❤️❤️আমি তোমার নাম দিলাম শক্ত রশি ❤️❤️
আঁকড়ে আছি শক্ত রশি ধরে। চলার পথে অনেক বার হোচট খেয়েছি, ব্যথা পেয়েছি অনেকবার। কিন্তু থেমে থাকেনি পুনরায় উঠে দাঁড়িয়েছি শুরু করেছি চলতে। জানিনা এই পথ চলায় আর কতবার আমাকে হোঁচট খেতে হবে। এই শক্ত রশি টাকে আঁকড়ে ধরে নিজের ব্যবসা শুরু করে দিয়েছি প্রায় এক বছরের উপর হয়। ব্যবসা করতে গিয়ে শিখেছি অনেক কিছু পেয়েছি অনেক কিছু আর শিকার বাকি রয়েগেছে অনেক কিছু। যখন চারিদিক থেকে হতাশার ছাপ এমন ভাবে নিজেকে আঁকড়ে ধরে তখন মনে হয় এই বুঝি আমি হেরে গেলাম, এই বুঝি আমার পথ চলা থেমে গেল, শেষ হয়ে গেল আমার লক্ষ্যে পৌঁছানোর যে প্রতিজ্ঞা ছিল তাই। কিন্তু পরক্ষনেই আবার যখনই মোবাইল খুলে দেখতে পাই নিজের বলার মত একটি গল্প গ্রুপে আমার মতো সংগ্রামী অনেক ভাইয়েরা যারা কষ্ট করে এতদূর এসেছে এবং এখনো লেগে আছে তখন নিজেকে আবার জীবিত মনে হয়, মনে হয়, না এতো শেষ নয়, এত কেবলমাত্র শুরু। নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হবে, নিজেকে ধরে রাখতে হবে এই যুদ্ধের ময়দানে আমি সফল হব। তখন নিজেকে পুনরায় রিচার্জ করতে গিয়ে প্রিয় ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের পূর্বের দেওয়া পোস্ট গুলো পড়ি, তার ভিডিও গুলো দেখি তখন যেন নিজের মাঝে আলাদা এক এনার্জি কাজ করে যা আমাকে প্রতিনিয়ত বলে "তুমি আরো একটু কষ্ট করো, আরো একটু লেগে থাকো, দেখবে তোমাকে কেউ থামিয়ে দিতে পারবেনা" মন তখন বলে উঠে তুমি পারবে, তুমি পারবে, তুমি অবশ্যই পারবে তোমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে।।
তাইতো আমি নিজের বলার মত একটি গল্প গ্রুপ কে নাম দিয়েছি শক্ত রশি যাকে আঁকড়ে ধরে আমি বেঁচে আছি।
প্রিয় ইকবাল বাহার স্যার, মুখে বলে কিংবা খাতায় লিখে এই অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারবোনা এই জীবনের মানে বুঝাতে আপনি কতটুকু ভূমিকা রেখেছে নিজেকে চিনিয়ে দিয়েছেন সাহস দিয়েছেন সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন হাত ছেড়ে দেননি এর অনুভূতি আজও আমি কোন ভাবে বুঝাতে পারব কিনা জানি না শুধু আপনার কাছে একটাই অনুরোধ দোয়া করবেন শেষ পর্যন্ত যেন লেগে থাকতে পারি।
SOD No: 156
Date: 06.03.2020
মোঃ মুকিত খান
কান্ট্রি এম্বাসেডর সৌদি আরব
মৌলভীবাজার
৫ম ব্যাচ
রেজিস্ট্রেশন নাম্বার 650
মোবাইল +966570409263
রক্তের গ্রুপ AB+
নিজের বলার মত একটা গল্প গ্রুপ
ইনশাআল্লাহ ফরিদপুর জেলার বাকি ৮টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। অনেক বেশি ধন্যবাদ Iqbal Bahar Zahid স্যার কে ॥
আমি রান্নাটা ভালো পারি, রান্নাটা নিয়েই পেজ খুলি অনলাইনে কাজ করি। প্রথম অর্ডার আসছিল পিৎজা ডেলিভারির। আলহামদুলিল্লাহ তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।