ইংরেজি শুভ নববর্ষঃ সকালের সূর্যটা গোধূলি লগ্নে ডুব দিলো পশ্চিমাকাশের শেষ প্রান্তে। জীবন থেকে খসে পড়ল আরও একটি বছর। এভাবেই পুরাতন হারিয়ে যায় নতুনের ভিড়ে। একটি বছর ৩৬৫ দিন। শুরুতে মনে হয় অনেক দীর্ঘ
উদ্যোক্তা ভিত্তিক প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটি গল্প প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলা, ৪৯২টি উপজেলা ও ৫০টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মোট সাড়ে ছয় লাখের বেশি
প্রতিটি মানুষের শৈশব হাসি আনন্দ আর খেলাধুলায় কাটে।ঠিক তেমন আমার ছোট বেলা ছিল আনন্দ মুখরিত। সবার ছোট থাকায় সবার অনেক আদরের ছিলাম। আল্লাহর রহমতে কখনও কিছুর অভাব করি নাই।
প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে স্বপ্ন দেখে শুরু করে দিলাম ( ইনসাফ ফুড গার্ডেন ) নামে অনলাইন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে আমি গ্রুপ এর সকলের ভালবাসা পেয়ে দাদু নামে পরিচিত হয়েছি আলহাদুলিল্লাহ
কিছুদিন কাজ বন্ধ রাখি এইভাবেই চলতে থাকে। এরপর কউমি গ্রুপে যুক্ত হয়ে পান্জাবি গজ কাপড় নিয়ে নতুন করে আবার শুরু করি।
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।
শীত এসে পড়ছে! জানি সবাই শীতের নতুন পোশাক কিনতে যাব। আমরা কি পারিনা পরিবাবের শীতবস্ত্র কেনার সময় আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের জন্য কিছু শীতবস্ত্র কিনি!
মিট আপে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার Zoom এ্যপসের মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন , অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার কে
অতন্দ্র গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার অফলাইন মিট আপ সফল ভাবে সম্পুর্ন হয়েছে।
চলছে ময়মনসিংহ জেলার মিট আপ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান । ১২ তম ব্যাচের সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন মোডারেটর ইবনে রানা ভাই। অসাধারণ চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ উপস্
একটা মেয়ের যখন জন্ম হয় বা হবে জানে ( বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসার কারণে জানা সম্ভব হয়েছে) তখন থেকেই অনেক সময় দেখা যায় নিজের পরিবার থেকেই শুরু হয় এক ধরণের অবজ্ঞা,অবহেলা বা মনে করা হয় একটা বোঝা এই পৃথিবীতে
আলহামদুল্লিলাহ আজকে ঢাকা জেলা শীতবস্ত্র বিতরণ সম্পূর্ন হলো। শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতর করা হয়েছে ঢাকা
দিনে দিনে এই রসমালাইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। যেকোনো আচার-অনুষ্ঠান এবং মিষ্টিপ্রিয় মানুষের কাছে রসমালাই এক প্রিয় নাম হয়ে ওঠে। মাতৃভান্ডারের ব্যবস্থাপক অনুপম দাস জানান, ১৯৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশ
স্যার বলেন "থাকবো না একটা দিনও বেকার" ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার পর দেশে ফিরে বাড়ির ছাদের উপরে মুরগীর ফার্ম করি । স্যার বলেন "হয় জিতবেন না হয় শিক্ষবেন হারবেন না কক্ষনো"। তাই আমার উদ্দেশ্য ছিলো কাজটা
সফলভাবে সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ। মিটআপ এ সাতক্ষীরা জেলাকে কিভাবে গতিশীল করা যায় এ নিয়ে আলোচনা করলাম
সব জেলায় তো ইফতার ও দোয়া হচ্ছে আমাদের বগুড়া জেলা কেন পিছিয়ে থাকবে, আমাদের ও ইফতার মাহফিল করতে হবে
আর সেটা জদি হয় মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহিন, সেই কারনে জদি হাড়াতে হয় জিবন শুরুর গুরুত্য পুর্ন সময়,,,,নস্টো হয়ে যায় ফিউচার, সাথে হাড়াতে হয় সহায় সম্বল, জায়গা জমি,,,,লুটপাট করে নিয়ে যায় ঘড়ের মালামাল,,সর্বশ্য
বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নেই যে কোনো কাজ হলেই চলবে। এদিকে একটি মুদির দোকানে ৫০০০ টাকা বাকি পরে যায়। বন্ধুবান্ধব থেকে অনেক টাকা ধার করি। তখন রুমমেটের সহায়তায় কাজ না পেয়ে রাস্তায় আইসক্রিম বিক্রির সিদ্ধান্ত
তা এখনো অবাস্তব আমাদের দেশে। এটা কখনো বাস্তব হওয়ার নয়। কেননা আমার দেশের মানুষ যদি এই বিষয়টা নিয়ে একটু কাজ করত তাহলে হয়তো আমার দেশের মানুষেরা এই দেশ ছেড়ে প্রবাসে যেত না বা তাদের নিজ নিজ দেশে তারা কর্মস
সবার জীবনেই স্বপ্ন থাকে নিজে কিছু করার। কিন্তু এই নিজেকে কিছু করতে হবে এই ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজ করতে গেলে বোঝা যায় নিজের একটা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কত কষ্ট করতে হয়। আপনা
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই কোনাবাড়ী জোনের সকল ভাই বোনদের প্রতি। আপনাদের সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ওসর্বাত্বক সহযোগিতায় সফল ভাবে মিট-আপটি সম্পন্ন হয়েছে।
বরিশাল জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি বরিশাল জেলা টিম। ইনশাআল্লাহ বরিশালের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব।
এই গ্রুপে একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়, যার মাধ্যমে নিজের একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। বাবার কথা মতো আমি স্যারের প্রতিটা সেশন পড়া শুরু করে দেই এবং একটি একটি করে ৯০ টি সেশন পাঠ শেষ করে ১৫ তম ব্য
বুঝে পড়া বা বুঝে করা যখন আমরা কোন কিছু বুঝে সুনে করবো, ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো স্যার আমাদের কে প্রায় বলে থাকেন সর্ট কার্ট নয় তাড়াহুড়ো নয় যা কিছু করবো বুঝে এবং জেনে করব
ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন কর্মসূচী সুন্দরভাবে সম্পন্ন। যে একটি গাছ লাগালো । সে একটি আশা তৈরি করলো ।🌲🌲🌲🌲🌲🌲 গতকাল ২৭জুন ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন করাহয়। বনজ, ফলদ, ঔষধি বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা লাগানো
বাবার পিছনে এক টাকাও খরচ করার মত নিজের কোন সমর্থই ছিল না। মনে হয় কিছু একটা করি কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। নিজের ইচ্ছা মতো বাবার পিছে খরচ করব । এবার শুরু হয়ে গেল বিজনেস। শুরু করলাম ত্রিশ হাজার টাকা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি।
আমি সম্পূর্ণভাবে আমার দোকানে বাস করে খুব ভালোভাবে এক ভদ্রলোক এডিক-ওদিক ছোটছুটি করছি আমি ব্যাপকভাবে কি গভীরভাবে আমার দিকে বলতে চাইছি আমার একজন সিজারিয়ান রোগীর রোগী হসপিটালে গঠনের জন্য তাঁর ওটিভ এক ব্য
অনেক কিছু শেখার পাশাপাশি দারুন একটা সময় পার করলাম। আমাদের পরবর্তী মিটাপ যেনো আরো অনেক বড় পরিসরে করতে পারি, সবাই দোয়া করবেন।
সকলের প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে শাহজাদপুর উপজেলা মাসিক মিটআপ ও ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ এর টিকেট মেলা সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন হলো।
এই প্লাটফর্ম আমার কাছে আমার দ্বিতীয় পরিবার। আমাদের পরিবারের প্রতি যেমন ভালোবাসা ভালোলাগা আছে তেমন এই পরিবারের প্রতি।এই পরিবারের সকলের প্রতি একটা মায়া কাজ করে। কারন এইটা শুধু একটা ফাউন্ডেশন না এইটা আমা
কাজী নাজমুল আলম হামীম কোর ভলান্টিয়ার, রেজি ৬১
আজ ২য় রমজান সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে বসলাম সময় তখন ৪ টা ৪৫ মিনিট বাবা বলল ক্ষেতে যেতে হবে,তখনো শুয়ে মোবাইল টিপাটিপি করতেছি। আবার হঠাৎ সময় যখন ভোর ৫টা বাবা বলল চল যাই বলে ঘর থেকে বের হয়ে হাটা শুরু করল, আম
আর ডাক্তার এর সাথে কথা বল একটা কিডনি লাগলে আমি দিবো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসতো আমার সঙ্গে আমার বাবার ব্লাডগ্রুপ ম্যাচ করলো না ডাক্তার বললো সেইম ব্লাডগ্রুপ লাগবে। তা-না হলে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে না।
আজ একটি ভালো কাজ করতে পারায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের সবার প্রিয় স্যারের জন্য আর আপনাদের মত শত শত ভাল মনের মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই প্রিয় স্যার আর আমাদের প্রিয় গ্রুপের প্রাণপ্রিয় ভ
🌹Entrepreneurship নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্দ্যোক্তা তৈরী কেন্দ্র🌹 এর অতন্দ্র গাজীপুর জেলা আয়োজিত ৩য় বার্ষিক বনভোজন ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার ২০২২ বৃন্দাবন রিসোর্ট শ্রীপুর গাজীপুর।
আমাদের মিটআপকে প্রানবন্ত করতে উপস্থিত হয়েছিলেন, ❤️❤️ নবিনগরের UNO স্যার, জনাব #Akramul_siddiq সাহেব। উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অ্যাম্বাসেডর Anamol Haque ভাইয়া আশা করি ভাইয়ের একান্ত অংশগ
বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার একটি শীর্ষস্থানীয় এবং ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পটুয়াখালী জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি পটুয়াখালী জেলা টি
রাত পোহালেই প্রাচ্যের ভ্যানিস বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন উচ্ছ্বাস, অানন্দ, অাবেগ, ভালবাসার সংমিশ্রণে হৈ হোল্লোরে, নদী পথে নৈশ রনতরীতে রওনা হয়েছে একদল নিবেদিত প্রান। কেউ যাচ্ছে সড়ক পথে কেউ বা আকাশ প
সফলতা ২০/৩০ভিতর হয়না,আবার হয়েও যায়।কারো কারো জীবনে যেকোন সময় সফলতা আসে সেটা হউক না ৫৫/৬০/৬৫ কিংবা ৭০। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম হাজার ও সফলতার গল্প আছে। স্যার সুন্দর করে বলেছেন স্বপ্ন দেখুন,সা
Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজকে বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে কাঠবাদাম এবং কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগান আজিজুল হাকিম
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর রংপুর জেলার অফলাইনে প্রিয় মুখগুলোর মিলন মেলা
নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসা চোখের পানিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম কিছুক্ষন। তারপর ভাবলাম কি করবো, ছেলের উপবৃত্তির সামান্য কয়টা যদি নেই, তাহলে ওর কাছে স্বার্থপর হয়ে যাবো নাতো? কেউ জানলেই বা কি বলবে যে এ
সুনামগঞ্জের সকল সদস্যরা ৪জানুয়ারির সম্মেলনের টিকেট হাতে পেয়ে অনেক আনন্দিত। ইনশ্আল্লাহ দেখা হবে ভালোমানুষের প্রিয় প্লাটফর্মের সকল সদস্যদের সাথে ভালোমানুষের মহামিলনে।
একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
আমারা ভাই বোনেরা জখন পেটের খিদার যন্তোনায় মায়ের সাথে কান্নাঁ করতাম তখন মাকে দেখেছি আমাদের চেয়ে বেশি কান্নাঁ করতে মা কান্নাঁ করতে করতে ঘর থেকে বিরিয়ে কোন এক বাড়িতে গিয়ে বসে থাকতো তাদের ভাত রান্না হলে ভ
দিনগুলো ভালোই কাটছিলো। হঠাৎ আব্বুর পরিচিত এক ভাই আব্বুকে বলে লটারির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার কথা। সেখানে পার করে দিই এক গুরুত্বপূর্ণ সময় কিন্তু কোনো লাভ হয় না। সময় গুলোকে অযথা নষ্ট করে ফেলি। তা
অভাব অনটনের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেলাম ঢাকা শহরে । কাজের জন্য অনেক ঘুড়া ঘুড়ি করলাম । কোন কাজ কাম পেলাম না । বাধ্য হয়ে রাজ মিস্ত্রী এবং রং মিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ নিলাম । এই ভাবে আমার ২ বছর ঢাকা
করতে চান আলোকিত মানুষ হয়ে হাজারো মানুষের আইডল হতে চান, তৈরি করতে চান একটা স্বপ্নের পরিবার। বিশ্বাস করুন আপনি ও হবেন আইডল, আপনার ও থাকবে একটা স্বপ্নের বাড়ি। কারন একটাই, আপনারা আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্