See More Post

থাকবো একজন সফল উদ্যোক্তা না হওয়া পর্যন্ত

জীবনের গল্প✨✨✨✨
🎤🎤🎤🎤🎤🎤🎤🎤🎤🎤🎤
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,   আমার জীবনের গল্পটা পড়ার জন্য  অনুরোধ রইলো,,,,,,,,,,,

☀️আসসালামু আলাইকুম
                          ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ☀️

       বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
      🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿🎿

👉🤲🤲সকল প্রসংশা সৃষ্টিকর্তা মহান রব্বুল আলামিনের প্রতি যিনি আমাকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন ও সুস্থ রেখেছেন।

👉🤲🤲দুরুদ ও সালাম প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)  এর প্রতি। যিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন সমস্ত মানবজাতির মুক্তি ও কল্যাণের দূত হিসেবে।

👉🤲🤲শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি প্রিয় বাবা-মাকে। যাদের উছিলায় সুন্দর এই পৃথিবীতে এসেছি। বড় হয়েছি তাদের মায়া মমতা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসায়। যাদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব না।

👉 ❤️❤️❤️কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকলের প্রিয় মেন্টর @Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি। যিনি না চাইলে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সেই  টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া   রুপসা থেকে পাথুরিয়া এবংবিশ্বের পঞ্চাশটি দেশ থেকে আমরা সকল ভাই ও বোনেরা  একটি ছাতার নিচে আসার সুযোগ পেতাম না।  যিনি এ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক, শিক্ষক, মোটিভেশনাল স্পিকার, লক্ষ  লক্ষ তরুণ-তরণীর হৃদয়ের স্পন্দন, পথহারা বেকারদের পথের দিশারি,আমাদের স্বপ্নের রূপকার।

👉 🌹🌹♥️♥️শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি প্রিয়  #নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প  প্লাটফর্মের সকল কোর ভলেন্টিয়ার,  মডারেটর, কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর   জেলা অ্যাম্বাসেডর, উপজেলা এম্বাসেডর, কমিউনিটি  ভলেন্টিয়ার,সহ সকল আজীবন সদস্য ভাই ও বোনদের প্রতি। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

--------------------🌺🌺🌺🌺🌺🌺---------------------------

  জীবনের গল্পঃ👇👇

সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সফলতা-ব্যর্থতা প্রভৃতি নিয়েই আমাদের জীবন । আল্লাহ তায়ালা প্রতিটা মানুষের জীবনই নানা সুরে বেঁধেছেন। সকলের  জীবনই নানান নাটকীয়তায় ভরা। আমার ও এর ব্যতিক্রম নয়।  আমার জীবনেও কিছু সুখ, কিছু দুঃখ আছে। সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু অংশ  শেয়ার করবো। ইনশাআল্লাহ।

💥💥জন্ম ও পারিবারিক বৃত্তান্তঃ 👇
১৯৮৮ সালের আগস্ট  মাসের ১৪তারিখে মাদারীপুর  জেলার শিবচর  থানার কাঁঠাল বাড়ী ইউনিয়নে আমার জন্ম। ৩ ভাই ও২বোনের মধ্যে  আমি বড়।  দাদা-দাদী ও নানা-নানির সবচেয়ে বড় এবং  আদরের  নাতি  আমি। চাচাদের ও বড় আদরের ভাইস্তা এবং মামা খালার ও আদরের ভাইগ্না আমি।  তাই সকলের ভালোবাসা একটু বেশিই পেয়েছি। আমার মা একজন আদর্শ মা ও গৃহিণী। আমার বাবা ছিলেন একজন   ক্ষুদ্র   ব্যবসায়ী।

♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️♦️
🌹🌹আমার শৈশব কাটে নানার বাড়িতে  সবার মতো আমার শৈশব ও অনেক সুন্দর কেটেছে। পড়া লেখা ও শুরু করি নানা বাড়ী  থেকেই  ছোট বেলায় ছাত্র হিসেবে খুব ভালো ছিলাম  প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত রোল নং ১ ছিল। তারপর হাই স্কুলে ও ছাত্র হিসেবে মোটামুটি ভালোই ছিলাম  অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করতে সক্ষম হয়েছি।

🌷🌷এবার আসি একটু গভীরে  🌷🌷

আমার বাবা ব্যবসা করতো কাঁচা  মালের। আমার বাবা বাংলাদেশের বিভিন্ন  জেলা থেকে কাঁচা মাল নিয়ে  ঢাকা   যাত্রাবাড়ী আড়তে পাইকারী  বিক্রি  করতেন। হঠাৎ একদিন  ওই মাল ভর্তি ট্রাকসহ মারাত্মক ভাবে  এক্সিডেন্ট হয়  আমার বাবা । সেইসাথে আমার বাবার এক বিজনেস পার্টনার ছিলেন। ওই ট্রাকে ছিলেন আমার বাবা ও তার পার্টনার এবং ড্রাইভার। সেখানে দুইজন নিহত হয়। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আমার বাবা বেচে থাকে।  তবে খুবই মারাত্মক ভাবে এক্সিডেন্ট হয়েছিল। যার ফলে এক বছর পর্যন্ত কোন কাজকর্ম করতে পারেনি। চিকিৎসা করতে গিয়ে প্রচুর টাকা ঋণগ্রস্ত হতে হয়েছিল। অন্যদিকে ট্রাকভর্তি মাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।  এরই মধ্যে পরিবারে অভাব এসে বাসা বেঁধে ফেলল সংসারের হাল ধরার মতো কেউই ছিল না যার ফলে আমার আর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। একদিকে সংসারের হাল ধরা অন্যদিকে বাবার ঋণের বোঝা। এইগুলো চিন্তা করে  বাবার বড় সন্তান হিসেবে লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে বাধ্য হলাম।


🏝️চলুন আমার  কর্মজীবনের দিকে যাই 🏝️

আমার এক আত্মীয়োর মাধ্যমে  ঢাকায়  চলে যাই। লোকাল গার্মেন্টসে কাজ শুরু করে দেই।  এবং সেখানে ছয় মাস কাজ শিখে পরিবারের সাপোর্ট দেওয়া শুরু করি তারই মধ্যে মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আমার বাবা একটু একটু করে সুস্থ্য  হয়ে ওঠেন। আল হামদুলিল্লাহ। প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমি ছোটবেলা থেকেই এক স্বপ্নময়ী মানুষ ছিলাম। স্বপ্ন দেখতে খুবই পছন্দ করতাম।  এখন ও করি।  হঠাৎ একদিন ভাবতেছিলাম আমার এ সাজানো স্বপ্নগুলো শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে? যেগুলো বাস্তবায়ন করার কোন পথ ও  কোন সুযোগ আমার কাছে নেই। তারই মধ্যে  আমার এক  আত্মীয়ের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানির আমন্ত্রণ পাই। 

  🧭আসুন আমার কর্ম  জীবনের দ্বিতীয়পর্বে

তারপরে সেই কোম্পানির মার্কেটিং  প্ল্যান টা দেখে আমার খুব ভালো লেগে যায়। সেখানে যুক্ত হয়ে পার্ট টাইম  কাজ  করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম। কাজটা খুবই আন্তরিকতার সাথে করতে ছিলাম । একটা সময়ে গিয়ে সেখান থেকে কিছু ইনকাম আসতে শুরু করল এবংনিজের সপ্ন গুলো  আরেকটু বড় হতে শুরু করল। তারপর আবেগ প্রীত হয়ে চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কে  ফুলটাইম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। চলতেছিল খুব ভালোই সেখানকার  সফলতার  হাওয়া আমাকে স্পর্শ করতে শুরু করেছিল। 2012 সালে সেই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় । সেই সাথে আমার জীবনে চলে আসে কালবৈশাখী ঝড়। সেই ঝড়ে হারিয়ে যায় আমার কাছ থেকে আমার সেই সাজানো স্বপ্ন   গুলো। নেমে আসে আমার জীবনে অন্ধকার। তারপর হয়ে গেলাম বেকার, হতাশাগ্রস্ত হয়ে  চলে গেলাম নিজের বাড়ি। আমার বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক বেশি ভালো ছিল না তবুও কখনো আমাদেরকে অভাব কি জিনিস  এটা বুঝতে দেয়নি। সব সময় আমাকে সাহস দিয়ে যেতেন। এবং বলতেন কোন চিন্তা  কর না উপরে আল্লাহ এবং আমি আছি। আল্লাহ সব ঠিক করে দিবে।  আসলে প্রত্যেকটা বাবাই এরকম হয়। সকলের  কাছে  আমার বাবা ও মায়ের  জন্য দোয়া চাই।  ওই সময়টিতে নিজের স্বপ্নের সিঁড়ি হারিয়ে বেকারত্বের জীবনে প্রবেশ করে প্রতিরাতে বালিশ ভিজে যেত আমার চোখের জলে,তখন আমার জীবনের দুইটা বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল  । সেই দুইটা বন্ধু হয়তো অনেকের জীবনেই আছে।সেই দুইটা বন্ধুর নাম হচ্ছে 🌿 তুমিও জিতবে🌱 উচ্চাকাঙ্খার ম্যাজিক, যখনই হতাশার ক্লান্তি বেড়ে যেত তখনই এই বই গুলো পড়তাম। যেখান থেকে জানতে পেরেছি আব্রাহাম লিংকনের ঘটনা, বারাক ওবামার জীবনের ঘটনা, টমাস আলভা এডিসন এর বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর ঘটনা, যে ঘটনাগুলো থেকে আমি জানতে পেরেছিলাম যে আমাদের সমাজে প্রচলিত কথা আছে একবার দুইবার তিনবার কোন কাজে ব্যর্থ হলে আমরা মনে করি যে আমার দ্বারা আর হবেনা কিন্তু এই সফল ব্যক্তি গুলোর জীবনের ঘটনা আমাকে  জানান দিয়েছেন, যে একবার দুইবার তিনবার বলতে কোন কথা নেই যতক্ষণ পর্যন্ত সফলতা আমার কাছে  না এসে প্রবেশ করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাকে ট্রাই করতে হবে।  আরো জেনেছি অনেক সফল ব্যক্তিদের জীবনের ঘটনা ।  সেখান থেকে আমি নিজেও মাইন্ডসেট আপ করেছি যতক্ষণ পর্যন্ত সফলতার দ্বারপ্রান্তে না পৌছাবো  আমি জাহাঙ্গীর আলম সেই লক্ষ্যে কাজ করেই যাবো।  মহান রাব্বুল আলামিন আমাকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে তৈরি করেছেন  আমাকে ব্যর্থ করার জন্য নয়। সেখান থেকে জানতে পেরেছি কোনো সফল ব্যক্তিদের জীবনে ব্যর্থতা ছাড়া   কোন সফলতা আসে নি।

  🍁যদি লক্ষ থাকে অটুট বিশ্বাস হৃদয়ে হবেই হবে দেখা হবে বিজয়ে।

🦜 রাত  যত গভীর হয় ভোর, তত নিকটে আসে।
এই স্লোগানটি আমাকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে। এভাবেই চলতে ছিল  খুব  কষ্টে কাটতেছিল ছিল তখনকার সময়। এরপর  ভাবলাম  আমাকে  নতুন কিছু  শুরু করতে হবে.......
কিন্তুু কি করব কোনো আইডিয়া  খুজে  পাচ্ছিলাম না।  হঠাৎ একদিন
আমাদের শিবচর বাজারে গিয়ে দেখলাম একটা নতুন শপিং কমপ্লেক্স হয়েছে। সেখানে দোকান দেখে আমার দোকান নেওয়ার স্বপ্ন সেট হয়ে গেল,এরপর বাড়ি গিয়ে বাবাকে বললাম যে, আমি তো বেকার কোন কাজকর্ম এখনো খুঁজে পাইনি তো শিবচর বাজারে একটা দোকান দেখেছি আমি দোকান টা নিতে চাই আমার বাবার আমার উপরে বিশ্বাস  ছিল  আমার ছেলে আমার টাকা খারাপ কোন জায়গায় নষ্ট করবে না।  বাবা যেভাবেই হোক অতি কষ্টের মধ্য দিয়েও আমাকে দোকানটা নেওয়ার ব্যবস্থা  করে দেয়। দোকানটি নেওয়ার জন্য সবকিছু মিলে প্রায়  সাত লক্ষ টাকা লেগে  যায়। আমার দোকানটি ছিল তৈরি পোশাকের। তারপর ব্যাবসাটি  করতে থাকলাম কিন্তু  মার্কেটটি নতুন থাকার কারণে সেল তেমন ভাল হচ্ছিল না। সেল কম হওয়ার কারনে নিজের খরচ এবং দোকানের যাবতীয়  খরচ  বহন করা সম্ভব হত না। যারফলে লোকসান  হতে থাকে।   তারপরে ও তিনটি বছর সেই দোকান করলাম আস্তে আস্তে  পুরানো হলাম নিজের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙতে শুরু করলো। প্রিয় স্যার একটা সেশনে বলেছেন অধিকাংশ উদ্যোক্তা তার উদ্যোক্তা জীবন থেকে ফিরে আসে সফলতার কাছাকাছি গিয়ে।   যেটা আমার জীবনে ঘটে ছিল।তিন বছর পরে টিকে থাকতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত  হয়ে বাবার দেওয়া 7 লাখ টাকা থেকে মাত্র 2 লক্ষ  টাকা রিটার্ন নিয়ে চলে আসি।  একের পর এক ব্যর্থতার ঘটনা চলতে থাকে  আমার জীবনে।  আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তখন যদি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের  জন্ম হত প্রিয় স্যারের প্রশিক্ষণ গুলো নিয়ে যদি শুরু করতাম তাহলে এই ব্যর্থতা আমাকে স্পর্শ করতে পারতো না।  
আবারও  বেকার হয়ে  গেলাম  আবার বেকারত্বের অভিশপ্ত জীবন থেকে কিভাবে বের হয়ে আসা যায় সেই পথ খুজতেছিলাম।৷  পাচ্ছিলাম না।

  🚗 প্রবাসে যাবার স্বপ্ন বুনন 🚗

এরপর সিদ্ধান্ত নিলাম বিদেশে যাব   ইউরোপে যাব আমার এক আত্মীয়র রেফারেন্সে এজেন্সির মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার প্রসেসিং শুরু করি , আসলে আমরা সমাজের যাকে দালাল বলি সে দালালের মতই কাজটা করে   দালাল আমার সাথে কন্টাক করেছিল তিন মাসের ভিতরে আমাকে ইউরোপিয়ান কান্ট্রি  পোল্যান্ডে নেবে রেস্টুরেন্ট  ভিসায় । তাকে অগ্রিম 2 লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। তিন মাসের জায়গায় নয় মাস হয়ে গেল কোন পজিটিভ রেজাল্ট পাচ্ছিলাম না।  এরপরে দালালের কাছে টাকা রিটার্ন চাই সে কোনভাবেই টাকা রিটার্ন দিচ্ছে না আবার আমাকে অফার করলো এখন  পোল্যান্ড হচ্ছে না তবে ইউরোপের আরেকটা কান্ট্রি আছে মালটা সেখানকার ভিসা খুব দ্রুত হবে সেটা ট্রাই করি   কি আর করার আছে টাকা রিটার্ন দিচ্ছেন না অন্যদিকে ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন।  দালালকে বললাম ঠিক আছে ট্রাই করেন। এখানেও চলে গেল আরো তিন মাস। রেজাল্ট নেই তারপরে বিভিন্ন ভাবে দালালকে চাপ দেওয়ার পরে দালালের কাছ থেকে টাকা উঠিয়ে আনতে আমার অনেক সময় লেগেছিল  এবং দুই লক্ষ টাকা  পাঁচটি ভাগে ভাগ করে আমাকে আনতে হয়েছে। তারপর আরেক এজেন্সি অফার করলো বাইরোডে গ্রীসে যাওয়ার সেখানেও  ট্রাই করলাম সে বলেছিল ইন্ডিয়া থেকে সরাসরি তুরস্ক ফ্লাই  করাবে তুরস্ক থেকে গ্রিস  সেই কথায় একমত হয়ে চলে গেলাম ইন্ডিয়া । ইন্ডিয়া যাওয়ার পরে তার প্রথম কথায় আর কাজে কোন মিল পাচ্ছিলাম না । যার ফলে ইন্ডিয়া থেকে আবার রিটার্ন চলে আসলাম বাংলাদেশে ভেঙে গেল ইউরোপ যাওয়ার স্বপ্ন। এরপরে আবার হতাশ।
 
   🌹তারপরের ঘটনা 🌹
আমার সাথে সাথে আমার পরিবারের ভাই-বোন বাবা-মা সবাই হতাশাগ্রস্থ  হয়ে পড়লো
এরপরেও বাবা তো বাবাই। আমার বাবা আমার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে সৌদি আরবের সিদ্ধান্ত নিলেন। সেখানে ভিসা প্রসেসিং এর সকল কাজ সারলাম  শুধুমাত্র বিমানের টিকিট কাটা বাকি ছিল। এমন অবস্থায় করোনার কারণে  আন্তর্জাতিক  ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেল । লংটাইম বন্ধ থাকার কারণে আমার ভিসা বাতিল হয়ে গেল। কি আর করার আমার আত্মীয় কে  বললাম ভাই আমি বিদেশে যাব না আমার টাকা রির্টান দিয়ে দাও। টাকা যদি একবার কারো কাছে যায় সেই টাকা কি আর রিটার্ন পাওয়া সহজে সম্ভব? তাহলে কি করার আত্মীয় বলে শুধু ধৈর্য ধরেন ধৈর্য ধরেন.....
নিরুপায়  হয়ে শুধু আল্লাহকে বলতাম হে আমার মালিক তুমি আমার জন্য কিছু একটা করো। এরপর অনেকদিন পরে যখন করোনার প্রভাব একটু কমলো সকল অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হল নতুন করে মেডিকেল করে ভিসা প্রসেসিং করে  সকল কাজ সেরে  সৌদি আরবে আসার সুযোগ হলো। আলহামদুলিল্লাহ। সৌদি আরবে এসে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে খুবই ভালো আছি। পরিবারকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি। এরইমধ্যে প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের  ইউটিউবে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের  16 তম ব্যাচের শেষের দিকে রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ হয়।  তারপরে সৌদি আরবের মেসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়ে  প্রিয় স্যারের টানা সেশন চর্চা ক্লাস কন্টিনিউ করে যাচ্ছি। আবার শুরু হয়ে গেল আমার স্বপ্নের যাত্রা।   আমার ঘুমন্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করতে পেরেছিএই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে । প্রিয় স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার ভাষা আমার জানা নেই যতই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি ততই যেন কম হয়ে যায়। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে এই প্রার্থনাই করি সবসময় আমার জীবনে যদি নুন্যতম কোন ভাল কাজ করে থাকি সেই কাজটুকুর উসিলায় আল্লাহ যেন প্রিয় স্যারের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু দান করেন । আমিন।

   🌹আমার  ভবিষ্যৎ  পরিকল্পনা 🌹

🍁আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রবাস থেকেই বাংলাদেশে  ছোট করে প্রথম উদ্যোক্তা জীবন শুরু করা।

🌺আগামী এক বছরের মধ্যে অন্ততপক্ষে দশ জন মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

🌺আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অন্ততপক্ষে পাঁচটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করে100 জন লোকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

🌺আগামী দশ বছরের মধ্যে নিজেকে একটি গ্রুপ অব কোম্পানির  প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা।

🌺তারপরে বড় করে একটি  এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণ করা  যেটার যাবতীয় খরচ আমি নিজেই বহন করবো । ইনশাআল্লাহ।

🏩এই সকল স্বপ্ন দেখার সাহসও সম্ভাব হয়েছে একমাত্র নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন এর  কারনে।

🏝️🏝️প্রিয় গ্রুপ থেকে প্রাপ্তিঃ❤️❤️
আমি #নিজের_বলার_মত_একটা_গল্প এই প্লাটফর্মে যুক্ত হবার পরে যে শিক্ষা নিয়েছিঃ

প্রিয় স্যার বলেছেন, স্বপ্ন দেখুন,  সাহস করুন, শুরু করুন এবং লেগে থাকুন।"

👉স্বপ্ন দেখতে শিখেছি। স্বপ্নের সাথে সাহস করে লেগে থাকা শিখেছি।
👉নিজেকে এবং অন্যকে ভালবাসতে শিখেছি।
👉একজন পজিটিভ মানুষ হবার শিক্ষা পেয়েছি।
👉কিভাবে বিজনেসের জন্য টাকা সেইফ করা যায় জানতে পেরেছি।
👉কিভাবে একে অপরের সহযোগী হয়ে চলা যায় তা শিখেছি।
👉কিভাবে সেল বাড়ানো যায়। কিভাবে কাস্টমারদের সাথে কথা বলতে হয় তা শিখেছি।
👉 মা-বাবার প্রতি আগের চেয়ে অনেক বেশী ভালবাসা বেড়েছে।
👉 নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক লোকের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি।
👉উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী হবার সকল কলা-কৌশল শিখতে পেরেছি।
👉 আত্মবিশ্বাস বেড়েছে নিজের পায়ে দাঁড়াবার।
👉বেসিক স্কিল অর্জন করতে পেরেছি।
👉একটা পরিবার পেয়েছি যেখানে  ভালোবাসার মানুষের সংখ্যা অনেক।
👉একজন ভালোমানুষ হয়ে বেঁচে থাকার আগ্রহ ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।
👉ভুল ধারণা ও সংশয় গুলো কেটে গেছে, মনের ভিতর সাহস ফিরে পেয়েছি

🌹তাইতো লেগে আছি প্রিয় ফাউন্ডেশন এর সাথে, থাকবো একজন সফল উদ্যোক্তা না হওয়া পর্যন্ত এবং নিজের বলার মত একটা গল্প তৈরি না করা পর্যন্ত। ইনশাআল্লাহ্। সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করি

👌আবারো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সময় নিয়ে, ধৈর্য্য ধরে  গল্পটা পড়ার জন্য।

👏ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অনিচ্ছাকৃত  ভুল হয়ে থাকলে।

❤️❤️ভালোবেসে❤️❤️
➡️➡️পাশে থাকবেন⬅️⬅️
➡️➡️পাশে রাখবেন ⬅️⬅️

📌স্ট্যাটাস অফ দ্যা ডে ৮৬১
তারিখ ২৯-০৮-২০২২ইং

🌹মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
🌹ব্যাচঃ ১৬
🌹রেজিষ্ট্রেশন  ঃ৭৯১৪৬
🌹নিজ জেলাঃ মাদারীপুর
🌹উপজেলাঃ শিবচর

🌹 বর্তমান অবস্থানঃ সৌদি আরব রিয়াদ।
🌹ব্লাড গ্রুপঃ A +

ফরিদপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি -২০২৪

ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥

পর্দাশীল ঘরোয়া নারী- সফল উদ্যোক্তা

আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।