তার পর ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে কিছু টাকা দেন হাত খরচে জন্য সব টাকা তো আপনার কাছে দিচি আমার মা বাবা দুইজন এই নেই সব তো আপনার কাছে। তার যবাবে আমার কাছে কোনো টাকা নাই আমি সংসারে খরছ করে ফেলেচি আমার ক
উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে আয়োজিত আজকের ঈদ পুনর্মিলনী ও চায়ের আড্ডায় প্রধান অতিথি হিসাবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
এভাবে নির্ঘুম ও রেস্ট বিহীন জীবন কাটাছিলকম বেশ কিছুদিন গ্রুপের নানা কাজে এতো ব্যস্ত হয়ে পরি যার কারনে আমার মাদ্রাসার হেফজখানার দায়িত্ব পালনে একটু হেলা চলে আসে কতৃপক্ষ এটাদে দৃষ্টি দেয়। এক পর্যায়ে আমার
গত কিছু দিন অাগে অামার দুই বন্ধু কোরিয়া ও সৌদি অারব থেকে অামাকে কল দিয়ে এই গ্রুপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল। অামি তাদেরকে অামাদের স্যারের নির্দেশনা বা কার্যক্রম সম্পর্কে বলি। তারা খুবই অানন্দিত
সকল রক্ত যোদ্ধাদের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ভালোবাসা অভিরাম৷
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের মাঝে বাংলাকে ছোট করার একটা প্রবণতা দেখেছি। আবার যারা দেশের বাইরে থেকেও বাংলার কেয়ার করে, তাদের প্রতি ও আমার একধরনের অভিমান কাজ করে- এতোই যদি ভালোবাসো দেশকে তবে কেন বিদেশ
কাজের প্রতি প্রেম সৃষ্টি করতে পারলে কাজকে ভালোবাসতে পারলে কোন কাজ কে ছোট মনে না করলে এবং লেগে থাকলে সফলতা আসবে। সর্বপরি স্যার কথায়, স্যারের ভিডিও থেকে
শুরুতে কৃতজ্ঞতা জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার কে, স্যারের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন
আমি মানুষকে কথা দিয়ে কথা রাখার চেষ্টা করি আমার কমিটমেন্ট ও সততা আছে। 🌷আমি এখন ইচ্ছে করলেই খারাপ কাজ করতে পারব না। এখন ভয় জয় করার মত মনোবল হয়েছে। 🌷এই গ্রুপে স্যার আমাদের কে একটি সেশন দিয়েছে কথা বল
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের সাথে আমার পথচলা ৪৫১তম দিন থেকে। আজকে এর ৭০০তম দিন। এই দিনটি উপলক্ষে প্রথমেই ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই গ্রুপের ফাউন্ডার শ্রদ্ধেয় জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
যে কারণে আজও সফল হতে পারেনি কোন কাজেই ধৈর্য না থাকার কারণে। পরামর্শ দেওয়ার মত কোন শিক্ষক না থাকার কারণে। ইনকাম অনুসারে সঞ্চয় না করার কারণে। জীবনে কি করব কোন লক্ষ্য না থাকার কারণে।
২০১৯-২০-২১ সালে ৩৫০ টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন তা প্রতিটি উপজেলায় সমভাবে বন্টন করা হয়। 🔘২০২১ সালে বন্যার মধ্যে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা দেওয়া হয়। 🔘১০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে দ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাসিক মিটআপ সম্পুর্ণ হয়েছে। আলোচনা হয়েছে পরিচয় পর্ব ৯-১-২০২১ মহাসম্মেলন, টিম মেম্বার বাড়ানো, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ বাড়ানো, নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালোবাসার গল
আমার বাবা মা বসবাস করার ছোট্ট কুটির,সূর্য ওঠার সাথে সাথে তার আলো দেখা যেত শুয়ে শুয়ে, বৃষ্টি হলে ঝব ঝব করে বাহিরে পানি পড়ার আগে ঘরের ভিতরে পানি পড়তো,কত সময় কেটে গেছে , বৃষ্টি এলে আমার মা আমাদের
আলহামদুলিল্লাহ প্রথম পছন্দের মতো নিজের ভালোবাসা দানের জন্য প্রিয় ভাই লাল ব্লাড মন টিম লক্ষ্মীপুর সামনে জনাব
এরপর হঠাৎ করেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেক নিয়ে কাজ শুরু করব। যেই ভাবা সেই কাজ। বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া কিছু টাকা এবং হাজবেন্ডের সহযোগিতায় কেক বানানোর সরঞ্জাম কিনলাম এবং বেশ কয়েকটি কেক বানালাম।
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
সবকিছু নিয়ে ভালোই কাটছিল হঠাৎ এক কালবৈশাখী ঝড় আসল আমার জীবনে। আমার হাসিখুশি সব নিয়ে গেল ঝড় এসে 😥 সারাদিন মন খারাপ থাকে কিছু ভালো লাগে না হাসতে ইচ্ছে করে না ।কোন কিছুতেই শান্তি পাই না। ফেসবুক ইউটি
পর্দাও আমি ক্লাস নাইন থেকেই করি,তখন বোরখার এমন প্রচলন ছিল না,মেয়োরা বোরখা পড়তনা বললেই হয়।আমার মায়ের মত খাঁটি পর্দানশীল কিছু মহিলা বোরখা পড়ত শুধু। আর আমি মাথায় মিলিনারী পরতাম আর বড় বড় উরনা পড়তাম। তখন
পুরো আয়োজন বাস্তবায়নে যারা স্পন্সর ও ভলেন্টিয়ারিং করে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।
দেশীয় পন্যের প্রতি আমার আগ্রহ অনেক বেশি তাই আইটি ব্যবসার পাশাপাশি ২০১৬ সালে পাটপণ্যের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহন করে ছোট পরিসরে একটি পাটের ব্যাগের কারখানা করি এবং বর্তমানে তিনজন পার্টনার মিলে বড় পরিসরে কাজ
ইউনিক দুবাই উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২১ এ শ্রদ্ধেয় শিক্ষক@Iqbal Bahar Zahid স্যার ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন (ইউ এ ই) এর সামাজিক সংগঠন ব্লাকজোন পরিবারকে। #মডারেটর মোহাম্মদ রাসেল আকন্দ জেলা খুলনা ৭ম//
২০০১ সালের পর থেকে যখন আর্থিক অবস্থা ভালো নেই তখন বাবা চুপচাপ থাকতো। আমাকে বলতো লেখাপড়া সাথে তুমি অন্য কিছু করার ব্যবস্থা করো । এক সময় বাবা বললো লেখা পড়া করতে হবে না। এরমধ্যে বাবা মামার সাথে আলা
নিজে রক্তদান করি অন্যকে রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করি, আপনার রক্তের উছিলায় মহান আল্লাহ বাচিয়ে রাখতে পারে একটি প্রাণ
পৃথিবীতে সবার মত আমারও সবচাইতে আপনজন হল আমার মা-বাবা। কিন্তু যদি আপনজন হঠাৎ করে আমাদের ছেড়ে চলে যায় তাহলে তারচেয়ে সবচাইতে কষ্টের পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না । আমার ক্ষেত্রেও তাই।
অদম্য টাংগাইল জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ও দিক নির্দেশনা প্রদান। আরও ছিলো লাকি কুপন ড্র।
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
আমার মূল উনুপ্রেরনা: স্যারের দেয়া সেশান গুলো প্রতিদিন আমাকে আমার কাজ করতে উনুপ্রেরনা দিচ্ছে। সাহস দিচ্ছে। স্যারের প্রতি টি কথাই আমার অনুপ্রেরণা। প্রতিদিনের শপথ বাক্য আমাকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে ।
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
দেহে বা মনে সংবেদন সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় অনুভূতি। অনুভূতি শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের হয়। স্পর্শের দ্বারা ঠাণ্ডা, গরম কিংবা ব্যাথা, আরামের অনুভব করা শারীরিক অনুভূতির মধ্যে পড়ে। মনের আনন্দ, ব্যাথা-বে
অবশেষে হাটবার আজ ডেলিভারি দিলাম ভায়ের ৪ কেজি আমের টক ঝাল মিস্টি ও আমের টক ঝাল মিস্টি আমস্বত্বা।ভায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ ভাই যদি আমার কাছে ২০ কেজি আচারের অর্ডার না করতো তাহলে আমি আসলে সাহস পেতাম না এতোগুল
আদর্শ ফেনী জেলা নারী টিমের ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তা আপুদের সাথে চা-ফুচকার আডডাবাজি
সিজারের একদিন পর আমার জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফিরে আসার পর আমাকে গাইনী ওয়ার্ডে এবং আমার ছেলেকে শিশু ওয়ার্ডে দেয়া হয়। বাবু ছিল আন্ডার ওয়েট আর সবাই ধরে নিয়েছিল যে ও বাঁচবে না। সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ
এইভাবে চলছে নিজের মাথা কাজ করছে নিজে কি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হবো।চিন্তা করলাম ড্রাইভারি করবো কিন্তু এইদেশে লাইসেন্স নেওয়া তো খুব টপ সোনার হরিন এর মত অনেক টাকার ও প্রয়োজন তবু নেমে গেলাম এবং সফল ও হলাম এইদ
ফেসবুকে একটা বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স সাইট রয়েছে"নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"গ্রুপ যার প্রতিষ্ঠাতা প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার.যিনি মাত্র 164 জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন.এখন এই গ্রু
ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তদান করতে পারবেন না - রক্তদানের সময় সুগার লেভেল নরমাল থাকে (সাধারন লেভেল সুগার লেভেল ৭ mmol/L নরমাল হয়) - রক্তদাতা যদি ইনসুলিন গ্রহন করে না - রক্তদাতা যদি শারীরিকভাবে শক্তি
আজকে হাট বারে আমি, সোনা মনি, জান্নাতের পাখিগুলান, লাল নীল, প্রজাপতি গুলোর জন্য, নিয়ে আসলাম, চমৎকার কিছু ড্রেস এবং, স্টাইলিশ শার্ট.... আমার কাছ থেকে, আপনার পাইকারী তে নিয়ে, নিজের শোরুম, এবং হ
গল্প প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার । মোঃ সুজন আলী এই নামের মানুষটার সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না , সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই প্রবাসী ছিলেন উনি । তার বাসা এবং আমার বাসা 10 কিলোমিটারের ব্যবধান ছিল, অথচ পরি
ঈদ পূর্ণমিলনী পজিটিভ শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা উপজেলায়, এসে উদ্যোক্তা প্রমোট
আমি একটা জিনিস সবসময় ভাবতাম চীন তার এত বড় জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তর করলো আমরা কেন পারিনা। আমি এই গ্রুপে যুক্ত হয়ে বুঝলাম ইনশাআল্লাহ আমরাও পারবো। আমাদের মেন্টর ইকবাল বাহার স্যার এবং এই গ্রুপে অনেক
তারি বাহিকতায় গতকাল টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মিটআপ খুবই সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। খুবই আনন্দের বিষয় হচ্ছে আমাদের গতকালকের এই অনুষ্ঠানটি দুইটি অনলাইন পত্রিকা নিউজ প্রকাশ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ এগিয
বাবা মারা যাওয়ার পর মোটামুটি বছরখানেক চলছিল ভালই অভাবের সংসার আমার আম্মু একা সামাল দিতে পারছিল না। পরে বাধ্য হয়ে ছোট বোন কে আমার চাচার কাছে দেয়, আমাকে আমার ফুফুর কাছে পাঠিয়ে দেয় ঝিনাইদহ সেখান থেকে
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
জ্বর-ঠান্ডাকে পেছনে ফেলে রোদ-বৃষ্টি পেছনে ফেলে এগিয়ে যায় স্বউদ্যমে একসময় বন্ধুদের নিয়ে অস্থির জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছেলেকে অন্য এক অস্থিরতায় পেয়ে বসে, আর তা হলো বিদেশে আসার ধারদেনা ফেরত দেওয়ার অস্থ
সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে, রাজশাহী জেলা টিমকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি উপজেলাকে এগিয়ে নিতে হবে। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার জন্য, প্রিয় স্যারের দিকনির্দেশনা