মনে পড়লে হাসি আসে), ফাউন্ডেশনে কয়েকদিন বাংলিশ লেখার পর পুরোপুরি বাংলা টাও মোবাইলে লেখা শিখে নিয়েছি, (উল্লেখ্য বাংলিশ লিখেও "স্ট্যাটাস অফ দা ডে" এর আশা করতাম
) ।।। নিজের এতো গল্প জমা পড়ে আছে, দ্বিতীয়বার একই গল্প লেখার দরকার হয়নি। মোবাইল টা তেমন ব্যবহার করতাম না বেশি বেশি, নিজের কর্মক্ষেত্রের এতো এতো কল রিসিভ করে নিজেও বিরক্ত বোধ করতাম, যাইহোক আলাদা একটা মোবাইল নেট চালানোর জন্য ব্যবহার করতাম যার অবস্থা ছিলো বেশি করুন
।।। গল্পতো লিখতেই হবে, প্রতিদিন ৫/৭ লাইন করে লিখে ই-মেইলে জমা করতাম নিজের লেখাটা, এরপর অনেক লম্বা লিখে ৭ দিনে শেষ করতাম একটি গল্প.. এরপর পোস্ট দিতাম। দিনশেষে পোস্টটি সেরা হতো না। তখন মাত্র এই "স্ট্যাটাস অফ দা ডে" এর শুরু।। সিলেকশন গ্রুপের চোখে পড়তাম না, ওই সময় নিজের এতো পরিচিতি ছিলো না। নিজেকে ব্র্যান্ডিং করানোর যথেষ্ট চেষ্টা করছিলাম এটা বললে ভুল হবে।। তখনতো বুঝতামই না ব্র্যান্ডিং কি? যাইহোক তারপরেও মিশন চলমান। আমার লেখাটা সেরা হোক আর না হোক লিখে যাবো কোন এক সময় চোখে পড়লে সেরা পোস্ট হিসেবে বিবেচিত হবে। পাহাড় সমান দুঃখের সুখের ব্যর্থতা ও সফলতার গল্প নিয়ে লিখতে শুরু করলাম সাত দিনে এক গল্প লিখা - সহসা এইভাবে ১৭টা গল্প হারিয়ে গেলো শুধু নিজেকে ব্র্যান্ডিং না করার কারণে। এর মাঝে অনেকবারই দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে লেখা বাদ দিয়ে দিবো চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু স্যারের লাইনগুলো অন্তরে শক্তি দিচ্ছিলো - থেমে যাওয়া যাবেনা, লেগে থাকতে হবে, রিয়েক্ট করা যাবে না ইত্যাদি। সব মিলিয়ে কন্টিনিউ করে যেতাম। চিন্তা করতাম শিখছিতো! এটাই তো সফলতা।।। কিছু না কিছু পাচ্ছি, এটাই ছিলো আমার সেরা পাওয়া। যাই হোক নিজেকে যখন পরিচিত করে ফেললাম বিভিন্ন পারফর্মেন্স এর মাধ্যমে, ঠিক ঐ সময় ধরা দিলো এই "স্ট্যাটাস অব দা ডে" টিও পরিচিতির মাধ্যমে। তখন আমার অনুভূতিটা ছিলো শূন্য, কিন্তু প্রাপ্তিটা ছিলো বিশাল।। ততক্ষণে আমি নিজেকে বেশ গুছিয়ে ও ব্র্যান্ডিং করে ফেলেছিলাম, গ্রুপ কেন্দ্রিক ফাউন্ডেশন এর পারফর্মেন্স ও সাংগঠনিক ভাবে। তবে আমি লিখতাম আলহামদুলিল্লাহ নির্বাচক কমিটিও ফেলতে পারতো না তাদের চোখে পড়তোই।। "স্ট্যাটাস অফ দা ডে" নিয়ে স্যারের পোস্ট দেয়া, লেখার পয়েন্ট ও মান ঠিক রাখা লেখা পেলে, বিচক্ষণ ও ধৈর্যশীল নির্বাচক কমিটি কখনো ফেলতো না। আমিও কন্টিনিউ করে গেলাম এবং পাশাপাশি অন্যদের জন্যেও সিক্রেট কাজে মনোনিবেশ করলাম।।
।। 
"বই" লিখবো, স্যারের সাথে করা তৃতীয় লাইভেও বলেছিলাম। বলেছিলাম অনেক প্রিয়জনদেরও, কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা এবং সময়ের অভাবে বইটি সম্পন্ন করতে পারছিনা।। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।। ফাউন্ডেশনের কয়েকজন লেখকদের সাথেও কথা বলি, কথা বলি কিছু প্রকাশনীর সাথে কিন্তু সেখানেও তাদের সময় কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।। সেইখান থেকে আবার নিজের পিছুটান, তারপরেও জোরপূর্বক চেষ্টা, এরপরে তো না চাইলেও ব্যস্ততা!!! - আমার নিজের সময়টাও কেমন জানি ম্যাচ হচ্ছে না, এদিকে নিজের প্রবাস থেকে ছুটিতে দেশে প্রদার্পন, পরিবার দেখা, নিজের ব্যবসা খাত দেখা এবং নতুন কিছু শুরু করা, সবকিছু মিলিয়ে, বুকে ধারণ করা অনেকগুলো স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দিতে হচ্ছে।।
ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।