See More Post

হাটি --হাটি পা -পা করে আজ স্টেটাস অফ দা ডে ৬০০ তম দিনে পদার্পণ

মহান শিক্ষক প্রিয় মেন্টর তার সুকোমল মেধার সুকৌশলে এই প্লাটফর্মে আমাদেরকে নিত্যনতুন জীবনের অপরিহার্য সব শিক্ষা দিচ্ছেন নিত্যনতুন কৌশলে। তারই মধ্যে একটি হচ্ছে স্টেটাস অফ দা ডে।
হাটি --হাটি পা -পা করে আজ স্টেটাস অফ দা ডে ৬০০ তম দিনে পদার্পণ করেছে.। এটা একটা চমৎকার খুশির বিষয় এ প্ল্যাটফর্মের সকলের জন্য।
আজ অবধি কত বার স্টেটাস অফ দা ডে অর্জন করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার তা সঠিক জানা নাই।
আসলে হঠাৎ করেই অত্যন্ত কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে লিখতে বসেছি বলে আমার প্রাপ্ত স্টেটাস অফ দা ডে এর দিন তারিখগুলো এই মুহূর্তে খেয়াল নেই। তবে পরম অনন্য আনন্দের অনুভূতিগুলো আজও আমার হৃদয়ের মাঝে
উঁকি দেয় ঝলমল জোৎসনার মত।
প্রথম স্টেটাস অফ দা ডে এর অনুভূতিটাই আমার হৃদয় পটে স্বর্ণাক্ষরে চির অম্লান হয়ে অবিরাম হৃদয়কে ভীষণভাবে পুলকিত করছে ক্ষণে ক্ষণে। তবে তারপরের গুলিও কম আনন্দ দিচ্ছে না।
যতবার স্ট্যাটাস আফ দা ডে অর্জন করেছি ততোবারই অবাক হয়েছি, বিস্মিত হয়েছি, হয়েছি মুগ্ধ, অজস্র ভালবাসায় হয়েছি সিক্ত,
অভিনন্দন
ের মত আনন্দ ও সম্মানের জোয়ারে ভেসে গেছি নিজের অজান্তেই।
প্রিয় স্যারের এই সিস্টেমের বদৌলতে নিজেকে লাখো মানুষের সামনে পরিস্ফুটিত করার অবাধ সুযোগ পেয়েছি, নিজের যোগ্যতার পরিমাপ করতে শিখেছি। অজানাকে জানার প্রয়াস পেয়েছি।
এই ৫২+বয়সে উপনীত হয়ে ও নিজেকে নতুন ভাবে প্রকাশ করার দুঃসাহস' সঞ্চয় করার প্রয়াস পেয়েছি।
লাখো ভাই বোনের অনুপ্রেরণায়, সম্মান ও ভালোবাসায় নিজেকে উজ্জীবিত করে নেশায় পড়ে গেছি প্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিয়ত সক্রিয় থাকার।
হ্যা, নেশাটা এখন থেকেই-------------
নেশা যেনো ক্রমাগত বাড়ছে, আর এ অনুভূতি আমার প্রতিদিনের উপলব্ধিতে অনবরত ছুটে চলছে দুর্বার গতিতে, যা হয়ত আমাকে নতুনত্বের মেসেজ দেয়।
লেখালেখি টা এখন অনেকটা নেশার মতো কাজ করে, হুম যদি ও এ নেশার গভীরতা অনেক বেশি.... যার ঘোর তখনই কাটে যখন লেখায় বসে পড়ি। আসলে লেখাটা আমার মনে হয় হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষার পরম এক অনুভূতির প্রকাশ।
ভালবাসা নামে শব্দ টা ও খেলা করে লেখার গহীনে।হুম, ভালবাসি ভীষণ ভাবে, আর ভালবাসা টা ই লেখার নেশা। এ ভালবাসার সাথে সখ্যতা জীবনের কোন একটা সময়ে ছিল। দীর্ঘ সময় ব্রেকের পর লেখা নামক ভালবাসাটা আমাকে আবার কাবু করে ফেলছে। আমি এখন লেখার ভালবাসায় হাবুডুবু খাচ্ছি।
এক ঝলক বাতাস বয়ে যায় গাছের মাথায়, পাখিরা ক্রমাগত ডানা মেলছে, ওরা কথা বলে না, ঘাস ছেঁড়ে, ফড়িং খোঁজে, গাছের পাতায় লুকিয়ে থাকা আলো আমার দৃষ্টি কাড়ে, এ নিঃশব্দ সময়টা ও লেখা হয়ে যায়। আমি ভাবছি কোথায় ছিলাম,কোথায় এলাম আবার কোথায় যাবো... বেলা শেষে থাকবে কি আমার ভাললাগার স্মৃতি। আমাকে কি মনে রাখবে আমার না থাকা সময় গুলো। কেনো জানি সমুদ্র টা ভীষন রকম জ্বালায় আমাকে, হয়ত গভীর বলে... প্রথম যখন সমুদ্র দেখতে যাই সে সমুদ্র দেখার অনুভূতি আর লক্ষ কোটি বার সমুদ্র দেখার অনুভূতি কখনও এক হবে না। বার বার দেখছি নীল সাগরের ক্রমাগত ঢেউয়ের খেলা, প্রতিটি ঢেউ জানান দিচ্ছে সে বেঁচে আছে। আমাদের চলমান জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাস এ শব্দ ও জানিয়ে দেয় আমাদের বেঁচে থাকার কথা...
ক্রমাগত হতাশায় আচ্ছন্ন থাকা মানুষ আমি, আজ ক্রমাগত হতাশাকে ক্রমাগত কাবু ও করেছি। জীবনের একটা ভুল সিদ্ধান্ত হয়ত আমাকে জীবনের যাত্রা থেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে নিয়েছে ঠিক, তবে বিলীন করে দেয়নি। আজ আমি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেই শুধু থেমে থাকিনা। শুরু করে দিয়েছিও বটে। এখন শুধু লেগে থাকার পালা ।আর তাই বলেই কিছুটা সফলতার
আলোটা যেন ঐ দেখতে পাচ্ছি খানিকটা দূরে। মনে হয় যেন আরেকটু এগুলোই যেন সফলতার স্বর্ণময় চূড়া স্পর্শ করতে পারবো।
আসলে সত্যি কথা হচ্ছে এই প্ল্যাটফর্মের সকল ভাই-বোনদের দোয়া ভালোবাসা অনুপ্রেরণায় নিজের ভেতরে কনফিডেন্স লেবেল টাও যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে সফলতার আলো দেখতে পায়।
আমরা প্রত্যেককেই স্যারের সেশনগুলো নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি, আসলে এটাও অন্তরে লালন করার ব্যাপার।
যা কখনো কল্পনাও করিনি তার শুরুটা এই প্লাটফর্ম থেকেই।
প্রচন্ড কর্মব্যস্ততা নিয়ে বিক্ষিপ্ত জীবনের এলোমেলো আবেগে প্রিয় প্ল্যাটফর্মের পরম আনন্দময় এসও ডির 600 তম দিনের সত্যি লিখে প্রকাশ করা বিরল তবুও একটু চেষ্টা আরকি।
কোন এক নির্জন দুপুরে দাঁড়িয়ে যখন আমি কষ্টের বোঝা বইতে শুরু করেছিলাম। ধীরে ধীরে তা পাহাড় সমান হতে শুরু করেছিল আর যেনো পারছিলাম না ঠিক তখনই আধো আধো তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় প্রিয় স্যারের হতাশা কাটানোর একটি ভিডিও। যে ভিডিওর সূত্র ধরে আমি প্রানের প্রিয় এই গ্রুপ পেয়েছি।কোন এক পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে একাকিত্ব নির্জনে কান্নার যে অনুভূতি ঠিক সে রকম কান্নায় আবেগাপ্লুত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রেজিস্ট্রেশন করে প্রিয় গুরুপের আজীবন সদস্য পদ লাভ করি।
আমার নেশা বর্তমান একটু বেশি, এ প্লাটফর্মের প্রতি অন্য রকম ভাললাগার জায়গা তৈরি হয়ে গিয়েছে, লেগে আছি, নিজেকে তৈরি করতে। ফলো করছি স্যার এর প্রতিটি সেশন, স্যারের প্রতিটি কথা আমার কাছে মেডিসিন এর মতো, কোন সমস্যায় পড়লেই স্যারের সেশন টা আবার ও ঝালাই করে নেই। আলহামদুলিল্লাহ, উপর আল্লাহ অশেষ রহমতে স্যার এর সেশন থেকেই সমস্যার ও সমাধান পেয়ে যাই। বলেন ,
হবেই না কেনো নেশা ?নেশাটা পজিটিভিটির নেশা, এই নেশাটা লেগে থাকার নেশা, এই নেশাটা ব্রান্ড করার একটা নশা,এই নেশাটা নিজেকে একটি চমৎকারপর্যায়ে দেখতে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এই নেশাটা সামাজিক ও নিজ দায়িত্ববোধ থেকে সকল মানবিক কাজে পৃথিবীর বুকে মাথা গোঁজার জায়গা করে নেয়ার নেশা । মরলেও যাতে নাম থেকে যায় এবং তৈরি করতে পারি নিজের বলার মতো একটা গল্প। এই নেশা গুলো থেকেই লেগে থাকার ফলপ্রসূ হিসেবে টপ টুয়েন্টি স্টেটাস অফ দা ডে আরো বিভিন্ন এচিভমেন্ট পাওয়া এবং প্রত্যাশা। সর্বোপরি আমার স্ট্যাটাস অফ দা ডে হবার পর থেকেই এই নেশা গুলো আমাকে চেপে ধরেছে।
প্রিয় স্যারের শিক্ষার সুর ধরে যদি বলি তাহলে বলতে হয়
সবে তো নেশার শুরু মাত্র। অতীতের আরো অনেক বড় আপু ও ভাইয়া ওনাদের নেশার কথা শুনলে খুব অনুপ্রাণিত হই।
স্যার যখন বলে "প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে একটা গল্প" থাকা দরকার এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ।স্যালুট স্যার আপনাকে।
আলহামদুলিল্লাহ। দোয়া করবেন ভবিষ্যতেও যেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রিয় প্লাটফর্মে প্রিয় ভাই বোনদের সাথে সক্রিয় থেকে নিজের ভালো পারফর্মেন্স দিতে পারি, দোয়া করবেন আমার জন্য।
মানুষ কখনো একা সুখী হতে পারে না, একা সুখে থাকার নাম জীবন নয়, সবাইকে নিয়ে সুখে থাকার মধ্যেই সার্থকতা ও সফলতা ও পরম আনন্দ নিহিত।
তাই আমিও সবাইকে নিয়ে ই সুখের পরম আনন্দ উপভোগ করতে চাই।
অনেক ব্যস্ততার মধ্যে লিখাটি লিখলাম, ভুলত্রুটি থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সবার কাছে অনুরোধ রইলো।
সবাইকে ধন্যবাদ আমার এই লেখাটা আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে পড়ার জন্য। "স্ট্যাটাস অব দ্যা ডে"- ৬০০ Date:- ১৯/০৮/২০২১

মোহাম্মদ দুলাল
কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর সৌদি আরব মক্কা
কমিউনিটি ভলান্টিয়ার
নবম ব্যাচ
রেজিস্ট্রেশন------১১২৫৫
জেলা--শরীয়তপুর/টঙ্গী,গাজীপুর
সৌদি আরব প্রবাসী
শোন---+৯৬৬-০৫৫৯৩৬৯৯২৪

ফরিদপুর জেলা টিম কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচি -২০২৪

ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥

পর্দাশীল ঘরোয়া নারী- সফল উদ্যোক্তা

আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।