২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে ২৪ তারিখে.. শুরু হলো প্রবাসের_জীবন মালয়েশিয়া চলে আসলাম। নতুন স্বপ্ন নতুন দেশ কাজ করে অনেক টাকা ইনকাম করে দেশের পাঠাবো স্বপ্ন দেখতে দেখতেই হঠাৎ শুরু হলো দুঃস্বপ্ন
আলহামদুলিল্লাহ গ্রুপ এবং অফলাইনে আমার সেল প্রতি মাসে ৬-১০ লক্ষ টাকা টাকা।গতমাসের সেল ৮ লক্ষ প্লাচ। আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় এগিয়ে চলছে আমার স্বপনের প্রতিষ্ঠান AHNAF organic foods
অনেক প্রতিক্ষার পর নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের প্রথম মিটআপ সম্পন্ন হলো রাজবাড়ী তে। যদিও সদস্য সংখ্যা অনেক কম, তার পরেও অনেক ভালো লেগেছিল আপনাদের সাথে এতটা সময় থাকতে পেরে।
পরিবারের কাউকে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ঐ অটো চালকের বাড়িতে নেওয়ার পর শুরু হয় ফয়সালে দুষ্টামীর চরম সীমা। যা আমাদের সবাইকে বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে পেলে দেয়।
বাংলাদেশ দূতাবাসের মাননীয় রাস্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি এর সাথে NRB Kuwait টিমের কান্ট্রি এম্বাসেডরদের সৌজন্য সাক্ষাৎ।
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা সেন্ট্রাল টিম - সমন্বয়ে ওয়ারী জোন প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন করছে ।
আজ আমি যেই পরিবারের কথা বলব তা হচ্ছে ভালো মানুষের পরিবার। ভিন্ন রকমের পরিবার। সৎ ও বিনয়ী মানুষের পরিবার। আপনারা ইতপূর্বে যেই পরিবার গুলো দেখেছেন তার মধ্যে গুগলের তথ্য মতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের সদ
আমি সম্পূর্ণভাবে আমার দোকানে বাস করে খুব ভালোভাবে এক ভদ্রলোক এডিক-ওদিক ছোটছুটি করছি আমি ব্যাপকভাবে কি গভীরভাবে আমার দিকে বলতে চাইছি আমার একজন সিজারিয়ান রোগীর রোগী হসপিটালে গঠনের জন্য তাঁর ওটিভ এক ব্য
চমৎকার ভাবে সম্পূর্ণ হলো আমাদের পজিটিভ শরীয়তপুর জেলার সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অফলাইন মিট-আপটি।
যে মেয়েটা তুমি মানুষের সামনে যেতে ভয় পেতে। ছেঁড়া কাপড় পরতে, সেই মেয়েটা আজ তুমি হাজারো মানুষের মাঝে মাথা উঁচু করে নিজেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বক্তব্য দাও। তোমার কথা শুনে অনেক উৎসাহিত হয়, অনুপ্রাণ
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
চমৎকার অফলাইন মিট-আপ করে আজ ঢাকার সেরা জোনে ভূষিত হলেন আলহামদুলিল্লাহ্। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন আমাদের ফাউন্ডেশনের রুপকার জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার
_______________গতকাল রাতে আসলে একটি মেসেজ আমাকে খুব অবাক করে।প্রিয় এক আপু হঠাৎ মেসেজ করেন আমার আচার আইটেমর একটি পণ্য সম্পর্কে জানতে। আমি প্রথমে ভাবলম হয়তো সে এমনেই জানতে চাচ্ছে।কিন্তু কিছু খনের মধ্যে
এই গ্রুপ থেকে যেই পরিমান ভালবাসা পেয়েছি,তার বিনিময়ে আমি কিছুই দিতে পারি নি।।আমি কৃতজ্ঞ আমাদের এক লক্ষ ভাই বোনের কাছে।। আমি কৃতজ্ঞ আমার প্রিয় ইকবাল বাহার স্যারের কাছে।।যেই ভালবাসা স্যার আমাকে দেখিয়েছ
তৃতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। চিকিৎসা করার জন্য আমাকে পাঠানো হয় ধানমন্ডি মর্ডাণ হাসপাতালে। সেখানে আমার দাদা ভুল করে অন্য ঔষধ আমাকে খাইয়ে দেয় যার ফলে আমাকে ইমারজেন্সিতে ট্
আমি অত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মেয়ে। বাবা-মা, ছোট ভাইকে নিয়ে আমার ছোট পরিবার। বাবা বরাবরই ঢাকায় থাকতো, আমরাও ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। তারপর গ্রামে গিয়ে ৩য় শ্রেণিতে ভর্তি হই ২০০৩ সালে। ভালোই চলছিল আমাদ
শুভ জন্মদিন। প্রিয় প্লাটফর্ম " নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর আজ ৪র্থ জন্মদিন। আলহামদুলিল্লাহ্। এই দিনটি কে স্বরনীয় করে রাখার জন্য ও তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে হয়ে গেলো আমাদের খাগড়াছড়ি অফলাইন
দিন আনে দিন খায়-গাজীপুর জেলা কতৃক ত্রাণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
আমার জন্য একটা শাড়ি ও হাজবেন্ড এর জন্য পাঞ্জাবী দেন দিলাম ওনি পছন্দ করে নিলেন। তখন ওনি বললেন কাল ঢাকা যাব সার্টিফিকেট আনার জন্য তো সেখানে একটা প্রোগ্রাম আছে এর জন্য ভালো দেখে একটা থ্রিপিছ
একদিন আমি পল্টনের একটা শপে যাই। যেটা কিনা আমাদের ফাউন্ডেশনের এক ভাইয়ার শপ ছিল। আমি জানতাম ও না সেখানে গিয়ে কথা বলছিলাম আর ভাইয়াকে দেখে মনে হচ্ছিল কোথায় যেনো দেখেছি।
যখন ই প্রতিযোগিতা মূলক কোন আয়োজন হয় তখনই কিন্তুু মানুষের আগ্রহ বাড়ে। কে না চায় সেরা হতে। তাই প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে সেরা লেখাটা দেওয়া চেষ্টা করে আসছে। অনেকের হয়ত ব্যস্ততার জন্য লেখার ইচ্ছে টা ন
বৃষ্টি সবার জন্যই পড়ে, কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। প্রিয় স্যারের এমন হাজারো বাণী কতই না পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে। বিশেষ করে প্রিয় স্যার এবং প্রিয় গ্রুপের এত এত প্রিয় মুখগুলোর কাছে সারা জীবন আমি কৃতজ্ঞ
প্রতিটি মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। আর সে লক্ষ্যেই মানুষ এগিয়ে যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে পড়াশোনা শেষ করে একজন আদর্শ শিক্ষিকা হব। তাই হল। বিএ পাস কর
প্রিয় স্যার আমাদেরকে সবসময় শিখিয়েছেন, সততা ও কমিটমেন্ট বজায় রেখে আমরা যেন রিপিট কাস্টমার তৈরি করি। আর সেই রিপিট কাস্টমার একদিন হবে আমার ব্র্যান্ড,,
২০১৯-২০-২১ সালে ৩৫০ টি পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন তা প্রতিটি উপজেলায় সমভাবে বন্টন করা হয়। 🔘২০২১ সালে বন্যার মধ্যে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা দেওয়া হয়। 🔘১০০০ তম দিন উদযাপন উপলক্ষে দ
স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে।আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট। সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক। সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগি
সারা দিন মন খারাপের মাঝে কর্ম ব্যস্তায় সময়টা কেটে যার, রাতে অবসর সময় মোবাইলটা হাতে নিয়ে যখন ফেইসবুকে ঢোকলাম তখন দেখি অসংখ্য মেসেজ। সবাই শুধু Congratulations জানাচ্ছে আমাকে। আমি আসলে ভাবলাম এতো এতো C
তার পর ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে কিছু টাকা দেন হাত খরচে জন্য সব টাকা তো আপনার কাছে দিচি আমার মা বাবা দুইজন এই নেই সব তো আপনার কাছে। তার যবাবে আমার কাছে কোনো টাকা নাই আমি সংসারে খরছ করে ফেলেচি আমার ক
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
আলহামদুলিল্লাহ, অত্যন্ত সুন্দরভাবেই সম্পন্ন হলো কেরানীগঞ্জ জোনের অসাধারণ মাসিক মিটআপ। মিটআপের মূল উদ্দেশ্য ছিলো, আসন্ন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন, উদ্যোক্তা তৈরীর কেন্দ্র প্লাটফর্মের ৫ম উদ
প্রতিটা মানুষের জীবেন, নিজের বলার মতো একটা গল্প থাকা প্রয়োজন, সেটা হতে পারে সফলতার, হতে পারে ব্যার্থতার, হতে পারে কষ্টের গল্প, সবাই চাই সফল হতে, আমি তার ব্যাতিক্রম নই - আমি ও সেই চেষ্টাই করে য
ভরিয়ে দেয় মন ভাবনার ও উর্ধে কোন অদৃশ্য মায়াজালে অনুভবের এই অনুভূতি নিত্য যথা থাকে না সমান তালে ' ঠিক তাই অনুভবের অনুভূতির পাল্লা যখনই বেশি ভারি হয় তখন অনুভূতি প্রকাশ করাটা বড় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তেম
সেই লক্ষী আমার ঘরে আসার পর কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করলো। আমি জানিনা কি ঠিক কি বেঠিক, তবু সময় চলে তার মত করে, শুধু আমরা পারিনা সময়ের দাম দিতে। আমার মেয়ের এক দেড় বছরের মাথায় আমি ভাল কাজের আশায় আমার পরিব
দেন একসপ্তা আগের ঘটনা, আমার বন্ধু শফিকের সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের দিই তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। আমার বন্ধু বাড়ি কিশোরগঞ্জ ও থাক তো ঢাকাতে আমিও তখন ঢাকাতে থাকতাম দুজনেই একি কোম্পানিতে জব করতাম।
শুরুটা ছিল ছোট একজন উদ্দোক্তা হয়ে,,,,,,,, আমার ডিজাইন করা মাত্র ৬টা থ্রীপিছ ও ১ টা বেডসিট করেছি। আড়ং এ ঘুরে ঘুরে ওদের ডিজাইন দেখেছি,ওদের মতো করিনি। আমি আমার মতো করে করেছি। আচ্ছা এখন তো রেডি কি করব
দেখতে দেখতে ৯০ টা দিন অর্থাৎ ৩ মাস চলে গেল আমাদের কর্মশালার। প্রতিদিন আমরা কানেক্টটেড ছিলাম - এটা কিন্তু একটা বিশাল অর্জন। এবং শেষ হল টানা ১০ টি ব্যাচের ৯৩১ দিন। টানা এই ৯০ দিনের লম্বা জার্নি আপনাদের
সাগরকন্যা_পটুয়াখালী জেলা কর্তৃক আয়োজিত পটুয়াখালী জেলার ২০২৩ সালের কর্মপরিকল্পনা, নবীন বরন ও মহা সম্মেলনে পরবর্তী গেট টুগেদার মিটআপ।
অনেক বাবা মা আছে ৩ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ডায়পার পরিয়ে রাখেন।রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য এই কাজ টা করেন।কিন্তু আগে কার মা রা বাচ্চা দের শুধু কাঁথা দিলে পালতেন।তখন বাচ্চাদের এতো সমস্যা ছিল না।
সাহিত্যিক — মানিক বন্দোপাধ্যায় # কবি — বুদ্ধদেব বসু #প্রখ্যাত লেখক — সমরেশ বসু #বাংলা চলচিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা — ভানুবন্দ পাধ্যায়, তাহসান খান # বি চৌধুরী, ইয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রাক্তন রাষ্ট্
লালবাগ জোন চমৎকার ভাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজার আজীবন সদস্য সেলিব্রেশন করে। তার মধ্যে ব্যাতিক্রম আয়োজন ছিলো কুইজ প্রতিযোগিতা।
আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই খুবই আনন্দ লাগছে প্রিয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যার দৃষ্টি গোচর হতে পেরে। কেমন কেমন করেই যেন আজকের মিট আপ টা হয়ে গেল। আমার ডাকে টিকিট নিয়ে হাজির প্রিয় বগুড়া জেলা টিমের
ইরাক এবং ইরানের যুদ্ধ সময় বাবা একবারে দেশে চলে আসে,আয়ের পথ বন্ধ, কিছুদিন যাওয়ার পর বাবার কেনা জমিগুলো এক এক বিক্রি শুরু করলো,এর মাঝে আমার বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বাবার কেনা জায়গায় বিক্রি পর এবার দা
অফলাইন মিট আপ মানেই উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা। খুবই অল্প সময়ের নোটিশে উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
সময়কে মানিয়ে নিয়েছি উদ্যোগ জীবনের সাথে। কারন এই সময়ের সাথে জড়িয়ে আছে নানা জড়তা। স্বপ্ন ছিলো ব্যাংক জব করবো, সেভাবে নিজেকে তৈরিও করেছি, কিন্তু বাচ্চাদের কথা ভেবে আর করা হলো না। একটা সময় এসে জী
আলহামদুলিল্লাহ , গোপালগঞ্জ জেলা, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কাজ সু সম্পন্ন হয়েছে।
সত্যি বলতে বাবাকে নিয়ে বাবার গুনগান যত বলবো আমার মনে হয় ততোই কম বলামহবে। বাবাকে নিয়ে লিখলে কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে, খাতার পৃষ্ঠা শেষ হয়ে যাবে বাবার গুনগান লেখা শেষ হবে না । আমার বাবা সহজ সরল একজন
একদিন সেশনে পড়লাম স্যার বলছে ইউনিক কিছু নিয়ে কাজ করতে। ডাক্তার বান্ধবীদের পরামর্শে অর্গানিক তেল নিয়ে কাজ শুরু করি নতুন করে। অনেকে আমাকে চেনে না,বুড়ি মহিলার সাথে কে বন্ধু তো করে।তবে করবে, আমি নিশ্চিত
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
প্রতিটি মানুষের শৈশব হাসি আনন্দ আর খেলাধুলায় কাটে।ঠিক তেমন আমার ছোট বেলা ছিল আনন্দ মুখরিত। সবার ছোট থাকায় সবার অনেক আদরের ছিলাম। আল্লাহর রহমতে কখনও কিছুর অভাব করি নাই।