ধন্যবাদ, ওয়ারী জোন সকল দায়িত্বশীল ও সদস্য দের। এভাবেই এগিয়ে যাবে ওয়ারী জোন।
এক আত্মীয়র শলা পরামর্শে ঔষধের ব্যবসা ছেড়ে গুলিস্তানে দোকান নিলাম প্যান্টের ব্যবসা করার জন্য। আমি প্রথমে অমত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে রাজি হয়েই গেলাম। ❤️ এ ব্যবসা আমি জানতাম না। পুরোপুরি ওই
ফাউন্ডেশনে যুক্ত হয়ার আগে আমি ঠিক মতো কারো সাথে কথা বলতে পারতাম না। সেই কথা বলার জড়তা কাটালাম। মানুষের সাথে কি ভাবে কথা বলতে হয় যানতাম না। অনলাইন বিজনেস কি সেটা যানতাম না। পার্টনারে কি ভাবে ব্যবসা কর
এসব কাজ শখ থেকে আজ পেশা হয়ে গেছে। এর পর বিজনেস শুরু করলাম কিন্তু লাভ হচ্ছে না তখন আমার অনেক জানতে ইচ্ছে হলো কি করে বিজনেস শিখতে পারি আর যখন ভাবছি তখন আমার প্রিয় স্যার প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্
আমি ভাই বোন সবাইর ছোট আমার বাবা মায়ের আদরের সন্তান, মায়ের পাশেপাশে থাকতাম। আমার আম্মু যখন মারা গেছেন, আমার পাসপোর্ট ছিল এম্বাসিতে রি-নিউ করার জন্য,ভিসার ছিল এক সাপ্তার মেয়াদ। এমন রিক্স নিয়ে গেলাম,বি
১৪/ বাংলাদেশের এই প্রথমবারের মতো সপ্তাহিক অনলাইন হাট, এটাই হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবেন। ১৫/ মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,, নাজনিন আপু কাজিন আপু এক সাথে বলে উঠলো মনির ভাই থামেন থাম
ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের অনুপ্রেরণায় আবার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আমার উদ্যোগতা জীবন পুনরায় শুরু করার জন্য, আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দোয়ায় নতুন করে উদ্যোগতা হিসেবে পথচলা শুরু করতে পারি।
প্রায় ছয় বৎসর বেকার ছিলাম কি করবো বুঝে উঠতে পারিনি। তখন দেখি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের পেজ টা আমার বন্ধু মনির ভাইয়ের একটা পোস্ট। তখন মনির ভাইকে বিস্তারিত জানতে পারি। তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ক
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
আমাদের শিশুকাল ছিল অনেক স্বচ্ছ ও সুন্দর। ঘুম থেকে উঠে মসজিদ, মসজিদ থেকে এসে স্কুল। তার পর সারাদিন খেলাধুলা, সন্ধ্যা হলে পড়তে বসা, নানা বাড়ি কাছে থাকায় মাঝে মাঝে পালিয়ে চলে যেতাম নানা বাড়ি। যেটা আমার
আমাদের "স্বপ্নীল সুনামগঞ্জ" জেলার একঝাঁক স্বপ্নবাজদের নিয়ে আয়োজিত হয় আজকের মিটআপ। আজকের মিটআপে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা টিমকে পরিপূর্ণ করতে।
স্বাভাবিকভাবেই বাবার রাজকন্যা আমি, বাবা আমায় একেক সময় একেক নামে ডাকতেন, দিলকি টুকরা, আখোকা রোশনি, মা, স্বর্বজায়া এই নাম গুলো আমার মনে আছে ৷ছেলে বেলাটা গ্রামে কাঁটলেও গ্রামিন পরিবেশ বা গোরামি গুলো কখনো
তাড়াতাড়ি সব কাজ শেষ করলো। কিন্তু কি পড়ে যাবে ভেবে পাচ্ছিল না। আলমারি খুলে অনেক শাড়ী দেখলো কোনটা পড়বে বুঝতে পারছে না। দেখতে দেখতে চোখে পড়ল নীল রংয়ের একটা শাড়ী। সেটা বেড় করে পড়ে নিল। সাথে নীল চুড়ি কপালে
মহাসম্মেলন আগের তিনদিন শুরু হলো, সারা দেশে অনেক বৃষ্টি এবং সাথে শীততো আছে। এ যেনো পরিস্থিতি প্রতিকূলে চলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সম্মেলনে যাওয়া হবে না। কিন্তু আমি যে কাতার টিমকে কথা দিয়ে আসলাম, সম্মেলনে যা
কম্বল বিতরনে উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মেম্বার, ও মুরুব্বি গণ.. এবং টাংগাইল জেলার নিবেদিত মানবিক ভলেন্টিয়ার Ashik Ahmed ভাই আমি
টাকা ছাড়া, তদবির ছাড়া, নিজের যোগ্যতা বলে একটা সরকারি চাকরি পেয়ে গেলাম- এটা সম্ভব,,,,,,,, এটা আমার জীবনে বড় ধরনের মিরাক্কেল আমি বিশ্বাস করি এটা শুধুই আমার মায়ের দোয়া আমার মায়ের দোয়া ভালোবাসার হ
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি এই প্লাটফর্মে তৈরি করে আমাদের মাধ্যমে এক বন্ধন এর সৃষ্টি করেছেন ।
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল ৯ জানুয়ারি ২০২১ মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে। আমরা সবাই টিকিটের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
আমাদের প্রত্যেকের জীবনের একটা গল্প আছে। অতীতে ফিরে গিয়ে গল্পের শুরুটা কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা গল্পের শেষটা চাইলেই নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারি।জীবনের বাস্তবতা ব
পরিবার জন্য পাটিয়ে দিতাম মা বাবার ভাই বোনের ওষধ খরচ ওপরিবারের খরচ সবমিলিয়ে একপ্রকার হিমশিম খাচ্ছি তার উপর ছোট ভাই বোন আছে ওদের পড়াশোনা করছে তবে আরো দুই ঈদের সময় ঈদের অতিরিও টাকা জমানো অনেক কটিন হয়ে যে
প্রতি মাসে নতুন সদস্য যুুক্ত করানো ও উদ্যোগক্তা তৈরি করা সহ আরও অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি যেটা বাস্তবায়ন করে আমরা উপজেলা টিমকে আরও এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
মিটআপ এ প্রাণ প্রিয় গ্রুপের সব বিষয় কথা হইলো। এবং আমাদের মহা সম্মেলনের বিষয় কথা হয়েছে, আমরা কিভাবে সম্মেলনে যোগ দিতে পারি।? এবং আমার জেলাটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।? আসলে অফ লাইন মিটআপ এর কোন
নিজের জীবনের কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন " আমার পরিবারের প্রিয় ভাই বোনদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার উদ্দেশ্যে 23 সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট করি। পোস্টটি "স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে" নি
আলহামদুলিল্লাহ নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্বরেকর্ড উদযাপন। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে, এতো সুন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন," আমি অভিভূত। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের এই এগিয়ে যাওয়ার গল্প আমাদের সবাইকে বেশ অনুপ্রাণিত করছে, আমি এই ফাউন্ডেশনের সাথে সবসময় থাকবো।"
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
আমি বাজারে যাইনি কোনো দিন কিন্তু আমি যে দোকান থেকে সদাই-পাতি আনি আমি কিন্তু রেগুলার কাস্টমার সেই সুবাদে তার দোকান থেকে সব কিছুই নেই একদিন কি হলো আমি ভাইয়ার দোকানে গিয়েছিল ভাইয়া কেন যানি আমাকে দেখেও
"যখন কোনো মুসলিম গাছ লাগায়, অথবা কোনো ফসল বোনে, আর মানুষ, পাখি বা পশু তা থেকে খায়, এটা রোপণকারীর জন্য সদাকা হিসেবে গণ্য হয়। (সহীহ বুখারী, হাদীস ২৩২০; সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৫৫৩)"
আপনি ইচ্ছা করলেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শীতার্তদের সাহায্যার্থে অামাদের সাথে অংশগ্রহন করতে পারবেন।
#আলহামদুলিল্লাহ। জাগ্রত কিশোরগঞ্জ জেলার অনলাইন সেশন চর্চা ক্লাস টানা #৪০০_তম_দিন ফিজিক্যাল মিটআপের মাধ্যমে উদযাপন হলো শুকরিয়া। আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের দিক নির্দেশনা
উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০২২, শরীয়তপুর জেলা নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন
পান্তা ইলিশ সহ যাবতীয় সবকিছু ইভানের আম্মু রান্না করেছে। কিন্তু আমাকে তো কিছু একটা রান্না করতেই হবে, তাই শেষমেশ লইট্টা মাছ রান্না শুরু করলাম।
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
" মানুষ মানুষের জন্য কিন্তু আমরা সকলের জন্য
আমার জন্ম লক্ষীপুর জেলায়। গ্রামে জন্ম তাইতো প্রকৃতির মতোই ছিল আমার বৈশিষ্ট্য। ছোট থেকেই ছিলাম দুষ্ট, চঞ্চল, হাসি - খুশিতে ভরপুর একজন মানুষ।লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ, কারাতি, সেলাই,
এইটা পড়ে মনে সাহস যোগালো এবং নিজের কিছু একটা করবো আর পিচিয়ে থাকবো না। আল্লাহ নাম নিয়া দুইজন পাটনারে দোকান নিয়ে নিলাম আল্লাহ রহমতে ভালো চলতাচে দোয়া করবেন সবাই। সামনে দিগে যেনো আরো এগিয়ে যেতে পারি।
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
হ্যাঁ সিদ্ধান্তটা সাথে সাথেই হুট করে নিয়ে নিলাম। কারণ আমার সই ছিলো পুরান ঢাকার মেয়ে, সে হিসেবে ওর চেনা জানা কিছু কাপড়ের দোকান ছিলো। পুরান ঢাকার কাপড়ের ব্যাপারে অনেক শুনেছি, যখন বাটিকের কাজ শিখলাম।
হবিগঞ্জে আমরা যে বাসায় থাকতাম (৩য় তলায়) ঐ বাড়িতে বসবাসরত প্রায় সব মহিলারা কেন জানি আমাদের খুব ভাল বাসত। আমার স্বামী অফিসে যাওয়ার পর আশেপাশের ভাবীরা চলে আসত হাতের কাজ শিখার জন্য সাথে গল্প করার জন্য। সে
আমাকে যে সফল হতেই হবে। স্যার সবসময় বলে হার বা শেষ বলে কিছু নেই। শেষ থেকে শুরু অতীতকে আঁকড়ে ধরতে চাই না অতীতের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাব অতীতের শিক্ষাগুলো কাজে লাগাবো বর্তমানে। লেগে থাকা যে কত জরুরি তা
আসসালামু আলাইকুম আগামীকাল বিকেলে ৩ ঘটিকায় মৌলভীবাজার জেলার মিট আপের আয়োজন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সফল হলো আমাদের মৌলভীবাজার জেলার মিটআপ,অসংখ্য ধন্যবাদ সিলেট মেম্বার রা
২০১৩ সালের জুন মাসে ১৩ তারিখ, জন্ম ভূমি আমার মাতৃভূমি বাংলার মাটি ছেড়ে আমার জনম দুঃখী মা কে ছেড়ে আমার কলিজার টুকরো একমাত্র সন্তান যার বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস, সবাই কে রেখে জনম দুঃখী মায়ের মাথায় বিশাল এক
সর্বপ্রথম 2014 সালে ডিস ও ইন্টারনেট নাইনের ব্যবসা শুরু করি। আমার শুরুতেই প্রায় 5 লক্ষ টাকার কাছাকাছি ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। ব্যবসা শুরু করার এক বছরের ভিতর আমার এলাকায় এবং আমার ব্যবসায়িক এলাকায় নদী
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
আমিও বাবাকে এই গ্রুপে অ্যাড করিয়ে নেই, বাবার শেখানো শিক্ষায় আমার এটুকু জীবনের পথচলা, আমার জন্য আমার বাবা ও একজন শিক্ষক,কিন্তু আমার বাবা ওএই গ্রুপে শিখে, আমিও শিখি, কারণ আমরা জানি শিক্ষা এবং জানার কো
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
ভ্রমণ সবসময় আনন্দ দেয় মাংসের বদ্ধ ঘরে ক্রান্তি আসলে ঘুরতে যাওয়া উচিত মাইন্ড কাজে মন বসে এটা একটা জীবনের