বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্। 🏵️প্রথমে শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর নামে যার অপার কৃপায় এই পৃথিবীতে এসেছি। সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন
আমি সবার সাথে হাসিখুশি থাকি,আমাকে সবাই পছন্দ করে এবং খুব সহজেই আমাকে আপন করে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই প্লাটফর্ম থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি পেয়েছি আমার ভাই বোনদের। কত জেলার ভাই বোনের সাথে আমার পরিচয়
আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,আমরা চট্টগ্রামের সকল দায়িত্বশীলরা মিলে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য,একটি সুন্দর প্রোগ্ৰামের আয়োজন করেছি। আমাদের এ প্রাণের ফাউন্ডেশন
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি, যার জন্য এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছি এবং এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছে , স্যারের জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা।
মেনে নিতে কষ্ট হয় শুধু শুয়ে বসে সময় কাটাবো। সকাল হলেই অস্থিরতায় ভুগতে থাকি । গভীর ডিপ্রেশনে চলে যাই। কোভিড কালীন সময়ে শখের বশে ফেসবুকে Novera's Dream নামে একটি পেজ খুলি। দুয়েকটা ড্রেসের পোস্ট ও দেই
আসলে প্রত্যেক টা বিজয় ও সফলতা পিছনে থাকে, স্বপ্ন, ইচ্ছে শক্তি,, পরিশ্রম, কিছু সুখ ত্যাগ করা, লেগে থাকা, অনুপ্রাণীত হওয়া, অনুপ্রেরণা ও সহযোগীতায়। কোনো কাজের ফলাফল, পাওয়ার জন্য সবাই অপেক্ষা করে আখা
সত্যি সত্যিই আমরা খুব ভাগ্যবান। না হয় এমন মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন ছিলো। যার জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি প্রয়োজনে দেশের এবং দেশের মানুষের পাশে দাড়াতে পারছি।
এখান থেকে কি পেলাম যদি বলি তাহলে অনেক কথায় বলতে হয়, তন্মোধ্যে একটি কথা বলব। এখান থেকে জীবনে স্বপ্ন দেখতে শিখেছি,স্বপ্ন বুনতে শিখেছি,এবং সাহস করতে শিখেছি, আমি শিখেছি ও বুঝেছি যে,চাকরির পেছনে না দৌড়িয়ে,
" সেটা হল স্যার আপনি যখন এই ফাউন্ডেশন ওপেন করার উদ্যোগ নেন তখন এই ভাবনা টা নিয়ে যার সাথেই আলোচনা করেছিলেন সেই বলেছিল যে আপনি পাগল। কারন এখনকার দিনে কেউ নিশ্বার্থ ভাবে কিছু করতে চায় না। স্যার তখন আপনি
কষ্টের কাজ হঠাৎ একদিন বালু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় ছোট গাড়ি সৌদি আরবে যাকে আরাবী বলে এক চাকার এত লোক ছিল আমি কন্ট্রোল করতে না পারার কারণে আমার পায়ের উপর পড়ে যায় এবং অনেক ফুলে যায
বেকারত্বের বোঝা কতটা কঠিন, যে এই সময়টা জীবনে ফেস করেছেন সে ভালো যানেন, না পারা যায় বলতে না পারা যায় সইতে
শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের নিকট,যিনি আমাদের প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যাচ্ছেন কিভাবে সবার আগে সর্বপ্রথম একজন ভালো মানুষ হয়ে
৮ বছরের মধ্যে অনেকবার রক্ত দিয়েছি তবে ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দেওয়া হয়নি ভাগ্যক্রমে।আজ ৮ বছর পরে দ্বিতীয়বার ডেলিভারি রোগীকে রক্ত দান করলাম।। কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে বোনটা।বাবুটা কে দেখে খুব মায়া
বিবাহবাজার আমার স্বপ্ন। যেটা আমাকে অনেক রাত ঘুমাতে দেয়নি। আর মেয়েদের দুর্দশা, আত্ন উন্নয়নের জন্য কাজ করার চিন্তা আসে বাবা মারা যাবার পর। তখন মনে হয়েছিলো বাবার বর্তমান ও অবর্তমানে মা যেভাবে সাপোর্ট দিয়
আজ আমি যেই পরিবারের কথা বলব তা হচ্ছে ভালো মানুষের পরিবার। ভিন্ন রকমের পরিবার। সৎ ও বিনয়ী মানুষের পরিবার। আপনারা ইতপূর্বে যেই পরিবার গুলো দেখেছেন তার মধ্যে গুগলের তথ্য মতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের সদ
আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার প্রানবন্ত ভাবে ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলার ভাই - বোনদের মধ্যে হয়ে গেলো সম্পর্কের উন্নয়ন মিটআপ।
❤️❤️ আজ আমাদের নিজের বলার মতন একটা গল্প ফাউন্ডেশনের রাজশাহী জেলা টিমের ঈদ আড্ডা ও পুনর্মিলনী মিটআপ সফল ভাবে আয়োজিত হয়েছে
সম্প্রতি শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যার সারাদেশ সহ ঢাকায় কিছু সংখ্যক দায়িত্বশীল নিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ওয়ারী জোন এবং থানায় আমরা পেয়েছি নিবেদিত প্রাণ এক ঝাক দায়িত্বশীল, আলহামদুলিল্লাহ। নতু
আবার পন্য সেল শুরু করি কিন্তু কিভাবে পন্য সেল করতে হয় আমার কোন আইডিয়া তেমন ছিল না, তবুও আমি ভ্যানগাড়ি ও ড্রাইভার নিয়ে মার্কেটে যেতাম পন্য সেল করার জন্য , কিন্তু আমার ফুফাতো ভাই তখন তীর কোম্পানিতে জ
করোনা মহামারীতে যখন টানা ৩ মাস অধিক সময় ঘরবন্দী ছিলাম তখনই ইচ্ছে ছিলো এখনি কিছু করার সময় শুরু হলো ২০ টি দেশি মুরগির বাচ্চা নিয়ে তা পালন করার পর ১৫ টি মুরগ-মুরগী বেশ বড় হলো ১০ টি মোরগ-মুরগী প্রায় ২৫০০
আমি আমার জীবন কে বদলাতে চাই, হতে চাই একজন ভাল মানুষ। দাড়াতে চাই অসহায় মানুষের পাশে, পুরন করতে চাই নিজের স্বপ্ন ও তৈরি করতে চাই কিছু মানুষের ভাগ্য। যাতে করে নিজের জীবনে নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি করত
মা তুমি ধন্য ছেলে তোমার রক্তদান করেছে অন্যের জীবন বাঁচানোর জন্য মাগো তোমার ছেলে সাহসিকতার শক্তি আজকে মাওনা থেকে এসেছে ময়মনসিংহে রক্তদান করে। মাগো তুমি ধন্য তোমার এমন ছেলের জন্ম দিয়ে ..
অনেক বেশি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা সেই প্রিয় মানুষ # ইকবাল বাহার ভাইয়ের প্রতি যার অনুপ্রেরণা প্রতিনিয়ত সাহস যোগাচ্ছে ভালমানুষ হবার স্বপ্ন দেখতে।
নিজের বলার মতো গল্প, গোপালগঞ্জ ভাল মানুষদের সাথে, ভালবাসার মানুষদের সাথে #Gopalgong Team
সেলাই এর কাজ শিখা শুরু করে দেই।হটাৎ একটা কোম্পানি থেকে কল আসে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য।সেখানে সিভি দেওয়া ছিল।ইন্টারভিউ দেওয়ার পরে আল্লাহর রহমতে জব টা হয়েছিল।ফ্যামিলির বাধা থাকার পরে ও অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে
নিজের দক্ষতা দিয়ে যখন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম শুরু হলো আমাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং যারা চেষ্টা করেছে তারা সফলও হয়েছে। নোংরা রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়াতে চাইনি তাই নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দেই
ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে
আসুন বর্ণবৈষম্য ভুলে কাজের যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করি, যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ করে দেই। আসুন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই জীবন বদলে যাবে। এভাবেই প্রতিটি দিন নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয় আমাকে যা লিখে প
আসসালামুয়ালাইকুম সবাই কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আজকে বছরের শেষ দিনে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের মৌলভীবাজার জেলার একটা সফল মিট আপ হয়েছে, তারিখ: ২২/১১/১৯ ইং সময়: ৩ ঘটিকা স্থান : ইস্কিল আ
অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ৩য় মিটআপ সফল ভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। আজ ৪জানুয়ারির মহাসম্মেলনের টিকেট সদস্যদের মধ্যে বিক্রি করা হয়।
আলহামদুলিল্লাহ ঝড়নার স্রোত ধারার মত বৃস্টি ধারার মাঝে দিয়েই দারুন ভাবে সম্পুর্ন হলো। ইলিশের শহর চাঁদপুর জেলা টিমের উদ্দোগে অপলাইন মিটআপ। ফেনি জেলা টিম,ঢাকা জেলা টিম ও কুমিল্লা জেলা টিমের অংশগ্রহণ
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনে যোগদান প্রাপ্তি ও সফলতা। আজ এ প্লাটফর্মে না আসলে আমার জীবন বৃথা হয়ে যেতো, আমি শিখেছি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায়! কিভাবে মা-বাবা কে
আলহামদুলিল্লাহ আজকে থেকে শুরু করেছে লালবাগ জোনের আওতাধীন সকল ক্যাম্পাসে অধ্যক্ষ বরাবর চিঠি পৌঁছে দেওয়া কার্যক্রম।
রক্তদান করি অনেক অনেক পজিটিভ মনে মনে কোন প্রকার নেগেটিভ দিক নেই। 💉আগামী ৩১শেশে আগস্ট ২০১৯ রোজ শনিবার মালয়েশিয়া অবস্থানরত সদস্যদের ২য় মিট আপ সময় হবে।
একজন মানুষের সফল বা ব্যর্থ হওয়া তার ক্ষমতার ওপর যতটা না নির্ভর করে, তারচেয়ে বেশি তার দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভর করে। যারা সফল হয়, তারা সফল হওয়ার আগে থেকেই সফল মানুষের মত আচরণ করে। এই বিশ্বাসই একদিন সত্যি
The Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) has made world record conducting online training for uninterrupted 2000th days.
ফেনী সদর উপজেলা পক্ষ থেকে হঠাৎ মিটআপ আয়োজন। আমাদের সাথে দায়িত্বশীল ও 24 তম ব্যাচের আপুরা উপস্থিত আছেন।
আমার মনে হয় কোন প্রবাসীকে দেশ থেকে অন্তত যাদের প্রবাস জীবনের অভিঙ্গতা নাই একজন প্রবাসীর মনের অবস্থা, তার একাকিত্ত্ব, তার আবেগ, তার কষ্ট, তার উদাসীনতা, তার নিরব কান্না এগুলো বুঝতে পারে না।
ছোট থেকেই আমি একটু উপার্জন মুখী ছিলাম তখন আমার বয়স ৭ কিবা ৮ বছর ক্লাস টু-তে পড়তাম পার্বত্য চট্টগ্রামে মানিকছড়ি রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়তাম,আমার বয়সের ছেলেরা যখন খেলা ধুলায় ব্যস্ত তখন
মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে সবার আদরের ছিলাম।বড় হওয়ার পর থেকে বাবা প্রবাস।তাই অভাব চোখে দেখি নাই।যখন যা চেয়েছি তখন তাই পেতাম।স্বপ্ন বলতে পড়া লেখা আর ভালো চাকরি ছাড়া কিছু দেখতাম না।
সমাজ যখন হাটবারে মেয়েদের নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো বর্তমান আধুনিক জীবনে মেয়েরা ঘরে বসে বিশাল এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে আবার ঘুড়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছে।দোয়া রইলো সব স্বপ্নবাজদের জন্য। দোয়া করি প্রিয় স্যারের জন
ফাউন্ডেশন থেকে বড় প্রাপ্তি আবেগ কন্ট্রোল করতে শিখেছি, নিজেকে চিনতে শিখেছি, এখন সব সময় বলতে পারি আমার প্রায় ৬৪ জেলায়ই পরিচিত ভাই বোন আছে আলহামদুলিল্লাহ 💖 আরও অনেক ভাই বোন আছেন যাদের নাম মেনশন করতে পা
প্রবাস জীবন কতটা কষ্টের দেশে অবস্থান করে সেটা বুঝার মতো ক্যাপাসিটি কারো নেই। প্রবাস জীবনের কষ্টটা উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
হাজার হাজার ভালো মানুষের দেখা, ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া, ভালো ভালো সামাজিক কাজকর্ম জেলাভিত্তিক মেসেঞ্জারে এড হওয়া,সেশন চর্চা মিটাতে অংশগ্রহণ করা নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা। ইনশাআল্লাহ,অনেক কিছু শেখার চ
৩০ মিনিট সময় আমাদের সাথে আলোচনা করার ,কথা থাকলেও, পরবর্তীতে স্যার প্রায় ১:৩০ মিনিট আমাদের সাথে মূল্যবান সময় কাটিয়েছেন।সে জন্য স্যারের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আমাদের এ সুন্দর প্রো
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেছি মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে যিনি আমাদেরকে করোনায় হাসপাতালের বেডে, শরীরের কোন অঙ্গ হানি করে ঘরে না বসি
শুধু এটুকুতে থেমে নেই বহুল আলোচিত বগুড়া বিখ্যাত দই বহু আগে থেকে দেশ ছেড়ে দেশের বাহিরেও সু-নামের সাথে ইমপোর্ট করে ছাড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের বগুড়া ও বগুড়া দই। বগুড়ার দইয়ের ছোট্ট একটু বিপরণ তুলে ধরলাম। 👇👇