আমার এই প্রিয় মাতৃভূমির রক্তার্জিত স্বাধীনতার আজ ৫১ বছর।প্রিয় ফাউন্ডেশনের সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে সবার আদরের ছিলাম।বড় হওয়ার পর থেকে বাবা প্রবাস।তাই অভাব চোখে দেখি নাই।যখন যা চেয়েছি তখন তাই পেতাম।স্বপ্ন বলতে পড়া লেখা আর ভালো চাকরি ছাড়া কিছু দেখতাম না।
কোন কিছু শুরু করলে সেটার পিছনে অনাবরত লেগে থাকতে হয়। আমি যদি হাল ছেড়ে দিয়ে চলে যেতাম তাহলে হয়তো এটা সম্ভব হতো না। আজ আপ্রাণ চেষ্টা পর যে পথটা আমি খুজে বের করলাম তা হয়তো জীবনে বেঁচে থাকতে আর কখনো ভুলবো
সমাজ যখন হাটবারে মেয়েদের নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো বর্তমান আধুনিক জীবনে মেয়েরা ঘরে বসে বিশাল এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে আবার ঘুড়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছে।দোয়া রইলো সব স্বপ্নবাজদের জন্য। দোয়া করি প্রিয় স্যারের জন
আমার ছেলের বয়স যখন ১৪ দিন তখন আমাকে টাকার খোজ করতে বের হতে হয়।প্রতিদিন কিস্তির স্যারেরা৪জন ৫জন করে বাড়িতে আসতে থাকে। বলে যেখান থেকে পারেন টাকা নিয়া আসেন আমরা বসে রইলাম। আমি টাকার খোজে চলে গেছি আমার শ
অভয়নগর উপজেলা একটি মডেল উপজেলা। এই উপজেলা কে মডেল মেনেই অন্যান্য উপজেলা এগিয়ে যাবে
বাবাকে দেখেছি মায়ের সংসারের কাজে হাত লাগাতেন।শুক্রবার গুলোতে মা কে ছুটি দিয়ে বাবা নিজে হাতে রান্না করতেন।বাবাকে আমি কখনও দেখিনি কারো সাথে তর্কে যেতে। আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।
আজ রংপুর শীতার্থ মানুষের মাঝে মানবতার কল্যাণে কম্বল বিতরন শুরু করেছি।
উদ্যোক্তা তৈরির প্রতিষ্ঠান এর ২০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে নিঝুম দ্বীপের দেশ নোয়াখালী জেলার আয়োজন 🌹🌹
প্লাস্টিক বা কাচের বোতলের চাইতে মাটির পাত্রে পানি রাখা উপকারী। মাটির কলসে পানি সংরক্ষণ করার বিষয়টা এখন খুব একটা চোখে পড়ে না। বরং প্লাস্টিক বা কাচের বোতল বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে মাটির পাত্রে খাবার পান
সফল ভাবে সম্পন্ন হলো আমাদের ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলা টিমের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে অসহায়-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ॥
শত ব্যার্থতার পরও আমি এর শেষ দেখতে চেয়েছিলাম। জীবনে অনেক কিছুই তো করেছি। কিন্তু উদ্দোক্তা জীবনে নিজেকে মৌ খামারি হিসেবে পরিচয় দিতেই গর্ব বোধ করি।কারণ একজন পেশাদার মৌ -খামারী হয়ে ওঠা আমার জন্য অতটা সহ
ইউনিক দুবাই টিমের সম্মেলন পরবর্তী অফ লাইন মিট আপ।
গল্পে গল্পে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে প্রচুর কাজ। কোরবানিটা এবার নিজের হাতে করবেন তিনি। জহির কে বিদায় দিয়ে গ্রামের পথ ধরে বাড়ির দিকে যেতে যেতে ভাবছেন কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণীরা এখন উদ্যোক্তা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত এই জেলাটিকে কখনাে নবাবগঞ্জ এবং চাঁপাই নামেও ডাকা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী ।
কুড়িগ্রাম জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে ১০০০ তম দিন উদযাপন
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
"চাকরি করবো না চাকরি দিবো" এই মূল মন্ত্রকে ধারণ করে ২০১৮ সালে শুরু হয় এই ফাউন্ডেশনের যাত্রা। বর্তমানে এই ফাউন্ডেশনের সদস্য সংখ্যা সাড়ে ছয় লক্ষেরও বেশি। এবছর ২২ উদ্যোক্তাদের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্ব
এখান আমি সত্যি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী আর পিছনে ফিরে তাকাবো না কখনো।। 🌺এখন আমি সত্যিই অনেক বেশি সাহসী কোন অতীত আমাকে আর একটু দুর্বল করতে পারে না। 🌺 এখন আমি সত্যি অনেক বেশি চঞ্চল যাইহোক না বেঁচে থাকা
ভলান্টিয়ারিং করতে যেয়ে কিছু কিছু মানুষের সাথে এমনভাবে মিশে গেছি যে, এই ফাউন্ডেশন এখন আমার আরেকটি পরিবার হয়ে গেছে মনের অজান্তেই।
আমরা নারী- আমরা সব পারি….. নারী শব্দের আভিধানিক অর্থ যতটা গভীর বরং তার চাইতেও বড় তার দায়িত্ব। নিজের সংসার জীবনের সব ঠিক রেখে ফাউন্ডেশনের প্রতি সেশনে যুক্ত হয়ে স্যারের শিক্ষা বুকে ধারন করে পথ চলমান।
৫ ই মার্চ ১৯ মঙ্গলবার "নিজের বলার মত একটা গল্প " এর সদস্য দের নিয়ে "জয়নুল আবেদীন পার্ক- ময়মনসিংহ " এ একটি বৈঠকের করা হয়েছে। ময়মনসিংহে অবস্থিত সকল সদস্যদের উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মিটআপ এ বিভিন্ন
প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার জেলার সকল সদস্য এবং দায়িত্বশীল ভাই- বোনদের পক্ষে থেকে আপনাকে জান্নাচ্ছি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক,,
এখানে সকলেই পজেটিভ মানুষ প্রতিদিন দেখছি নতুন নতুন স্বপ্ন। মনে পড়ে গেল স্যারের স্লোগানের কথা, সময় নিন সময় দিন সময় বদলে দেবে সবকিছু।
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
রক্তের অভাবে যেন না হারায় কোন প্রাণ জীবন বাঁচাতে এসো করি রক্ত দান । " "স্বেচ্ছায় করবো রক্ত দান হাসবে রোগী, বাঁচবে প্রাণ । " আলহামদুলিল্লাহ ১৩ তম বার লাল ভালোবাসা দান করলাম
মিটআপে গোপালগঞ্জ জেলাকে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আমাদের গ্রুপের কিভাবে প্রচার এবং প্রসার করা যায় এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও আইডিয়া সেয়ারিং আলোচনা, "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন
নরসিংদী জেলা টিমের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভকামনা এতো সুন্দর একটা অনুষ্ঠান আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।
রমজান উপলক্ষে আমরা মানবিক নেত্রকোনা জেলা সবাই "মানবতার ঝুড়ি" তে ১০০ টাকার পণ্য (আধা কেজি করে চাল, ডাল, সব্জি) পণ্য দিবো ইনশাল্লাহ - সারা দেশের সব জেলা উপজেলা ও প্রবাস থেকে সবাই, "ভালোবাসা বিলাই"।
খুবি ভালো সুন্দর আয়োজন ছিলো ধন্যবাদ জানাই নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের নওগাঁ জেলা শাখার সদস্যদের তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তুলনাহীন ভাবে আয়োজন সফল হয়েছে.
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
যেখানে নিজের ভবিষ্যতটাই অনিশ্চিত, সেখানে নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায় দিশেহারা। তাই যেকোন উপায়ে পরিবারের জন্য টাকার ব্যবস্থা করে পাঠাতে পারলেই মহাখুশি।
আলাহামদুলিল্লাহ সুন্দর ও সাবলীলভাবে সম্পন্ন হলো ফেনী সদর উপজেলার মেম্বাদের নিয়ে প্রথম অফলাইন মিট আপ।উক্ত মিট আপে উপস্থিত হয়ে অলংকৃত করেছেন যারা কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর ইকবাল হোসেন, ফেনী জেলা এম্বাসেড
🏚 বিসমিল্লাহির রহমানুর রাহিম। 🏚 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ========®®®®®®®®======== সকল প্রশংসা মহান রব্বুল আলামীনের জন্য, শান্তি বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর উপর।
দেন একসপ্তা আগের ঘটনা, আমার বন্ধু শফিকের সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের দিই তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। আমার বন্ধু বাড়ি কিশোরগঞ্জ ও থাক তো ঢাকাতে আমিও তখন ঢাকাতে থাকতাম দুজনেই একি কোম্পানিতে জব করতাম।
জীবন হয়তো জীবনের মতো চলে যায়। দুঃখের পর সুখ ও আসে, কিন্তু সময় গুলো কতটা কঠিন হয় এটা হয়তো শুধু সেই পথিক ই জানে।
আমি ব্যবসায়ী নই, তবে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার চর্চা করছি। আমার সদাইপাতি এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভোর ফ্যাশন এই বন্ধি। নানা রং এর কাস্টমার সামাল দিতে হচ্ছে আমাকেই। সে এক ব্যস্ততায় দিন যায় আমার। এর ফাঁকে
আমার মা একজন সং ও ভালো মনের মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কোন দিন কারো ক্ষতি করতে দেখেনি সব সময় সত্য কথা বলে উচিত কথা কখনো কারোরে ছাড়েনা তবে আমার মা পাড়া প্রতিবেশী খুব ভালো বাসতো এবং যাদের খাবার
চিন্তায় পেড়েছি এখন কি যে করি,স্বপ্ন টা চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাবে মন খারাপ হয়ে গেল নিজে নিজে ভাবছি পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কি করে নিয়ে যেই পরিবারে জন্য এতো ত্যাগ করলাম সেই পরিবার যখন বুঝলো না তখন অশা
সবাই বলেছিল আমি বাঁচবো না আমিও হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম যে আমি বাঁচবো না প্রাই বিশ দিন পর আমি চোখ মেলে তাকাই। তখন আমার ছেলে আর আমার মা কথা মনে হয় ডাক্তার তখন বলেছিল না এখন আমি ঠিক। এক মাস ঢাকা হাই কেয়া
নিজের_বালার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশনের_পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দেগে_বৃক্ষ_রপোন_কর্মসূচি_২০২১ইং
কষ্টের কাজ হঠাৎ একদিন বালু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় ছোট গাড়ি সৌদি আরবে যাকে আরাবী বলে এক চাকার এত লোক ছিল আমি কন্ট্রোল করতে না পারার কারণে আমার পায়ের উপর পড়ে যায় এবং অনেক ফুলে যায
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমি নিজে নিজেকে অনেক বেশী ভালোবাসতে শিখেছি,,, আমার চারপাশের সবাইকে ভালোবাসতে গিয়ে সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে গিয়ে কখনো নিজেকে কোন কোয়ালিটি টাইম দিই নি। এই ফাউন
নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়বো। নিজেকে ভালোবাসুন। পরিবারকে ভালোবাসুন। বাবা মা'কে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলেও কিভাবে নতুন করে বাঁচা যায়। অন্যের দয়ায় বেঁচে না থেকে কিভাবে আত্মসম্মান নিয়
#২৫শে_ফেব্রুয়ারি_২০২২ তারিখে কুয়েত টিম রক্তদান কর্মসূচীটি সকলের সহযোগিতায় সকলের অংশ গ্রহণ করে তা সুন্দর ভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এই তো মাত্র ৫ বছরের হইলো,চাইছিলাম স্কুলে ভওি করায় দিতে।কিন্তু টেহার যোগারযন্ত কইওে পারি লাই বইল্যা আর হইয়া উঠে লাই।এইবার টেহা জমায়তাছি।সামনের বছর করাই দিমু।তহন আমার মাইয়াটাও ইসকুলে যাইবো।লেহাপরা শিকবো
লক্ষ একটাই ছিলো কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। কারণ পরিবার এর বড় ছেলে ছিলাম, অনেক কষ্ট করে আমার মা আমাকে বড় করেছেন