রক্তদান নিঃসন্দেহে পুণ্যের কাজ! কয়েক ফোঁটা রক্তের গভীরতাই মুমূর্ষু-প্রাণ৷ তাই অবশ্যই রক্ত দিন৷ কিন্তু রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার সময় ভুলচুকে নষ্ট হয়ে যেতে পারে৷ বিপদে আপনি দাতা-গ্রহীতা পেয়েই! সত্
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন, নাটোর জেলা টিমের পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর জনাব Iqbal B
দিন আনে দিন খায়-গাজীপুর জেলা কতৃক ত্রাণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের ৫০ টি দেশের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও ২০০০ তম দিন উদযাপন করল।১০০০তম দিন উদযাপন করেছিলাম এবার ২০০০তম দিনও উদযাপন করলাম। এই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে আমি গর্বিত। স্যারের নির
উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা টিমের কর্ণদার মডারেটর সাব্বির ভূঁইয়া, জেলা এম্বাসেডর এমকে ইসমাইল হোসেন ও সদর উপজেলা এম্বাসেডর প্রিয় রায়হানুর রহমান ভাইয়াসহ আরও অনেকে।
সকল সমস্যার উর্ধ্বে আলহামদুলিল্লাহ আয়োজন সফল। আয়োজনে ছিলো ১০০তম সেশন আলোচনা আর প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। ছিলো মোটিভেশন কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। ছিলো সকল দায়িত্বশীলদের আন্তরিকা, ছিলো সকল ভলান্টিয়ারদের
১০ ডিগ্রি দক্ষিনে কর্কট ক্রান্তি রেখায়। বসবাস যে যেখানে করি আমাদের লক্ষ্য একটাই,সফল হউয়া। পুরো পৃথিবী এখন এক প্রকার কান্না করতেছে।তার সাথে সাথে আমরাও কান্নায়, চিন্তায় জর্জরিত। কিন্তু চিন্তা করে দেখে
বাংলাদেশের একমাত্র ফাউন্ডেশন যেখানে ‘প্রতিদিন’ উদ্যোক্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বিনামূল্যে-২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা ফেসবুকভিত্তিক কমিউনিটি গ্রুপটি বর্তমানে রূপ নিয়েছে উদ্যোক্তা তৈরির সেরা প্রশিক্ষণ
স্যারের সেশনটা যদি আগে পেতাম তাহলে ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতাম "চাকরি করবো না চাকরি দিবো"।
হাজার হাজার ভালো মানুষের দেখা, ভালো ভালো ব্যবসার আইডিয়া, ভালো ভালো সামাজিক কাজকর্ম জেলাভিত্তিক মেসেঞ্জারে এড হওয়া,সেশন চর্চা মিটাতে অংশগ্রহণ করা নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা। ইনশাআল্লাহ,অনেক কিছু শেখার চ
👉সফল হওয়ার পর তো সবাই আসে ভালোবাসা দিতে, খবর নিতে, প্রতিবেদন করতে। কিন্তু সফল হওয়ার আগে ক'জনইবা আসে, খবর নিতে, অনুপ্রেরণা দিতে, এমনকি প্রতিবেদন করে প্রমোট করে সফল হতে সহজ করে দিতে? 👉আসলেই আমাদের
জমি বন্ধক রেখে আমি প্রবাসে চলে যাই আর সেখানে তৈরি হয়ে প্রবাসী জীবন
কাস্টমার : আমি যে ৭ সেট গহনা পছন্দ করেছি আপনি ওই সবগুলোই পাঠাবেন।আমার 3 সেট গহনা অনেক বেশি পছন্দ হয়েছে।আর বাকি ৪ সেট গহনা দেখার পর যদি ভাল লাগে তাহলে রেখে দিব আর ভাল না লাগলে রিটার্ন করে দিব।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে তাই এ দিনটি ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পরাজিত হয়।
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন, এই দিনে ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমাদের এই সোনার বাংলা। এই দিনটির অপেক্ষায় আমরা লাখো কোটি জনতা, লাখো ফুল ও হাজার তোরা দিয়ে জানাই তাদের শুভেচ্ছা। ⛳এক সাগর রক্তের
তারা আমাকে তাদের রুমে সকালে দাওয়াত করে নিলো আমি আর আমার বন্ধু মিলে যায় কিছু সময় দেয় তাদের সাথে কথা বলি।এখন হিসাব নিকাশ ভাইয়েরা বললো আমাকে ভাই কত খরচ করেছেন বলেন । আমি আমার মত হিসাব দেয় । তারা হ
করোনা অনেকের জীবনের ধ্বংসের কারণ আর আমি মনে করি করোনা আমার জীবনের নতুন পথ উন্মোচন করে দিয়ে গেছে। "কিছু অশুভ কারো কারো জন্য শুভও হয়"
আপনাদের কারও যদি আয়কর রিটার্ন সম্পর্কিত কোনো ঝামেলা হয় অথবা তথ্য জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমি যখন আমার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে একবারে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম, আমার ভালো বিজনেস ছিল, সেটাও কিছু কুৎসিত লোক আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে ধ্বংস করে ছেড়ে দিয়েছে,, আমি মানুষকে প্রচন্ড বিশ্বাস করতাম
🏚 বিসমিল্লাহির রহমানুর রাহিম। 🏚 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ========®®®®®®®®======== সকল প্রশংসা মহান রব্বুল আলামীনের জন্য, শান্তি বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর উপর।
আজ আমি একটি কাজে টয়োটা শোরুমে যাই,সেখানে দুই জন ভদ্রলোক বসা ছিল একজন ইন্ডিয়ান স্কুলের শিক্ষক অন্য জন(গালফার) কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। পরিচয় হয়ে কথা বলতে বলতে স্যারের লাইভ শুরু হয়েছে,আর নিজেকে সামলাতে না
দীর্ঘ ৭ থেকে ৮ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলো,আমি আমার নিজস্ব গার্মেন্টস ফেক্টোরি একক ভাবে পরিচালনা করছি। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমি মালেশিয়া তে ফেক্টরি দেয়ার পর ১ থেকে দের বৎসর দকল যায় অনেক তারপর আস্তে আস্তে
দেশে এসে একটা ব্যবসা শুরু করেছে।আমাদের দিনগুলি খুব ভালই যাচ্ছিল। এরইমধ্যে দেশে মহামারী করোনা আসলো। করোনার কারনে আমার হাজবেন্ডের ব্যবসা মন্দা। আলহামদুলিল্লাহ তবুও অনেকের চেয়ে ভালো আছি। একদিন হঠাৎ করে
টানা ২০০০তম দিন উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা অত্যন্ত সুন্দর ও চমৎকার ভাবে এই দিন টি উদযাপন করেন।
লালবাগ জোনের মেগা সম্মেলন সফল পরবর্তী অফলাইন মিটআপ এবং নবনিযুক্ত ফাউন্ডেশনের সন্মানিত মডারেটর সংবদ্ধনা Md Roni ভাইকে ফুল দিয়ে বরন
অনলাইনের পাশাপাশি একটি ফিজিক্যাল মিট আপে বাড়ে আন্তরিকতা,, বাড়ে নেটওয়ার্ক বাড়ে সম্পর্ক বৃদ্ধি।
যখন আমি ক্লাশ শিশু শেষ করার পর ক্লাশ ওয়ানে আসি । 1 বছর শেষ করি তাঁর পর ক্লাশ 2 তে আসছি। তখনো দরিদ্রতা লেগেই আছে পিছনে । কথায় আছে না গরিবের নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মেন্টর Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি, যার জন্য এত সুন্দর একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছি এবং এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছে , স্যারের জন্য অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা।
ক্লাস ১০ থেকে earn করা একটা মেয়ে প্র্যাগনেন্সির টাইমে হঠাৎ জব ছেড়ে দিয়ে শূণ্য হাতে যখন ঘরে বসে থাকে..... তখন তাকে কি মানসিক দীনতা নিয়ে বাঁচতে হয়েছে তা বোধ হয় সে মেয়েটি ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে পারবে না
সেশন গুলোর যতই সামনের দিকে এগুচ্ছে ততই আরো গভীরে জেতে মন চাচ্ছে । সেই থেকে এখন পর্যন্ত লেগে আছি প্রিয় এই ফাউন্ডেশনের সাথে। প্রিয় স্যারের শিক্ষায় নিজেকে খুব তাড়াতাড় পরিবর্তন করে ফেলার চেষ্টা করেছি এবং
২য় ধফায় বরগুনা জেলার আমতলীতে হেফজখানার ৪০০ ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করে।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌর সভা মেয়র মহাদ্বয়। 📣📣 ২০২০ সালে করোনা কালীন শুরুর দিকে পটুয়াখালী জেলার সদরে বেমাগ
জীবনের প্রয়োজনে প্রবাস জীবনের ইদুর দৌড়ে ফেসে গেলাম,প্রবাসে অবস্থানরত সকল সহযোদ্ধারা মানসিক ভাবে কতটা বিপর্যস্ত তা নিজ চক্ষুতে অনুধাবন করছি।বছরের পর বছর মা-বাবার ভালবাসা,নিজের পরিবার কে দূরে রেখে হাসিম
নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর রংপুর জেলার অফলাইনে প্রিয় মুখগুলোর মিলন মেলা
ডিম ভাঙলেই তবে মুরগীর বাচ্চার জীবনের সুচনা হয়। কোনো এক ভেঙে যাওয়া ঘটনা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু। তাই উঠুন, স্বপ্ন দেখুন, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করুন। ভাগ্য কপালে থাকেনা, ভাগ্য থাকে কপালের ফোঁট
আব্বার মুখে কথা গুলো শুনে নিজের অজান্তেই কেঁদে ফেললাম। নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে এখন। শুধু নিজের ভালোর জন্য,বাবা মাকে এতটা কষ্ট দেয় আমি। যে বাবা মা আমাকে আমাকে এত ভালোবাসে তাদের কে আমি এতদিন অবহ
এই দিনটি সত্যিই #ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে থেকে যাবে। যারা #আর্থিক সহযোগিতা, পরিশ্রম ও ভলেন্টিয়ারিং ও পর্দার অন্তরালে থেকে বিভিন্ন সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক
এবার বাংলাদেশ থেকে আমাকে দেয়া হয়েছে Most Admired Entrepreneur of The Year Award. বাংলাদেশ থেকে আরো পেয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাকশান এইড বাংলাদেশ
৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবার পণ্য মেলা নিয়ে প্রস্তুতি মিটআপ এবং নবীন বরণ উপলক্ষে লালবাগ জোন সফল একটা
আমার এই ছোট জিবনের কিছু না বলা কষ্টের কথা শিয়ার করবো আমি তেমন কোনো শিক্ষিত মানুষ না আমার কপালে হয়তো শিক্ষা ছিলো না আমি একটি গরিব ফ্যামেলির ছেলে আমরা দুই ভাই চার বোন আমার বড় তিন বোন এক ভাই আমি এক
এই তো মাত্র ৫ বছরের হইলো,চাইছিলাম স্কুলে ভওি করায় দিতে।কিন্তু টেহার যোগারযন্ত কইওে পারি লাই বইল্যা আর হইয়া উঠে লাই।এইবার টেহা জমায়তাছি।সামনের বছর করাই দিমু।তহন আমার মাইয়াটাও ইসকুলে যাইবো।লেহাপরা শিকবো
এখন রেজাল্টের অপেক্ষায়, ৩ মাস পর রেজাল্ট দিবে। কি করবো বুঝতে পারছি না। এমনিতে কবুতরের বিজনেসটা চলছে। আমার সাথে আমার আম্মু ও দেখা শুনা করে। আমি এই ৩ মাস ঘুড়া ফেরা করে আত্মীয় স্বজনের বাসায় বেড়াতে ব
চমৎকার ভাবে, রমনা জোনের মাসিক অফলাইন মিট আপ সম্পূর্ণ হয়েছে।
আমি ভোলাভালা যাযাবর মানুষ ছিলাম। চাকুরী আর বাল্যবন্ধু বাতেনের সাথে ঘুরাঘুরি ও খুনসুটিতে জীবন ভালোই কাটছিলো। এরই মধ্যে ছন্দপতন, হঠাৎ শুনলাম বাতেন বিয়ে করেছে তাও নাকি পাক্কা তিন বছর প্রেমের পর। ওরে বাত
আলহামদুলিল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে মিটআপটি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
উক্ত মিটআপে প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলো যশোর জেলার বিসিকের এজিএম গোলাম হাফিজ স্যার। এছাড়াও জানুয়ারি ১৫ তারিখে আসন্ন ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহাসম্মেলনে করনীয় বিষয়, টিকিট বিক্রি
সৃজনশীল লেখক ও বেস্ট সেলার এ্যাওয়ার্ড @ বইফেরী “নিজের বলার মতো একটা গল্প” বই পুরস্কারটি আমার সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি উৎসর্গ করলাম #নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
আপনি জানেন কি মাঝি ছাড়া নৌকা কিংবা চালকবিহীন গাড়ি আর স্বপ্নবিহীন মানুষের মধ্যে বিস্তর কোন পার্থক্য নেই। তার কারণটা আমি লিখছি অবশ্যই, যে নৌকার মাঝি থাকেনা যে গাড়ির চালক থাকে না সেই নৌকা, সেই গাড়
আমি আমার বড় ভাইকে বললাম এবং উনি টাকা দিতে রাজি হলেন এবং তারপরে আমি গিয়ে নাটোরে টেসটাইল ইঞ্জিনিয়ারগিয়ে ভর্তি হলাম । তারপরে আমার মা আমার নানাবাড়ি থেকে কিছু টাকা নিয়ে আসছিলেন এবং সেখান থেকে আমাকে
আমার মাদ্রাসার পক্ষ হতে আমার হাতে একটা মাহফিলের দওয়াত নামা দিয়েছে আমার আব্বুকে দেওয়ার জন্য, ওই দাওয়াত নামার খামে কোন নাম লিখে নাই, তাই আমি নিজেই কলম দিয়ে আমার আব্বুর নাম ও আমাদের বাড়ীর নাম লিখে দিয়েছি