শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
তখন অনেক ভেঙে পড়ি। মন খারাপ থাকতো। একা একা বসে থাকতাম আর ভাবতাম! কতো স্বপ্ন, কতো আশা সব শেষ! কিছুই করা হলো না আমার!
ব্যস্ততার কারনে গাছ লাগাতে দেরী হয়ে গেল। আজ গাছ লাগাতে পেরে অনেক ভাল লাগছে। ইচ্ছা আছে আরও গাছ লাগানোর। ইচ্ছা আছে রক্তদান করার।
সত্যি আমরা চাইলেই পৃথিবী বদলাবে।নয়তে পৃথিবীই আমাদের বদলে দিবে।আমরাও বৃদ্ধ হবো।কে বলতে পারে আজ আমরা মা বাবার সাথে করছি তা আমাদের ছেলে মেয়ে আমাদের সাথে করবে না? মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। দুনি
সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা থাকলে সততার সাথে লেগে থাকলে ধৈর্য কে নিজের অবলম্বন করে রাখলে ভেবেচিন্তে কাজ করলে...মনোবল অটুট রাখলে জীবনে জড়িয়ে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।।জীবনের বাস্তবতা
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে স্যারের অনুপ্রেরণায় নিজেকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেছে নিয়েছি উদ্যোক্তা জীবন। সবাই পাশে থাকবেন দোয়া করবেন।
গত ২৫/১২/২০২০ ইং রোজ শুক্রবার আবারও অসাধারণ মনোমুগ্ধকর কোনাবাড়ী মেট্রো স্কুল এন্ড কলেজের চমৎকার মিলনায়তনে নিজের বলার মতন একটি গল্প ফাউন্ডেশনের অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা নবম ও ২০২০ ইং সালের শেষ মি
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা শ্রদ্ধেয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার এর প্রতি। অসাধারণ একটি ভালো মানুষের ফাউন্ডেশন আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। মহান আল্লাহ তা'আলা আপনাকে উত্তম বদলা দান করুন, আমিন।
প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলে এখন ঘরে বসেই যেকোনো বিষয়ে কোর্স করা যাচ্ছে। বাংলাদশেও এর ব্যাতিক্রম নয়। লাখো তরুণ চাকরির পেছনে না দৌড়ে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন উদ্যোক্তা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে অনলাইন
তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের Young Entrepreneurs "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর NRB বাহরাইন টিমের হয়ে গেলো অপলাইন মিটআপ(আলহামদুলিল্লাহ)
৩১ অক্টোবর ২০১৯ইং তারিখে Iqbal Bahar Zahid স্যারের আইডি থেকে সর্ব প্রথম "নিজের বলার মতো একটা গল্প" গ্রুপে সম্মেলনের ঘোষনা আসে। ঘোষনাটি ছিলো এমন "আসছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় মিলন মেলা "নিজের বলা
কি আর করবো সবাই যদি পরিবার ছেড়ে চলে যায় তাহলে আমার ছোট যে ভাই বোন আছে তারা মানুষ হবে কেমন করে,শুরু করলাম সুতা লুঙ্গির দোকানে মহরীর কাজ তিন বছর করলাম বিজনেস শিখলাম। তারপর আমি নিজেই শুরু করলাম লুঙ্গির
NRB কাতার এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আমি আমার আম্মুকে দেখেছি সব সময় সবার সাথে সুন্দর সুসম্পর্ক বজায় রাখতে।সবার খুঁজ খবর নেওয়া,কথা বলা,কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা,কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া সকল কিছু খুব খুশি মনে করতো।নতুন নতুন মানুষের
যার জন্য লক্ষ লক্ষ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটেছে। যারা কখনো কোন দিনও কল্পনা ও করেনি, কিন্তু আজ তারা নিজের পায়ে নিজে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখে, শুধু স্বপ্ন দেখার মধ্যে সীমাবধ্য নয়, নিজের বলার মতো একটা গল্
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা জেলা কর্তৃক অফলাইন মিটআপ | আজ আমরা
আমি যেমন একজন উদ্যেক্তা হওয়ার সাহস পাচ্ছি, তেমনি উদ্যেক্তা হওয়ার সব শিক্ষা পাচ্ছি এক মূহুত্বে। স্যালুট স্যার অন্তরের অন্তস্থল থেকে এতো সুন্দর প্ল্যাটফর্ম আমাদের উপহার দেয়ার জন্য। এ প্লাটফর্ম যেন আমার
গল্পে গল্পেও যে সেল পোস্ট দেওয়া যায় সেই বিষয়টাই আমার জানা ছিলো না। প্রিয় ফাউন্ডেশনে এসে জানতে পারলাম বিষয়টা। চেষ্টা করে দেখি পারি কিনা৷ ঠাকুরগাও-এর জেসমিন। বাবার টাকার অভাব নেই। মেয়েটার বয়স বেড়ে যাচ
সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা। শিখতে পেরেছি অন্যের কথায় কান না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। পেয়েছি জ্ঞানী ও গুনী অভিভাবক।
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
বর্তমানে আমার ছোট চাচা আমাদের মধ্যে আছে।আমার ছোট চাচা আমার মধ্যমনি। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। তিনিও আমাকে ছোটবেলা থেকে অনেক ভালোবেসেছেন।তার ভালোবাসা আমি কখনোই বোঝাতে পারবো না। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি যা
আমি ৮ মাসে সফলতা পাইনি। একটা কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম মাত্র। আর সেই সুযোগ টা কে ই এখনো পর্যন্ত বয়ে চলছি। আমি ৮মাসে পেয়ে ছিলাম বলে আপনি যে ৮ মাসে পাবেন তা কিন্তু নয়৷ আপনি ৮ দিনেও পেতে পারেন আবার ৮০ দিনেও
জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা চর্চা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি যত বেশি শিক্ষাচর্চা করবে সেই ব্যক্তি ততবেশি জ্ঞানী হবেন। শিক্ষা চর্চার মাধ্যমে কিন্তু নিজের জ্ঞান যে ভাবে বিক
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল ৯ জানুয়ারি ২০২১ মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে। আমরা সবাই টিকিটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের নিকট,যিনি আমাদের প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন কিভাবে সবার আগে সর্বপ্রথম একজন ভালো মানুষ হয়ে
শত বাধা-বিপত্তি আসা সত্ত্বেও আমি কিন্তু পিছপা হয়নি আমার মনের মধ্যে একটা জিনিস আছে যে দিদি টাকে সব সময় আমি কাজে লাগে আমার উত্তরটা কে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। পরিশে
আজ কাপাসিয়া উপজেলায় অসাধারণ পরিবেশে অনেক বেশি উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিশন মহাসম্মেলন এর ৬ষ্ঠ মিট-আপ! অতন্দ্র গাজীপুর জেলা প্রতিবছরের ন্যায় মানবিক কাজে সবার আগে ছিন্নমূল মানুষের পাশে। মিট-আপের শেষের দিকে
অনেক প্রতিক্ষার পর নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের প্রথম মিটআপ সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী তে। যদিও সদস্য সংখ্যা অনেক কম, তার পরেও অনেক ভালো লেগেছিল আপনাদের সাথে এতটা সময় থাকতে পেরে।
আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে মেজর ওসমানীর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তখন ভারতে ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়ে
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, মানবিক সংগঠন "নিজের বলার মত একটা গল্প" ফাউন্ডেশন এর, হবিগঞ্জ জেলা কৃর্তিক আয়োজিত মাসিক মিট আপ।
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
বিছানায় বসে বসে অর্ডার কনফার্ম করলাম।আর মনে মনে ভাবছি । দায়িত্ব কি জিনিস। দায়িত্ব যদি পালনে যদি অবহেলা করতাম তাহলে হয়তো সেই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হতো না। আর লেগে যদি কাজ না করতাম তাহলে বোধহয়
সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ সরকারি, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ বেসরকারি, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ এবং একটি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে আমাদের জেলায়। 👇👇👇 কিশোরগঞ্জ জেলার সাথে উল্লেখযোগ্য দুইটি
ফেসবুকে একটা বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স সাইট রয়েছে"নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"গ্রুপ যার প্রতিষ্ঠাতা প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার.যিনি মাত্র 164 জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন.এখন এই গ্রু
ছোটবেলা থেকেই ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চাটা গড়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো একক ঘটনা না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
মাত্র ১জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় আসে ৪ জানুয়ারি "২য় মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ আমরা শরিয়তপুর থেকে তখন ৫০+ সদস্য সেই প্রগ্রামে উপস্থিত হতে
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
নিজে যা করছো চুপচাপ করে যাও খারাপ মানুষরা পিছনে অনেক কথাই বলবে কিন্তু সামনে এসে কথা বলার সাহস পাবে না। কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায় যে কিছু মানুষ সামনে এসে অনেক কিছু বলে যাবে চুপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে
একুশে ফেব্রুয়ারি অমর হোক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন যশোর জেলা টিম থেকে যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদ দের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মুহূর্তে। দিকনি
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
গত পাঁচ মাস ধরে স্যার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চাকরির পাশাপাশি অর্থ সঞ্চয় করে আসছি যেন দেশে গিয়ে যেকোনো একটা ব্যবসা করতে পারি । ইনশাআল্লাহ । জীবন তো জীবনের মতই ভাববেন একটা হবে অন্যটা । তবুও বিচলিত হ
রক্ত দান,,, দান অনেক প্রকার হয়।আমি মনে করি রক্তদানই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দান।কারন রক্ত দান মানে জীবন দান তবে যদি বাঁচে তার প্রাণ।আমাদের চেষ্টা করা উচিত নিজ অবস্থান থেকে সকলেই রক্ত দান করা। আমরা অনেক সময়
আমি যখন তেমন কিছুই বুঝতাম না তখনই আমরা তিন বোন ছিলাম মানে ১ বছর করে সবাই ছোট বড়,, পড়ে আমি যখন ওয়ানে পড়ি তখন আমার আরেক জন বোন হয় তাহলে আমরা হলাম ৪ বোন, তখন আব্বা শুননে বললো আবার ও মেয়ে ১ টা ছেলে হলো
হাজার হাজার ভালো মানুষের দেখা, ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া, ভালো ভালো সামাজিক কাজকর্ম জেলাভিত্তিক মেসেঞ্জারে এড হওয়া,সেশন চর্চা মিটাতে অংশগ্রহণ করা নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা। ইনশাআল্লাহ,অনেক কিছু শেখার চ
ভাবছি আর ভাবছি । জীবনকে ভালো রাখার জন্য বারং বার চেষ্টা । পরিবারটা যৌথ ছিল । আমার বাবা চাচারা ফুফুরা মিলে ৯ জন । আমার বাবা দ্বিতীয় সন্তান । গ্রামের হাতুরে ডাক্তার । আমার দাদু ছিলেন একজন স্বর্ণক
সারাদিন ব্যাস্ত ছিলাম আমার Shopping Network শপিং নেটওয়ার্ক এর স্টলে, কিন্তুু মন পড়ে ছিলো প্রোগ্রামে, বার বার শুধু মনে হচ্ছিলো স্টল দিয়ে ভূল করেছি এত সুন্দর একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে ভিতরে আর আমি বেচা বিক্র
আমি তো অলরেডি পড়া বাদ দিয়েছি। আমি যখন এইচএসসি পাশ করি বাবা আমাকে ওয়াদা অনুযায়ী কম্পিউটার কিনে দিয়েছিলেন। কম্পিউটার কেনার পর থেকেই আমি খুব আগ্রহের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজে খুবদ্রুত এক্সপার্ট হয়ে উ