ভালোবাসায় ভরপুর পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে মাদারীপুর জেলা।
পরস্পর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বহু প্রতিষ্ঠান সংগঠন ভার্চুয়াল ও সরাসরি চেষ্টা করে যাচ্ছে। আধুনিক সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল রাখতে ধনী-গরীব জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একযোগে এক পরিবারে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করে ৬৪ টি জেলা ও ৫০ টি দেশের আট লক্ষাধিক মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষদের নিয়ে "নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন "এর জনক নির্মাতা তারুণ্যের অহংকার, হতাশা দূর করার দিশারী, উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা ভালো মানুষ গড়ার কারিগর, সবার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যার প্রতি দিন পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য একটানা বিরতিহীন নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন যা সারা পৃথিবীতে একটাই, দৃশ্যমান, অনন্য। একটি ইতিহাস সৃষ্টি করছেন নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন। এই সফলতায় পদ্মার তীরবর্তী মাদারীপুর জেলা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
আমাদের মাদারীপুর জেলায় "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু হয় ইতালির প্রবাসী সাইদুর রহমান ভাইয়ের হাত ধরে মাত্র ৪ জন সদস্য নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম ভুমিকায় ছিল আমার প্রিয় কোর ভলান্টিয়ার কাজি নাজমুল আলম হামিম ভাই ও সকল সদস্যগন।
মাদারীপুর জেলার কার্যক্রম
১) মাত্র ৪জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়ার পর প্রতি মাসে মাসিক মিটআপ এবং সাপ্তাহিক মিটআপের মাধ্যমে গ্রুপ সম্পর্কে সদস্যদের জানানো এবং গ্রুপে যুক্ত করে সেশন কম্পিলিট করিয়ে সদস্যদের গ্রুপের উপর এবং উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করেছি আমরা।
★আমরা অনেক উদ্যোক্তা তৈরি করতে পারছি ২য় মহাসম্মেলনের পূর্বেই, যেমন: রিকসা কুরিয়ার, নাইস অনলাইন সপিং, ড্রিমস আইটি সলুশন সহ অনেক।
★তার পরেই আমাদের সামনে আসে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জিং মহাসম্মেলন"। আলহামদুলিল্লাহ মহাসম্মেলনে সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার সাইদুর রহমান ভাই এবং কোর ভলান্টিয়ার কাজি নাজমূল আলম হামীম ভাইয়ের সহযোগিতায় আমরা মাদারীপুর থেকে তখন ৭০+ সদস্য সেই প্রোগ্রামে উপস্থিত হতে সক্ষম হয়েছিলাম। এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে আমাদের জেলা ও উপজেলা এ্যাম্বাসেডর সহ সকল এ্যাক্টিভ মেম্বারদের এ্যাক্টিভিটির জন্য। এ সময় আমদের মাদারীপুর থেকেই ৪জন প্রিয় ভাই সম্মাননা স্মারক পায়। ইতালি কান্ট্রি এম্বাসেডর ও কোর ভলান্টিয়ার সাইদুর রহমান ভাই, মডারেটর ও কোর ভলান্টিয়ার কাজি নাজমুল হামুম ভাই, সৌদি কান্ট্রি এম্বাসেডর ও কোর ভলান্টিয়ার লোকমান বিন নুর হোসেন এবং ঢাকার এম্বাসেডের হোসাইল আল মামুন ভাই।
২) যখন আমরা নতুন ছিলাম তখন আমাদের সাধারণ মিটআপ গুলোতে প্রায় ৬০+ মেম্বার উপস্থিত থাকতো। বর্তমানে আমাদের ৬০০+ মেম্বার হয়ে গেছে এবং উদ্যোক্তার সংখ্যা ১০০+ জনের বেশি। অনেক উদ্যোক্তাই এখন সফলতার সিড়ি পারহচ্ছে। মানি হলো তারা এখন প্রতিদিন প্রায় হিউজ পরিমান সেল করে। আমাদের অনেক উদ্যোক্তা আছে যারা ডিজিটাল সার্ভিস প্রোভাইট করেও অনেক ভাল অবস্থান করে নিয়েছে। আমাদের অনেক উদ্যোক্তা জেলার ব্রান্ডিং প্রোডাক্টস নিয়ে কাজ করেও নিজের অবস্থার পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।
★আমাদের মাদারীপুর গ্রুপের সদস্য ৪জন কোর ভলান্টিয়ারের দ্বায়িত্ব পালন করছে। ৪জন মডারেটর এর দ্বায়িত্ব, একজন ওয়েব টিম মেম্বার, একজন আই.সি.টি ট্রেইনার, ও প্রতি উপজেলায় দুই জন করে উপজেলা এম্বাসেডর এবং প্রতি কলেজে ক্যাম্পাস এম্বাসেডর এর দ্বায়িত্ব পালন করছে। আমরা মনে করি আমাদের জেলার সদস্য গ্রুপে প্রতিটি দ্বায়িত্বশিল পদে সফল ভাবে দ্বায়িত্ব পালন করছে।
★ আমাদের মহা সম্মেলনের পর মাদারীপুর আমরা সর্ব বৃহৎ একটি মিটআপ করি যেখানে আমাদের ২০০+ সদস্য নিয়ে আয়োজন হয় যেখানে সারা দেশ থেকে অনেক কোর ভলান্টিয়ার ও এম্বাসেডর গন উপস্থিত ছিল। এই মিটআপই ছিল তখনকার সময়ের সেন্ট্রাল মিটআপ এর পর জেলার বৃহত্তর মিটআপ।
৩) "নিজের বলার মতো একটা গল্প" ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতের সময় আমরা মাদারীপুর থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করি। আমরাই ইউনিক কিছু আইডিয়া নিয়ে শিতবস্ত্র বিতরন করে থাকি। প্রতিটা গরিব অসহয় মানুষ এর কাছে গিয়ে পৌছে দিয়ে থাকি।
৪) করোনাকালীন সময়ে ১০০+ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করি। করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা, করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করার মতো মানবিক ও সামাজিক সচেতনতা মূলক কাজ করে যাচ্ছি। অসহায় দরিদ্রের ইফতার মাহফিল,শীতে কম্বল বিতরন,বিভিন্ন জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী,করোনা কালিন দিন আনে দিন খায় কর্মসূচি পালন সহ সকল সেবামুলক কাজের সাথে আমরা যুক্ত থাকি।
৫) বন্যায় কবলিত ১০০+ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করি মাদারীপুর জেলার পক্ষ থেকে।
৬) আমরা ১০০০তম দিনটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে উদযাপন করি। যেখানা আমরা উদ্যোক্তা বিষয়ক আলেচনা সভা, বৃক্ষরোপন, এবং সেভামুলক কাজ করেছি যাতে এটা স্মৃতি হয়ে থাকে।
৭) আমাদের জেলায় রক্তদান টিমের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৩০+ রোগিকে রক্ত ও অর্থিক সহযোগিতা করে থাকি।
৮) আমরা এ পর্যন্ত আমাদের প্রিয় কোর ভলান্টিয়র ও ডিস্টাক এম্বাসেডর ও সকল ভলান্টিয়ার এর সহযোগিতা ২৫+ অসহয় রোগিকে সর্বউচ্ছ অর্থিক সহযোগিতা করেছি। তাদের অপারেশন ও টিটমেন্ট খরচের জন্য। আজ তারা সুস্থ এবং আমাদের গ্রুপুরে গর্বিত সদস্য।
★আমারা গরিব আসহয় সদস্যদের গ্রুপের শিক্ষায় আলোকিত করে তাদের উদ্যোক্তা হতেও আমরা আর্থিক সহযোগিতা করে থাকি। স্যার আপনি অবগত আছেন, আমাদের গ্রুপ থেকে কিছু সদস্যদের অর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছিল তার মধ্যে মাদারীপুর এর এক সদস্য সে অনুদান পেয়ে আজ সে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় খুব ভাল ভাবে বিজনেস করছে। আমরা সবাই তার সফলতা দেখে গর্বিত।
৯) আমরা প্রতিবছর বৃক্ষ রোপণ কর্মসুচু পালন করে থাকি। দেশ ও সমাজের কথা চিন্তা করে। আমাদের গ্রুপের নামে একটা রাস্তাই আছে যেখানে আমরা দুপাশে বৃক্ষ রোপন করেছি।
১০) এরপরে আমাদের ধারাবাহিক মিটআপ গুলোর মাধ্যমে মাদারীপুর জেলা থেকে এই পর্যন্ত প্রায় ১০০+ জন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছেন। তারা এখন স্বপ্ন দেখতে শিখেছেন এবং দেখা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানও করেছেন।
১১) প্রিয় স্যার আপনার ঘোষণা অনুযায়ী আমরা মাদারীপুর জেলায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেছি।
১০/UTV লাইভে উদ্যোক্তার গল্প বলেছেন ৪ জন
এছাড়াও প্রতিনিয়ত মানবিক কাজ করে যাচ্ছে মাদারীপুর। এবং আমাদের গ্রুপের সদস্য প্রিয় কোর ভলান্টিয়ার ইতালি কান্ট্রি এম্বাসেডর সেটেলাইট টিভি ইটিভিতে তার সফলতার গল্প শেয়ার করেছে। কিভাবে সে এ গ্রুপের মাধ্যমে ফেরিওলা থেকে সফল উদ্যক্তা।
★ আমাদের মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর জেলা(প্রধান শস্য)☞☞ ধান,পাট,সরিষা।
আমাদের অনেক নতুন উদ্যোক্তা আছে যারা খাটি সরিষার তৈল এবং ডেকিতে ভাঙ্গা চাল নিয়ে কাজ করে।
মাদারীপুর জেলা(রপ্তানী পণ্য)☞☞পাট ও পাটজাত দ্রব্য।
আমাদের বেশ কিছু উদ্যোক্তা আছে যারা পাটে তৈরি ব্যাগ নানান ব্যবহার সামগ্রি তৈরি করে তা নিয়ে কাজ করছে।
মাদারীপুর জেলা(বিখ্যাত খাবার)☞☞খেজুর গুড়,রসগোল্লা।
আমাদের উদ্যোক্তাগন এ শিতে খাটি খেজুরের গুর তৈরি করে নিজেরাই তা সেল করছে।
মাদারিপুর জেলায় প্রায় ১০টি নদী আছে, যার মধ্যে অন্যতম পদ্মা নদি। সেই পদ্মা নদির ইলিশ মাছ নিয়ে আমাদের উদ্যোক্তারা কাজ করে যাচ্ছে।
নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর অন্যতম অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার জন্য যারা স্বেচ্ছায় স্বেচ্ছাসেবীর দায়িত্ব থেকে ওতপ্রোতভাবে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন । তারা হলেন প্রিয় পরিবারের কোর ভলান্টিয়ার শ্রদ্ধেয়" সাইদুর রহমান ভাই, জনাব কাজী নাজমুল আলম হামীম ভাই ও জনাব লোকমান বিন নূর হাশেম ভাই প্রমুখ। মাদারীপুর জেলা কে ত্বরান্বিত করার জন্য যাদের অবদানের কথা আমরা ভুলবো না তারা হচ্ছেন জেলা এম্বাসাডর ও আইসিটি ট্রেইনার
মেহেদী হাসান শুভ ভাইয়া।
শিবচর উপজেলা এম্বাসাডর, রুহুল আমীন হক ভাইয়া
ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মো: মামুন ভাইয়া
এছাড়াও আমাদের জেলা এ্যাম্বাসেডর, উপজেলা এ্যাম্বাসেডর, ক্যাম্পাস এ্যাম্বাসেডর, কমিউনিটি ভলান্টিয়ার সহ আমাদের জেলার সকল সম্মানিত ভাইবোনেরা উপস্থিত ছিলেন।
মাদারীপুর জেলায় ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসাডর : ১ জন
মেহেদী হাসান শুভ ভাই যিনি প্রিয় প্লাটফর্মে আইটি ট্রেইনার হিসেবে ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছেন.
উপজেলা এম্বাসেডর: ৪জন
ক্যাম্পাস এম্বাসাডর : ১৪ জন
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার : ১৫জন
টপ ২০ ক্লাবে আছেন ৩ জন
এছাড়াও ব্লাড ডোনেশন টিম, হাট মনিটরিং টিম, ও রেজিস্ট্রেশন টিমে অসংখ্য ভলান্টিয়ার।
এছাড়াও মাদারীপুর জেলার অনেকেই আছেন যারা প্রাবাসে এবং ঢাকায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন এর মধ্যে কয়েকজন হচ্ছেন
প্রিয় সাইদুর রহমান ভাই, ইতালি কান্ট্রি এম্বাসেডর, কোর ভলান্টিয়ার ও মডারেটর এবং ইউরপোরে ১৫ দেশের কোর ভলান্টিয়ারিং এর দ্বায়িত্বে আছেন।
প্রিয় লোকমান বিন নুর হোসেন সৌদি কান্ট্রি এম্বাসেডর, কোর ভলান্টিয়ার ও মডারেটর এর দ্বায়িত্বে আছেন।
প্রিয় হোসাইন আল মামুন ভাই, ডিস্ট্রিক্ট এম্বাসাডর, ঢাকা।
প্রিয় নাসরিন জাহান আপা, ধানমন্ডি জোন এম্বাসাডর,
প্রিয় মোঃ আকাশ ভাইয়া, লালবাগ জোন এম্বাসাডর,
প্রিয় কানিজ সুলতানা আপু, কেরানী গঞ্জ উপজেলা এম্বাসাডর।
প্রিয় স্যার আপনার কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ কারণ মাদারীপুর জেলা থেকে ভালোবেসে আপনি তিন তিন জন সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার এবং মডারেটর দিয়েছেন।
তারা হচ্ছেন সম্মানিত কোর ভলান্টিয়ার প্রিয় সাইদুর রহমান ভাইয়া, প্রিয় লোকমান বিন নূর হাসেম ভাইয়া, প্রিয় কাজি নাজমূল আলম হামীম ভাইয়া।
প্রিয় স্যার
মাদারীপুর জেলাকে এতটা উজাড় করে দেওয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, সালাম ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
প্রিয় স্যার আপনার কাছে যত পাই তত চাই।
আমরা মাদারীপুর জেলা টিম আপনাকে মাদারীপুর জেলা টিম প্রতিটি মাসিক মীট আপে অতিথি হিসেবে রাখতে চাই।
প্রিয় স্যার আশা করি আপনি শত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের সময় দিয়েছেন এ জন্য চির কৃতজ্ঞ
ধন্যবাদ প্রিয় স্যার ও উপস্থিত সবাইকে
ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।