আমি সততা,কমিটমেন্ট এবং পণ্যের মানের সাথে কখনো কম্পোমাইজ করিনা। স্যারের শিক্ষা থেকে শিখেছি কিভাবে বিনয়ী আচরণ দিয়ে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকা যায়। দিন শেষে কতটা জয়ী হবো তা জানা নেই তবে শেষ অবধি লেগে
এরই ফাকে ভাইয়ের সাথে সুইটার ফ্যাক্টরিতে কাজ শিখতে শুরু করলাম,,যেহেতু ঢাকা গাজিপুরেই আছি! 2015 সালের লাষ্টের দিকে আমার অজান্তেই আমার ভালোবাসার মেয়েকে তার ফ্যামিলি জোর করে বিয়া দিয়ে দিলো,, এটা শুনার পর
দেশে একটি বিশাল বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলোর একটি হলো উদ্যোক্তার অভাব। এই অভাবটি মূলত সৃষ্টি হয়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে না পারার ভীতির কারণে। আমরা অনেকেই ভাবি যে একজন সফল উদ্যোক
এক দিন হটাৎ মামির বাসায় গেছি, ত বসে বসে ফোন টিপ তাছি মামি অনেক ক্ষন লক্ষ করার পর এসে বলতাছে ফোনে এত এত কি করতাছ যখন থেকে আসছ ত ফোন টিপা টিপি করতাছি এত কি কর প্রেম টেম কর নাকি,
আজ ২য় রমজান সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে বসলাম সময় তখন ৪ টা ৪৫ মিনিট বাবা বলল ক্ষেতে যেতে হবে,তখনো শুয়ে মোবাইল টিপাটিপি করতেছি। আবার হঠাৎ সময় যখন ভোর ৫টা বাবা বলল চল যাই বলে ঘর থেকে বের হয়ে হাটা শুরু করল, আম
বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের ৫০ টি দেশের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও ২০০০ তম দিন উদযাপন করল।১০০০তম দিন উদযাপন করেছিলাম এবার ২০০০তম দিনও উদযাপন করলাম। এই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে আমি গর্বিত। স্যারের নির
রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের লাল ভবন - ১৮৭৮ সালে বাণিবহের জমিদার গিরিজা শংকর মজুমদার ও তার ভাই অভয় শংকর মজুমদার প্রতিষ্ঠা করেন।যা ইতোমধ্যে প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর এই স্থাপনাকে সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শু
হঠাৎ এক দিন এক আপু মেসেজ দিলো।সালাম দিয়ে অনেক সুন্দর করে কথা বলল।আমি কাজের চাপে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।ঠিক সময় রিপ্লাই দিতে পারছিলাম না।আপুটা একটু বিরক্ত হলো।কিন্তু আমি তো একটা কাজ নিয়ে বসে নেই। বলল আপু আম
ডেইলি স্টার এর লেজেন্ড সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মাহফুজ আনাম স্যারকে যখন আমার সোশ্যাল শিক্ষামূলক কাজ "নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন" এর গল্প বলছিলাম, তিনি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন
প্রিয় প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ভালো মনের অধিকারী ভাই ও বোনদের সাথে পরিচিত হই ,দিনে দিনে প্ল্যাটফর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা বাড়তে থাকে, এবং আমাদের নিজের বলার মত একটা গল্প প্ল্যাটফর্মের প্রেমে প
আমাদের ভালোবাসার প্লাটফর্ম ব্লাড ডোনেশন ম্যানেজমেন্ট টিমের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি Jannatul Mawa আপুর ১ম বারের মতো ও পজিটিভ লাল ভালোবাসা দান♥️ স্যালুট জানাই রক্তদাতা বীরকে। "মূমুর্ষদের বাঁচাতে প্রাণ
কিছুদিন আগে এক প্রবাসী ভাইয়া মেসেজ দিলো রাত ১২ টার দিকে।আমি তখনও ঘুমায়নি।উনি সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলো কেমন আছি।আমি মেসেজ সিন করে চুপ করে আছি।ভাবছি সকালে রিপ্লাই দিব।এতো রাতে দিব না।একটু পরেই আরেকটা মেস
আমরা আর্থিকভাবে বেশ কষ্টে ছিলাম তাই আমার পড়ালেখা করতে খুব কষ্টে লেখাপড়া করতে হয়েছিল মানুষের বাড়িতে থেকে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছিল ক্লাস 5 পর্যন্ত। ক্লাস ফাইভ পযন্ত সাতকানিয়া সরকারি প্রাথমিক
" সেটা হল স্যার আপনি যখন এই ফাউন্ডেশন ওপেন করার উদ্যোগ নেন তখন এই ভাবনা টা নিয়ে যার সাথেই আলোচনা করেছিলেন সেই বলেছিল যে আপনি পাগল। কারন এখনকার দিনে কেউ নিশ্বার্থ ভাবে কিছু করতে চায় না। স্যার তখন আপনি
নিজে তুলে ধরেছি ৬৪ জেলায়। ২ একজাঁক ভালোমানুষ নেটওয়ার্ক পেয়েছি। ৩ পরিশ্রম করতে শিখেছি। ৪ নিজের একটা প্রতিষ্ঠান চালু করেছি তাও আবার এই গ্রুপ থেকে নিয়ে। বাংলাদেশের সব চাইতে বড় অনলাই কনস্ট্রাকশন মার্কেট
যে বয়সে স্কুল যাবার কথা সেই বয়সে কাজ করতে হয় ঘরের হাড়ি পাতিল পরিষ্কার করার কাজ। কতটা নিষ্ঠুরতা ভাবতে পারেন?? শুধু কি ঘরের কাজ?? এই ছোট্ট বাচ্চাটা কাজ করতে হতো কৃষি কাজ। জমিতে ধান লাগানো,, আলু চাষের
রেট--লক-ডাউনে যখন ঘড়বন্ধি,হাজার বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ,নিহর ভাবনায় হিম-সিম খাচ্ছি, একান্ত সচরাচর বন্ধু হাতের ফোনটা নিয়ে ঘাটাঘাটি,,হঠাৎ চোখ পড়ল আমার পোষ্টের একটা কমেন্টের এর উপর। আমারএক জন বন্ধু
দেহে বা মনে সংবেদন সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় অনুভূতি। অনুভূতি শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের হয়। স্পর্শের দ্বারা ঠাণ্ডা, গরম কিংবা ব্যাথা, আরামের অনুভব করা শারীরিক অনুভূতির মধ্যে পড়ে। মনের আনন্দ, ব্যাথা-বে
আমার আবেগ, ভালবাসা মাখানো লেখা গুলি মধ্য থেকে সকলের ভালবাসা ও জাজ দের জাজমেন্ট এ.. শত শত ভাল ভাল লেখার সাথে....... স্টেটাস অব দ্যা ডে তে যাইগা দিয়ে আমার এই লেখাগুলিকে ধন্য করেছে...... পর পর১২ বার আম
কারণ বাবা থেকেও যে বাবার খেদমত করল না সে নিজের থেকে জান্নাত হারালো। আপনার যদি বাবা বেঁচে থাকে তাহলে আপনি কখনোই ভুল করবেন না। সবচেয়ে অভাগা সেই ছেলে যার বাবা-মা জীবিত থাকা অবস্থায় সে জান্নাত নিশ্চিত
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর পটুয়াখালী জেলা টিমের উদ্দ্যেগে বরাবর এর মতো এইবারও অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে ভালবাসা ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এইবার পঞ্চাশটি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উ
উত্তরে শিশুটির মুখ থেকে আসে আমি বড় হলে ডাক্তার হব, বা ইঞ্জিনিয়ার হব, বা পাইলট হব। কারণ তার ব্রেনে প্রতিনিয়ত কাজ করে মা বাবার স্বপ্ন দেখানো পথে হাঁটতে হবে।
মহৎকর্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সূর্য সন্তানেরা সুদূর প্রবাস থেকেও সার্বিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছেন,আমি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিম সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
তখন শুধু একটা কতাই বলবো। বাবা কোথায় তুমি হারিয়ে গেলে, কোন অচিনপুরে? তোমার মেয়ে কাঁদছে বাবা- কাঁদছে একা বসে। কতদিন হয় আমি দেখিনা তোমায়, দেখে নি দু’চোখ ভরে, এসো তুমি কাছে আমার এসো বাবা ফিরে।
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
সৌদিতে যাবো টাকার খুবই প্রয়োজন কোথা পাবো এতো টাকা কেউ কাউকে বর্তমানে একটাকা দিয়ে বিশ্বাস করে না। ভাবতে থাকি কি ভাবে টাকার সমস্যা সমাধান করা যায় .। পরে ভাবলাম ব্যাংক থেকে লোন করবো, সেখানেই অনেক ঝামে
খুবই সুন্দর ও চমৎকারভাবে আয়োজন হল
A platform of 'Nijer Bolar Moto Ekta Golpo Foundation (NBMEGF) is empowering youths by connecting inspiring tales from different corners of Bangladesh. NBMEGF has inspired 100 thousand entrepreneur
জন্ম_আমার গ্রামে_মুন্সীগঞ্জ দিঘীর পার আকাল মেক দাদুর আব্বুর গ্রামে_ আমরা চার ভাই ছোট ভেলায় থেকে ভর হোয়ে ছি শহরে আমার একটা রোগ হোয়ে ঘটেছিল ছোট বেলায় অস্বাভাবিক রকম ছোট আকৃতি নিয়ে। কেউ ধারণা করেনি
২১-শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা।
ইকবাল বাহার জানান, ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’ তরুণদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন তারা চাকরির পেছনে না ছুটে অনেকেই নিজের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে দেশে প্রায় পাঁচ লাখ
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?
আজ প্রথম বার জাগো নরসিংদী জেলা নারী টিম শুধু নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজন করেছিল "নেটওয়ার্কিং এবং নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন" বিষয়ক আলোচনা আড্ডা।
দিনশেষে অন্যের লেখা স্ট্যাটাস অফ দা ডে ঘোষণা করা হতো এভাবে পাঁচ দিন, পাঁচটা পোস্ট খুবই চমৎকার করে লিখেছিলাম খুবই খারাপ লেগেছিল কেনো আসছিল না কিন্তু আমি হাল ছেড়ে দেয়নি, এভাবে করতে করতে নিজের লেখাটা ক
কৃতজ্ঞ প্রিয় মেন্টরের প্রতি। আমাদের চমৎকার ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন
করনা মহামারিতে পরিবারে পড়া লেখা বন্ধ হয়ে গেলো তখন হাল ধরতে হলো
গতকাল ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে খুলনা জেলা টীম আয়োজিত বিশেষ মিট আপ সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ! আমার নিজের শারিরীকভাবে একটু কম সুস্থ ও নেটওয়ার্ক জনীত কারণে অনুষ্ঠান পরবর্তীতে কারোর সাথ
মানুষের জন্য কাজ করলে জীবিকার জন্য কাজের অভাব হয় না" আসুন আমরা সকলেই মিলে সমাজের অসহায় কিছু মানুষের পাশে দাড়াই। সকলকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচতে শিখি।
সম্মানতি উদ্যােক্তাগন, বিগত দুই বছর করোনা প্রকোপ থাকার কারনে বিশ্ববাসীর সাথে সাথে আমাদের দেশেও লকডাউন থাকার কারণে অফলাইন মিটআপ হয়নি বললেই চলে বা খুবই সিমীত পরিসরে অফলাইন মিটআপ পরিচালিত হয়েছে।
এতো ছোট একটা বিষয় কে যে এভাবে চিন্তা করা যায় আমি তো কখনো ভাবতেই পারিনি।সত্যি অসাধারণ চিন্তাচেতনার মানুষ উনি। মিলা-- এই জন্যই উনি আজ এতে বড় ব্র্যান্ডের মালিক।আমরা তো ঐভাবে চিন্তাই করতে পারিনা।আমাদের তো
সকলের সুন্দর উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত একটা মিটআপ ছিল। আজকে চট্টগ্রাম জেলাকে এগিয়ে নিতে সবার পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
আমরা প্রায় সব পরিবারে দেখি বাবা মা মেজ সন্তানকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তাই মগ্ন থাকে। কারণ মেজ সন্তান কেমন জানি সবার থেকে একটু আলাদা হয়। তারা একটু গাড় টেরা স্বভাবের হয়। অনেক বেশি স্বাধীনচেতা, একটু একগুঁ
আমার নাতিও পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে কিছু একটা তোমাদের থেকে শিখুক, যা আমিও চাই। আচ্ছা এইসব শেখাতে তোমাদের ওই গ্রুপে মাসে কত টাকা নেয় ? তখন আমি আবারো হেসে বললাম, আরে আঙ্কেল এখানে রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন রামপুরা থানার চা আড্ডা ও মিট আপ মতিঝিল জোন, ঢাকা।
আমার বাবারা দুই ভাই। আমার বাবা ছোট। আর আমার বড় কাকা তখন ছিলো গাজীপুরে। সে তখন গাজীপুরের একটা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তো আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা ও গাজীপুরেই থাকবো। তখন আমরা
আলহামদুলিল্লাহ আজকের শরীয়তপুর জেলা এর কম্বল বিতরন এর অনুস্ঠান বিজয়ের বাংলাদেশ পএিকায় প্রকাশ
আমাকে বাড়িতে আসতে দিতেন না, এমনকি মায়ের সাথে দেখা করতে দিতেন না, আমি আর মা চুপি চুপি দেখা করতাম,ভালোই যাচ্ছিল আমার দিন,হঠাৎ আমার শশুর স্টক করে মারা যান,আমার জীবনে আবার অন্ধকার নেমে আসে, শাশুড়ী সারা
ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার উন্নয়নশীল একটি গ্রাম কান্দিপাড়ায় আমার জন্ম।ঐখানে আমাদের পরিবারকে "সরকার বাড়ি" নামে একডাকে চিনে। ঐখানে আমাদের পরিবার থেকে চল্লিশ একর জমি দান করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে...
একজন ব্যক্তি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছেছে, রক্তদান তো ছাত্ররা'ই!! কোন কর্ম কর্ম নেই!! শারীরিক ঘাটতি নেই, অবস্থান অবস্থান ইত্যাদি কোন শব্দে শুনতে!
স্যারের এই কথা গুলো প্রতিনিয়ত আমাকে অনুপ্রেনিত করে, আমাকে স্বপ্ন দেখায় একজন উদ্দোক্তা হতে। আমার স্বপ্ন আমি একজন উদ্দোক্তা হতে চাই।