প্রয়োজনীয়তা মানুষের নিত্যনতুন কর্মপ্রেরণা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসের উৎস বিন্দু। সমাজ ও সভ্যতার বিকাশের ধারায় মানুষের জীবনে নিত্যনতুন উপযোগ সৃষ্টি হয়, মানুষ নিত্যনতুন জিনিসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেসব প্র
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর রংপুর জেলার অফলাইনে প্রিয় মুখগুলোর মিলন মেলা
বৃষ্টি সবার জন্যই পড়ে, কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। প্রিয় স্যারের এমন হাজারো বাণী কতই না পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে। বিশেষ করে প্রিয় স্যার এবং প্রিয় গ্রুপের এত এত প্রিয় মুখগুলোর কাছে সারা জীবন আমি কৃতজ্ঞ
আমি জাকারিয়া হাসান, দুই ভাই এবং এক বোন এর মধ্যে আমি বড়। ছোট ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স নিয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে পেশায় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্যালিওগ্রাফার। বোন কওমি
মূল ক্যাম্পাসে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবন, একটি ওয়ার্কশপ ভবন এবং একটি কম্পিউটার ভবন। এছাড়াও অফিস, লাইব্রেরী, এবং ল্যবরেটরী এবং একটি ২০০ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম রয়েছে। এবং মূল ভবনের উত্তর পাশে
আজ "দিনে এনে দিনে খায়" প্রজেক্ট- বাস্তবায়নে ঢাকা সেন্ট্রাল টিম - সমন্বয়ে ওয়ারী জোন প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন করছে ।
সবে মিলে করি কাজ___ একা একা তুমি বেশ দ্রুত আগাতে পারবে, কিন্তু বেশিদূর আগাতে পারবে না। আর সবাইকে নিয়ে আগালে হয়তো যাত্রাপথে হোঁচট খেতে হবে একটু বেশি, কিন্তু একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারব! বিপদের মো
আজকের এই অবস্থায় বা এই নীরব যুদ্ধে যারা মানবতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা হচ্ছে নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ, বাংলাদেশে হাজারো সামাজিক সংগঠন আছে, আছে অর্থনৈতিক ও ইসলামিক সংগঠন, আছে অনেক বড় বড় ব্যক্
আলহামদুলিল্লাহ সম্পুর্ণ হল।আজকের মিটাপ
আজকের মহান বিজয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি লাখ শহীদের প্রতি যাদের অক্লান্ত ত্যাগ থেকে এসেছে আজকের এই মুক্ত স্বাধীনতা ও মুক্ত মানচিত্র, তারা যদি দেশের জন্য মায়ের বুকটাকে খালি না করত হয়তবা আমরা পে
আমি আমার জায়গা থেকে দীর্ঘ স্বস্তি ফিরে পেলাম যে 8 মাসের আব্দুল্লাহার মাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যে বিন্দু পরিমান উপকার আমি করতে পেরেছি। তার জন্য আমার ভিতরে অনেক বড় একটি স্বস্তি কাজ করতে ল
তুন২০২০ সালকে স্বাগতম জানাচ্ছি । ব্যাবসায়িক জীবনের ১৪ বছরে পদার্পন করছি । অনেক সুখ দুঃখ গাঁথা নিয়ে আমার এই কর্মজীবন । আমি এই গ্রুপে রেজিস্ট্রেশন করেছি বেশ কিছু দিন আগে । add আছি বেশ কয়েক মাস থেকেই
আসসালামুআলাইকুম। আজকে আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলার ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান ছিলো। সেখানের অনুভূতি বলে বুঝাতে পারবোনা। এতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসা হয়তো আর পৃথিবীর কোথাও নেই।
আমার জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প সেই জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়েই আজকের এই লিখাটি। জীবনের গল্পটা অনেক কষ্টের তবে এটা জীবন গড়ার গল্প, জীবনের কষ্টের গল্প। তবে চলুন শুরু করি আমার জীবনের গল্প। প্রত্যেক মা
সবার বাড়ির ভালো খাবার গুলো ফুফুর ঘরেই আগে আসতো আর আমাদের বাগির খাবার গুলো আমিই নিয়ে যেতাম। ফুফুর বাড়িটা আমাদের বাড়ির পাশে থাকায় এবটু সুবিধা হতো স্কুল যাবার পথে ফেরার পথে ফুফুর খোজ নেওয়া তার খাবার দেওয়
♥️রেমিটেন্স যোদ্ধা বাবার গল্প♥️ ❣প্রতিটি মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনের পেছনে রয়েছে জানা -অজানা ,সুখ -দুঃখ,মেশানো অনেক গল্প। কোন গল্প দুঃখের, কোন গল্প হাসির,কোন গল্প অনুপ্রেরনামুলক। কিন্তু সব গল্প
প্রিয় ফাউন্ডেশনের প্রিয় Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি দিনের সেশন নিয়ে সেশন চর্চা ক্লাস হচ্ছে দেশের ৬৪ জেলা আর বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে, আলহামদুলিল্লাহ। ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহের ছিলো ২৭/১১/২০২১এ ১০
নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন আমি ও আমার স্ত্রী ১ম ব্যাচের সদস্য আমাদের এখান থেকেই পরিচয়, শিক্ষা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার বিষয়ে খুবি ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠে,,,যখন আমার পরিবার থেকে বিয়ের জন্য সিদ
আমরা ছয় ভাইবোন। প্রথম যখন আমরা তিন বোন ছিলাম বাবা আমাদের এতো আদর করতো যে মনে হতো আমরা তার পৃথিবী।যখন আব্বু মাদ্রাসা বা নিজ কাজ শেষে ঘরে আসতো সাথে সাথে আমরা তিনজন বাবাকে তিন দিক দিয়ে জাপটে ধরতাম। কিন
চমৎকারভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুলশান জোনের অফলাইন মিট আপ
তখন সরকার থেকে ত্রাণ দিল শুধু গম এক মাসে কয়দিন ভাত খেয়েছি মনে পড়ে না। বেশিরভাগ দিন রুটি ও আটার যাও খেয়ে দিন যাইত। এভাবেই ২০০৬ সালে ফোর পয়েন্ট পেয়ে এসএসসি কমপ্লিট করি। সিদ্ধান্ত নেই বসে থাকবো
আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলা টিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।এভাবে গত কয়েকদিন ধরে চলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার জেলা চুয়াডাঙ্গার পাশে থাকার জন্য।
তখন ও সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল আমাদের কিশোরগঞ্জ থেকে সেনাবাহিনীতে লোক নিবে। তখন আমি আমাদের পাশের এলাকার একজন মেজর সাহেবের সাথে দেখা করি উনি বলেছেন সমস্যা নাই তুমি মাঠে যাউ আমি তোমার সব দেখব । ভাগ্য না থাক
টুইনবেবীর মায়েরাই যানে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়।যাক সব সমস্যা নিয়েই ৭মাসের আগেই২০২২সালে জানুয়ারি তে আমার ২টি জমজ ছেলে জন্ম নেয় তারা আকারে ছোট ৬০০/৮০০গ্রাম করে ডাক্তারদের কথায় বাচার আশন্খা ছিলনা ৯৯%
আর আমাদের গ্রুপের সদস্যরা অসাধারণ ভলান্টায়ারিং করেছেন। আমি একটা জিনিস উপলব্ধি করেছি (খাবারের ক্ষেত্রে) আপনারা এতো গুলো মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন ও পরিবেশন করেছেন। সকল কাজ সুশৃঙ
১৯৯৮ সালে পারি দেই প্রবাসে। খরচ হলো ১ লাখ টাকা । কাজ ছিলো রাস্তা ঝাড়ুদার। বেতন ছিলো তিন হাজার টাকা।কন্ট্রাক ছিলো তিন বছর ।১০/১২ ঘন্টা ডিউটি করার পর বাহির হতাম রাস্তাতে ভাংঙ্গা চূড়া টোকাইতে। ২/৩ ঘন
আব্দুল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! ✒️ আব্দুল্লাহঃ শাহাদাত ভাই! আমি আপনার কাছ থেকে আমার পরিবারের জন্য এক মাসের মসলার বাজারটা করে নিতে চাই। 🥀 আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ! কাস্টমার আমার রাজা। আমি খুশি হলাম ভাইয়া! ✒️ আ
বাংলাদেশ দূতাবাসের মাননীয় রাস্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি এর সাথে NRB Kuwait টিমের কান্ট্রি এম্বাসেডরদের সৌজন্য সাক্ষাৎ।
এই পৃথিবীতে আসে কিন্তু কয় জনই বা মরে গিয়ে অন্যের মাঝে বেঁচে থাকতে পারে তাই চিন্তা করলাম এই ছোট জীবনে আমাকে এমন কিছু করতে হবে যেন আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখে।
উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা টিমের কর্ণদার মডারেটর সাব্বির ভূঁইয়া, জেলা এম্বাসেডর এমকে ইসমাইল হোসেন ও সদর উপজেলা এম্বাসেডর প্রিয় রায়হানুর রহমান ভাইয়াসহ আরও অনেকে।
তারা বললো এবার আর সময় নাই, এবং দোকানে ও অনেক কাজ,বাস্ আমার পড়াশোনার ইতি ঘটে গেল, তাদের ওখানে প্রায় তিন বছর চাকরি করলাম,তারপর আমি ভাবলাম আমি আর চাকরি
💐"আশুগঞ্জ উপজেলা ঈদ পূর্ণমিলনী ও অফলাইন মিট আপ" অত্যন্ত সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল।
আলহামদুলিল্লাহ প্রায় ২০০ জন উদ্যোক্তা নিয়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে অদম্য টাঙ্গাইল জেলার #মধুপুর_মডেল_উপজেলার তৃতীয় বার্ষিক বনভোজন এবং প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। উক্ত অনুষ্ঠানের কনভেনর হিসেবে দায়িত
দুচোখ ভরা স্বপ্নরা বাস্তবায়িত হতে চাইতো..কিন্তু শক্তি যেন ছিল শূন্য!প্রতিটি সকাল-দুপুর রাত বা সন্ধ্যাজুড়ে আমি বিভিন্ন কারনে ছিলাম বিষন্ন-হতাশার্ত।আমার বেকারত্ব অবস্হাকে একজন ভিক্ষুকের শোচনীয় অবস্হার
#সেশন_চর্চায়_জীবনের_মোড়_পরিবর্তন 🌿আসসালামুয়ালাইকুম🌿 "বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে, ভিজে কেউ কেউ" (ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার) শুরুতেই শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মহান আল্লাহর নিকট যিনি আমাদের এখন পর্যন্
আমি গ্রামের বাড়িতে থাকি আর সব সময় গাছ লাগাই। কিন্তু এই গাছ স্যারকে উৎসর্গ করে লাগালাম। আরো লাগাবো ইনশাআল্লাহ।
একদিন একটা বাবু বেড়াতে গিয়েছিলো, সেখানে খুব মজা করে এসেছে, অগত্যা খুব ব্যথা পেয়েছে। তবে বুঝে উঠতে পারেনি। তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে, অনেক ভেবেও বলতে পারে না কোথাও ব্যথা বা চোট লেগেছে কিনা!! মায়ের মন
কিছু ভালবাসা, কিছু স্মৃতি আর কিছু কষ্ট যা মানুষের সবসময় মনে থাকবে। ভালবাসা এমন একটা অনুভূতি যেটা কারো সাথে সারাজীবন থেকেও আসে না। আবার কারো সাথে হয়তো কিছু মুহুর্তই যথেষ্ট যা কখনো জোর করে হয় না।😥😥 ক
আলহামদুলিল্লাহ।।আমাদের গ্রুপের আজিজুর ভাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ব্যাগ রক্ত দান করলাম।।।ইনশাআল্লাহ এভাবেই স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে মানুষের পাশে থেকে এগিয়ে যেতে চাই।।।সবাই দোয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট ইয়ারে চিন্তা ছিল- বিশ্বের বড় একটি পত্রিকার সম্পাদক হবো। সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা, সাথে নতুন সময় নামে একটি পত্রিকা বের করার উদ্যোগ নিই।
যাইহোক পরবর্তীতে এ্যালুমিনিয়ামের ফ্যাক্টরি আর ভালোভাবে চালাতে পারিনি, ক্যাপিটাল সংকট প্লাস উৎপাদনের তুলনায় সেল মাত্র ২৫% তাও ম্যাক্সিমাম বাকি। রানিং/ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেখতে শূণ্য হয়ে গেলো! শুরুতেই খ
স্যার বলছেন নিজের টাকা অন্য কারো হাতে তুলে না দিয়ে নিজের টাকা দিয়ে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করতে এবং একহাতে বিজনেস করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সেখানে লাভ লস দুটোই নিজের জন্য হবে। অন্য কারো হাতে টাকা তুলে
গুলশান জোনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ইউনিক আইডিয়া নিয়ে দায়িত্বশীলদের আলোচনা সভা এবং ঈদ পূর্ণমিল
সর্বপ্রথমে বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাচ্ছি প্রতিদিন। পেয়েছি নিজের পরিচয়, পেয়েছি একে অপরের প্রতি অবিরাম ভালোবাসা।
আমার জন্ম থেকে বেড়ে ওঠার যমুনা নদীর চরের মধ্যে আমার ছাত্র জীবন ভালোই চলছিল এবং তখন আমি ছাত্র অনেক ভালোই ছিলাম জেএসসি পাস করে যখন নবম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হলাম আর তখনই আমার জীবনের এক ভয়ঙ্কর বাধার সম্ম
হাফিজ , আমাদের স্যার , একদিন প্রবাসীদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন, আপনারা যারা প্রবাসী ,আপনারা দেশে একেবারে আসার আগে , দেশে যে কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে,তার পর দেশে একেবারে চলে আসবেন । আপনি একা না পারলে , কাউকে
সেই প্রথমে সোড হওয়ার মাধ্যমে লিখার যে আগ্রহ আসে আমার মধ্যে, সে আগ্ৰহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এই যে লিখার আগ্ৰহ বাড়ার কারনে আস্তে আস্তে এক্টিভ হতে থাকি ভালবাসার এই পরিবারে, এপর্যন্ত আমি অনেকবারই সোড হ
এক দিন হটাৎ মামির বাসায় গেছি, ত বসে বসে ফোন টিপ তাছি মামি অনেক ক্ষন লক্ষ করার পর এসে বলতাছে ফোনে এত এত কি করতাছ যখন থেকে আসছ ত ফোন টিপা টিপি করতাছি এত কি কর প্রেম টেম কর নাকি,
আমার কাছে মনে হয়েছে চাকরি একটা নির্দিষ্ট ইনকাম যেটা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমি কিছুই করতে পারবোনা ধরে নিলাম আবার 50 হাজার টাকা বেতন হবে এই টাকা দিয়ে আমি কি করব আমি কোম্পানি চাকরি করলে কোন
🏚 বিসমিল্লাহির রহমানুর রাহিম। 🏚 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ========®®®®®®®®======== সকল প্রশংসা মহান রব্বুল আলামীনের জন্য, শান্তি বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর উপর।