প্রথমে আমি নিজের বাগানের বিভিন্ন রকম ফল দিয়ে ঘরে নানা রকম আচার তৈরি করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করলাম।আমার এই ঘরোয়া আচার সব আত্নীয় স্বজনের মধ্যে এতো জনপ্রিয় হয়েগেলো যে আমাকে নাম দিয়ে ফেল্লো
আমি প্রত্যন্ত অঞ্চল কুড়িগ্রাম জেলার মেয়ে। ছোটবেলা থেকে খুব জেদী,রাগি আর খুব চঞ্চল ছিলাম। যখন যাই চাইতাম তখন সেটাই লাগতো এমন অবস্থা ছিল।এরজন্য আমার মায়ের কাছে কম মাইর ঝাটুর বাড়ি খাই নি।
আমার মা বাবাকে দেখতাম তারা না খাইয়ে আমাদেরকে খাওয়াতেন, উপার্জনের প্রধান উপায় ছিল সামান্য একটু জমি আর অন্যের জমি বর্গা চাষ করা, তবে তার লাভ খুব একটা হতো না, প্রত্তেক বছর কয়েক বার বন্নার ফলে বারব
সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসবে নতুন কোন বিজনেস স্যার উক্তি এটির মাধ্যমে মনের নতুন আশা শুরু হয়েছে সমস্যা তো দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তার সাথে বিজনেস আইডিয়া গুলো বেরিয়ে আসতে জানিনা কতদূর সবার সামনে উপস্থাপন
একজন নিয়মিত রক্তদাতা ক্রিয়েটিভ ময়মনসিংহ টিমের সকলের প্রিয় কোর-ভলান্টিয়ার Mohammad Ali ভাই ।আমাদের প্রিয় আলীভাই গতোকাল সন্ধ্যায় একজন মূমূর্ষ রোগীকে AB+ রক্ত দান করেছেন । আল্লাহ্ যেনো উনার রক্তদান কবুল
শৈশবটা কেটেছে একেবারে গ্রামের পরিবেশে।ছোট বেলা থেকে ছিলাম বেশ চঞ্চল। কোথাও স্থির থাকা আমার একদম পছন্দের ছিল না।বাবা গ্রামের জমিদার ছিল কিনা আমি জানিনা। তবে প্রায় ১০০ বিঘার মত জমি ছিল।আমার মনে আছে বাবা
ওয়ারী জোনের ৮০০তম সেশন চর্চা পূর্তি এবং ২৪তম ব্যাচের সদস্যদের নবীন বরণ কর
পারিবারিক সদস্যের দিকে আমরা ২ ভাই ৫ বোন। আমার বাবা একা এবং আমার ফুফু ৩ জন। আমার বাবা একদম সহজ সরল সাদা মনের মানুষ ছিলেন। কোন রকম খেয়ে দেয়ে বেচে থাকার অল্প একটু হুশ ছিলো তাঁর। অন্য দিকে রুজিরোজগার করার
চাঁদপুর জেলা টিমের চুপিচুপি ঈদের ভালোবাসা বিতরণ
বাবা মানেই হাটি হাটি পা পা শুরু। বাবা মানেই শতবার হোচট খাওয়ার পরেও সেই হাত ধরেই উঠে দাড়ানোর আরেক প্রচেষ্টা। বাবা মানেই "এগিয়ে যাও আমি আছি তো!!!!" বাবা মানেই জীবন যুদ্ধে জয়ী নির্ভীক এক সৈনিক,,,,,,
আজকে প্রচুর বৃষ্টি থাকার পরেও কষ্ট করে যে সকল ভাই ও যে দুইজন বোন মিট-আপ প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা আজকের মিট-আপে যেকোন কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি আগামী মাসের মিট-আপে তা
❤️একুশের চেতনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিজের বলার মত একটি গল্প ফাউন্ডেশন" ঝিনাইদহ জেলা টিম। এই একুশ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো তাই আমি এই ২১ ভুলতে পারিনা!! আজ আমরা বাংলা বলতে পারি শুধুমাত্র ভাষা শহীদদের ত্যাগে
আড়াইটা বছর পরে, তোমাকে লেখা আমার শেষ চিঠি। অনেক বারেই ভেবেছি লিখবো লিখবো কিন্তু লেখা হয়ে উঠেনি। হয়তো ব্যস্ততায় ভুলেছি, আবারো মনে হয়েছে তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা?
আমি আমার বান্ধবী সুমি আমরা দুজনে একসাথে পড়াশুনা করতাম । হঠাৎ একদিন কফিসপে, দেখা হয়ে গেল সুমির সাথে, তারপর শুরু হলো না বলা জমে থাকা অনেক অনেক কথা। সুমি অতি আনন্দে কান্না করে দিল, বলতে শুরু করলো দোস ত
এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর কারনে।
১০০ তম সেশন চর্চা ক্লাস উপলক্ষে অফলাইন মিট আপের একাংশ
স্বপ্ন দেখতে কে না ভালোবাসে???!!! আশা আর স্বপ্ন নিয়েই তো মানুষ বাঁচে!!! এ দুটো যদি না থাকতো তাহলে মানুষ বেঁচে থাকার আগ্রহই হারিয়ে ফেলতো। আর সে স্বপ্ন দেখা মানুষগুলোর মাঝে আমিও একজন😊😊।
আলোচ্য বিষয় ছিলো ৪ জানুয়ারি ২০২০ উদ্যোক্তা সম্মেলনের টিকিট বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়। প্রধান অতিথি ছিলেন নিজের বলার মতো একটা গল্প গ্রুপের ফরিদপুর জেলার মুছাফির আমির ফয়সাল ভাই।
নিজের বলার মতো একটি গল্প ফাউন্ডেশন ১ম ব্যাচ থেকে যাত্রা শুরু করেন। আমাদের মাঝে রয়েছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রদ্ধেয় সানজানা শাহজাহান আমাদের প্রিয় গুলশান
গানের ছন্দ হারিয়ে ফেলে, সে আবার ছন্দ ফিরাতে পারে! যে গড়তে জানে, সে আবার সৃষ্টি করতে পারে! যে হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়, সে-তো আবার উঠে দাঁড়াতে পারে!কারন,সে জানে কিভাবে হাঁটতে হয়!
সেদিন পুকুর পাড়ে কেউ ছিলো না, শুধু নানুই পুকুরে গোসল করছিলেন একা একা। আমি পুকুর পাড় থেকে ভাবতে লাগলাম সাঁতার কাঁটা এ আবার এমন কঠিন কি! সাহস করে পুকুরে লাফ দিলে এমনিতেই শিখে যাবো। যেই ভাবনা সেই কাজ
বারবার মনে ভয় হয় এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে পারব তো!কিন্তু বিশ্বাস আছে নিজের উপরে,শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের শিক্ষার উপরে, প্রিয় স্যারের শিক্ষা বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছি,
আমরা শুধু সেশন ক্লাশ এ সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্যোক্তা দের সহযোগিতায়,,,,,,,
এই প্লাটফর্ম থেকে আমি যে সম্মান, স্নেহ, ভালবাসা পেয়েছি।সেটা পৃথিবীর সব সার্টিফিকেট কে হার মানায়। আমি বিশ্বাস করি,এই স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে এর নিয়ম টা নিঃসন্দেহে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি বড় ধাপ।
মানুষ মানুষের জন্য, নিজের বলার মতো একটা গল্প সকলের জন্যে
ফরিদপুর জেলায় শান্তি নিবাসে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর সদস্যরা ইফতার আয়োজন করেন
তাই আবার ও ব্যার্থ হলাম আমার পুজি কম তাই লেগে থাকতে পারলামনা না আমার সেই শিক্ষা ও ছিল না, পরিবার থেকে অনেক চাপ আসল যে তোমাকে দিয়ে ব্যাবসা হবে না তুমি আগের কাজে যাও,
২০০৮সালে আমার ভিসা আসে ভিসার দাম দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা। আমাদের জমি বিক্রি আর জমানো টাকা আছে ১লক্ষ টাকা কেও আর দিতে রাজি হয়না। যদি মাইর যায় কোথায় থেকে দিবো।
একটা বাচ্চা শিশু কিন্তু অনেক দূরন্ত আর চঞ্চল থাকে, সেটা হতে পারে,বাঘের বাচ্চা বা যেকোনো পশুর বাচ্চা তো, সেই ছোট হাতি কে যখন মানুষ কন্ট্রোল করতে চায় তখন দূরন্ত বাচ্চা হাতিটাকে আটকে রেখে, পোষ মানাতে
আজ মঙ্গলবার বার ,,"নিজের বলার মত একটা গল্প "ফাউন্ডেশনের হাটবার ।বেশ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কোন দিন কি বার সেটা আমার মনে থাকতো না । কিন্ত যখন থেকে গ্রুপে এক্টিভ আছি তখন থেকেই এই হাটবারে অংশ গ্রহণ করার
স্বপ্ন দেখুন সাহস করুন লেগে থাকুন সফলতা আসবেই🌹বৃষ্টি সবার জন্য পড়ে ভেজে কেউ কেউ। বর্তমান,শুভ দিন ✅ফাউন্ডেশন যুক্ত থেকে টানা ৯০ ক্লাস শেষ করে, আজ আমরা ২ জন মিলে একটা, এস এ এস এগ্রো ফুডস্ (বন্ধন) 🌶
শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হতো পুতুল খেলা,হাড়ি পাতিল নিয়ে রান্না বান্না খেলা, মাটি দিয়ে ঘর বানানো। বর্ষা ঋতুতে সবাই মিলে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসল করা,খেলা,বর্শি দিয়ে মাছ ধরা।বড় বড় সাকো পার হওয়া,নৌকা
পরিবার জন্য পাটিয়ে দিতাম মা বাবার ভাই বোনের ওষধ খরচ ওপরিবারের খরচ সবমিলিয়ে একপ্রকার হিমশিম খাচ্ছি তার উপর ছোট ভাই বোন আছে ওদের পড়াশোনা করছে তবে আরো দুই ঈদের সময় ঈদের অতিরিও টাকা জমানো অনেক কটিন হয়ে যে
এটা আমাকে খুব কষ্ট দিতো কাউকে দিতে পারিনা। সব থেকে বেশি কষ্ট লাগতো কাউকে আমাদের বাসায় আসতে বলতে পারতাম না। আমার বাড়ির লোককে বলতাম না আসার জন্য। কারণ কেউ আসলে চলে যাওয়ার পর অনেক কথা বলতো। শুনে খুব খ
এক কথায় এই দিনটি ছিল আমাদের জন্য ঈদের দিন। কেননা ঐদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিজের বলার মত একটা গল্প এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিরাট মহাসম্মেলন। যাদের সাথে এতদিন শুধু
কখনো কখনো মনে হয় কালকের দিনটিতে মনে হয় আর চলতে পারব না।আজ এখানে এই পযন্তই সবকিছু শেষ করে ইতি টানতে হবে।মনের অজান্তেই ভাবি,নিজেকে সফল করতে পারিনি তাতে কি সবার জন্য তো অভিজ্ঞ হয়ে পরামর্শ দিতে পারব,পা
আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার আয়োজনে রাত ১০ টা হতে রাত ১২ পযর্ন্ত অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সব ভাইদের
মা অত্যন্ত সুন্দর চেহারার অধিকারী ছিলেন। সে সময়ে মানুষ পড়াশোনা খুব কম করেছে যাদের পারিবারিকভাবে অর্থ-সম্পদ কম ছিল তাদের সন্তানরা পড়াশোনা খুব কমই করেছে। আমার জানা মতে 30 বছর আগে মায়ের বয়স ছিল
সারারাত অঝোরে দ্বারায় বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দটা অনেক দিন পরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলাম। ফজরের সালাত আদায় করে ভাবলাম একটু ঘুমিয়ে নেই তারপর না হয় হাটে যাবো 🥰🥰
লক্ষ লক্ষ, দিশে হারা যুবক যুবতী র, প্রানের স্পন্দন, বাংলাদেশের রিয়েল হিরু প্রিয়, ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের যুগান্তকারী সৃষ্টি এই সাপ্তাহিক হাটবার.... লক্ষ লক্ষ, মানুষের এই মেলা বন্ধন, এই সুন্দর বিশ্ব
আল্লাহ যেন আমাকে একটা নতুন দুনিয়া দান করলেন।এত এত ভালো মানুষ আর এত সুন্দর ব্যবহার আমাকে ভালোবাসায় মগ্ন করে দিল।আহা কি মধুর এক পরিবার।১৬ তম ব্যাচ এর ৯০ দিন শেষ করে এখন আমার উদ্যোক্তা জীবনে প্রবেশ করে
প্রিয় প্লাটফর্মের সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল। আল্লাহ পাক সবাইকে সফল উদ্যোক্তা হবার তৈওয়াফিক দান করুন। সবসময় একে অপরের পাশে থেকে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। সবাই সবার জন্য দোয়া করবো এবং একে অপ
যে মেয়েটা তুমি মানুষের সামনে যেতে ভয় পেতে। ছেঁড়া কাপড় পরতে, সেই মেয়েটা আজ তুমি হাজারো মানুষের মাঝে মাথা উঁচু করে নিজেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বক্তব্য দাও। তোমার কথা শুনে অনেক উৎসাহিত হয়, অনুপ্রাণ
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
আমার জীবনে কিছু ভালো বন্ধু পেয়েছি এর চাইতে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে আর কিছু ছিল না,। জীবনে অনেক হতাশায় ভুগছি জীবনে অনেক কষ্টে কাটিয়েছি, হয়তো আমারই দোষ ছিল, তাই এমন টা হয়েছিলো। কিন্তু এই হতাশা এ
পৃথিবীর মানুষগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। সামাজ, পরিবেশ, জীন বা জেনেটিক কারন ও পারিবারিক কারনে মানুষের স্বাভাবিক স্বভাব গড়ে উঠে। পরিবার থেকে শেখানো হয় পড়াশোনা কর ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার হও প্রতিষ্ঠিত হও
আজ আমাদের পরিবারের ৭০০ তম দিন এই দিনটি আসলেই শরোনিও কারণ এটা এক রকম অসম্ভব কিন্তু প্রিয় এইদিন প্রযন্ত প্রিয় স্যার আমাদের সাথেই যুক্ত ছিলেন। প্রিয় স্যার এর জন্য আন্তরিক ভালোবাসা এবং দোয়া। আমি যুক্ত ছিল
স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে হলো যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ,এই আয়োজনের মাধ্যমে প্লাটফর্ম এর প্রিয় ভাই ও বোনেরা তাদের নিজেদের জীবনের সুখ,দুঃখ,হতাশা,সফলতার গল্প সকলের মাঝে তুলে ধরতে পারছেন।পাচ্ছেন অনেকের প্রতি