স্কুলের বদলে যেতে হয়েছে গারমেন্টসে। যখন আমার বয়স আনুমানিক 13 বছর তখন থেকে আমার গারমেন্টসে কর্ম জীবন শুরু প্রথম মাসের বেতন 850 টাকা দিয়ে জীবন যাত্রা শুরু করলাম। প্রথম দিন অন্যের জামা পরে
এই গ্রুপ থেকে যেই পরিমান ভালবাসা পেয়েছি,তার বিনিময়ে আমি কিছুই দিতে পারি নি।।আমি কৃতজ্ঞ আমাদের এক লক্ষ ভাই বোনের কাছে।। আমি কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের কাছে।।যেই ভালবাসা স্যার আমাকে দেখিয়েছ
ঈদ পুনর্মিলনী মিটআপ এবং ২০০০ তম দিন উৎযাপনকে কেন্দ্র করে বিশেষ আলোচনা।
ছোট বেলা থেকে ই স্বপ্নে দেখছি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করবো। দেশে ও জাতীয় উন্নয়নে আমার শিক্ষা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সেবায় কাজ করবো। তার জন্য ছাত্র জীবনে অনেক অরাজনৈতিক সংগঠনও গঠন করে থ
ভালোবাসা বিলাই কার্যক্রম এর সামান্য প্রচেষ্টায় কয়েকটি পরিবার কে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি
বাংলাদেশের প্রানিজ আমিষের চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রে গরু,মহিষের পরে ছাগলের ভুমিকা অপরসীম।ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।কারন মনে করেন এখন একটি সমস্যা দেখা দিল আপনার ৩০০০/৪০০০টাকার খুব প্রয়োজন আপনি ইচ্ছে করল
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন - উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র এর উদ্যমী জামালপুর জেলার গাজীপুরের আশেপাশে মেম্বারদের নিয়ে ফিজিক্যাল মিট আপ।
এতো কিছুর মাঝে অপূর্ণতা অনুভব করেছি প্রতি নিশ্বাসে। কাজের সময় নষ্ট করেছি অকাজে অনলাইনে অপ্রয়োজনে। আর সেখানেই নিজেকে এগিয়ে যাওয়ার উৎস নিজেকে আবিস্কার করার মন্ত্র খুঁজে পেয়েছি। 💞নিজে বলার মত একটা গল্প
একটা বাচ্চা শিশু কিন্তু অনেক দূরন্ত আর চঞ্চল থাকে, সেটা হতে পারে,বাঘের বাচ্চা বা যেকোনো পশুর বাচ্চা তো, সেই ছোট হাতি কে যখন মানুষ কন্ট্রোল করতে চায় তখন দূরন্ত বাচ্চা হাতিটাকে আটকে রেখে, পোষ মানাতে
আমি প্রত্যন্ত অঞ্চল কুড়িগ্রাম জেলার মেয়ে। ছোটবেলা থেকে খুব জেদী,রাগি আর খুব চঞ্চল ছিলাম। যখন যাই চাইতাম তখন সেটাই লাগতো এমন অবস্থা ছিল।এরজন্য আমার মায়ের কাছে কম মাইর ঝাটুর বাড়ি খাই নি।
আজ আমি এমন একটা লোকের জীবনের গল্প বলবো যার জীবনে কোন সফলতা নেই। ব্যর্থতায় জর্জরিত। তিনি ছিলেন বদমেজাজি একজন মানুষ, ছোট বেলা থেকে তার লেখা পড়ার ব্রেইন অনেক ভালো ছিলো, ক্লাসে কখনো ফাকি দিতেন না।
আসলে সম্মান জিনিসটা অর্জন করতে হয় টাকা দিয়ে কেনা যায় না ❤️ আমার বাবার দোকানটা ছিল তার বড় ভাইয়ের সাথে। যদিও শুধু নামটাই তার বড় ভাইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টাকা,কাজকর্ম সব কিছুই আমার বাবার ছিল
একটি বৃদ্ধাশ্রমে নিজ জন্মদিনে কিছু সময় প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার
শূন্য হয়ে আসার জন্য আমার ভিতরটাও চৌচির হয়ে যাচ্ছিল। আমি বোনকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেই। 😭 আমার মা আমাকে দেখে যেনো প্রান ফিরে পায় আমি আর আমার মা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করি,
কেউ যদি সারাক্ষণ ভাবে যে সে ব্যর্থ হবে, তবে সে যত ভালো অবস্থাতেই থাকুক না কেন সে ব্যর্থ হবেই। কারণ, তখন তার কাছে কোনো সামান্য বাঁধাকেই ব্যর্থতার একটা অংশ বলে মনে হবে। আবার আপনার বিশ্বাস যদি হয় যতোই প্
তার কিছুদিন আগে ঘরে বসে ভাবছিলাম কিভাবে সেল করব। খুব টেনশনে ছিলাম কিন্তু সেই সময় আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের অভিভাবক আমাদের জন্য ৭ দিনের দারুণ একটি সুযোগ নিয়ে আসলেন। যেখানে আমরা ঘরে বসেই নিশ্চিন্তে আ
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়েছে অতন্দ্র গাজীপুরের মিটআপ
যখন আমি চাকরি পেয়েও হতাশায় ছিলাম তখন আমি ২জন মানুষকে পাশে পেয়েছি মা ও বাবাকে। মা ও বাবা আমাকে বলছিলো চেষ্টা চালিয়ে যেতে সফল একজন উদ্দোক্তা হতে পারবো। তাদের দোয়ায় কিছুটা বিলম্বে হলেও আমি সাফল্যের মুখ দ
”তৃতীয় ব্যাচ” ৯০ দিন, সমাপনী দিনটি উদযাপন উপলক্ষে ইকবাল বাহার স্যারের অনুপ্রেরনায়… একজন অসহায় মানুষকে খাওয়ানো সহ একটি গাছ লাগিয়েছি ।
একজন নারীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় অনেক কঠিন। চাকরি খেকে উদ্যোক্তা জীবন। বাবার বাড়ী থেকে স্বামীর সংসার সব স্থান ই পরাধিনতা। একজন নারী চাইলে ই পারে না একজন পুরুষের মত উদ্যোক্তা হতে।
ধরনের ব্যবসা করলে সফল হওয়া যাবে এবং কি কি বৈশিষ্ট একজন সফল উদ্যোক্তার থাকা প্রয়োজন সবকিছু জানার চেষ্টা করছি।স্যারের দেখানো পথে আমি হাটতে চাই,আমি শিখতে চাই , সৎ থেকে অর্জন করতে চাই।আমার সাহস আছে এবং ম
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
স্যারের সেই কথাটা চিন্তা করেই এখনো যাওয়া হয়নি। স্যারের সেশন থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন নিজের স্বপ্নের ব্যবসা দাড় করাতে পারি এবং নিজের বলার মতো একটা গল্প তৈরি করতে পারি। আর সেই দিন হয়তো প্রবাস জীবনের অবসান ঘ
এই সুন্দর একটা পথে চলার জন্য আমাকে বার বার বলা হচ্ছিলো,,, দিন রাত সব সময় আমাকে বলতে ছিলো একবার সময় করে এই নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে নিজেকে পেজেন্ট করো। ধর্য্য সহকারে একটু অন্যর জীবন কাহিনি
আলহামদুলিল্লাহ আজকে সফলভাবে সম্পর্ন হয়ে গেলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার সংগ্রামী সদর উপজেলার টিকেট সেলিং মেলা এবং মহা-সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক মিটআপ।
সারারাত সি সি ইউ আই সি ইউ তে নাইট ডিউটি করে মর্নিং শিফটে ক্লাস করতে যেতাম। খুবই কষ্ট হতো তবুও ইচ্ছা শক্তি ছিল আমাকে পাড়তে হবে। চালিয়ে গেলাম। কিন্তু বড় ভাই রাগ ছিল শুরু থেকে তাই খরচ দিত না।
অতি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ ১১ই মার্চ ২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত "নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপ এর নাটোর জেলার" একটি চমৎকার অফলাইন মাসিক মিটআপ সম্পন্ন হয়েছে।
হ্যাঁ এটাই ভালো বাসার প্লাটফর্ম। মানুষ মানুষের জন্য। একটু কি সহন ভূতি কি পেতে পারেনা। প্রিয় মেন্টর শিক্ষা মানুষের উপকার করবো ইনশাআল্লাহ। আজ জীবনের প্রথম বার আমার মায়ের মতন চাচিকে রক্ত দান করলাম। পোষ্ট
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি, ক্লাস ফাইভ পাস করেছি কিভাবে মনে নেই। এক দিন আমার প্রতিবেশী সম্পর্কের এক মামা নাম তার জসিম আমাকে বললো_ - ভাগিনা কালেঙ্গা প্রাইমারি স্কুলতো পাশ করলা এখন মিরাশী হাই স্কুলে পড়ো।
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
আজকের প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণভাবে বেতিক্রম ছিল। আমাদের প্লাটফর্ম উদ্যোক্তা ভাই-বোনরা তাদের নিজস্ব পণ্য প্রদর্শন করতে নিয়ে এসেছেন। চমৎকার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে এবং প্রচুর বিক্রিও হয়েছে মাশাআল্লাহ।
প্রবাস জীবনটা আমার জন্য সহজ ছিল না। ছোট্ট মামা, তার অবদান তার সহযোগিতা ছারা প্রবাস আসাটা আমার জন্য কোন মতেই সম্ভব ছিল না। এমনকি সৌদিআরব থেকে ভিসা দেওয়ার এবং আর্থিক সহযোগিতার 90% টাকার যোগান ছিল তাহা
রাত যখন গভিরের দিকে যাচ্ছে ঠিক তখন মানবতার কিছু ফেরীআলা বেরিয়ে পড়েন রাস্তায় শুয়ে থাকা কিছু মানুষদের খোজ খবর নিতে।
বাংলাদেশের চার পান্ত থেকে চার জন কে এক টেবিলে বসিয়ে দিলেন জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এটা কি আমি জানি না, পাওয়ার, নাকি ভালোবাসা। যা সুধু নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের এর জন্য সম্ভব হয়েছে। ঢাকায় শ
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে
আলহামদুলিল্লাহ্ আমরা গেল ১০ তারিখ শূক্রবার শীত বস্র বিতরন করেছি শীতার্তদের মাঝে রাতে ১২ টার পর নরসিংদী রেল স্টেশন এ ,
বাংলাদেশ থেকে মানব পাচার চক্রের বিভিন্ন চক্রের মাধ্যমে তারা এখানে ভিকির কাছে রিসিভ হয়েছে । মোজাম্বিকে অবস্থানরত বাংলাদেশি বিভিন্ন দালালের সাথে ভিকি দীর্ঘদিনের মানব পাচারের সম্পর্ক আছে। পূর্ববর্তী বাঙ
আসুন বর্ণবৈষম্য ভুলে কাজের যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করি, যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ করে দেই। আসুন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই জীবন বদলে যাবে। এভাবেই প্রতিটি দিন নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয় আমাকে যা লিখে প
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলো একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। তার জন্য প্রয়োজন সততা ও লেগে থাকা, এটা শুধু অর্থনৈতিক সততা নয়, সম্পর্কের সততা ও কমিটমেন্ট
আলহামদুলিল্লাহ,, আলহামদুলিল্লাহ,,আলহামদুলিল্লাহ,,,,, অত্যন্ত চমৎকার ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেল যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলা ২য় অফলাইন মিটআপ 😊 প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী
আমার কাজের মাধ্যমে একজন লোক ও যদি উপকৃত হয় তাতে আমি নিজের আত্ম তৃপ্তি খুজে পাই। আল্লাহতালা আমাকে যদি সুস্থ রাখেন আমি লেগে আছি লেগে থাকবো,,, আমি পরিশ্রম করে যাচ্ছি আরো পরিশ্রম করে যেতে চাই।
ঢাকা চলে আশার পর সবাই মিলে বিয়ে দিয়ে দিলো আমাকে। তখন থেকে জীবন শুরু হলো কষ্ট দিন।হাসবেন্ড শুধু চাপে পরে আমাকে বিয়ে করলো মন থেকে ভালোবাসা পেলাম না।সে আমাকে বিয়ে পর থেকে নানা ভাবে অবহেলা করতে লাগলো।সে
এখন আগামীর লক্ষ্য হচ্ছে আমি আমার নিজের হাতে তৈরি আচারগুলো বাংলাদেশ তথা বিশ্বের 100 টি দেশে পৌঁছে দেওয়া সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমার কোম্পানির যেন অধিক লোকের কর্মসংস্থান
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
তাই স্বপ্ন দেখি নিজের জন্য, নতুন প্রজন্মের জন্য, দেশ ও জাতীর জন্য, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে
তাই অনেকেই গ্রাম অঞ্চল ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পাড়ি জমায় যাতে করে তাদের রাজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারে যাতে করে তাদের রাজ্য আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।। কিন্তু তারপরও রাজাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের রাজ
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নয়,শুধুমাত্র রক্তদানে যেন সবাই সচেতন হয় এই জন্য।
আজ লিখবো আমার সফল উদ্যেগক্তা হয়ে উঠার গল্প। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। ষোল বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। তখন স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছি কারণ আমি যে আর লেখা পড়া করতে পারবোনা। হাসবেন্ডের