জেসমিন নামেই সবাই আমাকে ডাকে,,ছোট বেলা থেকে শ্বপ্ন দেখতাম বড় হয়ে সরকারি চাকরি করবো। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হলো না। সাধারন মানুষের মতই চাওয়াটা নিরবে নিব্রিতে মনের ভিতরই দাফন হয়ে গেছে সেটা অর্জন করা
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর থানার শ্রদ্ধেয় OC Mohammad Mohsin PPM স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় স্যার আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে এত ব্যস্ততার ভিতরেও কিছুটা সময় আমাদের
বাইরে রোদের মধ্যে খেলতে খেলতে গায়ের কালার উগান্ডার নাগরিকদের মত হয়ে গেছিলো। একদিন ঈদের সালামি জমা করে আমার জীবনের প্রথম ক্রিকেট ব্যাট কিনি। তখন নিজের একটা ব্যাট থাকা মানে অনেক কিছু।সবাই ডেকে ডেকে খেল
সকালে ঘুম ভাঙলো সূর্যের আলো চোখে পড়াতে। চোখ খুলেই দেখি আমাদের চারপাশে ওনেকগুলো কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে এবং মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে এবং আমাদের নিয়ে মজা নিচ্ছে। চুল নাক কান দেখে ধরে আশ্চর্য হচ্ছে। তাদের মজা নেয
আমি বিভিন্ন কাজ শিখতে ভালোবাসি🥰 ছোট থেকেই কিছু শেখা নিয়ে অবহেলা ছিলোনা। যখন যেই কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছি তাহ ছাড়া করিনি🥰 তবে এগুলো খুবই সামান্য! আমাকে জীবনে আরও অনেক কিছু করতে হবে।৷
❣প্রাপ্তি কথাটি খুবই ছোট একটি শব্দ হলোও এর পরিধী ব্যাপক ও বিস্তৃত। আমাদের প্রিয় পরিবার, "নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সদস্যদের এই ফাউন্ডেশন থেকে অনেক ধরনের প্রাপ্তি রয়েছে।
বিয়ের কিছুদিন পর জানলাম স্বামীর বাজে নেশা আছে সে টাকা দিয়ে জুয়া খেলে। অনেক চেষ্টা করলাম ভালো করার জন্য কিন্তু হলো না বাবার বাড়ি থেকে টাকা গয়না সব শেষ করে দিলো আমার, এবং নানা ধরনের মানসিক শারীরিক
আমি একজন গ্রামের ছেলে আমি যে স্কুলে লেখাপড়া করতাম সেই স্কুল টা আমাদের গ্রাম থেকে দুই কিলোমিটার দূরে প্রতি দিণ আমাকে
কিশোরগঞ্জ জেলায় এসে আমি আর আমার মেজো ভাইয়া মিলে পরামর্শ করি তাহলে এবার বাবাকে অবসর নিতে হবে। বাবা আর কত করবে। বাবা কে আমার দুই ভাই মিলে বলি বাবা এবার আপনি অবসরে যান,জিবনে তো অনেক কষ্ট করছেন।বাবা তখ
স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে একটা সময় নিজের একটা ব্যবসা তৈরি করবো। সত্যি বলতে প্রবাস জীবন আর ভালো লাগে না। দেখতে দেখতে ১২ বছর চলে গেলো। ইচ্ছে করে এখনি চলে যাই। মন চাইলে তো আর যাওয়া যাবে না। নিজের পরিবারে
সেই আদিকাল থেকেই এ প্রবাদ বাক্যটা মানুষের মুখে-মুখে চলে আসছে। কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করা এবং সে ইচ্ছাকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা সত্যিই কষ্টকর ব্যাপার। মানুষের ইচ্ছা শক্তি বাড়ানোর উপায় বের
নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ঢাকা জেলার এম্বাসেডর ও ওয়েব টিম এর গর্বিত সদস্য সোহানুরন রহমান সোহান ভাই। প্রিয় প্লাটফর্মের ৩য় ব্যাচ থেকে লেগে আছেন, ঢাকার বিভিন্ন মিট আপ আয়োজন সহ গ্রুপের সামাজিক কাজে
পটুয়াখালী জেলার সম্মানিত সকল ভলান্টিয়ারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যারা অর্থ সহযোগিতা দিয়ে এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন আল্লাহ তায়ালা তাদের জান,মাল হায়াতে বরকত দান করুন।।
এইচ এস সি পাস করে চাকরির জন্য ঢাকা চলে গিয়েছিলাম। আঠারো বছর বয়স না হওয়ায় চাকরি আর হলো না। হতাশা আর চোখে মুখে অন্ধকার নিয়ে বাসায় চলে আসি।কিন্তু মনের মাঝে স্বপ্ন বুনে রেখেছি নিজেকে কিছু করতেই হবে।
বর্তমানে আমার ছোট চাচা আমাদের মধ্যে আছে।আমার ছোট চাচা আমার মধ্যমনি। আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। তিনিও আমাকে ছোটবেলা থেকে অনেক ভালোবেসেছেন।তার ভালোবাসা আমি কখনোই বোঝাতে পারবো না। আল্লাহর দরবারে দোয়া করি যা
কিন্তু কত দিন মনের মধ্যে এই হতাশাকে বাসা বাঁধতে দিবেন? আপনি কি জানেন আপনি নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন? আমাদেরকে মন থেকে হতাশা কে চিরদিনের জন্য দূর করতে হবে, হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ
যেই মা স্যারের মতন একজন গর্বিত মানুষ আমাদের জন্য পৃথিবীতে এনেছেন। এমন ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের মত সন্তানের মা হওয়ার সৌভাগ্য যেনো হয় আরও মায়ের।
বিচিত্র এই পৃথিবীতে মানুষ কত ভাবে সারভাইপ করে। আসল কথা হচ্ছে আপনি ভালো কিছু করতে চান কিনা। মনকে স্থির করুন ,সময় কে কদর করুন । লেগে থাকুন, সাফলতা আসবেই ।
ভিন্নধর্মী মিট আপ *ফিজিক্যাল মিটআপে উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী * আমরাই ক্রেতা আমরাই বিক্রেতা স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ফিজিকাল মিট আপ। আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zah
ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম তরান্বিত করার জন্য আমরা আলমডাঙ্গা উপজেলা টিম সব সময় কাজ করে যাচ্ছি।আগামী দিন প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়ে চায়।
পরের দিন আবার আমাকে কল দিল, ভাইয়া আপনার ড্রাই ফ্রুটস তো অনেক সুস্বাদু- আমরা গত রাতে পুরোটা খেয়ে শেষ করে ফেলছি। আমিঃ ও আচ্ছা ভাইয়া, ভাবী খুশি তো আমরা সবাই খুশি তো আরো লাগবে নাকি।
উত্তরে শিশুটির মুখ থেকে আসে আমি বড় হলে ডাক্তার হব, বা ইঞ্জিনিয়ার হব, বা পাইলট হব। কারণ তার ব্রেনে প্রতিনিয়ত কাজ করে মা বাবার স্বপ্ন দেখানো পথে হাঁটতে হবে।
আমার জননীআমাকে কথা বলতে শিখিয়েছেন। যা পৃথিবীর অন্য কোন শিক্ষকের দ্বারা সম্ভব নয় মা শিক্ষক ছাড়া। মা আমাকে শিখিয়েছেন কিভাবে বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করতে হয়। নম্রতা, ভদ্রতা, সততা, সত্যবাদিতা এই সবেই
কাজ শেখার কিছু দিন পর শুরু হল বন্যা। সেই ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা এক পর্যায়ে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেল বাসার ভিতরে গলা পর্যন্ত পানি। অবশেষে বাড়িয়ালার পাঁচতলা বিল্ডিং এর ছাদে থাকলাম। কিছুদিন বন্যা কমে
স্বাভাবিকভাবেই বাবার রাজকন্যা আমি, বাবা আমায় একেক সময় একেক নামে ডাকতেন, দিলকি টুকরা, আখোকা রোশনি, মা, স্বর্বজায়া এই নাম গুলো আমার মনে আছে ৷ছেলে বেলাটা গ্রামে কাঁটলেও গ্রামিন পরিবেশ বা গোরামি গুলো কখনো
ভাগ্গিস মহিলাটা গায়ের উপর পরছিল 🤔🤔🤔🤔। মহিলা উঠেই চিৎকার করল আমার বাচ্চা আমার বাচ্চা। ড্রাইভার বকা দিচ্ছিল গেট কেন খুললো। গাড়ী চালাতে যাবে তখন মহিলা আবার চিৎকার তার বাচ্চা নিচে, চালাতে বারণ করল। সব
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
এখান থেকে বেশকিছু দিন আগে আমার আইডির একটা পোস্টে একটা লাইক আসে যে আইডির সাথে আমি এড নেই। যাইহোক রাতে আমার বিজনেসের জন্য যে নম্বরটা ইউজ করি সেটাতে কল আসে।রিসিভ করতেই সালাম দিলাম।সে ও সালামের জবাব দ
আমাদের কোম্পানি শুরু হলো ।প্রাথমিক অবস্থায় কাজ অনেক কম ছিল কারণ প্রথম বছর যা ইনকাম করেছি সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গেছে। আমাদের কোম্পানি এখন তৃতীয় বছর চলছে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি ভালোভাবে চলছ
আমার স্বপ্ন সন্তানদের লেখাপড়া শেষে শীঘ্রই দেশে ফিরবো, খামার এবং আরো কিছু কার্যক্রম করবো ইনশাআল্লাহ, বিজয়ের মঞ্চে সেরা উদ্যেক্তার পুরস্কার নিব।
সকল জোন এবং উপজেলা এম্বয়াসেডরগন তাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
আপনি কি ইনসাফ ফুড গার্ডেন এর স্বত্বাধিকারি, আপনার কাছে কি, কি পন্য পাওয়া যায়। আমিঃ প্রিয় ভাই আমার কাছে পাবেন, খেজুর, মধু, তিন ফল,ড্রাই ফ্রুটস, কালোজিরা তেল, আরো রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের কাচের বোতল
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ (বাবাকে নিয়ে আমার জিবনের সুখ ও দুঃখের কাহিনি) ---সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাদেরকে এই
তার কিছুদিন আগে ঘরে বসে ভাবছিলাম কিভাবে সেল করব। খুব টেনশনে ছিলাম কিন্তু সেই সময় আমাদের প্রিয় স্যার আমাদের অভিভাবক আমাদের জন্য ৭ দিনের দারুণ একটি সুযোগ নিয়ে আসলেন। যেখানে আমরা ঘরে বসেই নিশ্চিন্তে আ
এসএসসি পাশ করলাম কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, কিন্তু...............আমি দেখেছি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাব, অনাটন, বড় বোনের বিয়ে ছোট ভাই বোনদের, পড়ালেখার খরচ সংসারের খরচ।আমার মধ্যে একটি জেদ সবসম
স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমরা এভাবে গরীব অসহায় দের পাশে থেকে পুরো রমজান ভালবাসা বিলাই চালু রাখবো ইনশাআল্লাহ।, প্রিয় স্যার এর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি,ধন্যবাদ সবাইকে, আল্লাহ হাফেজ।
কিছুদিন মধ্যে পেয়ে গেলাম "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের " খুজ। ফেসবুকে স্যারে একটা ভিডিও দেখলাম- স্যার বলছেন, প্রবাসীরা হচ্ছে বাংলাদেশের অক্সিজেন। প্রচন্ড ভালো লাগলো কথাটা -দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ন
নতুন করে কিছু শুরু করার সাহস পাই। এবং যে রকম যুদ্ধ বা সংগ্রামই আসুক না কেন, জীবনে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হয়।
রাজশাহী জেলা টিম স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ইং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর ঢাকার ১১ জোনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ সফল ভাবে সম্পন্ন হলো❤️
চমৎকার সফল আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো অদম্য টাঙ্গাইল জেলার #প্রস্ফুটিত_গোপালপুর_উপজেলার ফিজিক্যাল মিটআপ।
স্যারের দুঃসাহসিক সিদ্ধান্তে ১৬৪ জন সদস্য নিয়ে আমাদের ফাউন্ডেশন এর শুরু হলেও এখন আমাদের ২লক্ষ ২১ হাজার আজীবন সদস্য আছেন।
A platform of 'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) is empowering youths by connecting inspiring tales from different corners of Bangladesh. NBMEGF has inspired 100 thousand entrepreneur
আজকের মহান বিজয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি লাখ শহীদের প্রতি যাদের অক্লান্ত ত্যাগ থেকে এসেছে আজকের এই মুক্ত স্বাধীনতা ও মুক্ত মানচিত্র, তারা যদি দেশের জন্য মায়ের বুকটাকে খালি না করত হয়তবা আমরা পে
ধন্যবাদ, ওয়ারী জোন সকল দায়িত্বশীল ও সদস্য দের। এভাবেই এগিয়ে যাবে ওয়ারী জোন।
বিভিন্ন জোন এবং উপজেলায় ভালোবাসা বিলায় প্রজেক্ট উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল চলমান রয়েছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।
যখন আমি চাকরি পেয়েও হতাশায় ছিলাম তখন আমি ২জন মানুষকে পাশে পেয়েছি মা ও বাবাকে। মা ও বাবা আমাকে বলছিলো চেষ্টা চালিয়ে যেতে সফল একজন উদ্দোক্তা হতে পারবো। তাদের দোয়ায় কিছুটা বিলম্বে হলেও আমি সাফল্যের মুখ দ
অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলিল ভাবে সম্পন্ন হলো অতন্দ্র গাজীপুর জেলার টিকেট মেলা।
নিজের বলার মতো একটা গল্পের" নীলফামারী জেলার ঈদ পুণর্মিলনীর কিছু ছবি ও কার্যক্রম। এখানে পরিচিতি পর্ব শেষে আমরা উদ্যোক্তাদের প্রমোট করেছি,উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আলোচনা
সম্ভাবনার পথে আমরা একসাথে বমেহেরপুর জেলা টিম, কতৃক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে