এই তো মাত্র ৫ বছরের হইলো,চাইছিলাম স্কুলে ভওি করায় দিতে।কিন্তু টেহার যোগারযন্ত কইওে পারি লাই বইল্যা আর হইয়া উঠে লাই।এইবার টেহা জমায়তাছি।সামনের বছর করাই দিমু।তহন আমার মাইয়াটাও ইসকুলে যাইবো।লেহাপরা শিকবো
আমার আব্বু ভাবছিল উনাকে হয়তো ভালোবেসে সবাই চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জন্য বলতেছে। আমার বাবা বুঝে পারে নেই। যে উনার টাকার জন্য উনাকে চেয়ারম্যানি নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। চেয়ারম্যানি নির্ব
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
সফলভাবে সম্পন্ন হল ধানমন্ডি জোন কর্তৃক আয়োজিত ধানমন্ডি থানার সদস্যদের নিয়ে চা আড্ডা ও উদ্যোক্তা প্রোমোটিং।
সিজারের একদিন পর আমার জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফিরে আসার পর আমাকে গাইনী ওয়ার্ডে এবং আমার ছেলেকে শিশু ওয়ার্ডে দেয়া হয়। বাবু ছিল আন্ডার ওয়েট আর সবাই ধরে নিয়েছিল যে ও বাঁচবে না। সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ
আলহামদুলিল্লাহ সফল ভাবে শেষ হলো রুপসী বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার মাসিক মিটআপ ও উদ্যোক্তা মিলনমেলা।
আপনি জানেন কি মাঝি ছাড়া নৌকা কিংবা চালকবিহীন গাড়ি আর স্বপ্নবিহীন মানুষের মধ্যে বিস্তর কোন পার্থক্য নেই। তার কারণটা আমি লিখছি অবশ্যই, যে নৌকার মাঝি থাকেনা যে গাড়ির চালক থাকে না সেই নৌকা, সেই গাড়
১০০০ তম দিন উদযাপনে #ঝিনাইদহ জেলার আয়োজন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১.জনাব সরোজ কুমার নাথ, স্যার জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ২.জনাব সাইদুল করিম মিন্টু সুযোগ্য মেয়র ঝিনাইদহ। ৩.জনাব বদরুদ্দোজা শ
চার লাখ তরুণকে ফ্রী প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা ১০০০ দিনের ইতিহাস গড়ার পথে ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার। শুধু বাংলাদেশে নয়, পুরো পৃথিবীতে কেউ কোন দিন টানা ১০০০ দিন প্রতি
অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হলো সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম ও ফিজিক্যাল মিট আপ 🌹 আলহামদুলিল্লাহ ♥️ ⭐ আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুলশান জোন সেরা জোনের তালিকায় অন্ত
রয়্যাল খুলনার প্রতিবেদন খুলনা জেলার পরিচিতিঃ খুলনা হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের দশটি জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর। এটি খুলনা বিভাগের কেন্দ্রীয় শহর। ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরের পরে এটি ব
কিছুদিন মধ্যে পেয়ে গেলাম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের " খুজ। ফেসবুকে স্যারে একটা ভিডিও দেখলাম- স্যার বলছেন, প্রবাসীরা হচ্ছে বাংলাদেশের অক্সিজেন। প্রচন্ড ভালো লাগলো কথাটা -দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ন
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
নিজের জীবন টা নিজেকেই গুছিয়ে নিতে শিখতে হয়, যতই থাক নিজ মেধা শক্তি স্বপ্নকে ঘুমাতে দিতে হয়, কেননা এমনো সময় জীবন আসতে পারে নিজ মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজেই বেঁচে থাকার একমাত্র শক্তি হতে পারে। তাই নিজ
বর্তমানে দুচোখে স্বপ্ন ভরা একজন তরুণ উদ্যোক্তা। এখন আমি সবার সামনে গর্ব করে বলি আমি একজন উদ্যোক্তা। যাইহোক এখন ফিরে যাই আমার অতীতে। স্কুল পেরিয়ে কলেজ কলেজ পেরিয়ে ভার্সিটি এই দীর্ঘ সময় ধরে সেই একই স
আলহামদুলিল্লাহ।।আমাদের গ্রুপের আজিজুর ভাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ব্যাগ রক্ত দান করলাম।।।ইনশাআল্লাহ এভাবেই স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে মানুষের পাশে থেকে এগিয়ে যেতে চাই।।।সবাই দোয়া
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
পড়াশোনা ছেরে দেওয়ার পড়ে মনে হতে লাগল কেমন করে চলব? কিছুতো করতে হবে, এখন না হয় সবাই আছে, একসময় সবাই ব্যাস্ত হয়ে পরবে, তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে একটা ইলেকট্রিক কাজে যুক্ত হয়ে গেলাম, প্রথম প্রথম
এখন আপনি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হিসেবে বুঝতে পারেন ভালো ভালো সভাবের বন্ধু, বান্দব,আর বক্স হিসেবে নিতে পারেন আমাদের প্রিয় প্লাটফর্ম, নিজের বলার মতো একটা গল্প,, গ্রুপ। আর মধু হিসেবে নিতে পারেন আমরা যে গুল
আমি একজন প্রবাসী, জব করছি একটা কফিশপে, সেই সুবাদে অনেকের সাথে দেখা হয় কথা হয়, একদিন এক বাংলাদেশী ভাই আমার কফিশপে উনার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় নিয়ে আসলেন, উনারা মোট সাতজন ছিলেন,
আলহামদুলিল্লাহ ঝড়নার স্রোত ধারার মত বৃস্টি ধারার মাঝে দিয়েই দারুন ভাবে সম্পুর্ন হলো। ইলিশের শহর চাঁদপুর জেলা টিমের উদ্দোগে অপলাইন মিটআপ। ফেনি জেলা টিম,ঢাকা জেলা টিম ও কুমিল্লা জেলা টিমের অংশগ্রহণ
সেই থেকে তারা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহলের ছোটখাটো বিল্ডিংয়ের কাজ করতে লাগলো। সব সময় পারিশ্রমিক পাওয়া যেতনা, পাইলেও ৪-৫ হাজারের উপরে না। তারপরও তারা করে যেতে থাকে। ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে তারা ২ জনই চাকরি
প্রবাসের জীবন হতাশা চলে আসছে।অনিচ্ছা স্বত্বেও ।কাজ করতে হয়।কাজ করতে ব্যাক পেইন শুরু হয়ে গেছে,সেজা হয়ে বেশীক্ষণ বসে থাকতে পারিনা।
তিতাসের পার ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদস্যদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি গ্রুপের কোর ভলেন্টিয়ার ও উদ্দীপ্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রোগ্রামের কনভেনর Masudor Rahman ভাই, ঢাকা জেলা এম্বাসেডর Eng
নবনিযুক্ত মডারেটর মোঃ মোশারফ হোসেন ভাইকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়
গোমস্তাপুর উপজেলা উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২” সফলভাবে উৎযাপন হয়ে গেল
চলছে করোনা পরিস্থিতি, বাইরে বেরোনো মুসকিল।কেনাকাটা করাটা আরো কঠিন।তাছারা আপুরা তো ঢাকায়,আর আমি গ্রামে।কিভাবে সবকিছু করবো ভেবেই পাচ্ছিনা। হঠাৎ করে মনে হলো" আরে এত ভাবছি কেন?আমার সব মুসকিল আসান তো আমার
শেরপুর জেলার ৩য় মিট আপ অনুষ্ঠিত হল নালিতা বাড়ির উত্তর গড়কান্দা,ঘোনাপাড়া আমাদের সবার প্রিয় জয়নাল ভাইয়ের নতুন প্রতিষ্ঠান স্বপ্নপুরী রিসোর্স সেন্টারে।
দুঃখ,বেদনার স্মৃতি যত কম মনে করা যায়, তত কম কষ্ট হয়। তাই জীবনের কিছু কথা
মানবতার দর্পণ প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের শিক্ষায় আমাদের ফাউন্ডেশনের ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিম মানবতার অগ্রদূত হিসেবে ২৪ঘন্টা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার ১৫ জুলাই এ বিশেষ প্রাপ্তি উদযাপিত হয় সারা দেশের ৬৪ জেলাসহ বিশ্বের মোট ৩২টি দেশে। এদিন ঢাকা জেলা টিমের আয়োজনে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ্যালো ঢাকা এবং উদ্যোক্তা সম্মেলন
আমার অবস্থা দিনে দিনে বাজে হতে লাগলো। কখনো দুবেলা খেয়ে থাকতাম৷ কখনো বা একবেলা কিন্তু তিনবেলা খাওয়ার সৌভাগ্য হইনি করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে। টাকা ধার নিয়ে চলে এলাম ঢাকা শহরে আয়ের উৎস খোঁজার জন্য।
বাবা-মায়ের পছন্দে বলি হতে হয় বাল্য বিবাহের কাছে।আমার বয়সের দ্বিগুন বয়সী ব্যক্তির সাথে বিয়ে দেয়া হয়।শুরু হয় জীবন যুদ্ধ
আমি উদ্যোক্তা সফল হতে সংগ্রাম করে যাচ্ছি পথে প্রান্তরে, রাত-দিন সমান করে!হয়ত অনেক আগেই ঝড়ে পড়তাম-উদ্যোক্তা খাতার লিষ্ট থেকে। কিন্তু কিছু শিক্ষা, কিছু ধৈর্য, কিছু কৌশল আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। ক্লান্তিকে
আমার বাবার আর্থিক অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো,মায়ের মুখে শুনেছে জীবনের অনেক কষ্টের অনেক দুঃখের কাহিনী,,মায়ের চোখে দেখেছি অনেক লোনাজল,,দেখেছে মায়ের ক্ষুধার্ত পেটের হা,হা,কার,,মায়ের মুখে শুনেছি আমার জন্
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন রয়েল খুলনা জেলার উদ্যোগে খুলনা বদ্ধভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হ
ন ধরে কথা বলতাছে ড্রেস নিবে। সব ডিটেইলস নিলো। কিন্তু অর্ডার করে না। পরে গতকাল রাতে হাটবারের আগের রাতে নক করলো আপু আমাকে ১০ টা ড্রেস পাঠাবেন আগামী কাল। ভাই কে আমি ভালো করে চিনি না কিন্তু সে আমাকে চিনে।
আমার আম্মু কাঁথা সেলাই করতো,আর সেই টাকা দিয়ে পরীক্ষার আগে কিছুদিন প্রাইভেট পরতাম। কিছু দুঃখ কষ্ট সুখের মধ্য দিয়েই চলে গেল জীবনের কিছু দিন গুলি।
আমি মেসে থাকা কালিন যার যা দেখতাম তাই করার চেষ্টা করতাম। যতক্ষণ না পারি ততক্ষণ চেষ্টা করি। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি
আমি যখন জন্ম হই নাই। তখন ছিল আমার বড় দুই বোন।আমি যখন জন্ম হই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছি আমাকের বংশে সবার তখন নাকি মন খারাপ আমার বাবা, ফুফু, কাকারা, এবং দাদা-দাদী সহকারে সবাইরি মন খারাপ একে একে তিনট
আমাদের বাড়ির সামনেই একটা ছোট পুকুর (কুয়া বা পুশকুনি) ছিল। কুপের পশ্চিমেই বাড়িতেই মেহমান এসেছিল।আর আমাদের বাড়ি ছিল কুপের পূর্বেই। এই সুযোগেই আমার মেজ চাচী আমার বড় বোনকে বাড়ির সামনের উঠান থেকেই কূপের পা
চাচী বলতো তোর বাবাকে কারখানা, ফ্যাক্টরি দিতে বলিস এ কথাগুলো আমাকে খুব তাড়না দিতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো আমার নিজস্ব কারখানা থাকবে, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। কিন্তু আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
৩৬৪ লক্ষ ভাইবোন এক পরিবারে আছেন । একজনের সুখে আরেকজন পাশে আছেন। ঠিক তেমনি একজন এর বিপদে আরেক জন এগিয়ে আসেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আমি নিজেই ।
আমি আমার বাবার বড় ছেলে বাবার স্বপ্ন ছিল আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো, আমাদের নিজস্ব একটা ফার্মেসি থাকবে বাবা বিকালে সেখানে গিয়ে বসবেন আমার ডাক্তারি দেখবেন। বাবার এ স্বপ্ন আমি পুরন করতে পারিনি ডাক্তার দূরে
আজ মনে মনে ভেবেছিলাম বাবা মাকে নিয়ে একটা পোষ্ট করবো। কি অদ্ভূত একটা মিল স্যার দেখলাম সকালে সবার বাবা মাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা বলেছেন। আজ এই পোষ্ট টা করতে গিয়ে আমার দুচোখের অশ্রু গুলো কে আটকে রাখতে পার
এই ফাউন্ডেশনে এসে আমি সফল উদ্যোক্তা হতে পারব কিনা জানি না।তবে আমি ভালো মানুষ হতে পেরেছি।এখন হয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগবে তাহলে কি আগে খারাপ ছিলেন? স্যার বলেছেন
অজস্র পুষ্পবৃষ্টি আর লাল গালিচা সম্বধনায় অতন্দ্র গাজীপুর জেলা বরণ করে নিলো লক্ষ তরুণ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা লক্ষ ভালোমানুষের ও শত সহস্র উদ্দ্যোক্তার কারিগর প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে
এখন তার কিছুই নেই। নতুন করে আবার শুরু করেছি। মেয়েদের পোশাকের অনলাইন বুটিকস, ফরমালিনমুক্ত আচার আমার মায়ের রেসিপি দিয়ে তৈরি, সিলেটের ক্লোন চা পাতা,ও নতুন শুরু করেছি ক্যাটারিং সার্ভিস। করো
আলহামদুলিল্লাহ, সাভার জোন কর্তৃক নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন প্রস্তুতি মিট আপ অনুষ্ঠিত হলো।
প্রসাদে আসার পর দরবেশ এক অদ্ভুত কাণ্ডের সাক্ষী হলেন। রাজার প্রহরীরা দরবেশ সাহেবের সাদা পোশাকের উপর লাল রঙ ঢেলে দিলেন।