ইতালীর জ্বলন্ত আগ্নীগিরীর দ্বীপ শহর কাতানিয়ায় একটি পর্যটন এলাকায় ফুটপাতে তিনি একটি কার্টুনের উপর মেয়েদের কানের দুল , চুরি, ফিতা ইত্যাদী আইটেম বিক্রি শুরু করলেন। ফুটপাতে বিজনেস সাধারণত সব দেশেই নিষিদ্
To Be an Entrepreneur নিজের বলার মত একটা গল্প Foundation এর সকলের সহযোগিতায় কুমিল্লায় একটি অসহায় শিশুর চোখের চিকিৎসা জন্য ৪০,০০০/= টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।
আমাদের দুর সম্পর্কের এক ভাই সৌদি আরব থাকতেন ।উনি একদিন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসলেন । বাবার সাথে অনেক আলাপ আলোচনা হলো ।এক পর্যায়ে আমাকে বিদেশ নেওয়ার প্রস্তাব দিলেন ।উনি আমাকে বিদেশ নেওয়ার জন্য রাজি
সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা মাসিক মিটআপ ও ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকেট মেলা সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন হলো।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের সম্পর্কে যতই বলি তা কখনো বলে শেষ করতে পারবো না৷৷৷ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে হাজারো ভালো মানুষের দেখা পেয়েছি
দাদি মারা যাওয়ার পর গ্রামের বাড়িও দেখাশুনার কেউ ছিলো না পরে সবাই চলে গেলাম গ্রামের বাড়ি। আমার পড়ালেখা মনে হয়ে ছিলো আর হবে না🤔🤔🤔 তাই মেনে নিয়ে গ্রামে চলে যাই।আবার শুনতে পেলাম এক বিষয় যারা ফেল করছে ত
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
এর পর পরিবহনের চাকরি করতে হলো ১ বছর। পরিবহনে চাকরি করতে গিয়ে দেখি অন্য এক জগৎ। আমাকে শিকার করতে হবে। আমার অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। প্রথম মাসে টিকেট কাউন্টারে বসতে হবে। প্রথম সপ্তাহে গেল প্রশিক্
গ্রুপবাসী সবাই কেমন আছেন???আশা নয় বিশ্বাস করি যে যার অবস্থান এ ভালো ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আজ হঠাৎ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ জোন এ একটি চা আড্ডা হয়ে গেলো। মিট আপ /ইদ পূর্ন মিলনী ২০২২ ও ব
ইরাক এবং ইরানের যুদ্ধ সময় বাবা একবারে দেশে চলে আসে,আয়ের পথ বন্ধ, কিছুদিন যাওয়ার পর বাবার কেনা জমিগুলো এক এক বিক্রি শুরু করলো,এর মাঝে আমার বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বাবার কেনা জায়গায় বিক্রি পর এবার দা
পরিবারের বড়ো মেয়ে হিসেবে ছোট বেলা থেকে ইচ্ছা ছিলো কিছু একটা করে পরিবারের পাশে দাঁড়াবো তাই পড়াশোনা এবং টিউশনির পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষা পরে যে তিন মাস সময় পেয়ে ছিলাম তখন টৈলারিং শিখি এবং নিজেদের কাপড়
🌷ধন্যবাদ জানাই জাতীয় পত্রিকা দৈনিক জনকণ্ঠকে। 🌷পর্যায়ক্রমে আমরা পৃথিবীর প্রতিটি কর্নারে আমাদের ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পৌছাবো ইনশাআল্লাহ। 🌷আসছে আগামী ৯ জানুয়ারি মহাসম্মেলন মিরপুর স্টেডিয়ামে -----আপনা
রক্তের অভাবে যেন না হারায় কোন প্রাণ জীবন বাঁচাতে এসো করি রক্ত দান । " "স্বেচ্ছায় করবো রক্ত দান হাসবে রোগী, বাঁচবে প্রাণ । " আলহামদুলিল্লাহ ১৩ তম বার লাল ভালোবাসা দান করলাম
"নিজের বলার মত একটা গল্প " এর প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার,,,,এর মহান উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা শহরে অন্যের জায়গায় একটি গাছ লাগানোর চেষ্টা,,,,,, আমি ৬ মাস বা ১৮০ দিন স্যারের এই প্রোগ্রাম এর সাথে আছি,,,,
বেকার থাকবোনা একদিনও" শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের এই শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে সারা দেশে প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস ভিত্তিক "ক্যাম্পাস উদ্যোক্তা ক্লাব" গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
বিচিত্র এই পৃথিবীতে মানুষ কত ভাবে সারভাইপ করে। আসল কথা হচ্ছে আপনি ভালো কিছু করতে চান কিনা। মনকে স্থির করুন ,সময় কে কদর করুন । লেগে থাকুন, সাফলতা আসবেই ।
জেসমিন নামেই সবাই আমাকে ডাকে,,ছোট বেলা থেকে শ্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে সরকারি চাকরি করবো। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হলো না। সাধারন মানুষের মতই চাওয়াটা নিরবে নিব্রিতে মনের ভিতরই দাফন হয়ে গেছে সেটা অর্জন করা
আজ থেকে প্রায় ২ বছর আগেও আমি উদ্যোক্তা, স্টার্ট-আপ এই শব্দগুলোর সাথে পরিচিত ছিলাম না। ৮/১০ জনের মত গতানুগতিক পড়াশোনা করা এবং দিন শেষে একটা ভাল চাকুরী জোগাড় করাই ছিলো জীবনের একমাত্র এবং মূল লক্ষ্য। সেজ
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
মানুষের জীবনে এক বা একাধিক অনুপ্ররনা থাকে। আমার ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম নয়।আজ আমার জীবনে অন্যতম অনুপ্রেরণা, আমার বেচে থাকবার অনন্য উপাদান সম্পর্কে বলছি। তিনি আর কেউ নন আমার স্বামী। আমার অর্ধাঙ্গ। এই মা
স্বপ্নীল সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা দুর দুরান্ত থেকে মিটআপে অংশগ্রহণ করে মিটআপ সফল করে তুলেছেন। সকলের মাজে প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করা দেখতে পেয়েছি।
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
♦"ভিশন -উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২"♦ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টানা ৬০দিনব্যাপী (৬পর্বের) কর্মসূচি চলমান রয়েছে। মহাসম্মেলনে সর্বোচ্চ উপস্থিতি এবং আগামী দিনের
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
প্রত্যেকের জীবনে একটা দূর্ঘটনা বা কালো অধ্যায় আছে, তেমনি আমার জীবনেও আছে তা হল রাজনীতি। স্কুল জীবনে মনের মধ্যে কখন যে রাজনীতির বীজ রোপিত হয়েছে তা বুঝতে পারিনি,কিন্তু মনের মধ্যে ছিল দেশ প্রেম ও দেশের ম
১৯৯৫ সালে বাবা হজ্ব করে ব্যাবসা ছেড়ে দেন।বড় ভাই তখন বিদেশে, মেঝো ভাই সংসার দেখাশোনা করেন। অামি ছাত্র হিসেবে ভালই ছিলাম জিবনে খুব কমই রোল ১ ছাড়া ২ হয়েছে। মেঝো ভাই নানান রকম কৃষি কাজ করতেন সাথে আমাক
স্যার এর সন্ধান পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমার আর অন্য কোন মটিভিশনাল ভিডিও দেখার দরকার হয়নি। স্যার আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন এক জাদুর ঝুরি যেখানে আপনি যা চান তাই পাবেন। কি নেই এই জাদুর ঝুরি, নিজের বলা
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হলো যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ,এই আয়োজনের মাধ্যমে প্লাটফর্ম এর প্রিয় ভাই ও বোনেরা তাদের নিজেদের জীবনের সুখ,দুঃখ,হতাশা,সফলতার গল্প সকলের মাঝে তুলে ধরতে পারছেন।পাচ্ছেন অনেকের প্রতি
আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের কে শিখাচ্ছেন, সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজের শরীর মনের যত্ন নিতে হবে, যে নিজেকে ভালবাসে না সে পৃথিবীর কাউকে ভালবাসতে পারেনা,তাই আমাদের সবার আগে নিজেকে ভালবাসতে হবে, নিজ
উদ্যমী জামালপুর 🟡 ভালোবাসায় ভরপুর 🟣 স্বপ্ন পূরণের যেতে হবে 🟢 দূর থেকে বহুদূর এই উদ্যমী স্লোগান কে সামনে রেখে উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত কাঙ্খিত অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পন্ন হয়ে গেল
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
শিখেছি কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়। ★পেয়েছি অনেক বড় একটি নেটওয়ার্ক। যা জীবন বদলানোর জন্য যথেষ্টর চেয়েও অনেক বেশি। এবং প্রতিদিন শিখে যাচ্ছি নতুন কিছু।
নিজেকে ভালো রাখার জন্য , পরিস্থিতি বদলানোর জন্য দরকার শুধু একটুখানি সাহস। ভয়কে জয় করার দৃঢ় মনোবল আমাদেরকে অতোটা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে যা হয়তো আমরা কোনোদিন স্বপ্নে ও কল্পনা করিনি ।
ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলায় ভালোবাসা বিলাই এর প্রজেক্ট স্থাপনা সহ ডামুড্যা ইফতারের আয়োজন সুসম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্।
এভাবে এতো কাছ থেকে উনাদের দেখে উপলব্ধি করলাম আল্লাহ কত নিয়ামত দিয়ে আমাদের সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
ওনার কাজ থেকে ১০ হাজার টাকার টি-শার্ট নিয়ে আসি এবং জানতে পারি ওনার একটা মিনি গার্মেন্টস আছে। গিয়ে অবসর সময় বসে বসে মেশিন চালাইতে থাকি এবং ইন্টারনেটে বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলি তার মাঝ থেকে আ
জীবনের প্রকৃত অর্থেই একজন মেন্টর, পথপ্রদর্শক। আমি আজ আপনাদের সেই মানুষটার গল্প শোনাতে আসি নি যে মানুষটি ডিপ্রেশনে ভুগে জীবনের একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বরং সেই মানুষটির এই তথাকথিত সম
আমি যখন কাঁথার কাজ শুরু করি।প্রথমেই ৭টা কাঁথার কাপড় আনি।পাশের বাসার আন্টি এসেই হাজার প্রশ্ন কেনো এতো কাপড় আনলি? কি করবি? এতো কালারের কেন?বললাম কাঁথা সেলাই করব।শুনেই অবাক। কি জন্য কাঁথা সেলাই করবি?তোদে
খাগড়াছড়ি জেলায় সবুজাভ পাহাড়ের ছড়াছড়ি। এর সঙ্গে পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া চেঙ্গি, মাইনি ও ফেনী নদী এই জেলাকে সাজিয়েছে অপরূপ সাজে।
এটা স্কুলে যাওয়ার সময় আম্মুর আর আমার প্রতিদিনকার রুটিন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় যেন কোন মেয়ের দিকে না তাকাই সেটা বলার একটা বিশেষ কারণ আছে। অামার অাম্মু অনেক কষ্টে উনার নাম লিখাটা শিখেছেন। আম্মু লেখাপড়া
নিজের বলার মত একটা গল্প, প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থেকে, মানুষের সেবা করব, আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন ভালো আছি, একটা কোম্পানিতে চাকরি করতেছি, ছোট একটা ব্যবসা করতেছি, সার্ভেয়ার হিসেবে কাজ করতেছি, আমি আরো
আমি এইতো কিছুদিন হয় বাসা শিফট করলাম।আর সেই সুবাদে যখন বাসা খুঁজতে বের হলাম তখন অনেক গুলো বাসা দেখার পরও চয়েজ মতো বাসা পাচ্ছিলাম না।
যে কোন জায়গায় আমার গ্রহন যোগ্যতা পাওয়া যায়, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে যে সঞ্চয় গুলো ছিল তা দিয়ে একটি বাসা বাড়ি তৈরী করি বাড়া দেওয়ার জন্য, তার কাজ এখনো শেষ হয় নাই, করুনা মহামারী এসে জিবন টা কে আরো তছনছ
এক বন্ধু প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা থেকে। আমি এটাও জানি, আমি সেদিন সাহায্য না করলেও- অন্য কোনো ভাবে সে চাকরি খোঁজে নিতো বা অন্যকেও আমার মতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো। আমার আমার সৌভাগ্য যে সঠিক সময়ে,
মানব মনের ক্ষমতা অদ্ভুত ও অনুভবনিয়! মানব মনের ওপর আস্থা কিভাবে কাজ করে? আকাঙ্ক্ষার প্রচন্ড প্রভাব কেমন? বাস্তবতার সাথে এইসব অদৃশ্য বিষয়গুলো কীভাবে কাজ করে? কীভাবে আকাঙ্ক্ষা ও আস্থার যোগফলে অসম্ভব কাজ
" সেটা হল স্যার আপনি যখন এই ফাউন্ডেশন ওপেন করার উদ্যোগ নেন তখন এই ভাবনা টা নিয়ে যার সাথেই আলোচনা করেছিলেন সেই বলেছিল যে আপনি পাগল। কারন এখনকার দিনে কেউ নিশ্বার্থ ভাবে কিছু করতে চায় না। স্যার তখন আপনি
তারপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় নিজেকে মানিয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে, সব কিছু কেমন যেনো লাগছে, মানুষ গুলোও কেমন যেনো যাই হোক সব কিছু মানিয়ে নিলাম, আর চাকরি করতে থাকলাম। কিন্তু কিছু দিন পরে চাকরিটা ছেড়ে দিলাম কারণ
আসলে আমি একটু ভিন্ন ভাবে নীজের জীবনে চলার পথের গল্প টা তুলে ধরলাম ভুল ত্রুটি অবশ্যয় আছে আশা করবো সকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আল্লাহ আমরা সকল কে একজন ভাল মানুষ হিসাবে বেছে থাকার তৌফিক দান করুক।
ছোট থেকেই মানুষদের কোনও কষ্ট দেখলে আমার ভাল লাগতো না।সাধ্য মতো চেষ্টা করতাম মানুষদের উপকার করার।এ সময় জুটের এবং পুকুরে মাছের খামার করতাম।মাছের খামারে আমার তেমন লাভ হতো না কারন বেশির ভাগ মাছ যাদের কিনে