ভাবছি আর ভাবছি । জীবনকে ভালো রাখার জন্য বারং বার চেষ্টা । পরিবারটা যৌথ ছিল । আমার বাবা চাচারা ফুফুরা মিলে ৯ জন । আমার বাবা দ্বিতীয় সন্তান । গ্রামের হাতুরে ডাক্তার । আমার দাদু ছিলেন একজন স্বর্ণক
তখন মহিলাটি বলে, আফা, আমি মাহাজন এর কাছ থেকে আম, নিয়ে এখানে আম বিক্রি করতে বসছি, মাহাজান বলছে আমি এই দামে আম বিক্রি করতে পারলে মাহাজান আমাকে ১০০/- টাকা দিবে। তখন আমি বুঝে গেলাম, মহিলাটি একজন রিসেলার।
আমি মানবিক কুষ্টিয়া জেলার ছেলে। আমার নিজের জেলাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার লহ্ম্যে কাজ করতেছি। তাই প্রিয় প্লাটফর্ম এর সকল ভাই ও বোনেরা আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা পেলে আমি অনেক দূরে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। আ
বড় মেয়েটার বিয়ে হয়েছে গত ছয় মাস আগে, ভাই যে কত খুশি ছিল সরাসরি না দেখলে বুঝা যেত না, জিজ্ঞেস করলাম পুরো জীবন তো কাটিয়ে দিলেন বিদেশে, আপনি কি সুখি? অভাক করা এক উত্তর পেলাম, বাড়িতে সবাই ভাল থাকলে আমার
প্রিয় প্ল্যাটফর্মের জিরো টলারেন্স হল নারীদের অসম্মানের বেপারে
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
মা-এর মৃত্যুর ঠিক তিন বছর পর আমার জন্মদাতা পিতা ও আমাকে এতিম করে না ফেরার দেশে চলে গেল , এবারও ছুটির বিরম্বনায় শেষবারের মতো জন্মদাতা পিতার মুখটাও দেখা হলো না হায়রে প্রবাস জীবন। আমরা প্রবাসীরা কতটা য
স্বপ্নীল ড্রাগ পার্ক নামক আমার একটি ফার্মেসী রয়েছে যেখান থেকে গত ৭ বছর যাবৎ নিজে অনুশীলনের পাশাপাশি রোগীদের নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এই পেশার মাধ্যমে বিশেষ করে অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খুব কাছাকাছি
আমি স্বপ্ন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলোকে নিয়ে, যারা আমার সুখে দুঃখে পাশে ছিলো আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চায়, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়, আমার একমাত্র ভায়টাকে কিছু
গাছ লাগানো উৎসব সম্পূর্ন শাহজালালের শহর সিলেট শহর, থেকেই প্রিয় স্যারের হাত ধরেই, গাছ লাগানো উৎসব শুরু হয়েছে!!
বিছানায় বসে বসে অর্ডার কনফার্ম করলাম।আর মনে মনে ভাবছি । দায়িত্ব কি জিনিস। দায়িত্ব যদি পালনে যদি অবহেলা করতাম তাহলে হয়তো সেই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হতো না। আর লেগে যদি কাজ না করতাম তাহলে বোধহয়
সবার উপস্থিতিতে মিটআপটি ছিলো প্রাণবন্ত। আমাদের আলোচনার বিষয় ছিল আমারা সবাই মিলে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।
আমাদের মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরনায় উওরা জোনের পক্ষ থেকে তুরাগ নদীর তীরে বেদে পরিবারের জন্য শীত বস্র বিতরন সম্পূর্ণ
উদ্যোক্তা ভাইবোনদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর এক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ এই নিয়ে ৩ বারের মত সেচ্ছায় রক্ত দান করলাম
সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে, রাজশাহী জেলা টিমকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি উপজেলাকে এগিয়ে নিতে হবে। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার জন্য, প্রিয় স্যারের দিকনির্দেশনা
_পৃথিবীতে সেরা শব্দ মা,মায়ের সাথে কখনো কারো তুলনা হয়না,এ পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আছে নিঃস্বার্থভাবে শুধু দিয়ে যায় কিছুই নেয় না সেই ব্যক্তিটি হল মা,,পাহাড় সমান ব্যাথা বুকের মধ্যে চাপা দিয়ে হাসিমুখ
যার যার এই সুন্দর উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি চমৎকার একটি পরিবার, আর এই পরিবারের বিতরে পেয়েছি আমরা অনেকগুলো ভালো মানুষ,এখানেই শেষ নয় এখানেই পেয়েছি আমরা লক্ষ লক্ষ ভাই বোন, যাদের যাদের পজিটিভিটি মু
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকারভাবে মিরপুর মডেল জোনের মাসিক মিটআপ শেষ হলো। আজীবন সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে ও আমাদের মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পণ্য প্রদর্শনী এবং কোর ও মডারেটর বরণ অনুষ্
প্রথমেই নিজ এলাকার অনেক মানুষ হাসাহাসি করত বলত এই ব্যবসা দেশ গ্রামে কখনোই হবে না কারণ এটা শহর না এটা গ্রাম গ্রামের মানুষের ক্ষতি করবো এসিড দিয়ে মানুষের চুলকানি হবে অনেক ভয় দেখিয়ে আমাকে অনেক বাধা দি
আমার জীবন থেকে বিশেষ করে আমার পরিবার থেকে আমার শিক্ষা অহংকার যারা করবে তাদের পতন অবশ্যই হবে।
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
ধনসম্পত্তি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমেই অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেককেই দেখেছি রাতারাতি প্রচুর সম্পত্তি করে,হঠাৎই রাস্তার ভিখারি হতে। তবে সম্পত্তি কম হোক বা বেশি হোক সেটা বড
আসসালামু আলাইকুম। #ময়মনসিংহ_জেলা_মিট_আপ তারিখ 07/11/20 নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর উদ্দোগে ময়মনসিংহ জেলা মিট আপ চলছে.....। আলহামদুলিল্লাহ একটি প্রানবন্তর মিট আপে থাকতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম জেলা লোহাগাড়া উপজেলার মিটআপ সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে খুবই জাঁকজমকপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হলো আলহামদুলিল্লাহ। যারা এত কষ্ট করে উপস্থিত ছিলেন সকলকে ধন্য
ছোট্ট পরিবার আমার। মা বাবা আমার বড় বোন আর আমি আলহামদুলিল্লাহ। ভাই নেই, যে কেউ শুনলে আমাদের চেয়ে উনিই আফসোস করতেন ভাই নেই আমার! আব্বু তখন আমাকে কাছে নিয়ে বলতো এইটাই আমার ছেলে। আমাকে আমার পরিবারের কেউ
আজকে এটা আমার প্রথম বছরের প্রথম পোস্ট আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি যিনি নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ এর মত প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে
খুব সাধারণ একটা কাহিনী তবে কেউ অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কারো জীবনের সাথে মিলেও যেতে পারে, কেউবা নস্টালজিক হবেন তাই পোস্ট পড়ে
সার্বিক দিকনির্দেশনায় সম্মানিত গাজীপুর জেলা এম্বাসেডর ও মোডারেট জনাব, Yousuf Hossen Tonmoy ভাইয়া এবং রহিমা আক্তার স্বপ্না আপু।
সন্ধান করি নিজ জেলার মানুষদেরকে।অনেক খোঁজার পর পরিচিত হই মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলা অ্যাম্বাসেডর সুমন আহমেদ হৃদয় ভাইয়ের সাথে।শুরুর সম্পর্ক্টা মনে হয়নি নতুন।ভাইয়া অনেক সাহায্য করেন আমাকে।সব কিছু বুঝিয়ে দেন
জীবন জীবনের মতই, আমরা চাইলেই কেউ গল্পটা পরিবর্তন করতে পারবোনা। দুঃখ -সুখ জীবনের অংশ। হাঁসি -কান্না, আনন্দ - বেদনা, পাওয়া -নাপাওয়া এসব নিয়েই মানুষের জীবন
কল্পনাবিলাসী না হয়ে, বাস্তবসম্মত কাজ করি। নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমাই, মা-বাবাকে সেবা করি। ভবিষ্যৎ বংশধরদের শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করি, টমেটো চাষ করলে গ্রামের মানুষ কী বলবে, এসব কথা না শোনার জন্য কানে তুল
প্রোগ্রামের বিশেষ আয়োজন ছিল পণ্য প্রদর্শনী এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাটিকা করে সকল স্পনসরদের পণ্যকে তুলে ধরা এবং পন্য প্রদর্শন করা।
উক্ত মিট আপ প্রোগরামে আমাদের সম্মেলনে আমাদের সকলের শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় স্যার এবং যার ভালবাসায় আমরা সিক্ত সেই মহান মানুষের দিক নির্দেশনা গুলো আলোচনা করবো। শুধু তাই নয় আগামী দিনে আমাদের গ্রুফের কার্যক্রম
কিছুদিন আগেও যাদেরকে আমি চিনতামই না। কিন্তু আজ তাদের সাথে কথা না বললে ভালো লাগে না। সারাদিন অপেক্ষা করে থাকি কখন সেশন এর সময়টা আসবে। এবং কখন সবার সাথে কথা হবে। আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়ত
আমার বিদ্ধা শিক্ষা অর্জনের ফেমিলি শিক্ষক হিসেবে বাবার চেয়ে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। পড়া লেখা, চলা ফেরা, এক কথায় অল সাইট তদারুকির দায়িত্ব ও অবদান বাবার চেয়ে মায়ের বেশি।
৩১শে মার্চ ২০২০ এই দিনটি সত্যিই ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে।
কিছু ভালবাসা, কিছু স্মৃতি আর কিছু কষ্ট যা মানুষের সবসময় মনে থাকবে। ভালবাসা এমন একটা অনুভূতি যেটা কারো সাথে সারাজীবন থেকেও আসে না। আবার কারো সাথে হয়তো কিছু মুহুর্তই যথেষ্ট যা কখনো জোর করে হয় না।😥😥 ক
সেই থেকে গ্রুপের প্রতি মায়ায় পড়ে যাই এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও টানা ৯০ দিনের সেশানগুলো শেষ করি এবং ভিডিও সেশানও করি কয়েকটা। সেই সাথে আস্তে আস্তে পোস্টগুলো পড়ার চেষ্টা করতে থাকি,কে কি লিখছে সেগুলো শেখা
এরই অংশ হিসেবে আজকে ময়মনসিংহ জেলার (ঢাকার ভাটারা থানার) শারীরিকভাবে অক্ষম মোঃ ফয়সালকে এবং টাঙ্গাইল জেলার মাহমুদুল হাসান সৈকতকে পণ্য কিনে দেয়ার জন্য ফান্ড হাঁতে তুলে দেয়া হল। আমাদের ফাউন্ডেশনের সৌদিআ
বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকার কারণে গ্রুপে তেমন কোন পোস্ট কিংবা সময় দিতে পারিনি। এখন আমি আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি, সুস্থ হয়ে আমাদের গ্রামের একটি রাস্তার কাজের সকলের সাথে সহযোগিতা করে সম্পন্ন করলাম। এ রাস্
এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে জীবন পাল্টে গেছে। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমার জীবন টা কে পাল্টে দিয়েছেন। স্যারের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
পরিবারের ছোটোরা সাধারনত সবার আদরের হয়,, আমিও তেমনি পরিবারের সবার চোখের মনি ছিলাম
গোপালগঞ্জের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামনের সমাধি, ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি, জমিদার গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ী, অন্যন্যা চন্দ্র ঘাট, বধ্য ভূমি স্মৃতি সৌধ, বিলরুট ক্যানেল,
জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা চর্চা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি যত বেশি শিক্ষাচর্চা করবে সেই ব্যক্তি ততবেশি জ্ঞানী হবেন। শিক্ষা চর্চার মাধ্যমে কিন্তু নিজের জ্ঞান যে ভাবে বিক
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
আজ মঙ্গলবার বার ,,"নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের হাটবার ।বেশ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কোন দিন কি বার সেটা আমার মনে থাকতো না । কিন্ত যখন থেকে গ্রুপে এক্টিভ আছি তখন থেকেই এই হাটবারে অংশ গ্রহণ করার
সকালে ঘুম ভাঙলো সূর্যের আলো চোখে পড়াতে। চোখ খুলেই দেখি আমাদের চারপাশে ওনেকগুলো কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে এবং মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে এবং আমাদের নিয়ে মজা নিচ্ছে। চুল নাক কান দেখে ধরে আশ্চর্য হচ্ছে। তাদের মজা নেয