See More Post

জীবনের অর্থ ও ব্যাপ্তি অনেক। জীবনের সমীকরণ সহজ আবার জটিলও।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম,ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

🟩 আমার জীবনের গল্প 🟩

প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করছি, আল্লাহর দরবারে যিনি আমাকে আজ আপনাদের সামনে আমার জীবনের গল্প  প্রকাশ করার তৌফিক দান করেছেন এবং সেই সাথে চারিদিকের এত কঠিন পরিস্থিতির  মাঝেও আমাকে এবং আমার পরিবারকে সুস্থ রেখেছেন,আলহামদুলিল্লাহ।

আমি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, আমার জন্মদাতা পিতা মাতার প্রতি। যারা আমাকে  আদর যত্নে লালন পালন করেছে। আমি আমার বাবা মা'কে অনেক ভালোবাসি।
আর সবার  বাবা মা'র জন্য  অনেক অনেক  দোয়া রইল।

ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি, আমার প্রাণপ্রিয় মেন্টর আমাদের আইডল, সকলের শিক্ষক এবং লাখো তরুণ তরুনীর নয়নের মনি সেই মহান ব্যক্তির নিকট যার অবদান অনস্বীকার্য তিনি আর কেউ নন আমাদের সকলের ভালোবাসার মানুষ,শ্রদ্ধার জনান,💞 ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি 💕

★আমার জীবনের গল্প★

বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা যখন অতীত হয়ে যায়, তখনই তা হয়ে যায় গল্প।
জীবন মানে আসলে কি? সুখের সন্ধানে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হওয়ার প্রক্রিয়াই জীবন। মরতে হবে জেনেও বেঁচে থাকার প্রচেষ্টাই জীবন।

জীবন সারাজীবন বিচরণ করতে চায় এই ত্রিধারার আলো,বাতাস,ছায়াতলে। তার চাওয়ার তালিকায় সুখ,সম্মান,ভালবাসাও বিদ্যমান।

প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব কাহিনী থাকে। কিছু লোকের গল্প খুব আকর্ষণীয় এবং উত্তেজনাপূর্ণ। কিছু গল্পের মধ্যে অনেক দুঃখ এবং বেদনা থাকে, আবার কোনওটিতে প্রেম এবং সুখ থাকে।
কিছু জীবন খুব চ্যালেঞ্জিং হয়। কিছু গল্প সম্পূর্ণ আলাদা – সবচেয়ে আলাদা, অনন্য, অকল্পনীয়  প্রায়শই একই রকম গল্প বছরের পর বছর ধরে মানুষের মনে থেকে যায়। দুর্দান্ত ব্যক্তিত্বের গল্প, মানুষকে অনুপ্রেরণা জাগানো গল্প এবং আশ্চর্যজনক ঘটনায় পরিপূর্ণ গল্প ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ রয়েছে।

জীবনের এই প্রান্তে এসে জীবনের  গল্প লিখতে বসলাম, হয়তো নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশন না থাকলে কখনো জীবনের গল্প লেখা হতো না। এজন্য আবারও  স্যার এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

  "জীবন নহে কারো একা
   এই জীবনে এ পাবে দেখা
   নানান রঙের কষ্ট ব্যথা
  এরই মাঝে বেঁচে থাকা
  বাঁচতে গিয়ে হোচট খাবে
  দেখবে তুমিও ধোঁয়া
  এরি মাঝে খুজে পাবে
  একটু সুখের ছোয়া"।

🧔🧕 শুরু করছি আমার বাবা মা কে দিয়ে….  কারন তারাই আমার জীবন এর গল্প বলার সুযোগ করে দিয়েছে।

আমার বাবার কোন ভাই বোন নেই। আমার বাবা আমার দাদা দাদুর এক মাত্র সন্তান। 
মোটামুটি যা আছে তা দিয়ে আমার মা ভালোই থাকবে, এ কথা চিন্তা করেই আমার মাকে আমার বাবার সাথে বিয়ে  দিয়েছিল আমার নানা।
আমার বাবা অত্যন্ত সহজ সরল মানুষ। যে যা বলে তাই বিশ্বাস করে এমন সরল মানুষ।
এটাই তার জীবনের সব চেয়ে বড় সমস্যা। 
তিনি একজন ব্যবসায়ী মানুষ। তবে আমি বলব ব্যর্থ ব্যবসায়ী।
জীবনে এমন কোন ব্যবসা নেই তিনি করেন নি,ছোট বেলা থেকে দেখতাম তিনি কিছু দিন পর পর গ্রাম থেকে জমি বিক্রি করে এনে ব্যবসায় ইনভেস্ট করতেন।
কিছু দিন পর দেখতাম সেই ব্যবসায় চরম ভাবে লস করে তিনি নিঃশ্ব হয়ে গিয়েছেন।
আমার মা অনেক না করতো, বাবাকে কোন চাকুরী করতে বলতেন। কিন্তু আমার বাবা শুনতেন না। তিনি কিছু দিন পর আবার নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে নেমে পড়তেন।
এমন ও দেখা গেছে একটা সময় মানুষের কাছ থেকে লোন করে নিয়ে ব্যবসায় ইনভেস্ট করতো। কিন্তু ফলাফল যেই সেই। 
হবে না কেন ? 
সে যে যা বলতো তাই বিশ্বাস করতো। বাঁকিতে বিক্রি করতো। কিন্তু সেই টাকা আর  ফেরত পেত না।
সে আসলে কাউকে না বলতে পারতো না। আর মানুষের উপকার করার জন্য নিজের ক্ষতি হলেও নীরবে মেনে নিতেন।
এগুলো নিয়ে আমার মা রাগ করে প্রায়ই আমাকে নিয়ে নানা বাড়িতে চলে আসতো।  বাবা আবার নানাকে বুঝিয়ে মাকে আবার নিয়ে যেত।

🤼‍♂️ আমার ছেলে বেলা

আমার জন্ম ঢাকায়। ছোট বেলা থেকে মিরপুরে বড় হই। কারন আমার নানু বাড়ি ছিল মিরপুরে। নানু বাড়ির আসে পাশে আমরা ভাড়া থাকতাম। দাদা দাদু থাকতেন গ্রামের বাড়ি। আমরা মাঝে মাঝেই গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।

আমরা দুই বোন, আমাদের কোন ভাই নেই। আমার বোন এর যখন ১৪ বছর তখন সে আমার দুলা ভাইকে পছন্দ করে বিয়ে করে। আপুর শশুর বাড়ির সবাই রাজি তাই আমার দাদা দাদু আপু কে বিয়ে দিয়ে দেয়। আমার বাবা ও বিয়ে তে রাজি ছিল কিন্তু আমার মা কিছুতেই মেনে নেই নি। তখন আপু  ক্লাস এইটে পড়তো। আমার  তখন ৭/৮ বছর।
মায়ের খুব ইচ্ছে ছিল আপু কে অনেক পড়াশোনা করাবে। কিন্তু আপু নিজেই নিজের জীবন বেছে নিল। আপুর আর পড়াশুনা হলো না। যদিও বিয়ের পর সে তার ভুল বুঝতে পারলো কিন্তু পড়াশুনা করার আর সুযোগ পেলো না সে।

কি আর  করা। আপু  শ্বশুর বাড়ি চলে গেল। সেই ৮ বছর বয়স থেকেই আমি একা হয়ে পড়ি।

আমি  যখন ক্লাস এইটে এ পড়ি তখন আমাদের ক্লাস এর ফাস্ট বয় আমাকে একটা প্রেম পত্র দিলো। আমিও খুব খুশি। ফাস্ট বয় বলে কথা !!
কারন আমি পড়াশোনায় মোটামুটি ভাল ছাত্রী ছিলাম কিন্তু আমাদের ক্লাস এর ফাস্ট বয়টাকে হারাতে পারতাম না। বরাবর সেকেন্ড হতাম। তাই চিঠি পেয়ে ভাবলাম তাকে এবার হারাবোই হারাবো।
যাইহোক, চিঠিটা বইয়ের ভাজে রেখে দেই। এখনো উত্তর দেই নাই।

বাসায় আসার পর বই থেকে আমার  অজান্তে চিঠিটা মেঝেতে পড়ে যায় আমি দেখি নাই,মা চিঠিটা পায়।
ঐ দিন মা আমাকে প্রচন্ড মারে। মাকে আমি কিছুতেই  বুঝাতে পারি নাই আমার কোন দোষ নাই। আর এইটাই আমার প্রথম পাওয়া চিঠি যার উত্তর ও আমি এখনো দেয় নাই।

মায়ের হাতে মার খেয়ে ভাত না খেয়ে শুয়ে পড়ি।

মা রাতে আমার ঘরে আসে। তার পর আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব কাঁদে। আমাকে আপুর ঘটনা বলে। আমি জানতাম সব কিন্তু এত গভীর ভাবে ভাবি নাই কোন দিন।

আমার বাবাকে নিয়েও মায়ের অনেক কষ্ট সব আমাকে বলল, আমি যেন তার কথা শুনি। ঠিক মত পড়াশোনা করি। মা' একদম বন্ধুর মতো আমাকে  তার জীবন এর সকল সুখ, দুঃখ, স্বপ্ন শোনালো।

ঐ দিন এর আগে আমি  আমার মা'কে এমন রুপে কখনও দেখি নাই।

আপু যে ভুলটি করেছে আমি যেন সেই ভুলটি না করি। মা চায় আমি যেন পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াই। আমার যেন পর নির্ভরশীল হয়ে বাঁচতে না হয়। এ সব অামাকে কিছু বুঝালো। আসলে ঐ বয়সে এতো কিছু বুঝার মতো এবিলিটি কারো থাকে না। 

তখন মনটা থাকে রঙিন যা দেখে তাই ভালো লাগে। ভালো মন্দ বুঝার বয়স তখনও হয় না। আমার মা যা করেছে আমার মনে হয় ,পৃথিবীর সেরা মা এর মতো কাজ করেছে। প্রতিটা মায়ের উচিৎ তার সন্তানদের এমন করে বুঝানো। যাতে তারা ভুল করলেও নিজেকে শুধরে নিতে পারে। তাদের পথ দেখানোর দায়িত্ব তাদের বাবা, মায়ের।

সেই থেকে মা' হয়ে গেল আমার এক মাত্র বান্ধবী। এরপর থেকে আমার জীবন টা অন্য রকম হয়ে গেলো। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করাই যেন আমার এক মাত্র উদ্দেশ্য হয়ে গেলো।

ক্লাস এইটে পাওয়া প্রথম  চিঠি ছিড়ে নদীর পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে ছেলেটাকে না বলে দিলাম সরাসরি। প্রেম করে নয়, পড়াশুনা করে তাকে হারাবো প্রতিজ্ঞা করলাম। 

আলহামদুলিল্লাহ, ক্লাস নাইনে আমি ফার্স্ট হলাম।
সেই দিন গুলো আজও মনে পরে।  আহা,সেই সোনালী দিন গুলো আজ আর নেই।

''সময় নিজের মতো চলতে থাকে
দিনের পর দিন , মাসের পর মাস
জীবনে হটাৎ আসা রংগুলো
একে একে মিলিয়ে যায়
পরে থাকে ধূসর ক্যানভাস ''

ছোট বেলার সেই স্মৃতি গুলো আজ ঝাঁপসা হয়ে গেছে। হয়তো বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে পুরোনো ছোট বেলার স্মৃতি গুলো মুছে যাচ্ছে। এখনও মনে হলে কখনো হাসি কখনো কাঁদি।

ছোট বেলার স্মৃতি কি ভোলা যায়?
স্কুল লাইফে টিফিন পিরিয়ডে চলত খেলা,
সেই বন্ধুদের খুব মিস করি। মিস করি একসাথে বন্ধুরা মিলে স্যার এর বাসায় পড়তে যাওয়ার দিনগুলোকে। সেসব দিনের সাথে সাথে সেসব বন্ধুরাও হারিয়ে গেছে। সবাই যার যার জীবন নিয়ে ব্যস্ত।

"দিন গুলো মোর সোনার খাঁচায় রইল না
সেই-যে আমার নানা রঙের দিনগুলো
কান্না, হাসির বাঁধন তার সইল না
সেই-যে আমার নানা রঙের দিনগুলো।"
✍️ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

ছোট চোখ দুটি যদি হয় অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখার দূরবীন, তাহলে, ছোট বেলার প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি দিন সেই অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখা সারি সারি করে সাজানো একেকটা মহা মূল্যবান শো পিস। বুকের ভেতরের শ্বাস-প্রশ্বাসের যন্ত্রটা যদি হয় পৃথিবীর সর্বোচ্চ গুদাম, তাইতো সেখানে সারি বেঁধে সাজানো পণ্যের বস্তার মত আছে ছেলেবেলার সেই সু- মধুর সময় আনন্দঘন মুহূর্ত দিনগুলি।

ভুলতে চাইলেও ভুলতে পারি না। ছোট বেলার সেই দিন গুলি যেন একটা জীবন্ত চিত্র গুলি, জীবনের স্মৃতির পাতায় এ্যালবাম হয়ে আমার পেছনে হেঁটে বেড়ায় সর্বক্ষণ। আমাকে মাঝে মাঝে স্মৃতির কাতর করে, টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায় সেই মাটির আঁকা বাঁকা মেঠো পথে, মটরশুঁটির লতায়, হলুদ সরিষা ফুলের ক্ষেতে মাঠ, গ্রামের ছোট ছোট নালা - দীঘির জলে, শাপলা ফোঁটা ঝিলের ধারে, আম গাছের তলায়, জাম গাছের মগ ঢালে, শীতের সকালে কুয়াশা চাঁদরে মোড়া খেজুর গাছের তলে, মাটির কলসে ভরা সেই টাটকা স্বাদের রসের কাছে। অাজও রয়ে গেছে স্মৃতির পাতায়।

🖼️ আমার পড়াশোনা
সেই থেকে মন দিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। এইচ, এস, সি পাশ করে সরকারি তিতুমীর কলেজে  ম্যানেজমেন্টে অনার্স এ ভর্তি হই। বাবা আমাকে পড়াতে চাইতেন না। বলতো এত পড়াশোনা করে কি হবে? ছেলে তো না যে চাকরি করে খাওয়াবে।
হুম আমার বাবা এমনটাই ভাবতো আর বলতো।

বাবার ইচ্ছা ছিল আমাকে বিয়ে দিয়ে দেয়া।
কিন্তু আমার মা' আমার পাশে ছিল, মা চাইতো আমি অনেক পড়াশোনা করি। তার জন্যই জীবন এ এত দূর আসতে পেরেছি হয়তো।

আমি অনার্স ফাস্ট ইয়ার থেকেই টিউশনি শুরু করি।পড়াশোনার পাশাপাশি ২/৩ টা টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা নিজের খরচ নিজে চালাতাম সেই স্টুডেন্ট লাইফ থেকে। পাশাপাশি কম্পিউটার শিখা সহ বিভিন্ন কোর্স ও করতাম। হাতের কাজ,  সেলাই এর কাজ যা দেখতাম সব কিছু শিখতে ভালোবাসতাম।
জীবন এ অনেক ভালো কিছু করবো এমনই ভাবনা ছিল।

বাবা মায়ের ছেলে নাই তাই তাদের ছেলের দায়িত্ব পালন করবো। কত স্বপ্ন ছিল। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে স্কিল্ড করার চেষ্টা করতাম অনার্স এ পড়া অবস্থাতেই।
বলতে গেলে অনেক স্ট্রাগল করে পড়াশোনা করি আমি। নিজের টিউশনির টাকা দিয়ে নিজেই কোচিং এর ব্যাচে পড়তাম। 
অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার পর আমার মোটামুটি একটা কোম্পানিতে জব হয়ে গেল। কারন আমি কম্পিউটার জানতাম ভালো। অফিস টা ছিল
বনানীতে। থাকতাম উত্তরাতে।
বেতন ১৫০০০ টাকা, ২০১৪ সালের কথা। আমি অনেক চটপটে আর পরিশ্রমি হওয়ায় ৬ মাসের মধ্যেই আমার প্রমোশন হলো এসিস্ট্যান্ট একাউন্ট অফিসার হিসেবে। বেতন হলো ১৮০০০ টাকা। অফিসের বস আমাকে ইঙ্গিত দিল যে একাউন্টেট যে আছে সে নাকি খুব তাড়াতাড়ি কানাডা চলে যাবে। আমি যেন তার কাছ থেকে সব কাজ নিজ গরজে শিখে নেই। কারন স্যার চাইছিল ঐ পদটাই আমি জয়েন করি ফিউচারে। তার স্যালারি ছিল ২৫০০০ টাকা। অামি নিজেকে স্কিল্ড করার জন্য  ট্যালি সফটওয়্যার শেখা শুরু করলাম।  নিশ্চিত সুবর্ণ সুযোগ সামনে। পাশা পাশি মাস্টার্স এ পড়াশোনাও চালিয়ে যাই। এভাবেই চলছিল।

🤵👰আমার বিবাহিত জীবন 😭
ইতোমধ্যে আমার আত্বীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশীর ঘুম হচ্ছিল না আমার বিয়ে হচ্ছে না ভেবে। আসলে পড়াশোনা শেষ না করে বিয়ে করবো না এটাই ছিল আমার লক্ষ্য।
সবার কথায় মা'ও বেশ চিন্তিত। মা আমাকে বলল আমার কোন পছন্দ থাকলে যেন বলি। কি করে বলি মাকে প্রেম করার সময় তো আমাকে নিষেধ করা হইছিল। এই শেষ বয়সে এসে পছন্দ কি করে থাকবে। 😭😭

আমি ২০১১ সাল থেকে ফেসবুক ব্যবহার করি, কত জনই তো কথা বলতে চাইতো পাত্তা দেইনি কাউকে।
২০১৪ সালে এসে মনে হলো এখন বিয়ের কথা ভাবা যায়।
অনেকেই তো ছিল, কিন্তু বিয়ে করার জন্য এমন একজন কে খুজচ্ছিলাম যে আমাকে বুঝবে। আমাকে চাকরী করতে দিবে।
এ ভেবে কত জনকেই না রিজেক্ট করেছি।
একটি ছেলে যার সাথে আমার ফেসবুকে পরিচয়। আমার ফ্রেন্ড লিস্টে ছিল। যে বাহরাইনে থাকতো। টুকটাক লাইক, কমেন্ট করতো আমার পোস্টে। টুকটাক কথাও হতো ইনবক্সে। সে জানালো সে দেশে আসবে  বিয়ে করার জন্য আমার মত একজনকে খুঁজছে।
ভনিতা না করে বিয়ের প্রপোজাল দিল।
আমি আমার মাকে জানালাম। মা বলল ফ্যামিলি পাঠাতে খোজ খবর এর জন্য।

আমি তাকে জানালাম, কিন্তু আমি খুব একটা সিরিয়াস ছিলাম না। সে প্রবাসী  বলে।
খুব দ্রুত আামাদের বাসার ছেলেটার মা ও বড় ভাই আসল আমাকে দেখতে। তারা এসেই আমাকে পছন্দ করে আংটি পড়িয়ে দিল। কিছু বুঝে উঠার আগেই। আমি আপত্তি করলেও তারা শুনলো না।

ছয় মাসের মধ্যেই ছেলেটা বাংলাদেশে আসলো। আমাদের বিয়ে হয়ে গেল। সব কিছু এতো দ্রুত হয়ে গেলো যে কিছুই ভাবার সময় পেলাম না। তাকে ভালো করে চেনারও সুযোগ পেলাম না। যদিও এই ছয় মাস তার সাথে সব সময় কথা হতো।  কিন্তু ছয় মাসে একজন মানুষ কে অার কতটুকু বুঝা যায়।

আমার হাসবেন্ড এমনিতে খুব ভালো মানুষ। কিন্তু খুব রিজার্ভ মাইন্ডের। তার সব কিছুতেই যেন বাঁধা, এখানে যেও না,  এটা করো না, সেটা করো না। সব কিছুতেই যেন বাঁধা আর বাঁধা। যখন বুঝতে পারলাম তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

বুঝতে পারলাম মেয়েরা যতই লেখাপড়া করুক না কেন,মেয়েরা আসলে একটা খাঁচায় বন্দী।  কখনও  কখনও তারা খাঁচা ভেঙে উড়তে চায়। কেউ কেউ উড়েও, কিন্তু তারা আসলে জানে না তারা যেখানে উড়ে সেই জায়গাটাও অনেক অনেক বড় কোন খাঁচায় বন্দী।😢

সে আমাকে বাধ্য করল বনানীর জব টা ছেড়ে দেয়ার জন্য। কারন অফিস থেকে আসতে রাত ৮/৯ বেজে যেত। সন্ধ্যার সময় রাস্তায় অনেক জ্যাম হতো তাই। হয়ত আমার ভালোর জন্যই বলেছিলো। আমার কষ্ট হচ্ছে ভেবে বলেছিলো।

সে বলল কর্পোরেট জব না, স্কুলে জব নিতে।
ঝামেলা না করে তার কথা মত বাধ্য হয়ে জবটা ছেড়ে দেই। সে আমাকে রেখে তিন মাস পর বিদেশে চলে গেল।

আমি উত্তরাতে থাকতাম বাবা মায়ের সাথেই তাই উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে  সিভি জমা দেই তত দিনে মাস্টার্স কমপ্লিট হয়ে যায়। স্কুল এর জবটাও হয়ে যায়। অালহামদুলিল্লাহ।

তারপর বেশ ভালোই চলছিল। স্কুল এর পাশাপাশি কোচিং ও বাসায় গিয়েও টিউশনি করতাম। সবাই অনেক সম্মান করতো অন্য রকম ভালো লাগতো। আর ইনকামও ভালো ছিল কারন অনেক পরিশ্রম করতাম।  এখানেও ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখতাম, কারন এখানে পজিশন Increment সুযোগ ছিল। এভাবে প্রায় ৪ বছর চলে গেল। তত দিনে নার্সারির অ্যাসিটেন্ট টিচার থেকে ধাপে ধাপে সিনিয়র টিচার এ প্রমোটেট হলাম অালহামদুল্লিাহ। 
স্বপ্ন দেখতাম কলেজ এর টিচার হবো।
বিয়ে হয়েও সেই বিয়ে না হওয়ার মতই চলছিল জীবন বাবা মায়ের কাছে। যদিও অনেক ভালোই ছিলাম। 

🚶‍♀️👨‍👩‍👦 আমার প্রবাস জীবন ও মা হওয়ার গল্প
একদিকে অনেক দেরিতে বিয়ে করা ও হাসব্যান্ড বিদেশে চলে যাওয়া বিয়ের চার বছর চলে যায়। সবাই বেবি নেওয়ার জন্য বলে। হাসব্যান্ড চায় আমি জব ছেড়ে যেন তার কাছে চলে যাই। মা হওয়ার লোভ আমার ও ছিল। তাই অনেক ভেবে স্কুলের জবটা ছেড়ে ২০১৮ সালে বাহরাইন চলে আসি, শুধু একটা বেবির জন্য।
এখানে এসেও কিছু দিন পর একটা চাকুরীতে জয়েন করি। একদিন জানতে পারি আমি মা হতে চলেছি। আলহামদুলিল্লাহ। জবটাও চলছিল বেশ।

হঠাৎ ৫ মাস এর সময় প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে হসপিটালে যাই। ডক্টর চেক আপ করে বলে বেবি টা আর নেই। মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।😢

দুজনেই একটা ধাক্কা খেলাম। কিছুই করার ছিল না। আল্লাহ হয়তো ভাগ্যে এমন টাই লিখেছিল।
একটা বেবির আশায় জব, ক্যারিয়ার ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমালাম। আর সেই বেবিটাই নেই। এদিকে বয়স ও বেড়ে যাচ্ছে।

যদিও আমি জীবনে অনেক বার ভেঙে পড়েছি, অনেক বিপদে পড়েছি, অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি, কিন্তু এই সমস্যাটা আমার জীবন এ অনেক বড় একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াল।
তিনটা বছর খুব খারাপ সময় কাটলো। একটা বেবির জন্য দুজনেই ছটফট করতাম। নামাজ পড়ে চাইতাম আল্লাহর কাছে।

তখন জীবন এর মানেই বদলে গেল। কিসের লেখাপড়া, কিসের জব। সব কিছুই তুচ্ছ মনে হলো। প্রচন্ড হতাশায় কাটছিলো জীবন।  আমার জন্য না। খারাপ লাগতো আমার হাসব্যান্ড এর জন্য। সে বাচ্চা খুব পছন্দ করতো। সারা ঘরময় একটা বেবি খেলা করবে, দুষ্টমি করবে এমনটা ভেবে কষ্ট পেতো। আর মানুষেরও খেয়ে কাজ ছিল না। যাকে কল দিত সবার আগে বেবির কথা জানতে চাইতো।

আমিও  মানুষের কথা শুনতে শুনতে ট্রমাটাইজ হয়ে যাচ্ছিলাম। সারা দিন একা ঘরে থাকতাম আর নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি ঝড়তো।
নিজেকে অনেক ভাগ্যহীনা নারী মনে হতো।  হাসি গুলো, সুখ গুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

আমার বেঁচে থাকাটাই অসহ্য লাগতো। কত দিন যে নামাজ পড়ে আল্লাহ কে বলেছিলাম একটা বেবি দাও না হলে মৃত্যু দাও তার হিসেব নেই।

আর জব করা হলো না বিভিন্ন সমস্যা কারনে। কারন এইখান কার জবগুলো কন্টাক্ট ওয়াইজ, ১ বছর এর ভিসা লাগিয়ে জব করতে হয়। কন্টাক্ট শেষ না হলে জব ছাড়া যায় না। এসব সমস্যার জন্য হাসব্যান্ড চাইতো না জব করি। আমাকে অনেক ভালোবাসে হয়তো তাই আগলে রাখতে চায়।  আমি পজিটিভ দিকটাই ভাবি এখন।

আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ তম অধ্যায় ছিল এ তিন বছর। নিজের হাসব্যান্ড থেকে শুরু করে অনেক মানুষ কেই পাশে পাই নাই আমি। ডঃ ক্লিয়ারলি বলেছিল কারো কোন সমস্যা নেই, তারপরও আমারই যেন দায় ছিল বেশি।

ঐ সময় গুলোতে মাঝে মাঝেই হুট করে মন খারাপ হয়ে যেত।
তার কারণ নিজেও জানতাম না। তখন প্রচুর কান্না করতে ইচ্ছে করত সব কিছু থাকার পরেও মনে হতো কী যেন একটা নেই। 

জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে নাকি আল্লাহর হাতে, আসলেই তাই , আল্লাহ না চাইলে কাউকে জন্ম দেয়ার যোগ্যতা আমাদের নাই। কত অসহায় আমরা,তখন এমন মনে হতো।

কিন্তু আল্লাহ কাউকে নিরাশ করে না।
আল্লাহ আমাকেও ফেরালো না।
একটা কথায় অাছে অাল্লাহর পরিকল্পনা অামাদের চিন্তার চাইতেও বড়।

বিয়ের ৭ বছর পর ২০২১ সালের ১১ই এপ্রিল আমার কোল জুড়ে এলো এক ছোট্ট রাজপুত্র। কি যে ভালো লাগা অনুভূতি যে বাবা , মা হয়েছে সেই বুঝে। কত আকাক্ষিত সন্তান আমার। যাকে পেয়ে আজ আমি পূর্ণ।
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করি হাজার বার,আলহামদুলিল্লাহ।

দোয়া করি আল্লাহ যেন পৃথিবীর কাউকে বাবা মা হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করে।

এখন আমার মায়ের মতো আমার স্বপ্ন আমার ছেলেকে নিয়ে।
তার আগমনে সহায়তা করতে গিয়ে পার্থিব জগতের নিয়মের কাছে আজ আমি বড়ই অসহায়। পৃথিবীটা  অনেক কঠিন জায়গা। প্রতিটি টা মুহুর্তেই যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়।

হিটলারের সেই বিখ্যাত  উক্তি " Life is fight, fight is life"

এই আধুনিক যুগে মায়া মমতা,মানবিকতা অনেকটা নাই বললেই চলে। এমন এক পৃথিবী উপহার দিতে যাচ্ছি, আর এর মধ্যে থেকেই অনেক বড় হতে হবে এবং জ্ঞানের আলো ছড়াতে হবে,সকল অমানবিক,অসামাজিক,লোভ লালসা সহ সকল অপশক্তিকে, ভালো শক্তিতে রুপান্তর করতে হবে। " এই স্বপ্ন দেখি আমার সন্তান কে ঘিরে।

যদিও অামি বাহরাইন প্রবাসী, কিন্তু আমি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নই। অামি একজন গৃহিণী। অামি একজন মা।

সেই থেকে হয়ে গেলাম পুরো দমে হাউসওয়াইফ। স্টুডেন্ট লাইফ থেকে জব করতাম তাই এই ভাবে ঘরে বসে থেকে বোরিং লাগে খুব।
কত স্বপ্ন ছিল, কত কিছু করবো। কিন্তু কিছুই হলো না। তারপরও ছেলেটার মুখের দিকে তাকালে সব দুঃখ ভুলে যাই। আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত আমি পেয়েছি।

ঘরে বসে কি করা যায় ভাবি শুধু।
মাঝে মাঝে ভাবি মেয়ে হয়ে জন্ম নেয়া টাই কি সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকা?

★প্রিয় ফাউন্ডেশনে আসাঃ
ইউটিউব থেকে স্যার এর ভিডিও দেখে জানতে পারি নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের এর কথা।
সময় কাটানোর একটা সুযোগ পাই এখানে। সেশন চর্চা ক্লাস থেকে শুরু করে সবার পোস্ট পড়া, লাইক,  কমেন্ট করা। বিভিন্ন অনলাইন মিট আপে যুক্ত হয়ে অনেক অনেক কিছু জানতে পারছি, শিখতে পারছি ঘরে বসে।

★এই ফাউন্ডেশন থেকে আমার শিক্ষাঃ
এই ফাউন্ডেশন থেকে আমি আমার নতুন জীবন শুরু করেছি৷ স্যারের প্রতি দিনের সেশন অনুযায়ী আমার জীবনকে আমি সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি৷ এই ফাউন্ডেশন যুক্ত না হলে বুঝতেই পারতাম না যে কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়৷

👉ভালো মানুষীর চর্চা করা।
👉মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।
👉জীবনে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা।
👉সময়কে মূল্যায়ন করা।

👉অসৎ কাজ বা ব্যবসা না করা।
👉ধৈর্য্যশীল হওয়া।
👉কথা দিয়ে কথা রাখা এবং কাউকে না ঠকানো।
👉মা বাবাকে সেবা যত্ন করা।

👉অসহায় মানুষের পাশে থাকা।
👉সফল না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকা।
👉নিজেকে ভালোবাসতে শিখা।

স্যার মেয়েদের জন্য এই ফাউন্ডেশনে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছেন। প্রতিটি মেয়েই নিরাপদে কাজ করতে পারে। আমাদের ভাইয়ারাও ভীষন সাপোর্টেট। সবার মাঝেই ভাই বোনের সম্পর্ক।সবাই সবাইকে সাহায্য করে এক সাথে এগিয়ে যাবো,ইনশাআল্লাহ।
কাজী নজরুল ইসলামের সেই কবিতার দুই লাইন মনে পরে গেলো

সাম্যের গান গাই
আমার চোখে পুরুষ রমনী কোন ভেদাভেদ নাই
বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক  তার নর।

আমার এবং আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন,সকলের জন্য অনেক দোয়া, শুভ কামনা, ভালবাসা রইল৷

প্রিয় ভাই ও বোনেরা এতক্ষণ যারা কষ্ট করে আমার জীবনের গল্প পড়েছেন সবাইকে আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আশা করি সকলেই লাইক, কমেন্ট করে আমার পাশে থাকবেন৷
আমার লেখায় যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷

*জীবন থেকে উপলব্ধিঃ-  জীবন নামক শব্দে আছে অনেক উত্থান-পতন। আনন্দ-বেদনা, দুঃখ-কষ্ট, আশা-হতাশা যার নিত্যসঙ্গী। তবু জীবন নৌকায় বসে বৈঠা হাতে পারি দিতে হয় অকূল দরিয়া। যে কোনো সময় আছড়ে পড়তে পারে বড় বড় ঢেউ। আঘাত করতে পারে ঝড়। ঝড়-ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে এ নৌকায় টিকে থাকতে হয়।

জীবনের অর্থ ও ব্যাপ্তি অনেক। জীবনের সমীকরণ সহজ আবার জটিলও। সবাইকে কষ্ট দেওয়া যেমন সম্ভব নয়। অন্যদিকে সবাইকে খুশি রাখাও কষ্টসাধ্য। এই দেনা-পাওনার হিসাব চুকিয়ে চলার নাম জীবন। পাশাপাশি জীবনকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব অামাদের নিজেরই।

★কাজ করছি আই,টি  নিয়ে Zariq এর সাথে। Zariq- একটি সফটওয়্যার কোম্পানি।

আপনার প্রয়োজনীয় যে কোনো সেবা নিতে ভিজিট করুনঃ- http://www.zariq.com.bd/





📌স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে ৮১০
তারিখ ১-০৬-২০২২

বিপাশা জাহান বিপা।
কন্টেন্ট রাইটার এবং ট্রেইনার Zariq Ltd
২৪/৭ লাইভ সাপোর্ট টিম মেম্বার
ব্যাচঃ১৪ তম।
রেজিঃনং ৬৫৫১৮।
জেলাঃ অতন্দ্র গাজীপুর।
বর্তমান অবস্থানঃ বাহরাইন।

আমার  পেজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/Bipas.tech.world/

ফরিদপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি -২০২৪

ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥

পর্দাশীল ঘরোয়া নারী- সফল উদ্যোক্তা

আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।