আমিঃ ফারহানা রাজু 🌺জন্মস্থানঃ শৈলকূপা 🌺বর্তমান ঠিকানাঃ ঝিনাইদহ জেলা 🌺রেজিষ্ট্রেশন নংঃ ৯৬৪৮৯ 🌺ব্যাচঃ১৮ 🌺ব্লাড গ্রুপ A+ 🌺কমিউনিটি ভোলেন্টিয়ার 🌺এসো কুরআন শিখি কাফেলা ৬ষষ্ঠ ব্যাচ 🌺এর য
স্বাভাবিক ভাবেই নারীরা অন্যের পরিচয়ে পরিচিত হয় যেমন কারো স্ত্রী, মেয়ে, বোন, মা, তাহলে একজন নারীর নিজের পরিচয় কি? আমি এই প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছিলাম না,স্যারের বানী থেকে স্বপ্ন সেট করেছি আমি এ
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
বিয়ের পর সোনার হরিণের মতো সেই চাকরিটা পেয়ে গেলাম ।কিন্তু সন্তানের মুখের হাসি সন্তানের মায়া সবকিছু মনে করে চাকরিটা বিসর্জন দিয়ে,সিদ্ধান্ত নিলাম এমন একটা চাকরি করব যেখানে পুরোটা সময় সন্তানকে জুড
বর্তমানে আমি একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমি একজন কৃষি উদ্যোক্তা হতে চাই ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। সবার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে
আমি গ্রামের একটা ছেলে। গ্রামের নয় দশ টা ছেলে মেয়ের মতোই আমার বেড়ে ওঠা। কিন্তু আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোন। ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট ছিলাম। আমি মোটামুটি অন্যান্য ভাই
১৫ ডিসেম্বর মহাসম্মেলন উপলক্ষে ও উদ্যোক্তা ক্লাব উদ্বোধন।
অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হলো সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম ও ফিজিক্যাল মিট আপ 🌹 আলহামদুলিল্লাহ ♥️ ⭐ আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুলশান জোন সেরা জোনের তালিকায় অন্ত
যারা বৃষ্টির কারণে যারা ফিজিক্যাল মিট ও ঈদ পুনর্মিলনীতে আসতে পারেন নাই তাদেরকেও স্মার্ট নীলফামারী জেলার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।
আমার ও অনেক স্বপ্ন ছিল, আছে প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখে যাচ্ছি, কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে হাঁটার সঠিক গাইডলাইন না থাকার কারণে এখন ও সফল উদ্যােক্তা হতে পারিনি উদ্যােক্তা শব্দটি কী উদ্যােক্তা আসলে কাকে বলে কি
🌲নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২৩ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা টিমের প্রস্তুতি মিটআপ।
স্যারের নিঃস্বার্থ শ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি ভালোমানুষের ফাউন্ডেশন। যার ফলে অনেক দুর দুরান্ত থেকে আমরা একসাথে মিটআপে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।
আজ ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হল জেলা"বিনিয়োগ ও ব্যবসায় উন্নয়ন সহায়তা" কমিটির বিশেষ সভা। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন ঝিনাইদহের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব সরোজ কুমার নাথ,স্যার। সভায় স্যার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত
সুখ নাকি বেশি দিন স্থায়ী হয় না,এমন টা মুরুব্বীরা বলেন,2013 তে আমার কোল জুড়ে আসলো আমার রাজকন্যা,তার পৃথিবীতে আগমনের পর আমার এত ভাল জব ছেড়ে দিলাম ,আমার মনে হয়েছিল মেয়েকে দেখাশোনা করা আমার দায়িত্ব
ছোটবেলা থেকেই ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চর্চাটা গড়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো একক ঘটনা না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।
নিজের আত্মপরিচয় তৈরি করতে। স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি আমিও। তৈরি হতে চাই সফল একজন ব্যবসায়ী। বিজনেস আইডিয়া শিখছি স্যারের থেকে। এগিয়ে যেতে চাই আমিও।
The history of 2000 consecutive days of free training workshops to 6.5 lakh youth has been made by Bangladesh’s ‘Nijer Bolar Moto Ekta Golpo’ Foundation (NBMEGF).
২৫০ টাকা দিয়ে কাঁচামাল কিনে কাজ শুরু করি অনলাইন এ । আমার প্রথম দিন এর পোস্ট এই ২৫০ টাকার পণ্য শেল করি । শুরু হয়ে গেলো কাজের জীবন। তার পর থেকে একটা দিন ও থেমে থাকিনি প্রতিটি সেকেন্ড কাজ করেই যাচ্ছি।
আমি সাথী ১২ তম ব্যাচ থেকে নিজেকে নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে শিখছি নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন সদস্য হতে পেরে।বুঝতে পেরেছি জীবন মানে যুদ্ধ কত শত মানুষের জীবনের গল্প পড়ছি ও শুনচ্ছি।আল্লাহ পাকের দরবার
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি রেডি হচ্ছি। আজ যে আমাদের 74 তম হাটবার। হাটবারে যেতে হবে আমার পণ্য গুলো বাজার করতে হবে। তাড়াহুড়া করে বের হয়েছি হাটবারে যাব বলে। কিন্তু রাস্তায় এসে দেখি অনেক জ্যাম।
এ ফাউন্ডেশনে আশার আগে আমি কখনো এতো মানুষের সামনে দাড়িয়ে এত কথা বলিনি বা বলার সাহস হয়নি, কিন্তু যখন এ ফাউন্ডেশনে আসলাম, তখন থেকে আমি সবার সাথে কথা বলার আলাদা যে দক্ষতা রয়েছে তা রপ্ত করতে পেরেছি আলহাম
মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি। বুজিতে পারেনা কেহ, কত কষ্ট নিয়ে মোদের বাঁচা। বুকের ভিতর জমে থাকা, হাজারো সপ্ন আশা। চারদিক থেকে ঘিরে আসে, কতযে হতাশা। লেখাপড়ার যোগান দিতে হিমসীম খেতে হয়। পড়ালেখা হবে কি হ
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
রাগে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দুদিন পর আমাকে স্টোর অফিসে ass: store Incharge হিসেবে ট্রান্সফার করা হয়। আমি ওখানে ৫ মাস কাজ করার পর আবার আমাদের ম্যানেজার চেঞ্জ হয় এবং সিনিয়র স্টোর ইনচার্জ কে টার্মিনেট
আজকের দিন পর্যন্ত আমি সফল কি না জানি না, তবে সফলতার দারপ্রান্তে। কারণ জীবন সংগ্রামে ঠিকে থাকার লড়াইয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের
বাবার সেনাবাহিনীতে চাকরির কারণে কখনোই সেনানিবাসের বাইরে যে একটা পৃথিবী আছে এটা বুঝতে পারিনি। জন্মের পর থেকেই দেখে আসছি কঠোর নিয়ম কানুন এবং শৃঙ্খলা। যদিও এই গুণগুলো মনের অজান্তেই নিজের মধ্যে গেঁথে গ
পেয়েছি ২০২০ সালের উদ্যোক্তা সম্মেলনের সেরা ভলোন্টিয়ারের পুরস্কার এবং ফেনীকে সেরা জেলার স্বীকৃতিও। #পেয়েছি গ্রুপের সেবা করার কোর ভলোন্টিয়ার এবং মডারেটরের দায়িত্ব। #সর্বশেষ যেইটি বলবো ২য় ব্যচ শেষ কর
সময়কে মানিয়ে নিয়েছি উদ্যোগ জীবনের সাথে। কারন এই সময়ের সাথে জড়িয়ে আছে নানা জড়তা। স্বপ্ন ছিলো ব্যাংক জব করবো, সেভাবে নিজেকে তৈরিও করেছি, কিন্তু বাচ্চাদের কথা ভেবে আর করা হলো না। একটা সময় এসে জী
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন এর ধানমণ্ডি জোন কতৃক আয়োজিত মোহাম্মাদপুর বেড়িবাধের একটি মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে খারার ও শীতের কম্বল বিতরন করা হল।
তারপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় নিজেকে মানিয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে, সব কিছু কেমন যেনো লাগছে, মানুষ গুলোও কেমন যেনো যাই হোক সব কিছু মানিয়ে নিলাম, আর চাকরি করতে থাকলাম। কিন্তু কিছু দিন পরে চাকরিটা ছেড়ে দিলাম কারণ
যাইহোক একদিন উপর ওয়ালার দয়া হলো আমার উপর। তার বিশেষ রহমত হিসেবে আমার কাছে আসে নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের খবর। এড হয়ে দেখতে থাকি সব সফলতার গল্প। এখানে শিক্ষিত অশিক্ষিত বলে কোন কথা নেই
এভাবে যখন তিন বছর হয়ে গেল। তখন তো আমার দেশে যেতে হবে। দেশে যাওয়ার জন্য মনটা ছটফট করে। ছেলেটাকে দেখতে মন চায়। গ্রামের পাড়া-প্রতিবেশীরা বলে এখন তুমি চলে আসো ও ভালো হয়েছে। এখন তোমাকে খুব প্রয়োজন। ত
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
প্রথম বর্ষেই বিয়ে হয়ে গেল।সংসার পড়াশোনা চলতে থাকলো।অনেক টা সুস্থ ও ছিলাম।ডিগ্রি শেষ হলে ছেলে হলো।মাস্টার্স শেষ করার পর মেয়ে হলো।আবার শুরু হলো প্রায় প্রায় ব্যাথা।চলতেই থাকলো ব্যাথা।দুটো বাচ্চা, সংসার আ
আপনাদের মনে পড়ে কি স্যার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হওয়ার কথা বলেছিলেন। এখন আপনাদের শুনাবো প্রবাসে আমার পার্টটাইম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প। এইতো আমি মাত্র ১১০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করি। সকাল ৭ টা থেকে ২
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশনের সেশনের ২০০০-তম দিন উৎযাপন হলো আজ।
এই করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের উক্ত অফলাইন মিটআপটি অনুষ্ঠিত হয় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ও আনন্দঘন পরিবেশে।
প্রবাসীদের টাকা কত যে কষ্টের আমি মর্মে মর্মে অনুভব করতে লাগলাম সারাদিন আমি কাজ করতাম,দিনশেষে পেটভরে আমাকে খেতে দিত না,একটু ভুল হলে আমাকে মারত,আমার সাথে দূর ব্যবহার করত, মানসিক ভাবে অত্যাচার করত,আমি ওদ
করোনা অনেকের জীবনের ধ্বংসের কারণ আর আমি মনে করি করোনা আমার জীবনের নতুন পথ উন্মোচন করে দিয়ে গেছে। "কিছু অশুভ কারো কারো জন্য শুভও হয়"
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা গল্প থাকে হোক তা সফলতার কিংবা ব্যার্থতার আমারও তার ব্যাতিক্রম নয়। প্রানের ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ে অনেক ভাই-বোনদের জীবনের গল্প পড়েছি
"নিজের বলার মত একটা গল্পের" তৃতীয় ব্যাচের সমাপনী দিনে বিশেষ চারটি সামাজিক কাজ এর একটি হলো ফলজ গাছ লাগানো।
পারিব না একথাটি বলিও না আর কেন পারিবে না ভাবো একবার পাঁচ জনে পারে যাহা তুমিও পারিবে তাহা পারো কিনা না পারো কর যতন আবার
জন্ম_আমার গ্রামে_মুন্সীগঞ্জ দিঘীর পার আকাল মেক দাদুর আব্বুর গ্রামে_ আমরা চার ভাই ছোট ভেলায় থেকে ভর হোয়ে ছি শহরে আমার একটা রোগ হোয়ে ঘটেছিল ছোট বেলায় অস্বাভাবিক রকম ছোট আকৃতি নিয়ে। কেউ ধারণা করেনি
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে এমন কিছু গল্প ও মুহূর্ত থাকে যা জানার পর অন্যদের হৃদয় নাড়া দিয়ে ওঠে। আজকে আমার জীবনের ঠিক তেমই কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম।
দিনাজপুর জেলার তরুণ উদ্যোক্তা ভাই আখতার হোসেন ও টুটুল দাদার প্রচেষ্টায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা
অসাধারণ কিছু সময় কাটলো নোয়াখালী সদর উপজেলার উদ্যোক্তা বোনদের সাথে।সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে চা এর আড্ডা।এমন ছোট ছোট মিট আপ গুলো নিজেদের মধ্যে দারুণ একটা ব্র্যন্ডিং তৈরি করে।
খাগড়াছড়ি জেলায় খুবই সুন্দর ও চমৎকার ভাবে উদযাপিত হলো নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ১০০০ তম দিন। এই ১০০০ দিনের মধ্যে এক দিনের জন্য ট্রেনিং বন্ধ ছিলোনা। এবং এই ট্রেনিং ছিলো সম্পুর্ণ বিনামূল্যে