প্রশ্নটা শুনে কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। আসলে চট করে কোন কিছুকে সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া যায় না। বা উচিত ও না। অনেক টা ধীরস্থির হয়ে বসলাম সদ্য কিশোরে পা দেওয়া দূরন্ত মেয়েটার সামনে। তার চোখে মুখে কৌতুহল উপচে প
একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
#বাবা নেই কিন্তু আছে তার স্মৃতি মায়া ভালবাসা আজ থেকে ২০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা আমি আপনাদের সাথে এখন শেয়ার করতে যাচ্ছি। ২০বছর আগে ০৯ বছরের ছোট্ট মেয়েটা ঘুমিয়ে ছিলো।খুব সকালে তার ঘুম ভেঙে যা
পাশ করে বের হওয়ার পর শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকে এপ্লাই করার অনুমতি ছিল।বিভিন্ন জাগায় এপ্লাই করি পরীক্ষা দেই কিন্তু এই পরীক্ষার জন্যও তেমন পড়ালেখা করতে মন চাইতো না।কয়েক জাগায় রিটেনে টিকলেও ভাইব
জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। জ্ঞান অর্জন করতে হলে শিক্ষা চর্চা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি যত বেশি শিক্ষাচর্চা করবে সেই ব্যক্তি ততবেশি জ্ঞানী হবেন। শিক্ষা চর্চার মাধ্যমে কিন্তু নিজের জ্ঞান যে ভাবে বিক
নিজের জীবনের একটি নীতি সবসময় মানি ও করি, যা হলো “ পারলে কারো উপকার করো তবে কারো অপকার করো না” এই নীতিতে বরাবরই বিশ্বাসী ছিলাম ও সারা জীবন থাকব। কিন্ত নিজে যে একজন ভালো মানুষ তা পুরোপুরি বলার ম
অনেকক্ষন পর্যন্ত নানান কথাবার্তা বললাম।একপর্যায়ে সহেল বলল তাকে কিছু শার্ট, টি শার্ট ও পাঞ্জাবি দেখাতে। আমি : হোয়াটসঅ্যাপে দিয়ে দিচ্ছি একটু দেখে নিবে, কোন গুলো তোমার পছন্দ হয়। সহেল : কিছুক্ষণ পর সহেল
নিজের বলার মতো গল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে আজ শিত বস্ত্র বিতরণ করলাম আমি সহ নিজামুল ভাই, মেহেদী ভাই এবং রনি ভাই যাঁরা যাঁরা আর্থিক সহায়তা করেছেন আল্লাহ্ যেনো সবাই কে কবুল করেন। (এটা অন্য রকম একটা
গত দুমাস ধরে সম্মেলন এর ব্যাপারে বেপক উৎসাহ আর উদ্দিপনায় আমার কুমিল্লার জেলার ভাইদের ও মতিঝিল টিমের ভাইদের সাথে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতেছিলাম। এবং ডিসেম্বর এর ১১ তারিখ কুমিল্লা মিটআপে সম্মেলন কি ভাবে
করোনা লকডাউনের ভিতরে , দীর্ঘ সময় পর আমরা "ঝিনাইদহ জেলা টিম" জরুরী প্রয়োজনে একত্রিত হয়েছি। স্বরণ করেছি প্রিয় "ইকবাল বাহার জাহিদ" স্যারকে , ঝিনাইদহ জেলা টিমের ভাই বোনদের কে সর্বপরি "নিজের বলার মতো একটি
প্রায় ছয় বৎসর বেকার ছিলাম কি করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তখন দেখি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের পেজ টা আমার বন্ধু মনির ভাইয়ের একটা পোস্ট। তখন মনির ভাইকে বিস্তারিত জানতে পারি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ক
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
দুঃখ,বেদনার স্মৃতি যত কম মনে করা যায়, তত কম কষ্ট হয়। তাই জীবনের কিছু কথা
আলহামদুলিল্লাহ। আজ সকালে রক্ত দিলাম কোর ভলেন্টিয়ার ও মডারেটর নুরুন নবি রিয়াজ ভাইয়ের খালু জনাব ওবায়দুল আঙ্কেলকে।
ধন্যবাদ, ওয়ারী জোন সকল দায়িত্বশীল ও সদস্য দের। এভাবেই এগিয়ে যাবে ওয়ারী জোন।
সকালে ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি রেডি হচ্ছি। আজ যে আমাদের 74 তম হাটবার। হাটবারে যেতে হবে আমার পণ্য গুলো বাজার করতে হবে। তাড়াহুড়া করে বের হয়েছি হাটবারে যাব বলে। কিন্তু রাস্তায় এসে দেখি অনেক জ্যাম।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন ১০০০ তম দিন উৎযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা টীম ইতিহাসের পথে
"নিজের বলার মত একটা গল্প"♥ নামের এই প্ল্যাটফর্ম এর উদ্ভাবক - আমার মত এমন হাজারো উদাসীমনা এবং লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্ত যুবকের মস্তিস্কে সুচিন্তা আর আশার আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে বাংলার বুকে জন্ম নেয়া সেই সুপ
বরাবরই লেখালিখির প্রতি ভালো লাগা ভালোবাসা ছিল তবে এ ভালোলাগা ভালোবাসা যে একসময় নেশায় পরিণত হবে তা বুঝতে পারিনি। ফাউন্ডেশন এর যুক্ত হবার পর থেকে প্রথমদিকে আমি অনেকটা ঝিমিয়ে পড়া সদস্যদের মত ছিলাম ক
অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারকে এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য ।
আমার উদ্দোগক্তা জীবন শুরু করতে যাচ্ছি।শুরু হওয়ার কথা গুলি প্রিয় ভাই বোনদের কাছে বলতে এসেছি আমি ছোট বেলা থেকেই ভাবতাম যে নিজে একটা কিছু করবো । যা কিনা আমার পরিচয় তৈরি করতে পারি। কিন্তু কোননা কোন কারন
আসলে পরের অধিনে চাকরি করা আমার ভালো লাগে না, অনেক সময় ভালো না লাগলে ও জীবিকার তাগিতে চাকরি করতে হয়,,,,। চাকরির পাশাপাশি প্রিয় স্যারের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে ছোট পরিসারে একটা বিজনেস শুরু করেছি। আমা
আমরা প্রবাসীরা হলাম এমন এক যুদ্ধের সৈনিক. যে যুদ্ধের জয়ের উল্লাস আমরা করতে পারি না! দিয়ে দিতে হয় অন্যদের …হয়তো অন্যদের মাঝ থেকে জয়ের উল্লাস কেউ পায় আবার কেউ পায় না! অথচ, এই যুদ্ধে আমাদের দিতে হয়
আমরা অনেক সময় নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে যদি দেখি খুব কঠোর অথবা কঠিন তখন সেই নিয়মটাকে ইগনোর করি , যার কারণে কখনো ওই নিয়ম বা অভ্যাস আমাদের মধ্য গড়ে উঠেনা। যেমনটি ঘটেছিলো আমার সাথে, আমি অনেকবার এই প্রাকটিস
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
আমাদের সংসার খুব ভালই চলতেছিল, তিন ভাই এক বোনের সংসার খুব সুন্দর সংসার সাজানো গোছানো পরিপাটি, ছিল না কোন দুঃখ কোন অভাব মোটামুটি ভালোই ছিলাম, বড় ভাই বড় বোন তার উপরে আমি আমার ছোট একটা ছোট ভাই আছে, 199
এই প্লাটফর্ম আমার কাছে আমার দ্বিতীয় পরিবার। আমাদের পরিবারের প্রতি যেমন ভালোবাসা ভালোলাগা আছে তেমন এই পরিবারের প্রতি।এই পরিবারের সকলের প্রতি একটা মায়া কাজ করে। কারন এইটা শুধু একটা ফাউন্ডেশন না এইটা আমা
মানুষের নিজস্ব একটা লক্ষ্যস্থান থাকলে সেই স্থানেই সে নিজেকে উন্নীত করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কোনো না কোনো স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে পরিশ্রম ও সাধনা করতে হয়। নির্দিষ্
গ্রুপবাসী সবাই কেমন আছেন???আশা নয় বিশ্বাস করি যে যার অবস্থান এ ভালো ও সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আজ হঠাৎ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ জোন এ একটি চা আড্ডা হয়ে গেলো। মিট আপ /ইদ পূর্ন মিলনী ২০২২ ও ব
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন, এই দিনে ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমাদের এই সোনার বাংলা। এই দিনটির অপেক্ষায় আমরা লাখো কোটি জনতা, লাখো ফুল ও হাজার তোরা দিয়ে জানাই তাদের শুভেচ্ছা। ⛳এক সাগর রক্তের
ধন্যবাদ কুষ্টিয়া জেলা টিমকে -
রক্ত দিতে শিখছি হাজারো প্রাণে প্রাণ দিতে গল্পের বন্ধন মানবতার কল্যাণে। আলহামদু আল্লাহ, ★পঞ্চম বারলি★ কালকে থ্যালাসেমিয়া রোগে শিশু এক শিশু মেয়েকে রক্তদান রাজবাড়িতে
কিন্তু কত দিন মনের মধ্যে এই হতাশাকে বাসা বাঁধতে দিবেন? আপনি কি জানেন আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন? আমাদেরকে মন থেকে হতাশা কে চিরদিনের জন্য দূর করতে হবে, হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ
সোনালী কি কেবলই রূপবতী কোন প্রেয়সীর ঢং সোনালী কি কেবলই রোদ্দুরে ঝলসানো কোন রং সোনালী কি স্বপ্নের আবর্তে চলমান কোন চিত্র সোনালী কি সত্যের সঙ্গমে,মনের মুখরিত মিত্র ।"
কারো সময় কম লাগে কারো বেশি।আমরা যত তাড়াতাড়ি বোতল খালি করতে পারবো তত তাড়াতাড়ি নিজেকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে যাবো।আমরা যখন প্রিয়জনকে কষ্ট দেই তখন প্রিয়জন পায় একটা কষ্ট আর আমরা পাই দুইটা কষ্ট। আপনার প্
আমি যখন প্রথমবার যখন স্ট্যাটাস অফ দা ডে নির্বাচিত হয়েছিলাম তখন আমার দোকানে কাষ্টমার ছিলো। বার বার শুধু নোটিফিকেশন আসতে লাগলো, চেক করে দেখি ওমান টিম ও ফেনী টিম থেকে শুরু করে অনেকেই নক দিয়ে অভিনন্দন
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারি ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে।সকলের অনুপ্রেরণায় আমার পথ চলা।
আমি একজন চাকরি উদ্যোক্তা, গতবছর অক্টোবর মাসে শুরু করেছি উদ্যোক্তা জীবন। মাত্র ১২০০০টাকা দিয়ে শুরু করি আমার পথচলা।১১তম ব্যাচে স্যারের ৯০ টা সেশন সহ উদ্যোক্তা বিষয়ক যাবতীয় স্কিল শেষ করি সম্পূর্ণ বিনা খর
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশনের ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন
আরেক দুঃসাহসী তরুণ শফিউর সাইকেলে করে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন। হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হয় তাঁকে। কিন্তু সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি। শফিউরের মেয়ে শাহনাজের
আমি ও আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি ক
নামোশংরবাটি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করলাম। আপনাদের পরামর্শ,, আমাদের প্রচেষ্টা ইনশাআল্লাহ উদ্দ্যাক্তা ক্লাব গঠন করবো। কৃতজ্ঞতা প্
🌷🌷নতুন চমকে গাইবান্ধা জেলা🥀🥀🇧🇩🥀🥀 তারিখ --২৩-০৮-২০২১ স্থান ---গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মাঠ সময়--বিকাল ৪-৩০ ঘটিকায় নিজের বলার মতো একটা ফাউন্ডেশন এর গাইবান্ধা জেলার মাসিক মিট আপ খুব সুন্দর ভাবে সফল
🌲বৃক্ষরোপন কর্মসুচী ২০২৩ লক্ষ্মীপুর জেলা 🌴আমি গাছ লাগাই ২৩৪ টি 🌳 🌳 গাছ লাগাই পরিবেশ বাঁচাই 🌴
মার্কেটে রাখা হয় কিছু দোকান। চাচারা তক্ষণ এগিয়ে আসে সাহায্য করতে। একসময় পুরো পরিবার ঢাকায় সেটেল হয়।বড় চাচা ও তখন খুবই ভাল চাকরি করে। আমরা ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে দেখেছি ফ্রিজ ,টিভি, গাড়ি
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা টীম বাইক টুর ও লঞ্চ ভ্রমণ সুন্দরবন।
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
💕💕ধানমন্ডি জুনের আজকের অফলাইন মিট আপ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সকলের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে। সকল ভাই-বোনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়ে ছিল।
২০১৫ সালে বাহিরে আসি আসার পর কিছু দিন অনেক কষ্টো হয়েছে তারপর আস্তে আস্তে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি প্রথম দুই বছর ভালো ছিলাম ২০১৮ অনেক অসুস্থ হয়ে পরলাম চলে গেলাম বাংলাদেশ গিয়ে চিগিৎসা করলাম সু