নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
আমি জন্মগ্রহণ করি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানায় শ্রীধরপুর গ্রামে আমরা মোট ৭ভাই বোন, ৪ভাই ৩বোন আর বাবা মা-কে নিয়ে মোট ৯জনের পরিবার। আমি আমাদের পরিবারের ৬ষ্ঠ তম আমি আমার পরিবারে অনেক আদরের সাথে বড় হয়েছ
সম্মেলনকে সামনে রেখে আমাদের উওরা সেরাদের সেরা জোন চমৎকার মিটআপ হচ্ছে,, এখন হচ্ছে থানা বৃওি মিটআপ।। আজকে হয়ে গেল উওরা জোনের পশ্চিম থানা মিটআপ।
আমি একজন উদ্যোক্তা। শুধু তাই নয় আমি একজন চাকরিজীবী ও বটে, আমি জানি চাকরির পাশাপাশি একজন উদ্যোক্তাকে কতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। আর এই কঠিনতা সহজ করার একটাই উপায় ইতিবাচক মনোভাব, চিন্তা, আত্ম
জীবন হলো এমন একটি বর্ণময় যাত্রা যা একদিকে যেমন আনন্দ, হাসি, খুশি ও সুন্দর-সুন্দর মুহূর্তের সাথে ভরপুর থাকে তেমন অন্য দিকে তেমনি থাকে বাধা বিপত্তি, দুঃখ কস্ট, হার - জিত ইত্যাদি।
স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী লিজেন্ড ধানমন্ডি জোন মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে আমাদের আসন্ন মহাসম্মেলন এর টিকেট কেনার উৎসব পালন করা হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক ভাবে টিকেট স
কথাটি শুনলে আশ্চর্য হওয়ার কথা বেড়া আবার ধান খায় কীভাবে? আমরা সাধারন যখন কোন জমি চাষ করি তখন গরু-ছাগলে সেই ধান যাতে খেতে না পারে সে জন্য চারপাশে বেড়া দেয়া হয়। ঠিক তেমনি একটা কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান যখ
গতকাল ছিল আমাদের উদীয়মান রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিটআপ।এই মিটাপ উপলক্ষ্যে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম বইমেলায়। প্রথমে আমরা বইমেলায় ঘুরাঘুরি করি তারপর সবাই গিয়ে বসি একটা খোলা জায়গায়।যেখানে আমাদের উ
উদ্যোক্তা হওয়ায় জীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে । আজ সমাজে আমাকে মাথা উঁচু করে চলার পথ দেখিয়েছে । যারা দুদিন আগে আমাকে নিয়ে সমালোচনা করত চাকুরী হয় নাই বলে । তারা আজ আমার পথ অনুসরণ করছে ।
সবার ইচ্ছা ছিলো একটা মেয়ের প্রতি। আম্মুর কাছ থেকে শুনেছি আম্মুর একটা কালো শাড়ি ছিলো, সেটা পড়ে তাহাজ্জুত নামাজ পড়ে আল্লাহ কে বলতো "ঠিক এই কাপড়ের মতো কালো হোক তাও একটা মেয়ে চাই"আল্লাহ আমাকে পাঠিয়
আমি যখন তেমন কিছুই বুঝতাম না তখনই আমরা তিন বোন ছিলাম মানে ১ বছর করে সবাই ছোট বড়,, পড়ে আমি যখন ওয়ানে পড়ি তখন আমার আরেক জন বোন হয় তাহলে আমরা হলাম ৪ বোন, তখন আব্বা শুননে বললো আবার ও মেয়ে ১ টা ছেলে হলো
মানুষের জীবনে এক বা একাধিক অনুপ্ররনা থাকে। আমার ক্ষেত্রে ও ব্যাতিক্রম নয়।আজ আমার জীবনে অন্যতম অনুপ্রেরণা, আমার বেচে থাকবার অনন্য উপাদান সম্পর্কে বলছি। তিনি আর কেউ নন আমার স্বামী। আমার অর্ধাঙ্গ। এই মা
আমি বাবা মা হারিয়েছি খুব ছোট বেলায়। আমার বাচ্চা গুলো কে তারদের বাবা ফিরিয়ে দাও। সেই থেকে আজও মানবেতার জীবন কাটাচ্ছি। ৬ মাস হয়ে গেছে। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন।
আমি নিজে কিছু করার চেষ্টা করবো। এরমধ্যে গলায় একটা স্বর্নের চেইন ছিলো কাউকে না জানিয়ে আমি ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় অই চেইন বিক্রি করে আমি ব্লক, বাটিক,এম্বুশ,ব্রাশ পেইন্ট,জারদৌসি,হাজারী বুটিক এমন আরো অন
আমি এম শামীম রহমান জন্ম বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার এক পাড়াগাঁয়ে একটি মুসলিম কৃষি প্রধান যৌথ পরিবারে। যৌথ পরিবার আমাদের অনেকের কাঙ্খিত, তবে এটা সব সময় সবার জন্য কল্যাণকর হয়না! যেমন আমার হয়নি! আমার জন্য এ
তখন আম্মু বাসায় আসলো।ছোট বোন রুমে আসার পর দেখলাম সেই কানের দুল আর পায়েল উনি পরে গিয়েছিল।কি আর বলি তখন মেহমানের সামনে😔। তারপর আম্মুর সাথে গল্প করতে দিয়ে আমি ঝটপট তাদের জন্য পায়েল বানালাম দুটো এবং প্যা
ঢাকার মিরপুর-১ নং এলাকার ক্যাপিটাল টাওয়ার মার্কেট এর 4C Classy Chinese & Convention Center এর শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত Conference Room এ অত্যন্ত সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো ১৬ তম ব্যাচকে সামনে রেখে ডিজ
।আমি স্যারের থেকে শিখেছি কথা দিয়ে কিভাবে কথা রাখতে হয়, কি ভাবে রাগ কে প্রাধান্য না দিয়ে জেদ কে প্রাধান্য দিতে হয়,কীভাবে স্বার্থ ছাড়াই মানবসেবা করে যেতে হয়, কীভাবে একজন ভালো সন্তান /ভালো মানুষ এবং উদার
আমার বাবা মা বসবাস করার ছোট্ট কুটির,সূর্য ওঠার সাথে সাথে তার আলো দেখা যেত শুয়ে শুয়ে, বৃষ্টি হলে ঝব ঝব করে বাহিরে পানি পড়ার আগে ঘরের ভিতরে পানি পড়তো,কত সময় কেটে গেছে , বৃষ্টি এলে আমার মা আমাদের
ভলান্টিয়ারিং করতে যেয়ে কিছু কিছু মানুষের সাথে এমনভাবে মিশে গেছি যে, এই ফাউন্ডেশন এখন আমার আরেকটি পরিবার হয়ে গেছে মনের অজান্তেই।
যারা উপস্থিত হয়েছেন এবং আমাদের মিটআপকে সফল ও সাফল্যমন্ডিত করেছেন আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একরাশ দোয়া ও ভালোবাসা অবিরাম।
আসছে আগামী ১৫ই জানুয়ারী-২০২২ইং রোজ শনিবার ৫০০০ জন উদ্যোক্তা ও আজীবন মেম্বার সকল দায়িত্বশীলদের নিয়ে ঢাকায় মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে "উদ্যোক্তা মহাসম্মেলন ২০২২" ও ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছে “
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলা প্রতিবেদন- ২০২২ সম্পর্ক হোক সহযোগিতার নেত্রকোনা জেলা
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
আমাদের মিটআপকে প্রানবন্ত করতে উপস্থিত হয়েছিলেন, ❤️❤️ নবিনগরের UNO স্যার, জনাব #Akramul_siddiq সাহেব। উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অ্যাম্বাসেডর Anamol Haque ভাইয়া আশা করি ভাইয়ের একান্ত অংশগ
৫ বছর পর আমি :একটা, শোরুমের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় এর পাশাপাশি সফল নারী উদ্যোক্তা হতে চাই আর কিছু নারীর কর্ম সংস্থান করতে চাই।
চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলো আমাদের মাসিক ফিজিক্যাল মিটআপ। করোনা পরিস্হিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস আমরা ফিজিক্যাল মিটআপ করতে পারিনি তবে নিয়মিত চলেছে আমাদের মাসিক অনলাইন মিটআপ ও প্রতিদিনের শেষনচর্চা। গতকাল
ব্লাড ম্যানেজমেন্ট টিম এর পক্ষ থেকে প্রিয় ভাইয়ের জন্য দোয়া ও শুভ কামনা এবং ভালোবাসা রইলো💛💛💛
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও মেন্টর ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের এর আয়োজনে উদ্দ্যোক্তাদের সম্মাননা তুলে দেন ডাক ও টেলিযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
চাচী বলতো তোর বাবাকে কারখানা, ফ্যাক্টরি দিতে বলিস এ কথাগুলো আমাকে খুব তাড়না দিতো। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিলো আমার নিজস্ব কারখানা থাকবে, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। কিন্তু আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
আমি আসলে বলতে চাই বিয়ের পারে স্বামী, শুশুর,শাশুড়ী এবং শশুর বাড়ির লোকেদের সেবা করাই মেয়েদের ধর্ম।কথায় আছে বিয়ের পরে স্বামীর মা বাবা স্ত্রীর মা বাবা হয়। কখনো কখনো তার উল্টোটাও হয়। কিছু কিছু মেয়েরা শশুর
আজকে নিজের বিজনেস পরিচালনা করার ও সময়ের সাথে আপডেট হয়ে সংযোজন বিয়োজন করার ক্ষমতা ধারণ করার সক্ষমতা হয়েছে...
একদিন হুজাইফা এক পাখি ওয়ালার থেকে ৪ টা কোয়েল পাখি কিনে করে,, আমি ছোট একটা খাঁচা কিনে দেই। আমাদের বাসার পিছনের দিকে একটি দরজা ছিলো, বারান্দার মতো ওইখানে, এলোভেরা, মরিচ, টমেটো প্লাস্টিকের বোতলে লাগিয়েছি
রেকর্ড সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সম্পূর্ণ ফ্রী ভালো মানুষী চর্চা ও উদ্বোক্তা তৈরির অনলাইন কর্মশালার টানা ১০০০ তম দিন উদযাপন হবে ইনশাআল্লাহ আজ থেকে।। প্রিয় ফাউন্ডেশনের
আমার স্বপ্ন খুব বেশি কিছু না,আমি যেন একজন সফল উদ্দ্যেক্তা হতে পারি, আমি যেন আমার হ্যাজবেন্ডের পাশে দাঁড়াতে পারি, সে অনেক টাকা ৠণ হয়ে আছে, আমি যেন তার ৠণ গুলো শোধ করে একটু মানসিক শান্তি দিতে পারি।
আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নতুন দায়িত্বশীলদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান...
ছুটে চলা চাইলেও অনেক সময় কথা বলা হয়ে ওঠেনা মা আজ ভীষণ মনে পড়ছে তোমায়... আমার সপ্ন দারুন একটা রেঁস্তোরা দেয়া ও একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়া তাই বর্তমানে কাজ করছি কিচেন ও মেয়েদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট যেমন
জীবনের ব্যস্ততা ও বাস্তবতা প্রকৃতির নিয়ম। নিয়ম মেনেই প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে জীবনের সাথে ছুটে চলেছি আলহামদুলিল্লাহ।
রয়্যাল খুলনার প্রতিবেদন খুলনা জেলার পরিচিতিঃ খুলনা হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের দশটি জেলার বিভাগীয় সদর দপ্তর। এটি খুলনা বিভাগের কেন্দ্রীয় শহর। ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরের পরে এটি ব
আসুন সবাই গাছ লাগাই। আর আমার গাছগুলোর জন্য দোয়া করবেন সবাই। ধন্যবাদ।
হাজারও ব্যাস্ততার মাঝেও খুব ভাল ভাবে সম্পন্ন হলো পটুয়াখালী জেলা টিমের আনন্দ ভ্রমণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
আলহামদুলিল্লাহ সম্পন্নভাবে শেষ হলো কেরানীগঞ্জ জোন অফলাইন মিট আপ ও মহাসম্মেলন টিকিট বিতরণ কাজকর্ম।
রাজধানীর মিরপুরে সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থেকে প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্দ্যোক্তা এতে অংশ নেয়।চাকরী করব না চাকরি দেব এই মূলমন্ত্র ধারন ক
নিশ্চিতভাবে আপনার বদলে যাওয়া শুরু হয়ে যাবে।যেমনটা আমার হয়েছে। আপনি যদি জীবনে সত্যিকারের কিছু হতে চান,নিজেকে বদলাতে চান, পৃথীবির ইতিহাসে এইরকম দ্বিতীয় আরেকটি প্লাটফর্ম খুজে পাবেন না।তাই এই প্লাটফর্ম এর
২০০৪ সালে গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে আমার পড়ালেখার যাত্রা শুরু। প্রাইমারী শেষ করে গ্রামের হাইস্কুলে ভর্তি হয়। সেখানে টানা ৫ বছর পড়ালেখা শেষ করে আবারো গ্রামের একটি কলেজে ভর্তি হয়।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি, যার জন্য এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছি এবং এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছে , স্যারের জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা।
প্রিয় স্যার থেকে শিখছি কিভাবে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়,, আমরা সবাই সমান মানুষ সমান ক্ষমতার অধিকারী,, আমাদের দ্বারা জগতে সকল কঠিন কাজে সফল হওয়া সম্ভব যদি আমরা তা নিজে বিশ্বাস করি,,এই আত্মবিশ্ব
শুরুটা ছিলো মাত্র আট হাজার টাকা প্রথম পোষ্ট থেকে আমার অর্ডার আসে দশ হাজার টাকার। যদিও অর্ডার আমার আরও বেশি ছিলো কিন্তু অজানা দুটি ভয় থেকে আমি নিতে পারিনি। প্রথম ভয় ছিলো আমার পুঁজি মাত্র আট হাজার
নামঃ মোহাম্মদ লিমন ব্যাচঃ ৬ষ্ঠ রেজিঃ ৬৬৪ ব্লাড ঃ( ও+) আলহামদুলিল্লাহ ১১তম ডান । সবাই দোয়া করবেন বেশি বেশি ভাল কাজ করতে পারি মত।