আমাদের একটি মূল্যবান সম্পদ আছে যেটা আমরা দেখতে বা মূল্যায়ন করতে পারি না সেটা হলো আমাদের মস্তিষ্ক ও একটি মন যেটা একান্ত আমার নিজের।
চাইলেই আমরা এগুলো ব্যবহার করে আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্তে নিজেরাই পৌছাইতে পারি।
আমাদের প্রিয় মেন্টর ইকবাল বাহার বলেছেন আমাদের মাথা হলো পাঁচশত কোটি টাকার সম্পদ।
একটু ভাবুন নিজের সম্পদ পড়ের কাজে না লাগিয়ে নিজের কাজে লাগানর চেষ্টা করুন।
কিসের ভয়, কিসের লজ্জা, হা একথা সত্য আমরা অনেক সময় শুরু করতে পারিনা যে অন্যরা কি বলবে!
অনেক সময় পরামর্শের জন্য ঘনিষ্ঠজনদের কাছে যেতে হয়।কিন্তু দেখা যায়এরা প্রায়ই উপহাস,পরিহাস,অপমান ও ঠাট্টা করে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে।এতে করে অংকুরেই আমরা ঝরে যাই।
তাই নিজের পরামর্শক নিজেই হতে হবে। এবং মনের মধ্যে রাখতে হবে;
আকাঙ্ক্ষা, সিদ্ধান্ত,আস্থা,অধ্যবসায়,ঐক্যমন দল এবং সংগঠিত পরিকল্পনা।
সকল অর্জনের আরম্ভ বিন্দু হচ্ছে আকাঙ্ক্ষা।
এটাকে প্রতিনিয়ত মনে রাখতে হবে।দুর্বল আকাঙ্ক্ষা দুর্বল ফলাফল বয়ে আনে।এটা অল্প কিছু পরিমান আগুনের মত যা অল্প পরিমান তাপ তৈরি করে।
আমাদের মনের ভিতরে জ্বালাতে হবে আকাঙ্ক্ষার সুবিশাল আগ্নেয়গিরি।
চাকুরি করে হয়ত একটু ভাল থাকতে পারব কিন্তু বিশাল অর্থের বা কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়া যাবেনা।
ধরুন একজন শিকারী শিকার করতে যাবে।সে কোথায় শিকার করতে যাবে?যেখানে পর্যাপ্ত শিকার আছে।সেখানেইত।এই নিয়ম ধন-সম্পদ খোজার ক্ষেত্রেও স্বাভাবিক।
সেজন্যই আমাদের স্যার ইকবাল বাহার বলেন চাকুরি না করে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য।
এই উদ্যোক্তা হওয়ার যতপ্রকার প্রশিক্ষণ আছে দীন রাত নিরলস ভাবে আমাদেরকে দিয়ে যাচ্ছেন বিনামূল্যে গত দুইটি বৎসর ধরে।
তাছারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেমিনার করে নামি দামি স্পিকার এনে আমাদেরকে শিখিয়ে যাচ্ছেন উদ্যোক্তা হওয়ার বিভিন্ন কলাকৌশল। উদাহরণ সরুপ গত ৪ জানুয়ারির মহা সম্মেলন তথা আমাদের ঈদের দীন।যাহারা বিগত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবং আমরা যাহারা প্রবাসে ছিলাম সারাদীন লাইভ দেখছি এবং শুনেছি মূল্যবান বক্তব্য, শিখেছি অনেক কিছু।
কিন্তু এই শিক্ষা তখনি কাজে আসবে যখন কিনা আমি আপনি আমরা আমাদের বাস্তব জীবনে এটার প্রতিফলন ঘটাবো।
একটা কথা সব সময় মনে রাখতে হবে,
কিছু না দিয়ে কিছু পাওয়ার চেষ্টা 'এটার প্রতি অনিয়ন্ত্রিত আকাঙ্ক্ষা।
আমরা বেশিরভাগ মানুষ যেকোন কাজ আরাম্ভ বেশ ভালভাবেই করি,প্রচুর উৎসাহ উদ্দীপনা,কিন্তু যেইনা কিছুদূর আগাই সেই মুখ থুবরে পরে,শেষ হয় দরিদ্রভাবে।
অধিকন্তু পরাজয়ের প্রথম চিহ্ন হচ্ছে আমাদের ত্যাগ করার প্রবণতা। কাজ ছেরে দেওয়া।এমন অবস্থায় অধ্যবসায়,শ্রম, এবং লেগে থাকায় আসে সফলতা।