ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
নিজেকে বড় করতে হলে চাকুরি দিয়ে হবেনা, ছেলেও কথা বলতে পারেনা, কিছু একটা করতে হবে। চিন্তা শুরু করলাম, কি করা যায়। করোনা শুরু হবার আগে একটি দোকান নিলাম, স্টেশনারি বিজনেস শুরু করলাম। ভালো সেল শুরু হতে না
-----------------বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম------------- --------------------আসসালামু আলাইকুম--------------- ✅আমার উদ্যোক্তা জীবনের শুরু এবং বর্তমান অবস্থা। ✅আশা করি নতুন উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন সম
জীবন থেকে ত্রিশটি বছর হারিয়ে গেলো ভালো কিছু হয়নি আমার সাথে।। মাত্র চার বছর বয়সে মাকে হারিয়ে শুরু হয়েছে অন্ধকার জীবনের পথচলা। ১৯৯৫ থেকে জীবনটা চলছে কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি মত। 👉এক চিলতে রৌদ্র যখন এসেছে
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
প্রিয় স্যারের দেওয়া গাইড লাইন নিয়ে প্রতিনিয়ত চেষ্ঠা করে যাচ্ছি। নিজের একটা অবস্থান তৈরি করতে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। স্যার প্রায়ই একটা কথা বলেন সবাই হয়তো উদ্যোগতা হবে না। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি
নারায়ণগঞ্জের লিজা চৌধুরী মা কাছথেকে অল্প টাকা নিয়ে আজকে একজন উদ্যোক্তা।
আমি নতুন জীবন শুরু করলাম।আলহামদুলিল্লাহ ২ মাসে ৪২০০০ হাজার টাকা সেল করলাম শুধু আমার পন্য খাটি ছিল বলে। মনের মধ্যে আশা দেখলাম নতুন করে আমি পারব হে আমি পারব
আমি তালগাছ না বটগাছ হতে চাই । গাছ মাত্রই উপকারী-তা সে তালগাছই হোক,আর বটগাছই হোক।তবু কিছু বাহ্যিক ও গুণগত বৈশিষ্ট্যের নিরিখে আমরা তাদের বিচার করি।ঠিক সেরকমই কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে আমর
এই করোনার ক্লান্তি মুহুর্তের মধ্যে সুস্থ্য রেখে আমাদের প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনায় , সামাজিক, দেশ ও পরিবেশ বান্ধব বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল , আলহামদুলিল্লাহ।
We provide online and offline training base on live project according to industries required. E-commerce Solution. Our Signing product Digital Businessman is E-
এস এস সি এর পর ,, বাবা মা আমাকে বিয়ে দেয়,, ছেলে খুলনার ছেলে ,ঢাকায় সেটেল,প্লাট ,, গাড়ি সব আছে,, কিছু বুঝে উঠার আগেই সংসার নামক বোঝা ঘাড়ে চেপে বসলো,,, হাজার ও দায়িত্ব কর্তব্য এর মধ্যে আমি আমার পড
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি
ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন কর্মসূচী সুন্দরভাবে সম্পন্ন। যে একটি গাছ লাগালো । সে একটি আশা তৈরি করলো ।🌲🌲🌲🌲🌲🌲 গতকাল ২৭জুন ফেনী জেলার বৃক্ষরোপন করাহয়। বনজ, ফলদ, ঔষধি বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা লাগানো
🌹🌺 আজকের চট্টগ্রাম জেলা মিটআপ কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবং অতিথি ও দায়িত্বশীলদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুষ্টান পরিচলনা করেন কর্ণফুলী জোন এম্ব্যাসেডর Reaz Kamal He
প্লাস্টিক বা কাচের বোতলের চাইতে মাটির পাত্রে পানি রাখা উপকারী। মাটির কলসে পানি সংরক্ষণ করার বিষয়টা এখন খুব একটা চোখে পড়ে না। বরং প্লাস্টিক বা কাচের বোতল বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে মাটির পাত্রে খাবার পান
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
আজকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ "নিজের বলার মতো একটা গল্প " গ্রুপের রাজশাহী জেলার মিট আপ এর কিছু ছবি মেহের নিগার আপু,সুজন ভাই, রাজ্জাক ভাই সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ধন্যবাদ সবাইকে ।
রাজশাহী_জেলার_গোদাগাড়ী_উপজেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত ভালোবাসা বিলাই এর ঈদ সামগ্রী বিতরণের কিছু অংশ।
মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
আমারা ভাই বোনেরা জখন পেটের খিদার যন্তোনায় মায়ের সাথে কান্নাঁ করতাম তখন মাকে দেখেছি আমাদের চেয়ে বেশি কান্নাঁ করতে মা কান্নাঁ করতে করতে ঘর থেকে বিরিয়ে কোন এক বাড়িতে গিয়ে বসে থাকতো তাদের ভাত রান্না হলে ভ
প্রবাসে মায়ের মতো এমনি করে কেউ বলে না। খাবার না খেলে ও এমনি করে কেউ ডেকে খাওয়ায় না। একটু ব্যাথা পেলে ও মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় না। প্রবাসে এসে মায়ের স্নেহ ভালোবাসা থেকে অনেক দুরে চলে গেছি। দেশ
ডেইলি স্টার এর লেজেন্ড সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মাহফুজ আনাম স্যারকে যখন আমার সোশ্যাল শিক্ষামূলক কাজ "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর গল্প বলছিলাম, তিনি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের সেশনের ২০০০-তম দিন উৎযাপন হলো আজ।
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
ভাই বোন বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে সমস্ত কষ্ট কে আমি আপন করে নিয়েছিলাম, শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল,নিজেকে মানুষ হতে হবে জীবনকে মানুষ করতে হবে,মা অসুস্থ অবস্থায় যে ঋণ নেওয়া হয়েছে সেটা শোধ করতে হবে,আমি একা
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
যারা আমাকে চেনেন জানেন তারা আমাকে কোন কারনে অপছন্দ করলেও আমার এই কথাগুলি স্বীকার করন, আমি মিথ্যা কথা বলিনা, এবং পরিশ্রম ধৈর্য ত্যাগের মেন্টালিটি নিয়ে চলি। আমার এই কার্যক্রমকে যারা অপছন্দ করেন তারা অনে
আমার বাবার স্বপ্ন ছিলো আমি উচ্চপদস্থ চাকরি করবো। আমারও খুব ইচ্ছে ছিলো যে,আমি সরকারি কোন বড় ধরনের জব করবো বা কোনো ব্যাংকে জব করবো। এই তো গেলো স্বপ্ন দেখার কথা এবার আসি মূল কথায়। এবার শুরু হলো স্বপ্ন
আবার পন্য সেল শুরু করি কিন্তু কিভাবে পন্য সেল করতে হয় আমার কোন আইডিয়া তেমন ছিল না, তবুও আমি ভ্যানগাড়ি ও ড্রাইভার নিয়ে মার্কেটে যেতাম পন্য সেল করার জন্য , কিন্তু আমার ফুফাতো ভাই তখন তীর কোম্পানিতে জ
May 9 · মানবিকতার অপর নাম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। এখানে এসে মানবিক মানুষ হয়ে ওঠেন নাই এমন ঘটনা একটিও নাই। নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনর খুলনা জেলার স্টুডেন্টদের উদ্যোগে ও খুলনা জে
সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে, রাজশাহী জেলা টিমকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি উপজেলাকে এগিয়ে নিতে হবে। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার জন্য, প্রিয় স্যারের দিকনির্দেশনা
এতো গেল ফেনীরটিম এরা ছাড়াও পুরো পরিবারের অনেকে সাথে আমার বন্ধুত্ব কাকে ছেড়ে কার নাম লিখবো। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সবাই আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সবশেষে বলবো সবাই আপনারা ভালো কাজের চর্চা
শুধু মাত্র মালদ্বীপ এর ১০রুপিয়া অর্থাৎ বাংলাদেশের ৫০ টাকা ক্যাশ ছিলো আমার।আমি দশটি অরেঞ্জ কিনলাম,দশ রুপিয়া দিয়ে দশ মিনিট পর এই অরেঞ্জ গুলো বিক্রি করলাম ২০ রুপিয়া, আমার ১০ রুপিয়া দশ মিনিটে লাভ হলে...
ছাত্ররাই পারে একটি সুনির্দিষ্ট টার্গেটকে সামনে রেখে ক্লান্তিহীন পরিশ্রমের মাধ্যমে সেটা বাস্তবে রূপায়ন করতে,
এভাবে প্রায় ছয় মাস চলে গেল। এরপর এক বন্ধুর কোম্পানী থেকে একটা ফুড আইটেম ডিলার নিলাম। সেখানেও নতুন প্রডাক্ট থাকায় টিকতে পারলাম না। বাধ্য হয়ে আবার চাকরি খুজতে শুরু করলাম। সবশেষে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে
১ টা বছর আমার মা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিল। পুরো পরিবার দুটো শোক একসাথে কি করে সহ্য করেছিল সেটা একমাত্র আল্লাহ
দেশে এসে একটা ব্যবসা শুরু করেছে।আমাদের দিনগুলি খুব ভালই যাচ্ছিল। এরইমধ্যে দেশে মহামারী করোনা আসলো। করোনার কারনে আমার হাজবেন্ডের ব্যবসা মন্দা। আলহামদুলিল্লাহ তবুও অনেকের চেয়ে ভালো আছি। একদিন হঠাৎ করে
সৌদিতে যাবো টাকার খুবই প্রয়োজন কোথা পাবো এতো টাকা কেউ কাউকে বর্তমানে একটাকা দিয়ে বিশ্বাস করে না। ভাবতে থাকি কি ভাবে টাকার সমস্যা সমাধান করা যায় .। পরে ভাবলাম ব্যাংক থেকে লোন করবো, সেখানেই অনেক ঝামে
আলহামদুলিল্লাহ 🤲 টানা ২০০০ তম দিন পালন হলো সকল জেলার মতো মানবিক কুষ্টিয়া জেলা তেও। উপস্থিত সকলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা। কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর পরামর্শদাতা জনাব,,,, Iqbal Bahar Zahid,.... স্যা
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু
আমার বাবা সুপার হিরো।বাবা আমাদেরর জন্য তার জীবনের 20বছর প্রবাসে কাটিয়েছে,কত প্রকার রোদে আমার বাবা কাজ করেছেন কত রাত জেগে আমার বাবা আমাদের কথা চিন্তা করেছেন,কতো ভালো ভালো খাবার আমার বাবার চোখ দিয়ে দে
আমি প্রথম প্রথম যখন এক বছর পরপর ঢাকা থেকে বাড়িতে যেতাম এবং বাড়ি থেকে যখন ঢাকায় আসতাম তখন মা একটা কথা বলতো তুই অনেক বরো হবি আর কাদতো আচল দিয়ে সুধু চোখ মুছতো আর বাবার কাছে দোয়া চাইলে সুধু কাদতো । #একটা
আমি এগিয়ে যাচ্ছি ধৌর্য্যের সীমানা পেরিয়ে, দিনগুলো পার করছি কোন মুনাফা ছাড়াই,শুধু একদিন লাভবান হবো বলে।প্রতিনিয়ত কাঁচামাল দ্রব্যের মূল্যে বৃদ্ধিতে প্রডাকশন খরচ বেড়ে যাওয়া কিন্তু পন্যের মূল্য বৃদ্ধি না
প্রবাসে আসতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি যদি দেশে চলে যাই তাহলে কপালে দূর্গতি ছাড়া আর কিছুই নেই। মনে মনে ভেবেই নিলাম এখন আমাকে যেই কাজ দেয় সেটাই করতে হবে। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে শুরু করলাম
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ, আজ এক Sopno Raj এর সারথি হয়ে,আমাদের বগুড়া জেলার #বগুড়া সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর প্রিয় স্যারের চিঠি প্রদান সম্পন্ন হয়েছে,এবং ৬৪ জেলায় বই পড়া আন্দ
প্রায় ছয় বৎসর বেকার ছিলাম কি করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তখন দেখি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের পেজ টা আমার বন্ধু মনির ভাইয়ের একটা পোস্ট। তখন মনির ভাইকে বিস্তারিত জানতে পারি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ক
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সফল হয়েছে টানা ২০০০ তম দিনের রেকর্ড গড়া আমাদের লক্ষীপুর জেলার প্রোগ্রাম। উক্ত পোগ্রামের মূল আয়োজন ছিল: