আলহামদুলিল্লাহ।।আমাদের গ্রুপের আজিজুর ভাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ব্যাগ রক্ত দান করলাম।।।ইনশাআল্লাহ এভাবেই স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে মানুষের পাশে থেকে এগিয়ে যেতে চাই।।।সবাই দোয়া
যেটা কেউ কখনো কল্পনাও করেনি বাংলাদেশ একদিন বেকার মুক্ত হয়ে যাবে, উদ্যোক্তা তৈরি হবে একজন নয়, হাজার, হাজার, লক্ষ লক্ষ উদ্যোক্তা এই বাংলার বুকে। শুধু আপনার বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আপনার কর্মে অনুপ্রাণ
ফাউন্ডেশন যুক্ত হওয়ার প্রথম দিকে আমাদের টপ স্টারদের লেখালেখি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি। ওনাদের লেখাগুলা পড়তে পড়তে ভাবতাম কিভাবে এত মুগ্ধতা দিয়ে লিখতে পারে🤔 কখনো লেখার ইচ্ছে জাগে নি এটা সত্যি নয় ব
আমি অনেক সময় দেখেছি আমার মা নাখেয়ে বলেছে আমি খেয়েছি তুমি খাও। পৃথিবীতে একমাত্র সন্তানের ভালোর জন্য মিথ্যা কথা বলে একমাত্র মায়। অসুস্থ থাকলেও বলে আমি অনেক ভালো আছি। রাত যত গভীর হোক সন্তানের এক ডা
গত দুমাস ধরে সম্মেলন এর ব্যাপারে বেপক উৎসাহ আর উদ্দিপনায় আমার কুমিল্লার জেলার ভাইদের ও মতিঝিল টিমের ভাইদের সাথে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতেছিলাম। এবং ডিসেম্বর এর ১১ তারিখ কুমিল্লা মিটআপে সম্মেলন কি ভাবে
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন '' এ যুক্ত হলাম, প্রিয় স্যারের প্রতিদিনের সেশন গুলো পড়া শুরু করলাম তখন থেকেই মনের ভিতরে উদ্যোক্তা হবার সেই বাসনা টা আবার জেগে ওঠা শুরু হল। তখন থেকেই লেগে আছি প্রিয় প্
ব্যবসাকে ব্যবসা মনে করিনা মনে করি আমি একটা সন্তান জন্ম দিয়েছি যেই সন্তানের নাম দিয়েছি "ডেইলি এম কে এস"তাকে আমি সন্তানের মতোই খুব যত্ন করে বড় করছি।তাকে আমি পোশাক পড়েছি সে এখন একটু বড় হয়েছে আমার
ভাই -ভাবিদের সাথে খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসলাম। এখানে আমার হ্যাসবেন্ড আমাকে দেখেন। তার পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা প্রথমে বিয়ে দিতে রাজি হননি। পরে পারিবারিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিলো সবাই, হয়ত বিয়ে
নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের ফিজিক্যাল মিটআপ গত ১০-১২-২০২১ ইং তারিখে। মিটআপের আয়োজনে ছিলো, ♦️উদ্যোক্তাদের পন্য প্রদর্শনীর সুব্যাবস্থা ♦️টিকিট বিতরণ ♦️আসন্ন মহাসম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা। সবমিলিয়ে চমৎকা
যাদের বাবা পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিয়ে পরকালে চলে গিয়েছে এবং যাদের বাবা দুনিয়াতে আছে সকলের প্রতি অনুরোধ আপনারা আমার এই পোস্টটা অবশ্যই পড়বেন বাবা মানে মাথার উপর বিশাল একটি বটগাছ এ কথাটা যাদের বাব
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
আমার কান্না শুনে ভাইয়া আমাকে ধমকাতে শুরু করলো৷ কিছুক্ষণ পর ভাইয়া। আমাকে নিয়ে চাচাকে খুঁজে বের করলো৷ পরে আমার মামার শশুড় বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাইলো৷ কারণ, কাছেই আমার মামার শশুড় বাড়ী। রাতটা কোনো ভাবে সেখা
১০০০ তম দিন উজ্জাপন এর প্রস্তুতি নিয়ে আজকে ময়মনসিংহের সদস্যদের সাথে মিটিং করলাম। একটি প্রানবন্ত এবং চমৎকার মিটআপ হয়েছে। তারিখ 12/09/20
শহীদদের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সবাই উপস্থিত হয়ে খুব সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠান কার্যাবলী সুসম্পন্ন করার জন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি
আমরা দুই বোন। বাবা-মা ছোট পরিবার নিয়ে সুখেই ছিলাম। আমার কোন ভাই নেই। ভাই নেই তেমন কোন কষ্ট ও নেই। কারন বড় বোন ছিলো ভাইয়ের মতো।কখনো অভাব বুঝতে দেয় নি বড় বোন।বড় বোন মায়ের মত।আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমর
সম্পর্কে এমন একটা জিনিস আপনকে ও পর করে দেই টাকার জন্য আজ ভাইয়ে ভাইয়ে সুত্র । তাই আমরা কেউ টাকা দিয়া সম্পর্ক না করি সত পথে চলি সত উপাজন করি তাহলে আল্লাহ রহমতে আমরা ভালো বাবে চলতে পারবো সমাজে বুকফুলি কথ
ছোট থেকে কষ্ট কি দেখিনি যখন আমার বাবা বিদেশ থেকে চলে আসে অনেক কিছু করার চেষ্টা করে বাবা।গরুর খামার করে,, মাছ চাষ করে,,অনকে বিজনেস করে কিন্তুু সঠিক পরামর্শের অভাবে আমাদের অনেক টাকা লস হয়। ফলে ঋণ হয়ে যা
কিভাবে যেতে হবে তাও জানি না, একা একা এতো দূরের রাস্তা কখনো যাওয়া হয়নি । কি- ভাবে যাবো টেনশন হচ্ছে ?
র্জিক্যাল দোকানে চাকরি করি, ৬হাজার টাকা বেতন এ। পরে সেখানে থেকে মলিবাজারে চাকরি করি মসলা দোকান এ।কিন্তু আমার সাথে যাচ্ছিল না বিভিন্ন কারণ বশত। পরে CPA মার্কেটিং শিখি সেখানেও ধোকা খেলাম। অবশেষে এ একটা
November 10, 2019 · আইলার দশ বছর পর কিছু গাছপালা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মানুষ কোনরকম ভিটেমাটি উঁচু করে যবুথবু ঘর বেঁধে ঠাঁই গোঁজার মতো একটা ঘর তৈরি করেছিলো। গতরাতে আবার তা নিমিশেষেই শেষ হয়ে গেলো
চাঁদপুর গিয়ে কাপড় এবং মেটারিয়াল কিনলাম, যদিও দাম অনেক বেশি দিয়ে কিনতে হইছে তবুও জরুরি লাগবে এজন্য কিনা। কাজ প্রায় শেষ পর্যায় যখন তখন খালাতো বোন কল দিয়ে বল্লো কাপড়ের কালার এটাতে হবে না। গেলাম কি বিপদে
আমি স্বপ্ন দেখতে শিখে গেছি। 🌱আমি ভালো মানুষ এর চর্চা করতে শিখেছি। 🌱আমি প্রতি দিন সেশন চর্চায় থেকে কথা বলার জড়তা কাটাতে শিখে গেছি। 🌱আমি মানুষের সাথে মিশতে শিখেছি। 🌱কীভাবে একজন ভালো উদ্যোক্তা হওয়া য
সময় যতো যেতে থাকলো স্যারের দেওয়া সেশন গুলো পড়ে নিজের ভিতর খুব আত্মবিশ্বাস তৈরি হতে থাকলো। নিজে নিজেকে বললাম আমিও পারবো উদ্যোক্তা হতে একজন ভালো মানুষ হতে।
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে- যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
নারীরা বলে আমরা নারী, আমরাই পারি। এই স্লোগানে তাদের সফলতা ছিনিয়ে আনার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়।পাল্টিয়েছে যুগ,বদলে গেছে জীবন যাত্রার মান,সমাজ,কর্মক্ষেত্র।আজকের যুগের নারীরা বদলে গেছে তাদের কাজের দ্বারা,
কাজী নাজমুল আলম হামীম কোর ভলান্টিয়ার, রেজি ৬১
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
জীবন যদি রংধনু হয়, তবে তুমি হলে তার রঙের বাহার, জীবনে যদি নামে আঁধার, তুমি হয়ে উঠো তার আশার আলো।
যদি ভালো সম্পর্ক গড়তে পারি..! বিশ্বাস অর্জন করতে পারি..! নেটওয়ার্কিং করতে পারি..! নিজেকে ব্র্যান্ডিং করতে পারি..! তাহলে দেশে এসে কাজ শুরু করলে আমাকে একদিনও বসে থাকতে হবে না। তাই প্রিয় স্যারের শিক্ষা
আমি এখনো এই ফাউন্ডেশনে কোন সেল করতে পারিনি। তবে আমার পেইজ বুক বন্ধু আমার পরিবারের লোকজন। আশেপাশের মানুষের কাছে আমি গত এক দেড় মাসে প্রায় সেল করেছি দেড় লক্ষ টাকার ও বেশি। আলহামদুলিল্লাহ এখন আমার প্
এখন আমার মাশাআল্লাহ ভালোই চলছে চারজন লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।এই দোকানের লাভ থেকে একটা প্রইভেট কার কিনলাম চারটা ওটো রিক্সাওএকটা শিক্ষা প্রতিষ্টান।কিন্তুু তারপরও মনে হয় আমার আসল স্বপ্নটা পুরন হয়
মা, বাবার প্রথম সন্তান আমি , আপনারা সকলেই জানেন মা, বাবার প্রথম সন্তান অনেক আদরের হয়। আমি সেই সৌভাগ্যবান একজন । আসলে ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি, সবায় না, আমার আসে পাশে কিছু কিছু বাবার বড় ছেলেরা । কি
আমি যেমন একজন উদ্যেক্তা হওয়ার সাহস পাচ্ছি, তেমনি উদ্যেক্তা হওয়ার সব শিক্ষা পাচ্ছি এক মূহুত্বে। স্যালুট স্যার অন্তরের অন্তস্থল থেকে এতো সুন্দর প্ল্যাটফর্ম আমাদের উপহার দেয়ার জন্য। এ প্লাটফর্ম যেন আমার
স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থেকে পুরো রমজান ভালবাসা বিলাই চালু রাখবো ইনশাআল্লাহ।, প্রিয় স্যার এর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি,ধন্যবাদ সবাইকে, আল্লাহ হাফেজ।
আমাকে টেক্সট করার জন্য। ফর্কলিফট অপারেটিং এর কথা কাউকে জিজ্ঞেস করলাম না। কারণ মনে মনে ছিলো কোম্পানির দেয়া আমার পার্সোনাল ড্রাইভারকে দিয়ে কাজটা সেরে নিবো। কোথাও কোনো সর্টিং দরকার হলে আমি নিজে লেগে য
আমার জন্ম লক্ষীপুর জেলায়। গ্রামে জন্ম তাইতো প্রকৃতির মতোই ছিল আমার বৈশিষ্ট্য। ছোট থেকেই ছিলাম দুষ্ট, চঞ্চল, হাসি - খুশিতে ভরপুর একজন মানুষ।লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ, কারাতি, সেলাই,
💐"আশুগঞ্জ উপজেলা ঈদ পূর্ণমিলনী ও অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল।
চাকরী করবো না চাকরী দেব – এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ১৫৩১ দিন ধরে টানা চলা প্রশিক্ষন প্ল্যাটফর্ম নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজন করেছে উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২।
এর ভিতরে বেশ কিছু লোকের সাথে আমার পরিচয় হয় যারা কিনা টেইলারিং পেশায় আছে , এবং আমার ভিতরে অনেক শেখার এবং জানার আগ্রহ তৈরি হয়। এর ভেতরে এক দোকানে থেকে কাজের অফার আসে , বেতন বেশি না কিন্তু ওইখান থেকে
২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে ২৪ তারিখে.. শুরু হলো প্রবাসের_জীবন মালয়েশিয়া চলে আসলাম। নতুন স্বপ্ন নতুন দেশ কাজ করে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশের পাঠাবো স্বপ্ন দেখতে দেখতেই হঠাৎ শুরু হলো দুঃস্বপ্ন
স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে আমাকে দিয়েছে অশেষ ভালোবাসা,সম্মাননা,স্বীকৃতি। গ্রুপে লাখ লাখ মানুষের ভীড়ে একটা কোণে আমি পড়ে ছিলাম।সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে আমাকে দিয়েছে একটা জায়গা, একটা পদবী।আমি আজ আমি এখান থেকে অন
আমাদের অদম্য টাঙ্গাইল জেলার ৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ।টাঙ্গাইল এর অলিগলি ঘুড়ে, এবং হসপিটালে অসহায় মানুষদের কম্বল বিতরণ করা হয়েছে পাশাপাশি তাদের
নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
এই সুন্দর প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে হাজারো মানালী জীবনে গভীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোর সন্ধান পায়। স্যার আপনার শিক্ষাকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমি আজ এতটাই সাহসী হয়েছি যে শুধু এক মানালী নয় এমন হাজারো মানালীর পাশে স
এ যেন একখন্ড ভালো মানুষের দেশ।যেখানে সবাই সবার জন্য, সবার পাশে সবাই,নেই কোন ভেদাভেদ, কে বড় কে ছোট তা নিয়ে নেই কোন মতামত। ধনী গরীবের কোন আলাদা স্থান নেই।সবাই যেন একই বন্ধনে একটা সুখী পরিবার। এখন বলি
হাজার ও ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই দৌড়ে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডাটা অন করে দেখতে বসি আমার প্রিয় ভাই -বোনেরা গ্রুপে কে কি লেখে।বিশেষ করে আমার প্রিয় স্যার "ইকবাল বাহার" স্যারের গুরুত্ব পূর্ণ কথা গুল
নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই – এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং অনেক সময় দিই। গত ৪ বছরে প্রায় ৫০০,০০০ জন তরুণের মাঝে এই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পেরেছি – এটাই ব
রাত শেষ হলো, সকাল বেলা বের হওয়ার সময় শালটা পড়ে মায়ের কাছে গিয়ে বল্লাম আম্মা আমি বাজারে যাচ্ছি। আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে♥♥♥ আম্মা তখন আমার গায়ে থাকা শালটি দেখতেছেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো বাবা শাল
আমি আছি এখন ভালোবাসার রমনা জোনে, সবার সহযোগিতায়, পরামর্শে সামনে থেকে কাজ করে, আগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সম্পন্ন করতে পেরেছি আরো একটি (৯তম) সফল অফলাইন মিটআপ