কারো অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানে নাহ; বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত। ডিভোর্সি মেয়েরা মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়।মেয়েরা জীবনের পদে পদে ভেঙে
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
May 1, 2019 · আজ মে দিবসেও প্রখর রোদে যে সব শ্রমিক ও রিকশাওায়ালা ভাই ও বোনরা রাস্তায় কাজ করছে তাঁদের জন্য "আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প এর সামাজিক কাজের অংশ"। ধন্যবাদ Lokman Hossain ভাই যাকে আমি শ
এখন আমি কথা বলতে পারি আমার ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনাকে কে জাগিয়ে তুলতে পেরেছি
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
চাঁদপুর জেলা টিমের চুপিচুপি ঈদের ভালোবাসা বিতরণ
প্রতিটা মা বাবার সপ্ন থাকে, সন্তান কে লেখা পরা করিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতো করে ভালো চাকরি অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ারি ইত্যাদি আরো কতো কি বানাবে। কিন্তু আমাকে নিয়া তেমন কোন সপ্ন রচনা হয়েছিলো কিনা জানতাম
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
লালবাগ জোনে হয়ে গেলো এক ঐতিহাসিক মেগা মিটাপ। অসাধারণ একটা দিন কাটল সকলের।
নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন গাইবান্ধা জেলার ঈদ পূর্ণ মিলোনি ও নবীন উপজেলা এম্বাসেডর বরন উপলক্ষে
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর হবিগঞ্জ জেলা টিম এর ৪০০তম সেশন চর্চা উপলক্ষে মিটআপ🥰💟
আমি আনুভব করতে থাকলাম আমার ভিতর থেকে সমস্ত নেগেটিভ দিক গুলো বিদায় নিচ্চে।
৫ মিনিট সময় নিয়ে। আচ্ছা বন্ধু এটা হলো একটা প্লাটফর্ম মানী গুরু এখানে ভালো মানুষের হবার চচায় হয় উদ্যেক্তা হবার জন্য কিছু ইস্কিল শিখানে হয় আরো কত কিছু আছে তুমি যদি যুক্ত হয়তে চাও তাহলে আমি ত
আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
প্রথমে আমার চাকরি হয় মালদ্বীপ একটি প্রাইভেট কম্পানি তে,যার নাম niayz pvt.Limited যার বেশিরভাগ কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান। যারা অনেকেই বাংলাদেশি ভালো চুখে দেখতনা,তারা চাইত না বাংলাদেশি রা ভালো কিছু করুক। তা
আলহামদুলিল্লাহ কাল রক্ত দান করলাম ৭ম ব্যাচের সমাপনী উপলক্ষে,,, Iqbal Bahar Zahid স্যারের কাছ থেকে শেখা, মানুষের জন্য কাজ করা।অনেক ভালো লাগে মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে।
জীবনের গল্পে সব থাকতে হয়, তবেই জীবন সুন্দর হয়,জীবনের গল্প কখনো শুধুমাত্র ব্যাবসা সফলের কিছু বাক্যে রচিত হয় না, রচিত হয় জীবনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য তিক্ত অভিজ্ঞতা, দু চারটি প্রাপ্তি আর বুক ভরা স্বপ্ন আশা নি
আলহামদুলিল্লাহ ইতিমধ্যেই আমি কৃষি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি । একজন কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিরাপদ খাদ্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই । আমি এগ্রো ফোরামের সদস্য হয়েছি। এবার একটা ভিশন ও মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
হাটি হাটি পা করে দুই বছর পর্যন্ত চলার পর কোম্পানিকে লিমিটেড রেজিস্ট্রেশন করে নেই। কোম্পানি তৃতীয় বছরের শেষ দিকে তিনজন পার্টনার নেই ব্যবসাকে বাড়ানোর জন্য।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদের জম্মদিন উপলক্ষে এন.আর.বি – কাতার এর জন্মদিন পালন এবং সম্পর্ক উন্নয়ন মিট-আপ পর্ব সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে।
আমার মনে আছে, আমার জীবনের প্রথম কাজ ছিল সেলসম্যান হিসেবে। ১০ টাকার জন্য ও বহুদূর পায়ে হেঁটে কাজ করতে গিয়েছি, গাড়িতে না উঠে। ভাবতাম ১০টাকা ও অনেক কিছু। আসলে ওই সময়টাতে ১ টাকা ও কোটি টাকা ছিল আমার ক
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহু আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তিনি এখনো আমাকে পৃথিবীর স্বাদ গ্রহণ করার তৌফিক দান করেছেন। তবে মানসিক দিক দিয়ে আ
দীর্ঘ ৩ মাস পর ঝড়ে পড়া নক্ষত্র থেকে নিজের সাথে নিজের ঘর্ষনে দেড় বছর পর স্বস্তি ফিরে পেলাম। আল্লাহর রহমত আর আম্মুর দোয়া নামাজ আমাদের সহায় হয়। এরপর আল্লাহ অশেষ রহমতে আবার স্যারকে ফলো করা শুরু করি এব
সাড়ে ৬ লাখ তরুণদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালার টানা দুই হাজারতম দিনের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের ‘নিজের বলার মতো একটা গল্প’ ফাউন্ডেশন (এনবিএমইজিএফ)। অদম্য দেশপ্রেমী ইকবাল বাহার জাহিদ বেকার তরুণদের
দীর্ঘদিনের বিরতির অবসান ঘটিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ এক মিট আপ সম্পন্ন হলো শেরপুর জেলার সকল স্বপ্ন বাজ তরুন তরুণীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে
নারীর মর্যাদা ও সম্মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন একটা মেয়ে জন্মগতভাবে তার পরিবারের কাছ থেকে সম্মানিত হবে
কিছুদিন মধ্যে পেয়ে গেলাম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের " খুজ। ফেসবুকে স্যারে একটা ভিডিও দেখলাম- স্যার বলছেন, প্রবাসীরা হচ্ছে বাংলাদেশের অক্সিজেন। প্রচন্ড ভালো লাগলো কথাটা -দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ন
একদিন শবে বরাতের দিন রাতে বাবা ঢাকায় আসে। আমার বোনদের কাছে একটা কাগজ মোড়ানো কিছু একটা দেয়। আপু জিজ্ঞেস করলে বাবা বলে টাকা আছে। আমি খুলে দেখে সকল কিছু কাগজ কোনো টাকা নাই। পরে বুঝতে বাকি রইলো না যে আব্
🌹Entrepreneurship নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্দ্যোক্তা তৈরী কেন্দ্র🌹 এর অতন্দ্র গাজীপুর জেলা আয়োজিত ৩য় বার্ষিক বনভোজন ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার ২০২২ বৃন্দাবন রিসোর্ট শ্রীপুর গাজীপুর।
হাজব্যান্ড এর পরিবার নিয়ে টেনশন না হলেও টেনশনে পরে গেলাম মা ও নানীকে নিয়ে কিভাবে কি হবে কিছু বুঝতে পারছিলাম না তখন হঠাৎ করেই ফেসবুকিং করতে করতে ""নিজের বলার মতো একটা গল্প"" গ্রুপের দেখা পেলাম তখন গ্
সে দিন তরুণ সমাজের যারা জীবন সাগরের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে তাঁদের টেনে তুলবো। বলবো বাঁচতেই হবে। কোনো ভুল মানুষ, কোনো তুচ্ছ ভালোবাসা, কোনো তুচ্ছ কারণে এই মূল্যবান জীবনটাকে হারিয়ে ফেলা যাবে না৷ সবাই দ
হ্যাঁ সিদ্ধান্তটা সাথে সাথেই হুট করে নিয়ে নিলাম। কারণ আমার সই ছিলো পুরান ঢাকার মেয়ে, সে হিসেবে ওর চেনা জানা কিছু কাপড়ের দোকান ছিলো। পুরান ঢাকার কাপড়ের ব্যাপারে অনেক শুনেছি, যখন বাটিকের কাজ শিখলাম।
একটা সময় আমার কিছু স্বপ্ন ছিলো। ঠিক কখন ওরা একটা একটা করে হারাতে শুরু করলো, তা আমি খেয়াল করিনি। হয়তো একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেছি, দেখি একটা স্বপ্ন আর নাই। তখন অতো গুরুত্ব দেইনি। চিরচেনা রাস্তাটা ধরে হাঁ
উক্ত মিট আপকে সফল করতে গাজীপুর জেলার সকল জোনের সকল সম্মানিত সদস্য উদ্দ্যোক্তা ও ভলেন্টিয়ারগনের স্ববান্ধন উপস্থিতি কামনা করছি।
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে আমরা নিজেরাই এ কাজে ভলেন্টিয়ারিং করেছি। একেক জনের কাছে কম্বল পৌছে দিয়ে তাদের অনুভূতি শুনেছি। এটা একটা অন্য লেভেলের ভালো লাগা।
হৃদয় উজার করে উৎসর্গ করছি ,হৃদয়ের ধ্বনি, চোখের মনি, প্রাণের স্পন্দন, আত্মারে প্রিয় ব্যক্তি, লাখো তরুন-তরুনীর স্বপ্ন ও আলোর দিশারী, যার প্রতিভার পরশ কাঠির ছোঁয়ায় দেশ জাতি ও তরুণ প্রজন্ম প্রজ্বলিত
আমি নিজে ঘর সাজানোর জন্য হরেক ডিজাইনের জিনিস তৈরী করি আমার বাসায় আমার হাজবেন্ডের কলিক আমার হাতের কাজের জিনিস দেখে আমাকে উৎসাহিত করে
মনি করি, গ্রুপ সংখ্যা J, A, K আজ J তে একটা পোস্ট দেখে ঝাপিয়ে পড়লাম সারাদিন সে পোস্টের লাইক কমেন্ট এ সময় দিলাম, রেজাল্ট আউট হওয়ার আগেই গ্রুপ A তে একটা দারুন তথ্য বহুল পোস্ট পেলাম আবার A তে ঝাপিয়ে পরলাম
বড় ছেলে যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় বা বয়স হল তখন স্কুলে ভর্তি হল এই শর্তে যে সংসার থেকে এক টাকা খরচ দিবে না ও উনার সাথে ক্ষেতে খামারে কাজ করতে হবে। একটা সময় সব ছেলে মেয়েকে স্কুলে ভতি করাতে সক্ষম হন। ম
আমার সেই বিশ্বাস আছে। তাছাড়া এই টুকু ঝুঁকি তো তোমাকে নিতেই হবে, তা না শিখবে কি করে। ছেলের এমন কথা শুনে এবার আর আবেগে ভেসে গেলাম না। মনে অনেক শক্তি নিয়ে বললামঃ বাবা আমি তোমার টাকা নেবো বাবা নেবো।আম
চারিদিকে সবাই যখন বলছে বাঁচবোনা বাঁচবো না, কথাটা আমিও মেনে নিলাম। হাল ছেড়ে দিলাম বেঁচে থাকার। পৃথিবী থেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। অপেক্ষা শুধু কখন বিদায়ের ঘন্টা বাজবে।
"কলা আর পান ঝিনাইদহের প্রাণ " আজ বিকাল ৪ টা থেকে ঝিনাইদহ শহরের পৌর ইকোপার্ক দেবদারু এভিনিউ নবগঙ্গা নদী পাড়ে- "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান " ঝিনাইদহ জেলা টিমের অফ
বার মার্কেটে সুনাম আছে উনি সৎ নিষ্ঠাবান পরিশ্রমী বিনয়ী একজন ভালো মানুষ ছিলেন। সেই সুবাদে বাবাকে পাইকারি দোকানদাররা দোকানে পাইকারি পন্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আস্তে আস্তে ব্যবসা বড় হয়। কিন্তু লাভ দেখা যায়
উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মহোদয় এবং প্রিয় মডারেটর #হাসিবুল_হাসান ভাই সহ অনেক উপজেলা প্রতিনিধি মহদয়❤️ এবং আমাদের পটুয়াখালী জেলায় এবং আশেপাশের উপজেলার সকল ভলান্টিয়ার ভাই ও বোনেরা।
পাওরার ভিতরে যেমন সুখ ! না পাওয়ার ভিতরে তেমন দুঃখ। মানুষ যখন অতি আনন্দে সুখের নদিতে জীবন তরী বাইতে থাকে। হটাৎ কাল বৈশাখী ঝড়ে ডুবে যায় সে তরি। সুখের সতিন হয়ে হাজির হয়ে যায় দুঃখ মানুষের জীবনে,
মা, বলে ছোট বেলা আমাকে নিয়ে বাহিরে গেলে কোনো ভিক্ষুক যদি টাকা ভিক্ষে চাইতো, তখন মা, বাবা, ভাই, বোন, বড়রা যারাই সংগে থাকতো, তাদের, বাইনা করতাম, ভিক্ষুক কে টাকা দেওয়ার জন্য। আর বাড়িতে কোনো ভিক্ষুক আস
দূরন্ত রাজশাহী জেলা টিমের ফিজিক্যাল মাসিক মিটআপ আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর ভাবেই সমাপ্তি হয়েছে।