মূলধন দুই হাজার টাকা থেকে এখন এক লক্ষ+ উদ্যোক্তা জীবন গ্রহণ করতে গিয়ে অনেক কষ্ট অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছিল। চাকরি ছেড়ে কেনো উদ্যোক্তা পথ বেছে নিলাম। আমি বিশ্বাস করি চাকুরী করলে একজন জীবিকা গ্রহণের
এতো কষ্ট পাইনি যতটা কষ্ট পেয়েছি বন্ধু অন্যর মুখে তোমার বিয়ের কথাটা শুনে!!! ভালো জব করছো বিয়ে করবা অনেক বেশি খুশির কথা কিন্ত একবারও জানানোর প্রয়োজন মনে করনি বন্ধু!!!!!! তোমার বিয়ের খবরটা দুর দুরের
ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমাদের এখানে সপ্তাহে দুইদিন হাঁট বসে। আর আমি যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম তখন আমার আব্বার সাথে হাঁটে যেতাম। সেটা ছিলো গ্রাম্য হাঁট আর এইটাতো অনলাইন হাঁট। তবুও আজ বার বার আমার
অাজ থেকে প্রায় এক বছর অাগে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর দেখা মিলে তখন থেকে সারের প্রতিটি সেশন, ভিডিও ক্লাস, ইউটিভি লাইভের সাক্ষাৎকার এইসব ফলো করে অনুপ্রেরণা পায়।বর্তমানে একজন সফল উদ্ধেক্তা হও
আমাদের চাঁদপুর জেলা উদ্যোক্তা টিম ইনশাআল্লাহ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। 😊 আমি কাজ করছি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। আমাদের সেবা সমুহ : * প্রোডাক্টস প্রোমোশনাল ২ ডি এনিমেশন🏙️🌆 * মোশন গ্রাফিক্স এনিমেশন 🧩 * ও
মেয়েরা সমাজের চোখে অনেক অবহেলিত অন্যের করুণা অনুগ্রহ হয়ে বেঁচে থাকতে হয় যা আমি মেনে নিতে পারিনা। যখন আমি নিজে কিছু করতে পারব তখন কেন অন্যের গলগ্রহ হয়ে বাচঁবো। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সাড়া পাচ্ছি। যাদের
শুধু এটুকুতে থেমে নেই বহুল আলোচিত বগুড়া বিখ্যাত দই বহু আগে থেকে দেশ ছেড়ে দেশের বাহিরেও সু-নামের সাথে ইমপোর্ট করে ছাড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের বগুড়া ও বগুড়া দই। বগুড়ার দইয়ের ছোট্ট একটু বিপরণ তুলে ধরলাম। 👇👇
অনলাইন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে বিনামূল্যে দুই হাজার তম উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন।
অজস্র ধন্যবাদ বগুড়া জেলা টিমের সবাই কে।
অল্প সময়ের মধ্যে চলে গেল বিদেশে। ❤️এর মধ্যে আমি এক ছেলে সন্তানের “মা”হলাম আমি ❤️ভালই কাটছিল ১০বছর,সেখানে কন্টাকটারি বেল্ডিনংলাইসেন্স করে কাজ করত।কম্পানি হটাৎ করে বাদ দিয়ে দিল।
সকল রক্ত যোদ্ধাদের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা ভালোবাসা অভিরাম৷
অবশেষে আবার ও নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি নিজের উপরে ভরসা করা শুরু করেছি আমার বিশ্বাস আমি একদিন সব ঝর কে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূর্ করতে পারবো।😊😊স্বপ্ন পূরণের লক্ষ স্থির করে সেই পথেই এগোচ্ছি।
আমাদের সংসার খুব ভালই চলতেছিল, তিন ভাই এক বোনের সংসার খুব সুন্দর সংসার সাজানো গোছানো পরিপাটি, ছিল না কোন দুঃখ কোন অভাব মোটামুটি ভালোই ছিলাম, বড় ভাই বড় বোন তার উপরে আমি আমার ছোট একটা ছোট ভাই আছে, 199
কাস্টমার : আমি যে ৭ সেট গহনা পছন্দ করেছি আপনি ওই সবগুলোই পাঠাবেন।আমার 3 সেট গহনা অনেক বেশি পছন্দ হয়েছে।আর বাকি ৪ সেট গহনা দেখার পর যদি ভাল লাগে তাহলে রেখে দিব আর ভাল না লাগলে রিটার্ন করে দিব।
করোনায় যে শিক্ষা মানুষকে দিয়েছে তার মধ্যে আমিও পিছিয়ে ছিলাম না😥। স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপার্জনের সর্বদিক বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।যে আমি মাসে ইনকাম ছিলো ৩০ হাজার প্রায়, সে এখন বেকার। 🤔রাত যায় দিন আসে ভাবন
মিরপুর জোন হইতে মানবতার সেবায় আমরা সামান্য কিছু করতে চলছি ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার আমাদেরকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
সাথী বলতে লাগল জানিস আমার তো মোংলাতে বিয়ে হয়েছে ওখানে লবন পানি তখন আমার অনেক চুল ঝরতে শুরু করে আমার এত লম্বা চুল সব ঝরে পড়ে যাচ্ছে আমি পাগলের মত হয়ে এই তেল ঐ তেল ব্যবহার শুরু করি কিন্তু কিছুতেই কিছু
নিজের সাথে কথা বলা, নিজেকে ভালোবাসা এবং সময় দেয়া, ব্যার্থতাকে শক্তি আর শিক্ষা হিসেবে নেয়া। সময়ের মূল্যায়ন করা, সময়কে সময় দিয়ে কাজে লাগানো। 🏓🏓এই গ্রুপের মাধ্যমে নিজেকে ব্র্যান্ডিং۔۔ করা নেটওয়ার্ক ব
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
"বাবা" ছোট্ট একটি শব্দ!কিন্তু এর গভীরতা বুঝানো কিংবা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের সাধারণ লিখনিতে প্রকাশ সত্যি অসম্ভব! তবু বাবা শব্দটার সাথে যেহেতু অস্তিত্বের বন্ধন আত্মার যোগাযো
আজ, আলম ভাইয়ের অপারেশন। দোয়া করি আল্লাহ ভাইকে সুস্থতা দান করুন, সেই সাথে শশুর নামের বৃদ্ধ যোদ্ধাকে আল্লাহ হেফাজত করুন❤❤ প্রোয়জনে রক্ত দানে কোন শর্ত নয় ❤ আসুন রক্ত দিয়ে একে অপরকে সাহায্য করি❤
আমার এ ঘুরে দাঁড়ানোর পিচে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের প্রিয় স্যার, তারপরে এ ফাউন্ডেশনের আমাদের জেলার লক্ষ্মীপুরের প্রিয় ভাই ও বোনদের।তাদের কাছ থেকে আমি সবসময় সাহস ও সহযোগিতা পেয়েছি এবং জীবন চলার পথকে আরো গ
আপনারা সবাই শুনে আনন্দিত হবেন যে, “৪র্থ মহাসম্মেলন ২০২২” উপলক্ষে প্রকৃতির রানী খাগড়াছড়ি জেলার সম্মানিত সকল দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের নিয়ে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি জেলার অফলাইন মিটআপ, শীতবস্ত্র বিতরণ ও আ
সেটাই আমাদের পরবর্তী কাজ করার শক্তি যুগিয়েছে৷ ফ্যামিলি সাপোর্ট পেয়েই তখন লেখাপড়ার পাশাপাশি আবার নতুন করে আবার শক্ত হাতে ধরেছিলাম ব্যবসার হাল । বাবার সকল পুরাতন কাস্টমার আর কোম্পানির মহাজনেরাই পাশে দ
মাঝে মাঝে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন পড়ে। আর অভিজ্ঞতা এমনি এমনি কেউ অর্জন করতে পারে না।তার জন্য খারাপ পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়।সেটা কিছুটা হতাশা তৈরি করে দেয় তবে তার পেছনে লুকিয়ে থাকে বিরাট একটা অভিজ্ঞতা।
সেশন গুলো পড়তে ও বুঝতে আমার এতোটাই ভালো লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এটা যেন আমার লালিত স্বপ্ন অনুযায়ী চমৎকার ও অসাধারণ ভাবে সাজানো হয়েছে। ঠিক আমি যেমনটি চাই এই সেশন গুলো আমার স্বপ্ন দিয়ে যেন একটা একটা করে বো
এ সময় আমার সাথে ছিলেন মানবিক কুষ্টিয়া জেলা এম্বাসেডর Waraqua Binta Wali ম্যাডাম। ভেড়ামারা উপজেলা আ্যম্বাসেডর Md Hazrat Ali , আরো ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও আজীবন সদস্য Masud Mortuza M
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আমি পিঠা বানাই আমার নিজের করা গুড়ি দিয়ে। ধান থেকে চাউল করে সেই চাউল থেকেই গুড়ি করি,,সব চেয়ে বড় কথা এত গুলো প্রসেসিং আমি নিজ দ্বায়িত্বে করি,,অন্য কারো মাধ্যমে ও নয়। আন্টি আমি গুড়িও সেল করি,, আপনার ইচ্ছ
মানুষের_জন্য_কাজ_করলে_জীবিকার_অভাব_হয়না -Iqbal Bahar Zahid এই শ্লোগানকে বুকে ধারন করে কুমিল্লা জেলা টিম করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং পবিত্র ঈদ উল
আমি একজন সফল উদ্যোক্তা এবং সফল মানুষ হতে পারি, বেকার যুব সমাজের মাঝে বেকারত্ব দূর করতে পারি, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি, পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
রত্নদ্বীপ পিরোজপুর জেলা, এই বার মহাসম্মেলন উপলক্ষে Iqbal Bahar Zahid স্যার এর নির্দেশনা টিকিট উৎসব পালন করলো অফলাইন মিটআপের মাধ্যমে।
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি সেখানে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ জনকে পরিচালনা করি। সারাদিন খুব ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটে। তারপরও যখনি সময় পেয়েছি। তখনি আমি গ্রুপে দিয়েছি। লাঞ্চ টাইম ১ ঘন্টা তার মধ
ধন্যবাদ জানাই আমাদের সবার প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সুন্দর একটি প্লাটফর্ম উপহার দেওয়ার জন্য।
দেখতে দেখতে ৯০ টা দিন অর্থাৎ ৩ মাস চলে গেল আমাদের কর্মশালার। প্রতিদিন আমরা কানেক্টটেড ছিলাম - এটা কিন্তু একটা বিশাল অর্জন। এবং শেষ হল টানা ১০ টি ব্যাচের ৯৩১ দিন। টানা এই ৯০ দিনের লম্বা জার্নি আপনাদের
কিন্তু তাদেরও তো ভালো -মন্দ খেতে ইচ্ছে করে!ভালো কাপড় পড়তে ইচ্ছে করে! ঘুরতে ইচ্ছে করে! আনন্দ করতে ইচ্ছে করে!🤔 but তাদের হাতে তখন টাকা থাকেনা।যে ওনারা ইচ্ছেমত খরচ করবে🤔অনেক পিতামাতা আছেন মুখ ফোটে
দু'মাস পরে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে আসি। বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করে বাড়ি আসলাম। বেশকিছুদিন পরে সকলের ভালোবাসা পেয়ে খুবই ভালো লাগছিলো আমার। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়ি যাওয়ার পর আমি অসুস্থ হয়ে পরি। যা
চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
#ঈদ মোবারক 💞 #জয়পুরহাট জেলা কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান এবং মিটাপ
অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে শেষ হলো আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা টিমের "ঈদ পূর্ণমিলনী ও মিটআপ" অনুষ্ঠান।
স্যারের সেশন পড়ে অনেক অনেক কিছু নতুন করে জানতে এবং শিখতে পাচ্ছি, মানবিক মানুষ হিসেবে কাজ করার আগ্রহ থেকে রাজশাহী ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রধান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি, সবাইকে সাথে নিয়ে।
কাস্টমারঃ আসসালামু আলাইকুম আপু। আমি একজন ব্যাচলর মানুষ। রুটি বানাতে সমস্যা হয়।এবং মাঝে মাঝে একটু নাস্তা খেতেও মন চায় কিন্তু মনমতো কোথায়ও পাচ্ছিলাম না। আপনার পেজটা দেখে আপনাকে নক করলাম।
অবশেষে ৪০ সদস্যের বিশাল বহর নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত বাইক ট্যুর ও লঞ্চ ভ্রমন সুন্দরবন।
মাগো ওরা বলে সবার কথা কেড়ে নেবে তোমার কোলে শুয়ে গল্প শুনতে দেবে না। বলো মা তাই কি হয়? তাইতো আমার দেরি হচ্ছে তোমার জন্য কথার ঝুড়ি নিয়ে তবেই না বাড়ি ফিরবো "" সেই কথা এবং ভাষার প্রশ্নে আত্মোৎসর
আজ ৫টা বছর ধরে অসুস্থ আমি। ছোট জীবনটার খুব দুর্বিষহ কিছু মুহূর্ত দেখেছি আমি। আমার জীবনের কিছু সময় আর পাঁচটা মেয়েদের মত নয়। আলাদা একটু বেশিই আলাদা। আমি আজ আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু অতীতে
সকলের উপস্থিতিতে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, ইনশাল্লাহ ১৪ জুলাই সফল ভাবে ২০০০ তম দিন পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করবো
নরসিংদী জেলায় শিশুদের সাথে ইফতার আয়োজন করে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর নরসিংদী টিম