অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর পরামর্শদাতা,যনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি।
১)নতুন বিজনেস সেন্টার তৈরি করাঃ এটা হবে আমাদের প্রথম কাজ।যেহেতু আমরা কৃষি প্রধান দেশ,উদাহরণ হিসেবে কৃষি নিয়ে বলি। আপনি নিজে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন কৃষি পণ্য আপনার হাতে কিভাবে পৌঁছে। কৃষক~ব্যাপারী(এল
বিছানায় শুয়ে আমি স্বপ্ন দেখি উদ্যোক্তা হবো। যে কিনা নিজে পারেনা কিছুই করতে, তবুও এ স্বপ্ন আমাকে ঘুমাতে দেয়না। কিভাবে হবো জানিনা।কিন্তু কাউকে তা বলতে পারিনা, বললেই তো সবাই শুনে হাসবে। এ জন্য যা করি নি
লক্ষ অর্জনে অটল নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য ও দায়িত্বশীলরা
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনসঙ্গিনী নিয়ে একটা স্বপ্ন থাকে, নিজের পছন্দ-অপছন্দের একটা বিষয় থাকে, যে তার সহধর্মিণী কেমন হবে। আমি এটা বিশ্বাস করি, যে মানুষ সৌন্দর্যের পুজারী সুন্দরের প্রতি সবার একটু লোভ থাক
নিজের_বলার_মত_একটি_গল্প_গ্রুপের_জয়পুরহাট_জেলার_৪র্থ_মিট_আপ। আলহামদুলিল্লাহ জয়পুরহাট জেলার ৪র্থ মিট আপ শেষ করে
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রমটি জয়পুরহাট জেলা সদর থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম কি জেলার সকল সদস্যবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে
আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন "" নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন "" ফাউন্ডেশনের ৫ ম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সকল কোর
এই প্লাটফর্ম থেকে পেয়েছি ৬ লক্ষ ভাই বেন। ৬৪ জেলা ও ৫৫ কান্ট্রি তে ব্রান্ডি করার সুজোগ। এগ্রো ফোরাম ভলান্টিয়ার ও ভিবিন্ন জেলায় কৃষি বিষয়ক নলেজ শেয়ারিং করার সুযোগ ও সন্মান
একটা আজব চিন্তার যুক্তি আমি কিছুতেই খুঁজে পাইনা! কিছু প্রশিক্ষণ থাকার জন্য একটা বিজনেসএর সাথে স্বল্প পরিমানে যুক্ত আছি স্টুডেন্ট অবস্হা থেকেই,তবুও আমি নিজেকে পুরো বেকার বলেই দাবি করতাম কারন, সেই কাজ
নিজের সকল দুর্বলতা প্রকাশ করে দিলাম। শুধু এই আশায় যদি কেউ ভয় ভেঙে এগিয়ে আসে। এখানে নিজেকে জাহির করা বা ঢোল পিটানো নয়। নতুন অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি তার প্রথমেই সহজ ভাবে মিশতে পারেনা। বা নার্ভাস হয়ে
ধন্যবাদ জানায় Md Rubel Ahmed Rubel ভাইকে সাতক্ষীরা জেলাকে সবসময় এভাবে সাপোট দিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
বছর খানিক পরে মেজো ভাই বিয়ে করে ব্যবসা শুরু করে। তৃতীয় ভাই প্রাইভেট চাকুরী করে।আমি তখন ছাত্র পড়ানোর পাশাপাশি একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করি। সেখান থেকে যা পেতাম তা দিয়ে আমার লেখাপড়ার খরচ, কাপড়চোপড়
আমার এই ছোট জীবনে তেমনই এক প্রাপ্তি ছিলো এই প্লাটফর্ম থেকে। আমি কখনো নিজের মনের কথা গুলো,,ভাব গুলো প্রকাশ করার মতো কোন একটা মনখোলা জায়গা পাইনি।
আমি সেই সময় রান্না ঘরের গন্ধ সহ্য করতাম না। সারাদিন না খেয়ে শুয়ে থাকতাম আর কাদতাম। নয়মাসের যুদ্ধ শেষ আমি মা হলাম হাসপাতালে রাতের দুটোয় আমার জন্য কবুতর দিয়ে ভাত যোগাড় করলো আমার শাশুড়ীর নির্দেশ। সারারা
দুবাই ২০০৯ আগস্ট এর ২৭ তারিখ আসি কাজে জয়েন্ট করি সম্পূর্ণ রৌদের মধ্যে ৩ দিনে এপেক্স এর জুতার অবস্থা খারাপ গরমে আর আমার অবস্থা শুধু কান্না করা,, চিন্তা করতাম কোথাই এসেছি এতো কষ্ট তবে বাড়িতে চলে গেল
পাওরার ভিতরে যেমন সুখ ! না পাওয়ার ভিতরে তেমন দুঃখ। মানুষ যখন অতি আনন্দে সুখের নদিতে জীবন তরী বাইতে থাকে। হটাৎ কাল বৈশাখী ঝড়ে ডুবে যায় সে তরি। সুখের সতিন হয়ে হাজির হয়ে যায় দুঃখ মানুষের জীবনে,
শিক্ষা দেওয়া হয় বিভিন্ন বেসিক নলেজ।যেমনঃউদ্যোক্তা তৈরি,বিজনেস আইডিয়া,বিজনেস ধরে রাখার মূলমন্ত্র, বিক্রি বৃদ্ধি, নেটওয়ার্ক সৃষ্টি, মা- বাবাকে ভালবাসা ও যত্ন নেওয়া,অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো,ভাল মানুষ
ঢাকা কেরানীগঞ্জ জোনের মোঃ উজ্জল হোসেন তৃতীয়বারের মতো মুমূর্ষ ব্যাক্তিকে রক্ত দান করেন আল হামদুলিল্লাহ।
একজন মেয়ে হিসেবে কত যে বাধা আসে উদ্দোক্তা হতে গেলে তা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। আমি একজন মেয়ে কতটা প্রতিবন্ধকতা মাঝে ও উদ্দোক্তা হলাম,,
জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলা উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২২ সফলভাবে সম্পূর্ণ হলো শুকরিয়া।
সম্পুর্ন হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ অনুষ্ঠান।
সেশন গুলোর যতই সামনের দিকে এগুচ্ছে ততই আরো গভীরে জেতে মন চাচ্ছে । সেই থেকে এখন পর্যন্ত লেগে আছি প্রিয় এই ফাউন্ডেশনের সাথে। প্রিয় স্যারের শিক্ষায় নিজেকে খুব তাড়াতাড় পরিবর্তন করে ফেলার চেষ্টা করেছি এবং
উদ্যমী জামালপুর 🟡 ভালোবাসায় ভরপুর 🟣 স্বপ্ন পূরণের যেতে হবে 🟢 দূর থেকে বহুদূর এই উদ্যমী স্লোগান কে সামনে রেখে উদ্যমী জামালপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত কাঙ্খিত অফলাইন মেগা মিট আপ সম্পন্ন হয়ে গেল
বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রবাস থেকে যিনি সার্বিক ভাবে সব সময় আমাদেরকে মানবিক এবং সামাজিক কাজ করার জন্য সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি কাজের সার্বিক তদারকি করে যাচ্ছেন নোয়াখালী জেলার অহংকার Abd
সকলেই মানিকগঞ্জের সাথে থ সুন্দর আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন।ছিল সম্মেলন কেন্দ্রিক আলোচনা, ও উদ্যোক্তাদের পরিচয় পর্ব ও পণ্য প্রদর্শনী। উদ্যোক্তাদের ব্রান্ডিংয়ের জন্য ছিল স্পন্সরের ব্যবস্থা যারা অংশগ্রহণ কর
আমি যখন সফল হচ্ছি না। তখন ইউটিউবে সার্চ দিয়ে আমি দেখতাম । নারীরা ঘরে বসে কি নিয়ে বিজনেস করা যায়। তখন আমি আমাদের প্রিয় স্যার"" ইকবাল বাহার জাহিদ "" স্যারের কিছু ভিডিও দেখি। 🥀🥀🥀আমি যত দেখি তত ভালো
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার Md. Iftekher Alam Mojumder ভাই এ পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীর
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে রাজশাহী জেলা টিমের মাসিক মিট-আপ।
আম কাঠালের সিজন আসলে নানী আমাকে নিয়ে নিজের গাছের আম নিয়ে আন্টির বাসায় বেড়াতে যেতেন। তখন দেখতাম অনেক দুরে যদি কোন এক পুরুষ লোক আসতো দেখতেন। ছাতিটা মেলে ধরে রাস্তার নামায় গিয়ে বসে থাকতেন। যতক্ষণ ঐ
জাতি হিসাবে এটা আমাদের কাছে কত বড় একটা পাওয়া সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আমরা বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ গুলো প্রিয় এই মাতৃভাষায় কথা বলে নিজেদের কে গর্ববোধ করি। ভাষা প্রকাশের যেই অনুভূতি যারা দেশ
সবার প্রথম ধন্যবাদ জানাই নাসরীন জাহান বাসা পুঠিয়া,থাকে ঢাকায় ধানমন্ডি, জোন এম্বাসেডর, পুঠিয়া উপজেলায় প্রথমবারের মত রাজশাহী জেলা থেকে গিয়েছি আমরা তাই সে নিজে থেকে মিটআপ টি সম্পন্ন করেছে।
তখন ও সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল আমাদের কিশোরগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনীতে লোক নিবে। তখন আমি আমাদের পাশের এলাকার একজন মেজর সাহেবের সাথে দেখা করি উনি বলেছেন সমস্যা নাই তুমি মাঠে যাউ আমি তোমার সব দেখব । ভাগ্য না থাক
কোন কিছু শুরু করলে সেটার পিছনে অনাবরত লেগে থাকতে হয়। আমি যদি হাল ছেড়ে দিয়ে চলে যেতাম তাহলে হয়তো এটা সম্ভব হতো না। আজ আপ্রাণ চেষ্টা পর যে পথটা আমি খুজে বের করলাম তা হয়তো জীবনে বেঁচে থাকতে আর কখনো ভুলবো
২১) এই নারায়ণগঞ্জ এর কৃতিসন্তান যারা:জ্যোতি বসু,কে এম শফিউল্লাহ,মোনেম মুন্না,পারভিন সুলতানা দিতি,আতাহার আলি খান,গ্রান্ড মাস্টার রাকিব, একে এম সামিম উসমান এবং সেলিনা হায়াত আইভি ২২)বাংলাদেশের প্রথম রপ
প্রিয় হবু শাশুড়ী আম্মা, ভালোবাসা ও সালাম নেবেন, কেমন আছেন জিজ্ঞেস করবো না,কারণ এ বয়সে এসে এত চাপ নিয়ে কারোরই ভালো থাকার কথা নয়,সেটা আমার জানা আছে।আর সত্যি বলতে আমি আপনার ব্যাপারে একটু বেশীই জানি। তাই
#২৫শে_ফেব্রুয়ারি_২০২২ তারিখে কুয়েত টিম রক্তদান কর্মসূচীটি সকলের সহযোগিতায় সকলের অংশ গ্রহণ করে তা সুন্দর ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমরা ঘুম থেকে উঠার পর থেকে আবার ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত, প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিয়ে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং খুবই ঝুঁকিপূর্ণ জীবন যাপন করছি। আমি এখানে নিছে একটি পিক দিয়েছি। যেখানে ছোট বড় সকল পাতা গুলো পড়ে শুক
জীবনের সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টায়ই শক্তিমান মানুষকে দূর্বলদের মধ্যে থেকে আলাদা করে। তার একমাত্র উদাহরণ হলেন আমাদের প্রিয় মেন্টর। স্যারের কাছ থেকেই শি
তুমি তো মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর রান্না করতে পারো। তাহলে খাবার আইটেম নিয়ে কাজ শুরু করতে পারো।আমি কথাটা তেমন গুরুত্ব দিলাম না। আবার বললো তোমার রান্না একবার কেউ খেলে দেখবে সে সত্যি আবার খেতে চাইবে।
আমি উদ্যোক্তা হই বা ব্যবসায়ী যেটাই হয় না কেন, কোনদিন কোন মানুষকে ঠকাবো না, কখনো কাউকে কোন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিব না, কখনো কারো কোন ক্ষতি সাধন করব না, কাউকে কখনো কোন খারাপ পণ্য দিব না,
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল ৯ জানুয়ারি ২০২১ মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে। আমরা সবাই টিকিটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ♦ভিশন - উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২♦ কে সামনে রেখে অতন্দ্র গাজীপুর জেলা কর্তৃক ঘোষিত ৬০ দিন ব্যাপী কর্ম পরিকল্পনার তৃতীয় পর্ব গোল্ড
এই বছরে ৮০০ জন অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে পটুয়াখালী জেলা সহ সকল উপজেলায়।
মিট আপে অংশগ্রহণ করুন। নিজেকে ও নিজের পণ্যকে ব্র্যান্ডিং করুন। ফাউন্ডেশনের একে অন্যের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন। আর এভাবেই একে অন্যের সাথে পরিচিত হবার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত