আমার মাকে বলতে শুনছি আমাদের এলাকায় একজন বুজুর্গ লোকের উছিলায় আল্লাহ আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন
#নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন। আজ শুনাবো একজন ইন্জিনিয়ার এর খামারি হওয়ার গল্প। শৈশব ও কর্মজীবন শুরু কথা আগের পোষ্টে লিখেছি। 🎄বিয়ে ঃ-চাকরি জীবনের ৪র্থ বছর বিয়ে করে ফেললাম। আম্মার পছন্দ, পাত
ই ছোট্ট জীবনে আমার প্রতিটা পদক্ষেপ শুরুতেই শেষ হয়ে যায়, হয়তো তা দ্বিতীয় বারে হয়েছে বা কখনো দ্বিতীয়বারেও হয় নাই। সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল এইটা যে,দৈনিক জীবনের ছোট খাট প্লানগুলো আমার কখনো প্লান মোতাবেক হয় না
আমিও ভাঙ্গা মোবাইল নিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্র্যান্ডিং নয়, নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া দুঃসহ গল্পগুলো লিখার আগ্রহ প্রকাশ করি, মন থেকে। সেই মোতাবেক শুরু করেও দেই, অনেক অনুভূতিতে লিখেছি ৭০/৮০ দিন পার হয়ে যায়
আমার উদ্যোগ আমার ভাইদের পরিশ্রমকে একটু কমাতে সাহায্য করবে। আমার উদ্যোগ আমার পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটিয়ে সবার মাঝে আমার আমিকে খুজে দিবে।
আমি বললাম দিদি আমি কোনও সাহায্যে নিতে চাই না ,আমার হাত আছে পা আছে, আমি কাজ করে চলতে চাই ছুটির সময় অনেক লোক জরো হয়ে গেছে । আমি: রিনা দিদি আপনি গতকাল থেকে আমার জন্য যা করেছেন একজন অচেনা অজানা মানুষের জন
আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি "নিজের বলার মতো একটা গল্প' প্লাটফর্মের গর্বিত সদস্য ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ার।এখন আমার শিক্ষক হচ্ছেন প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার,স্যার কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শিখচ্ছি নতুন নতুন আইডিয়া,
২০২৩ সালের জানুয়ারি শুরুতে আমি আমার ভাইয়ের কাছ থেকে রিসেলিং শুরু করি কারণ আমার বিজনেসের জন্য কোনো মুলধন ছিল না। তবে প্রথম মাসেই আমি সবার সহযোগিতায় ১৮ পিস শার্ট পাইকারি সেল করি । এটা আমার অনেক বড় প্
We provide online and offline training base on live project according to industries required. E-commerce Solution. Our Signing product Digital Businessman is E-
চাঁদপুর জেলা আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রানের গ্রুপের সবাই কেমন আছেন। আমরা অতি আনন্দিত ও উজ্জীবিত কেননা আমার জেলার প্রিয় মানুষগুলো জেগে উঠেছে #অসীম_ভালবাসায়_হৃদয়ের_বন্ধনে নিজজেলাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য লাগে #ভা
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
নিজের বলার মতো একটা গল্প" উদ্ধীপ্ত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উদ্যোক্তা সম্মেলন -2020 এর প্রস্তুতি এবং প্রচারনা চলছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে - ইনশাআল্লাহ 500+ সদস্য উপস্থিত থাকবে আপনি আসছেন ত??
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম কে চুয়াডাঙ্গা জেলার সমস্ত জায়গায় ছড়িয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।
ময়মনসিংহ জেলার সকল দায়িত্বশীল এবং সম্মানিত আজীবন মেম্বারদের মিট আপে উপস্থিত হয়ে মিট আপ সফল করার জন্য আহবান করা হচ্ছে।
বাবার মৃত্যুর পর মা ভেঙে পরেন, ভাই নিজের দ্বায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেরান,কারণে অকারনে আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন,আমার সমস্ত বই বিক্রি করে দেন,,,বাবার মৃত্যুতে আমি ও ভেঙে পরি,, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না
আমি তমিস্রা আফরিন অতি ক্ষুদ্র এক মানবী। জীবনটাকে খুব বেশি না দেখলে ও এই ছোট্ট জীবনে দুঃখ কষ্টের রং মসাল কম নাই। সবার দৃষ্টিতে আমার জীবনটা এমন হওয়ার জন্য আমি নিজেই দ্বায়ী তবে মহান আল্লাহ না চাইলে কি
এখানে নিজের পরিচয় ফুটিয়ে তোলা যায়, কথা বলার জড়তা কাটানোর ভিডিও করা যায়, নিজের, পণ্য'র ব্রান্ডিং ও ভালো মানুষ হওয়ার চর্চা হয়, মানবিক কাজ করা হয়,ভলান্টিয়ারিং শেখানো এবং প্রতিদিন উদ্যোক্তা হওয়ার জ
এভাবে কেটে গেলো আরোও কয়েক দিন, তার পরে আমার মা নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। আমার মা তখনো অসুস্থ ছিলো, তখন আমার নানির গ্রামে অনেক লোক ছিলো গরিব যারা দিন আনতো দিন খেতো, তো আমার নানির বাড়ি থেকে ১০ মিনিট দূর
আমি মাধ্যমিকের কৃষিবিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে শুরু করলাম ধানক্ষেতে মাছ চাষ,দারুন সফলও হলাম,।ধানের ফলনও ভালো, মাছও দ্রুত বাড়তে লাগলো।আমাদের পুরো পরিবারের মাছের যোগান আমার প্রজেক্ট থেকে হতো।এছাড়া বছরে ২ বার
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
ধনসম্পত্তি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেককেই দেখেছি রাতারাতি প্রচুর সম্পত্তি করে,হঠাৎই রাস্তার ভিখারি হতে। তবে সম্পত্তি কম হোক বা বেশি হোক সেটা বড
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট।সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক।সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগিয়ে
মাদারীপুর জেলা অফলাইন মীট আপ উপস্থিতি ছিল অনেক। চমৎকার আয়োজন দীর্ঘ সময় উপভোগ করেন প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
অনেকদিন যাবত চেষ্টার পরে আমাদের সুনামগঞ্জের টিমের উদ্যোগে ও সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট এমভেসেডরের সহযোগীতায় পরিশেষে তা করতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত।
মহান আল্লাহ তায়া’লার শুকরিয়া আদায় করছি সর্বপ্রথম, যিনি আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের পাবনা জেলার মিটআপ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্
আমি বিভিন্ন কাজ শিখতে ভালোবাসি🥰 ছোট থেকেই কিছু শেখা নিয়ে অবহেলা ছিলোনা। যখন যেই কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি তাহ ছাড়া করিনি🥰 তবে এগুলো খুবই সামান্য! আমাকে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে হবে।৷
বারবার মনে ভয় হয় এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে পারব তো!কিন্তু বিশ্বাস আছে নিজের উপরে,শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের শিক্ষার উপরে, প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি,
আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো।আমার এক দুলাভাই তখন আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলো মা বাবা না থাকলে যা হয় । ওই বয়সে শ্বশুর বাড়ির সবার মন জোগানো খুব কষ্টের ছিলো। তারপরও অনেক চেষ্টা করেছি কিন্
অনেক সময় বাবাকে তার নেশা ও দ্বিতীয় বিয়ের কারণে জেলখানায় থাকতে হতো । আমার মা অন্যের বাসায় কাজ করতো।ট্রাক থেকে ইট বালু নামিয়ে আমাকে লালন-পালন করতো ।সেই টাকা দিয়ে বাবাকে জেলখানায় দেখতে যেত। 👉 বাব
আমরা সব সময় কোন কিছু করতে যাওয়ার আগেই সফলতা নিয়ে চিন্তা করি।আচ্ছা বলুনত আমাদের স্যার ইকবাল বাহার যেদীন থেকে তার কম্পানি শুরু করেছিলেন সেদীন থেকেই কি সফলতা পেয়েছেন? উত্তর : না। আমাদের সবারই যানা আছে স
আমি আমার জীবনের যে কথাগুলো কখন কারো সাথে বলি নাই। আমার দুংখ,কষ্ট না পাওয়ার বেদনা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার জীবন নিয়ে লিখে, আমি SOD হয়েছি।
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়সে আমাকে বাবা-মা'য়ের কোল ছাড়তে হয়। ঠাঁই হয় আমার সর্বশেষ আশ্রয় স্থল মামার বাড়িতে। আমার দিদা, দাদুর পরিবার ছিলো আমাদের থেকেও অসচ্ছল। তবুও আমাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে তার
ইসরাত নিপার ২০০ টাকা পুজি দিয়ে কাজ শুরু করে এখন ৫০০০০ টাকা পুজি হয়েছে
কেমন লেগেছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার কেমন যেনো অস্থির অনুভূতি কাজ করেছিলে। আমি আমার ছোট জীবন থেকে আমার ছোট একটা গল্প আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছিলাম ও শেয়ার করেছিলাম তখন লিখতে লিখতে রাত চার টা
২০০০ তম দিন উদযাপন এবং ৬৪ জেলার বিখ্যাত পণ্যমেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজকে চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ খুবই জাঁকজমকপূর্ণ এবং সকলের সহযোগিতায় ও উপস্থিতিতে এক প্রানবন্ত মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
ভোরে চলে যেতাম সপ্তাহে ১ দিন ড্রেস কিনতে ,ছেলেকে ঘুমে রেখে ( প্রতিবেশীর কাছে) । আবার ঘুম থেকে উঠার সময় হলে চলে আসতাম। এভাবে বেশ অনেক দিন চলে। আমার সাত রঙ পেজ নিয়ে বেশি চিন্তা করি নি ,কারন বুঝতাম ও ন
৬ বছর বিবাহ বিচ্ছেদের জীবনে। ১৪ বছরের একটি সন্তান কে নিয়ে একা বাস করা সত্যি অনেকটা কস্টকর। 💥💥পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থায় বিচ্ছেদের পরে পুরুষেরা খুব কমই একা থাকেন। তাই বিচ্ছেদের পরে বাবা সান
২০০৪ সালে গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে আমার পড়ালেখার যাত্রা শুরু। প্রাইমারী শেষ করে গ্রামের হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেখানে টানা ৫ বছর পড়ালেখা শেষ করে আবারো গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি হয়।
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
জীবন থেকে ত্রিশটি বছর হারিয়ে গেলো ভালো কিছু হয়নি আমার সাথে।। মাত্র চার বছর বয়সে মাকে হারিয়ে শুরু হয়েছে অন্ধকার জীবনের পথচলা। ১৯৯৫ থেকে জীবনটা চলছে কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি মত। 👉এক চিলতে রৌদ্র যখন এসেছে
আমি নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাব এবং আমি যে উদ্দেগ গ্রহন করেছি সেটাকে আরো বড় করার পরিকল্পনা
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
ভিসা টা পাওয়ার পরে জবটাও ছেড়ে দেই , আর আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আবার যে এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করেছি তাদেরকে ৫ লাখ টাকা এবং অনান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিমেষেই শেষ । একদিকে
নিজেকে বড় করতে হলে চাকুরি দিয়ে হবেনা, ছেলেও কথা বলতে পারেনা, কিছু একটা করতে হবে। চিন্তা শুরু করলাম, কি করা যায়। করোনা শুরু হবার আগে একটি দোকান নিলাম, স্টেশনারি বিজনেস শুরু করলাম। ভালো সেল শুরু হতে না
জীবনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে এবার আমার ভাগ্যে। আমি বড় ধরনের অসুস্থতার সম্মুখীন হয়।দেশ এবং দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি। দুই বার দুটি মেজর অপারেশন হয় আমার মাত্র ৮ মাসের ব্যবধানে। আমি রিম্পা ইনজ
সর্বপ্রথম আমি বলতে পারি যে আমি একজন ভালো মানুষ, কারণ প্রতিনিয়ত স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন ভালো মানুষিকতার চর্চা, আমার স্বপ্ন অনুযায়ী হাঁটার সাহস পাচ্ছি, কাজ শুরু করার ভয়, হতাশা, ডিপ্রেশন এগুলো আমার জীব
প্রিয় প্ল্যাটফর্মের জিরো টলারেন্স হল নারীদের অসম্মানের বেপারে