আপু বললো জ্বি ভাই দিতে পারবো তবে শর্ত হলো আপনি কমপক্ষে ৬টি শাড়ী নিতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে আপু নিবো। তারপর অর্ডার করে শাড়ীগুলো নিয়ে আসি। আর আমার বৌ সবাই কে খবর পাঠায়। সবাই এসে দেখেতো অবাক কি করে
আপনাদের সবার জীবনের গল্প হয়তো আমি পড়তে পারিনি। তবে কিছু কিছু গল্প আমি পড়েছি। এবং সবার জীবন থেকে আমি কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছি।
খুব মনখারাপ করে হোস্টেলে ফিরে অনেক ভাবলাম কিন্তু কিছুতেই ভেবে বুঝে উঠিনি মেয়েরা লবনের মতন মূল্যবান কেমনে হয়? লবণ ও কি একটা জিনিষ তুলনা করার মতন? পরেরদিন পড়তে গেলাম স্যার জিগ্যেস করলো, কি ভেবে পাইছিস
তুন২০২০ সালকে স্বাগতম জানাচ্ছি । ব্যাবসায়িক জীবনের ১৪ বছরে পদার্পন করছি । অনেক সুখ দুঃখ গাঁথা নিয়ে আমার এই কর্মজীবন । আমি এই গ্রুপে রেজিস্ট্রেশন করেছি বেশ কিছু দিন আগে । add আছি বেশ কয়েক মাস থেকেই
নিঃসন্দেহে আপনি ভালো মানুষি চর্চা এবং ভালো উদ্যোক্তা হওয়ার A to Z কলাকৌশল এর এখান থেকে আয়ত্ত করতে পারবেন শুধু আপনার স্বদিচ্ছা প্রয়োজন 📌কি পেয়েছি এক কথায় এত গুলো ভালো মানুষকে পেয়েছি যাদের কাছে প্রতিন
তখন ও সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল আমাদের কিশোরগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনীতে লোক নিবে। তখন আমি আমাদের পাশের এলাকার একজন মেজর সাহেবের সাথে দেখা করি উনি বলেছেন সমস্যা নাই তুমি মাঠে যাউ আমি তোমার সব দেখব । ভাগ্য না থাক
আমার ছোটবেলায় বেড়ে উঠা জীবনের অধিকাংশ সময়টা কেটেছে ঘরবন্দী হয়ে কারণ আমি মেয়ে সন্তান এবং আমার আব্বু-আম্মু ইসলাম ধর্মের ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন দু-জনেই। আমারা তিন ভাইবোন এদের মধ্যে আমি মেজো, ভাইয়া স
অভয়নগর উপজেলা একটি মডেল উপজেলা। এই উপজেলা কে মডেল মেনেই অন্যান্য উপজেলা এগিয়ে যাবে
আমাদের দেশ বাংলাদেশ।অন্যন্য দেশের তুলনায় অনেক ছোট একটি দেশ।দেশের আয়তন অনুসারে এ দেশের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এ দেশের সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হল বেকারত্ব,, যার কারণে আমাদের দেশের হাজারো তরুণ প্রজন্ম হতাশাজন
আলহামদুলিল্লাহ ইতিমধ্যেই আমি কৃষি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি । একজন কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিরাপদ খাদ্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই । আমি এগ্রো ফোরামের সদস্য হয়েছি। এবার একটা ভিশন ও মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
MOU সাইন হলো “নিজের বলার মতো একটা গল্প” ফাউন্ডেশন ও এবি ব্যাংক এর সাথে AB Bank এর গুলশান হেড অফিসে। এখন থেকে আমাদের ফাউন্ডেশনের আজীবন মেম্বাররা AB Bank এর এজেন্ট ব্যাংকার হবার সুযোগ পাবেন।
আমি কাজ করছি একি সাথে আমি গ্রামিণ ফোনে খাবার সাপ্লাই ও করেছি।প্রায় ৩০-৪০ জন করে। আলহামদুলিল্লাহ। স্যারের সেশন গুলো থেকে ইন্সপায়ার হয়ে, কিভাবে হাজারো প্রতিবন্ধকতায় আগাতে হয় তাই শিখেছি।
"নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা টীম বাইক টুর ও লঞ্চ ভ্রমণ সুন্দরবন।
প্রিয় এই প্লাটফর্ম থেকেই শিক্ষা নিয়ে আমার জীবনের সব চেয়ে বড় অর্জনঃ- ছাত্র অবস্থায় পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি এবং গার্মেন্টস আইটেম নিয়ে কাজ করছি
আমার স্বপ্ন ছিলো অন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।আমার সেই স্বপ্নটা যখন পূরণ হয়নি আমার জীবন পুরো বদলে গিয়েছিলো,আমার এইস এস সি তে প্লাস ছিলো, ভর্তি পরিক্ষার জন্য দিনরাত পরেছিলাম,সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখে
মাথার উপর হাতটা দিয়ে কান ধরতে পারতাম বলে খুব অল্প বয়সে আমাকে ভর্তি করানো হলো আমাদের সাঙ্গিশ্বর প্রাইমারি স্কুলে। ক্লাস সিক্স সেভেন এইট কখন যে শেষ হয়ে গেল অনেক কিছুই মনে করতে পারছিনা তবে ক্লাস না
বাকি দশ জনের মতোই সে থাকে অতি সাধারণ একজন মানব মানবী কেউ সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় না অথবা সবাই কুড়ে ঘরে জন্মায় না কবি নজরুলের জন্ম কোনো অট্টালিকায় হয় নি,টিনের ফুটোয় বৃষ্টির পানি পরার দৃশ্য দেখেও ক
আমার নাতিও পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে কিছু একটা তোমাদের থেকে শিখুক, যা আমিও চাই। আচ্ছা এইসব শেখাতে তোমাদের ওই গ্রুপে মাসে কত টাকা নেয় ? তখন আমি আবারো হেসে বললাম, আরে আঙ্কেল এখানে রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু
আস্তে আস্তে নিজের পরিচয় তুলে ধরে নিজের পণ্যের পরিচিতি তুলে ধরে পরিচিত হতে শুরু করলাম। চার দিনের মাথায় আমার এই গ্রুপ থেকে অর্ডার চলে আসে খেজুরের আচার এর। আস্তে আস্তে করে এই গ্রুপের সাথে পথ চলা এখন কা
আলহামদুলিল্লাহ, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শ্রদ্ধেয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ জুলাই ২০২৩ রোজ- শুক্রবার সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে দুপু
প্রিয় মেন্টর শ্রদ্ধেয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক উদ্যোক্তা ক্লাব গঠনের দায়িত্ব নিয়ে পটুয়াখালী জেলা টিমের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তা ক্লাব গঠন করার লক্ষ্যে #পটুয়াখালী_বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্
ভালবাসা নিয়ে কিছু কথা আমি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই এবং সেই সাথে প্রিয় স্যারকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই এতো বিশাল প্লাটফর্ম আমাদের গড়ে দেয়ার জন্য, কারন এই প্লাটফর্ম না হলে এই ভালোবাসা
মোস্তফা হাকিম ডিগ্রী কলেজে কাট্টলি সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ডাঃ ফজলুর হাজেরা ডিগ্রী কলেজ উদ্যোক্তা ক্লাবের চিঠি পৌঁছে দিয়েছি।
স্যারের সেশন গুলো পড়ে বুঝার চেষ্টা করলাম আমার একটা স্বপ্ন পূরন করতে না পেরে জীবনে অন্ধকার চলে গিয়ে ছিলাম। সবসময় নেগেটিভ চিন্তা করতাম আমাকে দিয়ে হয়তো আর কখনো ভালো কিছু করা হবে না। চাকরিটাকে পছন্দ কর
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
ঝিনাইদহ জেলায় আজকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খুলনা জেলার ঈদ পুনর্মিলনী এবং মেগা অফলাইন মিটাআপের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার
২০১৬ সালে গ্রামের একটি কিন্ডারগার্টেনে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলাম।সেই প্রতিষ্টানে ২০২০সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করি।এরপর অন্য একটা প্রতিষ্টানে পার্টনার হিসেবে কিন্ডারগার্টেন করি।কয়েকমাস করার পর মার্
মেন্টরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার বাস্তবিক রুপ প্রদানে পিছিয়ে নেই ওয়ারী টিম। ক্লান্তির মেঘ কাটিয়ে অবশেষে ওয়ারী জোনের কটেজ আলোকিত করে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ওয়ারী জোনের উদ্যোক্তা মেগা সম্মেলন।
নুষের পাশে দাঁড়ানো,মুখের জড়তা কাটানো ইত্যাদি। মানুষের এমন কোন গুণ নেই যা এই প্রশিক্ষণে দেওয়া হয় না। ইতিমধ্যে আমাদের প্লাটফর্ম প্রায় ৩ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে যা আমাদের দেশের সরকার কোটি কোটি টাকা
আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। বিশেষ করে মেয়েদের নিয়ে কাজ করতে চাই।আমি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই।এবং নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরী করতে চাই।
বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিল ঐক্য ও ভালবাসার সেতু বন্ধন। ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার এর "নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"।
আমি কান না দিয়ে প্রথমেই প্রতিবেশীর সামান্য অর্ডার নিলাম,, অনেক আগ্রহ, আনন্দ নিয়ে তার জন্য প্যাকেট রেডি করে তাকে ফোন দিচ্ছি সে ফোনতো রিসিভ করছেই না,বাসায়ও নেই,অনেক সময় পার হয়ে গেল,,আমি মন খারাপ করে..
আরও কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি যিনি আমাদের জন্য এত সুন্দর ও চমৎকার একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছেন।
সন্তান আর সংসার করে নিজের স্বপ্ন টা মরে গেলে, ভুলে গেলাম আমি একজন স্বপ্নবাজ ছিলাম। চিন্তা করতাম বেবিরা বড় হলে আবার চেষ্টা করবো পারাইফেট চাকরি করার। আশায় দিন গুনি কিন্তু কোন কিছু করার সাহস পাই না।অনেক
মহা সম্মেলন কে সফল করতে সবার মতামতের মাধ্যমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই কমিটি মহা সম্মেলন কে সফল করতে কাজ করে যাবে।
আমি আমার পরিবার এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দারাতে চাই, তাদের না পাওয়া স্বপ্নগুলো ফিরিয়ে দিতে চাই,, আমার জীবনে চলার পথে আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা এবং সহযোগিতা আমার ভীষণ প্রয়োজন, আশা করছি ভালোবেসে পাশে থ
এত সুন্দর একটি প্লাটফর্ম গড়ার জন্য প্রান প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যার কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
১৪/ বাংলাদেশের এই প্রথমবারের মতো সপ্তাহিক অনলাইন হাট, এটাই হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবেন। ১৫/ মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়,, নাজনিন আপু কাজিন আপু এক সাথে বলে উঠলো মনির ভাই থামেন থাম
কিছু জমানো টাকা ও কিছু ঋন করে বাড়ির জন্য জমি ক্রয় করি।কিছুদিন পর আরো কিছু কৃষি ফসলের জমি ক্রয় করি। আমার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয়
উক্ত “মিটআপ ও ঈদ পুনর্মিলনী” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলার দায়িত্বশীল ও আজীবন সদস্যদের একাংশ।
#আম_মেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান।
উক্ত মিটআপে সকলের ব্যাবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা হয় এবং সকলের পরিচয় পর্ব শেষ করে আলোচনা করা হয় কীভাবে আমাদের সদর উপজেলার কাজকে আরো গতিশীল করে তোলা যায় এবং এ্যাক্টিভ করা যায় পাশাপাশি ফাউন্ডেশনে কীভাব
বড় ছেলে যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় বা বয়স হল তখন স্কুলে ভর্তি হল এই শর্তে যে সংসার থেকে এক টাকা খরচ দিবে না ও উনার সাথে ক্ষেতে খামারে কাজ করতে হবে। একটা সময় সব ছেলে মেয়েকে স্কুলে ভতি করাতে সক্ষম হন। ম
কোনো লেখক জন্ম থেকেই লেখক হয়ে জন্মায় না। সে জানে তার লেখার প্রতিভা আছে।,😊😊 সে নিজের ভেতর তার প্রতিভা আবিষ্কার করেছে এবং লেখার মাধ্যমে তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছে।পাঠকের মন আপ্লুত হয়ে তার লেখনীর মাধ
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
আজ প্রিয় ফাউন্ডেশনের সদস্যদের পরিবার কে আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামতকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিন করলাম। স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান।প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ
উদ্যোক্তা ক্লাব তৈরি করার জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে চিঠি প্রদান করলাম। আপনাদের পরামর্শ,, আমাদের প্রচেষ্টা ইনশাআল্লাহ উদ্দ্যাক্তা ক্লাব গঠন করবো। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সকলের প্রিয় মুখ এবং উদ্যোক
আমরা প্রবাসে আশি এক বুক স্বপ্ন আশা নিয়ে, কারো স্বপ্ন পূরণ হয়, কারো হয় না,আমাদের যখন কষ্টের দিন শেষ হয় না, দেখে প্রবাসে যাওয়া চিন্তা করি যদি একটু সুখে থাকা যায় কি না,এই জন্য স্বপ্ন দেখা শুরু করি, কিন্
কিন্তু হায় ৩ দিন চলে যায়, ৪ দিন চলে যায়, কোন মেসেজ নেই, এদিকে বাসায় কাস্টমার আসে ড্রেস গুলো নিতে চায় আমি দেইনা,বলি এগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এতগুলো ড্রেস এভাবে রেখে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বুঝতেও পারছিনা।