See More Post

আমি বৃষ্টি হবো আর নিজে উপকৃত হবো

🌹আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহহি ওবারাকাতুহু,,,,,,,,

গল্পটা সত্যিঃ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

  আমার ছোট বেলার কথা,
আমি তখন খুবই ছোট, আকাশে প্লেন উড়া দেখলে আমি  দৌড়াইয়ে মাঠে চলে যেতাম। যতক্ষুণ দু চোখে প্লেন দেখা যেতো, আমি ততখুন  আকাশ দিকে চেয়ে থাকতাম। স্বপ্নের ডানায় ভাসি, প্লেনে করে দিচ্ছি পারি সাত সমুদ্র তের নদী র পার নদী তারপর শহর ।

   সময়ের স্রোতে আমি শৈশব থেকে কৈশোর, আমি কৈশোর থেকে তরুণ। স্বপ্নের ডানায় ভর করে ঢাকা শহরে পা রাখি সাত সাগর তেরো নদী পার হই। আমার সেই ছোটবেলায় দেখা প্লেনে।

   মা-বাবা অনেক মন খারাপ করে বিদায় জানায়। অনেক স্বপ্ন বুনে দিয়ে আসি বাবা - মায়ের চোখে, বিদেশ যাবো, কাজ করে টাকা ইনকাম করে বাড়ি করে দিব বাবা- মায়রে জন্য।

  কিন্তু ঢাকা এসে সেই স্বপ্ন ভাটা পরে যায়। আল্লাহর ডাকে ৪ মাসের জন্য আল্লাহর রাস্তায় জেলা থেকে জেলা ঘুরি জ্ঞানের সন্ধানে আল্লাহর রাস্তায় যাই। ফিরে যখন আসি গ্রাম থেকে যা টাকা এনেছিলাম সব শেষ। কিন্তু থাকার জন্য ছাদ ও বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য এই দুইয়ের তাগিদে শুরু করি ঢাকা শহরে বেঁচে থাকার সংগ্রাম।

   ঢাকায় যে এলাকায় থাকতাম। সেই এলাকায় এক চাচার কাছ থেকে কন্টাকে কিছু কোয়েল, কিছু মাজন, কিছু চা পাতা, কিছু চিনি, হরেক রকমের জিনিস নিয়ে এসে বিভিন্ন দোকানে দোকানে বিক্রি করতাম। এলাকার কিছু দোকানদার আমার বন্ধু হয়। তারা পরামর্শ দিল বাদামতলী থেকে কিছু খেজুর, পেয়ারা এগুলো এনে এলাকায় বিক্রি করতে। কিছু দিন পর একই ভাবে তার পাশাপাশি। বাদামতলী থেকে কিছু খেজুর পেয়ারা এগুলো এনে এলাকায় বিক্রি করতাম । আস্তে আস্তে এলাকার আরও কিছু দোকান দারের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি হয় আমার ।

   ঢাকা আসার একটাই উদ্দেশ্য ছিল আমার। হয় আমি কিছু করব, আর না হয় বিদেশে চলে যাওয়ার জন্য। পরে  আর আমার আর বিদেশ যাওয়া হলো না। আমি  গ্রামেও গেলাম না। ঢাকাতে কি করব বুঝতে পারছি না। আশে পাশের বড় ভাইদের কাছে জিজ্ঞেস করি, কি করা যায় ভাই। অনেকে অনেক ধরনের পরামর্শ দেয়।
    আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি  ব্যবসা করব আর তাবলীগ করব।

  ১টি  টাকাও ছিল না আমার কাছে। শূন্য টাকা  নিয়ে আমার ব্যবসার  যাত্রা শুরু করি , সেই চাচার কাছ থেকে পন্য নিয়ে। এলাকার সেই দোকানদার  বন্ধুদের মাঝ থেকে, কিছু দোকানদার বন্ধুর সাথে সেয়ারে ডিমের আড়ৎ দেই । তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে চালের আড়ৎ দেই । অবশেষে আমরা যে যার মতো আলাদা হয়ে যাই।

   আমি একা কিছু দিন পুরনো ব্যবসা করি। এর পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নিমকি , খেজুর, পেয়ারা  বিক্রি করেছি । ভ্যান গাড়িতে করে বিস্কুট, চানাচুর, নিমকি, মুরালি এই গুলো বিক্রি করেছি। ঐ বছরই  আল্লাহর রহমতে  মসলার দোকান দেয়। কিছু মাস পরে মসলার পাইকারি দোকান দেই ।

   ২০১৬ সালে এপ্রিল মাসে একটি বিরিয়ানির দোকান দেই। এই বছরের শেষের দিকে আরেকটি বিরিয়ানির দোকান দেই । কিছু দিন পর আরেকটি বিরিয়ানির দোকান দেই ।  তিনটি বিরিয়ানির দোকান ও  একটি মসলার পাইকারি দোকান দেই। ২০২০ সালের শেষের দিকে  একটি বিরিয়ানির দোকান ও একটি মসলার পাইকারি দোকান রেখে বাকি বিরিয়ানির দোকান গুলো বিক্রি করে দেই ।

  আল্লাহর রহমতে আমি,
২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে, প্রায় ৩৫ লক্ষ্য টাকা দিয়ে নিজের গ্রামের বাড়িতে বিল্ডিং করি ।
৩টা  বিরিয়ানির দোকান থেকে গড়ে প্রায় ২ লক্ষ্য টাকা লাভ হতো, আর মসলার দোকান থেকে গড়ে প্রায় ১ লক্ষ্য থেকে ১ লক্ষ্য ২৫ হাজার টাকা লাভ হতো ।
আলহামদুলিল্লাহ এখন  শুধু তাবলীগ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করি । 

   আল্লাহর রহমতে মসলা ও কাচ্চি এবং তেহারি এমন কোন জেলার লোক নাই যে সে খায়নি।
আলহামদুলিল্লাহ  দোকানের কাচ্চি মাশাআল্লাহ অনেক ভালো ও অল্প দামের মধ্যে দেয়ার চেষ্টা করি।

   যে ব্যক্তি শুধু নিজে কোন মত চলতে পারতাম না, অনেক সময় কষ্ট করে চলতে হতো। এক বেলা ঠিক মত খেলে, বাকি দুই বেলা কি খাব তার কোন ঠিক ছিল না । আলহামদুলিল্লাহ আজকের  প্রায় কিছু মানুষে পেট ভরে তিন বেলা খেতে পারে । শুধু তাই নয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাও হয়েছে।  ইচ্ছা হয় বাংলাদেশর প্রতিটি গ্রামে  বিরিয়ানির ও মসলার দোকান হোক। হে আল্লাহ আপনি সবাই কে সঠিক বুঝ দান করুন আমীন সুম্মা আমীন ♥️💚💚💗💗❤️♥️

🌹🌹 ধন্যবাদ স্যারকে, স্যারের সব কথাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তার মাঝে কিছু কথা আমার মনে ধারন করেছি। তা হল এই যে,
   # বৃষ্টি সবার জন্য পরে কিন্তু ভিজে কেউ কেউ। আবার বৃষ্টি পড়া দেখে কেউ কেউ।  বৃষ্টি যেমন সমস্ত মাখলুকের সব রকম উপকার পৌঁছায়। আর যারা বৃষ্টি পড়া দেখে তারা হলো একটা ছোট কুয়োর  মতো। যেমন অল্প মাখলুকের উপকার পৌঁছাতে পারে । আমি বৃষ্টি হবো আর নিজে উপকৃত হবো এবং সমস্ত মাখলুকের উপকার করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
  
# মনে হচ্ছে আপনি হেরে গেলেন। আসলে আপনি হারেননি, ঐ জায়গা থেকে নতুন কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। আর ধৈর্য্য ধরেন সফল হবেই একদিন। আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাবেনই ইনশাআল্লাহ।
এই জন্য ,
    আপনাদের সবার কাছে একটাই  অনুরোধ । ধৈর্য্য  ধরলে আল্লাহ তার জন্য ভালো কিছু রাখবেই । তাই ধৈর্য্য ধরবেন আর লেগে থাকবেন । সফল আপনাকে আল্লাহ করবেই ইনশাআল্লাহ ।
🌹ধন্যবাদ  আমাদের সবার প্রিয়
💗💚❤️♥️ ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারকে  ♥️❤️💚💗💗
স্যার এমন একটি প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়ার জন্য স্যারকে আবার অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই 💚💚❤️♥️💗❤️ 

👏👏🙏🙏 দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ আমি আল্লাহর রাস্তা থেকে আসার পর । বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আমার কোনো ছবি তুলি না। 😇 তাই আমার ছবি দিতে পারলাম না। সবাই আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।🙏🙏🙏


স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে -৭৫৯
তারিখ-০৪/০৩/২০২২
👉নামঃ আব্দুল্লাহ আল রবি ।

👉ব্যাচঃ ১৫
👉রেজিঃ ৬৯৯০৯   
👉নিজ জেলাঃ বরিশাল শহর ।
👉বর্তমান থানাঃ গুলশান ।
👉বর্তমান অবস্থানঃ শাহজাদপুর ।
👉বর্তমান জোনঃ গুলশান জোন ।

ফরিদপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি -২০২৪

ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥

পর্দাশীল ঘরোয়া নারী- সফল উদ্যোক্তা

আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।