মাগো তোমার ছেলে সাহসিকতার শক্তি আজকে মাওনা থেকে এসেছে ময়মনসিংহে রক্তদান করে। মাগো তুমি ধন্য তোমার এমন ছেলের জন্ম দিয়ে ..
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
আমার বাবার আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো,মায়ের মুখে শুনেছে জীবনের অনেক কষ্টের অনেক দুঃখের কাহিনী,,মায়ের চোখে দেখেছি অনেক লোনাজল,,দেখেছে মায়ের ক্ষুধার্ত পেটের হা,হা,কার,,মায়ের মুখে শুনেছি আমার জন্
আর অনলাইনে পন্য সেল করা কঠিন। আমি কিভাবে পারবো বল কর্মজীবী মানুষদের চাকরির ক্ষেএে কিভাবে কন্ট্রোল দেয়। চিন্তা করিস না আমার বন্ধু আমাকে বলল, তুই আগে কিছু প্রোডাক্ট তৈরি কর এবং তোর বাবা যে কাজগুলো করে,
ঈদ পূর্ণমিলনী পজিটিভ শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা উপজেলায়, এসে উদ্যোক্তা প্রমোট
গ্রুপে আসার আগেঃ অনেক বড় বড় স্বপ্ন ছিল, আছে, সেই স্বপ্ন অনুসারে গাইডলাইন আর সাহস পেতামনা, অনেক হতাশা, আর অনেক ডিপ্রেশন কাজ করত আমার মধ্যে, হেরে যাওয়ার ভয় থাকত, আমি কথা বলতাম পারতাম না কারো ও সাথে কিন্
এভাবেই উদ্যোক্তা ক্লাবের চিঠি পৌঁছে যাবে পুরো বাংলাদেশের প্রতিটি কলেজে ইনশাআল্লাহ।
গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ ও কাপাসিয়া এই ৫টি উপজেলা নিয়ে ঢাকা জেলা থেকে বিভক্ত হয়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গাজীপুর জেলায় এই ৫টি উপজেলা ছাড়া
💐"ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল। কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি আমাদের আমাদের প্রিয় মেন্টরের প্রতি যার অবদানে আমরা এই সুন্দর প্লাটফর্ম পেয়েছি৷
মামা পরামর্শ দিলেন তাহলে ছোট একটি দোকান দিয়ে কম্পিউটারের কাজ শুরু করতে পারেন। মামা কথা শুনতে শুনতে ফেসবুক ইউজ করতে থাকি এমতাবস্থায় খুব কাছের একজন ভাই নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন এর লিঙ্ক পাঠালেন। স
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
প্রথমত পেয়েছি অগনিত ভালো মানুষ। যারা প্রতিনিয়ত ভরসা এবং পরামর্শ দিচ্ছেন। ২/ পেয়েছি এত বিশাল একটা প্লাটফর্ম যেখানে রয়েছে ক্রেতা এবং বিক্রেতা। ৩/ ৯০ টা সেশনের মাধ্যমে অনেক কিছু শেখার সুযোগ যেটা কোথাও প
আমিও @JAMAL REFAT ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে হয় না ,তা বাস্তব। এক সময় ঘুমিয়ে ছিলাম। কিছুই জানতাম না। এখন প্রতি ভোরবেলা ওঠে নতুন সাফল্য মুখ দেখি তাতে অনেক আনন্দ পাই। এখন দেখতে পাচ্ছি পূ
আগামী,, "উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২" ও "৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী" উপলক্ষে অফলাইন মিটআপ,, শীতবস্ত্র বিতরণ,, আনন্দ ভ্রমন,, আয়োজনেঃ খাগড়াছড়ি জেলা টিম আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, গতকাল আমরা,, প্
আপনাদের কারও যদি আয়কর রিটার্ন সম্পর্কিত কোনো ঝামেলা হয় অথবা তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমাদের দোকানে সব সময় সেল বেশি হতো কারন। বাবার একটা সুনাম ছিল এবং সুনাম আছে । যে আমাদের দোকানের কাপড় কিনলে কেউ ঠকবে না। ভালো পন্য দেয় সিমিত লাভ করে। এই কারনে সব সময় দোকানে ঈশ্বরের কৃপায় ভা
আমি ছোট বেলা থেকেই পড়া লেখার সাথে সাথে আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে সহজোগিতায় লেগে থাকতাম তাই হয়ে গেলাম বাবা মায়ের আদরের সন্তান।আমি আমার বাবার সাথে কৃষি কাজে লেগে থাকার কারনে আমাদের পরিবারের অবস্থান
বিনা মূল্যে টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড উদযাপনে নাটোর জেলা টিম, আলহামদুলিল্লাহ সফল আয়োজন। সবাই মিলে একটা সুন্দর দিন পাড় করলাম আলহামদুলিল্লাহ। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর I
বাবার সেনাবাহিনীতে চাকরির কারণে কখনোই সেনানিবাসের বাইরে যে একটা পৃথিবী আছে এটা বুঝতে পারিনি। জন্মের পর থেকেই দেখে আসছি কঠোর নিয়ম কানুন এবং শৃঙ্খলা। যদিও এই গুণগুলো মনের অজান্তেই নিজের মধ্যে গেঁথে গ
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
আলহামদুলিল্লাহ সেখানে আমি খুব ভালোই ছিলাম। নানা, নানী, আন্টি, মামা সবাই আমাকে ছোট বেলা থেকেই অনেক আদর করতো। উনারা আমার পড়ার সকল খরচ বহন করতেন। সেখানেই থেকে খুব ভালো ভাবে পড়াশোনা শুরু করি। উদ্দেশ্য একট
একজন প্রবাসীর উপর ভরসা করে গোটা একটা পরিবার স্বপ্নের পশরা সাজায়। আর এভাবেই এপাড়ে ভরসা করে ওপাড়ে বুনতে থাকে স্বপ্নের জাল। অনেক আবার ৩ বেলা ঠিকমত খাবারের স্বপ্নও জড়িয়ে থাকে এই প্রবাসীর উপর। এরকম হাজারও
দীর্ঘ ৩ মাস হাসপাতালে থেকে কোন রকম জীবন্ত লাশ হয়ে ফিরে আসেন আমাদের মাঝে,,,আমাদের ঘরে তখন একটা টাকা তো দূরের কথা এক মুঠো চাউল ও ছিলো না,, আমার মা ব্যাধ্য হয় মানুষের দোয়ারে হাত পাততে,,,কিছু দিন এভাবে চল
সকলের কথা শুনে কোন কিছু না বলেই নিজের মতো করে যতটুকু পারি দিনমজুরের কাজ করে গেলাম এবং সাথে করে আমার যে স্কেল গুলো জানা আছে তার এগেনস্টে কাজ খোঁজ করতে থাকলাম। খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি এক মাসের মা
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
মা ও মা, মাগো আজ সারাদিন কিছুই খাইনি। সারাক্ষণ শুধু তোমাকে ভেবেছি মা। তুমি যখন কাছে ছিলে সকাল হতে না হতেই সকালের নাস্তা বানিয়ে অপেক্ষা করতে কখন আমার খোকা ঘুম থেকে উঠবে কখন নাস্তা করবে ভেবে ভেবে
মানবতার দর্পণ প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষায় আমাদের ফাউন্ডেশনের ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিম মানবতার অগ্রদূত হিসেবে ২৪ঘন্টা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
গুলশান জোনকে এগিয়ে নিতে গুলশান জোনের সকল দায়িত্বশীলদের নিয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফিজিক্যাল মিট আপ। প্রিয় ফাউন্ডেশনের কোর ভলেন্টিয়ার Mi Hossain এবং কোর ভলান্টিয়ার Mohammad Mahmudul Islam ভা
শ্বশুর বাড়ি থেকে বার বার ফোন করতেছে যাইতে হবে তাদের বাড়ি।সে জন্য বউ বার বার এসে ডাকতেছে। বউঃ কি গো শুনছো উঠো রেডি হও । আমিঃ পাববো না।ঘাড় মাথা ব্যাথা করছে। বউঃ হ্যা এখন তো কতো কি ব্যাথা করবে। আমার বাবা
ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বগুড়ার প্রতিটি কলেজে উদ্দ্যোক্তা ক্যাম্পাস গঠনের উদ্দেশ্যে প্রিয় @Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চিঠি পৌঁছে দিয়েছে বগুড়া জেলা টিম ।
র বলেছিলেন বাড়ি গাড়ি অনেকেরই আছে কিন্তু জীবনে বলার মতো গল্প তৈরি করেছে কয় জন? আমি কখনো কাউকে সাহায্য সহযোগিতা করে বলতাম না।জীবনে আমি অনেক মানুষদের অনেক কিছুই করেছি প্রতিদানে কারো কাছে কিছু এ আশা করেনি
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের অফলাইন মিটআপ সুন্দর, মনোরম পরিবেশে, সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মিটআপের উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসেডর, উপজেলা এম্বাসেডর ও অনেক সদস্যগ
পেয়েছি ২০২০ সালের উদ্যোক্তা সম্মেলনের সেরা ভলোন্টিয়ারের পুরস্কার এবং ফেনীকে সেরা জেলার স্বীকৃতিও। #পেয়েছি গ্রুপের সেবা করার কোর ভলোন্টিয়ার এবং মডারেটরের দায়িত্ব। #সর্বশেষ যেইটি বলবো ২য় ব্যচ শেষ কর
ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত Conference Room এ অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো ১৬ তম ব্যাচকে সামনে রেখে ডিজ
আল্লাহর ইচ্ছায় দ্বীনের বুঝ আসে।আর পর্দা রক্ষা করে ঘরে বসেই আমি বিজনেস করতে পারছি।হালাল পথে আমার নিজের জন্য ও পরিবারের জন্য কিছু করতে পারছি। ✨জীবন থেকে একটা শিক্ষা মনে গেথে নিয়েছি --সব স্বপ্ন পুরন হয়ন
আমার জীবনেও এমন অনেক গল্প ছিল যা কখনো কাউকে বলা হয়নি বা বলার সুযোগ পাইনি বা বললেও কেউ গুরুত্ব দিয়ে শুনিনি।সেই কথাগুলো ওই এখানে লিখে অসংখ্য
ওয়ারী_জোনের_সেশন_চর্চা_২০০_তম_দিন উপলক্ষে ঐতিহাসিক মেগা মিটআপ। অসাধারণ একটা মিটাপ উপহার দিয়েছেন আমাদের সকল সদস্যরা।
আর ভালো মানুষরা জীবনের সবক্ষেত্রে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।ভালো মানুষদের সফলতা পেতে হয়তো একটু বেশী পরিশ্রম ও কষ্ট করতে হয়, কিন্ত টিকে থাকে আমৃত্যু সবচেয়ে বড় কথা তারাই জীবনে সুখি হয়।হেরে যাবো বলে কি থেমে
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে স্যারের অনুপ্রেরণায় নিজেকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেছে নিয়েছি উদ্যোক্তা জীবন। সবাই পাশে থাকবেন দোয়া করবেন।
সেই ধারাবাহিকতায় ০৩-১২-২০২১ইং রোজ শুক্রবার তারুন্যের মানিকগঞ্জ জেলা টিমের ৮ম অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পূর্ণ হয়ে গেল। মাঝখানে কোরনা কালীন সময়ে স্যার এর দিকনির্দেশনা নিয়ে অনলাইন কার্যক্রম গুলো চলমান ছিল এ
পৃথিবীতে সবার মত আমারও সবচাইতে আপনজন হল আমার মা-বাবা। কিন্তু যদি আপনজন হঠাৎ করে আমাদের ছেড়ে চলে যায় তাহলে তারচেয়ে সবচাইতে কষ্টের পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না । আমার ক্ষেত্রেও তাই।
সবার ই একটা বলার মতো গল্প থাকে কারো গল্প টা সুখের,কারো গল্প-টা দুঃখ কষ্টে জর্জরিত। আমার গল্পটাও অনেকটাই দুঃখ কষ্টেই জর্জরিত, আমি সবার মতো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ না, আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী যে নিজে
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
যদি এই নিজের বলার মতো একটা গল্পো কে খুজে না পেতাম। ✌যদি খুজে না পেতাম এমন একজন মানুষকে ✌আজ দশম ব্যাচের শেষ দিন স্যার বলেছেন লিখতে। 👏তবে যদি আমি স্যারের বিষয়ে না লিখি আমার লিখা বা আমার অভিমত ব্যাক্
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ