July 17, 2019 · #মানুষ_মানুষের_জন্য বন্যা দূর্গত এলাকায় ত্রান বিতরন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপের খুলনা জেলার পক্ষ থেকে আমার হাতে ৩৪০০/= টাকা তুলে দিলেন খুলনার সমন্বয়
বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের ৫০ টি দেশের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও ২০০০ তম দিন উদযাপন করল।১০০০তম দিন উদযাপন করেছিলাম এবার ২০০০তম দিনও উদযাপন করলাম। এই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে আমি গর্বিত। স্যারের নির
ভোলা জেলা হয়ে গেল স্বপ্নবাজ ভালো মানুষের মিলন মেলা,
শত বাধা-বিপত্তি আসা সত্ত্বেও আমি কিন্তু পিছপা হয়নি আমার মনের মধ্যে একটা জিনিস আছে যে দিদি টাকে সব সময় আমি কাজে লাগে আমার উত্তরটা কে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। পরিশে
একটা সময় ডিপ্রেশনে কারো কথা ভাল লাগত না। খাবার ভালো লাগতো না। ঘুম ভাল লাগত না। শুধু অন্ধকার ভালো লাগতো। একাকীত্ব ভালো লাগতো। কিন্তু এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হবার পর নিজেকে এতটা পরিবর্তন করে গড়ে তুল
আজ ১০ নভেম্বর ২০২২ রোজ- বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ জেলায় তিনটি কলেজে অধ্যক্ষ বরাবর আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ গুলো হলো: ১/ রবীন্দ্র বিশ্ববি
নিত্যদিনের অভ্যাস ছিলো ফেসবুকিং করা ওপর থেকে নিচ স্ক্রল করা। সময় তো এভাবেই কাটতো আমার। যখন থেকে দেখা পাই প্লাটফর্ম তখন থেকে যেনো এক স্বস্থি অনুভব করলাম। গ্রুপেই সারাদিন সময় দিতাম। পোস্ট পড়তাম। স্যারে
তারপর একদিন থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আমার দুটি মেয়েকে আপনার ওখানের ঠিকানা দিয়েছি পাঠিয়েছি ওরা কাজ করাবে,,আমি ওকে। তারপর আপু দুটি অনেক কষ্টে আমার বাড়ীর ঠিকানাতে আসে এবং বলে স্যার যদি ভালো
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের হবিগঞ্জ জেলার গত কাল রোজ শুক্রবার অফলাইন মিট আপ অনেক সুন্দর ভাবে সফল হয়েছে,
🇧🇩🇧🇩গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের মুন্সিগন্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলা টিম একটি অফলাইন মিটআপ এর আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিরাজদিখান 🙋
নিজের_বালার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশনের_পটুয়াখালী_জেলার_উদ্দেগে_বৃক্ষ_রপোন_কর্মসূচি_২০২১ইং
আমার পরিবার বলতে আমার জন্মের পর যেখানে আমার বেড়ে ওঠা। পরিবার বলার কারণ হলো মেয়েদের কোন বাড়ি হয়না। বিয়ের আগে বাবার বাড়ি, বিয়ের পরে স্বামীর বাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলের বাড়ি না হয়......
নিজ জেলাকে সংগঠিত করা, উদ্দোক্তা ক্লাব গঠন করা, নারী উদ্দোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটানো সহকারে পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয় ভাই বোনদের পুনরায় পিরিয়ে আনা ছিলো এই মিটআপ এর মূল উদ্দেশ্য।
শহীদ রাজ্জাক পার্ক শহীদ মিনারে "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা টীমের উদ্দোগে স্বাধীনতার ৫০ বছর উৎযাপন
তখন আমাদের ও দোকান ভাঙা পড়ে। আর তখন আমাদের জীবন এ খারাপ সময় নেমে আসে।।।এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে। আমার বাবা স্ট্রোক করেন।।।।। আমাদের জমানো কিছু টাকা ছিলো সেই টাকা দিয়েই আমার বাবার চিকিৎসা চলে।।।
নিজের বলার মতো একটি গল্পের প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল বাহার জাহিদ বলেন, “এখানে সবাই শুধু উদ্যোক্তা নন, তারা সবার আগে একজন ভালোমানুষ, যা প্রতিনিয়ত এখানে চর্চা করানো হয়। সংগঠনের নিবেদিত ৩০০০ দায়িত্বশীল ভলান্টিয়া
টানা ২০০০ তম দিন প্রশিক্ষণের বিশ্ব রেকর্ড করল আমাদের প্রিয় ফাউন্ডেশন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন। আমি একজন গরবিত সদস্য হিসাবে ধন্য মনে করি এ ফাউন্ডেশনের যুক্ত হয়ে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ভাল
বড় বড় ইলিশ গুলো ভিডিও কলে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের ছেলেকে দেখিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত ০২.১৫ মিনিটের সময় আমি চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে পৌছি। এর মাঝে কিছুক্ষণ পর পর চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের
আজ কিছু ব্যবসায়িক কথা বলবো। নতুন আপুরা যারা বিজনেস করবেন ভাবছেন, কিনতু এখনও সিদ্ধান্তং নিতে পারছেন না কি করবেন। তাদের জন্য আশা করি খুব উপকার হবে।
গত 24/12/21 শুক্রবার অতি জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া যশোরের উদ্যোক্তা মেটাপ ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠান টি যশোরের দৈনিক চারটি পত্রিকা স্পন্দন, সমাজের কথা, প্রতিদিনের কথা ও কল্যাণ পত্রিকা একযোগে প্
হবিগঞ্জে আমরা যে বাসায় থাকতাম (৩য় তলায়) ঐ বাড়িতে বসবাসরত প্রায় সব মহিলারা কেন জানি আমাদের খুব ভাল বাসত। আমার স্বামী অফিসে যাওয়ার পর আশেপাশের ভাবীরা চলে আসত হাতের কাজ শিখার জন্য সাথে গল্প করার জন্য। সে
আমি আগে নিজেকে সবসময় গুছিয়ে রাখতে চাইতাম মানুষের মাঝে নিজেকে প্রকাশ করতে পারতাম না একধরনের লজ্জাবোধ আমাকে মানুষের সাথে মিশতে বাধা দিতো নিজের গন্ডির বাহিরে কখনো নিজেকে উপস্থাপন করার সাহস করতে পারিনি >
ভালোবাসায় ভরপুর আমাদের মাদারীপুর ভাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাব একসাথে
আমার বাবারা দুই ভাই। আমার বাবা ছোট। আর আমার বড় কাকা তখন ছিলো গাজীপুরে। সে তখন গাজীপুরের একটা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। তো আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা ও গাজীপুরেই থাকবো। তখন আমরা
আজ আমাদের পরিবারের ৭০০ তম দিন এই দিনটি আসলেই শরোনিও কারণ এটা এক রকম অসম্ভব কিন্তু প্রিয় এইদিন প্রযন্ত প্রিয় স্যার আমাদের সাথেই যুক্ত ছিলেন। প্রিয় স্যার এর জন্য আন্তরিক ভালোবাসা এবং দোয়া। আমি যুক্ত ছিল
যখন মিট আপে উপস্থিত থাকবো বলে ঠিক করলাম, মনে হচ্ছিল কাউকেই তো চিনিনা কেমন কাটবে সময়??যখন মিট আপে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল ভিন্ন কোন শহরে যাচ্ছি আমি,সবাইতো অচেনা। গিয়ে দেখি অনেকেই আমার চেনা
ধানমন্ডি জোনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বশীলদের মিটিং ও চা আড্ডা।
সিদ্ধান্তহীনতা এমন একটি অভ্যাস যেটা ছোট বেলা থেকে আরাম্ভ হয়।এই অভ্যাস বড় হওয়ার সাথে সাথে স্থায়িত্ব লাভ করে।আমরা যখন বিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় উঠেও এই সিদ্ধান্তহিনতা আমাদের মধ্যে রয়ে
এ যেন একখন্ড ভালো মানুষের দেশ।যেখানে সবাই সবার জন্য, সবার পাশে সবাই,নেই কোন ভেদাভেদ, কে বড় কে ছোট তা নিয়ে নেই কোন মতামত। ধনী গরীবের কোন আলাদা স্থান নেই।সবাই যেন একই বন্ধনে একটা সুখী পরিবার। এখন বলি
#বাবা নেই কিন্তু আছে তার স্মৃতি মায়া ভালবাসা আজ থেকে ২০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা আমি আপনাদের সাথে এখন শেয়ার করতে যাচ্ছি। ২০বছর আগে ০৯ বছরের ছোট্ট মেয়েটা ঘুমিয়ে ছিলো।খুব সকালে তার ঘুম ভেঙে যা
গত 24/12/21 শুক্রবার অতি জমকালো ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া যশোরের উদ্যোক্তা মেটাপ ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠান টি চারটি পত্রিকা স্পন্দন, সমাজের কথা, প্রতিদিনের কথা ও কল্যাণ পত্রিকা একযোগে প্রচার করেছে।
কিন্তু এখানে ও আমি বসে নেই৷ প্রিয় স্যারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন এর উপর আলম করতে শুরু করলাম। স্যার বলেছেন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাকরি অথবা পড়ালেখার পাশাপাশি একজন পার্টটাইম উদ্দোক্তা হতে। তা
স্কুলে ঢুকেই বুকটা আমার আঁটকে গেল। সেই স্যার ম্যাডাম, সেই আম গাছ, সেই বকুল ফুলের গাছ সেই ক্লাস আমাকে বাকরুদ্ধ করে ফেলেছে। ☺️ স্কুলে ঢুকতেই আমার প্রিয় স্যার ম্যাডামের সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
আলহামদুলিল্লাহ , গোপালগঞ্জ জেলা, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কাজ সু সম্পন্ন হয়েছে।
আমাদের মনে শান্তি, কোন প্রকার ভয়নাই সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারছি। আমরা স্যারের শিখানো মত আস্তে আস্তে অগ্রসর হবো দুইনাম্বারি করে বেলুনের মত পুলে আবার বেনিস না হয়ে ভালো পথে পাথর কনার মত শক্ত হবো আকা
কুরআন তিলাওয়াত,পরিচয় পর্ব, বিনামূল্যে প্রিয় গ্রুপের টানা ৯০ দিনে যা যা শিখানো হয় তা নিয়ে আলোচনা ,বিজনেস রিলেটেড কথা-বার্তা শিয়ারিং,ফটোসেশন, Sagar Banik দাদার অসাধারণ আইডিয়া সাভার জোনকে আরও এগিয়ে নিয়ে
জীবন যদ্ধে হার না মানা একজন সৈনিক। জীবনে কত কষ্ট যে করেছেন,যখন মাঠে ফসল হতো না তখন বাবার নিরাশ পণ্য চোখের পানিগুলো দেখলে মনে হতো পৃথিবীর বাবারা কত অসহায় সন্তানদের জন্য,যখন ব্যবসায়িক কাজে যখন ট্রাভেল
সত্যিই আমরা চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। কোন কিছুই আমাদের নাগালের বাইরে নয়। শুধু আমাদের একটু ইচ্ছা শক্তির অভাব ।আর সেই ইচছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের দিকে গুটি গুটি পায়ে আমি আগাচ্ছি। আমি নিঃসঙ্গ এ
নতুন ভাই, আপুরা দির্ঘ্যদিন সেশন চর্চা মিটআপে থেকে কথা বললেও সরাসরি সবার সাথে পরিচিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সবার প্রতি শুভ কামনা রইলো।
অনেক অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, "নিজের বলা মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন"ওনার জনাব, Iqbal Bahar Zahid প্রিয় মেন্টর প্রতি। এতো সুন্দর প্লাটফর্ম তৈরী করার জন্য।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য করা যেতে পারে, ঢাকাসহ সারা দেশের সরবরাহকৃত পানির মান নিয়ে সম্প্রতি এক জরিপ চালায় বিশ্ব ব্যাংক। সেখানে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ প্রায় ৮২%. তবে চাইলে এই পানি ফিল্টারের মাধ্যমে শতভাগ ব
আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না, খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলাম মন খুব খারাপ😥 এদিকে সহপাঠীরা কল দিচ্ছে, কোন কলেজে ভর্তি হবি, কবে? ওদেরকে বললাম পরে জানাবো। আমি অনেক ভাবলাম কি করা যায় হঠাত বড় দুলাভাইর কথা
স্যারের শিক্ষা লালন করে, ৬৪ জেলার ন্যায় পাবনা জেলাতেও স্যারের কিছু প্রিয় শিক্ষার্থীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে গেল, পাবনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানায়, নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর ভালবা
আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার সাথে যারা আসছে তারা সবাই চলে গিয়েছি আমি শুধু একা বসে আছি বাহারাইন বিমান বন্ধরের বারান্দায়। এ দিকে ক্ষিধায় পেট চুচু করছে, বাড়িতে জানানোর পর ৬ ঘন্টা পর এক জন এসে আমাকে নিয়ে গ
আমার খুব খারাপ লাগে যখন দেখি ঘরের একটা ছেলে সকাল ১০ টা পর্যন্ত ঘুমাচ্ছে কারোর সে বিষয়ে অভিযোগ নেই। অন্যদিকে ঘরের মেয়েটি খুব ভোরে ওঠে মায়ের সাথে সব কাজ অবলীলায় করে যাচ্ছে। একইভাবে স্বামী যখন বাইরের দায়
দেশে গিয়ে দেখলাম লেয়ার মুরগির ফার্ম করে অনেকে ভালো টাকা আয় করছে ।সুতরাং আমিও শুরু করে দিলাম মুরগির ফার্ম। কিন্তু আমি মুরগির ব্যবসায় লাভ করতে
♥️♥️মা গো ♥️♥️তোমার ঋন সত্যিই আমি কোনদিন শেষ করতে পারবোনা।
আমি আর সহেল একই দোকানে কর্মরত আছি। আমার উপর সহেল একটু বিরক্তবোধ করতো সবসময়, কারন প্লাটফর্মে সময় দেওয়া থেকে শুরু করে অনলাইন মিটআপের এটেন্ড করা, কাজের ফাঁকে ফাঁকে রেজিষ্ট্রেশন টিমেও কাজ করে যাচ্ছি, কিন্
প্রবাসীদের কস্ট প্রবাসী ছাড়া কেউ বুঝেনা একজন প্রবাসী আরো একজন প্রবাসীর সাথে যেভাবে জীবনের দুঃখ যন্ত্রনাভাগাভাগি করে আপন পরিবার পরিজনের সাথে