_______________গতকাল রাতে আসলে একটি মেসেজ আমাকে খুব অবাক করে।প্রিয় এক আপু হঠাৎ মেসেজ করেন আমার আচার আইটেমর একটি পণ্য সম্পর্কে জানতে। আমি প্রথমে ভাবলম হয়তো সে এমনেই জানতে চাচ্ছে।কিন্তু কিছু খনের মধ্যে
বড্ড মন খারাপ। চারদিকে শুধু মানুষের বিপদ আপদ আর অসুখ বিসুখ। এই আহাজারি যেনো প্রতিদিনের নিত্য রুটিন হয়ে উঠেছে। অসুস্থ থাকলে বুঝা যায় আসলেই সুস্থতা আল্লাহর দেয়া কত বড় নেয়ামত❤️❤️। জানিনা মহান রব এই কোন ক
সফলভাবে সম্পুর্ণ হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার মিটআপ।
তখন আমার মনে একটা জিধ আসলো আমাকে টপ টুয়েন্টিতে লড়তে হবে আমাকে যিততে হবে, তার একটা মাত্র কারণ আমাদের 👉 NRB লেবানন টিমের কান্ট্রি অ্যাম্বাস্যাডার নাজমুস সাকিব পারভেজ ভাই আমাদের টিমের সকল সদস
এস এস সি এর পর ,, বাবা মা আমাকে বিয়ে দেয়,, ছেলে খুলনার ছেলে ,ঢাকায় সেটেল,প্লাট ,, গাড়ি সব আছে,, কিছু বুঝে উঠার আগেই সংসার নামক বোঝা ঘাড়ে চেপে বসলো,,, হাজার ও দায়িত্ব কর্তব্য এর মধ্যে আমি আমার পড
আসুন বর্ণবৈষম্য ভুলে কাজের যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করি, যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ করে দেই। আসুন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই জীবন বদলে যাবে। এভাবেই প্রতিটি দিন নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয় আমাকে যা লিখে প
মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে অদম্য টাংগাইল জেলার ব্লাড মেনেজমেন্ট টিম এর স্বেচ্ছাসেবক সদস্য সাদিয়া মিম আপু (A+) ১ম বারের মতো সিজার রোগীকে রক্তদান করলেন রক্তদাতার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও ভা
সেখানে ও আমার কপাল খারাপ কোম্পানি 10 মাস কাজ করার পর একেবারেই 450 জন লোক এক্সিট করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।কি করবো ভেবে কোন পথ খুজে পাচ্ছিনা।এরি মাজে দেশে আসার কয়েক মাস পর মা এবং সকলে মিলে দিলেন বিয়ে করিয়ে।য
আজ কেন নিজেকে অপরাধী লাগছে সেই ত্যাগী বাবার কথা মনে করে,যে বাবা আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে বলে কখনো ঘুরতে নিয়ে যাইনি। যার উপর রাগ করে আজ বালিশ বিহীন, খাট হীন ঘরে শুয়ে আছি! তাঁর কথা মনে করে কেন বুকটা দুমড়ে
চলছে ময়মনসিংহ জেলার মিট আপ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান । ১২ তম ব্যাচের সবাইকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন মোডারেটর ইবনে রানা ভাই। অসাধারণ চমৎকার ভাবে সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ উপস্
জাগো নরসিংদী মানেই ব্যতিক্রম কিছু। জাগো নরসিংদী উদ্যোক্তাদের নিয়ে মহা সম্মেলন ও টিকিট কনফার্ম করার উদ্দেশ্য মিট আপ হয়ে গেলো চমৎকার আনুষ্ঠানিকতায়। Iqbal Hossain, RM Moklesur Rahman, Arif Mia, Masum F
জীবনের প্রকৃত অর্থেই একজন মেন্টর, পথপ্রদর্শক। আমি আজ আপনাদের সেই মানুষটার গল্প শোনাতে আসি নি যে মানুষটি ডিপ্রেশনে ভুগে জীবনের একপর্যায়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বরং সেই মানুষটির এই তথাকথিত সম
ভালো কাজের ছবি তুলা অথবা কাউন্ট করা মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, বরং মানুষের মধ্যে এরকম মানবিক কাজের ইচ্ছা জাগ্রত করাই উদ্দেশ্য।
তারা চায় আপনি যেন মানুষের মত মানুষ হন।আমার মত অনেকেরই হয়তো পড়ালেখা ভালো লাগে না তাদেরকে বলছি পড়ালেখার বিকল্প আর কোন কিছু নেই। ভালো করে বাঁচতে হলে, নিজেকে উচ্চ একটা জায়গায় নিজেকে দেখতে চাইলে জানত
আমাদের আজকের আয়োজনে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের ইউনিক দুবাই টিমের কান্ট্রি ও মডারেটর সহ দুবাই এবং রাস আল খাইমা টিমের অনেক আজীবন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। , এই আয়োজনে প্রায় ৫০+ জনের একটা টি
১০০তম সেশন চর্চা উপলক্ষে ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ কর্তৃক আয়োজিত অফলাইন মিট আপ এর একাংশ। উক্ত মিটাপ দুটি সেশনে পরিচালিত হয়েছে প্রথম ভাগে আমন্ত্রিত অতিথিদের ট্রেনিং স্পিচ আর দ্বিতীয় ভাগে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক
বাইরে রোদের মধ্যে খেলতে খেলতে গায়ের কালার উগান্ডার নাগরিকদের মত হয়ে গেছিলো। একদিন ঈদের সালামি জমা করে আমার জীবনের প্রথম ক্রিকেট ব্যাট কিনি। তখন নিজের একটা ব্যাট থাকা মানে অনেক কিছু।সবাই ডেকে ডেকে খেল
#সাতকানিয়া_লোহাগাড়া_চন্দনাইশ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলনী প্রোগ্রাম উপজেলার সকল দায়িত্বশীল এবং আজীবন সদস্য দের উপস্থিতির মধ্যে সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশে সম্পূর্ণ হল।
আমি ছিলাম আমার বাবা মা এর একমাত্র সন্তান। আমার বাবা মা আমাকে অনেক আদর ও শাশন এ লালন পালন করেছেন। তখন আমার ছোট বোন ছিল না আল্লাহ তাআলা ওকে পাঠিয়েছেন যখন আমার বয়স ১৫ বছর তখন । আমার বাবা মা আমাকে এমন আ
মহান আল্লাহ তায়া’লার শুকরিয়া আদায় করছি সর্বপ্রথম, যিনি আমাদের নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের পাবনা জেলার মিটআপ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্
যিনি সুখ খুঁজে না আপন নীড়ে, প্রাণের টানে এই আঙিনায় বারে বারে আসে ফিরে, কালজয়ী, সময়উপযোগী মহা নায়ক, সকলের নয়নের আলো,আমাদের সকলের নয়নের মনি, শিক্ষাগুরু, আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক যার চিন্তা ভাবনা এই
রমজান উপলক্ষে আমরা মানবিক নেত্রকোনা জেলা সবাই "মানবতার ঝুড়ি" তে ১০০ টাকার পণ্য (আধা কেজি করে চাল, ডাল, সব্জি) পণ্য দিবো ইনশাল্লাহ - সারা দেশের সব জেলা উপজেলা ও প্রবাস থেকে সবাই, "ভালোবাসা বিলাই"।
একটা মেয়ের যখন জন্ম হয় বা হবে জানে ( বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসার কারণে জানা সম্ভব হয়েছে) তখন থেকেই অনেক সময় দেখা যায় নিজের পরিবার থেকেই শুরু হয় এক ধরণের অবজ্ঞা,অবহেলা বা মনে করা হয় একটা বোঝা এই পৃথিবীতে
The daily English Newspaper "The Daily Star " is our "Nijer bolar Moto Ekta Golpo Foundation" Covered. Sincere gratitude and thanks to the news authorities. Training for 1000 days, target 100,000 peop
👉আলহামদুলিল্লাহ লক্ষ্মীপুর জেলা মানেই ইউনিক কিছু। ষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে অফুরন্ত ভালোবাসার সৃষ্টি হয়েছে সেই সাথে উদ্যোক্তাগণের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত এই মিট আপের জন্য আম
কিভাবে লিডারশীপ তৈরী করতে হয় তা জানতে পেরেছি। উদ্যোতা হতে যে সমস্ত গুণবলী প্রয়োজন তা জানতে পেরেছি। সবশেষে বলতে পারি আমাদের সকলের প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে জানাই সালাম ও আন্তরিক মোবারকবাদ। আমি
আমি আর হাঁটতে চলতেও পারি না।একটু হাটতে হলে লাঠি বা কারোর সাপোর্ট নিতে হয়। আস্তে আস্তে গা হাত পা সব শুকিয়ে আসতে লাগল।ভাবলাম এটাই হয়তো জীবনের শেষ। তখন আবার একদিন আমার
সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা। শিখতে পেরেছি অন্যের কথায় কান না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। পেয়েছি জ্ঞানী ও গুনী অভিভাবক।
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
ই ছোট্ট জীবনে আমার প্রতিটা পদক্ষেপ শুরুতেই শেষ হয়ে যায়, হয়তো তা দ্বিতীয় বারে হয়েছে বা কখনো দ্বিতীয়বারেও হয় নাই। সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল এইটা যে,দৈনিক জীবনের ছোট খাট প্লানগুলো আমার কখনো প্লান মোতাবেক হয় না
নিয়মিত গ্রুপে আমার পোস্ট দেখে। আপু নিজের জন্য এবং তার দুই বোনের জন্য একটু গর্জিয়াস গহনা নিবে সেজন্য আমাকে নক করা।আপু গহনা গুলো কি কি কালারে হবে সেগুলো বললো।আমিও সুন্দর করে নোট করে নিলাম। এরপর চমৎকার
কষ্টে যখন প্রতিদিন এলোমেলো সময় কাটাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতেই ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন’ লেখাটি চোখে পড়ে। কয়েকটি ভিডিও একনাগারে কয়েকদিন দেখেছি, সাক্ষাৎকার দেখে আমার ছেলেকে বলে
প্রযুক্তির আশীর্বাদে চাইলে এখন ঘরে বসেই যেকোনো বিষয়ে কোর্স করা যাচ্ছে। বাংলাদশেও এর ব্যাতিক্রম নয়। লাখো তরুণ চাকরির পেছনে না দৌড়ে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন উদ্যোক্তা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে অনলাইন
সাতকানিয়া লোহাগাড়া চন্দনাইশ উপজেলার যৌথ উদ্যোগে চা আড্ডা মিলনমেলা এবং নবনিযুক্ত কমিউনিটি ভলান্টিয়ার দের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান খুবই জাঁকজমকপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হলো আলহামদুলিল্লাহ।
আজকের গল্পের প্রধান চরিত্র হচ্ছেঃআমি,মেহেদী ভাই ও তার স্ত্রী তাহমিনা আপু #আমরা যাকে ছিনি,তার থেকেই কিনিঃ যেহেতু লকডাউনে সব কিছু বন্ধ যার কারনে অনলাইনে হচ্ছে এখন বেচা-কেনার উপযুক্ত মাধ্যম। তাই বাসায়
আমার উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে প্রিয় স্যারের অবদান তো কখনোই অস্বিকার করতে পারবো না কারন এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত না হলেও আমি কোনদিনও উদ্যক্তা হওয়া তো দুরের কথা এই চিন্তা মাথায় কখনোই আসতো না। স্যারের অবদানের পা
প্রবাসী স্বামীর শপিং 👇👇 স্বামীঃ হ্যালো, কি হলো তোমার? এতো সময় ফোন বেজেই চলছে, অথচ ফোন ধরলে না?? স্ত্রীঃ ফোন দিলেই যে সবসময় রিসিভ করতে হবে এমন কেনো ভাবছো😠 স্বামীঃ সাধারণ একটা শপিং নিয়ে তুমি এমন ক
রক্তদানে কেউ আমরা পিছিয়ে থাকবো না। বিশেষ করে আমাদের নিজে বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের করো যদি কখনো ব্লাড লাগে আমরা সবাই মিলে ওনার জন্য কাজ করমো। রক্তদানে কোনো ক্ষতি নাই বরং নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আ
প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের অনুপ্রেরণায় পজিটিভ শরীয়তপুর জেলা ভিন্নভাবে ভালোবাসা বিলি করেছেন।
আমার জীবনে সফলতা বলে কিছু নেই। যেখানে গেছি শুধু ঠকেছি অনেক জাগায় অনেক মানুষের সাথে চলেছি আমি। অনেক ভালো মানুষের সাথে দেখা হয়েছে আমার,আবার দেখেছি অনেক খারাপ মানুষেও এই গ্রুপে আমি পেয়েছি একজন অভিভাবক এক
শুরু হল আমার জীবন যুদ্ধ। ভাগ্য ভালো যে চাচা এগিয়ে এসেছে। এক রাস্তা বন্ধ হলে আল্লাহ আরেক রাস্তা খুলে দেয় মুরুব্বী দের মুখে শুনতাম তা যেন হাতে নাতে পেলাম। চাচার সহযোগিতায় চলে আসলাম সংযুক্ত আরব আমিরা
আমার ছোট বেলা থেকেই খুব ইচ্ছে নিজে কিছু করবো,নিজের একটা আলাদা পরিচয় থাকবে। আমার বাবা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী,খুব পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। বাবাকে দেখতাম কিভাবে তিনি কাজগুলোকে ভাগ করে নিতেন পুরো ২৪ ঘন্টায়
আমারও ডেঙ্গু হয় । তিন তিনবার ডেঙ্গুর টেস্ট করার মধ্যে দুইবার ই নেগেটিভ আসে। অর্থাৎ রিপোর্টে ভুল আসে কিন্তু আমি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ি। বিছানার প্রায় এক মাসের মত ছিলাম। ভেবেছিলাম আমি বাঁচবো না। কিন্তু
২য় বারের মতো (বি পজিটিভ) লাল ভালবাসা দান করলাম আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ
"ঢাকায় ২ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা ১৩-১৪ এপ্রিল ২০২০ " এই মেলার কনভেনর Kazi Nazmul Alam Hamim স্যারকে মনের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি বৈশাখী মেলার আয়োজন করার জন্য। আমাদের প্ল্যাটফর্মের নতুন উদ্যোক্তাদের
সকলের আন্তরিকতা ও ভালোবাসা নিয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা টিম সামনে আরও এগিয়ে যাবে এবং স্যারের শিক্ষা কার্যক্রম সমস্ত গ্রাম পর্যায়ে পৌছিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আরে তুমি আগে ভালো করে শুনো সেখানে সবাই ভালো মানুষ তারা কারো সাথে কোন প্রতারণা করে না তারা পন্য বিক্রি করে না বিক্রি করে বিশ্বাস তাদের যে শিক্ষক আছে তিনিও একজন ভালো মানুষ তিনি সবাইকে ভালো মানুষ হওয়ার জ
প্রতিহিংসার টর্চার সয্য হচ্ছিলো না। মা ততক্ষণে একটু একটু বুজতে পারেন কিছু একটা মিসটেক হচ্ছে। আমার দুইজন খালা ছিলেন ক্লাশ ফাইভে পরতেন। তাদের কাছে মা খুলে বলেন বিষয় টি। অভিযোগ আকারে স্কুলে জানালে অই স্য
এরই ফাকে ভাইয়ের সাথে সুইটার ফ্যাক্টরিতে কাজ শিখতে শুরু করলাম,,যেহেতু ঢাকা গাজিপুরেই আছি! 2015 সালের লাষ্টের দিকে আমার অজান্তেই আমার ভালোবাসার মেয়েকে তার ফ্যামিলি জোর করে বিয়া দিয়ে দিলো,, এটা শুনার পর
গর্ব করে বলতে পারি আমরা সৎ, ভালো এবং আদর্শবান পিতা-মাতার সন্তান। আমরা চার বোন দুই ভাই ছিলাম।আমার বড় আপা ২০১৫ সালে ক্যান্সারজনিত রোগে মারা যান।পরিবারের সবার বড় সন্তান মারা যাওয়াতে বাবা-মা খুব ভেঙ্গে পড়